ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭ ১৪:০০:০৩

শুধু বিশ্রাম নিতেই এ ছুটি : সাকিব (ভিডিও)

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৪:৩৯ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৮:৪৮ পিএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ বুধবার

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের হঠাৎ ছুটি নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন। হতবাক হয়েছে লাখ লাখ  ক্রিকেটপ্রেমিরা। সারাদেশে ক্রিকেট অনুরাগী সবার মনে একটাই প্রশ্ন, এটা কি নিছকই বিশ্রাম নাকি অন্যকিছু।  হঠাৎ কি এমন হল যে, সাকিব ছয় মাসের জন্য টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিশ্রামে যেতে চাচ্ছেন! অবশেষে সেই সাকিব-ই  জবাব দিলেন সব প্রশ্নের। তিনি জানান, আগামী দিনগুলোতে দীর্ঘ সময় ভালোভাবে খেলতে শারীরিক সুস্থ্যতার জন্য এ ছুটি আমার জরুরি ছিল।

আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীর ডিওএইচএসের নিজ বাসায় সাংবাদিক সম্মেলনে সাকিব জানান, দলকে দীর্ঘ সময় সার্ভিস দেয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ছয় মাস ছুটির কারণে পাঁচ বছর বেশি দলে খেলতে পারব।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘আমার আরও অনেকদিনের খেলার বাকী আছে। আমি যদি ভালোভাবে খেলতে চাই ; তাহলে আমার এ রেস্টটা জরুরি। এখন আমি চাইলেই খেলতে পারি। আমার কথা হচ্ছে আপনারা কী চান? আমি একাধারে ৫  থেকে ৭ বছর খেলি নাকি ১ থেকে ২ বছর খেলি?’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি যেটা মনে করি যে, আমি যদি এভাবে খেলতে থাকি, তাহলে হয়তো এক থেকে দুই বছর পরে আমি আর এভাবে খেলতে পারবো না। তাই আমি মনে করছি এভাবে খেলার থেকে না খেলাই ভালো। যতদিন খেলবো আমি যেন  ভালোভাবে খেলতে পাারি। এটাই আমার টার্গেট। আর এ কারণই এ বিরতিটা নেওয়া হচ্ছে। এই বিরতিটা যদি হয় তবে আমি আবার চাঙ্গা হয়ে খেলতে পারবো। তখন আমি ফিজিক্যালি চেয়েও মেন্টালি বেশি ফ্রেশ থাকবো। যাতে করে আগামী ৫ বছর আমি ভালোভাবে খেলতে পারবো।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, দেখেন আমি যদি ১টা থেকে ২টা টেস্ট পরেই যায়, তবে আমার কিন্তু একটা বিরতি হয়েই গেল। এ বিরতি গত ৩ থেকে ৪ বছরে আমি পায়নি। এটা আমার জন্য অনেক বড় একটা বিরতি। আমি মনে করি।

ছুটির আবেদন মঞ্জুর করা বোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আমার কথাটা বুঝতে পারায় বিসিবিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি বিসিবিকে বুঝিয়ে বলেছি যে, কী কারণে আমি ছুটি চাচ্ছি এবং তারা ওটা  শুনে মনে করেছে যে হ্যাঁ ঠিক আছে, ওর আইডিয়া ভালো। আমি মনে করি আমার শরীরের কন্ডিশন অন্য যে কারো চেয়ে আমি বেটার (ভালো) বুঝতে পারবো।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের মতো এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ছুটিতে যাওয়াটা কতটা যুক্তিযুক্ত এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কখনও মনে হয় নাই যে এটা আনইথিক্যাল (অনৈতিক) কিছু। সে কারণেই আমার মনে হয় তারা (বিসিবি) এ জিনিসটি গ্রহণ করেছে। এখন পর্যন্ত তারা (বিসিবি) দুইটা টেস্ট থেকে বিরতি নেওয়া অনুমতি দিয়েছে।’

এদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেছেন, ‘সাকিব না থাকায় দল ব্যাকফুটে থাকবে। তার অভাববোধ হবে; কিন্তু কি আর করা? সে বিশ্রাম চেয়ে ছুটি চেয়েছে। বোর্ডও ছুটি মঞ্জুর করেছে। তাই তাকে ১৫ জনের দলে রাখা হয়নি। তবে সাকিব চাইলে দ্বিতীয় টেস্টেই দলে ফিরতে পারবে।’

ভিডিও দেখুন

আরকে/টিকে


 
 

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি