ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮ ১১:২২:৩২

৪০০ বছরের পুরোনো টেবিল : দাম ১১.৬ মিলিয়ন ডলার

৪০০ বছরের পুরোনো টেবিল : দাম ১১.৬ মিলিয়ন ডলার

ইংরেজিতে একটা কথা আছে যে, ‘ওল্ড ইজ গোল্ড’। অর্থ পুরনো হলেই দাম বেশি। সেই কথারই বাস্তব নমুনা হলো ৪০০ বছরের পুরনো এক টেবিল। টেবিলটির পায়া বাদ দিয়ে শুধু মূল অংশেরই দাম নির্ধারিত হয়েছে ১১ দশমিক ছয় মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগামী ২৮ জুন থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত মাস্টারপিস লন্ডন আর্ট ফেয়ারে নিলামে উঠবে এই টেবিলটি। টেবিলটি বানানো হয়েছিল টাসকানির ডিউক পরিবার ফ্রান্সেসকো ডি মেডিকি এর জন্য। ১৫৬৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়া এই টেবিলটির নকশা করেন জর্জিও ভাসারি। জর্জিও ভাসারি ছিলেন সে সময়ে ফ্লোরেন্সের একজন জনপ্রিয় শিল্পী, স্থপতি এবং লেখক। ডিউক পরিবারের জন্য আরও বেশ কয়েকটি কাজ করছিলেন ভাসারি। পালাজো ভেক্সহিও এর মূর্তি থেকে শুরু করে উফিজি’র প্রথম ভবনের নকশাও করেন এই শিল্পী। ‘পিয়েত্র দূরে’ নামক সেসময়ের এক পদ্ধতিতে নির্মাণ করা হয় টেবিলটি। শত শত শক্ত পাথর খুব চিকন করে কেটে বানানো হয় এর মূল অংশটি। সাদা মার্বেল পাথরের সেই মূল অংশে ছিল মূল্যবান জ্যাস্পার এবং নীলা পাথরের চোখ ধাধানো নকশা। আর পুরো টেবিলটি তৈরি করতে সময় লেগেছিল পাক্কা ১০ বছর। জাকজমক এই টেবিলটি নির্মাণে খরচও হয়েছিল বেশ। সঠিক অংক প্রকাশিত না হলেও লন্ডনের আর্ট ডিলার বেনেডিক্ট টমলিনসন জানান, “এই টেবিলটি তৈরিতে যে খরচ হয় তার কিছু কম বা বেশি দিয়ে টাইটানের তৈলচিত্র কেনা যেতো। সেসময়ের হিসেবে একটি টেবিলের হিসেবে খুবই ব্যয়বহুল ছিল এটি”। আসন্ন নিলামে টেবিলটিকে ‘১০ মিলিয়ন পাউন্ড’ ক্যাটেগরিতে রেখেছে নিলামকারী সংস্থা। মার্কিন ডলারের হিসেবে টেবিলটির বিডিং প্রাইস ধরা হয়েছে ১১ দশমিক ছয় মিলিয়ন ডলার। টমলিনসন বলেন, “এই টেবিল কেনার মাধ্যমে আপনি শুধু টেবিলই কিনবেন না। বরং টেবিলের সাথে সাথে ইতিহাসকে নিজের করে নিবেন”। সূত্রঃ এনডিটিভি //এস এইচ এস//  এআর
রাজনীতিবিদদের বিতর্কিত যত পোশাক

পোশাক তো পোশাকই। কিন্তু পোশাক যখন কোনো বার্তা বহন করে তখন সেটি আর পোশাকের গণ্ডির মধ্যে থাকে না। বিশেষ করে যখন গুরুত্বপূর্ণ কোনো রাজনীতিক সেই পোশাক পরেন, তখন তার গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় বহুগুণে। এমনই কিছু ঘটনা নিয়ে আমাদের আজকের এই আয়োজন। মেলানিয়ার জ্যাকেট ও উদ্বাস্তু শিবির:জনমতের চাপে অভিবাসী পরিবারের শিশুদের বাবা-মা থেকে আলাদা করে রাখার নীতি থেকে বুধবারই সরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তার একদিন পর মেলানিয়া ট্রাম্প টেক্সাসের একটি উদ্বাস্তু শিবিরে যান৷ সেখান থেকে ফেরার সময় তিনি যে স্পোর্টস জ্যাকেটটি পরেছিলেন, তার পেছনে লেখা ছিল, ‘আই রিয়েলি ডোন্ট কেয়ার৷’’ সমালোচকরা বলছেন, এরকম বার্তা লেখা জ্যাকেট উদ্বাস্তুদের প্রতি অবজ্ঞাই প্রকাশ করে৷ ট্রুডোর পরিবার ভারতে:কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সপরিবারে ভারত সফরে আসেন৷ সেখানে তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা অন্তত পাঁচটি অনুষ্ঠানে ভারতীয় পোশাক পরেন৷ এ ব্যাপারটির সমালোচনায় ভারতীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকই বলেন, তিনি ‘হোস্ট কান্ট্রি‘কে খুশি করতেই এরকম করেছেন৷ কেউ কেউ এটাকে ‘হাস্যকর ও বিরক্তিকর চেষ্টা’বলে আখ্যায়িত করেছেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী:ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন যখন প্রথমবারের মতো চীনে ভ্রমণ করেন, তখন তাঁর কোটের বুকে লাল পপি ফুল গোঁজা ছিল৷ ১৯ শতকে রক্তক্ষয়ী আফিম যুদ্ধের স্মরণে চীনারা পপিফুল বুকে লাগিয়ে ‘যুদ্ধবিরতি দিন’ পালন করেন৷ ক্যামেরন সেই স্মরণে পপিফুল লাগালেও, সমালোচকরা তাঁকে এক হাত নিতে ছাড়েননি৷ কারণ, যুদ্ধটা যে ব্রিটেনই করেছিল৷ জ্যাকব জুমা:দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমার রাজনৈতিক নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য হয়ে গিয়েছিল তাঁর চামড়ার তৈরি জ্যাকেট৷ সেগুলোর দাম ছিল প্রচুর৷ আর সে কারণেই তিনি প্রচুর সমালোচিতও হয়েছেন, কেননা, তিনি তো আজীবন মেহনতি মানুষের কথাই মুখে বলে এসেছেন৷ রাণী এলিজাবেথ:গত বছর যখন রানি এলিজাবেথ ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন তার টুপিটি ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের পতাকার মতোই ৷ ব্রিটেনে তখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আলাদা হওয়ার ব্যাপারে তুমুল বিতর্ক চলছিল৷ রাণীর টুপি ইইউ-র পতাকার মতো হওয়ায় অনেকেই রানি ব্রিটেনের ইইউ-তে থাকার পক্ষে বলে দাবি করেছিলেন তখন৷ আবারও মেলানিয়া:টেক্সাসে হারিকেন হার্ভেতে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ তৎরতা দেখতে মেলানিয়া ট্রাম্প গিয়েছিলেন ছয় ইঞ্চি পেন্সিল হিল পরে৷ অনেকেই তখন সমালোচনা করে বলেছেন, দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে নয়, তিনি আসলে মডেলিং করতে গিয়েছিলেন৷ এমজে/

‘কালো’ বলায় খাবারে বিষ: প্রাণ গেল ৫ জনের

২৮ বছর বয়সী গৃহবধূর গায়ের রঙ কালো। রান্না করতে গিয়ে হয়তো কখনও এদিক সেদিক হয়ে যায়। আর এ নিয়েই ঠাট্টা উপহাস করে কয়েকজন স্বজন। রাগে খাবারেই বিষ মিশিয়ে দেন ওই গৃহবধূ। এতে চার শিশুসহ পাঁচ জন মারা গেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের রাইগাদ জেলায়। সেখানকার মাহাদ জেলায় বিষ প্রয়োগে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। একই ঘটনায় ১২০ জন অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ওই গৃহবধূর নাম প্রজ্ঞা সুরভাসে। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে রাইগাদ জেলার পুলিশ জানায়, দুই বছর আগে বিয়ে হয় প্রজ্ঞা সুরভাসের। আর শারীরিক বর্ণ কালো হওয়ায় অনেকদিন থেকেই আত্মীয়স্বজনদের কটু কথা শুনে আসছিলেন এই গৃহবধূ। এমনকি তার রান্না করা খাবার নিয়েও করা হতো ঠাট্টা উপহাস। আর এসব কারণে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে শেষ পর্যন্ত খাবারে কীটনাশক মিশিয়ে নিজের রাগ উগড়ে দেন প্রজ্ঞা। পুলিশ আরও জানায়, অনেকদিন থেকেই প্রজ্ঞা তার স্বজনদের ‘উচিত জবাব’ দেওয়ার সুযোগ খুঁজছিলেন। গত রবিবার পারিবারিক এক অনুষ্ঠানে রান্নার দায়িত্ব পেয়ে সেই সুযোগ পেয়েও যান তিনি। তার আত্মীয় সুভাস মানে’র বাড়িতে অনুষ্ঠিত ঐ আয়োজনে অতিথিদের খাবারে কীটনাশক মিশিয়ে দেন প্রজ্ঞা। জেলার পুলিশ সুপার অনিল পরস্কার গণমাধ্যমকে জানান, “তিনি (প্রজ্ঞা) খাবারে বিষ মেশানোর কথা স্বীকার করেছেন। তার স্বজনদের কটূক্তির কারণেই তিনি এমনটা করেছেন বলে জানিয়েছেন। ওনার স্বজনের বাসা থেকে কীটনাশকও উদ্ধার করেছি আমরা। পরবর্তী অনুসন্ধান চলছে”। ইতোমধ্যে প্রজ্ঞার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। সূত্রঃ এনডিটিভি //এস এইচ এস// এআর

ইনিই বিশ্বের প্রবীণতম যোগগুরু! বয়স মাত্র ৯৯

শরীর ও মন— দুয়ের উপরেই যোগাসনের প্রভাব অপরিসীম। ভারতের সঙ্গে গোটা দুনিয়ার নতুন করে যোগসূত্র গড়ে দিয়েছে এই যোগাভ্যাস। আজ, ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ যোগচর্চায় মেতেছেন। কর্পোরেট কায়দায় প্রচারের আলোয় এসে দেশের প্রাচীন ঐতিহ্যের এই শরীরচর্চার মাধ্যম এখন ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। আমাদের দেশে দেশীয় এই শরীরচর্চার ধারাকে নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে রামদেবের ভূমিকা অনেকটাই। তবে ভারতের জনপ্রিয় যোগগুরু রামদেব হলেও দেশের প্রবীণতম যোগগুরু কিন্তু একজন মহিলা। নাম ভি নানাম্মল। তামিলনাড়ুর বাসিন্দা নানাম্মলের বয়স মাত্র ৯৯ বছর! এই বয়সেও নানাম্মল একটার পর একটা যোগাসন করে চমকে দিয়েছেন অসংখ্য মানুষকে। ছোটবেলা থেকেই যোগচর্চা করছেন নানাম্মল। প্রচারের আলোয় কখনও সেভাবে না এলেও যোগ-প্রশিক্ষক হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে অসংখ্য মানুষকে সাহায্য করেছেন তিনি। সংসারধর্ম সামলানোর চাপ কোনও দিনই তাঁর যোগচর্চার অভ্যাসের উপর প্রভাব ফেলতে পারেনি। শুধু তাই নয়, তাঁর পরিবারের প্রায় সকলেই নিয়মিত যোগচর্চা করেন। নানাম্মলের যোগ-দর্শন অনেকের থেকেই আলাদা। তাঁর মতে, যোগচর্চা ঘাম ঝরানোর জন্য নয়। যোগের আসল মন্ত্র শরীরের ক্লান্তি দূর করা। নানাম্মল জানান, এ যাবত্ প্রায় ১০ লক্ষ ছাত্রছাত্রী তাঁর কাছে যোগাসন শিখেছেন। এঁদের মধ্যে অন্তত ১০ হাজার ছাত্রছাত্রী নিজেরাই এখন যোগ-প্রশিক্ষক হয়ে উঠেছেন। ২০১৭-এ তত্কালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছ থেকে নারীশক্তি পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন তিনি। এ বছর পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে নানাম্মলকে। যে বয়সে সুস্থভাবে বেঁচে থাকাটাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ, সেই বয়সে দাঁড়িয়ে নানাম্মল নিজের বয়সটাকে নিছক সংখ্যা হিসেবে হেলায় পেছনে ফেলে সুস্থ ভাবে হাজার হাজার মানুষকে বাঁচার পথ দেখাচ্ছেন।  

১৫ বছর পর মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে পৃথিবী

দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও পাশাপাশি অবস্থান করবে দুটি গ্রহ৷ পৃথিবী এবং মঙ্গল৷ জুলাইয়ের একেবারে শেষে সূর্যের কাছাকাছি পৌঁছতে দেখা যাবে গ্রহগুলোকে৷ নাসার তথ্য বলছে, চলতি বছরে মঙ্গলের ‘বিপরীতমুখী অবস্থান’দেখা যাবে ২৭ জুলাই৷ এই অবস্থানটির জন্যই মঙ্গলকে দেখাবে অনেক বেশি উজ্জ্বল৷ গ্রহটি সম্পূর্ণ আলোকিত হবে সূর্যের আলোয়৷ যা দেখতে পাবেন পৃথিবীবাসী৷ নাসার সদস্যরা বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেন৷ তাঁরা বলেন, যদিও মঙ্গল এবং সূর্যকে দেখা যাবে একে অপরের বিপরীতে৷ তাই, আমরা বলব মঙ্গল ‘বিপরীতপন্থী’৷ মঙ্গলের কক্ষপথের যে কোন জায়গায় এই বিপরীতমুখী যেতে দেখা যেতে পারে৷ আর যখনই এটা ঘটবে তখনই লাল-গ্রহটিকে দেখা যাবে সূর্যের কাছাকাছি৷ পৃথিবীর খুব কাছাকাছি অবস্থান করতে চলেছে মঙ্গল আগামী মাসে৷ সংস্থা যোগ করে, কিন্তু বেশ কিছু অবস্থান রয়েছে যেগুলিতে মঙ্গল এবং পৃথিবীর অবস্থানের থেকে অনেক কম দূরত্ব ছিল৷ কিন্তু, ২০০৩ সালের অবস্থানটি ছিল ৬০,০০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কাছের৷ এমজে/  

যে গ্রামে টিকিট ছাড়া প্রবেশ নিষেধ!

চীনের শেংশান দ্বীপপুঞ্জের সবুজে ঘেরা হোউতোওয়ান  নামের  একটি গ্রাম। যে দিনে চোখ যেখানে যায়। সবুজ আর সবুজ। তবে  এ সুবজ গ্রাম নিজ চোখে দেখতে লাগে প্রবেশ মূল্য। গ্রামে ঘুটতে অবশ্যই লাগে টিকিট। গ্রামটি চীনের সাংহাই থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। গত শতকের নব্বই দশকের শুরু থেকে এই গ্রামের অধিবাসীরা চীনের মূল ভূখণ্ডে যাওয়া শুরু করেন। এর নেপথ্যে ছিল কর্মসংস্থান কমে যাওয়া। একটা পর্যায়ে গ্রামটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। হোউতোওয়ান গ্রামে ৫০০-র মতো বাড়িঘর। বেশিরভাগই পরিত্যাক্ত। বর্তমানে সেসব বাড়িঘর এমনকি রাস্তাঘাটও সবুজ গাছপালায় একাকার। জানা গেছে, ২০১৫ সালে বার্তা সংস্থা এএফপির এক ফটোসাংবাদিক গ্রামটির কিছু ছবি তুলেন। সেসব ছবির কারণে গ্রামটির সৌন্দর্য সম্পর্কে বর্হিবিশ্বের মানুষ জানতে সমর্থ হয়। এরপর থেকেই গ্রামটি পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করছে। এসব পর্যটকের কারণেই আবার সেখানে কিছু মানুষের আবাস গড়ে উঠেছে। তবে, এই গ্রামে পর্যটকদের প্রবেশ করতে হলে অবশ্য টিকিট কাটতে হবে। সূত্র : ডয়েচে ভেলে। টিআর/ এআর

পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক বনমানুষের মৃত্যু

মৃত্যু হয়েছে সুমাত্রা অঞ্চলের পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক বনমানুষের। পুয়ান নামের এই বনমানুষটি গতকাল সোমবার ৬২ বছর বয়সে মারা যায়। মোট ১১ সন্তানসহ ৫৪ জনের বিশাল বংশ রেখে মারা যায় পুয়ান। অস্ট্রেলিয়ার পার্থ চিড়িয়াখায় মারা যায় পুয়ান। ১৯৬৮ সালে এখানে আনা হয়েছিল এই বনমানুষটিকে। পুয়ানকে চিড়িয়াখানাটির ‘গ্র্যান্ড ওল্ড লেডি’ নামে ডাকা হতো। ২০১৬ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস পুয়ানকে তার প্রজাতি অর্থ্যাত সুমাত্রান বনমানুষদের মধ্যে সবথেকে বেশি বয়সী বলে ঘোষণা দেয়। এই প্রজাতির বনমানুষের সর্বোচ্চ আয়ু হয় সাধারণত ৫০ বছর। সেদিক থেকে বিরল ঘটনা ঘটিয়েছে পুয়ান। ধারণা করা হয়, ১৯৫৬ সালে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় জন্ম হয়েছিল পুয়ানের। পার্থ চিড়িয়াখানার সুপারভাইজার হলি থম্পসন বলেন, “পুয়ান যে প্রজাতির ছিল সেই প্রজাতির মাত্র ১০শতাংশ আর পৃথিবীতে বেঁচে আছে। এই চিড়িয়াখানা এবং নিজ বংশের জন্য অনেককিছু করে গেছে পুয়ান”। সম্প্রতি পুয়ানের বংশের কিছু সদস্যকে সুমাত্রার জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়। সূত্রঃ বিবিসি //এস এইচ এস// এআর

হারানো তিন সম্পদ

সোনাভর্তি শহর ইউরোপীয়ানদের ভয়ে কখনও নিজেদের ধনসম্পদ নিয়ে শান্তিতে থাকতে পারেনি ইনকা সভ্যতার মানুষ। তাই সম্পদ লুকোতে তারা আশ্রয় নিয়েছিল পাইতিতি নামের এক শহরে। আর সেখানে সোনার গুদাম বানিয়ে ফেলেছিল তারা। কিন্তু সময়ের স্রোতে ইনকা সভ্যতা হারিয়ে যাওয়ায় মুছে যায় সেই সোনাভর্তি শহরের চিহ্ন। শহরটির সন্ধানে এখনও পেরুতে অভিযান চালান অনুসন্ধানীরা। ভিক্টোরিয়ার সংসদীয় দণ্ড সংসদীয় এই দণ্ড ছিল স্পিকার এবং অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার মানুষদের সাংবিধানিক অধিকারের প্রতীক। ১৮৯১ সালের ৯ অক্টোবর হঠাৎ উধাও হয়ে যায় দণ্ডটি। সংসদীয় প্রকৌশলী থমাস জেফরিকে সেদিন দৌড়ে পালাতে দেখা যায়। সে সময় তার হাতে ছিল একটি বড় থলে। পরবর্তী সময়ে তার ঘরে অনুসন্ধান করা হয়। কিন্তু প্রমাণের অভাবে জেলে যেতে হয়নি জেফরিকে। পাতিয়ালা নেকলেস এটি একটি বহুমূল্য নেকলেস যেটা ২ হাজার ৯৩০টি হীরার সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছিলো যার ভিতরে পৃথিবীর সপ্তম বৃহত্তম হীরা, ৪২৮ ক্যারেটের ‘দি বিয়ারস’ ছিল। কিছু হীরা পরে পুনরুদ্ধার করা হয়েছিলো। এই নেকলেসটি তৈরি করেছিলেন হাউজ অফ কার্টিয়ার নামে একটি কোম্পানি ১৯২৮ সালে পাতিয়ালার ভূপতি সিং ও পরবর্তী শাসনকারী মহারাজার জন্য। ১৯৪৮ সালে হারটি সর্বশেষ দেখা যায় যাদাবিন্দ্র সিংয়ের গলায়। এরপর ৫০ বছর পর লন্ডনে আবার দেখা যায় হারটি। কিন্তু তিন কোটি ডলার সমমূল্যের হীরাটিকে আর কখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। এক//

আফ্রিকার হাজার বছরের পুরোনো গাছগুলো মরে যাওয়ার নেপথ্যে

আফ্রিকার সাভানাহ তৃণভূমিতে কালে সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে হাজার বছরের প্রাচীন গাছ। হঠাৎ করে সেগুলো মরে যেতে শুরু করায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন বিজ্ঞানীরা।বাওব্যাব নামের এসব গাছের বয়স ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার বছর। আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশজুড়ে এসব গাছ ছড়িয়ে রয়েছে।বিজ্ঞানীদের ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে গাছগুলোর মরে যাওয়ার সম্পর্ক থাকতে পারে, যদিও এখনো এ বিষয়ে তাদের কাছে সরাসরি কোন প্রমাণ নেই।এসব গাছ বিশাল আকারে বড় হয়ে থাকে এবং শত শত বছর ধরে বেঁচে থাকে।দক্ষিণ আফ্রিকা, রোমানিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা বলছেন, এসব গাছ হারানো মানে হচ্ছে যেন হঠাৎ করে বিশাল কিছু হারানোর মতো।‘আমরা সন্দেহ করছি যে, আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে জলবায়ুর কারণে যেসব পরিবর্তন হয়েছে, এসব গাছের মরে যাওয়ার সঙ্গে হয়তো তার সম্পর্ক আছে’-বলছেন, গবেষক দলের অ্যাড্রিয়ান প্যাটরুট, যিনি রোমানিয়ার বাবেস-বোলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন।তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে হলে আরও গবেষণা করতে হবে।২০০৫ সাল থেকে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের দেশগুলোর এসব প্রাচীন গাছগুলো পর্যবেক্ষণ করে আসছেন গবেষকরা। রেডিও কার্বন ব্যবহার করে তারা গাছগুলোর কাঠামো আর বয়স বের করেন।অনেকটা হঠাৎ করেই তারা সনাক্ত করেন যে, ১৩টি প্রাচীন বাওব্যাবস গাছের মধ্যে আটটি আর ৬টি বৃহৎ গাছের ৫টি মারা গেছে অথবা তাদের পুরনো অংশটি নষ্ট হয়ে গেছে। অতিরিক্ত তাপমাত্রা আর খরার কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করেন গবেষক প্যাটরুট। তিনি বলেন, এসব গাছের এভাবে মরে যাওয়াটা অত্যন্ত দুঃখজনক একটি ব্যাপার।জিম্বাবুয়ে, নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা আর জাম্বিয়া জুড়ে এসব গাছ ছড়িয়ে রয়েছে। একেকটি গাছ ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার বছর পুরনো।ফলের আকৃতির কারণে স্থানীয়ভাবে এসব গাছকে `মৃত ইঁদুর` গাছ বলেও ডাকা হয়। গাছগুলো লম্বা আর ডালপালা বিহীন হয়ে থাকে।এসব গাছ তাদের শরীরের ভেতর অনেক পানি ধরে রাখে। ফলে রুক্ষ এলাকাতেও এসব গাছ নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পারে।বন্যপ্রাণীর জন্যও এসব গাছ সহায়ক হিসাবে কাজ করে। অনেক পাখির আশ্রয়স্থল এসব গাছ। সূত্র : বিবিসি।/ এআর /

এই চেয়ারের দাম ১০ লাখ ডলার

আজ থেকে ৯০ বছর আগে চেয়ারটির নকশা করেছিলেন ডিজাইনার এলিয়েন গ্রে। আর্ম চেয়ারটি খুব শিগগিরই নিলামে তোলা হবে বলে জানা গেছে। আর এই চেয়ারের দামই নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ থেকে ১৫ লাখ ডলার। এর আগেও তার স্থাপত্যকর্ম নিলামে উঠেছে। একটি চেয়ারের দাম ১০ লাখ ডলার, শুনতে বেশি মনে হলেও এখন হরহামেশাই নিলামে হাঁকানো হচ্ছে এমন দাম। ২০০৯ সালে নিলামে গ্রের আরেক চেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছিল ২৮ লাখ ডলার। ক্রিস্টিয়ানোর নিলামঘরে চেয়ারটি তোলা হবে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ৩ বছর আগে ব্রিটিশ নকাশাকার ম্যাক নিউসনের ডিজাইনকরা একটি চেয়ার নিলামে ৩৭ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। এখন পর্যন্ত কোনো চেয়ারের মূল্য এটাই সর্বাধিক ছিল। সূত্র: সিএএনএমজে/

শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড: বাঁচানো গেল না শিশুটিকে

ছোট্ট শরীর থেকে বেরিয়ে আসা একটি মাংসপিণ্ড তালে তালে ধুকপুক করছে। দৃশ্যটা দেখেই চমকে উঠেছিলেন ডাক্তারবাবু। হৃৎপিণ্ড যে শরীরের বাইরে। একটু স্থিতিশীল করেই সদ্যোজাতকে রেফার করে দিয়েছিলেন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকরা। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। বাঁচানো গেল না বিরল শিশুটিকে। গত বুধবার বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুরের তেমাথানির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে শিশুটির জন্ম হয়। সিজার করেন ডা. মানস ঘোষ। নার্সিংহোমের কর্ণধার ডা. উত্তম বারিক জানিয়েছেন, শিশুটির বুক ভেদ করে হার্ট বেরিয়ে এসেছিল। আর কোনও অস্বাভাবিকতা ছিল না। স্বাভাবিক শিশুর মতোই কাঁদছিল সে। কিন্তু দুঃখের বিষয় শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর মেডিক্যাল থেকে বুধবার রাতেই শিশুটিকে কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। মেডিক্যাল বোর্ড বসে। সিদ্ধান্ত হয়, অস্ত্রোপচার করে শিশুটির হার্ট ভিতরে ঢোকানোর চেষ্টা হবে। কিন্তু তার আগেই শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে মৃত্যু হয়। বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. প্রভাস প্রসূন গিরি জানিয়েছেন, “আমি জীবনে একবারই দেখেছি এমন শিশু। এই রোগকে বলে ‘এক্টোপিয়া কর্ডিস’। বিদেশে হলে তবু বাঁচে। এখানে বাঁচানো মুশকিল। আসলে, হার্ট বুকের ভিতরে ঢোকানোর মতো ‘স্পেস’ পাওয়াই মুশকিল।” জানা গিয়েছে, প্রতি ১০ লাখে এমন একটি শিশুর দেখা মেলে বিশ্বে। এতটাই বিরল। কয়েকদিন আগে কলকাতার চিত্তরঞ্জন সেবাসদনে ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র, পাকস্থলি শরীরের বাইরে নিয়ে জন্মগ্রহণ করে এক শিশু। শিশুটির নাভিমূল থেকে একটি বড় থলির মতো অংশ বেরিয়ে এসেছে। শিশুটির পুরুষাঙ্গ ও যোনি দু’টোই ছিল। এবার হার্ট শরীরের বাইরে নিয়ে জন্মাল তেমাথানির শিশুটি। ডাক্তারদের মত, ইউএসজি-তে এই অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে ভাল হত। অস্ত্রোপচার করে এই শিশুদের সুস্থ করা খুব মুশকিল। তাছাড়া আরও অনেক অস্বাভাবিকতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সূত্র: কোলকাত ২৪এমজে/

২৪ নয়, ২৫ ঘণ্টায় হবে একদিন

চাঁদ ক্রমেই পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। যে কারণে পৃথিবীর আহ্নিক গতিতে পরিবর্তন আসছে। তাই অদূর ভবিষ্যতে ২৪ ঘন্টায় নয়, ২৫ ঘণ্টায়ই হবে এক দিন। এমনটাই জানালেন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. স্টিফেন মায়ারস।  ড. মায়ারসের সঙ্গে সহমত পোষন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের  কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালবার্তো শিলিনভেরনোও। সম্প্রতি তারা এ বিষয়ে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সে, যা ভাবিয়ে তুলেছে অন্য গবেষকদের।ড. মায়ারস বলেন, পৃথিবী ও চাঁদের সম্পর্ক নিয়ে শিলিনভেরনোর সঙ্গে আমি অনেকদিন কাজ করেছি। প্রায় ১৪০ কোটি বছর আগের পাথরের নমুনা পরীক্ষা করে আমরা চেষ্টা করেছি প্রাচীন ভৌগোলিক সময়সীমা সম্পর্কে ধারণা নিতে। আমরা নিশ্চিত, চাঁদ একসময় পৃথিবীর আরও অনেক কাছে ছিল এবং এক দিনের সময় ছিল বর্তমানের চেয়ে কম। তিনি বলেন, বর্তমানে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে চাঁদের কেন্দ্রের দূরত্ব ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৯ কিলোমিটার। প্রতিবছর চাঁদ পৃথিবী থেকে ৩.৮২ সেন্টিমিটার দূরে সরে যাচ্ছে।এদিকে ড. মায়ারসের এই বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। অনেকেই বলছেন, সময় এক ঘণ্টা বাড়লে এক দিনে অনেক বেশি কাজ করা যাবে। প্রসঙ্গত, চাঁদের সঙ্গে দূরত্বের ওপর পৃথিবীর আহ্নিক গতি অনেকটা নির্ভরশীল। একটা সময় চাঁদ ছিল পৃথিবীর অনেক কাছে। তখন পৃথিবী নিজ অক্ষে একবার পাক খেতে সময় নিত প্রায় ১৮ ঘণ্টা ৪১ মিনিট। চাঁদ ক্রমেই দূরে সরে যাওয়ায় পৃথিবীর আহ্নিক গতিতে এসেছে পরিবর্তন। এখন ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড অর্থাৎ প্রায় ২৪ ঘণ্টায় এক দিন। সূত্র : এক্সপ্রেস ইউকে।/ এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি