ঢাকা, সোমবার, ১৮ জুন, ২০১৮ ১৩:২৮:০৭

Ekushey Television Ltd.

প্রতিকূলতাকে হার মানিয়ে এগিয়ে আসেন যারা

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৩:০৪ পিএম, ১৪ জুন ২০১৮ বৃহস্পতিবার

মানুষকে সেবা দিতে শ্রম দিয়ে যাচ্ছে অনেকেই। অনেকের শ্রমটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে হিরো হয়ে যান। আবার অনেকে নিভৃতে নিরলসভাবে কাজ করে যান সাধারণ জনগণের জন্য। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সিদ্দিক আর সাজ্জাদ। তারা থাকেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। তারা রবি মোবাইল অপারেটরে চাকরিরত। চট্টগ্রামে আবহাওয়া ভালো নয়, রাস্তায় পানি। হয়তো নেমেও যাবে কিন্তু সামনে ঈদের বন্ধ, দোকান হয়তো খোলা থাকবে কিন্তু থাকবে না পরিমান মতো রিচার্জের বান্ডেল অথবা কার্ড অথবা সিম কার্ড, হাসিমুখে বুক সমান পানি ঠেলে এগিয়ে যাচ্ছে সবার কথার আর বিনোদনের জোগান দিতে।

সুমন কাজ করেন টেকনোলজি ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে রাতদিন পরিশ্রম করে চলেন যেনো গ্রাহকের একপলকের জন্যেও ভ্রূ না কুঁচ্কে ওঠে তার কোম্পানির সেবা গ্রহণে। সবাই ঈদের আনন্দে উৎসবে মেতে উঠেছে আর দুইটা দিন পার হলেই আনন্দের ঈদ সবার সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা খাওয়া দাওয়া গল্প আরও কত পরিকল্পনা। কেউ কেউ ইতিমধ্যে তার বাড়ির পথে রাস্তায়, ওদিকে সুমন খবর পেলো নারায়নহাট এ একটি টেকনিকাল সমস্যার কারণে হয়তো অনেক গ্রাহক পড়বেন নেটওয়ার্ক বিপর্যয়ের মধ্যে। যোগাযোগ করতে পারবেন না যাদের সঙ্গে এতদিন ধরে কত প্ল্যান করে রেখেছিল আনন্দের মুহূর্ত তৈরি করার জন্যে।

রাত ১টা। চট্টগ্রামের সুমন চলছে নারায়ানহাটের পথে, যা তার স্থান হতে ১২ কিলোমিটার দূরে। জানে না কেমনে পৌঁছাবে, নৌকা, রিকসা কিনবা কিছুটা পথ হেটে। কিন্তু কাজতো ফেলে রাখা যাবে না, তার দায়িত্ব নিরিবিচ্ছিন্ন নেটওয়ার্কের সম্মানিত রবির গ্রাহকের কাছে।
এমনি কতো গল্প লুকিয়ে থাকে যা হয়তো ফেইসবুকে ভাইরাল হয় না, পায় না স্যালুট লিখা হাজার হাজার কমেন্ট কিন্তু নিরালা নির্ভিতে হাসি মুখে খেটে যায় এই সব নাম না জানা লোকগুলো, হয়তো একটা সেলফি তুলে রাখে নিজের আত্মততৃপ্তির জন্যে।

এসএইচ/



© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি