ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ জুন, ২০১৭

মেজাজ যখন খিটখিটে

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০২:৩১ পিএম, ১৯ জুন ২০১৭ সোমবার | আপডেট: ০১:৪৮ পিএম, ২০ জুন ২০১৭ মঙ্গলবার

মেজাজ যখন খিটখিটে

মেজাজ যখন খিটখিটে

অল্পতেই ধৈর্যহারা হচ্ছে, সামান্য কথায় এর-ওর সঙ্গে ঝগড়া লেগে যাচ্ছে। অথচ আপনি এমন ছিলেন না। ইদানীং কী এমন হলো যে আপনার মেজাজ এত খারাপ যাচ্ছে? হতে পারে আপনি শারীরিক বা মানসিক কোনো সমস্যায় ভুগছেন?

হঠাৎ মন-মেজাজের পরিবর্তন, আকস্মিক রাগ বা আবেগের বহিঃপ্রকাশ—মানুষের স্বাভাবিক আচরণের মধ্যেই পড়ে। সব দিন তো আর সবার সমান যায় না। হয়ত পারিবারিক বা কর্মক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হচ্ছে বা ভেতরে ভেতরে কোনো উদ্বেগ-অনিশ্চয়তায় ভুগছেন, যা আপনার অস্বাভাবিক আচরণে প্রকাশ পাচ্ছে। কিন্তু এ ধরনের অস্বাভাবিক আচরণ প্রায়ই করতে থাকলে বা টানা এক বা দুই সপ্তাহের বেশি সময় রয়ে গেলে তা চিন্তার বিষয় বটে। সমস্যা সব সময় মানসিক না হয়ে শারীরিকও হতে পারে।

বাইপোলার মুড ডিসঅর্ডারে শুরুতে কেবল অতি-আবেগ বা অতি-রাগ, অতিরিক্ত মেজাজ দেখা যেতে পারে। এর সঙ্গে ভুল বা আজগুবি ধারণা, অনিদ্রা, সন্দেহ, অস্থিরতা ও মনোযোগের অভাব দেখা দেয়। কোনো আঘাত বা শোকের পরও এমন হতে পারে, যাকে বলা হয় পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার। উদ্বেগজনিত সমস্যায় মেজাজ খারাপ থাকতে পারে অনেকের। আকস্মিক মন-মেজাজের এমন পরিবর্তনের সঙ্গে মনের অন্যান্য পরিবর্তন থাকলে প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে কিছু শারীরিক রোগও আছে, যা আপনার মেজাজকে অস্থির করে দিতে পারে।

তাই হঠাৎ মেজাজের পরিবর্তন, অতি-আবেগ বা অতি-রাগের বহিঃপ্রকাশের পেছনে কোনো শারীরিক-মানসিক রোগ লুকিয়ে আছে কি না, ভাবুন। নিজের ওপর অতিরিক্ত চাপ নেবেন না। যথেষ্ট বিশ্রাম নিন ও পর্যাপ্ত ঘুমান। যত ব্যস্ততাই থাক, নিয়মিত ব্যায়াম করুন বা হাঁটুন। যোগব্যায়াম, মেডিটেশন বা রিলাক্সেশন এক্সারসাইজ করতে পারেন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে দু-একটা পরীক্ষা করিয়ে নিন।

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি