ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০:১৪:১২

১৯৬৯ সালে মুজিব হলেন ‘বঙ্গবন্ধু’: তোফায়েল

১৯৬৯ সালে মুজিব হলেন ‘বঙ্গবন্ধু’: তোফায়েল

“হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৯ সালের আজকের এই দিনে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন। আগরতলা মামলা থেকে মুক্তি লাভের পর রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান  সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ১০ লাখ লোকের ঐতিহাসিক সমাবেশে তৎকালীন ডাকসুর ভিপি ও সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি তোফায়েল আহমেদের উপাধি ঘোষণার পর থেকে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান হয়ে গেলেন বাঙালির প্রিয় ‘বঙ্গবন্ধু’।” শুক্রবার দুপুরে ভোলার সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ স্মৃতিচারণ করে এসব কথা বলেন। তোফায়েল আহমেদ বলেন, আগরতলা মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিল। তখন জাগ্রত ছাত্র-সমাজ ‘সর্বদলীয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে। সংগ্রাম পরিষদে ডাকসুর ভিপি হিসাবে সমন্বয়ক ও মুখপাত্র’র হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। আর তাই রেসকোর্সের ঐতিহাসিক সমাবেশের আমি ছিলাম সভাপতি। বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি পল্টনে লাখো মানুষের  সমাবেশে বক্তব্যে সেদিন আমি বলেছিলাম, ২৪ ঘন্টার মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে হবে। ঠিক তার পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি পাক স্বৈরশাসক বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। তার পরের দিন ২৩ ফেব্রুয়ারি সেই ঐতিহাসিক ১০ লাখ লোকের বিশাল সমাবেশে জাতির জনককে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ঘোষণা করি। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব প্রমুখ। কেআই/টিকে
কাউকে নির্বাচনের জন্য ঘর থেকে ডেকে আনা হবে না: আইনমন্ত্রী

নির্বাচনের জন্য কাউকে অনুরোধ করে ঘর থেকে ডেকে আনা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক । শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ঘোলখার রাণীখার উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ঘোলখার গ্রামবাসী আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।  তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা করবে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন। মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদ নাকি বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া একদিন জেলে থাকলে প্রতিদিন বিএনপির ১০ লাখ ভোট বাড়ে। আমি বলি আপনার একেক দিন একেক কথায় প্রতিদিন বিএনপি’র ১০ লাখ ভোট কমে।’ বিএনপি’র আইনজীবীদের লেখাপড়া না জানার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কোথাও লেখা নেই যে রায়ের পাঁচদিনের মধ্যে এর কপি দিতে হবে। অথচ তারা এসব কথা বলে বসলেন।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির আমলে দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। তারা অন্য সব টাকা মারতে মারতে এতিমের টাকাও মেরেছে। সব এতিমের টাকা দুই এতিমকে দিয়ে দিয়েছে। আর আওয়ামী লীগ দেশকে মর্যাদার আসনে নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশকে এখন উন্নয়নের রোল মডেল বলা হয়।’ বাসস এমএইচ/

সরকারের ভিত কারো কথায় নড়ে না : ইনু

সরকারের ভিত কারো কথায় নড়ে না, আবার শক্তিশালীও হয় না বলে মন্তব্য করেছেন  তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। শুক্রবার কুষ্টিয়া সার্কিট হাউজে জাসদের নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কাউকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে চায় না, আবার তোষামোদ করে নির্বাচনে আনতেও চায় না। আর আদালত কোন অপরাধীকে সাজা দিলে তাকে নির্বাচনের বাইরে রাখা সরকারের দায়িত্ব না। কারণ নির্বাচন ও আদালতের দরজা সবার জন্য খোলা। মন্ত্রী আরোও বলেন, কোন সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি বিচারপ্রার্থী হয় তাহলে উচ্চ আদালতে আইনী লড়ায়ের অধিকার তার আছে। তিনি আরোও বলেন, সহায়ক সরকারের প্রস্তাব এবং খালেদা জিয়ার সাজা এ দু’টি বিষয়কে উছিলা করে বিএনপি নির্বাচন বানচালের চক্রান্তের জাল বিস্তার করেছে। দলের নেতা-কর্মীর সাজা হলে দলের নিবন্ধন বাতিল হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এদিক থেকে বিএনপির ভোট করতে বাধা নেই, তারা নির্বাচন করতে পারেন। কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. জহির রায়হান, জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন, মিরপুর উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক শেখ আহম্মদ আলীসহ জাসদ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস এমএইচ/টিকে

ধ্বংসাত্মক না হওয়ায় ক্ষমতাসীনরা খুশি হননি: মওদুদ

বিএনপি ধ্বংসাত্মক পথে না যাওয়ায়, ক্ষমতাসীনরা খুশি হতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। দলটির চেয়ারপার্সনের মুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বিএনপি নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগ জনসভা করে নৌকা মার্কায় ভোট চাইতে পারলে, বিএনপিরও সেই সুযোগ থাকা উচিত। খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে, ক্ষমতাসীন দলের রাষ্ট্রীয় খরচে নির্বাচনী প্রচারণা অগ্রহণযোগ্য। আলাদা আলাদা মানব বন্ধনে বিএনপির নেতারা, প্রকৃত লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরিতে, মুক্ত খালেদা জিয়াকে ধানের শিষে ভোট চাওয়ার সুযোগ দেবার দাবি জানান। খালেদা জিয়া নির্বাচনী মাঠে নামতে পারলে রাজনৈতিক চিত্র বদলে যাবে বলেও আশা তাদের। এতে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদিন ও নজরুল ইসলাম খান। ভিডিও:

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাধা দেওয়া হচ্ছে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শুধু বিএনপি নয়, কোনো দলকেই তাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাধা দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ‘বিএনপির গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাধা দেওয়া হচ্ছে’ দলটির এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি যদি মানুষ হত্যা, পেট্রলবোমায় মেরে জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি পরিহার করে তাহলে তাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে কোনো বাধা দেওয়া হবে না। আসাদুজ্জামান খান বলেন, সরকার কোনো দলেরই গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাধা দেয় না। বিএনপি গণতান্ত্রিক নিয়মকানুন মেনে জ্বালাও- সহিংতার পথ পরিহার করলে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আর যদি বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি বন্ধ না করে তাহলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সরকার কারও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে চায় না। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের উন্নয়নে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। তিনি শুধু দেশের ক্ষুধা ও দারিদ্র বিমোচন করেননি, দেশকে অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। মার্চের মধ্যে দেশ এগিয়ে যাওয়ার আরও একটি ঘোষণা আসতে পারে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর রক্ত যার শরীরে প্রবাহিত হচ্ছে তিনি শুধু বাংলাদেশের নেতা নন, তিনি বিশ্ব নেতা, তিনি শেখ হাসিনা। বিশ্ব আজ অবাক হয়ে প্রশ্ন করে কিভাবে বাংলাদেশ এত উন্নয়ন করছে? শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। আজকের দিনের শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে কারণে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস শিশুদের জানতে হবে। বিকৃত ইতিহাস জানার হাত থেকে শিশুদের রক্ষা করতে হবে। আগামী দিনের নেতৃত্বদানকারী শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য আজ থেকে ৩০ বছর আগে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ যাত্রা শুরু করে, এখনও প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে। ঐতিহ্য সংগ্রাম ও গৌরবের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ দাবা প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ। শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সাংগঠনিক সচিব কে এম শহিদউল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, পরিষদের উপদেষ্টা সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহবউদ্দিন শামীম, পরিষদের বাড্ডা থানা উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এসএইচ/

‘খালেদার কারণে জেল খাটছেন নিরপরাধ ফাতেমা’

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘আয়েশি বন্দিজীবনের’ সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু, নেত্রী শেখ হাসিনাসহ আমরাও অনেকবার জেল খেটেছি। আমাদের প্রত্যেককে জেলখানায় দুর্বিষহ জীবন কাটাতে হয়েছে। আমাকে আমার সন্তানের সঙ্গেও দেখা করতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু আজ খালেদা জিয়ার জন্য জেল খাটছে নিরপরাধ ফাতেমা। আজ আইনের শাসন কোথায়? খালেদা জিয়ার জন্য একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে দিনের পর দিন কারাগারে রাখা হয়েছে, খালেদা জিয়ার সেবা করার জন্য। কোথায় আছে আইনের শাসন? কোথায় ন্যায়বিচার। বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতের ছোঁয়ায় রাজশাহীর অনেক উন্নয়ন হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন এ অঞ্চলে বাংলা ভাইয়ের ধ্বংসযজ্ঞ এখানকার মানুষ ভুলে যাননি। পরে শেখ হাসিনা রাজশাহীর মানুষকে স্বস্তি এনে দিয়েছেন, শান্তি দিয়েছেন এবং রাজশাহীর অনেক উন্নয়ন করেছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া কেউ আন্দোলন করতে পারে না। বিএনপি জ্বালাও পোড়াও রাজনীতি করে। ২০১৪-১৫ সালে এ রাজশাহীতেই পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এখানকার মানুষ তা ভুলে যায়নি। তিনি বলেন, ৯ বছর ধরে ক্ষমতায় থেকে রাজশাহীর মানুষের জন্য উন্নয়ন করে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, যার হাত ধরে এই উত্তরবঙ্গে সর্বপ্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। নাসিম বলেন, জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকাবস্থায় বঙ্গবন্ধুর খুনিকে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছেন। জাতীয় চার নেতার খুনিদের আশ্রয় প্রশ্রয় ‍দিয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো ফর্মূলায় কাজ হবে না। ফর্মূলা একটিই। আর সেটি হচ্ছে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হবে।   একে// এআর  

রাজশাহীর পথে প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে এবার রাজশাহী সফরে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সিলেটে নৌকা মার্কায় ভোট চাওয়ার পর এবার রাজশাহীর পথে রওয়ানা হচ্ছেন তিন তিনবারেরর নির্বাচিত এ প্রধানমন্ত্রী। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে পুরো রাজশাহী শহরজুড়ে সাজসাজ রব ওঠেছে। শহরের প্রবেশ পথসহ পুরো নগরী ছেয়ে গেছে ব্যানার ফেস্টুন আর বড় বড় বিলবোর্ডে। এদিকে নগরীর প্রবেশপথসহ মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে রঙ-বেরঙের তোরণ। চারদিকে কেবল তোরণ আর তোরণ। এ যেন তোরণেরই শহর! এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ ছাড়া, মহানগর আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ দলের অঙ্গসংগঠনগুলোর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। আজ সকাল থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগ নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জানা গেছে, নগরীর সরকারি মাদ্রাসা মাঠে বিশাল জনসভার আয়োজন করতে যাচ্ছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। রাজশাহী জেলা ছাড়াও পাবনা, বগুড়া, নওগাঁ ও সিরাজগঞ্জ জেলার নেতাকর্মীরা জনসমাবেশকে জনসমুদ্রে রুপান্তরিত করতে বড় ভূমিকার রাখবে। এ দিকে বিকেলের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহীবাসীর কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাইবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির এক নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদাহরণ তুলে ধরে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনার জন্য রাজশাহীবাসীর কাছে আবেদন জানাবেন। শুধু তাই নয়, আগামী নির্বাচনে যাতে কোন দল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য রাজশাহীবাসীকে মাঠে থাকারও আহ্বান জানাবেন প্রধানমন্ত্রী। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী সাড়ে ১১টায় তিনি নাটোরের কাদিরাবাদ সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরের ষষ্ঠ কোর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান-২০১৮-এ যোগ দেবেন। এরপরই যোগ দেবেন জনসভায়। সেখানে রাজশাহীবাসীর জন্য ৩১ উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন। এবং সরকারি মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। সেখানে নৌকার পক্ষে ভোট চাইবেন শেখ হাসিনা। জনসভাকে সফল করতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। এর আগে তিনি ওই মাঠে । অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে সড়কগুলো সংস্কার কাজ চলছে। পাশাপাশি চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। কোথাও কোথাও সড়কের দুই পাশে চলছে দেয়াললিখন। এছাড়া চলছে মাইকিংও। জনসভায় বিপুল লোক সমাগম করতে কাজ করছেন দলীয় নেতারা। দলীয় প্রধানের এই সফরে স্থানীয় নেতাকর্মীরাও উচ্ছ্বসিত বলে জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ। তিনি বলেন, ‘সভানেত্রীর আগমনে নেতাকর্মীদের মধ্যে একটা জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। শুধু শহর নয়, জেলার প্রতিটি পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়নকে সাজিয়ে তুলেছেন নেতাকর্মীরা। রাজশাহী জেলাছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর আগমনে নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। তাদের এই উদ্দীপনা আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে সহায়ক হবে।’ এমজে/

আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য হলে ছাড় নয়

আন্দোলনের নামে কেউ নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তা কঠোর হাতে দমন করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এসময় তিনি বলেন, জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে যে কোন ধরণের নৈরাজ্য বরদাস্ত করা হবে না। আজ বুধবার দুপুরে ভোলার বাংলাবাজারে ফাতেমা খানম কলেজ অডিটরিয়ামে মহান একুশে ফেরুয়ারি ও আন্তর্জাতিক ভাষা দিবেসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ হুশিয়ারি দেন। এসময় তিনি বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। কেউ যদি জনগণের জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করে তাহলে রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর হাতে দমন করবে। কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক মুনতাসির মামুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।তোফায়েল আহমেদ বলেন, যারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ও সহায়ক সরকারের স্বপ্ন দেখেন, তারা ভুল স্বপ্ন দেখছেন। আগামী নিবার্চন অনুষ্ঠিত হবে বর্তমান সরকারের অধীনে। নির্বাচনকালীন সরকার দৈনন্দিন কাজ করবে। কিন্তুু নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। এর বাইরে আর কিছু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ যদি ৯৬ সালে ক্ষমতায় না আসতো তাহলে আমরা স্বাধীনতার চেতনার মূল্যবোধ পুনঃস্থাপন করতে পারতাম না। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরে দেশে মানবতাবিরোধী,বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচার হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে রয়েছে। এমজে/  

জাতীয় ঐক্যের দাবি বিএনপির

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ আহ্বান জানান তিনি। এসময় তিনি বলেন, চলমান রাজনীতির সংকট নিরসনে সকল দলের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় ঐক্যের আহ্বান অব্যাহত রাখবে বিএনপি। বিএনপি মহাসচিব বলেন,  বর্তমানে বাংলাদেশ এক সংকটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ থেকে পরিত্রাণের দায়িত্ব শুধু খালেদা জিয়া বা বিএনপির নয়; তাই এখন আমরা সবাইকে আহ্বান জানাই, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচনের দাবি আদায়ে রাজপথে নেমে আসুন। মহাসচিব আরও বলেন, বিএনপি ও সমমনা দলগুলো ছাড়াও দেশের অন্যান্য দল-পথ-মতকে দাবি আদায়ে জাতীয় ঐক্য গড়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সকলকে রাজপথে নেমে আসতে হবে। াচএর আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, জয়নাল আবদীন ফারুক, এনাম আহমেদ চৌধুরী, আব্দুস সালাম প্রমুখ। এমজে/  

‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বিএনপির গাত্রদাহ শুরু হয়ে গেছে’

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বিএনপির গাত্রদাহ শুরু হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নিমতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বিআরটিএ’র ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।প্রসঙ্গত গতকাল এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপনে বিএনপির গঠনতন্ত্র থেকে দুর্নীতিবিরোধী ধারা বাদ দেওয়ার সমালোচনা করেন। সেই সঙ্গে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিতদের দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আনার সমালোচনা করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিএনপি কাকে নেতা বানাবে সেটি একান্তই তাদের নিজস্ব ব্যাপার। পরিপ্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রীর গতকালের বক্তব্যে বিএনপির গাত্রদাহ শুরু হয়ে গেছে।দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত তারেক রহমানকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করায় এর সমালোচনা করে তিনি বলেন, একজন কি সৎ নেতা বিএনপিতে নেই দণ্ড ছাড়া, যাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা যেতো। দণ্ডিত ব্যাক্তিকে, দুর্নীতিবাজ ব্যাক্তিকে, দুর্নীতিবাজ ব্যাক্তিকে, বিদেশি ফেরারি আসামিকে বিএনপি চেয়ারপারসন করার মধ্য দিয়ে এটাই প্রমাণ হলো এই দল ক্ষমতায় গেলে আবারো বাংলাদেশ দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে।খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেওয়া না নেওয়া সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের বলেন, আদালতের আদেশেই সব কিছু হবে। তারা এখন উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারেন, আপিল করার পর আদালত যদি খালেদা জিয়াকে নির্বাচন করার অনুমতি না দেন, তাহলে আওয়ামী লীগের কি করার আছে? সরকারের কি করার আছে? বিষয়টি আদালতের, এখানে সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। প্রসঙ্গত গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিশেষ আদালত। এ ছাড়া বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। রায়ের পর থেকে খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দি।/ এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি