ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮ ১১:২৪:০৩

লঙ্কান নতুন অধিনায়ক হলেন লাকমল

লঙ্কান নতুন অধিনায়ক হলেন লাকমল

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টে দল থেকে নিয়মিত অধিনায়ক দীনেশ চান্দিমাল বাদ পড়ায় সুরঙ্গ লাকমলকে নতুন অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বল টেম্পারিং ও অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের দায়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টে নিষিদ্ধ হয়েছেন শ্রীলঙ্কার নিয়মিত অধিনায়ক দীনেশ চান্দিমাল। শনিবার (২৩ জুন) আনুষ্ঠানিক এক বিবৃতিতে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দীনেশ চান্দিমালের অনুপস্থিতিতে লাকমলকে অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রোববার বার্বাডোজে প্রথমবারের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কা দিবারাত্রির টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামছে। এরই মধ্যে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে আছে ক্যারিবীয়রা। দ্বিতীয় টেস্টে আম্পায়ারদের দেওয়া শাস্তির বিরোধিতা করে দুই ঘণ্টার বেশি সময় মাঠে নামেনি শ্রীলঙ্কা। এ ঘটনাকে ‘অখেলোয়াড়ি আচরণ’ বলেছে আইসিসি। চান্দিমালের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অভিযোগ পেয়েছেন আম্পায়াররা। ইএসপিএন-ক্রিকইনফো থেকে জানা যায়, টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনে লঙ্কানদের বল ব্যবহারের পদ্ধতিতে প্রথম সন্দেহ প্রকাশ করেন আম্পায়াররা। তিন আম্পায়ার সম্প্রচারকদের কাছ থেকে ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখেন। ভিডিওতে আম্পায়াররা দেখতে পান,চান্দিমাল পকেট থেকে কিছু একটা বের করে মুখে দিচ্ছেন, পরক্ষণেই লালা লাগিয়ে দিচ্ছেন বলে, তারপর বল তুলে দেন লাহিরু কুমারার হাতে। আর এর ভিত্তিতেই টেম্পারিংয়ের অভিযোগ আনেন আম্পায়াররা। এমজে/
হোয়াইটওয়াশের লজ্জার পথে ইংলিশরা

ওয়ানডে ক্রিকেটের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইট ওয়াশের লজ্জার দিকে ঠেলে দিল ইংলিশরা। ৫ ম্যাচ সিরিজের ৪-০ তে জিতে সিরিজ জিতে নিয়েছে ইংল্যান্ড আগেই। এখন কেবল হোয়াইটওয়াশ বাকি। জেসন রয়ের সেঞ্চুরি আর জনি বেয়ারস্টোনের ৭৯ রানের উপর ভর করে অস্ট্রেলিয়ার ৩১০ রানের টার্গেটকে মামুলি বানিয়ে ফেলে ইংলিশরা। ছয় উইকেট হাতে থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ইংলিশ শিবির। অজি ব্যাটসম্যান শন মার্স এবং অ্যারন ফিঞ্চের সেঞ্চুরির উপর ভর করে ৩১০ রানের পাহাড়সম রান দাঁড় করায় অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু আগের ম্যাচে যারা ৪৯০ রান তুলে ফেলেছে, তাদের কাছে ৩১০ রান তো নিতান্তই তুচ্ছ। হয়েছেও তাই। ব্যাট করতে নেমে জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টোনের ওপেনিং জুটিতে ১৭৪ রান তুলে ইংলিশরা। এরপর জস বাটলার নেমে তাণ্ডব দেখিয়েছে। তার ২৯ বলে ৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংসেই শেষ পর্যন্ত ৩২ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ইংলিশরা। আগামী রোববার শেষ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে। শেষ ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারলেই হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দিবে ইংলিশরা। সূত্র: বিবিসিএমজে/

ওয়ানডেতে ৪৮১ রান, দুশ্চিন্তায় গাঙ্গুলি

ওয়ানডে ক্রিকেটে একসময় ২০০ পেরোনো ইনিংস মানেই লড়াকু পুজি। সময় বদলেছে। বদলেছে খেলার ধরণও। এখন ২২ গজে ৩০০ প্লাসও নিরাপদ নয়। যে কোনো দলই এই টার্গেটকে মামুলি বানিয়ে ফেলেছে। তাই ইংল্যান্ড করে দেখালো আরেক কীর্তি। ওরা ৩০০ বা ৪০০ তে নির্ভার থাকতে পারেনি, তাইতো ৫০ ওভারের ক্রিকেটে তাদের পুজির দরকার ছিল সম্ভবত ৫০০ রান। ৫ সেঞ্চুরি সমান রান না পেলেও তাদের ইনিংস থামে ৪৮১ রানে, যা ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বকালের সেরা রেকর্ড। সত্যিই কি এটা ওয়ানডে ক্রিকেটের স্কোরবোর্ড? দর্শক তো দূর, বিশ্বাস করতে পারছেন না ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কিনা ৪৮১ রান করল ইংল্যান্ড! তাও আবার ছয় উইকেটেই। ৫০ ওভারের ম্যাচে একটা দলের পক্ষে এত রানও যে করা সম্ভব, তা এ লড়াই না দেখতে বিশ্বাস হত না। আর ওয়ানডে ম্যাচের এমন স্কোরবোর্ড দেখে যেমন বিস্মিত সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, তেমনই আতঙ্কিত। পরের মাসেই ইংল্যান্ড সফরে যাচ্ছে টিম ইন্ডিয়া। তিনটি ফরম্যাটেই মর্গ্যানদের বিরুদ্ধে লড়বেন বিরাট কোহলিরা। ওয়ানডে-তে আবার বর্তমানে আইসিসি ব়্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষেই ইংল্যান্ড। তাই বিরাটদের পক্ষে চ্যালেঞ্জটা যে বেশ কঠিন হতে চলেছে তা বলাই বাহুল্য। তবে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সেসব নিয়ে আপাতত চিন্তিত নন। বরং সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বোলিং ভবিষ্যৎ নিয়ে। নেটদুনিয়ায় বেশ কয়েকটি টুইট করেন দাদা। লেখেন, “৫০ ওভারে প্রায় ৫০০ রান করে ফেলল ইংল্যান্ড। যা ক্রিকেটের জন্য রীতিমতো চিন্তার বিষয়। কোন দিকে এগোচ্ছে ক্রিকেট? পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, অজি বোলারদের এই দুর্দশা মেনে নেওয়া যায় না। বিশেষ করে যে দেশে লিলি, থম্পসনের মতো তারকারা জন্মেছেন।” ইংল্যান্ড ইনিংস শেষ হওয়ার তিনি আরও লেখেন, “ক্রিকেটের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য ভাল বোলিংয়ের খুব প্রয়োজন। আশা করি, এই দেশ আরও কিছু প্রতিভাবান শক্তিশালী বোলারের জন্ম দেবে।” তবে টুইটগুলি করার পর তা মুছেও ফেলেন তিনি। সে কারণ অবশ্য স্পষ্ট হয়নি। তবে অনেকেই মনে করছেন, এমন টুইট করে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং লাইন আপকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন তিনি। বিতর্ক এড়াতেই হয়তো টুইটগুলি মুছে ফেলেছেন তিনি। ২০১৬ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৪৪৪ রান করেছিল ইংল্যান্ড। মঙ্গলবার নিজেদের রেকর্ডই ছাপিয়ে গেল তারা। সৌজন্যে জনি বেয়ারস্টো (১৩৯) এবং অ্যালেক্স হেলসের (১৪৭) দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। আর তাতেই ২৪২ রানে হারল অজিবাহিনী। এমজে/

গণভবনে মহিলা ক্রিকেটারদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা

এশিয়া কাপ টি-২০ টুর্নামেন্টে যে নৈপুণ্য দেখিয়েছে সেভাবে ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের মহিলা ক্রিকেটাররা তাদের সাফল্য অব্যাহত রাখবে বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেছেন।গণভবনে এশিয়া কাপ টি-২০ টুর্নামেন্টে বিজয়ী মহিলা ক্রিকেটারদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আপনারা এশিয়া কাপে যে নৈপুণ্য দেখিয়েছেন সেখান থেকে পিছু হটবেন না বলে আমি আশাবাদী। আগামী দিনগুলোতে যে কোন প্রতিযোগিতায় বিজয় অর্জনে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ থাকবেন বলে আমি আশা করি।’গত ১০ জুন কুয়ালালামপুরে ম্যাচের চূড়ান্ত খেলায় বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দল ছয় বারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে তিন উইকেটে পরাজিত করে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে।মহিলা ক্রিকেটারদের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ফুটবলের মতো সকল জেলায় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে।এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দলের সাফল্যে আরো বহু খেলোয়াড় উৎসাহিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজয়ে খেলোয়াড়রা উল্লাসিত হবে, তবে পরাজয়ে হতাশ হওয়া উচিত নয়।শেখ হাসিনা বলেন, সরকার চায় দেশের তরুণ প্রজন্ম ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ সর্বক্ষেত্রে সাফল্যজনকভাবে এগিয়ে যাক।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরে সিকদার, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এবং ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সালমা খাতুন বক্তব্য রাখেন।প্রধানমন্ত্রী দলের খেলোয়াড়, কোচ, ম্যানেজার এবং ফিজিওথেরাপিস্টদের ২ কোটি টাকা পুরস্কার প্রদান করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৪ সালে মহিলারা রাজশাহীতে ফুটবল খেলতে পারেনি। সে সময় বাংলাদেশের নারীদের জন্য খেলাধুলায় অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে এক কঠিন সময় গেছে।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেসা মুজিবের নামে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট চালু করে।বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়নে সরকারের পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে মহিলাদের পদায়নে কাজ করে যাচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভাল করতে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ক্রিকেটে মেয়েরা তা প্রমাণ করেছে।প্রধানমন্ত্রী কঠোর অনুশীলন চালিয়ে যেতে খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মহিলা ক্রিকেটারদের সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে অন্যরাও ক্রীড়াঙ্গনে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন।সূত্র : বাসসএসএ/

আইসিসির সূচিতে বাংলাদেশের ১৬২ ম্যাচ, ৭ টুর্নামেন্ট

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাঁচ বছরের পূর্ণ সদস্য ১২ দল ও সহযোগী একটি দলের সফরসূচি (এফটিপি) ঘোষণা করেছে। ২০১৮ সালের মে থেকে ২০২৩ বিশ্বকাপ পর্যন্ত  এই পাঁচ বছরের জন্য এই সূচির ঘোষণা করা হয়। ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশ দল আগামী পাঁচ বছরে টেস্ট খেলবে ৪৫টি। ২৪টি টেস্টই বিদেশের মাঠে, ২১টি দেশে। ওয়ানডে খেলবে অন্তত ৭২টি, দেশের বাইরে ৪৫, ঘরের মাঠে ২৭টি। টি-টোয়েন্টি পাবে অন্তত ৫৮টি। এফটিপিতে অবশ্য আফগানিস্তানের বিপক্ষে সদ্যই ৩-০ তে হেরে যাওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজটিও রাখা হয়েছে হিসাবে। এফটিপিতে বাংলাদেশের মোট টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সংখ্যা আসলে তাই ৬০ ছাড়িয়ে যাবে। এরই মধ্যে ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের। আফগানিস্তানের সিরিজটি ভারতে গিয়ে খেলে দেশে ফিরে কদিনের ছুটি আর অনুশীলন সেরে টাইগাররা যাচ্ছে ক্যারিবীয় সফরে। সে সফর শেষে বাংলাদেশ যাবে আরব আমিরাতে, এশিয়া কাপ খেলতে। অন্যদিকে বাংলাদেশের পরবর্তী টি-টোয়েন্টিগুলো ৩৪টি বিদেশের মাটিতে, ২৪টি দেশে। দ্বিপক্ষীয়-ত্রিদেশীয় সিরিজের সঙ্গে বাংলাদেশের সুযোগ থাকছে দুটি বিশ্বকাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও এশিয়া কাপের মতো বড় টুর্নামেন্টেও খেলার সুযোগ। এদিকে ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যেহেতু এই বছর বিপিএল হচ্ছে না, ফাঁকা সময়ে বিসিবি আয়োজন করতে পারবে নতুন সিরিজও। এফটিপির বাইরে ফাঁকা সময়ে দুই বোর্ডের সমঝোতায় বাংলাদেশ আরও ম্যাচের আয়োজন করতেই পারে। এই সুযোগ সব বোর্ডেরই রয়েছে।  এমএইচ/ এমজে  

আমিও টাইগার হতে চাই: রোডস

বিশ্ব ক্রিকেটে টাইগার নামটা আগেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলার দামাল ছেলেরা বিশ্ব আসরে ভারত-পাকিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়ার মতো দলকে পরাজিত করে টাইগার নামটার জাত চিনিয়েছেন। এবার টাইগারদের কোচ হয়ে নিজেও টাইগার হওয়ার মনোবাসনা ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত কোচ স্টিভ রোডস। স্টিভ রোডস ছিলেন কাউন্টি দলের কোচ, ইংলিশ লায়নসের হয়েও কাজ করেছেন। দায়িত্ব শুরুর ঠিক পূর্বক্ষণে অনুভূতির কথা জানতে চাওয়া হলে রোডস বলেন, ‘আমি উত্তেজিত ও রোমাঞ্চিত। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেট পাগল। এরকম ক্রিকেট অন্তঃপ্রাণ জাতির কোচ হতে পেরে সত্যি খুব ভালো লাগছে। আমি আমার দীর্ঘ খেলোয়াড়ি জীবন ও কোচিং অভিজ্ঞতা দিয়ে চেষ্টা করবো। আমিও টাইগার হতে চাই। দায়িত্ব পাওয়ার পরে ঘরের মাঠে ৩ দিন শিষ্যদের দেখার সুযোগ পাবেন রোডস। তার কথা, ‘আমি এর মধ্যে ক্রিকেটারদের সঙ্গে মিনিট পনেরো কথা বলেছি। সেগুলো কিছু ব্যক্তিগত এবং দলগত কথোপকথন। তা নাইবা বললাম। আমি বিশ্বাস করি ক্রিকেট দলগত খেলা। বাংলাদেশে বেশ কিছু প্রতিভাবান ক্রিকেটার রয়েছে। তারা যদি ভালো জ্বলে উঠতে পারে আর টিমওয়ার্ক যদি ভালো হয়, তাহলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ভালো কিছু না হওয়ার কোনো কারণ আছে কি?’ তিনি বলেন, ‘আমি ঘরে বসে খুব কাছ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিরিজটি দেখেছি। তাদের যে ফাস্ট বোলার শ্যানন গ্যাব্রিয়েল খুব ভালো করল তাকে আমি উস্টারশায়ারে কোচিং করিয়েছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেই অভিজ্ঞতা আমি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সাথে শেয়ার করবো। এমজে/

এবার মাইক্রোবাস পেলেন নারী ক্রিকেটাররা

এতদিন কেবল পুরুষ ক্রিকেটাররা ঘুরতেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়িতে। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় অনুশীলনের জন্যও পেতেন সেই গাড়ি। অথচ দেশের হয়ে প্রথম কোনো শিরোপা এনে দেওয়া নারীরা আজীবন থেকেছেন বঞ্চিত। এসব সমালোচনার জের ধরেই এবার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়ি পেয়েছেন দেশের নারী ক্রিকেটাররা। চট্টগ্রামে অনুশীলনে আসা এশিয়া কাপজয়ী জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের বাহন হিসেবে এসি বাস দেখা গেছে। বুধবার সকালে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলনের জন্য নারী ক্রিকেটাররা লোকাল বাসে গেলেও ফেরার সময় পেয়েছেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মাইক্রোবাস। গত ১০ জুন মালয়েশিয়ায় ভারতকে হারিয়ে নারীদের এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা অর্জন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ট্রফি জয়ে তখন উচ্ছ্বাস ছিল বিসিবি কর্মকর্তাসহ সবার মধ্যে। তখনও নারী ক্রিকেটারদের নানা বৈষম্যের শিকার হওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছিল। তার দুই সপ্তাহের মাথায় গত গত ১৯ জুন নারী ক্রিকেট দল চট্টগ্রামে অনুশীলনের জন্য এলে বৈষম্যের অভিযোগটি আরও জোরাল হয় তাদের বাহন দেখে। বিমানে করে চট্টগ্রামে আসা এই ক্রিকেটারদের জুবিলি রোডের হোটেল টাওয়ার ইন থেকে মঙ্গলবার সকালে শহর এলাকার লক্কর-ঝক্কর বাসে করে অনুশীলনের জন্য সাগরিকায় স্টেডিয়ামে যাওয়া ও আসার ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ভেন্যু ম্যানেজার ফজলে বারী খান রুবেল সাংবাদিকদের বলেন, “জাতীয় ক্রিকেট দলের খাওয়া-দাওয়া, যাওয়া-আসা এবং আবাসনের বিষয়গুলো বিসিবির লজিস্টিক ডিপার্টমেন্ট দেখাশুনা করে থাকে। নারী ক্রিকেট দল আগামী ২৮ জুন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনটি টি টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে যাওয়ার আগে চট্টগ্রামে অনুশীলনে এসেছিল। এমজে/

‘বাংলাদেশের কোচ’ স্টিভ রোডসের যাত্রা শুরু আজ

চন্ডিকা হাথুরুসিংহে চলে যাওয়ার পর থেকে কোচবিহীন বাংলাদেশ। দেশের মাটিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ, এবার আফগানিস্তান সফর সব জায়গাতেই হেড কোচ ছাড়াই খেলতে হয়েছে টাইগারদের। হচ্ছে হবে করেও সন্ধান মিলছিলো না নতুন কোচের। এর মধ্যে হঠাৎ ঢাকায় আসার গুঞ্জন ইংলিশ কোচ স্টিভ রোডসের। তিনিই নাকি হবেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ। কিছুদিন আগে এমনটিই জানা গিয়েছিলো। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন কোচ হলেন ইংল্যান্ডের স্টিভ রোডস। দুই বছরের চুক্তিতে আজ বুধবার থেকে তিনি টাইগারদের সঙ্গে কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন। অবশ্য ইংলিশ কাউন্টি দল ওয়ারউইকশায়ারকে কোচিং করানো ছাড়া আর কোন পরিচিত নেই তার। আজ বুধবার বেলা পৌনে তিনটায় শেরে বাংলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজগামী টেস্ট দলের অনুশীলনে থাকবেন রোডস। কোচ হিসেবে আজ থেকেই বাংলাদেশের কোচ হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হচ্ছে এই ইংলিশের। দুপুর আড়াইটায় শেরে বাংলার প্রেস কনফারেন্স হলে স্টিভ রোডসের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন। মাঝের সময়টায় কোচ শূন্য বাংলাদেশ হয়ে পড়েছিল ‘মাঝিবিহীন নৌকা’। এই সময়টায় নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল খেলা ছাড়া সে অর্থে টাইগারদের কোনোই সাফল্য নেই। বরং পারফরম্যানসের গ্রাফ দিনকে দিন নিচে নেমেছে, আত্মবিশ্বাস ও আস্থা কমেছে অনেকটাই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, স্টিভ রোডস কি তা ফিরিয়ে আনতে পারবেন? এমন অনেক কৌতুহলী প্রশ্ন সামনে রেখেই শুরু হচ্ছে কোচ স্টিভ রোডসের পথচলা। এর আগে মঙ্গলবার নিজের দায়িত্ব বুঝে নিতে বাংলাদেশে আসেন রোডস। একে//

ইংল্যান্ড ৪৮১, অষ্ট্রেলিয়া ২৩৯

ইনিংসে ৪৮১ রান। টেস্টে নয়, সীমিত ওভারের ম্যাচে। সেটিও আবার হল্যান্ড কিংবা স্কটল্যান্ডের মতো দলের বিরুদ্ধে নয়। কয়েকবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। নি:সন্দেহে এটি বিশ্বরেকর্ড। জনি বেয়ারস্টো ও অ্যালেক্স হেলসের সেঞ্চুরিতে গত মঙ্গলবার রাতে রানের পাহাড় গড়ে ইংল্যান্ড। অধিনায়ক এউইন মরগানও করেন দেশের দ্রুততম ফিফটি। মঙ্গলবার রেকর্ডসমৃদ্ধ এই তৃতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২৪২ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড।বেয়ারস্টো ও হেলসের ষষ্ঠ সেঞ্চুরিতে ৬উইকেটে ৪৮১ রান করে ইংল্যান্ড। এর অর্ধেক রানও করতে পারেনি অজিরা। মাত্র ৩৭ ওভারে ২৩৯ রানে গুটিয়ে যায় অষ্ট্রেলিয়ার ইনিংস হয়।  ছেলেদের ক্রিকেটে প্রথম দল হিসেবে ওয়ানডেতে এই দিন ৪৫০ ছাড়ানো রান করে ইংল্যান্ড। দুই বছর আগে নিজেদের গড়া বিশ্ব রেকর্ড ভেঙে দেয় তারা।নটিংহ্যামের এই ট্রেন্ট ব্রিজেই ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪৪৪ রান করেছিল ইংল্যান্ড ৩ উইকেটে। এতোদিন সেটাই ছিল ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ দলীয় রানের রেকর্ড। মঙ্গলবার একই ভেন্যুতে নিজেদের রেকর্ড ভাঙল তারা। এবার তাদের প্রতিপক্ষ ছিল অস্ট্রেলিয়া।অসিরা টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল। কিন্তু তাদের বোলাররা হয়েছে নাস্তানুবাদ। টানা দুই ম্যাচ জেতা ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যনরা পাত্তা দেননি তাদের। জেসন রয়ের সঙ্গে ১৫৯ রানের জুটি গড়েন বেয়ারস্টো। ৬১ বলে ৭ চার ও ৪ ছয়ে ৮২ রান করেন জেসন। তারপর হেলসকে নিয়ে বেয়ারস্টো অসহায় বানান অসি বোলারদের। ১৫১ রানের জুটি গড়েন দুজনে।৯২ বলে ১৫ চার ও ৫ ছয়ে ১৩৯ রান আসে বেয়ারস্টোর ব্যাটে। সমান বল খেলে ১৬ চার ও ৫ ছয়ে ১৪৭ রান করেন ম্যাচসেরা হেলস। এউইন মরগানের সঙ্গে ১২৪ রানের জুটি গড়েন তিনি। ৩০ বলে ৩ চার ও ৬ ছয়ে ৬৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন মরগান। ২১ বলে ৬ চার ও ৩ ছয়ে হাফসেঞ্চুরি করেন তিনি।দুই বছর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে আগের রেকর্ড গড়া ম্যাচেও ১৭১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছিলেন হেলস।এঁদের সামনে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা একরকম অসহায় ছিল। ১০ ওভারে ৯২ রান খরচ করেছেন রিচার্ডসন, তিনি অবশ্য তিন উইকেট পেয়েছেন। এছাড়া মার্কাস স্টয়নিসের আট ওভারে ৮৫ এবং নয় ওভারে ১০০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন পেসার অ্যান্ড্রু টাই।রেকর্ড লক্ষ্যে নেমে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা চোখে পড়ার মতো কিছু করতে পারেননি মঈন আলী ও আদিল রশিদের স্পিন নৈপুণ্যে। দুই স্পিনার ৭ উইকেট নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেন। রশিদ ১০ ওভারে ৪৭ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। মঈন ৩ উইকেট নেন ৫ ওভারে ২৮ রান দিয়ে।অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ট্রাভিস হেড ৫১ রানের সেরা ইনিংস খেলেন। দ্বিতীয় সেরা ৪৪ রান আসে মার্কাস স্টোইনিসের ব্যাটে।আগামী ২১ জুন চতুর্থ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল। সূত্র : ক্রিকইনফো।/ এআর /

এবারের বিশ্বকাপে প্রথম লালকার্ড

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম সময়ে লাল কার্ড দেখলেন কার্লোস সানচেস। সারানস্কের মরদোভিয়া অ্যারেনায় মঙ্গলবার জাপানের বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ শুরুর ২ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডের মাথায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন কলম্বিয়ান এই মিডফিল্ডার। ডি-বক্সে শিনজি কাগাওয়ার গোলমুখী জোরালো শট সানচেস হাত দিয়ে ঠেকিয়ে দেন। এরপরই লালকার্ড দেখে বিদায় নেন কলম্বিয়ান এই তারকা। এবারের বিশ্বকাপে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে লাল কার্ড দেখলেন তিনি। এর আগে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে লালকার্ড দেখার রেকর্ডটিও উরুগুইয়ানদের দখলেই। আর সেই ব্যক্তিটি হলেন হোসে আলবের্তো বাতিস্তা। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৫৪ সেকেন্ডে মাঠ ছাড়তে হয় উরুগুয়ের এই খেলোয়াড়কে। এদিকে লাল কার্ড দেখে বিদায় নেওয়ায় আগামী রোববার পোল্যান্ডের বিপক্ষে কলম্বিয়ার দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে পারবেন না কার্লোস সানচেস। এমজে/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি