ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১৮ ১২:০৫:৫০

লাইভে নারী সাংবাদিককে যৌন হয়রানি

লাইভে নারী সাংবাদিককে যৌন হয়রানি

বিশ্বকাপ খেলা কভার করতে গিয়ে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন এক নারী সাংবাদিক। সরাসরি সম্প্রচারের সময় তিনি যৌন হয়রানির শিকার হন ইএসপিএনের এই ফ্রিল্যান্স কর্মী। সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম ডয়চে ভেলের স্প্যানিশ সংবাদ চ্যানেলের জন্য খবর সংগ্রহ করছিলেন ইএসপিএনের হুলিয়েত গঞ্জালেজ থেরান। এ সময় তাঁকে যৌন হয়রানি করে দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যান একজন ব্যক্তি।সরাসরি সম্প্রচারে সংবাদ উপস্থাপন করার সময় ওই ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করে পালিয়ে যান। গঞ্জালেজ নিজেকে সামলে নেন। নিজের কাজ শেষ করেন।জার্মান সম্প্রচারমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে গঞ্জালেজ থেরান বলেন, সরাসরি সম্প্রচারের জন্য তিনি প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ঘটনাস্থলে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। এ সময় তিনি কোনো সমস্যায় পড়েননি। যখনই সরাসরি সম্প্রচারের কাজ শুরু হয়, তখনই পরিস্থিতির সুযোগ নেন যৌন হয়রানিকারী। কাজ শেষ হওয়ার পর ওই ব্যক্তিকে আমি খুঁজে বের করার চেষ্টা করি। কিন্তু ততক্ষণে তিনি পালিয়েছেন।যৌন নিগ্রহের এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়ার পর নারী সাংবাদিকদের প্রতি আরও শ্রদ্ধাপূর্ণ আচরণ করার আহ্বান জানান গঞ্জালেজ থেরান। তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কাম্য নয়। নারী সাংবাদিকেরা পুরোপুরি পেশাদার এবং কাজের জন্য যোগ্য। আমি ফুটবলের খবর কাভার করে আনন্দ পাই। সেই সঙ্গে আমাদের ভালোবাসা ও হয়রানির মাত্রাটাও বোঝা দরকার।’গঞ্জালেজ থেরানকে হয়রানিকারী ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যায়নি।সূত্র : ডয়েচে ভেলে।/ এআর /
ম্যারাডোনা সতীর্থদের যে সাপোর্ট পেতেন মেসি তা পান না : ক্যানেজিয়া

আইসল্যান্ডের বিপক্ষে গত ম্যাচে পেনাল্টি মিস করায় মেসির সমালোচনা এখন মুখে মুখে। তার পেনাল্টি সামর্থ্য নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বলেছেন মেসি বার্সায় পারফর্মের জন্য মুখিয়ে থাকেন, তার জন্ম আর্জেন্টিনার জন্য নয়। এমন দু:সময়ে  মেসির পাশে দাঁড়িয়েছেন তার সতীর্থ ও সাবেক ফুটবলাররা। আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা ফুটবলার ক্লসিয়ো ক্যানিজিয়া বলেছেন,‘মেসি সতীর্থদের কাছ থেকে সেই সাহায্য পায় না, যা ম্যারাডোনা পেতেন। সব দায় তো আর মেসির ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত না। তা হলে অন্যরা মাঠে নেমে কী করছে?’ আর এর্নান ক্রেস্পো বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ না জিততে পারলেও মেসির ঔজ্জ্বল্য এতটুকু কমবে না। এ রকম অনেক ফুটবলারই আছে, যারা বিশ্বকাপ না জিতেও কিংবদন্তি হয়ে রয়েছে। ইয়োহান ক্রুয়েফ বা মিশেল প্লাতিনিকেই দেখুন। মেসিও সে রকমই। ও দুর্দান্ত ফুটবলার। বিশ্বকাপ ওর প্রাপ্য। কিন্তু না পেলেও কিছু আসে যায় না। ও গ্রেট-ই থাকবে।’মেসি অবশ্য আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে জিততে না পারার সব দায়িত্ব নিজের কাঁধেই নিয়েছেন। প্রাক্তনদের মতো মেসির সমর্থনে মুখ খুলেছেন তাঁর আর্জেন্টাইন সতীর্থেরাও। যেমন স্ট্রাইকার পাওলো দিবালা। যাঁর মতে, ‘আমরা সবাই ওর পাশে আছি। আমরা ওকে প্রতি মুহূর্তে সাহায্য করছি।’ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান আনসালদি জানাচ্ছেন, মেসি মোটেই চাপে নেই। তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনার ফুটবলে মেসি কী, তা সবাই জানে। মাঠের বাইরেও ও সেরা। ও একেবারে স্বাভাবিক আছে, মোটেই চাপে নেই। আর এটা আমাদের পক্ষেও ভাল।’এত শুভেচ্ছা, ভালবাসা নিয়ে আজ ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন কি না মেসি, তা জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছে গোটা বিশ্ব। সূত্র : আনন্দবাজার।/ এআর /

মেসিকে সমালোচনায় কান দিতে বারণ মায়ের

আইসল্যান্ডের বিপক্ষে গত ম্যাচে পেনাল্টি মিস করায় মেসির সমালোচনা এখন মুখে মুখে। তার পেনাল্টি সামর্থ্য নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বলেছেন মেসি বার্সায় পারফর্মের জন্য মুখিয়ে থাকেন, তার জন্ম আর্জেন্টিনার জন্য নয়। এমন দু:সময়ে সন্তানের পাশে মেসির মা সেলিয়া। সমালোচনায় কান দিতে বারণ করেছেন ছেলেকে। সেলিয়া আর্জেন্টিনার রোসারিয়োতে বসে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বলেছেন, ‘যাঁরা বলছেন, আমার লিয়ো দেশের চেয়ে ক্লাবকে বেশি ভালবাসে, তাঁরা ভুল করছেন। দেশের ব্যর্থতায় ওকে যেভাবে হতাশ হয়ে ভেঙে পড়তে দেখেছি, তা যদি তাঁরা দেখতেন, তা হলে এ কথা বলতে পারতেন না। তাই কাউকে এমন কথা বলতে শুনলে খুব খারাপ লাগে।’আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়া যে মেসির সব চেয়ে বড় স্বপ্ন, তাও জানিয়ে দিয়ে গর্বিত মা বলেন, ‘বিশ্বকাপ জয়ের ব্যাপারে ও খুবই আশাবাদী। ওকে আমি বার বার বলেছি, ‘তোমার যা ভাল লাগে, তাই করবে। মাঠে নেমে খেলাটা উপভোগ করবে, যেমন ছোটবেলায় করতে।’ পরিবারের সবাই যে ওর পাশে আছে, তাও জানিয়ে দিয়েছি। মেসির সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, একেবারেই চাপে নেই-যোগ করেন সেলিয়া।ফুটবল পণ্ডিতদের অবশ্য মনে হচ্ছে, মেসি খুব চাপে রয়েছেন। আর্জেন্টিনার ফুটবল কিংবদন্তী ম্যারাডোনা অবশ্য আর্জেন্টিনা অধিনায়কের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। প্রথম ম্যাচে আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে ড্রয়ের পরেই বলেছিলেন, ‘প্রথম ম্যাচে মেসি যতটুকু পেরেছে দিয়েছে। ওর কোনও দোষ দেখছি না।’ তিনি বরং কোচ সাম্পাওলিকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। ম্যারাডোনা বলেছেন, ‘এই পারফরম্যান্স থাকলে সাম্পাওলিকে আর আর্জেন্টিনায় ফিরতে হবে বলে মনে হয় না!’এত শুভেচ্ছা, ভালবাসা নিয়ে আজ ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন কি না মেসি, তা জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছে গোটা বিশ্ব। সূত্র : আনন্দবাজার।/ এআর /

আর্জেন্টিনার ১২৮০ ফুট পতাকা

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় মেতে উঠেছে বিশ্ব। বাংলাদেশও এর ব্যাতিক্রম নয়। ভক্তরা তাদের পছন্দের দলের খেলোয়ারদের জার্সি গায়ে জড়াচ্ছেন। পতাকাও শোভা পাচ্ছে ঘরের ছাদে ছাদে।এবার ১২৮০ ফুট পতাকা তৈরি করে শিরোনামে এসেছেন রাজশাহীর বাঘার আর্জেন্টিনার এক ভক্ত। এই পতাকা দেখার জন্য ভিড় করছেন অনেকেই। আড়ানী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাহাপুর রাস্তায় বেশক’টি দোকানের উপর দিয়ে ঝুলানো হয়েছে আর্জেন্টিনার এই পতাকা। ১২৮০ ফুট দৈর্ঘের পতাকাটি ঝুলিয়েছেন সাহাপুর গ্রামের রজফ আলী। তিনি একজন গুড় ব্যবসায়ী। পতাকাটি তৈরি করতে তার খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। পতাকাটি সাহাপুর থেকে বেড়েরবাড়ি পর্যন্ত আধা কিলোমিটার এলাকাজুড়ে টাঙানো রয়েছে। / এআর /

কোস্টারিকার বিপক্ষে আমরা দারুণ খেলবো : নেইমার

সুইজারল্যান্ড ম্যাচের হতাশায় মোড়ানো মুহূর্তগুলো কাটিয়ে ফের মাঠে নামছে আত্মপ্রত্যয়ী ব্রাজিল। কাল শুক্রবার কোস্টারিকার বিপক্ষে মাঠে নামছে নেইমার বাহিনী। প্রথম ম্যাচে ১০ বার ফাউলের শিকার হওয়া নেইমার প্রথম দুই-তিনদিন অনুশীলনই করতে পারেন নি। শেষ পর্যন্ত বুধবার অনুশীলনে ফিরেছেন। নেইমারের আশা কোস্টারিকার বিপক্ষে সুইজারল্যান্ডের চেয়েও দারুণ খেলবে ব্রাজিল। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের কাছে দল নিয়ে আশার কথা জানিয়ে নেইমার বলেন, আমি আশা করি সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের চেয়ে দারুণ খেলব আমরা। জিততে চাই আমরা। আরও ভালো খেলতে চাই। কোস্টারিকার ভিডিও ফুটেজ আমরা দেখেছি। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আমাদের মতো করে খেলা।বিশ্বকাপে শুরুটা ভালো হয়নি ব্রাজিলের। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েও ড্র করেছিল তারা। ম্যাচ শেষে তাই হতাশা লুকায়নি দলের খেলোয়াড় ও কোচ। সুইসদের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে রেফারিদের ঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ করেছিলেন পিএসজির এ স্ট্রাইকার। তাছাড়া ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ দুটি সিদ্ধান্তে ভিএআর ব্যবহার না করায় জবাব চেয়ে ফিফার কাছে চিঠিও পাঠায় তারা। যদিও ফুটবলের শীর্ষ সংস্থা সেটা প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন ষষ্ঠ শিরোপার আশা বাঁচিয়ে রাখতে ব্রাজিলকে মাঠেই কিছু করে দেখাতে হবে।সূত্র : গোল ডটকম/এআর /

মেসির পাশে হিগুয়াইনকে চান ম্যারাডোনা

মেসির পাশে আগুয়েরোকে নয় পাভন বা হিগুয়াইনকেই বেছে নিতে বললেন ম্যারাডোনা। ম্যারাডোনা বলেন, ‘বিশ্বকাপ শুরুর আগে থেকেই বলে আসছি, সাম্পাওলির কৌশল আমার কখনও মনে ধরেনি। সে যেভাবে ছক সাজিয়েছে তাতে ঝুঁকি খুব বেশি। অনেকেরই মনে থাকবে, আমি এটাও বলেছিলাম- আর্জেন্টিনার এই গ্রুপটিই বিশ্বকাপের মৃত্যুকূপ। প্রথম ম্যাচে আইসল্যান্ডের সঙ্গে ড্র সেটাই বুঝিয়ে দিয়েছে।’ সামনে এখন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে এই ম্যাচটি জিততেই হবে- এমন একটা চাপের মুখে দাঁড়িয়ে আমার বিশ্বাস, ছেলেরা ভালো করবে। তবে তাদের পরিচালনা করতে হবে কোচের সুনিপুণ কৌশল দিয়েই। আশা করি, সাম্পাওলি তার একগুঁয়ে সিদ্ধান্তগুলো থেকে বেরিয়ে কার্যকর একটি পরিকল্পনা করেছে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে। পাভন সম্পর্কে ম্যারাডোন বলেন, তার দ্রুতগতি আমার খুব ভালো লাগে। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঝ মাঠেও বদল দরকার। আগুয়েরোর কথা উঠছে খুব, আসলে তার জন্য আমার খারাপই লাগে। হয়তো সেও শুনে কষ্ট পাবে। তবে আমাকে বলতেই হচ্ছে, সে আসলে নব্বই মিনিট বল পায়ে রাখার মতো ফুটবলার নয়। আমি মনে করি, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে তাকে শুরু থেকেই খেলানোটা ভুল হবে। আগুয়েরো বদলি খেলোয়াড় হিসেবে সেরা পছন্দ হতে পারে। তবে প্রথম একাদশে থাকার মতো স্ট্রাইকার সে নয়। এমজে/

গোল্ডেন বুট দখলের পথে রোনালদো

মাত্র দুই ম্যাচেই গোল করেছেন ৪টি। সামনে নিশ্চিত ম্যাচ আছে আরও দুটো। এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ডটা কি ছুঁয়ে ফেলবেন সি আর সেভেন? সে প্রশ্ন দূরের। তবে কাছের যা আছে, তা হলো এবারের গোল্ডেন বুটটা কি তাহলে রোনালদোর মুকুটেই উঠছে? অন্তত প্রথম দুই ম্যাচের রোনালদোর পারফরমেন্স তাই বলে। গতকাল মরক্কোর বিপক্ষে খেলা শুরুর আগে স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনে ভেসে উঠল পরিসংখ্যানটা। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে হাঙ্গেরির (স্পেনের হয়ে খেললেও কোনও গোল করেননি) ফেরেঙ্ক পুসকাস ইউরোপে সব চেয়ে বেশি গোল করেছেন। তাঁর গোলের সংখ্যা ৮৪। এ বারের বিশ্বকাপে স্পেনের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিকের সুবাদে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ছুঁয়ে ফেলেছেন কিংবদন্তি সেই পুসকাসকে। বুধবার মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিরুদ্ধে মাঠে নেমে সেই পুসকাসকে টপকাতে রোনাদোর লাগল মাত্র চার মিনিট। পর্তুগালের হয়ে ১৫২ ম্যাচে ৮৫ গোল করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন সিআর সেভেন। এদিকে চার গোল করে নিজেকে ক্রমশ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সোনার বুট জেতার লক্ষ্যেও। মেসি, নেইমার-রা যখন এ বারের বিশ্বকাপে গোল খুঁজছেন, তখন রোনালদোর নামের পাশে চার গোল। বিশ্বকাপের প্রথম সপ্তাহে এ পর্যন্ত নায়ক রোনালদো-ই। গতি, ড্রিবল, স্পট জাম্প, সাহস, শুটিং— এক জন স্ট্রাইকারের যে গুণ থাকা দরকার, তার সব ক’টাই রয়েছে রোনালদোর ঝুলিতে। এর সঙ্গে যোগ হবে আগাম গোলের গন্ধ পাওয়ার ব্যাপারটাও। মাঠে বসে দেখছিলাম, এ দিন বের্নার্দো সিলভার শর্ট কর্নার থেকে জোয়াও মোতিনহো যখন বলটা মরক্কো বক্সে ভাসিয়ে দিচ্ছেন, তখন রোনালদো বক্সের মাথায় দাঁড়িয়ে। বলটা দেখেই বিপক্ষ কিছু বোঝার আগে ঠিক জায়গায় চলে গিয়েছিলেন রোনালদো। মরক্কোর মিডফিল্ডার করিম আল আহমদি বল বিপন্মুক্ত করতে পা চালিয়েছিলেন। রোনাল্ডো চোট লাগার আশঙ্কা উপেক্ষা করেই হেডে গোলটা করে গেলেন। সবার অলক্ষ্যে দ্রুত বলের কাছে পৌঁছনো, বলটা লক্ষ্য করা এবং নিখুঁত সময়জ্ঞান— এগুলোই চিনিয়ে দেয় রোনাল্ডোকে। তবে চার মিনিটে এই গোলটার পরে বাকি সময়টা কলকাতা ময়দানে আমার কোচ করিম বেন শরিফার দেশের। গোল খাওয়ার পরেই প্রবল ভাবে ম্যাচে ফিরেছিল মরক্কো। দুই অর্ধ মিলিয়ে প্রায় পাঁচটি গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল হার্ভ রেনার্ডের দল। তফাত এটাই, পর্তুগালের রোনাল্ডো ছিল। মরক্কোর সে রকম ‘ফিনিশার’ ছিলেন না। আর দ্বিতীয় ব্যাপার, পর্তুগিজ গোলকিপার রুই প্যাত্রিসিয়ো। তিনিই ব্যর্থ করেন মরক্কোর গোলের প্রচেষ্টা। দ্বিতীয়ার্ধে যে রকম পাসিং ও প্রেসিং ফুটবল খেললেন ইউনেস বেলহান্দা, নৌরেদ্দিন আমরাবাতরা, তা বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের দিনেও মরক্কোর মাথা উঁচুই রাখল। এমজে/

মেসির সমালোচনা করো না: সাম্পাওলি

আর্জেন্টিনা যে এবার বিশ্বকাপে জায়গা পাবে এটাই বা কজনে বিশ্বাস করেছিল। নিভু নিভু করতে থাকা আর্জেন্টিনার প্রদীপটা যে বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে জ্বালিয়ে দিলেন মেসি। নিজে করেছিলেন হ্যাটট্রিক। আর বড় ব্যবধানে জয়ের ফলেই তো আজকের বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে বিশ্বকাপের যাত্রাটা তো আর শুভ হলো না মেসিদের। এতেই গেল গেল রব উঠে গেল, যা কোচ সাম্পাওলির একদমই পছন্দ হয়নি। মেসির পেনাল্টি মিস মহড়ার কারণেই আইসল্যান্ডের বিপক্ষে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে আকাশী-নীল জার্সিদের। আজ, বৃহস্পতিবার ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে নামছে হোর্হে সাম্পাওলির দল। এই ম্যাচের উপরেই নির্ভর করছে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ভবিষ্যৎ। কিন্তু যে ভাবে মেসিকে কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে, তাতে উদ্বেগ বাড়ছে আর্জেন্টিনা কোচের। ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে মেসির সমালোচনা না করার আবেদন জানালেন সাম্পাওলি। বুধবার নিজ়নি নভগোরোদে সাংবাদিক বৈঠকে আর্জেন্টিনা কোচ বলেছেন, ‘‘আর্জেন্টিনা জিততে না পারলে সহজেই মেসিকে কাঠগড়ায় তোলা হয়। অথচ, খেলাটা এগারো জনের। আমাদের দলে ৪০ জন সদস্য রয়েছে। সাফল্যের নেপথ্যে যেমন সবার অবদান রয়েছে, তেমনই ব্যর্থতার দায়ও কেউ অস্বীকার করতে পারে না।’’ তিনি যোগ করেছেন, ‘‘অ্যাইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিততে না পারার একাধিক কারণ রয়েছে।’’ সাম্পাওলি জানিয়েছেন, পেনাল্টি নষ্ট করায় মেসি নিজেও প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ। সাম্পাওলি ক্ষুব্ধ তাঁর পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায়। আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দলে তিন জন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারকে রেখেছিলেন। ফুটবল পণ্ডিতেরা অনেকেই সাম্পাওলির এই রণনীতির সমালোচনা করেছেন। ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের আগে ক্ষুব্ধ আর্জেন্টিনা কোচ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি চান ফুটবলাররা যেন একাধিক পজিশনে খেলতে পারেন। কোনও অবস্থাতেই নিজের দর্শন বদলানোর পক্ষপাতী নন তিনি। আর্জেন্টিনা প্রথম ম্যাচে হোঁচট খেয়েছে। কিন্তু নাইজিরিয়াকে ২-০ হারিয়ে দারুণ ভাবেই শুরু করেছে লুকা মদ্রিচদের ক্রোয়েশিয়া। বৃহস্পতিবারের ম্যাচেই অগ্নিপরীক্ষা গোপন করেননি সাম্পাওলি। আর্জেন্টিনা কোচ বলেছেন, ‘‘ক্রোয়েশিয়ার এই প্রজন্মটা দুর্দান্ত। ওরা মাঠে নেমে জয় ছাড়া কিছু ভাবে না। ফলে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচটা একেবারেই সহজ হবে না।’’ প্রথম ম্যাচে আইসল্যান্ডের ফুটবলাররা একেবারেই স্বাভাবিক খেলা খেলতে দেননি মেসিকে। বল ধরেই তিন-চার ঝাঁপিয়ে পড়েছেন ট্যাকল করার জন্য। ক্রোয়েশিয়ারও প্রধান লক্ষ্য থাকবে মেসিকে খেলতে না দেওয়া। তা হলে? সাম্পাওলি বলছেন, ‘‘বিপক্ষের তিন-চার জন ফুটবলার যখন এক জন ঘিরে ধরে, তখন অন্যরা ফাঁকা থাকে। আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধেও তাই হয়েছিল। ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে আমাদের এই সুযোগটা কাজে লাগাতে হবে।’’ দিয়েগো মারাদোনার সঙ্গে মেসির তুলনায় যেন তিনি বিরক্ত, বুঝিয়ে দিয়েছেন। বলেছেন, ‘‘মেসি মাঠে থাকা অবস্থায় আর্জেন্টিনা খুব কম ম্যাচ হেরেছে। মারাদোনা আর্জেন্টিনার জাতীয় তারকা ছিলেন। কিন্তু এখন মেসিই নায়ক।’’ এমজে/

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আজ মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা

প্রথম ম্যাচে দুর্বল আইসল্যান্ডের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করে ইতোমধ্যে সমালোচকদের তীরে বিদ্ধ হয়েছেন ফুটবল বিশ্বের সর্বকালের সেরাদের একজন লিওনেল মেসি। তার পেনাল্টি মিস যে এবার টুর্নামেন্ট থেকেই আর্জেন্টিনার বিদায় বলে দিচ্ছে। আজ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে কোনো ধরণের অঘটন ঘটলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিবে আর্জেন্টিনা। এমন সমীকরণকে সামনে রেখে আজ রাতে মাঠে নামছে সাম্পাওলির শিষ্যরা। এদিকে প্রথম ম্যাচে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয় দিয়ে শুরু করা ক্রোয়েশিয়া আছে ফুরফুরে মেজাজে। তাই আর্জেন্টিনাকে যে ছেড়ে কথা বলবে না ক্রোয়েশিয়া তার আগাম বার্তা দিয়ে রেখেছে দলটি। আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জেতে না তাঁরা কত দিন! ডিয়েগো ম্যারাডোনার জাদুতে ১৯৮৬ সালে সর্বশেষ ওই সোনালি ট্রফির স্পর্শ পায় আর্জেন্টিনা। এর পর কেটে গেছে ৩২ বছর। কোপা আমেরিকার সর্বশেষ শিরোপাও ১৯৯৩ সালে। এর পর পেরিয়ে গেছে ২৫ বছর। এদিকে মেসির বয়সও ৩১ বছর হয়ে গেছে বলে বিশ্বকাপ জয়ের এটিই হয়তো তাঁর শেষ সুযোগ। কিন্তু প্রথম ম্যাচের ব্যর্থতা যে তাঁকে এনে দাঁড় করিয়েছে একেবারে খাদের কিনারে। আইসল্যান্ড না হয় সর্বশেষ ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে, কিন্তু গ্রুপে আর্জেন্টিনার তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ হিসেবে ধরা হচ্ছিল তাঁদের। তুলনায় ক্রোয়েশিয়া অনেক কঠিন। ১৯৯৮ সালে অভিষেকেই সেমিফাইনাল পর্যন্ত গিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিল দেশটি। এর পুনরাবৃত্তি আর করতে পারেনি সত্য। তবে বর্তমান দলেরও সামর্থ্য রয়েছে বহুদূর যাওয়ার। দলে লুকা মডরিচ, ইভান রাকিটিচ, মারিও মান্দজুকিচের মতো ফুটবলার রয়েছেন। আর বিশ্বকাপের প্রথম খেলায় নাইজেরিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের শক্তির জানানও এরই মধ্যে দিয়ে রেখেছে দলটি। এ জায়গাতেই আর্জেন্টিনার যত দুশ্চিন্তা। মেসির মতো একজন ফুটবলার থাকার পরও দলটি যে একসুরে গেয়ে উঠতে পারছে না। কোচ হোর্হে সাম্পাওলি দায়িত্ব নেওয়ার পর ১২ ম্যাচের কোনোটিতে পর পর দুই খেলায় একই একাদশ মাঠে নামাননি। আজও বড়সড় পরিবর্তনের আভাস। শুধু খেলোয়াড় না, কৌশলের দিক দিয়েও। হয়তো তিন ডিফেন্ডার ও দুই উইংব্যাক নিয়ে খেলতে নামবে আজ আর্জেন্টিনা। তাতে যদি অধরা জয় ধরা দেয়। সর্বশেষ তিনটি বড় টুর্নামেন্টেই আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছেন মেসি। ২০১৪ বিশ্বকাপ, ২০১৫ ও ২০১৬ কোপা আমেরিকা। কিন্তু কোনোবারই তো দলকে শিরোপা জেতাতে পারেননি। এই তিন ম্যাচের কোনোটিতে গোল করতে পারেননি। তাই আজ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মেসির ব্যর্থতার কোনো সুযোগ নেই। মেসি ব্যর্থ হলে ব্যর্থ হবে ফুটবল। ব্যর্থ হবে ফুটবলপ্রেমীরা। তাই আর্জেন্টিনাকে আজ জিততেই হবে। এমজে/

ইরানকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের পথে স্পেন

প্রথম ম্যাচে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর কাছে ‘হার’ মানতে হয়েছিল স্পেনকে। তার হ্যাটট্রিকের কাছে মাথা নত করে ৩-৩ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তারা। ফলে ইরানের বিপক্ষে ম্যাচটি তাদের জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে জয় ভিন্ন কোনো বিকল্প পথ খোলা ছিল না স্প্যানিশদের সামনে। সেই যাত্রায় উতরে গেল ২০১০ বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মুসলিম দলটিকে ১-০ গোলে হারিয়েছেন তারা। জয়সূচক গোলটি করেছেন স্ট্রাইকার ডিয়েগো কস্তা।এ জয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল স্পেন।কঠিন সমীকরণ নিয়ে শুরুতেই ইরানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন ইনিয়েস্তারা। প্রথমার্ধের পুরোটা সময় সেই ধারা বজায় থাকে। ৮২ শতাংশ বল রাখেন নিজেদের দখলে।তবে ইরানি ডিফেন্ডারদের কড়া মার্কিংয়ে গোলের তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি কস্তা, ইস্কোরা। তাদের সব আক্রমণ ভেস্তে দেন ইরানি রক্ষণসেনারা। ফলে গোলশূন্য ড্র নিয়ে বিরতিতে যায় দুদল।বিরতি থেকে ফিরেও আক্রমণ সচল রাখে স্পেন। মুহূর্মহু আক্রমণে প্রতিপক্ষকে ব্যতিব্যস্ত রাখে দলটি। এবার বিমুখ হননি ফুটবলদেবী। ৫৪ মিনিটে গোল পেয়ে যায় তারা। ইরানের জালে বল জড়ান ডিয়েগো কস্তা। এ নিয়ে এবারের বিশ্বকাপে ২ ম্যাচে ৩ গোল করলেন তিনি।পিছিয়ে পড়ে গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে পড়ে ইরান। এবার রক্ষণাত্মক খেলার খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে তারা। উঠে একের এক আক্রমণে। তাদের প্রচেষ্টা আলোর মুখও দেখে।৬২ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে হেডে স্পেনের জালে বল জড়ান সাঈদ এজাতোলাহি। এতে সমতা ফেরার আনন্দে নেচে ওঠেন সতীথর্ ও সমথর্করা। তবে তাদের নিমিষেই উবে যায়। ভিএআর প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে গোল বাতিল করেন রেফারি। কারণ দর্শান, সেটি অফসাইড ছিল।পরে গোল পেতে তুমুল চেষ্টা চালান সর্দার আজমাউনরা। তবে স্পেনের ইস্পাত কঠিন রক্ষণ ভাঙতে পারেননি তারা। ফলে শেষ পর্যন্ত তীব্র লড়াই চালিয়েও ১-০গোলে হারের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় কার্লস কুইরোজের শিষ্যদের।এসএ/

রোনালদোর গোলেই মরক্কোর বিদায়

মরক্কোর বিদায়ঘণ্টা কে বাজিয়ে দিল। কেউ বলবেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আবার কেউ বলবেন মরক্কোর ফুটবলাররা নিজেরাই নিজেদের বিদায় ঘন্টা বাজিয়ে দিয়েছেন। এভাবে একের পর এক গোলের সুযোগ মিস করলে তো মরক্কোকেই দোষ দিতে হবে। প্রথম দল হিসেবে মরক্কো যে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল, সেটা তো রোনালদোর কারণেই। ৪ মিনিটে রোনালদোর এনে দেওয়া লিড ধরে রেখে ম্যাচ বের করে নিয়েছে পর্তুগাল। আর ১-০ ব্যবধানে হেরে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ২০ বছর পর বিশ্বকাপে প্রত্যাবর্তন পর্ব শেষ হলো মরক্কোর। এর আগের ম্যাচে রোনালদোর হ্যাটট্রিকে স্পেনের সঙ্গে ড্র করে পর্তুগাল। পুরো ম্যাচজুড়েই মরক্কোর ফুটবলারদের আধিপত্য দেখেছে ফুটবলপ্রেমীরা। তবে ফুটবলে আধিপত্য কে দেখিয়েছে সেটি বড় নয়, দিন শেষে কার জালে কে কতটা বল পাটিয়েছে এটাই মুখ্য। আর পর্তুগাল এদিন বাজে খেললেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ঠিকই ম্যাচ বের করে এনেছেন অনবদ্য এক গোল দিয়ে। এমজে/

মেসির ফেসবুক পেজে ‘বাংলাদেশ’

মেসির প্রতি বাংলাদেশী ভক্তদের ভালোবাসার স্বীকৃতি স্বরূপ মেসি তার ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ভিডিওতে বাংলাদেশের প্রতাকাসহ আর্জেন্টিনার প্রতি বাংলাদেশী সমর্থকদের দেখা যায়। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার(১৯ জুন) মেসি তার ফেসবুক পেজে এই ভিডিওটি পোস্ট করেন। সারা পৃথিবীতে আর্জেন্টিনা ও মেসির ভক্ত ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকলেও আর্জেন্টিনাকে সমর্থন দিতে গিয়ে বাংলাদেশের মানুষের আবেগ অনুভূতি নজর কেড়েছে মেসির। তাই বাংলাদেশী ভক্তদের ভিডিও প্রকাশ করে এর দায় কিছুটা হলেও পূরণ করা চেষ্টা করলেন মেসি।  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা এক মিনিট পাঁচ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের আর্জেন্টিনার ভক্তদের আর্জেন্টিনার পতাকা এবং মেসির ছবি নিয়ে র‌্যালি করার ভিডিও তুলে ধরা হয়। এমএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি