ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭ ১৯:২৯:৩৬

‘শেখ হাসিনা সেনানিবাস স্থাপন’প্রকল্পের অনুমোদন

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:৪৯ পিএম, ১৪ নভেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার

বরিশালে ‘শেখ হাসিনা সেনানিবাস স্থাপন ’ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে এক হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা ব্যয় হবে। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।

একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় সেনানিবাস স্থাপন প্রকল্পসহ মোট দশটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।  এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে তিন হাজার ৩৩৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে তিন হাজার ৩১৮ কোটি ৩৯ লাখ এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

একনেক সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল , বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯টি ডিভিশনের আওতায় দেশে এখন ৩০টি সেনানিবাস রয়েছে। তবে দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ উপকূলীয় এলাকা বরিশাল ও পটুয়াখালীতে সেনানিবাস নেই।  তাই এখানে এ প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়েছে।’

তিনি আরোও বলেন , ‘মংলা বন্দরের অবস্থানগত কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল ও  দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ ভারত, নেপাল ও ভুটানের মালামাল হ্যান্ডলিং ও পরিবহনের সুযোগ রয়েছে। পদ্মা সেতু, খুলনা-মংলা পর্যন্ত রেল লাইন, খানজাহান আলী বিমান বন্দর, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মংলা এলাকায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার পর এই বন্দরের গুরুত্ব আরও বেড়ে যাবে ।’

প্রকল্পের বিবরণী থেকে জানা যায়, প্রকল্প এলাকাটি চরাঞ্চল হওয়ায় সেখানে জনবসতি গড়ে ওঠেনি। ফলে ঘরবাড়ি কিংবা স্থাপনার জন্য কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বাসনের প্রয়োজন পড়বে না। প্রস্তাবিত সেনানিবাসে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে প্রায় ১৭ হাজার। প্রকল্প ব্যয়ের পুরো খরচ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে।

একনেক সভায় অনুমোদন পাওয়া অন্য প্রকল্পগুলো হলো মোংলা বন্দর চ্যানেলের আউটার বারে ড্রেজিং প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৭১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। শালিখা (মাগুরা)-আড়পাড়া-কারিগঞ্জ (ঝিনাইদহ) জেলা মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও মজবুতিকরণ প্রকল্প, এতে ব্যয় হবে ১০৯ কোটি ৮০ লাখ, বরিশাল (দিনারেরপুল)-লক্ষীপাশা-দুমকী জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙ্গামাটি নদীর উপর গোমা সেতু নির্মান প্রকল্প, এর ব্যয় হবে ৫৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা।

এছাড়া বৃহত্তর খুলনা ও যশোর জেলা ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্প, বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১২৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। বৃহত্তর বগুড়া ও দিনাজপুর জেলা ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্প, এতে ব্যয় হবে ৮৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। ভেড়ামারা (বাংলাদেশ)-বহরমপুরের(ভারত) দ্বিতীয় ৪০০ কেভি ডাবল সার্কিট সঞ্চালন লাইন (বাংলাদেশ অংশ) নির্মান প্রকল্প,এতে ব্যয় হবে ১৮৯ কোটি ৩১ লাখ, জাতীয় চিত্রশালা এবং জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্রের সম্প্রসারণ ও অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকরণ প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩৭ কোটি ৯৬ লাখ, ঝিনাইদহ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন (৩য় সংশোধিত) প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা এবং ইনস্টিটিউট অব বায়োইকুভ্যালেন্স স্টাডিজ এন্ড ফার্মাসিটিক্যাল সাইন্সেস প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্প, এতে ব্যয় হবে ৯০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

 

সূত্র: বাসস

 

একে//এম

 

 

ফটো গ্যালারি


 
 

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি