ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৩:৫৭:২৩

ফার্মগেটে বেড়েছে ছিনতাই-পকেটমারি

ফার্মগেটে বেড়েছে ছিনতাই-পকেটমারি

রাজধানীতে আগে থেকেই ছিনতাই-পকেটমারি হয়ে আসছে। তবে সম্প্রতি এর সংখ্যা বেড়েছে আগের চেয়ে বেশ বলেই জানা যাচ্ছে। অনেকটা বলা যায়,  বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ছিনতাইকারী চক্রগুলো। একটু বেখেয়াল হলেই টাকা মোবাইল বা ল্যাপটপ খোয়াতে হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষণ চোখে পড়েও না তেমন। রাজধানীর প্রায় ১৫০টি ছিনতাই স্পটের মধ্যে ফার্মগেট অন্যতম একটি। জনবহুল এবং ব্যস্ত এলাকা হওয়ায় এখানেই বেশি ঘটছে পকেটমারিসহ অন্যান্য অপরাধ। ছিনতাইকারী চক্র ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহার করছে মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল। এদের টার্গেট নারীদের ভ্যানেটিব্যাগ, হাতব্যাগ, স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোনসেট। এছাড়াও ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমার মোড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে ছিনাতাইকারীরা। গাড়িতে যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে উঠার সময় তারা পেছন থেকে ধাক্কাধাক্কি করে সামনের জনকে উঠতে বলে। এ সুযোগে পকেট থেকে হাতিয়ে নেয় মোবাইল, মানিব্যাগ। গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী থেকে এসেছিল হাবিবুর রহমান। তিনি ঢাকায় চাকরির জন্য আসেন। তিনি বিশ্বরোডে যাওয়ার জন্য ফার্মগেট থেকে বিআরটিসি বাসে উঠেন। বিজয় স্মরণী গিয়ে আবার ফিরে এসেছেন। তিনি বলেন, একটু আগে এখান থেকে গাড়িতে উঠার সময় কয়েকজন ধাক্কাধাক্কি করেছে। পরে গাড়িতে উঠে ভাড়া দিতে গিয়ে দেখি মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ কোনোটাই নেই। ছিনতাইকারীরা ভদ্র লোক সেজে রাস্তার বিভিন্ন অংশে অপেক্ষা করতে থাকেন। সুযোগ বুঝে ঝাঁপিয়ে পড়ে যানজটে আটকে থাকা অথবা ধীর গতিতে চলা সিএনজি অটোরিকশা যাত্রীর ওপর। বিশেষ করে নারী যাত্রীরাই তাদের বেশি টার্গেট। প্রায় প্রতিদিনই ফার্মগেটে পথচারীরা ছিনতাই আর পকেটমারের শিকার হচ্ছেন। অধিকাংশ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা থানা পুলিশের দ্বারস্থ হন না। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ছিনতায়ের কবলে পরেন চট্টগ্রাম থেকে আসা জাহেদুল ইসলাম। ভোরে ফার্মগেট থেকে রিকশা করে মতিঝিল যাওয়ার পথে কারওয়ান বাজারের কাছাকাছি যেতেই সাদা মাইক্রোবাস থেকে তার কোলে থাকা ব্যাগটি টান মেরে নিয়ে পালিয়ে যায়। শুধু এ দুটি ঘটনায় নয়, এরকম অনেক ভুক্তভুগির সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তারাও এ ধরনের সমস্যায় পড়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ট্রাফিক বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, এ ধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে হলে মানুষকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে। বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন মানুষিকতা নিয়ে চলাফেরা করে। অনেকের হয়তো কেউ হাসপাতালে ভর্তি থাকে বা কারও অন্য কোনো কাজের ব্যস্ততা থাকে। এ কারণে সবাই সবসময় সচেতন থাকতে পারে না। আর এ সুযোগটাই নেয় ওই চক্রটি। টাকা ও মোবাইল ফোন নেওয়ার পর দ্রুত তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ভুক্তভোগী একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, ফার্মগেট থেকে শাহবাগ মোড় পর্যন্ত প্রায়ই যানজট লেগে থাকে। এ সুযোগটা বেশি কাজে লাগায় ছিনতাইকারীরা। তারা ভদ্র লোক সেজে রাস্তার বিভিন্ন অংশে অপেক্ষা করতে থাকেন। সুযোগ বুঝে ঝাঁপিয়ে পড়ে যানজটে আটকে থাকা অথবা ধীর গতিতে চলা সিএনজি অটোরিকশা যাত্রীর ওপর। মোবাইল ফোনে কথা বলার সময় পেছন থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়াটা নিত্য নৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর ছিনতাই করার পরপরই রাস্তা পেরিয়ে কখনও পূর্ব অংশে অথবা পশ্চিম অংশে চলে যায় ছিনতাইকারীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফার্মগেটের একজন হকার জানান, পুলিশ এসব ছিনতাইকারীদের অনেককেই চেনে। নানা সময় এদের অনেকে আটক হয়েছে পুলিশের হাতে। ছাড়া পেয়ে আবারও শুরু করে ছিনতাই, পকেটমার ও চুরি।   এসএইচ/
পানি বাজারজাতকরণ প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

অবৈধ জারে পানি বাজারজাতকরণ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভেজালবিরোধী অভিযানে আড়াই লাখা টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে সাত জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড, ২ টি কারখানা বন্ধ এবং প্রায় ২শ’ টি জার ধ্বংস করা হয়েছে। বিএসটিআই ও র‌্যাব হেড কোয়ার্টারের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম এর নেতৃত্বে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ি এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে ওই এলাকায় সেইফ ড্রিংকিং ওয়াটার, ইউনিক ড্রিংকিং ওয়াটার, বিক্রমপুর ড্রিংকিং ওয়াটার, আল হুমাইন ড্রিংকিং ওয়াটার, রিদম ড্রিংকিং ওয়াটার কারখানাসমূহ পরিদর্শন করা হয়। কারখানাগুলো বিএসটিআই’র অনুমোদন না নিয়ে অপরিশোধিত পানি নিম্নমানের জারে ভর্তি করে বিক্রয় ও বিতরণ করার অপরাধে বিএসটিআই অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ ও ২০০৩ (সংশোধিত) এর ক্ষমতাবলে সর্বমোট দুই লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে ৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান এবং ২টি কারখানা বন্ধ করা হয়েছে। অপরাধীরা তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার সমুদয় অর্থ পরিশোধ করেন। এছাড়াও প্রায় ২শ’ টি জার ধ্বংস করা হয়। বিএসটিআই’র এ ধরণের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। বিজ্ঞপ্তি আরকে/টিকে

গাড়ির ধাক্কায় গ্যারেজ ম্যানেজার নিহত

রাজধানীর রায়েরবাগে গাড়ির ধাক্কায় স্বপন খান (৫০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, নিহত স্বপনের গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায়। তিনি যাত্রাবাড়ী কাজলা উত্তরপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে থাকতেন। স্বপন শনির আখড়া এলাকায় একটি সিএনজি গ্যারেজে ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করতেন। ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল মো. মিলন জানান, রায়েরবাগ মেইন রাস্তায় যানবাহনের ধাক্কায় আহত হয়ে পড়ে ছিলেন স্বপন। গুরুতর আহতাবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক সাড়ে ১১টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া বলেন, কোন গাড়ির ধাক্কায় স্বপন নিহত হয়েছেন, তা জানা সম্ভব হয়নি। একে// এআর

সাইনবোর্ড বাংলায় না হলে লাইসেন্স বাতিল!

মাতৃভাষাকে যথাযথ সম্মান জানাতে এবার ভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকায় সব ধরনের সাইনবোর্ড, লিফলেট, ব্যানারে বাংলা লেখার নির্দেশনা দিয়েছে ডিএনসিসি। তবে ইংরেজি থাকলেও সেটি থাকবে বাংলার পাশাপাশি। এই উদ্যোগ না মানলে প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে ডিএনসিসি। সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএনসিসি। ডিএনসিসি এক কর্মকর্তা বলেন, বহুদিনের অভ্যাস সহজেই পরিবর্তন হবে না- এমনটি ধরেই এগোচ্ছে সিটি করপোরেশন। প্রথমে উচ্ছেদ অভিযান ও জরিমানার মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ থাকতে চায় রাষ্ট্রীয় এই সেবা সংস্থা। তবে এতেও যদি শতভাগ সফলতা না আসে তাহলে কঠোর শাস্তির চিন্তা-ভাবনা করছে সিটি করপোরেশন। এর অংশ হিসেবে রাজধানীতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স দেওয়া সংস্থা সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স (ব্যবসা করার অনুমতি) নেওয়ার সময়ও সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সাইনবোর্ডে বাংলা ব্যবহারের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়। অতিরিক্ত একটি সিল দিয়ে ট্রেড লাইসেন্সে লেখা থাকে, ‘সাইনবোর্ড/ব্যানার বাংলায় লিখতে হবে’। দেশের সর্বত্র বাংলা ভাষার প্রচলন নিশ্চিত করতে ২০১৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এক আদেশে দেশের সব সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড, ব্যানার, গাড়ির নম্বরপ্লেট, সরকারি দপ্তরের নামফলক এবং গণমাধ্যমে ইংরেজি বিজ্ঞাপন ও মিশ্র ভাষার ব্যবহার বন্ধ করতে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে বলেন। সংবিধানের ৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। এছাড়া বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭-এর ৩ ধারায়ও সরকারি অফিস, আদালত, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চিঠিপত্র, আইন-আদালতের সওয়াল-জবাব এবং অন্য কাজে বাংলার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এমএইচ/টিকে

খুনের পাঁচ বছর পর আসামি গ্রেপ্তার

ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে পাঁচ বছর আগের এক হত্যা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মঙ্গলবার রাতে সাজ্জাদ হোসেন পাঠান (২৬) নামের ওই আসামিকে যাত্রাবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পিবিআইয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ২০১২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কামরাঙ্গীরচর হুজুর পাড়ায় আল আমিন টুকু (২০) নামের এক যুবক খুন হন। পরে টুকুর মৃতদেহ ওই এলাকায় তার বাসার কাছের মাঠ থেকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পর টুকুর বাবা ওসমান গণি বাদী হয়ে সাজ্জাদসহ কয়েকজনকে আসামি করে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করেন। থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের পর আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তের ভার পায় পিবিআই। তদন্তের দায়িত্ব পেয়েই সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। হুজুরপাড়ার একটি চক পাউডার কারখানার কর্মচারী সাজ্জাদ ওই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন। তার বাবার নাম আলাউদ্দিন। বাড়ি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের বরপায়। কেআই/টিকে

খেলার মাঠ ও পার্কের আধুনিকায়ণ প্রকল্পের উদ্বোধন

রাজধানীর মোহাম্মপদপুরের তাজমহল রোডের খেলার মাঠ এবং তাজমহল পার্কের আধুনিকায়নের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্যানেল মেয়র মো. ওসমান গনি। আজ মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। “ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উন্মুক্ত স্থানসমূহের আধুনিকায়ন, উন্নয়ন ও সবুজায়ন” প্রকল্পের অধীনে এই খেলার মাঠ ও পার্কের আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় ডিএনসিসির মোট ২৬টি পার্ক ও খেলার মাঠ উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন করা হবে। ১ কোটি ৪৩ লাখ ২৯ হাজার টাকা ব্যয়ে তাজমহল রোড খেলার মাঠটি আধুনিকায়নের কাজ চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে শেষ হবে। আর ৩ কোটি ৬৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ব্যয়ে তাজমহল পার্ক আধুনিকায়নের কাজ শেষ হবে চলতি বছরের নভেম্বরে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে মো. ওসমান গণি বলেন, “বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকলে এভাবে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। তাই শেখ হাসিনার সরকার বার বার দরকার”। এসময় খেলার মাঠ ও পার্কের উন্নয়ন কাজ যেন দৃষ্টিনন্দন ও টেকসই হয় সেজন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন প্যানেল মেয়র। পাশাপাশি এসকল স্থাপনা সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার ও রক্ষনাবেক্ষনের জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়ে প্যানেল মেয়র বলেন, “কিছু প্রতিষ্ঠা করা যতটা কঠিন তার চেয়ে অনেক কঠিন তা রক্ষণাবেক্ষন করা”। এছাড়াও ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলায় বক্তব্য প্রদানের ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামফলক, সাইনবোর্ড ইত্যাদিতে বাংলা ভাষা নিশ্চিত করতে ডিএনসিসির আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকদের প্রতি প্যানেল মেয়র আহবান জানান। পরে তিনি মোহাম্মদপুর কাঁচাবাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট পরিদর্শন করেন এবং সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের খোজখবর নেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেসবাহুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নূরুল ইসলাম রতন এবং ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এসএইচএস/টিকে

২১ শে ফেব্রুয়ারি যেসব সড়কে যান চলাচল করবে

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথভাবে উদযাপন উপলক্ষে ২১ শে ফেব্রুয়ারির প্রথম পহর থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত রাজধানীর কয়েকটি সড়কে যানচলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সুনির্দিষ্ট কয়েকটি সড়কে ডাইভারসন দিয়ে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে (ডিএমপি)। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নির্দেশনাটি হুবুহু তুলে ধরা হল- আজিমপুর কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা (ক) নাজিম উদ্দিন সড়ক, বাবুপুরা সড়ক (পুরানো যাদুঘরের সামনের রাস্তা), কলেজ সড়ক (ফজলুল হলের পূর্ব পার্শ্বের রাস্তা) এলাকার জনসাধারণ আজিমপুর কবরস্থানে যাওয়ার জন্য দেওয়ান বাজার সড়ক (বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠের পূর্ব পার্শ্বের রাস্তা) – টিএসসি’র মোড় – নীলক্ষেত মোড় – নিউমার্কেট ক্রসিং – পিলখানা সড়ক হয়ে নিউমার্কেট ১নং গেট দিয়ে যাবেন। (খ) আব্দুল গণি সড়ক, তোপখানা সড়ক এবং শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণী (পার্ক এভিনিউ) এলাকার জনসাধারণ পুরাতন হাইকোর্টের সামনের রাস্তা দিয়ে দোয়েল ক্রসি–সোহরাওয়ার্দী উদ্যান রোড হয়ে– টিএসসির ক্রসিং–নীলক্ষেত ক্রসি –নিউ মার্কেট ক্রসিং–পিলখানা সড়ক দিয়ে ১নং গেইট হয়ে কবরস্থানে যাবেন। (গ) লালবাগ, আজিমপুর, পলাশী ও চকবাজার এলাকার জনসাধারণ আজিমপুর সড়ক–নিউমার্কেট ক্রসিং–পিলখানা সড়ক–নিউমার্কেট ১নং গেটের পাশ দিয়ে কবরস্থানের নতুন গেটের ভিতর দিয়ে যাবেন। (ঘ) বক্শী বাজার সড়ক, চকবাজার, উর্দু রোড এবং ঢাকেশ্বরী এলাকার জনসাধারণ আজিমপুর সড়ক– নিউমার্কেট ক্রসিং–পিলখানা সড়ক – নিউ মার্কেট ১নং গেটের পাশ দিয়ে কবরস্থানের নতুন গেটের ভিতর দিয়ে যাবেন। (ঙ) প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এলাকার জনসাধারণ দোয়েল চত্বর ক্রসিং-সোহরাওয়ার্দী রোড–টিএসসি ক্রসিং–নীলক্ষেত–নিউমার্কেট ক্রসিং – পিলখানা সড়ক, নিউমার্কেট ১নং গেটের পাশ দিয়ে কবরস্থানের নতুন গেটের ভিতর দিয়ে যাবেন। (চ) ঢাকা মেডিকেল কলেজ এলাকার জনসাধারণ দোয়েল চত্বর ক্রসিং-সোহরাওয়ার্দী রোড – টিএসসি ক্রসিং – নীলক্ষেত – নিউমার্কেট ক্রসিং – পিলখানা সড়ক, নিউমার্কেট ১নং গেটের পাশ দিয়ে কবরস্থানের নতুন গেটের ভিতর দিয়ে যাবেন। আজিমপুর কবরস্থান থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাওয়ার রাস্তা আজিমপুর কবরস্থানে মূল গেট থেকে (কবরস্থানের দক্ষিণ পার্শ্বে) বের হয়ে আজিমপুর সড়ক, আজিমপুর বেবী আইসক্রীম মোড়, পলাশী ক্রসিং, এসএম হল এবং জগন্নাথ হলের সামনের রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে যাবেন। অনুগ্রহ করে কেউ আজিমপুর কবরস্থানে যাওয়ার জন্য এ রাস্তা ব্যবহার করবেন না। আজিমপুর কবরস্থানে না গিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাওয়ার রাস্তা (ক) বক্শী বাজার, চকবাজার, উর্দুরোড, ঢাকেশ্বরী সড়ক, নাজিম উদ্দিন সড়ক, বাবুপুরা সড়ক এলাকার জনসাধারণ যারা কবরস্থানে না গিয়ে সরাসরি শহীদ মিনারে যেতে চান তারা পুরাতন রেলওয়ে হাসপাতাল সড়ক, পলাশী ক্রসিং, এসএম হল এবং জগন্নাথ হলের সামনের রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে যেতে পারবেন। (খ) আব্দুল গণি সড়ক, তোপখানা সড়ক, শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণী (পার্ক এভিনিউ) এলাকার যে সমস্ত জনসাধারণ কবরস্থানে না গিয়ে শহীদ মিনারে যেতে চান তারা হাইকোর্ট, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ (দোয়েল চত্বর হতে টিএসসি পর্যন্ত), টিএসসি’র মোড়, নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ি, পলাশী ক্রসিং, এসএম হল এবং জগন্নাথ হলের সামনের রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে যেতে পারবেন। (গ) যে সব শিক্ষার্থী ও জনসাধারণ রোকেয়া হল, শামসুন্নাহার হল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন এলাকা হতে সরাসরি শহীদ মিনারে যেতে চান তারা নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ী, পলাশী ক্রসিং, এসএম হল এবং জগন্নাথ হলের সামনের রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে যেতে পারেন। ডাইভারশন ব্যবস্থা ২১শে ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টা থেকে রাজধানীর সাইন্সল্যাব হতে নিউমার্কেট ক্রসিং, কাঁটাবন ক্রসিং হতে নীলক্ষেত ক্রসিং এবং ফুলবাড়ীয়া ক্রসিং হতে চাঁনখারপুল ক্রসিং পর্যন্ত প্রভাত ফেরী উপলক্ষে সকল প্রকার যাত্রীবাহী গাড়ি প্রবেশ নিষেধ। যানবাহন চলাচল সম্পর্কিত নির্দেশাবলী কবরস্থান এবং শহীদ মিনারে যারা শ্রদ্ধার্ঘ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে যাবেন তারা অনুগ্রহ করে অন্যদের অসুবিধার কথা ভেবে রাস্তায় বসা বা দাঁড়ানো থেকে বিরত থাকবেন। সকলের চলাচলের সুবিধার জন্য উপরে বর্ণিত রাস্তায় কোনো প্রকার প্যান্ডেল তৈরি না করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আর/টিকে

৩ হাজার ওয়াটার পয়েন্ট পাচ্ছে নগরীর বস্তিবাসী

রাজধানীর বস্তিবাসীদের (কম আয়ের লোকজন) জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে যাচ্ছে ঢাকা ওয়াসা। সংস্থাটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও ফ্রান্সের সাহায্য সংস্থা এএফডির সহযোগিতায় নগরীতে তিন হাজার ওয়াটার পয়েন্ট নির্মাণ করতে যাচ্ছে। সোমবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ঢাকা ওয়াসা ও ইউরোপিয় ইউনিয়ন এবং (ফ্রান্সের সাহায্য সংস্থা) এএফডি মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় রাজধানীর ২১টি বস্তিতে ৩ হাজার ওয়াটার পয়েন্ট স্থাপন করা হবে। চলতি বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। দুস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে), নগর সেবা, এনডিবাস এবং বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল এ্যাডভান্সমেন্টের (বিএএসএ)সহ ৮টি এনজিও ফোরাম এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। এতে কিছুটা হলেও বস্তিবাসীর পানির সমস্যা দূর হবে। এর আগে  ৪৩০ বস্তিতে  ৩৫ হাজার ৫০ টি বৈধ পানির সংযোগ দিয়েছিল ঢাকা ওয়াসা। এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১০সালে। বস্তিবাসী(নিম্ন আয়ের মানুষ) অবৈধভাবে ওয়াসার লাইন থেকে সংযোগ নিয়ে পানির ব্যবস্থা করে আসছে। পানির এসব সংযোগ দেয়ার সময় খুবই নিম্নমানের জিনিসপত্র ব্যবহার করা হয়। ফলে বস্তির মানুষ দূষিত পানি ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছে। বস্তিতে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। অবৈধ পানি সরবরাহে জড়িত সিন্ডিকেটটি ঢাকা ওয়াসার নির্ধারিত মূল্যের ৪ থেকে ৫ গুণ বেশি অর্থ আদায় করছে।এদিকে হিংসভাগ রাজস্ব থেকে হচ্ছে বঞ্চিত হচ্ছে ঢাকা ওয়াসা। নগরীতে বসবাসরত ছিন্নমূলের লোকজনের পানি সংগ্রহ করতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। কখনও রাস্তার ধারের পাইপ থেকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে, কখনও অবৈধ সংযোগ থেকে বাড়তি টাকা দিয়ে পানি নিতে হয়। এ অবস্থা থেকে তাদের মুক্ত করতে ৩ হাজার পয়েন্ট থেকে পানি সরবরাহ করা হবে রাজধানীর বস্তি এলাকাগুলোয়। চুক্তির সাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসিম এ খান। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ঢাকা ওয়াসা ২০১৮ সালের মধ্যে রাজধানীর সব বস্তিতে পানির বৈধ সংযোগ দেয়ার জন্য অঙ্গীকারাবদ্ধ। এ লক্ষ্যমাত্রাটি সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে। ঢাকা ওয়াসা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বর্তমানে চাহিদার চেয়েও উদ্বৃত্ত পানি উৎপাদনে সক্ষম হয়েছে। এটি হচ্ছে ঢাকা ওয়াসার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এছাড়া ‘ঘুরে দাঁড়াও ঢাকা ওয়াস ‘ কর্মসূচির মাধ্যমে ঢাকা ওয়াসা বর্তমানে একটি পরিবেশবান্ধব, টেকসই এবং গণমুখী পানি ব্যবস্থাপনার দিকে এগোচ্ছে। নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে বৈধ পানি সরবরাহ সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সহায়তার জন্য তিনি উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহসহ স্থানীয় বিভিন্ন এনজিওকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। বস্তিবাসীদের জন্য ঢাকা ওয়াসা যে উপায়ে কাজ করে যাচ্ছে তা তৃতীয় বিশ্বের জন্য একটি ‘রোল মডেল’ বলে তিনি উল্লেখ করেন। / এআর /    

‘২১ ফেব্রুয়ারি চার স্তরের নিরাপত্তা’

অমর ২১ ফেব্রুয়ারি কোনো ধরনের নাশকতা ও হামলার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। তবে সেদিন চার স্তরের নিরাপত্তার বলয় থাকবে শহীদ মিনার কেন্দ্রিক। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি একথা জানান। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘কোনো ধরনের নাশকতা ও হামলার আশঙ্কা না থাকলেও ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনার, এর আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তিনি বলেন, এ বছর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে। আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত শহীদ মিনার ও এর আশপাশের এলাকায় কোনো যানবাহন ঢুকতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, শহীদ মিনার এলাকায় ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি আমাদের সাদা পোশাকের গোয়েন্দা বাহিনীও দায়িত্বে থাকবে। নির্দিষ্ট গেটে তল্লাশির মধ্য দিয়ে সবাইকে প্রবেশ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ভিআইপি ব্যক্তিরা মৎস্ ভবন হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীর চর্চা কেন্দ্রের সামনে গাড়ি রেখে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। টিআর / এআর

ধুলাবালিতে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন নগরবাসী (ভিডিও)

একদিকে শুষ্ক মৌসুম, অন্যদিকে বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য খুঁড়ে রাখা সড়ক থেকে সৃষ্ট ধুলাবালিতে বিপর্যস্ত রাজধানীবাসী। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে চলাচল করতে গিয়ে ধুলাবালিতে ঠান্ডা, কাশি, চোখের বিভিন্ন সমস্যা ও ফুঁসফুসের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন পথচারীরা। এই অবস্থা চলতে থাকলে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা করছেন পরিবেশবিদেরা। সিটি কর্পোরেশন থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলেই মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। দুর থেকে দেখে কুয়াশা মনে হয়, আসলে ধুলায় ঢেকে আছে রাস্তা। ধুলার কারণে চলাচলই কঠিন হয়ে পড়েছে পথচারীদের। আর আশপাশে বসবাসকারীরা আছেন মহাসংকটে। মাস্ক ছাড়া রাস্তায় বের হওয়া যেন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।রাজধানীজুড়ে নানা ধরনের উন্নয়ন ও নির্মাণকাজের জন্য অবাধে রাস্তা খুঁড়াখুড়ি চলছে। সেই সঙ্গে যেখানে সেখানে বালি, মাটি ও নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখায় সংকট আরো তীব্র হচ্ছে বলে অভিযোগ বিভিন্ন এলাকায় বসবাসকারীদের। এই অবস্থা চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে বলে আশংকা করছেন পরিবেশবিদরা। জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, প্রতিষ্ঠাগুলোর মধ্যে সমন্বয় করে উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালনা করা হলে ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি ধুলো থেকে অনেকটা মুক্ত হওয়া সম্ভব।এদিকে ধুলা-বালি থেকে মুক্তির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানালেন ঢাকা দক্ষিনের মেয়র সাইদ খো কন।তবে সংকট নিরসনে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের পাশাপাশি সবাইকে সচেতন হওয়ারও আহবান জানিয়েছেন মেয়র।ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি