ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭ ৮:১২:৫৪

হোয়াইটওয়াশের মাধ্যমে শেষ হল ওয়ানডে সিরিজ

হোয়াইটওয়াশের মাধ্যমে শেষ হল ওয়ানডে সিরিজ

দক্ষিণ আফ্রিকা ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে এক নম্বর দল। তাদের বিপক্ষে তাদের মাটিতে বড় কিছু করে ফেলা বাংলাদেশের জন্য আপাতত একটু বাড়তি সাহসের ব্যাপার। তবে ছোট ছোট কিছু করা যেত যা দর্শক-সমর্থকরা মনে রাখতে পারেন। কিন্তু টেস্ট সিরিজের পর এবার ওয়ানডেতেও হোয়াইটওয়াশ হতে হলো টাইগারদের। ৩ ম্যাচের সিরিজে মুশফিক ছাড়া আর কেউ মনে রাখার মত কিছুই করতে পারেননি। যা করেছেন সেটা কেবল আত্মসমর্পণ। ৩৭০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৩৯ ওভারে মাত্র ১৬৯ রানেই থামল মাশরাফি বিন মুর্তজার বাংলাদেশ। প্রোটিয়ারা জয় তুলে নিল ২০০ রানের বিশাল ব্যবধানে। মাশরাফির নেতৃত্বে হাফ সেঞ্চুরির ম্যাচে এমন ছন্নছাড়া অবস্থাতেই দেখা দিল বাংলাদেশ। সফলতম এই অধিনায়ক এখন পর্যন্ত এমন বাজে পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন কিনা বলা মুশকিল। কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ইমরুল কায়েসকে হারায় বাংলাদেশ। প্যাটারসনের বলে বেহারদিনের হাতে ক্যাচ দেন ১ রান করা ইমরুল। ৬ রান করা লিটন দাসকেও এলবিডাব্লিউ করে প্যাভিলিয়নে পাঠান প্যাটারসন। সিরিজে প্রথম সুযোগ পেয়ে আবারও ব্যর্থ সৌম্য সরকার (৮) রাবাদার বলে মার্করামের তালুবন্দী হন। প্রথম দুই ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি ও হাফ সেঞ্চুরি করা মুশফিক আজ ভরসা দিতে পারেননি। ফেলোকায়োর বলে আউট হয়ছেন মাত্র ৮ রান করে। মুশফিকের বিদায়ের পর মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদও টানা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে ২ রান করে অভিষিক্ত মুলডারের শিকার হন। ৬১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে নিশ্চিত পরাজয় দেখে টাইগাররা। বেশ কিছুক্ষণ সাব্বিরকে নিয়ে ৬৭ রানের জুটি গড়ে লড়াই করেন সাকিব। কিন্তু ক্যারিয়ারের ৩৫তম হাফ সেঞ্চুরির পর ৬৩ রানে মার্করামের বলে ক্যাচ দেন তিনি। ঠিক আগের বলেই একই রকম শটে ক্যাচ দিয়ে জীবন পেয়েছিলেন। সাকিব আউট হওয়ার পর নূন্যতম লড়াইয়ের আশাটাও শেষ হয়ে যায়। ভালো খেলতে খেলতে মার্করামের দ্বিতীয় শিকার হন ৩৯ রান করা সাব্বির। খেলাটা এর আগেই শেষ হয়ে গেছে। বাকী ছিল আনুষ্ঠানিকতা। অধিনায়ক মাশরাফি আউট হন ১৭ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ১৭ রান করে। তাসকিন (২) আর মেহেদী মিরাজের (১৩) বিদায়ে ১৬৯ রানে শেষ হলো বাংলাদেশের ইনিংস। লন্ডন পার্কে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই বাংলাদেশি বোলারদের ওপর চড়াও হন দুই প্রোটিয়া ওপেনার। জুটি ছাড়িয়ে যায় শতরান। শেষ পর্যন্ত প্রোটিয়াদের দলীয় ১১৯ রানে বাভুমাকে (৪৮) ব্রেক থ্রু এনে দেন সিরিজে প্রথমবার সুযোগ পাওয়া অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। ৬৮ বলে ৭৩ রান করা কুইন্টন ডি ককও শিকার হন মিরাজের। দুই ওপেনারের বিদায়ের দলের হাল ধরেন অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস এবং অভিষিক্ত এইডেন মার্করাম। পেশিতে টান লেগে ডু-প্লেসিসের (৯১) মাঠ ছাড়ার আগে দুজনের জুটিতে এসেছে ১৫১ রান। এইডেন মার্করাম টেস্টের মত অভিষেক ওয়ানডেতেও রান-আউট হয়েছেন। টেস্টে হয়েছিলেন ৯৭ রানে; এবার ৬৬ রানে। উইকেট গেলেও রানের গতি কমেনি প্রোটিয়াদের। তবে আজ ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠার আগেই রুবেল হোসেনের বলে মাশরাফির তালুবন্দী হন দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সাইক্লোন বইয়ে দেওয়া এবিডি ভিলিয়ার্স (২০)। এরপর জোড়া আঘাতে অভিষিক্ত মুলডার (২) এবং ফিলোকায়োকে (৫) প্যাভিলিয়নে পাঠান তাসকিন আহমেদ। শেষ পর্যন্ত পেসার রাবাদার ১১ বলে ২৩ রানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেটে ৩৬৯ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। / কে আই
ইমরুল, লিটন ও সৌম্যের পর সাজঘরে মুশফিক

দক্ষিণ আফ্রিকার দেয়া ৩৭০ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। প্যাটারসনের টানা দুই ওভারে আউট হন ইমরুল কায়েস আর লিটন দাস। এরপর কাগিসো রাবাদার বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন ৮ রান করা সৌম্য সরকার। মুশফিকুর রহীমকে নিয়ে সাকিব আল হাসান ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। ৩১ রানের একটি জুটি গড়েছিলেন তারা। দলের রান পঞ্চাশ পেরুনোর পর সেই জুটিটাও ভেঙে গেছে। মুশফিক ৮ রান করে ফেহলুকাওকে উঠিয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ দিয়েছেন মিড-অফে। এর আগে, ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে মিড অফে ক্যাচ তুলে দেন ইমরুল কায়েস। প্যাটারসনের বলে আউট হওয়ার আগে মাত্র একটি রান নিতে পেরেছিলেন এই ওপেনার। এরপর ইনিংসের চতুর্থ ওভারে প্যাটারসনের আরেক আঘাত। ৬ রান করে লিটন দাস এবার এলবিডব্লিউয়ের শিকার। বাফেলো পার্কে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশকে ৩৭০ রান করতে হবে। টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ উইকেট হারিয়ে করে ৩৬৯ রান। উইকেটে নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে এসেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সাকিব আল হাসান ২৬ রানে ব্যাট করছেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১২ ওভারে ৪ উইকেটে ৫৪ রান। আরকে//  

টাইগারদের সামনে রানের পাহাড় প্রোটিয়াদের

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে ৩৭০ রান করতে হবে বাংলাদেশের। টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩৬৯ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। স্বাগতিকদের অসাধারণ শুরু এনে দিয়েছিলেন কুইন্টন ডি কক ও টেম্বা বাভুমা। উদ্বোধনী জুটিতে ১১৯ রান তুলেন দুজন। বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মেহেদি হাসান হাসান মিরাজ। ৪৮ রান করা টেম্বা বাভুমাকে লিটনের ক্যাচ বানান তিনি। কিছুক্ষণ পর ৭৩ রান করা ডি কককেও সাজঘরের পথ দেখান মিরাজ। মিরাজের জোড়া আঘাতেও রান-বন্যা থামেনি প্রোটিয়াদের। অধিনায়ক ফাফ ‍ডু প্লেসি ও অভিষিক্ত এইডেন মার্করাম স্বাগতিকদের নিয়ে যায় বড় সংগ্রহের দিকে। ৬৭ বলে ৯১ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট না হলে ডু প্লেসি পেয়ে যেতে পারতেন শতকও। ৬০ বলে ৬৬ করে রান আউট হয়েছেন মার্করাম। তবে এ ম্যাচে সুবিধা করতে পারেন নি আগের ম্যাচে ঝড় তোলা এ বি ডি ভিলিয়ার্স। ১৫ বলে ২০ রান করেই থামেন এই বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান। শেষ দিকে কাগিসো রাবাদার ১১ বলে অপরাজিত ২৩ ও ফারহান বিয়ারডিয়েনের ২৪ বলে অপরাজিত ৩৩ রানের কল্যাণে ৫০ ওভার শেষে ৬ ‍উইকেটে ৩৬৯ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের পক্ষে মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ ২টি করে উইকেট লাভ করেন। এছাড়া রুবেল হোসেন দখল করেন এক উইকেট। সূত্র : ক্রিকইনফো এমআর/এআর

মিরাজের জোড়া আঘাত

তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে দলে ফিরেই স্পিন জাদু দেখাচ্ছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। দারুণ শুরু করা দুই দক্ষিণ আফ্রিকান ওপেনারকে ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। দলীয় ১১৯ রানে টেম্বা বাভুমাকে (৪৮) ও ১৩২ রানে কুইন্টন ডি কককে (৭৩) সাজঘরে ফেরান এই স্পিনার। মিরাজের জোড়া আঘাতের পরও অবশ্য বড় সংগ্রহে দিকেই যাচ্ছে স্বাগতিকরা। প্রতিবেদন লেখার সময় দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ২৬ ওভারে ২ উইকেটে ১৬১ রান। অধিনায়ক ডু প্লেসি ২২ ও অভিষিক্ত এইডেন মার্করাম ১৪ রানে অপরাজিত আছেন। এর আগে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন প্রোটিয়া দলপতি ফাফ ডু প্লেসি। তামিম ইকবাল ও নাসিরের পরিবর্তে একাদশে ফিরেছেন সৌম্য সরকার ও নাসির হোসেন। সূত্র : ক্রিকইনফো এমআর / এআর

টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে টাইগাররা

তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি। ইস্ট লন্ডনের বুফালু পার্কে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশের। বাংলাদেশ দলে এসেছে দুটি পরিবর্তন। তামিম ইকবাল ও নাসির হোসেনের জায়গায় খেলছেন সৌম্য সরকার ও মেহেদি হাসান মিরাজ। আজকের একাদশ ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা, তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন। ইস্ট লন্ডনে মাঠে নামার সময় দারুণ একটি রেকর্ড করবেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। অধিনায়ক হিসেবে দেশকে ৫০তম ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দেবেন তিনি। বাংলাদেশিদের মধ্যে এমন রেকর্ড রয়েছে আর মাত্র দুজন অধিনায়কের। হাবিবুল বাশার ৬৯ ও সাকিব আল হাসান ৫০ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের জয় মাত্র একটি ম্যাচে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিতেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় জয়টা কি ইস্ট লন্ডনে আসবে? সেটাই দেখার বিষয়।   সূত্র : ক্রিকইনফো / এমআর / এআর

দ. আফ্রিকার বিরুদ্ধে অবিস্মরণীয় সেই জয়

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে চলতি সফরে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর ওয়ানডেও হোয়াটওয়াশের পথে বাংলাদেশ। প্রোটিয়াদের কাছে একের পর এক পরাজয়ে বিধ্বস্ত হচ্ছে টাইগাররা। তবে বাংলাদেশের কাছে অজেয় নয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়ানডেতেই প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে সিরিজ জিতেছে টাইগাররা। তিন তিনবারিআফ্রিকা বধ করেছে মাশরাফি বাহিনী। বিশ্বকাপের মঞ্চেও দক্ষিণ আফ্রিকাকে ধরাশায়ী করেছে টাইগাররা। বিশ্বকাপের সেই জয় অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে বাংলার কোটি ক্রিকেটপ্রেমির মাঝে। দেখে নেওয়া যাক প্রোটিয়াদের বিরোদ্ধে বাংলাদেশের সেই জয় গুলো। প্রভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানা ((৭ এপ্রিল, ২০০৭) বিশ্ব ক্রিকেটের পরাশক্তি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম জয়টি আসে ২০০৭ সালে, বিশ্বকাপের মঞ্চে। সুপার এইটের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মোহাম্মদ আশরাফুলের ব্যাটিং নৈপূন্যে ৬৭ রানের বড় ব্যবধানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় টাইগাররা। টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে মোহাম্মদ আশরাফুলের ৮৩ বলে ৮৭ রানের ওপর ভর করে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৫১ রান সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। আব্দুর রাজ্জাক, সৈয়দ রাসেল ও সাকিব আল হাসানদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৮৪ রানেই গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। আশরাফুল হন ম্যাচ সেরা। মিরপুর স্টেটিয়াম, ১২ জুলাই, ২০১৫ তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনে বাংলাদেশ। মোস্তাফিজুর রহমান ও নাসির হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৬২ রানেই থেমে যায় প্রোটিয়াদের ইনিংস। সৌম্য সরকারের অপরাজিত ৮৮ ও মাহমুদউল্লার ৫০ রানের সৌজন্য দক্ষিণ আফ্রিকার ১৬২ রান ৩ তিন উইকেট হারিয়েই টপকে যায় টাইগাররা। চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম (১৫ জুলাই, ২০১৫) ১-১ এ  সমতা থাকায় তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি রূপ নিয়েছিল ফাইনালে। সে ম্যাচেও সৌম্য সরকারের ব্যাটিংয়ে জয় পায় বাংলাদেশ। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্য ২৬ ওভারেই টপকে যায় টাইগাররা। সৌম্য ৯০ রানে আউট হলেও ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন তামিম ইকবাল।  সূত্র : ক্রিকইনফো / এমআর / এআর      

আজকের ম্যাচে টাইগারদের সম্ভাব্য একাদশ

স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আজ হোয়াইটওয়াশ এড়াতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল। ইস্ট লন্ডনের ‍বুফালো পার্কে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় শুরু হবে ম্যাচটি। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে মাশরাফি মুর্তজার দল। আজকের ম্যাচে হারলে টেস্টের মতো ওয়ানডেতেও হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় পড়বে বাংলাদেশ। ইনজুরির কারণে সফর শেষ হয়ে গেছে তামিম ইকবালের। তার জায়গায় আজ সৌম্য সরকারকে দেখা যেতে পারে। একাদশে ফিরতে পারেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন কিংবা মেহেদি হাসান মিরাজও। বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ : ইমরুল কায়েস, লিটন দাস/ সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন/মেহেদি হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা, তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন।   / এমআর / এআর    

জয়ে ফিরলো বার্সেলোনা

অ্যাথলেটিকোর সঙ্গে গত ম্যাচে ড্র করার পর স্পেনিশ লা লিগাতে আবারো জয়ের ধারায় ফিরেছে বার্সেলোনা। শনিবার রাতে ঘরের মাঠে মালাগাকে ২-০ গোলে পরাজিত করেছে কাতালানরা। এই জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান শক্ত করেছে বার্সালোনা। ন্যু-ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত ম্যাচের দুই মিনিটেই জেরার্ড দেউলেফিউ’র গোলে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। বিরতির পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে বার্সেলোনা। ৫৬তম মিনিটে মেসির পাস থেকে বল পেয়ে গোল করেন অধিনায়ক ইনিয়েস্তা। আর এ গোলে সহায়তার মধ্য দিয়ে ৩৯১ ম্যাচে বার্সার হয়ে মোট ৫০০ গোলে অবদান রাখলেন ফুটবলের এই খুদে জাদুকর। এর মধ্যে ৩৬০ গোল নিজে করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ১৪০ গোল। এরপর গোলের বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ সৃষ্টি করলেও গোল করতে পারেনি বার্সা। প্রতিপক্ষের জাল খুঁজে পায়নি বার্সেলোনা। ফলে ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্নেস্টো ভালভার্দের দল। দিনের অপর ম্যাচে সেভিয়াকে ৪-০ গোলে উঁড়িয়ে দিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরেই রয়ে গেছে ভ্যালেন্সিয়া। নয় ম্যাচে শীর্ষে থাকা বার্সার পয়েন্ট ২৫ এবং সেভিয়ার পয়েন্ট ২১। অন্যদিকে এক ম্যাচ কম খেলে বার্সার চেয়ে আট পয়েন্ট পিছিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। আজ রাতেই নিজেদের মাঠে এইবারের মুখোমুখি হবে রিয়াল মাদ্রিদ।    সূত্র : গোলডটকম এমআর/ এআর

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন সরফরাজ

পাকিস্তান ক্রিকেটের সঙ্গে ম্যাচ ফিক্সিং ও বুকিদের সম্পর্ক নতুন কিছু নয়। ফিক্সিংয়ের কারণে অকালে ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে অনেক প্রতিভাবান পাকিস্তানি ক্রিকেটারের। সেই অভিশপ্ত ফিক্সিং আবারো ছোবল দিতে চেয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেটে। তবে বুকিদের কুপ্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন কিছুদিন আগেই পাকিস্তানকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা এনে দেওয়া অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চলমান ওয়ানডে সিরিজে সরফরাজ আহমেদকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল বুকিরা। সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়ার পাশাপাশি বুকিদের তৎপরতার বিষয়টি বোর্ডের দুর্নীতি-বিরোধী ও নিরাপত্তা ইউনিটকে জানিয়ে দেন পাকিস্তান অধিনায়ক। বুকিদের প্রস্তাবের ঘটনা পাকিস্তানের ক্রিকেটকে নাড়িয়ে দিয়েছে। কয়েকদিন আগেই ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ঘটনায় শারজিল খান ও খালিদ লতিফকে সমান পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে পিসিবি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পিসিবির এক কর্মকর্তা  ইন্ডিয়া টুডেকে বলেন, ”ব্যাপারটি অনেক গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিন্তু সরফরাজের জন্য অনেক শ্রদ্ধা। একজন খেলোয়াড় এবং অধিনায়ক হিসেবে সে সতীর্থদের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কীভাবে অন্যায় প্রস্তাব থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে হয়।” পিসিবি সূত্রে জানা যায়, যেই লোকটি সরফরাজকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি দুবাইয়ে বসবাস করেন। তবে খুব সম্ভবত সরফরাজের সঙ্গে তার চেনাজানা রয়েছে। এই ঘটনায় টিম ম্যানেজমেন্ট নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বলে বোর্ড জানায়।   সূত্র : ইন্ডিয়া ‍টুডে এমআর/এআর

টি-টোয়েন্টি দলে মমিনুল

ইনজুরিতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ওপেনার তামিম ইকবালের। সিরিজের শেষ ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে পারবেন না তামিম। আর তার পরিবর্তে টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পেয়েছেন আরেক বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মমিনুল হক। প্রধান নির্বাচক ও ম্যানেজার মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানান, ওয়ানডে দলের সঙ্গে মমিনুল হক রয়েছে। সে দলের সঙ্গেই থাকবে। টি-টোয়েন্টি সিরিজে তামিমের জায়গায় সে দলে ঢুকবে। এর আগে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ঊরুর পেশিতে খানিকটা চোট পাওয়ার পর প্রথম টেস্টে খেলার সময় একই জায়গায় চোট পান তামিম। চোটের কারণে খেলতে পারেননি দ্বিতীয় টেস্ট ও প্রথম ওয়ানডে। ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ফিরলেও আবারো ইনজুরিতে পড়েন তামিম। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরটা এমনিতেই খুব বাজে কাটছে টাইগারদের। টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হবার পর স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টির মারকাটারি ফরমেটে তাই তামিমকে খুব মিস করবে বাংলাদেশ।   সূত্র : ক্রিকবাজ এমআর/এআর

আবারো কি দেখা যাবে আসিফের সেই সুইং (ভিডিও)

ক্রিকেট বিশ্ব কি ভূলে গেছে মোহাম্মদ আসিফের কথা ! ভোলার কথা নয়। তার গতি ও সুইংয়ের দারুণ সমন্বয়ে করা বোলিং কি আর এতো সহজে ভূলতে পারেন ভক্তরা? তাই তো আসিফ ভক্তদের হাহাকার- ফিরবেন তো আসিফ ! একসময় ব্যাটসম্যানদের মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার মোহাম্মদ আসিফ। বর্তমান সময়ের অনেক সেরা ব্যাটসম্যানরই ‘দুর্ভাগ্য’ হয়নি তার বল খেলার। বর্তমান সময়ের ব্যাটসম্যানদের কথা বলতে গেলে সবার আগে যে নামটা আসবে তা হলো এবি ডি ভিলিয়ার্স। এশিয়া একাদশ ও আফ্রিকা একাদশের মধ্যকার একটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলেন দুজন। সে ম্যাচে আসিফের সুইং বুঝতে না পেরে বল ছেড়ে দিয়েছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। সেই বল সরাসরি আঘাত হানে ডি ভিলিয়ার্সের স্ট্যাম্পে। শুধু ডি ভিলিয়ার্স নন, পন্টিং, ক্যালিস, রাহুল  দ্রাবিড়, ভি ভি এস লক্ষণ, শেভাগ এমনকি শচীন টেন্ডুলকারকেও ভূগতে হয়েছে আসিফের বোলিংয়ে।  টেস্ট ক্রিকেটের আসিফ ছিলেন বেশি ভয়ঙ্কর। নিষিদ্ধ হওয়ার সময়ও বিশ্ব ক্রিকেটের ব্যাটসম্যানদের কাছে আতঙ্কের নাম ছিলেন এ সুইং-কিং। আইসিসি টেস্ট বোলিং র‌্যাঙ্কিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার ডেল স্টেইনের পরই ছিল তার অবস্থান। র‌্যাঙ্কিংয়ের দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন এই ডানহাতি পেসার। কিন্তু ভুল পথে পা বাড়িয়ে নিজের সুন্দর ক্যারিয়ারটাকে অন্ধকারে টেলে দেন তিনি। জেল খেটে, নিষিদ্ধ হয়ে শুনেছেন ধিক্কার। পাক-ভারতের শ্বাসরুদ্ধকর সেই ম্যাচ : প্রতিভাবান আসিফের ক্যারিয়ার জুড়েই ছিলো বিতর্ক। তবে পারফর্মেন্সে কমতি ছিলনা আসিফের। দুর্দান্ত বোলিংয়ে পাকিস্তানকে অসংখ্যবার জিতিয়েছেন তিনি। ২০০৬ সালে পাক-ভারত টেস্ট সিরিজের সেই ম্যাচটি কি মনে পড়ে? যে ম্যাচের প্রথম তিন বলে হ্যাটট্রিক করে পাকিস্তানকে ধ্বসিয়ে দিয়েছিলেন ইরফান পাঠান। আসিফের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সে ম্যাচেও ৩৪১ রানের বড় জয় পেয়েছিল পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে শুরুটা করেছিলেন ‘দ্য ওয়াল’ খ্যাত রাহুল দ্রাবিড়কে দিয়ে। এরপর সুইংয়ে বিধ্বস্ত করেছেন লক্ষণ-যুবরাজদের। দ্বিতীয় ইনিংসেও ছিলো আসিফের সুইং। দ্রাবিড়, শেভাগ ও শচীন টেন্ডুলকারকে একেবারে বোকা বানান তিনি। আসিফের সুইংয়ে তিন কিংবদন্তীরই স্ট্যাম্প উড়ে গেছিলো অনেক দূরে। ওই বছর শ্রীলঙ্কা সফরেও বিশ্ব ক্রিকেট দেখেছে আসিফের বিষ-মাখা সুইং। তার সুইংয়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। ক্যান্ডিতে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানে ৬ উইকেট নেয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ২৭ রানে ৫ উইকেট নিয়ে একাই ধ্বস নামিয়ে ছিলেন স্বাগতিকদের। নিষিদ্ধ হওয়ার বছরেও দারুণ ফর্মে ছিলেন আসিফ। ২০১০ সালের সিডনি টেস্টে তখনকার পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪১ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ১২৭ রানেই গুড়িয়ে দিয়েছিলেন পন্টিংদের। এ বছরই হ্যাডিংলিতে মোহাম্মদ আমির আর মোহম্মদ আসিফ দুজনে অস্ট্রেলিয়াকে ৮৮ রানে অলআউটের লজ্জায় ডুবিয়ে ছিলো। আসিফের দুর্দান্ত পারফর্মের এমন অসংখ্য ম্যাচ আছে যা নিয়ে আলোচনা করে শেষ করা দায়। পাকিস্তানের হয়ে ২৩টি টেস্টে ২.৯৯ ইকোনোমিতে ১০৬টি উইকেট নিয়েছেন আসিফ। ওয়ানডে-টি-টোয়েন্টিতেও পারফর্ম ছিলো দারুণ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গতি আর সুইং দিয়ে অল্প সময়েই দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন আসিফ। বর্তমানে ঘরোয়া লিগে খেলা আসিফ আবারো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবে- এটাই ভক্তদের বিশ্বাস। কিন্তু বাস্তবতা একটু প্রতিকূলেই মনে হচ্ছে। আসিফের বর্তমান বয়স পয়ত্রিশ ছুঁই-ছুঁই। ফাস্ট বোলারদের জন্য বয়সটা একটু বেশিই। তবে ভক্তদের বিশ্বাস- সবকিছু জয় করে আবারো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিরবেন সুইং-সম্রাট আসিফ।   ভারতের বিপক্ষে সেই ম্যাচে আসিফের বোলিং : ইউটিউব লিংক : এমআর/এআর    

দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষ তামিমের

আবারো ইনজুরিতে পড়লেন বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের অন্যতম ভরসা তামিম ইকবাল। ইনজুরি কাটিয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে একাদশে ফিরেছিলেন তবে তৃতীয় ওয়ানডের আগে আবারো নতুন করে চোট পেয়েছেন তামিম। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরই শেষ হয়ে গেছে বাঁহাতি ওপেনারের। শুধু তাই নয় এক মাসের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে। স্ক্যান রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রধান নির্বাচক ও ম্যানেজার মিনহাজুল আবেদীন নান্নু জানান, ‘ইনজুরির কারণে তামিম ইকবাল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে পারবেন না। শনিবার (আজ) দেশে ফিরে যাবেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। এক মাসের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাকে।’ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরটা এমনিতেই খুব বাজে কাটছে টাইগারদের। টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হবার পর স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজেও ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। আগামীকাল ইস্ট লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে। এরপর দুটি টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। ধুকতে থাকা বাংলাদেশ তাই তামিমকে খুব মিস করবে।   সূত্র: ক্রিকইনফো ও ক্রিকবাজ / এমআর / এআর

হোয়াইটওয়াশের শঙ্কায় লঙ্কানরা

শ্রীলঙ্কার কাছে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশের প্রতিশোধটা ওয়ানডে সিরিজে বেশ ভালোভাবেই নিচ্ছে পাকিস্তান। শুক্রবার রাতে হাসান আলী, শোয়েব মালিক ও বাবর আজমের দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের চতুর্থ ওয়ানডেতে লঙ্কানদের ৭ উইকেটে হারিয়েছে সরফরাজ আহমেদের দল। শারজায় টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উপুল থারাঙ্গাকে হারায় শ্রীলঙ্কা। আগের দুই ম্যাচে দারুণ ব্যাট করা লঙ্কান অধিনায়ককে শূন্য রানেই বোল্ড করেন অভিষিক্ত বাঁহাতি পেসার উসমান খান। জুনাইদ খানের বলে ব্যক্তিগত ২২ রানে ফেরেন নিরোশান ডিকভেলা। পাকিস্তানি বোলিং তোপে ৯৯ রানেই সাজঘরে ফেরেন ৭ লঙ্কান। লোয়ার অর্ডারদের নিয়ে লড়াই করেন লাহিরু থিরিমান্নে। থিরিমান্নে ফেরেন ৬২ রানে। আকিলা ধনঞ্জয়া করেন ১৮ রান। দশে নামা সুরাঙ্গা লাকমল অপরাজিত থাকেন ২৩ রানে। শেষ পর‌্যন্ত ১৭৩ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় শ্রীলঙ্কা। ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ বোলার হাসান আলী ৩৭ রানে ৩ উইকেট নেন। আর ১৩ রানে ২ উইকেট নেন বাঁহাতি স্পিনার ইমাদ ওয়াসিম। ১৭৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি পাকিস্তানেরও। অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করা ইমাম-উল-হক ২ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফিরেন। ফখর জামান ও মোহাম্মদ হাফিজও ভালো কিছু করতে পারেন নি। ৫৮ রানে তিন উইকেট হারানো পাকিস্তানকে জয়ের বন্দরে পোঁছে দেয় বাবর আজম ও শোয়েব মালিকের ১১৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। আজম-মালিক দুজনই অপরাজিত থাকেন ৬৯ রানে। এ জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল পাকিস্তান। ম্যাচসেরা হয়েছেন বাবর আজম।   সূত্র : ক্রিকইনফো / এমআর / এআর    

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি