ঢাকা, বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮ ১৪:৫২:৪৪

রুয়াণ্ডা গণহত্যার শিকার ২০০ ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার

রুয়াণ্ডা গণহত্যার শিকার ২০০ ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার

রুয়াণ্ডা গণহত্যায় সরকারি বর্বরতার শিকার ২০০ ব্যক্তির মৃতদেহ আবিষ্কার করা হয়েছে। গত সপ্তাহে একটি গণকবর থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, গণকবরের প্রায় ৩০ মিটার নিচে থেকে তাদের দেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারগোষ্ঠী ইবাকোর প্রধান কাবাগামবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাবাগামবির বলেন, এখনো সেখানে তিনটি গণকবর রয়েছে। তবে গণকবরগুলোর উপর আবাস গড়ে উঠায় তা থেকে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি। উদ্ধারকারী দলের একজন বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি না, হত্যার শিকার ব্যক্তিদের উদ্ধারে কেন এত দেরি হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই গণকবরটিতে অন্তত ৩ হাজার জনেকে মাটি চাপা দিয়েছিল সরকার। ১৯৯৪ সালের ৬ এপ্রিল রুয়াণ্ডার প্রেসিডেন্ট জুভেনাল হাবিয়ারিমান এক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। আর এ ঘটনার জেরে দেশটিতে শুরু হয় গণহত্যা। টুটসি সম্প্রদায়ের লোকদের উপর চালানো হয় গণহত্যা। মাত্র ১০০ দিনের নজিরবিহীন এ হত্যাকাণ্ডে অন্তত ১০ লাখ লোকের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সূত্র: শিনহুয়াএমজে/
পাকিস্তানে ফের ‘অনার কিলিং’

সানা শিমা। বড় হয়েছেন ইতালিতে। দেশটিতে রয়েছে তার বয় ফ্রেন্ড। তবে বাবা-মার ইচ্ছা ওই বয় ফ্রেন্ড নয়, নিজ দেশের স্বজাতি ও পছন্দের পাত্রের সঙ্গে বিয়ে দেবেন শিমার। কিন্তু শিমা বেঁকে বসেছেন। তাই সম্মান রক্ষার নামে নিজ কন্যা শিমাকে খুন করেন (অনার কিলিং) বাবা-ভাই ও কাকা। শুধু খুন-ই নয়, পরে আগুন ধরিয়ে ভস্ম করে দেওয়া হয়েছে তার মৃতদেহ। ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের গুজরাটে। ২৬ বছর বয়সী শিমার ভস্ম হওয়া দেহ পরবর্তীতে কবর দেওয়া হয় পশ্চিম মঙ্গলের একটি নির্জন জায়গায়। তবে ঘটনার পরই পুলিশ শিমা হত্যার ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিমা হত্যার বিষয়টি ভাইরাল হওয়ার পর মাঠে নামে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছেন, শিমার বাবা গোলাম মোস্তাফা মেয়েকে অন্যত্র বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। তবে শিমা ইতালিতে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। মেয়ের সঙ্গে তর্কে কুলিয়ে উঠতে না পেরে ছেলে আদনান মোস্তাফা, এবং ভাই মাজহার ইকবালকে খবর দেন গোলাম মোস্তাফা। এরপর তিনজনে মিলে খুন করেন তাকে। তবে শিমা খুন হওয়ার এতদিনে পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তদের এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের পাকিস্তান-ব্রিটিশ নাগরিক সামিয়া শাহীকেও সম্মান রক্ষার নামে হত্যা করা হয়েছিল। সূত্র: খালিজ টাইমসএমজে/  

সৌদি জোটের হামলায় নিহত ৪৫

ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় গত চারদিনে অন্তত ৪৫ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত শুক্রবার ইয়েমেনের মাওজা জেলায় যাত্রীবাহী বাসে বিমান হামলা চালালে ৫শিশুসহ ২১ বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। গত রোববার একটি বিয়ের অনুষ্ঠান লক্ষ্য করে সৌদি বাহিনীর হামলায় অন্তত ১৯ বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। যাদের অর্ধেকই শিশু। ওই হামলায় একই পরিবারের ৫জন নিহত হন। ইয়েমেনে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালানো হামলাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। জাতিসংঘের ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র লিজ থ্রসেল এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ২০১৫ সালের মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সৌদি জোটের বিমান হামলায় অন্তত ৬ হাজার ৩০০ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ হাজার। তবে সেনা ও জঙ্গিসহ হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। সূত্র: আনাদুলো নিউজ এজেন্সিএমজে/

আগাম নির্বাচন স্থগিতে ডাক: তুরস্কের নিন্দা

আগাম নির্বাচন স্থগিত করতে ইউরোপীয় কমিশনের দেওয়া ডাকের তীব্র সমালোচনা করেছে তুরস্ক। অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে ইউরোপীয় কমিশনের নাক গলানোকে বাড়াবাড়ি বলেও দেখছি দেশটি। তুর্কী উপ-প্রধানমন্ত্রী বেকির বোজডাগ ইউরোপীয় কাউন্সিলের সমালোচনা করে বলেন, নির্বাচন বিষয়ে ইউরোপীয় কমিশনের মন্তব্য হস্তক্ষেপের শামিল। গত মঙ্গলবার তুরস্কের জাতীয় নির্বাচন স্থগিতের আহ্বান জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের এ শাখাটি। তাদের দাবি, রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা থাকা অবস্থায় কোনো স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে না। ইউরোপী কমিশনের পর্যবেক্ষক সংস্থা এ আহ্বান জানায়। তুর্কী প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচন বন্ধের আহ্বান জানায় ইউরোপীয় নেতৃবৃন্দ। তুর্কী উপ-প্রধানমন্ত্রী বেকির বোজডাগ বলেন, ‘ফ্রান্স যখন রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা চলাকালে নির্বাচনের আয়োজন করলো, তখন ইউরোপীয় কমিশন কোথায় ছিল? কিন্তু তুরস্ক যখন নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে, তখন এরা ইউরোপীয় কমিশনের নীতিমালা দেখাচ্ছে, যা নিতান্তই দ্বিমুখী নীতি। তাই আমি বলবো, পিএসিইকে নিজের মাথায় তেল দেওয়া উচিত, তুরস্ক নির্বাচনের আয়োজন করবেই’। সূত্র: আনাদুলো নিউজ এজেন্সিএমজে/

ভারতে ৪০ লাখ ভক্তের ধর্মগুরু ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত

ভারতে রামগুরুর পর এবার ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন আলোচিত ধর্মগুরু আসারাম বাপু। বিশ্বে তার ৪০০ এর বেশি আশ্রম রয়েছে, যেখানে তিনি মেডিটেশান ও যোগ ব্যয়াম শিক্ষা দিয়ে থাকেন। ১৬ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন লাখ লাখ শিষ্যের এ গুরু। বুধবার জোধপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতের বিচারক মধুসুদন শর্মা এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসারামের দুই সহযোগীও দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। খালাস পেয়েছেন দুজন। রায় ঘোষণার পর পর আসারামের আশ্রমের মুখপাত্র নীলম দুবে জানিয়েছেন, আদালতের এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা হাইকোর্টে আপিল করবেন। এদিকে আসারাম বাপুর রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজস্থান, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানা রাজ্যে কড়া সতর্ক অবস্থায় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আসারামের ভক্তরা যাতে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সহিংসতা না করতে পারে, সেদিকে কড়া নজর রাখছে পুলিশ। ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জোধপুরজুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। শহরে সব বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। হোটেল ও ধর্মশালায় যাতায়াতকারীদের ওপরও নজর রাখছে পুলিশ। জোধপুর শহরের বাইরে পল রোডে আসারামের আশ্রমকে এরই মধ্যে খালি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হন আসারাম বাপু। ওই সময় বাপুর এক ভক্তের মেয়ের উপর ভৌতিক আশ্রয় আছে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে আসারাম বাপু তাকে তার আশ্রমে ডেকে আনেন। ওই ভক্তের মেয়ে বাপুর ঘেরায় প্রবেশ করলেও প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি তার বাবা-মাকে। এরপর ধর্ষণ করা হয় ওই মেয়েকে। ধর্ষণের পর কাউকে ঘটনা না বলতে তাকে হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি ঘটনা প্রকাশ করলে তাকে হত্যার হুমকি দেন ওই গুরু। আসারাম বাপু ১৯৪১ সালে পাকিস্তানের সিন্ধে জন্মগ্রহণ করেন। তবে দেশভাগের পর তিনি গুজরাটে স্থানান্তর হন। অনেক ধর্মগুরুর কাছ থেকে শিক্ষা লাভের পর ১৯৭২ সালে প্রথম আশ্রম খোলেন আসারাম বাপু। এরপর বিশ্বজুড়ে তার ৪০০ এর বেশি আশ্রম খোলেন বিতর্কিত এ ধর্মগুরু। বিশ্বজুড়ে তার ৪০ লাখ ভক্ত আছে। তার আশ্রমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ দেশটির অনেক বড় বড় রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী ও অভিনেতার যাতায়াত ছিল। জানা গেছে, আরও একটি ধর্ষণকাণ্ডের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিচারকার্য চলমান রয়েছে। অন্যদিকে দেশটিতে তার অঢেল সম্পত্তি রয়েছে। এসব সম্পত্তির উৎস ও দুর্নীতির সন্ধ্যানে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। এমজে/

ইন্দোনেশিয়ায় তেলকূপে অগ্নিকাণ্ড, ১০ জনের মৃত্যু

ইন্দোনেশিয়ার একটি তেলকূপে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, পূর্ব আচেহ জেলায় আড়াইশ মিটার গভীর একটি কূপ থেকে তেল উপচে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা তেল সংগ্রহ করতে জড়ো হয়েছিল, তখনই আগুনের সূত্রপাত হয়। তেল কূপটি অবৈধভাবে খনন করা হয়ে থাকতে পারে এবং কেউ একজন সিগারেট খাওয়ার সময় আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন পূর্ব আচেহর পুলিশ প্রধান ওয়াহিউ কুনকোরো। এদিকে, আচেহর প্রদেশের এক কর্মকর্তা বলেন, এ পর্যন্ত ১০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তেলকূপে এখনো আগুন জ্বলছে। পুরোপুরিভাবে আগুন নেভানো যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলকর্মীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রাদেশিক রাজধানী বান্দা আচেহর হাসপাতালে বহু আহতকে ভর্তি করা হয়েছে। এক প্রতিবেদনে নিউ স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে চুইয়ে পড়া তেলের ধারা থেকে বড় ধরনের একটি আগুনের সূত্রপাত হয়, এতে একটি আবাসিক এলাকার অন্তত তিনটি বাড়ি ভস্মীভূত হয়। সূত্র: এএফপিএমজে/

ম্যাঁক্রো-পুতিন একমত, ট্রাম্পের গালে চপেটাঘাত

ইরানকে পারমাণবিক ইস্যু থেকে সরিয়ে আনতে ছয় জাতিগোষ্ঠীর করা চুক্তি থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরে যাওয়ার ঘোষণা দিলেও চুক্তিতে নিজেদের অক্ষুন্ন রাখার ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়ের ম্যাঁক্রো। শুধু তাই নয়, কোনো পরাশক্তি যাতে এই চুক্তি থেকে সরে না যায় সে ব্যাপারেও তারা একমত। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তি থেকে সরে আসতে পাঁচ জাতিগোষ্ঠীকে আহ্বান জানিয়েছে। সোমবার দুই প্রেসিডেন্ট এক টেলিফোনালাপে বলেছেন, বিশ্বে নিরাপত্তা রক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হচ্ছে ইরানের পরমাণু সমঝোতা। এমন সময় রুশ ও ফরাসি প্রেসিডেন্টের মধ্যে এ টেলিফোনালাপ হয় যখন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রন চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন। আসন্ন সাক্ষাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হবে ইরানের পরমাণু সমঝোতা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই সমঝোতার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে তা বাতিল করার অথবা অন্তত আমেরিকাকে এটি থেকে বের করে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন। টেলিফোনালাপে প্রেসিডেন্ট পুতিন সিরিয়ায় তিন পশ্চিমা দেশের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আমেরিকা, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ছিল আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, যা রাজনৈতিক উপায়ে সিরিয়া সংকট সমাধানের বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে। অন্যদিকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট সিরিয়ার ঘৌটা শহরে কথিত রাসায়নিক হামলার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদলের তদন্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সূত্র: বিবিসি এমজে/  

উত্তেজনা কমাতেই মোদির চীন সফর

ভারত ও চীনের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমাতে চীনা সফরে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী এমন এক সময় দেশটিতে সফর করছেন, যখন সংখ্যালঘুদের উপর ধর্ষণকাণ্ডে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনার শিকার হচ্ছেন। এ সপ্তাহের শেষ দিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সঙ্গে এক ঘরোয়া শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হতে যাচ্ছেন বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রীক দেশের প্রধান এ ব্যক্তি। আগামী শুক্র ও শনিবার চীনের হুবেইপ্রদেশের রাজধানী য়ুহান শহরে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। মাত্র কয়েক মাস আগেই ভারত ও চীনের সেনারা দোকলামে দিনের পর দিন মুখোমুখি অবস্থানে ছিল। এমনকি দোকলাম ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই দুই দেশের শীর্ষ নেতারা ঘরোয়া আলোচনায় মুখোমুখি বসতে পারবেন, তা অনেকে কল্পনায়ও ভাবতে পারেনি। সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিওর বৈঠকে যোগ দিতে বেইজিং গিয়ে দুদিন আগে ভারতের পরারাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ নরেন্দ্র মোদি ও শি জিন পিংয়ের মধ্যে আসন্ন বৈঠকের বিষয়ে কথা বলেন। এটি অনেকের কাছেই বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। দোকলাম সীমান্তে টানা ৭২ দিন ধরে সামরিক উত্তেজনাই শুধু নয়, এ বছরেই চীন নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপে ভারতের প্রবেশে বাধা দিয়েছে, জাতিসংঘে ভেটো দিয়ে বারবার আটকে দিয়েছে জয়স-ই-মোহাম্মদ নেতা মাসুদ আজহারকে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণার চেষ্টা। ড. আচারিয়া বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, দুই দেশের সম্পর্ককে এখন যে আবার পুনর্গঠন করার কথা বলা হচ্ছে, দোকলাম সংকটের তলানিটাই কিন্তু তাকে গতি দিয়েছে। তিনি বলেন, আমার মতে দোকলামটা দুদেশের জন্যই ছিল একটা ওয়েকআপ কল। সম্পর্কটা যাতে আরও খারাপের দিকে না গড়ায়, দুই নেতাই সেই সুযোগটা নিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্বের অর্থনীতিতে শুল্ক বসানো নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, এই অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়ন কিংবা সন্ত্রাসবাদ- কথা বলা দরকার তো কত কিছু নিয়েই। কিন্তু বাস্তবটা এটিই, চীন ও ভারত এতদিন এগুলো নিয়ে কোনো আলোচনা করেনি। কিন্তু আমার ধারণা, য়ুহানের সামিট থেকে দুই দেশ আবার এগুলো নিয়ে কথা বলতে শুরু করবে। এদিকে ভারতের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করে চলছে। বিশেষ করে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসলামাবাদের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকলে, পাকিস্তানের নেতারা বেইজিংয়ের দিকে ঝুকে পড়ে। বিশেষ করে, অস্ত্র আমদানিসহ সব ক্ষেত্রেই চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এমন অবস্থায় পাকিস্তানকে সামাল দিতে হলেও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয় জরুরি পাকিস্তানের, এমন তাগিদেই নয়াদিল্লী বেইজিংয়ের দিকে নজর দিয়েছে বলে মনে করেন অনেক বিশেষজ্ঞ। সূত্র: বিবিসিএমজে/

সংক্ষেপে উত্তর কোরিয়া সংকট

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনা সত্যিই হবে কিনা সে নিয়ে অনেকের মনে সন্দেহ রয়েছে। আর তা হলে কিভাবে হবে, তার ফল কি হবে সেটি নিয়েও রয়েছে অনেক জল্পনা কল্পনা। চলুন জেনে নেয়া যাক এই সংকট আসলে কি নিয়ে। উত্তর কোরিয়া কেন পারমানবিক অস্ত্র চায়? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোরিয়ান উপদ্বীপ বিভক্ত করে ফেলা হয়। উত্তর কোরিয়া স্ট্যালিনপন্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রটিকে শুরু থেকেই স্বৈরতান্ত্রিক বলা হয়ে থাকে। উত্তর কোরিয়া সব সময় বিশ্ব রাজনীতি থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে। কোরিয়া যুদ্ধে `২১ দিনে মারা যাবে ২০ লাখ লোক। অথবা বেশিরভাগ রাষ্ট্র দেশটির সাথে দূরত্ব বজায় রেখেছে। উত্তর কোরিয়া মনে করে বহির্বিশ্বের আক্রমণ ঠেকাতে পারমানবিক শক্তিই তাদের জন্য একমাত্র উপায়। উত্তর কোরিয়া এ পর্যন্ত ছয়বার পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। উত্তর কোরিয়া কি সত্যিই পারমানবিক হামলা চালাতে সক্ষম? সম্ভবত সক্ষম কিন্তু তারা সত্যিই এমন হামলা চালাবে তা মনে হয়না। উত্তর কোরিয়া এ পর্যন্ত ছয়বার পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে। দেশটির দাবি এর একটি হাইড্রোজেন বোমা। উত্তর কোরিয়া আরো দাবি করে যে তারা এমন একটি পরমাণু অস্ত্র তৈরি করেছে যা দুর পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দ্বারা বহন করা যাবে এমন ছোট আকারের। যদিও এই দাবি নিরপেক্ষ সূত্র দ্বারা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে দেশটির এই দাবির জবাবে জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইওরোপিও ইউনিয়ন উত্তর কোরিয়ার উপরে তাদের অবরোধ আরো কঠোর করেছে। কিম জং আনকে কে ক্ষমতা থেকে অপসারণ সম্ভব নয় কেন? দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের দিকে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র তাক করা রয়েছে। কোন হামলার জবাবে বিধ্বংসী প্রতিশোধ নিতে পারে উত্তর কোরিয়া। আর তাছাড়া এশিয়ার সবচাইতে শক্তিশালী দেশ চীন উত্তর কোরিয়া শাসক পরিবর্তন চায়না। ট্রাম্প ও কিম সত্যিই আলাপে মিলিত হলে তা তবে হবে অভূতপূর্ব। তাদের ধারনা উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া একত্রিত হয়ে গেলে একদম তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবে মার্কিন সেনাবাহিনীকে। দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন সেনারা তাদের সীমানা পর্যন্ত পৌঁছে যাবে বলে চীনের আশংকা। অভূতপূর্ব কিছু কি সামনে অপেক্ষা করছে? পূর্বে সাহায্যের বিনিময়ে উত্তর কোরিয়ার প্রতি অস্ত্র সমর্পণের বেশ কিছু প্রস্তাব ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু এই জানুয়ারিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় শীতকালীন অলিম্পিকসকে ঘিরে উত্তর কোরিয়ার সাথে সরাসরি আলাপের এক সুযোগ তৈরি হয়েছে। যার প্রস্তাব এসেছিলো স্বয়ং পিয়ং ইয়ং থেকে। একই রকম ভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে আলাপের প্রস্তাব দেয় উত্তর কোরিয়া। যে প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন ট্রাম্প। এর ফলশ্রুতিতে আপাতত পারমানবিক কর্মসূচী স্থগিত রাখার আদেশ দিয়েছে পিয়ং ইয়ং।ট্রাম্প ও কিম যদি সত্যিই আলাপে মিলিত হন তবে তা হবে অভূতপূর্ব। যদিও সম্ভাব্য এই সাক্ষাৎ সম্পর্কে কোন ধরনের বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। সূত্র: বিবিসিএমজে/

‘বিনোদন নগরী’ নির্মাণ করছেন সৌদি আরব   

‘বিনোদন নগরী’ নির্মাণ করতে যাচ্ছেন সৌদি আরব। বুধবার রিয়াদের কাছে এই নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন সৌদি বাদশাহ সালমান। দেশটির তেল নির্ভর অর্থনীতিতে ভিন্নতা আনার প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের যেসব প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে এটি সেসবের অংশ। মঙ্গলবার কর্তৃপক্ষ এ কথা জানিয়েছে। খবর এএফপি’র। কর্মকর্তারা জানান, ৩৩৪ বর্গ কিলোমিটারের রিয়াদের দক্ষিণ -পশ্চিম অঞ্চলের কিদিয়ায় এ মেগা প্রকল্পে থিম পার্ক, মটর স্পোর্ট সুবিধা ও একটি সাফারি পার্কসহ ওয়াল্ট ডিজনী থাকছে। প্রকল্প কর্মকর্তা ফাহাদ বিন আব্দুল্লাহ তৌসি বলেন, এ প্রকল্প থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়া যাবে। কিদিয়া প্রধান নির্বাহী মিশেল রিনিঞ্জার জানান, তিনি আশা করেন যে এ প্রকল্প সৌদি আরবের বিনোদন ও অন্যান্য খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করবে। তবে প্রকল্পটির মোট ব্যয়ের কথা সুনির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি। যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান তার নিজস্ব ধারায় সৌদি আরবের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছেন। তিনি হচ্ছেন দেশটির সুদুরপ্রসারী ‘ভিশন ২০৩০’ সংস্কার কর্মসূচির প্রধান উদ্যোক্তা। এসি  

মুসলিমদের রক্তে রঞ্জিত কংগ্রেসের হাত: সালমান 

মুসলিমদের রক্তে কংগ্রেসের হাত রঞ্জিত বলে মন্তব্য করেছেন দলটির নেতা এবং ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী সালমান খুরশীদ। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে এমন ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সে ব্যাপারেও সতর্ক করেন দলটির জ্যেষ্ঠ্য এ নেতা। আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন সালমান।      ১৯৮৪ সালে শিখ-বিরোধী সরকারি অবস্থান এবং ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার সূত্র টেনে আমির মিন্টো নামের ঐ সাবেক ছাত্র প্রশ্ন করেন, “সংবিধানে প্রথম সংশোধনী আনা হয় ১৯৪৮ সালে। তারপর ১৯৫০ সালে আসল এক প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার। তারপর হাসনাপুরা, মালিয়ানা, মোজাফফরাবাদসহ কংগ্রেসের সময়ে দাঙ্গার অনেক লম্বা তালিকা আছে। কংগ্রেসের হাতে মুসলিমদের রক্ত। এ ব্যাপারে আপনি (সালমান) কী মন্তব্য করবেন?” এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সালমান খুরশীদ বলেন, “আমি কংগ্রেসের একজন সদস্য। তাই আমি সম্মতি প্রকাশ করে বলছি যে, মুসলিমদের রক্তে কংগ্রেসের হাত রঞ্জিত। আমরা এই কারণে এই কথা বলছি যে, আমাদের হাতে যে রক্ত তা আপনারা দেখুন। আর সতর্ক থাকুন যেন আপনাদের হাতেও রক্তের দাগ না লাগে”। তিনি আরও বলেন যে, সংখ্যা লঘিষ্ঠদের ওপর হামলা করলে হামলাকারীদের হাতেই রক্তের দাগ পরবে। তিনি বলেন, “আপনি যদি তাদেরকে (সংখ্যা লঘিষ্ঠদের) হামলা করেন তাহলে আপনার হাতেই রক্তের দাগ পরবে। আমাদের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেন এবং এমন কাজ পুনরাবৃত্তি করা থেকে বিরত থাকুন। যদি এমনটা করেন তাহলে ১০ বছর যদি আবার এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন তাহলে আরেকজন ঠিকই একই ধরণের প্রশ্ন করবেন”। এদিকে সালমানের এমন বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করেছে কংগ্রেস। কংগ্রেস দল সালমান খুরশীদের বক্তব্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করে উল্লেখ করে দলের নেতা পিএল পুনিয়া এক বিবৃতিতে বলেন, “সবাই জানে যে, কংগ্রেসই একমাত্র দল যা স্বাধীনতার আগে ও পরে দেশের সকল স্তরের জনগণের জন্য কাজ করে গেছে। ধর্মীয় সংখ্যা লঘিষ্ঠ সম্প্রদায়ের জন্যও কাজ করেছে কংগ্রেস”। কংগ্রেসের এমন বক্তব্যের পর গণমাধ্যমকে সালমান জানান, “আমি যা বলেছি তা মানবিক দিক বিবেচনা করে বলেছি। আমি কংগ্রেসের কোন প্রতিনিধি না বরং আমিই কংগ্রেস দল। আমি দলটির ভাবমূর্তি রক্ষা করতেই এমনটা বলেছি। আমি যা বলেছি তা বলা থেকে পিছিয়ে আসব না”। সূত্রঃ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস //এস এইচ এস//এসি   

ইয়েমেনে বিয়ের অনুষ্ঠানে সৌদি জোটের হামলায় নিহত ২০

ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধানীন জোটের হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। উত্তর ইয়েমেনের বনী কায়েস জেলায় পৃথক দুই বিমান হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। আহত হয়েছেন আরও ৪৬ জন। গত রবিবারের এই বিমান হামলায় নিহত এবং আহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। জেলার হাজ্জাহ নামক শহরে একটি বিয়ে বাড়িতে বিমান হামলা হলে এই আহত-নিহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে ঠিক কতজন শিশু আছে তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া না গেলেও আহতদের মধ্যে ৩০ জনই শিশু। বিমান হামলায় আক্রান্ত এলাকার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, একটি শিশু তাঁর বাবার মৃতদেহ জড়িয়ে বসে আছে। ভিডিও রেকর্ড ধারণকারী ব্যক্তি শিশুটিকে বারবার সেখান থেকে সরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। তবে বিমান হামলার দায়ভার এখনও নেয়নি সৌদি জোট। বিষয়টি তদন্ত করে দেখবার কথা জানিয়েছে রিয়াদ। সৌদি সরকারের এক মুখপাত্র বলেন, “বিষয়টিকে আমরা খুবই গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। আমরা পূর্ণ পেশাদারিত্বের সাথে এর তদন্ত করব”। এর আগেও ইয়েমেনে বেসামরিক স্থাপনা এবং মানুষের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ আছে সৌদি জোটের বিপক্ষে। ২০১৫ সালে ১৮ সেপ্টেম্বর তারিখেও একটি বিয়ে বাড়িতে বিমান হামলা চালিয়েছিল সৌদি এবং তাদের মিত্র দেশগুলোর জোট। আল-ওয়াজিয়াহ প্রদেশের রেড সী ভিলেজে সেবারের বিমান হামলায় নিহত হয়েছিলেন প্রায় ১৩১ জন মানুষ। ঠিক দশ দিন পর অক্টোবরের ৭ তারিখেও আবারও একটি বিয়ে বাড়িতে বিমান হামলা চালানো হলে নিহত হয় ৪৩ জন। ধাম্মার প্রদেশে সানাবান গ্রামে চালানো হয়েছিল ঐ হামলা। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে ইয়েমেনে হুদী বিদ্রোহীরা সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করলে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। দেশটির স্বীকৃত প্রেসিডেন্ট আবদ রাব্বু মনসুর হাদি ইয়েমেন থেকে পালিয়ে সৌদি আরবে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। ২০১৫ সাল থেকেই হুদি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে আসছে সৌদি জোট। সূত্রঃ আল-জাজিরা //এস এইচ এস// এআর  

শ্যাওলা দূর করবে আর্সেনিক  

বিশুদ্ধ পানির অপর নাম জীবন, যদি তাতে আর্সেনিক না থাকে৷ বাংলাদেশের বহু মানুষ এই বিষে আক্রান্ত৷ দেশে অন্তত দুই কোটি মানুষ আর্সেনিক বিষক্রিয়ার ঝুঁকিতে আছে। বিশ্বজুড়েই পানীয় জলে আর্সেনিক দূষণ ভয়াবহ সমস্যায় রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আশা জাগিয়েছেন সুইডেনের স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। তারা আবিষ্কার করেছেন এমন এক মস বা শ্যাওলা, যা পানি থেকে আর্সেনিক শোষণে সক্ষম। শ্যাওলা ব্যবহার করে পানি পরিশোধনের এ পদ্ধতিকে বলা হচ্ছে ফাইটোফিল্ট্রেশন।  সম্প্রতি এনভায়রনমেন্টাল পলিউশন জার্নালে প্রকাশিত এক নিবন্ধে গবেষকরা জানিয়েছেন, বিশেষ প্রজাতির এই শ্যাওলার বৈজ্ঞানিক নাম `ওয়ার্নস্টোফিয়া ফুইটেনস`। এটি সুইডেনের বিভিন্ন প্রাকৃতিক জলাশয়ে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। তারা কেবল এর জিনে সামান্য পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। এরই মধ্যে এই শ্যাওলা ব্যবহার করে পানি থেকে ৮২ শতাংশ আর্সেনিক দূর করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। এই শ্যাওলা যে কোনও পানির প্রবাহে জন্মানো সম্ভব বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা। এ প্রক্রিয়ায় আর্সেনিক দূরীকরণে ঘণ্টাখানেক সময় লাগে বলে জানান গবেষণা দলের অন্যতম সদস্য আরিফিন সন্ধি। সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট একে//এসি  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি