ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ৩:০৯:৫৪

৩শ’ মিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছেড়ে ফুটপাতে ‘রাজকন্যা’

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৬:৪১ পিএম, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ রবিবার | আপডেট: ০৫:২১ পিএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সোমবার

প্রাইভেট জেট, যুক্তরাজ্যের আলাদা তিন রাজ্যে তিনটি বাড়ি, ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা প্রহরীদের নিরাপত্তা বলয়ে- শুনতে কেমন সিনেমাটিক মনে হয় না! তবে বাস্তবেই এমন বিলাসবহুল জীবন যাপন করে রাজকন্যার মতো বড় হয়েছেন অ্যাঞ্জেলাইন ফ্রান্সিস খু। তার বাবা ক্যা পেং মালয়েশিয়ার অন্যতম সেরা ধনী।


ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩শ’ মিলিয়ন ডলার। আর এতকিছু ছেড়ে গাঁটছাড়া বেঁধেছেন সাধারণ এক ছেলের সঙ্গে। প্রেমের টানে ছেড়েছেন বিলাসবহুল জীবন যাপন।


ফ্রান্সিস খু’র জন্ম মালয়েশিয়ায়। ১৯৬৯ সালে তার মা-ও মিস মালয়েশিয়া নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০১ সালে পড়াশোনার জন্য ইংল্যান্ডে পাড়ি দেন খু। ২০০৮ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর করার সময়ই জেদিদিহ ফ্রান্সিস নামে এক যুবকের সঙ্গে আলাপ হয় তার। ফ্রান্সিসের জন্ম ক্যারিবিয়ানে। তিনি পেমব্রোক কলেজের ডেটা বিষয়ক গবেষক। ধীরে ধীরে তাদের সম্পর্ক গভীর হয়। ফ্রান্সিসকে ভালবেসে ফেলেন খু।


কিন্তু তাদের এই প্রেমে বাধা হয়ে দাঁড়ান কোটিপতি বাবা। মেয়ের ওপর ভীষণ ক্ষেপে যান খু-র বাবা। খু-য়ের সামনে দু’টো পথই খোলা ছিল। এক, ফ্রান্সিসকে ভুলে যাওয়া আর দুই, বাবার বিরুদ্ধে গিয়ে তাকে বিয়ে করা। বাবার বিরুদ্ধে যাওয়াটা মোটেই সহজ ছিল না। কারণ সেক্ষেত্রে বিসর্জন দিতে হত তার এত দিনের অভ্যাসকে। বিসর্জন দিতে হবে তার বিলাসবহুল জীবনকে। খু সেটাই করলেন। ফ্রান্সিসের ভালবাসার সঙ্গে যে আর কোনও সম্পদের তুলনা করা যায় না, সেটা বুঝিয়ে দিলেন। প্রাসাদ, সম্পত্তি সমস্ত ছেড়ে হাত ধরে নিলেন ফ্রান্সিসের।


সম্প্রতি তারা বিয়ে করেছেন। বন্ধুবান্ধব-সহ মোট ৩০ জনকে নিয়ে পেমব্রোক কলেজ ক্যাম্পাসেই এই বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। নব দম্পতি বিয়ের পর কিছুদিন কলেজের লজেই থাকেন।


এরই মধ্যে নানা চড়াই উৎরাই পার করে নিজের একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছেন পেশায় ফ্যাশন ডিজাইনার খু। আর ভবিষ্যতে মালয়েশিয়ার পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য কিছু করার চিন্তা করছেন তিনি।
//এআর


 
 

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি