ঢাকা, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২১:০০:৩৩

আত্মহত্যা চেষ্টার শাস্তি

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৭:৫৯ পিএম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ রবিবার | আপডেট: ১০:৩৯ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার

আত্মহত্যার প্রবণতা ক্রমেই বেড়েছে চলেছে বাংলাদেশে। দিনে ২৮ জন আত্মহত্যা করেন বলে মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসাব দিলেও অনেক ঘটনা হাসপাতালে লিপিবদ্ধ হয় না বলেও মনোরোগ বিশ্লেষকরা মনে করেন। মানসিক চাপ কমানোর জন্য যেসব সামাজিক উপকরণ থাকা দরকার, সেগুলো না থাকায় আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে বলে মনে করছেন  বিশ্লেষকরা।

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসকে (১০ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্র করে সচেনতার কিছু কর্মসূচি নেওয়া হলেও বিশ্লেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক চাপ কমানোর জায়গা না থাকায় দিন মানসিক রোগ প্রকট আকার ধারণ করছে। ফলে আত্মহত্যার প্রবণতাও বাড়ছে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও পুলিশ সদর দফতরের সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, দেশে প্রতিদিন গড়ে ২৮ জন আত্মহত্যা করেন। সে হিসাবে প্রতিবছর দেশে প্রায় ১০ হাজার মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, আসল সংখ্যা এর চেয়ে বেশি।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, আত্মহত্যা বা আত্মহত্যা চেষ্টা কখনই ইতিবাচক ফল বয়ে আনে না। বরং আত্মহত্যা চেষ্টা এক ধরণের অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

যেকোনো নারী বা পুরুষ ভিন্ন কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে অথবা আত্মহত্যায় ব্যর্থ হলে শাস্তি ভোগ করতে হবে। কেননা বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী আত্মহত্যার চেষ্টা করা একটি অপরাধের শামিল। আসুন জেনে নেওয়া যায়ক আত্মহত্যায় ব্যর্থ হলে কী শাস্তি রয়েছে।

আমাদের দেশে আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে মামলা করা হয়, এমনটি খুবই কম শোনা যায়। আইনটি পুঁথিপুস্তকে থাকলেও বাস্তবে এটি ব্যবহার করা হয় না বললেই চলে।

বাংলাদেশে প্রচলিত আইনে আত্মহত্যাকে কোনো অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে আত্মহত্যার চেষ্টাকে অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে আত্মহত্যাকে নিরুৎসাহিত করতে এ আইন করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় আত্মহত্যার চেষ্টা করলে শাস্তির বিধানের কথা বলা হয়েছে।

আত্মহত্যায় ব্যর্থ হলে শাস্তি

দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করার উদ্যোগ নেয় বা আত্মহত্যার উদ্দেশে কোনো কাজ করে, সে ব্যক্তি এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করবে।

ডব্লিউএন

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি