ঢাকা, বুধবার, ১৮ জুলাই, ২০১৮ ২২:৩৪:২৪

‘সবুজ মনের মধ্যে অন্যরকম এক অনুভূতি এনে দেয়’

‘সবুজ মনের মধ্যে অন্যরকম এক অনুভূতি এনে দেয়’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সবুজ মনের মধ্যে অন্যরকম এক অনুভূতি এনে দেয়। তাই সবাইকে বৃক্ষ রোপণ করতে হবে। প্রয়োজনে বাড়ির আশেপাশে পরিত্যাক্ত জায়গাতেও গাছ লাগাতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রী আজ বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশ মেলা, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন কালে এ কথা বলেন।
আজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশ মেলা, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করবেন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাণিজ্য মেলার মাঠে সাত দিন পরিবেশ মেলা এবং মাসব্যাপী বৃক্ষমেলা চলবে।উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ‘জাতীয় পরিবেশ পদক’ ও বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার এবং সামাজিক বনায়নের সুবিধাভোগীদের মধ্যে চেক বিতরণ করবেন।প্রতি বছর বিশ্বে ৫ জুন পরিবেশ দিবস পালিত হয়। এ বছর রোজা থাকায় দেশে পরিবেশ দিবসের আয়োজন পেছানো হয়। এবারের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘আসুন প্লাস্টিক দূষণ বন্ধ করি, না পারলে বর্জন করি’।‘সবুজে বাঁচি, সবুজ বাঁচাই, নগর-প্রাণ-প্রকৃতি সাজাই’ প্রতিপাদ্য নিয়ে জাতীয় বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষমেলা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ বীর শহীদের স্মৃতির সম্মানে সারাদেশে একযোগে ৩০ লাখ গাছের চারা লাগানোর কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন।এসএ/

নেত্রকোণায় বারোমাসি আম বাগান করে আর্থিক স্বচ্ছলতা(ভিডিও)

নেত্রকোণায় বারোমাসি আম বাগান করে আর্থিক স্বচ্ছলতার মুখ দেখেছেন যুবক হুমায়ুন আহম্মেদ। তার বাগানে নিয়মিত ফলছে আফ্রিকান আমসহ ১৮ জাতের ফল। প্রতি মাসে ৪’শ থেকে ৫’শ কেজি আম বিক্রি করে উৎপাদন খরচ ছাড়াই বছরে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা আয় করছেন তিনি। আর তাকে দেখে এলাকার অনেকেও আগ্রহী হয়ে উঠছে বারোমাসি আম চাষে। নেত্রকোণা সদরের মেদনী ইউনিয়নের কয়রাটি গ্রামের যুবক- হুমায়ূন আহম্মেদ। এইচএসসি পাশ করে কিছুদিন বগুড়ায় চাকরি করেন। এর সুবাদে সেখানের বিভিন্ন গ্রামে আমসহ নানান ফলের বাগান দেখে নিজেও বাগান করতে উৎসাহী হন। অতঃপর ২০১৪ সালে গ্রামে ফিরে প্রথমে বাড়ির আঙ্গিনায় মিশ্র ফলের বাগান শুরু করেন। দেশী গাছের বদলে ভারত থেকে সংগ্রহ করেন আফ্রিকান বারোমাসি আমের কলম। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কিনে আনেন উন্নত জাতের লেবু, লিচু, কমলা, মাল্টাসহ অন্যান্য ফলের বীজ ও চারা। বর্তমানে তার বাগানে আছে ১শ ২০টি আফ্রিকান বারোমাসি আম গাছ।  তার দেখাদেখি অনেকে আগ্রহী হয়ে উঠছেন বারোমাসি আম চাষে। কৃষি বিভাগ এই আমচাষীদের সব ধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দিচ্ছে বলে জানান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা। সরকার মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে সহযোগিতা করবে এমনটাই প্রত্যাশা চাষীদের।

মেহেরপুরে বছরজুড়ে ব্ল্যাকবেবী তরমুজের চাষ: সাবলম্বী যুবক (ভিডিও)

মেহেরপুরে ব্ল্যাকবেবী তরমুজের আবাদ করে কাঙ্খিত সাফল্য পেয়েছেন এক যুবক। বিঘা প্রতি এক লাখ টাকার বেশি লাভ করছেন তিনি। সারা বছরই ফলন হয় ব্ল্যাকবেবী তরমুজের। এই সাফল্য দেখে, অন্য যুবকরাও আগ্রহী হয়ে উঠেছে এই তরমুজ চাষে। মেহেরপুরের গাড়াডোব গ্রামের মাঠে পরীক্ষামূলকভাবে ৫ বিঘা জমিতে ব্ল্যাকবেবী তরমুজের আবাদ করেন আশরাফপুর গ্রামের সাইদুর রহমান। ইন্টারনেটে তাইওয়ানে ব্ল্যাকবেবী জাতের এই তরমুজের বিষয়টি দেখে আবাদের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ৬৬ দিনেই বিঘাপ্রতি তরমুজের ফলন হয়েছে প্রায় দেড়শ’ মণ। প্রতি বিঘায় খরচ ৬০ হাজার টাকা।  লাভ হচ্ছে বিঘা প্রতি এক থেকে দেড় লাখ টাকা। এলাকায় প্রথম আবাদ করা ব্লাকবেবী তরমুজ দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেছে তরমুজ চাষে। আর এই তরমুজের বীজ সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। খেতে সু-স্বাদু হওয়ায় ক্রেতাদেরও আকৃষ্ট করছে ব্লাকবেবী তরমুজ।

বিপুল পরিমাণ জমির পাট নষ্ট, কৃষকরা দুঃশ্চিন্তায় (ভিডিও)

বিবৈরি আবহাওয়া আর শিলা বৃষ্টিতে বিপুল পরিমাণ জমির পাট নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অলস সময় কাটাচ্ছেন নেত্রকোণার চাষীরা।  বিকল্প ফসলেরও কোনো ব্যবস্থা না হওয়ায় পরিবার নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় তারা। বছরের এই সময়টাতে পাট কাটা, পঁচানো এবং আঁশ ছাড়ানোর কাজে চরম ব্যস্ত থাকার কথা নেত্রকোণার চাষীদের। কিন্তু স্বপ্নভাঙার বেদনায় এখন কাটছে তাদের দিন। কৃষকরা জানান, আবাদের শুরুতেই অতি বৃষ্টিসহ বৈরি আবহাওয়ার কবলে পড়ে পাটচাষ। পরে শিলা বৃষ্টিতে নস্ট হয়ে যায় সব। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে জেলার মদন ও আটপাড়া উপজেলায়। ফসল ঘরে তুলতে না পারায় পাটচাষের উপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো রয়েছে চরম দুঃশ্চিন্তায়। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পাটচাষীদের সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন এই কৃষি কর্মকর্তা। চলতি বছর জেলায় প্রায় ৫ হাজার ২০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হলেও সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে অন্তত ৭শ’ হেক্টর জমির পাট। আর বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৪ হাজার প্রান্তিক কৃষক।

জয়পুরহাটে মাল্টা চাষে সাবলম্বী কৃষকরা (ভিডিও)

জয়পুরহাটে শুরু হয়েছে বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ। গাছে ভালো ফল আসতে শুরু করায় খুশি চাষীরা। অধিক ফলন পাওয়ায় প্রথম বছরেই লাভের স্বপ্ন দেখছেন মাল্টা চাষীরা। এদিকে, কৃষি বিভাগ মনে করছে, জয়পুরহাট থেকে মাল্টা চাষ ছড়িয়ে পড়বে উত্তরাঞ্চলের সব জেলায়। জয়পুরহাটে ক্ষেতলাল উপজেলার সমান্তাহার গ্রামের রওশন জামিল। টেলিভিশনে দেখে উদ্বুদ্ধ হন মাল্টা চাষে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে, ২০১৬ সালে সাড়ে সাত বিঘা জমির উপর ৭শ’ গাছ দিয়ে শুরু করেন মাল্টা চাষ। প্রথমে সব মিলিয়ে তার খরচ হয় ৫ লক্ষাধিক টাকা। গাছে ভালো ফল আসায় প্রথম বছরেই খরচের টাকা পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে আশা করছেন মাল্টা চাষী রওশন জামিল। বাগানের পাশাপাশি মাল্টার বীজও করছেন তিনি। জামিলের মাল্টার বাগানে কর্মসংস্থান হয়েছে অনেকের। অনেক চাষীই এখন আগ্রহী হয়েছেন মাল্টার বাগান করতে। মাল্টা বাগান পরিচর্যায় সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য স্থানেও সরবরাহ করার আশা করছেন মাল্টা চাষীরা।

প্রকৃতি সুরক্ষার আহ্বানে বর্ষা উৎসব উদযাপন 

প্রকৃতি সুরক্ষার আহ্বান জানিয়ে সত্যেন সেন শিল্পগোষ্ঠীর আয়োজনে চারুকলার বকুলতলায় হয়ে গেলো বর্ষা উৎসব।  নাচ-গান আর কবিতার ছন্দে বরণ করে নেয়া হয় বাংলার অন্যতম প্রধান ঋতু বর্ষাকে। গাছের চারা বিতরণসহ ছিলো নানা আনুষ্ঠানিকতা। গ্রীষ্মের খরতাপে বিবর্ণ শুষ্ক প্রকৃতি শ্যামল সজীব হয়ে উঠে বর্ষায়। বৃষ্টিধারায় সিক্ত হয় ধরণী। প্রকৃতির মত মানুষের হৃদয়ও নরম-কোমল-আবেগময়।  চারুকলার বকুলতলায় ভোরের কোমল আলোয় রাগ-রাগিনীর মুচ্ছর্ণায় সূচনা হয় উৎসবের। মেঘবরণ সাজে আনেকেই অংশ নেয় উৎসবে। কবিগুরু আর জাতীয় কবির গানে গানে বর্ষা বন্দনা।   কবিতার ছন্দ আর নাচের তালে তালে আহ্বান জানানো প্রকৃতি আর ঋতুবৈচিত্র্য সুরক্ষার।  বর্ষার আছে নিজস্ব সুর, নাগরিক জীবনের কোলাহলে সেই সুরের উপস্থিতি না মিললেও বর্ষাকে উপলব্ধি করার এমন আয়োজনে খুশি বর্ষাপ্রেমীরা।  বর্ষার মত সজীব হয়ে উঠুক মানুষের মন। একই সাথে অপরিকল্পিত উন্নয়ন আর মানবসৃষ্ট দুর্যোগ এড়াতে বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানিয়ে নতুন প্রজন্মের হাতে তুলে দেয়া হয় গাছের চারা।   এসি    

ভরা মৌসুমেও লক্ষ্মীপুরের মেঘনায় মিলছে না ইলিশ

ভরা মৌসুমেও লক্ষ্মীপুরের মেঘনায় ইলিশের দেখা না পেয়ে হতাশ জেলেরা। জালে মাছ ধরা পড়ছে না। ফলে মহাজনদের দাদন ও এনজিও থেকে নেওয়া লাখ লাখ টাকা ঋণের বোঝা মাথায় করে দিন কাটছে তাদের। বেকার হয়ে পড়ছেন হাজার হাজার জেলে। জুন থেকে আগস্ট মেঘনায় মাছ শিকারের ভরা মৌসুম। কিন্তু এ বছর  নদীতে তেমন মাছ না থাকায় হতাশ জেলেরা। ভরা মৌসুমেও মিলছে না রুপালী ইলিশের দেখা। জেলেরা বলছেন, দিন রাত নদীতে জাল ফেলে যে পরিমাণ মাছ পাচ্ছেন তা বিক্রি করে পরিবার নিয়ে চলতে হিমশিম খাচ্ছে তারা। সেইসঙ্গে বাড়ছে মহাজনের দাদনসহ লাখ লাখ টাকা ঋণের বোঝা। নদীতে মাছ না পাওয়ায় বেকার হয়ে পড়েছে জেলার প্রায় ৬৫ হাজার জেলে। ফলে অনেকটাই অলস সময় কাটছে আড়তদারদের। তবে নিরবিচ্ছিন্ন পানির প্রবাহ ও বৃষ্টিপাত হলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নদীতে মাছ পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন জেলা মৎস কর্মকর্তা। প্রজনন মৌসুমে সরকারি আইন মেনে নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রাখলে নদীগুলো আবারো রুপালী ইলিশের অভয়ারণ্য হয়ে উঠবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। একে//

বরগুনায় মুগডালের বাম্পার ফলন (ভিডিও)

মুগডালের বাম্পার ফলন হয়েছে বরগুনায়। বারি-৬ জাতের এ ডাল রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে। লাভ বেশি হওয়ায় ডাল চাষে কৃষকের আগ্রহও বাড়ছে। তাদের উৎসাহ দিতে সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে স্থানীয় কৃষি অফিস। এবার প্রথম বারের মতো বরগুনায় চাষ করা হয়েছে বারি-৬ জাতের মুগডাল। প্রথম বারেই বাম্পার ফলন পেয়ে উচ্ছসিত কৃষকরা। অন্যান্য জাতের মুগডালের কেজি যেখানে ৪০ টাকা। সেখানে বারি-৬ জাতের মুগডাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। একটি বেসরকারী সংস্থা ৫০০ কৃষককে বারি-৬ জাতের মুগডালের বীজ দিয়েছিলো। জাপানে এই জাত রপ্তানীও করছে সংস্থাটি। চাষাবাদে পরামর্শসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিচ্ছে কৃষি অফিস। বরগুনায় এবছর ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে মুগের চাষ হয়েছে, যা গত বছরের থেকে ১০ হাজার হেক্টর বেশি।  

খামারবাড়িতে মিলছে সতেজ ও বিষমুক্ত ফল

ফলদ বৃক্ষ রোপন এবং রাজধানীর মানুষের ফল সর্ম্পকে পরিচিতি করিয়ে দেওয়ার জন্য ‘অপ্রতিরোধ্য দেশের অগ্রযাত্রা, ফলের পুষ্টি দেবে নতুন মাত্রা’ –স্লোগানে নিয়ে রাজধানীর খামারবাড়িতে শুরু হয়েছে ‘জাতীয় ফল প্রদর্শনী ২০১৮’। যেখানে সতেজ ও বিষমুক্ত দেশীয় হরেক রকমের জানা-অজানা ফল মিলছে। গতকাল শুরু হয় মেলা চলবে আগামী ২৪ জন পর্যন্ত। এছাড়া একই দিন থেকে শুরু হয়েছে ফলদ বৃক্ষ রোপণ পক্ষ। যা শেষ হবে ৬ জুলাই। রোজ সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এ প্রদর্শনী চলবে। এতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন ছাড়াও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ৭৫টি স্টল বসেছে। মেলায় প্রায় ১৩০ প্রজাতির ফলের একাধিক জাত প্রদর্শিত হচ্ছে। শনিবার দুপুরে প্রদর্শনী ঘুরে দেখা যায়, সারাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সংগ্রহকরা ফল বিভিন্ন স্টলগুলোতে প্রদর্শনীর জন্য রাখা হয়েছে। যে ফলগুলো সব গ্রাম থেকে সংগ্রহ করা। ফলে একেবারে সতেজ ও বিষমুক্ত। এছাড়া, আম, কাঁঠাল, কলা, পেঁপে, লিচু, আনারস ছাড়াও সেখানে স্থান পেয়েছে কাউফল, কামরাঙা, জাম, মারফা, অরবরই, খেজুর, পেয়ারা, আমড়া, বেতফল, নারিকেলী লেবু, আদাজামির, জরালেবু, লটকন, আমলকি, বেল, সুপারি, সিডলেস লেবু, সাতকরা, রাম্বুটান, তৈকর, ড্রাগনফল, করমচা, জাম্বুরা, ল্যাংশায়ার, কদবেল, কাঠবাদাম, ডুমুর, জামরুল, চালতা, বিলিম্বি, নারকেল, আশফল, আঙ্গুর, বিলাতি গাব, সফেদা, জামরুল ও তালের মতো ফল। সরকারি স্টলগুলোতে এসব ফল রয়েছে শুধু প্রদর্শনীর জন্য।বিক্রির জন্য সেসরকারি উদ্যোগে আলাদাভাবে রাখা হয়েছে।প্রদর্শনীটি বেসরকারি চাকরিজীবী আতিকুল ইসলাম বলেন, এখান থেকে র্নিভয়ে ফল নেওয়া যায়।সরকারি উদ্যোগে এখানে ফল সংগ্রহ হয়। ফলে কোন ক্যামিক্যাল ব্যবহার করা হয়না। খুব ভাল লাগছে।আগামী কাল সময় পেলে আবার আসবো। রাজীব নামে এক দর্শনার্থীর তার ৮ বছরের ছোট মেয়েকে শিরিনাকে নিয়ে আসছে মেলাতে। বিভিন্ন ফলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে। শিরিনা এতো ফল একসঙ্গে দেখে অনেক আনন্দ পাচ্ছিলো।  বেসরকারি স্টলগুলো থেকে আসা দর্শনার্থীরা সুনির্দিষ্ট ও সাশ্রয়ী মূল্যে রাসায়নিকমুক্ত বিভিন্ন জাতের ফল ক্রয় করতে পেরে ব্যাপক আনন্দ প্রকাশ করেছে কাছে। তবে সেসব স্টলগুলোতে রয়েছে শুধু আম, কাঁঠাল, আনারস, ড্রাগনফল, লিচু, কলার মতো কয়েকটি ফল। এসব বিক্রেতাদের কেউবা সরাসরি কৃষক বা নিজের চাষকৃত ফল বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছেন। বাকিটা বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের স্টল। এব্যাপারে জানতে চাইলে কৃষি  সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর উপ পরিচালক মফিদুল ইসলাম একুশে টিভি অনলাইনকে বলেন, ফলদ গাছ রোপন এবং ফল সর্ম্পকে রাজধানীর মানুষের পরিচিত করতে এই  প্রদর্শনীরর আয়োজন করা হয়েছে। এবারের ফল মেলায় ৯টি সরকারি ও ৫১টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মোট ৮১টি স্টল রয়েছে। মেলায় আমের ১০২টি জাতসহ ৯৯ প্রজাতির ফল প্রদর্শন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রচলিত ফল ৫৪, অপ্রচলিত ৩৬ ও বিদেশি ফলের জাত ৯টি রয়েছে। এছাড়াও মেলায় রয়েছে জাতীয় ফল কাঁঠালের একটি বিশেষ কর্নার। মেলা রোজ সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।  টিআর/ এআর  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি