ঢাকা, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ২১:৩৯:৪২

‘সমুদ্রসম্পদ আহরণের মাধ্যমে ঘটবে অর্থনৈতিক বিপ্লব’

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৭:১৪ পিএম, ২৮ নভেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৭:১৬ পিএম, ২৮ নভেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার

গোলাম শফিউদ্দিন

গোলাম শফিউদ্দিন

আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে মিয়ানমার ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হওয়ায় বাংলাদেশ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ২০০ নটিক্যাল মাইলের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কর্তৃত্ব পায় একইসঙ্গে চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠারও অধিকার পায়

বাংলাদেশের সমুদ্র তলদেশ ও এর তীরবর্তী উপকূলীয় এলাকায় অফুরন্ত সম্পদের সম্ভাবনা রয়েছে। তেল-গ্যাসসহ নানাবিধ সম্পদের হাতছানি রয়েছে এ সমুদ্রবক্ষে। এছাড়া সমুদ্র-নদী থেকে আহরিত মৎস্য সম্পদে জীবিকা নির্বাহ করে লাখো মানুষ। লবণ চাষ, শুঁটকি উৎপাদন, কাঁকড়া চাষ, চিংড়ি চাষ করে বহু মানুষ বেঁচে আছেন। সমুদ্র সৈকতের খনিজ সম্পদ ঘিরে রয়েছে এই জনপদের আরেক সম্ভাবনা। পর্যটন খাতেও উপকূল জুড়ে রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা।

এসব সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান অভিযান পরিচালনায় সরকার চলতি বছরের জানুয়ারিতে গঠন করে ব্লু -ইকোনমি সেল। যে সেলের মাধ্যমে ১৭টি মন্ত্রণালয় ও ১২টি অধিদফতরকে সমুদ্রসম্পদ অনুসন্ধান কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়। এতোদিনে এ সেলটি অস্থায়ী থাকলেও এখন স্থায়ী সেল হিসেবে গঠনের প্রস্তাব সংসদীয় কমিটিতে উত্থাপন করা হয়েছে। সম্প্রতি কথা হয় সেই ব্লু -ইকোনমি সেলের মূল সমন্বয়ক অতিরিক্ত সচিব গোলাম শফিউদ্দিন এনডিসির সঙ্গে। একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সমুদ্রবক্ষে বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশে বিদ্যমান অফুরন্ত প্রাকৃতিক সম্পদের অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের কাজের মধ্যে সমন্বয়ের কাজ করছে ব্লু-ইকোনমি সেল। আগামীতে একটি জাহাজ ক্রয়ের প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে। এটি হলে খুব শিগগিরই আমরা সমুদ্রসম্পদ সম্পর্কে সঠিক ধারনা পাবো। আশা করি, সমুদ্রের সম্পদ আহরণ করতে পারলে আগামীতে বাংলাদেশ ব্লু -ইকোনমিতে বিল্পব ঘটাতে পারবে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন একুশে টেলিভিশন অনলাইন প্রতিবেদক রিজাউল করিম। 

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : ব্লু -ইকোনমি সেল সম্পর্কে যদি কিছু বলেন?

গোলাম শফিউদ্দিন : ব্লু -ইকোনমি সেল একটা প্লাটফর্ম। ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারিতে এটি গঠন করা হয়। দেশের ১৭টি মন্ত্রণালয় এবং ১০টি অধিদফতর এই প্লাটফর্মের আওতায় কাজ করে। গঠনের সময় এ সেলের তত্ত্বাবধানে দায়িত্ব দেওয়া হয় সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিবকে। যেখানে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রিয়ার এডমিরাল খোরশেদ আলম। এছাড়া এই সেলের বিভিন্ন দায়িত্বে রাখা হয় একজন নেভির কমোডর, একজন যুগ্ম সচিব, দুইজন উপসচিব, ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতরের একজন উপপরিচালক, পেট্রোবাংলার একজন উপ-মহাব্যবস্থাপকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের স্টাফদের।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : সেল গঠনের উদ্দেশ্য ও এর কাজ সম্পর্কে যদি বলতেন?

গোলাম শফিউদ্দিন : আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হওয়ায় বাংলাদেশ ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ২০০ নটিক্যাল মাইলের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কর্তৃত্ব পায়। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠারও অধিকার পায়। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) পূরণের জন্য আমাদের সামুদ্রিক সম্পদ অনুসন্ধান ও আহরণে সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। কেননা এসডিজির ১৪ নম্বর ধারায় টেকসই উন্নয়নের জন্য সামুদ্রিক সম্পদের অনুসন্ধান ও সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।

সরকারের সেই গুরুত্বের আলোকে সামুদ্রসম্পদ অনুসন্ধান ও আহরণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরগুলোর প্রয়োজনীয় কাজের সমন্বয় সাধনে একটি প্লাটফর্ম দরকার ছিল। যে প্লাটফর্ম বা সেল ব্লু -ইকোনমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরগুলো কে কী কাজ করবে, কতটুকু করবে, সে বিষয়ে সমন্বয় সাধন করবে। তাই বলা যায়, সমুদ্রসম্পদ অনুসন্ধান ও আহরণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরগুলোর কাজের সমন্বয় সাধনের উদ্দেশ্যেই ব্লু -ইকোনমি সেল গঠন করা হয়েছে। আর গত ১০ মাসে এ সেল সমন্বয়ের কাজটিই করে যাচ্ছে।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : সেল গঠনে গত ১০ মাসে অর্জনটা কী? সমন্বয়ের মাধ্যমে অনুসন্ধান কাজ কতটুকু আগানো সম্ভব হয়েছে?

গোলাম শফিউদ্দিন : ব্লু -ইকোনমি নিয়ে আসলে আমাদের এখনও কোনো সার্ভে হয়নি। এটা একটা মাল্টি সেক্টরাল এ্যাপ্রোস। ব্লু -ইকোনমি সেল মন্ত্রণালয়গুলোর কাজের সমন্বয় করছে মাত্র। সরাসরি কোথাও কিছু করছে না।

তবে এতোদিন এটা অস্থায়ী সেল ছিল। এখন স্থায়ী সেল গঠনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে সংসদীয় কমিটিতে। গত ১০ মাসে অস্থায়ী ব্লু -ইকোনমি সেল হিসেবে বিভিন্ন সেমিনার-সিম্পোজিয়াম ও বিভিন্ন আন্তঃমন্ত্রণালয়ে সভা-সেমিনার করেছে। তাতে মন্ত্রণালয়গেুলোর মধ্যে কাজের গতি এসেছে। দ্রুত আমরা সমুদ্রসম্পদ অনুসন্ধানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

কাজের অগ্রগতি বলতে বিগত সময়ে আমারা যথেষ্ট এগিয়েছি। সেটা হলো, আমরা একটা রোডম্যাপ করে আগাচ্ছি। আন্তঃমন্ত্রণালয়েরও একটা মাইলফলক আছে। কোন মন্ত্রণালয় কোন কোন কাজ হাতে নিয়েছে, কোন সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করবে, ১৭টা মন্ত্রণালয়ের সবগেুলোই তাদের কাজের পরিকল্পনা জমা দিয়েছে। মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রয়েছে ১২টি অধিদফতরও। ২ মাস পরপর মিটিং করে তাদের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করি। প্রথম দিকে তারা তো সময়ই দিতো না। তারা দোহাই দিতো ৫ বছর তাদের সময় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের কথা ছিল, ৫ বছর কখন থেকে? আমি তো ২০ বছর পরও বলতে পারি আমার হাতে ৫ বছর সময় দেওয়া হয়েছে। আমাদের রোডম্যাপের মিটিং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে হয়। আর সমন্বয় সভা হয়েছে ৩টা। প্রতি ২ মাস অন্তর অন্তর কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছি। এখন সবাই জানতে পারছে যে, কে কী কাজ করছে। আমাদের প্রতি ১ মাস অন্তর অন্তর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠাতে হয়। এটাই গুরুত্বপূর্ণ অর্জন আমাদের জন্য।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার মধ্যে কী পরিমাণ সম্পদ আছে, তার কোনো ধারনা বা পরিসংখ্যান আছে কী না?

গোলাম শফিউদ্দিন : কী পরিমাণ সম্পদ আমাদের আছে তার কোনো হিসাব করা হয়নি। তবে একটি জাহাজ কেনার প্রকল্প পরিকল্পনায় নেওয়া হয়েছে। জাহাজ কেনা সম্ভব হলে সমুদ্রে অনুসন্ধান শুরু হবে। তখনই বলা যাবে, সমুদ্রে আমাদের কী পরিমাণ সম্পদ আছে।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : আপনি বলছিলেন স্থায়ী ব্লু-ইকোনমি সেল গঠনের কথা, আসলে এটি গঠনের ব্যাপারে কোনো সুনির্দিষ্ট সময় দেয়া হয়েছে কী না?

গোলাম শফিউদ্দিন : স্থায়ী ব্লু -ইকোনমি সেল গঠন করতে হলে আগে ন্যাশনাল ব্লু -ইকোনমি অথরিটি বা বাংলাদেশ ব্লু -ইকোনমি অথরিটি আইন তৈরি করতে হবে। আইন তৈরি করার পরই পৃথক স্থায়ী ব্লু-ইকোনমি সেল গঠন করতে হবে। তবে এটা কবে নাগাদ হবে, তা সুনির্দিষ্ট করে বলা যাবে না। ৫ থেকে ৬ মাস লাগতে পারে। কারণ এটা গঠনের আগে অনেক কাজ আছে।বেশকিছু ইন্টার মিনিস্ট্রিয়াল কনসালটেন্স লাগবে।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : স্থায়ী সেল গঠনের আগে আইন প্রণয়নে কোনো প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে কী না?

গোলাম শফিউদ্দিন : অনেক সময় অনেক কথা সংসদে হয়। কিন্তু সিদ্ধান্তগুলো খুবই ইমপেরিক্যাল না হলে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়। মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন বিষয় থাকে, তখন দেখা যায়, উচ্চ পর্যায়ে নির্দেশনা পাওয়া সত্ত্বেও কাজ আটকে যায়। কোনো জটিলতা না থাকলে এ ব্যাপারে শিগগিরই নির্দেশনা আসবে। অন্যদিকে আইন প্রণয়নে শিগগিরই হাত দেওয়া হতে পারে।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : ব্লু -ইকোনমি সেলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

গোলাম শফিউদ্দিন : আমাদের কয়েকটা বিভিন্ন ক্যাটাগরির জাহাজ কেনার পরিকল্পনা আছে। এর মধ্যে ২টা জাহাজের একটি হচ্ছে বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ভূতাত্বিক জরিপ অধিদফতরের মাধ্যমে। কেননা আমাদের দেশের মাটির নিচে থাকা সম্পদ আহরণের কাজ ভূ-তাত্বিক জরিপ অধিদফতর দেখে। এ জাহাজের মাধ্যমে সমুদ্রের তলদেশে খনিজ সম্পদ আদৌ আছে কী নেই, সেটা জানা যাবে।

অন্যদিকে পেট্রোবাংলা এবং বাপেক্স আরেকটা জাহাজ কেনার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এ জাহাজটি কেনার প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। গভীর সমুদ্রে তেল এবং গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ পেট্রোবাংলা ও বাপেক্স করে থাকে। বাপেক্সের কেনা এ জাহাজকে বলা হয় মাল্টি রোল ভ্যাসেল। এটি কিন্তু নতুন জাহাজ নয়, ব্যবহৃত জাহাজ। এ জাহাজ দিয়ে বিভিন্নমুখী গবেষণা আমরা করতে পারবো। মাল্টি রোলের মধ্যে টুডি এবং থ্রিডি সাইজ মিক্স জরিপ করার যন্ত্র ও বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক গবেষণাগার থাকবে।এ জাহাজে একাধিক বিভাগ একসঙ্গে কাজ করতে পারবে।

জাহাজ কেনার জন্য যে কনসালটেন্স নিয়োগ বা যাদের কাছ থেকে জাহাজ কেনা হবে- তাদের প্রস্তাবনা যাচাই-বাছাই হচ্ছে। আগামী ২০১৮ সালের মধ্য জাহাজ কেনার বিষয়টি এগিয়ে নেয়া হবে।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : কোন দেশ থেকে জাহাজটি ক্রয় করা হবে?

গোলাম শফিউদ্দিন : এটা অনুমোদনের আগে বলা যাবে না। ১০টির মতো দেশ প্রস্তাবনায় আছে। যাদেরটা গ্রহণযোগ্য মনে হবে তাদেরটা গ্রহণ করা হবে। তবে স্পেন, নরওয়ে ও জার্মানের মতো ইউরোপিয়ান দেশকে প্রাধান্য দেয়া হবে।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : ব্লু -ইকোনমি সেলের কাজ এগিয়ে নিতে কোনো প্রতিবন্ধকতা আছে কী না?

গোলাম শফিউদ্দিন : ব্লু -ইকোনমি সেলের কাজ এগিয়ে নিতে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা লোকবল সংকট। আমাদের এখানে ২৫ জন লোকবল দেওয়ার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত মাত্র ১০ জন পেয়েছি। এ ছাড়া আমাদের এখানে এ মুহুর্তে কোনো প্রশিক্ষিত জনবল নেই। আমাদের আগে প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করতে হবে। কারণ পুরো বিষয়টি নতুন। তাই আমরা প্রশিক্ষণের বিষয়টি নিয়ে জোর দিচ্ছি। আমরা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে প্রস্তাবনা পেশ করেছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাদের বলছে, আমরা আগে একটা পর্যায়ে যাই। তারপর জনবলসহ প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যাবে।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : সমুদ্রসম্পদ আনুসন্ধান ও আহরণ মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা

কতটুকু?

গোলাম শফিউদ্দিন : সোজা কথায় সমুদ্রে যে বিশাল সম্পদের ধারনা আমরা করছি, অনুসন্ধানের মাধ্যমে তার বাস্তবতা পাওয়া গেলে বাংলাদেশ আগামীতে হয়ে উঠবে ব্লু -ইকোনমিতে সমৃদ্ধ এক দেশ।

একুশে টেলিভিশন অনলাইন : একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

গোলাম শফিউদ্দিন : আপনার মাধ্যমে দর্শক, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীসহ একুশে টেলিভিশন পরিবারের সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

/ডিডি/ এআর


 
 

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি