ঢাকা, বুধবার, ২০ জুন, ২০১৮ ১৯:১৯:১৫

বিসিএসসহ সব নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন মুদ্রণ করবে পিএসসি

বিসিএসসহ সব নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন মুদ্রণ করবে পিএসসি

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে এখন থেকে বিসিএসসহ সব সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার (পিএসএসসির অধীনে) প্রশ্ন নিজেরাই প্রণয়ন ও মুদ্রণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ কর্মকমিশন (পিএসসি)। ৩৯তম স্বাস্থ্য ক্যাডারে বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা নিজেদের মুদ্রণ করা প্রশ্নে আয়োজন করা হবে বলে পিএসসি জানিয়েছে।পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক এ বিষয়ে বলেন, বিসিএস ও অন্যান্য সব পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পিএসসি ভবন থেকে প্রণয়ন ও মুদ্রণ করা হবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে আরও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ৩৯তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা আয়োজনে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শুরু হবে। ৮ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষা হবে। এছাড়া সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা হবে।পিএসসি চেয়ারম্যান বলেন, একটি নির্ধারিত কক্ষে বসে পিএসসির প্রশ্ন প্রণয়নকারী মডারেটররা একাধিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করবেন। এরপর লটারির মাধ্যমে একটি সেট নির্বাচন করা হবে। সেই প্রশ্ন সেটটি পিএসসির নিজস্ব প্রিন্টারে ছাপা হবে। এরপর সেটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হবে। লটারির মাধ্যমে প্রশ্ন নির্বাচন থেকে প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে না যাওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত রুমটি বন্ধ রাখা হবে। পুরো স্থানটি সিসিটিভি দিয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হবে।জানা গেছে, চলতি বছর ৪ হাজার সরকারি নার্স নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এ বছর শুরুর দিকে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও পরীক্ষার আগেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। পরদিন লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পিএসসি। / এআর /
জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন শিক্ষাবিদ

  জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশের বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা, যা বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্যে দেশের বিশিষ্ট সুনামধারী শিক্ষক, চিন্তাবিদ ও গুণী ব্যক্তিদের দিয়ে থাকে। ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে এই সম্মাননা খেতাব দেয়া হচ্ছে। সাধারণত পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্তি পেয়ে থাকেন। তবে ক্ষেত্রবিশেষে মেয়াদ আরও দীর্ঘ হতে পারে। পুনর্নিয়োগের ব্যবস্থাও আছে। জাতীয় অধ্যাপকদের কিছু শর্ত মানতে হয়। ২০১৮ সালের নির্বাচিত জাতীয় অধ্যাপকরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ও ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) উপাচার্য ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম। এর আগে গত ৩ জুন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অধ্যাপক নির্বাচনী কমিটির সভায় অধ্যাপক পদে নিয়োগ দিতে এ তিনজনের নাম সুপারিশ করা হয়। নির্বাচিত শিক্ষাবিদদের প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর রাষ্ট্রপতি তাদের জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগ দিলেন। জাতীয় অধ্যাপক নির্বাচন কমিটির সভাপতি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান। জানা যায়, সর্বশেষ ২০১১ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসে পাঁচজন শিক্ষাবিদকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাদের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের জুনে। এই অধ্যাপকদের মধ্যে ড. শায়লা খাতুন ছাড়া সবাই প্রয়াত হয়েছেন। প্রসঙ্গত:একসঙ্গে সর্বোচ্চ চার শিক্ষাবিদকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিধান রয়েছে। জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে যারা নিয়োগ পান তারা সরকারের দেয়া নির্ধারিত হারে সম্মানী ভাতা পান। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মাধ্যমে তারা এ ভাতা পাবেন। তারা ইচ্ছানুযায়ী কোনো গবেষণা সংস্থা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে নিজের পছন্দমতো ক্ষেত্রে গবেষণামূলক কাজ করতে পারবেন। তবে যে ক্ষেত্রে কাজ করবেন তা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে জানাতে হবে। তারা যে শিক্ষা বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সংযুক্ত থাকবেন সে প্রতিষ্ঠানের কাছে তাদের শিক্ষা বা গবেষণামূলক কাজের বার্ষিক প্রতিবেদন দেবেন। ওই প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানকে তাদের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানাবে। তারা যে শিক্ষা বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত থাকবেন সেই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা বা গবেষণামূলক কাজ করার সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এ পদে থাকাকালীন তাদের যেসব বই-পুস্তক ছাপানো হবে, তা থেকে পাওয়া সব সুযোগ-সুবিধা তারা নিতে পারবেন। তারা সরকারের অনুমতি নিয়ে বিদেশে যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করতে পারবেন। জাতীয় অধ্যাপক পদে থাকাকালীন তারা অন্য কোনো বেতনভুক্ত চাকরি করতে পারবেন না। যদি করেনও তবে ওই চাকরি থেকে কোনো বেতন বা আর্থিক সুবিধা নিতে পারবেন না। তারা সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত হবেন না। জাতীয় অধ্যাপক (নিয়োগ, শর্তাবলী ও সুবিধা) সিদ্ধান্তমালা ১৯৮১ (সংশোধিত) অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় জাতীয় অধ্যাপক নিয়োগে বাছাই করে। শিক্ষামন্ত্রী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক মন্ত্রী ও সাবেক জাতীয় অধ্যাপক বা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ শিক্ষাবিদদের নিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সিদ্ধান্ত ও মনোনয়ন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশে রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ দেন। আরকে//    

ঈদের দিনে ভুখা মিছিলে নন-এমপিও শিক্ষকরা

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শনিবার ঈদের নামাজ আদায় শেষে ভুখা মিছিল বের করেন নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা। পরিবার-পরিজন ছেড়ে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন তারা। শনিবার ঈদের দিন সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ আদায় শেষে তারা ভুখা মিছিল বের করেন। নামাজ আদায় ও ভুখা মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শিক্ষকরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসের বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন বক্তারা। পরে কর্মসূচি একদিনের জন্য মুলতবি করা হয়। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাহমুদুন নবী বলেন, ২০০৬ সাল থেকে আমরা আন্দোলন করে আসছি। আজ পর্যন্ত এটি আমাদের ২৭তম পর্যায়ের আন্দোলন। গত ৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসে আমরা ঘরে ফিরে যাই। অথচ এবারের বাজেটে সেই আশ্বাসের প্রতিফলন হয়নি। পরিবার-পরিজন, স্ত্রী-সন্তানদের রেখে আমরা এখানে ঈদের নামাজ আদায় করেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের অভিভাবক, আপনি শিক্ষকদের সম্মান দিয়ে তাদের দাবি বাস্তবায়ন করুন। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিনয় ভূষণ রায় বলেন, শিক্ষকরা ঈদ উদযাপন করার অবস্থায় নেই। তাই ঈদের জন্য ভুখা মিছিলের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এমপিওভুক্তির দাবিতে নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার কর্মসূচি শুরু করেন। টানা ওই অবস্থান ও অনশনের একপর্যায়ে গত ৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তার তৎকালীন একান্ত সচিব সাজ্জাদুল হাসান সেখানে গিয়ে আশ্বাস দেন। এরপর শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। এরপর সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে বলা হয়েছে, নতুন অর্থবছরে নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে। কিন্তু অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের যে বাজেট প্রস্তাব করেন, সেখানে তিনি নতুন এমপিওভুক্তির বিষয়ে সুস্পষ্ট কিছু বলেননি।  এবারের বাজেটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের জন্য ৫৩ হাজার ৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। একে//

২২৯ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ শৃঙ্খলা পরিষদের

শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এবং এর অধিভুক্ত সাতটি কলেজের ২২৯ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের এক সভায় এ সুপারিশ করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় এসব শিক্ষার্থীর বহিষ্কারের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে জড়িত থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে একাধিক তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া অধিভুক্ত সাত কলেজের দুই শতাধিক শিক্ষার্থীকে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে ‘পরীক্ষায় নকল’ করার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে। উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, ‘শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করায় এবং পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় বিশালসংখ্যক শিক্ষার্থী বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে শৃঙ্খলা পরিষদ।’ শৃঙ্খলা পরিষদের সদস্যসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘সুপারিশকৃত শাস্তির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’  টিআর/ এআর

পুলিশের বাধায় পণ্ড বেসরকারি শিক্ষকদের কর্মসূচি

প্রস্তাবিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিও প্রস্তাবনা না থাকায় পুনরায় আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। কর্মসূচি অনুযায়ী আজ (রোববার) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনে তারা সমবেত হয়েছেন। তবে পুলিশি বাধায় তারা কর্মসূচি শুরু করতে পারেননি। ‘নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন’-এর সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিলেও বাস্তবে তা প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিফলিত হয়নি। অথচ প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেই আমরা আন্দোলন স্থগিত করে ঘরে ফিরেছিলাম। এখন আমরা আবারও বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নেমেছি। কিন্তু পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আমরা ঘরে ফিরে যাব না। যেকোনো মূল্যে আমরা কর্মসূচি পালন করব। প্রেস ক্লাবের আশপাশে অবস্থান করছেন নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারও শিক্ষক-কর্মচারী। কর্মসূচিতে অংশ নিতে আসা শিক্ষক হামিদুর রহমান বলেন, আমরা এতোদিন আশায় ছিলাম এবারের বাজেটে আমাদের মতো নন এমপিও প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাজেটে বিশেষ ঘোষণা থাকবে। কিন্তু আমরা বাজেটে আমাদের সে আশার কোন প্রতিফলন দেখতে পায়নি। তাই নিরুপায় হয়ে আবারও আন্দোলনে নামতে হচ্ছে। কর্মসূচিতে বাধার বিষয়ে শাহবাগ থানার এসআই মাজহারুল ইসলাম জানান, ঈদের আগে কোনো গ্যাদারিং করতে দেয়া হচ্ছে না। তাছাড়া তাদের কোনো পূর্বানুমতিও নেই। যে কারণে তাদের বসতে দেয়া হচ্ছে না। আরকে/ এআর

একাদশে ভর্তির তালিকা প্রকাশ

দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে মনোনীতদের প্রথম তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। গতকাল শনিবার রাতে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে বলে ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. হারুন-আর-রশিদ জানিয়েছেন।রোববার গণমাধ্যমকে তিনি জানান, প্রথম তালিকায় ১২ লাখ ৩৮ হাজার ২৫২ জনকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছে।আবেদনকারীদের মধ্যে ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রথম তালিকায় স্থান পেয়েছেন, অন্যরা দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তালিকায় আসবেন। সবাই ভর্তির জন্য কলেজ পাবেন।ফল প্রকাশ করে কলেজে ভর্তির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১১ থেকে ১৮ জুনের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং চার্জ বাদে ১৮৫ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি রকেট, টেলিটক অথবা শিওরক্যাশ- এর মাধ্যমে জমা দিয়ে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়ন করতে হবে।আর ২৭ থেকে ৩০ জুন নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে হবে।বিগত কয়েক বছরের মত এবারও মাধ্যমিকের ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ১০৪ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। আর কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করেছেন ১৩ লাখ ১৯ হাজার ৬৭৫ জন। এরমধ্যে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ৫৯৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়েও এবার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৯ শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আবেদন করেননি; যাদের বেশিরভাগই ঝরে পড়বে বলে বোর্ড কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন।গত ১৩ থেকে ২৪ মে রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করেন শিক্ষার্থীরা।কলেজ পরিদর্শক হারুন জানান, কিছু কিছু শিক্ষার্থী তাদের সমস্যার কথা আমাদের জানিয়েছে তারা ১৯ ও ২০ জুন ফের আবেদন করতে পারবে।আগামী ২১ জুন দ্বিতীয় এবং ২৫ জুন তৃতীয় তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।/ এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি