ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮ ২১:৫৩:৩৫

বিশ্বের সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি

বিশ্বের সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি

‘ওহোস দেল সালাদো’। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ-পশ্চিমভাগে পূর্ব চিলিতে এটি অবস্থিত। এটি আরেক বিখ্যাত মরুভূমি আতাকামা’র পূর্বে আন্দিজ পর্বতমালাতে চিলি ও আর্জেন্টিনা সীমান্তের কাছে অবস্থিত। জানা যায়, স্প্যানিশ শব্দ ‘ওহোস দেল সালাদো’ এর অর্থ লবণের চোখ। আগ্নেয়গিরিটির চারপাশে ছোট ছোট গর্ত রয়েছে, যেখানে শীতে বরফ জমা থাকে। দূর থেকে দেখলে এগুলো সাদা চোখের মতো দেখা যায়। এ কারণেই আগ্নেয়গিরিটির এ নাম দেওয়া হয়েছে। আগ্নেয়গিরিটির উচ্চতা ৬ হাজার ৮৯৩ মিটার। মরুভূমির কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় আগ্নেয়গিরিটি প্রায় সারা বছরই শুকনো থাকে। শুধু শীতকালে এখানে কিছুটা তুষারপাত ঘটে এবং গ্রীষ্মকাল আসার আগেই জমে থাকা বরফ গলে যায়। পর্বতটির পূর্বদিকে প্রায় ২১ হাজার ফুট উচ্চতায় ১০০ মিটার চওড়া একটি লেক আছে, যার গভীরতা প্রায় ১৫ থেকে ৩০ ফুট। আর এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত কোনও জলাশয়। ওহোস দেল সালাদো একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। তবে এটির সর্বশেষ অগ্ন্যুৎপাত ঘটেছিল প্রায় তেরোশ’ বছর আগে। একে//
অসুস্থ মনিবকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতাল নিয়ে গেল পোষা কুকুর

পোষ্যর তালিকার শুরুতে প্রথমে আসে কুকুরের নাম৷ কুকুর কমবেশি ভালবাসেন সবাই৷ কুকুরের প্রভুভক্তির কথা তো জানেন প্রত্যেকেই৷ তাই তা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই৷ নিজের মালিকের জন্য একটি কুকুর যে কী কী করতে পারে, তা আরও একবার দেখলেন সবাই৷ চীনের সারমেয়র প্রভুভক্তির কাহিনি এখন নেটদুনিয়ায় সাড়া জাগিয়েছে৷ সবাইকে পিছনে ফেলে ওই কুকুরটির কথাই এখন নেটিজেনদের মুখে মুখে ঘুরছে৷ চীনের ছোট্ট এক শহর ডেকিং৷ ওই শহরের বাসিন্দা এক নারীর পরিবারের সদস্য বলতে একটি সারমেয়৷ দিনকয়েক ধরে অসুস্থ হয়ে ছিলেন তিনি৷ শারীরিক অসুস্থতা নিয়েই নিজের সারমেয়কে নিয়ে রাস্তায় বেড়িয়েছিলেন ওই নারী৷ তাতেই ঘটল বিপত্তি৷ কুকুরকে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি৷ মাথা ঘুরে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন ওই নারী৷ অচৈতন্য হয়ে পড়েন৷ চোখের সামনে নিজের কাছের মানুষকে অসুস্থ হয়ে পড়তে দেখে দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দেয় সারমেয়টি৷ চিৎকার করে লোকজন জড়ো করে সে৷ আশেপাশের লোকেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে মাটি থেকে তোলার চেষ্টা করেন৷ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মেডিক্যাল টিম৷ অসুস্থ নারীকে অ্যাম্বুল্যান্সে তোলার তোড়জোড় শুরু হয়৷ নিজের মনিবকে অ্যাম্বুল্যান্সে তুলতে দেখে আরও উদগ্রীব হয়ে পড়ে সারমেয়৷ নারীর জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করে ওই অবলা প্রাণী৷ নিয়ম অনুযায়ী, অ্যাম্বুল্যান্সে কোনও পোষ্যকেই উঠতে দেওয়া হয় না৷ কিন্তু এক চিকিৎসক জানান, কুকুরটি কিছুতেই মালকিনকে অচৈতন্য অবস্থায় অ্যাম্বুল্যান্সে তুলতে দিচ্ছিল না৷ এছাড়া মনিবকে সুস্থ করার জন্য ওই সারমেয়র অক্লান্ত চেষ্টা দেখেও অবাক হয়ে যান মেডিক্যাল টিমে থাকা প্রত্যেকেই৷ তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই অ্যাম্বুল্যান্সে সারমেয়টিকে তোলার সিদ্ধান্ত নেন তারা৷ নারীর জ্ঞান ফেরাতে কুকুরের এই কীর্তিই এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল৷ মেডিক্যাল টিমে থাকা প্রত্যেকের মতো নেটিজেনরাও কুকুরের কারসাজির প্রশংসা না করে থাকতে পারছেন না৷ প্রাথমিক চিকিৎসার পরই সুস্থ হয়ে যান ওই নারী৷ জ্ঞান ফেরার পরই নিজের পোষ্যকে জড়িয়ে ধরেন তিনি৷ চোখের পানিও আর ধরে রাখতে পারেননি৷        সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

হারিয়ে যাওয়া লেন্স চোখে নিয়ে ২৮ বছর!

হারিয়ে যাওয়া আস্ত একটি লেন্স চোখের মধ্যে নিয়ে ২৮ বছর পার করেছেন এক নারী। যুক্তরাজ্যে এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীর বাম চোখের পাতা ছয় মাস ধরে ফুলা ছিল।ডাক্তার দেখেন, তার চোখের পাতার নিচে শক্ত একটি পিন্ড রয়েছে। পরে ডাক্তাররা জানতে পারে ওই নারীর চোখে একটি কন্টাক্ট লেন্স রয়েছে। চিকিৎসকরা জানান, ব্যাডমিন্টনের শাটলককের আঘাতে লেন্সটি তার চোখের ওপরের দিকে চলে যায় এবং সেখানেই আটকে ছিল গত ২৮ বছর। ডাক্তাররা জানান, এমআরআই করার ফলে ওই লেন্সটি ধরা পরে।পরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ওই সিস্ট অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর দেখা যায়, সিস্টের ভেতরে ছিল একটি চোখের লেন্স। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২৮ বছর আগে, যুক্তরাজ্যের ১৪ বছর বয়সী ওই নারী ব্যাডমিন্টন খেলতে গিয়ে চোখে ব্যথা পান। এ সময় তার ওই চোখের কন্টাক্ট লেন্সটি হারিয়ে যায়। কিন্তু লেন্সটি মূলত হারিয়ে যায়নি। ব্যাডমিন্টন ব্যাটের আঘাতে লেন্সটি তার চোখের মধ্যে আটকে যায়। তবে এতো লম্বা সময় ধরে তার চোখের পাতায় লেন্সটি আটকে  থাকার পরও ওই নারী তা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি। তার বাম চোখের পাতা একটু ভারী ছিল সবসময়, কিন্তু তা নিয়ে তিনি কখনো চিন্তিত হননি।   সূত্র: লাইভ সায়েন্স   এমএইচ/    

টেরাসরের ওড়ার ক্ষমতা ছিল

গবেষকরা গত সোমবার একটা অজ্ঞাত প্রজাতির সন্ধান দিল- টেরাসর। এটিই প্রথম কোনও প্রজাতি, যাদের মেরুদণ্ড ছিল এবং নিজেদের ওড়ার ক্ষমতা ছিল। ডায়নোসর কিংবা পাখি নয়, টেরাসর বা টেরাডেক্টাইল- টেরাসিক যুগে আজ থেকে ২০০ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে ছিল। পৃথিবীপৃষ্ঠে উল্কাপাতের ফলে প্রায় ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে ডায়নোসর অবলুপ্ত হওয়ার সময় এই প্রাণীও অবলুপ্ত হয়ে যায়।  এই পরিবারের নতুন আবিষ্কৃত সদস্যের উত্তর-পূর্ব উটাহ অঞ্চলে খোঁজ পাওয়া যায়। এদের এক দশমিক পাঁচ মিটার বা পাঁচ ফুট লম্বা ডানা এবং ১১২টা দাঁত, শুন্ডের কাছে কয়েকটা ঝুলন্ত কাঁটা আছে। নিচের চোয়ালের কাছে একটা থলির মতো অংশ ছিল, সম্ভবত সেখানে শিকার করা ছোট মাছ বা অন্যান্য খাদ্য সঞ্চয় করে রাখত। উটাহের ব্রিংহ্যাম ইয়ং ইউনিভার্সিটির  জীবাশ্মবিদ এবং নেচার ইকোলজি অ্যান্ড এভোলিউশন গবেষণার প্রধান প্রবক্তা ব্রুকস ব্রিট জানান, ‘এই প্রাণীদের গঠন ওড়ার উপযুক্ত ছিল।’ আবিষ্কৃত এই জীবাশ্মতে অক্ষত হাড়, দাঁত ও মাথার খুলি আবিষ্কার করা গেছে। সূত্র: এনডিটিভি একে//

এক কাপ কফির দামে ৯০০০ কাপ পেট্রল!

এক কাপ কফির ৯০০০ কাপ পেট্রল! কি শুনে অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার-ই কথা। কারণ লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনিজুয়েলায় তেলের দাম একেবারেই কম। দেশটিতে প্রতি লিটার পেট্রল বিক্রি হয় বাংলাদেশি টাকায় ৬৯ পয়সা।  অথচ দেশটিতে এক কাপ কফির দাম ৪৫ টাকা। এ টাকায় প্রায় ৯০০০ কাপ পেট্রল পাওয়া যায়। তবে ভেনিজুয়েলা তেলের দাম বাড়ানোর ‍সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো বলেছেন, তার সরকার তেলে ভর্তুকি দেওয়া বন্ধ করে দেবে। তেলের পাচার রোধ করতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের মধ্যে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মূল্যে পেট্রল বিক্রি করতে হবে। তেল পাচার রোধ করতে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেছে মারাত্মকভাবে। সে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি চরম ক্রান্তিলগ্ন পার করছে। ফলে তেলের দাম বাড়িয়ে ক্রান্তিকাল থেকে উতরে যাওয়ার পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে দেশটি। সূত্র : ডেইলি মেইল। / এআর /

সবচেয়ে পুরোনো রং গোলাপি!

পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন রং গোলাপি। এমনটিই দাবি করেছেন অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-র এক গবেষক। তাঁর গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে ‘প্রোসিডিংস অব দি ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস অব দি ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা’ পত্রিকায়। গবেষকের নাম নুর গুয়েনেলি। তিনি সাহারা মরুভূমির নিচে পশ্চিম আফ্রিকার মরিটেনিয়ার টাওদেনি বেসিনে থাকা ১১০ কোটি বছরের পুরনো পাথরে গোলাপি রঞ্জক খুঁজে পেয়েছেন। এরপর বলছেন ভূতাত্ত্বিক রেকর্ডে এটাই সব চেয়ে পুরনো রং। তাঁর দাবি, সামুদ্রিক জীব থেকে বিভিন্ন রঞ্জক যখন তৈরি হয়েছে, তারও ৫০ কোটি বছর আগে তৈরি হয়েছে উজ্জ্বল গোলাপি রঞ্জক। এটিরও উৎস প্রাচীন সামুদ্রিক জীব। গুয়েনেলি বলেছেন, ‘উজ্জ্বল গোলাপি রঞ্জক হচ্ছে ক্লোরোফিলের আণবিক জীবাশ্ম। এক ধরনের সালোকসংশ্লেষকারী প্রাচীন সামুদ্রিক জীব এই ক্লোরোফিল তৈরি করত। রঞ্জক রয়ে গেলেও ওই জীব পরে উধাও হয়ে যায়।’ এই রঞ্জক আবিষ্কারের জন্য গবেষক একশো কোটি বছরের পুরনো পাথর গুঁড়ো করে পাউডার তৈরি করেন। সেই পাউডার থেকে প্রাচীন জীবের কণা (মলিকিউল) বার করে তার বিশ্লেষণ করেছেন। এই সময়েই প্রাচীন রঞ্জকে উজ্জ্বল গোলাপি রং লক্ষ্য করেন গুয়েনেলি। যদিও পাথরে জমে থাকা অবস্থায় ওই জীবাশ্মের রং কখনও রক্তের মতো লাল, কখনও বা গাঢ় পার্পল। সূত্র : আনন্দবাজার। / এআর /

মাথাহীন প্রাণী

দেখতে অনেকটা বৃক্ষগুল্মের মতো। পেঁচানো কালো রঙের। যেগুলোকে অনেকে ডালপালা ভেবে ভুল করে বসেন। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন এগুলো বৃক্ষ কিংবা গুল্ম নয়, প্রাণী। তবে মাথা নেই। সংবাদমাধ্যম ‘মিরর’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দক্ষিণ ভিয়েতনামের কিয়েন গিয়াং প্রদেশের এক সমুদ্রতটে এ প্রাণীটি পাওয়া গেছে। যে ব্যক্তি এ প্রাণীটিকে প্রথম দেখেন, তিনি লক্ষ্য করেন যে টেবিলে এটিকে রাখার পর তা কিলবিল করতে শুরু করে। তখন সে প্রাণীটির একটি ভিডিও করা হয়। এক সমুদ্রসৈকত ভ্রমণকারী জানান, তার মনে হয় এটা একটা জলদানব। এখন এটা ছোট অবস্থায় রয়েছে। পরে এর আকার আরও বড় হবে। লক্ষ্য করে দেখা যায়, প্রাণীটির শুঁড়গুলোর মাঝখানে একটি তারা আকৃতির দেহ রয়েছে। কিন্তু এর মুখ বা মাথা কোথায়, তা খুঁজে পাওয়া যায়নি। আর শুঁড়গুলো স্পর্শ করলে তা কুঁকড়ে যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাণীটির ভিডিও পোস্ট হলে অনেকেই এটিকে ‘ভিনগ্রহের প্রাণী’ বলতে শুরু করেন। কিন্তু অনেকের মতে, এটি একটি ‘বাস্কেট স্টারফিশ’। সূত্র : দ্য মিরর। / এআর /

১৮০০ বছরের পুরোনো আংটি

প্রাচীন জিনিসের প্রতি মানুষের আকর্ষণ সহজাত। সেটি যদি হয় আংটির মতো স্মৃতিচিহ্ন তবে তো কথাই নেই। ১৮০০ বছর আগের একটি আংটি সন্ধান পাওয়া গেছে। আংটিটি সোনার। বেশ কিছু বহুপুরনো স্বর্ণমুদ্রাও পাওয়া গেছে। আংটি ও মুদ্রাগুলো রীতিমতো রোমান আমলের। ইংল্যান্ডের সমারসেটের এক মাঠে পাওয়া গেছে ওই আংটি। আংটিটি পেয়েছেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত সদস্য। নাম জেসন। তিনি ডিটেক্টিং ফর ভেটেরানস- নামের একটি গ্রুপের সদস্য। সমারসেটের এক মাঠে শখের অনুসন্ধান চালাতে গিয়েছিলেন সেই গ্রুপের হয়ে। সেখানে হঠাৎই খুঁজে পেয়েছেন এই মহামূল্যবান জিনিস। আংটিটি ২৪ ক্যারেটের সোনার তৈরি। আংটির ওপরে রোমানদের জয়ের দেবী ভিক্টোরিয়ার ছবি খোদাই করা রয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, সেটি ২০০ থেকে ৩০০ খ্রিস্টাব্দের সময়কার। একই জায়গায় সন্ধান মিলেছে ৬০টি রোমান মুদ্রার। যে জমি থেকে ওই আংটি পাওয়া গিয়েছে, সেই জমির মালিকেরও সমান শেয়ার থাকবে প্রাপ্ত এই সম্পত্তিতে। ঐতিহাসিকভাবে অমূল্য সম্পদ হওয়ায় আংটি নিজেদের আওতায় নিয়েছে ব্রিটিশ মিউজিয়াম। এজন্য অবশ্য অর্থও প্রদান করবে তারা। সূত্র : জিনিউজ। / এআর /

আগামীকাল দেখা যাবে বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ

আরও এক সূর্যগ্রহণের সাক্ষী থাকতে চলেছে বিশ্ব। টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলবে সেই গ্রহণ। এটাই বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ। এ বছরে আগে আরও দুটি সূর্যগ্রহণ দেখা গেছে। শেষ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে আগামীকাল শনিবার। তবে ভারত থেকে সেই গ্রহণের দৃশ্য দেখা যাবে কি-না, সেটাই প্রশ্ন। জানা গেছে, পৃথিবীর ৬৫ শতাংশ মানুষ এই গ্রহণ দেখতে পাবেন। সূত্রের খবর, ভারত থেকে গ্রহণ দেখা যাবে না। যে দেশ থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে, সেই তালিকায় রয়েছে আমেরিকা, উত্তর-পশ্চিম এশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মস্কো এবং চীন। সব থেকে ভালোভাবে গ্রহণটি দেখা যাবে উত্তর গোলার্ধে৷ এছাড়া চীনের খানিকটা অংশেও দেখা যাবে সেই দৃশ্য৷ এর আগে গত ১৩ জুলাই আংশিক সূর্যগ্রহণ হয়েছিল৷ দেখা গিয়েছিল, অ্যান্টার্কটিকা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউ জিল্যান্ডে৷ তবে গ্রহণের দৃশ্য লাইভ দেখাবে নাসা৷ সূর্যগ্রহণের সময় এক্সরে প্লেট বা রোদ চশমা পরে দেখতে পারেন। খালি চোখে গ্রহণ দেখলে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখার ক্ষেত্রে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের মতই সতর্কতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে নাসা। শনিবার লন্ডনে গ্রহণ শুরু হবে স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২ মিনিটে। মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা জানিয়েছে, আগামী বছরও তিনটা সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

অবশেষে জট খুলল বারমুডা ট্রায়াঙ্গল রহস্যের!  

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল। এক রহস্যময় মৃত্যুপুরীর নাম। ৭৫ টি বিমান ও প্রায় ১০০ টির কাছাকাছি জাহাজ বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে প্রবেশের পর পরই আর সন্ধান মেলেনি। এই রহস্যের মৃত্যুপুরী ‘ডেভিলস ট্রায়াঙ্গল’ নামে বেশি পরিচিত। এই রহস্য জন্ম দিয়েছে অনেক প্রশ্নের। পাশাপাশি আশঙ্কা, ভয় ও চক্রান্তের।   বারমুডা এমন একটি রহস্য যা নিয়ে ভাবতে গিয়ে ঘাম ঝরাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ থেকে চিন্তাশীল ব্যক্তিদেরও। কিন্তু সমাধান সূত্রে পৌছতে পারেননি কে‌উই। অবশেষে সেই রহস্যেরই জট খুলল বলে মনে করছেন অনেকে। বারমুডা আটলান্টিক মহাসাগরের উপর ৫ লক্ষ কিলোমিটার বর্গক্ষেত্রের একটি এলাকা যা ফ্লোরিডা, পুয়ের্তো রিকো এবং বারমুডার মধ্যে অবস্থিত। জানা যায়, এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গল ১০০ বছরে ১০০০ জন মানুষের জীবন নিয়েছে। বর্তমানে ‘চ্যানেল ৫’ তাদের ‘দ্যা বারমুডা ট্রায়াঙ্গল এনিগমা’ তথ্যচিত্রে দাবি করেছে সম্ভবত এই রহস্যজনকভাবে বিমান বা জাহাজ উধাও হয়ে যাওয়ার পিছনে রয়েছে ১০০ ফুট উচ্চতার ‘রাফ ওয়েভ’ বা ভয়ঙ্কর ঢেউ। কিন্তু কি এই ‘রাফ ওয়েভ’?     বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা যায় অত্যন্ত ঝোড়ো ঢেউ। এই ঢেউগুলি ১০০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উপরে উঠতে পারে। ১৯৯৭ সালে প্রথম একটি স্যাটেলাইটের সাহায্যে দক্ষিণ আফ্রিকার সমুদ্র উপকুলে এই ভয়ঙ্কর ঢেউ লক্ষ্য করা যায়। এই ঢেউগুলি সম্পর্কে আগে থেকে কোনও আভাস পাওয়া যায় না। চ্যানেল ৫ এর তথ্যচিত্রে বিজ্ঞানীরা আভ্যন্তরীণ উদ্দীপকের সাহায্যে কৃত্রিম উপায়ে একটি ভয়ঙ্কর ঢেউ তৈরি করেন। সাদাম্পটনের বিজ্ঞানীরা ‘ইউএসএস সাইক্লোপস’ নামে একটি জাহাজ তৈরি করেন যা ১৯১৮ সালে ৩০০ জনকে নিয়ে উধাও হয়ে যায়। জাহাজটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জ্বালানি সরবরাহের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। ১৯১৮ সালে বাহিয়া থেকে বাল্টিমোর যাওয়ার সময় এটি উধাও হয়ে যায় । উল্লেখ্য, এই জাহাজটির ভগ্নাবশেষ বা ৩০৬ জনের কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সমুদ্র বিজ্ঞানী সাইমন বক্সবল বলেন, আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর তিনটি ভিন্ন জায়গা থেকে তিনটি ভয়ঙ্কর ঝড় আশার ফলে ওইসময় ভয়ঙ্কর ঢেউের সৃষ্টি হয়েছিল।এইরকম ঢেউ জাহাজটিকে টুকরো টুকরো করেও দিয়ে থাকতে পারে। বিজ্ঞানী ড. ক্রসজেলনেইকি বলেন, এমন নয় যে শুধুমাত্র বারমুডা ট্রায়াঙ্গলেই এ রকম ঘটনা ঘটেছে। পৃথিবীর বহু জায়গাতেই এ রকম ঘটনার ইতিহাস রয়েছে। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে উত্তর মিললেও বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের রহস্যের সমাধান হয়নি। দ্যা ন্যাশনাল ওসিয়ানিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফোরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিজ্ঞানী ড. ক্রসজেলনেইকির সঙ্গে একমত হয়ে জানিয়েছেন যে, এই ট্রায়াঙ্গলের সঙ্গে অন্যান্য জায়গার কোনও তফাৎ নেই। একই ধরনের বাতাস ও সমুদ্রের অবস্থান রয়েছে সেখানে।    কেআই/এসি   

বিশ্বের সেরা ১০ ম্যাজিক ট্রিকস (ভিডিও)

ছেলেবেলা থেকেই প্রত্যেকের ম্যাজিকের প্রতি এক আলাদা আকর্ষণ রয়েছে। কখনও কোনও মহিলা শূন্যে ভাসছে, আবার কখনও দেখা যায় ম্যাজিশিয়ানের শরীর কেটে দু’ভাগ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু, কীভাবে হয় এসব, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে উত্তর খোঁজা বেশ মুশকিল। বলা হয়, আসলে ম্যাজিশিয়ানরা নাকি মানুষের চোখ একটা ‘ইলিউশন’ তৈরি করে, আর তার মধ্যেই মুহূর্তে ভ্যানিশ হয়ে যায় দৃশ্যমান জিনিসপত্র। যুগ যুগ ধরে হয়ে আসা এসব ম্যাজিকের এক বিশেষ পন্থা তো নিশ্চয় আছে, তবে সেসব গোপনেই রাখেন যাদুবিদ্যার অধিকারীরা। এই ভিডিওতে সে রকমই কিছু ম্যাজিকের রহস্যের সমাধান করতে পারবেন। বিশ্বের সব থেকে বিখ্যাত ১০ ম্যাজিকের ট্রিকস জানতে পারবেন আপনি। যেমন ধরা যাক, শূন্যে ভাসা যায় কীভাবে। আগুন থেকে পায়রা বেরিয়ে আসে কীভাবে, ইত্যাদি। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

২৫০ বছরের পুরোনো টি-পট: দাম সাড়ে ৮ লাখ ডলার

টি-পটের সঙ্গে আমরা বেশ পরিচিত। চা’কে আরো বেশি উপভোগ্য করার জন্য টি-পটের অত্যন্ত প্রয়োজন।দামও সাশ্রয়ী। হাতল ছাড়া একটি পুরনো টি-পটের দাম কতইবা হবে। কিন্তু ইংল্যান্ডের পশ্চিমে অবস্থিত ক্যাথেড্রাল শহরে একটি নিলাম হাউসে এক অবিশ্বাস্য কান্ড ঘটেছে। ২৫০ বছরের ‍একটি পুরনো টি-পটের দাম উঠেছে ৮ লাখ ৬ হাজার ডলার। এবার আসা যাক বিস্তারিত বিবরণে, ইংল্যান্ডের একটি নিলামঘরে উঠেছিল ঢাকনাবিহীন, ভাঙাচোরা হাতলের টি-পটটি। নিউইয়র্কের মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্টের পক্ষ থেকে একজন ডিলার সর্বোচ্চ দামে কিনে নেন টি-পটটি। মজার বিষয় হচ্ছে, টি-পটটি নিলামঘরে তোলার পর এর মূল্য ধরা হয়েছিল ১০-২০ হাজার ডলার। এটাই যে লাখের অংক ছুঁয়ে যাবে, সেটা কেউই ভাবেননি।  এটিকে খুব সাধারণ টি-পট বলে ভাবছেন যারা, তাদের জন্য একটু বিস্তারিত না বললেই নয়। ১৭৬০ সালের শেষের দিকে সাউথ ক্যারোলাইনার কেইন হোয় ফ্যাক্টরি থেকে পোর্সেলিনের তৈরি সাদার ওপর নীলের নকশা করা টি-পটটি তৈরি করা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, এটিকে আমেরিকায় প্রথম দিকে পোর্সেলিনে তৈরি কোনো পাত্র হিসেবেই ধরা হচ্ছে, যা কিনা তৈরি করা হয়েছে আজ থেকে ২৫০ বছরেরও আগে। কেইন হোয় কারখানাটি মূলত ব্রিটিশ আমেরিকান নাগরিক জন বার্টলামের। তাকে বলা হয় আমেরিকার প্রথম পোর্সেলিন ম্যানুফ্যাকচারার। যেহেতু অনেক বছরের পুরনো এটি, তাই কেনার জন্য আগ্রহী ক্রেতারও অভাব ছিল না। শেষতক সর্বোচ্চ ৮ লাখ ৬ হাজার ডলার হাঁকিয়ে নিউইয়র্ক মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম এটি নিজেদের দখলে নেয়। বর্তমানে এটি সেখানেই রয়েছে।   সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস   এমএইচ/

এইচআইভি দূর করবে জিএমও ধান!

এইচআইভি এইডস রোগীদের চিকিৎসায় অভিনব এক উপায় উদ্ভাবন করেছেন একদল গবেষক। তা হলো জেনেটিক্যালি মডিফাইড বা জিএমও ধান। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং স্পেনের গবেষকরা মিলে নতুন জিএমও ধান উদ্ভাবন করেছেন এইচআইভি এইডসের উপসর্গ মোকাবেলা করার জন্য। বিশেষ করে যেসব দেশে এইচআইভির ঔষধ সহজলভ্য নয়, সেসব দেশে এই ধান বিশেষ উপকারে আসতে পারে। তাদের এ গবেষণা প্রকাশিত হয় প্রসিডিংস অব দ্যা ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস জার্নালে। বিশ্বের বিভিন্ন ফসলের জিএমও প্রকরণ রয়েছে। এর আগে পুষ্টিহীনতা এবং পরিবেশ বিপর্যয় মোকাবেলা করতে সক্ষম জিএমও ধান উদ্ভাবন হয়েছে।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে বিশ্বে ৩ কোটি ৬৯ লাখ এইচআইভি এইডস রোগী ছিল। এর মাঝে ২ কোটি ৫৭ লাখই আফ্রিকার বাসিন্দা। ১৯৮০ এর দশকে মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছিল এই রোগটি। তখনকার তুলনায় এর সংক্রমণ কিছুটা কমে গেলেও আশঙ্কাজনক হারে নতুন করে বাড়ছে এইচআইভি সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা। বর্তমানে এই রোগ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন ওষুধ এবং টিকা পরীক্ষাধীন রয়েছে। তবে বর্তমানে যৌনশিক্ষার প্রসার এবং মুখে খাওয়ার ওষুধ ছাড়া এই রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের কোনো উপায় নেই। এইডসের ইতিহাসে মাত্র একজন রোগী পুরোপুরিভাবে সুস্থ হতে পেরেছেন। অন্য রোগীরা একধরণের অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধ খান, যা শরীরের ভেতরে এইডস ছড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। সঠিক চিকিৎসা করা হলে রোগী লম্বা ও সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এসব ওষুধ সবার জন্য সহজলভ্য নয়। এ কারণেই গবেষকরা এইচআইভি রোগীদের জন্য বিশেষ ধান উদ্ভাবন করেন। তাদের মতে, যেসব রোগী ওষুধ কেনার সুযোগ পাচ্ছে না, তাদের জন্য সহজলভ্য এবং সস্তা সমাধান হলো এই জিএমও ধান। কী করে এইচআইভি নিয়ন্ত্রণে রাখবে এই ধান? এসব ধানের বীজে রয়েছে তিনটি প্রোটিন- মোনোলোকাল অ্যান্টিবডি ২জি১২, লেকটিনস গ্রিফিথসিন এবং সায়ানোবাইরিন-এন। এগুলো এইচআইভি শরীরের ভেতরে ছড়ানো রোধ করে। এই ধান বেটে ত্বক প্রয়োগ করা যায় ক্রিমের মতো, এতে তা অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধের মতোই কাজ করে। এসব ধানের উৎপাদনে খরচ খুবই কম। এই ধান জনসাধারণের জন্য সহজলভ্য করে তুলতে অবশ্য বেশ কিছুটা সময় লাগবে। বিশেষ করে অনেকের মাঝেই জিএমও ফসল নিয়ে একটা ভীতি কাজ করে। এই ভীতি কাটিয়ে উঠতে হবে। এই ফসলের কোনো খারাপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, সেটাও প্রমাণ করতে হবে। কেএনইউ/ এআর  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি