ঢাকা, বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮ ১৪:৫৬:১৩

বিরিয়ানী-আইসক্রীম-পিৎজা খেয়েও কমল ৮০ কেজি ওজন

বিরিয়ানী-আইসক্রীম-পিৎজা খেয়েও কমল ৮০ কেজি ওজন

শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে পছন্দের খাবারের সঙ্গে আর সম্পর্ক নষ্ট করতে হবে না। আপনাদের পছন্দের খাদ্য তালিকায় বিরিয়ানী, আইনক্রীম কিংবা পিজ্জা থাকলেও সেই খাবার খেয়েও দিব্যি কমিয়ে ফেলতে পারবেন শরীরের বাড়তি ওজন। এমনটাই করে দেখিয়েছেন ভারতের যুবক সুরাগনি রয়। রেডিও মিরচীর কলকাতা অফিসের সৃজনশীল প্রোগ্রামার সুরাগনির ওজন ছিল প্রায় ১৬০ কেজি। গত তিন বছরে ৮০ কেজি ওজন কমিয়েছেন এই যুবক। প্রথম বছরে কমিয়েছেন ৪৫ থেকে ৫০ কিলো ওজন। পরের দুই বছরে ২৬ বছর বয়সী এই যুবক ঝরিয়েছেন আরও ৩০ কিলো বাড়তি মেদ। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে সুরাগনি বলেন, “আমাদের সমাজে অতিরিক্ত ওজনকে ভালো চোখে দেখা হয় না। তাই আমিও চাইছিলাম যে আমার ওজন কমুক। যখন আমার ওজন ১৬০ কেজি ছিল তখন এক কেজি ওজন কমলেও আমার তা বিশাল সাফল্য ছিল”। “আমি এরপর থেকে প্রচুর অনুপ্রেরণামূলক ভিডিও দেখা শুরু করি। প্রতিদিনের ব্যায়াম শেষে ফেসবুকে ছবি শেয়ার করতাম। সেখান থেকেও অনেকের প্রচুর বাহবা পেয়েছি”। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা প্রতিদিন সকালে ৩টি ডিমের সাদা অংশের সাথে কর্নফ্লেক্স অথবা বাদামী রুটির সাথে একটি ডিমের সাদা অমলেট খাওয়ার পরামর্শ দেন সুরাগনি। সেই সাথে প্রতিদিন সকালে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে নিজের দিন শুরু করেন বলেও জানান তিনি। দুপুরের খাবারে সেদ্ধ করা শাকসব্জির সাথে পরিমিত পরিমাণের মুরগীর মাংস অথবা একটি ডিমের সাথে দুইটি রুটি আর সালাদ খেতে বলেন সুরাগনি। আর রাতের খাবারে সবজির কারী তরকারির সাথে সেদ্ধ করা সবজি আর দুইটি রুটি খাওয়ার পরামর্শ দেন এই বডি বিল্ডার। গত কয়েক বছরের কোন ধরণের মিষ্টি চেখে দেখেননি বলেও দাবি করেন তিনি। তবে মাঝে বিরিয়ানি, পিজ্জা এবং আইসক্রীমের মতো খাবার খেতে কোন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেননি সুরাগনি। সূত্রঃ টাইমস অব ইন্ডিয়া //এস এইচ এস// এআর
যে ৫টি বিষয় পুরুষ সঙ্গীকে বলবেন না

আপনার প্রেমিক কিংবা স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কটা হয়তো খুব রোমান্টিক, তাই আপনার মুখে যা সত্যি আসছে সেটাই বলে দিচ্ছেন। যা বলা একেবারেই অযৌক্তিক সেটাও বলছেন। এটা আপনার সম্পর্কের জন্য কতখানি মঙ্গলজনক? যদি এমন হয় আপনার সত্যি কথাগুলোই সম্পর্ক নষ্ট করে দিচ্ছে, তাহলে নাই বা বললেন। সুতরাং যে বিষয়গুলো আপনার পুরুষসঙ্গীকে মানসিকভাবে আঘাত দিতে পারে সেই বিষয়গুলো কখনই বলবেন না। এতে আপনার সম্পর্কে কোন ফাটল ধরার সম্ভাবনা থাকবেন না। সেই বিষয়গুলো জেনে নিন- অতীতের অস্বস্তিকর ব্যাপার অতীতে কোন সম্পর্কের ঘটনা শেয়ার করার ব্যাপারটা প্রায় সব পুরুষ সমানভাবে নিতে পারে না। এই ব্যাপারে হয়তো তার কষ্ট পাওয়া বা খারাপ লাগার বিষয় ঘটতে পারে। সুতরাং অতীতের কোন অস্বস্তিকর ব্যাপারগুলো আপনার সঙ্গীকে বলার কোনো প্রয়োজন নেই। সম্পর্ক ভালো রাখতে এসব বিষয় থেকে বিরত থাকুন। তার পরিবার নিয়ে কটু কথা বলবেন না আপনার কাছে যেমন আপনার পরিবারের লোকজন কিংবা আত্মীয়-স্বজন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি আপনার সঙ্গীর কাছেও তার পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন গুরুত্বপূর্ণ। তাই তার আপনজনদের ব্যাপারে কখনোই কোনো কটু কথা বলবেন না। আর যদি সম্পর্কে এই অমর্যাদার ব্যাপারটি চলে আসে, তাহলে কিন্তু ক্ষতি আপনারই। এতে আপনার সঙ্গী আপনার প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারে। তুমি আমার পরিবারের যোগ্য হতে পার নি প্রতিটি মানুষের নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। নিজস্ব স্বভাব, যোগ্যতা ও বৈশিষ্ট্যের জন্যই প্রতিটি মানুষ আলাদা। আপনার সঙ্গীকে কখনই বলা উচিত হবে না যে তিনি আপনার পরিবারের মত যোগ্য হতে পারবে না। এতে আপনার সঙ্গী মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরবেন এবং নিজের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলবেন। আমার অনেক বন্ধু আছে আপনার অনেক ছেলে বন্ধ থাকুক এটা কোন প্রেমিক কিংবা স্বামী চায় না। তার উপর আপনার পুরুষ সঙ্গীর সামনে আপনার বন্ধুর সঙ্গে কি কি হয়েছে সবই বলে দিচ্ছেন। এতে আপনার সঙ্গীর মনে দেখা দিতে পারে অহেতুক সন্দেহ, আপনার বন্ধু আপনার প্রতি দুর্বল হয়ে পরেছে ইত্যাদি ভাবতে পারে। তাই ছেলে বন্ধু থাকলেও সবসময় আপনার সঙ্গীর সামনে তাদের কথা বলবেন না। তাছাড়া ছেলে বন্ধুর সঙ্গে বেশি ঘনিষ্ঠতা কিংবা ছেলে বন্ধু না থাকাই আপনার জন্য ভালো। বন্ধুকে তুলনায় সঙ্গীর চেয়ে উপরে রাখা ‘তোমার চেয়ে আমার অমুক বন্ধু আমাকে অনেক বেশি কেয়ার করে। সে অনেক ভালো। সে আমাকে অনেক গুরুত্ব দেয়।’ এসব কথা সঙ্গীকে কখনও বলতে যাবেন না। এটি দুজনের সম্পর্ককে বিষিয়ে দিতে পারে মুহূর্তে।  কেএনইউ/ এআর    

ওজন কমালে কি চুল পড়ে?

বর্তমান সময়ের তরুণ-তরুণীরা শারীরিক যত্নে বেশ সচেতন। সুন্দর দৈহিক গড়নের সঙ্গে ফ্যাশন ধরে রাখতে অনেক কিছুই করতে দেখা যায় তাদের। তবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে অথবা কমাতে গেলে অনেক সময় চুল পড়ার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরের আর সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতই চুলেরও স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য দরকার হয় আমিষ এবং অন্যান্য খাদ্য উপাদানের। তবে শরীরের ওজন কমাতে গিয়ে অনেকেই প্রয়োজনীয় আমিষ বা প্রোটিনের দিকে সেভাবে নজর দেন না। আর এ থেকে যে প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দেয় শরীরে, তাঁর কারণেই চুল ঝরে পরতে দেখা যায়। ড. এ ক্লিনিকের চুল বিশেষজ্ঞ অরবিন্দ পসওয়াল এবং ফিটনেস বিশেষজ্ঞ মান্দিপ সিং ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সেপ্রেসকে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন যা অনুসরণ করলে শরীরের ওজনও কমবে কিন্তু চুলের কোন ক্ষতি হবে না। * লাল মাংস, মাছ কিংবা শীমের বিচি নিয়মিত সেবন করলে শরীরে আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভালো থাকবে চুল। মাথার ত্বকে চুলের জন্য প্রয়োজনীয় তল সৃষ্টি করতে সাহায্য করে প্রোটিন। * অতিরিক্ত ক্যালরির খাবার শরীরের জন্য ভালো না হলেও নিয়মিত পরিমাণের ক্যালরি অবশ্যই শরীরের জন্য দরকার। তবে শরীরে ক্যালরির অভাব হলে চুল ঝরে পড়ার কারণ হতে পারে সেটি। * টেলোগান এভলুভিয়াম নামক একটি ঘটনার দরুণ শরীরের ওজন হ্রাসের সাথে সাথে চুল পরে যেতে দেখা যায়। শারীরিক এবং মানষিক অবসাদ থেকে এমনটা হয়ে থাকে। আর তাই চুলের যত্নে সর্বদা হাস্যোজ্জ্বল থাকুন। * এছাড়াও শরীরে ভিটামিন-এ, সি, ই এবং আয়রন এবং জিংক চুলের যত্ন নিশ্চিত করে। শরীরে এসব উপাদান বিদ্যমান থাকা ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য যেমন উপকারী তেমনি সতেজ চুলের জন্যও কার্যকর। * প্রতিদিন নিয়ম করে হাটা, ইয়োগা এবং হালকা ব্যায়ামও চুলের বেড়ে ওঠার জন্য বেশ উপকারী। সূত্রঃ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসএস এইচ এস/ এমজে

পাকা আমসত্ত্বের পায়েস

পাকা আমসত্ত্ব অনেকে ভালোবাসেন। ঘরোয়া আড্ডায় এ ধরনের খাবার অনেকের খুব প্রিয়। তাই রাস্তার পাশে বা যে কোনো শপ থেকে কিনে খাওয়ার চেয়ে আপনি চাইলে ঝটপট ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন স্বাস্থসম্মত মজাদার এই খাবারটি। আজকে রইলো পাকা আমসত্ত্ব তৈরির রেসিপি- উপকরণ: পাকা আমসত্ত্ব কুচি - ১ কাপ ঘন দুধ - ৩ কাপ চিনি - ১ কাপ গুড়া দুধ - কাপের এক তৃতীয়াংশ এলাচ + দারচিনি - পছন্দমত পেস্তাবাদাম কুচি - ওই  প্রণালী: ৩ কাপ দুধের সঙ্গে চিনি, কিচমিচ,এলাচ ও দারচিনি দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ জ্বাল দিতে হবে। যখন একটু ঘন হয়ে আসবে তখন আমসত্ত্ব কুচি দিয়ে আরো কতক্ষণ জ্বাল দিতে হবে। পায়েস যখন ঘন হয়ে আসবে তখন গুড়া দুধ মিশাতে হবে। পরে পাত্রে ঢেলে ঠাণ্ডা করে তার উপর পেস্তাবাদাম কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করার মাধ্যমে তৈরি হবে মজাদার আমসত্ত্বের পায়েস। এসএইচ/

টাইয়ের রঙ বলে দেবে আপনার ব্যক্তিত্ব

ছেলেই হোক আর মেয়েই হোক অফিসের ক্ষেত্রে টাই একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। স্যুট-ব্লেজারের সঙ্গে টাই পরলেই দেখতে চমৎকার লাগে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টাইয়ের রঙ আপনার ব্যক্তিত্বের পরিচয় বহন করে। একই স্যুটের সঙ্গে বিভিন্ন রঙয়ের টাই একজন মানুষ সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন বার্তা বলে দেয়। তাই নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য টাইয়ের রঙ বাছাই অনেক গুরুত্বপূর্ণ।  তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক বিভিন্ন রঙের টাইয়ের উপর ভিত্তি করে আপনার ব্যক্তিত্ব কেমন হবে- গড়ন ভেদে টাই শারীরিক আকৃতির সঙ্গে টাইয়ের আকৃতি মানানসই হতে হবে। তবেই টাইয়ের আসল সৌন্দর্য ফুটে উঠবে। যারা একটু মোটা, তারা খানিকটা চ্যাপ্টা গোছের ছোট টাই বেছে নিবেন। যারা লম্বা গড়নের, তাদের চাপা ও খানিকটা লম্বা টাই ভালো মানাবে। রাজকীয় রঙ বেগুনি ঐতিহ্যগতভাবে রাজকীয়তা ও অর্থ-প্রতিপত্তির পরিচায়ক বেগুনি রঙ। সাধারণত কর্মক্ষেত্রে এই রঙয়ের টাই বেশি গ্রহণযোগ্য। পুরুষরা সাধারণত হালকা বেগুনি রঙয়ের শেডের শার্ট এবং গাঢ় বেগুনি রঙয়ের শেডের টাই পরিধান করেন। হাজার মানুষের মধ্যে নিজেকে কিছুটা সাহসী হিসেবে প্রকাশ করার জন্য এই রঙ বেছে নেওয়ার বিকল্প নেই। বিশ্বাসের ইঙ্গিত করে লাল  গাঢ় লাল বা টকটকে লাল টাই বিশ্বাস স্থাপন করাতে সাহায্য করে। আর হালকা লাল বা গোলাপি রং নিজের ব্যক্তিগত স্টাইল প্রকাশ করে, যা সৃজনশীলতার দিকে ইঙ্গিত করে। তবে গত দশক থেকে গোলাপি টাই মাঝে মাঝে নারীর প্রতি সংহতি প্রকাশেরও সংকেত বহন করে। আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হলুদ ইংল্যান্ডসহ বেশ কিছু দেশে ঐতিহ্যবাহী টাইয়ের রঙ হলুদ। এটি দীপ্তি ও জীবনীশক্তির সঙ্গে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে। সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার সময় হলুদ রঙয়ের টাই পরতে পারেন।    উদ্ধতভাব প্রকাশ করে কালো কোনো এক্সিকিউটিভ মিটিংয়ে আপনি কালো রঙয়ের টাই নিয়মিত না পরলেও কোনো পার্টিতে বা বিশেষ কোনও ডিনারে কালো টাই পরতে পারেন। এটি আপনাকে আধুনিকতার অনুভূতি দেবে। তবে কালো টাই পরার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি কর্মক্ষেত্রে এখনও অনেক উপরে উঠার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে কালো রঙয়ের টাই এড়িয়ে চলুন। তবে বিশেষজ্ঞরা এটাও বলেছেন, ধূসর শেডের টাই তুলনামূলক বেশি মানানসই। নিরাপদ রং নীল টাইয়ের রঙয়ে ভুল বার্তা পাঠানোর ভয়ে পড়ে গেলেন? তাহলে সব চিন্তা বাদ দেন। যে বার্তাই পাঠাতে চান না কেন, নীল রঙয়ের টাই বেছে নেন। নীল রঙ মানুষকে আকাশ ও সমুদ্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ফলে মানুষের মনকে শান্ত করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নীল রং পরিধান করাই সবচেয়ে নিরাপদ। ডিজাইন করা নীল টাই আপনার মধ্যে প্রফেশনাল অনুভূতি যোগাবে। সূত্র : কলকাতা টুয়েন্টিফোর। কেএনইউ/এসি    

বয়স্কদের জৈবিক চাহিদা বেশি!    

বয়স বেড়েছে বলেই কি তাদের সাধ, আহ্লাদ থাকবে না? কিন্তু গবেষণা বলছে, বয়স বাড়লেও তাদের সেই সাধ্যের মধ্যে যৌনতার প্রতি ঝোঁক একটু বেশিই থাকে। তবে সুযোগ আর সঙ্গীর অভাবে অনেকেই শেষ বয়েসে এসে নিজেদের যৌনতার চাহিদা পূরণ করতে পারেন না। ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জো হাইড ও তার সহকর্মীরা ৭৫ থেকে ৯৫ বছর বয়সী ২৭০০ পুরুষের উপর সম্প্রতি এ গবেষণাটি করেন৷ এতে দেখানো হয়েছে, অধিকাংশ পুরুষই যৌনতার প্রতি বেশ আগ্রহী৷ তবে সুযোগের অভাবেই নিজের মনোবাসনা চরিতার্থ করতে অক্ষম অনেকে৷ গবেষক দল, বয়স্কদের স্বাস্থ্য, সম্পর্ক ও যৌনকর্ম বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্ন করেন৷ গবেষণার অন্তর্গত ৯০ থেকে ৯৫ বয়সি বৃদ্ধরা শারীরিক ভাবে সক্ষম না হলেও যৌনকর্মকে গুরুত্ব দিয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স্কদের যৌনতার বিশেষ ভূমিকা রাখছে টেস্টোস্টেরন হরমোন৷ এই হরমোন আরো কাজের সঙ্গে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে৷ বিশেষ হরমোন পরিবর্তনের ফলে বয়স্কদের জীবনে পরিবর্তন আনা যেতে পারে৷  তবে গবেষণার অন্তর্গত শারীরিক সক্ষম বয়স্কদের ৮০ শতাংশ জানিয়েছেন তারা নিয়মিত যৌনক্রিয়া করতে চাইলেও সুযোগের অভাবে তা হয়ে ওঠে না৷ ইন্টারন্যাশনাল মেডিসিনের বার্ষিক সংস্করণে গবেষক ‘জো’ এর এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে৷ গবেষণায় দেখানো হয়েছে, অনেক পুরুষই শেষ বয়সে এসে যৌনতার প্রতি বিশেষ ভাবে আকর্ষিত হন৷ কিন্তু উপযুক্ত সঙ্গীর অভাব ও বাড়তি বয়সের ফলে তারা সেটি করতে পারেন না৷  অবশ্য সবাই যে, এ ধরনের  চিন্তা করেন সেটি কিন্তু নয়৷ ৭৫ থেকে ৯৫ বয়সি বৃদ্ধদের একাশং মনে করেন শেষ বয়সে যৌনকর্ম একেবারেই নয়৷ সূত্র: কলকাতা২৪ আর/এসি  

সাদা চুল নিমিষে কালো করার ঘরোয়া উপায়

অফিসে একবার ফেল করেছেন তো বিপদে পড়েছেন। এমন হাজারো চিন্তা আপনার মাথার মধ্যে গেঁথে থাকে। অগত্যা চিন্তার ফলে শুধু টার্গেট রিচ নয়, একই সঙ্গে মাথার চুল ছেঁড়া প্রতিদিনের কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এ কারণেই মাত্র ৩০ বছর বয়সেই পেকে যাওয়া শুরু হয়েছে আপনার। এ অবস্থার শিকার এখন অনেকেই। এই কারণেই আজ এমন কিছু প্রকৃতিক হেয়ার মাস্কের প্রসঙ্গে আলোচনা কর হল, যা নিয়মিত চুলে লাগালে পেকে যাওয়া চুল কালো হতে বেশি সময় সাগবে না। সেই সঙ্গে চুলের উজ্জ্বতা এবং সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে চোখে পড়ার মতো। যে যে হেয়ার মাস্কগুলি এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হলো- আমলা ও হেনার প্যাক: এই হেয়ার মাস্কটি বানাতে প্রয়োজন পরবে এক কাপ হেনার পেস্ট, তিন চামচ আমলার পাউডার এবং এক চামচ কফি পাউডারের। সবকটি উপাদান একসঙ্গে মেশানোর পর ভাল করে চুলে লাগিয়ে কম করে এক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে সালফার ফ্রি শ্যাম্পু দিয়ে ভাল করে চুলটা ধুয়ে নেবেন। এইভাবে মাসে একবার চুলের পরিচর্যা করলে চুল কুচকুচে কালো হয়ে তো যাবেই, সেই সঙ্গে চুলের গোড়ায় পুষ্টির ঘাটতি দূর হবে। হওয়ার কারণে হেয়ার ফলও কমতে শুরু করবে। লাল চা: সাদা চুলকে কালো করতে লাল চায়ের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই পানীয়টিতে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান চুলের অন্দরে প্রবেশ করে চুলের রং বদলে দেয়। শুধু তাই নয়, নিমেষে চুলকে যদি উজ্জ্বল বানাতে হয়, তাহলেও কাজে লাগাতে পারেন লাল চাকে। এখন প্রশ্ন হল চুলকে কালো করতে কীভাবে কাজে লাগাতে হবে লাল চাকে? এক্ষেত্রে এক কাপ জলে ২ চামচ চায়ের পাতা ফেলে পানিটা ফোটাতে হবে। যখন দেখবেন পানি ফুটতে শুরু করেছে, তখন আঁচটা বন্ধ করে পানি ঠান্ডা করে নিতে হবে। এরপর মিশ্রনটি ভাল করে চুলে লাগিয়ে কম করে ১ ঘন্টা অপেক্ষা করে হার্বাল শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফলতে হবে। প্রসঙ্গত, ২ সপ্তাহে ১ বার এই ঘরোয়া টোটকাটিকে কাজে লাগালে উপকার পাবেন একেবারে হাতেনাতে। হেনা রেমেডি: এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ, তেমনি রয়েছে আরো অনেক উপকারি উপাদান। এটি স্কাল্পে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কাকে যেমন কমায়, তেমনি সাদা চুলকে নিমেষে কালো করে দিতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই সঙ্গে চুলের অন্দরে পি এইচ লেভেল বাড়ানোর মধ্যে দিয়ে চুলের সৌন্দর্য বাড়াতেও সাহায্য করে থাকে। এক্ষেত্রে ২ চামচ চা পাতা, ৪ চামচ হেনা পাউডার, ১ চামচ লেবুর রস এবং ১ চামচ আমলা পাউডারের প্রয়োজন পরবে। প্রথমে এক কাপ পানিতে হেনা পাউডারটা ৮ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। অন্যদিকে এক কাপ চায়ে চায়ের পাতা পেলে পানিটাকে ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর পানি ঠান্ডা করে তাতে হেনার পেস্টটা মিশিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে তাতে লেবুর রস এবং আমলা পাউডারটা মিশিয়ে মিশ্রনটি চুলে লাগিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। যখন দেখবেন পেস্টটা শুকতে শুরু করেছে, তখন ভাল করে চুলটা ধুয়ে ফেলতে হবে। প্রসঙ্গত, মাসে একবার এইভাবে চুলের পরিচর্যা করলেই দেখবেন কেল্লা ফতে! নারকেল তেল এবং লেবুর রস: এই দুটি উপাদান চুলের অন্দরে প্রবেশ করে পিগমেন্ট সেলের গ্রোথকে আটকে দেয়। এর ফলে সাদা হয়ে যাওয়া চুল তো কালো হয়ই, সেই সঙ্গে আরো চুল সাদা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কমে। তাই তো চটজলদি সাদা চুলকে কালো করতে এই দুই প্রকৃতিক উপাদানকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না। প্রসঙ্গত, এই হেয়ার প্যাকটি বানাতে প্রয়োজন পরবে ২ চামচ নারকেল তেল এবং ১ চামচ লেবুর রসের। এই দুটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে তা স্কাল্পে লাগিয়ে ভাল করে মাসাজ করতে হবে। তারপর ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে চুলটা। প্রসঙ্গত, এই ঘরোয়া টোটকাটির সুফল পেতে সপ্তাহে ২ বার এটিকে কাজে লাগাতে হবে। কারি পাতা: ছোট একটা পাত্রে ৩ চামচ নারকেল তেলে নিয়ে তাতে পরিমাণ মতো কারি পাতা ফেলে কিছু সময় গরম করে নিতে হবে। যখন দেখবেন কারি পাতাটা কালো হতে শুরু করেছে, তখন আঁচটা বন্ধ করে দিতে হবে। এবার তেলটা ঠান্ডা করে সেটি স্কাল্পে লাগিয়ে ভাল করে মাসাজ করতে হবে। এরপর এক ঘন্টা অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে চুলটা। এইভাবে সপ্তাহে ২-৩ বার চুলের পরিচর্যা করলে দেখবেন কুচকুচে কালো চুলের অধিকারি হতে দেখবেন সময় লাগবে না। বোল্ডস্কাই   আর

৫ লক্ষণ বলে দেবে সঙ্গী বিশ্বস্ত

সম্পর্কে বিশ্বাস না থাকলে সেই সম্পর্কে ফাটল ধরার সম্ভাবনা থাকে। তাই সম্পর্কে বিশ্বাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এই বিশ্বাসের উপর ভর করেই চলবে ভবিষ্যৎ। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন আপনার সম্পর্কে বিশ্বাস তৈরি হয়েছে? এর উত্তর অবশ্যই আছে, আপনার সঙ্গী বিশ্বস্ত হলে আপনার সম্পর্কের মধ্যে বিশ্বাস থাকবে। তবে সঙ্গী বিশ্বস্ত এটাই বা কীভাবে বুঝবেন। সঙ্গীর কিছু লক্ষণই বলে দিবে আপনার সঙ্গী বিশ্বস্ত কি না। এমনি ৫ লক্ষণ জানিয়ে দেওয়া হলো- অন্তরঙ্গতাই মূল চাবিকাঠি আপনি এবং আপনার সঙ্গীকে একটি রসায়নের স্তর ভাগ করে নিতে হবে। আপনাদের শারীরিক সম্পর্ক ঘনঘন হওয়া প্রয়োজন। এতে দু’জন দু’জনের উপর আত্মবিশ্বাসের বিকাশ ঘটাবে। যৌথ পরিকল্পনা আপনার জীবনের সমস্ত সিদ্ধান্ত আপনাদের উভয়ের দ্বারা তৈরি করা হয়। যদি সিদ্ধান্ত আপনার সঙ্গী শুধু একাই নিতে চায়, আপনাকে কোন সুযোগই দিচ্ছে না তাহলে সমস্যা। এতে সম্পর্কের উপর বিশ্বাসটা চলে যাবে। আর যদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনার সঙ্গী যৌথভাবে আলোচনা করতে চায় তাহলে আপনি আপনার সঙ্গীকে বিশ্বস্ত মনে করতে পারেন। সঙ্গীর ফোন নাড়তে দেওয়া আপনাকে আপনার সঙ্গী বিনা দ্বিধায় তার ফোন ব্যবহার করতে দিয়েছেন, তাহলে বুঝবেন আপনার সঙ্গীর কোন লুকানোর কিছু নেই। আপনি নির্দ্বিধায় আপনার সঙ্গীকে বিশ্বাস করতে পারেন। আপনার উপর উদারতা আপনার সঙ্গী আপনাকে খুবই ভালোবাসে বুঝতেছেন। এমন সময় তার অন্য কারণে মেজাজ খারাপ থাকার পরও আপনার সঙ্গে কোন দুর্ব্যবহার করছে না বা কোন কিছুতে অবাধ্য হচ্ছে না, এতে আপনি আপনার সঙ্গীকে বিশ্বস্ত মনে করতে পারেন। সবসময়ই কাছে আসতে চায় আপনি খেয়াল করবেন, আপনার সঙ্গী যখন তার প্রয়োজনীয় কাজ কিংবা অফিস শেষ করে শুধু আপনার কাছেই আসতে চাইছে। অন্য কিছুতে আগ্রহ নেই। তাহলে ধরে নিতে পারেন আপনার সঙ্গী বিশ্বস্ত। কেএনইউ/ এআর           

মুখের দাগ দূর করতে ৬টি ঘরোয়া উপায়

ত্বকে যখন মেছতা, ব্রণ কিংবা চোখের নিচে কালো দাগ পরে যায় তখন মুখের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। এই মুখ নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়াতেই লজ্জা করে। যদিও মেকাপ লাগিয়ে দাগ লুকানো সম্ভব কিন্তু দূর করা সম্ভব না। তবে ঘরোয়া কিছু উপায়ে অবলম্বন করতে পারলে মুখের এই বিচ্ছিরি দাগগুলো দূর করা সম্ভব। এই উপায়গুলো উল্লেখ করা হলো- আলু মুখের কালো দাগ সরাতে ভালো কাজ করে আলুর রস। এক্ষেত্রে আলুর রসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। দুধ ও মধু দুধ ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে কালো দাগের উপর দশ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর মুখ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। টানা কয়েকদিনের ব্যবহারে আপনার মুখের দাগ উধাও হয়ে যাবে। অ্যালোভেরা অ্যালোভেরা জেল বা রস, মুখের দাগের উপর আলতো হাতে মালিশ করে নিন। প্রত্যেকদিন এর ব্যবহারে আপনার মুখের দাগ মুছে গিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে অ্যালোভেরা থেকে রস বের করে নিন। এর রস লাগানোর আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর রস মুখে দিয়ে মাসাজ করুন। এছাড়া অ্যালোভেরা জেল দিয়ে মাস্ক বানিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। শসা ও টমেটো শসা ও টমেটো মুখের উজ্জ্বলতা ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে দুটোই কার্যকরী। কয়েকটি শসার টুকরো নিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে নিন, তাতে সামান্য মধু ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগান। টমেটো কেটে মুখে আলতোভাবে ঘষতে থাকুন। তারপর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পাকা পেঁপে পাকা পেঁপে কালো দাগ দূর করতে ভালই সাহায্য করে। এক্ষেত্রে পাকা পেঁপের পেস্ট মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। সামান্য লেবুর রস মিশিয়েও তা ব্যবহার করতে পারেন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। লেবু কালো দাগ তুলতে লেবু খুবই কার্যকরী। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবুর রস ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় ও কালো দাগ দূর করে। দাগের উপর কিছুক্ষণ লেবুর রস ঘষতে থাকুন, শুকিয়ে এলে পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। কেএনইউ/    

৫ প্রকৃতির বন্ধুকে এড়িয়ে চলা মঙ্গল

জীবনে বন্ধুর প্রয়োজন রয়েছে। আর সেই বন্ধুর সঙ্গে জড়িত রয়েছে বিশ্বাস ও অনেকখানি ভালোবাসা। কিন্তু সবাইকে বন্ধু বানানো সম্ভব নয়। কেননা মানুষের মধ্যে ভালো-মন্দ দুটোই জড়িত। তাই বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে খুব সাবধান হওয়া প্রয়োজন। কিছু বন্ধু রয়েছে যারা ক্ষতি করে, তাদের থেকে যত দূরে থাকা যাবে ততই নিজের জন্য মঙ্গল। সুতরাং আমাদের জানা প্রয়োজন কোন কোন প্রকৃতির বন্ধুকে এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। ১) যে সব সময় টাকা চায়: বন্ধুর কাছে টাকার জন্য ঘন ঘন হাত পাতা শোভনীয় নয়। যে বন্ধু আপনাকে দেখা মাত্রই টাকা দাবি করে, তার থেকে বিরত থাকাই ভালো। কেননা, সে আপনার সময়কে জটিল করতে পারে। আপনাকে বিরক্তি এনে দিতে পারে। তাই এমন বন্ধুদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়া ভালো নয়। ২) যে আপনার গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়: যে বন্ধু আপনার দূর্বল দিকগুলো তার বন্ধু এবং অন্যান্যদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়, তার সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকতে পারে না। কারণ বন্ধুত্বে বিশ্বাস জরুরী। আর যেখানে বিশ্বাস ভেঙ্গে যায়, সেখানে সম্পর্ক টিকতে পারে না। তাই যে বন্ধু আপনার বিশ্বাস ভেঙ্গেছে তাকে এড়িয়ে চলুন। ৩) যে আপনাকে অপছন্দ করে যে আপনাকে মনে মনে অপছন্দ করে থাকে, তার সঙ্গ আজই ত্যাগ করুন। এই ধরণের মানুষেরা সবার সামনে আপনার সঙ্গে ভাল ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু আপনার পিছনে আপনার ক্ষতি করতে দ্বিধাবোধ করে না। ৪) অলস অলসতা অনেক বেশি ছোঁয়াচে। অলস ব্যক্তি আরেকটি মানুষকে অলস বানিয়ে দেবার চেষ্টায় থাকে। অলস ব্যক্তির সাথে বেশি সময় কাটালে তাদের অলসতা আপনার মাঝেও দেখা দেবে। ৫) যে সবসময় ব্যস্ততা দেখায়: বন্ধুদের মধ্যে কিছু মানুষ থাকেন যে সর্বদাই ব্যস্ততা দেখায়। সেটা যে কীসের ব্যস্ততা তা হয়তো নিজেই জানে না। দেখা যায়, কাজের সময়ে তাকে পাশে পাওয়া যাচ্ছে না। কাজেই এমন বন্ধুর থেকে দূরত্ব বজায় রাখাই নিরাপদ। কেএনইউ/  

ছানার মালাইকারি

ছানা এক ধরণের মিষ্টি জাতীয় খাবার। দুধ দিযে সাধারণত ছানা তৈরি করা হয়। তাই এটা খেতেও বেশ সুস্বাদু। তবে এই ছানা দিয়েও বিশেষ কিছু রেসিপি তৈরি করা যায়। তেমনি একটি খাবার হচ্ছে ছানার মালাইকারি। বাসায় আসা অতিথিদেরকেও এটি আপ্যায়ন করতে পারেন। এর রেসিপি একুশে টিভি অনলাইনে দেওয়া হলো- উপকরণ : ১) ২০০ গ্রাম ছানা। ২) ৫০ মিলি নারকেলের দুধ। ৩) এক টেবিল চামচ আদা, জিরে ও কাঁচা মরিচ বাটা। কিছু আদা কুচিও লাগবে। ৪) এক চামচ হলুদ গুঁড়া। ৫) এক চামচ শুকনো মরিচের গুঁড়া। ৬) এক টেবিল চামচ ঘি। ৭) গরমমশলার গুঁড়া। ৮) ২০ গ্রাম ময়দা। ৯) চিনি ও লবণ স্বাদ মতো। ১০) তেল। ১১) ৪ টেবিল চামচ মালাইকারির গ্রেভি। ১২) একটি ডাবের শাঁস। প্রণালি : প্রথমে ছানাটা খুব ভালো করে মেখে নিন। মাখার সময়েই একটু আদাকুচি, শুকনো মরিচের গুঁড়া, কাঁচা মরিচের কুচি, ময়দা, চিনি আর লবণ দিয়ে দিন। এবার এই মিশ্রণটা থেকে ছোট ছোট গোল আকারের বল তৈরি করে একটু চেপটে নিন এবং গরম তেলে ভেজে নিন। এখন ওই তেলেই আদা, জিরে, মরিচ বাটা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। সেই সঙ্গে এক এক করে শুকনো মশলাগুলোও দিন। এখন অল্প কিছু পানি দিয়ে তিন থেকে চার মিনিট রান্না করুন। এর সঙ্গে দিন নারকেলের দুধ, ডাবের শাঁসবাটা, মালাইকারির গ্রেভি। এগুলো ফুটে উঠলে ঘি, গরম মশলার গুঁড়া আর ছানার বল ছেড়ে দিন। তাপে কিছুক্ষণ রেখে নামিয়ে ফেলুন। এখন গরম গরম পরিবেশন করুন। তথ্যসূত্র : রান্নার ঘর। কেএনইউ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি