ঢাকা, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২:২৯:৫০

রোহিঙ্গা নিয়ে সব ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া হবে: কাদের

রোহিঙ্গা নিয়ে সব ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া হবে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একটি দল ও দালাল প্রকৃতির কিছু লোক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তাদের এ অপচেষ্টা ব্যর্থ করা হবে। সোমবার শহীদ এটিএম জাফর আলম আরকান সড়কের উখিয়া থেকে কুতুপালং পর্যন্ত সড়কের প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।ওবায়দুল কাদের বলেন, রোহিঙ্গাদের পাশে আছে সরকার ও তাঁর দল আওয়ামী লীগ। মিয়ানমার থেকে আশ্রয়ের জন্য আসা কোনো রোহিঙ্গা না খেয়ে থাকবে না। আশ্রিতদের সহায়তায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৮টি লঙ্গরখানা, ১২টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র খোলা হয়েছে। তাদের অস্থায়ী বাসস্থান, চিকিৎসা, স্যানিটেশনসহ সব ধরনের মানবিক সহায়তা দিচ্ছে সরকার।
৫ অক্টোবর হাজির না হলে গ্রেফতারি পরোয়ানা

মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকা অবমাননার মামলায় আগামী ৫ অক্টোবর আদালতে হাজির না হলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।   আজ রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম নুর নবী এই আদেশ দেন। এই মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়ে আজ দিন ধার্য ছিল। গত বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার আবেদন করা হয়েছিল। ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও তার স্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে এই মামলা করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী। আদালত তেজগাঁও থানা-পুলিশকে ঘটনার তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন। চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তেজগাঁও থানার পুলিশ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে প্রয়াত জিয়াউর রহমানকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করা হয়। ২২ মার্চ ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আদালত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ১৯৮১ সালের ১৭ মে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এলে জিয়াউর রহমান তাকে হুমকি দেন ও অবরুদ্ধ করে রাখেন। ২০০১ সালে জামায়াত ইসলামীর সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করে খালেদা জিয়া স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার-আলবদর নেতা-কর্মীদের মন্ত্রী-এমপি বানিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকা তাদের বাড়িতে এবং গাড়িতে তুলে দিয়েছেন। যার দ্বারা মুক্তিযুদ্ধ ও মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকাকে অপমানিত করা হয়েছে। ডব্লিউএন

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলুন: ফখরুল

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় সরকার জাতিকে ঐক্যের পরিবর্তে বিভক্ত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এই সংকট সমাধানে সব রাজনৈতিক দলের সভা করে জাতীয় ঐক্য তৈরির কথাও বলেছেন তিনি। শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোট আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, রাষ্ট্র যদি এভাবে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে, এমন নজির পাকিস্তান আমলেও দেখিনি। এত বড় দুর্বৃত্ত এরশাদ আমলেও দেখিনি। এটা সন্ত্রাসীরাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে। এত বড় একটা সংকট, রোহিঙ্গা সংকট। এটা মোকাবিলায় সব রাজনৈতিক দলের সভা করে জাতীয় ঐক্য তৈরি করতে হবে। রোহিঙ্গাদের কি যে মানবেতর পরিস্থিতি, অথচ সেখানে সরকার রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দিতে বাধা দিল বিএনপিকে। কেন বাধা দিলেন ত্রাণ দিতে? তিনি বলেন, সরকারের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে, বিএনপি আর বিরোধী দল। রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হচ্ছে। প্রতিদিনি গুম, খুন, ধর্ষণ বেড়েই চলছে। উল্টো জনগণকে ডাইভার্ট করার জন্য জিয়া পরিবারের বদনাম শুরু করেছে। গুমের বিষয়ে সরকার ঢাক গুড়গুড় করছে কেন? যদি কেউ গুম হয়ে যায়, সেটা খুঁজে দেওয়ার দায়িত্ব সরকারেরই। এভাবে করে ক্ষমতায় কিছু দিন টিকে থাকা যায়। বিএনপির এই নেতা কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুরসহ যাঁরা গুম হয়েছেন, সবাইকে ফেরত দেওয়ার দাবি জানান।   গুম নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, রাষ্ট্রে যা কিছু ঘটবে তার সব দায় সরকারের।সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল সৈয়দ ইব্রাহিম, এলডিপির মহাসচিব রেদওয়ান আহমেদ ও এনটিপির মহাসচিব ফরিদুজ্জামান ফরহাদ প্রমুখ।//এআর

সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতেই জিয়া পরিবারের সম্পদ নিয়ে তদন্ত: বিএনপি

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলা ও চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা আড়াল করতেই খালেদা জিয়াসহ তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদ নিয়ে সংসদে তদন্তের কথা তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। এবিষয়ে সংসদে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক’ হিসেবে বর্ণনা করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তার নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই ধরনের মিথ্যাচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করে রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবিলার ব্যর্থতা ঢাকতে প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীরা অবলীলায় মিথ্যাচার করছেন। গোটা বিষয়টা করা হচ্ছে প্রকৃত যে ইস্যুগুলো আছে, তা থেকে জনদৃষ্টি ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়া ও নতুন ইস্যু তৈরি করার জন্য। দলের নেতাদের নামে ‘কল্পিত সম্পদের’ যে কথা প্রধানমন্ত্রী উপস্থাপন করেছেন তার কোনো প্রমাণ সরকার দিতে পারবে না বলেও চ্যালেঞ্জ করেন বিএনপি মহাসচিব। সংসদে বুধবারের অধিবেশনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম পত্রিকার প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে খালেদা জিয়াসহ বিএনপি নেতাদের বিদেশে সম্পত্তির ফিরিস্তি তুলে ধরে সে বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চান। জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তথ্যগুলো যখন বের হয়েছে, তখন নিশ্চয়ই আমাদের কাছে তা আছে। এটা নিয়ে তদন্ত চলছে। তাছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে মানি লন্ডারিংয়ের জন্য একটি তদন্তের ব্যবস্থা আছে। সেই সূত্রেও তদন্ত করা হচ্ছে। এই তদন্তের মধ্য দিয়ে সত্যতা যাচাই করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সংবাদ সম্মেলনে গত মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জের মির্জাপুরে নিজের বাসভবনে পূজা উদযাপন কমিটির প্রস্তুতি সভায় পুলিশের বাধার জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।অন্যদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, কেন্দ্রীয় নেতা শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আবদুস সালাম আজাদ, নিপুণ রায় চৌধুরী, মুনির হোসেন, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ঢাকা জেলার ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন ও নাজিমউদ্দিন মাস্টার এসময় উপস্থিত ছিলেন।//এআর

প্রধানমন্ত্রীকে ভারত-চীন সফরের পরামর্শ ফখরুলের

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত, চীনসহ বিভিন্ন দেশ সফরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, সরকারকে দ্রুততার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর জন্য কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীকেই বিভিন্ন দেশে যেতে হবে। রোববার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন সেমিনার হল রুমে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি আরও বলেন, মিয়ানমার সরকারকে ভারত ও চীন সরকার সমর্থন দিচ্ছে এটাই বারবার বলা হচ্ছে।  তাদের কাছে যেতে হবে, তাদেরকে বোঝাতে হবে যে, এটা আমাদের জন্য কী ভয়াবহ পরিণতির দিয়ে নিয়ে আসছে। মানবতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া ঠিক হবে না। কূটনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।’ মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার রোহিঙ্গা ইস্যুতে কার্যকর ব্যবস্থা না নিয়ে তারা ভয় পাচ্ছে। তারা বলে যাচ্ছে,রোহিঙ্গাদের সঙ্গে অস্ত্র ও জঙ্গি আসছে। যা আমাদেরকেও উৎকণ্ঠিত এবং আতঙ্কিত করছে। আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের মতো আর কোনও নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। যে সরকার নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনও নিরপেক্ষ হতে হবে। মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন-বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবি আব্দুল হাই শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নূরে আরা সাফা, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ হেলেন জেরিন খান, ঢাকা জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক সাবিনা ইয়াসমিন, সাবেক সাংসদ রওশন আরা ফরিদসহ অনেকে। //এআর

রোহিঙ্গা নিয়ে রাজনীতি করার প্রশ্নই আসে না: মোশাররফ

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে বিএনপি ‘নোংরা রাজনীতির খেলায়’ মেতেছে বলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। শনিবার সকালে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক যে বক্তব্য রেখেছেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। সারা পৃথিবী দেখছে যে, রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীকে নির্মূল করে দেওয়ার জন্য আজকে মিয়ানমার সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাস চালাচ্ছে, হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। আমরা শুধু এদেশের মানুষের মনের কথাকে কালকে (শুক্রবার) মানববন্ধনের মাধ্যমে প্রতিধ্বনি করেছি, এখানে নোংরা রাজনীতির প্রশ্নই উঠে না। জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, মিয়ানমার সরকারের মতোই এই বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা কৌশল, কূটকৌশল গ্রহণ করেছে। যেটা এই দেশের জনগণ মোটেই পছন্দ করছে না। আমরা মনে করি, আমরা যা বলছি, সারা পৃথিবী যা দেখছে- এটাই সত্য। আর মিয়ানমার যা বলছে, বাংলাদেশ সরকার তাদের পক্ষে সাফাই গাইছে-এটা সঠিক নয়। রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সরকারের নিপীড়নের প্রসঙ্গে খন্দকার মোশাররফ বলেন, তারা (মিয়ানমার সরকার) একটা জাতি গোষ্ঠীকে নির্মূল করে দেওয়ার জন্য সরকারিভাবে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। এটাকে কখনো আমরা সমর্থন করতে পারি না। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশের মানুষের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়েও কিন্তু আমাদের এদেশ থেকে বহু শরণার্থী ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেছিল। কিন্তু যারা আমাদের বিরুদ্ধে ছিল, তারা ওই সময়ে বলেছিল- এখানে এটা কোনো বিষয় না, এরা অযথা বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসের নেতৃত্বে নেতাকর্মীদের নিয়ে খন্দকার মোশাররফ সকাল সাড়ে ১০টায় শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের কবরে গিয়ে পুস্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এ সময়ে বিএনপির বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সহসভাপতি জেবা খান যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খানসহ কয়েকশ নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সু চি সেনাদের পকেটে ঢুকে গেছেন : রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অং সান সু চি সামরিক বাহিনীর পকেটে ঢুকে গেছেন। এ ধরনের লোক যখন বিপদে থাকে, তখন চুপচাপ থাকে, যখন ক্ষমতায় আসে, রূপ বদলায় । মানবতাবাদে যারা উদ্বুদ্ধ তাঁরাও বলছেন তাঁর (সু চি) নোবেল প্রাইজ সার্টিফিকেট ছিড়ে ফেলা উচিত। তিনি শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে এই মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, মুসলমানদের কোনো মানবাধিকার থাকতে নেই—অনেকদিন আগেই আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন এবং লিখেছেন। আজ প্রতিক্ষণে তা সত্যে পরিণত হচ্ছে । অং সান সু চি শান্তির জন্য নোবেল পেলেন। কিন্তু আজকে তাঁর নিরাপত্তা বাহিনী শিশুদের ফাঁসি দিচ্ছে, নারী ও শিশুর হাত বেঁধে  গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে মারছে, গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে দিচ্ছে, নিরীহ যুবকদের গাছের সঙ্গে বেঁধে হত্যা করছে। কী বীভৎস ! কী পৈশাচিক! প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে  রিজভী বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বাঙালিত্ব, বাঙালিত্ব করে আকুল হয়ে যান। আজকে রোহিঙ্গাদের উগ্র বাঙালি বলা হচ্ছে। মুসলমানদের কথা বাদ দিলাম, বাঙালি বলে যখন তাদের ওপর অত্যাচার করছে। তার পরও প্রধানমন্ত্রীর কোনো ধরনের হৃদয়ের মধ্যে কোনো ব্যথিত হওয়ার অনুভূতি দেখেছি বলে মনে হয় না । বিস্মিত মনে হচ্ছে । নাফ নদীতে ভাসছে লাশ, রক্তাক্ত লাশের সারি নাফ নদীর তীরে।’ রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে সরকার কূটনৈতিকভাবে  ব্যর্থ অভিযোগ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ‘আজকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কোনো উত্তর নেই। যেখানে আমাদের দেশ আক্রান্ত হচ্ছে, আমাদের সীমান্ত ঘেঁষে মিয়ানমারের সেনা টহল দিচ্ছে, তখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন আমরা কী যুদ্ধ করব ?’ ‘যুদ্ধ কেন করবেন? আপনি চীনে যান, ভারতে যান, কূটনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করুন। বার্মারা আমাদের চট্টগ্রাম দখল করেছিল একবার।  শায়েস্তা খানের সেনাপতি তা পুনরুদ্ধার করেছিল। আমরা কারো রক্তচক্ষু ভয় করি না। আপনারা তা করতে পারেন। আপনারা তো দেশের বাইরের শক্তি নিয়ে ক্ষমতায় আছেন। দেশের মানুষ হত্যা করতে পারেন আর বাইরের লোকেরা কিছু করলে কিছুই করতে পারেন না।’বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ (বিএসপিপি) এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। //এআর

বিএনপি নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে বাস্তব কথাগুলো না বলে বিএনপি আজ নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে। তারা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বলে না, যারা অত্যাচারী তাদের বিরুদ্ধে কথা বলে না। বলে দেশের সরকারের বিরুদ্ধে। তারা চায় শুধু ক্ষমতা। রোহিঙ্গাদের প্রতিও তাদের কোনো দরদ নেই। মন্ত্রী শনিবার দুপুরে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলা ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যে জঙ্গিরা মিয়ানমারের সংকট, শরণার্থীদের সঙ্গে সেই জঙ্গির অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে। তাই জঙ্গি, অবৈধ অস্ত্র ও ইয়াবার অনুপ্রবেশের সঙ্গে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রেরও অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে বলেও মনে করেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা মোকাবিলার জন্য সারা দুনিয়া শেখ হাসিনা সরকারের প্রশংসা করছে, আর বিএনপি নিন্দা করছে। শেখ হাসিনার সাফল্য বিএনপির সহ্য হয় না। বিএনপি হাসিনামুক্ত বাংলাদেশ চায়। তাদের এই খায়েশ কোনো দিন পূর্ণ হবে না। তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ করে বলেন, দেশকে নিয়ে ভাবুন। গণতন্ত্র নিয়ে ভাবুন। ওবায়দুল কাদের বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে কক্সবাজার, টেকনাফ ও উখিয়া অঞ্চলে দেশি-বিদেশি কিছু কিছু ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। শুনতে পাই, এসব ষড়যন্ত্রের সঙ্গে আমাদের দেশের একটি দল এবং তাদের দোসররা অত্যন্ত সক্রিয়। এ অপতৎপরতা বন্ধ করুন, যদি এই দেশকে ভালোবাসেন।রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন। কারণ, এই শরণার্থীদের সঙ্গে কোনো ষড়যন্ত্র আবার এখানে আসে। তরুণ সমাজকে ধ্বংস করছে যে ইয়াবা, শরণার্থীদের সঙ্গে সেই ইয়াবার স্রোত এবং সেই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্রও আসতে পারে। কবিরহাট পৌরসভার মেয়র জহিরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিবিএইচসির লাইন ডিরেক্টর মো. আবুল হাশেম খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক এ এম মজিবুল হক, জেলা প্রশাসক মাহবুব আলম তালুকদার, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ইলিয়াছ শরীফ, জেলা সিভিল সার্জন সামছুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন প্রমুখ।//এআর

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকার ব্যর্থ : রিজভী

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, এই গণবিরোধী সরকার আসলে জনগণের সরকার নয়। এটা জনগণের সরকার হলে জনগণের সেন্টিমেন্ট বুঝত। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে রিজভী এ কথা বলেন। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধের দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নেই। শুধু বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে দুই থেকে এক ঘণ্টা কথা বলে ছেড়ে দিচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, নাফ নদীর তীরে নতুন কারবালা তৈরি হয়েছে। সেখানে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় নেই। তারা আহত, ক্ষুধার্ত, গুলিবিদ্ধ ও বিবস্ত্র। তাঁদের কী মানবাধিকার নেই? বাংলাদেশ সরকারের যে দায়িত্ব পালন করার কথা, সরকার তা করেনি। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলসহ কয়েকটি দল ও সংগঠন রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বৃহস্পতিবার মানববন্ধনের আয়োজন করে। মানববন্ধনে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্যাতন হচ্ছে, সে সন্ত্রাস দমনে প্রতিবাদ করতে হবে। এটা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। ৪০ মিনিটব্যাপী এই মানববন্ধনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।//এআর

বিএনপি এখন মাইনকা চিপায়: কাদের

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া-না নেওয়া প্রশ্নে বিএনপি উভয় সঙ্কটে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।তিনি বলেন, সমস্যা হচ্ছে বিএনপি এখন উভয় সঙ্কটে, ওই যে হায়দারের (হায়দার আলী) একটা গান আছে না… ‘মাইনকা চিপা’, বিএনপি এখন মাইনকা চিপায় পড়ে গেছে। একদিকে নির্বাচনে গিয়ে হেরে যাওয়ার ভয় আছে, আবার নির্বাচনে না গিয়ে যদি ৫ জানুয়ারির নির্বাচন উত্তর পরিস্থিতির মত বোমা সন্ত্রাস শুরু করে সেটাও জনগণ প্রত্যাখান করবে। এজন্য বলছি মাইনকা চিপায় আছে। তিনি বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ঈদ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ মন্তব্য করেন। নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী আমেজ শুরু হওয়া ভাল, নির্বাচনী আমেজ বা সুবাতাস যখন বইবে সেটা গণগন্ত্রের জন্য সুখবর, খারাপ কিছু না। নির্বাচনকালীন সময়ে সহায়ক সরকারের দাবি তুললেও বিষয়টির উপর অনড় না থেকে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার পথ খোলা রাখতে চায় বিএনপি। এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নে আওয়ামী লীগ নেতা কাদের বলেন, সরকার ব্যবস্থা সংবিধানেই আছে, এ নিয়ে আলোচনার কিছু নেই।    নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা দেশটির মুসলিম নাগরিকদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার দাবিতে ঢাকাসহ সারা দেশে শুক্রবার এক ঘণ্টার মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। দলটির এ কর্মসূচির বিষয়ে কাদের বলেন, আমি একটু উদ্বিগ্ন, তারা সভা সমাবেশ ডাক দিলে নিজেরাই নিজেদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, দায়টা চাপায় আওয়ামী লীগের উপর, সরকারের উপর। রোহিঙ্গাদের মানবিক দিক দেখতে গিয়ে নিজেরাই নিজেদের সংঘর্ষে লিপ্ত হয় কিনা, সেটা নিয়ে আমি একটু চিন্তিত। সেতুমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের শিকার হয়ে রোহিঙ্গাদের যে স্রোত বাংলাদেশে আসছে, তাতে সরকার উদ্বিগ্ন। এই স্রোতের সঙ্গে মাদক ও অস্ত্র আসছে কি না, তা আরও বেশি উদ্বেগের। তিনি বলেন, সরকার মিয়ানমারের পুশ ইন নীতির প্রতিবাদ করছে। তবে যারা আসছে, তাদের প্রতি যেন মানবিক আচরণ দেখানো হয়, সে জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন। ইতিমধ্যে দেড় লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশ এসেছে। এই পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মোকাবিলা করা হচ্ছে। জাতিসংঘকেও উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে, যেন যারা এসেছে, তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।//এআর

আন্দোলনে ব্যর্থ ফখরুলের পদত্যাগ করা উচিত : কাদের

আন্দোলনে ব্যর্থ নেতৃত্বের কারণে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে দেশের সর্বপ্রথম অত্যাধুনিক ডিজিটাল পদ্ধতিতে টোল আদায়ে নতুন বুথ স্থাপনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগাম নির্বাচনের দাবি করেছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এই দাবিকে ‘উদ্ভট’ ও ‘হাস্যকর’ হিসেবে মন্তব্য করে উল্টো ফখরুলেরই পদত্যাগ দাবি করলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা হতাশ। তাদের দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা ব্যর্থ নেতৃত্বের পদত্যাগ চায়। ফখরুল সাহেব, পদত্যাগ করুন। তাঁরই পদত্যাগ করা উচিত। তিনি এযাবৎকালে ১০ মিনিটের একটি আন্দোলন করে দেখাতে পারেননি। কাজেই ব্যর্থ নেতৃত্বের কারণেই তাঁর দল থেকে পদত্যাগ করা উচিত। এ সময় সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদফতরের ঢাকা অঞ্চলের প্রকৌশলী আবদুস সবুরসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই পদ্ধতিতে দ্রুততম সময়ে টোল দেওয়া শেষে গাড়ি পারাপার হতে পারবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, এসব দেশের গণতন্ত্র আছে, পার্লামেন্ট আছে। তাদের যদি নির্বাচন নিয়ে সংশয় থাকত, তাহলে ঢাকায় এত বড় আইপিউ সম্মেলন কী করে হলো—এটা আমি ফখরুল সাহেবের কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই। ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা জনগণের ইচ্ছায় ক্ষমতায় এসেছি। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছায় ক্ষমতায় থাকব। জনগণ না চাইলে চলে যাব; কিন্তু সংবিধানের বাইরে কিছু হবে না। নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা ক্ষমতায় এসেছি, আরেকটি নির্বাচন হবে। সেখানে জনগণ যদি আমাদের না চায়, আমরা থাকব না।

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি