ঢাকা, শনিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৮ ২২:৫৯:৩২

Ekushey Television Ltd.

পর্দা নামলো বিপিও সামিটের

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৯:০৬ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০১৮ সোমবার | আপডেট: ০৯:২১ পিএম, ১৬ এপ্রিল ২০১৮ সোমবার

বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও)র পর্দা নামলো আজ। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে শতশত তরুণ-তরুণীর অংশগ্রহণ দুদিনব্যাপী বিপিও সামিটকে সাফল্যমণ্ডিত করে তুলেছে। আয়োজকদের ধারণা, এ বারের সামিটে বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণীর স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেশে আউটসোর্সিং এর ক্ষেত্র আরও বাড়াবে। পাশাপাশি সরকার এ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী হবে বলেও ধারণা আয়োজকদের।

২০১৫ সাল থেকে দেশে বিপিও সামিট অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। আউটসোর্সিং বলতে শুধু কল সেন্টার আউটসোর্সিংকে বুঝায় না, বরং টেলিকমিউনিকেশন, ব্যাংক, ইন্সুরেন্স, হাসাপাতাল, হোটেলের ব্যাক অফিসের কাজ, এইচ আর, আইটি, অ্যাকাউন্ট সবকিছুই এর আওতাভুক্ত। আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে এসব কাজ করার বিষয়টি বিপিও নামে পরিচিত।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় গতকাল বিপিও সামিটের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর একে একে ছয়টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আজ সন্ধ্য সাড়ে পাঁচটায় সামিটের সমাপনী ঘোষণা করেন শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু।

সামিটের আয়োজক বাক্য’র সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসাইন একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে বলেন, এ সামিটের মাধ্যমে দুটি প্রাপ্তি আছে। প্রথমত, তারুণ্যের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সরকারকে উৎসাহী করবে বিপিও খাতে বিনিয়োগ করতে। দ্বিতীয়ত, বিপিও খাতে বিশ্বের পাশাপাশি বাংলাদেশ যে ভালো করতে পারে সে বিষয়ে তরুণদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে।সেমিনারের প্রথম দিন নিবন্ধনকৃত অংশগ্রহণকারী ছিল প্রায় সাত হাজার। দ্বিতীয়দিনে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরও বেড়েছে।
এমজে/



© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি