ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭ ৮:১৫:২৫

ঐশীর মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড : রায়ের কপি প্রকাশ

ঐশীর মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড : রায়ের কপি প্রকাশ

পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও স্ত্রী স্বপ্না রহমান হত্যা মামলায় তাদের মেয়ে ঐশী রহমানের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ৭৮ পৃষ্ঠার এ রায়ে পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশ করেন। গত ৫ জুন আলোচিত এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামির আপিল শুনানি করে হাইকোর্টের ওই দ্বৈত বেঞ্চ ঐশী রহমানের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। রায়ে হাইকোর্ট বলেন, ঐশীর অপরাধ মৃত্যুদণ্ডের যোগ্য হলেও তার বয়স ও মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় তার সাজা কমানোর এই রায় দেওয়া হয়েছে। দণ্ড কমানোর ব্যাখ্যায় আদালত বলেন, পাঁচটি কারণে ঐশীর মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয়েছে। ১ .  হত্যাকাণ্ডের সময় ঐশী মাদকাসক্ত ছিলেন এবং ১৪ বছর বয়স থেকেই তিনি সিসা, ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিলের মতো নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করতেন। ২ . ঐশী বংশগতভাবে মানসিক রোগী। তার চাচা-দাদি-খালা অনেকের মধ্যেই মানসিক রোগের লক্ষণ আছে, যা তার মধ্যেও ছোটবেলা থেকে বিদ্যমান। ৩ . হত্যাকাণ্ডের ঘটনার দ্বিতীয় দিনের মাথায় ঐশী আত্মসমর্পণ করেছেন। এতে বোঝা যায়, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ৪ . ঘটনার সময় ঐশীর বয়স ছিল ১৯ বছর। এ বয়সের একটি সন্তানকে তার বাবা-মা যথাযথভাবে দেখভাল করেননি। ফলে ঐশী ছোটবেলা থেকেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন। ৫ . ঐশীর বাবা-মা দুজনেই সন্তানের লালনপালন বিষয়ে উদাসীন ছিলেন। এ কারণে ছোটবেলা থেকেই তিনি স্নেহবঞ্চিত হয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। এর আগে ঐশী রহমানকে ২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর দুবার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত। প্রত্যেক মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে ২০ হাজার টাকা করে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, অনাদায়ে দুই বছর কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। একটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর অন্যটি সরাসরি বাতিল হয়ে যাবে। একই সঙ্গে ঐশীর বন্ধু মিজানুর রহমান রনিকে দুই বছর কারাদণ্ডাদেশ ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগের বাসা থেকে পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরের দিন ১৭ আগস্ট নিহত মাহফুজুর রহমানের ছোট ভাই মো. মশিউর রহমান রুবেল পল্টন থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। একই দিন পল্টন থানায় আত্মসমর্পণ করেন ঐশী রহমান।   এমআর / এআর
ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি : ছাত্রলীগ নেতাসহ ৩ জন রিমান্ডে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক ও ঢাবির পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র মহিউদ্দিন রানাসহ তিনজনকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। আজ শনিবার পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেসটিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) তাদের ঢাকা মূখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে হাজির করেন। এ সময় তাদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আক্তারা মাহমুদা বেগম প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে নেয়া অপর দুই জন হলেন-ফলিত রসায়ন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের আব্দুল্লাহ আল মামুন ও জনৈক ইশরাক হোসেন রাফি। এর আগে গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরুর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা চলাকালে তাদের আটক করা হয়। সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মিনহাজুল ইসলাম জানান, মোট ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ১২ জনকে সাজা দিয়েছে। বাকি তিন মাস্টারমাইন্ডকে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসসহ আটক করে সিআইডি কার্যালয়ে আনা হয়। তারাই মূলত জালিয়াতিতে সহায়তা করতেন। আটক ১৫ জনের মধ্যে ১৪ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- ঢাবির পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের মহিউদ্দিন রানা এবং ফলিত রসায়ন আব্দুল্লাহ আল মামুন। এর মধ্যে রানা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক। নুর মো. মাহবুব, ফরহাদুল আলম রানা, ইশরাক হোসেন রাফি, আব্দুল্লাহ আল মুকিম, রিশাদ কবির, আসাদুজ্জামান মিনারুল, ইশতিয়াক আহমেদ, জয় কুমার সাহা, রেজওয়ানা শেখ শোভা, মাশুকা নাসরীন, তারিকুল ইসলাম ও নাছিরুল হক নাহিদ। এমআর/ডব্লিউএন

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যুক্তিতর্ক কাল

স্পর্শকাতর ও আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সোমবার (২৩ অক্টোবর) থেকে যুক্তিতর্ক শুরু করা হবে। এর মাধ্যমেই জঘন্যতম মামলার বিচার কার্যক্রম শেষে রায়ের তারিখ ধার্য হবে। রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি সৈয়দ রেজাউর রহমান জানান, আগামী ২৩, ২৪, ২৫ অক্টোবর যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের ঘৃণ্যতম ও ভয়াবহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচার কার্যক্রম শেষে রায়ের তারিখ ধার্য হবে। এর আগে গত ৩০ মে এ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের মোট ২২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। আর আসামিপক্ষে সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়ে শেষ হয় গত ১১ অক্টোবর। ঢাকার-১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালতে এ মামলার বিচার কাজ চলছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) সিআইডির জ্যেষ্ঠ বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দসহ রাষ্ট্রপক্ষে ২২৫ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। এরপর আসামিদের সাফাই সাক্ষ্য নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের এক সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় ২৪ জন নিহত ও পাঁচ শতাধিক লোক আহত হন। ওই হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে যান তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের প্রচণ্ড শব্দে তাঁর শ্রবণশক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়। ঘটনায় পরের দিন মতিঝিল থানার তৎকালীন এসআই ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে থানা পুলিশ। পরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পায়। পরে মামলাটি যায় সিআইডিতে। ২০০৮ সালের ১১ জুন সিআইডির জ্যেষ্ঠ এএসপি ফজলুল কবির জঙ্গি নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। পরে ২০০৯ সালের ৩ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটির অধিকতর তদন্তের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল মঞ্জুর করেন। মামলাটি তদন্তের ভার পান সিআইডির পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ। তিনি ২০১১ সালের ৩ জুলাই বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৩০ জনের নাম যুক্ত করে মোট ৫২ জনের নামে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি অভিযোগপত্র দেন।   আর

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ২৫ জনকে নিয়োগ

সুপ্রিম কোর্টের ২৫ জন আইনজীবীকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটার অনুবিভাগ থেকে তাদের নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এর আগে গত ১২ জুন ২৩ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলকে অব্যাহতি দিয়ে একই পদে নতুন ২৭ জন আইনজীবীকে নিয়োগ দিয়েছিল সরকার। নতুন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা হলেন, মিয়া সিরাজুল ইসলাম, আঞ্জুমান আরা বেগম, নাজমা আফরিন, মফিজ উদ্দীন, রোকেয়া আক্তার, মো. মিজানুর রহমান, অবন্তি নুরুল, মোহাম্মদ সাইফুল আলম, মাহফুজা বেগম সাইদা, ফাতেমা রশিদ, সৈয়দা শবনম মুস্তারি, মো. তওফিক সাজাওয়ার, কালীপদ মৃধা, মো. আলতাফ হোসেন আমানি, মো. হাতেম আলী, মুহাম্মদ শাহীন মৃধা, আলী আকবর খান, মো. সেলিম আজাদ, আলেয়া খন্দকার, মারুফা আক্তার, একেএম আলমগীর ফারভেজ ভূঞা, জায়েদী হাসান খান, মাহফুজুর রহমান, কাজী বশির আহমেদ ও সাবিনা পারভীন। এই ২৫ জনকে নিয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের সংখ্যা দাঁড়াল ১২১ জনে। বর্তমানে একজন অ্যাটর্নি জেনারেল, দুজন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ৪৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আছেন। ডব্লিউএন

হাসপাতালে সেবা না পাওয়া অন্তঃসত্ত্বাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না কেন

ঢাকার তিন হাসপাতাল ঘুরে সেবা না পেয়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব এবং নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী নারীকে কেন উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন হাই কোর্ট। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ওই ঘটনার খবর আমলে নিয়ে বৃহস্পতিবার বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি মাহমুদ উল্লাহ’র বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত রুল জারি করেছে। ওই নারীকে চিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় দোষীদের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। স্বাস্থ্যসচিব, আইজিপি, সমাজকল্যাণ সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, আজিমপুর শিশু মাতৃসদনের সুপারিন্ডেন্ট, মাতৃসদনের চিকিৎসক নিলুফার, ঢাকার জেলা প্রশাসক ও লালবাগ থানার ওসিকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক এবং আজিমপুর শিশু মাতৃসদনের সুপারকে ঘটনার তদন্ত করে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। আগামী ৫ নভেম্বর এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য দিন রেখেছে আদালত। উল্লেখ্য, প্রসব বেদনা ওঠার পর পারভিন আক্তার নামের এক নারী গত মঙ্গলবার ঢাকা মেডিকেল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সবশেষ আজিমপুর শিশু মাতৃসদনে গিয়েও চিকিৎসা পাননি। পরে রাস্তার ওপরেই ওই নারী সন্তান প্রসব করেন, কিন্তু কিছুক্ষণ পরই নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরে এ ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশের হয় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আদালত আদেশে বলে, “পারভিন আক্তারের যথাযথ চিকিৎসা এবং তত্ত্বাবধানের অভাবে তার নবজাতকের মৃত্যু হয়। এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, যা আমাদের মত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সভ্যতার ওপর কালিমা লেপন। আমাদের স্বাস্থ্য সেবায় গরিব জনগোষ্ঠী অত্যন্ত নিগৃহীত। তাদের চিকিৎসায় সরকার এবং সরকারের সেবা সংস্থাসমূহের অবহেলা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ফলে সরকার ও সেবা সংস্থাগুলোর সচেতন হওয়া আবশ্যক।” ডব্লিউএন

নকশা ব্যত্যয় : ল্যাবএইডকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

ভবনের মূল নকশার ব্যত্যয় ঘটানোর কারণে রাজধানীর ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গ্রীন রোড এলাকায় ৪ নম্বর সড়কে এ হাসপাতালের কার পার্কিয়ের জায়গায় স্টোররুমসহ অন্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। যে কারণে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ভ্রাম্যমাণ আদালত এ জরিমানা করে।   এর আগে এই স্টোররুমসহ অন্য কাজে তা ব্যবহার না করতে এক মাসের সময় দেয়া হয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। রাজউকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ ও প্রোটকল) আতিকুর রহমান জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন । গ্রীন রোড আবাসিক এলাকায় যেসব প্লট, ভবন, অননুমোদিত ফ্ল্যাট ও অবৈধভাবে গেস্টহাউজ, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, বারসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলছে তা বন্ধ ও উচ্ছেদ করতে বৃহস্পতিবার রাজউক অভিযান পরিচালনা করে বলে জানান তিনি।

গাজীপুরে ভুয়া ৪ সেনা সদস্য আটক

সেনাবাহিনীতে চাকরি দেয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে চার প্রতারককে আটক করেছে জয়দেবপুর থানা পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে মেজর র‌্যাংক ব্যাচ, সেনাবাহিনীর পোশাক, ভুয়া নিয়োগপত্র, বিভিন্ন ধরনের সিল, বুট এবং সেনাবাহিনীর লোগোযুক্ত মোজা উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার রাতে গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে জয়দেবপুর থানা পুলিশ। গাজীপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, আটককৃতরা নিজেদের সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সেনাবাহিনীতে বিভিন্ন পদে লোক নিয়োগের কথা বলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। তিনি বলেন, টাকার বিনিময়ে তারা বিভিন্ন জনকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগপত্র প্রদান করে। ভুক্তভোগীরা চাকরিতে যোগদান করতে গিয়ে তাদের নিয়োগপত্রটি ভুয়া বলে জানতে পারেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রতারকচক্রকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো- ময়মনসিংহের গফরগাঁও থানার মহির খারুয়া গ্রামের সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয়দানকারী শাবিক হাসান লিটন ওরফে সাহাজ্জল হোসেন লিটন ওরফে মেজর নাঈম (৪৯), নড়াইল জেলার লোহাগাড়া থানার মইশাপাড়া গ্রামের সেনাবাহিনীর ভুয়া ওয়ারেন্ট অফিসার মো. এমদাদুল ইসলাম ওরফে আকাশ ওরফে এনায়েত (৩৪), মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ি থানার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের সেনাবাহিনীর অফিস সহকারী পদ পরিচয়দানকারী মো. আব্দুর রাজ্জাক ওরফে নজরুল ওরফে লাদেন (৪৫) ও দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থানার বাওপুকুর গ্রামের মেজরের পিএ পরিচয়দানকারী মো. মঞ্জুরুল হোসেন মঞ্জু ওরফে আরিফ হোসেন (৩৬)। আর/ডব্লিউএন

এতিমদের একটি টাকাও অপচয় হয়নি : খালেদা

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ওই ট্রাস্টে এতিমদের জন্য আসা একটি টাকাও অপচয় করা হয়নি। টাকা এখনও  ব্যাংকে গচ্ছিত আছে। বিচারাধীন এই মামলা নিয়ে মন্তব্য করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করেছেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়েই গতকাল বুধবার দেশে ফেরেন খালেদা জিয়া। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জামিন নেন তিনি। জামিনের পর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় খালেদার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি শুরু করেন।  আত্মপক্ষ সমর্থনে বেলা সোয়া ১২টা থেকে এক ঘণ্টা লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান বিএনপি নেত্রী। পরবর্তী সময়ে বাকি বক্তব্য শেষ করার অনুমতি চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করে ২৬ অক্টোবর শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেন। একই দিনে জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট মামলারও শুনানি হওয়ার দিন ধার্য করা হয়েছে। এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এ মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ অভিযোগ গঠন করে খালেদাসহ ছয় আসামির বিচার শুরু করেন। আত্মপক্ষ সমর্থনের শুরুতে খালেদা বলেন, জিয়াউর রহমানের নামে এতিমখানার জন্য বিদেশ থেকে যে অনুদান আসে, তা এতিমখানার কল্যাণেই ব্যয় করা হয়েছে। সেই ব্যয়র পর বাকি অংশ ব্যাংকে রাখা হয়েছে। ব্যাংকের সুদ যুক্ত হয়ে সেই গচ্ছিত টাকা এখন অনেক বেড়েছে। একটি টাকাও অপচয় করা হয়নি। নিজেকে নির্দোষ দাবি করার পাশাপাশি ছেলে তারেক রহমানকেও নির্দোষ দাবি করেন তিনি। পরিবার নিয়ে ২০০৮ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টাসহ দুর্নীতি, রাষ্ট্রদ্রোহ ও মানহানীর অভিযোগে কয়েক ডজন মামলা রয়েছে। খালেদা জিয়া বলেন, একটি আদালত তারেক রহমানকে মুদ্রা পাচারের বানোয়াট অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছিলেন। সেই বিচারককে শাসক মহল হয়রানির উদ্দেশ্যে এমন তৎপরতা শুরু করে যে তিনি আত্মরক্ষার জন্য বিদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। সেই বিচারক নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। খালেদা বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সঙ্গে শাসক মহলের ‘বিরোধ’ সম্প্রতি প্রায় প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। মনে পড়ছে ফখরুদ্দীন ও মঈনুদ্দিনের অসাংবিধানিক শাসনামলের কথা। তখন দেশের নেতানেত্রীদের হয়রানির উদ্দেশ্যে কোর্ট কাচারির বাইরে বিশেষ ট্রাইব্যনুালের এজলাস বসেছিল। জিয়া এতিমখানা ও দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাও কেন আদালত পাড়ার বাইরে বিশেষ এজলাস বসানো হয়েছে- সেই প্রশ্ন তোলেন বিএনপি চেয়ারপারসন। তিনি বলেন, এটা করা হয়েছে ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশ্যই। সংবাদপত্রে আসা খবর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য উদ্ধৃত করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘এতিমদের টাকা মেরেছেন, আবার আদালতে একদিন আসেন তো দশদিন যান না’তাঁর এই বক্তব্য বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপের শামিল। খালেদার পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার, আবদুর রেজ্জাক খান, এ জে মোহাম্মদ আলী ও সানাউল্লাহ মিয়া। অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। এতিমখানা দুর্নীতি মামলার আসামিদের মধ্যে খালেদা জিয়া, মাগুরার সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ বৃহস্পতিবার জামিন পেয়েছেন। খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমান আছেন লন্ডনে। আর সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক। আর/ডব্লিউএন

দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন

জিয়া চ্যারেটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং পরে জামিন আবেদন করেন।বিএনপির চেয়াপারসনের পক্ষে আদালতে জামিন আবেদন করেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার। তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে জামিন চান। শুনানি শেষে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেছেন, আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে খালেদা জিয়ার জামিনের আদেশ দেন। তবে আদালত বলেছেন, মামলা চলাকালে ভবিষ্যতে বিদেশে যেতে হলে আদালতের অনুমতি নিতে হবে।

এমপি রানার জামিন স্থগিত

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে জামিন দেননি আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার সকালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে এমপি রানার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দীন মাহমুদ আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। রানার জামিন বিষয়ে আদেশ সংশোধন চেয়ে আবেদনের শুনানি শুরু হয়েছিল গত ২৩ আগস্ট। পরে আদালত ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত মুলতবি (স্ট্যান্ড ওভার) রাখে। ওইদিন শুনানি শেষে আদেশের জন্য ১৯ অক্টোবর দিন ধার্য করে আদালত। এর আগে গত ৮ মে সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন চার মাসের জন্য স্থগিত করেছিল আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এ মামলা ছয় মাসের জন্য নিষ্পত্তি করতে নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদকে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আমানুর গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে তিনি কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। তিনি আবারও জামিন আবেদন করলে গত ২৬ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়া জামিন নাকচ করেন। বিচারিক আদালতে নাকচের পর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করা হয় সাংসদ রানার পক্ষে।   আর/এআর

আদালতের পথে খালেদা জিয়া

জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করতে আদালতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গুলশানের বাসভবন থেকে রওয়ানা হয়েছেন তিনি। চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আজ দুপুর ১২টার দিকে আদালতে উপস্থিত হয়ে জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির দুই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করবেন। গত ১২ অক্টোবর খালেদা জিয়া আদালতে হাজির না হওয়ায় দুই মামলায়ই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ আদালত।  

বৃহস্পতিবার আত্মসমর্পণ করতে আদালতে যাবেন খালেদা

জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির দুই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন নিতে বৃহস্পতিবার ১৯ অক্টোবর দুপুর ১২টার দিকে আদালতে উপস্থিত হবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। গত ১২ অক্টোবর তিনি আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে দুই মামলায়ই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ আদালত। খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল দুর্নীতির দুই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করতে আদালতে উপস্থিত হবেন। তিনি বিদেশ থেকে আসায় ক্লান্ত। তাই তিনি ১২টার দিকে আদালতে উপস্থিত হবেন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে মামলা দুটির যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য রয়েছে। দুই মামলারই সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত হয়েছে। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশিদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলা করে দুদক। ২০১০ সালের ৫ আগস্ট খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক হারুন আর রশিদ। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়। মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান। কেআই/ডব্লিউএন

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি