ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৭ ২১:১৩:১০

এম আনিস উদ দৌলা বিএসএ’র সভাপতি পুনঃ নির্বাচিত

এম আনিস উদ দৌলা বিএসএ’র সভাপতি পুনঃ নির্বাচিত

বাংলাদেশ সীড এসোসিয়েশনের (বিএসএ) ২০১৭-১৯ মেয়াদী কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে এম আনিস উদ দৌলা সভাপতি হিসাবে পুনঃ নির্বাচিত হয়েছেন। গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২০ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়। বিএসএ এর কার্যনির্বাহী পরিষদের পুনঃ নির্বাচিত সভাপতি এসিআই লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান। তিনি এর আগে গত ২০১৫-১৭ মেয়াদেও বিএসএ’র সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বিএসএ’র নির্বাচনে সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন সয়েল সিড বাংলাদেশ-এর নির্বাহী পরিচালক ফখরুল ইসলাম ও জৈষ্ঠ সহ-সভাপতি হয়েছেন নর্থ সাউথ সিড (লাল তীর সিড) এর পরিচালক তাবিদ এম আউয়াল। এম আনিস উদ দৌলা এর পূর্বে তিন মেয়াদে মেট্রোপলিটান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) এবং চার মেয়াদে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স এসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ (ক্রেব) এর ডিরেক্টর ও পাইওনিয়ার ইন্সিওরেন্স কোম্পানীর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ সীড এসোসিয়েশন দেশের বেসরকারী বীজ খাতের প্রতিনিধিত্বকারী একমাত্র সংগঠন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর  
ইসলামী ব্যাংক আইডিবি শাখার স্থান পরিবর্তন

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ-এর আইডিবি ভবন শাখার নাম ও স্থান পরিবর্তন করে আগারগাঁও শাখা হিসেবে বেগম রোকেয়া সরণি, ২৩ লায়ন্স ভবনে উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এটির উদ্বোধন করেন। ডাইরেক্টর ও সিইও মো. আব্দুল হামিদ মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ডাইরেক্টর হেলাল আহমদ চৌধুরী, মো. জয়নাল আবেদীন, এডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব-উল-আলম, লায়ন্স ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি লায়ন আশরাফুল হাবীব ফিরোজ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোহাম্মদ মনিরুল মওলা, আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মোশাররফ হোসেন, জাফর আলম। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান বলেন, বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে ইসলামী ব্যাংক। তিনি বলেন গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাস ব্যাংকের মর্যাদাকে উন্নত পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।     আর  

মেয়াদ শেষে  ‘অ্যাকর্ড’কে বিদায় নিতে হবে

বাংলাদেশের পোশাক খাতে সংস্কারবিষয়ক ইউরোপের ক্রেতাজোট ‘অ্যাকর্ড’কে মেয়াদ শেষে চলে যেতে হবে। আর তারা থাকতে চাইলে মেয়াদ বাড়ানোর ব্যাপারে নতুন করে আলোচনায় বসতে হবে। বিষয়টি অ্যাকর্ডকে জানিয়ে দিয়েছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন (বিজিএমইএ)। সোমবার অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ (অ্যাকর্ড) ও বিজিএমই’র মধ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১৫ সদস্যের পরিচালনা কমিটি অংশ নেয়। সভা শেষে বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান এই কথা জানান। তিনি বলেন, মেয়াদ শেষ হলে অ্যাকর্ডকে চলে যেতে হবে। যদি তারা থাকতে চায় তবে নতুন করে আলোচনা করতে হবে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশ মূল্যায়নে গত চার বছর ধরে পরিদর্শন কর্মসূচিতে নিয়োজিত আছে ইউরোপভিত্তিক ক্রেতা ও শ্রমিক সংগঠনের এই জোট । ২০১৮ সালের জুন মাসে জোটটির কর্মসূচির পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। সম্প্রতি এক বছর বাকি থাকতেই মেয়াদ আরো তিন বছর বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে জোটটি। তবে জোটটির এ সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন উচ্চ আদালত। তারপরও অতিরিক্ত সময় কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার বিষয়ে অস্পষ্টতা সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় সরকার এবং বিজিএমইএর সঙ্গে অ্যাকর্ডের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটির পৃথক বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেয়। সোমবারের বিজিএমইএর বৈঠক ছাড়াও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করবে তারা। আগামী বৃহস্পতিবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ডব্লিউএন

বিদেশে নেওয়া যাবে ১০ হাজার টাকা

বিদেশ ভ্রমণকারী যে কেউ এখন থেকে ১০ হাজার টাকা সঙ্গে নিতে পারবেন। একইভাবে বিদেশ হতে বাংলাদেশে আসার সময় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বহন করতে পারবেন। সোমবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিদেশ হতে বাংলাদেশে আগমনকালে এবং বাংলাদেশ হতে বহির্গমনকালে বহনযোগ্য বাংলাদেশি কারেন্সির পরিমাণ মাথাপিছু পাঁচ হাজার টাকা হতে  ১০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হলো। বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন করা সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে প্রজ্ঞাপনটি পাঠানো হয়েছে। অবশ্য বাংলাদেশি মুদ্রার বাইরে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক ভ্রমণ, চিকিৎসা, শিক্ষাগ্রহণসহ সব ধরনের বিদেশ ভ্রমণে একবারে সর্বোচ্চ নগদ পাঁচ হাজার ইউএস ডলার নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, একজন ব্যক্তি বিদেশ ভ্রমণের উদ্দেশে বছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ইউএস ডলার পর্যন্ত ব্যাংক থেকে তুলতে (এনডোর্স) পারবেন। এরমধ্যে সার্কভুক্ত দেশগুলোতে পাঁচ হাজার ডলার এবং সার্কের বাইরের দেশগুলোতে ভ্রমণের জন্য সাত হাজার ডলার পর্যন্ত তুলতে পারবেন। ডব্লিউএন

সহজ আমদানি নীতিমালা চেয়ে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ে এফবিসিসিআইয়ের চিঠি

নতুন আমদানি নীতিমালা আরও সহজ করার দাবি জানিয়েছে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি(এফবিসিসিআই)। এ জন্য নতুন আমদানি নীতিতে ব্যবসায়ীদের বেশ কিছু সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সংগঠনটি। এফবিসিসিআই জানায়, সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ে আমদানি নীতি-সংক্রান্ত এক সভায় এ সব প্রস্তাব তুলে ধরে বাণিজ্য সংগঠনগুলো। এ সব দাবির প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। জানা গেছে, আমদানি মূল্যসীমার পুনর্বিন্যাস চান ব্যবসায়ীরা। এ জন্য মূল্যসীমা পুনর্বিন্যাস করে আমদানি নিবন্ধন সনদ ও বার্ষিক নবায়ন ফি কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাণিজ্য সংগঠনগুলো। একই সঙ্গে আমাদানি ও রফতানি সনদ নবায়নের ক্ষেত্রে সারচার্জ কমানো উচিত বলে মনে করছে সংগঠনগুলো। প্রস্তাবে বলা হয়, পণ্যমূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমদানি মূল্যসীমার ৬টি স্তর পুনর্বিন্যাস করা প্রয়োজন। প্রথম ধাপে বার্ষিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আমদানির ক্ষেত্রে সনদ নিবন্ধন ফি ৫ হাজার টাকা ও নবায়ন ফি ৩ হাজার টাকা বিদ্যমান আছে। এই মূল্যসীমা বাড়িয়ে ৮ লাখ টাকায় নিবন্ধন ফি ২ হাজার ও নবায়ন ফি ১ হাজার টাকা করা উচিত। দ্বিতীয় ধাপে আমদানি মূল্যসীমা ২৫ লাখ টাকায় নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা ও নবায়ন ফি ৬ হাজার টাকা রয়েছে। এ মূল্যসীমা কমিয়ে ২০ লাখ টাকায় নিবন্ধন ফি ৫ হাজার টাকা ও নবায়ন ফি ২ হাজার টাকা করা প্রয়োজন। এ ছাড়া ৫০ লাখ, ১ কোটি, ৫ কোটি ও ৫ কোটির ঊর্ধ্বে নিবন্ধন ফি ৮ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৬ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা কামানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইনডেন্টর ও রফতানিকারকদের নিবন্ধন এবং নবায়ন প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। আরকে//এআর

আইএফআরএস কুইজ এন্ড এলোকোশন অনুষ্ঠিত

“আইএফআরএস কুইজ এন্ড এলোকোশন ২০১৭” প্রতিযোগিতার ফারহান আজিজ চৌধুরী চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। প্রথম রানার আপ হয়েছেন বিকাশ চন্দ্র পাল এবং মারিন সানজিদা হয়েছেন দ্বিতীয় রানার-আপ। গত ১৩ অক্টোবর ঢাকা রিজিওনাল কমিটি-আইসিএবি আইসিএবি’র নিজস্ব মিলনায়তনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। কুইজ অংশে মো. বদরুল ইসলাম বিজয়ী এবং নূর মোহাম্মদ প্রথম রানার আপ এবং ফারহান আজিজ চৌধুরী দ্বিতীয় রানার আপ হয়। আইসিএবি প্রেসিডেন্ট আদিব হোসেন খান এফসিএ বিজয়ীয়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন আইসিএবি’র ভাইস প্রেসিডেন্টস মোদাচ্ছের আহমেদ সিদ্দিকী এফসিএ, মোস্তফা কামাল এফসিএ এবং মো. মাহমুদ হোসেন এফসিএ, কাউন্সিল মেম্বারস দেওয়ান নূরুল ইসলাম এফসিএ এবং গোপাল চন্দ্র ঘোষ এফসিএ, আইসিএবি’র সচিব অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মুহাম্মদ ইমরুল কায়েস প্রমুখ। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ডিআরসির চেয়ারম্যান মুহাম্মাদ আমিনুল হক এফসিএ।   বিজ্ঞপ্তি/টিকে

ছয়টি ক্রেন কিনতে চীনা কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি

জাহাজ থেকে কন্টেইনার দ্রুত উঠানো-নামানোর জন্য ৩৪৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে চীন থেকে ছয়টি রেল মাউন্টেড কি-গেন্ট্রি ক্রেন কিনবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)। রোববার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সংক্রান্ত এক চুক্তিপত্র সই হয়। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম খালেদ ইকবাল এবং চায়না কোম্পানি সাংহাই জেনহুয়া হেভি ইন্ডাষ্ট্রিজ কোম্পানি লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ জেনারেল ম্যানেজার চ্যান এ চুক্তিপত্রে সই করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুস সামাদ উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, গেন্ট্রি ক্রেনগুলো চুক্তিপত্র সইয়ের দেড় বছরের মধ্যে পাওয়া যাবে। প্রতিটি ক্রেনের ধারণ ক্ষমতা ৪০ টন। একটি ক্রেনের ঘণ্টায় ২৫ থেকে ৩২ টুয়েন্টি ইক্যুইভেলেন্ট ইউনিটস (টিইইউস) কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করার ক্ষমতা রয়েছে। ছয়টি কি-গেন্ট্রি ক্রেন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) সংস্থাপন করা হবে। এতে করে এক সঙ্গে তিনটি গিয়ারলেস জাহাজ হতে এনসিটিতে কন্টেইনার উঠানো-নামানো যাবে। এতে জাহাজের প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি পাবে এবং জাহাজের গড় অবস্থানকাল কমে আসবে। ফলশ্রুতিতে এনসিটি তথা চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং আরও বাড়বে। মন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত। দেশের মোট আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯২ শতাংশ এ বন্দরের মাধ্যমে হ্যান্ডলিং করা হয়ে থাকে। ফলে দেশের অর্থনীতিতে এই বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন, সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন, অপারেশন, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা অর্থাৎ এর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শাজাহান খান বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিগত ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে চবক’র কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের জন্য ১৩৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৭১টি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে মোট ২৫১টি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে এনসিটির জন্য ১৮টি, পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনালের জন্য ২৯টি এবং জেনারেল কার্গো বার্থ ও অন্যান্য ইয়ার্ডের জন্য ২২৯টি। মন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের মধ্যে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল, ২০২০ সালের মধ্যে লালদিয়া টার্মিনাল এবং ২০২১ সালের মধ্যে ‘বে টার্মিনাল’ এর প্রথম ধাপ নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে এ ধরনের চারটি ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করা হয়েছিল। বাংলাদেশের আর কোনো বন্দরে এ ধরনের ইকুইপমেন্ট নেই। আরকে/ডব্লিউএন

২০১৮ সালে বাংলাদেশে বাজার সম্প্রসারণ করবে এসার

তাইওয়ান ভিত্তিক কম্পিউটার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এসার বাংলাদেশে বাজার সম্প্রসারণে স্থানীয় অংশীদারিত্ব বাড়ানোর নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এসারের ভারতীয় অঞ্চলের প্রধান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হরিশ কোহলি তার প্রথম বাংলাদেশ সফরে এসে গত সোমবার ঢাকায় এক ব্যবসায়িক অংশীদার সম্মেলনে এসারের আগামী দিনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। কোহলি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় দশ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করে যাচ্ছে এসার। এবারই আমরা বাংলাদেশের স্থানীয় বাজার উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ব্যবসায় উন্নয়ন নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় ঢাকায় এসেছি। এসার বিশ্বাস করে বাংলাদেশের বাজার নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের জন্য প্রস্তুত এবং এসারের নিত্য নতুন পণ্যগুলো সর্বশেষ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিতে পরিপূর্ণ। বাংলাদেশকে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম বাজার হিসেবে প্রাধান্য দিচ্ছি। এখানে তথ্য প্রযুক্তি শিল্প খুবই গতিশীল। বাংলাদেশের সাথে আমাদের পণ্যগুলো খুবই মানানসই। এসারের নতুন পণ্যের বিষয়ে হারিশ কোহলি বলেন, আমরা বিশ্বের সর্বশেষ উদ্ভাবন নিয়ে আরো নতুন পণ্যের পরিচয় করিয়ে দিতে আশাবাদী। এস্পায়ার, সুইফট, স্পিন এবং সুইস সিরিজের ল্যাপটপগুলোতে অনন্য কিছু উদ্ভাবন আছে যা ব্যবহারকারীকে অনেক ভালো অভিজ্ঞতা দিবে। গেমিং, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, আইওটি এবং ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সমন্বয়ে এইসব ল্যাপটপগুলোকে বাংলাদেশ বাজারে নেতৃত্ব দিতে সহায়তা করবে। হারিশ কোহলি আরো বলেন, আমরা বাংলাদেশে বাজার সম্প্রসারণে নতুন বিনিয়োগ ও অংশীদার সম্পর্ক উন্নয়নে পরিকল্পনা নিয়েছি। ব্রান্ডের পরিচয় তৈরিতে আমাদের প্রতিশ্রুতিপূর্ণ কার্যক্রম এবং অসাধারণ প্রযুক্তি পরিচয়ই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর সফলতা এনে দিবে। এসারের ভারতীয় ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলের সফর উপলক্ষ্যে ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটলে ব্যবসায়িক সম্মেলনের আয়োজন করে এসার বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এসার ভারতের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা চন্দ্রাহাস পানিগারহি, ভোক্তা ব্যবসায় বিভাগের সহযোগী পরিচালক চন্দনা গুপ্ত, এসারের বাংলাদেশে বিক্রয় পরামর্শক এসএম সাকিব হাসান। বাংলাদেশে এসারের ব্যবসায় কার্যক্রমের প্রধান পরামর্শক এসএম সাকিব হাসান বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নপুরণে এসার এগিয়ে আসছে। বাংলাদেশের দ্রুততম বর্ধমান আইটি বাজারে নতুন প্রতিভা তৈরিতে অবদান রাখছে এসার বাংলাদেশ। উল্লেখ্য, তাইওয়ানভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এসার ১৯৭৬ সাল থেকে প্রযুক্তিপণ্য নিয়ে কাজ করছে। এসার প্রতিনিয়ত হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও সার্ভিস খাতে মানুষের জীবনযাত্রার মানউন্নয়নে কাজ করছে। ডব্লিউএন

আয়কর পেশাজীবী নিবন্ধনের ফল প্রকাশ : উত্তীর্ণ ৮১৪৯

আয়কর পেশাজীবী (আইটিপি) নিবন্ধন-২০১৭ এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় ১৬ হাজার ১০৩ জনের মধ্যে ৮ হাজার ১৪৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ বৃহস্পতিবার এ ফলাফল প্রকাশ করেছে। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ৫টি কলেজে একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। এনবিআর সূত্র জানায়, আইটিপি হিসেবে নিবন্ধন দেয়ার জন্য এনবিআর গত ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। গত ৩১ মার্চ আবেদনের সময় সীমা শেষ হয়। আয়কর আইনজীবী হতে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। এ সময়ের মধ্যে গত ২২ হাজার ৩৮৬টি আবেদনপত্র জমা পড়ে। প্রাথমিক বাছাই শেষে কাগজপত্রে ত্রুটি থাকা ও আবেদনের শর্ত পূরণ না হওয়ায় ৩৯৭ জনের আবেদনপত্র বাতিল করা হয়। লিখিত পরীক্ষায় ১৬ হাজার ১০৩ জন অংশ নেয়। ফলাফল এনবিআরের ওয়েবসাইট বা এ লিঙ্কে পাওয়া যাবে- http://nbr.gov.bd/uploads/public-notice/ITP_pub_result.pdf আরকে/ডব্লিউএন

জিসিএফ’র তালিকাভুক্ত হলো বাংলাদেশের পিকেএসএফ

গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ডের (জিসিএফ) স্বীকৃত সংস্থা হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউণ্ডেশন (পিকেএসএফ)। গত ২ অক্টোবর জিসিএফের ১৮তম বোর্ড সভায় পিকেএসএফকে এ তালিকায় নেওয়া হয়। উন্নত ও উন্নয়নশীল ২৪টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত জিসিএফ বোর্ডের এ সভা মিশরের কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয়। গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (ইউএনএফসিসিসি)-এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত তহবিল। যার উদ্দেশ্য জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রচেষ্টায় অর্থায়ন করা। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলার জন্য গৃহীত প্রকল্প, কার্যক্রম ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য এই সকল স্বীকৃত সংস্থার মাধ্যমে জিসিএফ তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। জিসিএফ-এর স্বীকৃত সংস্থা হিসেবে পিকেএসএফ-এর অন্তর্ভুক্তির ফলে বাংলাদেশের পক্ষে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলার জন্য সরাসরি তহবিল প্রাপ্তি সম্ভব হবে। বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ পিকেএসএফ-এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলার জন্য প্রকল্প গ্রহণ ও এ সংক্রান্ত অর্থায়নের সুবিধা পাবে। এসকল প্রকল্প ও কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনা করবে পিকেএসএফ। এই স্বীকৃতির ফলে জলবায়ু সংক্রান্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ আরো দ্রুততর হবে। এছাড়া পিকেএসএফ নিজেও এ তহবিলের জন্য সরাসরি আবেদন করতে পারবে। পিকেএসএফ-এর এই স্বীকৃতি লাভের ফলে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন জলবায়ু বিষয়ক নীতিমালা, কৌশলপত্র প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এ পর্যন্ত বিশ্ব ব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, ইউএনডিপি ও আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ)-সহ মোট ৫৯টি আন্তর্জাতিক সংস্থা জিসিএফ-এর স্বীকৃতি লাভ করেছে। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলিয়েন্স ফান্ড (বিসিসিআরএফ)’ এর আওতায় পিকেএসএফ ইতোমধ্যে ‘কমিউনিট ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রজেক্ট (সিসিসিপি)’ বাস্তবায়ন করেছে। এ প্রকল্পের আওতায় পিকেএসএফ এর সহযোগী সংস্থাসমূহের মাধ্যমে কমিউনিটি পর্যায়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে জলবায়ু সংশ্লিষ্ট অভিযোজন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে। বর্তমানে পিকেএসএফ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলা করার জন্য “পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ইউনিট” গঠন করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় পিকেএসএফ-এর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আরকে/ডব্লিউএন

আবাসন খাতে ঋণের সুদহার সাড়ে ৭ শতাংশ চায় রিহ্যাব

জমি ও ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন খরচের উপর ঋণসুবিধা চায় আবাসন ব্যবসায়ী সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। পাশাপাশি আবাসন খাতে ঋণের সুদহার সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি করে রিহ্যাব। বুধবার রাজধানীর পল্টনে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স কর্পোরেশনের (বিএইচবিএফসি) কনফারেন্স কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি করেন সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএইচবিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ, রিহ্যাবের সহ-সভাপতি (প্রথম) লিয়াকত আলী ভূইয়া, পরিচালক কামাল মাহমুদ, শাকিল কামাল চৌধুরী প্রমুখ। নুরুন্নবী চৌধুরী বলেন, বর্তমানে ফ্লাট ক্রয়ের রেজিস্ট্রেশন ফি ১৪ শতাংশ। অর্থাৎ এক কোটি টাকার ফ্ল্যাট কিনলে ক্রেতাকে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ১৪ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হয়। ফি বেশি হওয়ায় অনেক গ্রাহক কিস্তিতে ফ্লাটের টাকা পরিশোধ করে বসবাসও করছে। কিন্তু খরচ বেশি হওয়ায় তারা রেজিস্ট্রেশন করছে না। তাই রেজিস্ট্রেশন ফির ওপর ঋণ সহায়তা দিলে একদিকে যেমন রেজিস্ট্রেশনের হার বাড়বে অপরদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে। তিনি বলেন, বিশ্বে বিভিন্ন দেশে আবাসনের ওপর সর্বোচ্চ সুদহার ৫ শতাংশ। কিন্তু আমাদের দেশে তা প্রায় দ্বিগুণ, অনেক ক্ষেত্রে তার চেয়েও বেশি। তাই এ খাতে ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ সুদহার সাড়ে ৭ শতাংশে কমানো প্রয়োজন। এতে সাধারণ মানুষের আবাসন হবে, ক্ষতির মুখ থেকেও ফিরে আসবে ব্যবসায়িরা। বিএইচবিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ চক্রবর্তী জানান, দেশে প্রথমবারের মতো গৃহায়ণ অর্থায়ন মেলা-২০১৭ আয়োজন করবে বিএইচবিএফসি। মেলায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কোম্পানিগুলো অংশগ্রহণ করবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে তিন দিনব্যাপী আবাসন মেলা ১৯ অক্টোবর শুরু হবে। চলবে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত। মেলায় সার্বিক সহযোগিতা করবে রিহ্যাব। গৃহায়ণ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে এক ছাদের নিচে এনে আবাসন খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ সৃষ্টি করায় গৃহায়ণ অর্থায়ন মেলার মূল উদ্দেশ্য। এখানে একজন গ্রাহক তার পছন্দের ফ্ল্যাট কিনতে পারবেন। একই সঙ্গে আবাসন খাতের বিভিন্ন ঋণসুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন। দেবাশীষ চক্রবর্তী বলেন, মেলা উপলক্ষে বিএইচবিএফসি ৫টি সুবিধা নতুন আঙ্গিকে চালু করছে। এর মধ্যে রয়েছে নগরবন্ধু, প্রবাসবন্ধু, পল্লীমা, আবাসন মেরামত ঋণ ও আবাসন উন্নয়ন ঋণ। সহজ শর্তে সিঙ্গেল ডিজিতে ঋণ প্রদান করা হবে। মেলা চলাকালীন সময়ে সারাদেশে বিএইচবিএফসি সব অফিসে ঋণ আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদন ও পরিদর্শন ফি ৫০ শতাংশ ছাড় দেয়া হবে।   আর

ভারত থেকে ৫০ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনবে বাংলাদেশ

ভারত থেকে সাড়ে ৫০ লাখ টন জ্বালানি তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। ১৫ বছর মেয়াদে এ তেল কিনবে সরকার। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ আনুমোদন দেয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিদেশে থাকায় তার অনুপস্থিতিতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ দশমিক ৯২ ডলার। এ হিসাবে মোট ব্যয় হবে এক হাজার ৮০৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। বৈঠক শেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ইন্দো-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেডের শিলিগুড়িতে অবস্থিত মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুরে জ্বালানি তেল সরবরাহের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। ১৫ বছর মেয়াদে সাড়ে ৫০ লাখ টন জ্বালনি তেল আমদানির প্রিমিয়াম নির্ধারণের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ দশমিক ৯২ ডলার। এ হিসেবে মোট ব্যয় হবে এক হাজার ৮০৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ভারতের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন স্থাপন হচ্ছে। ২০১৫ সালে এ নিয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এবং নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি হয়। এছাড়া ‘রূপকল্প- ২০২১’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১৩ এর আওতায় আরও ছয়টি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ৪৮৬ কোটি টাকা। আরকে/ডব্লিউএন

আড়াই লাখ টন চাল কিনবে বাংলাদেশ

ভারত এবং থাইল্যান্ড থেকে প্রায় আড়াই লাখ টন চাল কিনবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ খাদ্য অধিদপ্তরের ডিরেক্টর জেনারেল বদরুল হাসান রয়টার্সকে বলেন, আমরা থাইল্যান্ড থেকে দেড় লাখ টন এবং ভারত থেকে ১ লাখ টন সিদ্ধ চাল কিনব। বিশ্বে চাল উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। প্রতি বছর দেশেই প্রায় ৩৪ লাখ টন চাল উৎপন্ন হয়। যার প্রায় পুরোটাই দেশের জনগণের জন্য ব্যয় হয়। বন্যা, খরার মতো দুর্যোগের কারণে দেশটিকে প্রায়ই বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানি করতে হয়। এবারও সেই বন্যায় চালসহ বিভিন্ন খাদ্যশস্য নষ্ট হওয়ায় এবং জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভিয়েতনাম, ভারত, থাইল্যান্ড থেকে চাল কিনতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। থাইল্যান্ড থেকে কেনা চালের দাম টন প্রতি ৪৬৫ ডলার এবং ভারত থেকে কেনা চাল টন প্রতি ৪৫৫ ডলার। বদরুল হাসান বলেন, আমাদের লক্ষ্য পূরণে আমরা ইতোমধ্যেই সব চুক্তি চূড়ান্ত করেছি। মিয়ানমার থেকেও ১ লাখ টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা সংকটকে কেন্দ্র করে ঢাকা এবং নেইপিদো’র মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েনে সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত রয়েছে। থাইল্যান্ড এবং ভারতের সঙ্গে দ্বিতীয়বার আলোচনার পরই চাল কেনার চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। তবে ভিয়েতনামের কাছ থেকে কম খরচে চুক্তি হওয়ায় কম্বোডিয়া থেকে আড়াই লাখ টন সাদা চাল কেনার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে বাংলাদেশ। কম্বোডিয়ার চাল টন প্রতি ৪৫৩ ডলার ধার্য্য করা হয়েছিল। ১৬ কোটি মানুষের এই দেশে প্রধান খাদ্য হচ্ছে ভাত। তাই চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আরকে/ডব্লিউএন

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি