ঢাকা, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২:৩০:২৭

শেষ হলো পেন্সিলের প্রথম বর্ষপূর্তি উৎসব

শেষ হলো পেন্সিলের প্রথম বর্ষপূর্তি উৎসব

‘জীবনের যত রঙ’ স্লোগানে শিল্পকলা একাডেমিতে ‘পেন্সিল’ এর পাঁচ দিনব্যাপী উৎসবের সমাপনী দিন ছিল শনিবার। প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে উৎসবের আয়োজন করে সাহিত্যচর্চা বিষয়ক অনলাইন গ্রুপ ‘পেন্সিল’। গত ১২ সেপ্টেম্বর শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা ৬ নং হলে উৎসব শুরু হয়। শনিবার সমাপনী দিনে মনোরম সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় দর্শকদের জন্য গান পরিবেশন করেন পেন্সিলের সদস্য আসমা দেবযানী, মুজাহিদুল হক লেলিন, কিশোর ক্লাডিয়াস, সুস্মিতা মন্ডল, নাঈমা পারভীন অনামিকা এবং পেন্সিলের ব্যান্ড দল চান্দের গাড়ি। কবিতা আবৃত্তি করেন, শামসুর নাহার, নাঈমা পারভীন অনামিকা প্রমুখ। অনবদ্য এই অনুষ্ঠানে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ করে শিশুদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শিশুদের আঁকা ছবির জন্য পেন্সিলের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। পাঁচদিনের এই আয়োজনে পেন্সিলের আলোকচিত্রীদের তোলা ছবি নিয়ে প্রদর্শনী করা হয়। আয়োজন সম্পর্কে জানতে চাইলে পেন্সিলের উদ্যোক্তা ডা. এস এম নিয়াজ মাওলা জানান, উৎসবে পেন্সিল ও তার পরিবারের সদস্যদের আলোকচিত্র ও চিত্রকলা প্রদর্শনী ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আঁকা ছবি প্রদর্শনী হয়েছে। এছাড়া পেন্সিল সদস্যের কবিতা আবৃত্তি পরবর্তী সময়ে ‘তবু কবিতায় বলে দিয়েছি’ নামক অ্যালবাম আকারে প্রকাশিত হবে। পেন্সিলের প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে ডা. নিয়াজ জানান, আমরা কয়েকজন সমবয়সী বন্ধু, যারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলে পড়াশোনা করছি। সবার মনে প্রায়ই একটা চিন্তা আসতো যে আমরা সাহিত্য বা লেখালিখি বিষয়ক একটা গ্রুপ খুলবো। সে চিন্তা থেকেই ২০১৬ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর রাতে ফেসবুকে একটি গ্রুপ চালু করা হয়। যেটি আমি ওপেন করেছিলাম। নাম দেয়া হয় ‘পেন্সিল’। ‘পেন্সিল’ নাম দেয়ার কারণ হলো, আমরা শৈশবে কিন্তু পেন্সিল দিয়েই লেখা শুরু করি, ভুল হলে আবার মুছে লিখি। এই পেইজে যারা লিখবেন তাদের লেখালিখির একটা হাতেখড়ি হবে। ভুল-ভ্রান্তি যাই হোক, কিছু একটা লেখা শুরু করা হবে। এর মাধ্যমে লেখালিখির অভ্যাসটা তৈরি করা, উৎসাহ পাওয়া। সেই চিন্তা থেকেই ‘পেন্সিল’ নাম দেয়া হয়। পেন্সিলের সদস্য নাঈমা পারভীন অনামিকা একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে বলেন, শিল্প সাহিত্য এখন বিলুপ্তপ্রায়। নতুন প্রজন্মের জন্য শিল্প সাহিত্যকে বাঁচিয়ে রাখতে পেন্সিল একটি দারুণ পদক্ষেপ। পেন্সিলের ফেসবুক গ্রুপে দেশব্যাপী ত্রিশ হাজার সদস্য রয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শিল্পী হামিদুজ্জামান খান, অধ্যাপক, চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। কেআই/ডব্লিউএন
নিলামে উঠছে হ্যারিসনের সেতার

জর্জ হ্যারিসন নামটি আমাদের কাছে বেশ পরিচিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় এ মানুষটির অবদান ছিল অনন্য। গান গেছে তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন তিনি। তিনি যে সেতারটি বাজাতেন, সেটি অমূল্য। ২৮ সেপ্টেম্বর নিলামে তোলা হচ্ছে জর্জ হ্যারিসনের ব্যবহার করা সেতারটি। খবর বিবিসিরি।  বিটলসের ‘নরওয়েজিয়ান উড’ গানে এই সেতারটির সুর শোনা যায়। এর দাম শুরু হবে ৫০ হাজার ডলার থেকে। আগ্রহী ব্যক্তিরা চড়া থেকে চড়া দাম হাঁকবেন। প্রতিযোগিতা করে কিনে নিয়ে যাবেন ৫২ বছরের পুরোনো সেতারটি। ১৯৬৫ সালে লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটের একটি দোকান থেকে সেতারটি কেনা হয়। এটি বানিয়েছিল তখনকার কলকাতার একটি নামকরা বাদ্যযন্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। হাতে পাওয়ার পর ওই বছরই সেতার শিখতে ভারতে যান হ্যারিসন। পণ্ডিত রবিশঙ্করের কাছে সেতারের তালিম নেন তিনি। পরের কথা তো সবারই জানা। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ারে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’-এ বাজিয়েছিলেন দুজন। এক সাক্ষাৎকারে জর্জ হ্যারিসন বলেছিলেন, এই যন্ত্রটির সুর অদ্ভূত। তবে হ্যারিসন এও স্বীকার করেছিলেন, ‘নরওয়েজিয়ান উড’ গানে বাজানো সেতারের অংশটুকু ছিল যথেষ্ট অপরিণত। ওই গানে হ্যারিসনকে সেতার বাজাতে দেখে অনেকে বিস্মিত হলেও পণ্ডিত রবিশঙ্কর খুব একটা হননি। ২০০০ সালের এপ্রিলে বিবিসির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন সেই কথা। পরে প্রথম স্ত্রী প্যাটি বয়েডের এক বন্ধুকে সেতারটি উপহার দিয়েছিলেন হ্যারিসন। //এআর

‘অ্যাডাল্ট ফিল্ম’দেখে ভারতের ৩০ শতাংশ মেয়ে!

বহু সমীক্ষাতেই দেখা গিয়েছে যে প্রাপ্ত বয়স্কদের দেখার ছবি ঘিরে নারীদের উন্মাদনা বেশি থাকে। পুরুষদের চাইতে নারীরাই এই ধরনের ছবি দেখতে পছন্দ করেন বেশি। পরিপ্রেক্ষিতে বহু কিশোরী মনেই প্রভাব পড়েছে। ধীরে ধীরে বিশ্বের বহু দেশেই ছোট বয়সের মেয়েদের মধ্যেও প্রাপ্ত বয়স্কদের ছবি দেখার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। মেয়েদের কম বয়সে এই প্রাপ্ত বয়স্কদের ছবি দেখার প্রবণতা নিয়ে সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারত ছিল ৩ নম্বর স্থানে। যদিও এবছরে এই দেশ রয়েছে চতুর্থ স্থানে। ভারতের আগে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। বর্তমানে ভারতের জায়গা দখল করে নিয়েছে কানাডা। অর্থাৎ কানাডাতেও কম বয়সী মেয়েরা বেশি মাত্রায় প্রাপ্ত বয়স্কদের ছবি দেখতে উৎসাহী হয়ে পড়ছে ধীরে ধীরে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে , ভারতের ৩০ শতাংশ মেয়েরা প্রাপ্ত বয়স্কদের ছবি দেখে থাকেন। এদিকে ফিলিপাইন ও ব্রাজিলে ৩৫ শতাংশ মেয়েরা এই প্রাপ্ত বয়স্কদের ছবি দেখতে আগ্রহী হন। ইউরোপীয় দেশগুলিতে প্রায় ২৩ শতাংশ মেয়েরা কম বয়সে প্রাপ্তবয়স্কদের ছবি দেখে থাকে। সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া//এআর

১ বছরে পেন্সিল : জীবনের যত রঙ

প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নানা উৎসবের আয়োজন করেছে শিল্প-সাহিত্য চর্চা বিষয়ক ফেসবুক গ্রুপ ‘পেন্সিল’।‘জীবনের যত রঙ’ স্লোগানে পাঁচদিনব্যাপী এই উৎসবের আসর বসছে শিল্পকলা একাডেমিতে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা হল-৬ এ আগামীকাল ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলবে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে থাকবেন শিল্পী হামিদুজ্জামান খান, অধ্যাপক, চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া উপস্থিত থাকবেন ভালোবাসা ও দ্রোহের কবি হেলাল হাফিজ, বরেণ্য কথা সাহিত্যিক ও দৈনিক কালের কণ্ঠোর সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, বরেণ্য আলোকচিত্রী ও ফটোজিয়াম এর চেয়ারম্যান নাসির আলী মামুন। সমাপনী অতিথি হিসেবে থাকবেন  এ কে এম সেলিম ওসমান এমপি, সভাপতি বিকেএমইএ এবং পরিচালক, এফবিসিসিআই।   বর্ষপূর্তি কমিটির আহবায়ক আসকার ইবনে ফিরোজ জানান, উৎসবে পেন্সিল পরিবারের সদস্যদের আলোকচিত্র ও চিত্রকলা প্রদর্শনী, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আঁকা ছবি প্রদর্শনী, পেন্সিল সদস্যদের কবিতা আবৃত্তির অ্যালবাম ‘তবু কবিতায় বলে দিয়েছি’ প্রকাশিত হবে। এছাড়া পেন্সিল সদস্যদের প্রকাশিত বই নিয়ে বই মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও থাকছে। প্রদর্শণীতে ছবি বিক্রির পুরো অর্থ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য ব্যয় করা হবে বলে জানান আসকার ইবনে ফিরোজ। পেন্সিলের এডমিন ডা. নিয়াজ জানান, আমরা কয়েকজন সমবয়সী বন্ধু, যারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলে পড়াশোনা করছি। সবার মনে প্রায়ই একটা চিন্তা আসতো যে আমরা সাহিত্য বা লেখালেখি বিষয়ক একটা গ্রুপ খুলবো। সে চিন্তা থেকেই ২০১৬ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর রাতে ফেসবুকে একটি গ্রুপ চালু করা হয়। যেটি আমি ওপেন করেছিলাম। নাম দেয়া হয় ‘পেন্সিল’। এ রকম নাম দেওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন,‘আমরা শৈশবে কিন্তু পেন্সিল দিয়েই লেখা শুরু করি, ভুল হলে আবার মুছে লিখি। এই পেইজে যারা লিখবেন তাদের লেখালেখির একটা হাতেখড়ি হবে। ভুল-ভ্রান্তি যাই হোক, কিছু একটা লেখা শুরু করা হবে। এর মাধ্যমে লেখালিখির অভ্যাসটা তৈরি করা, উৎসাহ পাওয়া। সেই চিন্তা থেকেই ‘পেন্সিল’ নাম দেয়া হয়। পুরো আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে কাজ করছে একুশে টেলিভিশন।    ডব্লিউএন

চারুকলায় ‘নব-সৃজনের আলোয়’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারীতে ৬-দিনব্যাপী ‘নব-সৃজনের আলোয়’ শীর্ষক রাশিদা আক্তারের একক চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন, সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন অধ্যাপক আবুল বারক আলভী ও ড. বজলুর রশীদ খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চারুকলা অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ ছাড়াও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, এই প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে রাশিদা আক্তার তার শিল্পজীবনে যাত্রা শুরু করল। এককভাবে দর্শকের মাঝে নিজেকে উপস্থাপন করল। আমি তাকে অভিনন্দন জানাই। আমি মনে করি এই চিত্র প্রদর্শনীতে তরুল শিল্পী রাশিদা আক্তারের যে শিল্পকর্মগুলো স্থান পেয়েছে সেগুলো নিরলস প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমের ফসল। শিল্পকর্মের প্রতি তার আগ্রহ ও ছাপচিত্র মাধ্যমের যথাযথ ব্যববহার তাকে উজ্জ্বল সম্ভাবনার প্রদি এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে প্রধান অতিথি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথি চিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।  

আব্দুল জব্বারের জানাজা অনুষ্ঠিত

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আব্দুল জব্বারের প্রথম জানাজা নামাজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ বেতারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, তথ্যসচিব,বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন পর্যায়র কর্মকর্তারা। জানাজা শেষে আব্দুল জব্বারের মৃতদেহে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর আগে গত বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় ৭৯ বছর বয়সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। আব্দুল জব্বার কিডনি, হার্ট, প্রস্টেটসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত সালাম সালাম হাজার সালাম, জয় বাংলা বাংলার জয়সহ অনেক দেশাত্মবোধক গানের গায়ক কিংবদন্তি এই কণ্ঠশিল্পী। আব্দুল জব্বার ১৯৫৮ সাল থেকে তৎকালীন পাকিস্তান বেতারে গান গাওয়া শুরু করেন। তার গাওয়া তুমি কী দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়, সালাম সালাম হাজার সালাম ও জয় বাংলা বাংলার জয় গান তিনটি ২০০৬ সালে মার্চ জুড়ে অনুষ্ঠিত বিবিসি বাংলার শ্রোতাদের বিচারে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ২০টি বাংলা গানের তালিকায় স্থান করে নেয়। তিনি একুশে পদক (১৯৮০) ও স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৯৬) ছাড়াও বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক (১৯৭৩), বাচসাস পুরস্কার (২০০৩) ও আজীবন সম্মাননা (সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস-২০১১) লাভ করেন তিনি। ১৯৩৮ সালের ৭ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন আব্দুল জব্বার।//আর//এআর

জানা অজানা কাজী নজরুল

আজ ১২ ভাদ্র, দ্রোহ ও মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪১তম প্রয়াণবার্ষিকী। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দের (১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) এই দিনে চির অভিমানী বিদ্রোহী কবির মহাকাব্যিক জীবনের অবসান ঘটে। দীর্ঘদিন চেতনাহীন নির্বাক থাকার পর ৭৭ বছর বয়সে ঢাকায় থেমে যায় বাংলাদেশের জাতীয় কবির প্রাণের স্পন্দন। তবে প্রাণের স্পন্দন থেমে গেলেও সৃষ্টির আলোয় আজো অমর হয়ে তিনি। ক্ষুরধার লেখনির আঁচড়ে স্থান করে নিয়েছেন বাংলা সাহিত্য। গল্প, কবিতা, উপন্যাস কিংবা সঙ্গীত-সাহিত্য ও শিল্পের সব শাখায় তাঁর আগমন ছিল ধূমকেতুর মতো। আপন সৃষ্টির আলোয় নতুন দিনের আগমনী বার্তা দিয়ে এঁকে দিয়েছিলেন নবদিগন্তের উজ্জ্বল রেখা। শিল্প-সাহিত্যের নানা শাখায় আজো তিনি ‘উন্নত মম শীর’। নিপীড়িতের শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তি কিংবা প্রেম ও মানবতার বাণীতে আজো তিনি সমুজ্জ্বল। প্রেম, দ্রোহ ও মানবতার কবির প্রয়াণ দিবসে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি। কবি কাজী নজরুলের সাহিত্যকর্ম ও অন্যান্য তথ্য জন্মঃ ২৫ মে, ১৮৯৯ বাংলাঃ ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ স্থানঃ চুরুলিয়া, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ রাজ (বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ) মৃত্যুঃ ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ বাংলাঃ ১২ই ভাদ্র ১৩৮৩ স্থানঃ ঢাকা, বাংলাদেশ পিতাঃ কাজী ফকির আহমদ। মাতাঃ জাহেদা খাতুন স্ত্রীঃ ১) নার্গিস আসার খানম (সৈয়দা খাতুন):  বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী। কবি তার ছায়ানট, পূবের হাওয়া, চক্রবাক কাব্য গ্রন্থের অনেক কবিতা নার্গিসকে কেন্দ্র করে রচনা করেন। ছায়ানটের মোট ৫০ টি কবিতার মধ্যে বেদনা অভিমান, অবেলায়, হার মানা হার, অনাদৃতা, হারামনি, মানস বধু, বিদায় বেলায়, পাপড়ি খেলা ও বিধূর পথিকসহ মোট নয়টি কবিতা নার্গিসকে কেন্দ্র করে লেখেন। ২) প্রমিলা দেবীঃ কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী। ৩) বেগম ফজিলাতুন্নেসাঃ কাজী নজরুল ইসলামের তৃতীয় স্ত্রী। তাঁর কবিতায় বিদ্রোহী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাঁকে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মধ্যবয়সে তিনি পিক্স ডিজিসে আক্রান্ত হন। স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে সপরিবারে বিদ্রোহী কবিকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। এসময় তাকে বাংলাদেশের জাতীয়তা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালে তাকে `জাতীয় কবি` হিসেবে ঘোষণা করে। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে  তাকে D.Litt.  ডিগ্রি প্রদান করা হয়। ১৯৭৬ সালে তাকে  `একুশে পদক` প্রদান করা হয়। নজরুল রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে অগ্নিবীণা (কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ), সঞ্চিতা, মরুভাস্কর, চিত্তনামা, ছায়ানট, বিষের বাশী, সন্ধ্যা, দোলন চাপা, জিন্জির, চক্রবাক, প্রলয়শিখা, ফণিমনসা, সর্বহারা, সিন্ধু হিন্দোল, ভাঙ্গার গান, ঝিঙে ফুল, সাম্যবাদী। লেখকের উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ হচ্ছে ব্যথার দান (প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ), রিক্তের বেদন, শিউলিমালা। তার রচিত উপন্যাস হচ্ছে বাধনহারা (প্রথম উপন্যাস), মৃত্যুক্ষুধা, কুহেলিকা। তার রচিত নাট্যগ্রন্থ হচ্ছে ঝিলিমিলি (প্রথম নাট্যগ্রন্থ), পুতুলের বিয়ে, আলেয়া, মধুমালা। লেখকের উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ হচ্ছে যুগবাণী (প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ), রাজবন্দীর জবানবন্দী, দুর্দিনের যাত্রী। কবির প্রথম কবিতা মুক্তি । এক নজরে কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মঃ কবিতা অগ্নিবীণা (কবিতা) ১৯২২ সঞ্চিতা (কবিতা সংকলন) ১৯২৫ ফনীমনসা (কবিতা) ১৯২৭ চক্রবাক (কবিতা) ১৯২৯ সাতভাই চম্পা (কবিতা) ১৯৩৩ নির্ঝর (কবিতা) ১৯৩৯ নতুন চাঁদ (কবিতা) ১৯৩৯ মরুভাস্কর (কবিতা) ১৯৫১ সঞ্চয়ন (কবিতা সংকলন) ১৯৫৫ নজরুল ইসলাম: ইসলামী কবিতা (কবিতা সংকলন) ১৯৮২ কবিতা ও সংগীত দোলন-চাঁপা (কবিতা এবং গান) ১৯২৩ বিষের বাঁশি (কবিতা এবং গান) ১৯২৪ ভাঙ্গার গান (কবিতা এবং গান) ১৯২৪ ছায়ানট (কবিতা এবং গান) ১৯২৫ চিত্তনামা (কবিতা এবং গান) ১৯২৫ সাম্যবাদী (কবিতা এবং গান) ১৯২৫ পুবের হাওয়া (কবিতা এবং গান) ১৯২৬ সর্বহারা (কবিতা এবং গান) ১৯২৬ সিন্ধু হিন্দোল (কবিতা এবং গান) ১৯২৭ জিঞ্জীর (কবিতা এবং গান) ১৯২৮ প্রলয় শিখা (কবিতা এবং গান) ১৯৩০ শেষ সওগাত (কবিতা এবং গান) ১৯৫৮ সংগীত বুলবুল (গান) ১৯২৮ সন্ধ্যা (গান) ১৯২৯ চোখের চাতক (গান) ১৯২৯ নজরুল গীতিকা (গান সংগ্রহ) ১৯৩০ নজরুল স্বরলিপি (স্বরলিপি) ১৯৩১ চন্দ্রবিন্দু (গান) ১৯৩১ সুরসাকী (গান) ১৯৩২ বনগীতি (গান) ১৯৩১ জুলফিকার (গান) ১৯৩১ গুল বাগিচা (গান) ১৯৩৩ গীতি শতদল (গান) ১৯৩৪ সুর মুকুর (স্বরলিপি) ১৯৩৪ গানের মালা (গান) ১৯৩৪ স্বরলিপি (স্বরলিপি) ১৯৪৯ বুলবুল দ্বিতীয় ভাগ (গান) ১৯৫২ রাঙ্গা জবা (শ্যামা সংগীত) ১৯৬৬ ছোট গল্প ব্যাথার দান (ছোট গল্প) ১৯২২ রিক্তের বেদন (ছোট গল্প) ১৯২৫ শিউলি মালা (গল্প) ১৯৩১ উপন্যাস বাঁধন হারা (উপন্যাস) ১৯২৭ মৃত্যুক্ষুধা (উপন্যাস) ১৯৩০ কুহেলিকা (উপন্যাস) ১৯৩১ নাটক ঝিলিমিলি (নাটক) ১৯৩০ আলেয়া (গীতিনাট্য) ১৯৩১ পুতুলের বিয়ে (কিশোর নাটক) ১৯৩৩ মধুমালা (গীতিনাট্য) ১৯৬০ ঝড় (কিশোর কাব্য-নাটক) ১৯৬০ পিলে পটকা পুতুলের বিয়ে (কিশোর কাব্য-নাটক) ১৯৬৪ প্রবন্ধ এবং নিবন্ধ যুগবানী (প্রবন্ধ) ১৯২৬ ঝিঙ্গে ফুল (প্রবন্ধ) ১৯২৬ দুর্দিনের যাত্রী (প্রবন্ধ) ১৯২৬ রুদ্র মঙ্গল (প্রবন্ধ) ১৯২৭ ধুমকেতু (প্রবন্ধ) ১৯৬১ অনুবাদ এবং বিবিধ[সম্পাদনা] রাজবন্দীর জবানবন্দী (গান) ১৯২৩ দিওয়ানে হাফিজ (অনুবাদ) ১৯৩০ কাব্যে আমপারা (অনুবাদ) ১৯৩৩ মক্তব সাহিত্য (মক্তবের পাঠ্যবই) ১৯৩৫ রুবাইয়াতে ওমর খৈয়াম (অনুবাদ) ১৯৫৮ নজরুল রচনাবলী (ভলিউম ১-৪,বাংলা একাডেমী)১৯৯৩ সঙ্গীত গ্রন্থাবলী বুলবুল (১ম খন্ড-১৯২৮, ২য় খন্ড-১৯৫২) চোখের চাতক (১৯২৯) চন্দ্রবিন্দু (১৯৪৬) নজরুল গীতিকা (১৯৩০) নজরুল স্বরলিপি (১৯৩১) সুরসাকী (১৯৩১) জুলফিকার (১৯৩২) বনগীতি (১৯৩২) গুলবাগিচা (১৯৩৩) গীতিশতদল (১৯৩৪) সুরলিপি (১৯৩৪) সুর-মুকুর (১৯৩৪) গানের মালা (১৯৩৪)। ডব্লিউএন

বন্যার্তদের সহযোগিতায় ঢাবির চলচ্চিত্র সংসদের প্রদর্শনী

বন্যার্তদের সাহায্যের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র টিএসসির সকল সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে গঠিত হয় `বন্যার্তদের পাশে আমরা`। অনুষ্ঠানের শেষ দিন শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ ‘ফিল্ম ফর ফ্লাড ভিকটিম’ শিরোনামে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। এতে মোট তিনটি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। ফখরুল আরেফিন খান পরিচালতি `ভুবন মাঝি`, অনিমেষ আইচ পরিচালিত `ভয়ংকর সুন্দর` এবং সদ্য প্রয়াত কিংবদন্তী অভিনেতা রাজ্জাক অভিনীত চলচ্চিত্র `পীচ ঢালা পথ`। চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে দর্শকদের অভূতপূর্ব সাড়া পেয়ে আয়োজকেরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ- এর সভাপতি এস এম আরিফ শোভন বলেন, আর্ত মানবতার পাশে অতীতেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ এগিয়ে এসেছে। সে ধারাবাহিতা বজায় রাখতে পেরে আমরা আনন্দিত। এ আয়োজনের সাথে সম্পৃক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।  

নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিক উপলক্ষে ঢাবির কর্মসূচি

আগামীকাল ১২ ভাদ্র। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪১তম মৃত্যু দিবস। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ। এ উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ওই দিন বাদ ফজর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে কোরানখানি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সকাল ৭টায় অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ জমায়েত হবেন। সেখান থেকে তারা সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা সহকারে কবির সমাধিতে গমন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন। পরে কবির সমাধি প্রাঙ্গণে উপাচার্যের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ভীষ্মদেব চৌধুরী।             

শিল্পকলায় দুদিনব্যাপী আবৃত্তি উৎসব শুরু

আবৃত্তি সংগঠন আবৃত্তি একাডেমির ১৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে দুদিনব্যাপী আবৃত্তি উৎসব শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে এক শোভাযাত্রার মাধ্যমে এই উৎসব শুরু হয়। যা চলবে আগামীকাল শনিবার পর্যন্ত। দুদিনব্যাপী আবৃত্তি উৎসবের প্রথম দিন ২৫ আগস্ট সন্ধ্যা ৭ টায় শিল্পকলা একাডেমির ‘জাতীয় সংগীত, নৃত্যকলা ও আবৃত্তি মিলনায়তনে পরিবেশিত হয় বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ছোট গল্প `ব্যথার দান` এর শ্রুতিরূপ। প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট`র সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল গবেষক ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য রফিকুল ইসলাম। কাজী নজরুলের গান ও ‌‌কবিতার সংকলন নিয়ে আবৃত্তি প্রযোজনা প্রলয় নিনাদ পরিবেশিত হবে আগামীকাল শনিবার। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ৭১ এ স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম কণ্ঠসৈনিক আশরাফুল আলম। বিশেষ অতিথি সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রেজীনা ওয়ালী লীনা ও চলচ্চিত্র প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু। আবৃত্তি উৎসব সম্পর্কে আবৃত্তি একাডেমির পরিচালক মাসুদ আহমেদ বলেন, শুদ্ধ মাতৃভাষা বাংলা চর্চার নিমিত্তে আমরা একত্রিত হয়েছি ১৯ বছর পূর্বে। আমরা চাই প্রত্যেক বাঙালি হোক প্রমিত বাচনে প্রাঞ্জল ভাষণে। সেই দুর্বার বাসনাকে সামনে রেখে আবৃত্তি একাডেমি’র ১৯ বছর পূর্তিকে স্মরণীয় রাখতে এবং আবৃত্তি চর্চার প্রসারে আমরা এই উৎসব আয়োজন করতে যাচ্ছি। প্রসঙ্গত, আবৃত্তি একাডেমি, বাংলাদেশের ধ্রুপদী আবৃত্তি চর্চার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। ১৯ বছরের পথপরিক্রমায় আবৃত্তি একাডেমি দুই হাজারের অধিক শিক্ষার্থীকে শুদ্ধ উচ্চারণ ও বাচনিক উৎকর্ষের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। আবৃত্তি শিল্পকে জনপ্রিয় এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দানের প্রত্যয়ে একাডেমির কর্মীরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ছোট-বড় ৪৮টি আবৃত্তি ও শ্রুতিনাট্য প্রযোজনার আয়োজন আবৃত্তি একাডেমিকে করেছে সমৃদ্ধ ও সুপরিচিত। আরকে/ডব্লিউএন

চরুকলার বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু

পরিত্যক্ত কোনো এক স্থানে পড়ে রয়েছে একটি ডাব গাছের গুঁড়ি। ওই গুঁড়ির নিচে দৃশ্যমান গাছ থেকে ঝরে কয়েকটি ঝুনা নারিকেল। অনুশীলন নামের নিরীক্ষাধর্মী এই স্কেচটি এঁকেছেন মো. নাজমুস ছাকিম খান। চিত্রকর্মটির জন্য এই চারুশিক্ষার্থী পেয়েছেন শহীদ শাহনেওয়াজ স্মৃতি পুরস্কার। ছাকিমের এই ড্রইংয়ের সঙ্গে তেলরং, জলরংসহ নানা মাধ্যমে চারুশিক্ষার্থীদের সৃজিত শিল্পকর্ম শোভা পাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার ১ ও ২ নং জয়নুল গ্যালারিতে। গত সোমবার শুরু হয়েছে চারুকলা অনুষদের অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের বার্ষিক চিত্র প্রদর্শনী। ৬০ জন শিক্ষার্থীর ৭২টি চিত্রকর্ম দিয়ে সাজানো হয়েছে এ প্রদর্শনীটি।   সোমবর বিকেলে অনুষদের অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী শিল্পীদের নিরীক্ষাধর্মী কাজের মূল্যায়নের ভিত্তিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়। বার্ষিক এ চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর প্রধান অতিথি হিসাবে উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন অংকন ও চিত্রায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদা জামান ও অধ্যাপক জামাল আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন চারুকলা অনুষদের ডীন অধ্যাপক নিসার হোসেন। এছাড়া বিচারকমÐলীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক শিশির ভট্টাচার্য্য। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘‘ভালো শিল্পী হওয়ার পাশাপাশি প্রকৃত মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। ভালো মানুষ হওয়ার মধ্যেই একজন শিক্ষার্থীর জীবনের সার্থকতা।’’ পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী শেখ ফাইজুর রহমান ‘ইমপ্যাক্ট’ শীর্ষক স্থাপনা শিল্পের জন্য নিরীক্ষাধর্মী শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়েছেন। ‘ক্রাইসিস এন্ড ক্যাপসুল গড’ শিরোনামে চিত্রকর্মের জন্য আনোয়ারুল হক স্মৃতি পুরস্কর পেয়েছেন মো. রেজাউল করিম। ‘এক্সপেরিমেন্ট’ শীর্ষক কাজের জন্য কাজী আবদুল বাসেত স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন মো. রাকিবুল আনোয়ার। তেল রঙে আঁকা কাঁচাবাজর শীর্ষক চিত্রের জন্য তেলরঙ মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়েছেন মো. তরিকুল ইসলাম। চারুকলা প্রাঙ্গণ শীর্ষক চিত্রের জন্য দেলোয়ার হোসেন স্মৃতি পুরস্কার অর্জন করেছেন শাহানা মোস্তফা, জলরঙ মাধ্যমে সেরা শিল্পী হয়েছেন সৈকত সরকার। মাহবুবুল আমিন স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন ভুটানের শিক্ষার্থী উগেন তেসরিং দয়া। পেন্সিল মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার পেয়েছেন সৌরভ ধর, শহীদ শাহনেওয়াজ স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন নাজমুস ছাকিম খান। এবছর কাজের মান বিচার করে জয়নুল আবেদীন পুরস্কার পায়নি কোন শিক্ষার্থী। প্রদর্শনী চলবে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শনী উন্মেঠক্ত থাকবে।

কবি বেলাল মোহাম্মদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও শব্দ সৈনিক কবি বেলাল মোহাম্মদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১০ সালে তাঁকে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করা হয়। ২০১৩ সালের এদিনে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতির জন্য নিজ দেহটি দান করে যান। তাঁর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের বিশিষ্টজনেরা গভীর শোক প্রকাশ করেছিলেন।  বেলাল মোহাম্মদ সর্ম্পকে বিশিষ্টজনরা বলেছেন, বেলাল মোহাম্মদ যা বিশ্বাস করতেন তার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তারা বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো শক্তিকে এ দেশে কোনোদিন মাথাচারা দিয়ে উঠতে না দিলেই, তার প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো হবে এবং তার আত্মা শান্তি পাবে।  লেখক, সাংবাদিক ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রেরকর্মী কামাল লোহানী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে তিনি ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন। তার হাতে গড়া এই বেতার কেন্দ্র সে সময় যে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে। এজন্য মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী প্রত্যেক মানুষ তাকে আজীবন মনে রাখবে। বিশিষ্ট অভিনেতা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কর্মী সৈয়দ হাসান ইমাম বলেন, বেলাল মোহাম্মদ যা বিশ্বাস করতেন তার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার ঘোষণা পাল্টে দেওয়ার জন্য তাকে যেমন প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল, তেমনি চাপও প্রয়োগ করা হয়েছিল তার উপর। তিনি এতটাই দৃঢ়চেতা মানুষ ছিলেন যে, কোনো প্রলোভন বা চাপ তাকে দমাতে পারেনি। অবশ্য এজন্য তাকে বহু বছর বিদেশে থাকতে হয়েছে। বেলাল মোহাম্মদের জন্ম ১৯৩৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সন্দ্বীপের মুসাপুর গ্রামে। তার পিতা মোহাম্মদ ইয়াকুব (১৮৯৯-১৯৬২) এবং মাতা মাহমুদা খানম (১৯১০-১৯৯৮)। তিনি ছয় ভাই ও চার বোনের মধ্যে ছিলেন পঞ্চম। ১৯৬৪ সালে বেলাল মোহাম্মদ কর্মজীবন শুরু করেছিলেন রেডিও পাকিস্তান চট্টগ্রাম কেন্দ্রে। বেতারে চাকরির আগে তিনি চট্টগ্রামের ‘দৈনিক আজাদী’ পত্রিকায় উপ-সম্পাদক হিসেবে কিছুদিন কাজ করেন। মার্চ ১৯৭১-এর শেষ সপ্তাহে বাঙালি জাতি যখন চরম বিভীষিকার মুখোমুখি তখন চট্টগ্রাম বেতারের কালুরঘাট বেতার যন্ত্র থেকে মানুষ শুনতে পায় আশার বাণী। এর আগে শব্দসৈনিক আবুল কাসেম সন্দ্বীপিসহ কয়েকজন বেতার কর্মী নিয়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। এ কেন্দ্র থেকেই বঙ্গবন্ধুর দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করে পৃথিবীব্যাপী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কথা জানিয়ে দেওয়া হয়।        এছাড়া তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা বিতর্কের একমাত্র সাক্ষী । যখনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করা হয়েছে, ঠিক তখনি তাঁর কলম প্রতিবাদে, দ্রোহে গর্জে উঠেছিল। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতির জন্য নিজ দেহ দান করা ছাড়াও ২০১০ সালে অর্জিত স্বাধীনতা পদকটি তিনি উৎসর্গ করেছেন বাংলাদেশ বেতারকে। পাওয়া নগদ অর্থ দিয়ে তার জন্মস্থান সন্দ্বীপে গণশিক্ষা এবং বেকার যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণের জন্য গঠন করেছিলেন লালমোহন-মোজাফফর কল্যাণ ট্রাস্ট। ভিক্ষুকের হাত কিভাবে কর্মজীবীর হাতে পরিণত করা যায় তার পথ তৈরি করার চেষ্টা করেছেন এই প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। বাংলা একাডেমির পুরুস্কারসহ একাধিক পদকে তিনি ভূষিত হয়েছেন তিনি। তাঁর লেখা প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৭৬ টি। এই মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল - কতো ঘরে ঠাই, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র, জয় বাংলা রেডিও একাত্তরসহ শিশুদের জন্য লিখেছেন মুক্তিযুদ্ধের গল্পের বই। কেআই/ডব্লিউএন

হাজার বছরের বাংলা গানের জমজমাট আসর

বাংলা ভাষার প্রথম সাহিত্যকর্ম চর্যাপদের রচনাগুলো ছিল আদতে গান। এরপর কীর্তন, শ্যামাসঙ্গীত, খেয়াল, ভজনসহ নানা যুগে নানা রূপ নিয়েছে বাংলা গান। হাজার বছরের বাংলা গানের বিবর্তন ধারা নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় বসেছিল একটি জমজমাট আসর। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও সরকারি সঙ্গীত কলেজের যৌথ আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে ছিল ‘হাজার বছরের বাংলা গান’ শীর্ষক আয়োজন। ৩ ঘন্টাব্যাপী এ অনুষ্ঠানে মিলনায়তন মুখর ছিল শ্রোতাদের হাত তালিতে। আয়োজনের শুরুতেই ছিলো সংক্ষিপ্ত আলোচনা পর্ব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিসচিব ইব্রাহীম হোসেন খান। শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সরকারি সঙ্গীত কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক কৃষ্টি হেফাজ। আলোচনা পর্ব শেষে সঙ্গীত পরিবেশনার শুরুতেই ছিলো চর্যাগান ‘আ হাইয়া হা হা শ্রী মহা মঞ্জুশ্রী’। এ গানের সঙ্গে ছিলো শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যদলের পরিবেশনায় নৃত্য। এর পর পরিবেশিত হয় আরেকটি চর্যাগান ‘উচা উচা পর্বত’। ছিলো নাথগীতির পরিবেশনা । এ গানের সুর থামতেই রাগ সঙ্গীতের আলাপ, সঙ্গে নৃত্য। শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন থেকে গীত হয় ‘নৌকা বিলাস খÐ’। ছিল বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের পুঁথি ও কাব্য সাহিত্যের পরিবেশনা। শুররুতেই মহাকবি আলাওলের ‘পদ্মাবতী’র সিংহল দ্বীপ বর্ণন খন্ডের পুঁথিপাঠ। এর পর ছিলো বৈষ্ণব পদাবলী ও কীর্তন। ছিল মঙ্গলকাব্য থেকে মঙ্গলগান। ‘মনসামঙ্গল’ থেকে সাপের দেবী মনসার বন্দনা উচ্চারিত হয় ‘বন্দি গো মনসাদেবী’ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে দিয়ে। আরও রামপ্রসাদী গান ‘মন রে কৃষি কাজ জানো না’। ময়মনসিংহ গীতিকার গান আর কবিয়ালদের লড়াই  এর পর পরিবেশিত হয় নিধুবাবুর বাংলা টপ্পা ‘সে কেনরে করে অপ্রণয়’। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্রহ্মসঙ্গীত থেকে দেহ জ্ঞান ও দিব্য জ্ঞানের পরিবেশনর পর পরিবেশিত হয় দুটি নাট্যগীতি ‘চাঁদ তুমি আকাশে থাকো’ ও ‘কালো যদি মন্দ তবে’। সিলেট অঞ্চলের ধামাইল নামে পরিচিত বিয়ের গান ‘তোমরা কুঞ্জ সাজাওগো’ গানের সঙ্গে ছিলো নৃত্য। এর পর ছিল রবীন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল ইসলাম, রজনীকান্ত, অতুলপ্রসাদ ও দ্বিজেন্দ্রলাল- অর্থাৎ পঞ্চকবির গান। সম্মেলক কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথের ‘ও আমার দেশের মাটি’, কাজী নজরুলের ‘দুর্গমগিরি কান্তার মরু, রজনীকান্তের ‘মায়ের দেয়া মোটা কাপড়’, দ্বিজেন্দ্রলালের ‘ধন ধান্য পুস্প ভরা’ এবং অতুল প্রসাদের ‘মোদের গরব মোদের আশা’ গানগুলো পরিবেশিত হয়। এর পর ছিল বাংলা কাওয়ালী ও কাসিদা ‘আকাশের তারাগুলি ঝিলিমিলি জ্বলছে’। এরপরের দুইটি গণসঙ্গীত। প্রথমেই বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে মুকুন্দ দাসের ‘ভয় কি মরণে’ ও তেভাগা আন্দোলন নিয়ে সলিল চৌধুরীর ‘হেই সামালো ধান হো’। এ দুটি গানের সাথে ছিলো নৃত্য। অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে ছিল আধুনিক বাংলা গানের পালা। একে একে গীত হয় সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের ‘আষাঢ় শ্রাবণ মানে না তো মন’, পিন্টু ভট্টাচার্যের ‘ভুল ভেঙ্গে গেলে কাছে আসবে’, হাসিনা মমতাজের ‘তন্দ্রাহারা নয়ন’, এর পর শচীন দেব বর্মণের ‘কে যাসরে ভাটির গাঙ বাইয়া’, মান্না দের ‘দ্বীপ ছিল শিখা ছিল’ ও হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ‘এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন’। এর পর আলতাফ মাহমুদের ভাষার গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো’। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের দুই গান ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’ ও ‘বিজয় নিশান উড়ছে ওই’ গীত হয়। এর পর শুররু হয় স্বাধীনতা পরবর্তী গান। শুরুতেই ছিল চলচ্চিত্রের গান। ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রের ‘আমি রূপনগরের রাজকন্যা’ গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ পর্ব। এর পর একে এতে গীত হয় ‘পথে পথে দিলাম ছড়াইয়া’, ‘সাগর কুলের নাইয়া’, ‘চেনা চেনা লাগে’ এবং ‘ফুলের কানের ভ্রমর এসে’। ‘আলাল ও দুলাল’, ‘মন শুধু মন ছুঁয়েছে’, ‘ও নদীরে তুই যাস কোথারে’ ও ‘তুমি ঘর বানাইছো কি দিয়া’ ইত্যাদি ব্যান্ড ঘরানার গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় ‘হাজার বছরের বাংলা গান’ শীর্ষক আয়োজন।  

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি