ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৭ ২১:১০:২১

ঢাবির সহকারী প্রক্টরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:১৯ এএম, ১৩ আগস্ট ২০১৭ রবিবার

ছাত্র প্রতিনিধি ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্যানেল নির্বাচনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনায় এক সহকারী প্রক্টরের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন দুই ছাত্রী। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলের আহ্বায়ক প্রোভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদের কাছে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী দুই ছাত্রী। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সহকারী প্রক্টর।


অভিযোগকারী দুই ছাত্রী প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেত্রী। পৃথক অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, ২৯ জুলাই সিনেট অধিবেশনে শিক্ষার্থীদের কোনো প্রতিনিধি না থাকার প্রতিবাদে তারা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী মুখে কালো কাপড় বেঁধে মানববন্ধন করতে যান। সেখানে ফটকে তালা দিয়ে শিক্ষকরা আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন। শিক্ষার্থীরা একপর্যায়ে ফটকের ভেতরে প্রবেশ করলে শিক্ষকরা তাদের ঘাড় ধরে বের করে দেন এবং ধাক্কাধাক্কি করেন।


অভিযোগপত্রে দুই ছাত্রী আরও উল্লেখ করেন, এ সময় সহকারী প্রক্টর ও চারুকলা অনুষদের সিরামিকস বিভাগের অধ্যাপক রবিউল ইসলাম এক ছাত্রীর গলা জড়িয়ে ধরেন। তাকে ছাড়াতে গেলে অন্য এক ছাত্রীর ওড়না ধরে টান দেন। অভিযোগপত্রে যৌন নিপীড়নকারী হিসেবে শনাক্ত করে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান দুই ছাত্রী।


অভিযোগের বিষয়ে প্রোভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ গণমাধ্যমকে বলেন, দুই ছাত্রীর অভিযোগ পেয়েছি। এ ধরনের অন্যান্য ঘটনায় যেভাবে তদন্ত হয়, এ অভিযোগের বিষয়েও সেভাবে তদন্ত হবে।’ ওই দিনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনেরও একটি তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।


এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক অধ্যাপক রবিউল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেদিন সিনেট ভবনে প্রবেশের গেটটি বন্ধ ছিল। তারা ধাক্কা দিয়ে সেই গেট ভেঙে ভিতরে ঢুকে যায়। যাতে সিনেট ভবনের ভিতরে ঢুকে যেতে না পারে সেজন্য আমরা তাদের বাধা দিই। এ সময় দুটো মেয়ে আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার বুকের কাছে চলে এসে ওড়না পেঁচিয়ে পড়ে এবং চিৎকার চেচামেচি করে। তারা শুধু আমার শরীরের ওপর না, মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক নিজামুল হক ভূইয়ার বুকের কাছে গিয়েও ধাক্কাধাক্কি করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি শিক্ষক। ১৭ বছর ধরে শিক্ষকতা করছি। আমার একটা নীতি আছে। কোনো ছাত্রীকে হয়রানি করার প্রশ্নই আসে না।
//এআর


 
 

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি