ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:০৮:০৪

ছাত্রলীগ নেতা রনি: পদত্যাগ নয়, সাসপেন্ড!

ছাত্রলীগ নেতা রনি: পদত্যাগ নয়, সাসপেন্ড!

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনিকে সংগঠন থেকে বহিস্কার করা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ। এর আগে রনি পদত্যাগ করেছেন বলে গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়। তবে ছাত্রলীগ সভাপতি বলছেন, রনির পদত্যাগ নয়, তাকে বহিস্কার করা হয়েছে। একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে কিছুক্ষণ অাগে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। যদিও এরআগে সাড়ে সাতটার দিকে নিজের ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পদ থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন রনি। সেখানে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে নগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীরকে দায়িত্ব দেবার কথা উল্লেখ করেছিলেন তিনি। ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘বির্তকিত কর্মকাণ্ডের কারণে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনিকে পদ থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তার অব্যাহতির কোনও সুযোগ নেই। রাত ৮ টার দিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এক জরুরী সভায় রনিকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ’ রনি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিজ গ্রুপের জাকারিয়া দস্তগীরকে ঘোষণা দিলেও এ বিষয়ে রনির এখতিয়ার নেই বলে জানান ছাত্রলীগ সভাপতি সোহাগ। কেন্দ্র থেকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হবে বলেও জানান ছাত্রলীগের র্শীর্ষ এ নেতা। প্রসঙ্গত, নগরীতে এক অধ্যক্ষকে মারধর নিয়ে সমালোচনার রেশ না কাটতেই এবার এক কোচিং সেন্টারের মালিককে পেটানোর অভিযোগ উঠে চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনির বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় বাদী হয়ে মোহাম্মদ রাশেদ নামের ওই ভুক্তভোগী নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এতে রনি ও তার বন্ধু নোমানকে আসামি করা হয়েছে। এএ/ এমজে
ছাত্রলীগ নেতা নুরুল আজিম রনির পদত্যাগ   

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নুরুল আজিম রনি পদত্যাগ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার তিনি লিখিত পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতাদের কাছে জমা দেন।     রনির পদত্যাগ পত্রটি বিকেল থেকে ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। চট্টগ্রাম মহানগর, চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের নুরুল আজিম রনি`র পদত্যাগে ক্ষোভ, হতাশা ও কষ্ট প্রকাশ করতে দেখা যায়। পদত্যাগ পত্রে নুরুল আজিম রনি ব্যাক্তিগত কারণে পদত্যাগ করছেন বলে উল্লেখ করেছেন। তার অবর্তমানে কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে নুরুল আজিম রনিকে ফোন করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদনটি লিখা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজী হননি। উল্লেখ্য চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনির চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ের একটি কোচিং সেন্টারের পরিচালক রাশেদ মিয়াকে চড় মারার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ওই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নুরুল আজিম রনি পদত্যাগ করেছেন বলে জানা যায়।  এ বিষয়ে কোচিং সেন্টার মালিক রাশেদ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, রনি আমার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে। চাঁদা দিতে না পারায় সে আমাকে মারধর করে।’   এর আগে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেশী টাকা আদায় করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নুরুল আজিম রনি শিক্ষার্থীদের পক্ষ অবলম্বন করে এর প্রতিবাদ জানালে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আলোচনায় ওঠে আসেন।  আআ/এসি     

আজ কেন আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারছি না : মির্জা ফখরুল

নিরপেক্ষ সরকারের অধীন আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে সব রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি সব বিরোধী দল একমত হয়েছিল, বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। তখন খালেদা জিয়ার ডাকে সাড়া দিয়ে কোনো দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি। তাহলে আজ কেন আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারছি না? আমাদের সবাইকে আবার নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মানুষের গণতান্ত্রিক, নাগরিক ও ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স (অ্যাব) আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। বিএনপির মহাসচিব মনে করেন, এই সংকটের সূত্র সংবিধানের একটি ‘বিতর্কিত’ রায়কে কেন্দ্র করে। তিনি বলেন, ‘যখন বিচারপতি খাইরুল হক সংবিধান কাটাছেঁড়া করে একটি বিতর্কিত রায় দিয়েছেন তখনই দেশে সংকট তৈরি হয়েছে। কারণ ওই রায়ের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে ভোটারবিহীন বির্বাচন করে ক্ষমতায় থাকার পথ সুগম করে দিয়েছেন। মির্জা ফখরুল বিচারপতি খাইরুলকে ফের ‘একদলীয় শাসন ফিরিয়ে আনার মূলহোতা’ বলেও উল্লেখ করেন। এর থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য গণবিস্ফোরণ ঘটাতে হবে। ‘দেশের সব অর্থিক খাত ধ্বংস হয়ে গেছে। ব্যাংকগুলো লুট হয়ে গেছে। এসব আমার কথা নয়। সিপিডি তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, দেশের সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক শেষ হয়ে গেছে, অর্থনীতিতে ধস নেমেছে। আর সরকার বলে উন্নয়নের জোয়ার বইছে, মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। আসলে এগুলো সবই জনগণের সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়।’, যোগ করেন বিএনপির মহাসচিব। সভায় আরো বক্তব্য দেন পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ও ‘আমার দেশ’ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) মহাসচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রমুখ। / এআর/

ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খানের ওপর লন্ডনে হামলা

ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়ের ওপর হামলা চালিয়েছে যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতা-কর্মীরা। গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় বিকালে ওয়েস্টমিনস্টারের দ্বিতীয় কুইন এলিজাবেথ কনফারেন্স সেন্টারের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।সেখানে বিক্ষোভ করছিলেন যুক্তরাজ্য শাখা বিএনপির নেতা-কর্মীরা। ওই বিক্ষোভ থেকে উপমন্ত্রী জয়ের ওপর হামলা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। তাঁর এই সফরের বিরুদ্ধে রোজ বিক্ষোভ করছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতাকর্মীরা।গতকাল স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে তিনটা থেকে দ্বিতীয় কুইন এলিজাবেথ কনফারেন্স সেন্টারে সরকারপ্রধানদের বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কনফারেন্স সেন্টারের বাইরে বিক্ষোভ করছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতা-কর্মীরা। পাশেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরকে স্বাগত জানিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন যুক্তরাজ্য শাখা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় বিএনপির বিক্ষোভের পাশ দিয়ে হেঁটে সম্মেলনস্থলের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির বিক্ষোভ থেকে তাঁর উদ্দেশে কটু মন্তব্য করা হয়। একপর্যায়ে উপমন্ত্রীকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন কয়েকজন। এ সময় আরিফ খান দৌড়ে গিয়ে পাশের বারক্লেস ব্যাংকের সামনে গিয়ে আশ্রয় খোঁজেন। হামলাকারীরাও তাঁর পিছু নেন। পরে বিএনপির কিছু নেতা–কর্মী তাঁকে রক্ষা করেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, বারক্লেস ব্যাংকের সামনে উপমন্ত্রীকে ঘিরে রেখে হামলা থেকে রক্ষার চেষ্টা করছেন বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী। তাঁরা হামলাকারীদের সরিয়ে দেওয়ারও চেষ্টা করছেন। তবে হামলাকারীরা উপমন্ত্রীকে উদ্দেশে কটু মন্তব্য করেন। একজন দূর থেকে তাঁর দিকে পানি ছুড়ে মারেন। এর মধ্যে পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক গণমাধ্যমের কাছে হামলার ঘটনা সত্যতা স্বীকার করেছেন। / এআর /

সিটি নির্বাচনের ৭ দিন আগে সেনা চায় বিএনপি

জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ভাবনার কথা জানাতে নির্বাচন কমিশনে গিয়েছে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে. এম. নুরুল হুদার সঙ্গে বৈঠকে বসে।বিএনপি আসন্ন গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সাতদিন আগে থেকে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে। ইসির কাছে দেওয়া লিখিত দাবিনামায় উল্লেখ করা হয়, দুই সিটি নির্বাচনের সাতদিন আগে থেকে নির্বাচনী এলাকায় টহলসহ প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সেনা মোতায়েন করতে হবে।গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুণ অর রশীদকে প্রত্যাহার করারও দাবি জানিয়েছে বিএনপি। তাদের যুক্তি, নির্বাচনী অনিয়মের কারণে ২০১৬ সালে কমিশন তাকে প্রত্যাহার করেছিল। তিনি ২০১১ সালে ৬ জুলাই তৎকালীন বিরোধীদলীয় চিপ হুইপ ও বিএনপি নেতা জয়নুল আবদীন ফারুকের ওপর হামলা করেছিলেন।  এছাড়া নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত করার কথাও দাবিনামায় উল্লেখ রয়েছে।প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। প্রতিনিধিদলে আরো আছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ও যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। আগামী ১৫ মে খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ অংশ নিচ্ছে। খুলনা সিটিতে মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু (ডানে) ও গাজীপুর সিটিতে প্রার্থী জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার। এই নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু করতে দলের প্রস্তাবনা তুলে ধরা হবে বৈঠকে।এদিকে, বিভিন্ন সময় বিএনপির নেতারা বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের অংশগ্রহণের বিষয়টি নির্ভর করছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির ওপর। এছাড়া খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেওয়া না নেওয়া নিয়েও রয়েছে ধোয়াশা। তাঁকে মুক্তি না দিলে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারপারসনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিশেষ আদালত। এর পর থেকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারকে বিশেষ কারাগার ঘোষণা দিয়ে তাঁকে সেখানে রাখা হয়েছে। তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করেছেন উচ্চ আদালত।/ এআর /

একাদশ জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে আ. লীগ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চেয়ারম্যান করে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সোমবার (১৬ এপ্রিল) দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কমিটির কো-চেয়ারম্যান মনোনিত হয়েছেন দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হোসেন তওফিক ইমাম (এইচটি ইমাম) ও সদস্য সচিব হয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতু ও পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা হলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও দলের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ। কেআই/ এআর

নিজ গাড়িতে তিন রোগীকে হাসপাতালে নিলেন সেতুমন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে দেখে সাহায্য চাইতে গেলেন তিনজন অসহায় মানুষ। তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন। তাদের নিজের গাড়িতে করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজে। মা বিলকিস বেগম। মেয়ে বিথী। অ্যাসিড সন্ত্রাসের কবলে পড়ে দুজনের মুখের আকৃতি পাল্টে গেছে। মেয়ের ডান হাত এমনভাবে ঝলছে গেছে যে পরে তার হাতের কবজি কেটেই ফেলতে হয়েছে। আরেকজন মিজান। সড়ক দুঘর্টনায় আঘাত পাওয়ার পর হাঁটুর নিচে প্রায় পচন ধরেছে। এরা সবাই হতদরিদ্র। তাই চিকিৎসা পাচ্ছেন না। কিন্তু তাদের আশার আলো হয়ে দেখা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) অভিযান পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার পর ওই তিনজন মন্ত্রীকে দেখে সাহায্য চান। এরপর মন্ত্রী তার নিজ গাড়ির সামনের আসনে বসে দুই নারীকে পেছনের আসনে বসান। আর মিজানকে প্রটোকলের গাড়িতে করে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে নিয়ে যান। গাড়িতে থাকা বিলকিস বেগমের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে জানা গেছে, তাদের বাড়ি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায়। তার মামাকে অ্যাসিড মারতে এসে মা ও মেয়েকে অ্যাসিড মারে সন্ত্রাসীরা। মামা সেদিন ভয়ে ওই বাড়িতেই ছিলেন না। এমনকি মামা যেখানে ছিলেন সেখানেও ভয়াবহ হামলা চালানো হয়। অথচ আজ পর্যন্ত কোনো বিচার পাননি তারা। আজ মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে সব খুলে বলার পর তিনি ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। এ সময় উপস্থিত উৎসুক জনতা মন্ত্রীর প্রশংসায় মেতে ওঠেন। এ সময় কান্না জড়িত কণ্ঠে বিথি জানান, গরিব হওয়ায় আমরা ভালোভাবে চিকিৎসা করতে পারিনি। কোথায় কী ধরনের চিকিৎসা পাওয়া যায় তাও জানি না। অন্যদিকে পায়ে দগদগে ঘা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন মিজান। মন্ত্রী তাকে দেখে এগিয়ে যান। তার পা দেখে অবাক হয়ে যান তিনি। জানতে চাইলে সব খুলে বলেন মিজান। সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্রী তাকে গাড়িতে তুলে নেন। মন্ত্রীর সহকারীর একান্ত সচিব আবুল তাহের মো. মহিদুল হক তাদের সঙ্গেই ছিলেন। তিনি জানান, তিনজনকেই ডাক্তার দেখানো হচ্ছে। ডাক্তার প্রয়োজনবোধ করলে তাদের ভর্তি করা হবে। এসএইচ/

খালেদার চিকিৎসা নিয়ে অবহেলার প্রশ্নই ওঠে না : নাসিম

দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ভালো আছেন বলে জানিয়েছন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে দলটির নেতাদের মিথ্যাচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়াকে সর্বোত্তম চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। তিনি কারাগারে ভালো আছেন।সোমবার সচিবালয়ে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।কারাবন্দি থাকা অবস্থায় কাউকে জেল কোডের বাইরে চিকিৎসা দেয়া যায় না উল্লেখ করে নাসিম বলেন, বিএনপির নেত্রীর সর্বোত্তম চিকিৎসাসেবা করা হচ্ছে ও করা হবে। তার যেকোনো অসুবিধা দেখা হবে। তবে জেল কোডের বাইরে গিয়ে চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, বেগম জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে কোনো অবহেলা করা হচ্ছে না। করার প্রশ্নই ওঠে না।তিনি বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) একজন রাজনৈতিক নেতা, একটি দলের চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তার প্রতি সবসময়ই আমাদের সদয় দৃষ্টিভঙ্গি আছে। বিএনপিকে বলব, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে অহেতুক মিথ্যাচার করবেন না।নাসিম আরও বলেন, ‘বিএনপি অহেতুক রাজনীতি করে, সব বিষয় নিয়ে রাজনীতি করে। বেগম জিয়া নিজেই চিকিৎসার জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন, তিনি (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে) এসেছেন। চিকিৎসা নিয়েছেন, ওষুধ খাচ্ছেন। তিনি ভালো আছেন।/ এআর /

বিএনপির আন্দোলনের রঙিন খোয়াব উবে গেছে : কাদের (ভিডিও)

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির সরকারবিরোধী আন্দোলনের রঙিন খোয়াব বাতাসে উবে গেছে। বিএনপি শুধু খোয়াব দেখবে, আন্দোলন আর হবে না।আজ সোমবার দুপুরে ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শনে গিয়ে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন।মানুষ আন্দোলনের মুডে নয়, নির্বাচনের মুডে আছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন পুরোপুরি নির্বাচনের আমেজে (মুডে)। দুটি সিটি করপোরেশনে নির্বাচন হচ্ছে। মানে দুই বিভাগের ভোটাররা এর সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন। এরপরে আরও পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন, সেমিফাইনাল চলছে (নির্বাচনের)—এখন আর আন্দোলনে কাজ হবে না।জোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের মন্তব্যের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, কে কত আসন পাবে, সেটি বৈঠকে আলাপ-আলোচনা হবে। এসব বিষয় প্রকাশ্যে না বলাই ভালো। জোটের শরিক বলে ইচ্ছামতো আসন চাইবে, এটা হতে পারে না। যেখানে যেখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা জয়ী হওয়ার মতো থাকবেন, সেখানে অবশ্যই মনোনয়ন পাবেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগসহ জোটের সবার ক্ষেত্রে জয়ী হওয়ার মতো প্রার্থী ছাড়া কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না।আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টির সঙ্গে জোট থাকবে কি না, এই প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জোট হবে কি না, সেটি এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। বসাবসি শুরু হয়ে যাবে। জেতার মতো প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।’সরকার গঠনের সময় মন্ত্রী দেওয়া–না দেওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত দেবেন বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের রাস্তায় দাঁড়িয়ে বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং মোটরসাইকেল থামিয়ে চালক ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় বিকাশ পরিবহন নামের একটি বাসের যাত্রীরা মন্ত্রীর কাছে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেন। যাত্রীরা বলেন, বাসটি সরকার–নির্ধারিত ৩২ টাকার ভাড়া নিচ্ছে ৫০ টাকা। এ সময় মন্ত্রী বাসটি আটকের জন্য বিআরটিএর লোকজনকে নির্দেশ দেন। যদিও যাত্রী থাকার কারণে বাসটি ছেড়ে দেওয়া হয়। বাসের নম্বরের সাহায্যে বিআরটিএ পরবর্তী সময়ে বাসমালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করবে বলেও ওবায়দুল কাদের জানান।/এআর /

ইউনাইটেডে চিকিৎসা নিতে চান খালেদা : রিজভী

বিএনপি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বলেছেন, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে গুরুতর অসুস্থ রয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়ার পছন্দ অনুযায়ী ইউনাইটেড হাসপাতালে তার ব্যক্তিগত চিকিৎকদের তত্ত্বাবধানে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। খালেদা জিয়ার অসুস্থতার খবর কিভাবে জেনেছেন -এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, সব সময় এটা বলা যায় না, কয়েকদিন আগে তার (খালেদা জিয়া) আইনজীবী গিয়ে দেখা করেছেন। তারা দেখেছেন। তার আত্মীয়স্বজনরা দেখা করেছেন। তাদের মাধ্যমে জেনেছি। বেগম খালেদা জিয়া যেহেতু অসুস্থ এ অবস্থায় যদি জামিন না হয় সে ক্ষেত্রে প্যারোলে মুক্তি চাইবেন কিনা -এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আইনগত দিক, আমাদের রাজনৈতিক আন্দোলন সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরে জানানো হবে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক খোন্দকার গোলাম আকবর, সহ দফতর সম্পাদক মনির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানসহ মামলার অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ওই রায়ের পর থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া। এসএইচ/

হাসান সরকারের চেয়ে জাহাঙ্গীরের সম্পদ ৮ গুণ বেশি

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই মেয়র প্রার্থী তাদের আয় ও সম্পদের বিবরণ নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন। এতে দেখা গেছে বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার সম্পদে প্রতিদ্বন্দ্বি জাহাঙ্গীর আলমের চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছেন। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দুই প্রার্থীর দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীরের নিট সম্পদের পরিমাণ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাসান সরকারের সাড়ে ৮ গুণ বেশি। ২০১৭-১৮ কর বছরে জাহাঙ্গীর তার নিট ৭ কোটি ৯ লাখ ৪৫ হাজার ৪৮৭ টাকার সম্পদের বিপরীতে কর দিয়েছেন ৭৮ লাখ ২ হাজার ২৫৯ টাকা। ৮২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৩৪ টাকার সম্পদের বিপরীতে হাসান সরকার কর দিয়েছেন ৮০ হাজার ৫৬৪ টাকা। হলফনামা অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বার্ষিক আয় ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার বেশি; আর বিএনপি প্রার্থীর বার্ষিক আয় প্রায় ১১ লাখ টাকা। গতবার দলীয় সমর্থন চেয়ে ব্যর্থ হওয়া ৩৯ বছর বয়সী জাহাঙ্গীর এবার আজমতউল্লাহ খানকে হটিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বাগিয়ে নিয়েছেন। ২০১৩ সালে গাজীপুরের নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে সুজন জানিয়েছিল, সেবারও প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ বার্ষিক আয় ছিল জাহাঙ্গীর আলমের, ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা। অন্যদিকে গতবার আজমতউল্লাহকে হারিয়ে যিনি মেয়র হয়েছিলেন, সেই অধ্যাপক এম এ মান্নানকে বাদ দিয়ে ৭০ বছর বয়সী হাসান সরকারকে প্রার্থী করেছে বিএনপি। আগামী ১৫ মে অনুষ্ঠেয় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের দ্বিতীয় নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীর এবং ধানের শীষের প্রার্থী হাসান সরকার দুজনের মনোনয়নপত্রই বৈধতা পেয়েছে। রোববার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রকিবউদ্দীন মণ্ডল ১০ জনের মধ্যে নয়জনের প্রার্থিতা বৈধ বলে রায় দেন। হলফনামায় জাহাঙ্গীর আলম >> জন্ম: ৭ মে, ১৯৭৯; শিক্ষাগত যোগ্যতা- এমএ/এলএলবি; পেশা: ব্যবসা, এমডি, অনারেবল টেক্সটাইল কম্পোজিট লিমিটেড ও জেড আলম অ্যাপারেলস। >> মামলা: বর্তমানে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। আগে দুটি মামলা থাকলেও ২০০৪-০৫ সালে তা থেকে অব্যাহতি পান। >> আয়ের উৎস: কৃষিখাত থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা; বাড়ি ভাড়া থেকে ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা; ব্যবসা থেকে ৯৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। জমি ‘কেনা বাবদ’ ১ কোটি ১৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকা >> অস্থাবর সম্পদ: নগদ টাকা ৭ কোটি ৪৮ লাখ ৯৬ হাজার ২৮ টাকা। ব্যাংকে জামানত ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৭১ টাকা। ব্যবসায় পুঁজি ৭৫ লাখ ২৩ হাজার ৭৮৭ টাকা। অনারেবল টেক্সটাইলের শেয়ার ৪৭ লাখ ৫০ হাজার ২০০ টাকা, জেড আলম অ্যাপারেলসের শেয়ার ২০ হাজার টাকা। সঞ্চয়পত্র ১০ লাখ টাকা। গাড়ি দুটি। ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার আসবাব। একটি বন্দুক ও একটি পিস্তল, দাম ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫০ টাকা। >> স্থাবর সম্পদ: কৃষি জমি ১৪১৫ দশমিক ১৫ শতক। অকৃষি জমি ৩৩ দশমিক ৭১২৪ শতক। দালান ও বাণিজ্যিক জমি ৭ দশমিক ৪৩৭৬ শতক। >> দায়-দেনা: জমি বিক্রির জন্য বায়না বাবদ ৮ কোটি টাকা দায় রয়েছে জাহাঙ্গীরের। হলফনামায় হাসান সরকার >> জন্ম: ১ জুলাই ১৯৪৮; শিক্ষাগত যোগ্যতা- বিএ; পেশা: ব্যবসা। >> মামলা: ফৌজদারি দুটি মামলা; একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকার, অন্যটি বিশেষ ক্ষমতা আইনে টঙ্গী থানার। আরও তিনটি মামলা ছিল, সেগুলো নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। >> আয়ের উৎস: কৃষি থেকে ৬৩ হাজার টাকা, বাড়ি ভাড়া থেকে ৫ লাখ ২২ হাজার ৯০০টাকা, ব্যবসা থেকে ৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা, ব্যাংক সুদ থেকে ১১ হাজার ৫২৬ টাকা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ টাকা। নিজের মোট বার্ষিক আয় ১০ লাখ ৯৭ হাজার ৯২৬ টাকা। নির্ভরশীলদের আয় কৃষি ২৫,২০০ টাকা, বাড়ি ভাড়া ৬ লাখ ৬২ হাজার ৪০০ টাকা, ব্যাংক সুদ ৩ হাজার ৯৯৮ টাকা। >> অস্থাবর সম্পদ: নগদ টাকা ৩ লাখ ৫০ হাজার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ৬০ লাখ ৪৯ হাজার ৬০১ টাকা, ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি গাড়ি, স্বর্ণ ২১ তোলা। একটি শটগান ও একটি পিস্তল ৫২ হাজার টাকা। মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ হচ্ছে ৮৭ লাখ ১৬০১ টাকা। স্ত্রীর নামে রয়েছে নগদ ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ব্যাংকে ৫৮ হাজার ৫৪২ টাকা, স্বর্ণ ৩২ তোলা, ১০ হাজার টাকার একটি একনলা বন্দুক। >> স্থাবর সম্পদ: কৃষি জমি ৫০০.৫৩১ শতক, দালান বা আবাসিক ৭.৫ শতক জমির উপর ৫টি দোকান, ৯০ শতক জমি ও স্থাপনা, সেমিপাকা ৩২টি রুম, একচালা টিনশেড ঘর। স্ত্রীর নামে রয়েছে কৃষি জমি ২০৮.৮৩৫, অকৃষি জমি ৯৭ শতক,৩২ রুমের ছাপড়া ঘর। ২৯০০ বর্গফুটের ৪ তলা বাড়ি। >> দায়-দেনা: ঋণ ২৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।   রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে যে হলফনামা প্রার্থীরা দাখিল করেন, তাতে ভুল তথ্য দেওয়া হলে প্রার্থিতা বাতিলের বিধানও রয়েছে। / এআর /

খুলনার নির্বাচন ঘিরে নানা হিসেব (ভিডিও)

খুলনা সিটি কপোরেশন নির্বাচন ঘিরে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির নানা হিসাব কষছেন ভোটাররা। নগরীর সংকট সমাধানে যারা নিরলসভাবে কাজ করবেন তাদেরকেই ভোট দিয়ে নগরভবনে পাঠাতে চান খুলনাবাসী। আগামী ১৫মে পঞ্চমবারের মতো হতে যাচ্ছে খুলনা সিটি কপোরেশনের ভোট। প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে হতে যাচ্ছে এবারের নির্বাচন। ১ জন নগরপিতা, ৩১ জন সাধারণ কাউন্সিলর ও ১০ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন ভোটাররা। নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীর পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নের কথা মাথায় রেখেছেন ভোটাররা। দক্ষ, যোগ্য ব্যাক্তিকেই নগরীর উন্নয়নের ভার দিতে চান নগরবাসী। ১৯৯০ সালের ৬ আগস্ট সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয় দেশের তৃতীয় বৃহত্তম খুলনা নগরী। এবার আওয়ামী লীগ থেকে মেয়র পদে নির্বাচন করছেন সাবেক এমপি তালুকদার আবদুল খালেক আর বিএনপি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। নির্বাচনে এই দুই হেভিওয়েটের মধ্যে শক্ত প্রতিদ্বদ্বিতার আভাস মিলেছে নগরবাসীর সঙ্গে কথা বলে। তার দু’জনেরিই রাজনৈতিক পটভূমি অত্যন্ত মজবুত। জনপ্রতিনিধি হিসেবে দুজনে সফল ছিলেন। / এআর /  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি