ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭ ৩:১৫:৪৪

পার্লামেন্টে-ই ব্রেক্সিটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত : তেরেসা মে

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০২:০৭ পিএম, ১৪ নভেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার

ব্রিটিশ পার্লামেন্টেই ব্রেক্সিট বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে। তবে কিভাবে তা হবে, সে বিষয়ে পার্লামেন্টের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে বলে ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছেন ‘ব্রেক্সিটের রাণী’ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে।

এর আগে বিলটির প্রতিটি লাইন আলোচনা করবেন সাংসদেরা, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। ব্রেক্সিট বিলটি আইনে পরিণত হওয়ার পূর্বেই শতশত সংশোধনী জমা পড়েছে সংসদে। ইতোমধ্যে দেশটির পার্লামেন্টে বিলটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য নেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার ব্রেক্সিট সেক্রেটারি ডেভিস বলেন, বিলটি সাংসদেরা চূড়ান্তভাবে গ্রহণ করবেন নাকি প্রত্যাখ্যান করবেন সে বিষয়ে সংসদে সিদ্ধান্ত হবে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ছাড়ার পূর্বে অবশ্যই তাদের সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সাংসদেরা এই বিষয়ে পার্লামেন্টে বিতর্ক করার সুযোগ পাবেন।

তবে ডেভিস আরও বলেন, সাংসদেরা বিলটি গ্রহণ করুক আর প্রত্যাহার করুক ২০১৯ সালের ২৯ মার্চের পর যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার ব্রেক্সিট বিলটির মূলনীতিগুলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের পৃথক নির্বাহ ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনগুলোকে যুক্তরাজ্যের আইনে পরিণত করার জন্যই বিলটি মূলত আনা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এতে সংসদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনগুলোকেই হুবহু যুক্তরাজ্যের জাতীয় আইনে পরিণত করতে চায় সরকার। তবে তার আগে সংসদের সমর্থন আদায় করতে চায় সরকার। মূলত, ব্যবসায়ী ও তার দেশের নাগরিকদের যাতে নতুন আইনে কোন সমস্যা না হয়, তাই সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডেভিস আরও বলেন, সংসদ এখন এটাকে গ্রহণও করতে পারে, আবার সংশোধনও করতে পারে।

তবে সমালোচকেরা বলছে, পরিপূর্ণ সংসদের অনুমতি ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে, নতুন আইনগুলো সরকারকে অনকে স্বৈরতান্ত্রিক করে তুলবে।

সূত্র : বিবিসি।

এমজে/এআর

 

 


 
 

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি