ঢাকা, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৮:৪৯:৩৮

সাতদিন পর খুলছে লেকহেড স্কুল: অধ্যক্ষ থাকছেন সেনা কর্মকর্তা

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১২:৩৪ পিএম, ৫ ডিসেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৭:২৫ পিএম, ৫ ডিসেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার

জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বন্ধ থাকা লেকহেড গ্রামার স্কুলের ধানমণ্ডি ও গুলশান শাখা খুলে দিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায় আরও সাত দিনের জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। এ সময়ের মধ্যে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারকে সভাপতি ও স্কুলের অধ্যক্ষ হিসেবে সেনাবাহিনীর কোনো কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিয়ে স্কুলটির নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। গত ১৪ নভেম্বর লেকহেড গ্রামার স্কুলের ধানমণ্ডি ও গুলশান শাখা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষ।

এর আগে, ১৯ নভেম্বর রাজধানীর গুলশান ও ধানমন্ডির লেকহেড গ্রামার স্কুলের দু’টি শাখা খুলে দেওয়ার জন্য হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশ ১০ দিনের জন্য স্থগিত করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এ বিষয়ে শুনানির জন্য ৩০ নভেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেছিল আদালত।  শুনানি শেষে আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ আদালত এই আদেশ দেন।

লেকহেড স্কুলের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বলেন, সাত দিন পর থেকে নতুন কমিটি স্কুলের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। আদালতে লেকহেড স্কুলের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার আখতার ইমাম ও ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে ৬ নভেম্বর ধানমন্ডি ও গুলশানের দুটি শাখাসহ লেকহেড স্কুলের সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সালমা জাহানের সই করা চিঠিতে ঢাকা জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, এই প্রতিষ্ঠানটি সরকারের অনুমোদন নেয়নি। এ ছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ধর্মীয় উগ্রবাদ, উগ্রবাদী সংগঠন সৃষ্টি, জঙ্গি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতাসহ স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

লেকহেড স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদের কেউ জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত কি না সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে একটি প্রতিবেদন দিতেও বলা হয়েছে।

 

এমজে/এমআর


 
 

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি