ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮ ২৩:৫৫:৫১

চিরনিদ্রায় শায়িত গোলাম সারওয়ার

চিরনিদ্রায় শায়িত গোলাম সারওয়ার

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন দেশবরেণ্য সাংবাদিক, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। তার পরিবারের পক্ষ তার ভাই গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা, জামাতা মিয়া নাইম হাবিব, পুত্র গোলাম শাহরিয়ার রঞ্জন ও গোলাম সাব্বির অঞ্জন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে দুপুরে গোলাম সারওয়ারের পাঁচ দশকের আড্ডাস্থল জাতীয় প্রেস ক্লাবে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীসহ দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের পক্ষ থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় সমকাল সম্পাদককে। সেখানে তার চতুর্থ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর প্রথমে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের পক্ষ থেকে গোলাম সারওয়ারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। তার পরপরই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় কিংবদন্তিতুল্য এই সাংবাদিকের প্রতি। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর গোলাম সারওয়ারকে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এরপর সম্পাদক পরিষদের পক্ষ থেকে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গোলাম সারওয়ারের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে বিএনপির পক্ষে একটি প্রতিনিধিদলও গোলাম সারওয়ারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এরপর একে একে গোলাম সারওয়ারের দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে সাংবাদিকদের নানা সংগঠনসহ বিভিন্ন সংগঠন এবং গোলাম সারওয়ারের দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করে। প্রেস ক্লাবে নেওয়ার আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সাংবাদিকতার বাতিঘর গোলাম সারওয়ারের মরদেহে। সেখানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, র‌্যাব মহাপরিচক বেনজির আহমেদ, বেসরকারি সংগঠন `নিজেরা করি`র খুশী কবিরসহ সর্বস্তরের মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান সাংবাদিকতার বাতিঘর গোলাম সারওয়ারকে। শহীদ মিনারের আগে সকালে গোলাম সারওয়ারের মরদেহ নেওয়া হয় তার প্রিয় কর্মস্থল সমকাল কার্যালয়ে। সেখানে সমকাল পরিবারের সদস্যরা প্রিয় অভিভাবককে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সকাল সোয়া ৯টার দিকে সমকাল কার্যালয়-সংলগ্ন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওসমানী হল মাঠে গোলাম সারওয়ারের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গত ২৯ জুলাই অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি হন ৭৫ বছর বয়সী সম্পাদক গোলাম সারওয়ার। অবস্থার অবনতি ঘটলে গত ৩ আগস্ট সিঙ্গাপুর নেওয়া হয় তাকে। গত ১৩ আগস্ট সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ২৫ মিনিটে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত এই সাংবাদিক। মঙ্গলবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে বাংলাদেশ সম্পাদক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গোলাম সারওয়ারের মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে দেশে নিয়ে আসা হয়। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যরাতে মরদেহ নেওয়া হয় তার উত্তরার বাসভবনে। এরপর রাতে মরদেহ রাখা হয় বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে। বুধবার দুপুরে গোলাম সারওয়ারের মরদেহ হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে তার জন্মস্থান বরিশালের বানারীপাড়া নেওয়া হয়। বানারীপাড়া মডেল ইনস্টিটিউশন মাঠে তার প্রথম জানাজায় মানুষের ঢল নামে। শোকার্ত মানুষ তাদের প্রিয় দুলালের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। শেষ শ্রদ্ধা জানান প্রিয় সন্তানকে। বানারীপাড়া থেকে বুধবার বিকেল ৫টার দিকে প্রায় চার দশকের আবাসস্থল উত্তরায় শেষবারের মতো ফেরেন গোলাম সারওয়ার। সেখানে বেদনাবিধুর পরিবেশে মসজিদের ভেতর তার দ্বিতীয় জানাজায় অংশ নেন মুসল্লিরা। জানাজা শেষে রাতে আবারও গোলাম সারওয়ারের মরদেহ বারডেমের হিমঘরে রাখা হয়। টিআর/
শ্রদ্ধা ভালোবাসায় সিক্ত গোলাম সারওয়ার

সহকর্মী-শুভাকাঙক্ষী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হলেন বরেণ্য সাংবাদিক, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার। আজ বেলা পৌনে ১১টায় তাঁর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়েছে। সেখানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। এসময় অনেকেই অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের পক্ষে উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, উপদেষ্টামন্ডলীল সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের পক্ষে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য সচিব আব্দুল মালেক, পুলিশের পক্ষে আইজি, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি আরেফিন সিদ্দিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দ্র মজুমদার, মানবাধিকারকর্মী খুশি কবীর, সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, প্রকাশক এ কে আজাদ প্রমুখ। এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গোলাম সারওয়ার বাংলাদেশের একজন গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি একজন আপসহীন কলমযোদ্ধা তা আমরা তার লেখনীর মাধ্যমে জানি। তিনি সবার কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন। ভালো মানুষগুলো কেন জানি আস্তে আস্তে চলে যাচ্ছে। আমার কাছে খুব খারাপ লাগছে। একথা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, সারওয়ার ভাই সাংবাদিক জগতের কিংবদন্তি হয়েছিলেন। অসময়ে চলে গেছেন তিনি, আমরা এরকম আশা করি নাই। এই ক্ষতি কোনওদিন পূরণ হবে না। শহীদ মিনারে সর্বস্তরের শ্রদ্ধা জানানোর পর দুপুর ১টায় গোলাম সারওয়ারের মরদেহ নেওয়া হবে জাতীয় প্রেস ক্লাবে। সেখানে তার সাংবাদিক সহকর্মীরা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানাবেন। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে তার প্রিয়স্থান প্রেস ক্লাব চত্বরেই তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো হবে। এর আগে গোলাম সারওয়ারকে শেষবারের মতো তেজগাঁওয়ে তার প্রিয় কর্মস্থল সমকালের প্রধান কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বারডেমের হিমঘর থেকে তার মরদেহ সমকাল কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এসময় সমকাল কার্যালয়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। সকাল সোয়া ৯টায় সমকাল কার্যালয়-সংলগ্ন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওসমানী হল মাঠে গোলাম সারওয়ারের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। প্রসঙ্গত, সোমবার (১৩ আগস্ট) রাত ৯টা ২৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গোলাম সারওয়ারের মৃত্যু হয়। এর আগে গত ৩০ জুলাই থেকে ফুসফুসের ইনফেকশন ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ল্যাব এইড হাসপাতালে ভর্তি হন গোলাম সারওয়ার। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ৩ আগস্ট শুক্রবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। তিনি সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

প্রিয় সম্পাদকের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন

স্বনামধন্য সাংবাদিক, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে তেজগাঁওয়ে সমকাল কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।এর আগে গোলাম সারওয়ারের মরদেহ সকাল সোয়া ৮টার দিকে সমকাল কার্যালয়ে নেয়া হয়। সেখানে সহকর্মীরা তাদের প্রিয় সম্পাদকের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।জানাজা শেষে সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শহীদ মিনারের উদ্দেশ্যে টেক্সটাইল মাঠ থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়।উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা এই সাংবাদিকের মরদেহ মঙ্গলবার দেশে আনা হয়।দেশে আনার পর তার মরদেহ রাখা হয় বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে। এরপর বুধবার মরদেহ নেয়া হয় গ্রামের বাড়ি বরিশালের বানারিপাড়ায়। সেখান থেকে মরদেহ ঢাকায় আনার পর বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে নেয়া হয় সমকাল কার্যালয়ে।এসএ/

কাল বরেণ্য সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের দাফন   

দেশবরেণ্য সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের মরদেহ আগামীকাল সকাল ৯টায় তার কর্মস্থল সমকাল কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে সহকর্মীদের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে তার দ্বিতীয় জানাজা। এরপর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সেখানে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। শ্রদ্ধা জানানো শেষে মরদেহ নেয়া হবে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে। সেখানে সাংবাদিকরা তাদের অভিভাবকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হবে আরেকটি জানাজা। এরপর বাদ আসর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন সবার প্রিয় গোলাম সারওয়ার।  এরআগে আজ দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে গোলাম সারওয়ারের মরদেহ তার নিজ গ্রাম বরিশালের বানারীপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রথম জানাজা শেষে তাকে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।    উল্লেখ্য, নিউমোনিয়া ও ফুসফুসের সংক্রমণ ঘটার পর ২৯ জুলাই রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি হন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি গোলাম সারওয়ার। অবস্থার অবনতি হলে ৭৫ বছর বয়সী এই সাংবাদিককে ৩ আগস্ট সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ২৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এরপর মঙ্গলবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশে আনা হয় সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের মরদেহ। এমএইচ/এসি          

ঢাকায় গোলাম সারওয়ারের মরদেহ

প্রবীন সাংবাদিক দৈনিক সমকাল পত্রিকার সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের মরদেহ ঢাকায় আনা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় তাঁর মরদেহ। গতকাল সোমবার সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ২৫ মিনিটে মারা যান গোলাম সারওয়ার। আজ বুধবার গোলাম সারওয়ারকে নেওয়া হবে তাঁর জন্মস্থান বরিশালের বানারীপাড়ায়। শোকার্ত সহকর্মী, সহযোদ্ধা, সুহৃদ ও সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আগামী বৃহস্পতিবার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে। দৈনিক সমকালের পক্ষ থেকে এসব তথ্য দেওয়া হয়। নিউমোনিয়া ও ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ে গত ২৯ জুলাই রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি হন গোলাম সারওয়ার। তবে অবস্থার অবনতি হয়। গত ৩ আগস্ট উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুর। গোলাম সারওয়ারের মরদেহ গ্রহণ করেন সমকালের প্রকাশক এ কে আজাদ। সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) এস এম শাহাব উদ্দিন, বার্তা সম্পাদক মশিউর রহমান টিপু, নগর সম্পাদক শাহেদ চৌধুরী, প্রধান প্রতিবেদক লোটন একরাম, ফিচার সম্পাদক মাহবুব আজীজসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা মরদেহ নিয়ে যান তাঁর উত্তরার বাসভবনে। সিঙ্গাপুর থেকে গোলাম সারওয়ারের মরদেহের সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তাঁর স্ত্রী সালেহা সারওয়ার, কন্যা সুষমা নাইম রত্না, জামাতা মিয়া নাইম হাবিব, ছেলে গোলাম শাহরিয়ার রঞ্জন ও গোলাম সাব্বির অঞ্জন। মরদেহ বাসায় পৌঁছানোর পর স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।  টিআর/

ডিইউজে বাসস ইউনিটে সবুজ প্রধান ও তানভীর আলাদিন ডেপুটি প্রধান   

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ইউনিটের নির্বাচনে বিশেষ সংবাদদাতা সাজ্জাদ হোসেন সবুজ ইউনিট প্রধান ও সিনিয়র সাব-এডিটর কাজী গোলাম আলাউদ্দিন (তানভীর আলাদিন) ডেপুটি ইউনিট প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন।    আজ দুপুরে বাসস কার্যালয়ে বিদায়ী ডেপুটি ইউনিট প্রধান রুহুল গণি জ্যোতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইউনিটের এক সাধারণ সভায় এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সদস্যসহ ১৫ আগস্ট শহীদ এবং বাসসের সাবেক পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের মৃত্যুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করার মধ্য দিয়ে সভা শুরু করা হয়। সভায় নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন করার জন্য সরকারের প্রতি অভিনন্দন জানিয়ে অবিলম্বে মহার্ঘ ভাতা প্রদানের জন্য দাবি জানিয়ে এক প্রস্তাব গৃহীত হয়। এছাড়া সভায় সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও নিরাপত্তা সুরক্ষায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়।সভায় বাসস ডিইউজের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাসসের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শাহরিয়ার শহীদ, প্রধান বার্তা সম্পাদক আনিসুর রহমান ও ডেপুটি চিফ রিপোর্টার কানাই চক্রবর্তী। বক্তব্য রাখেন বাসসের সাবেক ইউনিট চীফ আশেক উন নবী চৌধুরী, বার্তা সম্পাদক আজম সারোয়ার চৌধুরী, বিশেষসংবাদদাতা আমিনুল ইসলাম মির্জা ও মাহফুজা জেসমিন, বিএফইউজের নির্বাহী কমিটির সদস্য খায়রুজ্জামান কামাল, বিএফইউজের সাবেক কোষাধ্যক্ষ মধুসূধন মন্ডল ও আতাউর রহমান, সিনিয়র রিপোর্টার আবু সাঈদ ও শহীদুল ইসলাম রানা। এসি   

গোলাম সারওয়ারের দাফন বৃহস্পতিবার    

খ্যাতিমান সাংবাদিক ও সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে আজ রাত সাড়ে ১০টায় হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছবে। এরপর তার মরদেহ উত্তরার বাসভবনে কিছু সময়ের জন্য রাখা হবে। তারপর সেখান থেকে তার মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হবে। সমকাল থেকে জানা যায়, গোলাম সারওয়ারের মরদেহ বুধবার নিয়ে যাওয়া হবে তার প্রিয় জন্মভূমি বরিশালের বানারীপাড়ায়। সেখানে শ্রদ্ধা ও জানাজা শেষে তার মরদেহ ঢাকায় নিয়ে আসা হবে।   সমকাল নগর সম্পাদক শাহেদ চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় গোলাম সারওয়ারের মরদেহ নিয়ে আসা হবে তার প্রিয় কর্মস্থল সমকাল কার্যালয়ে। এখানে সহকর্মীদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় সকাল ১১টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মরহুমের মরদেহ সর্বস্তরের জণগণের শ্রদ্ধার জন্য রাখা হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। শ্রদ্ধা জানানোর পর সেখান থেকে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে। দীর্ঘ কর্মময় জীবনের অনেকটা সময় তিনি কাটিয়েছেন তার এই প্রিয় প্রতিষ্ঠানে। সংবাদকর্মীরা সেখানে গোলাম সারওয়ারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এখানে বাদ জোহর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন গোলাম সারওয়ার। উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ২৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন গোলাম সারওয়ার। ৭৫ বছর বয়সী গোলাম সারওয়ার স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে, সহকর্মীসহ অগণিত গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এসি     

বিশিষ্ট সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন

বাংলাদেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসে গোলাম সারওয়ার উজ্জ্বল এক নাম। ষাটের দশকে সাংবাদিকতার শুরু থেকে একটানা পাঁচ দশকের বেশি সময় তিনি এই পেশায় যুক্ত ছিলেন। এ সময় তিনি মেধা, যুক্তিবোধ, পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে  অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনার নিরবচ্ছিন্ন চর্চায় নিজেকে এবং বাংলাদেশের সংবাদপত্রকে অনন্য উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দৈনিক ইত্তেফাকে দীর্ঘ ২৭ বছর বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে তিনি একাধারে সৃজনশীল ও পেশাদার সাংবাদিকতায় অতুলনীয় দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। সত্তরের দশকের প্রথমার্ধে দৈনিক ইত্তেফাকের বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সাপ্তাহিক পূর্বাণীর নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। পূর্বাণীতে তারই সম্পাদনায় এদেশে প্রথম ম্যাগাজিন আকারে বৃহদায়তনের ঈদসংখ্যা প্রকাশের রীতি শুরু হয়। তার নেতৃত্বে সাংস্কৃতিক সাপ্তাহিক হিসেবে পূর্বাণী অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এসব কৃতিত্বের ধারাবাহিকতায় তিনি দেশের দুটি সেরা দৈনিক `যুগান্তর` ও `সমকাল`-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে নজিরবিহীন সাফল্য অর্জন করেন। ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক এবং এর ছয় বছর পর ২০০৫ সালে আরেকটি নতুন দৈনিক সমকালের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পালন করে যান সে দায়িত্ব। তার সুযোগ্য নেতৃত্ব, ক্ষুরধার মেধা ও অসামান্য সাংগঠনিক দক্ষতা পত্রিকা দুটিকে দ্রুততম সময়ে পাঠকপ্রিয় করে তোলে। মেধা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার কারণে গোলাম সারওয়ারকে অনেকেই সাংবাদিকদের শিক্ষক হিসেবে অভিহিত করেন। তার হাতে গড়া অন্তত পাঁচ শতাধিক সাংবাদিক এখন দেশের বিভিন্ন পত্রিকা ও টেলিভিশন মাধ্যমে নিজ নিজ দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তার হাতে সরাসরি কাজ শেখা বেশ কয়েকজন সাংবাদিক বর্তমানে দৈনিক পত্রিকা ও টেলিভিশন মাধ্যমের সম্পাদক বা প্রধান সম্পাদক হিসেবে যোগ্যতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা অনেকেই গর্ব ভরে নিজেদের পেশার শিক্ষক হিসেবে গোলাম সারওয়ারের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের সংবাদপত্রের বিকাশ ও ক্রমপরিণতির ইতিহাসে গোলাম সারওয়ারের নাম অতিগুরুত্ব ও স্পষ্টতার সঙ্গে উচ্চারিত হবে বারবার। শৌখিন, কুটিরশিল্পসদৃশ সংবাদপত্রের ক্ষীণ বলয় থেকে বৃহৎ কলেবরের সংবাদপত্রের অভিযাত্রার অন্যতম সফল পথিকৃৎ সম্পাদক গোলাম সারওয়ার। তিনিই প্রথম এদেশে প্রতিদিন রঙিন খেলার পাতা, বিনোদন পাতা, নানা স্বাদের গুচ্ছ গুচ্ছ ফিচার প্রকাশ করার রীতি প্রবর্তন করে দৈনিক পত্রিকার চেনা অবয়বকে পাল্টে দিয়ে একটি দৈনিককে পরিবারের সব সদস্যের উপযোগী করে তোলার পরিকল্পনাকে সফলভাবে বাস্তবায়িত করেন।  সংবাদকে তার উপযুক্ত গুরুত্ব দিয়ে যথাযথ ট্রিটমেন্টে প্রকাশ করায় তার সমতুল্য কোনো সম্পাদক এদেশে নেই- এটি অপরাপর সম্পাদকের ভাষ্যেই বহুবার জানা গেছে। গোলাম সারওয়ার এদেশের সংবাদপত্রের সাফল্য ও পেশাদারিত্বের প্রতীক। তার জন্ম ১৯৪৩ সালের ১ এপ্রিল বরিশালের বানারীপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। বাবা মরহুম গোলাম কুদ্দুস মোল্লা ও মা মরহুম সিতারা বেগম দম্পতির জ্যেষ্ঠ সন্তান গোলাম সারওয়ার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক সম্মানসহ এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় ১৯৬২ সালে চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদীর বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা হিসেবে তার সাংবাদিকতা পেশার সূচনা। একই বছর দৈনিক সংবাদের সহসম্পাদক হিসেবে যুক্ত হন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত সংবাদে চাকরিরত ছিলেন। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন নিজ এলাকা বানারীপাড়ায়। মুক্তিযুদ্ধের পর কয়েক মাস বানারীপাড়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। তার পরপরই ১৯৭২ সালে ইত্তেফাকে সিনিয়র সহসম্পাদক হিসেবে যুক্ত হন। ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত যথাক্রমে প্রধান সহসম্পাদক, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশের দৈনিক সংবাদপত্রগুলোর সম্পাদকদের সংগঠন বাংলাদেশ সম্পাদক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। সৃজনশীল সাহিত্যে গোলাম সারওয়ারের অকৃত্রিম আগ্রহ ও উদ্যোগ তার সৃষ্টিশীলতা ও প্রাণময়তার আরেক ক্ষেত্র। দৈনিক পত্রিকায় সাহিত্যকে তিনি মানে ও মর্যাদায় স্বতন্ত্র করেছেন। তার গদ্য স্বাদু-অনায়াস দক্ষতায় তিনি রাজনীতির বক্র বিষয়াদির সঙ্গে সমকালীন বাস্তবতা ও ধ্রুপদী সাহিত্যের মেলবন্ধন ঘটিয়ে দেন। তিনি দক্ষ ছড়াকার; ষাটের দশকে অসংখ্য ছড়া লিখেছেন। সত্তরের দশকেও ছড়ায় সচল রেখেছিলেন নিজের কলম। `রঙিন বেলুন` নামে শিশু একাডেমি থেকে প্রকাশিত ছড়ার বইটি তার ছড়া সৃষ্টির উজ্জ্বল নিদর্শন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত জগতে একসময় তিনি ছিলেন ঘনিষ্ঠ। তার লেখা বেশ কয়েকটি গান আজও শ্রোতাহৃদয়ে শিহরণ জাগায়। তার রচিত গ্রন্থের মধ্যে `সম্পাদকের জবানবন্দি`, `অমিয় গরল`, `আমার যত কথা`, `স্বপ্ন বেঁচে থাক` ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সাংবাদিকতায় জীবনব্যাপী অনন্য ভূমিকার জন্য তিনি ২০১৪ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।   এমএইচ/ এসএইচ/  

গোলাম সারওয়ারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দৈনিক সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  আজ এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে গোলাম সারওয়ারের অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তার মৃত্যুতে সাংবাদিকতা জগতের অপূরণীয় ক্ষতি হলো। শেখ হাসিনা বলেন, দেশের সব প্রগতিশীল আন্দোলনে গোলাম সারওয়ার অংশগ্রহণ করেন। দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে তিনি সব সময় সোচ্চার ছিলেন। তিনি বলেন, গোলাম সারওয়ার সাংবাদিকদের ন্যায় সঙ্গত অধিকার আদায় এবং দাবি বাস্তবায়নের সকল আন্দোলনেও জড়িত ছিলেন। প্রয়াতের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী। গোলাম সারওয়ার আজ সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুরে একটি হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় মারা যান।   এমএইচ/ এসএইচ/

ইআরএফের সভাপতি দিলাল সম্পাদক রাশেদুল

ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি হিসেবে দুই বছরের জন্য পুননির্বাচিত হয়েছেন একুশে টেলিভিশনের প্ল্যানিং এডিটর সাইফ ইসলাম দিলাল। শুক্রবার অনুষ্ঠিত ভোটে ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সিনিয়র রিপোর্টার এসএম রশিদুল ইসলাম। একুশে টেলিভিশনের প্ল্যানিং এডিটর সাইফ ইসলাম দিলাল তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দৈনিক জনকণ্ঠের সিটি এডিটর কাওসার রহমানকে ২৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। সাইফ ইসলাম দিলাল ৯৭ ভোট আর কাওসার রহমান পান ৭২ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে রশিদুল ইসলাম পান ৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিজভী নওয়াজ ও মোহাম্মদ সাইফুল পান যথাক্রমে ৪৬ ও ৩৩ ভোট। সহ সভাপতি পদে সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম ১০৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অন্যদিকে এই পদে বিশ্বজিৎ দত্ত পান ৬৫ ভোট। সহ সাধারণ সম্পাদক পদে মো. গোলাম মঈনুল আহসান এবং অর্থ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ শাহজাহান সিরাজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে চার নির্বাহী সদস্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচত হন- দৌলত আকতার মালা, সুনীতি কুমার বিশ্বাস, সালাহ উদ্দিন বাবলু এবং আশরাফুল ইসলাম। বেলা ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১৮৬ জন ভোটারের মধ্যে ১৭০ জন ভোট দেন। ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ইআরএফ অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়নে কাজ করার পাশাপাশি দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি পর্যালোচনার কাজ করে থাকে। এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি