ঢাকা, শুক্রবার, ২৫ মে, ২০১৮ ১৮:২২:১৩

৫ দফা দাবিতে রাজপথে গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট

৫ দফা দাবিতে রাজপথে গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট

৫ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট। ২০ রোজার মধ্যে বেসিক বেতনের সমান ঈদ বোনাসসহ প্রাপ্য সব পাওনা পরিশোধ, ছাঁটাই-নির্যাতন-হয়রানি বন্ধ, ন্যুনতম মজুরি ১৮ হাজার টাকা নির্ধারণ, কালক্ষেপণ বন্ধ করে ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে মজুরি বোর্ডের সুপারিশ ঘোষণা এবং রোজার মাসে দ্রব্যমূল্যের ঊর্দ্ধগতি রোধ করার দাবিতে এ বিক্ষোভের আয়োজন করে শ্রমিক ফ্রন্টের নেতারা। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি আহসান হাবিব বুলবুল এর সভাপতি্ত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের সহ-সভাপতি খালেকুজ্জামান লিপন, সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সৌমিত্র কুমার দাস, অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ প্রমুখ। সমাবেশে নেতারা বলেন, দুই ঈদে বেসিক বেতনের সমান বোনাস দেওয়ার রেওয়াজ থাকলেও সরকার শ্রম আইনে বোনাসের বিষয় উল্লেখ না করে শ্রমিকদের বঞ্চিত করার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। কিন্তু উৎসব বোনাস কোনও দয়া নয়, এটা শ্রমিকের অধিকার। নেতার আরও বলেন, প্রতি বছর রোজার শুরুতে শ্রম মন্ত্রণালয় মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে সব পোষাক শিল্প শ্রমিকের বেতন-ভাতা পরিশোধের আশ্বাস দেয়। কিন্তু মালিকরা ঈদের ছুটির পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত শ্রমিকদের বোনাস-বেতন পরিশোধ না করে শ্রমিকদের জিম্মি করে। ঈদের আগ মুহুর্তে শ্রমিকরা যখন স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য উদগ্রিব হয় তখন মালিকরা শ্রমিকদের বোনাস না দিয়ে বকশিশ হিসেবে কিছু টাকা দিয়ে আর আংশিক বেতন দিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে প্রতারণা করে। শ্রমিকদের তখন প্রতিবাদ করার কোনও সুযোগ থাকে না। সরকারও প্রতারক মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না। পুর্ণ বেতন-ভাতা না পাওয়ায় শ্রমিকরা অল্প ভাড়ায় ঝুঁকি নিয়ে গ্রামে যেতে যেয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করে। সভায় বলা হয়, চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য ন্যুনতম মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেওয়া হলেও এখনো পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি। গত ১৯ মার্চ মজুরি বোর্ডের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মজুরি বোর্ডের নির্ধারিত বৈঠক মালিক পক্ষের আবেদনে স্থগিত করা হয়। শ্রম আইনের ১৩৯ (২) ধারা অনুসারে মজুরি বোর্ড, গঠনের ছয় মাসের মধ্যে নতুন মজুরির সুপারিশ করবে। সেই হিসেবে মজুরি বোর্ডকে আগামী জুলাইয়ের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামোর সুপারিশ করতে হবে। আথচ মজুরি বোর্ডে মালিক পক্ষের প্রতিনিধি বি.জি.এম.ই.এ এর সভাপতি বলছেন, তাদের হাতে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময় আছে। বি.জি.এম.ই.এ এর সভাপতির এই বক্তব্য ও মজুরি বোর্ডের বৈঠক স্থগিত করানো মুলত কালক্ষেপণের ষড়যন্ত্র বলে মনে হচ্ছে। নেতারা ২০ রোজার মধ্যে শ্রমিকদের প্রাপ্য বেতন-ভাতা পরিশোধের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্যথায় উদ্ভুত পরিস্থিতির দায় মালিকদের বহন করতে হবে। কালক্ষেপণ না করে আগামী জুলাইয়ের মধ্যে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১৮ হাজার টাকা ঘোষণা করার আহ্বান জানান নেতারা। শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রাপ্তিকে নিশ্চিত করতে এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্দ্ধগতি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি।একে/ এমজে
ছয় ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সিএনজি স্টেশন

রমজান মাসে দেশের সব সিএনজি স্টেশন প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। সিএনজি স্টেশন বন্ধ রাখা সংক্রান্ত একটি সংশোধিত বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানিয়েছে বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন পেট্রোবাংলা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক সারাদেশে সিএনজি স্টেশনগুলোকে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করছে পেট্রোবাংলা। রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কোম্পানিগুলোর ভিজিল্যান্স টিম মনিটরিং করবে এবং সিদ্ধান্ত অমান্যকারী সংশ্লিষ্ট সিএনজি স্টেশনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০১০ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে গ্রাহক তথা জনসাধারণের এই সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ। আরকে/ এমজে

আবদুস সামাদ লাবু চেয়ারম্যান পদে পুননির্বাচিত

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিঃ এর পরিচালক পর্ষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ (লাবু) এবং ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুস সালাম স্বস্ব পদে পুননির্বাচিত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্ষদের ৩২২তম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তারা পরবর্তী দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। আবদুস সামাদ (লাবু) আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের অন্যতম উদ্যেক্তা পরিচালক। চট্টগ্রাম জেলার অধিবাসী আবদুস সামাদ দেশের একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী। তিনি দেশের অন্যতম বৃহত্তম শিল্প প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এবং এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিঃ এর চেয়ারম্যান। তিনি নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিঃ এবং রিলায়েন্স ফাইনান্স ইনভেস্টমেন্ট লিঃ -এর উদ্যোক্তা পরিচালক। তিনি জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশন (ইটিভি) -এর ভাইস চেয়ারম্যান। আবদুস সামাদ বায়তুস-শরফ ফাউন্ডেশন ও চট্টগ্রাম সমিতি ঢাকা’র নির্বাহী সদস্য। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গেও জড়িত রয়েছেন। অন্যদিরক, মোহাম্মদ আব্দুস সালাম বন্দরনগরী চট্টগ্রামের একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। তিনি আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিঃ এর উদ্যোক্তা পরিচালক ও সাবেক চেয়ারম্যান চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্জ মীর আহমেদ সওদাগর এর পুত্র। তিনি চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের অন্যতম বৃহৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মীর গ্রুপ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। মোহাম্মদ আব্দুস সালাম চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট। বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ আব্দুস সালাম সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। এছাড়া তিনি বহু সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। একে/ এমজে

এসবিএসি ব্যাংকের নতুন ডিএমডি সেলিম ও মামুনুর

পদোন্নতি পেয়ে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হয়েছেন মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী ও মো. মামুনুর রশিদ মোল্লা। এর আগে তারা ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (এসইভিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখার ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করছেন। এসবিএসি ব্যাংকে যোগদানের পূর্বে তিনি প্রিমিয়ার ব্যাংকে এক্সিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে খাতুনগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক ছিলেন। মোহাম্মদ সেলিম ১৯৮৭ সালে অফিসার হিসেবে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকে যোগদান করেন। দীর্ঘ তিন দশকের ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে তিনি এনসিসি ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। বিশেষ করে এসময়ে তিনি ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিপার্টমেন্টে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দেন। তিনি বিবিটিএ ও বিআইবিএম থেকে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন ও অন্যান্য ব্যাংকিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। দেশের খ্যাত প্রতিষ্ঠান ছাড়াও তিনি হংকং ও মালয়েশিয়ায় অর্থনীতি ও ব্যাংকিংবিষয়ক বিভিন্ন সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে অংশ নেন। মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম (অনার্স) ও এম. কম (অ্যাকাউন্টিং) ডিগ্রি লাভ করেন। মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার উরখিরচর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মরহুম এডভোকেট এম. এ জব্বার চৌধুরীর বড় ছেলে। মো. মামুনুর রশিদ মোল্লা এসবিএসি ব্যাংকের এসইভিপি ও প্রিন্সিপাল শাখার প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ১৯৮৯ সালে ইসলামী ব্যাংকে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে প্রাইম ব্যাংকের একজন প্রতিষ্ঠা কর্মকর্তা হিসেবে উক্ত ব্যাংকের মতিঝিল শাখা এবং পরে বৈদেশিক বাণিজ্যিক শাখায় দায়িত্ব পালন করেন। এসবিএসি ব্যাংকে যোগদানের পূর্বে তিনি ন্যাশনাল ব্যাংকের চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১০-২০১৬ পর্যন্ত ন্যাশনাল ব্যাংকের মতিঝিল ও আগ্রাবাদ শাখার ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ঋণঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগ(২) প্রধান ছিলেন। তিনি ২০০৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের দিলকুশা ও পরবর্তীতে প্রিন্সিপাল শাখার শাখা প্রধান ছিলেন। ২০১৬ সালের ৫ এপ্রিল সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে এসবিএসি ব্যাংকের ক্রেডিট ডিভিশনের প্রধান হিসেবে যোগদান করেন। বিজ্ঞপ্তি এসএইচ/

শুরু হচ্ছে ‘প্রাণ আপ ফুটবল ম্যানিয়া’ ক্যাম্পেইন  

আসন্ন রাশিয়া বিশ্বকাপকে ঘিরে জনপ্রিয় বেভারেজ ব্র্যান্ড প্রাণ আপ ফুটবল ম্যানিয়া ক্যাম্পেইন শুরু করতে যাচ্ছে। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় রাশিয়া ভ্রমনের সুযোগ ছাড়াও থাকছে ৪৩ ইঞ্চি এলইডি টিভি, ফ্লেক্সিলোড, প্রিয় দলের জার্সি, ফুটবলসহ নানান পুরস্কার। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাড্ডায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে নতুন এই ক্যাম্পেইনের ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রাণ বেভারেজ লিমিটেড এর হেড অব মার্কেটিং আতিকুর রহমান জানান, প্রাণ আপের ক্যাপে থাকা কোডটি ৬৯৬৯ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ক্রেতারা প্রতিদিন জিতে নিতে পারবেন আকর্ষনীয় পুরস্কার। বিশ্বকাপ উপলক্ষে পহেলা জুন থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন চলবে ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত। তিনি আরও জানান, এই ক্যাম্পেইনের তিনজন সৌভাগ্যবান বিজয়ী পাবেন রাশিয়ায় চার দিন তিন রাত থাকার সুযোগ। এছাড়া ৩০ জন বিজয়ী পাবেন ৪৩ ইঞ্চি এলইডি টিভি, দুই হাজার জন পাবেন প্রিয় দলের জার্সি ও ফুটবল এবং প্রতিদিন গড়ে ৫’শ জন করে করে পাবেন মোবাইল রিচার্জের সুযোগ। অনুষ্ঠানে একই সাথে প্রাণ আপ এর ‘ট্রিপ এন্ড গিফট’ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। গত পহেলা ফেব্রোয়ারি থেকে ২০ মে পর্যন্ত চলে ওই ক্যাম্পেইন। ক্যাম্পেইনের আওতায় সাতজন ইন্দোনেশিয়া ও পাঁচজন কক্সবাজার ভ্রমণের সুযোগ পেয়েছেন। এছাড়া পুরস্কার হিসেবে ভিশন এলইডি টিভি পেয়েছেন ১৫ জন এবং ২০ জন পেয়েছেন মোবাইল ফোন।   প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের অ্যাসিসটেন্ট জেনারেল ম্যানেজার (পাবলিক রিলেশন) জিয়াউল হক ও প্রাণ আপ এর ব্র্যান্ড ম্যানেজার তন্ময় দাসসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন। এসি   

স্বর্ণ ক্রয়ে পরিচয়পত্র সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক

অবশেষে ‘স্বর্ণ নীতিমালা-২০১৮’ অনুমোদন করেছে সরকারের অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে যে কোনো দোকানে স্বর্ণবিক্রিতে ক্রেতার কাছে জমা দিতে হবে পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের ফটোকপিসহ পূর্ণাঙ্গ যোগাযোগের ঠিকানা। এর আগে পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট জমা নেওয়া হতো না। গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এই নীতিমালা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে কমিটির অন্যান্য সদস্য ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের পর বাণিজ্যসচিব শুভাশীষ বসু সাংবাদিকদের বলেন, স্বর্ণ নীতিমালা, ২০১৮ অনুমোদন করেছে কমিটি। নতুন নীতিমালায় বন্ড সুবিধায় স্বর্ণ আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে। আমদানি করা স্বর্ণালংকার তৈরি করে দেশে বিক্রি করা ছাড়াও বিদেশে রফতানিও করার সুযোগ রাখা হয়েছে এতে। তবে দেশের ভেতরে বিক্রি কিংবা বিদেশে রফতানি—যেটাই হোক না কেন, স্বর্ণালংকারে কী পরিমাণ খাদ থাকবে তা নির্ধারণ করে দেবে সরকার। এ ছাড়া স্বর্ণের মান উল্লেখ করে প্রতিটি স্বর্ণালংকারে হলমার্ক থাকতে হবে। এত দিন বিদেশ থেকে স্বর্ণ আমদানির সুযোগ থাকলেও তা ছিল অত্যন্ত জটিল। ফলে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা দেশে ব্যবহৃত পুরনো অলংকার, ব্যাগেজ রুলের আওতায় আসা স্বর্ণ ও চোরাচালান হয়ে আসা স্বর্ণ ব্যবহার করতেন। নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে অনুমোদিত ডিলাররা বিদেশ থেকে বৈধ ও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বর্ণের বার আমদানি করতে পারবেন। তারা ওই সব বার সরবরাহ করবে স্বর্ণালংকার প্রস্তুতকারী ও বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে। বর্তমানে দেশে স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকারের বাজারে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। স্বর্ণালংকারের মান ও খাদ সম্পর্কেও সুনির্দিষ্ট কোনো কিছুর উল্লেখ না থাকায় এত দিন ক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে এসব বিষয়ে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে মনে করছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। আরকে// এসএইচ/

ব্যাংকে এক বছরে কর্মী কমেছে ৯ হাজার

ব্যাংকের অপারেটিং খরচ যদি ১০০ টাকা হয় তাহলে এর মধ্যে মানবসম্পদ উন্নয়নে ব্যয় হয় মাত্র ২৫ পয়সা। শুধু তাই নয়, প্রশিক্ষণে বাজেটও কমিয়েছে ব্যাংকগুলো। একইসঙ্গে ব্যাংকে এক বছরে কর্মী কমেছে ৯ হাজারেরও বেশি। ২০১৬ সালে ব্যাংক কর্মী ছিল ৯০ হাজার ২৬৫ জন। ২০১৭ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮১ হাজার ২৪৫ জন। বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে ‘হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট অব ব্যাংকস’ শীর্ষক বার্ষিক পর্যালোচনা কর্মশালায় এই প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬১ শতাংশ ব্যাংকার মনে করেন, ব্যাংকিং খাতে নীতিবান নেতৃত্বের অভাব রয়েছে। ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম এবং দুর্নীতির ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে। এ কারণে ব্যাংকিং খাতের নীতিবান নেতৃত্ব দরকার বলে ব্যাংকাররা জানিয়েছেন। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল। এতে সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্যে আয়োজনের উদ্দেশ্য বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু করেন বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধূরী। তিনি দক্ষতার সঙ্গে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে প্রশিক্ষণের ওপর জোরারোপ করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন- বিআইবিএমের মুজাফফর আহমেদ চেয়ার অধ্যাপক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা, বিআইবিএমের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. শাহ মো. আহসান হাবীব, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক এবং বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ইয়াছিন আলি, বিআইবিএমের সাবেক চেয়ার প্রফেসর এস এ চৌধুরী, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এ. আব্দুল্লাহ, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং কোম্পানি সেক্রেটারি জন সরকার প্রমুখ। কর্মশালায় গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। গবেষণা দলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন বিআইবিএমের সহকারী অধ্যাপক মাসুদুল হক, বিআইবিএমের সহকারী অধ্যাপক রেক্সোনা ইয়াসমিন, বিআইবিএমের প্রভাষক আনিলা আলী, বিআইবিএমের প্রভাষক লামিয়া রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলাম এবং আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান মো. মাজহারুল ইসলাম। কর্মশালা উদ্বোধন করে ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল বলেন, ব্যাংকিং খাতের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থমন্ত্রণালয় বেশ কিছু সার্কুলার জারি করেছে। এসব সার্কুলার যথাযথ পরিপালনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নজরদারি করা হয়। তিনি বলেন, ব্যাসেল-৩ বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে। এতে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় বিআইবিএমের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে ব্যাংকগুলো কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং উন্নয়নে ব্যয় ৫০ শতাংশ কমিয়েছে। ১০০ টাকা অপারেটিং ব্যয়ের মধ্যে মাত্র ২৫ পয়সা কর্মীদের উন্নয়নে ব্যয় করেছে ব্যাংক, যা খুবই হতাশাজনক। আন্তর্জাতিকভাবে অপারেটিং খরচের ২ থেকে ৩ শতাংশ ব্যয় করা হয়। একই সঙ্গে এক-তৃতীয়াংশ ব্যাংক তাদের মানবসম্পদ উন্নয়নে ব্যয় করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিআইবিএমের চেয়ার অধ্যাপক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা বলেন, ব্যাংকিং খাতের নৈতিকতার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। নৈতিকতা বজায় রাখতে পারলে ব্যাংকিং খাতের সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে। তিনি ব্যাংকের কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন।   এসএইচ/

এসএমই খাতের ব্যসায়ীদের ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়াতে সিসকোর সহযোগিতা

দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের (এসএমবি) ডিজিটাল ভিত্তি তৈরি করার মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ উপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সিসকো। ঢাকায় সিসকো-’র কার্যক্রম শুরুর সময় ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপান্তরে অংশগ্রণের যে প্রতিশ্রুতি প্রতিষ্ঠানটি দিয়েছিল, এটি তারই অংশ বলে জানিযেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। এ উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিশ্বমানের উদ্ভাবন, টেকসই প্রতিযোগিতা তৈরি  ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশনের ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে। একটি দেশের ডিজটালাইজেশনের উদ্দেশ্য হলো-মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান তৈরি, উদ্ভাবনী উৎসাহ প্রদান করা। একইসঙ্গে গবেষণা, শিক্ষা, উদ্যোক্তা তৈরি, নতুন ব্যবসায় গতিশীলতা, অর্থনৈতিক উদ্যোগ ও স্থায়ী অবকাঠামো উন্নয়ন অন্যতম। আধুনিক স্থাপত্য ও বৃহত্তর যোগাযোগের জন্য আইটি নেটওয়ার্কের ভাবনাকে এগিয়ে নেওয়া, উৎপাদনশীলতা ও নিরাপত্তা মাধ্যমে দেশেকে নতুন একটি ডিজিটাল হাবে রূপান্তরে কাজ করে যাচ্ছে সিসকো। জিডিপি বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি, ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রকে শক্তিশালী করা, স্মার্ট শহর নির্মাণ করার মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য উন্নত জীবনযাত্রার সুযোগ সৃষ্টি করতে সরকার ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড কভারেজ, মোবাইল ডিভাইসের ক্রমবর্ধনমান বৃদ্ধি, গুণগত যোগাযোগ ব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং সেইসঙ্গে সরবরাহ সেবা ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে । ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাকে (এসএেই) বাংলাদেশের একটি সমৃদ্ধ শিল্প হিসেবেই মনে করে সিসকো, যা বাংলাদেশের ডিজিটাইজেশনে গতি আনবে এবং অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা ও কর্মসংস্থানের জন্য প্রচুর সুযোগ সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশে এসএমই’র ৯৯ শতাংশর বেশি বেসরকারি সেক্টর শিল্প প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত এবং ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কৃষিকাজের বাইরের শ্রমিক, যা শিল্পের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি শিল্পমূল্য প্রদান করে মোট (জিডিপি)তে। ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে অগ্রগতির দিকে বাংলাদেশ, আর সেখানে দেশের ডিজিটাল রূপান্তর যাত্রা অপরিহার্য একটি উপাদান হলো ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা (এসএমই)। এসএমবি ও মিডমার্কেট গ্রাহকদের জন্য সহজ, নিরাপদ এবং স্মার্ট এন্টারপ্রাইজ প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে উপযুক্ত ডিজিটাইজেশন পরিবেশ তৈরি করাই হলো সিসকোর লক্ষ্য। এজন্য তৈরি করেছে  সিসকো নেটওয়ার্কিং একাডেমি। এর মাধ্যমে প্রশিক্ষিত পেশাদারদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের জন্য করা প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে সিসকো দেশে ১২ টি  নেটওয়ার্কিং অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছে। এতে এ পর্যন্ত ১২ হাজার ৩শ’রও বেশি শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। গ্লোবাল ইকোনোমির পরিবর্তনের জন্য ১৯৯৭ থেকে বিশ্বব্যাপী ৮০ লাখেরও বেশি মানুষ নেটওয়ার্কিং অ্যাকাডেমিতে যোগ দিয়েছে। সিসকোর উদ্বোধনকালে সিসকো ইন্ডিয়া অ্যান্ড সার্কের প্রেসিডেন্ট সমীর গার্দে বলেন, বাংলাদেশে সিসকোর পথচলা প্রায় দুই দশকেরও বেশি। সময়ের সঙ্গে এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাজার হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল যাত্রার অংশ হতে পেরে আমরা অত্যন্ত খুশি। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিশ্বমানের উদ্ভাবন, টেকসই প্রতিযোগিতা ও সমৃদ্ধি অর্জনে সরকারকে আরও সাহায্য করবে সিসকো। সিসকোর দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের এসএমবি’র মাধ্যমে ডিজিটাল যাত্রাকে আরো তরান্বিত করব। তিনি বলেন, এসএমই’র উন্নয়ন ডিজিটাল যাত্রাকে সত্যিই গতিশীল করবে, যা মূলত বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। সিসকোর যাত্রার মাধ্যমে এখন থেকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা (এসএমবি) ডিজিটাল প্রযুক্তি অ্যাকসেস করছে, যার ফলে এই ডিজিটাল যুগে তাদের ব্যবসাকে আরো নিরাপদে রাখতে পারছে। আমরা আশা করি বাংলাদেশ তার ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রার দিকে এগিয়ে যাক এবং এখনকার সব সুযোগগুলো গ্রহণ করুক। বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন: অনিক সরকার, ইমপ্যাক্ট পিআর, ফোন ০১৮৪১৩৫৯৩৬৯। / এআর /  

আমদানি রফতানী কার্যক্রম বাড়ছে (ভিডিও)

চট্টগ্রাম বন্দরে বাড়ছে আমদানি রফতানী কার্যক্রম। গেল ৫ বছরে কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং বেড়েছে দশ লাখ টিইইউস। বেড়েছে কার্গো হ্যান্ডেলিংও। ক্রমবর্ধমান এই চাহিদার বিপরীতে বন্দরের কাক্সিক্ষত উন্নয়ন হচ্ছে না বলে মনে করেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা। অবস্থার উন্নয়নে দ্রুত নতুন নতুন জেটি, কন্টেইনার ইয়ার্ড নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজনের কথা বলছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা দেশের ৮০ শতাংশ আমদানি-রফতানির হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। গেল কয়েক বছরে বেড়েছে এর কার্যক্রমও। পরিসখ্যান অনুযায়ী, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ হ্যান্ডেলিং হয় ২ হাজার ১৩৬টি। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৯২টিতে। এছাড়া গেল ৫ বছরে ইনল্যান্ড এবং আইসিডিতে কার্গো হ্যান্ডেলিং বেড়েছে ৩০ কোটি মেট্রিক টন। একই ভাবে বেড়েছে কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংও। পাঁচ বছর আগে ২০১২-১৩ অর্থ বছরে কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং হয় ১৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭১৩ টিইইউস। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৪ লাখ ১৯ হাজার ৪৮১ টিইইউসে। তবে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বাড়লেও বাড়েনি পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা। এ জন্য বন্দর পরিচালনায় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার দাবি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বারের। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সমন্বয় করে বন্দরের গতিশীলতা বাড়াতে আধুনিক যন্ত্রপাতির পাশাপাশি নতুন ইয়ার্ড স্থাপনের পরমর্শ বেসরকারি অপারেটরদের। বিভিন্ন সংস্থার সাথে সমন্বয় এবং বন্দর উন্নয়নে নেয়া প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে গতিশীলতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানান বন্দরের কর্মকর্তারা। তবে বন্দরের আধুকিায়ন যেন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় থমকে না যায় সেদিক দৃষ্টি দেয়ার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি