ঢাকা, বুধবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৮ ০:১৮:১৮

সফল হতে চাইলে ৭টি বিষয় গোপন রাখুন  

সফল হতে চাইলে ৭টি বিষয় গোপন রাখুন  

মানুষ সফল হতে চায়। কেউ ব্যর্থতার খাতায় নাম লিখাতে চায় না। আমাদের এ যুগেও চাণক্য নীতি প্রাসঙ্গিক। অনেকের মতে আধুনিক এই যুগেও চাণক্য নীতি মেনে চললে সাফল্যের দিকে সহজেই এগিয়ে যাওয়া যায়। তবে সফল হতে গেলে জীবনের কয়েকটি বিষয় অন্যদের থেকে গোপন রাখতে হয়। যেনে নিন সফল হতে হলে কী কী বিষয় গোপন রাখতে হয়-   ১. আপনি কত টাকা রোজগার করেন বা আপনার কত টাকা সম্পত্তি, তা কখনোই অন্যদের জানাবেন না। ২. প্রত্যেকের জীবনেই একজন করে গুরু বা পথপ্রদর্শক থাকেন। তিনি আপনাকে কী পরামর্শ দিয়েছেন তা অন্যকে বলবেন না।  ৩. পরিবারে বা আত্মীয়দের সঙ্গে কী চলছে- তা কখনোই বাইরের লোকের কাছে প্রকাশ করবেন না। ৪. অনেকে দান করে বলে বেড়ায়, ভিক্ষুককে কত টাকা দান করছেন- তা গোপনে রাখুন।   ৫. আপনার বয়স কত, তা পেশাগত জায়গায় জানান। কিন্তু সবার কাছে তা প্রকাশ করবেন না। ৬. নিজের যৌনজীবনের কথা অন্যদের বলবেন না। ৭. কী অসুখে আপনি ভুগছেন তা-ও গোপন রাখুন। সূত্র: এবেলা এসি  
মুখের বলিরেখা পরিহার করতে করণীয়

সুন্দরকে কে না ভালোবাসে। তাই পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষ হয়তো সুন্দর থাকার চেষ্টা করেন। কিন্তু অনেক সময় ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সম্ভব হয় না। মুখে অনেক সময় পড়ে যায় বলিরেখা। এর অন্যতম কারণ হলো- বয়স বেড়ে যাওয়া, সূর্যরশ্মি, পরিবেশ দূষণ, ধূমপান, পুষ্টির ঘাটতি ইত্যাদি। বলিরেখা দূর করতে বা প্রতিরোধে নানা ধরণের ক্রিম বাজারে প্রচলিত থাকলেও এর সমাধানে রয়েছে প্রাকৃতিক কিছু উপায়। নিম্নে এগুলো কয়েকটি তুলে ধরা হলো- লেবুর রস- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবুর রস প্রাকৃতিকভাবেই বলিরেখা দূর করতে সক্ষম। লেবুর রস মুখের ভাঁজগুলোতে লাগিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে। লেবুর রস ত্বক উজ্জ্বলও করে তোলে। তবে অতিরিক্ত লেবুর রস ব্যবহারে ত্বকে ক্ষতি হতে পারে। তাই লক্ষ্য রাখতে হবে পরিমাণের দিকে। ডিমের সাদা অংশ ডিম শুধু শরীরের জন্যই যে খুব উপকারী তা নয়। বরং এর সাদা অংশটা ত্বকের জন্যও সমান উপকারী। বলিরেখা দূর করতে খুব সহজেই আমরা এটা ব্যবহার করতে পারি। এজন্য প্রথমে ডিমের কিছুটা সাদা অংশ ভালোভাবে ফেটিয়ে নিয়ে সরাসরি তা ত্বকে লাগাতে হবে। এরপর হালকাভাবে ম্যাসাজ করে ১৫ মিনিট রেখে উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। অলিভ অয়েল বলিরেখা দূর করার প্রাকৃতিক আরেকটি উপাদান হলো অলিভ অয়েল। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক ফোঁটা অলিভ ত্বকে ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর তোয়ালে দিকে মুখ মুছে নিতে হবে। অ্যালোভেরা অ্যালোভেরাতে ম্যালিক এসিড রয়েছে যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। এজন্য পাতা থেকে জেল বের করে নিয়ে সরাসরি মুখে লাগাতে হবে। এরপর ১৫ মিনিট বা না শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করে তা ধুয়ে ফেলতে হবে। জেলের সঙ্গে ভিটামিন ই তেল মিশিয়েও মুখে লাগানো যেতে পারে। গাজরভিটামিন এ সমৃদ্ধ এ সবজিটি ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন অব্যাহত রাখে। এতে করে ত্বক থাকে কোমল ও বলিরেখা মুক্ত। গাজর সিদ্ধ করে ব্লেন্ড করে পেস্ট বানিয়ে তা মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে আধাঘন্টা। এরপর ধুয়ে ফেলতে হবে। এর সঙ্গে মধুও মেশানো যেতে পারে। পানি পানত্বকের বলিরেখা দূর করার অন্যতম সহজ একটি উপায় হলো প্রচুর পানি পান করা। দৈনিক দুই লিটার করে পানি পানে ত্বক থাকে আর্দ্র্র ও বলিরেখা মুক্ত। কলা পুষ্টিকর এ ফলটি ত্বকের বলিরেখা দূর করতেও অনেক উপকারী। পাকা কলা ভালোভাবে চটকে নিয়ে সরাসরি মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে প্রায় আধা ঘণ্টা। এরপর ধুয়ে নিতে হবে। এর সঙ্গে কিছু অ্যাভোকাডো ও মধুও মেশানো যেতে পারে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি। এসএইচ/

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ৪ রেসিপি

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য, তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাদের খাদ্য ও ওষুধের ক্রমাগত নিরীক্ষণ করা জরুরি। ডায়াবেটিস মানেই ডেজার্ট খাওয়া ভুলে যেতে হবে প্রায়। কিন্তু  এমন কটি রেসিপির রয়েছে, যা সুস্বাদুও আবার চিনিও কম লাগে। ডায়াবেটিস রোগীরা চেষ্টা করে দেখুন এগুলো বাড়িতেই বানানোর। ১. পেস্তা মফিন বিশেষজ্ঞদের মতে, ফাইবার টাইপ -২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ডায়াবেটিস ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়া (ডিএফআই) এবং ন্যাশনাল ডায়াবেটিস, ওবেসিটি এবং কোলেস্টেরল ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পেস্তা লো গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যুক্ত হওয়ায় ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী। উপকরণ ১) ১/৪ কাপ ঘি বা সাদা মাখন ২) ১/৪ কাপ গুড় ৩)  ১/২ কাপ রাগি আটা ৪) ৩/৪ কাপ গম ময়দা ৫) ২ টেবিল-চামচ ভুট্টা স্টার্চ ৬) ১/২ চা চামচ লবণ ৭) ১/২ চা চামচ এলাচ ৮) ২ চা চামচ বেকিং পাউডার ৯) ১/২ চা চামচ বেকিং সোডা ১০) ১ কাপ বাটারমিল্ক ১১) ১/২ কাপ পানি ১২) ১ কাপ কাটা ডেটস ১৩) ১ কাপ কাটা পেস্তা পদ্ধতি ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওভেন গরম করুন। তারপর মাফিন ট্রে নিন এবং তাতে মাখন মাখিয়ে দিন। একটি বাটি মধ্যে মাখন এবং গুড় নিয়ে মেশান। এবার মিশ্রণে রাগি আটা, ময়দা, ভুট্টা স্টার্চ, এলাচ, বেকিং পাউডার এবং বেকিং সোডা যোগ করুন। ওই মিশ্রণে পানি আর বাটারমিল্ক দিন। মিশ্রণটি ভালভাবে মেশান। পেস্তা ও ডেটস গুলো মিশিয়ে দিন। তাদের মাফিন ট্রের মধ্যে ২৫-৩০ মিনিট রেখে দিলেই রেডি পেস্তা মফিন। ২. কাজু বাদামের কুকিজ বাদামে রয়েছে অসম্পৃক্ত ফ্যাট, প্রোটিন এবং বেশ কিছু ভিটামিন ও খনিজ যা কোলেস্টেরল, প্রদাহ এবং ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স কম করতে সাহায্য করে। একটি গবেষণায় জানা গেছে, রক্তের ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করতে একজন ব্যক্তির অন্তত ৫০ গ্রাম বাদাম, কাজু চিনাবাদাম, আখরোট বা পেস্তা খাওয়া দরকার। রোজ চার পাঁচটা কাজু খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। আপনি বাদাম স্যালাডে যোগ করতে পারেন, চিকেন ফ্রাইতে দিতে পারেন, সুগারফ্রি ডেজার্টেও মেশাতে পারেন বাদাম। উপকরণ ১) ১১২ গ্রাম কাজু বাটা ২) ৩/৪ কাপ ঘি ৩) ১ ১/২ কাপ গুড় ৪) ২০ গ্রাম চিয়া বীজ ৫) ৩ টেবিলচামচ দই ৬) ১/২ চামচ বেকিং সোডা ৭) ১ টেবিলচামচ বেকিং পাউডার ৮) ১ টেবিল চামচ ভ্যানিলা ৯) ১ ৩/৪ কাপ ওটস ১০) ২ কাপ অর্গানিক আটা পদ্ধতি একটি বড় বাটিতে ময়দা ছাড়া সমস্ত উপাদানগুলো মিশিয়ে নিন। এবার আস্তে আস্তে তাতে ময়দা দিন, যাতে কুকি বানানোর জন্য ভালো লেচি হয়। মিশ্রণটি এক ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন। এবার ১৬০ সেলসিয়াসে রেখে গরম করুন মিশ্রণটি। তার থেকে এক ইঞ্চি মাপের ছোট ছোট বল তৈরি করুন। কুকি শীটে রেখে বলগুলো দশ বারো মিনিট ধরে বেক করুন। এবার ওভেন থেকে বের করে ঠাণ্ডা কুকি শীটে রাখুন। ঠাণ্ডা শক্ত হয়ে গেলে খান। ৩. মুগ ডালের হালুয়া সবুজ ডাল ফাইবার এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার (ইউএসডিএ) অনুসারে, দানাশস্যের প্রতি ১০০ গ্রামে ১৫ গ্রামের বেশি ফাইবার রয়েছে, রয়েছে প্রায় ১৮ গ্রাম প্রোটিন। উপকরণ ১) ১ কাপ গোটা মুগ ডাল ২) ৪ টেবিল চামচ ঘি ৩) ১ টেবিল চামচ কিসমিস ৪) ৪০০ মিলি দুধ ৫) ১ কাপ গুড় ৬)  ১ চা চামচ এলাচ ৭) ১০ টি আমন্ড বাদাম, অর্ধেক করা পদ্ধতি মুগ ডাল মিক্সিতে মিহি করে বেঁটে নিন। মিশ্রণটি ঘি দিয়ে ভেজে নিন। কিসমিস, দুধ, চিনি আর এলাচ মিশিয়ে দিন তাতে। আরেকটি পাত্র দুধ নিয়ে তাতে এই পেস্ট ঢেলে দিন। কম আঁচে নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না দুধ শুকিয়ে যাচ্ছে। নামিয়ে নিয়ে বাদাম দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। ৪. স্পাইস তড়কা নিয়মিত ওষুধ খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকেই। কিন্তু প্রকৃতিতেও এমন অনেক উপাদান থাকে যা ওষুধের মতোই কাজ করে। বিভিন্ন মশলাগুলো শুধু রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে তাই না এর আরও নানান স্বাস্থ্যগত উপকারিতাও রয়েছে। প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ডায়াবেটিক হলুদ ইনসুলিন রেসিস্টেন্সের কাজ করে। ধনে বীজ রক্তের শর্করা ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। জিরে রক্তে গ্লুকোজ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে কাজ করে মৌরিও। উপকরণ ১ চামচ হলুদ, ২ চামচ  জিরা, ৩ চামচ ধনেগুঁড়ো এবং ৪ চামচ মৌরি। পদ্ধতি একসঙ্গে সব মশলা মিশিয়ে একটা পাত্রে ভরে রাখুন। এরপর রান্নার সময় ফ্রাইং প্যানের মধ্যে অল্প পরিমাণে ঘি নিয়ে অল্প আঁচে বসান। তারপর তাতে মশলাগুলো দিয়ে হালকা করে ভাজুন। স্বাদ অনুযায়ী লবণ আর গোল মরিচ মেশান। এর মধ্যে তড়কা ডাল মেশান। ভালো করে নেড়ে নিয়ে নামিয়ে নিন। সূত্র: এনডিটিভি একে//

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে বাঁচতে এড়িয়ে চলুন ৭ খাবার

কোষ্ঠকাঠিন্য এই সময়ের একটি পরিচিত রোগ। কমবেশি সবাই কোনো না কোনো সময় এই রোগে ভোগেন। মূলত হজম ও পরিপাকে সমস্যা দেখা দিলে এটি দেখা দেয়। কিছু খাবার আছে, যা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে৷ ফল, শাক-সবজি, দই ইত্যাদি খেলে পেট পরিষ্কার থাকে৷ কিন্তু আপনার তালিকায় এমন কয়েকটি খাবার রয়েই যায়, যা থেকে হতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্য৷ এ কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে আজই মেনু থেকে বাদ দিয়ে দিন এইসব খাবার৷ লাল মাংস: রেড মিটে হাই ফ্যাট থাকে৷ থাকে বেশি পরিমাণ প্রোটিন ফাইবারও৷ ফলে হজম হতে অনেক সময় নেয়৷ তাই পেটের সমস্যা হতেই পারে৷ চকোলেট: চকোলেট খেতে কে না ভালবাসে৷ দুশ্চিন্তা, চাপ কমিয়ে মনকে ভাল রাখতে দারুণ উপকারী চকোলেট৷ কিন্তু এর খারাপ দিকও আছে৷ চকোলেট সহজে হজম হতে চায় না৷ যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের বেশি চকোলেট না খাওয়ারই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা৷ পাউরুটি: কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম কারণ ময়দা৷ তাই রোজকার মেনুতে কেক, বিস্কুট, পাউরুটি জাতীয় খাবার বিশেষ না রাখাই ভাল৷ তাহলে শৌচাগারে বসে অন্তত কষ্ট পেতে হবে না৷ এর চেয়ে বরং ওটস খান৷ মদ: মদ্যপানের নানা অপকারিতার মধ্যে অন্যতম বদহজম৷ অতিরিক্ত মদ্যপানে হজম শক্তি কমে৷ সেই সঙ্গে শরীরে জলের পরিমাণও কমে যায়৷ যদি পান করার ইচ্ছা হয়, তবে প্রাণ ভরে জল পান করুন৷ কোষ্ঠকাঠিন্য তো বটেই, নানা রোগ থেকেই দূরে থাকবেন৷ ফাস্ট ফুড: চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার, পিজ্জা, এগরোল, মোগলাইয়ের নাম শুনলেই যেন জিভে জল আসে৷ লোভ সম্বোরণ করা কঠিন হয়ে ওঠে৷ কিন্তু সবই তো খেতে হবে পেট বুঝে৷ তাই না? এসব খাবারে পুষ্টিকর উপাদান এবং ফাইবার কম থাকে৷ উলটে প্রচুর পরিমাণ ফ্যাট ঢোকে শরীরে৷ দুধজাতীয় দ্রব্য: দুধ, চিজ কিংবা আইস ক্রিম খেতে অনেকেই ভালবাসেন৷ সুস্বাদু এই খাবার খেলে মনটাও যেন ভাল হয়ে যায়৷ কিন্তু খারাপ হয়ে যায় পেট৷ দুধজাতীয় দ্রব্যে বেশি পরিমাণ ল্যাকটোস থাকায় পেটে গ্যাস হতে পারে৷ কাঁচকলা: কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে রাখতে দারুণ উপকারী৷ কিন্তু ঠিক উলটো কাজটা করে কাঁচকলা৷ যাঁরা প্রায়ই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন তাঁদের পাতে এ খাবার না দেওয়াই ভাল৷ / এআর /

রান্নায় কালো জিরা দিলে যেসব উপকার মিলবে

তরিতরকারি থেকে ময়দা বা বেসনের যে কোনও মুখরোচক ভাজাভুজির জন্য কালো জিরা আমাদের অত্যন্ত কাজে আসে। তবে শুধু খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতেই নয়, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় এই মশলার ব্যবহার খুবই। বিশেষত, বর্ষায় কালো জিরা মাধ্যমে কাটিয়ে উঠতে পারেন হঠাৎ ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি কাশির সমস্যাও। কালো জিরাতে রয়েছে ফসফরাস, ফসফেট ও আয়রন। এই সব খনিজ শরীর অনেকটাই রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় কালো জিরা রাখুন। ঠাণ্ডা লাগার সমস্যা মোকাবিলা ছাড়াও দেখে নিন এর বাকি গুণাগুণ। ১. মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জিরার ফসফরাস রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। শরীরের যে কোনও জীবাণুর সঙ্গে লড়ে যেতে কালো জিরার ভূমিকা অসামান্য। ২. শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অনেক চিকিৎসকই রোগীর পথ্যে কালো জিরা রাখতে বলেন। কালো জিরার আয়রন ও ফসফেট শরীরে অক্সিজেনের ভারসাম্য রাখে। ৩. অনেকেরই বর্ষায় ঠাণ্ডা লেগে মাথা ধরে। ঘরোয়া উপায়ে তা কাটাতে হলে একটা পুঁটুলিতে কালো জিরা বেঁধে তা রোদে শুকোতে দিন। এর পর তা নাকের কাছে ধরে থাকলে জমে থাকা শ্লেষ্মা বেরিয়ে যায়, মাথা যন্ত্রণাও ছাড়ে। ৪. বর্ষায় পেটের সমস্যা থাকলে কালো জিরা রাখুন মেনুতে। ভাজা কালো জিরা গুঁড়ো করে আধ কাপ দুধে মিশিয়ে খেলে তা পেটের সমস্যাকে দূরে রাখে। ৫. কালো জিরা অ্যান্টি টক্সিনের কাজ করে। তাই তা প্রস্রাবকে নিয়মিত ও পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

বর্ষায় চাই স্পেশাল স্টাইল

বর্ষায় স্টাইল করা বা ফ্যাশন ধরে রাখাটা সবচেয়ে কঠিন কাজ। কেননা বর্ষায় সব ফ্যাশনই বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যায়। কিন্তু তাই বলে কি এ সময় কোন ফ্যাশনই হবে না! ইমেজ বলে তো কিছু আছে, তাই না। তাই যতই ভরা বর্ষায় হোক না কেন এ সময় মাথা থেকে পা পর্যন্ত চাই বিশেষ স্টাইল স্টেটমেন্ট। বর্ষার পোশাক বর্ষার জন্য শর্টস, স্কার্ট বা হাঁটু পর্যন্ত পোশাক পরুন। এতে জামাকাপড়ে কাদা লাগার সম্ভাবনা কমবে। জিনস, ট্রাউজার, প্লাজো বা ম্যাক্সি ড্রেস এড়িয়ে যান। ইচ্ছা হলে পরতে পারেন হাঁটু পর্যন্ত ওয়ান পিস বা জাম্পসুট। পোশাকের রং ও কাপড়ের কথা মাথায় রাখুন বর্ষার সময় ডেনিম বা সিল্কের পোশাক পরার চেষ্টা করুন। এতে পোশাক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। বর্ষাকালে কখনোই গাঢ় রঙের পোশাক পরা উচিত নয়। এতে চোখে লাগে বেশি। এই সময় চেষ্টা করুন হালকা রঙের পোশাক পরতে। সাদার সঙ্গে নীলের হালকা কোনও শেড, হলুদ, সবুজের মতো রঙের পোশাক পরতে পারেন। গাঢ় গোলাপির মতো ডার্ক শেড এড়িয়ে চলুন। জুতো জেলি শু, ফ্লিপ-ফ্লপের মতো জুতো বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি উপযোগী। ভেলভেটের জুতোও পরবেন না। এতে পা ভিজে থাকে। ফলে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ সময় দুই ফিতাওয়ালা জুতো বেশি পড়ার চেষ্টা করবেন। হ্যান্ডব্যাগও গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে হ্যান্ডব্যাগ সবাই এড়িয়ে চলে। একে তো বৃষ্টি। তার উপর একটা অতিরিক্ত জিনিস নিয়ে কে আর বোঝা বাড়াতে চায়? কিন্তু টুকটাক জিনিস নিয়ে যেতে তো একটা ব্যাগ চাই। সেটা যেন হয় স্টাইলিশ। টোটে ব্যাগ এই সময় খুব উপকারী। ছাতাতেও হতে পারে ফ্যাশন বৃষ্টি রুখতে ছাতা অবশ্যই দরকার। কিন্তু এই প্রয়োজনীয় জিনিসটি নিয়েও হতে পারে ফ্যাশন। ভরা বর্ষায় গাঢ় রঙের ছাতা ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু হালকা বৃষ্টিতে ব্যবহার করুন হালকা রঙের বা ট্রান্সপারেন্ট ছাতা। প্রিন্টেড ছাতাও ব্যবহার করতে পারেন। এতে লোকের নজরে পড়বেন আপনি। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। কেএনইউ/

সন্তানকে বুদ্ধিমান করতে চাইলে মেনে চলুন ৮ বিষয়

সন্তানের জন্মের পর থেকেই তাকে ঠিক উপায়ে এবং ইতিবাচকভাবে বড় করে তোলাই হচ্ছে বাবা-মায়ের মূল লক্ষ্য। কিন্তু অনেক সময় সন্তান পালনে এমন কিছু ঘাটতি থেকে যায়, যার কারণে সন্তান ভালো মনের মানুষ হয়ে উঠতে পারে না। অথচ, তার বেড়ে ওঠার সময় কিছু উপায় মানলেই সন্তান হয়ে উঠবে বুদ্ধিমান ও চটপটে। চলুন জেনে নিই সেগুলো- টেলিভিশন থেকে দূরে রাখুন সন্তানের মধ্যে সৃজনশীলতা বাড়াতে তাকে যতটা সম্ভব টেলিভিশন থেকে দূরে রাখুন। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুরা টিভি দেখতে পছন্দ করে বলে আমরাও তাদের সে দিকে ঠেলে দিই। কিন্তু এর চেয়ে যে কোনও ছড়ার বা গল্পের বই তাদের মনে অনেক প্রভাব ফেলে। কল্পনাশক্তি বাড়ায়। নতুন শব্দ শিখতে সাহায্য করে। সঙ্গ দেওয়া চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, শিশুর মানসিক বিকাশে সবচেয়ে বেশি কার্যকর মা-বাবার সঙ্গ। তাকে সক্রিয় ও চটপটে করে তুলতে ঘন ঘন তার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ান। তাকে পর্যাপ্ত সময় দিন। ছোট থেকেই খেলার ছলে মজার ছড়া, নামতা, প্রচলিত গল্প, গান ইত্যাদি শোনাতে থাকুন। এতে মস্তিষ্ক সক্রিয় হয়ে তার স্মৃতিশক্তি বাড়বে। দু’বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াতে হবে মাতৃদুগ্ধ শিশুর বিকাশ ও উন্নয়নের চাবিকাঠি। তাই জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব তাকে ঘন হলুদ দুধ পান করান। এ ছাড়াও অন্তত দু’বছর মাতৃদুগ্ধকে তার খাদ্যতালিকায় সবচেয়ে উপরের সারিতে রাখুন। শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে, শিশুর বুদ্ধির বিকাশে মাতৃদুগ্ধের ভূমিকা অপরিসীম। মাঝে মধ্যে গান শুনতে দিন দিনের একটা সময় শিশুকে হালকা গান শোনান। যে কোনও হালকা গান শিশুর হাইপোথ্যালামাসকে শান্ত করে, তাকে ভাবুক করে তোলে। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, গান শিশুর মনঃসংযোগ বাড়ায়। স্মৃতিশক্তি সতেজ রাখে। তাই সন্তানকে ছোট থেকেই গান বা বাদ্যযন্ত্রের তালিম দিন। তাতে তার সৃজনশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। দাবা খেলায় আগ্রহী করুন সন্তানের যদি আগ্রহ থাকে, তবে বছর চারেক বয়স হলেই তাকে দাবা শিখতে ভর্তি করে দিন। দাবা এমন এক খেলা, যা শিখতে হলে ধীর-স্থির ও বুদ্ধিমান হতে হয়। এই খেলার সংস্পর্শে এলে শিশুর মনের বিকাশ হয়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় ও একাগ্রতা আসে। নতুন নতুন শব্দ সংগ্রহের আগ্রহী করে তুলুন সন্তানের শব্দের সংগ্রহ বাড়ানোর দিকে নজর দিন ছেলেবেলা থেকেই। ইংরেজির সঙ্গে তার মাতৃভাষার প্রতিও আগ্রহ তৈরি করুন। ওয়ার্ড বুক সে ক্ষেত্রে কাজে আসবে। পড়তে না শেখা অবধি আপনিই তার সামনে সঠিক উচ্চারণে সে সব পড়ুন। এতে শিশুর কান নতুন নতুন শব্দ শিখতে আগ্রহী প্রকৃতির সঙ্গে মিশতে দিন শিশুর বিকাশে কিন্তু অত্যন্ত জরুরি ভূমিকা পালন করে তার চারপাশের প্রকৃতি। মানুষ ছাডা়ও গাছপালা, পশু-পাখির সঙ্গে মিশতে দিন তাকে। বাড়িতে যদি পোষ্য না-ও থাকে, সন্তানকে নির্ভয়ে মিশতে দিন চারপাশের পশু-পাখির সঙ্গে। পশু-পাখিদের প্রতি মমত্ব, তাদের সঙ্গে খেলা— এসব তাকে সুন্দর মনের অধিকারী করবে। উপকারী হতে শিখান আত্মকেন্দ্রিকতা নয়, সন্তানকে ছোট থেকেই উপকারী হয়ে উঠতে শেখান। পাড়া-প্রতিবেশী থেকে বন্ধুবান্ধব— সকলের প্রতিই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিক সে। আর এই বিষয়ে আপনিই হয়ে উঠতে পারেন ওর দৃষ্টান্ত। নিঃস্বার্থভাবে অন্যের উপকারের সুফল ওকে শেখান ছোট থেকেই। এতে শিশু বড় মনের অধিকারী হবে সহজেই। সূত্র : আনন্দবাজার কেএনইউ/একে/ 

প্রতিদিনের খাবারে যোগ করুন কিনো  

মানুষের চাহিদা মেটানোর জন্য নানা রকম ফলের উদ্ভব ঘটে থাকে। কোনো কোনো ফল দেখতে একই রকম কিন্তু এক রকম নয়। তেমনি কিনো ফল দেখতে হুবহু কমলা লেবুর মতো। কিন্তু ফলটি আদতে কমলালেবু নয়।বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে এ কিনো। সাধারণত পাঞ্জাবের ফলের রাজা হিসেবেই পরিচিত এই কিনো। দুই ধরণের সাইট্রাস ফলের সংকরায়ন ঘটিয়ে তৈরি করা হয় কিনো- এক, কিং (সাইট্রাস নোবিল), দুই, উইলো লিফ (সাইট্রাস এক্স ডেলিসিওসা)। পুষ্টিবিজ্ঞানী ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যের সাথে কিনো যোগ করলে বিভিন্ন দিক থেকেই শরীরের উপকারে আসে এই ফল।   কিনো দুই রকম সাইট্রাস ফলের সংমিশ্রণে তৈরি   ১. হজমের সহায়ক এই ফলটি খুব সহজে হজম হয়ে যায় এবং নিজেও হজমে সাহায্য করে। তাই আপনার পেটের বাঁ হজমের সমস্যা থেকে থাকলে এই ফল খাওয়া শুরু করতে পারেন। ব্রেকফাস্টে দুধের বদলে কিনোর জ্যুস খেতে পারেন। ২. অম্লতা থেকে মুক্তি যদি আপনার অ্যসিডিটির সমস্যা থেকে থাকে তবে কিনো খেয়ে উপকার পাবেন। এই ফল খনিজ লবণে সমৃদ্ধ হওয়ায় অ্যাসিডিটি কমাতে সক্ষম। দিনে দু’টো কিনো আপনাকে অম্লতার সমস্যা থেকে বাঁচাতে পারে। ৩. ভিটামিন সি এবং খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ ভিটামিন C- তে সমৃদ্ধ এই ফল। কিনো অ্যান্ট এজিং হিসেবেও কাজ করে। কিনো ফল হিসেবে বা জ্যুস করে খেলে বলিরেখা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। এই ফলে উপস্থিত খনিজগুলি আমাদের সামগ্রিক বিপাকক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ঔজ্জ্বল্য বাড়াতেও সাহায্য করে। ৪. প্রাকৃতিক শারীরিক শক্তি প্রস্তুতকারক নিয়মিত খেলে কিনো আমাদের শরীরের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। গ্লুকোজ, ফ্রুকটোজ এবং সুক্রোজ সহ বিপুল পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকায় এই ফলটি এনার্জি তৈরিতে খুবই উপকারী। যদি আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা প্রতিদিন ভীষণ চাপের মধ্যে থেকে কাজ করেন তবে রোজ সকালে বাঁ ব্যায়ামের পর এক গ্লাস কিনোর জ্যুস খেয়ে দেখতে পারেন। ৫. কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কিনো খারাপ কোলেস্টেরলের উপস্থিতি কমিয়ে আমাদের শরীরের ভাল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। অর্থাৎ, রোজ কিনো খেলে এথেরোস্ক্লেরোসিস, হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমাতে পারে। গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ সহ বিপুল পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে এই ফলে। অন্যান্য সাইট্রাস ফলের তুলনায়, কিনোয়াতে রয়েছে অনেক বেশি পরিমাণ ক্যালসিয়াম। মানে, আপনার হাড়কে শক্তিশালী করে তুলতে এই ফল কিন্তু যথেষ্ট উপকারী। এই ফলের খোসা বিভিন্ন ভেষজ প্রসাধনীতে ব্যবহার করা হয়। ব্ল্যাকহেডস দূর করতে এটি একটি অব্যর্থ ঘরোয়া টোটকা। এসি    

সুস্থ থাকার সাত উপায়

যুক্তরাজ্যে অত্যন্ত সুপরিচিত একজন চিকিৎসক ড. ডন হারপার। মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর টেলিভিশনে অনুষ্ঠান করে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞান দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি তিনি একটি বই লিখেছেন। বাইটির নাম ১০১ বছর সুস্থ হয়ে বাঁচুন। নীরোগ দীর্ঘ আয়ুর জন্যে এখানে তার দেওয়া সাতটি টিপস তুলে ধরা হলো: ১. ঠিক মতো ঘুমানসুস্থ থাকার জন্য ঘুম অপরিহার্য। তাই বলা যায়, ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। দিনে ঠিক কতোটুকু সময় ঘুমাচ্ছেন এবং সেই ঘুম কেমন হচ্ছে সেটা সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব বেশি ঘুম যেমন খারাপ তেমনি খারাপ অল্প ঘুমও।আমরা যারা ঘুমের চাহিদা মিটিয়ে নিতে অল্প একটু সময় চোখ বন্ধ রেখে ভাবছি যে আমাদের ঘুম হয়ে গেছে, তাদেরকে একটু সতর্ক হতে হবে। তিনি বলেন, দিনের বেলা অল্প কিছুক্ষণের জন্যে ঘুমিয়ে নেওয়া, যেটাকে আমরা ক্যাটন্যাপ বলি, সেটার কথা আমরা জানি। তবে সেটা ঠিকঠাক মতো হতে হবে। যেমন একটা ব্যাটারিকে পুরোপুরি চার্জ দেওয়া হয়। আমরা যদি শুধু ক্যাটন্যাপ দিয়ে চালিয়ে নেবার চেষ্টা করি তাহলে সেটা স্বাভাবিক হবে না। রাতের বেলা আমরা বেশ কয়েকবার গভীর ঘুমে তলিয়ে যাই। ২. হাঁটাচলা করুন নিয়মিতআমাদের অনেকেই দীর্ঘ সময় বসে থেকে কাটাই। এটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো নয়। সুসংবাদ হচ্ছে যে এজন্যে আমাদের ম্যারাথন রানার হতে হবে না। যেটা করতে হবে সেটা হলো শরীরটাকে একটু নাড়ানো- মানে হাঁটাচলা করা। ড. হারপার তার বই লিখতে গিয়ে এরকম বহু মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন যারা এক শতাব্দী কাল ধরে বেঁচে আছেন। তিনি দেখেছেন, তাদের সবার মধ্যেই একটি জিনিসের মিল আছে। সেটা হলো তারা কিন্তু কোন অ্যারোবিকসের ক্লাসে যায়নি, কিম্বা স্কোয়াশ খেলতেও যায়নি, কিন্তু তারা প্রচুর হেঁটেছেন। ৩. আপনার লিভারকে একটু বিশ্রাম দিনঅ্যালকোহল হয়তো অনেকের কাছে খুব আনন্দের কিছু। কিন্তু ড. হারপার বলছেন, প্রতিদিন সন্ধ্যায় পান করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। ৪. আপনার জিন সম্পর্কে জানুন-বিশেষ কোন অসুখে পড়ার প্রবণতা হয়তো আপনার মধ্যে বেশি থাকতে পারে। কিন্তু ড. হারপার বলছেন, আপনার পরিবারের বা বংশের অন্যান্য সদস্যদের অসুখ বিসুখের ইতিহাস জানা থাকলে সেটা আমাদেরকে সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপন করতে সাহায্য করতে পারে। তিনি বলেন, জিন যে শরীরে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। এই মুহূর্তে হয়তো আমি আমার জিন নিয়ে বেশি কিছু করতে পারবো না। কিন্তু কোন কোন জিনের কারণে আমরা বিশেষ একটি রোগে আক্রান্ত হচ্ছি সেটা জানলে আমাদের সুবিধা হবে। হৃদরোগের কথাই ধরুন। আমি তো আর আমার জীবন নিয়ে যন্ত্রণায় ভুগতে চাই না। কিন্তু আমি হয়তো এক্স এবং ওয়াই ক্রোমোজোম সম্পর্কে আরো একটু সচেতন হতে পারি। ৫. কার্বোহাইড্রেটের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবেভাত ও রুটির মতো কার্ব পরিহার করা আজকালকার দিনে হয়তো একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ডা. হারপার বলছেন, ব্যালেন্সড ডায়েটের জন্যে আমাদেরকে এসবও খেতে হবে। খুব বেশি আনন্দিত হবার কিছু নেই। এখানেও কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।"আমি সবসময় রিফাইন বা মসৃণ কার্ব না খেয়ে বরং একটু জটিল ধরনের (মোটা আটার) কার্ব খাওয়ার কথা বলবো। যেমন বাদামী চাল, আস্ত শস্য দানা সমেত মোটা আটার রুটি। ৬. প্রতিদিন হাসুন সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত আনন্দের- এটা মনে রাখতে হবে। এটাকে দৈনন্দিন টুকিটাকি কাজের অংশ হিসেবে দেখলে হবে না। এখানে মানসিকতার একটা পরিবর্তন প্রয়োজন। ড. হারপার বলেন, এজন্যে ইতিবাচক মনোভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৭. চাপমুক্ত থাকার রাস্তা খুঁজে বের করুন আমাদের অনেকেই নানা রকমের স্ট্রেসের মধ্যে থাকি বা মানসিক চাপে ভুগি। এর একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর। সেটা শারীরিক ও মানসিক দু`ধরনের স্বাস্থ্যেরই ক্ষতি করে।আজকের দিনে নানা কারণে স্ট্রেসের সৃষ্টি হয়। সেটা কাজের কারণে হতে পারে, হতে পারে সম্পর্কের কারণেও। পারিবারিক কারণেও হয়। কিন্তু এসব চাপ থেকে কীভাবে মুক্ত থাকা যায় তার উপায় প্রত্যেককে আলাদা আলাদাভাবে খুঁজে নিতে হবে। কারণ একেকজনের বেলায় এটা একেকভাবে কাজ করে বলে তিনি তার গবেষণায় দেখিয়েছেন। সর্বপরি সুস্থ থাকার জন্য নিয়ম মেনে চলতে হবে আমাদের। তাহলে সুস্থ থাকতে পারবো হয়তো। তথ্যসূত্র: বিবিসি। এসএইচ/

ফল খেলেও বেড়ে যায় ওজন

কিছু ফল আর সবজি ওজন কমাতে বেশ সাহায্য করে। তাই ওজন কমাতে খাদ্যতালিকার বেশির ভাগ অংশ জুড়েই থাকে ফল ও সবজি। কিন্তু এমন কিছু ফল এবং সবজি আছে যেগুলো ওজন না কমে বরং ওজন বাড়িয়ে দেয়৷ জেনে নিন এমন কিছু ফল ও সবজি সম্পর্কে। শুকনো ফল ফল থেকে যতটা সম্ভব জলীয় অংশ দূর করে শুকনো ফল তৈরি করা হয়। এর অর্থ হলো এতে যোগ হয় অতিরিক্ত ক্যালরি। এক কাপ শুকনো কিশমিশে থাকে প্রায় ৫০০ ক্যালরি। সবজির জুস সবজির পুষ্টি পেতে অনেকেই সবজির ব্লেন্ড করা জুস পান করেন। কিন্তু সত্যি কথাটি হলো এতে আরো চিনি এবং লবণ যোগ করা থাকে। এর অর্থ হলো অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ। গ্রীষ্মকালীন ফল গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল যেমন আম এবং আনারস অবশ্যই সুস্বাদু, কিন্তু অন্য ফলের তুলনায় এসব ফলে থাকে উচ্চ মাত্রায় ক্যালরি। এগুলো সীমিত পরিমাণে খান। তার বদলে খেতে পারেন আপেল। এতে ক্যালরিও কম গ্রহণ করা হবে, আবার উচ্চমাত্রায় ফাইবারও গ্রহণ করা হবে। সূত্র : কলকাতা টুয়েন্টিফোর। কেএনইউ/ এআর

ত্বকের সজীবতা ফিরিয়ে আনুন ৩ মিনিটেই

নিজের ত্বককে সুন্দর করার জন্য কত ভাবেই না যত্ন নেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, পার্লারে গিয়ে সপ্তাহে সপ্তাহে মোটা টাকা খরচ করা হয় একটু সতেজ ও সুন্দর ত্বক পাওয়ার জন্য। কিন্তু আপনি যদি এত কিছু না করে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মাত্র তিন মিনিট নিজের জন্য দিতে পারেন তাহলে নিজেই উপকৃত হবেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই একটি কাজ করলেই প্রতিদিন সকালে পাবেন সতেজ, ঝলমলে ও দীপ্তিময় চেহারা। মুছে যাবে চোখের কোলের কালি, মুখের কালো দাগ। এতে দামি কোনও উপাদানের প্রয়োজন নেই। আপনার ঘরে থাকা খুব সাধারণ প্রসাধনী সামগ্রী দিয়েই জলদি এই রূপচর্চা সেরে নিতে পারবেন। আর হ্যাঁ, এতে কেবল বাইরে থেকেই আপনার চেহারা সুন্দর হবে না। হবে ভেতর থেকেও তরতাজা। উপকরণ গোলাপ জল এক টেবিল চামচ, জাফরানের দানা তিনটি, বিশুদ্ধ অ্যালোভেরা জেল আধা চা চামচ, সামান্য উষ্ণ গরম পানি, এক টেবিল চামচ কালোজিরা, এক টেবিল চামচ মধু। ব্যবহারের পদ্ধতি গোলাপ জলের মধ্যে জাফরানের দানা ভিজিয়ে রাখুন। চাইলে আগের দিন থেকেই ভিজিয়ে রাখতে পারেন। যত বেশি ভিজিয়ে রাখবেন, তত বেশি তা কার্যকরী হবে। জাফরান রং ছেড়ে দিলে এই মিশ্রণে অ্যালোভেরা জেল দিয়ে দিন। ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিয়ে এক টুকরো তুলোর সাহায্যে পরিষ্কার মুখে এই মিশ্রণ ভাল করে মেখে নিন। মুখের উপর লাগানো প্রলেপ শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার এক গ্লাস সামান্য উষ্ণ পানির মধ্যে কয়েক দানা জাফরান ও মধু মিশিয়ে খেয়ে ঘুমাতে যান। উপকারিতা ত্বকের রং উজ্জ্বল ও সুন্দর করতে, ত্বক থেকে বলিরেখা ও কালো দাগ মুছে দিতে জাফরান অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। জাফরান শুধু মাত্র বাইরে থেকেই কাজ করে না, ভেতর থেকেও ত্বকের জেল্লা বাড়াতে সাহায্য করে। আর এই জাফরান যখন মধুর সঙ্গে খাওয়া হয়, তখন তার কার্যকারীতা বহুগুণ বেড়ে যায়। অন্যদিকে ত্বককে টানটান, নরম ও দাগহীন রাখতে অ্যালোভেরা জেল অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। অ্যালোভেরা জেল ত্বকে সতেজ ভাব দেয় যা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বজায় থাকে। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ অ্যালোভেরা জেল ত্বকের যে কোনও ক্ষয় পূরণ করতে সাহায্য করে। রূপচর্চার সব চেয়ে আদি উপাদান হচ্ছে গোলাপ জল। নিয়মিত এর ব্যবহারে ত্বকের কোমলতা বজায় থাকে এবং ত্বকের জেল্লা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/

রেসিপি : রুই মাছের পাতুরি

কথায় আছে- ‘মাছে ভাতে বাঙালি’। বাঙালিরা মাছ খেতে খুবই পছন্দ করে। ভাতের পাতে মাছ থাকলে আর কিছুই লাগে না। সব আমিষ-নিরামিষ পূর্ণ হয়ে যায়। আর তাই তো গৃহিণীরা মাছের বিভিন্ন পদের রান্না করে বাড়ির সদস্যদের পরিবেশন করতেও পছন্দ করেন। তাদেরই জন্য মাছের নতুন একটা রেসিপি দেওয়া হলো-    উপকরণ ১) রুই মাছের পেটি চার পিস। ২) কাসুন্দি দুই চামচ। ৩) পোস্তবাটা দুই চামচ, নারকেলবাটা চার চামচ। ৪) সরষের তেল পরিমাণমতো। ৫) কাঁচামরিচ চারটে। ৬) হলুদ, জিরে, শুকনোমরিচ গুঁড়ো এক চামচ। ৭) পিঁয়াজ কুচি। ৮) আদা ও রসুন বাটা এক চামচ। ৯) লবণ ও চিনি স্বাদমতো। ১০) কিছু কুমড়ো পাতা। ১১) পাতিলেবুর রস এক চামচ। প্রণালী প্রথমে মাছ ধুয়ে পরিষ্কার করে ফুটন্ত গরম পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। তারপর পানি থেকে তুলে মাছের বড় কাঁটাগুলো বের করে নিন। এবার মাছের গায়ে লবণ-হলুদ মাখিয়ে দশ মিনিট রেখে দিন। একটা পাত্রে সরষেবাটা, নারকেলবাটা, পোস্তবাটা, হলুদ, লবণ, চিনি ও সরষের তেল একসঙ্গে মেখে পেস্ট তৈরি করে নিন। প্রতিটি কুমড়ো পাতায় সরষের তেল মাখিয়ে নিন। তারপর মাছের পিসগুলোয় সরষে-নারকেল-পোস্তর মিশ্রণ মাখিয়ে নিন। কুমড়ো পাতায় মাছের পিস সাজিয়ে তা পাতা দিয়ে মুড়িয়ে দিন। তারপর পাতার মুখ টুথপিক দিয়ে গেঁথে দিন। এবার একটা ননস্টিক প্যানে তেল ব্রাশ করে মাছগুলো সাজিয়ে দিন। হালকা আঁচে এপিঠ-ওপিঠ করে ভাজুন। দু’পিঠ বাদামি হয়ে গেলে মাছ নামিয়ে নিন। এবার গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। কেএনইউ/ এআর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি