ঢাকা, শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭ ১৭:১৫:৪৬

ফলের গায়ের স্টিকারের মানে কি জানেন?

ফলের গায়ের স্টিকারের মানে কি জানেন?

প্রতিদিন আমরা যা খাই তার সব কিছুই যে ভেজালমুক্ত সেটা আমাদের পক্ষে যাচাই করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তবে কিছু কিছু পণ্যের গায়ে স্টিকার দেখে সে পণ্যটি সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। যেমন বিভিন্ন ফলের উপর থাকা স্টিকারগুলো দেখে বোঝায় যায় ফলটির মান ও উৎপাদন সম্পর্কে। সুপারমার্কেট বা কোনো ফলপট্টি থেকে আপেল, আঙ্গুর, নাশপাতি বা অন্য যে কোনো ফল কেনার সময় নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন ফলের গায়ে স্টিকার লাগানো থাকে। কোনো কিছু না ভেবেই, খুব ভালো বলে ধরে নিয়ে অনেক সময় বেশি দাম দিয়েও কিনে ফেলেন। ফলের গায়ে মারা স্টিকারে কী লেখা থাকে, ভালো করে দেখেছেন কখনও? বা যদি দেখেও থাকেন, তাহলে এর মানেটা কি বুঝতে পেরেছেন? আসুন জেনে নেই স্টিকারের মানেগুলো- ১. স্টিকারে যদি দেখেন ৪ সংখ্যার কোড নম্বর রয়েছে এবং সেটা শুরু হচ্ছে ৩ বা ৪ দিয়ে, এর মানে হলো, কোনো ফার্মে ওই প্রোডাক্টির চাষ হচ্ছে বিংশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে। যার অর্থ, কৃত্রিম সার ব্যবহারের মাধ্যমেই চাষ হয়েছে। ২. যদি কোনো ফলের গায়ে ৫ সংখ্যার কোড দেওয়া স্টিকার দেখেন, যার শুরুটা ৯ দিয়ে, অর্থ, চিরাচরিত প্রথাতেই চাষ হচ্ছে। হাজার হাজার বছর আগেও যেভাবে চাষ হত, সে ভাবেই। মানে, কোনো রকম রাসায়নিক সার বা কীটনাশক দেওয়া হয় না। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে, জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমে চাষ হয়। ৩. স্টিকারে যদি ৫ ডিজিটের কোড থাকে এবং শুরুটা যদি ৮ সংখ্যা দিয়ে হয়, তার মানে ওই ফলটি GMO বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড। সোজা বাংলায় এটা হাইব্রিড ফল। তবে রাসায়নিক সার দিয়েই সচরাচর এই হাইব্রিড ফলগুলোর চাষ হয়। তবে ইদানীং ফলে ফরমালিনসহ অন্য রাসায়নিক ব্যবহারের তথ্য পাওয়া যায়। এ রকম সন্দেহ হলে  সেক্ষেত্রে ফলটা বাসায় নিয়ে বালতির ভেতরে কমপক্ষে ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। তাহলে অন্তত উপরে ব্যবহৃত কোনো রাসায়নিক থাকলে সেটা পানির সাথে মিশে তলানিতে জমা হবে। নিরাপদে ফল খেতে পারবেন। সূত্র : বিওয়েলডটকম। ডব্লিউএন  
বসদের যে ১০ ভুলে যোগ্য কর্মীরা চলে যান

বসের সঙ্গে কর্মীদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বাঞ্ছনীয় নয়, তবে সুসম্পর্ক থাকা জরুরি। প্রতিদিনকার কাজের জন্য বসের সঙ্গে কর্মীদের একটি অস্বস্তিকর সম্পর্ক বিদ্যমান থাকেন। বস নির্দেশনা দেন ও তার ফলাফল নেন, মিটিংয়ে সময় দেন এবং কর্মীদের প্রতিষ্ঠানের বৃহৎ অংশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে দেন। এ ক্ষেত্রে কর্মীদের কারো সঙ্গে বসের তিক্তকর সম্পর্ক  হলে পতনের শুরু হয়, একই সঙ্গে ওই বসও কর্মীদের মনোযোগ এবং প্রতিশ্রুতি হারাতে বসেন। সর্বপরী একজন খারাপ স্বভাবের বসের কারণে কর্মী এবং প্রতিষ্ঠান উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খুব নামিদামি কোম্পানি, বেতনটাও অনেক বেশি, তবু চাকরিটা ছেড়ে দিতে হলো! আর এর একমাত্র কারণ হলো ‘বস’। এ জন্যই একটা প্রবাদ রয়েছে- কোম্পানি নয়, চাকরি করুন বস দেখে। কারণ, ভুল বসের পাল্লায় পড়লে আপনার ক্যারিয়ারের বারোটা বাজতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক বসদের যেসব ভুলের কারণে যোগ্য কর্মীরা প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে যান। খারাপ আচরণ : গবেষণায় দেখা গেছে যে, দৈনন্দিন অসন্তোষের একটা প্রতিকূল প্রভাব পড়ে সার্বিক উৎপাদনশীলতার উপর। বসদের খারাপ আচরণের কারণে অবশেষে ভালো কর্মীদের প্রতিষ্ঠান ছেড়ে চলে যেতে হয়। রুঢ়তা, অহেতুক দোষ দেওয়া, ব্যঙ্গ করা এবং প্রতিহিংসা নিয়ে খেলা করার কারণে কর্মীদের উদ্বেগ বাড়তে থাকে। বসদের বিরক্তিকর এবং খারাপ আচরণ একটি ভালো কাজের পরিবেশের অন্তরায়। কর্মীর দক্ষতাকে হেয় করা : বসের কাজ হলো কর্মীদের কর্মক্ষমতা বাড়ানো। তাদের নতুন নতুন কাজে উৎসাহ দেওয়া। প্রতি মাসে কর্মীদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা। নিজের মতো করে কর্মীদের যোগ্য করে তোলা। অথচ কিছু কিছু বস আছেন যারা শুধু কর্মীদের ভুল খুঁজে বেড়ান। তাদের মাথায় সারাক্ষণ ছাঁটাইয়ের চিন্তা ঘোরে। কিন্তু এসব কর্মীকে গ্রুমিং করাও যে বসের দায়িত্ব, সেটা তিনি ভুলে যান। তার সঙ্গে কাজ করলে কিছু শেখা যাবে না, এটা বুঝতে পেরেই যোগ্য কর্মীরা চাকরি ছেড়ে দেন। লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হলে জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে অনেক সময় বসরা কর্মীর উপর দোষ চাপিয়ে দেন। তাদের বিশ্বস্ততা, দক্ষতা, যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এই অনৈতিক আচরণ কোনো কর্মীর কাছেই গ্রহণযোগ্য হয় না। সৃষ্টিশীলতায় বাধা প্রদান : মনোযোগী ও দক্ষ কর্মীরা যে কাজেই হাত দেন, সেখানেই ভালো ফলাফল আসে। যেসব প্রতিষ্ঠান সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছে তাদের অনুসরণ করলে দেখা যাবে, সৃষ্টিশীল কর্মীদের এই অসাধারণ গুণের কদর করেছে তারা। কিন্তু উল্টো সৃজনশীল কর্মীকে হেয়প্রতিপন্ন করা প্রতিষ্ঠানগুলো কোনোদিনও দাঁড়াতে পারেনি। কারণ, সৃজনশীল কর্মীকে হেয় প্রতিপন্ন করলে কাজে তাদের বিতৃষ্ণা চলে আসে। যেসব প্রতিষ্ঠানের বস এ ধরনের উল্টো কাজে পারদর্শী সেসব প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যত ততোই অন্ধকার। বাড়তি কাজ : দক্ষ কর্মীরা যতটুকু কাজ করেন তা গুণগত মানসম্পন্ন হয়। এ কারণে বসরা তাদের দিয়ে সব সময় বাড়তি কাজ করিয়ে নিতে চান। তখন কর্মীদের কাছে পারদর্শিতা শাস্তি হয়ে দাঁড়ায়। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়, নির্দিষ্ট সময়ের পর থেকে বাড়তি প্রতি ঘণ্টার কাজে উৎপাদনশীলতা কমতে থাকে। কাজেই দক্ষদের দিয়ে বেশি বেশি কাজ করিয়ে লাভ নেই। প্রতিদান না দেওয়া : দক্ষ কর্মীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে পাওনাটাও অন্যদের চেয়ে বেশি হওয়া উচিত। নয়তো মেধা বা প্রতিভার অবমূল্যায়ন করা হবে। কিন্তু যখন তারা আর সবার মতোই বিবেচিত হন, তখন চলে যাওয়ার মানসিকতা তৈরি হয়। ভালো-মন্দ না দেখা : যেসব বস কর্মীদের ভালো-মন্দ বাছ-বিচার করেন না সেসব প্রতিষ্ঠানে বস ও কর্মীদের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকে না। যেসব বস কর্মীদের সফলতায় আনন্দিত হন না অথবা সমস্যা সমাধানের পথ দেখাতে এগিয়ে আসেন না, তাদের অধীনে কোনো কর্মীই কাজ করতে চান না। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা : ভালো কর্মীদের কাজে সন্তুষ্ট হয়ে অনেক বসই নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন। কিন্তু মুখের কথা শেষ অবধি কথাই থেকে যায়। এ ক্ষেত্রে বসদের ওপর আস্থা হারান তাঁরা। অবিশ্বস্ত বসের অধীনে নিরাপত্তাবোধ করেন না কোনো কর্মী। ভুল মানুষকে পদন্নোতি দেওয়া : বস হয়তো কোনো এক কারণে আপনাকে পছন্দ করেন না, তাই পদোন্নতিতে আপনার নামও তিনি লেখেননি। অথচ যার সঙ্গে বসের খুব ভালো সম্পর্ক, দেখা যায় তার নাম ঠিকই উঠে আছে পদোন্নতির তালিকায়। এটা যখন কোনো দক্ষ কর্মী বুঝতে পারেন, তখন তিনি সুযোগ খুঁজতে থাকেন। ভালো কোনো চাকরি পেলে ওই কর্মী চাকরিটি দ্রুত ছেড়ে দেন। কারণ, পরিশ্রমী কর্মীরা কিছুটা বেশি পাওয়ার দাবি রাখেন। কিন্তু অনেক সময়ই বসরা তাদের এড়িয়ে ভুল মানুষদের প্রমোশন দেন। এতে যোগ্য কর্মীদের মাঝে হতাশা চলে আসে। তারা কাজের স্বীকৃতি পেতে অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যান। কর্মীদের আবেগকে পাত্তা না দেওয়া : প্রত্যেক কর্মীর নিজস্ব পছন্দ এবং প্রয়োজন রয়েছে। এগুলো বসের কাছে নিগৃহীত হলে কর্মীদের অহংবোধে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই তাদের উৎপাদনশীলতা কমতে থাকে। যারা সব নিয়ম পালন করেও আবেগ লালনে বাধাপ্রাপ্ত হন, তাদের কাছে কাজের পরিবেশ বিষাক্ত হয়ে ওঠে। পীড়াদায়ক লক্ষ্য নির্ধারণ করা : প্রত্যেক কর্মীর কর্মক্ষমতার সীমা রয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় প্রাথমিক লক্ষ্য না দিয়ে বসরা অস্বাভাবিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেন। আর তা অর্জনে কর্মীদের সুস্থ ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া জরুরি মনে হয় কর্মীর কাছে। সূত্র : ট্যালেন্টস্মার্ট। ডব্লিউএন

৫ ধরনের বন্ধু থেকে দূরে থাকুন

বন্ধু হচ্ছে ছায়া দানকারী বৃক্ষের মতো। বন্ধু শব্দটির সঙ্গে আস্থা, বিশ্বাস ও অকৃত্রিম ভালোবাসা জড়িত। বন্ধু ও বন্ধুত্ব নানাভাবে আমাদের জীবনকে প্রভাবিত করে। একজন ভালো বন্ধু জীবনকে যেমন সুন্দর করে তুলতে পারে, ঠিক তেমনি একজন খারাপ বন্ধু জীবনে ব্যর্থতার কারণ হতে পারে। তাই বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্কতা খুবই জরুরি। কিছু মানুষ আছে যাদের সাথে বন্ধুত্ব করা উচিত না, কেননা তাদের স্বভাব ও আচরণ জীবনে বিপত্তির কারণ হতে পারে। নেতিবাচক বন্ধু কথায় আছে, সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস আর অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। যদি ভালো বন্ধুর সঙ্গে থাকেন, তবে তার ভালো গুণগুলো আপনার মাঝে সংক্রামিত হবে। ঠিক তেমনি যদি নেতিবাচক মানুষের সাথে সময় কাটান, তার নেতিবাচক মনোভাব আপনার মাঝে দেখা দেবে। বন্ধুটি যদি আপনাকে সারাক্ষণ বলে আপনি এই কাজটি পারবেন না, আপনাকে দ্বারা এই কাজটি হবে না- দেরী হওয়ার আগে তার সঙ্গ আজই ত্যাগ করুন। প্রতিযোগী বন্ধু বন্ধুত্বের মাঝে কিছুটা প্রতিযোগিতা থাকতে পারে, এটি খারাপ কিছু নয়। তবে তা যদি অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়, সেটি ক্ষতিকর। এই ধরণের বন্ধু সবসময় আপনার সাথে প্রতিযোগিতা করে থাকে। শুধু তাই নয়, আপনার সাফল্যে খুশি হওয়ার পরিবর্তে যে আপনাকে হিংসা করে থাকে। এই ধরণের বন্ধু থেকে সাবধান থাকবেন, যে কোনো সময় সে আপনার ক্ষতি করতে পারে। আর যখন বন্ধুত্ব প্রতিযোগিতামূলক হয় তখন সে বন্ধুত্ব না থাকাই ভালো। কারণ, আপনার বন্ধু আপনার সম্পর্কে ভালো জানে। তাই সে যদি অসৎ হয় তবে তার দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কারণ, এরকম বন্ধু সব সময় সুযোগ সন্ধানী হবে এবং আপনার সফলতায়ও তারা হিংসাবোধ করবে। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী আপনার বন্ধু আপনাকে জানালো তাকে বাসা থেকে অফিস পর্যন্ত পৌঁছে দিতে। আপনি সানন্দে তাকে কথা দিলেন। কিন্তু সময়মতো যখন আপনি তাকে আবারো ফোন দিলেন দেখলেন সে ফোন রিসিভ করছে না বা বন্ধ করে রেখেছে। এভাবে দিনের পর দিন যদি দেখেন তার স্বভাব প্রতিশ্রুতি না রাখা তবে এমন বন্ধু থেকে দূরে থাকা উচিত। কারণ, এ ধরনের বন্ধুরা কখনো বিপদের সময় আপনার পাশে দাঁড়াবে না। জাহির করা যারা সবসময় সবকিছুতে নিজেকে জাহির করে থাকে, এমন বন্ধুদের এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের মানুষেরা সব সময় নিজেকে বড় ভাবে। নিজের জ্ঞান, নিজের জানাকে বেশি করে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এই ধরণের মানুষেরা স্বার্থপর হয়ে থাকে। তাই এদের সঙ্গ ত্যাগ করাই ভালো। এছাড়া কোনো সমাবেশ, আড্ডা কিংবা অনুষ্ঠানের সে আপনাকে ছোট করে রাখতে পছন্দ করবে। আপনাকে হেয় করবে এবং আপনার স্বাচ্ছন্দ নষ্ট করবে। আপনাকে অপছন্দ করে যে বন্ধুটি আপনাকে মনে মনে অপছন্দ করে থাকে, তার থেকে দূরে থাকুন। এই ধরণের মানুষেরা সবার সামনে আপনার সাথে ভালো ব্যবহার করে থাকে, কিন্তু পিছনে আপনার ক্ষতি করতে দ্বিধা বোধ করবে না। সূত্র : হেলথডটকম। ডব্লিউএন

খাওয়ার পর ঘুম কিংবা ধূমপান! কি ক্ষতি হচ্ছে জানেন?

দুপুরে ও রাতে ডায়েট মেনে খাওয়া দাওয়া করছেন, তা সত্ত্বেও শরীর যেন কিছুতেই ভালো যাচ্ছে না। শরীর ভালো রাখতে কী করবেন, বুঝে উঠেতেই পারছেন না। এমন যদি হয়, তাহলে দুপুরে, রাতে কিংবা সকালে যেকোনো সময় ভরাপেট খাওয়া দাওয়ার পর বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলুন। খাওয়ার পর ধূমপান পরিহার করুন খাওয়ার পর পরই কখনও ধূমপান করবেন না। খাওয়ার পর যদি আপনি ধূমপান করেন, তাহলে যে প্রয়োজনীয় জিনিস আপনার শরীরে প্রবেশ করেছিল, তার পুষ্টিগুণ কিন্তু নামতে শুরু করে দেবে। তাই খাওয়ার পর ধূমপানকে না বলুন। গবেষকদের একাংশ বলছেন, খাওয়ার পর সিগারেট পান করলে তা ক্যান্সারের প্রবণতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। চা পান অনেকেরই খাওয়া দাওয়ার পর চা পানের অভ্যেস আছে। বিশেষত রাতের খাবারের পর। কিন্তু, খাওয়া দাওয়ার পর চা পান করলে হজমের গণ্ডগোল হয়। ফল খাওয়া অনেকেরই ধারণা, খাওয়ার পর ফল খাওয়া নাকি ভালো। কিন্তু, খাওয়ার পর ফল খাওয়া ঠিক নয়। যদি আপনার হজমের গণ্ডগোল, লিভারের সমস্যা থাকে, তাহলে কখনো খাওয়ার পর ফল খাবেন না। পেটপুরে খাবার পর কখনও সঙ্গে সঙ্গে ঘুমোতে যাবেন না। গবেষণা বলছে, খাওয়ার পর পরই ঘুমোতে গেলে, খাবার কম হজম হয়। ফলে, হৃদরোগের সম্ভাবনা প্রবল হয়। খাওয়ার পর স্নান করতে যাবেন না। এতেও নাকি শরীরের বেশ ক্ষতি হয়। কেআই/ডব্লিউএন

সার্টিফিকেটের ভুল সংশোধন করবেন যেভাবে

লেখা-পড়া ও পরীক্ষা শেষে সফলতার একটি সনদ আমাদের সবারই কাম্য। কিন্তু পড়ালেখা শেষ করে সার্টিফিকেট হাতে পাওয়ার পরই যদি সার্টিফিকেটে ভুল নাম কিংবা তথ্যগত গড়মিল লেখা থাকে তবে তো চোখ কপালে উঠার-ই কথা! সার্টিফিকেটে নাম, জন্মতারিখ বা অন্য যেকোনো তথ্য ভুল লেখা হলে কী করবেন? দুশ্চিন্তা নয়, এই ভুলেরও সমাধান রয়েছে। মনে রাখবেন, জন্মতারিখ ভুল হলে পাসের সাল থেকে পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে সংশোধন করতে হয়। এরপর সংশোধন করা না হলেও বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে পুনর্বিবেচনা করা হয়। আসুন জেনে নিই কিভাবে এই ভুল সংশোধন করা যায়- প্রথমত, নাম বা জন্মতারিখের ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে নোটারি বা এফিডেভিট করাতে হবে। পরে একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর সার্টিফিকেট নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, শাখা, পরীক্ষার সাল, পরীক্ষাকেন্দ্রের নাম, রোল নম্বর, বোর্ডের নাম লিখতে হবে। জন্মতারিখ উল্লেখ করে যা সংশোধন করতে চান (প্রার্থীর নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম বা জন্মতারিখ) তা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আপনি যে শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন সেই বোর্ডে তে হবে। এরপর শিক্ষা বোর্ডের `তথ্য সংগ্রহকেন্দ্র` থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে। আবেদনপত্র সংগ্রহের পর তা পূরণ করতে হবে। প্রার্থীর নাম, বাবা-মায়ের নাম কিংবা জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য (জরুরি ফিসহ) ৫০০ টাকা জমা দিতে হয়। এ ফি সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবর জমা দিলেই আবেদন কার্যকর হবে। তৃতীয়ত, আবেদনপত্রের সঙ্গে ব্যাংক ড্রাফটের মূল কপি, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কাটিং, মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সার্টিফিকেটের সত্যায়িত ফটোকপি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত এক কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি এবং প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের কাছে নাম বা জন্মতারিখ সংশোধন সম্পর্কে এফিডেভিট করে তার মূল কপি জমা দিতে হবে। চতুর্থত, নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের জন্য আবেদন গ্রহণের এক মাসের মধ্যে বোর্ড আবেদনকারী এবং তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকসহ একটি সভায় বসে। এ মিটিংয়েই আবেদন যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মিটিংয়ে বসার ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই আবেদনকারীর ঠিকানায় চিঠি দিয়ে জানানো হয়। জরুরি প্রয়োজনে বোর্ডের চেয়ারম্যানের বিশেষ বিবেচনায় একদিনের মধ্যেও নাম ও জন্মতারিখ সংশোধন করার সুযোগ রয়েছে।   / আর / এআর  

জীবন সহজ করতে আধূনিক ১০টি আদবকেতা

যুগ বদলে যাচ্ছে, বদলে যাচ্ছে আদবকেতাও। আধূনিক জীবন যাত্রায় অনেক কিছুই এখন স্বাভাবিক যা আগে ছিল অপ্রত্যাশিত। তবে আধূনিকতার মানে এই নয় যে আদবকেতা ছাড়াই চলবে সবাই। এ যুগে কিছু আদবকেতা আছে যা সব ক্ষেত্রেই মেনে চলা উচিত। আধূনিক এই আদবকেতাগুলো আপনার জীবনকে আরও সহজ করতে সাহায্য করবে। আসুন জেনে নিই আধূনিক ১০টি আদবকেতা সম্পর্কে। ১. কখনোই ফোন না করে কারো বাসায় দেখা করতে যাওয়া উচিত নয়। সারপ্রাইজ দিতে চাইলেও আগে ফোন করে জানুন তিনি কোন পরিস্থিতিতে আছেন। আপনার যাওয়ার বিষয়টি গোপন রেখেই তার খোঁজখবর আগে নিন। ২. কোনো মিটিং বা অনুষ্ঠানে গেলে কখনোই হাতের ব্যাগ কোলের ওপর বা টেবিলের ওপর রাখবেন না। ব্যাগ পায়ের কাছে রাখাটাই ভদ্রতা। ৩. শিশুদের রুমে ঢোকার আগে দারজায় টোকা দিন। এটা ভাববেন না যে আপনি ছোট হবেন। আপনার এই অভ্যাসের কারণে আপনার সন্তানও শিখবে যে, বাবা মায়ের রুমে ঢোকার আগে দরজায় টোকা দিতে হবে। ৪. গাড়ির সবচেয়ে সম্মানজনক আসন হলো চালকের পেছনে। আর এটা মেয়েদের জন্যই বেশি ভালো। এতে গাড়ির চালক দ্রুত গাড়ির দরজা খুলে দিতে পারেন। ৫. এই পোশাকটি কোথা থেকে কিনেছেন? দাম কত? এমন প্রশ্ন করার পর কেউ যদি হেসে উত্তর দেয়, উপহার পেয়েছি। তাহলে এখানেই প্রশ্ন করা বন্ধ করে দিন। তার বলার আগ্রহ থাকলে সে নিজেই অন্য তথ্য দেবে। ৬. নয়টি জিনিস সবার কাছ থেকে গোপন রাখাটাই ভালো। আর তা হলো- বয়স, টাকা-পয়সা, পারিবারিক কলহ, ধর্ম, শারীরিক সমস্যা, প্রেম, উপহার, সুনাম ও অপমান। ৭. সিনেমা হল, থিয়েটার কিংবা কনসার্টে নিজের সিটের কাছে যাওয়ার সময় যারা বসে আছে তাদের দিকে সম্মুখ দিক দিয়ে যান। কখনোই উল্টোভাবে হেঁটে যাবেন না। ৮. লিফটে উঠার সময় মনে রাখুন আপনি যদি আগে নামতে চান তাহলে সবার শেষ উঠে সামনের দিকে দাঁড়ান। পিছন থেকে সবার আগে নামাটা অন্যের জন্য বিরক্তিকর। ৯. কেউ যদি আগে থেকেই রেস্তোরাঁয় যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায় তাহলে স্বাভাববিকভাবেই বোঝা যায় তিনি বিল দেবেন। তবে কেউ যদি বলে, চলেন কোনো রেস্তোরাঁ থেকে খেয়ে আসি তাহলে ভেবে নেবেন আপনাকেও বিল দিতে হতে পারে। সে দাওয়াত দিচ্ছে, এটা না ভাবাই বুদ্ধিমানের কাজ।   ১০. অফিস বা অন্য কারো বাসায় যাওয়ার পর ভেজা ছাতা খুলে শুকানোর চেষ্টা করবেন না। ভেজা থাকলেও ছাতা বন্ধ করে রাখুন। সূত্র : ব্রাইডসাইড। ডব্লিউএন

সুস্থ শিশুর জন্য হবু পিতারও করতে হবে ডায়েট

সুস্থ শিশুর জন্ম দেওয়ার জন্যে হবু পিতাকেও ডায়েট করা করতে হবে। মার্কিন বিজ্ঞানীদের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। এতোদিন ধরে চিকিৎসকরা সুস্থ্য শিশুর জন্য শুধু হবু মায়েদেরই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার ব্যাপারে জোর দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন, সুস্থ সন্তানের জন্য পুরুষকেও স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। কারণ এখানে পিতার ভূমিকাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তারা বলছেন, সুস্থ সন্তানের জন্যে হবু পিতাদেরও ডায়েট করা প্রয়োজন। তারা বলছেন, সন্তানের স্বাস্থ্য কেমন হবে সেটা নির্ভর করছে সেক্স করার আগে পিতা কি ধরনের খাবার খেয়েছেন তার ওপর। আমেরিকার সিনসিনাতি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, সুস্থ সন্তান জন্মদানের জন্যে মায়ের মতো পিতার ডায়েটও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পুরুষ মৌমাছির ওপর গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, তাদের খাবারে যদি কার্বোহাইড্রেট খুব বেশি এবং প্রোটিন কম থাকে তাহলে তাদের জন্ম দেওয়া সন্তানের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুব কম হয়।মানুষের জিনের সাথে এই মৌমাছির জিনের অনেক মিল রয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের গবেষণা থেকে এটা স্পষ্ট যে সুস্থ শিশু জন্মদানের জন্যে পিতাকে কম কার্বোহাইড্রেট ও বেশি প্রোটিন আছে এধরনের খাবার খেতে হবে। সিনসিনাতি বিশ্ববিদ্যালয়ে জীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাইকেল পোলক এবং জশুয়া বেনয়েতের নেতৃত্বে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়। অধ্যাপক পোলক বলেন, "আমরা সত্যিই বিস্মিত হয়েছি। বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে আমরা দেখেছি যে এবিষয়ে মায়েরাই প্রচুর যত্নশীল হন। কিন্তু নবজাতকের স্বাস্থ্যের সাথে যে পিতারও ভূমিকা থাকতে পারে সেটা দেখে আমরা অবাক হয়েছি।" সূত্র:বিবিসি এম/এআর

নিলামে কেনা মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে করণীয়

পুলিশ বা কাস্টমস্ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জব্দকৃত গাড়ি আদালতের নির্দেশে আয়োজিত নিলামে যে কেউ অংশ গ্রহণ করতে পারেন। এ নিলাম থেকে কিনতে পারেন আপনার পছন্দের মোটরসাইকেল। অনেক সময় এই মোটরসাইকেল কেনার পরও কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ না করায় বিপদে পড়তে হয়। রেজিস্ট্রেশনের কোনো কাগজপত্র না থাকায় এ বিপত্তি ঘটছে প্রতিনিয়ত। নিলামে কেনা মোটরসাইকেলের রেজিষ্ট্রেশের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যে কোনো নিলাম (থানা, কাস্টমস) এর পেপার কাটিং, সি.এস কপি/ তুলনামূলক বিবরণী, সর্বোচ্চ দরপত্র গ্রহণ, বিক্রয় আদেশ, বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক সিসি নির্ধারণ, টাকা জমার রশিদ সমূহ, কাস্টমস অফিসারের মন্তব্য, কাস্টমস অফিসারের ছাড়পত্র, কাস্টমস ডেলিভারী অর্ডার, কাস্টমস ডেলিভারী মেমো, কাস্টমস ডেলিভারী ইনভয়েস, নিলাম ক্রেতার অঙ্গিকারনামা লাগবে। এছাড়া আপনার লাগবে বিক্রেতার ১৫০ টাকার এফিডেভিট, ক্রেতার ১৫০ টাকার এফিডেভিট, টি.ও, টি.টি.ও, বিক্রয় রশিদ, ক্রেতার টি.আই.এন. সার্টিফিকেট, মোটরযান পরিদর্শক কর্তৃক গাড়িটি সরেজমিনে পরিদর্শন, এইচ ফরম পূরণ, পরিচালক (ইঞ্জিঃ) বিআরটিএ এর অনুমোদন, টাকা জমার রশিদ সমূহ। এসব কাগজপত্র বিআরটিএতে জমা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে সহজে। আর/ডব্লিউএন

ব্লু হোয়েল, আতঙ্ক না সাবধানতার বিষয়?

ব্লু হোয়েল গেম খেলে হলিক্রসের একটি মেয়ে আত্মহত্যা করেছে—এমন একটি গুঞ্জনের কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন সংবাদপত্র বেশ সরগরম।   স্বাভাবিকভাবেই অভিভাবকদের মনে কিছুটা হলেও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ পরামর্শ চেয়ে বসেছেন এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কি। বিভিন্ন মাধ্যমে অনেকে পরামর্শমূলক অনেক কিছু লিখেছেন, ইউটিউবে ব্লু হোয়েল নিয়ে অনেক ভিডিও প্রকাশিত রয়েছে যাতে এ গেমস থেকে রক্ষা পাওয়ার অভিজ্ঞতাও শেয়ার করা হয়েছে। হলিক্রস কলেজের একটি কিশোরী ব্লু হোয়েল গেম খেলে আত্মহত্যা করেছেন বলে যে খবর বেরিয়েছে সে বিষয়টিও এখনও প্রমাণিত হয়নি। কারণ, মেয়েটার শরীরে ব্লু হোয়েলের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তার আত্মহত্যার ধরনটিও আরও আট-দশটা আত্মহত্যার ঘটনার মতোই বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দেখে নিন গ্যাস সিলিন্ডারের মেয়াদ

শহুরে জীবনে রান্নার কাজে তরলীকৃত গ্যাসের বিকল্প নেই বললেই চলে। ইদানীং মফস্বল শহরেও রান্নার কাজে তরলীকৃত গ্যাস ব্যবহৃত হচ্ছে। এ সুযোগে বিভিন্ন কোম্পানি সিলিন্ডারে করে গ্যাস সরবরাহ করছে। কিন্তু প্রায়শই শোনা যাচ্ছে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা। তাই ‍দুর্ঘটনা ঘটার আগেই দেখে নিন গ্যাস সিলিন্ডারের মেয়াদ। সব জিনিসের মত সিলিন্ডারেরও মেয়াদ শেষ বা expire date থাকে। যা আমরা অনেকে জানি না। আর মেয়াদ শেষ হওয়া কোনো সিলিন্ডার ঘরে রাখা মানে টাইম বোমা রাখার সমান। সিলিন্ডারের গায়ে মার্ক করা কালো রংয়ের লেখাটাই হলো এক্সপায়ারি ডেট বা মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ। এখানে A, B , C, D সংকেত দিয়ে বোঝানো হয়েছে। A = বছরের প্রথম তিন মাস যেমন জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ। B = পরের তিন মাস: এপ্রিল, মে, জুন। C = জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর মাস। D = অক্টোবর, নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসকেই বোঝানো হয়। আর সবার শেষে বছরের শেষ দুই ডিজিট থাকে, অর্থাৎ 13 মানে 2013  খ্রিস্টাব্দ। যদি  আপনার সিলিন্ডারে C18 থাকে তার মানে হল 2018 সালের জুলাই, আগস্ট, অথবা সেপ্টেম্বর মাসেই আপনার সিলিন্ডারের মেয়াদ শেষ বা (expire date) হবে। ডব্লিউএন

‘৯৯৯’ তে ফোন দিয়ে পাবেন নাগরিক সেবা

এখন থেকে পুলিশি, ফায়ার এমনকি অ্যাম্বুলেন্সসহ সব ধরনের নাগরিক সেবা পাওয়া যাবে একটি মাত্র নাম্বারে। সেবা প্রত্যাশিরা ৯৯৯ নম্বরে ডায়াল করেই এ সেবা নিতে পারবেন। আজ রোববার সচিবালয়ে হটলাইন চালু সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এ কথা জানান। মতবিনিময় সভায় তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সেবা সুরক্ষা সচিব ফরিদ উদ্দীন আহমেদ, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইপিজি) এ কে এম শহীদুল হক, আইসিটি সচিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন,  প্রধানমন্ত্রীর তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় আমরা দীর্ঘ একবছর এই জরুরি সেবা নিয়ে কাজ করছি।শিগগির তার সুফল পাওয়া শুরু হবে। জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং সব ধরনের সহায়তা একসঙ্গে পেতে এই হটলাইন চালু করছে সরকার।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে গত বছরের ১ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে চুল হয় ৯৯৯ কল সেন্টারটি। আরকে//এআর

যে কারণে রাতভর ফোন চার্জ দেবেন না

অফিস শেষে বাসায় ফিরে মুঠোফোন চার্জে দেওয়া আমাদের অভ্যাস। মাঝে মধ্যে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ফোন চার্জে দিয়ে আমরা বিছানায় গা এলিয়ে দিই। রাতভর চার্জেই থাকে ফোন। এভাবে ফোনে সারা রাত চার্জ দেওয়ায় ফলে মুঠোফোনের অনেকগুলো ক্ষতি বয়ে আনে। সারারাত মোবাইলে চার্জ দিয়ে ফোনের ক্ষমতাকে নিজের অজান্তেই একটু একটু করে নষ্ট করছেন আপনি। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা নিজের স্মার্টফোন রাতে চার্জে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন, তারা গড়ে বছরে তিন থেকে চার মাস মোবাইল চার্জে ব্যয় করেন। এতে একদিকে যেমন ইলেকট্রিক বিল বাড়ছে, অন্যদিকে আয়ু কমছে ফোনেরও। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, মোবাইল ফোনের চার্জ ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশে নেমে গেলেই চার্জ দিতে হবে। এর থেকে বেশি চার্জ থাকলে মোবাইলে চার্জ দেয়ার প্রয়োজন নেই। মোবাইলের আয়ু বাড়াতে মোবাইল ফোনকে ঠাণ্ডা পরিবেশে রাখতে হবে। উচ্চ তাপমাত্রা থেকে যতটা সম্ভব স্মার্টফোনকে দূরে সরিয়ে রাখা যায়, ততটাই মঙ্গল। তাই কখনই দরকারের চেয়ে বেশি সময় ধরে ফোন চার্জে বসিয়ে রাখা উচিত নয়। যাদের মধ্যে সারা রাত মোবাইল চার্জে বসিয়ে রাখার প্রবণতা রয়েছে, তারা এখনই বদলে ফেলুন এ অভ্যাস। সূত্র : টেক ওয়ার্ল্ড।

সাপ! ওরে বাপরে বাপ!

সাপ! ওরে বাপরে বাপ! সাপ দেখে ভয়ে আঁতকে উঠেন সবাই, যদি ছোবল মারে! কিন্তু সাপ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা থাকলে আপনার ভয় একেবারে কমে যাবে। কারণ, সাপ প্রকৃতপক্ষে মানুষ শিকার করে না। সাপকে উত্তেজিত করা না হলে বা সাপ আঘাতগ্রস্ত না হলে তারা মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলে। কনস্ট্রিক্টর ও বিষহীন সাপগুলো মানুষের জন্য কোনো হুমকি নয়। বিষহীন সাপের কামড় মানুষের জন্য ক্ষতিকরও নয়। কারণ তাদের দাঁত মূলত কোনো কিছু আঁকড়ে ধরা ও ধরে রাখার জন্য। বর্ষার পানি মাটির গর্তে ঢুকলে বেঁচে থাকার জন্য সাপ বের হয়ে আসে এবং মানুষকে দংশন করতে পারে। সাপের সর্বমোট ১৫টি পরিবার, ৪৫৬টি গণ, এবং ২,৯০০টিরও বেশি প্রজাতি রয়েছে। খুব ছোট, ১০ সে.মি. (থ্রেড সাপ) থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২৫ ফুট বা ৭.৬ মিটার (অজগর ও অ্যানাকোন্ডা) পর্যন্ত হতে পারে সাপ। সম্প্রতি আবিষ্কৃত টাইটানওবোয়া (Titanoboa) সাপের জীবাশ্ম প্রায় ১৩ মিটার বা ৪৩ ফুট লম্বা। পৃ্থিবীর বেশিরভাগ প্রজাতির সাপ বিষহীন। বাংলাদেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ সাপ বিষহীন। আর যেগুলো বিষধর সেগুলো আত্মরক্ষার চেয়ে শিকার করার সময় বিভিন্ন প্রাণিকে ঘায়েল করতেই বিষের ব্যবহার বেশি করে। কিছু মারাত্মক বিষধর সাপের বিষ মানুষের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বা মৃত্যুর কারণ ঘটায়। সাপ যখন কাউকে আক্রমণ করে তখন তার গতি এত বেশি থাকে যে,  চোখের পলকেই চারবার ছোবল মারতে পারে। একবার ছোবল দিতে সাপের সময় লাগে ৪৪ থেকে ৭০ মি.লি সেকেন্ড। অন্যদিকে মানুষের একবার চোখের পলক ফেলতে সময় লাগে ২০০ মি.লি সেকেন্ড। এ কারণে সাপের চারবার ছোবল দিতে যত সময় লাগে সে সময়ে মানুষ একবার চোখের পলক ফেলতে পারে। মানুষ সাপের মতো এত দ্রুতগতি অর্জন করতে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে অচেতন হয়ে পড়বে। শুধু তাই নয়, সাপের রয়েছে দীর্ঘ সময় শিকারের জন্য ওঁত পেতে থাকার ক্ষমতা। এ সময় তারা এতটাই পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেয় যে নিজে থেকে জানান না দিলে তা অন্য কেউ বুঝতে পারে না। এসব নানা কারণে সাপ ‘অতীন্দ্রিয় ক্ষমতাধর’ বলেই মনে করছেন গবেষকরা। বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষ শিকারী সাপের অন্যতম হলো ওয়েস্টার্ন ডায়মন্ডব্যাক র‌্যাটলস্নেক। এটি ঘাসের জঙ্গলে অত্যন্ত দক্ষভাবে লুকিয়ে থাকতে পরদর্শী। এগুলো স্বাধীনভাবে বাঁচতে পছন্দ করে। ঝোঁপ ও জঙ্গলে লুকিয়ে থাকে এবং সুযোগ পেলে শিকারের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তবে শিকার ধরার জন্য তারা দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতেও পারদর্শী। কোনো কোনো সাপ শিকারের জন্য দীর্ঘ দুই বছর অপেক্ষা করতে পারে। তবে কোনো শিকার পাওয়া গেলে তারা সবচেয়ে আক্রমণাত্মক প্রাণি হয়ে উঠে। সাপের ক্ষমতা কখনোই আকার কিংবা আকৃতির উপর নির্ভর করে না। যে সাপের গতি যত বেশি, সে সাপ তত দক্ষ। এ গতিই তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। গবেষণায় জানা গেছে, সাপের দ্রুতগতি অর্জনের পেছনে কাজ করছে তাদের অত্যন্ত কার্যকর পেশি। মানুষের দেহে রয়েছে ৭০০-৮০০ পেশি। অন্যদিকে সাপের রয়েছে ছোট ছোট ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ পেশি। তবে মানুষের পেশিগুলোর তুলনায় সাপের পেশি এত কার্যকর হওয়ার কারণ কি, সেটা এখনও অনুধাবন করতে পারেননি গবেষকরা। তবে গবেষকদের ধারণা, সাপের পেশিগুলো একত্রে সংযুক্ত থাকায় তা রাবার ব্যান্ডের মতো অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কাজ করে। সম্প্রতি মার্কিন গবেষকরা সাপের এসব বিষয় গবেষণা করে অতীন্দ্রিয় ক্ষমতার বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন। ইউনিভার্সিটি অব লুইজিয়ানার গবেষক ডেভিড পেনিং এ বিষয় গবেষণার জন্য বেশ কয়েক মাস র‌্যাটলস্নেক পর্যবেক্ষণ করেন। তারা স্পিড ক্যামেরাসহ নানা আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সাপের আক্রমণের সময়ের গতি পরিমাপ করেন। এ বিষয়ে ডেভিড পেনিং বলেন, ‘আমরা যে প্রাণীর কথা বলছি তা তার শিকারকে আক্রমণ ও তার কাছে পৌঁছাতে এত কম সময় ব্যবহার করে যে, সে আগে বুঝতেও পারে না যে তাকে আক্রমণ করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, এটি শুধু র‌্যাটলস্নেকের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়। বিশ্বের প্রায় সাড়ে তিন হাজার সাপের প্রজাতির মধ্যে সবচেয়ে পাতলা থেকে শুরু করে বিশালাকার অজগর পর্যন্ত সাপের প্রায় একই ক্ষমতা দেখা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, কাউকে বিষধর সাপ দংশন করলে সঙ্গে সঙ্গে তার লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। এর মধ্যে রয়েছে­ বমি, মাথাঘোরা, কামড়ানোর স্খানে ফোলা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, চোখে ডাবল দেখা, ঘাড়ের মাংসপেশী অবশ হয়ে ঘাড় পেছনের দিকে হেলে পড়া। এমন হলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। হাসপাতালে নেয়ার আগে আক্রান্ত জায়গা নাড়াচাড়া করা যাবে না। হাত বা পায়ে কামড় দিলে হাতের পেছনের দিকে কাঠ বা বাঁশের চটা বা শক্ত জাতীয় কিছু জিনিস রেখে শাড়ির পাড় বা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে স্প্লিন্ট তৈরি করে বেঁধে দিতে হবে। আক্রান্ত জায়গা কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে দিতে হবে। লক্ষ রাখবেন বেশি টাইট করে বাঁধা যাবে না। বাঁধলে রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হয়ে গ্যাংগ্রিন হতে পারে। বিষ শিরা দিয়ে নয়, লসিকাগ্রন্থি দিয়ে শরীরে ছড়ায়। সাপে কাটা রোগীকে ওঝা-বৈদ্য বা কবিরাজ না দেখিয়ে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। আক্রান্ত জায়গায় কাঁচা ডিম, চুন, গোবর কিছুই লাগাবেন না। এতে সেল্যুলাইটিস বা ইনফেকশন হয়ে রোগীর জীবনহানি ঘটতে পারে। সূত্র : বিবিসি।

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি