ঢাকা, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২:১০:৫৮

১০২ ভাষায় গান গেয়ে বিশ্বরেকর্ড

১০২ ভাষায় গান গেয়ে বিশ্বরেকর্ড

বয়স মাত্র ১২। দুবাইয়ের ইন্ডিয়ান হাই স্কুলের শিক্ষার্থী। পড়ে ৭ম গ্রেডে। ইতোমধ্যে ১০২টি ভাষায় গান শেখা হয়ে গেছে তার। শুধু তাই নয়, আরও নতুন নতুন ভাষায় শিখছে গান। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুবাইয়ে সোয়া ৬ ঘণ্টার এক অনুষ্ঠানে ১০২টি ভাষায় গান গেয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে সুচেতা সতিশ নামের এই বালিকা। অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী সুচেতা সতিশের চার বছর বয়স থেকে গান শেখা শুরু। হিন্দি ভাষাকেন্দ্রীক গান নিয়ে পড়াশুনা করছে সে। তবে ২০১৬ সাল থেকে শিখছে বিদেশি ভাষায় গান। এক বছরের একটু বেশি সময়ে ৮০টি ভাষায় গান শিখে ফেলেছে এই বলিকা। গিনেস বিশ্ব রেকর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিভিন্ন ভাষায় গান গাওয়ার রেকর্ড রয়েছে ভারতের ড. কেসিরাজু শ্রীনিভাসের। তিনি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের গান্ধী হিলের বাসিন্দা। ২০০৮ সালে ৭৬টি ভাষায় গান গেয়ে বিশ্ব রেকর্ড করেন তিনি। সুচেতা জানায়, একটি গান শিখতে তার দুই ঘণ্টার মতো সময় লাগে। যেটি উচ্চারণ করা সহজ হয় সেটি সে আগে শেখে সে। যদি কোনো গান দীর্ঘ না হয়, তাহলে আধা ঘণ্টার মধ্যে তার শেখা হয়ে যায়। সাধারণত ফ্রান্স, হাঙ্গেরিয়ান ও জার্মানির গান শেখা খুব কঠিন বলে জানায় সুচেতা। তবে এ ধরনের গান শিখতেও তার দুই দিনের বেশি সময় লাগে না। মাওরি, আর্মেনিয়া ও স্লোভাকিয়ার গান তার সবচেয়ে পছন্দের। তার শেখা বিদেশি ভাষার গানের মধ্যে আজারবাইজান, বুলগেরিয়া, বাংলা, চেক, ডাচ, সুইডিশ, রোমানিয়া, উর্দু, কুর্দিশ, পশতু, তুর্কি, স্প্যানিশ, পর্তুগীজ, আরবি ও ইংরেজি উল্লেখযোগ্য। সূত্র: গালফনিউজ ডট কম একে// এআর
কয়লার খনিতে মিলল ৬০ কেজি রুই-কাতলা-চিংড়ি

কয়লার খনিতে মিলল ৬০ কেজি রুই-কাতলা-চিংড়ি। ভাবছেন নিরেট গল্প। আদতে কিন্তু তা নয়। একেবারে টাটকা খবর। বিটুমিনাস, কার্বনের বদলে খনি থেকে উঠে এসেছে রুই, কাতলা, বোয়াল, চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। কয়াল খনিতে এত মাছ দেখে দৃশ্যতই অবাক খনি মালিকও। চমকে দেওয়া ঘটনাটি ঘটেছে রানিগঞ্জে ইসিএলের আমকলা কোলিয়ারিতে।এদিকে কয়লা তুলতে গিয়ে মাছ ওঠায় আনন্দে আত্মহারা খনি শ্রমিকরা। কয়লা তোলার সরঞ্জাম ফেরে তাঁরা মাছ ধরায় মেতে উঠেন। জানা  গেছে, আমকলা কোলিয়ারিটি ইসিএলের সাতগ্রাম এলাকার অন্তর্ভুক্ত। খোলামুখ খনিটির কয়লা উত্তোলন দায়িত্ব পেয়েছে বেসরকারি সংস্থা। অনেক সময় পুরনো কয়লা খনির জমা পানিতে মাছ জন্মে। সেই অর্থে এই খনিটি পুরোনো নয়। তাই এই খনি থেকে একটি একটি আড়াই তিন কিলো ওজনের মাছ ওঠায় সবাই অবাক।কীভাবে খনিতে এল এত এত মাছ?  ওই খনির সার্ভেয়ার নয়ন চট্টোপাধ্যায় জানান, গত বর্ষায় দামোদর ও নুনী নদীর জল উপচে ঢুকে পড়েছিল খনিতে। তখন খনির উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল। চারমাস পাম্প দিয়ে জল টেনে কয়লা উত্তোলন করতে গিয়ে মাছের বাজার বেরিয়ে আসে খনিতে। শুধু রুই, কাতলা নয়, মিরিক,  চুনোমাছও পাওয়া গিয়েছে। স্থানীয় মাছচাষী মৃত্যুঞ্জয় ধীবর জানান, সাধারণ পুকুরের থেকে খনির জমা জলে মাছের বাড় বেশি হয়। কারণ খনির জল অনেক গভীর হয়। মাছেরা খেলা করতে পারে। দ্বিতীয়ত, খনির জল স্থির নয় পুকুরের মতো। কারণ ব্লাস্টিং এর জন্য খনির জলে সবসময় কম্পন থাকে। মূলত এই দুটি কারণে খনির জলে মাছ চাষ উপযুক্ত। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন / এআর /

সুপ্ত আগ্নেয়গিরি যখন জাগ্রত হয়

ইতালির নেপলস শহরের কাছে অবস্থিত ‘সলফাতারা` বস্তুত একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরির মুখ, যা ফ্লেগ্রেই আগ্নেয়গিরি এলাকার অংশ ৷ এখানে মাটির নীচে যে সুবিশাল আগ্নেয়গিরিটি আছে, তার গভীর থেকে গন্ধকবাহী বাষ্প উপরে উঠে আসে– দেখা যায়, আবার গন্ধতে বোঝাও যায়৷ বিজ্ঞানীরা এবার জানতে চান, ‘সুপার ভলক্যানো`-টির ভিতরে কী ঘটছে৷ আগ্নেয়গিরি এলাকায় যে ভূকম্পন আরো ঘন ঘন ঘটছে, বিজ্ঞানীরা সেদিকে খেয়াল রাখেন; এছাড়া স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আগ্নেয়গিরির সুবিশাল গহ্বরটির উপরিভাগে কী ঘটছে, সেদিকেও নজর রাখেন: গত দশ বছরে এখানকার জমি অন্তত আরো আধ মিটার উঁচু হয়ে গেছে৷ বিপদ সংকেত জোভানি কিওদিনি-র মতো আগ্নেয়গিরি বিশেষজ্ঞরা এই বিপদ সংকেত লক্ষ্য করেছেন ও তার তাৎপর্য বোঝার চেষ্টা করছেন ৷ জোভানি বলেন, ‘এটা যে একটানা ঘটেছে, এমন নয়, বরং যেন দ্রুততর হয়েছে – গত বছর তার আগের বছরের চেয়ে বেশি৷ কাজেই আমরা এই আগ্নেয়গিরিতে ভবিষ্যতে কী ঘটবে, তা নিয়ে একটু চিন্তিত৷`` আগামীতে এই আগ্নেয়গিরিতে কোনো বিস্ফোরণ ঘটবে কিনা, বিজ্ঞানীরা তা জানার চেষ্টা করছেন৷ সেজন্য তারা পাথরের ফাটল থেকে যে বাষ্প বেরোচ্ছে, তা বিশ্লেষণ করে দেখছেন৷ এই ফাটলগুলিকে বলে ‘ফিউমারোল`৷ লক্ষণীয় বিষয় হলো, গত ১৫ বছরে ফিউমারোলগুলি থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে চারগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ জোভানি বলেন, ‘‘ফিউমারোলগুলি থেকে নির্গত বাষ্পে যে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে, তা নিয়ে আমরা চিন্তিত, কেননা এর সাথে তাপমাত্রার যোগ আছে৷ আগ্নেয়গিরির অভ্যন্তরে তাপমাত্রা যতো বাড়বে, মনোক্সাইড নির্গমনও ততো বাড়বে৷ কাজেই মনোক্সাইড নির্গমন বৃদ্ধিকে আমরা আগ্নেয়গিরির তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রমাণ বলে গণ্য করছি৷`` কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধিই শুধু একমাত্র লক্ষণ নয়: ফিউমারোল থেকে নির্গত বাষ্পের পরিমাণ ও তাপমাত্রাও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে৷ জোভানি কিওদিনির কাছে এসব পরিবর্তনের পিছনে রয়েছে ম্যাগমা – ভূত্বকের নীচে সেই তরল বা আধা-তরল পদার্থ, যা পরে লাভা হিসেবে বেরিয়ে আসে৷ জোভানি বলেন, ‘‘ম্যাগমার গ্যাস থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে বলে আমাদের ধারণা৷ মাঝে মাঝে ম্যাগমা বিপুল পরিমাণ তরল পদার্থ ছাড়ে; সেই তরল পদার্থ ‘কালডেরা` বা ম্যাগমা কক্ষের উপরিভাগে পৌঁছলে, ফিউমারোল দিয়ে তা বেরিয়ে আসে৷`` ‘হাইড্রোথার্মাল` প্রণালী ‘হাইড্রোথার্মাল` প্রণালী বলতে বোঝায় পাথর ও পানির একটি স্তর৷ ফ্লেগ্রেই এলাকার উপরিভাগ এই স্তর দিয়ে তৈরি৷ম্যাগমা ওপরে উঠতে শুরু করলে চাপ কমে যায়: ম্যাগমার গ্যাসগুলো বেরিয়ে এসে উপরের স্তরে জমা হয়৷ আগ্নেয়গিরিতে বিস্ফোরণ ঘটবে কিনা, তা ম্যাগমায় মিশে থাকা এই গ্যাসগুলোর উপরেও নির্ভর করে৷ জোভানি বলেন,‘গ্যাস নির্গমনের প্রক্রিয়াটা সহজেই বোঝা যায়: আমরা যখন সোডার বোতল খুলি তখন চাপ কমে গিয়ে অনেকটা গ্যাস বেরিয়ে আসে৷ আগ্নেয়গিরির ক্ষেত্রে সোডা ওয়াটারের বদলে থাকে ম্যাগমা, যা থেকে গ্যাস বেরিয়ে আসে৷`` জোভানি কিওদিনি কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে হিসেব করার চেষ্টা করছেন, ম্যাগমা থেকে নির্গত গ্যাস ওপরের হাইড্রোথার্মাল স্তরের উপর কী প্রভাব ফেলতে পারে৷ কিওদিনির মডেলে ‘ফ্লেগ্রেই প্রান্তর`-এর নীচে যে পরিমাণ ম্যাগমা ওপরে উঠে আসছে, তা একটি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে ও থেকে থেকে বিপুল পরিণাম জলজ বাষ্প ওপরে পাথরের স্তরে পাঠিয়ে দিচ্ছে৷ পাথরের স্তরের তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছে ও তা আরো ঝুঁঝরো ও স্থিতিহীন হয়ে পড়ছে৷ কম্পিউটার সিমুলেশনে শেষ অবধি পাথরের স্তর আর চাপ সামলাতে পারবে না – ফলে আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ ঘটবে৷ বিজ্ঞানীরা অন্যান্য আগ্নেয়গিরির সঙ্গে তুলনা করেছেন: অনুরূপ আগ্নেয়গিরির ক্ষেত্রে জমি উঁচু হতে শুরু করা থেকে ম্যাগমার গ্যাস নির্গত হওয়া পর্যন্ত – অর্থাৎ আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ অবধি, ১৫ বছর সময় লেগে যায়৷ জোভানি বলেন, ‘এখানে এটা একটা বিপর্যয় ঘটাতে পারে, কেননা অতীতের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণগুলির মধ্যে একাধিক ইউরোপ অথবা এই ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে ঘটেছে৷ কাজেই আমাদের মতো বহু মানুষ, যারা আগ্নেয়গিরি নিয়ে কাজ করছেন, তাদের প্রচেষ্টা হল, আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণের লক্ষণ কীভাবে আরো ভালোভাবে বোঝা যায়৷` কেউ বলতে পারবে না, ‘ফ্লেগ্রেই প্রান্তর`-এ পরবর্তী বিস্ফোরণ কবে ঘটবে৷ তবে বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যেই অশনি সংকেত দেখছেন৷ ডয়েচে ভ্যালে / কে আই / এআর  

ঘুমের ঘোরে স্কুলে!

ঘুমের ঘোরে বিচিত্র কাজকর্মের অভ্যাস রয়েছে কারও কারও। যেমন কারও অভ্যাস কথা বলা, কারও অভ্যাস হাঁটাহাঁটি করা ইত্যাদি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ঘুমের মধ্যে হাঁটাকে ‘সোমনমবুলিজম’ বলা হয়। এটা এমন এক ধরনের প্যারাসোমনিয়া যা ঘুমের মধ্যে জাগ্রত ব্যক্তির ন্যায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ড করার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এই রোগে আক্রান্তরা ঘুমের মধ্যে নিজের অজান্তে বাড়িতে হেঁটে বেড়ায়। কখনো কখনো ঘর থেকে বাইরেও চলে যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ার এক ছাত্র ঘুমের ঘোরে যা করেছে, তা সবকিছুকেই ছাপিয়ে যেতে পারে। ঘুমের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে সে চলে গিয়েছিল চার মাইল দূরের একটি স্কুলে! গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নিজেকে সম্পূর্ণ অপরিচিত একটি স্কুলের মধ্যে আবিষ্কার করে প্রথমে ভয়ে আঁতকে ওঠে ওই তরুণ। এরপর সঙ্গে থাকা মোবাইল থেকে পুলিশের জরুরি নম্বরে ফোন দেয়। ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ বলছে, ওই ছাত্র সপ্তম গ্রেডে পড়ালেখা করছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তার কাছ থেকে ফোন পায় পুলিশ। পুলিশ গিয়ে দেখে সে হেম্পফিল্ডের ওয়েনডোভার মিডল স্কলের ভেতরে ঘোরাঘুরি করছিলো। স্কুলের জানালা দিয়ে ক্লাশ রুমে ঢুকে বসেছিল সে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর সকাল বেলা রীতিমতো লঙ্কাকাণ্ড বেধে যায় স্কুলে। আতঙ্কের কারণে বুধবার সব ক্লাশ বাতিল করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষকে পুলিশ আশ্বস্ত করে বলেছে, আতঙ্কের কোন কারণ নেই। সূত্র: এপি একে// এআর

যে ভাষায় কথা বলেন মাত্র তিনজন

ভাষার নাম `বাদেশি’ ভাষা। উত্তর পাকিস্তানের দুর্গম, পাহাড়ি অঞ্চলের একটি গোষ্ঠী এ ভাষায় কথা বলে। এ ভাষায় কথা বলেন এমন তিনজন বর্তমানে জীবিত রয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে তাদের মৃত্যুর পর এ ভাষা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এ ভাষার কথা বলেন এমন একজন ব্যক্তি হলেন সাইদ গুল। তিনি তার ভাষায় বলেন, অমাদের গ্রাম খুবই সুন্দর । তিনি বলেন, শুরুতে ৯ থেকে ১০ টি পরিবার এ ভাষায় কথা বলতো। কিন্তু অন্যান্য এলাকা থেকে আমাদের অঞ্চলে ভিন্ন ভাষী লোক আসার করণে এ ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে বাদেশি ভাষায় কথা বলা এই তিন জন ব্যক্তি যদি মৃত্যুবরণ করেন তাহলে এই ভাষা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। সূত্র: বিবিসি বাংলা এমএইচ/টিকে      

৬ হাজার বছর ধরে জ্বলছে আগুন

অস্ট্রেলিয়ার একটি স্থানে ৬ হাজার বছর ধরে নিরবিচ্ছিন্নভাবে জ্বলছে আগুন। দেশটির সাউথ ওয়েলস এর মাউন্ট উইংগেনের বার্নিং মাউন্টেইনের (জ্বলন্ত পর্বত) ভূ-অভ্যন্তরে খ্রিস্টের জন্মের ৪০০০ হাজার বছর আগে থেকেই এই আগুন জ্বলছে। কয়লার আগুন থেকেই সারা বছর পর্বতটিতে ধোঁয়া ওড়ে। এজন্য পাহাড়টিকে বার্নিং মাউন্টেইন বা জ্বলন্ত পর্বত বলা হয়। তবে ওই জায়গায় প্রথম কিভাবে এই আগুনের সৃষ্টি হয়েছিল তা এখনও অজানাই রয়ে গেছে। এর রহস্য উদঘাটনও সম্ভব হয়নি। তবে ওই অঞ্চলের ঐতিহাসিক সম্প্রদায় ওয়ানারুয়াহ এর লোকজনের মতামত অনুসারে, আদিবাসী মানুষেরা হাজার হাজার বছর ধরে তাদের উষ্ণতার জন্য, রান্না-বান্নার জন্য এবং যন্ত্রপাতি তৈরির জন্য এই আগুন ব্যবহার করে আসছেন। সূত্র: সায়েন্সএলার্ট ডট কম একে// এআর

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু কাঠের ভবন

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু কাঠের ভবন নির্মাণ করবে জাপানের একটি কোম্পানি। ২০৪১ সালে নিজেদের ৩৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ ভবন নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সুমিতোমো ফরেস্ট্রি নামে একটি কোম্পানি। রাজধানীর টোকিওতে ৩৫০ মিটার উঁচু ৭০তলা ভবনটি নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে কোম্পানিটি। সুমিতোমো ফরেস্ট্রি নামের ওই কোম্পানি বলছে, ডব্লিউ৩৫০ প্রকল্প নামে ৭০ তলাবিশিষ্ট ভবনটি তৈরিতে মাত্র ১০ শতাংশ স্টিল ব্যবহার করা হবে। আর বাকী অংশে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার ঘনমিটার স্থানীয় কাঠ ব্যবহার করা হবে। এ কাঠ দিয়ে প্রায় ১৮ হাজার বাড়ি নির্মাণ করা সম্ভব হবে। টোকিওতে তৈরি এই ভবনে আট হাজার ঘর থাকবে। প্রতি তলার বারান্দায় বৃক্ষ ও গাছ-লতাপাতা থাকবে। সবুজ প্রকৃতির ছোঁয়া আনতেই এমনটি করা হবে বলে জানিয়েছে তারা। জাপান ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। সারা বছরই ভূমিকম্প হয়। তাই কম্পন নিয়ন্ত্রণে কাঠের ভেতরে নলের আকৃতির স্টিল ব্যবহার করা হবে। স্তম্ভগুলো হবে স্টিলের। বাঁকানো টিউব স্ট্রাকচারে এমনভাবে ভবনটি তৈরি করা হবে, যার ফলে জাপানের স্বাভাবিক ভূমিকম্পগুলো মোকাবিলা করতে পারবে এটি। ভূমিকম্প প্রবণতার কথা মাথায় রেখেই এই প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। চার লাখ ৫৫ হাজার বর্গমিটার ফ্লোর পুরোটাই কাঠের হবে। আলোয় পরিপূর্ণ অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে অফিস ও দোকানের ব্যবস্থা থাকবে। ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হবে ৫৬০ কোটি ডলার। একই আকারের প্রচলিত ভবন নির্মাণের চেয়ে এটির খরচ প্রায় দ্বিগুণ হবে বলে জানিয়েছে ওই কোম্পানি। কোম্পানিটি বলছে, ২০৪১ সালের মধ্যে এর নির্মাণকাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্বে অনেক জায়গায়ই কাঠ ব্যবহার করে তৈরি করা আকাশচুম্বি ভবন আছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিসে কাঠের তৈরি ১৮-তলা একটি অফিস ভবন আছে। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু কাঠের ভবনটি রয়েছে ভ্যানকুভারে। শিক্ষার্থী বসবাসের জন্য নির্মিত ভবনটি ৫৩ মিটার উঁচু। সূত্র: ডেইলি মেইল একে// মেইল

জুলিয়েটের সন্ধ্যানে সংগ্রহ ২৫ হাজার ডলার

মাত্র পাঁচ বছর। এর মধ্যে সঙ্গী খুঁজে না পেলে রোমিওর সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যাবে পুরো প্রজাতিটাই। কিন্তু পরিবেশবিদরা তা হতে দিতে চান না। তাই তো রুমিওর সঙ্গে ‘জুলিয়েটকে’ খুঁজে পেতে শুরু হয়েছিল তহবিল সংগ্রহের কাজ। দেখা গেল, নিঃসঙ্গ রোমিও প্রত্যাশার চেয়েও ভালোবাসা কুড়িয়েছে বেশ। রোমিও একটি ব্যাঙের নাম। ব্যাঙের টেলমাটোবিডি পরিবারের সদস্য এটি। নিঃসঙ্গ এই ব্যাঙটির বেঁচে থাকার কথা আর পাঁচ বছর। কাজেই এর মধ্যেই খুঁজে পেতে হবে জুলিয়েটকে। সঙ্গী না পেলে এ প্রজাতির নতুন কোন সদস্য পৃথিবীতে অবশিষ্ট থাকবে না। উল্লেখ্য, বলিভিয়ার কোচাবাম্বায় ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে রয়েছে রোমিও। এবারের ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক বন্য প্রাণী সংরক্ষণ (জিডব্লিউসি), বলিভিয়ান অ্যাম্ফিবিয়ান ইনিশিয়েটিভ ও ডেটিং ওয়েবসাইট ম্যাচ রোমিওর জন্য তহবিল সংগ্রহে নেমেছিল। লক্ষ ছিল ১৫ হাজার মার্কিন ডলার। তবে প্রত্যাশার চেয়েও প্রতিষ্ঠানগুলো আয় করেছে অনেক বেশি। এ তহবিলের অর্থ ২৫ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে। জিডব্লিউসি জানিয়েছে, আগামী জুনে বলিভিয়ার আন্দেজ বনাঞ্চলে জুলিয়েট সন্ধ্যানে অভিযানে নামবে বিজ্ঞানীরা। সূত্র: জিডব্লিউসিআরআ/ এমজে

প্রথম কোন শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ালেন হিজড়া নারী

শিরোনাম শুনলে অবাক হওয়ারই কথা। প্রশ্ন উঠতেই পারে- কি করে সম্ভব? কিন্তু সিত্যই তাই; হিজড়া এক নারী একটি শিশুকে তার বুকের দুধ খাওয়াতে সক্ষম হয়েছেন। এধরনের ঘটনা এটাই প্রথম। যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ বছর বয়সী এই হিজড়া নারীর (ট্রান্সজেন্ডার) পার্টনার তার শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে না চাইলে ওই হিজড়া নারী এই কাজটি করতে এগিয়ে যান এবং তিনি এই কাজে সফল হয়েছেন। বলা হচ্ছে, বেশ কিছু ওষুধ খাওয়া এবং ব্রেস্ট পাম্পিং-এর পর এটা করা সম্ভব হয়েছে। এই খবর প্রকাশ হওয়ার পর ব্রিটেনের একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, এটি একটি দারুণ ঘটনা। তিনি বলেন, এনিয়ে গবেষণার পর হয়তো আরও অনেক হিজড়া নারী শিশুকে তার বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন। ওই নারীর শরীরে গত ছ`বছর ধরে হরমোন থেরাপির চিকিৎসা চলছিলো। তবে লিঙ্গ পরিবর্তনের জন্যে তার শরীরে কোনো অপারেশন হয়নি। শিশুটির জন্মের আগে ডাক্তাররা তার বুকে কৃত্রিমভাবে দুধ তৈরির জন্যে সাড়ে তিন মাস ধরে কিছু চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। সাধারণত যেসব নারী শিশু দত্তক নিয়ে থাকে অথবা নিজের গর্ভে অন্যের শিশু জন্ম দিয়ে থাকে (সারোগেট মা) তাদেরকে এই চিকিৎসা দেওয়া হয়। এসব চিকিৎসার মধ্যে আছে ব্রেস্ট পাম্পিং, মায়েরা সাধারণত যেসব হরমোন উৎপাদন করে থাকে সেগুলো গ্রহণ করা, দুধ তৈরির জন্যে উদ্দীপ্ত করতে পারে এরকম ওষুধ খাওয়া এবং পুরুষ হরমোন উৎপাদন আটকে দেওয়া। এসব চিকিৎসার পর ওই হিজড়া নারী শিশুর জন্যে উপযোগী দুধ বের করতে সক্ষম হন। প্রতিদিন তার বুকে ৮ আউন্সের মতো দুধ তৈরি হচ্ছে। গবেষকরা বলছেন, নবজাতকের জন্মের পর প্রথম ছয় সপ্তাহ এই বুকের দুধই তার পুষ্টির প্রথম উৎস। এই সময়ের মধ্যেই শিশুর শারীরিক বিকাশ, খাওয়া দাওয়া এবং পেটের ভেতরে খাবারের হজম পক্রিয়া কিরকম হবে সেটা তৈরি হয়। এই শিশুটির ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে, বুকের দুধ খাওয়ার পাশাপাশি তাকে এখন ফর্মুলা দুধও দেওয়া হচ্ছে। কারণ তার জন্যে পর্যাপ্ত বুকের দুধ তৈরি হচ্ছে না। এই মেয়ে শিশুটির বয়স এখন ৬ মাস। তার ডায়েটের অংশ হিসেবেই তাকে আবার বুকের দুধ খাওয়ানো হচ্ছে। গবেষকরা বলছেন, শিশুদেরকে হিজড়া নারীদের বুকের দুধ খাওয়ানোর সক্ষমতার উপর আরও গবেষণার প্রয়োজন। ইম্পেরিয়াল কলেজের একজন শিক্ষক হরমোন বিশেষজ্ঞ ড. চান্না জয়াসেনা বলছেন, এই ঘটনা দারুণ একটি ঘটনা। তিনি জানান, যুক্তরাজ্যে তিনি এরকম দু’একটি ঘটনার কথা শুনেছিলেন যেখানে হিজড়া নারীরা বুকের দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারে এগিয়ে এসেছেন। তবে এধরনের কোনো সাফল্যের ব্যাপরে কোনো রিপোর্ট তার চোখে পড়েনি। সূত্র : বিবিসি এসএ/

ভিনগ্রহবাসীর আগমনে খুশি হবে মানুষ!

পৃথিবীতে ভিনগ্রহের অধিবাসী বা এলিয়েনরা মানুষের মারাত্মক বিপদ ঘটতে পারে বলে সতর্ক করছেন অনেকেই। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। বিজ্ঞানীদের দাবি, ভিনগ্রহবাসীরা পৃথিবীতে আসলে মানুষ নাকি খুশিতেই তাদের স্বাগত জানাবে। সুইজারল্যান্ড থেকে প্রকাশিত ‘ফ্রান্টিয়ার্স অব সাইকোলজি’ সাময়িকীতে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণারয় উল্লেখ করা হয়, ভিনগ্রহবাসীরা পৃথিবীতে এলে মানুষ খুশিমনে তাদের স্বাগত জানাবে। গবেষণাটি করেছেন অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের অস্টিনে আজ রোববার আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্সের সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা। এই সম্মেলনে অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মাইকেল ভারনামের ভিনগ্রহবাসী নিয়ে তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি পরীক্ষার ফল উপস্থাপন করার কথা রয়েছে। আর এই পরীক্ষাতেই পাওয়া গেছে এমন তথ্য। বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং আগেই মানুষকে সতর্ক করে বলেছেন, এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা মানুষের অবস্থান জানিয়ে দেবে। ঠিকানা চিনে পরে এলিয়েনরা এসে মানুষকে পদানত করার চেষ্টা করবে। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায়, গবেষকরা বলছেন মানুষ বাস্তবে হলিউডের মুভির মতো মানুষের সঙ্গে সংঘাতও বাঁধবে না এলিয়েনদের। বরং এলিয়েনদের আগমনে খুশি হবে মানুষ। মাইকেল ভারনাম বলেন, আমরা যদি পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বের অন্য কোনো প্রাণীর মুখোমুখি হই তাহলে আমরা আশাবাদী হতে পারি। আমরা এতদিন এসব বিষয়ে নানা ধরনের অনুমান করা সংবাদ পেয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো গবেষণা হয়নি। এ গবেষণার যে ফলাফল পাওয়া গেছে তা খুবই ভালো। মানুষ খুবই আগ্রহী যে, অন্য গ্রহের প্রাণীরা কেমন হবে এটি জানতে। আর এ বিষয়টিতে মানুষ খুবই ইতিবাচক। গবেষকরা দাবি করছেন, এলিয়েনদের দেখা পাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। কারণ মহাবিশ্বে এত বিপুলসংখ্যক জীবনধারণের মতো গ্রহ রয়েছে যে সেখানে প্রাণী বাস করা কঠিন নয়। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান একে// এআর

আগুনের পাখা

শুনতে অবাক লাগলেও একটা সময় ফ্যান চলত আগুনের জোরেই। স্টিম ইঞ্জিন চালিত সেই ফ্যান আজও আছে অনেক স্মৃতির সাক্ষী হয়ে। উনিশ শতকের গোড়ার দিকে রবার্ট স্টারলিং নামে এক বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেন এই আশ্চর্য ফ্যান, যার নাম কেরোসিন পাখা। এক সময় এই পাখার হাওয়াতেই শরীর জুড়োত। আগুনের ঠেলায় ঘুরত ফ্যানের ব্লেড। সময়ের হাত ধরে এগিয়েছে প্রযুক্তি। এখন স্মৃতির ফলক হয়েই বেঁচে আছে এই কেরোসিন পাখা। তবে এখন কলকাতার বিড়লা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড টেকনোলজি মিউজিয়ামে গেলে দেখা মিলবে এই কেরোসিন পাখার। কেরোসিন পাখার জন্ম বৃত্তান্ত উনিশ শতকের গোড়ার দিকে আবিষ্কার হয় এই পাখা। প্রাকৃতিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ঘুরত ফ্যানের ব্লেড। কেরোসিন পাখার আবিষ্কর্তা রবার্ট স্টারলিং। স্টিম ইঞ্জিনের মেকানিজমকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হয় এই ফ্যান। কেরোসিন পাখার প্রযুক্তি এই ফ্যানের মধ্যে দুটি সিল্ডিন্ডার থাকে। ৯০ ডিগ্রি কোণ করে জোড়া থাকে সিলিন্ডার দুটি। প্রথম সিল্ডিন্ডারের বায়ুকে বাইরে থেকে আগুন জ্বালিয়ে গরম করা হয়। বায়ু উত্তপ্ত হলে প্রসারিত হয় এবং প্রসারিত বায়ু প্রথম সিলিন্ডার থেকে দ্বিতীয় সিলিন্ডারে যায়। এরপর গরম বায়ু দ্বিতীয় সিলিন্ডারের ঠান্ডা বায়ুকে প্রথম সিলিন্ডারে পাঠিয়ে দেয় এবং বায়ুর এই খেলাতেই ঘুরতে থাকে ফ্যানের ব্লেড। সময় এগিয়ে চলেছে ঝড়ের গতিতে। পুরনো প্রযুক্তিকে সরিয়ে জায়গা দখল করছে নতুন প্রযুক্তি। সেভাবেই কেরোসিন পাখা আজ সময়ের বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিক। তবে অনেক স্মৃতির সাক্ষী। সূত্র: জিনিউজ একে// এআর

বিট কয়েন খুঁজতে গিয়ে যে দেশ বিদ্যুৎ সংকটে

আইসল্যান্ডের একটি জ্বালানি কোম্পানি এইচএস ওরকার মুখপাত্র জানিয়েছেন, আইসল্যান্ডে বড় বড় ডাটা সেন্টার প্রতিষ্ঠা করে বিটকয়েন খোঁজার যে হিড়িক পড়েছে তাতে দেশটি এখন বিদ্যুৎ সংকটে পড়তে পারে। এসব ডাটা সেন্টার চালাতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। এ বছর আইসল্যান্ডে সব বাড়িতে যত বিদ্যুৎ খরচ হবে, তার চেয়ে হয়তো বেশি বিদ্যুৎ খরচ হবে এসব ডাটা সেন্টারে। তিনি জানান, আরও অনেকে এখন এসব ডাটা সেন্টার স্থাপনের দিকে ঝুঁকছে। সব প্রকল্প যদি বাস্তবায়িত হয়, সেগুলো চালানোর মতো বিদ্যুৎ আইসল্যান্ডে থাকবে না। বিটকয়েন মাইনিং বলতে বোঝায় বিশ্বজুড়ে যে বিটকয়েন নেটওয়ার্ক আছে তার সঙ্গে কম্পিউটারকে যুক্ত করা এবং এই ক্রিপ্টো কারেন্সীর যে লেন-দেন হচ্ছে সেগুলো যাচাই করা। যেসব কম্পিউটার এই যাচাইয়ের কাজটি করে, তারা সামান্য পরিমাণে `বিটকয়েন পুরস্কার` পায় এর প্রতিদানে। কিন্তু কেউ যদি এই কাজটি বিশাল আকারে করতে পারে, সেটি বেশ লাভজনক। কিন্তু আইসল্যান্ডে এখন এই ব্যবসার বিপুল প্রবৃদ্ধি ঘটছে। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডাটা সেন্টারগুলোর জন্য বিদ্যুৎ খরচ। আইসল্যান্ডের জনসংখ্যা খুব কম, মাত্র তিন লাখ ৪০ হাজার। কিন্তু সম্প্রতি এই দ্বীপে নতুন ডাটা সেন্টার গড়ার হিড়িক পড়েছে। যেসব কোম্পানি এসব ডাটা সেন্টার স্থাপন করছে তারা দেখাতে চায় যে তারা পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহার করছে। আইসল্যান্ডে উৎপাদিত বিদ্যুতের শতকরা একশো ভাগই আসে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে। অনুমান করা হচ্ছে, এবছর আইসল্যান্ডে বিটকয়েন মাইনিং অপারেশনের পেছনে প্রায় ৮শ ৪০ গিগাওয়াট ঘন্টা বিদ্যুৎ খরচ হবে। এর বিপরীতে আইসল্যান্ডের সব বাড়ি মিলে বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে সাতশো গিগাওয়াট ঘন্টা। বিটকয়েন নিয়ে এই পাগলামি যে শীঘ্রি থামবে, তার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আইসল্যান্ডের ক্রিপটো কারেন্সী মাইনিং ব্যবসা এবছর দারুণ চাঙ্গা হয়ে উঠে `মুনলাইট প্রজেক্ট` নামে একটি বিশাল ডাটা সেন্টার স্থাপন প্রকল্পকে ঘিরে। এ বছরের শেষ নাগাদ এটি চালু হবে। তবে এই শিল্প আইসল্যান্ডের কী কাজে আসবে, তা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন। সূত্র: বিবিসি একে// এআর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি