ঢাকা, বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮ ৬:৩৫:১৪

Ekushey Television Ltd.

সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়ন নয়: ইসি সচিব

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৬:০৯ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০১৮ মঙ্গলবার

গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। একই সঙ্গে ইভিএম ব্যবহার বন্ধে বিএনপির দাবি নাকচ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আজ মঙ্গলবার বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে গিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা এবং চার নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। পরে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ছিলেন।

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদকে প্রত্যাহারের যে দাবি বিএনপি করেছে, সে বিষয়ে কমিশন সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আসন্ন দুই সিটি নির্বাচনে ভোটের সাত দিন আগে সেনা মোতায়েনের দাবি জানানোর পাশাপাশি ইভিএম ব্যবহার না করা এবং গাজীপুরের পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহারসহ ২০ দফা লিখিত দাবি ইসির সামনে তুলে ধরে বিএনপি নেতারা।

বৈঠকের পর ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, কিছু প্রস্তাব কমিশন আইনানুগভাবে বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছে। বিশেষ করে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি, নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ, পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করাসহ অনেক সুপারিশ ইতিবাচক ভাবেই বিবেচনা করা হবে। তবে ইভিএম, সেনা মোতায়ন ও বিতর্কিত কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের দাবির বিষয়গুলো নিয়ে পরে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বিএনপিকে বলেছে কমিশন।

এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা ইসির নেই। ইভিএমের মতো প্রযুক্তি আইনানুগভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে স্থানীয় নির্বাচনে। এরপরও এ নিয়ে আপত্তি থাকলে বিএনপিকে আবারও এসে ইভিএম দেখার অনুরোধ করা হয়েছে।

গাজীপুর এসপি হারুন অর রশীদের নাম উল্লেখ না করে ইসি সচিব বলেন, তার বিষয়ে বৈঠকে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি ইসি। এসব বিষয় আইন-বিধির সঙ্গে যুক্ত। বিতর্কিত কর্মকর্তাদের নিয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তা নিয়ে কমিশন পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেবে।

উল্লেখ্য, আগামী ১৫ মে ভোটের দিন রেখে দুই সিটির নির্বাচনের যে তফসিল নির্বাচন কমিশন দিয়েছে, সে অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঠিক হয়েছে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত।

আরকে//টিকে



© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি