ঢাকা, শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭ ১৩:৫৫:৩২

গুগল মাইক্রোসফটে চাকরি হচ্ছে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের : কায়কোবাদ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৪:৩২ পিএম, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সোমবার | আপডেট: ০৩:১৬ পিএম, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ বৃহস্পতিবার

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক। দেশের প্রথিতযশা এ শিক্ষাবিদ পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছেন সাউথ  অস্ট্রেলিয়ার ফ্লিনডার্স ইউনিভার্সিটি থেকে। ১৯৯১ সালে বুয়েটে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি কিয়ং হি ইউনিভার্সিটি, কোরিয়া অ্যাডভান্সড ইন্সটিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকংসহ বিদেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসিটিং প্রফেসর হিসেবে কম্পিউটার সায়েন্স ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে পাঠদান করেন। গণিত, কম্পিউটার শিক্ষা ও আইটিতে তার লেখা বহু বই বিভিন্ন স্তরে পাঠ্যপুস্তক হিসেবে পড়ানো হচ্ছে। আইসিটি শিক্ষায় অনন্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি তাকে স্বর্ণপদকে ভূষিত করেছে। ড. কায়কোবাদ বর্তমানে বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির ডিনের দায়িত্ব পালন করছেন। তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে যারা পড়ছেন তাদের চাকরির সম্ভাব্য খাত, সুযোগ ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রফেসর কায়কোবাদের সঙ্গে কথা হয় একুশে টেলিভিশন (ইটিভি) অনলাইনের। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন আতাউর রহমান। শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থিদের জন্য পুরো সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হল-

একুশে টেলিভিশন অনলাইন: এক সময় বিবিএ, প্রকৌশল শিক্ষার প্রতি শিক্ষার্থীদের ঝোঁক ছিল। বর্তমানে কম্পিউটার সায়েন্স, তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের একটা আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এটা কেন?
ড. কায়কোবাদ : আমি যখন ছাত্র ছিলাম তখন দেখেছি মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান বিষয়ে পড়তে চাইত। এখন কিন্তু বিজ্ঞান শিক্ষায় ছাত্রছাত্রীদের আগ্রহ কমেছে। দেশে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের কাজের ক্ষেত্র এখনও খুব একটা তৈরি হয়নি। এটি বিজ্ঞানে ছাত্র হ্রাস পাওয়ার অন্যতম কারণ। বর্তমানে তরুণ-তরুণীরা কম পরিশ্রম করে ভালো বেতনে চাকরিতে প্রবেশ করতে চায়। তাই তুলনামূলক সহজ বিষয়ে পড়তে আগ্রহী হচ্ছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ যেমন-ভারত, চীনসহ বহির্বিশ্বে আইটিতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। আইটি শিক্ষার ব্যাপক প্রসারও ঘটেছে। সেই ছোঁয়া আমাদের দেশেও লাগতে শুরু করেছে। আইটিতে চাকরির সম্ভাবনা দেখেই দেশের শিক্ষার্থীরা এ শিক্ষায় ঝোঁকছে। প্রশ্ন হচ্ছে তরুণদের এ আগ্রহটাকে আমরা কতটা মূল্য দিতে বা কাজে লাগাতে পারছি?

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : তাহলে কী অন্য বিষয়ের মতো আইটি শিক্ষায়ও শিক্ষার্থীরা একটা সময় আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে?
ড. কায়কোবাদ : কম্পিউটার সায়েন্স ও আইটি শিক্ষার্থীদের দেশে ভালো কাজের সুযোগ করে দিতে না পারলে এ শিক্ষায় ছাত্রছাত্রীরা আগ্রহ দেখাবে কেন? আমাদের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের তৈরি সফটওয়্যার দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে না। বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সফট্ওয়্যার করানো হচ্ছে বিদেশী ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে। বিদেশীদের সফ্টওয়্যার কিনতে এবং সেগুলো পরিচালনা ও সার্ভিস চার্জ বাবদ আমাদের প্রচুর ব্যয় গুনতে হচ্ছে। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ভোক্তা হয়ে পড়েছে। উৎপাদক হতে পারছে না। আমরা বিমান পরিচালনায় বিদেশ থেকে এক্সপার্ট নিয়োগ দিচ্ছি। দেশের খনিজ সম্পদ উত্তোলন ও ব্যবস্থাপনায় বিদেশীদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এর মূল কারণ আমরা নিজেদের বিশেষজ্ঞ ও তৈরি পণ্যকে মূল্যায়ন করতে পারছি না।
সরকারি-বেসরকারি লেভেলে গার্মেন্ট সেক্টরকে যতটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে আইটি খাতকে তার একশ’ ভাগের একভাগ গুরুত্ব দেয়া হলেও দেশে প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতো এবং তার ওপর ভর করে অর্থনীতি একটি শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে যেত। আইটি খাতকে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের নীতিনির্ধারকদের একটি সিদ্ধান্তে আসতে হবে। আর সেটি হচ্ছে- দেশের আইটি শিক্ষার্থীদের তৈরি প্রোডাক্ট আমরা ব্যবহার করব। সেটি মানসম্মত না হলেও। তবেই প্রোডাক্টের মানও বাড়বে, কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে। ইসলামী ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংকের সফ্টওয়্যার তো আমাদের লোকদেরই তৈরি। দেশপ্রেম ও দেশীয় তৈরি পণ্যের যথাযথ মূল্যায়নের বলেই প্রতিবেশী দেশ ভারত এগিয়ে যাচ্ছে। যে ভারত একসময় ব্লেড উৎপাদন করতে পারত না, সেই ভারত আজ চাঁদে মঙ্গলে রকেট পাঠাচ্ছে। ভারতের মন্ত্রী-এমপিরা তো বিদেশী গাড়ি ব্যবহার করে না। সেজন্য সে দেশের লোকজনও দেশী গাড়ি ব্যবহার করে। এতে করে কয়েকটি লাভ হচ্ছে- মেধার মূল্যায়ন হচ্ছে। প্রোডাক্টের মান বাড়ছে। দেশের টাকা দেশে থাকছে। উদ্যোক্তা বাড়ছে। শিল্পের বিকাশ ঘটছে। আমাদেরও আইটি ব্যবসায় উদ্যোক্তা বাড়াতে হবে। বেশি বেশি আইটি শিল্প গড়ে তুলতে হবে। তবেই প্রযুক্তি শিক্ষায় ছাত্রছাত্রীরা আগ্রহ ধরে রাখবে।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন: আইটি বিজনেসে নতুন উদ্যোক্তাদের কি ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে?
ড. কায়কোবাদ : নতুন উদ্যোক্তারা সরকারি সহায়তা পাচ্ছে না বলে প্রায়ই অভিযোগ করে আসছেন। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল, দেশের আইটি প্রোডাক্ট ব্যবহার না করে আমরা জাপান, মালয়েশিয়া, চীনের প্রোডাক্ট ব্যবহার করছি। তবে নতুন উদ্যোক্তারা মার্কেটে টিকে থাকবে কিভাবে? দেশে অনেক ভালো মানের প্রোগ্রামার রয়েছে। অথচ গত ১৫ বছর আগে পরিকল্পনা নেওয়া সত্ত্বেও এখনও দেশে বিশ্বমানের কোনো সফ্টওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি গড়ে ওঠেনি। আমাদের চেয়ে অনেক সময় পর পরিকল্পনা নিয়ে ভারতের তামিলনাডু, অন্ধ প্রদেশ ও কেরালায় বিশ্বমানের সফ্টওয়্যার শিল্প গড়ে উঠেছে।
যেখানে তারা নিজেরা সফ্টওয়্যার তৈরি করে নিজ দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশী কোম্পানির কাজ বাগিয়ে নিচ্ছে। বাংলাদেশের বেসরকারি প্রথম শ্রেণীর ২২টি সফ্টওয়্যার ফার্মের বার্ষিক আয় গড়ে ১ কোটি টাকার একটু বেশি। সফ্টওয়্যার ফার্মগুলোর আয়ের এই জীর্ণ দশার কারণ হচ্ছে, প্রযুক্তি খাতে সরকারের বরাদ্দ ও সুদৃষ্টির অভাব।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : আইটি শিক্ষিতদের দেশে চাকরির সুযোগ কতটা তৈরি হয়েছে বলে আপনি মনে করেন?
ড. কায়কোবাদ : একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, পরামর্শ দেওয়ার নাম করে বাংলাদেশ থেকে বছরে ৩২ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে ভারতের লোকজন। অথচ আমাদের কি যোগ্য লোকের অভাব? আমাদের বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিত ইঞ্জিনিয়াররা কি বিদেশে কাজ করছে না? আমরা কি তাদের দেশে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি? একজন আইটি গ্র্যাজুয়েট দেশে ভালো বেতনে কাজের সুযোগ পেলে অথবা নিজস্ব আইটি ফার্মে ভালো সাড়া পেলে দেশ ছেড়ে বিদেশ পাড়ি দেবে কেন? আমাদের নীতিনির্ধারকরা কি সেটি একবারও ভেবে দেখেছেন?
আউটসোর্সিয়ে বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময়ী বাজার। বাংলাদেশের প্রায় ১ লাখ ফ্রিল্যান্সার বিদেশী প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্স করছে। ১ লাখ ফ্রিল্যান্সারকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিতে পারলে তাদের আয়ে আমাদের অর্থনীতির চিত্র পাল্টে যেতে পারে। ধারণা করা হয়েছিল ২০১৫ সালে উন্নয়নশীল দেশে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ কাজ আউটসোর্স হবে। আমরা যদি এর ১০ ভাগ মার্কেটও দখল করতে পারতাম তবে আউটসোর্সিয়ের আয় দিয়ে আমাদের অর্থনীতির চেহারা পাল্টে যেতে পারত। ফিলিপিনে গত আট বছরে সাড়ে চার লাখ কর্মসংস্থান হয়েছে আউটসোর্সিংয়ে। আমি মনে করি বাংলাদেশেও সেই সম্ভাবনা রয়েছে।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : যাদের আইটিতে একাডেমিক শিক্ষা নেই কিন্তু আইটিতে কাজ করতে আগ্রহী, তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কি?
ড. কায়কোবাদ : আইটি পেশাজীবী হতে শিক্ষার্থীদের আইটি ব্যাকগ্রাউন্ডেরই হতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা নেই। নন-আইটি ব্যাকগ্রাউন্ডের একজন শিক্ষিত ছেলেকে ৬ মাস থেকে ১ বছর প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজের উপযোগী করে গড়ে তোলা সম্ভব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইন্সটিটিউটসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আইটিতে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা কোর্স, শর্ট কোর্স চালু রয়েছে। সেখানে কোর্স করেও আইটিকে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব। ওয়েব ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রিসহ বিভিন্ন কাজ করে ভালো উপার্জনের সুযোগ রয়েছে।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন: আমাদের প্রযুক্তি শিক্ষিতরা বিদেশে অথবা বিদেশী কোম্পানিতে কাজ করার কতটা সুযোগ পাচ্ছে?
ড. কায়কোবাদ : আইটিতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা প্রতিবছরই গুগল, মাইক্রোসফট, ফেসবুকের মতো বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে ভালো বেতনে চাকরি পাচ্ছে। আমাদের ছেলেরা জার্মানি, ফিনল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, কোরিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের সফ্টওয়্যার ফার্মে কাজ করছে। স্যামসাং ইতিমধ্যে বাংলাদেশে রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফার্ম খুলেছে। স্যামসাং প্রতিবছর ৬শ’ জন বাংলাদেশী আইটি এক্সপার্ট নিয়োগ দিতে চায়। অথচ তাদের চাহিদা মাফিক মানসম্মত আইটি প্রফেশনাল আমরা সরবরাহ করতে পারছি না। এএমবি, আইবিএম, মাইক্রোসফ্ট ও গুগল বাংলাদেশে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করলে আমাদের দেশের আইটি এক্সপার্টদের কর্মসংস্থান হবে।
দেশে বিদেশী প্রতিষ্ঠানকে আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি আমাদের এই মুহূর্তে বেশি প্রয়োজন হল লোকাল মার্কেটে তাদের কিভাবে ধরে রাখা যাবে, সেটি নিশ্চিত করা। বিদেশী ফার্মগুলো আমাদের দেশে কাজ শুরু করলে বছরে অন্তত ২ থেকে ৩ হাজার ভালো মানের আইটি প্রফেশনালের চাহিদা সৃষ্টি হবে। সেই পরিমাণ লোক সরবরাহের সামর্থ্য কি আমাদের আছে?

একুশে টেলিভিশন অনলাইন: বাংলাদেশ প্রযুক্তির ব্যবহারে কতটা এগিয়েছে?
ড. কায়কোবাদ : তথ্য প্রযুক্তির সূচনায় বাংলাদেশ পিছিয়ে নেই। ১৯৬৪ সালে বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার আসে। বাংলাদেশে হাইটেক পার্ক নির্মিত হয়েছে। অনেক উদ্যোগ নেয়া সত্ত্বেও এগুলোর প্রায় প্রতিটি হয় শুরুতে নতুবা মাঝপথে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছে আবার কোনোটি ব্যর্থ হওয়ার পথে। ব্যর্থতার কারণ নিয়ে কোনো গবেষণা হচ্ছে না। আমরা যদি জরিপ করে দেখি, দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রধানের ডিগ্রি কী, তবে দেখব যে, তাদের বেশিরভাগেরই সংশ্লিষ্ট ডিগ্রি নেই। তবে তারা কিভাবে সেই সেক্টরে প্রত্যাশিত ফল এনে দেবে? এজন্য আইটি শিক্ষিতদের নীতিনির্ধারণী জায়গায় কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : সম্পদের তুলনায় আমাদের জনসংখ্যা অনেক বেশি। প্রযুক্তিগত শিক্ষা দিয়ে এই জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করতে পারি কিনা?
ড. কায়কোবাদ : সারা পৃথিবীর মোট ভূখণ্ডের ১ হাজার ভাগের মাত্র এক ভাগের মালিক আমরা। অথচ দুনিয়ার মোট জনসংখ্যার ২৪ ভাগের একভাগ আমাদের। প্রযুক্তি ও কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে জনসংখ্যাকে সম্পদে রুপান্তর করার বিকল্প আমাদের রয়েছে কি? আমাদের মতো জাপানেরও প্রাকৃতিক সম্পদ অপ্রতুল। তারা শুধু প্রযুক্তির ওপর ভর করে আজ বিশ্বের মধ্যে সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত হয়েছে। তবে আমরা কেন পারব না?

একুশে টেলিভিশন অনলাইন: আমাদের সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ড. কায়কোবাদ : আপনাকেও ধন্যবাদ। একুশে টেলিভিশনের প্রতি শুভ কামনা রইল।


 
 

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি