ঢাকা, বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮ ১৪:৫০:২৭

অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে বৈদেশিক মুদ্রা বাজার

অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে বৈদেশিক মুদ্রা বাজার

আবারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে বৈদেশিক মুদ্রা বাজার। দেশের ব্যাংকগুলোতে নগদ মার্কিন ডলারের মূল্য ৮৬ টাকায় উঠেছে। আমদানি পর্যায়ের ডলারের দর উঠেছে ৮৩ টাকা ৫০ পয়সা। ডলারের দামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ব্রিটিশ পাউন্ডের দামও। মঙ্গলবার পাউন্ডের দর বেড়ে হয়েছে সর্বোচ্চ ১২১ টাকা।
নবীন ব্যাংকারদের ২০ ভাগই এখন নারী  

দেশের ব্যাংক ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে কমছে নারী-পুরুষের ব্যবধান। ব্যাংকগুলোতে চাকরির পাশাপাশি পরিচালনা পর্ষদেও বাড়ছে নারীর অংশগ্রহণ। বর্ধমান এ পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোতে এখন নবীন কর্মকর্তাদের ২০ শতাংশের বেশি নারী। কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পরিচালনা পর্ষদেও আছে প্রায় ১৪ শতাংশ নারী। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিসেম্বরভিত্তিক লিঙ্গসমতা বিষয়ক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।   কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে ৩০ বছরের কম বয়সী যেসব কর্মী রয়েছেন, তাদের মধ্যে ২০ দশমিক ৪৪ শতাংশ নারী। ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সী কর্মীদের মধ্যে নারীর হার ১৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আর ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে এ হার ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ। মোট কর্মরতদের মধ্যে সূচনা পর্যায়ে নারী কর্মী রয়েছেন ১৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। মধ্যবর্তী পর্যায়ে আছেন ১৪ দশমিক ৪২ শতাংশ। আর উচ্চ পর্যায়ে রয়েছেন ৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ব্যাংকের মতো ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট পরিচালকের মধ্যে ১৭ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ এখন নারী। আর ৩০ বছরের কম বয়সী কর্মকর্তাদের মধ্যে নারী আছেন ২৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ। ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের মধ্যে ১৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ নারী। আর ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে নারী রয়েছেন ৬ দশমিক ১৬ শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠানের সূচনা পর্যায়ে নারী কর্মীর সংখ্যা ১৮ দশমিক ১৯ শতাংশ। মধ্যবর্তী পর্যায়ে রয়েছে ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ। আর উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে ব্যাংক খাতের মোট পরিচালকদের ১৩ দশমিক ৭০ শতাংশ নারী। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নারী পরিচালক রয়েছেন রাষ্ট্রীয় মালিকানার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে। এসব ব্যাংকের পরিচালকদের ২০ শতাংশ নারী। তবে সরকারি বিশেষায়িত দুই ব্যাংকে কোনো নারী পরিচালক নেই। বিদেশি ব্যাংকে এ হার ১৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। বেসরকারি ব্যাংকে ১২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এবিষয়ে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকারী আলাউদ্দিন এ মজিদ বলেন, চাকরিক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় নারী কর্মীদের আকাঙ্ক্ষা ভিন্ন থাকে। বেশিরভাগ নারী সংসার ও অফিস দুটিই সামলানোর চেষ্টা করেন। তারা শুধু ক্যারিয়ারের দিকে খেয়াল না করে চাকরিতে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি বেশি অগ্রাধিকার দেন। যে কারণে সামগ্রিকভাবে চাকরি বদলের সংখ্যা তাদের কম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পাশাপাশি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) ‘র ২০১৪ সাল শেষে দেওয়া জরিপে দেখা গেছে, ২০১০ সালের পর থেকে ব্যাংকে নারীর অংশ বাড়ছে। ২০১৪ সাল শেষে ব্যাংক খাতে জনবল ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৫০ জন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৫১ হাজার ২৯৬ জন অর্থাৎ ৮৮ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ পুরুষ। নারী ব্যাংকের সংখ্যা ২০ হাজার ৫৫৪ জন, যা মোট জনবলের ১১ দশমিক ৯৬ শতাংশ। ২০১০ সালে ব্যাংক খাতে মোট জনবল ছিল ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৭৯ জন। তার মধ্যে নারী কর্মী ছিল ১০ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ২০১০ সালের পর থেকে ব্যাংকে নারী ব্যাংকারের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ২০১১ সালে ব্যাংক খাতে ১ লাখ ৪৩ হাজার ২১০ জন জনবলের মধ্যে নারী ছিল ১১ দশমিক ১৫ শতাংশ। ওই জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংক খাতে প্রতি বছর ৫ শতাংশ হারে জনবল বাড়ছে। নারী বাড়ার হার এর চেয়ে বেশি। তবে ব্যাংক খাত এখনো পুরুষ নিয়ন্ত্রিত খাত। বর্তমানে দেশে ৫৬টি তফসিলি ব্যাংক কাজ করছে। আরকে//এসি    

জুলাই থেকে ৫ শতাংশ সুদে গৃহঋণ  

মাত্র ৫ শতাংশ সরল সুদে ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে নতুন এই ঋণ সুবিধা কার্যকর হবে। উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদা বা জাতীয় বেতন স্কেলের পঞ্চম থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তারা ২০ বছর মেয়াদি এই ঋণ নিয়ে বাড়ি নির্মাণ কিংবা ফ্ল্যাট কিনতে পারবেন। এসব বিধান রেখে ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০১৮’র খসড়া তৈরি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ মঙ্গলবার এক আন্ত-মন্ত্রণালয় সভায় খসড়াটি চূড়ান্ত করা হতে পারে বলে জানা গেছে। জানা গেছে, নতুন এ ঋণ সুবিধায় সর্বনিম্ন ১৮ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন। চাকরি স্থায়ী হওয়ার পাঁচ বছর পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা এই ঋণ নিতে পারবেন। সর্বোচ্চ ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত এই ঋণ নেওয়া যাবে। ১০ শতাংশ সরল সুদে রাষ্ট্রায়ত্ত যেকোনো ব্যাংক ও বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন থেকে এই ঋণ নেওয়া যাবে। এই ১০ শতাংশ সুদের মধ্যে ৫ শতাংশ সুদ পরিশোধ করবে সরকার। বাকি ৫ শতাংশ সুদ পরিশোধ করবেন ঋণগ্রহীতা চাকরিজীবী। সরকারি কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণে ঋণের মাধ্যমে অর্থের জোগান দিতে এই নীতিমালা করা হলেও সরকারের আওতাধীন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও কার্যালয়গুলোতে স্থায়ী পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত বেসামরিক কর্মচারীরাও এ সুবিধা পাবেন। সামরিক, রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি, পৃথক বা বিশেষ আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত কর্মচারীরা এ নীতিমালার আওতাভুক্ত হবেন না। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যাংক থেকে এ ধরনের গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পেয়ে থাকেন। এ হিসাবে সরকারের প্রায় ১২ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পাবেন। তাঁরা এককভাবে এই ঋণ নিতে পারবেন। আবাসিক বাড়ি করার জন্য গ্রুপভিত্তিক ঋণও নেওয়া যাবে। ফ্ল্যাট কেনার জন্যও এই ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে ফ্ল্যাট হতে হবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত অর্থাৎ রেডি ফ্ল্যাট। অবশ্য সরকারি সংস্থার নির্মাণ করা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ রেডি ফ্ল্যাটের শর্ত শিথিল করা যাবে। নীতিমালার চূড়ান্ত খসড়া অনুযায়ী জাতীয় বেতন স্কেলের পঞ্চম গ্রেড থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তা, যাঁদের বেতন স্কেল ৪৩ হাজার বা এর বেশি তাঁরা প্রত্যেকে ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন ৭৫ লাখ টাকা। জেলা সদরে এর পরিমাণ হবে ৬০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ লাখ টাকা। বেতন স্কেলের নবম গ্রেড থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত বা যাঁদের মূল বেতন ২২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, তাঁরা ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদর এলাকার জন্য ৬৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৫৫ লাখ ও অন্যান্য এলাকার জন্য ৪৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। ১১ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা মূল বেতন বা দশম থেকে ১৩তম গ্রেডের চাকরিজীবীরা ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৫৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৩০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। ১৪তম থেকে ১৭তম গ্রেড বা ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলে ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৩০ লাখ টাকা ও অন্যান্য এলাকার জন্য ২৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। আর ১৮তম থেকে ২০তম গ্রেড বা আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে আট হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতন পান, এমন কর্মচারীরা ঢাকাসহ সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন ৩৫ লাখ টাকা। জেলা সদরে এটি হবে ২৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য পাবেন ২০ লাখ টাকা। ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা হিসেবে নীতিমালার ৩ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীকে সরকারি প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব খাতভুক্ত স্থায়ী পদে কর্মরত হতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম কর্মকাল পাঁচ বছর হতে হবে। সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৫৮ বছর। তবে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু বা দুর্নীতি মামলার ক্ষেত্রে চার্জশিট দাখিল হলে মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি ঋণ পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। সরকারি চাকরিতে চুক্তিভিত্তিক, খণ্ডকালীন ও অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত কেউ এই ঋণ সুবিধা পাবেন না। আরকে/এসি    

বাংলালিংকের সাথে বিশেষ অফারে ফোর-জি সেট আনল সিম্ফনি 

বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকের সাথে বিশেষ অফারে ফোর-জি হ্যান্ডসেট এনেছে দেশীয় মুঠোফোন ব্র্যান্ড সিম্ফনি। ‘সিম্ফনি রোর ভি১৫০’ মডেলের এই মুঠোফোনটি চলতি সপ্তাহে গ্রাহকদের জন্য উন্মোচন করে প্রতিষ্ঠানটি। সিম্ফনি রোর ভি১৫০-এ আছে ৫.৩৪’’ ফুল ভিশন ডিসপ্লের পর্দা। সামনে ও পিছনের ক্যামেরায় ৫ মেগাপিক্সেল করে ক্যামেরা আছে মুঠোফোনটিতে। এছাড়াও আছে ১ জিবি র‍্যাম এবং ৮ জিবি রম। আর দীর্ঘক্ষণ মুঠোফোনটিকে সচল রাখতে এতে আছে ২৫০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি।   বাংলালিংকের চিফ সেলস অফিসার রিতেশ কুমার সিং বলেন, “দেশের অন্যতম ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা গ্রাহকদের সেরা ডিজিটাল অভিজ্ঞতা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাশ্রয়ী মূল্যের এই স্মার্টফোন এবং বান্ডেল অফার ক্রেতাদের ডিজিটাল জীবনযাপনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। আমরা আশা করি এই দারুন অফার গ্রাহকদের ডিজিটাল জীবনযাপন উপভোগে বিশেষ সহায়ক হবে।” এডিসন গ্রুপের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, মোঃ শিহাব উদ্দিন বলেন, “বাংলালিংকের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এই বান্ডেল অফারটি আনতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। বাংলাদেশের হ্যান্ডসেট ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে সিম্ফনি বিভিন্ন শ্রেণীর গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। “সিম্ফনি রোর ভি১৫০” ফুল ভিশন বিগ ডিসপ্লেসহ আকর্ষণীয় ফিচারযুক্ত একটি সাশ্রয়ী মূল্যের হ্যান্ডসেট। এর সাথে ফ্রি ৯ জিবি ইন্টারনেট ডেটা, ৩০০ মিনিট টক টাইম এবং ৪৫ জিবি পর্যন্ত ডেটা বোনাস এই অফারটিকে ক্রেতাদের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলবে।” মুঠোফোনটির সাথে ৯ জিবি ইন্টারনেট ডাটা এবং ৩০০ মিনিট টকটাইম বিনামূল্যে দেবে বাংলালিংক। এছাড়াও নির্দিষ্ট প্যাকেজের সাথে ৪৫ জিবি পর্যন্ত বোনাস ডাটা পাবে গ্রাহকেরা। তিন মাসে ধাপে ধাপে এই ডাটা ও টকটাইম ব্যবহার করতে পারবে গ্রাহকেরা।   মুঠোফোনটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় হাজার ৫৯০টাকা।   এসি  

টানা তিনদিনের দরপতনে শেয়ারবাজার

দেশের শেয়ারবাজারে চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস থেকেই চলছে টানা দরপতন। আগের দুই কার্যদিবসের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারও প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। তবে টানা তিন কার্যদিবসের এ দরপতনকে স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা  এই দরপতনে বিনিয়োগকারীদের ভয় না পাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। এই দরপতনের বিষয়ে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি ও লংকাবাংলা ক্যাপিটাল মার্কেট অপারেশন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এটা স্বাভাবিক দরপতন। এখানে আমরা অস্বাভাবিক কিছু দেখছি না। বাজার উঠবে, পড়বে এটাই নিয়ম। ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) সভাপতি ও ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাক আহমেদ সাদেক বলেন, এখন বাজারে যে টানা দরপতন দেখা দিয়েছে তার পেছনে কয়েকটি কারণ আছে। একটি কারণ হলো-বিনিয়োগকারীরা প্রফিট টেকিং করছে। আর একটি কারণ হলো সামনে টানা ছুটি আছে। এ জন্যও কেউ কেউ শেয়ার বিক্রি করছেন। তবে বিনিয়োগকারীদের এই দরপতনে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এটি স্বাভাবিক দরপতন। ডিএসইর সাবেক সভাপতি আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, দরপতনের সঙ্গে ব্যাংকের সুদহার না কমা এবং ব্যাংক খাতের ওপর আস্থাহীনতাও রয়েছে। বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মঙ্গলবার মূল্যসূচকের পাশাপাশি লেনদেন হওয়া সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৮৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২০৯টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টির। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২৮ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৭৭৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুটি মূল্যসূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ১৫ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৬৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৩৯ পয়েন্টে। সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমলেও এদিন ডিএসইতে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৪৯৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৪৮৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে আগের দিনের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এদিন টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয় গ্রামীণ ফোনের শেয়ার। কোম্পানিটির ২৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনের ২৬ কোটি ৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ২৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো। লেনদেনে এরপর রয়েছে- ব্র্যাক ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, কেয়া কসমেটিক, স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্ট, মুন্নু সিরামিক এবং কুইন সাউথ টেক্সটাইল। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ৮ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৭৬৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩২ কোটি ২ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২৩৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৮টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১১৮টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টির। আরকে//এসি  

২ লাখ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিএফপি-বি গ্র্যান্ট চুক্তি   

আগামী পাঁচ বছরের মধ্য ২৫ হাজার ক্ষুদ্র ও ছোট এন্টারপ্রাইজকে উন্নত ব্যবস্থাপনার জন্য সহজ ও স্বল্প-খরচে ক্রেডিট সুবিধা এবং সহযোগিতা দিতে যাচ্ছে ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন প্ল্যাটফর্ম। এ উপলক্ষ্যে বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড, ন্যাথান অ্যাসোসিয়েটস লন্ডন লিমিটেডের সঙ্গে বিজনেস ফাইন্যান্স ফর দ্য পুওর ইন বাংলাদেশ (বিএফপি-বি)` গ্র্যান্ট চুক্তি সই হয়েছে।   আজ মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল দি ওয়েস্টিনে আইপিডিসি’র প্রকল্প‘ অর্জন’র অধীনে ব্লক চেইন টেকনোলজির মাধ্যমে ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন ফাইন্যান্স প্ল্যাটফর্ম’র উন্নয়নের জন্য এই চুক্তি সই হয়। এ সময় আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের এমডি ও সিইও মমিনুল ইসলাম, ডিএফআইডি অনুমোদিত এজেন্ট ন্যাথান অ্যাসোসিয়েটস লন্ডন লিমিটেডের ডিরেক্টর বুদ্ধিকা সামারাসিঙ্গে, বিএফপি-বি’র টিম লিডার ফয়সাল হুসাইন, বিএফপি-বি’ র চালেঞ্জ ফান্ড ম্যান্যাজার  আরাফাত হুসাইন, নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেডের ডিরেক্টর অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স ও বাংলাদেশ সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট নকীব খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রথাগত এবং ম্যানুয়াল প্রক্রিয়া থেকে সরে এসে বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো, ‘আইপিডিসি-অর্জন’ নামক একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করতে যাচ্ছে; যেটি করপোরেট, এমএসই এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি একক চেইনে নিয়ে আসবে। ‘অর্জন’ একটি বিস্তৃ সাপ্লাই চেইন আর্থিক সেবা। যেখানে থাকছে সহজে আর্থিক সুবিধা পাওয়ার মাধ্যমে ফ্যাক্টরিং, রিভার্স ফ্যাক্টরিং, ওয়ার্ক ওর্ডার এবং ডিস্ট্রিবিউটর ফাইন্যান্সিং। দেশে হোলিস্টিক সাপ্লাই চেইন ফাইন্যান্সিং ইকো-সিস্টেম তৈরি করাই হলো ‘অর্জন’র লক্ষ্য এবং এ ধরণের প্রকল্প বাংলাদেশে এটিই প্রথম।  আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের এমডি ও সিইও মমিনুল ইসলাম বলেন, আইপিডিসি সবসময় বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও ছোট উদ্যোগগুলোতে সুযোগ-সুবিধা তৈরিতে কাজ করে থাকে। এই ক্ষেত্রগুলোতে দেশের ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন ফাইন্যান্স প্ল্যাটফর্মকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে সাপ্লাই ও পরিবেশনার সাথে সম্পৃক্তদের জন্য আমরা ‘অর্জন’ প্ল্যাটফর্মটি নিয়ে এসেছি। এই প্ল্যাটফর্মটি আগামী পাঁচ বছরের মধ্য ২৫ হাজার ক্ষুদ্র ও ছোট এন্টারপ্রাইজকে উন্নত সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনার জন্য সহজ ও স্বল্প-খরচে ক্রেডিট সুবিধা এবং সহযোগিতা দিবে। এর  ফলে আগের চেয়ে বেশি আর্থিক অগ্রগতিসহ উন্নত ব্যবসায়িক পরিবেশ, বাজার সম্প্রসারণ এবং দুই লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ন্যাথান অ্যাসোসিয়েটস লন্ডন লিমিটেডের ডিরেক্টর বুদ্ধিকা সামারাসিঙ্গে বলেন, বাংলাদেশের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি এন্টারপ্রাইজকগুলোকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে আমরা আইপিডিসি’র সাথে থাকার উদ্যোগ নিয়েছি। এসব এন্টারপ্রাইজকে সহযোগিতা প্রদানের সুযোগ করে দেওয়ায় আইপিডিসি’কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। আশা করছি এই উদ্যোগ থেকে এ দেশের এন্টারপ্রাইজগুলো দারুণভাবে উপকৃত হবে এবং বাংলাদেশের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি এন্টারপ্রাইজগুলোকে দ্রুত এগিয়ে নিতে আধুনিক সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনার সুবিধা নিশ্চিত করবে। আরকে/এসি     

প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশ নবম    

বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীরা ২০১৭ সালে এক হাজার ৩৫০ কোটি ডলার অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ দশমিক ৪ শতাংশ। গতকাল সোমবার বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড রেমিটেন্স: রিসেন্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আউটলুক’-২০১৮ শীর্ষক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেমিটেন্স অর্জনকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে নবম অবস্থানে রয়েছে।    শীর্ষ ৩০ দেশের রেমিটেন্স প্রবাহের চিত্র রয়েছে বিশ্বব্যাংকের এ প্রতিবেদনে। এক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। তার আগে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান।    আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাটি বলছে, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে ১ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিরা। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বর্তমানে প্রায় ৭৮ লাখ বাংলাদেশি বাস করেন। তারাই এ বিপুল পরিমাণ রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন। তবে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স এসেছে সৌদি আরব থেকে। বাংলাদেশ পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম দেশ, যে দেশের এত বিপুলসংখ্যক প্রবাসী রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, প্রবাসী ভারতীয়রা এ বছর মোট ৬ হাজার ৯০০ কোটি ডলার নিজ দেশে পাঠিয়েছেন। বর্তমানে ১ কোটি ৬৪ লাখ ভারতীয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত বিশ্বের সর্বোচ্চ রেমিটেন্স অর্জনকারী দেশ, আবার এ দেশের মানুষই সবচেয়ে বেশি প্রবাসী। রেমিটেন্স পাঠানোর এ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চীন। চীনের সর্বশেষ ২০১৭ সালের হিসাব অনুযায়ী দেশটিতে এক বছরে রেমিটেন্স এসেছে ৬ হাজার ৪০০ কোটি ডলার। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স অর্জনকারী দেশের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ফিলিপাইন। সর্বশেষ হিসাবে দেশটিতে এক বছরে ৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলার রেমিটেন্স এসেছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০১৭ সালে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিমাণ অপরিবর্তিত আছে। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস সৌদি আরব, আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত ও মালয়েশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হতে থাকায় দেশটিতে এখন বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০১৭ সালে প্রবাসী আয় ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আলোচ্য সময়ে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, মালেয়েশিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। ফলে দেশটিতে এখন বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। একে//এসি  

রানা প্লাজা ধসে আহত শ্রমিকদের ৪৮ শতাংশ বেকার [ভিডিও]

সাভারে রানা প্লাজা ধসের ৫ বছর পরও আহত শ্রমিকদের ৪৮ শতাংশ বেকার। শারীরিক অক্ষমতা আর মানসিক বিপর্যয়ের কারণে কাজে ফিরতে পারেনি অনেকে। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল। সাভারে ঢাকা- আরিচা মহাসড়কের পাশের বহুতল ভবন রানা প্লাজা হঠাৎই ধসে পড়ে। ভবনটির তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত ছিলো কয়েকটি তৈরি পোশাক কারখানা। মুহুর্তেই ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়ে কয়েক হাজার মানুষ। ইট পাথরের চাপায় প্রাণ হারায় ১ হাজার একশ’ ৩৮ জন। আহত হয় প্রায় দুই হাজার শ্রমিক। এ’ঘটনা অনাথ করে অনেক শিশু-কিশোরকে। আহতদের মধ্যে অনেকেই কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন চিরদিনের জন্য। সামান্য অনুদান জুটলেও শ্রমিকদের দাবি, মেলেনি ক্ষতিপূরণ। অনুদানের অর্থে পারিবারিক ব্যয় মেটানো সম্ভব হয়নি আহত শ্রমিকদের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আহত শ্রমিকদের বর্তমান পরিস্থিতি পুন:মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। ঘটনা সামলে নিয়ে সরকার, বিদেশী বিনিয়োগকারী এবং দাতাসংস্থার উদ্যোগে নিহত শ্রমিকদের পরিবার ও আহত শ্রমিকদের সাময়িক অর্থকষ্ট দূর করার চেষ্টা হয়েছে। তবে, অনুদানের অর্থে পরিবারের ব্যয় মিটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি আহত শ্রমিকদের। আক্ষেপ আছে পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়ে তা পূরণ না করার। বছরের পর বছর একই কথা বললেও কাজের কাজ হয় না বলে অভিযোগ করেন কেউ কেউ। একটি আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার বাংলাদেশ কার্যালয় রানা প্লাজা ট্রাজেডিতে আহত ১৪শ’ শ্রমিকের মধ্যে জরিপ করে। এতে বলা হয়েছে, ওই ঘটনায় আহত শ্রমিকদের ৪৮ শতাংশ এখনো বেকার। আর আহত শ্রমিকদের বর্তমান পরিস্থিতি পূন:মূল্যায়নের পরামর্শ দিয়েছেন সিপিডির প্রকল্প পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক ঝুঁকি নিরসনে আইনি কাঠামো শক্তিশালী করারও পরামর্শ দিয়েছেন এ বিশেষজ্ঞ।      

দেশের পোশাক খাতে শ্রমিক অসন্তোষ কি কমেছে?

রানা প্লাজা ধসের আগের দিনই ভবনটিতে ফাটলের বিষয়টি নজরে এসেছিল সবার। কিন্তু তারপরও ঘটনার দিন সকালে ভবনের মালিক সোহেল রানা এবং পোশাক কারখানাগুলোর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ মিলে শ্রমিকদের কাজে যেতে বাধ্য করে। পোশাক কারখানায় ট্রেড ইউনিয়ন থাকলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শ্রমিকদের কাজে যেতে বাধ্য করানো যেত না বলে মনে করেন শ্রমিক নেতারা। রানা প্লাজা ধসের ছয় মাসের মধ্যেই বাংলাদেশের শ্রম আইন সংশোধন করে শ্রমিকদের শর্তসাপেক্ষে ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার সহজ করা হয়। শ্রম মন্ত্রণালয়ের হিসেব অনুযায়ী, রানা প্লাজা ধসের আগে কারখানা-ভিত্তিক ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা ১৩৪টি থাকলেও তাদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ছিল নিষ্ক্রিয়। শ্রম আইন সংশোধনের পর এখন কারখানা-ভিত্তিক ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা প্রায় ৬০০টি। শ্রমিক অধিকার নিয়ে কাজ করে এমন একটি সংস্থা বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব লেবার স্টাডিজ বা বিলস-এর প্রধান নির্বাহী সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমদকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, রানা প্লাজা ধসের পর গত পাঁচ বছরে শ্রমিক অধিকারের প্রশ্নে কতটা পরিবর্তন এসেছে? সুলতার বলেন, মনোযোগ কিছুটা বেড়েছে। শ্রমিক অধিকারের প্রশ্নে যে অবজ্ঞার সংস্কৃতি ছিল সেটা কিছুটা কেটেছে। ট্রেড ইউনিয়নের সংখ্যা বাড়লেও শ্রমিকদের দর কষাকষির সামর্থ্য খুব একটা বাড়েনি বলে সুলতার মনে করেন। বিলসের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, গত এক বছরে বাংলাদেশের বিভিন্ন গার্মেন্ট কারখানায় যেসব অসন্তোষ হয়েছে তার মধ্যে ৫৫ শতাংশই হয়েছে বেতন দেরিতে দেওয়ার জন্য। শ্রম আইন যখন সংশোধন করা হয় তখন অনেকে সেটিকে `দায়সারা` হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। কারণ আইন এমনভাবে সংশোধন করা হয়েছে যে শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন গঠন বাস্তবে বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করতে হলে একটি কারখানার ত্রিশ শতাংশ শ্রমিকের সম্মতি লাগবে। এ আইন সংশোধনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মিকাইল শিপার। তিনি বলছেন, বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এটি করা হয়েছে এবং শ্রমিক অধিকারের প্রশ্নে এটি বড় অগ্রগতি। ‘হঠাৎ করে আমি যদি বলি চারজন শ্রমিক একজোট হলেই ট্রেড ইউনিয়ন হবে, তখন ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার নিয়ে সবাই ব্যস্ত থাকবে। উৎপাদন ব্যাহত হবে। এসব কারণেই আমরা লিমিটেশন (সীমাবদ্ধতা) রেখেছিলাম,’ বলেছেন শিপার। মালিক পক্ষ বলছে, রানা প্লাজা ধসের পর শ্রমিক অধিকারের প্রশ্নে মালিকরা যথেষ্ট মনোযোগ দিয়েছে। সেজন্য গত পাঁচ বছরে বড় ধরনের কোন শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনা ঘটেনি বলে মালিক পক্ষ মনে করে। তৈরি পোশাক-খাতের অন্যতম শীর্ষ স্থানীয় মালিক আরশাদ জামাল বলছেন, মালিকদের মনোভাবেও এখন পরিবর্তন এসেছে। জামাল বলেন, যখন কোনও ঘর বা জায়গা গোছানো হয়, তখন তার সঙ্গে আচরণও গোছানো হয়। গত পাঁচ বছরে ন্যূনতম মজুরি একবার রিভাইজ (পর্যালোচনা) হয়েছে এবং প্রতি বছর পাঁচ শতাংশ হারে বাড়ানো হয়েছে। এবার মজুরি বোর্ডের জন্য আমরাই আহবান করেছি। এ থেকে আপনি বুঝতে পারছেন যে তাদের অধিকারের প্রশ্নে আমাদের মাইন্ড-সেটে (মনোভাবে) পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু শ্রমিকরা কী বলছেন? তাদের অধিকার এবং কথা বলার জায়গা এখন কতটা তৈরি হয়েছে? একটি কারখানার কয়েকজন শ্রমিক বলছিলেন, এখন যে কোনও কথা সহজে মালিক পক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। একজন নারী শ্রমিক বলছেন, আমাদের এখানে অভিযোগ বাক্স আছে। আমাদের ফ্যাক্টরিতে প্রত্যেকটা লাইন থেকে অপারেটর ডাক দিয়া নিওয়া যায়। তারা অসুবিধা-সুবিধার কথা জিজ্ঞেস করে। তবে শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ হচ্ছে, অনেক শ্রমিক বুঝতেই পারে না তাদের অধিকার কতটা। তাছাড়া ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের জন্য ত্রিশ শতাংশ শ্রমিক যাতে একত্রিত হতে না পারে সেজন্য মালিকরা নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া ট্রেড ইউনিয়ন করতে গেলে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের অভিযোগ কিংবা ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। শিল্প মালিক আরশাদ জামাল বলছেন, যে ধরনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে বিষয়টি সে রকম নয়। এজন্য শ্রমিক নেতাদেরও দায় আছে। সদস্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ফলে আইন অনুযায়ী ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের জন্য যতজন শ্রমিক প্রয়োজন সেটি তারা জোগাড় করতে পারছেন না বলে এ মালিক জানান। শ্রমিক অধিকার নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের অনেকেই বলছেন, গত পাঁচ বছরে বড় ধরনের শ্রমিক অসন্তোষ ঘটেনি। কিন্তু তাই বলে অসন্তোষ নেই সে কথা বলা যাবে না। বিভিন্ন সময় অসন্তোষকে চাপা দেওয়ার জন্য সরকার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে প্রবল চাপ তৈরি করেছে শ্রমিক নেতাদের উপর। এমনটাই অভিযোগ তাদের। কিন্তু সরকার দাবি করছে অসন্তোষ নয়, বরং তাদের গৃহীত নানা সংস্কারের কারণেই শ্রমিকরা এখন সে পথে পা বাড়াচ্ছে না। সূত্র: বিবিসি একে//

রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে থাইল্যান্ডের সঙ্গে এফটিএ চুক্তি হবে

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাণিজ্য ও রফতানি বৃদ্ধির লক্ষে মুক্ত-বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের জন্য বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে রয়েল থাইল্যান্ড দূতাবাস আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘থাই উইক-২০১৮’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘থাইল্যান্ডে রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ এফটিএ চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে।’ সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের এক বৈঠকে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার লক্ষে বাংলাদেশ থাইল্যান্ডের কাছে এফটিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। থাইল্যান্ড এই মুহূর্তে বাংলাদেশের কাছে ৬ হাজার ৯৯৮টি বাংলাদেশী পণ্যের শুল্ক-মুক্ত সুবিধা চেয়েছে এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য দুই বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন, বাংলাদেশ থাইল্যান্ডের কাছে পাটজাত পণ্য ও তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত প্রবেশ বা সর্বনিন্ম শুল্ক ধার্য আহ্বান জানিয়েছে।   ভ্রমণ, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের থাইল্যান্ড গমনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভিসা-প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য থাই সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে। প্রদর্শনীতে মোট ৪৫টি থাই কোম্পানি এবং বাংলাদেশের ২৮টি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। এতে ৭৯টি স্টলে প্রদর্শন ও বিক্রয়ের জন্য শিল্পজাত পণ্য, ফল, খাদ্য, গৃহসামগ্রী, জুয়েলারি ও কসমেটিকসহ ১৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পণ্য রয়েছে। এই প্রদর্শনী দর্শকদের জন্য আগামী ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। থাই রাষ্ট্রদূত পানপিমন সুওয়ান্নাপঞ্জের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দূতাবাসের মিনিস্টার কাউন্সিলর (কমার্শিয়াল)ও বক্তব্য রাখেন। কেআই/এসি  

গ্রাহকদের সন্মানে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ ট্রেড অ্যাওয়ার

পার্টনারস্ ইন প্রোগ্রেস ট্রেড গ্রাহকদের সন্মানে সম্প্রতি ঢাকার একটি হোটেলে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক প্রথমবারের মত আয়োজন করেছে ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ ট্রেড অ্যাওয়ার্ডস’। ২০১৭ সালে যে সকল গ্রাহক ট্রেড ভলিউমে সর্বোচ্চ অবদান রেখেছেন তাদেরকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। ট্রেড গ্রাহকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অংশ হিসেবে এমন আয়োজন ব্যাংকটির। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশ এর হেড অব ট্রানজেকশন ব্যাংকিং অপুর্ব জেইন তার স্বাগত বক্তব্যে বর্ণনা করেন কিভাবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশে অনেক নতুন নতুন সেবা সর্বপ্রথম চালু করে। একই সঙ্গে এমন সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ব্যাংক গ্রাহকদের ধন্যবাদ জানান। ব্যাংকটির আসিয়ান এবং দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল হেড অব ট্রেড সাকেত সারদা নেক্স-জেন ট্রেড সলিউশনের উপর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপস্থাপনা তুলে করেন এই অনুষ্ঠানে। উপস্থাপনায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জগতে নতুন প্রথাগুলির একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরেন তিনি। উক্ত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী নাসের এজাজ বিজয়। তিনি বলেন, ক্লায়েন্ট এবং ব্যাংক "পার্টনারস্ ইন প্রোগ্রেস" এবং গ্রাহকদের অবদানই ব্যাংককে সাফল্যের দিকে নিয়ে যায়। তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংককে তাদের ব্যবসায়িক অংশীদার হিসাবে বেছে নেওয়ার জন্য সমস্ত গ্রাহকদের ধন্যবাদ জানান। এরপর তিনি ট্রেড ক্লায়েন্টদের সঙ্গে ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগের নতুন প্রধানদের উপস্থাপন করেন। টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস এবং নন-টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস এই দুই ক্যাটেগরিতে  ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ট্রেড এ্যাওয়ার্ড-২০১৭’ এর পুরস্কার দেওয়া হয় এবারের আসরে। টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ক্যাটাগোরিতে পুরষ্কার প্রাপ্তরা হলেন- এপিক গ্রুপ, ওয়াইকেকে বাংলাদেশ, ইয়াংওয়ান করপোরেশন, হা-মীম গ্রুপ এবং স্কয়ার গ্রুপ। নন-টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ক্যাটাগোরিতে পুরষ্কার প্রাপ্তরা হলেন- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, টিকে গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিস, আকিজ গ্রুপ, সিটি গ্রুপ এবং মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিস। এছাড়াও ব্যাংকটি গত বছর জাতীয় এক্সপোর্ট ট্রফি বিজয়ী আরো তিনটি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ স্বীকৃতি স্বরুপ ট্রফি প্রদান করে। প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো- প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, নোমান গ্রুপ ও প্যাসিফিক জিন্স গ্রুপ। বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কারের ট্রফি তুলে দেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয়। পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের আসিয়ান ও দক্ষিণ এশিয়ার হেড অব ট্রেড জনাব সাকেত সারদা এবং ব্যাংকের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। সাবিনা ইয়াসমিনের মনোমুগ্ধকর গানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   //এস এইচ এস//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি