ঢাকা, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ৩:৪১:২২

ওয়ার্লপুল ও বেস্ট ইলেক্ট্রনিক্স এর রন্ধন প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ওয়ার্লপুল ও বেস্ট ইলেক্ট্রনিক্স এর রন্ধন প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ওয়ার্ল্ডে নাম্বার ওয়ান গার্হস্থ্য ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ার্লপুল বাংলাদেশে তাদের অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটর বেস্ট ইলেক্ট্রনিক্স লিঃ এর যৌথ আয়োজনে ওভেন ভিত্তিক রন্ধন প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশব্যাপী পরিচালিত এই কর্মশালার অংশ হিসেবে ঢাকায় দ্বিতীয় বারের মতো শনিবার ১৭ই ফেব্রুয়ারি ২০১৮ মহাখালীস্থ নিউ ডিওএইচএস এর রাওয়া ক্লাবে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিশিষ্ট রন্ধন বিশেষজ্ঞ লবী রহমান এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মশালাটি পরিচালনা করেন। তিনি ওয়ার্লপুল ব্র্যান্ডের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মাইক্রোওয়েভ ওভেনের মাধ্যমে অতি সহজে উন্নতমানের বিভিন্ন রেসিপি কিভাবে দ্রুত তৈরী করা যায় তার প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। দিনব্যাপী কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন দেশের বিশিষ্ট রন্ধন বিশেষজ্ঞ লবী রহমান ও বেস্ট ইলেক্ট্রনিক্স লিঃ এর পরিচালক সৈয়দ তাহমিদ জামান রাশিক। দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে পর্যায়ক্রমে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা অব্যাহত থাকবে।  এসি/
জোরারগঞ্জে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র উদ্বোধন

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ বাজারে উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন। সেখানে গেষ্ট অব অনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের এডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। ব্যংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চট্টগ্রাম উত্তর জোন প্রধান মোঃ সালেহ ইকবাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশন প্রধান মোঃ মাহবুব আলম, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন, মীরসরাই উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইয়াছমিন শাহীন কাকলী, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মকছুদ আহাম্মদ চৌধুরী, কালু কুমার দে ও ব্যাংকের এজেন্ট ছানা উল্লাহ নিজামী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের বারৈয়ারহাট শাখা প্রধান মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন খান। প্রধান অতিথির বক্তব্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প বাস্তবায়ন ও নারীর ক্ষমতায়নে যথাযথ ভূমিকা রাখছে ইসলামী ব্যাংক। কল্যাণমূলক এসব কাজের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য আধুনিক ব্যাংকিং জগতে ইসলামী ব্যাংকের নতুন নতুন সেবা কার্যক্রমের একটি অংশ হলো এজেন্ট ব্যাংকিং। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মত আধুনিক ব্যাংকিং পদ্ধতিগ্রহণ করায় তিনি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি ইসলামী ব্যাংকের সেবা গ্রহণ করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। এসি/

সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে চালের দাম (ভিডিও)

গত সপ্তাহের ব্যবধানে আবারো বেড়েছে চালের দাম। বেড়েছে সয়াবিন, রসুন ও মাছের দাম। তবে সবজির দাম তুলনামূলক কিছুটা কম। রাজধানীর অন্য বাজারের তুলনায় কারওয়ান বাজারে পণ্যের দাম তুলনামূলকভাবে কম। এখানে দেখা যায়, প্রতি কেজি ভাল মানের মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬২ টাকায়। যা গেলো সপ্তাহের চেয়ে ২টাকা বেশি। রাজধানীর অন্য বাজারে এই চালই বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ৩টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। ৫লিটার রূপচাঁদা সয়াবিনে দাম বেড়েছে ৮টাকা বেড়েছে। তীর সয়াবিনের দাম বেড়েছে লিটারে ৩ টাকা। রসুনের দামও বেশ বাড়তি। প্রতি কেজিতে ২০ টাকা বাড়তি। শীতের সবজির দাম কম হলেও নতুন আসা গরমের সবজির দাম বেশ চড়া। ছুটির দিনের বাজারে মাছের আমদানি থাকলেও দাম বেশি নেয়ার অভিযোগ ক্রেতাদের। বাজারে উঠেছে প্রচুর খাল বিল ও নদীর মাছ। আছে চাষের মাছও। তবে দাম নিয়ে অসন্তুষ্ট ক্রেতারা। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৩০, খাসির মাংস কেজিতে ৮শ এবং গরুর মাংস কেজিতে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসএ/    

বড় ধরণের ঋণ ভর্তুকি পাবে সরকারি আমলারা

বড় ধরণের ঋণ ভর্তুকি পেতে যাচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আর ভর্তুকি বাবদ এর জন্য সরকারের প্রতি বছর খরচ হবে ৯৮০ কোটি টাকা। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা থাকলেও এমন পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার। গৃহঋণ বাবদ দেওয়া হবে এ ঋণ ভর্তুকি। সরকারের অর্থ মন্তনালয়ের একটি সূত্রের খবর জানা যায় যে, প্রায় ৭০ হাজার সরকারি কর্মচারিকে দেওয়া ঋণের মধ্যে প্রতিটি কর্মচারি সাড়ে তিন শতাংশ হারে ঋণ ভর্তুকি পাবে। যার সর্বোচ্চ পরিমাণ হতে পারে ৪০ লাখ টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন অর্থ বিভাগের সাত সদস্যবিশিষ্ট এক কমিটি এ সংক্রান্ত সব কাজও শেষে করে ফেলেছেন। প্রস্তাব আকারে বিষয়টিকে অনুমোদনের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। ওই প্রস্তাবে লোনের সর্বোচ্চ সীমা এক লাখ ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। আর্থিক ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলো শতকরা সাড়ে আট শতাংশ হারে ঋণ গৃহঋণ দিয়ে থাকে। তবে সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি কর্মকর্তাদের সুদের পরিমাণ হবে মাত্র পাঁচ শতাংশ। বাকি সাড়ে তিন শতাংশ বহন করবে সরকার। মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০তম গ্রেড থেকে ১৫তম গ্রেড এবং তদুর্ধ্ব গ্রেডের কর্মচারীরা নিতে পারবেন এ লোন। সর্বনিম্ন দুই লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকিসহ লোন সুবিধা পাবেন তারা। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যেই সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানায় মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র। ১৯৯৮ সালের এক আইন অনুযায়ী, কমপক্ষে ২০ বছর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করা অথবা সর্বোচ্চ ৪৫ বছর বয়স হওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী গৃহঋণ পেতেন। বর্তমানে এর সর্বোচ্চ পরিমাণ এক লাখ ২০ হাজার টাকা।   //এসএইচএস//এসএইচ/      

সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক “সেবা দিয়ে করব জয়” শীর্ষক ক্যাম্পেইন এর আয়োজন করেছে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কাজী ওসমান আলী আজ বৃহস্পতিবার ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে উদ্বোধন হওয়া এ ক্যাম্পেইন চলবে আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এহসানুল আজিজ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক  ইউনুস আলী,  আবু নাসের চৌধুরী এবং  জাফর আলম সহ প্রধান কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান ও অন্যান্য নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ওসমান আলী ব্যাংকের বিভিন্ন গ্রাহক বান্ধব ডিপোজিট প্রোডাক্টের বর্ণনা করেন এবং ক্যাম্পেইনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে উদাত্ত আহবান জানান। বিজ্ঞপ্তি  আরকে/টিকে

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের কাশিয়ানী শাখার উদ্বোধন

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের ১২৩ তম শাখা হিসেবে কাশিয়ানী শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার চৌরাস্তা মোড়ে এ শাখার উদ্বোধন করা হয়। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মামুন-উর-রশিদ এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান কাজী আকরাম উদ্দিন আহম্মদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক ফিরোজুর রহমান ও ব্যাংকের শরীয়াহ্ সুপারভাইজরি কমিটির সদস্য ও এসবিএল ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের পরিচালক কাজী খুররম আহমেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, ব্যাংকের গ্রাহক ও বিভিন্ন স্তরের নির্বাহী ও কর্মকর্তারা। বিজ্ঞপ্তি  আরকে/টিকে

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইসলামী ব্যাংকের রক্তদান কর্মসূচি

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের উদ্যোগে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গত বুধবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান। ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া এর পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী মো. মাহবুব উল আলম। ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মু. শামসুজ্জামান ও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কোঅর্ডিনেটর ড. মনিরুজ্জামান এবং ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টররা এসময় উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, ঢাকার সকল জোন অফিস, কর্পোরেট ও অন্যান্য শাখাগুলোর ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতে অংশ নেন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই ইসলামী ব্যাংক স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পালন করছে। রক্তদান কর্মসূচি কল্যাণধর্মী অনন্য উদ্যোগ। এমন মহৎ উদ্যোগের সাথে আরো বেশি মানুষকে সংযুক্ত করতে আহবান জানান তিনি। মো. মাহবুব উল আলম বলেন, ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই মানুষের কল্যাণে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। রক্তদান কর্মসূচি এরই উদাহরণ। এমন উদ্যোগে অংশগ্রহণের জন্য তিনি ব্যাংক কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।বিজ্ঞপ্তি আরকে/টিকে

ব্যাংক ঋণ না নিয়ে পুঁজিবাজার থেকে নেওয়া উচিৎ: পরিকল্পনামন্ত্রী

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘শিল্পকারখানার জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়াকে আমি নিরুৎসাহিত করি। চীনে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে শিল্পকারখানা করার নজির কম। অর্থায়নের উৎস হিসেবে পুঁজিবাজার আদর্শ বিকল্প হতে পারে।’  বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে একথা বলেন তিনি। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এখানে যে অনিয়মগুলো হচ্ছে সেগুলো বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের শক্তিশালী ভূমিকা নেওয়া উচিত। তবে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এখনো সহনীয় পর্যায়ে আছে। ফলে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।’ তিনি বলেন, ‘যারা দেশ থেকে টাকা পাচার করে বিদেশে ব্যবসা করেন, তারা যখন বুঝবেন দেশে ব্যবসা করাই লাভজনক, তখন আর বিদেশে পাচার করবেন না।’ শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছু সমস্যা রয়েছে। এ শিক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ অর্জন করা সম্ভব নয়। এজন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে।’ তিনি বলেন, চাহিদা ও প্রয়োজন মেনে জ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর এবং হাতে-কলমে শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তন করতে হবে। বর্তমানের প্রয়োজনের সঙ্গে আগামীর প্রয়োজন মাথায় থেকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সাজাতে হবে। ২০১৭ সালে দেশে সর্বোচ্চ কর্মসংস্থান হয়েছে দাবি করে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘গত বছর দেশে ৩৭ লাখ কর্মসংস্থান হয়েছে। আমি তথ্য-প্রমাণ ছাড়া কথা বলি না। তথ্য অনুযায়ী এর মধ্যে দেশে কর্মসংস্থান হয়েছে ১৩ লাখ, আনপেইড থেকে পেইড (বিনা বেতন থেকে বেতনভুক্ত) হয়েছে ১৪ লাখ এবং বিদেশে ১০ লাখ ৩০ হাজার বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে।’ পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, “প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে অনেকে বলেন, আয় বৈষম্য বেশি, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে না। কিন্তু ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের মতে, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে।’ মন্ত্রী বলেন, ‘অনেক সময় বিদেশিরাও আমাদের হেয় করতো। সম্প্রতি বিশ্ব ব্যাংক আমাদের মধ্যম আয়ের দেশ ঘোষণা করেছে। এর আগে কোনো দেশই উন্নয়নের তিন সূচকের শতভাগ পূরণ করে মধ্য আয়ের দেশ হতে পারে নি, কিন্তু আমরা পেরেছি।’ মন্ত্রী জানান, মধ্য আয়ের দেশ হওয়ার জন্য জিএনআই সূচকে দরকার একহাজার ২৩০ পয়েন্ট, সেখানে বাংলাদেশের আছে একহাজার ২৭৩ পয়েন্ট। মানব উন্নয়ন সূচকে দরকার ৬৬ পয়েন্ট, সেখানে আছে ৭২ পয়েন্ট; এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকির সূচকে ৩২ পয়েন্টের নিচে থাকতে হয়, যেখানে বাংলাদেশের আছে ২৪ দশমিক ৮ পয়েন্ট। এসময় রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর জন্য কর আদায়ের হার কমিয়ে করের আওতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব জিয়াউল ইসলাম, আইএমইডির সচিব মফিজুল ইসলাম, ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য জুয়েনা আজিজ, বিআইডিএসের মহাপরিচালক কে এস মুর্শিদ এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক আমির হোসেন। এসি/  

পুঁজিবাজারে বড় দরপতন

টানা দুই কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবারে ফের বড় ধরণের পতন হয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজারের সূচক। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তে এদিন প্রধান মূল্য সূচক আগের দিনের তুলনায় ৫২ পয়েন্ট কমেছে। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসসি) সার্বিক মূল্য সূচক ৯৬ পয়েন্ট কমেছে। সূচকের সঙ্গে এদিন ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। যদিও সিএসইতে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাজারটিতে লেনদেন হওয়া ৭৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২২১টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টির। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৫২ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৫০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুটি মূল্য সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ১৯ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ২৩০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪০৫ পয়েন্টে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৫১২ কোটি ১৭ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৬২১ কোটি ১৯ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ১০৯ কোটি ২ লাখ টাকা। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ইউনিক হোটেলের শেয়ার। কোম্পানিটির ২৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা গ্রামীণফোনের ১৫ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুন্নু সিরামিক। লেনদেনে এরপর রয়েছে- ব্র্যাক ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল, কেয়া কসমেটিক, ড্রাগন সোয়েটার, ফু-ওয়াং ফুড, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল এবং লংকাবাংলা ফাইন্যান্স। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্য সূচক সিএসসিএক্স ৯৬ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ২৯২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ২৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা। অপর বাজার সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৮টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৮টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টির।   আরকে//

‘চালের দাম বৃদ্ধির কারণ সিন্ডিকেট’

দেশের চালের বাজারে অস্থিরতা থামছেই না। দিনের পর দিন দাম বেড়ে হয়েছে আকাশচুম্বী। অসাধু কোন একটি চক্রের হাতে জিম্মি সাধারণ ক্রেতারা। কিন্তু সেই চক্রটি কারা? কেনোইবা দামের লাগাম টেনে ধরতে ব্যর্থ হচ্ছে সরকার? কেনোই বা চালের বাজারের এই অদৃশ্য আগুনে পুড়ছে দরিদ্র মানুষ? ‘একুশের বিজনেস’ এর আজকের আলোচনার বিষয় ‘চলের মজুদ ও বাজার দর পরিস্থিতি’। বিশেষ এই আলোচনায় অংশ নিয়েছেন খোরশেদ আলম খান, প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ অটো রাইস মিলস ওনার্স এসোসিয়েশন। একুশে বিজনেস : ২০১৭ সালে আমরা দেখেছি দেশের বাজারে কয়েক দফা চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। মাঝে কিছুটা স্থিতিশিল ছিলো। সাম্প্রতিক সময়ে গত এক সপ্তাহে আমরা দেখেছি আবারও চালে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। কি অবস্থা, কেনো বাড়ছে? খোরশেদ আলম খান : আপনি ঠিকই বলেছেন, ২০১৭ সালে ৪০ টাকার চাল আমরা খেয়েছি ৬৫ টাকায়। তখন বিভিন্ন মিডিয়াতে যখন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় চালের দামটা কিছুটা কমে স্থিতিশিল অবস্থায় থাকে। আপনারা জানেন যে-কিছুদিন আগেই আমন মৌসুম ছিলো। তাই এই মূহুর্তে সব কৃষকের কাছেই ধান আছে। কৃষক তার খোরাকের জন্য যা মজুদ রাখেন তা এখনও আছে। ঠিক এই সময় চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এর পেছনে আমরা যে যুক্তিটা খুঁজে পাই তা হচ্ছে- ডলারের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা ভারত থেকে চাল আমদানি করি। ইতিমধ্যে বেসরকারি পর্যায়ে প্রায় ২১ থেকে ২২ লক্ষ মেট্রিক টন চাল কিন্তু বাংলাদেশে এসেছে। পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে প্রায় ৬ থেকে ৭ লক্ষ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। তারপরেও দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পেছনে আমি মনে করি আমাদের একটা জিনিসের সমস্যা হচ্ছে। খাদ্যের একটা আইন ছিলো, সেটা মনে হচ্ছে যথাযথ ভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে না। আমার মত যারা মিল মালিক রয়েছেন তারাই কিন্তু ব্যবসাটা করি। আবার কিছু ব্যবসায়ি আছেন যারা আমাদের কাছ থেকে নিয়ে মজুদ করে আড়তে বিক্রি করেন। এখানে তাদের কাছে কিন্তু প্রচুর চাল রয়েছে। অনেক সময় ঢালাও ভাবে বলা হচ্ছে মিল মালিকেরা দাম বাড়াচ্ছে। আসলে তা ঠিক নয়, কিছু মিল মালিকের কাছে প্রচুর টাকা চলে গেছে। ব্যাংক থেকেও তারা টাকা নিচ্ছে। এভাবেই একটা সিন্ডিকেট তৈরি হয়ে গছে। এটা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নাই। আপনি একটা বিষয় দেখেন যে চালের দাম ১/১১ এর সময় অনেক বেড়ে গিয়েছিলো। শুধু চাল না সবপণ্যের দামই বৃদ্ধি পেয়েছিলো। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসেন তখন সেই চালের দাম ৪০ টাকায় চলে আসে। অর্থাৎ তার সঠিক নেতৃত্বে দামটা কমে এসেছিলো। আর একটা ছিলো তিনি যখন ক্ষমতায় আসেন তখন দেশে বাম্পার ফলন ফলে। এই যে দেখেন কৃষকের ফসলের জন্য দরকার সেচ, সেচের জন্য দরকার বিদ্যুত তা সে পর্যাপ্ত পাচ্ছে। তার দরকার কিটনাশক তা সে পাচ্ছে। তার দরকার সার তাও সে পর্যাপ্ত পাচ্ছে। অন্যান্য সরকার যখন ক্ষমতায় আসেন তখন কিন্তু এই সুযোগ কৃষকরা পায় না। ফলনও ভালো হয় না। ফলে সম্পূর্ণভাবে আমাদের আমদানির উপর নির্ভর করতে হয়। অথচ আপনারা দেখেছেন যে আমাদের দেশ থেকে আমরা চাল বিদেশে রপ্তানিও করেছি। কিন্তু আপনারা জানেন- হঠাৎ করে দেশে বন্যা হয়েগেলো। তখন পর্যাপ্ত বোর চাল কিন্তু আমরা পাইনি। এই সুযোগটা কাজে লাগিয়েছে সিন্ডিকেট। সরকারের কোষাগারেও তখন খাদ্যের সঙ্কট ছিলো। যেখানে ৬ লক্ষ মেট্রিক টন চাল কোষাগারে থাকতেই হবে সেখানে দেড় লক্ষতে নেমে আসলো। যারা মজুদদার, কালোবাজারি তারা এগুলো জানে। তারা সব সময়ই এই সুযোগগুলো কাজে লাগায়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সেই চালের বাজার আবারও স্থিমিত হয়ে আসে। একুশের বিজনেস : কিন্তু এখন হঠাৎ করে দাম বৃদ্ধির কারণটা কি? খোরশেদ আলম খান : এখন আমন মৌসুমে ধান এসেছে। কিন্তু আবারও দুই/তিন টাকা চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পেছনে কারণ হচ্ছে বাজারে ধান নাই। প্রশ্ন হচ্ছে ধানটা তাহলে কই গেলো। ১৫ দিন আগেও ধানটা গৃহস্থের কাছে ছিলো। তবে সেই ধান কোথায় গেলো? কিছু মিল মালিক ধানগুলো সংগ্রহ করে নিজেদের কাছে মজুদ করে রেখে দিয়েছে। এখন দাম বাড়ছে, তারা বাজারে চাল কম ছাড়ছে, যা ছাড়ছে তা বাড়িয়ে বাড়িয়ে ছাড়ছে। আমরা প্রতিযোগিতা হারিয়ে ফেলেছি। আগে ৮০০ এর মত মিল থেকে চাল বাজারে দেওয়া হতো। যখন ৮০০ মিল বাজারে চাল দিচ্ছে তখন মজুদ করার কোন সুযোগ থাকে না। তখন দাম স্বাভাবিক ছিলো। এখন অধিকাংশ রাইস মিলই বন্ধ হয়েগেছে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে হলে নিচের ভিডিওটি দেখুন : প্রতিবেদনটি অনলাইনের জন্য সাজিয়েছেন- সোহাগ আশরাফ এসএ/

মূলধন ঘাটতি পূরণে ২০ হাজার কোটি টাকা চায় ৭ ব্যাংক

সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীরা বলেছেন, কোনো ধরনের ফি বা চার্জ ছাড়া ব্যাংকগুলো অনেক সেবা দিয়ে আসছে। এসব কাজে অনেক জনবল নিয়োজিত থাকায় ব্যাংকের দৈনন্দিন অন্য সব কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে না। এতে করে ব্যাংকগুলো আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটাই মূলধন ঘাটতি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বলে জানান ব্যাংকাররা। এ ঘাটতি কমাতে সরকারি সেবার বিনিময়ে নূ্যনতম চার্জ আরোপের প্রস্তাব করেন তারা। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়। বৈঠকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন আর্থিক বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালীসহ বিশেষায়িত সাত ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জানা যায়, বৈঠকে কৃষি ব্যাংকের এমডি জানান, তারা তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের তুলনায় এক শতাংশ কম সুদে ঋণ দেন। ফলে লোকসান হচ্ছে। বাড়ছে মূলধন ঘাটতি। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মূলধন ঘাটতি পূরণে সাত ব্যাংকের জন্য মোট ২০ হাজার কোটি টাকা চেয়েছেন ব্যাংকাররা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ প্রস্তাব নাকচ করে দেন। কীভাবে ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থা উন্নীত করা যায়, সে বিষয়ে প্রতিটি ব্যাংককে আলাদা কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়। মূলধন ঘাটতি পূরণে চলতি অর্থবছরে দুই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ওই অর্থ দ্রুত ছাড়ের অনুরোধ করা হয়। জবাবে আর্থিক বিভাগ থেকে জানানো হয়, মে মাসে ওই অর্থ ছাড় করা হবে। সূত্র জানায়, এমডিরা বৈঠকে জানান, বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তাদের পেনশনের টাকা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বয়স্ক-ভাতা, বিধবা-ভাতা, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির বিল গ্রহণ, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মাসিক বেতনসহ কমপক্ষে ৪৪ ধরনের সরকারি সেবা রয়েছে। সরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসব সেবা কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে থাকলেও বিনিময়ে কোনো চার্জ নেওয়া হয় না। সরকার চাইলে এসব সেবার বিনিময়ে সামান্য পরিমাণ চার্জ ধার্য করতে পারে। এ পদক্ষেপ নিলে ব্যাংকগুলোর আয় বাড়বে। এতে করে প্রতিটি ব্যাংকের বিদ্যমান মূলধন ঘাটতি কমে আসবে। জানা যায়, এ প্রস্তাবের জবাবে আর্থিক বিভাগ থেকে বলা হয়, প্রস্তাবটি বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যালোচনা করে দেখতে পারে। কোন কোন খাতে সেবার বিনিময়ে নূন্যতম চার্জ নির্ধারণ করা যেতে পারে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্নিষ্টদের নিয়ে আলোচনা করবে। আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই প্রতিবেদনের সুপারিশের আলোকে নূন্যতম চার্জ আরোপের প্রস্তাবটি বিবেচনা করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানার চার বাণিজ্যিক ও দুই বিশেষায়িত ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৯০৯ কোটি টাকা। গত সেপ্টেম্বরে জনতা ব্যাংকের ঘাটতি দেখা দিয়েছে এক হাজার ২৭৩ কোটি টাকা। তিন মাস আগে ব্যাংকটিতে ১৭ কোটি টাকা উদ্বৃত্ত ছিল। বরাবরের মতো সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় থাকা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ঘাটতি সাত হাজার ৫৪০ কোটি টাকা। হলমার্কসহ বিভিন্ন ঋণ কেলেঙ্কারির কারণে আলোচিত সোনালী ব্যাংকের ঘাটতি রয়েছে তিন হাজার ১৪০ কোটি টাকা। গত দুই বছরে বেসিক ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকার মূলধন জোগান দেওয়ার পরও দুই হাজার ৫২৩ কোটি টাকা ঘাটতি রয়েছে। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ঘাটতি ৭৪৩ কোটি টাকা। আর রূপালী ব্যাংকের ৬৯০ কোটি টাকা। এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি