ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০:২৫:৩২

আত্মহত্যায় ব্যর্থ হলে সাঁজা কি

আত্মহত্যায় ব্যর্থ হলে সাঁজা কি

সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়েই আত্মহত্যার প্রবণতা যেন একরকমভাবে বেড়ে গিয়েছে। খবরের কাগজ, টেলিভিশনের পর্দা অথবা সামাজিক মাধ্যমগুলোতে হরহামেশাই আত্মহত্যায় নিহতের খবর পাই আমরা। তবে আপনি জানেন কী যে, আত্মহত্যার চেষ্টা করা বাংলাদেশের আইনে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ? যদি না জানেন তাহলে এই লেখা আপনার জন্যই। বাংলাদেশে বিদ্যমান আইনে আত্মহত্যা কোন অপরাধ না হলেও আত্মহত্যার চেষ্টা করা অপরাধ। কেউ আত্মহত্যা করে নিহত হলে আইন তো আর তাকে শাস্তি দিতে পারবে না। তবে চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে আইন তাকে ঠিকই সাজা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। বাংলাদেশ বলবত দন্ডবিধির (পেনাল কোড-১৮৬০) ৩০৯ ধারায় এ বিষয়ে উল্লেখ আছে। ১৮৬০ সালের এই আইনে আত্মহত্যাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ধরা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করার উদ্যোগ নেয় বা আত্মহত্যার উদ্দেশে কোনো কাজ করে, সে ব্যক্তি এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করবে। তবে আইনে যেহেতু সশ্রম কারাদন্ডের বিষয়টি উল্লেখ নেই সেহেতু সাজা হবে বিনাশ্রম কারাদন্ড। //এস এইচ এস//
ওজনে কম দেওয়ার সাঁজা কি

আমরা প্রায়ই এমন দেখি যে, বাজার থেকে কেনা জিনিসে ওজন কম থাকে। যতটুকু ওজনের পণ্য দেওয়ার কথা বাসায় এসে বাস্তবে তার থেকে কম পাওয়া যায়। অনেকেই মনে করেন যে, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যায় না। ধারণাটি ভুল। বাংলাদেশের প্রচলিত আইনেই এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনী প্রতিকারের জন্য আবেদন করা যায়। ওজন কম দেওয়ার বিষয়ে কয়েকটি ঘটনা ঘটতে পারে। এগুলো হল ওজনের জন্য প্রতারণামূলক মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার, প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা মাপ বা ওজন ব্যবহার, মিথ্যা ওজন অথবা মাপ করা, মিথ্যা বাটখারা কিংবা মাপ তৈরি ও বিক্রি করা। বাংলাদেশের আইনী ব্যবস্থায় বলবত থাকা ১৮৬০ সালের বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনে (পেনাল কোড-১৮৬০) এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা আছে। ২৬৪ থেকে ২৬৭ নম্বর ধারায় পণ্যের ওজন বা মাপ সম্পর্কিত বিধানগুলোর উল্লেখ আছে। দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারায় ‘ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার’ করার বিষয়ে বলা আছে। এ ধারা অনুসারে কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোনো যন্ত্র ব্যবহার করেন, মিথ্যা বলেন- তবে সেই ব্যক্তি এক বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হতে পারেন। দণ্ডবিধির ২৬৫ ধারা অনুসারে ‘প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা ওজন কিংবা মাপ ব্যবহার’ করার বিষয়ে বলা আছে। এ ধারা অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতরণামূলকভাবে কোনো মিথ্যা ওজন কিংবা দৈর্ঘ্যের বা ধারণশক্তির মাপকে তার থেকে ভিন্ন ওজন কিংবা দৈর্ঘ্য বা ধারণশক্তির মাপ হিসেবে ব্যবহার করেন, তবে সেই ব্যক্তি এক বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন। মিথ্যা ওজন কিংবা মাপ করার শাস্তির বিষয়ে উল্লেখ আছে দণ্ডবিধির ২৬৬ ধারায়। এ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি এমন কোনো ওজন, পরিমাপ যন্ত্র বা বাটখারা কিংবা দৈর্ঘ্য বা ধারনক্ষমতা মাপবার যন্ত্র রাখে, যা মিথ্যা বলে সে জানে এবং তা যাতে প্রতারণামূলকভাবে ব্যবহৃত হতে পারে তার জন্যই রাখে, তবে সেই ব্যক্তির এক বছরর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম অথবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন। আর মিথ্যা বাটখারা কিংবা মাপ তৈরি কিংবা বিক্রয় করার অপরাধ সম্পর্কে বলা আছে দণ্ডবিধির ২৬৭ ধারায়। এ ধারা অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি এমন কোনো ওজন বা বাটখারা কিংবা দৈর্ঘ্য বা ধারনশক্তির পরিমাপ যন্ত্র তৈরি করেন, বিক্রয় করেন বা লেনদেন করেন, যা মিথ্যা বলে তিনি জানেন এবং তা যাতে সত্য বলে ব্যবহার করা যায়, সে উদ্দেশ্যেই তা করেন অথবা তা সত্য বলে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাহলে এক বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি অর্থ্যাত যিনি প্রতারিত হয়েছেন বলে মনে করছেন মামলাটি তাকেই দায়ের করতে হবে। মামলা দায়ের করতে হবে সংশ্লিষ্ট এলাকার সিএমএম কোর্টে (মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত) অথবা সিজেএম কোর্ট (মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালত)। সংশ্লিষ্ট এলাকা যদি কোন মেট্রোপলিটান এলাকার আওতাধীন হয় তাহলে মামলা দায়ের হবে সিএমএম কোর্টে। আর এলাকাটি যদি মেট্রোপলিটান এলাকার বাইরে অবস্থিত হয় তাহলে মামলা দায়ের হবে সিজেএম কোর্টে। উপরোক্ত আইনে এসব আদালতে দায়ের করা মামলা ফৌজদারি মামলা হিসেবে গৃহিত হবে। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট আদালতে লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে মামলা দায়ের করতে হবে। আদালত লিখিত অভিযোগ আমলে নিলে তবে তা একটি ফৌজদারি মামলা হিসেবে পরিগণিত হবে।   //এস এইচ এস// এআর

পিডিএফ ফাইল এডিট করবেন যেভাবে

সাধারণত যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট পাঠাতে হলে পিডিএফ ফাইল ব‍্যবহার করা হয়। যাতে ডকুমেন্টের কোনো শব্দ বা অক্ষর ভেঙ্গে না যায়। তবে অনেক সময়ই ফাইলে তথ্য সংযোজন বিয়োজন করতে হয়। আর এ জন্য পিডিএফ ফাইল পুনরায় সম্পাদনেরও প্রয়োজন পরে। তবে অনেক সময় পিডিএফ পড়ার সফটওয়‍্যারের ফ্রি সংস্করণে পিডিএফ ফাইল এডিট (সম্পাদন) করা যায় না। আর আপনার কম্পিউটারে যদি কোনো পিডিএফ রিডার ইন্সটল করা না থাকে তাহলে কিছুটা বিপাকেই পরতে হয় আপনাকে। নতুন করে সফটওয়‍্যার ইন্সটলের ঝামেলা তো আছেই। তবে চাইলে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করে সহজেই পিডিএফ ফাইল সম্পাদন করে নেওয়া যায়। কিভাবে কাজটি করতে হবে তা নিম্নে তুলে ধরা হলো। প্রথমে যে পিডিএফ ফাইলটি সম্পাদন করতে চান গুগল ড্রাইভে গিয়ে তা আপলোড করতে হবে। ফাইলটি আপলোড হলে, গুগল ড্রাইভ থেকে ফাইলের উপর মাউস রেখে রাইট ক্লিক করতে হবে। এরপর ‘open with’  অপশনে ক্লিক করে ‘google docs’ এ ক্লিক করতে হবে। কিছু সময়ের পরে পিডিএফ ফাইলটির গুগল ডক চালু হবে। সেখান থেকে প্রয়োজন মতো সম্পাদন করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় সম্পাদন শেষে ফাইলটি পিডিএফ অথবা ডক ফরম‍্যাটে সংরক্ষণ করা যাবে। এভাবে গুগল ড্রাইভের মাধ‍্যমে পিডিএফ ফাইল এডিট করা যায়। তবে এই প্রক্রিয়ায় কোনো ছবি সম্বলিত টেক্সট পিডিএফ ফাইল সম্পদন করা যাবে না। কেআই/টিকে

বিটিআরসিতে আবেদন করবেন যেভাবে

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) লাইসেন্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইনে এই লাইসেন্স পেতে কিছু নিয়মাবলী অনুস্মরণ করে আবেদন করতে হয়। অনেকে জানেন না কীভাবে আবেদন করতে হয়। এসব তথ্যগত সুবিধা দিতে সরকার তথ্য বাতায়ন নামে একটি ডিজিটাল তথ্য সেবা চালু করেছে। আসুন জেনে নিই কীভাবে নিয়ম মেনে আবেদন করতে হয়- অনলাইন আবেদনের সময় সতর্কতার সঙ্গে ফরম পূরণের প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করুন এবং প্রেরণ বাটনে ক্লিক করার পূর্বে ভালো করে যাচাই করে নিন। অসতর্কতার জন্য কোন ভুল অথবা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। একটি ধাপে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে পরবর্তী ধাপে প্রবেশ করুন। পরবর্তী ধাপে প্রবেশের সাথে সাথে পূর্ববর্তী ধাপের পূরণকৃত তথ্যসমূহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমে সংরক্ষিত হয়ে যাবে। ১। আবেদন ফরমের লাল তারকা চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করুন। অন্যান্য ঘরগুলো পুরণ ঐচ্ছিক। ২। আবেদনের সময় যদি পেমেন্ট/ অর্থ পরিশোধের বিষয় থাকে তাহলে মোবাইল ব্যাংকিং বা ই-চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করুন। ৩। আবেদন ফরমে ছবি (প্রযোজ্য হলে) ও স্বাক্ষর আপলোড করুন এবং যে সব কাগজপত্র আবেদনের সাথে দাখিল করা প্রয়োজন (সাইজ নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে ) সেগুলো “সংযুক্ত” অপশনে ক্লিক করে আপলোড করুন। ৪। “অফিস বাছাই করুন” অপশন হতে আবেদনটি যে অফিসে পাঠাতে চান সেই অফিস নির্বাচন করুন। ৫। এরপর ‘প্রেরণ’ বাটনে ক্লিক করুন। “আপনার আবেদনটি সফলভাবে প্রেরণ করা হয়েছে” মর্মে একটি বার্তা আসবে। ৬। আবেদন প্রেরণের পর আপনি একটি প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পাবেন। এটি সংরক্ষণ করুন। পরবর্তীতে “আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা” বাটনে ক্লিক করে এই নম্বরটি দিয়ে সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে পারবেন। ৭। আপনি আবেদন প্রেরণ না করা পর্যন্ত আপনার সিস্টেমে তা খসড়া হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। পরবর্তীতে তা আপনি প্রেরণ করতে পারবেন।  এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পেতে পারেন এই ওয়েবসাইটে http://online.forms.gov.bd/onlineApplications/apply/MTQxLzM3LzE0 কেআই/ এআর  

ভোক্তা অধিদফতরে অভিযোগ করবেন যেভাবে

রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকই ভোক্তা। একজন ভোক্তা হিসেবে রয়েছে তার ভোক্তা অধিকার। কিন্তু ভোক্তার অধিকার কি, তা জানে না ভোক্তাই। প্রতারিত হলে কি করতে হবে, কোথায় যেতে হবে তাও ভোক্তাদের অজানা। জনগণের অধিকার ভূলুণ্ঠিত হলে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন আর এই জন্য কিছু নিয়মাবলী মেনে আবেদন করতে হবে। সরকার জনগণের দোঁড়গোরায় ডিজিটাল তথ্য সেবা পৌঁছে দিতে তথ্য বাতায়ন নামে একটি সেবা চালু করেছে। এই তথ্য বাতায়নের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই যেকোনো তথ্য পেতে পারেন। আসুন জেনে নিই কীভাবে আবেদন এর নিয়মাবলী মেনে চলবেন। আবেদন দাখিলের নিয়মাবলি অনলাইন আবেদনের সময় সতর্কতার সঙ্গে ফরম পূরণের প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করুন এবং প্রেরণ বাটনে ক্লিক করার পূর্বে ভালো করে যাচাই করে নিন। অসতর্কতার জন্য কোন ভুল অথবা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। একটি ধাপে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে পরবর্তী ধাপে প্রবেশ করুন। পরবর্তী ধাপে প্রবেশের সাথে সাথে পূর্ববর্তী ধাপের পূরণকৃত তথ্যসমূহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমে সংরক্ষিত হয়ে যাবে। ১। আবেদন ফরমের লাল তারকা চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করুন। অন্যান্য ঘরগুলো পুরণ ঐচ্ছিক। ২। আবেদনের সময় যদি পেমেন্ট/ অর্থ পরিশোধের বিষয় থাকে তাহলে মোবাইল ব্যাংকিং বা ই-চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করুন। ৩। আবেদন ফরমে ছবি (প্রযোজ্য হলে) ও স্বাক্ষর আপলোড করুন এবং যে সব কাগজপত্র আবেদনের সাথে দাখিল করা প্রয়োজন (সাইজ নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে ) সেগুলো “সংযুক্ত” অপশনে ক্লিক করে আপলোড করুন। ৪। ‘অফিস বাছাই করুন’ অপশন থেকে আবেদনটি যে অফিসে পাঠাতে চান সেই অফিস নির্বাচন করুন। ৫। এরপর ‘প্রেরণ’ বাটনে ক্লিক করুন। “আপনার আবেদনটি সফলভাবে প্রেরণ করা হয়েছে” মর্মে একটি বার্তা আসবে। ৬। আবেদন প্রেরণের পর আপনি একটি প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পাবেন। এটি সংরক্ষণ করুন। পরবর্তীতে “আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা” বাটনে ক্লিক করে এই নম্বরটি দিয়ে সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে পারবেন। ৭। আপনি আবেদন প্রেরণ না করা পর্যন্ত আপনার সিস্টেমে তা খসড়া হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। পরবর্তীতে তা আপনি প্রেরণ করতে পারবেন। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পেতে পারেন এই ওয়েবসাইটে http://online.forms.gov.bd/onlineApplications/apply/MTMyLzMzLzI2 কেআই/ এআর

প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন করবেন যেভাবে

অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতার আবেদন করার নিয়মাবলী সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই। এসব ডিজিটাল তথ্য সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার তথ্য বাতায়ন নামে একটি তথ্যসেবা চালু করেছে। এই তথ্য বাতায়ন থেকে আপনি তথ্য পেতে পারেন খুব সহজেই।আসুন জেনে নিই আবেদন করার প্রক্রিয়া- অনলাইন আবেদনের সময় সতর্কতার সঙ্গে ফরম পূরণের প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করুন এবং প্রেরণ বাটনে ক্লিক করার পূর্বে ভালো করে যাচাই করে নিন। অসতর্কতার জন্য কোন ভুল অথবা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। একটি ধাপে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে পরবর্তী ধাপে প্রবেশ করুন। পরবর্তী ধাপে প্রবেশের সাথে সাথে পূর্ববর্তী ধাপের পূরণকৃত তথ্যসমূহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমে সংরক্ষিত হয়ে যাবে। ১। আবেদন ফরমের লাল তারকা চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করুন। অন্যান্য ঘরগুলো পূরণ ঐচ্ছিক। ২। আবেদনের সময় যদি পেমেন্ট/ অর্থ পরিশোধের বিষয় থাকে তাহলে মোবাইল ব্যাংকিং বা ই-চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করুন। ৩। আবেদন ফরমে ছবি (প্রযোজ্য হলে) ও স্বাক্ষর আপলোড করুন এবং যে সব কাগজপত্র আবেদনের সাথে দাখিল করা প্রয়োজন (সাইজ নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে ) সেগুলো “সংযুক্ত” অপশনে ক্লিক করে আপলোড করুন। ৪। “অফিস বাছাই করুন” অপশন হতে আবেদনটি যে অফিসে পাঠাতে চান সেই অফিস নির্বাচন করুন। ৫। এরপর ‘প্রেরণ’ বাটনে ক্লিক করুন। “আপনার আবেদনটি সফলভাবে প্রেরণ করা হয়েছে” মর্মে একটি বার্তা আসবে। ৬। আবেদন পাঠানোর পর আপনি একটি প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পাবেন। এটি সংরক্ষণ করুন। পরবর্তীতে “আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা” বাটনে ক্লিক করে এই নম্বরটি দিয়ে সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে পারবেন। ৭। আপনি আবেদন প্রেরণ না করা পর্যন্ত আপনার সিস্টেমে তা খসড়া হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। পরবর্তীতে তা আপনি প্রেরণ করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এই ওয়েবসাইট ঠিকানায় ভিজিট করতে পারেন http://online.forms.gov.bd কেআই/ এআর

মুক্তিযোদ্ধা গেজেটভূক্তির আবেদন করবেন যেভাবে

বাঙালি জাতির ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি লাল সবুজ পতাকা। তাই বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে অনেক বেশি আন্তরিক। সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট ভুক্ত করে ভাতা, পুনর্বাসনসহ তাদের কল্যাণে অনেকগুলো পদক্ষেপ বাস্তবায়িত করছে। দেশজুড়ে এখনও অনেক প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধারা এখনও গেজেট ভুক্ত হয়নি। ফলে সরকারের এসব গৃহীত সুযোগ সুবিধার খবর তাদের অগোচরে রয়ে গেছে। সরকার জনগণের দৌড় গোঁড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে তথ্য বাতায়ন নামে একটি  ডিজিটাল সেবা চালু করেছে। এই তথ্য সেবার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট ভুক্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন করার সময় নিন্মে উল্লেখিত নিয়মাবলী মেনে আবেদন করা যাবে। আসুন জেনে নিই, আবেদন দাখিলের নিয়মাবলী।                                অনলাইনে আবেদনের সময় সতর্কতার সঙ্গে ফরম পূরণের প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করুন এবং প্রেরণ বাটনে ক্লিক করার পূর্বে ভালো করে যাচাই করে নিন। অসতর্কতার জন্য কোন ভুল অথবা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। একটি ধাপে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে পরবর্তী ধাপে প্রবেশ করুন। পরবর্তী ধাপে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে পূর্ববর্তী ধাপের পূরণকৃত তথ্যসমূহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমে সংরক্ষিত হয়ে যাবে। ১। আবেদন ফরমের লাল তারকা চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করুন। অন্যান্য ঘরগুলো পুরণ ঐচ্ছিক। ২। আবেদনের সময় যদি পেমেন্ট/অর্থ পরিশোধের বিষয় থাকে তাহলে মোবাইল ব্যাংকিং বা ই-চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করুন। ৩। আবেদন ফরমে ছবি (প্রযোজ্য হলে) ও স্বাক্ষর আপলোড করুন এবং যে সব কাগজপত্র আবেদনের সঙ্গে দাখিল করা প্রয়োজন (সাইজ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ) সেগুলো “সংযুক্ত” অপশনে ক্লিক করে আপলোড করুন। ৪। “অফিস বাছাই করুন” অপশন হতে আবেদনটি যে অফিসে পাঠাতে চান সেই অফিস নির্বাচন করুন। ৫। এরপর ‘প্রেরণ’ বাটনে ক্লিক করুন। “আপনার আবেদনটি সফলভাবে প্রেরণ করা হয়েছে” মর্মে একটি বার্তা আসবে। ৬। আবেদন প্রেরণের পর আপনি একটি প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পাবেন। এটি সংরক্ষণ করুন। পরবর্তীতে “আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা” বাটনে ক্লিক করে এই নম্বরটি দিয়ে সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে পারবেন। ৭। আপনি আবেদন প্রেরণ না করা পর্যন্ত আপনার সিস্টেমে তা খসড়া হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। পরবর্তীতে তা আপনি প্রেরণ করতে পারবেন।  এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পেতে পারেন ওয়েবসাইট দেখতে পারেন। http://online.forms.gov.bd   কেআই/এসএইচ/

বয়স্ক ভাতার আবেদন করবেন যেভাবে

গ্রামে অনেক বয়স্ক মানুষ আছেন। যারা এই ভাতা কীভাবে সংগ্রহ করবেন সেই সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন। অনলাইনে বয়স্ক ভাতা মঞ্জুরির জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা দিতে সরকার তথ্য বাতায়ন নামে একটি ডিজিটাল তথ্য সেবা চালু করেছে। এরই মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে ডিজিটাল সেবা।এই তথ্য বাতায়ন থেকে আপনি খুব সহজে বয়স্ক ভাতার মঞ্জুরির তথ্য পেতে পারেন। আর এই জন্য কিছু নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হয়। আসুন জেনে নিই - অনলাইন আবেদনের সময় সতর্কতার সঙ্গে ফরম পূরণের প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করুন এবং প্রেরণ বাটনে ক্লিক করার পূর্বে ভালো করে যাচাই করে নিন। অসতর্কতার জন্য কোন ভুল অথবা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। একটি ধাপে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে পরবর্তী ধাপে প্রবেশ করুন। পরবর্তী ধাপে প্রবেশের সাথে সাথে পূর্ববর্তী ধাপের পূরণকৃত তথ্যসমূহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমে সংরক্ষিত হয়ে যাবে। ১। আবেদন ফরমের লাল তারকা চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করুন। অন্যান্য ঘরগুলো পুরণ ঐচ্ছিক। ২। আবেদনের সময় যদি পেমেন্ট/ অর্থ পরিশোধের বিষয় থাকে তাহলে মোবাইল ব্যাংকিং বা ই-চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করুন। ৩। আবেদন ফরমে ছবি (প্রযোজ্য হলে) ও স্বাক্ষর আপলোড করুন এবং যে সব কাগজপত্র আবেদনের সাথে দাখিল করা প্রয়োজন (সাইজ নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে ) সেগুলো “সংযুক্ত” অপশনে ক্লিক করে আপলোড করুন। ৪। “অফিস বাছাই করুন” অপশন হতে আবেদনটি যে অফিসে পাঠাতে চান সেই অফিস নির্বাচন করুন। ৫। এরপর ‘প্রেরণ’ বাটনে ক্লিক করুন। “আপনার আবেদনটি সফলভাবে প্রেরণ করা হয়েছে” মর্মে একটি বার্তা আসবে। ৬। আবেদন প্রেরণের পর আপনি একটি প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পাবেন। এটি সংরক্ষণ করুন। পরবর্তীতে “আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা” বাটনে ক্লিক করে এই নম্বরটি দিয়ে সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে পারবেন। ৭। আপনি আবেদন প্রেরণ না করা পর্যন্ত আপনার সিস্টেমে তা খসড়া হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। পরবর্তীতে তা আপনি প্রেরণ করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এই ওয়েবসাইট ঠিকানায় ভিজিট করতে পারেন - http://online.forms.gov.bd কেআই / এআর

সোশ্যাল মিডিয়া শিশুদের ‘মানসিক সমস্যা তৈরি করছে’

সম্প্রতি শিশু-কিশোরদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের কুফল নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বেশ কিছু চিকিৎসক ও শিশু কল্যাণ বিশেষজ্ঞ। কিশোরকিশোরীদের মধ্যে মানসিক সমস্যা এবং তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের মধ্যে যে একটা সম্পর্ক আছে তার অনেক প্রমাণ পেয়েছেন ব্রিটেনের চিকিৎসক রঙ্গন চ্যাটার্জী। তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই এটা একটা বড় সমস্যা এবং এ ক্ষেত্রে কিছু নিয়মকানুন থাকা দরকার। একদল মার্কিন শিশু কল্যাণ বিশেষজ্ঞ সম্প্রতি ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের কাছে একটি চিঠি লিখেন। এতে তারা `মেসেঞ্জার কিডস` নামে বাচ্চাদের মেসেজিং অ্যাপটি বন্ধ করে দেবার আহ্বান জানান। তারা বলেন, ১৩ বছরের কম বয়সীদেরকে এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করাটা দায়িত্বজ্ঞানহীন। তারা বলেন, তারা তথ্যপ্রমাণ পেয়েছেন যে সামাজিক মাধ্যমের কারণে কিশোরকিশোরীদের মানসিকতায় অস্বাভাবিক সব পরিবর্তন হচ্ছে, ১০ বছরের মেয়েও তার দৈহিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগছে। ডাক্তার রঙ্গন চ্যাটার্জী বলছেন, তিনি একবার ১৬ বছরের একটি কিশোরকে রোগী হিসেবে পেয়েছিলেন, যে তার নিজের হাত-পা কাটার পর তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পাঠানো হয়েছিল। তিনি বলেন, আমি প্রথমে ভেবেছিলাম তাকে বিষণ্ণতা-রোধী ওষুধ দেবো। কিন্তু আমি তার সঙ্গে কথা বলার পর মনে হলো, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করায় তার স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ২০১৭ সালে রয়াল সোসাইটি অব পাবলিক হেলথ একটি জরিপ চালায় ১১ থেকে ১৫ বছর বয়স্ক দেড় হাজার কিশোর-কিশোরীর ওপর। এতে দেখা যায় স্ন্যাপচ্যাট এবং ইনস্টাগ্রাম তাদের মনে সবচেয়ে বেশি হীনমন্যতা এবং দুশ্চিন্তা সৃষ্টি করে। ১০ জনের মধ্যে ৭ জন বলেছে ইনস্টাগ্রামের কারণে তাদের নিজেদের দেহ নিয়ে মন খারাপ হয়েছে। ১৪ থেকে ১৪ বছর বয়সের তরুণতরুণীদের অর্ধেকই বলেছে ফেসবুকের কারণে তাদের মানসিক দুশ্চিন্তা ও অশান্তি বেড়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা অভিভাবকদের নানা উপায়ে বাচ্চাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর নজর রাখতে ও তা সীমিত করতে পরামর্শ দিচ্ছেন। ফেসবুক, টুইটার, এ্যাপল এবং স্ন্যাপচ্যাটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এসব অভিযোগ নিয়ে তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেছে তারা এ ব্যাপারে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। সূত্র: বিবিসি একে//

গুগল ম্যাপে যানজটের খোঁজ নেবেন যেভাবে

রাজধানীর প্রধান সমস্যা হচ্ছে যানজট। প্রতিদিনই এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় নগরবাসীকে। এই অবর্ণনীয় ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে ঢাকাবাসীর জন্য নতুন বিস্ময় নিয়ে হাজির হয়েছে গুগল। গুগল ম্যাপ থেকেই জেনে নেওয়া যাবে রাস্তার যানজটের হালচাল। এবার ম্যাপ ও নেভিগেশনের সঙ্গে নতুন ফিচার হিসেবে যুক্ত হয়েছে রাস্তার জ্যামের খবর। এ ফিচার অনেক দেশে আগে থেকেই চালু থাকলেও ঢাকার জন্য চালু হয়েছে গত বছরের শেষ নাগাদ। গুগল ম‍্যাপে ট্রাফিক জ‍্যামের খবর জানতে আপনার  হাতে থাকতে হবে একটি স্মার্টফোন। খুব বেশি ভালো কনফিগারেশন ডিভাইস হতে হবে এমনটাও নয়, এক জিবি র‍্যামের স্মার্টফোন হলেই অনায়াসেই চলবে গুগল ম‍্যাপস অ্যাপটি। গুগল ম‍্যাপস ইন্সটল করতে প্রথমেই ইন্টারনেট সংযোগ চালু করে নিতে হবে। আপনি যদি ওয়াইফাই ব‍্যবহার করেন তাহলে সেটিংসে গিয়ে ওয়াইফাই সংযোগটি চালু করে নিতে হবে। মোবাইল ইন্টারনেট ব‍্যবহার করলে সেটিংসে ‘cellular data’ অপশনে গিয়ে ‘on’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। যদি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ডিভাইস ব‍্যবহার করেন তাহলে ফোন থাকা গুগল স্টোরে গিয়ে ‘google maps’ লিখে সার্চ করে বা এই ঠিকানায় গিয়ে গুগলের ‘ম‍্যাপস’ অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে হবে। আর যদি আইওএস অপারেটিং সিস্টেম চালিত আইফোন বা আইপ‍্যাড ব‍্যবহার করেন তাহলে এই ঠিকানায় গিয়ে গুগল ম‍্যাপ অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিতে হবে। এরপর জিপিএস সুবিধাটি চালু করতে হবে। জিপিএস সুবিধা চালু করতে ফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে ‘location’অপশনটি ‘on’ করে দিতে হবে। এরপর অ্যাপটি চালু করলেই ব‍্যবহারকারী কোথায় অবস্থান করছেন তা লোকেশনে দেখাবে। ব‍্যবহারকারীর আশে পাশে রাস্তাগুলোর ওপরে সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল রঙের কিছু রেখা দেখতে পাওয়া যাবে। সবুজের অর্থ হচ্ছে রাস্তা স্বাভাবিক রয়েছে, হলুদ মানে কিছু গাড়ি আছে যা যা ধীর গতিতে চলছে। কমলার মানে হালকা জ্যাম ও লাল মানে রাস্তায় গাড়ি ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।অপশনটি চালু থাকা অবস্থায় ডিভাইসের নোটিফিকেশনেও কিছুক্ষণ পরপর রাস্তার গাড়ি চলাচলের আপডেট দেখা যাবে। ব‍্যবহারকারীদের জ‍্যাম পেরিয়ে কোন স্থানে যেতে কতক্ষণ সময় লাগবে তাও জেনে নেওয়া যাবে গুগল ম‍্যাপ থেকে। আর এ জন্য ম‍্যাপ অ্যাপটির উপরে সার্চ অপশনে যে স্থান এবং কোথায় যেতে চান তা নির্ধারণ করে দিতে হবে। তারপর ‘directions’ অপশনে ক্লিক করলে স্থানটির দূরত্ব কত কিলোমিটার এবং যেতে কত সময় লাগবে তা দেখা যাবে। গুগল ম‍্যাপের আরও কিছু সুবিধা গুগল ম‍্যাপের সাহায‍্য নতুন কোন জায়গায় গেলে তা সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে। অ্যাপটির সাহায‍্যে ব‍্যবহারকারীদের লোকেশন অনুযায়ী হোটেল, ক‍্যাফে, গ‍্যাস স্টেশন, এটিএম বুথ, ফার্মেসি এবং শপিং সেন্টারের তথ‍্য দিবে। এছাড়া স্থানগুলোর ছবি পাওয়া যাবে। চাইলে গুগল ম‍্যাপের ব‍্যবহারকারীরা অফলাইনে লোকেশন সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন। ফলে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই স্থানগুলো দেখে নেয়া যাবে। ব‍্যবহারকারীরা তাদের পছন্দের স্থানগুলো গুগল ম‍্যাপ সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন। পরবর্তীতে লোকেশন ভুলে গেলে তা সহজেই দেখে নেয়া সম্ভব হবে।ফোনে টাইপ করতে ঝামেলা মনে হলে ভয়েস সার্চ করেই গুগল ম‍্যাপস অ্যাপে কোন স্থানে খোঁজে পাওয়া যাবে। কেআই/ এআর

মাছে ফরমালিন সনাক্তকরণ দ্রবণ

ব্যাবহার পদ্ধতি মাছে ফরমালিন সনাক্তকরণ কিট বক্সের ভিতরে পরীক্ষার জন্য তিনটি দ্রবণ, একটি ড্রপার, তিনটি. গ্লাস টিউব এবং একটি ব্যবহারবিধি সরবরাহ করা হয়েছে। ফরমালিন পরীক্ষার জন্য মাছটিকে অল্প পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। ড্রপারের সাহায্যে ২ ড্রপার (২.৫ মি.লি) মাছ ধোয়া পানি একটি টিউবে নিয়ে পর্যায়ক্রমে ৩০ সেকেন্ড অন্তর। দ্রবন-১, দ্রবন-২ এবং দ্রবন-৩ থেকে ১৫ ফোটা করে দিতে হবে। তৃতীয় দ্রবন দেওয়ার পরে যদি টিউবের পানির রং পরিবর্তত হয়ে গোলাপী অথবা লাল রং হয় তাহলে বুঝতে হবে মাছে ফরমালিন আছে। আর যদি রং অপরিবর্তিত থাকে তাহলে বুঝতে হবে মাছে ফরমালিন নেই। একটি কিট বক্স দ্বারা প্রায় ৩০টি নমুনা পরীক্ষা করা যায় এবং নির্ণয় মাত্রা ৫ পিপিএম। এসএ/  

মৃত্যু সনদ পেতে যা করবেন

মৃত্যু সনদ প্রাপ্তির জন্য আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী অবগত না। সরকার এসব তথ্য সেবা জনগণের দৌড়গোরায় পৌঁছে দিতে তথ্য বাতায়ন নামে একটি ডিজিটাল তথ্য সেবা চালু করেছে। আসুন জেনে নিই মৃত্যু সনদ প্রাপ্তির জন্য আবেদন দাখিলের নিয়মাবলী। অনলাইন আবেদনের সময় সতর্কতার সাথে ফরম পূরণের প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করুন এবং প্রেরণ বাটনে ক্লিক করার পূর্বে ভালো করে যাচাই করে নিন। অসতর্কতার জন্য কোন ভুল অথবা অসম্পূর্ণ আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। একটি ধাপে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে পরবর্তী ধাপে প্রবেশ করুন। পরবর্তী ধাপে প্রবেশের সাথে সাথে পূর্ববর্তী ধাপের পূরণকৃত তথ্যসমূহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমে সংরক্ষিত হয়ে যাবে। প্রথমে এই লিঙ্কে প্রবেশ করে http://online.forms.gov.bd/onlineApplications/apply/NjAvMTEvNQ== নির্দেশ মতো ক্রমানুসারে তথ্য দিয়ে আবেদন পূরণ করতে হবে। ১। আবেদন ফরমের লাল তারকা চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করুন। অন্যান্য ঘরগুলো পুরণ ঐচ্ছিক। ২। আবেদনের সময় যদি পেমেন্ট/অর্থ পরিশোধের বিষয় থাকে তাহলে মোবাইল ব্যাংকিং বা ই-চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করুন। ৩। আবেদন ফরমে ছবি (প্রযোজ্য হলে) ও স্বাক্ষর আপলোড করুন এবং যে সব কাগজপত্র আবেদনের সাথে দাখিল করা প্রয়োজন (সাইজ নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে ) সেগুলো “সংযুক্ত” অপশনে ক্লিক করে আপলোড করুন। ৪। “অফিস বাছাই করুন” অপশন হতে আবেদনটি যে অফিসে পাঠাতে চান সেই অফিস নির্বাচন করুন। ৫। এরপর ‘প্রেরণ’ বাটনে ক্লিক করুন। “আপনার আবেদনটি সফলভাবে প্রেরণ করা হয়েছে” মর্মে একটি বার্তা আসবে। ৬। আবেদন প্রেরণের পর আপনি একটি প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পাবেন। এটি সংরক্ষণ করুন। পরবর্তীতে “আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা” বাটনে ক্লিক করে এই নম্বরটি দিয়ে সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে পারবেন। ৭। আপনি আবেদন প্রেরণ না করা পর্যন্ত আপনার সিস্টেমে তা খসড়া হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। পরবর্তীতে তা আপনি প্রেরণ করতে পারবেন। কেআই/টিকে

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি