ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ৩:১১:১৮

৪০ লাখ ইউরোতে বিক্রি হলো জার্মানির যে গ্রাম

৪০ লাখ ইউরোতে বিক্রি হলো জার্মানির যে গ্রাম

মাত্র এক লাখ ৪০ হাজার ইউরোতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি কিনে নিলেন বার্লিন থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জার্মানির ছোট্ট গ্রাম আলউইন। জীবিকার সন্ধানে এখানকার বেশিরভাগ বাসিন্দাই গ্রাম ছেড়ে চলে গেছেন। কিন্তু বাপ-দাদার ভিটার মায়া কাটাতে পারেননি প্রবীণ বাসিন্দারা। তবে সেই সংখ্যাটা অল্পই। ওই গ্রামের বর্তমান বাসিন্দা মাত্র ২০ জন, যাদের বেশিরভাগেরই বয়সের ভারে আর কাজকর্ম করার ক্ষমতা নেই। তাদের রোজগার নেই বললেই চলে। চরম দারিদ্র্য ও অবহেলায় দিন কাটে। সম্প্রতি গ্রামটি নিলামে তোলা হয়। নিলামের শুরুতে দাম ওঠে এক লাখ ২৫ হাজার ইউরো। তবে শেষমেষ এক লাখ ৪০ হাজার ইউরো মালিকানা বদলে যায় আলউইনের। গ্রামটি কিনে নেন অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি। ইউরো চালু হওয়ার আগে জার্মানির মুদ্রা ছিল ডয়েসমার্ক। ২০০০ সালে প্রতীকী এক ডয়েসমার্কের দামে এক ব্যক্তির কাছে আলউইন গ্রামটি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। জানা গেছে, নব্বইয়ের দশকে কমিউনিস্ট শাসিত সাবেক পূর্ব জামানির অন্তর্ভুক্ত ছিল আলউইন। তখন গ্রামটির আর্থিক সমৃদ্ধি ছিল। কাছেই থাকা একটি ইটভাটায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন গ্রামের বাসিন্দারা। তখন প্রত্যেক পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ছিল। কিন্তু ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি এক হয়ে গেলে ধীরে ধীরে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যেতে থাকে আলউইন। ইটভাটাটি বন্ধ হয়ে যায়, গ্রামবাসীদের রুটি-রুজিতে পড়ে টান। জীবিকা সন্ধানে গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি দিতে শুরু করেন বাসিন্দারা। এভাবে একসময়ে কার্যত জনহীন হয়ে পড়ে এক সময়ের সমৃদ্ধশালী গ্রামটি। জার্মানি সরকারও গ্রামটিরর উন্নয়নে সেভাবে কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলে অভিযোগ আছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, সানডে এক্সপ্রেস। এসএইচ/
অন্ধের বিশ্ব ভ্রমণ!

আশ্চর্যজনক, তবু সত্য! অকল্পনীয়, তবুও বাস্তব! অন্ধের হাতি দর্শনের সেই অমোঘ বাস্তবতা পেছনে পেলে এক বিরল নজির স্থাপন করেছেন যুক্তরাজ্যের নাগরিক টনি গিলস। টনি গিলস কেবল অন্ধই নয়, বধিরও। তবে প্রতিবন্ধকতা তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। দেখতে পারেন নি, তাতে কি হয়েছে? শুনতে পারেননি তাতে কী আসে যায়? যাদের হৃদয় দেখতে পায়, শুনতে পায় টমি গিলস সেই বিরল মানুষদেরই একজন। ১২০টিরও বেশি দেশ ভ্রমণ করেছেন টনি গিল এমনই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বিবিসির এক ভিডিও প্রতিবেদনে টনি গিলস বলেন, আমি পুরোপুরি অন্ধ ও বধির! কিন্তু পুরো পৃথিবীতে দেখতে চাই। ১২৪তম দেশে ভ্রমণের অংশ হিসেবে গিলস এখন জেরুজালেমে রয়েছেন। বিবিসির কাছে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গিলস বলেন, আমি একাই ভ্রমণ করি। কারণ আমি চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। একা বের হলে, আমি মানুষের সঙ্গে মিথষ্ক্রিয়া করতে পারি। তিনি আরও বলেন, আমি যদি কোনো সুস্থ্য মানুষের সঙ্গে ভ্রমণ করতাম, তাহলে সে আমার সব কাজ করে দিত। সে আমাকে গাইড করতো। কিন্তু আমি কোন কিছুই ছুঁয়ে দেখতে পারতাম না। তাই কোন গাইড আমার সঙ্গে নিইনি। প্রতিবেদনে তিনি বলেন, আজকে আমি ইসরায়েলের সবচেয়ে পুরোনো শহর ওয়েস্টার্ন ওয়ালে যাব, তাই আমি নিজেই বাসের জন্য অপেক্ষা করছি। পরে বাসে চড়ে বসেন তিনি! বাসে চড়ে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলেন বিস্ময় মানব গিলস। এসময় তিনি বলেন, আমি দেখতে পারি না।তবে বড় করে নিঃশ্বাস নেই। এতেই সুখ পাই। নিজেকে বলি, টনি তুমিতো এটাই চেয়েছিলে। তবে বিশ্বভ্রমণ করতে গিয়ে অনেক চ্যালেঞ্জেরও মুখোমুখি হতে হয়েছে টনিকে। টনি বিবিসির ওই প্রতিবেদককে বলেন, আপনি যখন সুনির্দিষ্ট কিছু খুঁজতে যাবেন, তখন এটা খুঁজে পাওয়া কষ্টসাধ্য ব্যপার যদি আপনি অন্ধ হোন। বিশেষ করে যখন আপনি ১০জন মানুষ হেঁটে যাবে, তাঁদের একজনকে আপনার সহযোগিতার জন্য ডাকতে হবে। তাকে থামানো অনেক কঠিন। সূত্র: বিবিসি এমজে / এআর

আবুধাবির পথে ভিঞ্চির ‘সালভেটর মুন্ডি’

লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা ৫০০ বছরের পুরনো চিত্রকর্ম ‘সালভেটর মুন্ডি’ বা ‘বিশ্বের ত্রাণকর্তা’ নিউইয়র্ক থেকে আবুধাবিতে আসছে। খ্রিস্টীয় বিশ্বাসের এই চিত্রকর্মটি সদ্য চালু হওয়া লুভর আবুধাবি জাদুঘরে রাখা হবে। লুভর আবুধাবি জাদুঘরের এক ‍টুইটার বার্তায় এ কথা জানানো হয়। এই মাসের নিলামে চিত্রকর্মটি কেনা হয়েছে কি না তা উল্লেখ করা হয়নি টুইটারে। তবে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চিত্রকর্মটি কিনেছেন এক সৌদি প্রিন্স। নিউইয়র্ক টাইমসের মতে, এই চিত্রকর্মটি কিনেছেন সৌদি প্রিন্স বদর বিন আব্দুল্লাহ বিন মোহাম্মদ বিন ফারহান আল-সৌদ। ‘সালভেটর মুন্ডি’ চিত্রকর্মটি রেকর্ড ৪৪১ মিলিয়ন পাউন্ডে নিউইয়র্কে বিক্রি হয়েছিলো যা শিল্পকর্মের ইতিহাসের সর্বোচ্চ নিলামমূল্য। অজ্ঞাত এক ক্রেতা কিনেছিলেন সেটি। ১৫১২ সালে মারা যান লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি। আর এই ‘সালভেটর মুন্ডি’ চিত্রকর্মটি ১৫০৫ সালের দিকে একেঁছিলেন ধারণা করা হচ্ছে।   সূত্র : বিসিসি এমআর / এআর

তাইওয়ানের আকাশে ৯ ঘন্টা স্থায়ী রংধনু

রংধনুর রঙে রাঙ্গায়িত তাইওয়ানের আকাশ। আর সেই আলোয় ভেঙ্গে গেছে আগের সব রেকর্ড। প্রায় ৯ ঘণ্টা স্থায়ী রংধনুটিকে আকাশের তরফ থেকে উপহার হিসেবে দেখছে তাইপে পর্বতের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।  গত সপ্তাহে তাইপে পর্বতে দেখা যায় রংধনুটি। চায়নিজ কালচারা‌ল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা রংধনুর সেই আলো দিনভর মুগ্ধতার সঙ্গে উপভোগ করেছেন। কেউ কেউ মুহূর্তটি ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দী রেখেছেন। আর সেই ভিডিওটি পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এতে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা দারুণ উচ্ছ্বসিত। সকাল ছয়টা থেকে বিকাল ৩.৫৫ মিনিট পর্যন্ত আট ঘন্টা ৫৮ মিনিট স্থায়ী হয়েছিল রংধনু, যা ভেঙে দিয়েছে আগের বিশ্বরেকর্ড। ১৯৯৪ সালের ১৪ মার্চ ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারের আকাশে ছয় ঘণ্টাব্যাপী রংধনু স্থায়ী হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক চৌ কুন-সুয়ানসাইদ বলেন, দৃশ্যটি ছিল চমৎকার। আমরা এটাকে আকাশের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য উপহার হিসেবে দেখছি। প্রথমে স্বাভাবিক মনে হলেও, পরবর্তীতে রংধনুটিকে দীর্ঘায়িত হতে দেখে শিক্ষার্থীদের ছবি ও ভিডিও তুলতে উৎসাহিত করি। তবে সাধারণত রংধনু এক ঘণ্টারও কম সময় স্থায়ী হয় বলে জানিয়েছে চায়নিজ ওয়েবসাইট। সূত্র: বিবিসি এমজে / এআর  

বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাটারি অস্ট্রেলিয়ায় চালু

দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ শুরু হয়েছে। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় সাম্প্রতিক বিদ্যুৎ সঙ্কটের পর এই ব্যাটারিকে বর্তমান জ্বালানী ব্যবস্থায় যুক্ত করা হচ্ছে। উৎপাদিত এই বিদ্যুৎ এখন যোগ হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহের গ্রিডেও। গত শুক্রবার এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানী উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী ঘটনা। একশ’ মেগাওয়াটের এই ব্যাটারিটি তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের টেসলা নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান ইলন মাস্ক ১০০ দিনের মধ্যে এটি তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের মধ্য দিয়ে টেসলার দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়েছে। মাস্ক জানান, এই ব্যাটারিটি এর আগের বৃহত্তম ব্যাটারির চেয়েও তিনগুণ বেশি শক্তিশালী। তিনি জানিয়েছেন, এখান থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে সেটা দিয়ে ৩০ হাজার বাড়ির এক ঘণ্টার চাহিদা মেটানো সম্ভব। এই ব্যাটারিটি জেমসটাউনের কাছে, অ্যাডেলেইড থেকে দুইশ’ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। ব্যাটারিটি একটি উইন্ডফার্মের সঙ্গে সংযুক্ত। সেটি দিয়েই চলছে এই ব্যাটারি । সূত্র: বিবিসি একে// এআর

সবচেয়ে ধনী গ্রাম হুয়াক্সি যেনো এক বিস্ময় !

রহস্যময় একটি গ্রাম হুয়াক্সি। চীনের এই গ্রামের সবাই কোটিপতি। অথচ একসময় এখানকার মানুষ খুবই গরিব ছিলো। কৃষিকাজই ছিলো তাদের পেশা। আর এখন তারাই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গ্রামের বাসিন্দা। প্রত্যেকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আছে ২৫ লাখ ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় ২১ কোটি ২৪ লাখ টাকা প্রায়। গণমাধ্যমে চীনের হুয়াক্সি নামের গ্রামটি সবচেয়ে ধনী মানুষের গ্রাম হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। এটিকে কমিউনিস্ট ইউটোপিয়া বা ‘সাম্যবাদের কল্পরাজ্য’ বলা হচ্ছে। হুয়াক্সির সবকিছুই রহস্যময়। গণমাধ্যমের সামনে কারও কথা বলার অনুমতি নেই। একসময়ের খুব সাধারণ কৃষকসমাজ ইস্পাত ও জাহাজের বাজার থেকে বহু কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করেছে। এখানে দুই হাজার মানুষের বসবাস। তাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সবকিছু বিনা মূল্যেই দেওয়া হয়। এখানকার প্রত্যেকেই সাত দিনই কাজ করেন। তাদের ছুটি বলে কিছু নেই। গ্রামটি প্রতিষ্ঠা করেন হুয়াক্সি ভিলেজ কমিউনিস্ট পার্টি কমিটির সাবেক সেক্রেটারি উ রেনবাও। এখানকার প্রতিটি বাড়িতে পরিবারের সদস্যসংখ্যা অনুযায়ী কম করেও দুটি গাড়ি রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, ২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের ব্যাংক-ব্যালেন্স রয়েছে। সঙ্গে রয়েছে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা ও শিক্ষা। ২০১১ সালে গ্রামটির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৩২৮ মিটার উঁচু বড় ভবন তৈরি করা হয়। গ্রামের সব বাসিন্দা একসঙ্গে সমবেত হওয়া ও খাওয়ার জন্য বিশাল জায়গা রয়েছে এখানে। গ্রামে জুয়া খেলা ও মাদকসেবন পুরোপুরি নিষিদ্ধ। গ্রামটির বড় আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে-গ্রাম ছাড়লেই সব শেষ! গ্রাম ছেড়ে যাওয়ার সময় সঙ্গে কিছু নিতে পারবে না কেউ। গ্রামের সম্পদ গ্রামেই থাকবে।   সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার //এমআর  

বাসের নিচে চড়ে চীনা শিশুর ৮০ কিলোমিটার ভ্রমণ

বাবা-মা চাকরি করেন দূরবর্তী এক শহরে। কিন্তু বাবা-মাকে ছাড়া বাসায় কি থাকা যায় । কিন্তু কি করবে চীনের  সেই দরিদ্র শিশুরা। হাতে টাকাও নেই, যে গাড়িতে চড়ে বাবা-মাকে দেখতে যাবে। কিন্তু বাবা-মা ছাড়া কি থাকা যায় ? তাই দুই চীনা শিশু নিলেন দুঃসাহসী পদক্ষেপ। একটি বাসের নিচে চড়ে পৌছাতে চেয়েছেন বাবা-মায়ের কাছে। কিন্তু পৌছাতে পারলেন না, তার আগেই পুলিশের কাছে ধরা খেল দুই শিশু। পুলিশের হাতে ধরা খাওয়ার আগে বাসের নিচে চড়ে  ৮০ কিলোমিটার ভ্রমণ করে ওই শিশু। ওই শিশুদের নাম জানা যায়নি। তবে তাদের বাসে চড়ার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। এতে প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এর দিকে চারদিক থেকে ধেয়ে আসছে সমালোচনার তীর। শি জিন পিং এর ‘চায়না ড্রিম’কে অনেকে বর্বর ও তিক্ত অভিজ্ঞতা বলে অভিযোগ আনছে। চীনের দক্ষিণের গাংজি থেকে তারা শহরে পৌছানের চেষ্টা করছিল। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। তারা বাসের নিচে একটি ঢালু জায়গায় চড়ে এই পথ অতিক্রম করে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, তাঁদের কারোরই কোন ক্ষতি হয়নি। তবে তাঁদের দুই জনের শরীরে কাদা লেগেছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই অভিযোগ করছে, চীনে বর্তমানে অনেক দরিদ্র সন্তান রয়েছে, যারা বাবা-মাকে ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করছে। সূত্র: বিবিসি এমজে/এমআর

রোগীর পেটে মিলল ব্লেড, সুই, শিকল ও ২৬৩ কয়েন

ভারতে এক ব্যক্তির পেট থেকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিকল, শেভিং ব্লেড, তারকাটা, সুই, ২৬৩টি কয়েনসহ মোট পাঁচ কিলোগ্রাম লোহার বস্তু বের করেছেন চিকিৎসকরা। অস্ত্রোপচারের পর এখন তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের রিবা জেলার সঞ্জয় গান্ধী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ওই যুবকের নাম মোহাম্মদ মাকসুদ। মধ্যপ্রদেশের সাটনা জেলার সোহাভাল গ্রামের ৩২ বছর বয়সী এই যুবকের পেট ব্যথা নিয়ে ১৮ সভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। হাসপাতালটির চিকিৎসক ডাঃ প্রিয়াঙ্ক শর্মা বলছেন, মাকসুদের পেট ব্যথার কারণ খুঁজতে বেশ কিছু পরীক্ষার পাশাপাশি এক্সরে করানো হয়েছে। এরপরেই ব্যথার কারণ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। প্রিয়াঙ্ক শর্মা জানান, গত শুক্রবার ছয়জন চিকিৎসকের একটি দল অস্ত্রোপচার করে। এসময় তার পেট থেকে ২৬৩টি কয়েন, ১০-১২টি শেভিং ব্লেড, একটি শিকল, চারটি বড় সুই, ও কাঁচের টুকরা বের করেন। কাঁচের টুকরাগুলো বাদে অন্যান্য জিনিসগুলোর মোট ওজন পাঁচ কিলোগ্রাম। তিনি আরও জানিয়েছেন, রোগীর মানসিক অবস্থা ভালো ছিল না। তাই গোপনে তিনি এসব জিনিস গিলে ফেলেছিলেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। বর্তমানে মাকসুদ সুস্থ হয়ে উঠছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।  সূত্র: এনডিটিভি্ একে// এআর      

এ কেমন শোক

কয়েকদিন পরই শ্রাদ্ধ। হবে কীর্তন। নিমন্ত্রিত হবেন গোটা মহল্লাবাসী। কি, ভাবছেন কে মরলো আবার? ঠিকই ভেবেছেন, মরেছে। তবে কোন মানুষের মৃত্যু নয়! মৃত্যুর কাছে হার মেনেছে এক হনুমান। আর এ হনুমানকে ঘিরেই শোকে স্তব্ধ গোটা এলাকা। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়ার লালবাজারে। এর আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় হনুমানটি। তাকে ঘিরে আবেগের স্রোত বাঁকুড়া শহরে। শোকস্তব্ধ স্থানীয়রা। রীতিমতো শোকমিছিল বের করে তাকে সমাধিস্থ করে এলাকার মানুষজন। সমাধির ওপর গড়ে তোলা হবে মন্দির। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস ধরে এলাকায় গাছে গাছে ঘুরে বেড়াচ্ছিল ওই পূর্ণবয়স্ক হনুমানটি। কারও কোন ক্ষতি করত না। পাড়ার বাসিন্দাদের দেওয়া ফলমূল খেয়েই দিন কাটাত সে। ধীরে ধীরে পাড়ার আপনজন হয়ে উঠছিল হনুটি। শনিবার সকালে বিদ্যুতের তারের স্পর্শে উপর থেকে পড়ে যায় সে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় হনুমানটির। চোখের সামনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার কথা বর্ণনা করতে গিয়ে ডুকরে কেঁদে ওঠেন ওই এলাকার বাসিন্দা গৃহবধূ মিতা কর্মকার। আক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, ‘এত দ্রুত বিষয়টি ঘটে যায় যে বন দপ্তরকে খবর দেওয়ারে সময় টুকু পেলাম না।‘ মৃত পবনপুত্রের মৃতদেহের সামনে এলাকার মানুষ ভিড় জমান। পরে বিদ্যুতের তারে নতুন গামছা ঝোলানো হয়। মৃতদেহর পাশে ধূপ জ্বালিয়ে, ফুলের মালা পরিয়ে শ্রদ্ধা জানান এলাকার মানুষজন। পরে দুপুরের দিকে গর্ত খুড়ে তাকে সমাধিস্থ করেন এলাকার যুবকরা। তারাই সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেন হনুমান মন্দির গড়ার। স্থানীয়র জানান, সবাই চাঁদা তুলে তহবিল গড়ে শ্রাদ্ধ করা হবে। পাশাপাশি গড়া হবে মন্দির। উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণার বাওড়া গ্রামে এক পবনপুত্রের মৃত্যু হয়। সেখানেও যথাযথ সম্মান দিয়ে শ্রাদ্ধ-শান্তি করে মন্দির গড়ার জন্য চাঁদা তোলেন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়রা বলছেন গত কয়েক বছরে বাঁকুড়া শহর জুড়ে হনুমান মন্দির তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকটি। বাঁকুড়া শহরের কলেজ রোড, চাঁদমারি ডাঙা রোড, লোকপুর, কেন্দুয়াডিহি, দোলতলা। সর্বত্রই একই ছবি। হনুমানকে শ্রদ্ধা দেখানোর হিড়িক। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন এমজে/ এআর    

সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় মেক্সিকোতে ৫৭ হাজার বর্গমাইল সংরক্ষণাগার

সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় মেক্সিকোতে ৫৭ হাজার বর্গমাইল এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষণাগার। বেশ কয়েকটি দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত এলাকাটিতে তিমি, সামুদ্রিক কচ্ছপসহ শত শত প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী রয়েছে। মেক্সিকোর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এলাকা রেভিলাজিডোতে সংরক্ষণাগারটি গড়ে তোলা হয়েছে। এর আয়তন এক লাখ ৫০ হাজার বর্গ কিলোমিটার। এটিকে উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে বড় সংরক্ষণাগার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এলাকাটির ভেতর সব ধরণের মাছধরা ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।শুধু তাই নয়, সংরক্ষণাগারটিকে যথাযথভাবে দেখভাল করতে নৌ বাহিনীর বেশ কয়েকটি টিম এলাকাটির চারদিকে টহল দিবে বলেও জানা গেছে। সরকারের এই উদ্যোগ ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে মাছ ধরাকে নিরুৎসাহিত করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে দেশটিতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে এমন লোকেরা বেকার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট এনরিক পেনা নিটো এক ডিক্রির মাধ্যমে সংরক্ষণাগারটি তৈরির আদেশ দেন। একইসঙ্গে ওই এলাকার আশেপাশে কোনো হোটেল নির্মাণ না করতে সংশ্লিষ্টদের কড়া নির্দেশনা দেন। শুধু তাই নয়, ওই এলাকা থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট এনরিক। সূত্র: বিবিসি এমজে/ এআর

সিঙ্গাপুরে চালু হচ্ছে চালকবিহীন বাস !

ধরুন কোথাও ঘুরতে গেলেন। বসে আছেন পাবলিক বাসে! বাস চলছে শতমাইল বেগে। অকস্মাৎ চোখ পড়লো ড্রাইভারের দিকে। চালক নেই, কিন্তু বাস চলছে ঠিকঠাকভাবে। কি চোখ কপালে উঠে গেল ? চোখতো কপালে উঠার-ই কথা। এমনটাই ঘটতে যাচ্ছে সিঙ্গাপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থায়। ২০২২ সাল থেকে সিঙ্গাপুরে চালকবিহীন পাবলিক বাস চালু করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। জনসমাগম কম থাকে, এমন তিনটি রাস্তায় প্রাথমিকভাবে চালু করা হবে বাসগুলো। প্রাথমিকভাবে স্বল্পপাল্লার বাস সার্ভিস চালু করা হবে। ট্রেন স্টেশন ও বাস স্টেশনে এ সুবিধা প্রদান করা হবে। অধিক জনসংখ্যার দেশ সিঙ্গাপুর মনে করছে, কৃষি কাজে জনসংখ্যাকে কাজে লাগাতে পারলে তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আরও বাড়বে। পরিবহনমন্ত্রী কাউ বন ওয়ান বলেন, স্বয়ংক্রিয় যানগুলো আমাদের গণপরিবহন ব্যবস্থায় আরও গতি আনবে। যুবকরা এসব বাসে চলতে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সিঙ্গাপুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে আছে। মিস্টার কাউ আরও বলেন, সিঙ্গাপুরে কমপক্ষে ১০ টি কোম্পানি চালকবিহীন বাস প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। সূত্র: বিবিসি এমজে/ এআর  

কৃত্রিম আলোয় হারিয়ে যাচ্ছে রাত

পৃথিবী থেকে ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে রাত। স্যাটেলাইটের গত ৫ বছরের চিত্র বিশ্লেষণ করে এমনই তথ্য দিয়েছে বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী ‘সায়েন্স অ্যাডভান্স’। শুধু তাই নয়, প্রতি বছর পৃথিবীর আরও দুই শতাংশ অঞ্চল রাত হারাচ্ছে বলেও গবেষণা চিত্রে জানানো হয়েছে। ২০১২ সাল থেকে ২০১৬ পর্য্‌ন্ত স্যাটেলাইটে তোলা ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। গবেষণাচিত্রে দেখা যায়, পৃথিবীতে কৃত্রিম আলোর সংখ্যা প্রতি বছরই বাড়ছে। এতে রাতের আবহও কমে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশ রাতের উপস্থিতি থেকে বঞ্চিত হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষ করে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো এই সমস্যায় ভোগছে। এদিকে রাতের অনুপস্থিতি জলবায়ু, কৃষি এবং মানুষের জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে নিয়ে আসবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়ীকি ‘সায়েন্স অ্যাডভান্স’ এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্র, স্পেনসহ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশগুলোতে রাতের দৈর্ঘ একেবারেই কম। এছাড়া দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে ক্রমশই রাতের দৈর্ঘ্ কমে যাচ্ছে। তবে কেবল দুটি দেশে রাতের দৈর্ঘ্য বাড়ছে। বিশেষ করে ভারতে রাতের অন্ধকারে আলোর উপস্থিতি এই এলাকার বাস্তুসংস্থানের জন্য হুমকি বলে বলা হয় প্রতিবেদনে। তবে যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়া ও ইয়েমেনে রাতের উপস্থিতি পূর্বের বছরগুলোর চেয়ে বেশি বলে দাবি করা হয়। এখানে কৃত্তিম আলো এলইডি আলোর উপস্থিতি ক্রমেই কমছে। রাতে আলোর এই উপস্থিতি চাষাবাদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। উল্লেখ্য, আলোর উপস্থিতিতে পরাগায়ণ কম হয়। এটি বাস্তুসংস্থানের জন্য মারাত্মক হুমকি । সূত্র: বিবিসি এমজে/ এআর      

যে দ্বীপের বাসিন্দারা বুড়ো হয় না!

আপনার বয়স যদি ৮১ বছর হয় তাহলে নিজেকে কি ভাববেন? বুড়ো? ভাবতেই পারেন। তবে আপনি যদি ইকারিয়া এর বাসিন্দা হন তাহলে জেনে রাখুন আপনি মোটেও বৃদ্ধ নন। গ্রীসের ইকারিয়া দ্বীপে ৮১ বছর বয়সী বাসিন্দাদেরও যুবকের খাতায় গোণা হয়। গ্রীসের রাজধানী এথেন্স থেকে এজিয়ান সাগরের বুকে ৯ ঘণ্টার ফেরি সফর। পৌঁছে যাবেন মাত্র ৩০০ জন বাসিন্দার এক গ্রাম ক্রিস্টোস র্যা চেস-এ। ইকারিয়ার এ দ্বীপটিতে মানুষের গড় আয়ু ৯০ বছরেরও বেশি। বিশ্বের যে ৫টি স্থানকে ‘ব্লু জোন’ অর্থ্যাত সব থেকে স্বাস্থ্যকর স্থান বলে আখ্যায়িত করা হয় তার মধ্যে ইকারিয়া একটি। খবর বিবিসি’র। সম্প্রতি এক পর্যটক মারিস টেজাডা’র বরাত দিয়ে বিবিসি’র প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রামটির এক-তৃতীয়াংশ বাসিন্দার বয়সই ৯০ এর ওপরে। এখানকার বাসিন্দারা ১০০ বছর বয়সেও পুরোদমে সুস্থ থাকেন। নিয়মিত করে যেতে পারেন প্রতিদিনকার কাজকর্ম। পর্যটক টেজাডার আলাপ হয় দ্বীপের ১০৫ বছর বয়সী বাসিন্দা লোয়ানা প্রৌ-এর সঙ্গে। জীবনের এক শতক পার করে এসেও দিব্বি তাঁত বুনে যাচ্ছেন। টেজাডাকে লোয়ানা বলেন, ‘সেটাই কর যা তোমার সত্ত্বা তোমাকে করতে তাগিদ দেয়। এক দশক আগে আমার স্বামী মারা যাবার পর থেকে আমি তাই করে যাচ্ছি যা করতে আমি ভালবাসি। এরপরেও আমি বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছি কিন্তু আমি বলেছি, তাঁতের সঙ্গেই আমার বিয়ে হয়ে গেছে’। প্রায় ৯০ বছর বয়সেও বিয়ের প্রস্তাব পাবার ঘটনা থেকেই বোঝা যায় যে, ইকারিয়াতে ৮০-৯০ বছর বয়সেও আপনি যুবক বা যুবতী। বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘায়ুর জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার এবং প্রাণোবন্ত জীবনযাপনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। চিকিৎসক এবং নৃতত্ববিদরা সুস্বাস্থ্যের জন্য শক্তিশালী পারিবারিক এবং সামাজিক বন্ধনের কথা বলেন। ইকারিয়াতে বসবাসকারী বাসিন্দাদের মধ্যেও জোরালো পারিবারিক এবং সামাজিক মেলবন্ধন দেখা যায়। এ দ্বীপের প্রোঢ়দের দেখা যায় নাতি-নাতনীদের লালন পালন করতে। ইকারিয়া নিয়ে গবেষণা করা বিভিন্ন গবেষকের ধারণা এ দ্বীপের মানুষের মধ্যে দুঃশ্চিন্তা করার প্রবণতা কম। মূলত দুঃশ্চিন্তা করার বিষয়ও তেমন একটা পাওয়া যায় না এ দ্বীপে। মূলত এ কারণেই এখানকার মানুষেরা দীর্ঘায়ু সম্পন্ন হয়।তাই আপনার যদি নিজেকে বয়স্ক মনে হয় তাহলে ঘুরে আসতে পারেন ইকারিয়া থেকে।সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড   //এসএইচএস//এসএইচ

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি