ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮ ১১:৩১:১৪

চতুর্থ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস কাল: উৎপত্তি, থিম ও গুরুত্ব

চতুর্থ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস কাল: উৎপত্তি, থিম ও গুরুত্ব

সারা বিশ্বজুড়ে আগামী ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হতে যাচ্ছে। বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় দিক থেকেই নিজেদের দৃঢ় করে তোলার জন্য সারা পৃথিবীর লোক এই দিনে যোগ দিবস পালন করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করবেন সুস্থ ও ধীর মনের মানুষেরা। ভারতীয় হাইকশনের উদ্যোগে আগামীকাল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে এই অনুষ্ঠান পালিত হবে। মানসিক ও শারীরিক উভয় দিক থেকেই নিজেকে সুষ্ঠু সবল রাখার জন্য যোগ ব্যায়ামের চেয়ে আদর্শ আর কিছু হতেই পারে না। `যোগা` শব্দটি সংস্কৃত শব্দ `যুজা` থেকে এসেছে, যার অর্থ হল ``যোগদান ও একত্রিত হওয়া``। এবারের যোগ দিবসের প্রতিপাদ্য ধরা হয়েছে, ``শান্তির জন্য যোগা``। যে কারণে ২১ জুন যোগ ব্যয়াম দিবস: উত্তর গোলার্ধে বছরের সবচেয়ে বড়োদিন হল ২১ শে জুন, অর্থাৎ এই দিন, দিন বড়ো ও রাত ছোট হয়। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই দিনটিকেই আন্তর্জাতিক যোগা দিবস হিসাবে পালনের প্রস্তাব করেছিলেন এবং ২০১৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ তার স্বীকৃতি প্রদান করে। কবে প্রথম আন্তর্জাতিক যোগা দিবস পালিত হয়? সারা বিশ্ব জুড়ে ২০১৫ সালের ২১ জুন প্রথম আন্তর্জাতিক যোগা দিবস পালিত হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীসহ বিশ্বের ৩৫ হাজার ৯৮৫ জন মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেছিল। ৮৫ টি জাতির মানুষ দিল্লীর রাজপথে এই যোগাসনে অংশ নিয়েছিল। পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো যোগা ক্লাস এবং সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণকারী, এই দুই দিক দিয়েই বিশ্ব রেকর্ড গড়তে সক্ষম হয় এই অনুষ্ঠানটি। কিভাবে যোগা দিবস পালিত হয়? বিভিন্ন দল, বিভিন্ন স্তরে, বিভিন্ন রকম শরীর চর্চার মধ্যে দিয়ে , এই দিন পালন করে থাকে। ক্যাম্প, ওয়ার্কশপ, ট্রেনিং অনুষ্ঠান প্রভৃতির ব্যবস্থা করা হয়। দলবদ্ধ মানুষ বিভিন্ন প্রাণায়াম ও আসনের অভ্যাস করে থাকে। সুস্থ সবল থাকার জন্য যোগাভ্যাস করা কতটা জরুরি সেই বিষয়েও বক্তব্য রাখা হয় এই অনুষ্ঠানে। এমজে/
কোন মাদকে কি ক্ষতি হয়?

সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত ইস্যুর নাম মাদক। ইতোমধ্যে মাদকবিরোধী অভিযানে শতাধিক মাদকব্যবসায়ী নিহত হওয়ার পরই মাদকের বিষয়টি সামনে আসে। অনেকের মনেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, মাদক খেলে কি হয়, এটি শরীরের কি কি ক্ষতি করে। আজকের পর্বে থাকছে ৬টি মাদকের স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টি। ইয়াবা: বাংলাদেশে বর্তমানে মাদক হিসেবে এটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে৷ এর ফলে কিডনি, লিভার ও ফুসফস ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ সাময়িক যৌন উত্তেজনা বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদে যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়৷ এছাড়া ইয়াবার কারণে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে৷ ফেনসিডিল: একসময় এটিই প্রধান মাদক ছিল৷ ইয়াবা আসার পর ফেনসিডিলের ব্যবহার কিছুটা কমেছে৷ এটি খাওয়ার কারণে ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যায়৷ ফলে খাবার না খাওয়ায় শরীর পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় না৷ এতে স্বাস্থ্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷ ইয়াবার মতো ফেনসিডিলও যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়৷ এছাড়া শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গও ক্ষতিগ্রস্ত হয়৷ গাঁজা: রক্তবাহী শিরার ক্ষতি করে, ফলে রক্ত পরিবহনে সমস্যা হয়৷ মস্তিষ্কের উপর প্রভাবের কারণে স্মৃতিশক্তির ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়৷ তাছাড়া মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে৷ পুরুষের ক্ষেত্রে টেস্টিকুলার ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে৷ অনেকের ধারণা গাঁজা খেলে সৃজনশীলতা বাড়ে৷ তবে এটি ভুল বলে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে৷ গাঁজা খেলে স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি হয়, চোখের দৃষ্টি কমে যায়৷ হেরোইন: যারা অধিক পরিমাণে হেরোইন সেবন করেন তারা নানারকম স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েন৷ যেমন লিভার সমস্যা, ফুসফুসে সংক্রমণ, তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য, কিডনি রোগ, হার্ট ও ত্বকে সমস্যা, হেপাটাইটিস, নারীদের সন্তান জন্মদানে অক্ষমতা, গর্ভপাত ইত্যাদি৷ আফিম: আফিম খেলে শ্বাসকষ্ট হতে পারে, যা থেকে অবচেতন হয়ে পড়া এবং বেশি পরিমাণে খেলে মৃত্যুও হতে পারে৷ এছাড়া মুখ ও নাক শুকিয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি হতে পারে৷ অ্যালকোহল: জার্মানির সেন্ট্রাল ইন্সটিটিউট ফর মেন্টাল হেল্থ-এর ফাল্ক কিফার বলেন, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ হয়ে জীবনের মূল্যবান বছরগুলি হারিয়ে যায়৷ লিভার সিরোসিস থেকে শুরু করে কর্মক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন অনেকে৷ ডাব্লিউএইচও-র রিপোর্ট বলছে, ২০১২ সালে বিশ্বব্যাপী মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে ৩.৩ মিলিয়ন মানুষ মৃত্যুবরণ করেন৷ এছাড়া ২০০টি নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ হতে পারে অতিরিক্ত অ্যালকোহলের কারণে৷ সূত্র: ডয়েচে ভেলেএমজে/  

ট্রায়াল রুমে লুকানো ক্যামেরার অস্তিত্ব বুঝবেন ৪ উপায়ে

বহুবার ট্রায়াল রুমে ক্যামেরা লুকিয়ে রাখার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। ট্রায়াল রুমের গোপন ক্যামেরার হদিস না পেয়ে নিজের অজান্তেই নানা অপরাধের শিকার হতে হয়েছে মহিলাদের। কিন্তু কী করে বুঝবেন ট্রায়াল রুমে কোনও ক্যামেরা লুকিয়ে রাখা হয়েছে? আসুন জেনে নেওয়া যাক ট্রায়াল রুমের গোপন ক্যামেরার হদিস পাওয়ার উপায়। ১. প্রথমে ট্রায়াল রুমে বা বাথরুমে লাগানো কাঁচ ভাল করে পরীক্ষা করে নিতে হবে। কাঁচের উপর একটি আঙুল রেখে দেখুন। যদি দেখেন কাঁচের উপর রাখা আঙুল আর আয়নায় দেখতে পাওয়া আঙুলের প্রতিফলনের মধ্যে সামান্য দূরত্ব রয়েছে, তাহলে বুঝবেন সব ঠিক আছে। কিন্তু যদি আয়নার উপর রাখা আঙুল আর তার প্রতিফলনের মধ্যে কোনও দূরত্ব না থাকে, তাহলে বুঝতে হবে এক্ষেত্রে কোনও কারসাজি নিশ্চয়ই আছে! কেউ হয়তো আয়নার পিছনে ক্যামেরা লুকিয়ে রেখেছে! ২. ট্রায়াল রুমে ঢুকে সমস্ত লাইট বন্ধ করে দিয়ে চারিদিকে তাকিয়ে দেখুন। ঘরের মধ্যে কোথাও লাল বা সবুজ আলোর বিন্দু দেখা গেলে বুঝবেন যে সেখানে ক্যামেরা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। ৩. আজকাল এমন অনেক ক্যামেরা পাওয়া যায় যা হ্যাঙ্গার, বোতাম, চশমা, পেন, হুক, জুতো, বেল্টের মধ্যে অনায়াসে লুকিয়ে রাখা যায়। চোখেও পড়ে না। তাই ট্রায়াল রুমে ঢুকে ভাল করে চারপাশের জিনিসগুলো খতিয়ে দেখে নিন। অনাবশ্যক কোনও জিনিসপত্র সেখানে থাকলে শতর্ক থাকুন। ৪. আজকাল বাজারে এমন স্মার্টফোন বা ক্যামেরা পাওয়া যাচ্ছে যা অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাক করে আপনা থেকেই অন হয়ে যায়। কিন্তু এই ফোন বা ডিভাইসটি অন হওয়ার সময়ও একটি আওয়াজ শোনা যায়। অনেকসময় কোনও আওয়াজ না হয়ে ভাইব্রেশনও হতে পারে। খেয়াল রাখুন, সতর্ক থাকুন। সূত্র: জিনিউজ একে//

পাঁচ ধরনের মেডিক্যাল টেস্ট আবশ্যক পুরুষদের

সুস্থ থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে মেডিক্যাল চেকআপের দরকার রয়েছে। বিশেষ করে পুরুষদের কিছু স্বাস্থ্যপরীক্ষার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আপনার বাবা, ভাই কিংবা পরিবারের যে কোনো পুরুষকে ছয় মাস বা বছরখানেক পর পর কয়েকটি পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি প্রত্যেক পুরুষকেই তার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে। রক্তচাপ পরীক্ষা করাতে হবে। ঝুঁকি বুঝতে ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম এবং লিপিড প্রোফাইল চেক করে নিন। চোখের পরীক্ষা করিয়ে নিন চোখের পরীক্ষা। দৃষ্টিশক্তিতে কোনো সমস্যা আছে কি-না জানা যাবে। শ্রবণজনিত চেকআপ এ ধরণের কোনো সমস্যা রয়েছে কি-না তাও দেখা দরকার। এর জন্যে অডিওগ্রাম করতে হবে। বোঝা যাবে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে কি-না। ক্যান্সারের ঝুঁকি এর জন্যে ফ্লেক্সিবল সিগমোইডোস্কপি করিয়ে নিতে হবে। আরো করতে হবে ফিকাল অকাল্ট ব্লাড টেস্ট (এফওবিটি), কোলনোস্কপি আর মোল স্ক্রিনিং। যারা ধূমপায়ী তাদের জন্যে দরকার লো-ডোজ কম্পিউটেড টমোগ্রাফি। এ ছাড়া প্রোস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন এবং ডিজিটাল রেক্টাল করতে হবে।     ডায়াবেটিস পরীক্ষা রোগ যেভাবে ছড়িয়েছে তাতে করে রক্তে গ্লুকোজের পরীক্ষাটা সবারই করা উচিত। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া একে//

ফেসবুক যেভাবে আপনার গতিবিধিতে নজরদারি রাখছে

ফেসবুক আপনার ওপর প্রতি মুহূর্তে নজরদারি চালায়। তথ্য ফাঁসের ঘটনার পর বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। এবার জানালেন ঠিক কী ভাবে আপনার গতিবিধিতে নজরদারি চালানো হয়। এক বিবৃতিতে ফেসবুক জানিয়েছে, ব্যবহারকারীর মোবাইল, কম্পিউটার ও মাউস থেকে মূলত তথ্য সংগ্রহ করে ফেসবুক। ফেসবুক জানিয়েছে, ব্যবহারকারী মাউস নিয়ে কোন কোন দিকে যাচ্ছে, তা ট্র্যাক করেই ডাটা সংগ্রহ করে ও নজরদারি চালায়। মাউসের নড়াচড়া থেকে ডাটা নিতে সুবিধা হয় ফেসবুকের। তাহলে মানুষ ও রোবোটের সঙ্গে পার্থক্য করতে সুবিধা হয়। এই নজরদারির পেছনে ফেসবুকের যুক্তি, ব্যবহারকারীর চাহিদা বুঝে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দিতে সুবিধা হয়। কোন লিঙ্গের প্রোফাইলে বেশি ঢুকছে ব্যবহারকারী, কাকে বন্ধুর তালিকা থেকে তাড়াচ্ছে, কোন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করছে, সব ডেটা সংগ্রহ করে প্রতিটি ব্যবহারকারীর ডেটা প্রোফাইল তৈরি করা হয়। সূত্র : টেকওর্য়াল্ড। / এআর /

রক্ত দেওয়ার ৮ উপকারিতা

স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত অন্য কারো প্রয়োজনে দান করাই রক্তদান। রক্ত দেওয়ার জন্য পূর্ণবয়স্ক তথা ১৮ বছর বয়স হতে হয়। প্রতি তিন মাস পর পর প্রত্যেক সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারী নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে রক্তদান করতে পারবেন। এতে স্বাস্থ্যে কোনো ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে না। বরং রক্তদানের মাধ্যমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমাতা বৃদ্ধি পায়। নিম্নে রক্ত দানের ৮ টি উপকারিতা আলোচনা করা হলো। ১)  নিয়মিত রক্তদাতাদের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। ২) বছরে তিনবার রক্ত দিলে শরীরে নতুন লোহিত কণিকা তৈরির হার বেড়ে যায়। এতে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে। দ্রুত রক্ত স্বল্পতা পূরণ হয়। ৩) রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা কমে যায়, এতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। ৪) রক্ত দিলে যে ক্যালোরি খরচ হয়, তা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ৫) শরীরে হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, জন্ডিস, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস, এইচআইভি বা এইডসের মতো বড় কোনো রোগ আছে কি-না, সেটি বিনা খরচে জানা যায়। ৬) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ৭) শরীরের ভারসাম্য ঠিক থাকে। ৮) এতে একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব। এমএইচ/একে

নাক ডাকার সমস্যা থেকে বাঁচতে করণীয় ৫

ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার সমস্যা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত অস্বস্তিকর। যিনি নাক ডাকছেন, তিনি সেই মুহূর্তে বুঝতে পারছেন না বটে। তবে এটি তার স্বাস্থের জন্যেও বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। আর যে ব্যক্তি পাশে শুয়ে নাক ডাকার বিকট শব্দ সহ্য করছেন, তার অবস্থা আরও গুরুতর! কারণ নাক ডাকার চোটে তার আর ঘুমানোর উপায় থাকে না। গবেষণায় দেখা গেছে, মাঝবয়সীদের মধ্যে ৪০ শতাংশ পুরুষ ও ২০ শতাংশ মহিলা ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন। সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি সমীক্ষা বলছে, গড়ে প্রতি দু’জন ব্যক্তির মধ্যে একজন নাক ডাকেন। অনেক ক্ষেত্রে শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা, শরীরের মাত্রাতিরিক্ত ওজন ও অন্য বেশ কিছু কারণে মানুষের নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে। কিন্তু নাক ডাকার সমস্যা কমাবেন কী করে? ১. মাখন গরম করে গলিয়ে নিয়ে নাকের দুই ছিদ্রে ১ ফোঁটা করে দিয়ে দিন। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আর রাতে শুতে যাওয়ার সময় করুন। এমন নিয়মিত করলে উপকার পাবেন। ২. রোজ রাতে শুতে যাওয়ার সময় ১ গ্লাস উষ্ণ পানিতে আধা চামচ এলাচের গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নিন। উপকার পাবেন। ৩.  রাত ৮ টার পর ভারি খাবার একেবারে পেট ভরে খাবেন না। সন্ধের পর পাচনযন্ত্রের গতি মন্থর হয়ে যায়। এই সময় অতিরিক্ত খাবার খেলে পাচনযন্ত্রকে অতিরিক্ত শক্তি লাগাতে হয় তখন সেটিকে হজম করাতে। ফলে ঠিক করে শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। ৪. খাওয়ার ঠিক পরেই শোবেন না। একটু সময় নিয়ে, সম্ভব হলে একটু হাঁটাচলা করে তবেই ঘুমোতে যান। এতে হজমের সমস্যাজনিত কারণে শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি কমায়। ৫. চিত হয়ে শোয়ার পরিবর্তে একপাশে ফিরে শোয়ার অভ্যাস করুন। নাক ডাকা অনেকটাই কমে যাবে। তবে নাক ডাকার আওয়াজ অস্বাভাবিক হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সূত্র: জিনিউজ একে//

বাচ্চাকে বাঁচাতে চাইলে গর্ভাবস্থায় মিষ্টি একেবারেই না

গর্ভবতী মায়েদের খাওয়ার ইচ্ছার শেষ নেই। কখনও টক তো কখনও ঝাল। তবে অনেক সময় অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের মিষ্টিতে প্রীতি দেখা দেয়। সকাল -বিকাল চায়ে দু’চামচ করে বেশি চিনি। তাছাড়া আজ রসোগোল্লা, কাল সন্দেশ চাহিদার শেষ নেই। তবে সাবধান আপনার মিষ্টিমুখ গর্ভের সন্তানের কোনও ক্ষতি করছেন না তো। সম্প্রতি অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের উদ্দেশ্যে সাবধানবাণী শুনিয়েছেন একদল পশ্চিমী গবেষক। তাদের দাবি, যেসব মায়ের গর্ভাবস্থায় বেশি মিষ্টি খান, তাদের গর্ভজাত সন্তানদের মধ্যে অ্যাজমা বা হাঁপানির ঝুঁকি দ্বিগুণ বেড়ে যায়। ‘দ্য অভ্যান লংগিচুডিয়াল স্টাডি অফ পেরেন্টস অ্যান্ড চিলড্রেন’ নামে এক গবেষণায় ৯ হাজার মা ও তাদের সন্তানদের বেছে নেওয়া হয়। এই গবেষণায় যেহেতু ১৯৯০ সালে যেসব মহিলারা মা হয়েছিলেন, তাদের ওপর করা হয় তাই এই গবেষণকে ‘ চিলড্রেনস অফ দ্য ৯০’ ও বলা হয়। এই গবেষণার ভিত্তিতে বলা হয়, যেসব মহিলারা গর্ভাবস্থায় বেশি চিনি খান তাদের সন্তানদের মধ্যে অ্যাজমা বা হাঁপানির ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আর তাই অন্তসত্ত্বা মহিলাদের কম চিনি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা। যদিও এই গবেষণার প্রধান সইফ শাইন বলেন, গর্ভাবস্থায় বেশি চিনি খেলে গর্ভজাত সন্তানের মধ্যে অ্যাজমার আশঙ্কা বেড়ে যায় ঠিকই, তবে চিনি খেলেই যে অবধারিত অ্যাজমা বা হাঁপানি হবে এমনটা নয়। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

ইউটিউবে চ্যাট করবেন যেভাবে

বন্ধুদের সঙ্গে ইউটিউবের ভিডিও লিংক শেয়ার করতে এতোদিন অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দ্বারস্থ হতে হতো। কিন্তু এখন সরাসরি ইউটিউবেই চ্যাট করার সুবিধা যুক্ত হওয়ায় ভিডিও দেখতে দেখতেই সেটি নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করা যাবে। ফিচারটি ব্যবহার করতে চাইলে ব্যবহারকারীদের প্রথমে ইউটিউবে ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। তারপর ইউটিউব হোম পেইজের ডান দিকে থাকা চ্যাট আইকনে ক্লিক করতে হবে। এতে কনট্যাক্ট লিস্টে থাকা ব্যক্তিদের ইনবক্সে লিংক দিয়ে ভিডিও পাঠানো যাবে।এছাড়া ভিডিওর নিচে থাকা শেয়ার অপশনে ক্লিক করে ভিডিওটি যাকে পাঠাতে চান, তার নামের ওপর ক্লিক করেও তাকে ইনবক্স করা যাবে।নতুন ফিচারে নিজের পছন্দের ভিডিওতে হার্ট চিহ্ন দিয়ে লাইক দেওয়ারও অপশন আছে। ফিচারটি আপাতত শুধু ডেস্কটপ সংস্করণে ব্যবহার করা যাবে। ধীরে ধীরে অন্য সব ব্যবহারকারীর কাছেও পৌঁছে যাবে এই সুবিধা।/ এআর /

বিনামূল্যে ইন্টারনেট সিকিউরিটি পাবেন যেভাবে

কম্পিউটার বা ল্যাপটপকে ভাইরাস-এর আক্রমণ থেকে বাঁচাতে কত চেষ্টাই না আমরা করি। টাকা খরচ করে অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করি। অ্যান্টিভাইরাস কিনে ইনস্টল করি। অনেকে আবার অনলাইন থেকেই বিভিন্ন নামী অ্যান্টিভাইরাসের ‘ট্রায়াল ভার্সান’বদলে বদলে ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু জানেন কি গুগল ক্রোম (Google Chrome) ব্যবহার করেই বিনামূল্যে পেয়ে যেতে পারেন ‘ইন্টারনেট সিকিউরিটি’বা ব্রাউজার সুরক্ষা? আসুন জেনে নিই কীভাবে গুগল ক্রোমে চালু করবেন ম্যালওয়ার (Malware)স্ক্যানিং ফিচার।গুগল ক্রোম ব্রাউজার খুলুন। ক্রোমের ডানদিকে উপরে মেনুতে (তিনটি বিন্দু) ক্লিক করুন। এবার `সেটিংস’এ ক্লিক করে `অ্যাডভান্সড’সিলেক্ট করুন। এবার স্ক্রিনে একদম নিচে `ক্লিন আপ কম্পিউটার’অপশন দেখতে পাবেন। এবার এর মধ্যে থেকে “Find and remove harmful software” অপশানে (ম্যালওয়ার ডিটেক্টিং টুল) ক্লিক করুন। তারপর `Find’-এ ক্লিক করলে ক্রোম আপনার কম্পিউটারে ম্যালওয়ার স্ক্যান শুরু করে দেবে। স্ক্যান শেষ হয়ে গেলে যদি কিছু খুঁজে পাওয়া যায় তবে সেটিকে ‘রিমুভ’-এর অপশান দেবে ক্রোম। যদি কিছু না পাওয়া যায় তো জানিয়ে দেবে “No harmful software found”।এবার থেকে কম্পিউটার বা ল্যাপটপে স্ক্যানের জন্য ক্রোমের অ্যাড্রেস বারে chrome://settings/cleanup লিখে এন্টার প্রেস করলেই এই স্ক্যান শুরু হয়ে যাবে। তবে এই অপশানটি যদি কাজ না করে, তবে আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ক্রোম আপডেট করে নিন।সূত্র : জিনিউজ।/ এআর /

যৌবনে ৬ ভুল করলে খেসারত দিতে হয় মারাত্মক

ভুল করলে তার খেসারত দিতেই হয়। যৌবনে কোনও ভুল করলে তার ফল বহুদিন ধরে ভুগতে হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো কী ধরনের ভুল- স্বাস্থ্যের দিকে নজর না দেওয়া কথায় বলে স্বাস্থ্যই সম্পদ। আর তাই প্রত্যেককেই ফিট থাকার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কাজেই নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হতে হবে অল্প বয়স থেকেই। নতুবা অসুস্থতায় জর্জরিত এবং অসুখী বার্ধক্য কাটাতে হবে আপনাকে। অর্থ সঞ্চয়ে যত্নবান না হওয়া উপার্জনের সূচনা যৌবনেই। তাই টাকা জমানোর ব্যাপারে যৌবনেই সতর্ক হতে হবে। মনে রাখবেন, অর্থ সঞ্চয়ের অভ্যাস ভবিষ্যতের সুখকে অনেকখানি সুনিশ্চিত করে। আত্মকেন্দ্রিক জীবনযাপন করা অল্প বয়স থেকেই নিজের আশেপাশের মানুষজন সম্পর্কে সচেতন হতে শিখুন। নতুবা বার্ধক্যে আপনাকে একা হয়ে যেতে হবে। চেনা গণ্ডির বাইরে যেতে না পারা অচেনাকে চেনার মাধ্যমেই বেড়ে ওঠে একজন মানুষের মানসিক পরিধি। কাজেই নিজের ছকে বাঁধা জীবনের বাইরে গিয়ে একেবারে নতুন ধরনের কিছু করার কথা ভাবুন। আর সেটা করুন যৌবনেই। দেশ পরিভ্রমণে বিরত থাকা ভ্রমণের মাধ্যমে অভিজ্ঞতার পরিধি বাড়ানো যায়। শাস্ত্রমতে, যৌবনই দেশ পরিভ্রমণের উপযুক্ত সময়। সমাজের তৈরি পরিচিতির বাইরে যেতে না পারা মেয়ে হলে এ কাজ করা যাবে না, ছেলেদের তমুক কাজ করা শোভা পায় না। এ ধারনের নির্দেশিকার মাধ্যমে প্রতি মুহূর্তে সমাজ আমাদের একটা চেনা পরিচিতির মধ্যে বেঁধে দিতে চায়। কিন্তু জেনে রাখা ভালো, যৌবনেই এই পরিচিতিকে ভাঙা প্রয়োজন। একে/এসএ/  

রাগী মানুষের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি

প্রবল রাগ ও চেঁচামেচির মুহূর্তে আচমকা হার্ট অ্যাটাক হয়ে গেছে এমন রোগীর সংখ্যা কম নয়৷ জেনে রাখা ভালো, প্রচণ্ড রাগ সরাসরি জখম করে হার্ট ও ধমণীকে৷ রাগ ওঠামাত্র শরীরে শুরু হয় ফাইট অর ফ্লাইট রেসপন্স৷ তার হাত ধরে প্রচুর স্ট্রেস হরমোন তথা নিউরোকেমিক্যাল বেরোতে শুরু করে৷ তাদের প্রভাবে হার্টরেট ও প্রেশার বাড়ে৷ ফলে এই সময় হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বেড়ে যায়৷ এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞরা আরও জানাচ্ছেন, প্রচণ্ড রাগের মুহূর্তে যারা ব্যায়াম করে রাগ কমাতে যান, তাদের আশঙ্কা আরও বাড়ে৷ আবার প্রচণ্ড স্ট্রেসের ফলে হার্টের ইলেকট্রিকাল ইমপাল্স ডিসরাপ্টেড হয়ে সূত্রপাত হয় বিপজ্জনক হার্ট রিদম ডিস্টারব্যান্সের৷ সেখান থেকেও প্রাণ যেতে পারে৷ কথায় কথায় রেগে ফাটাফাটি করেন বা গুম হয়ে বসে থাকেন এমন দেড় হাজার জনের ওপর ৩৬ বছর ধরে গবেষণা হয়েছে৷ দেখা গেছে, এদের অনেকেরই অল্প বয়সে প্রেশার বাড়ে, ইস্কিমিয়া হয়, হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা বেড়ে যায়৷ আবার ধরুন হাইপ্রেশার নেই বলে ভাবলেন আপনি ঝামেলামুক্ত, এমনও নয়৷ রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে এমন ১২ হাজার ৯৮৬ জন নারী–পুরুষকে স্টাডি করে ২০০০ সালে সার্কুলেশন পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রবন্ধে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যাদের রাগ খুব বেশি তাদের মধ্যে ইস্কিমিক হার্ট ডিজিজের আশঙ্কা স্বাভাবিক মানুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ও হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা তিন গুণ৷ স্বাভাবিক মানুষ বলতে একেবারে মাটির মানুষ হতে হবে এমন নয়৷ মাঝেমধ্যে অল্পস্বল্প রাগ করলেন, মানুষকে দু’–চার কথা শেনালেন, কি চুপ করে বসে থাকলেন, তাতে তেমন ক্ষতি নেই৷ বিপদ, রাগ মাত্রা ছাড়ালে৷ বিপদ, ক্রনিকালি রেগে থাকলে৷ এ তো গেল রাগের বায়োলজিকাল এফেক্টের কথা। কিন্তু রাগ তথা যাবতীয় নেগেটিভ ইমোশন, যেমন, অ্যাংজাইটি, ডিপ্রেশন ইত্যাদি যাদের বেশি তারা সচরাচর খুব একটা স্বাস্থ্যসচেতন হন না বলেও বিপদ হয়৷ মনোরোগ বিশেষজ্ঞ শিলাদিত্য মুখোপাধ্যায় জানান, চন্ডাল রাগ এমন একটি জিনিস, যা মানুষকে একা করে দেয়৷ তার হাত ধরে বাড়ে স্ট্রেস–টেনশন৷ কখনও প্রবল ডিপ্রেশন৷ যার সব ক’টিই হার্টের জন্য হানিকর৷ অতএব যে কোনও মূল্যে অ্যাঙ্গার ম্যানেজ করা দরকার৷ অ্যাঙ্গার ম্যানেজমেন্ট (১) আপনার যে রাগ বেশি সেটা বুঝুন প্রথমে৷ এবং তার জন্য আপনি ছাড়া আর কেউ দায়ি নয়৷ কারণ যে ঘটনায় আপনি রেগে যান, তাতে অন্য অনেকেই দিব্যি মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পারেন৷ (২) এ বার ঠিক করুন রাগ কমাবেন এবং প্রস্তুতি নিয়ে কাজে নেমে পড়ুন৷ (৩) কোন কোন ঘটনায় রেগে যান তা বুঝে নিন৷ সে রকম পরিস্থিতি যাতে না হয় সে চেষ্টা করুন৷ তার জন্য যদি নত হতে হয় সে-ও ভাল৷ (৪) নত হতে হয়েছে বলে যদি খারাপ লাগে, ভেবে দেখুন এর বিনিময়ে আপনার শরীর, মানসিক শান্তি, সম্পর্ক সবই কিন্তু রক্ষা পেল৷ (৫) চেষ্টা করেও পরিস্থিতি এড়াতে না পারলে প্রতিজ্ঞা করুন, যা-ই ঘটুক আপনি শুধু শুনে বা দেখে যাবেন, রাগবেন না৷ এমন কথা বলবেন না যাতে পরিস্থিতি জটিল হয়৷ (৬) চেষ্টা বিফলে গেলে অস্থির হবেন না৷ অন্য ইমোশনের মতো রাগও খানিক ক্ষণের মধ্যে কমতে শুরু করবে৷ ধৈর্য ধরুন৷ মুখ বন্ধ রাখুন৷ সম্ভব হলে সে জায়গা থেকে সরে যান। হনহন করে হেঁটে আসুন, মাথায় পানি ঢালুন কি ঘরের কাজ করুন বা কারও সঙ্গে কথা বলে মাথা ঠাণ্ডা করে নিন৷ (৭) এ সব কোনওটাই সম্ভব না হলে কাজে আসবে সুইচ অফ–সুইচ অন মেকানিজম এবং ভিস্যুয়াল ইমেজারি৷ এ হল পরিস্থিতির মাঝখানে বসে গভীরভাবে অন্য পছন্দের কিছু ভাবা যাতে মন চলে যায় অন্য কোনও রাজ্যে৷ বিশেষজ্ঞের কাছে শিখে ঘরে প্র্যাকটিস করলে বিপদের সময় কাজে লাগবে৷ (৮) ডিপ বেলি ব্রিদিং, যোগাসন, মেডিটেশনে শরীর–মন ঠাণ্ডা থাকে৷ চট করে রাগ ওঠে না৷ বা উঠলেও সহজে নেমে যায়৷ বিশেষজ্ঞের কাছে শিখে এদের জীবনের অঙ্গ করে নিন৷ (৯) মাত্রাছাড়া রাগের উত্তর হল কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি৷ ভাল বিশেষজ্ঞের কাছে করালে কাজ হয় ম্যাজিকের মতো৷ নিজেও চেষ্টা করে দেখতে পারেন৷ যার প্রথম ধাপ নিজের মনকে বুঝে নেওয়া৷ যেমন, (ক) আপনার চাহিদা কি খুব বেশি? (খ) আপনার কি ইগো খুব বেশি? হতাশা বা দুঃখ এলে তা মানতে পারেন না? তাকে রাগ দিয়ে ঢেকে রাখেন? (গ) জীবনে যা ঘটছে তাকে সহজ ভাবে মেনে নিতে পারেন না? (ঘ) সমস্যা সমাধান করতে না পারলে রাগ হয়ে যায়? (১০) এই চারটি প্রশ্নের মধ্যে লুকনো আছে রাগের কারণ৷ চাহিদা বেশি হলে তা না মিটলে রাগ হবে৷ ইগো বেশি হলে চাহিদা না মেটায় যে হতাশা বা দুঃখ হয় তা প্রকাশ করতে বা স্বীকার করতে লজ্জা হয়৷ ফলে তা চাপা পড়ে রাগের আড়ালে৷ প্রতিটি বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দিলে হতাশা এবং দুঃখ আসার সম্ভাবনা প্রতি পদে৷ হতাশা এবং দুঃখ জমতে জমতে হয় তা রাগ হিসেবে দেখা দেয়, নয়তো ডিপ্রেশন আসে৷ সমস্যা সামনে, কী করব জানা নেই, এই অবস্থাতেও সঙ্গী হয় রাগ বা ডিপ্রেশন৷ এই সমস্যাগুলির মধ্যে কোনটা আপনার আছে ভেবে দেখুন৷ খুঁজে পেলে একটু ভাবনাচিন্তা করে তাদের সামলাতে হবে৷ প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি