ঢাকা, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ২১:৪৫:২৫

প্রধানমন্ত্রী চাইলে যে কোনো কাজে সহযোগিতা করবো: নাভিদুল হক

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৯:৩৫ পিএম, ২ ডিসেম্বর ২০১৭ শনিবার | আপডেট: ০৫:১১ পিএম, ৩ ডিসেম্বর ২০১৭ রবিবার

মেয়র আনিসুল হকের ছেলে নাভিদুল হক

মেয়র আনিসুল হকের ছেলে নাভিদুল হক

সস্য প্রয়াত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের ছেলে নাভিদুল হক বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চাইলে আমাদের পরিবার যে কোনো কাজের ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত। আমরা যেকোনো অবস্থায় যেখানেই থাকি না কেন, সব সময় সহযোগিতা করে যাবো।

শনিবার সন্ধ্যায় মেয়র আনিসুল হককে বনানী কবরস্থানে দাফন শেষে ছেলে নাভিদুল হক এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, বাবা যখন খুবই অসুস্থ তখনও তিনি শুধু ঢাকা সিটির কথা বলতেন। শেষবার যখন তার সঙ্গে কথা বলি তখন তিনি সিটির কথা বলতে গেলে আমি তাকে বলি, তুমি শুধু এসব কথাই কি বলবে? এর বাইরে কি আর কোনো কথা নেই? তখন তিনি বলেন, ঠিক আছে তোমার সঙ্গে আর কথা বলবো না।

নাভিদ বলেন, বাবা সব সময় আমাকে বলতেন নাভিদ এই শহরের মানুষদের জন্য এমন কিছু কাজ করতে চাই যাতে করে আগামী পঞ্চাশ বা একশ’ বছর তারা এর সুফল ভোগ করবে। আমি তাকে সব সময় তার কাজের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছি। তিনি যে কোনো কাজের আগে আমার সঙ্গে পরামর্শ করতেন। আমি তাকে প্রত্যেকটি বিষয়ে আলাদা আলাদা পরামর্শ দিতাম।

নাভিদ হক বলেন, বাবা আমাকে আমার জীবন চলার উপযোগী এমন কিছু পরামর্শ দিয়েছেন, যা সারা জীবন আমি মেনে চলবো।

বাবা সব সময় ঢাকা সিটির কথা ভাবতেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাবা বলতেন আমি যদি এর পরে আর মেয়র না থাকি তাহলে মানুষ আমাকে মনে রাখবে? নাভিদ, এমন কিছু করতে হবে যে কারণে মানুষ যুগ যুগ ধরে স্মরণ করবে। আমার বাবা চেষ্টা করেছেন তার পরিকল্পনার আলোকে কাজগুলো শেষ করতে। কিন্তু তিনি সবগুলো কাজ সমাপ্ত করতে পারেননি। তিনি বলতেন, রাস্তা ঘাট, ড্রেনেজ সমস্যা এসব কাজতো বেশি দিন থাকবেনা। শেষ হয়ে যাবে। তাই নতুন পরিকল্পনাগুলো আগামী প্রজন্মের জন্য দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, বাবা খুবই একজন হাসি খুশি মানুষ ছিলেন। তিনি কখনো কাউকে কষ্ট দিতেন না। আমি বলতে পারি তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। নিজের স্বার্থের জন্য কখনো তিনি কিছু করেননি।

বাবা সিটি করপোরেশন থেকে কোনো বেতন নিতেন না। তিনি করপোরেশনের তেল-গাড়ি কিছুই ব্যবহার করেননি। শুধু এই দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে চেয়েছেন। এই সিটিকে স্বপ্নময় নগরে পরিণত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কাজ শেষ করতে পারেননি। তার এই কাজগুলো শেষ করতে হয়ত অন্য কারো চার-পাঁচ বছর লাগতে পারে। বা কেউ এসে তার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করবে।  

 

এসি/টিকে


 
 

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি