ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ ৪:৫৭:০০

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আবারো প্রশাসনের হাতে : মির্জা ফখরুল

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আবারো প্রশাসনের হাতে : মির্জা ফখরুল

নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আবারো প্রশাসনের হাতে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সিনেটে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটস প্রতিনিধি নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী পরিষদের প্যানেল পরিচিতি সভায় এ কথা বলেন তিনি। ফখরুল বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আমরা বহু কথা, বহু আন্দোলন করেছি। এ নিয়ে সংসদে আইন পাশ হয়েছে। দুর্ভাগ্য এটাকে কোনোভাবেই মুক্ত করা গেল না। সদ্য বিদায়ি প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা যখন মুক্তির চেষ্টা করেছেন তখন তাকে পদ হারাতে হয়েছে, তাকে দেশ ত্যাগ করতে হয়েছে। আর আমরা কথা বলতে গেলে নেমে আসে মামলার খড়গ। বিএনপির মহাসচিব বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনের বেশিরভাগই ফলাফল শূন্য। তারপরও আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচন করতে চাই। কারণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের মাধ্যমে সকল সত্যকে ফিরিয়ে আনাই আমাদের লক্ষ। তিনি বলেন, আজ বড় কঠিন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সিনেটে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এ সময়টা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচাইতে কলঙ্কজনক অধ্যায়। বচর্তমানে গণতন্ত্রের নামে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে। গণতন্ত্রের নামে জনগণের মৌলিক অধিকার, শিক্ষক সমাজের অধিকার, ছাত্রসমাজের অধিকার কেড়ে নেয়া হচ্ছে। তাদেরকে কোনোরকম কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে অংশ নিতে দেয়া হচ্ছে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি বিশেষ দলের প্রাধান্য বিস্তার করছে। বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, দেশ এখন এক গভীর সংকটে ডুবে আছে। নানামুখী ষড়যন্ত্রে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে। মানুষের অধিকার রক্ষার যে সংগ্রাম, সেই সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় আমাদের আসল লড়াই। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাবি সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক আকতার হোসেন খানের পরিচালনায় এবং বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুলের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, ঢাবি অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, ঢাবির সাবেক সিনেট সদস্য অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ, ড্যাব সভাপতি একেএম আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।   / আর / এআর
অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলছে আ.লীগ : আমীর খসরু

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নিজেদের অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনার সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মন্তব্য করেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপি না আসলে দলটির অস্তিত্ব থাকবে না। এর জবাবেই আমীর খসরু এমন মন্তব্য করেন। আমীর খসরু বলেন, বাকশালের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নিজেদের অস্তিত্বটা নিজেরাই বিলীন করে দিয়েছিলেন, সেই অস্তিত্ব ফিরিয়ে এনেছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। বর্তমানে আওয়ামী লীগ যে পথে চলছে, এতে আবারও দলটি রাজনীতিক দল হিসেবে অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলছে। এ সময় তিনি আওয়ামী লীগকে নিজের কথা চিন্তা করাও অনুরোধ জানান। বিএনপি নেতা অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকারের সময় বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের যে দাম ছিল, সে তুলনায় আওয়ামী লীগের সময়ে বিদ্যুতের দাম ২০০ শতাংশ ও গ্যাসের দাম ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আওয়ামী লীগ সমর্থিত রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল ব্যবসায়ীদের মুনাফা দিতেই বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, সরকারের চরম সমন্বয়হীনতার কারণে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে।   আর

নির্বাচন নিয়ে আলোচনার কিছু নেই : ইনু

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে আলোচনা পরে হবে। সেটা রুটিন কাজ। পাঁচ বছর পর পর আমাদের জীবনে ভোট আসবে, ভোট করবেন। সেটা নিয়ে আলোচনার কিছু নেই। কে ক্ষমতায় গেলো আর না গেল সেটা বড় কথা নয়। বাংলাদেশের রাজনীতি খুনি মুক্ত হবে কিনা, দুর্নীতিমুক্ত হবে কিনা সেটাই বড় কথা। বেগম খালেদা জিয়া ভোটে আসবে  কিনা সেটা নিয়ে এত মাথা ব্যাথার কিছু নেই। আমি খালেদা জিয়াকে দেখতে চাই পোড়া মানুষের খুনের জন্য কারাগারে।     আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স  লাউঞ্জে মাওলানা ভাসানীর ১৩৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘বিজয় দিবসের ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।  তথ্যমন্ত্রী বলেন, মাওলানা ভাসানী সাধারণ মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ছিলেন। তাদের জন্য সব সময় ছিলেন সোচ্চার। তিনি ধার্মিক ছিলেন কিন্তু কখনো ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করেননি। তিনি সারা জীবন দারিদ্র, দূর্নীতি, জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। এসব থেকে এখন আমাদের মুক্তি চাইলে ভাসানীর মতো ভূমিকা রাখতে হবে। হাসানুল হক ইনু বলেন, যে রাজাকারদের একাত্তরে পরাজিত করেছিলাম। এবং যাদেরকে বাংলাদেশের রাজনীতির বুক থেকে ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। সেই রাজাকার জঙ্গি জামাত ও তার দোসর খালেদা জিয়ার এমপি মন্ত্রীকে ঐ ডাস্টবিনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। জঙ্গি যদি খারাপ হয়, জঙ্গীর সঙ্গি খালেদা কেন ভাল হবে। গণতন্ত্রে খালেদা জিয়ার স্থান নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা খালেদা জিয়ার সঙ্গে মিটমাট করার চেষ্টা করছেন। খালেদা জিয়ার পিঠ চাপড়াচ্ছেন, তারা প্রকারান্তরে জঙ্গিদের সঙ্গে মিটমাট করার চেষ্টা করছেন। জামাতের সঙ্গে মিটমাট করার চেষ্টা করছেন। গনতন্ত্রে রাজাকার, জঙ্গি, জামাত বা তার সঙ্গী খালেদা বিএনপির কোনো জায়গা নেই। বেগম খালেদা জিয়া নিজে রাজাকারের সঙ্গে জোট বেঁধে জঙ্গির সঙ্গে খাতির করে, জামাতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে গণতন্ত্রের ঘর থেকে এক তরফা টিকিট কেটে বের হয়ে চলে গেছেন। এই গণতন্ত্রের ঘরে ফেরত আসতে হলে ওনাকে শুধু ওদের ছাড়লেই হবে না একই সঙ্গে ওনাকে ঘোষণা দিতে হবে সংবিধানের চার মূলনীতি মানে,  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতার ঘোষণা মানে, ২৫ মার্চ রাতের হত্যাকে মানে, ৩০ লক্ষ্য শহীদ মানে। এই চারটা ঘোষণা ছাড়া খালেদা জিয়া বাংলাদেশের জন্য সব সময়ের জন্য বিপজ্জনক। তিনি বলেন, বিএনপি যদি আবার ক্ষমতায় আসে তাহলে এদেশে জঙ্গি উৎপাদন পুনরায় শুরু হবে। সকল খুনিদের ঠিকানা এবং একমাত্র  আস্তানা হলো বিএনপি। যারা খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক ময়দানে টিকিয়ে রাখার জন্য দেন দরবার করে বেড়াচ্ছেন তারা আল্লার ওয়াস্তে ক্ষ্যান্ত হোন। খুনির পক্ষে কোনো ওকালতি করবেন না। বিএনএফ এর প্রেসিডেন্ট এস এম আবুল কালাম আজাদ এমপি এর সভাপতিত্তে অনুষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।         এসি/      

‘বিএনপি না এলে নির্বাচন বসে থাকবে না’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি না এলে নির্বাচন বসে থাকবে না। এবার নির্বাচনে না আসার কোনো সুযোগ বিএনপির নেই। নির্বাচনে তাদের আসতেই হবে। তিনি আজ মঙ্গলবার সকালে যশোর-খুলনা মহাসড়ক পরিদর্শন শেষে সাতক্ষীরা যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্র গেল, গণতন্ত্র গেল বলে বিএনপি ওই এক ভাঙা রেকর্ড বাজিয়েই যাচ্ছে। আগে তারা ভারত বিদ্বেষী কথা বলত। এখন গণতন্ত্র নিয়ে বলে। শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায় না। মিথ্যাচার করে দুর্নীতির গন্ধও ঢাকা যায় না। বিএনপি দুর্নীতিগ্রস্ত দল এটা কানাডার আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপির দুর্নীতির কেচ্ছা কাহিনীর থলের বিড়াল মিউ মিউ করে বেরিয়ে আসছে। কাতার, সৌদি আরবের দুর্নীতির খবর প্রকাশ হয়েছে। কানাডার আদালত তো রায় দিয়েছে তারা সন্ত্রাসী সংগঠন। তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর দুর্নীতির রায়ও হয়েছে।

বিদেশে সম্পদের কোন অস্তিত্ব নেই : ফখরুল

বিদেশে খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের নামে যে সম্পত্তির কথা আওয়ামী লীগ থেকে বলা হচ্ছে তার কোনো অস্তিত্ব নেই বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার রাজধানীর হাই কোর্ট মাজার প্রাঙ্গণে বিএনপির মহানগর দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে গরীব ও দুঃস্থদের মধ্যে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন তিনি। এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা সারা পৃথিবীতে খোঁজ নিয়ে দেখেছি, এ ধরনের কোনো কিছুর ভিত্তি নেই। এমনকি যে প্রোপার্টির কথা বলা হয়েছে, সেই প্রোপার্টিগুলোরও কোনো অস্তিত্ব নেই। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন। গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ও তাঁর সন্তানদের নামে বিনিয়োগ করা বিভিন্ন অবৈধ অর্থের বিষয়ে কথা বলেন। এসময় তিনি বিএনপি পরিবারকে অর্থ পাচারকারী পরিবার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। রোববার স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক সমাবেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, সৌদি আরবে খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক রহমানের দুর্নীতির খবর বেরিয়ে গেছে, আর সেটা নিয়ে তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়ে গেছে। কী করে এই দায় এড়াবে তারা? তিনি আরও বলেন, এই দলের দুর্নীতির ইতিহাস সবাই জানে। দুর্নীতির দুর্গন্ধ আবারও ছড়িয়ে পড়েছে। যতই ময়লা নিয়ে ঘাঁটাঘাটি করবেন ততই দুর্গন্ধ বাড়বে। ফান্দে পড়ে বগা কান্দে। এছাড়া সম্প্রতি দেশের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে বিদেশি একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে খালেদা পরিবারের দুর্নীতির বিষয়টি প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে সৌদি আরবে। সেখানে ওই সম্পদ নিয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। এদিকে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করছে। এসময় তিনি বলেন,আমরা তো পরিষ্কারভাবে বলেছি, তারা (সরকার) প্রমাণ করুক। এমজে/  

২০০৮ সালের চেয়েও বড় বিজয় আসবে এবার : জয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, আগামী নির্বাচনে ২০০৮ সালের চেয়েও বড় বিজয় আসবে। আমি একটি জরিপ করেছি। তাতে এই ফল পাওয়া গেছে। আজ সোমবার শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জয় বলেন, আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় আসবেই। দেশের মানুষের বিশ্বাস ও সমর্থন আমাদের প্রতি চলে এসেছে। আওয়ামী লীগকে হারানোর মতো দল বাংলাদেশে নেই। বিজয় নিয়ে আমি চিন্তা করি না, কিন্তু ষড়যন্ত্র আছে। খেয়াল রাখতে হবে ৫ জানুয়ারির মতো কোনো ঘটনা-দুর্ঘটনা যেন না ঘটে। ওই সময়ের মতো আগুন সন্ত্রাস যেন না ঘটে। তিনি আরও বলেন, আমি প্রার্থী হচ্ছি না। এটি আপনাদের আগাম জানিয়ে রাখছি। আমার উদ্দেশ্য দলকে ক্ষমতায় আনা। এমপি-মন্ত্রী হওয়ার লোভ আমার নেই।

আগামী নির্বাচন মন্ত্রী-এমপি বানানোর নয়, অস্তিত্ব রক্ষার : নাসিম

১৪ দলের সমন্বয়ক এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, আগামী নির্বাচন মন্ত্রী-এমপি বানানোর নয়, অস্তিত্ব রক্ষার নির্বাচন। তিনি বলেন, এ নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত সরকারের অধীনেই হবে। সরকার প্রধান থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। তিনি আজ সোমবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে ১৪ দলের সমন্বয় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। এসময় ১৪ দলের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। নাসিম  বলেন, খালেদা জিয়া কথায় কথায় ন্যায় বিচারের কথা বলেন? যখন ৬৪ জেলায় বোমা হামলা হল, ২১ আগষ্টে ২৪ জন মারা গেল, তার স্বামী জিয়াউর রহমান যখন কর্ণেল তাহের সহ অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করলেন তখন কোথায় ছিল ন্যায় বিচার?

১৪ দলে কেউ ফাটল ধরাতে পারবে না : খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাকে যে আসনে মনোনয়ন দেবেন, ১৪ দলের সবাই তার পক্ষে সমন্বিতভাবে কাজ করবে। আসন বন্টন বা স্বার্থ চিন্তা করে নিজেদের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি করা যাবে না। আজ সোমবার বেলা ১১ টায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে ১৪ দলের সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আগামী নির্বাচনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। ভেদাভেদ ভুলে নির্বাচনে জয়ের লক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এসময় ১৪ দলের সমন্বয়ক এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক শিল্প মন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া  প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এ সভায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। / এআর /

তৃণমূলে আওয়ামী লীগের কাছে অসহায় ১৪ দল : নজিবুল বশর

নির্বাচন এলে বা বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে ১৪ দলের শরিকদের দরকার হলেও তৃণমূলে ক্ষমতার ভাগাভাগিতে আওয়ামী লীগ কর্মীদের কাছে অন্য শরিক দলের নেতারা অসহায় বলে অভিযোগ করেছেন তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী। আজ সোমবার ধানমন্ডি ৩/এ আওয়ামীলীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ের নতুন ভবনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সমন্বয় সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন। তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে সমর্থন করতে গিয়ে আমি শত্রু বাড়িয়েছি। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না এলে আমাকে মেরে ফেলা হবে। কিন্তু সেই তুলনায় আমার মূল্যায়ন নাই। সভায় উপস্থিত আছেন ১৪ দলের সমন্বয়ক এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। উপস্থিত আছেন তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও সাম্যবাদী দলের দিলীপ বড়ুয়া প্রমুখ।  আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এ সভায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। / এআর /  

জিয়া পরিবারের দুর্নীতি নতুন নয় : হাছান মাহমুদ

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, জিয়া পরিবারের দুর্নীতি নতুন নয়। এ ধরনের খবর আগেও বেরিয়েছে। আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থা আয়োজিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মানববন্ধনে হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন। সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, জিয়া পরিবারের দুর্নীতির খবর নতুন নয়। সিঙ্গাপুরে আরাফাত রহমান কোকোর দুর্নীতি ধরা পড়েছিল। এফবিআই এসে তারেক রহমানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিল। খালেদা জিয়া নিজেই জরিমানা দিয়ে কালোটাকা সাদা করে স্বীকার করে নিয়েছিলেন তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করেছেন। সুতরাং বিএনপি চেয়ারপারসন স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি এবং তার পরিবার দুর্নীতিবাজ। সাবেক বন ও পরিবেশমন্ত্রী হাছান মাহমুদ আরও বলেন, বিএনপি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন করেছে। আর এটি শুরু করেছেন তাদের নেতা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করে। মানববন্ধনে সংগঠনের চেয়ারম্যান এম এ খালেক, মহাসচিব নুরুল ইসলাম, উপদেষ্টা আবদুল খালেক, কামরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। /ডিডি/

বাল্যবিবাহ নারী স্বাস্থ্যের প্রধান অন্তরায় : নাসিম

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বাল্যবিবাহ নারী স্বাস্থ্যের প্রধান অন্তরায়। যেভাবেই হোক এটি বন্ধ করতে হবে। নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক ও এনজিওগুলোকে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। ‘দারিদ্র্য বিমোচন ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিতকরণে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি। রাজধানীর শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে আজ বিকেল ৩টায় এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাসিম আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে নারীরা সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতালে নারীদেরকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিনামূল্যে হামের টিকা দেওয়া হচ্ছে। নারীদের কথা বিবেচনায় রেখে ১০ হাজার নার্সও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’ সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই-মাহবুব, এম বি আখতার প্রমুখ। সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন সানজিদা খানম এমপি, শিরিন আখতার এমপি, মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, মাসুদা ফারুক রত্না (বেগম রোকেয়া পদক ২০১৭ প্রাপ্ত), জেসমিন খাতুন, ফরিদা ইয়াসমিন, রোকেয়া কবির প্রমুখ।   /ডিডি/

মিথ্যা মামলায় তারেক রহমানকে হয়রানি করা হচ্ছে : মির্জা ফখরুল

মিথ্যা মামলায় তারেক রহমানকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমানকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে, খালেদা জিয়াকে ট্রায়ালে রাখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, আজকে বিচারবিভাগকে কব্জা করে ফেলা হয়েছে। প্রধান বিচারপতিকে বাধ্য করে প্রথমে ছুটি, পরবর্তীতে পদত্যাগ করানো হয়েছে। প্রশাসনকে করা হয়েছে সম্পূর্ণ দলীয়করণ। তিনি বলেন, ফরহাদ মজহার পাঁচ মাস পর গণমাধ্যমের সামনে এসে জানালেন তার কাছ থেকে জোর করে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছিলো। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, রাষ্ট্রদূত, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক - যারাই গুম হয়েছেন, কেউই এখনো ফিরে আসেননি। যারা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, তারাও কেউ ফিরে আসছেন না। নিখোঁজ ব্যক্তিদের ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে যাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তাদের ফিরিয়ে দিন। মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ ও এ জেড এম জাহিদ, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল প্রমুখ।       //এমআর

‘১০০ জোট হলেই আমার কী?’

বিকল্পধারা বাংলাদেশ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও নাগরিক ঐক্য-এই চারটি রাজনৈতিক দল ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে নতুন একটি জোট গঠন করেছে। নতুন এ জোট প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, ১০০ জোট হলেই আমার কী?। আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে তার নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোট আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এছাড়া রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়ী হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন এরশাদ। ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিবাদে ১২ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, দেলোয়ার হোসেন খান, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, সৈয়দ আবু হোসেন ও এস এম ফয়সাল চিশতী প্রমুখ।   /এমআর

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি