ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭ ৮:১৫:৩৬

ধনী হতে চাইলে যা যা করবেন!

ধনী হতে চাইলে যা যা করবেন!

স্বল্প বেতনের চাকরি করেন কিংবা ছোটোখাটো ব্যবসায়ী?  টাকা জমাতে পারছেন না। এই বিষয়গুলি মেনে চলতে পারেন। রইল অল্প আয়েই ধনী হওয়ার বেশ কিছু টিপস গভীর আসক্তি:  আপনি যে কাজটাই করছেন, সেই কাজের প্রতি আপনার আসক্তি থাকতে হবে। সহজ করে বলতে গেলে, নিজের কাজের প্রতি আপনার ভালোবাসা থাকতে হবে, কাজটাকে উপভোগ করতে হবে। আপনি যে কাজই করুন না কেন, তা যদি কঠোর পরিশ্রমের সঙ্গে করেন, তাতে আজ নয়তো কাল সফলতা আসবেই আজ অথবা কাল। একই মানসিকতার মানুষের সান্নিধ্যে থাকুন: আপনার চারপাশে সবসময়ই বিভিন্ন ধরনের মানুষ ঘোরাফেরা করে। তাঁদের মধ্যে অনেকেই আছেন, যাঁরা নিজেদের লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন নন। নির্দিষ্ট কোনও গতিতে তাঁদের জীবনটা চলে না। এই ধরনের মানুষকে এড়িয়ে চলুন। যাঁদের নিজেদের লক্ষ্য স্থির, যাঁরা সাফল্যকে ছুঁতে দৃঢ় প্রত্যয়ী, তাঁদের সঙ্গে মিশুন, কথা বলুন। আপনিও সাফল্যকে ছুঁতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হবেন। দ্রুত সফলতা অর্জনের জন্যে এ পথের কোন বিকল্প নেই। ‘শো অফ’ করার কোন প্রয়োজন নেই: আপনার যা রয়েছে, তা অন্যের কাছে জাহির করার চেষ্টা করবেন না। আপনি সত্যিই যদি কিছু অর্জন করতে পারেন, আপনার মধ্যে গুণ থাকলে, মানুষ এমনিতেই আপনাকে মান্য করবে। পরিশ্রম করলে সফলতা আসবেই। আত্মবিনিয়োগ করুন: আত্মবিনিয়োগ অর্থাৎ  আপনি যে কাজটি করছেন, তাতে মনপ্রাণ ঢেলে দিয়ে করবেন। কথায় বলে, ফলের আশা করবেন না, কাজ করে যান। কিন্তু বাস্তব বলছে, আপনি যদি সত্যিই কাজের মধ্যে নিজেকে সঁপে দেন, তাহলে ফলও পাবেন হাতে নাতে। লক্ষ্যের ব্যাপারে স্পষ্ট থাকুন: সফলতা পাওয়ার আগে সবার আগে প্রয়োজন নিজের লক্ষ্যকে স্থির করা। নিজের লক্ষ্যই যদি আপনার কাছে অস্পষ্ট হয়, তাহলে তো তাকে ছোঁয়া কখনই সম্ভব নয়। সঞ্চয় করুন: সঞ্চয় আপনার জীবনের যেকোন সময় অনেক গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। আপনি মিতব্যয়ী হওয়ার চেষ্টা করুন, তা আপনার পক্ষেই লাভজনক। সঞ্চয় করাটা অভ্যাসে পরিণত করুন। খুব অল্প বয়সে ধনী হতে পারবেন। আর্থিক পরিকল্পনা করুন: যে কোন ব্যবসায়ে ‘অর্থায়ন’ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনি যদি ছোটো ব্যবসায়ী হন, তা অত্যন্ত জরুরী। আয়ের উত্সের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, ব্যয় করুন। তার একটি হিসাব রাখুন। নিজের জন্য একটি আর্থিক পরিকল্পনা করুন। ছোটখাটো ব্যবসা শুরু করুন: আপনি যদি চাকুরিজীবী হন, তাহলে সময় বার করে ছোটখাটো ব্যবসা শুরু করতে পারেন।যা করবেন  প্ল্যান করে করতে হবে। প্রথমেই যে ব্যবসা থেকে ভালো ফল পাবেন, তা নয়। তবে ধৈর্য্যের সঙ্গে ব্যবসায় আত্মবিনিয়োগ করুন। সফলতা আসবেই। আজ থেকেই রপ্ত করুন অভ্যাসগুলো। সাহস, ধৈর্য এবং কর্মশক্তি সঙ্গে থাকলে যেকোন বাঁধা অতিক্রম করে সাফল্যকে ছুঁতে পারবেন। / কেআই  
ব্রণ থেকে মুক্তির ৬টি ঘরোয়া উপায়

সব বয়সের মানুষই ব্রণ বা ফুসকুড়ি  সমস্যায় ভোগেন। অনেক চেষ্টা করেও বেশিরভাগ মানুষ এর থেকে মুক্তি খুঁজে পান না। এর ফলে ক্রমশ হতাশায় ভুগতে থাকেন। ব্রণ বা ফুঁসকড়ি সাধারণত গাল, কপাল, কাঁধ, বুক, নাক এবং গলায় হয়ে থাকে। চিকিৎসকরা জানান, হরমোনের পরিবর্তনের জন্য  ব্রণ এর সমস্যা দেখা দেয়। ব্রণর সমস্যা সমাধানের জন্য অনেকেই অনেক ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু তাতে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। অথচ, আমাদের হাতের কাছে রয়েছে কিছু ঘরোয়া উপায়, যার মাধ্যমে কোন রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।এবার জেনে নেয়া যাক  সেগুলি কী কী- ১) টুথপেস্ট:  ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করতে সবথেকে ভালো ঘরোয়া জিনিস হল টুথপেস্ট। সারারাত ত্বকের ক্ষতিগ্রস্থ জায়গা, যেখানে ব্রণ হয়েছে, সেখানে টুথপেস্ট লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২) মধু:  ত্বক পরিস্কার রাখতে মধুর গুরুত্ব অপরিসীম। ব্রণ-অ্যাকনের উপর মধু ব্যবহার করুন। একঘণ্টা পর পনি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৩) লেবুর রস:  সমপরিমান লেবুর রস এবং গোলাপ জল মিশিয়ে ব্রণর জায়গায় ব্যবহার করুন। খুব সহজেই ব্রণর হাত থেকে মুক্তি পাবেন। ৪) রসুন-: অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান হিসেবে রসুন ব্যবহার করা হয়। ব্রণর উপর সরাসরি রসুন বাটা ব্যবহার করুন। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ৫)ভিনেগার: ভিনেগার ব্রণের সমস্যায় দারুণ কাজ করে। তুলোয় ভিনেগার লাগিয়ে ব্রণে লাগান। ৫ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পুরো মুখে ভিনেগার লাগাবেন না। ৬) ডিম:  ব্রণর জায়গায় ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করুন। এর পর সেটি শুকাদে দিন। টানা ৪ বার ব্যবহার করুন। সূত্র:জি নিইজ   এম / এআর

যেসব কারণে সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে দু`জনের মধ্যে সুন্দর বোঝাপড়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর সম্পর্কের ক্ষেত্রে বরাবরই কার্যকর যোগাযোগের বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কারণ দু’জনের মধ্যে ঠিকমতো যোগাযোগ, পারস্পরিক সেতুবন্ধ গড়ে না উঠলে সম্পর্ক যুতসই হবে না। আর এজন্য দরকার বিশ্বাসের সাথে পথচলা। যদি এর ব্যতিরেকে কিছু হয় তাহলে সমস্যা সমাধানের বদলে শুরু হয় তর্ক বিতর্ক। এমন পরিস্থিতিতে কি করবেন? আসুন জেনে নেয়া যাক এ ব্যাপারে কি করণীয়। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক বিষয়ক বিশেষজ্ঞ অ্যারাবেলা রাসেল কয়েকটি আচরণের কথা বলেছেন, যার কারণে দু’জনের মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদে সমস্যা তৈরি হতে পারে। সঙ্গীর কথা শুনেও না শোনার ভান করা সম্পর্কের শুরুতে যখন দু’জনের মধ্যে আকর্ষণ বেশি কাজ করে, তখন পরস্পরের সব কথা শোনার জন্য এক ধরণের উত্তেজনা কাজ করে। কিন্তু ওই আকর্ষণ যখন কাজ করে না,  তখনো পরস্পরের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অনেক সময় দেখা যায়, একজন কথা বলছেন অথচ আরেকজন শোনার ভান করছেন কিন্তু গুরুত্ব দিয়ে তাঁর কথা শুনছেন না। সঙ্গী যখন কিছু বলেন, তখন তাঁকে গুরুত্ব না দিলে সম্পর্কের ক্ষতি হতে শুরু করে। সুখী সম্পর্কের জন্য তাই সঙ্গীর কথায় আগ্রহ দেখানো গুরুত্বপূর্ণ। নিজের জন্য সময় না থাকা অনেকে নিজের জন্য কোনো সময় রাখেন না, এটি ঠিক নয়। সঙ্গীকে নিয়েই পুরোটা সময় কাটানোর বদলে নিজের জন্যও কিছুটা সময় বরাদ্দ রাখুন। দু’জনের মধ্যে সামান্য দূরত্ব রাখা সুন্দর সম্পর্কের জন্য জরুরি। বিশেষজ্ঞ অ্যারাবেলা রাসেল বলেন, পৃথক বিষয়ে আগ্রহ রাখা সুখী সম্পর্কের জন্য মূল উপাদান। পৃথক বিষয়ে আগ্রহ না থাকলে দু’জনের মধ্যে দম বন্ধ হওয়া পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবং কথা বলার মতো বিষয় খুঁজে পাওয়া যায় না। পৃথক বিষয়ে আগ্রহ থাকলে দু’জনের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। জনসম্মুখে হেয় করা অনেকে না বুঝেই বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সঙ্গীকে নিয়ে হাসি-তামাশা করেন। দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক ঠিক রাখতে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে মানিয়ে চলতে হয়। জনসম্মুখে কেউ ছোট হন বা হেয় হতে পারেন, এমন কথা বলার আগে অবশ্যই ভেবেচিন্তে বলতে হবে। তা না হলে সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরতে শুরু করে। ধারণা করে বসা কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সঙ্গীকে জিজ্ঞাসা করা প্রয়োজন। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এ কথা প্রযোজ্য। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, সঙ্গীকে কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করার আগে অনেকেই তাঁর চিন্তা, মত ও অনুভূতি সম্পর্কে ধারণা করে বসেন। সম্পর্কের উন্নতির জন্য দু’জনের মধ্যে যোগাযোগ অতীব জরুরি। ধারণা করলে দু’জনের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় বলে এটিকে বিপদ বলে মনে করেন যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞ রাসেল। সঙ্গীকে সময় না দেওয়া অনেকেই বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকেন যে সঙ্গীর কথা খেয়াল থাকে না। সম্পর্কের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, সঙ্গীকে যেন যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়। এতে পরস্পরের যত্ন করার বিষয়টি অনুভব করতে পারবেন। সম্পর্ক দৃঢ় হবে। নিজের মেজাজ অন্যর উপর অনেক সময় একেকজনের মেজাজ একেক রকম হতে পারে। মেজাজের জন্য তাই সঙ্গীকে দোষ দিতে নেই। ‘তোমার জন্য আমার এমন হলো’ বলে দোষারোপ করা ঠিক নয়। নিজের অনুভূতির জন্য নিজের ওপরই ভরসা করা উচিত। মেজাজের বিষয়টি নিয়ে সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলতে পারেন। মনে রাখবেন, সামান্য একটু পরিবর্তন ইতিবাচক ফল আনে। বেশি সমালোচনা যখন-তখন সঙ্গীর সমালোচনা করা, খুঁত ধরা ঠিক নয়। মনে রাখবেন, সবচেয়ে উদ্বেগহীন ব্যক্তিটিও বারবার সমালোচনায় বিরক্ত হন। রাসেল বলেন, সঙ্গী কোনো ভুল করলে বারবার তাকে দোষারোপ করলে বাজে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এতে সঙ্গী তখন এড়িয়ে চলতে শুরু করেন। যখনই সঙ্গীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়, তখনই মনে হয় নেতিবাচক কথা শুনতে হবে। কোনো বিষয় নিয়ে বিরক্ত হলে খোলামেলা আলোচনা করা উচিত। আলোচনাতেই সমাধান পাবেন। জীবনের চলার পথে এক সঙ্গে থাকতে গেলে ভুল বোঝাবুঝি হতেই পারে, তাই বলে দায়িত্ব থেকে সরে আসা যাবে না। আপনি আপনার সঙ্গীর জন্য সময় রাখুন, বিশ্বাস করুন, ভালবাসুন তার মত করেই। দেখবেন সম্পর্কগুলো প্রতিদিন সুন্দর হয়ে উঠবে গতকালের চেয়ে। তথ্যসূত্র: সিডনি মর্নিং হেরাল্ড। কেআই/ডব্লিউএন

দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে লেমন ওয়েল

দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে চান? তবে লেমন ওয়েল ব্যবহার করুন। পুষ্টিবিদরা বলছেন, লেমন ওয়েল সেবন করার মাধ্যমে চিন্তাসহ আরোও অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।  রোজ যদি একটু একটু করে লেমন অয়েল খাওয়া যায়, তাহলে তা আপনাকে শ্বাসকষ্ট থেকে মুক্তি দেবে। সাইনাসের মত সমস্যা কমিয়ে দেয় লেমন অয়েল। ওজন কমাতে এবং পেট ব্যথা  দূর করতেও সাহায্য করে লেমন অয়েল। এক গ্লাস পানিতে ৩-৪ ড্রপ লেমন অয়েল মিশিয়ে  খেলে পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। হজম শক্তি বাড়াতে এবং রক্ত সঞ্চালনের ক্ষেত্রেও সাহায্য করে লেমন অয়েল। প্রতিদিন লেমন অয়েল ব্যবহার করতে পারলে ইনসোমনিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে । ঘুমনোর আগে যদি কিছুটা তুলোর মধ্যে লেমন অয়েল মিশিয়ে শ্বাস নেওয়া যায়, তাহলে ঘুম ভাল হবে। চিন্তা এবং যে কোন ধরণের স্ট্রেস থেকে মুক্তি দিতেও লেমন ওয়েল অসাধারণ কাজ করে। তাই লেমন অয়েল ব্যবহার শুরু করে বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পান। সূত্র:জি নিউজ এম/এআর

পারিবারিক বিয়ের যত ভালো দিক

প্রেমের বিয়ে নাকি পারিবারিক বিয়ে ভালো তা নিয়ে অনেকেরই দ্বিধাদ্বন্দ্ব রয়েছে। বিয়ে দুটি পরিবারের মধ্যে বন্ধন তৈরি করে। বিয়ের সম্পর্কের সফলতা শুধু ভালোবাসা নয় পারস্পারিক সমঝোতা, মানিয়ে নেয়ার মনোভাব, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান এই সবকিছুর উপরে নির্ভর করে। আর এইসকল দিক বিবেচনা করে অনেক ক্ষেত্রেই প্রেমের বিয়েকে অনেকে সঠিক সিদ্ধান্ত মনে করেন না। অনেকের মতে, পারিবারিক বিয়েই সবদিক থেকে ভালো। যদি আপনারও মনে দ্বিধা থেকে থাকে তাহলে চলুন না জেনে নেয়া যাক পারিবারিকভাবে বিয়ের কয়েকটি ভালো দিক- সামাজিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ যখন পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তখন দুই পরিবারের মানুষজন শুধু পাত্র বা পাত্রী দেখেন না। পুরো পরিবার এবং পারিবারিক সকল কিছু দেখেই বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এতে করে দুই পরিবারের জীবনযাপনের মান, একইভাবে বেড়ে উঠা পারিবারিক জীবনচর্চা, পারিবারিক স্ট্যাটাস, মূল্যবোধ এবং সংস্কার ও সংস্কৃতির অনেক মিল থাকে। ফলে পাত্র-পাত্রী এবং দুটি পরিবারের একেঅপরের সাথে মানিয়ে নিতে খুব বেশি কষ্ট হয় না। সম্পর্ক গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী হয় প্রেমের বিয়ের চাইতেও। পারস্পারিক শ্রদ্ধা ও সম্মান যখন দুটি পরিবার মিলে একটি বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন তখন স্বাভাবিকভাবেই পাত্র-পাত্রী একেঅপরের প্রতি নিজেদের শ্রদ্ধা ও সম্মান বজায় রেখে চলার চেষ্টা করেন। কারণ এখানে শুধু দু’জনের মান সম্মান নয় দুটি পরিবারের মান সম্মান জড়িত থাকে। অনেক প্রেমের বিয়ের ক্ষেত্রে সম্মান ও শ্রদ্ধা দেখা গেলেও যখন পারিবারিক নানা অসামঞ্জস্য সামনে পড়ে তখন দু’জনের মনোমালিন্য অনেকাংশেই দু’জনের সম্পর্কে বিরূপ ধারণার জন্ম দেয় ও সম্পর্কে চির ধরতে থাকে। পারিবারিক বন্ধন মজবুত হয় পরিবারের সম্মতি এবং পারিবারিকভাবে বিয়ে হলে পরিবারের সদস্যগণ খুব স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের নতুন সদস্যকে মেনে নেন এবং মানিয়ে নিতে সাহায্যও করেন। এতে সকলের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকে। প্রেমের বিয়েতে মেনে নিলেও সম্মতি দেয়ার পরও ঝামেলা কোনো না কোনোভাবে তৈরি হয়ে যেতে পারে। যদিও সকলে একইরকম ভাবেন না তারপরও কিছু সমস্যা থেকে যায়। পারস্পারিক সমঝোতা ও ছাড় দেয়ার মনোভাব প্রেমের বিয়েতে একে অপরের প্রতি অনেক সময় আশা ভরসা বেশি থাকে যা পূরণ না হলে অনেক সময় মান অভিমান পর্ব অনেকটা দূর গড়ায়। অনেক সময় প্রেমিক-প্রেমিকা ভাবেন প্রেম করার পরও সে কেন তার সমস্যা বুঝতে পারছে না বা এখনো এতো ছাড় কেন দিতে হবে। আর এতেই সমস্যা শুরু হয়। কিন্তু পারিবারিক বিয়েতে এই আশা জিনিসটি একটু কমই থাকে, বরং যা পাওয়া হচ্ছে তা নিয়েই অনেকে সুখে থাকার জন্য ছাড় দিয়ে চলেন এবং দু’জনের মধ্যে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা বেশি দেখা যায়। এতে সম্পর্ক সুখের হয়। সূত্র : ব্রাইডসাইট। ডব্লিউএন

ছেলেদের যে বিষয়গুলো মেয়েদের অপছন্দ

এই পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রকৃতির মানুষ রয়েছেন, এটাই তো স্বাভাবিক। তবে আচার আচরণে সৌন্দর্য থাকা তো চাই-ই। ছেলেদের কিছু আচরণ রয়েছে, যেগুলো মেয়েরা ভীষণ অপছন্দ করে। ছেলেদের যে বিষয়গুলো মেয়েরা অপছন্দ করে, তার একটি তালিকা জানিয়েছে জীবন ধারাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই। জেদ করা: মেয়েরা সাধারণত জেদি ছেলে অপছন্দ করে। কোনো বিষয়ে মেয়েদের জিজ্ঞেস করলে সে যদি ‘না’ বলতে চায়, তাহলে সেটা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। বারবার জিজ্ঞেস করলে বিষয়টি তার কাছে বিরক্তির কারণ হতে পারে। এ বিষয়ে জেদ পরিহার করাই উত্তম। ব্যঙ্গ করা: যেসব ছেলে সবাইকে ব্যঙ্গ করে বা অযথা কাউকে বিরক্ত করে, তাদের সাধারণত মেয়েরা পছন্দ করে না; বরং প্রবলভাবে ঘৃণা করে। তাছাড়া কাউকে ব্যঙ্গ করা সঠিক ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক নয়। এসব বিষয়ে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। বেশি কথা বলা: অনেকে আছেন একটু বেশি কথা বলেন,নিজেকে জাহির করেন। কথা বলা আরম্ভ করলে সহজে থামতে চান না। কারো কথাকে প্রাধান্য দিতে চান না। প্রাসঙ্গিক-অপ্রাসঙ্গিক সব ধরনের গল্প করেন। অতিরঞ্জিত গল্প করা মেয়েরা তেমন পছন্দ করে না। তারা মুডি ধরনের ছেলে পছন্দ করে। আঠালো প্রকৃতি: সঙ্গীকে একটু পর পর মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানোর মানে এই নয় যে তার প্রতি আপনার অনেক ভালোবাসা রয়েছে। এর মানে আপনি শুধু একজন আঠালো প্রকৃতির মানুষ। মেয়েরা এ ধরনের ছেলেদের পছন্দ করে না। তারা এ ধরনের ছেলেদের খুব একটা দাম দিতে চায় না। আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না, আপনার এমন স্বভাবের কারণে প্রিয় মানুষটির কাছে নিজেকে মূল্যহীন করে তুলতে? খুব বেশি শান্ত: আপনি শান্ত স্বভাবের ছেলে, এটি প্রকাশ করতে গিয়ে অনেক সময় হিতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে। এটি একদম কাম্য নয়। খুব বেশি শান্ত ছেলেদেরও কিন্তু মেয়েরা তেমন পছন্দ করে না। অর্থাৎ যেসব ছেলের চলনে-বলনে-প্রকাশে রুচিশীল ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠে সেসব ছেলেরাই মেয়েদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। কেআই/ডব্লিউএন  

হার্ট সুস্থ রাখতে বাড়ির কাজই যথেষ্ট!

শান্তির ঘুম ছেড়ে সকাল সকাল কে বা ঘুম থেকে উঠতে চায়। এর চেয়ে বিরক্তি কি আর আছে? কিন্তু যদি জানতেন এ কাজের উপকারীতা তবে আর বিরক্ত হতেন না। চিকিৎসা বিষয়ক জার্নাল ‘দ্য ল্যানসেট’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হৃদযন্ত্রটাকে সুস্থ রাখতে বাড়ির কাজই যথেষ্ট। কানাডার এক দল গবেষক তাদের গবেষণাপত্রে জানান, প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিটের ব্যায়াম হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে পারে। সেই সঙ্গে হৃদরোগের ঝুঁকি এক-পঞ্চমাংস কমিয়ে আনে। নাগরিক জীবনের ব্যস্ততার ফাঁকে ব্যায়ামাগারে গিয়ে প্রতিদিন ব্যায়াম করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। আবার বাড়িতে ট্রেড মিল কিনেও দৌড়াতে হবে না। প্রতিদিনের কাজেই এই সুবিধা আদায় করা যায়। বিশেষ করে নারীদের জন্য সুখবর দিচ্ছে এই গবেষণাপত্রটি। যারা গৃহিণী তাদের বাড়ি গোছগাছ করে রাখতে কতোই না পেরেশানি পোহাতে হয়। অথচ এই কাজগুলো করা মানেই কিন্তু ব্যায়ামাগারে গিয়ে আধা ঘণ্টা ব্যায়ামের সমান। কাজেই যাদের প্রতিদিনের বাড়ির কাজ অত্যাচার বলে মনে হয় তারা এখন থেকে আরো সচেতনভাবে এগুলো করতে পারেন। যে পুরুষরা প্রতিদিন ব্যায়াম করতে পারেন না, তারাও বাড়ির কাজে সহায়তা করতে পারেন। এতে কিন্তু ব্যায়ামই হবে। এ গবেষণায় ১৭টি দেশের ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষের জীবনযাপন বিবেচনায় আনা হয়। আসলে শরীরচর্চা কেন্দ্রে গিয়ে কোনো কোনো ব্যায়াম করছেন তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কায়িক শ্রমেই ব্যায়াম হয়ে থাকে। তা আপনি যেভাবে ইচ্ছা করতে পারেন। অংশগ্রহণকারীদের ৩ শতাংশেরও কম দৌড়ানো বা সাঁতারের মতো কঠোর ব্যায়াম করে থাকেন। কিন্তু বাকিদের মধ্যে যারা বাড়ির কাজ করেন, তারা ওই তিন শতাংশের মতোই ব্যায়ামের কাজটি বাড়িতেই সেরে ফেলেন। কানাডার সেন্ট পলস হাসপাতালের হৃদযন্ত্র বিশেষজ্ঞ এবং প্রধান গবেষক স্কট লিয়ার বলেন, জিমনেশিয়ামে গিয়ে ব্যায়াম করা খুব ভালো বিষয়। কিন্তু এর পেছনে নিয়মিতভাবে সময় দেওয়ার সময় আমাদের অনেকেরই নেই। কিন্তু আমরা যদি অফিসে হেঁটে যেতে পারি বা নিজের কাপড়গুলো নিজেই ধুয়ে ফেলি তবে যথেষ্ট ব্যায়াম করা হয়ে গেল। তার দলের গবেষণায় বলা হয়, সবাই যদি বাড়ির নিয়মিত কাজে হাত লাগান তবে নিয়মিত ব্যায়াম হয়ে যাবে। এতে করে প্রতি ১২ জনের একজনের প্রাণ আর অকালে ঝরবে না। অকালমৃত্যুর হার কমে আসবে ৪.৬ শতাংশ। সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট ডব্লিউএন

সন্তানের সাফল্যের জন্য করুন এই কাজগুলি

সন্তানের সাফল্যে সবচেয়ে বেশি আনন্দ হয় বাবা-মায়ের। সন্তানের সফল করতে হলে সেভাইবেই গড়ে তোলতে হয়, এটাই নিয়ম। সন্তানের সাফল্যের জন্য বাবা-মায়ের এই কাজগুলি অবশ্যই করা দরকার। মূল্যবোধের শিক্ষা  টাকা-পয়সা, নাম, যশ, খ্যাতিকেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা জীবনের সফলতা ভাবি। এগুলো জীবনের সফলতা, ঠিক। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে, ভালো মানুষ হয়ে ওঠা। পরিবারই একটি শিশুর সবচেয়ে বড় শিক্ষক। সন্তানের সাফল্যের জন্য এই কাজগুলি অবশ্যই করুন। রোল মডেল বা আদর্শ হওয়া জীবনে যারা সফল হয়েছে, তারা কোনো না কোনো সময় কারো না কারো দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছেন। সেসকল মানুষই আমাদের কাছে রোড মডেল। সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় রোল মডেল তার বাবা-মা।  সন্তানের সামনে নিজেদেরকে রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে।  সামাজিক শিক্ষা সন্তানকে ছোট থেকেই সামাজিক হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। তার সমবয়সীদের সঙ্গে খেলতে দেওয়া, কোনো সমস্যা হলে মা-বাবা সাহায্য না করে, তার বন্ধুদের নিয়ে তার সমস্যা সমাধানের জন্য উৎসাহ দেওয়া। তবে সন্তান কার সঙ্গে মেলামেশা করছে, সে অসামাজিক হয়ে উঠছে কিনা, তা নজরে রাখতে হবে। সামাজিক বোধটা জাগ্রত হলে সে কখনই অন্যায় করবে না, অন্যের ক্ষতি করবে না।   বাড়ির ছোট ছোট কাজ করতে দেওয়া সন্তানকে ৫ বছরের পর থেকেই বাড়ির ছোট ছোট দায়িত্ব দিতে হবে। এর মাধ্যমে তার দায়িত্ববোধ গড়ে উঠবে। এই দায়িত্ববোধের জ্ঞান তাকে জীবনের নানা ক্ষেত্রে সফল হতে সাহায্য করবে। খেলনা গুছিয়ে রাখা, পড়ার টেবিল পরিষ্কার রাখা, জুতার ফিতা বাঁধতে শেখা, এই সব ছোটো ছোটো কাজগুলি সন্তানকে একাই করতে দিন। মানসিক চাপমুক্ত রাখা কোনো কিছুই যেন সন্তানের মানসিক চাপের কারণ না হয়। পড়াশুনা নিয়ে কখনোই সন্তানকে চাপ দেবেন না। আপনাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ থাকলে, তার প্রভাব যেন কোনওভাবেই সন্তানের ওপর না পড়ে। সন্তানকে ভারমুক্ত রাখুন, সবসময়ই তার সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলুন।     উচ্চাকাঙ্ক্ষা তৈরি জীবনে সফল হতে হলে লক্ষ্য থাকতে হয়, সেই সঙ্গে থাকতে হয় সাধনা আর উচ্চাকাঙ্ক্ষা। সন্তানকে তার লক্ষ্য স্থির করতে সাহায্য করুন, কিন্তু কখনই নিজের ইচ্ছা তার উপর চাপিয়ে দেবেন না। ছোটো থেকেই লক্ষ্য স্থির করে সাফল্যকে ছোঁয়ার চেষ্টা করতে হবে। পুষ্টিজ্ঞান সম্পর্কে ধারণা সন্তানের সুন্দর জীবন ও সাফল্য এর জন্য ছোট থেকেই তার শরীর ও মস্তিষ্কের বিকাশের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সন্তানের সুষম খাবার দেন। সুসম্পর্ক সন্তানের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখুন। তাদের সঙ্গে মন খুলে মিশুন। সন্তানের সুষ্ঠু সুন্দর বিকাশের জন্য মা-বাবার সঙ্গে বন্ধনটা থাকতে হবে মজবুত। স্বাধীনতা সন্তানকে তার নিজের ইচ্ছায় চলতে দিন, কিন্তু নজরে রাখুন যেন বিপথগামী না হয়। কখনই নিজের মত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না।  তার মতকে গুরুত্ব দিন। হাত বাড়িয়ে দিন সন্তানের জন্য তার বাবা-মায়ের সাপোর্টটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। তার সুখে দু:খে ও বিপদে পাশে থাকুন। চরম হতাশার সময় বন্ধুর মত হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলুন, আমরা তো আছি, তোমার পাশে। তোমার সফলতায় যেমন আছি, তেমনি ব্যর্থতারও ভাগী। সূত্র : জিনিউজ।

বাড়ি থেকে পোকামাকড় দূর করে যেসব গাছ

শীত বা গ্রীষ্ম অথবা বর্ষাকাল, পোকামাকড়ের অত্যাচারে বাড়িতে টেকাই দায়। পোকামাকড়ের ঘেনঘেনানিতে ভুগতে হয় সবাইকে। মশার কারণে জ্বর, এছাড়া বিভিন্ন পোকামাকড়ের কারণে আমাদের বিভিন্ন রোগ দেখা যায়। অনেক চেষ্টা করেও বাড়ি থেকে কিছুতেই পোকামাকড়ের উপদ্রব কমাতে পারছেন না? তাহলে জেনে নিন, বাড়িতে কোন কোন গাছ পুঁতলে পোকামাকড় আপনার ধারেকাছেও ঘেঁষবে না। *গাঁদা ফুলের গাছ :  শীতকাল আসলে অনেকেই বাড়িতে গাঁদা ফুলের গাছ লাগিয়ে থাকে। গাঁদা ফুল দিয়ে ঘর সাজায়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে ফুলের চাহিদা মেটাতেও গাঁদা ফুল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আপনার যদি মনে হয় যে, গাঁদা ফুল শুধুমাত্র সৌন্দর্যের কারণেই ব্যবহার করা হয়, তাহলে ভুল ভাবছেন। গাঁদা ফুল গাছের উপকারিতা অনেক। এই গাছে এমন কিছু উপাদান থাকে, যার ফলে এই গাছের কাছে মশা এবং অন্যান্য পোকামাকড় আসতে পারে না। তাহলে বাড়ি থেকে মশা এবং অন্যান্য পোকামাকড় দূর করতে অবশ্যই গাঁদা গাছ বসান। *বেসিল পাতা : খাবারে স্বাদ বাড়াতে আমরা বেসিল পাতা ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু শুধুমাত্র খাবারের স্বাদ বাড়ানোই নয়, মশা-মাছি দূর করতেও সাহায্য করে এই গাছ। *পুদিনা পাতা :  পুদিনা পাতা খাবারের স্বাধ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে হজমেও সহায়তা করে। কিন্তু খাবারের বাইরেও এর আরও অনেক গুণাগুণ রয়েছে। পুদিনা পাতার গন্ধ মশা দূর করতে সাহায্য করে। সূত্র : জিনিউজ। //এআর

অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ঘরোয়া উপায়

শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ থেকে অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে অনেকে পার্লারে ছুটে যান। মহিলাদের এটা সবসময়ই প্রয়োজন হয়। তবে অনেকেরই হয়ত জানা নেই পার্লারে না গিয়ে বাড়িতেই খুব সহজেই এই অবাঞ্ছিত লোম দূর করা যায়। বর্তমানে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হল ওয়াক্সিং। তবে পার্লারে গিয়ে এই পদ্ধতি খুব ব্যয়বহুল। সকলের পক্ষে হয়ত সবসময় এত টাকা দিয়ে ওয়াক্সিং করানো সম্ভব নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাড়িতে ‘বডি সুগারিং’ এর মাধ্যমে আপনারা শরীরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে পারেন। প্রাচীন মিশরের প্রায় সকল নারীই সৌন্দর্য সচেতন ছিলেন। আর সেই সময়ের সৌন্দর্য চর্চার কিছু বিষয় এখনও ব্যবহৃত হয়। ‌যার মধ্যে অন্যতম লেবু ও চিনি’। উপকরণ – চিনি দুই কাপ। এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ লেবুর রস। এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ পানি। ঘরোয়া পদ্ধতি – সব উপকরণ একটি সস প্যানে অল্প তাপে গরম করতে হবে। সব উপরকরণ একসঙ্গে মিশে গেলে দেখবেন হালকা ব্রাউন রঙ চলে আসছে। এটা ভালো ভাবে মিশে গেলে ঠাণ্ডা করে একটি পাত্রে ভরে রাখতে হবে। মিশ্রণটি এমন পাত্রে রাখবেন ‌যাতে পরে আবার প্রয়োজনে গরম করে নিতে পারেন। এরপর মিশ্রণটি অল্প ঠাণ্ডা করে নিয়ে ত্বকে লাগান পাতলা কোনও কাঠি কিংবা প্লাস্টিকের পাত দিয়ে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন ৫-১০ মিনিট। তারপর পাতলা সুতির কাপর দিয়ে ‌যেভাবে ওয়াক্সিং করেন সেভাবে লোম তুলে ফেলুন। সূত্র : বোল্ডস্কাই। ডব্লিউএন

বয়সের ছাপ দূর করে কলার মোচা

আপনার শরীরে হিমোগ্লোবিন কম অথবা শরীর একের পর এক রোগ বাসা বাঁধছে? কিংবা রক্তের রোগ বা ডায়াবেটিসে ভুগছেন? এ থেকে পরিত্রান পেতে নিয়মিত কলার মোচা খান। মোচা ভিটামিন, আয়রন, মিনারেলস সমৃদ্ধ। এটি আপনার শরীরে রক্তের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং রক্ত পরিষ্কার করে। এর ফলে শরীর থাকে সুস্থ। আয়রনে ভরপুর কলার মোচা রক্তের মূল উপাদান হিমোগ্লোবিনকে শক্তিশালী করে। স্বাদে অতুলনীয় মোচার ঘণ্ট, ভর্তা, মোচার কোফতা জিভে জল এনে দেয়। মোচার গুণাগুণ: মোচা আপনার শরীরে ইনফেকশন ও ঋতু পরিবর্তনের সময় যে কোনো সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত কলার মোচা খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। মোচার ফাইবার ও আয়রন রক্তস্বল্পতা কমায় এবং রক্ত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। কলার মোচা প্রচুর সলিউবল ও ইনসলিউবল ফাইবার থাকায় হজম ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ওজন কমায়। এক্ষেত্রে আপনি নিয়মিত মোচার সালাড ও স্যুপ খেতে পারেন। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন মোচা খেলে স্তনদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ে। মোচার ম্যাগনেসিয়াম অবসাদ ও উৎকণ্ঠা কাটাতে সাহায্য করে। মোচা খেলে চেহারায় বয়সের ছাপ পড়া থেকে রক্ষা করে এবং অ্যালঝাইমার্স ও পারকিনসন্সেরও ঝুঁকি কমে। হলুদ, গোলমরিচ গুঁড়া ও জিরা দিয়ে মোচা সেদ্ধ করে খেলে জরায়ু সুস্থ থাকে। মোচায় রয়েছে প্রচুর ট্যানিন, ফ্ল্যাভনয়েড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই মোচা খেলে হার্ট ভালো থাকে। ১০০ গ্রাম মোচায় থাকে: ১.৭ গ্রাম প্রোটিন, ৩২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৫.১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩২ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ১.৬ মিলিগ্রাম লোহা, ০.৭ গ্রাম ফ্যাট, ১৮৫ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম, ০.২ মিলিগ্রাম রিবোফ্লেবিন, ৪২০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ১.৩ গ্রাম আঁশ, ০.৫ মিলিগ্রাম থায়ামিন। সূত্র: জিনিউজ।   আর/এআর

বেশিরভাগ বিবাহ বিচ্ছেদ বংশগত কারণে

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথায় কথায় ঝগড়া। এক সময় একে অপরের মুখ দেখাদেখিও বন্ধ। পরে এই পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যায়। সিদ্ধান্ত আসে বিচ্ছেদের। এভাবে বোঝাপাড়ার অসুবিধার কারণেই আমাদের সমাজে বিয়ে টিকছে না। কিন্তু গবেষকরা বলছেন বিবাহ বিচ্ছেদের পিছনে আছে বংশগত সমস্যা! তাদের মতে, বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়া অধিকাংশ বাবা-মায়ের সন্তানরাও একই পথে হাঁটেন। সুইডেনের লুনড বিশ্ববিদ্যালয় ও ভার্জিনিয়া কমনওয়েলথ বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় এ সব তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় দুটি বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়া দম্পতিদের নিয়ে গবেষণা করেছে। এসব দম্পতির ইতিহাস পর্যালোচনা দেখা গেছে, যেসব বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়েছে, তাদের সন্তানদের মধ্যেই এই বিচ্ছেদের প্রবণতা বেশি। গবেষক ড. জেসিকা সালভাতর বলেন, আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি, কেন পরিবারে বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে? তিনি বলেন, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে দম্পতির পারিবারিক ইতিহাস দেখা হয়েছে। সালভাতরের সঙ্গে ড. কেনেথ কেন্ডলার কাজ করেছেন। তারা গবেষণার প্রাপ্তিকে `গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার` হিসেবে দেখছেন। সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট।   আর

যে খাবার বেশি খেলে ত্বক নষ্ট হয়

ত্বক এমনই জিনিস যা যতই যত্ন নিন না কেন ডায়েট যদি স্বাস্থ্যকর না হয় কখনই উজ্জ্বল দেখাবে না। তাই ডায়েট থেকে প্রথমেই বাদ দিতে হবে এমন খাবার যা ত্বকের ক্ষতি করে। জেনে নিন এমনই কিছু খাবার। লবন: বেশি লবন খেলে মুখ ফোলা দেখাতে পারে। চোখের চারপাশের চামড়া খুবই পাতলা ও নরম হয়। দ্য ন্যাশনাল হার্ট লাং অ্যান্ড ব্লাড অ্যাসোসিয়েশন অনুযায়ী, দিনে ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি লবন খেলে চোখের কোল ফুলে যেতে পারে। দুগ্ধজাত খাবার: এই ধরনের খাবার থেকে অনেক উপকার পাই আমরা। কিন্তু দুগ্ধজাত খাবার বেশি খেলে চোখের কোল ভারী হয়ে যায়, ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দেখা দেয়। চিনি: অতিরিক্ত চিনিযুক্ত বা মিষ্টি খাবার শুধু যে শরীরের মেদ বাড়ায় তাই নয়, ত্বক শুষ্ক করে দেয়। ফলে চোখের কোল, কপালে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। অ্যালকোহল: অতিরিক্ত অ্যালকোহলের নেশায় ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। চোখের কোলে ফোলা ভাব আসতে পারে। গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার: গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে ত্বকের ধরন বদলে যেতে পারে। কপাল, গালে লাল লাল অ্যাকেন দেখা দিতে পারে। যেটা গ্লুটেন অ্যালার্জির লক্ষণ। সূত্র : আনন্দবাজার। আরকে//এআর

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি