ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ৩:০৯:৩৩

তুরস্কে সান্তা ক্লজের সমাধি আবিস্কার!

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৩:৫২ পিএম, ৭ অক্টোবর ২০১৭ শনিবার | আপডেট: ০৫:২৮ পিএম, ১২ অক্টোবর ২০১৭ বৃহস্পতিবার

সান্তা ক্লজের কাহিনী অনেকেরই অজানা নয়। লাল পোশাক, লাল টুপি, সাদা ধবধবে চুল আর সাদা দাড়ির ক্লজ বেরিয়ে পড়তেন ক্রিসমাস ইভে হরিণে টানা স্লেজে করে। সঙ্গে নিয়ে যেতেন ব্যাগ ভর্তি উপহার

তার আবির্ভাব আর উপহার দেওয়ার কাহিনী নতুন কিছু নয়। কাহিনীর মধ্যেই ঘুরে বেড়ান সান্তা ক্লজ। এবার বাস্তবের সান্তাকে খুঁজে পেলেন তুরস্কের নৃতত্ত্ববিদরা। তিনি হলেন সেন্ট নিকোলাস। সম্প্রতি তুরস্কের গবেষকরা সেন্ট নিকোলাসের সমাধি আবিষ্কার করেন।

গবেষকদের দাবি, এ সেন্ট নিকোলাস খুবই উদার মনের অধিকারি ছিলেন। শিশুদের জন্য তার ছিল অনেক স্নেহ আর বুক ভরা ভালোবাসা। তিনি বাড়িতে বাড়িতে শিশুদের জন্য গোপনে উপহার রেখে আসতেন। উপহার দেয়ার রীতিই সান্তা ক্লজের কাহিনীর জন্ম দেয়।

তুরস্কের ডেমরে জেলায় সেন্ট নিকোলাস গির্জার নিচে একটা সৌধের সন্ধান পেয়েছেন নৃতত্ত্ববিদরা। গবেষণা চালানোর সময় সেই সৌধের বিশেষ একটা অংশের খোঁজ মেলে। সে অংশের নিচেই সমাধিটি রয়েছে।

 গবেষকরা জানান, খ্রিস্টাব্দ চার শতকে ভূমধ্যসাগরীয় শহরের এ ডেমরেতেই সেন্ট নিকোলাসের জন্ম। এ বিশপের মৃত্যুর পর তাকে সমাধিস্থ করা হয় মায়রাতে। এ মায়রার উপরেই ডেমরে শহরটি গড়ে উঠেছে।

প্রচলিত বিশ্বাস মতে, এক সময় ইতালির নাবিকরা সেন্ট নিকোলাসের অস্থি চুরি করে বারিতে নিয়ে যায়। বারিতেই তার স্মরণে তৈরি করা হয় ‘ব্যাসিলিকা ডি সান নিকোলা’।

তুরস্কে সমাধি আবিষ্কারের পর আন্তালায়া সার্ভেয়িং অ্যান্ড মনুমেন্টসের কর্মকর্তা সেমিল কারাবায়রাম-এর দাবি, বারিতে যে অস্থি চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়, সেটি অন্য কোনো ধর্মযাজকের। সেটি সেন্ট নিকোলাসের অস্থি ছিল না।

সূত্র: আনন্দবাজার।

 

/আর/এআর


 
 

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি