ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮ ২১:৫৩:২৩

যে কারণে এমবাপ্পেকে পাওয়া হলো না রিয়ালের

যে কারণে এমবাপ্পেকে পাওয়া হলো না রিয়ালের

কিলিয়ান এমবাপ্পে। রাশিয়া বিশ্বকাপে আলো ছড়িয়েছেন এই তারকা খেলোয়াড়। এমন কি ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ জেতাতে তাঁর ভূমিকা ছিল অসামান্য। এই খেলোয়াড়কে পেতে রিয়াল মাদ্রিদ মরিয়া থাকলেও, অবশেষে সে স্বপ্ন পূরণ হয়নি মোনাকো ভাইস প্রেসিডেন্ট ভাদিম ভাসিলিয়েভের ঘোর বিরোধিতার কারণে। যার কারণে পাওয়া হল না ২০১৮ সালের বিশ্বকাপের এই বিস্ময়কে।   তাছাড়া ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে মোনাকো ছেড়ে পিএসজিতে যোগ দিয়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এরপর প্যারিসেই বসতি গড়েছেন তিনি। তবে সেই সময় তাকে পেতে পারত রিয়াল মাদ্রিদও! অবশ্য, ভাদিমকে এখনও ভুলেনি রিয়াল। এমবাপ্পেকে না পাওয়ার কারণে তাকেই দোষারোপ করে যাচ্ছেন স্প্যানিশ জায়ান্ট প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। তা স্বীকার করেছেন খোদ ভাদিম নিজেই, আমরা খুব ভালো বন্ধু। এখনও আমাদের মধ্যে সম্পর্কের বন্ধন অটুট আছে। তবে যখনই তার (পেরেজ) সঙ্গে দেখা হয়, তখনই সে আমাকে ওকে (এমবাপ্পে) না পাওয়ার জন্য দোষারোপ করে। আমি নাকি তাদের কাছে তাকে বিক্রি করতে দিইনি।আমার নাকি পছন্দ ছিল পিএসজি। এমবাপ্পেই এখন বিশ্ব ফুটবলের বড় সুপারস্টার। ২০ বছর পর ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ জেতাতে রেখেছেন অসামান্য ভূমিকা। ইতিমধ্যে, রিয়াল থেকে বিদায় নিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। এরপর প্রথম বড় ম্যাচে খেলতে নেমে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কাছে ৪-২ গোলে উয়েফা সুপার কাপ খুইয়েছে রিয়াল। সিআর সেভেনের শূন্যস্থান কেউ পূরণ করতে পারছেন না। গ্যালাকটিকোরা তাই আফসোস করতেই পারেন, ওই সময় এমবাপ্পেকে পাওয়া হলে সেই শূন্যতা তৈরি হতো না।    কেআই/এসি    
ফিফার র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১৯৪তম

ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ২০১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের পুরুষ ফুটবল দলের অবস্থা ১৯৪তম। তবে এশিয়ার মধ্যে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান বাংলাদেশের পিছনে আছে । বিশ্ব ফুটবল র‌্যাংকিংয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপের পর বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মত র‌্যাংকিং ঘোষণা করে ফিফা। গত আসরের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি রাশিয়া বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেয়। ফলে শীর্ষ স্থানচ্যুত হয়ে ১৫তম স্থানে নেমে গেছে জোয়াকিম লোর দল। অন্যদিকে বিশ্বকাপ শুরুর আগে সপ্তমস্থানে ছিল ফ্রান্স। এর আগে ২০০১ সালের মে মাসে ফিফা র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠেছিল ফরাসিরা। ২০০২ সালের মে মাস পর্যন্ত তাদের এই অবস্থান বজায় ছিল। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে সর্বনিম্ন র‌্যাংকিং ২৬ নম্বরে নেমেছিল ফরাসিরা। রাশিয়া বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া বেলজিয়াম রয়েছে র‌্যাংকিংয়ের দ্বিতীয়স্থানে। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল রয়েছে তৃতীয়স্থানে। চতুর্থস্থানে রয়েছে বিশ্বকাপের রানার্স-আপ ক্রোয়েশিয়া। পঞ্চম থেকে দশম পর্যন্ত রয়েছে যথাক্রমে- উরুগুয়ে, ইংল্যান্ড, পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড, স্পেন ও ডেনমার্ক। ১১তম স্থানে রয়েছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। প্রতিবেশী ভারত রয়েছে র‌্যাংকিংয়ের ৯৬তম স্থানে। টিআর/

প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত স্টোকসের?

সব কিছু ঠিকঠাক ভালভাবে মিটে গেছে। তাই বেন স্টোকসকে জাতীয় দলে ফেরানো হয়েছে বলে মন্তব্য করলেন ইংল্যান্ডের কোচ ট্রেভর বেইলিস। তবে এখনই ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্টে স্টোকসকে চূড়ান্ত এগারোয় রাখা হবে কি-না তা চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানাতে ভোলেননি কোচ। বরং বেইলিস মনে করেন, স্টোকসের জন্য ইংল্যান্ড শিবির ও বোর্ডের উপর দিয়ে যা গেছে তার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত তার। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে এক ঘটনায় ব্রিস্টলে হাতাহাতি করায় আদালতে অভিযুক্ত হন ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার স্টোকস। তবে গত মঙ্গলবারই আদালত তাকে বেকসুর খালাস করে দিয়েছে। কোচ বলেন, ‘আমার মনে হয় দলের ক্রিকেটারদের কাছে, টিম ম্যানেজমেন্ট এবং ইসিবির কাছে স্টোকসের ক্ষমা চাওয়াটা গুরুত্বপূর্’। তিনি বলেছেন, ‘বেনের ব্যাপারে আমি এখন নিশ্চিন্ত। সব কিছু মিটে যাওয়ায় আনন্দও হচ্ছে’। ‘ও ইংল্যান্ড দলে ফেরাতেও আমি আশ্বস্ত আর খুশি’, যোগ করেন তিনি। বৃহস্পতিবারই ইংল্যান্ডের প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার মাইকেল ভন বলে ফেলেন যে স্টোকস নিজেই এত তাড়াতাড়ি টেস্ট দলে ফেরায় রাজি হওয়ায় তিনি বেশ অবাক হয়েছেন। বেইলিস যা নিয়ে মন্তব্য করেছেন, ‘এটা স্টোকস বা কারও একার সিন্ধান্ত নয়। যা কিছু ঠিক করার সম্মিলিতভাবে করা হয়েছে।’ কোচ আরও বলেন, ‘আমি, টিম ম্যানেজমেন্ট, অধিনায়ক এবং অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সময় ওকে ক্রিকেটে ফিরিয়ে আনার চেয়ে ভাল কিছু হতে পারে না।’ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

হোসে মোরিনহোর স্থলে আসছেন জিদান

জিনেদিন জিদানকে হেড কোচ হিসেবে দেখা যেতে পারে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। রিয়াল মাদ্রিদের অন্যতম সফল কোচ তিনি। টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের খেতাব জিতেই বার্নাব্যু ছেড়েছিলেন তিনি। জিদানের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারপরেই জোর জল্পনা চলছিল। ভাবা হয়েছিল কাতারের কোনও ক্লাবে কোচের দায়িত্ব নিয়ে চলে যেতে পারেন তিনি। আবার জুভেন্টাসে রোনালদোর সঙ্গে রি-ইউনিয়নের জল্পনাও ভেসে উঠেছিল। এর মধ্যেই খবর, হোসে মোরিনহোর জায়গায় ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে কোচ হিসেবে আসছেন বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি এই তারকা। তবে এই মৌসুমে নয়, পরের গ্রীষ্মে দেখা যাবে জিদানকে। অনেক আশা করে মোরিনহোকে আনা হয়েছিল রেড ডেভিলসদের সংসারে। কিন্তু তিনি সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। দলের অনেকেই মোরিনহোর কোচিং স্টাইলে খুশি নন। তাই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড সংসারে তিন মৌসুম পরেই বিদায় ঘটছে তার। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডেই জিদানের কোচিংয়ে খেলবেন পল পোগবা ও অ্যান্থনি মার্শাল। বলা হচ্ছে, দেশের দুই তারকার সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছেন কিংবদন্তি ফরাসি। আরকে//

প্রথমার্ধে তিন গোলে এগিয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা

ধারাবাহিকভাবে দারুণ ফুটবল খেলা উপহার দিচ্ছে বাংলাদেশের মেয়েরা। দুই ম্যাচে ১৭ গোল করে শেষ চারে উঠে আসছে তারা। সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফানালেও চমৎকার নৈপুণ্য দেখাচ্ছে লাল সবুজের মেয়েরা। আজ স্যন্ধ্যায় স্বাগতিক ভুটানের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে তিন গোলে এগিয়ে আছে মারিয়া-মনিকারা। ভুটানের রাজধানী থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এদিন বাংলাদেশকে গোলের দেখা পেতে খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। ম্যাচের ১৮ মিনিটে লক্ষ্যভেদ করে আনাই মোগিনি। ঠিক ২০ মিনিট পর ম্যাচের ব্যবধান দ্বিগুণ করে আনুচিং মোগিনি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে চমৎকার শেটে বল জালে জড়ায় সে। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে বাংলাদেশ দলের গোল ব্যবধান আরো বড় করে তহুরা খাতুন। দলের পক্ষে তৃতীয় গোল করে বড় জয়ের আশা জাগিয়ে তোলে। এর আগে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে একরকম উড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। জিতেছিল ১৪-০ গোলে। আর দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালকে ৩-০ গোলে হারায়। গত ডিসেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম আসরের ফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ ও ভারত। ফাইনালে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হয় বাংলাদেশ। টিআর/

সেমিফাইনালে স্বাগতিক ভুটানের মুখোমুখি বাংলাদেশ   

সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে ভুটানের মুখোমুখি বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাতটায় চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে মাঠে নামে বাংলাদেশের মেয়েরা৷    বাংলাদেশ ও ভুটানের মেয়েরা এর আগে সিনিয়র ও বয়সভিত্তিক পর্যায়ে সবমিলিয়ে চারবার মুখোমুখি হয়েছে। সবক`টিতেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ৷ ২০১০ সালে কক্সবাজারে সাফ গেমসে প্রথমবার তাদের বাংলাদেশ হারিয়েছিল ৯-০ ব্যবধানে৷ এরপর ২০১২ সালে কলম্বোয় ১-০ গোলে জেতে বাংলার মেয়েরা৷ নেপালে ২০১৫ সালে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়নশিপে ১৬-০ গোলের বিরাট ব্যবধানের জয়ের পর গত বছর ঢাকায় সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্টে জেতে ৩-০ গোলে৷ এবারও ভুটানে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্টে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা এখনো অপরাজিত৷ শুরুটা পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৪-০ গোলের বিশাল জয় দিয়ে৷ এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন৷ অন্যদিকে, ভুটানও আগের চেয়ে ভালো দল৷ শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ম্যাচে তারা হারিয়েছে ৬-০ গোলে৷ এটি তাদের ইতিহাসের প্রথম জয়৷ পরের ম্যাচে অবশ্য ভারতের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে তারা৷ কিন্তু খেলেছে দুর্দান্ত৷ এসি    

মাশরাফির কারণেই ঘুরে দাঁড়ায় দলের পরিবেশ : তামিম

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে নাকাল হয়ে পড়ে টাইগররা। কিন্তু ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি সিরিজে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। যে দলটি টেস্ট সিরিজে ক্যারিবীয়দের সামনে দাঁড়াতেই পারলো না সেই দলটিই ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতলো হেলেখেলে। কিভাবে এটা সম্ভব হলো। দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল তা জানালেন, মাশরাফি বিন মর্তুজা ওয়ানডে সিরিজে যোগ দেওয়ার পরই বদলে গিয়েছিল দলের পরিবেশ। ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে মাশরাফির অবদানের কথা সামনে এনে তামিম ইকবাল বলেন, স্বাভাবিকভাবেই টেস্ট সিরিজের পর আমরা ভেঙে পড়েছিলাম। ওয়ানডে সিরিজটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ এই ফরমেটেই আমরা সবচেয়ে বেশি স্বচ্ছন্দ্য পাই। মাশরাফি ভাই আসলেন। আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোয় তার বিশাল অবদান ছিল। হয়তো তিনি কারও হাতে ধরে তাকে ব্যাটিং বা বোলিং করিয়ে দেননি। তবে তিনি দলের পরিবেশটা বদলে দিয়েছিলেন। ওই সিরিজের প্রথম ওয়ানডে জয়ের পর দ্বিতীয়টি অল্পের জন্য হাত ফস্কে যায়। টাইগাররা হেরে যায় মাত্র ৩ রানে। তৃতীয় ওয়ানডে ছিল সেন্ট কিটসে, যেখানে ক্যারিবীয়দের সাফল্যের পাল্লা ভারি। তবে মাশরাফি ছিলেন বলেই ওসব নিয়ে দল ভাবার সুযোগ পায়নি, জানিয়েছেন তামিম। এসএইচ/

২০ বছর পর ফিফার র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষে ফ্রান্স

রাশিয়া বিশ্বকাপে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের মর্যাদা অর্জন করে ফ্রান্স। তবে ২০ বছর আগেও তারা একবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের মর্যাদা পেয়েছিল। এবার বিশ্বকাপে সবার সেরা হলেও দলটি ফিফার নতুন র‌্যাংকিংয়েও সবার সেরা। অন্যদিকে চার বছর আগের বিশ্বকাপের দুই ফাইনালিস্ট আর্জেন্টিনা ও জার্মানি ছিটকে গেছে শীর্ষ দশের বাইরে। বাংলাদেশের অবস্থানে কোনও পরিবর্তন হয়নি, ১৯৪ নম্বরে রয়েছে দলটি। এর আগে সবশেষ ২০০২ সালে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে উঠেছিল ফরাসিরা। দ্বিতীয় শিরোপা জিতে নতুন র‌্যাংকিংয়ে ৬ ধাপ এগিয়ে গেলো এই দলটি। সেরা পাঁচে ফ্রান্সের পর আছে বেলজিয়াম, ব্রাজিল, ক্রোয়েশিয়া ও উরুগুয়ে। তাদের পরে শীর্ষ দশে আছে ইংল্যান্ড, পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড, স্পেন ও ডেনমার্ক। বিশ্বকাপের ৮০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার গ্রুপ পর্বে ছিটকে যাওয়া জার্মানি ১৪ ধাপ নেমে গেছে। র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে থেকে রাশিয়ায় যাওয়া দলটির অবস্থান এখন ১৫ নম্বরে। ২০০৬ সালের পর প্রথমবার সেরা দশের বাইরে জার্মানরা। শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের কাছে উড়ে যাওয়া আর্জেন্টিনাও ছিটকে গেছে শীর্ষ দশ থেকে। ৬ ধাপ নেমে তারা এখন ১১তম। র‌্যাংকিংয়ে সবচেয়ে উন্নতি হয়েছে রাশিয়ার। কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েটদের কাছে হেরে যাওয়া দলটি ২১ ধাপ এগিয়েছে। ৭০ নম্বর থেকে এখন তারা র‌্যাংকিংয়ের ৪৯তম দল। সবচেয়ে অবনতি হয়েছে মিশরের। গ্রুপের তিন ম্যাচই হেরে যাওয়া মিশরীয়রা ৪৫ নম্বর থেকে ২০ ধাপ নেমে এখন ৬৫ তে। তথ্যসূত্র: ফিফা, গোল ডটকম। এসএইচ/

চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে সবকিছু করতে রাজি মেসি

আগামী চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে সম্ভাব্য সবকিছু করতে চাই আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। গত মৌসুম শেষে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা বার্সা ছেড়ে চলে যান জাপানিজ ক্লাবে। পরে চলতি মৌসুমে মেসিকে আনুষ্ঠানিক অধিনায়ক করা হয়। যেখানে কার্লোস পুয়োল, জাভি ও ইনিয়েস্তা পরবর্তী কাতালানদের ইউরোপের সেরা ট্রফিটি এনে দিতে তৈরি তিনি। মেসির অধীনে বার্সা ইতোমধ্যে দুটি শিরোপা জয় করেছে। সেভিয়ার বিপক্ষে স্প্যানিশ সুপার কাপের পর বোকা জুনিয়র্সের বিপক্ষে জিতলো হুয়ান গাম্পার ট্রফি। যেখানে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে চলতি বছর তিনি জাতীয় দল আর্জেন্টিনার হয়ে খেলবেন না। মেসি বলেন,‘প্রথমেই আমি বলতে চাই এখানের অধিনায়ক হওয়াটা আমার জন্য বেশ গর্বের। আমি জানি বার্সার দলনেতা হওয়ার মানেটা কী? তবে আমি শিক্ষক হিসেবে পুয়োল, জাভি ও ইনিয়েস্তার মতো গ্রেটদের পেয়েছিলাম, যাদের এই মৌসুমে মিস করবো। গত মৌসুমে রোমার বিপক্ষে হেরে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায় নিয়েছিল বার্সা। প্রথম লেগে ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’তে ৪-১ গোলে এগিয়ে থেকেও দ্বিতীয় লেগের বাজে হারে ছিটকে যেতে হয় আর্নেস্তো ভালভার্দের শিষ্যদের। এপ্রসঙ্গ নিয়ে পাঁচবারের ব্যালন ডি অর জয়ী আরও বলেন, এ বছর আমাদের রোমাঞ্চকর কিছু করার জন্য দারুণ সময় হাতে রয়েছে। দলে এমন কয়েকজন এসেছে যারা ভালো করতে মুখিয়ে আছে। যদিও গত বছর আমরা লা লিগা ও কোপা দেল রে’র শিরোপা ঘরে তুলেছিলাম। কিন্তু চ্যাম্পিয়নস লিগটায় বাজে সময় কেটেছিল। তবে নিশ্চিত করে বলতে পারি ক্যাম্প ন্যু’তে এই সুন্দর কাপটি ফেরাতে সম্ভাব্য সবকিছুই করবো। টিআর/

এশিয়া কাপে কি খেলবেন সাকিব?

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এশিয়া কাপ শুরু হতে যাচ্ছে। এশিয়ার ক্রিকেট দলগুলোর সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে অস্ত্রোপচারের জন্য বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামা হচ্ছে না সাকিব আল হাসানের। যদিও অস্ত্রোপচারের বিষয়টি এখন পর্যন্ত আলোচনাধীন। গত জানুয়ারিতে ঘরের মাঠে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল ম্যাচ খেলতে গিয়ে বাম হাতের আঙুলে চোট পান অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সেই চোট সারিয়ে মাঠে ফেরেন এক মাস পর। কিন্তু এখনও আহত আঙুল নিয়ে বিপাকে রয়েছেন তিনি। তাই প্রয়োজন অস্ত্রোপচারের। গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানালেন, সাকিবের অস্ত্রোপচার লাগবে, সেটা বোর্ড জানে না। উইন্ডিজ সিরিজের শেষের দিকে বিষয়টি তারা টের পেয়েছেন। তিনি বলেন, হজে যাওয়ার আগে সে আমাকে ফোন দিয়েছিল। তাকে আমি বলেছি, যদি তোমার মনে হয় অস্ত্রোপচার দরকার, তাহলে করে ফেলো। আর যদি মনে হয় অস্ত্রোপচার না করেও এশিয়া কাপ খেলতে পারবে, তাহলে টুর্নামেন্টের পরে করো, দলের জন্য ভালো হবে। সিদ্ধান্ত তোমার। পাপনের ওই বক্তব্যের পরও সাকিব যে এশিয়া কাপের আগেই অস্ত্রোপচার করতে চান, তা জানা গেছে বিসিবি ও কোচ স্টিভ রোডসের বৈঠকে। কোচ বিসিবিকে জানিয়েছেন, সাকিব এখনই অস্ত্রোপচার করতে চান। আর শুধু কোচ নয়, বিসিবির চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরীও জানিয়েছেন, উইন্ডিজের বিপক্ষে দুই টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে আর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টির পূর্ণাঙ্গ সিরিজ সাকিব খেলেছেন ব্যাথানাশক ওষুধ খেয়ে। তাই সব মিলিয়ে এটাই ধরে নেওয়া হচ্ছে, সাকিব চাইছেন এশিয়া কাপের আগেই ছুরি কাঁচির নিচে যেতে। আর এশিয়া কাপের আগে অস্ত্রোপচার করলে মোটামুটি ছয় সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে সাকিবকে। সে ক্ষেত্রে এশিয়া কাপ নয়, অক্টোবরের জিম্বাবুয়ে সিরিজে চোখ থাকবে তার। একে//

কোহলিরা দায়িত্বজ্ঞানহীন!

বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দল কস্মিনকালেও এমন নিন্দা শোনেনি, যা  এখন তাদের শুনতে হচ্ছে। গত চার বছরে (কোহলি টেস্ট অধিনায়ক হওয়ার পর থেকে) যে টেস্ট দল ৩৯টি ম্যাচে হেরেছে মাত্র ৭টি-তে, সেই দলকে ‘মাথামোটা’, ‘নির্বোধ’, ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ এবং ‘শিশুসুলভ’-র বলে অপমান করা হচ্ছে। হ্যাঁ, এটা শোনার পর আপনি আঁতকে উঠলেও সত্যটা হজম করতেই হবে। কারণ বিরাটের দলকে এভাবে যিনি গালমন্দ করলেন, তিনি ব্রিটিশ ক্রিকেট তো বটেই বিশ্ব ক্রিকেটের কেউকেটাদের মধ্যে অন্যতম একজন, কিংবদন্তী জিওফ্রে বয়কট। এখনও পর্যন্ত ৩৭ টেস্টে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিরাট। তার মধ্যে ২১টি-তে জয় এসেছে। হার হয়েছে ৭টি ম্যাচে আর ড্র হয়েছে ৯টি ম্যাচ। জয় ৫৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ ম্যাচেই। যা ভারতীয় অধিনায়কদের মধ্যে সর্বকালের সেরা রেকর্ড। বিরাটের এই নজিরের সঙ্গে একমাত্র তুলনা চলে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ আর ধোনিরই। ৪৯ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ভারতকে ২১ ম্যাচে জয় এনে দিয়েছেন প্রিন্স অব কলকাতা। ধোনির নেতৃত্বাধীন ভারত ৬০টি ম্যাচের মধ্যে জিতেছে ২৭টি-তে। এই বিচারে বিরাট কিছুটা এগিয়ে থাকলেও বর্তমান ভারত অধিনায়কের বেশিরভাগ টেস্ট জয়ই এসেছে ঘরের মাঠে। ক্যারিবিয়ান সিরিজ জিতলেও উপমহাদেশের বাইরে ব্যর্থ হয়েছেন বিরাট। দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট সিরিজ ২-১-এ হেরেছে তারা। যদিও বিরাটদের লড়াই প্রশংসিত হয়েছিল। যা দেখার পর, ধরে নেওয়া হয়েছিল ক্রিকেট ইতিহাসে ‘সব চেয়ে দুর্বলতম ইংল্যান্ড দলের’ বিরুদ্ধে এই ভারতীয় দল বেশ ভারী পড়বে। কিন্তু বাস্তবের ছবিটা একেবারে উল্টো। সোয়ান, স্ট্রস, বেল, কেভিন পিটারসন, ফ্লিনটফ ছাড়া একটা আধা অভিজ্ঞ ইংল্যান্ড দল নাকানিচোবানি খাওয়াচ্ছে ভারতকে। যা দেখে জিওফ্রে বয়কট বলছেন, ‘ভারত ঔদ্ধত্য নিয়ে এখানে (ইংল্যান্ড) এসেছিল। ওরা ভেবেছিল একই রকমভাবে (উপমহাদেশের মতো) ব্যাট করবে এবং জিতবে। পরিস্থিতি মোতাবেক পরিকল্পনা না করলে যে দুর্ভোগে পড়তে হয়, সেটা টের পাচ্ছে ভারত। ওদের এমন শাস্তি দরকার ছিল’। বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দলের ব্যাটিংকে তীব্র সমালোচনা করে ব্রিটিশ কিংবদন্তী আরও বলেন, ‘ভারতীয়দের ব্যাটিং শিশুসুলভ, দায়িত্বজ্ঞানহীন’। ১০৮ টেস্ট খেলা এই ব্রিটিশ ব্যাটসম্যানের শ্লেষ, বিরাটরা হতবুদ্ধির মতো ক্রিকেট খেলছে! যদিও বয়কটের এই ব্যজস্তুতির পাল্টা কোনও জবাব দেয়নি ভারত। আর মুখে জবাব দেওয়ার মতো কোনও নজির গড়তে পারেনি ইংরেজদের মহল্লায়। বিরাট বাদ দিয়ে গোটা দলের ব্যাটিং লাইন আপ দুই অঙ্কের রান করতে হিমশিম খাচ্ছে সেখানে এমন তীব্র আক্রমণ মাথা নীচু করে ‘ডাক’ করা ছাড়া উপায়ই বা কি আছে! তবে হাতে রয়েছে এখনও তিনটি টেস্ট। জবাব দেওয়ার সময় ফুরোয়নি বিরাটদের...   সূত্র: জিনিউজ একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি