ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮ ৩:৩২:২২

সাংবাদিক মোস্তাক হোসেনের জন্য সাহায্যের আবেদন  

সাংবাদিক মোস্তাক হোসেনের জন্য সাহায্যের আবেদন  

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ভোরের ডাকের সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তাক হোসেন গুরুতর অসুস্থ। বর্তমানে তিনি গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার দু’টি কিডনি বিকল হয়ে গেছে। চিকিৎসকদের ভাষায় ৯৬ শতাংশ অচল। মাত্র ৪ শতাংশ কাজ করছে।  ইতিমধ্যে দু’দফায় তার কিডনি ডায়ালাইসিস করা হয়েছে। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা। কিন্তু দেশের বাহিরে গিয়ে চিকিৎসা করাতে প্রয়োজন অনেক টাকার। তার পরিবারের পক্ষে এতটাকা ব্যবস্থা করা কোনো ভাবেই সম্ভব নয়। তাই তার সহযোগিতার জন্য হাত বাড়িয়ে দিতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন পরিবার। পরিবারের প্রত্যাশা, সরকার ও সংবাদিক সংগঠনের নেতারা তাঁকে দেখতে হাসপাতালে আসবেন। এবং চিকিৎসার যাবতীয় ব্যবস্থা করবেন। মোস্তাক হোসেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ভোরের ডাকের সিনিয়র সাংবাদিক। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাব ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নেরও সদস্য। এসি    
ঝিনাইদহ মেয়রের সঙ্গে ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাক্ষাৎ

ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি তবিবুর রহমান। শনিবার দুপুরে ঝিনাইদহ পৌরসভা ভবনে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু বলেন, সাংবাদিকরা কর্মক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে বেশী ঝুঁকি নিয়ে দেশের কল্যাণে সত্য প্রকাশে কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ তাদের সেভাবে মূল্যায়ন হচ্ছে না। এসময় তিনি সাংবাদিকদের পাশে থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার ছবি সাধারণ জনগনের কল্যাণে পাঠকের কাছে বস্তুনিষ্ট ভাবে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানা তিনি। এসময় তিনি তার কিছু কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন যেগুলো শুধু স্থানীয় ভাবেই প্রকাশ পেয়েছেন। তাই তিনি তার সকল কর্মকাণ্ড গুলো তুলে ধরলে সবাই দেখে উদ্বুদ্ধ হবে। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কথন সাংস্কৃতিক সংসদের সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ আদিত্য, কবি সাহিত্যিক সুমন শিকদার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মাসুদ রানাসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।          

সাংবাদিক হাবিবুর রহমান মিলনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

একুশে পদকপ্রাপ্ত ও দৈনিক ইত্তেফাকের উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলনের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বহু প্রতিভাসম্পন্ন এই সাংবাদিক বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি)’র চেয়ারম্যান ও ঐক্যবদ্ধ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)’র সভাপতি ছিলেন এবং ৯০এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ায় তাকে জেলেও যেতে হয়। সাংবাদিক হাবিবুর রহমান মিলন ১৯৬৩ সালে দৈনিক সংবাদের মাধ্যমে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন। ১৯৬৪ সালে দৈনিক পয়গাম ও দৈনিক আজাদে কাজ করার পর ১৯৬৫ সালে মুসাফিরখ্যাত তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার আহবানে দৈনিক ইত্তেফাকে যোগদান করেন, মৃত্যর আগ পযর্ন্ত তিনি দৈনিক ইত্তেফাকের উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। সাংবাদিকতাই ছিলো তার একমাত্র পেশা।১৯৩৫ সালে জন্মগ্রহণকারী এই কৃতি সাংবাদিক দৈনিক ইত্তেফাকে ঘরে-বাইরে শিরোনামে কলাম লিখতেন সন্ধানী ছদ্মনামে।সাংবাদিকতায় অসামান্য অবদানের জন্য সরকার ২০১২ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করেন। তিনি ২০১৫ সালের আজকের দিনে পরলোকগমন করেন।এসএ/  

ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতির অভিষেক

জমকালো অয়োজনে ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার কলেজের শিক্ষক লাউঞ্চে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিক সমিতির সভাপতি তবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক হাসিব বিল্লাহ ও সহসভাপতি কেফায়েত শাকিলের সঞ্চালনায় অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোয়াজ্জম হোসেন মোল্লাহ্। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শামিম আরা বেগম, চ্যানেল আই-এর বিশেষ প্রতিনিধি মোস্তফা মল্লিক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, সাংবাদিকরা মানুষের জন্য কাজ করে। আজ ইচ্ছে করে আমারও সাংবাদিক হতে। তা হয়তো এখন আর সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ঢাকা কলেজ এক ঐতিহ্যবাহী কলেজ। এ কলেজের রয়েছে অনেক সফলতা রয়েছে।  এ কলেজের ছেলেরা বিএনসিসি, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন ভাল কাজে সাক্ষরতা রেখে যাচ্ছে। আপনার সে সফলতাগুলো তুলে ধরবেন বলে আশা রাখি। ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, সারাদেশের মাঝে ঢাকা কলেজ ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ঢাকা কলেজে সাংবাদিকতা যারা করছেন তাদের সাধুবাদ জানাই। যে সব বন্ধুরা সাংবাদিকতায় এসেছেন তারা তথ্যকে গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ করবেন। সত্য তুলে ধরবেন তাহলে আপনার পক্ষে সবাই থাকবে। যা তথ্য তা নিয়েই সংবাদ হয়। সুতরাং এর বাইরে গিয়ে না লেখাই ভাল। অভিষেক ও ইফতার অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার মাহমুদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির দফতর সম্পাদক জিয়াদ চৌধুরী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি, ঢাকা কলেজ  সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি যাকারিয়া ইবনে ইউসুফ, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি দেলোয়ার হোসাইন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আল ইমরান হোসাইন, সিনিয়র সহসভাপতি শাহ আলম ও  ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দসহ ক্যাম্পাসের বিভিন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।  টিআর/ এআর

মাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না ও বন্ধু...’ বিখ্যাত একটি গান। এই গানের মাধ্যমেই মানুষের প্রতি মানুষের সাহায্যের কথা বলা হয়েছে। একজন সাংবাদিক তার পেশায় থেকে মানুষকে সহায়তা করার জন্য আহ্বান করে থাকেন। কিন্তু এবার একজন সাংবাদিকের মায়ের জন্য সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছেন আরেকজন গণমাধ্যম কর্মী। গণমাধ্যম কর্মী শরিফুল হাসান তার বন্ধু জুয়েলের মায়ের চিকিৎসার সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। তার আবেদন- অামার মা বেঁ‌চে নেই। ত‌বে জু‌য়ে‌লের মা অা‌ছেন।অামার খুব ঘ‌নিষ্ঠ বন্ধু আহসান জুয়েল (Ahasan Jewel)। সময় টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার। পদ্মা সেতুর রি‌পোর্টার না‌মে এখন যা‌কে অ‌নে‌কেই চে‌নে। চট্টগ্রাম বিশ্ব‌বিদ্যালয় থে‌কে থে‌কে ফরেস্ট্রিতে স্নাতক ক‌রে ঢাকা বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য়ের সাংব‌া‌দিকতা বিভা‌গে অামা‌দের সা‌থে মাস্টার্স ক‌রে। তখন থে‌কেই বন্ধুতা। জনক‌ণ্ঠের রি‌পোর্টার ছিল জু‌য়েল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতিও ছিলো। সবসময় ও‌কে দে‌খে‌ছি সবার বিপদে পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করে। কখ‌নো ওর মুখের হাসি ম্লান হতে দেখিনি। অথচ অামার সেই বন্ধুুটির পু‌রো প‌রিবারের হা‌সি অাজ উধাও। জু‌য়ে‌লের সবচে প্রিয় মানুষ, তার মা দুরারোগ্য কিডনী সমস্যায় ভুগছেন। এক বছ‌রের বে‌শি সময় ধ‌রে এই সংকট। কাউ‌কে ব‌লে‌নি জুয়েল। মাকে বাচাতে একা একটা অসম যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। সপ্তাহে দুই দিন ধরে মাকে ডায়ালাইসিস করতে হয়। প্রচুর খরচ। নিজের একার চাকরির টাকায় এতদিন নিরবে সব ম্যানেজ করে আসছিল জুয়েল। কিন্তু দিনে দিনে মায়ের জীবনীশক্তি নিস্তেজ হয়ে আসছে। চি‌কিৎসকরা বল‌ছেন, ভারতে নিয়ে কিডনী প্রতিস্থাপন করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই। জুয়েলরা তাদের পুরো সঞ্চয়টুকু এক করার চেষ্টা করছে। ঈদের পর ভারতে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে। প্রয়োজন ৩৫ লাখ টাকা। বারবার বলার প‌রেও জু‌য়েল এতো‌দিন কারও সাহায্য চাই‌তে রা‌জি হয়‌নি। কিন্তু বাস্তবতা হ‌লো ও‌র একার পক্ষে এতো টাকা যোগাড় করা দুঃসাধ্য হ‌য়ে পড়‌ছে। অা‌মি বিশ্বাস ক‌রি আমরা ওর বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা যদি সহযোগিতার হাত বাড়াই, এই দুঃসাধ্য‌কে সহজ করা সম্ভব। অামার মা বেঁ‌চে নেই। মা না থাকার কষ্ট অা‌মি জা‌নি। যা‌দের মা অা‌ছে তার ম‌ধ্যে অা‌মি অামার মা‌কে খ‌ুঁ‌জি। জু‌য়ে‌লের বা‌ড়ি‌তে অা‌মি গে‌ছি। ওর মা‌য়ের রান্না খে‌য়ে‌ছি। অামার সেই বন্ধুর মা‌য়ের জন্য আপনা‌দের কা‌ছে সাহায্য চাই‌ছি। জুয়েলের মাকে সাহায্য করতে পারেন আপনিও।মায়ের চিকিৎসার জন্য সাহায্য পাঠাতে পারেন- সহযোগিতা পাঠাতে পারেন এই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে: Account Name: Md Ahasan UddinAccount No. 010312100056502Mercantile Bank LimitedKawran Bazar Branch, Dhaka. Bkash No. 01819627548Dutch bangla Rocket number: 018196275484 যোগাযোগ: 01819627548 (জুয়েল) এসএইচ/

খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি

খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরাম-ঢাকার (কেডিজেএফ) নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন এই কমিটিতে চ্যানেল ২৪ এর হেড অব নিউজ রাহুল রাহা সভাপতি ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সিনিয়র রিপোর্টার (বাসস) মুরসালিন নোমানী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার (৪ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত সংগঠনের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় আগামী দুই বছরের জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়।    কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রফিকুল ইসলাম সবুজ (আমার দিন) ও সাব্বির নেওয়াজ (সমকাল), যুগ্ম সম্পাদক ফসিহ উদ্দিন মাহতাব (সমকাল) ও আইয়ুব আনসারী (জাতীয় অর্থনীতি), সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কাজল (অর্থনীতি প্রতিদিন), অর্থ সম্পাদক শেখ মাহমুদ এ রিয়াত (আজকালের খবর), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রুহুল আমিন তুহিন (আরটিভি), দফতর সম্পাদক অজিত কুমার মহলদার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক তৌহিদুর রহমান (বাংলা নিউজ) ও নারী বিষয়ক সম্পাদক সাজু রহমান (জিটিভি)।      কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন-কাজী আব্দুল হান্নান (অবজারভার), হারুন জামিল (নয়া দিগন্ত), মোস্তাফিজুর রহমান (নিউ এইজ), তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু (দ্য রিপোর্ট২৪.কম), আশরাফুল ইসলাম (ইত্তেফাক), সুনীতি কুমার বিশ্বাস (মুক্তবাজার২৪.কম), দীপ আজাদ (নাগরিক টিভি), নিখিল ভদ্র (কালের কন্ঠ), আলমগীর হোসেন (সকালের খবর), রবিউল হক (মানবকন্ঠ), আবদুল্লাহ কাফি (আমার দিন) এবং পদাধিকার বলে সদ্য বিদায়ী সাধারণ সস্পাদক ও সভাপতি যথাক্রমে এনায়েত ফেরদৌস ও মধুসূদন মন্ডল। বিদায়ী সভাপতি মধুসূদন মন্ডলের সভাপতিত্বে বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক এনায়েত ফেরদৌস স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিদায়ী সাংগঠনিক সম্পাদক মুরসালিন নোমানী। সোমবার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন শেষে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন নৌ পুলিশের ডিআইজি শেখ মুহাম্মদ মারুফ হাসান। ইফতার মাহফিলে ঢাকায় কর্মরত খুলনা বিভাগের সংবাদ মাধ্যমের বিপুল সংখ্যক প্রতিনিধি ও বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)    এমএইচ/এসি   

ফের পিছিয়েছে সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল  

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৭ জুলাই ফের দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ৫৭ বার পেছাল।  রোববার এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তদন্ত সংস্থা র‌্যাব এ প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হক নতুন করে এ দিন ধার্য করেন। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি দম্পতি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটি শেরেবাংলা নগর থানার মাধ্যমে তদন্ত শুরু হয়। পরবর্তীতে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা হিসেবে এটির তদন্ত ভার ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশকে দেওয়া হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে ডিবি রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়। ২০১৪ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টের নির্দেশে হত্যা মামলাটির তদন্ত ভার র‌্যাবের ওপর ন্যস্ত করা হয়। মামলায় রুনির কথিত বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। আসামিরা হলেন- বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ। কেআই/  এসএইচ/

ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সঙ্গে সাংবাদিক সমিতির মতবিনিময়

ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির আয়োজনে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় হয়েছে।    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজের শিক্ষক লাউঞ্জে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিক সমিতির সভাপতি তবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাসিব বিল্লাহর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা কলেজ শিক্ষক পরিষেদর সদস্য সচিব আনোয়ার হোসাইন। মতবিনিময়ে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা কলেজ শাখার যুগ্ম-আহ্বায়ক- মো. তানিন তালুকদার, আইয়ুব আলী, এসএম জোহা, চিরঞ্জীৎ রায়, আলী আকবর শিমুল, শুভ্রদেব হালদার (বাপ্পি), জামাল উদ্দিন মাহী, ফরহাদ মিজা, কামাল হোসাইন, হুমায়ুন কবির রানা, মোনায়েম হোসেন জেমস, ইমরুল হাসান লেলিন, শহিদুল্লাহ শহিদ, মেহেদী হাসান রবিন ও সদস্য জালাল উদ্দিন, এসকে সন্দীপ, আমিরুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজপথের সব আন্দোলন সংগ্রামে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ সামনের সারিতে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তারা বার বার বঞ্চিত হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি দেওয়া হচ্ছে না। তাই নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, সামনে নির্বাচন; এমুহূর্তে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা না হলে নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারকে নানা প্রতিবন্ধকতার মোকাবেলা করতে হবে। এছাড়া কলেজের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরে তারা বলেন, এখানে আবাসন সমস্যা প্রকট, নেই ছাত্রদের পড়ালেখার জন্য পর্যাপ্ত রিডিং রুম। তারা বলেন, কলেজের অনেক ইতিবাচক দিক রয়েছে, কিন্তু গণমাধ্যমে সবসময় নেতিবাচক দিকটাই প্রাধান্য পায়। এসব সমস্যা সমাধানে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ঢাকা কলেজ সাংবাদিক সমিতির সহযোগিতা কামনা করেন। সাংবাদিক সমিতির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন- সিনিয়র সহসভাপতি শাহ্ আলম, সহসভাপতি কেফায়েত শাকিল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাকিব, তানভীর আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান শাকুরী, দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত সাদমান, প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল হাকিম, অর্থ সম্পাদক এজেড ভূঁইয়া আনাস, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মমিন উদ্দিন, ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান, সদস্য মাহমুদুল হাসান প্রমুখ। এসময় উপস্থিত সবাই কলেজের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং কলেজের সব অর্জন তুলে ধরতে সবাই সাংবাদিক সমিতির সহযোগিতা কামনা করেন।  টিআর/ এসএইচ/  

ইঅারএফের নতুন যাত্রা

দেশের অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ইঅারএফ। সংগঠনটি পূর্ণ করলো যাত্রার দুই যুগ। দুই যুগ পূর্তি ও নতুন কার্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে অাজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে `অাপনালয়ে ইঅারএফ` শিরোনামে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী অাবুল মাল অাবদুল মুহিত। সংগঠনের সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রের মূল চালিকা শক্তি অর্থনীতি। অর্থনৈতিক সাংবাদিকরা সেই চালিকা শক্তিকে প্রতিনিয়ত সমর্থন দিয়ে একদিকে যেমন অগ্রযাত্রাকে সহায়তা করছেন অন্যদিকে তেমনি বিভিন্ন ভুল ত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রকে অনেক বড় ঝুঁকি থেকে রক্ষা করছেন। বক্তারা আরও বলেন, উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশের এখন দুর্বার যাত্রা। এই যাত্রায় অনেক বাধাবিপত্তি পেরিয়ে সাংবাদিকদের কাজ করতে হয়। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করার জন্য সাংবাদিকদের একদিকে যেমন অনেক প্রস্তুতি প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন সততার প্রশ্নে অবিচল থাকা। সেক্ষেত্রে ইঅারএফ সাংবাদিকতায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হবে। অাঅা/এসএইচ/

সততার প্রশ্নে অবিচল ইঅারএফ : সাইফ ইসলাম দিলাল

অামরা তরুণদের শেখাতে চাই। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে শেখার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে যারা অর্থনৈতিক সাংবাদিকতায় কাজ করতে চায়, অামরা তাদের শেখার জন্য ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থা রেখেছি। অাজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইঅারএফ) নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সংগঠনের সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল। ‘অাপনালয়ে ইঅারএফ’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- অর্থমন্ত্রী অাবুল মাল অাবদুল মুহিত। সাইফ ইসলাম দিলাল বলেন, এই সংগঠনে ডান বামের কোনো ভেদাভেদ নেই। অামাদের কাছে সাংবাদিক মানে সাংবাদিক। একুশে টেলিভিশনের প্ল্যানিং এডিটর সাইফ ইসলাম দিলাল অারও বলেন, ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম- এর সাংবাদিক ভাইয়েরা সততার প্রশ্নে অবিচল। যেহেতু রাষ্ট্রীয় অর্থনীতির অনেক কিছু অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের কলমের ওপর নির্ভর করে সেহেতু এখানে কোনো অন্যায়কারীকে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। অনুষ্ঠানে রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, ইআরএফের সদস্যরাসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। অাঅা/এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি