ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ৬:৪৭:৫৪

রোহিঙ্গা সমস্যা, মিয়ানমারকেই সমাধা করতে হবে

রোহিঙ্গা সমস্যা, মিয়ানমারকেই সমাধা করতে হবে

রোহিঙ্গা সমস্যা আমদের না। এটা একান্তই মিয়ানমারের সমস্যা। তাই তাদেরকেই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। বুধবার রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে বাংলাদেশকে ভারতের কূটনৈতিক স্বীকৃতির ৪৬তম বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথীর বক্তব্য তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে এতো ভালো অবস্থানে যা অতীতে আর কোনো দিন ছিল না। প্রতিটি সেক্টরেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। কিছু সমস্যা থাকলেও সেগুলো আমরা সমাধানের চেষ্টা করছি। আামদের বিদ্যুতের সমস্যা ছিল আমরা এখন সেটা সমাধা করে ফেলেছি।
‌‘গণহত্যায় দায়ী করা যায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে’

রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অপরাধে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দোষী করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার জেইদ রাদ আল-হুসেইন। মঙ্গলবার জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের (ইউএনএইচআরসি) বিশেষ অধিবেশনে একথা বলেন জেইদ। রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন নিয়ে আলোচনার জন্য বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের প্রস্তাবে ইউএনএইচআরসি’র বিশেষ এই আধিবেশন বসে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। অধিবেশনে জেইদ রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দমনপীড়নের বিভিন্ন প্রতিবেদন নিয়ে তৈরি করা একটি প্রতিবেদন পড়ে শোনান। তিনি বলেন, এই প্রতিবেদনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর অত্যাচারের বর্ণনা দেওয়া আছে। যার মধ্যে লোকজনকে জোর করে তাদের বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে আগুনে পুড়িয়ে মারা, নির্বিচারে হত্যা, পালাতে থাকা বেসামরিক মানুষদের ওপর গুলি, নারী ও মেয়ে শিশুদের গণহারে ধর্ষণ এবং বাড়ি, স্কুল, বাজার ও মসজিদ পুড়িয়ে দেওয়া বা ধ্বংস করার কথা আছে। ৪৭ সদস্যের ফোরামের দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে জেইদ বলেন, গণহত্যা প্রমাণের জন্য এখানে সম্ভাব্য যে সব উপাদানের কথা উল্লেখ আছে তা কি আপনারা কেউ উড়িয়ে দিতে পারবেন?এর পেছনে দায়ীদের বিরুদ্ধে স্বাধীনভাবে অপরাধ তদন্তের ব্যবস্থা চালুর জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদকে অনুরোধ জানানোরও আহ্বান জানান তিনি।জাতিসংঘ কর্মকর্তারা এতদিন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চালানো সহিংসতাকে জাতিগত নির্মূল অভিযানের জ্বলন্ত উদাহারণ (টেক্সটবুক এথনিক ক্লিনজিং) বলে বর্ণনা করে আসছিলেন। এখন গণহত্যা শব্দটি উচ্চারিত হওয়ায় মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়ল এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর দীর্ঘদিনের নিপীড়ন-সহিংসতা নিয়ে জাতিসংঘের গভীর উদ্বেগটিও প্রকাশ পেল। এ বছরের অগাস্ট মাস থেকে এ পর্যন্ত ছয় লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম মিয়ানমার ছেড়ে পালিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। জেইদ বলেন, রাখাইনের প্রকৃত অবস্থা সেখানে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করার আগে এই রোহিঙ্গাদের সেখানে ফেরত পাঠানো উচিত হবে না। এসএইচ/

বিশ্বকে বাংলাদেশের পক্ষে চায় মানবাধিকারকর্মীরা

বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের পক্ষে দাঁড়াতে বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার কর্মীরা। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত সম্মেলনে এ আহ্ববান জানানো হয়। গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দিনব্যাপী ‘ফোরাম অন মাইনরিটি ইস্যুজ’ শিরোনামে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সুদানের তারিক কুর্দির সভাপতিত্বে উদ্বোধনী দিনে বক্তব্য রাখেন সুইজারল্যান্ডের ভেযেনতেন উইলগের, কানাডার ড. ফার্নান্দ ভার্নেস, ইতালির ল্যাম্বার্ট জেনিফার। পরে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা পর্যায়ক্রমে দু’দিন ধরে বিভিন্ন দেশের সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে বক্তব্য রাখেন। এতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন ‘সর্ব ইউরোপিয় আওয়ামী লীগ’ এর সাংগঠনিক সম্পাদক বিদ্যুৎ বড়ুয়া। ডা. বড়ুয়া তার বক্তব্যে রাখাইন রাজ্য ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমার সরকারের অত্যাচারের কথা তুলে ধরেন। এছাড়াও মানবিকতার খাতিরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়া হলেও তাদের নিজ দেশে ফেরত যেতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এজন্য আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে মিয়ানমারকে বাধ্য করতে বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।   একে//

‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি এড়িয়ে গেছেন পোপ

মিয়ানমারে দেওয়া ভাষণে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি সচেতনভাবে এড়িয়ে গেছেন ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান পোপ ফ্রান্সিস। তবে তিনি ‘প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর প্রতি শ্রদ্ধা’ রাখার দাবি জানিয়েছেন। মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠকের পর ভাষণ দেন পোপ ফ্রান্সিস। ওই ভাষণে তিনি সম্প্রীতির ডাক দিয়ে বলেন, মিয়ানমারের ভবিষ্যতটা অবশ্যই শান্তির হতে হবে। সবার অধিকার ও সম্মান, সব সম্প্রদায়ের পরিচয়ের প্রতি সম্মান, আইনের শাসনের প্রতি সম্মান এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি সম্মান থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে দেশের মানুষ, যারা দীর্ঘদিন ধরে চলা গৃহযুদ্ধ ও প্রতিহিংসাপরায়ণতায় ভুগছে। শান্তি অর্জনের কষ্টকর প্রক্রিয়া এবং জাতীয় পুনর্গঠন কেবল বিচারের প্রতিশ্রুতিশীলতা ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মাধ্যমে অর্জিত হয়। নির্যাতনের মুখে গত আগস্টের পর থেকে দেশটির রাখাইন রাজ্য থেকে ৬ লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এ কারণে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনের অভিযোগ ওঠে। তবে মিয়ানমার সরকার তাদের রোহিঙ্গা বলতে নারাজ। ওই সম্প্রদায়কে বাঙালি বলে উল্লেখ করে ক্ষমতাশীলরা দাবী করে, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মিয়ানমার ঢুকেছে। কাজেই মিয়ানমারের জাতিগোষ্ঠীর তালিকায় তাদের থাকা উচিত নয়। তবে এ ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।   তথ্য সূত্র : বিবিসি   /ডিডি/

রোহিঙ্গা সংকট : বাংলাদেশের পাশে থাকবে ব্রিটেন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ব্রিটেন কূটনীতিক এবং রাজনৈতিক ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী পেনি মরডান্ট। তিনি বলেন, সার্বিকভাবে এ সংকট মোকাবেলায় ব্রিটেন তার অবস্থান থেকে সব ধরনের চেষ্টা করছে। রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে বাংলাদেশ সফরে থাকা এ মন্ত্রী বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহনের ১৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সফরে এসেছি। এর মাধ্যমেই বোঝা যায় যে, এ সংকট আমাদের এজেন্ডা থেকে হারিয়ে যাবে না। আমরা বাংলাদেশকে সহায়তা করে যাব পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রাখবো। তিনি বলেন, জাতিসংঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় রোহিঙ্গা ইস্যুটি তুলে ধরার জন্য ব্রিটেন কাজ করছে। সংকট সমাধানে ব্রিটেনের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক চাপ সামনের দিনগুলোতে অব্যাহত থাকবে। মন্ত্রী বলেন, সংকট শুরুর কিছুদিন পর থেকেই মিয়ানমার নেত্রী অং সান সু চির উপর আন্তর্জাতিক চাপ বেড়েছে। কিন্তু সংকট শুরুর পর থেকে তিন মাস অতিবাহিত হলেও সংকটের দ্রুত সমাধানের কোন লক্ষন দেখা যাচ্ছে না। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশর পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন আগামী দুই মাসের মধ্যে সে প্রক্রিয়া শুরু হবে। কিন্তু কবে নাগাদ শেষ হবে সেটির কোন সময়সীমা নেই। যে সময় এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে তখন প্রায় এক হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে। তিনি আরও বলেন, নজিরবিহীন রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলার জন্য বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সহায়তা দরকার। এ সংকট দীর্ঘায়িত হবে বলেই মনে হচ্ছে। গত মাসে সুইজারল্যান্ডের জেনিভায় জাতিসংঘের এক উদ্যোগে এক বৈঠকে প্রায় ৩৪০ মিলিয়ন ডলার আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। কিন্তু সংকট মোকাবেলায় ভবিষ্যতে আরো সহায়তা লাগবে। মরডান্ট বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ব্যবস্থাপনা যাতে আরো ভালো করা যায় সেজন্য আমরা কাজ করব। আমরা আরও কি করতে পারি সে বিষয়টিতে আমাদের পথ দেখাতে পারে বাংলাদেশ সরকারসহ বিভিন্ন সংস্থা। সংকট মোকাবেলার জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারের পাশে আছি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে অর্থ জোগাড়ের জন্য আমরা নেতৃত্ব দিয়েছি। আমরা আমাদের সেই জায়গাটি ধরে রাখবো। রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ যেভাবে আশ্রয় দিয়েছে সেটি প্রশংসা করে ব্রিটিশ মন্ত্রী বলেন, সংকট মোকাবলার জন্য মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন সেদিকে তাদের দৃষ্টি থাকবে। সূত্র: বিবিসি।     আর

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন পোপ

রোমান ক্যাথলিক চার্চের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস আগামী ৩০ নভেম্বর তিন দিনের সফরে ঢাকা আসছেন। তাঁর এই সফরে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নৃশংস নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। ভ্যাটিকান মুখপাত্র গ্রেগ বার্ক সাংবাদিকদের জানান, পোপ ফ্রান্সিস বাংলাদেশে আসার আগে ২৬শে নভেম্বর মিয়ানমার সফরে যাবেন। ইয়াঙ্গুনে বিশপের বাসভবনে দেশটির সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন পোপ। তাঁর ঢাকা সফরে ১ ডিসেম্বর আন্তঃধর্মীয় এক বৈঠকে উপস্থিত থাকবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের একটা গ্রুপ। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে পোপের আসন্ন সফরের মূল সূচিতে এ দুটি সাক্ষাৎ অন্তর্ভুক্ত ছিল না। পরে শেষ মুহূর্তে সূচিতে এ দুটি যোগ হয়েছে। বাংলাদেশ সফরকে সামনে রেখে দেশবাসীকে বন্ধুত্বের বার্তা পাঠিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস। এক ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশে খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারীদের আশীর্বাদও জানিয়েছেন তিনি। পোপের ভিডিও বার্তাটি মঙ্গলবার ভ্যাটিকান রেডিওর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যৌথ আমন্ত্রণে আগামী ৩০শে নভেম্বর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে আসছেন পোপ ফ্রান্সিস। বাংলাদেশে আসার আগে ২৭ থেকে ৩০শে নভেম্বর তিনি মিয়ানমার সফর করবেন। সফরকালে পোপ ফ্রান্সিস রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করবেন। এ ছাড়া পোপের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পৃথক বৈঠক হবে। সফরের প্রথম দিনে পোপ জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং পরে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরদিন ১ ডিসেম্বর সকালে বিভিন্ন ধর্ম বিশ্বাস ও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে পবিত্র সভায় মিলিত হবেন তিনি।   আর

মার্কিন কংগ্রেসে যাচ্ছে রোহিঙ্গা নির্যাতনের চিত্র

রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর চালানো নির্যাতনের সব চিত্র কংগ্রেসে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিনিধিরা। শনিবার কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তারা। প্রতিনিধিরা জানান, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলাপ করে নির্যাতনের নানা তথ্য পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ সফর শেষে তারা মিয়ানমারে যাবেন। ওখান থেকেও তথ্য সংগ্রহ করে দেশে ফিরে তা কংগ্রেসে জানানো হবে।শনিবার বেলা ১১টার কিছু পরে আমেরিকার ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৌঁছে। এদের মধ্যে দুইজন সিনেটর ও তিনজন কংগ্রেসম্যান রয়েছেন। সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বার্নিকাট। তারা রাতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন। এরপর সকালে কক্সবাজার আসেন। এরপর যান কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। সেখানে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলাপ করেন তারা। শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিনিধিদলে থাকা দুই সিনেটর ও তিন কংগ্রেসম্যান। এদিকে, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনোরও শনিবার ঢাকায় আসার কথা। এ ছাড়া রোববার বাংলাদেশ সফরে আসছেন জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গাব্রিয়েল, সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারগট ওয়ালস্ট্রম, ইইউ`র নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি ফেডেরিকা মোঘারিনি। এসএইচ/

রোহিঙ্গা সংকট : ঢাকা আসছেন চীন জাপান ইইউ মন্ত্রীরা

চীন, জাপান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনার জন্য আগামীকাল শনিবার বাংলাদেশ সফরে আসছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা গেছে, সফরে রোহিঙ্গা সংকটের কারণে বাংলাদেশ কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং এর সমাধান কি হতে পারে সে বিষয়টি তাদের কাছে তুলে ধরা হবে। চীনের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও রোহিঙ্গা সংকটে চীন প্রকাশ্যে আন্তর্জাতিক ফোরামে মিয়ানমারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের উপর সহিংসতায় উদ্বেগ জানিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মানবাধিকার কমিটি যে প্রস্তাব পাশ করেছে সেটির পক্ষে ১৩৫ টি দেশ ভোট দিলেও চীন ও রাশিয়া তার বিরোধীতা করেছিল। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের চেয়ারম্যান এবং চীনে নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমদ বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের গভীরতা চীন যে অনুভব করছে না তা নয়। কিন্তু তাদের চিন্তাধারা হয়তো অন্যদের চেয়ে আলাদা। তিনি বলেন, জাতিসংঘ নিরপত্তা পরিষদের যে দুটো বিবৃতি দেয়া হয়েছে সেগুলো সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। সুতরাং সেখান থেকে প্রকাশ পায় যে চীনও এ বিষয়ে চিন্তিত। কীভাবে এটা বন্ধ করতে হবে সেটার ব্যাপারে হয়তো আমাদের অনেকের সাথে তাদের মতপার্থক্য আছে। প্রকাশ্যে কোন অবস্থান না নিয়েও সংকট নিরসনের জন্য চীন যদি ভেতর থেকে চাপ প্রয়োগ করে বা প্রভাব খাটিয়ে কোন ভূমিকা রাখে তাতে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক ফল দিতে পারে। বাংলাদেশের সাথে দীর্ঘদিন ধরেই চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে। বাংলাদেশের বহু বড় ধরনের অবকাঠামো র্নিমানের সাথে চীন জড়িত। পররাষ্ট্র সচিব এম শহিদুল হক বলছেন, কূটনৈতিক তৎপরতায় অগ্রগতি হচ্ছে বলেই রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কথা বলতে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে আসছেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন, বর্তমান অবস্থায় চীন এবং রাশিয়ার জোরালো সমর্থন না থাকলে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো রীতিমতো অসম্ভব বিষয়। তাদের সমর্থন না থাকলে শুধু বিবৃতি, এাণ তৎপরতা এবং সহানুভূতির মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকবে বলে বিশ্লেষকদের ধারনা।   সূত্র: বিবিসি একে/

রোহিঙ্গা নারীদের গণধর্ষণ করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী : রাইটস ওয়াচ

মিয়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গা নারীদের ব্যাপকভাবে গণধর্ষণ করেছে মিয়ানমারের সেনা জওয়ানরা। তাদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি শিশুরা। গত তিন মাসে রোহিঙ্গা নিধন অভিযানে এই নারকীয় গণধর্ষণ চালায় জওয়ানরা। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থ্যা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য ওঠে এসেছে। জাতিসংঘের বিশেষ রাষ্ট্রদূত (সংঘাতে যৌন হয়রানি বিষয়ক) প্রমিলা পাট্টেন বলেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নির্দেশে এই গণধর্ষণ কার্য্ক্রম পরিচালনা করেছে। শুধু তাই নয়, তারা নিজেরা রাখাইনকে ধর্ষণের ক্ষেত্র বানিয়ে ফেলেছে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী গত সোমবার এক তদন্ত প্রতিবেদনে দাবি করে, রাখাইন রাজ্যে কোন ধরণের ধর্ষন ও হত্যা হয়নি। শুধু তাই নয়, মিয়ানমারের সেনা নির্যাতন থেকে বাঁচতে রাখাইন রাজ্য থেকে ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করার ঘটনাকেও তারা নাকচ করে দিয়েছে। জাতিসংঘ ইতোমধ্যে মিয়ানমারের সেনা অভিযানকে জাতিগত নিধন অভিযান হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তবে মিয়ানমার সরকার জাতিসংঘসহ বিশ্বের অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৫২ জন রোহিঙ্গা নারীর সাক্ষাতকার নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ । তাদের মধ্যে ২৯ বলেছে তারা সেনাবাহিনীর দ্বারা ধর্ষিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলেও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়। হিউম্যান রাইটসের জরুরি নারী অধিকার বিষয়ক গবেষক ও প্রতিবেদনের লেখক স্কাই উইলার বলেন, ধর্ষণ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এক ধ্বংসাত্মক চিত্র। বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী অসংখ্য নারীকে নির্যাতন করেছে। এতে নারীদের মধ্যে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে মিয়ানমারের উপর অস্ত্র-নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পরামর্শ দিয়েছেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। একই সঙ্গে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর যে সমস্ত কর্মকর্তা ধর্ষণ ও গণহত্যায় জওয়ানদের উৎসাহিত করেছে তাদের বিদেশ গমনের উপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার তাগাদা দেয় সংগঠনটি। ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ গত সপ্তাহে মিয়ানমার সরকারকে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়। জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্থনিও গুতেরেস আগামি ৩০ দিনের মধ্যে মূল্যায়ণ রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। সূত্র: রয়টার্স এমজে/

রাখাইনে গণহত্যা ও গণধর্ষণ হয়েছে

মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা নারীদের গণধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিবিসির এক প্রতিবেদক। সম্প্রতি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দেশটির রাখাইন রাজ্যে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কয়েকজন কর্মীকে নিয়ে সফরে যাওয়ার পর পরই বিবিসির এক প্রতিবেদক এই অভিযোগ করেন। গত ৫ সেপ্টেম্বর একদল বিদেশি সাংবাদিককে সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে রাখাইনে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছিল দেশটির সরকার। সাংবাদিকদের ওই দলে ছিলেন বিবিসির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জোনাথন হেড। সফরকালে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় এখনো যারা বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে পারেনি, তাদের সঙ্গে আলাপ করেন বিবিসির এই প্রতিবেদক। শুধু গণহত্যাই নয়, আটকেপড়া রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি আরও জানান, দেশটিতে ব্যপকমাত্রায় গণহত্যা চালিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী।

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজীপুর বিজিবি ক্যাম্পের সদস্য ও ভারতের ফুলবাড়িয়া ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা চলেছে। বিজিবির সহায়তায় স্থানীয় লোকজন ভারতের ফুলবাড়িয়া ক্যাম্পের এসআই লিটন সরকার (৩৭) নামক এক বিএসএফের সদস্যকে আটক করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে কাজীপুর সীমান্তের ১৪৬ নং পিলারের কাছে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। গ্রামবাসী বলছেন, কাজীপুর সীমান্তের ১৪৬ নম্বর পিলারের পাশে পুশব্যাকের জন্য কয়েক হাজার রোহিঙ্গা জড়ো করে বিএসএফ সদস্যরা। টের পেয়ে স্থানীয় জনতা ও বিজিবি সদস্যরা তৎপর হয়ে উঠে। সূত্র জানা গেছে, বিএসএফ সদস্যরা কাজীপুর সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢোকানোর চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয় জনতা টের পেয়ে প্রতিহত করতে যায়। বিএসএফের সদস্য ও জনতার মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। বিএসএফের এসআই লিটন সরকারকে আটক করা হয়। লিটন কাজীপুর বিজিবি ক্যাম্পে রয়েছেন। কাজীপুর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার নায়েক সুবেদার মনোয়ার হোসেন লিটনের আটকের তথ্য নিশ্চিত করেন। গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিষ্ণুপদ পালের ভাষ্য, বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে বৈঠকের মাধ্যমে আটক বিএসএফ সদস্যকে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।   টিআর/ডব্লিউএন

৩ লাখ ৮৫ হাজার রোহিঙ্গার নিবন্ধন সম্পন্ন

বাংলাদেশে এই পর্যন্ত ৬ লাখ ১৫ হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করলেও এই পর্যন্ত মাত্র ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬৫৮ জনের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পেরেছে সরকার। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২টি শরণার্থী শিবিরে ৭টি ক্যাম্পের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে এ নিবন্ধন কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। পাসপোর্ট অধিদপ্তর এই নিবন্ধন কাজ বাস্তবায়ন করছে। এদিকে সমাজসেবা অধিদপ্তর ২৯ হাজার ২২ জন এতিম শিশুকে সনাক্ত করতে পেরেছে। এক তথ্যবিবরণীতে এমন তথ্য উঠে আসে। এদিকে আবারও মিয়ানমার সীমান্তে শুরু হয়েছে রোহিঙ্গা ঢল।  কক্সবাজারের আঞ্জুমান পাড়া সীমান্ত দিয়ে গতকালও সহ¯্রাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। এছাড়া বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের জিরো লাইন এলাকায় বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে আরো কয়েক হাজার রোহিঙ্গা। কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের (আরআরআরসি) রিপোর্ট মোতাবেক ২৫ আগস্টের পর থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী মিয়ানমার নাগরিক সংখ্যা ৬ লাখ ১৫ হাজার। অনুপ্রবেশ অব্যাহত থাকায় এ সংখ্যা আরও বাড়ছে।   এমজে

মিয়ানমার সেনাপ্রধানকে টিলারসনের ফোন

রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিষয়ে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াংকে টেলিফোন করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন। বৃহস্পতিবারের এ ফোনালাপে রোহিঙ্গাদের উপর নিপীড়নের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, রাখাইনে সহিংসতা বন্ধের পাশাপাশি বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন  নিশ্চিতে  মিয়ানমারের সেনা প্রধানকে ফোন করেছেন মর্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়াও বাস্তুচ্যুত ও অবরুদ্ধ রোহিঙ্গাদের মধ্যে মানবিক সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান, আক্রান্ত অঞ্চলে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রবেশাধিকার এবং জাতিসংঘের উদ্যোগে রাখাইন রাজ্যের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তদন্তে সহযোগিতার জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান রেক্স টিলারসন। আগামী নভেম্বরে ফিলিপাইনে অনুষ্ঠিতব্য আসিয়ান সম্মেলনে ট্রাম্প ও মিয়ানমারের প্রতিনিধির মুখোমুখি সাক্ষাতের আগেই রোহিঙ্গা ইস্যুতে বেশ সোচ্চার হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ছয় লাখ রোহিঙ্গা সদস্য বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। প্রতিদিন নতুন করে বাংলাদেশ সীমান্তে এসে ভিড় করছে রোহিঙ্গারা। পালিয়ে আসাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা রোহিঙ্গাদের উপর নিপীড়নের বিষয়টিকে মানবিক বিপর্যয়ের অন্যতম দৃষ্টান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। অন্যদিকে রোহিঙ্গাদের উপর এ নির্যাতনকে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘ। সূত্র: রয়টার্স। এম/ডব্লিউএন      

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি