ঢাকা, শনিবার, ২৩ জুন, ২০১৮ ২৩:৪৫:১০

দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো

দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে মেক্সিকো

রাশিয়া বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছে মেক্সিকো। শনিবার রস্তোভে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মেক্সিকো জিতেছে ২-১ গোলে। এদিকে প্রথম ম্যাচে জার্মানি এবং আজকের ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে নকআউট পর্বে খেলা নিশ্চিত করেছে মেক্সিকো। অপরদিকে টানা দুই হার নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে পড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। খেলার ২৬ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল পেয়ে এগিয়ে যায় মেক্সিকো। গোলটি করেন কার্লোস ভেলা।  প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ৬৬ মিনিটে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন জেভিয়ার হার্নান্দেজ। সতীর্থের বাড়ানো বল ধরে চমৎকার প্লেসিং শটে লক্ষভেদ করেন তিনি। দক্ষিণ কোরিয়া শেষ সময়ে একটি গোলের দেখা পান। বক্সের বাইরে থেকে সন হিউং মিন চমৎকার শটে লক্ষ্যভেদ করেন। অবশ্য শেষ পর্যন্ত দলের হার এড়াতে পারেননি। এমএইচ/ এসএইচ/    
রাশিয়া বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক কে?

রাশিয়া বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত প্রথম রাউন্ডের খেলা শেষ হয়নি। এরইমধ্যে চারগোল করে করে ফেলেছেন পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং বেলজিয়ামের তারকরা রোমেলু লুকাকো। নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে একাই হ্যাটট্রিক করেন পর্তুগিজ তারকা রোনালদো। পরের ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষেও গোল করে দলকে জিতিয়ে আনেন রোনালদো। অন্যদিকে দুই ম্যাচেই চার গোল করেছেন রোমেলু লুকাকো। তিউনিসিয়ার বিপক্ষে আজকে জোড়া গোল করেন লুকাকো। এতেই রোনালদোর পাশে নাম লেখান তিনি। গত বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক ছিল থমাস মুলার। তার গোল সংখ্যা ছিল ৭। এবার দেখা যাক, থমাস মুলারকে কে আগে ছাড়িয়ে যায়। এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক যৌথভাবে আছেন ব্রাজিলের রোনালদো ও মুলার। তাহলে এবার কি সেই রেকর্ড ভেঙ্গে যাচ্ছে? তাহলে কে ভাঙছে সেই রেকর্ড। লুকাকো নাকি রোনালদো। জানতে হলে চোখ রাখুন রাশিয়ায়। এমজে/

আর্জেন্টাইন গোলকিপারকে হত্যার হুমকি

চ্যাম্পিয়ন লিগের ফাইনালের কথা নিশ্চই মনে আছে। গোলকিপার লোরিস কারিয়াসের দুই ভুলের কারণেই সেদিন চ্যাম্পিয়ন লিগের ট্রফিটা লিভারপুলের কাছ থেকে ফসকে গেছিল। আর সেদিনই হত্যার হুমকি পেয়েছিল কারিয়াস। এবার সেই হত্যার হুমকিরই যেন পুনরাবৃত্তি ঘটল।  বিশ্বে জুড়েই আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের কোটি কোটি ভক্ত-সমর্থক। দল জিতলে তারা যেমন আনন্দ মিছিল বের করেন ঠিক তেমনি হারলে হৃদয় ভাঙে তাদের। দলের পরাজয়ের জন্য মেসিদের পাশাপাশি সমালোচনা হচ্ছে গোলরক্ষক উইলি কাবোয়েরোকে নিয়ে। উগ্রবাদী সমর্থকরা আর্জেন্টিনার গোলরক্ষককে হত্যারও হুমকি দিয়েছেন। রাশিয়া বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ব্যাক পাস ক্লিয়ার করতে গিয়ে ক্রোয়েশিয়ার রিবেকের হাতে তুলে দেন কাবোয়েরো। রিবেক এক মুহূর্তও দেরি না করে বল পাঠিয়ে দেন জালে। আর সেই গোলইতো ওইদিন আর্জেন্টিনাকে এলোমেলো করে দিয়েছে। এমন একটা ভুলের জন্য কাবায়েরো নিজেও অনুতপ্ত। তবে অনুতপ্ত হলেও আর্জেন্টাইন ভক্তরা মানতে পারছেন না। এমজে/

শেষ ষোলোর পথে মেক্সিকো

জার্মানিকে হারিয়ে শুরুটা দারুণ করেছিল মেক্সিকো। হট ফেভারিটদের কাতারে না থাকলেও শীর্ষদল জার্মানকে হারিয়ে ফেভারিটের তালিকায় উঠে এসেছে তারা। এদিকে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে আজই দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করতে চায় দলটি। তাই শুরু থেকেই আক্রমণে যায় দলের স্ট্রাইকাররা। সেই যাত্রায় এখন পর্যন্ত সফল মেক্সিকো। কোরিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে গিয়েছে ১৬বারের মতো বিশ্বকাপের আসরে খেলতে আসা দলটি। ২৬ মিনিটে পেনাল্টিতে গোল পায় কার্লোস ভেলা। এবারের বিশ্বকাপটা যেন পেনাল্টিময় হয়ে গেছে। প্রায় প্রতি ম্যাচেই ঘটছে পেনাল্টির ঘটনা। আক্রমণ দাগানো লোজানোর শট ডি বক্সে হাত দিয়ে ঠেকিয়ে দেন দক্ষিণ কোরিয়ার ডিফেন্ডার জ্যাং হিউন সু। এতে সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তা থেকে ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে জড়ান ভেলা। এমজে/

সাম্পাওলির ওপর এবার চটেছেন আগুয়েরো

ক্রোয়েশিয়ার কাছে হারের সব দায় আগেই নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন আর্জেন্টাইন কোচ হোর্হে সাম্পাওলি। তবে দায় নিজের কাঁধে নিলেও আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের একহাত নিয়েছেন তিনি। তার অভিযোগ তার রণকৌশলের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারছে না ফুটবলাররা। এর জের ধরেই সাম্পাওলির ওপর বেজায় চটেছেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার আগুয়েরো। বিশেষ করে পাভোন, দিবালার মতো খেলোয়াড়দের কেন বেঞ্চে বসিয়ে রেখেছিলেন সাম্পাওলি। এতে আরও বেজায় চটেছেন সাবেক কোচ ম্যারাডোনাও। এদিকে সংবাদ মাধ্যম বলছে, আগুয়েরো, মেসিরা নাকি নাইজেরিয়া ম্যাচের আগেই সাম্পাওলিকে ছাটাইয়ের পক্ষে মত দিয়েছেন। এদিকে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর ৯ মিনিটের মাথায় তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেন সাম্পাওলি। তবে এ বিষয়ে আগুয়েরো অবশ্য কিছু বলেননি। হারের পর বিমূঢ় হয়ে বেঞ্চে অনেকক্ষণ বসে ছিলেন আগুয়েরো। আগুয়েরো এর জবাবে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও বুঝিয়ে দিয়েছেন, কোচের কথাটা তাঁর ভালো লাগেনি। ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে আর্জেন্টিনার এই ফরোয়ার্ড বলেন, ‘সে যা খুশি বলতে পারে। রাগ ও দুঃখ—দুটোই লাগছে, যদিও এখনো সুযোগ আছে।’ এমজে/

চেচনিয়ার নাগরিকত্ব পেলেন সালাহ

রাশিয়ার নিয়ন্ত্রিত চেচনিয়া প্রজাতন্ত্রের নাগরিকত্ব পেয়েছেন নন্দিত ফুটবলার মুহম্মদ সালাহ। বিশ্বকাপে অনুশীলনের জন্য চেচনিয়া প্রজাতন্ত্রের একটি ভেন্যু দেওয়া হয়েছিল মিসরকে। সে সময় মিসরের তারকা ফুটবলার সালাহর সঙ্গে দেখা করেন চেচনিয়ার নেতা রমজান কাদিরভ। সে সময় সালাহতে মুগ্ধ হন কাদিরভ। এর জের ধরেই সালাহকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের জিয়ো টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কাদিরভকে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘সালাহ এখন চেচনিয়ার একজন সম্মানিত নাগরিক। আজ রাতে আমি এই ফরমান জারি করি মিসর ও লিভারপুলের তারকা মোহাম্মদ সালাহকে নিয়ে। তিনি বর্তমানে একজন আন্তর্জাতিক সুপারস্টার। আজ (শনিবার) রাতে নৈশভোজে সালাহকে চেচনিয়ার একটি মর্যাদাপূর্ণ ব্যাজ ও জারি করা ফরমানের কপি দেওয়া হবে।’ এদিকে টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়, কাদিরভ সালাহকে নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে একটি ডিক্রি জারি করেছে। শুধু তাই নয়, তাকে একটি মেডেলও পরিয়ে দিয়েছে। মিশরীয় টিমের সম্মানে একটি ডিনার পার্টির আয়োজনকালে তাকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। কাদিরভ বলেন, সালাহ আমাদেরকে ধন্য করেছে। এমজে/

বেলজিয়াম ২- তিউনিস ১

বেলজিয়াম-তিউনেসিয়া ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে দুই দল। বিশ্বকাপের এই প্রথম কোনো ম্যাচে মুহূর্মুহু আক্রমণের চিত্র দেখছে ফুটবল প্রেমীরা। খেলার মাত্র ১৮ মিনিটেই তিন গোল দেখে ফেলেছে দর্শকরা। এর দুইটিই দিয়েছে বেলজিয়াম। বাকি একটি পরিশোধ করেছে তিউনিসিয়া। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পেনাল্টিতে এগিয়ে গেল বেলজিয়াম। খেলার মাত্র ৬ মিনিটেই পেনাল্টি পায় বেলজিয়াম। আর পেনাল্টির সেই সুযোগ কিছুতেই হাতছাড়া হতে দেননি বেলজিয়ামের মিড ফিল্ডার এডেন হাজার্ড। গোলপোস্টের বামদিকের কর্ণারের দিকে নেওয়া হাজার্ডের শট সরাসরি জালে গড়ায়। এতেই এগিয়ে যায় সাদা জার্সিধারীরা। শুরু থেকেই তিউনিসিয়ার গোলপোস্টে আক্রমণ চালায় সাদা জার্সিধারীরা। মুহূর্মুহু আক্রমণ ঠেকাতে ব্যস্ত তিউনিস গোলকিপার ফারুক বিন মুস্তাফা। এরপর ৫ মিনিটেই ডি বক্সের ভেতরে সিয়াম বেন ইউসুফ এডেন হাজার্ডকে ট্যাকল করে বসে। এতেই পেনাল্টি পায় বেলজিয়াম। পরে নিজেই তিউনিস গোল পোস্ট লক্ষ্য করে শট নেয় হাজার্ড। পেয়েও যান গোল। এদিকে খেলার ১৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রোমেরু লাকাকু। তবে গোল পরিশোধে মরিয়া তিউনিসিয়াও খেলার মাত্র ১৮ মিনিটেই একগোল পরিশোধ করে। দয়লান ব্রাউন খেলার ১৮ মিনিটে গোল করে ব্যবধান ২-১ করেন। এমজে/

জার্মানি-সুইডেন হেড টু হেড: কে এগিয়ে?

রাত ১২টায় মাঠে নামছে জার্মানি-সুইডেন। বাঁচা-মরার লড়াইয়ে জার্মানি আজ সুইডেনকে ছেড়ে কথা বলবে না, এটাই অনুমিত। অন্যদিকে হারলেই বাড়ির পথ ধরবে জার্মানরা, এমন সমীকরণকে সামনে রেখে সুইডেন বধে মাঠে নামবে ম্যানুয়েল নয়্যার-সামি খেদারারা। আবার জার্মানদের হারাতে পারলেই দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত সুইডেনের। তাই জার্মানিকেও বিন্দু পরিমাণ ছাড় দিতে নারাজ এমিল ফোর্সবার্গরা। জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা দুই দলের শক্তিমত্তাও দলের অ্যাটাকিং পজিশন কেন্দ্র করে। দুদলের মধ্যে শক্তি-সামর্থে কে এগিয়ে রয়েছে? পরিসংখ্যানে চোখ বুলিয়ে দেখা যাক কে এগিয়ে? র‌্যাঙ্কিংয়ে সুইডেনের চেয়ে জার্মান এগিয়ে রয়েছে যোজন যোজন ব্যবধানে। র‌্যাঙ্কিংয়ে জার্মানি রয়েছে শীর্ষে। অন্যদিকে সুইডেন রয়েছে ২৪ নম্বরে। এদিকে ম্যাচের সংখ্যা হিসেবেও জার্মান এগিয়ে। দুদলের মধ্যে ৩৬ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টিতেই জয় পায় জার্মানি। ১২টিতে জয় পায় সুইডেন। ৯টি ড্র রয়েছে। এদিকে বিশ্বকাপে সুইডেনের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে রয়েছে জার্মানি। বিশ্বকাপে ৪ ম্যাচের ৩টিতেই জয় রয়েছে জার্মানির। অন্যদিকে সুইডেনের জয় ১টিতে। গোলের দিক দিয়েও জার্মানি এগিয়ে। সুইডেনের জালে জার্মানরা বল পাঠিয়েছে ৭০ বার। অন্যদিকে জার্মানদের জালে সুইডেন বল পাঠিয়েছে ৬০ বার। এদিকে ১৯৭৮ সালের পর জার্মানিদের হারাতে পারেনি সুইডেন। তবে ২০১৪ সালে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্রথম লেগে ৪-৪ গোলে ড্র করে দুই দল। এটাই সুইডেনের সান্ত্বনার জায়গা। এমজে/

হারলেই বাড়ির টিকিট ধরবে জার্মানি

২০০৬ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ইতালি। অথচ পরের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নেয় দলটি। ২০১০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন স্পেন। অথচ ২০১৪ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেয় লাল জার্সিধারীরা। এই পরিসংখ্যানেরই সামনে দাঁড়িয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানি। প্রথম ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে হেরে খাদের কিনারে চলে গেছে দলটি। তাই আজকের ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে হারলে বাড়ির টিকিট ধরতে হবে ওজিলদের। আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় মাঠে নামছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানি ও সুইডেন। হারলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হবে, এমন সমীকরণ সামনে রেখে মাঠে নামছে দুই দল। তাই আজকের ম্যাচটিই দুই দলের কাছে অলিখিত ফাইনাল হয়ে গেছে। প্রথম ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে ১-০ গোলে হেরে এমনিতেই বিপাকে রয়েছে জার্মানি। তা ছাড়া প্রথম ম্যাচে খাপছাড়া পারফরম্যান্স তো জার্মানি শিবিরকে মারাত্মকভাবে ভোগাচ্ছে। বিশ্বকাপে জার্মানির প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়ার ঘটনাটা আজ থেকে ৮০ বছর আগের। ১৯৩৮ সালে বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেয় দলটি। আগামী ১৫ জুলাই রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। আর ফাইনাল খেলার আগে প্রতিটি ম্যাচই জার্মানির জন্য ফাইনাল হয়ে পড়েছে। এজন্যই দলটির অধিনায়ক ম্যানুয়েল নয়্যার বলেছেন, আমাদের প্রতিটি ম্যাচই এখন ফাইনাল। প্রতিটি খেলা-ই নক আউট পর্বের খেলা। হারলেই বাড়ির টিকিট ধরতে হবে। মেক্সিকোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হারের বড় কারণ দুর্বল রক্ষণভাগ। বিশেষ করে জার্মানির গতিশীল ফুটবল সেদিন ছিল অনুপস্থিত। শুধু গতি-ই অনুপস্থিত ছিল, তা না দলটির মধ্যে কোনো ধরণের সমন্বয় ছিল বলে মনে হচ্ছিল না। তাই সুইডেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার আগে জার্মান শিবির বলছে, সুইডেন বধ করেই দ্বিতীয় রাউন্ড খেলার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখবে দলটি। সুইডেন ও মেক্সিকো ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের পথে এক পা দিয়ে রেখেছে। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানি একম্যাচ করে হেরে খাদের কিনারে দাড়িয়ে রয়েছে। আজ হারলেই জার্মানি বাড়ির টিকিট ধরবে। অন্যদিকে সুইডেন উঠে যাবে দ্বিতীয় রাউন্ডে। তাই বাঁচা মরার লড়াইয়ে সুইডেনের সঙ্গে কেমন খেলে মুলাররা এটাই এখন দেখার বিষয়।  এমজে/  

আর্জেন্টিনার ব্যর্থতায় ট্রলের শিকার মেসিপত্নী

গত বৃহস্পতিবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয় আর্জেন্টিনা। ৩-০ গোলের ওই পরাজয়ে একপ্রকার অনিশ্চিত হয়ে পরে আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় রাউণ্ডে ওঠার সম্ভাবনা। কিন্তু আর্জেন্টিনার ব্যর্থতার দায়ভার যেন পরে একা মেসির স্ত্রী’র ওপর। ইন্টারনেট জগতে ট্রল হয়রানির শিকার হন অ্যান্টোনিলা রকুজু। চলতি রাশিয়া বিশ্বকাপে মেসিকে আর্জেন্টিনা থেকেই উৎসাহ যুগিয়ে যাচ্ছেন তার স্ত্রী অ্যান্টোনিলা রকুজু। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে মেসিদের উৎসাহ দিতে নিজেদের তিনমাস বয়সী ছেলের ছবিসহ একটি বার্তা পোস্ট করেন ইন্সটাগ্রামে। সেই বার্তায় লেখা ছিল ‘#ভ্যামোসপাপি” যার অর্থ “এগিয়ে যাওয়া বাবা”। কিন্তু ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার প্রথম গোলের পর থেকেই উত্তেজিত আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ক্ষোভ উগড়ে পর অ্যান্টোনিলার দিকে। একের পর এক ট্রলের শিকার হতে থাকেন তিনি। এক সমর্থক ঐ পোস্টের নিচে মন্তব্যে লেখেন, “বাবা ব্যর্থ”। আরেকজন লেখেন, “আর্জেন্টিনা যখন নক আউট পর্বের বাদ পরবে, দল ‘বাবা’ বাসায় চলে আসবে। আরেক দর্শক নাইজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শেষ ম্যাচকে উদ্দেশ্য করে লেখেন, “আমি আশা করি আপনি মেসিকে বলবেন যেন নাইজেরিয়ার বিপক্ষে তারা ভালো খেলে”। তবে একপক্ষ ট্রল করলেও বেশিরভাগ সমর্থকদের পাশে পেয়েছেন অ্যান্টোনিলা। অনেকেই এসব মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সূত্রঃ এনডিটিভি //এস এইচ এস//

রোমারিওকে ছাড়িয়ে নেইমার, খুশি তিতে

ব্রাজিল ফুটবলের বেশ কয়েকজন জীবন্ত কিংবদন্তির মধ্যে রোমারিও নামটি উপরের সারিতে। পেলে-রোনালদোর পরেই হয়তো এই নামটি উচ্চারিত হয় ব্রাজিল সমর্থকদের কন্ঠে। রোমারিওকে ছুতে হলে অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে নেইমারকে। এর আগে অন্তত গোলের দিক দিয়ে তাঁকে ছাড়িয়ে গেলেন নেইমার। আজ ইনজুরি টাইমে কোস্টারিকার বিপক্ষে তাঁর গোলটা ছিল ব্রাজিলের জার্সিতে ৫৬তম। এতদিন ৫৫ গোল নিয়ে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে ছিলেন রোমারিও। এখন এককভাবে ব্রাজিলের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলের কীর্তি নেইমারের। সামনে কেবল ৬২ গোল করা রোনালদো আর ৭৭ গোল করা পেলে। ইনজুরির জন্য প্রায় সাড়ে তিন মাস মাঠের বাইরে থেকে ফিরেছেন নেইমার। বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। ব্রাজিলজুড়ে বয়ে যায় সমালোচার ঝড়। দলের বদলে নিজের জন্য খেলছেন-উঠে এমন অভিযোগও। এজন্যই আজ গোল করে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি। তাঁর গোলে খুশি কোচ তিতে। তিনি বলেন, ‘নেইমার কিন্তু মানুষ, ভুলে যাবেন না। সেরে উঠে পুরো ছন্দে ফিরতে সবারই সময় লাগে। আমরা দল হয়ে ভালো খেলেছি। নেইমারও ভালো খেলেছে।’ অভিনয়ের জন্য রেফারি বাতিল করেছেন নেইমারের আদায় করা পেনাল্টি। তবে তিতের চোখে পেনাল্টিই ছিল সেটা, আমরা রেফারি বা কারও সাহায্য নিয়ে জিততে চাই না। এর দরকারও নেই। আমার চোখে ওটা পেনাল্টিই ছিল। আমি রেফারি হলে বাতিল করতাম না সিদ্ধান্তটা। নেইমারের ছায়া থেকে বের হয়ে এসেছেন ফিলিপে কৌতিনিয়ো। টানা দুই ম্যাচে গোল করেছেন বার্সার এই তারকা। তারপরও ফিট নেইমারকে পেয়ে খুশি তিনি। বলেন, ব্রাজিলের হয়ে যখন খেলবেন তখন অনেক বড় দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হয়। শেষ পর্যন্ত হাল না ছেড়ে ইনজুরি টাইমে দুই গোল আদায় করেছি আমরা। নেইমারের অনেক কঠিন সময় গেছে। ও গোল পাওয়ায় সবাই খুশি আমরা। / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি