ঢাকা, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১:২৮:৪৬

ছেলের জন্য ৮৩ বছর বয়সে বিয়ে!

ছেলের জন্য ৮৩ বছর বয়সে বিয়ে!

বয়স চলছে ৮৩। এটা তার কাছে কিছুই না। এ বয়সেও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন আবার। অন্যদিকে পাত্রীর বয়স ৩০। বিয়ের উদ্দেশ্য একটাই। সম্পত্তি দেখার জন্য তাঁর একটা ছেলে প্রয়োজন! সম্প্রতি ভারতের রাজস্থান রাজ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। ৮৩ বছর বয়স্ক ওই পাত্রের নাম সুখরাম ভৈরব। সুখরামের এটা প্রথম বিয়ে নয়। এর আগে থেকেই তিনি বিবাহিত। রয়েছে দুটি মেয়েও। কিন্ত মেয়েরা সম্পত্তি দেখভাল করতে পারবে না বলে মনে করেন সুখরাম। তাই নিজের সহায় সম্পত্তি দেখভালের জন্য একটা ছেলে চাই তাঁর। আর সেই ছেলের আশায় আবার বিয়ে করলেন তিনি। প্রথম স্ত্রী থাকার পরও দ্বিতীয় বিয়ে করে পুলিশের চোখে অপরাধী হয়ে পড়েছিলেন সুখরাম। কিন্তু সুখরামের প্রথম পক্ষের স্ত্রী বাট্টো স্বামীর দ্বিতীয় বিয়েতে মত দেওয়ায় আপাতত পুলিশি ঝামেলা থেকে নিস্তার পেয়েছেন তিনি। রাজস্থান রাজ্যের সমরাদা গ্রামে ওই বিয়ে করেন সুখরাম। বিয়েতে আর জাঁকজমক করতে চাননি, মাত্র ১২ জন গ্রামবাসীকে সাক্ষী রেখেছিলেন তিনি। জানা যায়, সুখরাম ভৈরবের প্রথম পক্ষে কন্যা ছাড়াও একটি ছেলে ছিল। কিন্তু আজ থেকে ২০ বছর আগে ছেলেটি মারা যায়। এরপর থেকে হতাশ হয়ে পড়েন সুখরাম ভৈরব। সুখরামের বিপুল সম্পত্তি দেখাশুনার আর কেউ ছিল না। যে কারণে সুখরাম সব সময় চাইতেন তাঁর একটা ছেলে হোক। সুখরাম জানান, তাঁর প্রথম পক্ষের স্ত্রীর এরইমধ্যে দুটি কন্যা সন্তান আছে। তবে পুত্র সন্তানের আশাতেই এই দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত। স্থানীয় অতিরিক্ত জেলা শাসক রাজনারায়ণ শর্মা বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। সুখরাম ভৈরবের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে তথ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ ওই গ্রামে গিয়ে বিষয়টি সবিস্তারে শুনবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এসি/
মুরগি না থাকায় কেএফসির শত শত দোকান বন্ধ

মুরগির মজুত শেষ হওয়ায় যুক্তরাজ্যে চটজলদি খাবারের দোকান কেনটাকি ফ্রায়েড চিকেনের (কেএফসি) সাড়ে পাঁচশোরও বেশি দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। কেএফসি’র ওয়েবসাইটে বলা হয়, যুক্তরাজ্য এবং আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রে তাদের মোট ৯০০টি দোকান রয়েছে। এর মধ্যে সোমবার রাত নয়টা পযন্ত ৫৭৫টি দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। গত ১৩ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কেএফসির জন্য মুরগি সরবরাহ করতো খাদ্য বিতরণের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান বিডভেস্ট। কিন্তু ওই কনট্রাক্ট যখন ডিএইচএলকে দেওয়া হয়, এরপর থেকেই বিভিন্ন দোকানে মুরগির মজুত শেষ হয়ে যেতে থাক। জিএমবি ইউনিয়নের কর্মকর্তা মিক রিক্স জানান, একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ছেড়ে ডিএইচএল-কে এ দায়িত্ব দেওয়াটা মারাত্মক ভুল হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুরগির সরবরাহ শেষ হয়ে যাওয়ায় কেএফসি’র প্রতিদিন ১০ লাখ পাউন্ড করে ক্ষতি হচ্ছে। কেএফসির অনেক দোকানে কর্মচারীদের এ জন্য ছুটি নিতে উৎসাহিত করা হয়েছে। তবে এ জন্য তাদের বাধ্য করা হচ্ছে না। ডিএইচএল এ জন্য দু:খ প্রকাশ করে স্বীকার করেছে যে `অপারেশনাল কারণে` মুরগির সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে এবং পরিস্থিতিটা তারা সমাধানের চেষ্টা করছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা। আর

আইসল্যান্ডে যে কারণে খৎনা নিষিদ্ধের উদ্যোগ

খৎনা নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে আইসল্যান্ডের পার্লামেন্টে একটি বিল আনার পর এ নিয়ে সেখানকার ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সরকার চাইছে চিকিৎসার প্রয়োজন ছাড়া অন্য কারণে খৎনা করা নিষিদ্ধ করতে। পার্লামেন্টে পেশ করা খসড়া বিলে, কোন শিশুর খৎনা করলে ছয় বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, এর মাধ্যমে শিশুদের অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। কিন্তু মুসলিম এবং ইহুদী সংগঠনগুলো এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা বলছে, এটি তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার করছে। আইসল্যান্ডের প্রগ্রেসিভ পার্টির একজন এমপি সিলজা ডগ গানারসডটির এই বিলটি এনেছেন। তিনি যুক্তি দিচ্ছেন যে, এটি কারও ধর্মীয় বিশ্বাসের স্বাধীনতার বিষয় নয়, বরং এটি শিশুদের অধিকারের বিষয়। নরডিক ইহুদী কমিউনিটিজ এক বিবৃতি দিয়ে এই বিলটির নিন্দা করেছে। তারা বলেছে, ইহুদী ধর্মবিশ্বাসের সবচেয়ে কেন্দ্রীয় একটি রীতিকে এতে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। আইসল্যান্ডের ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের ইমাম আহমাদ সিদ্দিক এর সমালোচনা করে বলেন, এটি আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের অংশ। এটাতো আমাদের ধর্মে হাত দেয়ার সামিল। আমি মনে করি এটি ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন। আইসল্যান্ডের রাজধানী রেইকাভিকের বিশপ অ্যাগনেস এম সিগুরোয়ারডটির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে এরকম বিল পাশ হলে আইসল্যান্ডের মুসলিম এবং ইহুদীদের মনে এমন ধারণা তৈরি হতে পারে এই দেশটিতে তাদের আর জায়গা হবে না। চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিচারে খৎনা একেবারেই একটি মামুলি প্রক্রিয়া, কিন্তু এটি একবারে ঝুঁকিমুক্ত নয়। যদি কোন বালক বা পুরুষের লিঙ্গের অগ্রভাগের চামড়া খুব বেশি আঁটেসাঁটো থাকে, যাকে মেডিক্যাল পরিভাষায় বলে `ফিমোসিস, অথবা কারও লিঙ্গে বা চামড়ায় যদি বার বার সংক্রমণ ঘটে, যার নাম `বালান্টিস, তখন চিকিৎসকরা খৎনার সুপারিশ করেন। তবে এমন প্রমান আছে যে, খৎনা করলে নারী সঙ্গীর কাছ থেকে পুরুষদের এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। তবে যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে যেসব রোগ ছাড়ায়, খৎনার কারণে সেসব রোগের ঝুঁকি কমে কিনা, সেটা পরিস্কার নয়। উল্লেখ্য, আইসল্যান্ড হচ্ছে প্রথম ইউরোপীয় দেশ যেখানে খৎনা নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেয়া হলো। আইসল্যান্ডে প্রায় দেড় হাজার মুসলিম এবং আড়াইশো ইহুদী আছে। এর আগে ২০০৫ সালে আইসল্যান্ডে এফজিএম (ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন) বা মেয়েদের যৌনাঙ্গ ছেদ নিষিদ্ধ করা হয়। সূত্র: বিবিসি একে// এআর

থানার তালা ভেঙ্গে ধর্ষককে পিটিয়ে হত্যা

শিশু ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেওয়া দুই আসামীকে পুলিশের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে গণপিটুনিতে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। হাজারো বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে জীবন বাঁচাতে থানা থেকে পালিয়ে যায় পুলিশ। এই সুযোগে থানায় ঢুকেই দুই যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে স্থানীয়রা। অভিযুক্ত দুই তরুণ চা শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ হয়ে ‌যান লোহিত জেলার নামগো মিসিং গ্রামের বছর পাঁচের একটি শিশু। ১৭ ফেব্রুয়ারি একটি চা বাগানোর পাশে তার গলাকাটা দেহ পাওয়া যায়। ওই ঘটনায় সঞ্জয় সুবুর ও জগদীশ লোহার নামে ২ চা বাগান শ্রমিককে গ্রেফতার করে পুলিস। প্রাথমকি জিজ্ঞাসবাদে ওই দুই চা শ্রমিক ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তবে নিহতদের একজন সরাসরি হত্যা ও ধর্ষণ কাজে জড়িত ছিল না বলে দাবি করে আসছিল। সে কেবল অপরজনকে সহযোগিতা করছিল। জানা যায়, গতকাল সোমবার ভোরে সশস্ত্র জনতা তেজু থানায় হামলা চালায়। জনতার রোষ থেকে বাঁচতে থানা ছেড়ে পালায় পুলিশ। সেই সু‌যোগে থানারে গেট ভেঙে ২ অভি‌যুক্তকে বাইরে বের করে আনে জনতা। এরপর বাজারের মধ্যে তাদের তাদের নগ্ন করে ঘোরানোর প্রাকাশ্যে পিটিয়ে মারা হয় ওই দুই অভি‌যুক্তকে। ২০১৫ সালেও ঠিক একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল নাগাল্যন্ডের। সেবার ডিমাপুরে সেন্ট্রাল জেল ভেঙে ধর্ষণে অভি‌যুক্ত এক ‌যুবককে বের করে এনে পিটিয়ে মারে জনতা। ভারতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রায়ই বেড়ে চলছে। সূত্র: এনডিটিভিএমজে/

ভারতে নজিরবিহীন ব্যাংক জালিয়াতি; আটক ৩

ভারতীয় ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ব্যাংক জালিয়াতির ঘটনায় তিন ঊর্ধতন ব্যাংক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে ভারতের ফেডারেল পুলিশ। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের ওই তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১.৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৪ হাজার ১৫০ কোটি টাকা) জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই গত সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। গ্রেফতারকৃতদের দুই জন হলেন ফরেক্স বিভাগের দুই ব্যবস্থাপক ও অপরজন হলেন অর্থ ট্রানজেকশনে সুইফট ম্যাসেজ তদারককারী। গত সপ্তাহে ওই তিন কর্মকর্তাকে আটক করে ফেডারেল পুলিশ। ওই সময় পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের আরও দুই কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। সম্প্রতি দেশের ব্যাংকিং খাতে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির খবর চাউর হওয়ার পরই তদন্তে নামে সিবিআই। আর এরই অংশ হিসেবে তিন কর্মকর্তাকে আটক করে পুলিশ। জানা গেছে, শিগগিরই তাদের আদালতে হাজার করে রিমান্ড চাওয়া হবে। অর্থ কেলেঙ্কারির সঙ্গে আর কোন রাঘব বোয়াল জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে সিবিআইসহ রাষ্ট্রের বেশকিছু গোয়েন্দা সংস্থা। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ভারতে জুয়েলারি খাতে জায়ান্ট খ্যাত নীরভ মুদি ১১ হাজার ৪০০ কোটি রুপি ওই কর্মকর্তার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে, এমন খবরে ভারতে তোলপাড় শুরু হয়। এরপরই ধরপাকড়ে নামে সিবিআইসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন। সূত্র: রয়টার্স, এনডিটিভি

যে কারণে ভারতে এসে উপেক্ষিত কানাডার প্রধানমন্ত্রী

ভারত সফররত কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো-কে ভারত সরকার ইচ্ছে করে উপেক্ষা করছে কি না, তার সফরের শুরুতেই এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। বিষয়টি নিয়ে কানাডার সংবাদমাধ্যমেও চর্চা হচ্ছে। এই প্রশ্নটা মূলত উঠছে এই কারণেই যে, ট্রুডো যখন স্ত্রী সোফি ও তার তিন সন্তানকে নিয়ে ভারতে এসে নামেন, তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে যাননি। অথচ বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা যখন ভারতে আসেন, তখন প্রোটোকল ভেঙে তাদের স্বাগত জানাতে যাওয়াটা প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রায় রুটিনে পরিণত করে ফেলেছেন। গত মাসেই তিনি তাঁর `ঘনিষ্ঠ বন্ধু` ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন `বিবি` নেতানিয়াহুকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন। ২০১৫তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে স্বাগত জানানোর ক্ষেত্রেও তিনি একই জিনিস করেছিলেন। আরও আশ্চর্যের ব্যাপার হল কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ কিংবা তার দুই প্রতিমন্ত্রী - ভি কে সিং বা এম জে আকবর পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন না। কানাডার `রকস্টার` প্রধানমন্ত্রীর জন্য এই উপেক্ষা ছিল একেবারেই বেমানান! সপরিবার ট্রুডোকে ভারতে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের একজন জুনিয়র মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং, যিনি মাত্র মাসচারেক আগে প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হয়েছেন। ট্রুডোকে ভারত যে এভাবে শীতল অভ্যর্থনা জানাচ্ছে তার একটা কারণ হতে পারে ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী `খালিস্তান` আন্দোলনের সমর্থকদের প্রতি তার সরকার যে মনোভাব নিয়েছে সেটা। জাস্টিন ট্রুডোর ক্যাবিনেটে যে চারজন শিখ মন্ত্রী আছেন, তার মধ্যে অন্তত দুজন - হরজিৎ সজ্জন ও অমরজিৎ সোধি - প্রকাশ্যেই কানাডাতে খালিস্তান আন্দোলনকে সমর্থন করে নানা বিবৃতি দিয়েছেন। ভারতে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং গত বছর ট্রুডো ক্ষমতায় আসার পরই এ ব্যাপারে তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে তাকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। ট্রুডো বুধবার অমৃতসরে শিখদের পবিত্র তীর্থস্থান অমৃতসর সফরে যাবেন, কিন্তু অমরিন্দর সিং তার সঙ্গে দেখা করতে রাজি নন বলেই জানা যাচ্ছে। গত রোববার ট্রুডো যখন সপরিবারে তাজমহল সফর করেন, তখন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের অনুপস্থিতিও নজর এড়ায়নি। অথচ এই আদিত্যনাথই গত মাসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে রীতিমতো লাল কার্পেট বিছিয়ে তাজমহলে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। তবে জাস্টিন ট্রুডোর ভারত সফরে এই তথাকথিত উপেক্ষার আরও একটা কারণ হতে পারে তার বিচিত্র সফরসূচী। সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ সরকারপ্রধানদের ভারত সফর শুরু হয় দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়ে ও তারপর হায়দ্রাবাদ হাউসে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মধ্যে দিয়ে। আগ্রা, আহমেদাবাদ, মুম্বাই, হায়দ্রাবাদ বা ব্যাঙ্গালোরের মতো শহরগুলো সচরাচর রাখা হয় সফরের দ্বিতীয়ার্ধে। কিন্তু জাস্টিন ট্রুডোর ক্ষেত্রে তিনি শনিবার ভারতে পা রেখেছেন মুম্বাই দিয়ে। রোববার তিনি কাটিয়েছেন আগ্রায়, সোমবার গেছেন আহমেদাবাদে। এরপর মঙ্গলবার আবার মুম্বাই, বুধবার অমৃতসরে কাটিয়ে তার সপ্তাহব্যাপী সফরের শেষ দুটো দিন, বৃহস্পতি ও শুক্রবার শুধু বরাদ্দ রাখা হয়েছে দিল্লির জন্য। ফলে কূটনীতিক মহলের অনেকেই বলছেন, ভারতে জাস্টিন ট্রুডোর সফরসূচী যারাই স্থির করুন না কেন, তাদের এটা আরও অনেক ভালভাবে করা উচিত ছিল! সূত্র: বিবিসি একে//

ইরাকে ১১ বিধবাকে যাবজ্জীবন দণ্ড

ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ১২ জন বিদেশী বিধবাকে দণ্ড দিয়েছে ইরাকের সামরিক আদালত। এ ঘটনায় এক তুর্কী বিধবাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের ১১ জন তুরস্কের নাগরিক। আটকের পর তারা শিশুদের সেবা দিয়ে যাচ্ছিল। এদিকে দণ্ডপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়, তাদের স্বামীরা তাদের জোর করে আইএসে সম্পৃক্ত করেছে। এরপর তাদেরকে ইরাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে অনেকের বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ছিল। তাদেরকে ইরাকের মসুল ও তাল আফার থেকে গ্রেফতার করা হয়। ইরাকি বাহিনীর হামলায় তাদের স্বামীরা নিহত হয়েছেন। এরপরই তাদের গ্রেফতার করা হয়। সূত্র: আল-জাজিরাএমজে/

আচরণে বুঝিয়ে দেবেন না আপনি দোষী, মোদীকে খোঁচা রাহুলের

মোদী সরকারের বিরুদ্ধে একটি দুর্নীতির অভিযোগ হাতে পেয়ে আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়েছে কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি করে আজও সরব হন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। টুইটে বলেন, ‘‘দোষীদের মতো আচরণ না করে বরং মুখ খুলুন!’’ মুখ খুলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর অভিযোগ, নোট বাতিলের সঙ্গে এই দুর্নীতি সরাসরি সম্পর্কিত। তাঁর মতে, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের কেলেঙ্কারি। অন্য ব্যাংকগুলিও জড়িত। সব তথ্য সামনে আসা উচিত। সোমবার দুটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে মোদীর কেলেঙ্কারি নিয়ে নীরবই রইলেন নরেন্দ্র মোদী। প্রথমে রাফাল হেলিকপ্টার, তারপরে এই ব্যাঙ্ক প্রতারণার ঘটনায় স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি যে ধাক্কা খেয়েছে, তা ঠিকই বুঝছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। মুশকিল আসান অরুণ জেটলি দেশের বাইরে। এই পরিস্থিতিতে আজ দিল্লিতে দলের সদর দফতর উদ্বোধন বা নবি মুম্বইয়ে অবস্থিত বিমানবন্দরের অনুষ্ঠানে নীরব প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মুখ খোলেন কি না, তা নিয়ে আগ্রহ ছিল যথেষ্ট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আজও নীরবই থাকলেন তিনি। তবে প্রতিদিনের মতো এ দিনও একগুচ্ছ টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী, বেশির ভাগই কৃত্রিম বোধশক্তির মতো গুরুগম্ভীর বিষয় নিয়ে। সেই সুযোগে আর এক দফা আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ‘‘পরীক্ষা পাশ করা নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের দুই ঘণ্টা বক্তৃতা শোনাতে পারেন। কিন্তু ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক দুর্নীতি নিয়ে দুই মিনিট কথা বলার সময় পান না মোদী! অরুণ জেটলিও গা-ঢাকা দিয়েছেন!’’ এই নিয়ে সরব তৃণমূলও। দলের অভিযোগ, নোট বাতিলের সময়ে একাধিক ব্যাংকের বেশ কিছু অফিসারকে বদলি করা হয়। কার নির্দেশে এই বদলি, সেটাও সামনে আসা প্রয়োজন। মমতার কথায়, ‘‘নোট বাতিলের সময়ে বড় অঙ্কের টাকা পাচার হয়েছে। অন্যান্য ব্যাংকগুলিও এর সঙ্গে জড়িত। প্রকৃত সত্য সামনে আসুক।’’ কংগ্রেস মুখপাত্র মণীশ তিওয়ারিও বলেন, ‘‘রিজার্ভ ব্যাংকের হিসেব বলছে বিভিন্ন ব্যাংক শোধ না-হওয়া ঋণের পরিমাণ ৬১,২৬০ কোটি টাকা। কারা কোন ব্যাঙ্ক থেকে এই ঋণ নিয়েছেন, তালিকা প্রকাশ করুক সরকার।’’ কংগ্রেস নিশ্চিত, তা হলে আরও কেলেঙ্কারি বেরোবে বিজেপির। বিজেপির হয়ে আজ মুখ খুলেছেন সঙ্ঘ-ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালী নেতা রাম মাধব। তাঁর হুমকি, ‘‘দু’-এক দিনের মধ্যে এমন একটি ভিডিও আসবে, কংগ্রেস পালানোর পথ পাবে না।’’ যা শুনে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কংগ্রেস মুখপাত্র মণীশ তিওয়ারি। নাগাল্যান্ডে এই বিজেপি নেতার সাম্প্রতিক একটি ভিডিও কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘‘ভিডিও ফুটেজ প্রসঙ্গে রাম মাধব যত কম বলেন, ততই ভাল!’’ (সূত্র-আনন্দবাজার)  কেআই/এসি 

চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’র বিকল্প পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র-ভারতের

চীনের কোটি ডলারের বাণিজ্যিক প্রকল্প ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’কে চ্যালেঞ্জ জানাতে বিকল্প বাণিজ্যিক রুট তৈরির পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী হবে ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া। একজন সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল রিভিউ। নতুন এ পরিকল্পনাটি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান ওই মার্কিন কর্মকর্তা। তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ঘোষণা দেওয়ার সময় আসেনি। অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী টার্নবুলের যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় এই আলোচনা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচ্যসূচিতে টার্নবুল এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবে এটাকে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ প্রকল্পের ‘পাল্টা পদক্ষেপ’ হিসেবে দেখছে বিশ্লেষকরা। উল্লেখ্য, চীনের মূল সিল্ক রোডের অস্তিত্ব ছিল প্রায় দুই হাজার বছর আগে। এটা বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ ছিল। এর মাধ্যমে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের মধ্যে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক চিন্তাধারার বিনিময় হয়েছে। চীনের প্রাচীন সমুদ্র ও সড়কপথের সিল্ক রোড পুনরুদ্ধারের প্রয়াস হলো ‘ওয়ান বেল্ট, ওয়ান রোড’ উদ্যোগ, যে রাস্তাটি পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে পশ্চিমের সংযোগ স্থাপন হয়েছিল। চীনের মতে, নতুন ‘সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট’ও একই কাজ করবে। জাপানের মন্ত্রিসভার প্রধান সচিব ইউশিদে সুগাকে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বলেন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত নিয়মিতই এ বিষয়ে কথা বলছেন। তবে এটা কোনোভাবেই চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোডকে টেক্কা দেওয়ার জন্য নয়। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে প্রথম ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোডকেই ‘বেল্ট অ্যান্ড রোডে’ রুপান্তরের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। আর/ এমজে

বিশ্বের সর্বোচ্চ হোটেলের দেশ দুবাই

বিশ্বের সর্বোচ্চ হোটেলের দেশ এখন দুবাই।পর্যটকদের জন্য শুক্রবার জিভোরা নামে ৩৫৬ মিটার বা ১১৬৮ ফুট উচ্চ হোটেলটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। উচ্চতার দিক দিয়ে হোটেল জেডব্লিউ ম্যারিয়ন মারকুইসকে পেছনে ফেলে বর্তমানে এটি শীর্ষস্থানে চলে এসেছে।  ৩৫৫ মিটার উচ্চতার মারকুইস থেকে এর উচ্চতা মাত্র এক মিটার বেশি। ৭৫ তলাবিশিষ্ট হোটেলটি লন্ডনের বিগ বেনের চেয়ে তিন গুণ এবং প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের চেয়ে ৫৬ মিটার বেশি উঁচু। বর্তমানে এটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডের পাতায় সর্বোচ্চের খেতাবটি দখল করে নিয়েছে।   এছাড়াও হোটেলের অতিথিদের জন্য প্রবেশদ্বারটি স্বর্ণ দিয়ে মোড়ানো। হোটেলের সাজসজ্জা থেকে শুরু করে সবকিছুই বিলাসবহুল। সর্বোচ্চ এই হোটেলটির ছাদে রয়েছে ঘূর্ণায়মান রেস্তোরাঁ। এখানে বসে চারদিক থেকে দুবাই শহর দেখা যাবে। দুবাইয়ের শেখ জায়েদ রোডে অবস্থিত হোটেলটিতে অতিথিদের জন্য ৫২৮টি কক্ষ ও সুইটস এবং চারটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। এছাড়া এ ভবনে রয়েছে ছয়টি লিফট ও তিন হাজার ৮৫৯টি সিঁড়ি। এসি/ 

এবার সাক্ষীকে হত্যাহুমকি

যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত অক্সফামের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এবার মামলার সাক্ষীকে হত্যাহুমকি দেওয়ার অভিয়োগ ওঠেছে। হাইতিতে কর্মরত ওই তিন কর্মকর্তা যৌন হয়রানির ঘটনায় আন্তর্জাতিক তদন্তকালে ওই সাক্ষীকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেছে বলে অভিযোগ তোলে স্বয়ং অক্সফাম। গত সোমবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অক্সফাম হাইতির ওই ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সংস্থাটি জানায়, তারা বিশ্বব্যাপী স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করতে চায়। অক্সফামের কর্মকর্তারা শুধু সংস্থাটিতে কর্মরত নারীদের ওপরই নির্যাতন চালায়নি, তাঁরা ওই ভবনে ভাড়াকরা যৌনকর্মী নিয়ে আসতেন বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। তাঁদের ওপরও যৌন হয়রানি চালাতো অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তা। এদিকে যৌন কর্মীদের এনে সব যৌনদৃশ্য ভিডিও করতো বলেও প্রমাণ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, হাইতিতে কর্মরত ওই ব্যক্তিদের কম্পিউটার তল্লাসি করে প্রচুর পর্নোগ্রাফি ভিডিও ও অবৈধ তথ্য উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অক্সফাম।  সূত্র: আল-জাজিরাএমজে/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি