ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:১১:৪৮

সারাদেশে ইটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সারাদেশে ইটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

নানা আনুষ্ঠানিকতায় সারাদেশে উদযাপন করা হচ্ছে একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯তম বর্ষে পর্দাপণ উপলক্ষে দেশব্যাপী র‌্যালি, চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়েছে। প্রিয় টেলিভিশন চ্যানেলের জন্মদিনের এসব আয়োজনে অংশ নেন দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীরা। ময়মনসিংহে প্রতিবন্ধী শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও কেক কেটে একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়। সিলেটে কেক কেটে আনুষ্ঠানিকতার শুরু। পরে নগরীতে বের করা হয় বর্ণাঢ্য র‌্যালি। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে রাজশাহীতে একুশে টেলিভিশনের জন্মদিনের কেক কাটা হয়। অনুষ্ঠানে দুই শিশুকে একুশে টেলিভিশনের পক্ষ থেকে বৈশাখের পোশাক উপহার দেয়া হয়। দুপুরে রংপুর সিটি প্রেসক্লাবে কেক কাটা ও আলোচনা সভার মাধ্যমে জন্মদিন উদযাপন করা হয়। কেক কাটা, আলোচনা সভা ও র‌্যালির মধ্য দিয়ে বরিশালে উদযাপিত হয়েছে একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।  সকালে কক্সবাজার প্রেসক্লাবে কেক কেটে একুশের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সূচনা হয়। আয়োজনে ছিলো পান্তা ইলিশ খাওয়া এবং ঐতিহ্যবাহি মোরগ লড়াইয়ের। একুশে ফোরামের উদ্যোগে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর কিশলয় কিন্ডার গার্টেন স্কুলে কেক কেটে কাটা হয়। পরে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বাউল শিল্পীরা সঙ্গিত পরিবেশন করেন। কেক কাটা, আনন্দর‌্যালি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শরীয়তপুরে একুশের জন্মদিন উদযাপিত হয়েছে। সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বের করা হয় বর্ণাঢ্য র‌্যালি। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে কেক কাটা ও আলোচনা সভা হয়েছে। পিরোজপুরে আলোচনা সভা ও কেককেটে একুশের জন্মদিন উদযাপন করা হয়। মৌলভীবাজারে আনন্দ শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে উদ্বোধন করা হয়েছে একুশে টেলিভিশনের সপ্তাহ ব্যাপী জন্মউৎসব। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজনে উদযাপন করা হয়েছে একুশের জন্মদিন।  ভিডিও:    টিকে          
জমকালো আয়োজনে একুশের জন্মদিন পালিত

দেশের প্রথম বেসরকারি স্যাচেলাইট চ্যানেল একুশে টেলিভিশন পা রাখলো ১৯ বছরে। এ লক্ষ্যে আজ শনিবার সকালে একুশে টেলিভিশনের চট্টগ্রাম অফিসের কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন একুশে টেলিভিশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ। একুশে টেলিভিশনের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ লাবুসহ সাংবাদিক ও কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এদিকে প্রথম প্রহরে কেক কেটে একুশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অংশ নেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, একুশে টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী মনজুরুল আহসান বুলবুল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী শিকদার, পরিচালক কে এম শহীদউল্লাহ, সাকিব আজিব চৌধুরী, রবিউল হাসান প্রমুখ শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। বক্তারা অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে কাজ করে যাওয়ার একুশের অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করেন। টিআর / এআর

একুশে টেলিভিশন আরও দর্শকপ্রিয়তা পাবে : র‌্যাব প্রধান

সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে একুশে টেলিভিশন। ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ। আজ শনিবার বেলা ১২টায় একুশে টেলিভিশনের নিজস্ব ভবন জাহাঙ্গীর টাওয়ারে একুশে পরিবারের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর ঘরোয়া আয়োজনে অংশ নিয়ে র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ একথা বলেন। এসময় র‌্যাবের পক্ষ থেকে একুশে পরিবারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। ঘরোয়া আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন টেলিভিশনটির প্রধান সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী মনজুরুল আহসান বুলবুলসহ একুশে পরিবারের সদস্যরা। র‌্যাব প্রধান বলেন, আমার র‌্যাবের পক্ষ থেকে দেশের প্রথম টেলিভিশন একুশে পরিবারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অনেক অনেক অভিনন্দন জানাচ্ছি। আগামী দিনগুলোয় একুশে টেলিভিশন আরও দর্শকপ্রিয়তা পাবে এই প্রত্যাশাও করছি। একইসঙ্গে বাংলাদেশে প্রথম টেলিভিশন একুশে টিভি ১৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে একুশের দর্শক-শ্রোতা, শুভানুধ্যায়ী, কলাকুশলী, ক্যাবল অপারেটর ও সংবাদকর্মীকে শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানাচ্ছি। তিনি বলেন, সারাদেশে বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় প্রাণের উৎসব আজ বর্ষবরণ পালিত হচ্ছে। আমরা দেখেছি যত দিন যাচ্ছে, মানুষের উৎসব পাবনে ততবেশি আগ্রহ বাড়ছে। আগের মানুষ নিজেদের সংস্কৃতি সম্পর্কে তেমন সচেতন ছিল না। এখন বাঙালি উৎসব অনেক বড় করে পালন করছে। তিনি বলেন, আমার যতবেশি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধি অর্জন করছি। ততবেশি আমাদের লক্ষণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের নিজেদের সংস্কৃতি বেশি বেশি করে লালন কারার চেষ্টা করছি।আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের এই অপতিরুদ্ধ উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে। বাংলা নতুন বছর ও একুশের জন্মদিনে দিনভর চলবে নানা আয়োজন। একুশে ভবনে দিনভর চলবে একুশে কর্মী কলাকুশলীদের সম্মিলন। / এআর /    

দৃঢ় পদে এগিয়ে যাবে একুশে টেলিভিশন (ভিডিও)

আজ ১৯ বছরে পা রেখেছে দেশের প্রথম বেসরকারি স্যাটেলাইন চ্যানেল একুশে টেলিভিশন। একইসঙ্গে পহেলা বৈশাখ- নতুন বাংলা বর্ষ ১৪২৫। নতুন বছরে, নতুন সাজে, নতুন বিষয়বস্তু নিয়ে, নতুন উপস্থাপনা কৌশলে বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে দৃঢ় পদে এগিয়ে যাবে একুশে টেলিভিশন- এমনটাই প্রত্যাশা টেলিভিশনটির প্রধান সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী মনজুরুল আহসান বুলবুলের। আজ শনিবার বেলা ১২টায় একুশের নিজস্ব ভবন ভবন জাহাঙ্গীর টাওয়ারে একুশে পরিবারের সঙ্গে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর ঘরোয়া আয়োজনে এসব কথা বলেন মনজুরুল আহসান বুলবুল। এসময় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ একুশে পরিবারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। এসময় র‌্যাবের পক্ষ থেকে একুশে পরিবারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, একুশে টেলিভিশন যখন প্রথম পথচলা শুরু করে তখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার প্রধান ছিলেন। তখন তার একমাত্র আস্থার টেলিভিশন ছিল এটি। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও পরিবর্তনে অঙ্গীকারাবদ্ধ থাকার প্রতিশ্রুতি নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল এই টেলিভিশনটির। এসময় তিনি একুশের দর্শক-শ্রোতা, শুভানুধ্যায়ী, কলাকুশলী, ক্যাবল অপারেটর ও বিজ্ঞাপণ দাতাদের শুভেচ্ছা জানান। বাংলা নতুন বছর ও একুশের জন্মদিনে দিনভর চলবে নানা আয়োজন। একুশে ভবনে দিনভর চলবে একুশে কর্মী কলাকুশলীদের সম্মিলন। / এআর /

নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে একুশের জন্মদিন (ভিডিও)

বেসরকারি খাতে দেশের প্রথম টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশন পা রাখলো ১৯ বছরে। জন্মদিনের প্রথম প্রহরে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। শুভেচ্ছা জানান বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এগিয়ে চলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে একুশে পরিবার।একুশ মানে মাথা নত না করা। একুশ মানে মুক্ত চিন্তার খোলা জানালা। এই চেতনা লালন করে এগিয়ে চলা একুশে টেলিভিশনের জন্মদিনের প্রথম প্রহরে কেক কাটেন অতিথিরা। উপস্থিত ছিলেন- তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, একুশের প্রধান সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী মনজুরুল আহসান বুলবুল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার, পরিচালক কে এম শহীদউল্লাহ, সাকিব আজিব চৌধুরী, রবিউল হাসানসহ সাংবাদিক কর্মকর্তা ও কলাকুশলীরা। অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে নব উদ্যোমে পথ চলার কথা বলেন একুশে টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী মনজুরুল আহসান বুলবুল। ১৯শে পদার্পন; একুশে টেলিভিশন ও দেশের গণমাধ্যমের জন্য গৌরবের বলে অবিহিত করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী।তথ্যমন্ত্রী হাসানুল ইনু বলেন, মা-মাটি, মানুষ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়তে একুশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তারুণ্যের শক্তি নিয়ে অসাম্পদায়িক বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকারের কথা বলেন একুশে টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার। জন্মদিনের শুভক্ষণকে আরও রঙ্গিন করে, প্রথম প্রহরের অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এসএইচ/

আজ একুশে টেলিভিশনের ১৯তম জন্মদিন (ভিডিও)

বেসরকারি খাতে দেশের প্রথম টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশন পা রাখলো ১৯ বছরে। শুরুর লগ্নেই একুশে সৃষ্টি করেছিল ইতিহাস। তবে, চলার পথ মসৃন হয়নি। সব সংকট পায়ে দলে একুশে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে বারবার। ১৯ শে পা রাখার এই দিনে একুশেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিশিষ্টজনেরা। ২০০০ সালের ১৪ এপ্রিল, বাংলার চিরায়ত উৎসবের দিন নববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু বেসরকারি খাতে প্রথম টেরিস্ট্রেরিয়াল টেলিভিশন একুশে টেলিভিশনের। প্রতিষ্ঠার পর ২৮ মাস একুশে টেলিভিশন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ, বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য্য ছড়িয়ে জয় করে কোটি দর্শকের মন। কিন্তু সাড়া জাগানো এই চ্যানেলটি ২০০২ সালে আইনি জটিলতার অজুহাতে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একুশে শিকার হয় প্রতিহিংসার রাজনীতির। একুশে টেলিভিশন বন্ধের পর বছরের পর রাজপথে ছিল সে সময়ের একুশের সাংবাদিক, কর্মী, কলাকুশলীরা, সঙ্গে ছিলেন শুভানুধ্যায়ীরা। ২০০৫ সালে আদালত একুশে টেলিভিশন সম্প্রচারের বৈধতা দিলেও সরকার যতটা দ্রুত বন্ধ করেছিল, খুলে দিতে সেই দ্রুত দেখা যায়নি। ২০০৭ সালে আবারও সম্প্রচারের আসার পর থেকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত পার করে পা রাখলো ১৯ বছরে। একুশের জন্মদিনে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ তার বাণীতে কামনা করেছেন একুশের সাফল্য। গণমানুষের উন্নয়নে ভূমিকার রাখারও আহবান জানিয়েছেন। সেই সময়ের প্রধানমন্ত্রী-যিনি প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরুর ঘোষণা দিয়েছিলেন আজকেও তিনিই প্রধানমন্ত্রী। জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। অবাধ তথ্য প্রবাহ এবং সুস্থ বিনোদনে একুশের ভূমিকা রাখার আশাবাদও বঙ্গবন্ধু কন্যার বাণিতে। একুশের পথচলার এই লগ্নে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী এবং সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এছাড়া বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর তার বাণীতে বলেছেন, দেশজ সংস্কৃতির বিকাশ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে একুশে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে।একুশে টেলিভিশনের মালিকপক্ষও চান, ১৯ বছরে পা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সংবাদ ও অনুষ্ঠান দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের পাশে দাঁড়াবে চ্যানেলটি। প্রতিষ্ঠাকালীন একমাত্র টেরিস্ট্রিয়াল চ্যানেল বর্তমানে স্যাটেলাইটে দেখেন দর্শকরা। একুশে টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক ও সিইও মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, দক্ষ কর্মী ও উন্নত প্রযুক্তির সমাবেশেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। সংবাদ-বিনোদনে দেশের কোটি দর্শকের স্বপ্নপুরণের চ্যানেল হয়ে উঠবে একুশে টেলিভিশন- এমন প্রত্যাশা সবার।  

সামিট-ডিআরইউ মিডিয়া কাপ ক্রিকেটের পঞ্চম দিন   

  পঞ্চম দিনে তৃতীয় রাউন্ডে জয় পেয়েছে বাংলাভিশন, আরটিভি, ইনকিলাব, চ্যানেল ২৪ এবং কোয়ার্টার ফাইনালে জয় পেয়েছে বিডিনিউজ ২৪, বাংলাভিশন, চ্যানেল ২৪ ও চ্যানেল আই। সোমবার মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে পঞ্চম দিনে তৃতীয় রাউন্ড ও কোয়ার্টার ফাইনালের এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টায় বাংলাভিশন ও এটিএন বাংলার মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়ায়।   পঞ্চম দিনের খেলার ফলাফল: তৃতীয় রাউন্ড: বাংলাভিশন ৫৮ রানে এটিএন বাংলাকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হয়েছেন বাংলাভিশনের মাহফুজুর রহমান। আরটিভি ৩ উইকেটে এসএ টিভিকে হারায়। ম্যাচ সেরা হয়েছেন রকিবুল ইসলাম মানিক। ইনকিলাব ৫১ রানে দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হয়েছেন ইনকিলাবের মাইনুল হাসান সোহেল। চ্যানেল ২৪ এনটিভিকে ৪৩ রানে হারায়। ম্যাচ সেরা হয়েছেন সাদমান সাকিব।   কোয়ার্টার ফাইনাল: বিডি নিউজ ২৪ আলোকিত বাংলাদেশকে ৫ উইকেটে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হয়েছেন আরিফুল ইসলাম রনি। বাংলাভিশন ৩৬ রানে ইনকিলাবকে পরাজিত করে । ম্যাচ সেরা হয়েছেন মিজানুর রহমান সবুজ। চ্যানেল২৪ আরটিভিকে ২ উইকেটে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হয়েছেন সাদমান সাকিব। চ্যানেল আই ৪ রানে জাগো নিউজকে পরাজিত করে। ম্যাচ সেরা হয়েছেন রাহুল।  পঞ্চম দিনে মাঠে উপস্থিত ছিলেন সাব গেমসের নারী রেসলার সিলভার পদক জয়ী শিরিন সুলতানা। ইয়ান মার্চেন্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি লিটন সাহা। ডিআরইউ সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, অর্থ সম্পাদক মানিক মুনতাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব, ক্রীড়া সম্পাদক আরাফাত দাড়িয়া। ডিআরইউ’র সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, আবু দারদা যোবায়ের, বিএসজে’র সভাপতি সাইদুর রহমান শামীম। এছাড়া ক্রিকেট কমিটির সদস্য সচিব মাইনুল হাসান সোহেল, সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক মহিউদ্দিন পলাশ, বদরুল আলম চৌধুরী খোকন, মোরসালিন আহমেদ, রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। আগামীকালের খেলা (০৩ এপ্রিল ২০১৮) সেমিফাইনাল: বিডিনিউজ ২৪ বনাম বাংলাভিশন (সকাল ৮:৩০টা) মাঠ-২ চ্যানেল ২৪ বনাম চ্যানেল আই (সকাল ৮:৩০টা) মাঠ-১   ফাইনাল দুই সেমিফাইনাল বিজয়ী (বেলা ১১:০০টা) কেআই/টিকে

গণমাধ্যম ভুল করলে গণতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়তে পারে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, গণমাধ্যম ও গণতন্ত্র একই হাতের এপিঠ-ওপিঠ। রাজনীতিকরা ভুল করলে গণতন্ত্রের ক্ষতি হয়, কিন্তু গণমাধ্যম ভুল করলে গণতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়তে পারে। তিনি বলেন, ছাপার অক্ষরে সংবাদপত্র যে খবর আমাদের কাছে পৌঁছে দেয়, তা চলমান সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে। গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী। রাষ্ট্রযন্ত্র ও সমাজের অন্দরে নিরন্তর আলো ফেলে চলেছে আমাদের গণমাধ্যম। বুধবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে দৈনিক আমাদের সময় কার্যালয়ে পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দৈনিক আমাদের সময় ও ইউনিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নূর আলী, পরিচালক মো. আলী হোসেন, পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোহাম্মদ গোলাম সারওয়ার, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সন্তোষ শর্মাসহ পত্রিকায় কর্মরত সব সদস্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। দৈনিক আমাদের সময়-এর ত্রয়োদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার সময় হাসানুল হক ইনু পত্রিকাটি মাটি, মানুষ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে উন্নয়ন, অগ্রগতি, গণতন্ত্র ও সুন্দর সমাজ নির্মাণের পথে নিত্যসঙ্গী হবে বলে আশাপ্রকাশ করেন। সূত্র: বাসস আর/টিকে

সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে ফেনীতে মানববন্ধন

বরিশাল মহানগর ডিবি পুলিশ কর্তৃক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসি নিউজ-এর চিত্র সাংবাদিক সুমন হাসানের ওপর বর্বর নির্যাতনের প্রতিবাদে ফেনী প্রেস ক্লাব এর আয়োজনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে গণমাধ্যমকর্মীরা।  রোববার সকালে ফেনীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সম্মুখে এই কর্মসূচি পালিত হয়। ডিবিসি নিউজ চ্যানেলের ফেনী প্রতিনিধি ও ফেনী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ আবু তাহের ভূইয়ার সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক হকার্স সম্পাদক নুরুল করিম মজুমদার, দৈনিক প্রথম আলো’র নিজস্ব প্রতিবেদক আবু তাহের, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ও চ্যানেল নাইন এর ফেনী প্রতিনিধি জহিরুল হক মিলন, দীপ্ত টিভি ও দৈনিক আমাদের সময়’র ফেনী প্রতিনিধি ও ফেনী প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মুহাম্মদ আরিফুর রহমান, ফেনী প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও সাপ্তাহিক ফেনী সমাচারের সম্পাদক মো. মুহিব্বুললাহ ফরহাদ। ডেইলী সানের ফেনী প্রতিনিধি ও ফেনী প্রেস ক্লাবের তথ্য প্রযুক্তি ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুল্লাহ আল-মামুনের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন সময় টিভির রিপোর্টার আতিয়ার সজল, দৈনিক বাংলাদেশের খবর’র ফেনী প্রতিনিধি সৌরভ পাটোয়ারী, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ফেনী শাখার সাধারণ সম্পাদক জুলহাস তালুকদার, সাপ্তাহিক ফেনী সমাচারের নির্বাহী সম্পাদক আমজাদুর রহমান রুবেল, চিত্র সাংবাদিক তোফায়েল আহাম্মদ নিলয় প্রমুখ। মানববন্ধনে ফেনী প্রেস ক্লাব, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন ফেনী জেলা শাখাসহ জেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রিক ও অনলাইনের সাংবাদিকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এসময় বক্তারা বলেন, বিনা দোষে সুমনের উপর নির্যাতন করেছে ডিবি’র কতিপয় পুলিশ সদস্য। এর মাধ্যমে সমগ্র সাংবাদিক সমাজের উপর নির্যাতন করা হয়েছে। বক্তারা আরও বলেন, অতি উৎসাহী গুটি কয়েক পুলিশের কারণে গোটা পুলিশ বিভাগের বদনাম হচ্ছে। তাই এ ধরণের ঘটনা যাতে আর না ঘটে এজন্য নির্যাতনকারী দোষী ৮ ডিবি পুলিশ সদস্যদের স্থায়ী বহিস্কার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। গত ১৩ মার্চ দুপুরে নিকটাত্মীয়কে গোয়েন্দা পুলিশে আটকের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ডিবিসির বরিশাল অফিসের ক্যামেরাপার্সন সুমন হাসান। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে প্রকাশ্যে তার পরনে থাকা টি-শার্ট টেনে হিঁচড়ে পেটাতে পেটাতে তাকে গোয়েন্দা পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়। পথে তার অন্ডকোষ চেপে ধরাসহ তাকে অমানুষিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ সাংবাদিক সুমনের। এসি  

‘মাঠ পর্যায়ের বেশিরভাগ পুলিশ অমানবিক অাচরণ করেন’

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি এবং একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী ও প্রধান সম্পাদক মঞ্জুরুল অাহসান বুলবুল বলেছেন, মাঠ পর্যায়ে যেসব পুলিশ সদস্য কাজ করেন তাদের বেশিরভাগই মানুষের সঙ্গে অমানবিক অাচরণ করেন। তারা ইউনিফর্ম পরার পর নিজেদেরকে সব কিছুর ধরা ছোঁয়ার বাইরে মনে করেন। অাজ শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বরিশালে ডিবিসি টেলিভিশনের ক্যামেরা পারসন সুমন হাসানের ওপর পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে এ মানববন্ধনের অায়োজন করে বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতি। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মঞ্জুরুল অাহসান বুলবুল বলেন, বরিশালে সাংবাদিক সুমন হাসানের ওপর পুলিশ যে নির্যাতন চালিয়েছে তার দায়ভার বরিশালের পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এড়াতে পারেন না। এতে অবশ্যই তাদের ইঙ্গিত রয়েছে। তাকে যেভাবে বন্দি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে তাতে বুঝা যায় এ ঘটনা পরিকল্পিত।  তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পুলিশে ছুঁলে অাঠারো ঘা এ ধারণা থেকে পুলিশকে বেরিয়ে অাসতে হবে। কিন্তু অামরা মনে করি ঢাকায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমাবেশে যেসব সিদ্ধান্ত হয় তা মাঠ পর্যায়ে পুলিশের কানে পৌঁছায় না। মঞ্জুরুল অাহসান বুলবুল আরও বলেন, সুমন হাসানের ওপর হামলার ঘটনায় যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে, সেই কমিটিতে সাংবাদিক প্রতিনিধি রাখতে হবে। অামাদের দেশে অপকর্ম করেও পুলিশ, বিচার করেও পুলিশ, তা হতে পারে না। তদন্ত কমিটিতে অবশ্যই বরিশালের সাংবাদিক প্রতিনিধি ও জাতীয় পর্যায়ের সাংবাদিক প্রতিনিধি রাখতে হবে। মঞ্জুরুল অাহসান বুলবুল এ সময় অাশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, অামার বিশ্বাস পুলিশ প্রধান বরিশাল পরিদর্শনে যাবেন। সেখানে নাগরিক সমাজের সঙ্গে, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে দোষী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন। সাংবাদিকদের ঐক্যের প্রতি ইঙ্গিত করে সাংবাদিক নেতা মঞ্জুরুল অাহসান বুলবুল বলেন, সুমন হাসানের প্রতি পুলিশি হামলার ঘটনায় বিভিন্ন ব্যানারে প্রতিবাদ হচ্ছে। কিন্তু দাবি এক, অাওয়াজ এক। উল্লেখ্য, সম্প্রতি বরিশালে কর্মরত ডিবিসি নিউজের ক্যামেরা পারসন সুমন হাসানের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় দেশব্যাপী সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এএ/এসএইচ/

কাউকে না বলেই নেপাল গিয়েছিলেন সাংবাদিক ফয়সাল

নেপালে ঘুরতে যাওয়ার কথা বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের কাউকেই বলেননি বৈশাখী টেলিভিশনের সাংবাদিক ফয়সাল আহমেদ। কর্মস্থল থেকে পাঁচ দিনের ছুটি নিলেও অফিসের কাউকেও না জানিয়েই নেপাল গিয়েছিলেন তিনি। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় বড় বোন শিউলীকে বলেছিলেন— ‘ঢাকার বাইরে যাচ্ছি।’ এটাই ছিল পরিবারের কারও সঙ্গে ফয়সালের শেষ কথা। প্রসঙ্গত, সোমবার (১২ মার্চ) নেপালে বিমান দুঘর্টনায় নিহত ৫০ জনের তালিকায় সাংবাদিক ফয়সালের নামও রয়েছে। শরীয়তপুরের ডামুড্যা পৌর এলাকার সামসুদ্দিন সরদার ও সামসুন্নাহার বেগমের বড় ছেলে ফয়সাল আহমেদ (২৯)। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে সে দ্বিতীয়। ২০০৪ সালে ডামুড্যা মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করার পর ঢাকায় তিতুমীর কলেজে এইচএসসি এবং স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স সম্পন্ন করেন ফয়সাল। ব্যক্তিজীবনে অবিবাহিত ফয়সাল বৈশাখী টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রাজধানীতে ধানমন্ডির ১৫ নম্বরে বড় বোন শিউলী আক্তারের বাসায় থাকতেন তিনি। সর্বশেষ গত ৮ থেকে ৯ মাস আগে পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শরীয়তপুর এসেছিলেন ফয়সল।বিমান দুর্ঘটনায় নিহত সাংবাদিক ফয়সালের মায়ের আহাজারিমঙ্গলবার সকালে শরীয়তপুরের ডামুড্যায় ফয়সালদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শোকের মাতম চলছে স্বজনদের মধ্যে। ছেলের শোকে ফয়সালের মা শামসুন্নাহার বেগম অচেতন প্রায়। ফয়সালের বাবা সামসুদ্দিন সরদার `বাবা, আমার বুকে আসো বাবা` বলে বিলাপ করছেন। মায়ের হাতে রান্না করা গরুর মাংসের খিচুড়ি খুবই পছন্দ ছিল ফয়সালের। মা শামসুন্নাহার বেগম মাঝে মাঝে জ্ঞান ফিরে পেলে সেই খিচুড়ির কথা মনে করেই আহাজারি করছেন। ফয়সালের বাবা সামসুদ্দিন সরদার কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, ছেলে যে নেপাল গিয়েছে সেটা পরিবারের কেউই জানতো না। বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার অনেক পড়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারি ফোন দিয়ে ফয়সাল কোথায় জানতে চান। এরপর তিনি বড় মেয়েকে ফোন দেন। তখন বড় মেয়ে জানায়, ফয়সাল ঢাকার বাইরে যাওয়ার কথা বলে সকালে বাসা থেকে বের হয়েছে। এরপর আর যোগাযোগ হয়নি। রাতে তারা নিশ্চিত হন নেপালে বিধ্বস্ত বিমানে ফয়সাল ছিল। উল্লেখ্য, সোমবার (১২ মার্চ) চার জন ক্রু ও ৬৭ যাত্রীসহ মোট ৭১ জন আরোহী নিয়ে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে পৌঁছায়। অবতরণের সময় বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর বিমানবন্দরের কাছেই একটি ফুটবল মাঠে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। নেপালের সেনা সূত্রে জানা গেছে, এই দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি। নিহতদের তালিকায় সাংবাদিক ফয়সালের নামও রয়েছে। এদিকে, বৈশাখী টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক (সিএনই) সাইফুল ইসলাম বলেন, ফয়সাল নেপালে গেছেন, সেটি আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে জানতাম না। দুর্ঘটনা ঘটার পর খবর পাই তিনি নেপালে গেছেন। দুর্ঘটনার পরে বাংলাদেশ পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত আহত-নিহত ব্যক্তিদের তালিকা দেখে জানতে পারি, ফয়সালের নাম সেখানে আছে। সাইফুল ইসলাম বলেন, নিশ্চিত হতে অফিস থেকে ফয়সালের পাসপোর্ট নম্বর জোগাড় করে দেখি, সেটা আমাদের সহকর্মী ফয়সালই। তারপরও আমরা আশা ছাড়িনি। আজ সকালে আমাদের অফিসের দুজনসহ ও ফয়সালের এক মামাকে নেপালে পাঠানো হয়েছে। তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাননি। তারা হাসপাতালগুলোয় খোঁজ নেবেন। হয়তো ফয়সাল মারা গেছেন, কিন্তু আমরা আশা ছাড়িনি। একেবারে নিশ্চিত হয়ে এ বিষয়ে আমরা ঘোষণা দিতে চাই।এসএইচ/

যে চ্যানেলে সবাই নারী

এমন একটি টিভি চ্যানেল আছে যেখানে, সম্পাদক থেকে পিয়ন সবাই নারী। একঝাঁক নারীর ব্যবস্থাপনায় চলছে টিভি চ্যানেলটি। আর এমন একটি টিভি চ্যানেলই গড়ে উঠেছে জঙ্গিগোষ্ঠী তালেবান অধ্যুষিত দেশ আফগানিস্তানে। চ্যানেলটির নাম ‘জান’ টিভি। আফগানিস্তানের দারি ভাষায় `জান` মানে নারী। তাই টিভি চ্যানেলটির নাম `জান` টিভি। রক্ষণশীল দেশটির গণমাধ্যমও সমাজের অন্যান্য অংশের মতোই সম্পূর্ণভাবে পুরুষ নিয়ন্ত্রিত। তবে আফগান চ্যানেলগুলোয় নিয়মিত নারী উপস্থাপকদের দেখা যায়। কিন্তু নারীদের জন্য একটি সম্পূর্ণ টিভি স্টেশন ধারণাই করা হয়নি এত দিন। এই নারী টিভি আগমনের বিষয়টি আফগানিস্তানের পরিবর্তন হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরছে বলে মনে করছে বিশিষ্টজনরা। স্টেশনটির প্রযোজক ২০ বছর বয়সী খাতিরা আহমেদি বলেন, এই টিভি স্টেশন মেয়েদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এতে আমি খুবই খুশি। কারণ, আমাদের সমাজে নারীরা তাদের অধিকার সম্পর্কে অবগত নন। এই স্টেশন এখন নারীদের দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় আমরা সোচ্চার কণ্ঠে নারীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করতে পারবো। সূত্র: সিএনএন  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি