ঢাকা, শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭ ৯:২৮:৫৫

বিজিএমইএ’র সময় আবেদনের শুনানি ৫ অক্টোবর

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৩:১৯ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সোমবার

তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ হাতিরঝিলে গড়ে তোলা তাদের ১৬ তলা ভবনটি ভাঙার জন্য আরও এক বছর সময় চেয়ে যে আবেদন করেছে আপিল বিভাগে তার শুনানি হবে অক্টোবর। সোমবার চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বিজিএমইএ-এর কার্যালয় সরিয়ে নেওয়ার আবেদন শুনে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে শুনানির জন্য এই দিন ঠিক করে দেন তিনি।

এর আগে কার্যালয় সরিয়ে নিতে তিন বছর সময় চাইলেও আপিল বিভাগ বিজিএমইএকে ছয় মাসের সময় দেন। আজ সোমবার সেই ছয় মাস সময় শেষ হওয়ার আগেবিজিএমইএ আরও এক বছর সময় চেয়ে গত ২৩ আগস্ট এই আবেদন জমা দেয়।

বিজিএমইএ-এর পক্ষে অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী ও ছিলেন ইমতিয়াজ মঈনুল ইসলাম চেম্বার আদালতে শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

ইমতিয়াজ মঈনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, উচ্চ আদালতে বর্তমান অবকাশ চলায় চেম্বার আদালত ছুটির পরে শুনানির তারিখ ঠিক করে দেন। এর ফলে বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে আপিল বিভাগের নির্ধারণ করে দেওয়া সময়ের পরও আরও প্রায় এক মাস সময় পেল।

জলাধার আইন ভেঙে বিজিএমইএর নির্মিত ১৬ তলা ওই ভবন হাই কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করার পর আপিল বিভাগেও ওই রায় বহাল থাকে। বিজিএমইএ রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করলে তাও খারিজ হয়ে যায়।

শনিবার বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, আদালতের বেঁধে দেওয়া ছয় মাস সময়ের মধ্যে কার্যালয় সরিয়ে নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় বিজিএমইএ আরও এক বছর সময় চেয়ে তারা আবেদন করেছে। তিনি বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। নতুন ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হলেই আমরা চলে যাব। যেহেতু নতুন ভবন সম্পন্ন হতে আরও এক বছর সময় লাগবে। তাই আমরা মহামান্য আদালতের কাছে আরও এক বছরের সময় চেয়ে আবেদন করেছি।

নতুন ভবন নির্মাণের জন্য রাজধানীর উত্তরার ১৭ নাম্বার সেক্টরে অর্ধেক মূল্যে সাড়ে ৫ বিঘা বিজিএমইএকে বরাদ্দ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গত ৭ সেপ্টেম্বর টাকা পরিশোধ করে সেই জমির দলিল বুঝে পেয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান সিদ্দিকুর।

 

//আর//এআর


 
 

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি