ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ৫:১৯:২২

শাকিব-অপুর সংসার রক্ষার উদ্যোগ

শাকিব-অপুর সংসার রক্ষার উদ্যোগ

শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের ডিভোর্স নিয়ে পানি কম ঘোলা হচ্ছে না। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) পারিবারিক আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন অপু বিশ্বাস। কিন্তু শুনানিতে হাজির হননি শাকিব খান। ফলে শুনানির তারিখ পিছিয়ে আবার দেওয়া হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি। সংসারে ফিরতে চাই উল্লেখ করে অপু বিশ্বাস বলেন, “শাকিবের জন্য আমি সব করতে রজি। আমি অভিনয় ছাড়তেও রাজি। তার জন্য জাত ধর্ম সবই ছেড়েছি কিন্তু আমি তাকে ছাড়তে পারবো না।”  চলচ্চিত্রের সিনিয়র ব্যাক্তিরা শাকিব-অপুর সংসার রক্ষায় তৎপরতা শুরু করেছেন। তারা চেষ্টা করছেন সংসার জোড়া লাগানোর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, “শাকিবকে বুঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সে যেন বিয়েটা না ভাঙে। আর অপুকেও বুঝানো হয়েছে সে যেন শাকিবের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে চলে। শাকিব না চাইলে সিনেমা করা ছেড়ে দেয়।” শাকিব খানের নির্দেশ ছিল অপু যেন সিনেমায় কাজ না করে। সংসার সন্তান নিয়েই ব্যস্ত থাকে। সে আলোকে এখন চুক্তিবদ্ধ হওয়া চলচ্চিত্র ‘কাঙাল’ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন অপু বিশ্বাস। এছাড়া আরো যেসব চলচ্চিত্র নিয়ে তার কাজ করার কথা ছিল সেগুলোও তিনি ছেড়ে দিচ্ছেন। শাকিব অপুর সংসারের এই জটিলতা ছাড়াতে ইতিমধ্যে অনেকেই কথা বলেছেন। চেষ্টা করছেন তারা ভাঙনের দিকে না যায়। এ নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন চলচ্চিত্রের খল অভিনেতা মিশা সওদাগর। তিনি বলেন, ‘তাদের উচিৎ ভেবে চিন্তে কাজ করা। এমন কোনো কিছু তাদের করা উচিৎ নয় যেটি চলচ্চিত্রের জন্য ক্ষতির কারণ হয়। তারা এই ইন্ডাস্ট্রির সম্পদ। এটা তাদের মনে রাখা উচিৎ।” এর আগে চিত্রনায়ক ওমর সানীও তাদের উদ্যেশ্য করে বলেন, ‘শাকিব তুমি এসব কি করছ? এত সুন্দর একটি সংসার এভাবে নষ্ট করে দিচ্ছ? তুমি কি চাও জয় তার বাবার আদর থেকে বঞ্চিত হোক? অপু স্বামীর সোহাগ থেকে বঞ্চিত হোক? আর অপুকে বলছি স্বামী সংসারে মন দাও। ক্যারিয়ারের চেয়ে সংসার অনেক বড়। তাই  আমি বলবো তোমরা সব ভুলে এক হয়ে যাও।’ তবে এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে শাকিবের কোনো মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি একেবারেই চুপ হয়ে আছেন। আর এ দিকে অপু বিশ্বাস চেষ্টা করছেন যেভাবেই হোক তিনি শাকিবের সংসারে ফিরবেন। এ প্রসঙ্গে শাকিবের আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম বলেন, যেহেতু একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে নেওয়া হয়েছে এখন এটার অমিতো কিছু করতে পারবো না। তাছাড়া শাকিব খান দেশের বাহিরে শ্যুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। তিনিই এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।  শাকিব-অপুর সংসার রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন উল্লেখ করে ডিএনসিসি কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন বলেন, তাদের সংসার টিকিয়ে রাখতে হলে উভয়কে সম্মত হতে হবে। প্রথম বৈঠকে শুধু এক পক্ষ এসেছেন। তাই আমরা পরবর্তী তারিখ দিয়েছি ১২ ফেব্রুয়ারি। আমরা অপেক্ষা করছি দু’পক্ষই যেন আসে। আমরা তাদের আরেকটি নোটিশ করছি। এরপর যদি না আসে তাহলে তৃতীয় আরেকটি নোটিশ দেব। তারপরও যদি না আসে ৯০ দিন পার হয়ে গেলে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যাবে।    এসি/টিকে
সোহেল খানের ‘দিল’ গানে নকলের গুঞ্জন (ভিডিও)

সম্প্রতি সংগীতার ব্যানারে মুক্তি পায় সোহেল আলী খানের ‘দিল রে দিল’ গানটি। মুক্তির পর থেকেই গানটি নিয়ে নকলের গুঞ্জন উঠেছে। গানটি নিয়ে অভিযোগ ওপার বাংলার জনপ্রিয় নায়ক জিৎ এর অভিনীত একটি চলচ্চিত্রের গানকে নকল করে এটি করা হয়েছে। মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন মামুনুর রশিদ রোকন। ক্যামেরায় ছিলেন এম এইচ লিটন। গানটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন জাহিদ বাশার পংকজ। এ বিষয়ে মডেল সোহেল আলী খান বলেন, যে কোনো গানের ক্ষেত্রেই কিছু না কিছু মিল থাকতে পারে। কিন্তু কাউকে নকল করার কোনো ইচ্ছে আমার নেই। আমি চেষ্টা করছি ভালো কিছু করার।   নির্মাতা মামুনুর রশিদ রোকন বলেন, অনেকেই গানটি নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় কমেন্টস করছেন। এ ক্ষেত্রে আমি বলবো আপনারা আগে গানটি দেখেন। এখানে নকলের কিছু নেই। এর কথাগুলো অনেক সুন্দর। ‘তোমার লাগি কাঁন্দে আমার দিল’ এ কথাগুলো অনেকেরই মন ছুঁয়েছে।  এসি/টিকে

সিনেমায় অভিনয় করতে চাই: দিঘী

বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি সবার নজরে চলে আসেন ছোট্ট দিঘী। তারপর কাজ করেছেন অনেকগুলো চলচ্চিত্রে। শিশুশিল্পী হিসেবে তার মতো এত জনপ্রিয় এর আগে আর কেউ হয়নি। কাজী হয়াতের ‘কাবুলীওয়ালা’ দিয়ে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন দিঘী। এর সুবাধে ২০০৬ সালে পেয়ে যান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এরপর অনেকগুলো ছবিতে কাজ করেন। লীলা মন্থন, অবুঝ শিশু, দাদীমা, চাচ্চু’র মতো জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করে সবার নজর কাড়েন। একে একে এভাবে প্রায় এক ডজন ছবিতে কাজ করেন। তারপর হঠাৎ করে হাওয়া হয়ে যান। চলচ্চিত্রে কাজ বন্ধ করে চলে যান অন্তরালে। হয়ে যান সংবাদকর্মীদের চোখের আড়াল। এ প্রসঙ্গে দিঘীর বাবা বলেন, অনেকেই অভিনয়ের জন্য যোগাযোগ করছে। ফোন করছে। কিন্তু তার এখন অভিনয় করার মতো সময় তেমন একটা নেই। পড়াশুনা নিয়েই ব্যস্ত। সামনে সে এসএসসি পরীক্ষা দেবে। তাই এসব এখন সম্ভব নয়।   দিঘী বলেন, সিনেমায় অভিনয় করতে চাই। বিজ্ঞাপন চিত্রেও কাজ করতে চাই। তবে সেটা দু’বছর পর। এক বছর পর আমার পরীক্ষা। আর এর পরের বছর নেব অভিনয়ের প্রস্তুতি। তারপর আসবো সামনে। দিঘী’র মা চিত্রনায়িকা দোয়েল ২০১১ সালে দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে হঠাৎ মারা যান। মায়ের স্বপ্ন ছিল দিঘী একজন বড় ডাক্তার হবে। সেই স্বপ্ন পূরণে দিঘী চলচ্চিত্রের কাজ বন্ধ রেখে এখন পড়াশুনায় মনোযোগি হয়েছেন।    এসি/ টিকে

অপুর বদলে মাহি

‘কাঙাল’ ছবি থেকে সরে গেলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। পারিবারিক জটিলতায় চলচ্চিত্র থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি। পাশাপাশি ছবির নামও বদলে গেল। এখন ছবিটির নাম হয়েছে ‘অন্ধকার জীবন: দ্য ডার্ক’। আর নায়িকা হিসেবে অভিনয় করবেন মাহিয়া মাহি।    অপু বিশ্বাসের সংসার দিয়ে নানা জটিলতায় কাঙাল ছবির কাজ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি শাকিব খানের সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে নানা জটিলতায় অভিনয় থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি। এরপরই ছবিটির পরিচালক বদিউল আলম খোকন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহিকে ছবিতে চুক্তবদ্ধ করেন।   এ প্রসঙ্গে ছবির পরিচালক বদিউল আলম খোকন বলেন, এই ছবিতে এখন মাহি কাজ করবেন। আর ছবির গল্প হলো একজন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীকে কেন্দ্র করে। তাকে ধরার জন্য মিশনে নামেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। এই ছবিতে নায়ক-নায়িকার প্রেম রসায়নের চেয়ে গল্পের প্রাধান্যটা বেশি। অন্ধকার জীবন: দ্য ডার্ক ছবিতে সন্ত্রাসীর চরিত্রে অভিনয় করবেন  অভিনেতা ডি এ তায়েব। আর একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করবেন মাহিয়া মাহি।       এসি/টিকে

অভিনয় দিয়ে দর্শকদের মন জয় করবো: জয়া চৌধুরী

একাধিক ছবিতে কাজ করার মধ্য দিয়ে বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন চিত্রনায়িকা জয়া চৌধুরী। ‘চার অক্ষরের ভালোবাসা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। চলচ্চিত্র জগতে গুণী পরিচালক চাষী নজরুল ইসলামের হাত ধরেই পদার্পন জয়ার। তার পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা পাথেয় হয়ে আছে জয়া চৌধুরীর। ইতিমধ্যে অনেকগুলো চলচ্চিত্রে কাজও করেছেন। বর্তমানে কাজ করছেন ‘বাঘিনী’ চলচ্চিত্রে। একুশে টিভি অনলাইনের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় নিজের ভালো লাগা, ভবিষ্যত পরিকল্পনাসহ নানা দিক নিয়ে কথা বলেন জয়া চৌধুরী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আউয়াল চৌধুরী।    ইটিভি অনলাইন: কিভাবে চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত হলেন? জয়া চৌধুরী: আমার গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানায়। ২০১০ সালের দিকে আমি ঢাকায় বেড়াতে আসি। তখন আমার এক কাজিনের সঙ্গে এফডিসি ঘুরতে যাই। সেখানে দেখা হয় বিখ্যাত পরিচালক চাষী নজরুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি আমাকে দেখে বলেন, এই মেয়ে তোমার নাম কি? এখানে কেন এসেছ? আমি তখন তাকে আমার পরিচয় দেই। তিনি জানতে চাইলেন, কেমন লাগলো এফডিসি? আমি বললাম, অনেক সুন্দর। তখন কয়েকটি ফ্লোরে শ্যুটিং চলছিল। নায়ক-নায়িকাদের সঙ্গে কথা বলেছি। খুব ভালো লেগেছে। ইটিভি অনলাইন: চাষী নজরুল ইসলামের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পেয়েছিলেন? জয়া চৌধুরী: অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। তিনি আমার কাছে জানতে চাইলেন সিনেমায় কাজ করবো কি না। আমি বললাম করবো। নায়িকা হতে চাই। তখন তিনি হেসে বললেন শুরুতে নায়িকা হিসেবে না হলেও কাজ শুরু কর। তখন তিনি তার এসিসট্যান্ট তারেক ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দিলেন। তাকে বললেন ওকে কাজে লাগানো যায় কি না দেখ। ওই সময় চাষী ভাই’র দেবদাস ছবি নিয়ে কাজ করছিলেন। তিনি আমাকে সে ছবিতে একটা চরিত্রে কাজ করতে বললেন। কিন্তু আমি তখন কাজটি করতে পারি নাই। রাজবাড়ী চলে যাই।   ইটিভি অনলাইন: তার সঙ্গে কি আর যোগাযোগ হয়েছিল? কিভাবে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করলেন?     জয়া চৌধুরী: হ্যাঁ তার সঙ্গে সব সময় আমার যোগাযোগ হতো। তিনি আমাকে পথ দেখান। আমাকে পড়ার জন্য অনেকগুলো বই দিয়েছিলেন। আর বলেছিলেন, সুচিত্রা সেনের মতো বড় বড় অভিনেত্রীদের কাজ দেখবে। তাদের মতো চোখের চাহনি দেবে। একটা কথা- সততা তোমাকে অনেক দূর নিয়ে যাবে। এটাকে ভুলো না। বেছে বেছে কাজ করবে। তার এসব কথাগুলো এখনো আমাকে অনুপ্রাণিত করে। আমার কাজে সাহস জোগায়। তারপর কাজ শুরু করার চেষ্টা করি। অনেকের সঙ্গে কথা বলি। পাশাপাশি অভিনয় শেখার জন্য নিজেকে তৈরি করি।      ইটিভি অনলাইন: চলচ্চিত্রের জন্য নিজেকে কিভাবে তৈরি করছেন? জয়া চৌধুরী: আমাদের এই প্রজন্মের মধ্যে চলচ্চিত্রে কাজ করার ক্ষেত্রে অনেক কম্পিটিশন তৈরি হয়েছে। আমি নিজেকে সেভাবেই তৈরি করার চেষ্টা করছি। সেজন্য সিঙ্গাপুরের একটি একাডেমিতে ভর্তি হয়েছি। সেখানে লাইট, ক্যামেরা, ডান্স, অভিনয়সহ সব বিষয়গুলো নিয়েই তারা প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আমি চেষ্টা করছি সেখান থেকে ভালো কিছু অর্জন করার।     ইটিভি অনলাইন: এ পর্যন্ত কোন কোন ছবিতে কাজ করেছেন? জয়া চৌধুরী: ইতিমধ্যে আমি অনেকগুলো ছবিতেই কাজ করেছি। চাষী ভাই আমাকে সোহানুর রহমান সোহান ভাইসহ অনেকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। তার উপদেশগুলো মেনে চলার চেষ্টা করছি। আমার প্রথম চলচ্চিত্র ছিল জাকির খানের ‘চার অক্ষরের ভালোবাসা’। এটি ২০১৪ সালে মুক্তি পায়। এরপর কাজ করি ‘অনন্তকালের …ফর এভার’ ছবিতে। বর্তমানে ‘ফুলবানু’ ছবির কাজ শেষ হয়েছে। সামনে ছবিটি মুক্তি পাবে। এখন চলছে ‘বাঘিনী’ ছবির কাজ। সামনে আরো কয়েকটি ছবির কাজ শুরু হবে। সবমিলে চেষ্টা করছি ভালো কিছু করার।    ইটিভি অনলাইন: আপনি সম্প্রতি ‘ফুলবানু’ ছবির কাজ শেষ করেছেন। এ ছবির কোনো অভিজ্ঞতা কি শেয়ার করা যায়? জয়া চৌধুরী: ‘ফুলবানু’ ছবির কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এ ছবিতে আমার বিপরীতে কাজ করেছেন চিত্রনায়ক শাহ রিয়াজ। এ ছবির একটি গানের শ্যুটিং করা হয় এফডিসিতে। ‘অনেক যতন করে রেখেছি আমি তোকে, হাজারো তারার মাঝে’ এই স্যাড সঙটি করার আগে একটি ঘটনা আছে। সেটা হলো ছবিটির পরিচালক হাসিবুল ইসলাম মিজান স্যার এর স্ত্রী মারা গিয়েছেন। তিনি আমাদের তার স্ত্রীর কথা বলছিলেন। বলতে বলতে ঝরঝর করে কাঁদতে থাকেন। তখন তার গল্প শুনতে শুনতে গানটি লিখা হয়। এই গানটি লিখার সময় আমিও কাঁদছিলাম। তখন এসআই টুটুল ভাই বললেন এই গানটি অসাধারণ হয়েছে। গানটির সুর শুনার পর আমি হাউমাউ করে কেঁদে ফেলি। সেখানে সবাই কাঁদছিল। এই স্মৃতিটি আমাকে নাড়া দেয়। গানটি অনেক ভালো হয়েছে। দর্শকদেরও ভালো লাগবে বলে আশা করি। ইটিভি অনলাইন: কাউকে অনুসরণ করেন? জয়া চৌধুরী:  অ্যাঞ্জেলিনা জোলি আমার প্রিয় অভিনেত্রী। আর রোমান্টিক ছবির ক্ষেত্রে সুচিত্রা সেনকে ফলো করি। সুফিয়া লরেনের ‘সান ফ্লাওয়ার’ ছবিটি আমার ভীষণ প্রিয়। আমি প্রতি এক দুই দিন পর পরই ছবিটি দেখি। এই সিনেমাটি আমার কাছে অসম্ভব রকমের ভালো লাগে। আর বাংলাদেশের রাজ্জাক স্যারকে খুব ভালো লাগে। তার অভিনয় আমাকে মুগ্ধ করে। নায়ক ফারুক স্যারকেও ভালো লাগে। শাবনূর আপুর ছবিও দেখি। কবরি ম্যাডামও প্রিয়। আর জাফর ইকবালের স্টাইল আমার কাছে অন্যরকম লাগে। সর্বশেষ বলবো, আমি সব ধরণের অভিনয়ই করে যেতে চাই। অভিনয় ছাড়া অন্যকিছু চিন্তা করতে পারিনা। অভিনয়ের মাধ্যমেই দর্শকদের মন জয় করতে চাই। ইটিভি অনলাইন : আমাকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। জয়া চৌধুরী : ইটিভি পরিবারকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।      এসি/ এআর

‘নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছি’

লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার-২০১২ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে মিডিয়ায় যাত্রা শুরু হয় সামিয়া সাঈদের। রূপ-গ্ল্যামার-মেধার দৌড়ে হাজার হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে সেই আসরের চ্যাম্পিয়ন বনে যান তিনি। তবে অন্য সবার থেকে একটু ভিন্নপথে হাটছেন সামিয়া। মিডিয়ায় নিয়মিত হলেও একেবারেই অল্প কাজ করতে থাকেন। তবে ক্যারিয়ারের শুরুতে যে নাটকগুলোতে তিনি অভিনয় করেছেন তার মাধ্যমে অভিনেত্রী হিসেবে প্রশংসিত হয়েছেন। তবে মডেলিংয়ে নাটকের চেয়ে বেশি সফলতা পেয়েছেন তিনি। একাধিক টিভিসিতে কাজ করার পাশাপাশি নিয়মিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মডেল হিসেবে কাজ করেছেন এই সুন্দরী। সৌন্দর্যের আকাশে তরুণ তারকা হলেও মিডিয়াপাড়ায় তার পথ চলায় রয়েছে মেধাবী ছায়া। এরই মধ্যে অনেকগুলো ধারাবাহিক এবং একক নাটকে সু-অভিনয় করে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। মেধাবী এই সুন্দরী তার ভালোলাগা-মন্দলাগাসহ অনেক কিছু জানিয়েছেন একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে। তার সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন- সোহাগ আশরাফ   ইটিভি অনলাইন : কেমন আছেন? সামিয়া সাঈদ : (হাসি দিয়ে) অনেক ভালো। ইটিভি অনলাইন : শুরুতেই জানবো বর্তমান ব্যস্ততা সম্পর্কে। কি নিয়ে ব্যস্ত আছেন? সামিয়া সাঈদ : ধারাবাহিকে কাজ বেশি করা হচ্ছে। তাছাড়া প্রতিমাসেই একটা থেকে দুইটা সিঙ্গেল নাটকও করা হচ্ছে। ইটিভি অনলাইন : সম্প্রতি বিজ্ঞাপনে কোন কাজ করেছেন? সামিয়া সাঈদ : বিজ্ঞাপনের মধ্যে রবির কাজ করেছিলাম। তবে নতুন করে উপস্থাপনায় কাজ করছি। বিষয়টি নিয়ে দারুণ এক্সাইটেড। ইটিভি অনলাইন : আপনিতো আগেও উপস্থাপনা করেছেন। নতুন এটা কোন বিষয়ের উপর? সামিয়া সাঈদ : রান্না বিষয়ক অনুষ্ঠান। এটি একটি রান্না বিষয়ক রিয়েলিটি শো। সুপার শেফ। এটার হোটিং আমি করছি। ইটিভি অনলাইন : অভিনয় করছেন। পড়ালেখা করছেন। এখন আবার উপস্থাপনায় কাজ করছেন। সব মিলিয়ে ব্যস্ততা যাচ্ছে। কিভাবে সামলাচ্ছেন? সামিয়া সাঈদ : সব কিছু আসলে রুটিনের ব্যপার। নিজেকে কিভাবে রুটিনের মধ্যে নিয়ে আসা যায় সেই চেষ্টা থাকে। যেমন ধরুণ আমি চার দিন ক্লাস করছি। বাকি তিনদিন শুটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকছি। আবার দেখা যায় দু একদিন ক্লাস অফ দিয়ে শুটিং করছি। সব কিছু মিলিয়ে ব্যলেন্স করি। তবে এ জন্য হয়তো অনেক সময় ক্লান্তি আসে। যখনই একদিন ছুটি পাই তখন মাইন্ড ফ্রেস করতে চেষ্টা করি। সব ব্যস্ততার মধ্যে একটা দুটা দিন রেখে দিলে রিফ্রেশ হয়ে যায়। ইটিভি অনলাইন : অভিনয়ের ক্ষেত্রে ধারাবাহিকের কথা বলেছেন। কি কি ধারাবাহিকে কাজ করছেন এখন? সামিয়া সাঈদ : একটা আছে ‘যখন কখনো’। মজার বিষয় হচ্ছে ওখানে আমি আর প্রসূন আছি। সে আমার বড় বোন, আমি তার ছোট বোন। বিউটি-সুইটি। এছাড়া আছে ‘আপন খবর’। একটা পারিবারিক কাহিনী। আরও আছে। সব মনে করতে পারছি না। ইটিভি অনলাইন : একটা সময় বাংলা ভাষার উচ্চরণের ক্ষেত্রে আপনার কিছুটা সমস্যা ছিলো। এখন তো দেখছি সেটা কেটে গেছে। কিভাবে সম্ভব হলো? সামিয়া সাঈদ : আমি ইংলিশ মিডিয়ামে পড়েছি। আমরা যে বাংলিশ বলছি এবং ভুল বলছি সেটা কিন্তু জানতাম না। আমার কাছে মনে হতো এটাইতো ভাষা। আমি বলছি সে বুঝতে পারছে। শুদ্ধভাষায় আমার কোন সমস্যা ছিলো না। কিন্তু শব্দগুলো ঠিকমত হচ্ছে কিনা এটা কেউ কানে দিতেন না। কেউ ঠিকও করে দিতো না। এখন মিডিয়াতে ঢোকার পর আমাকে স্ক্রিপ্ট পড়তে হচ্ছে। আমার বানানগুলো দেখতে হচ্ছে। এটা খুব কাজ করেছে। আমার ইংরেজি গল্পের বই পড়ার অভ্যাস আছে। তাই ওটা নিয়ে সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু বাংলাতো আমি চোখে দেখছি না তাই চর্চ্চাটাও হয়নি। স্কুল লেভেল থেকে শিক্ষার্থীরা যখন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে যায় তখনও কিন্তু ইংরেজিতে পড়তে হয়। কিন্তু এখন যখন স্ক্রিপ্ট পড়ছি আমাকে বাংলাটা পড়তেই হচ্ছে। এটা পড়েই আমার বাংলাটা অনেকটা ভালো হয়েছে। ইটিভি অনলাইন : আপনিতো একটা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। কি অবস্থায় আছে? সামিয়া সাঈদ : ওটার ডাবিং হয়ে গেছে। সিনেমাটির নাম ‘কমলার রকেট’। বর্তমানে সেন্সর বোর্ডে জমা আছে। সেখান থেকে ছাড়পত্র পেলেই বড় পর্দায় দেখা যাবে। পুরো সিনেমাটাই লঞ্চে ভ্রমণের মধ্যে। লঞ্চের মধ্যেই পুরো কাজটি হয়েছে। আমরা ঢাকা থেকে মোড়েলগঞ্জ গিয়েছি। মোড়েলগঞ্জ থেকে আবার ঢাকায় এসেছি। আবারও মোড়েলগঞ্জ গিয়েছি। এভাবেই প্রথম লটের কাজ হয়। পরে আবারও একই ভাবে কাজ হয়েছে। কহিনীটা ছিলো ঠান্ডার সময়। কুয়াশা দিয়ে ঢাকা। একটার পর একটা গরম কাপড় পাল্টিয়েছি। কিন্তু গ্রীষ্মের সময় যখন শুটিং হলো। ও মাই গড। এতো গরম। তারপরও বলবো ভালো একটা কাজ হয়েছে। কমলা রকেট সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছি। সিনেমা আর নাটকের কাজ সম্পূর্ণ আলাদা। এই সিনেমায় কনফিউজিং চরিত্র দিয়ে সবাইকে মুগ্ধ করতে পারব। এখন অপেক্ষায় আছি। দর্শকদের ভালো লাগবে আশা রাখি। ইটিভি অনলাইন : আপনিতো একটা বড় রিয়েলিটি শো থেকে এসেছেন। কাজও করছেন। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় গুনি শিল্পী হওয়া সত্যেও কেউ কেউ নিয়মিত থাকছেন না। এর কারণটা কি বলে মনে হয়? সামিয়া সাঈদ : যে যাই বলুক, মিডিয়াটা কিন্তু খুবই কঠিন একটা জায়গা। আমি অভিনয় করতে পছন্দ করি, ভালোবাসি। এ জন্যই আমি এখানে আছি। এটা আমার পেশা নয়। যারা এটাকে পেশা হিসেবে নেয় তাদের ক্ষেত্রে হয়তো একঘেয়েমি হয়ে যায়। তাছাড়া দেখা যাচ্ছে কারও বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। বিয়ের পর অনেকে আছেন যারা মিডিয়াকে ঠিকঠাক মেনে নিতে পারেন না। বিভিন্ন কারণে এটা হয়। যারা পুরোপুরি প্রফেশন ও ভালোলাগার জায়গা থেকে মিডিয়াতে কাজ করেন তারাই মনে হয় টিকে থাকেন। ইটিভি অনলাইন : অনেক ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ। সামিয়া সাঈদ : আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। এসএ/

অবৈধ স্বর্ণসহ আটক মোশাররফ করিম!

দালালের সহায়তায় মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি দিয়েও সুবিধা করতে পারেনি মোশাররফ করিম। অবশেষে দেশে ফিরে আসেন তিনি। ধার-দেনা করে নিঃস্ব হয়ে পড়েন। শঙ্কায় পড়ে যায় ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করা নিয়েও। জীবনের প্রয়োজনে চোরাচালানকারী চক্রের সদস্য আখম হাসানের সঙ্গে যোগ দেন তিনি। নেমে পড়েন অনৈতিক কাজে। এরপর এয়ারপোর্ট টু এয়ারপোর্ট যাতায়াত। অবশেষে কাস্টমস গোয়েন্দার নজরদারিতে ধরা পড়েন তিনি। আসলে বাস্তবে নয়, ‘স্বর্ণমানব’ শিরোনামের একটি টেলিছবিতে এভাবে দেখা যাবে জনপ্রিয় এই অভিনেতাকে। আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে এটি। সেখানে দেখা যাবে অবৈধ স্বর্ণসহ তিনি আটক হন হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। টেলিছবিটি সম্পর্কে মোশাররফ করিম বলেন, ‘আমাদের দেশে অবৈধ স্বর্ণ পাচারে অনেকে জড়িত। আমাদের রাষ্ট্রের জন্য এটি ভয়ংকর ক্ষতিকর একটি দিক। এমন একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত টেলিছবিতে কাজ করে ভালো লেগেছে। দর্শকরা নাটকটি দেখে সচেতন হবে এটি আশা করছি। অবৈধ এমন একটি কাজ থেকে দূরে থাকবে।’ ‘স্বর্ণমানব’ টেলিছবির রচনা ও সার্বিক নির্দেশনা দিয়েছেন ড. মইনুল খান। তিনি শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। শাহরিয়ার মাহমুদের চিত্রনাট্যে এটি পরিচালনা করেছেন আবু হায়াত মাহমুদ। মোশাররফ করিম ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন অপর্ণা ঘোষ, আখম হাসান, মেহজাবিন, রওনক হাসান, আহসান হাবিব, সুজাত শিমুল, খালিদ মাহমুদ প্রমুখ। নির্মাতা জানান, আগামী ২৬ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে রাত ৮টায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইতে প্রচারিত হবে ‘স্বর্ণমানব’ টেলিছবিটি। এসএ/

মেহেদি হাতে ক্যাটরিনার বিয়ে রহস্য!

হাতে মেহেদি পরা ছবি পোস্ট করেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। সেখানে দেখা যাচ্ছে লজ্জায় মুখ লাল হয়ে আছে অভিনেত্রীর। এরপর থেকেই নেটিজেনরা বলছে, নিশ্চয়ই বিয়ের জন্য তৈরি হচ্ছেন ক্যাটরিনা। তবে পাত্র কে! এ নিয়ে গুঞ্জন চলছে সোশ্যাল সাইডে।পাত্রের নামের জায়গায় বার বারই চলে আসছে সালমান খানের নাম। যদিও ক্যাট কেন হাতে মেহেদি পরেছেন তা জানা যায়নি। এদিকে, ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর সালমানের সঙ্গে জুটি বেঁধে পর্দায় ফিরেছেন ক্যাটরিনা।বক্স অফিসে রেকর্ড ব্যবসা করে ফেলেছে এই জুটির নতুন সিনেমা। বলিউডে গুঞ্জন, সেই সাফল্যকে সঙ্গে নিয়েই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন ক্যাটরিনা? সম্প্রতি আনুশকা শর্মার বিয়ের পর বলিউডের অনেকের বিরুদ্ধে  চুপি চুপি বিয়ের গুঞ্জন উঠেছে। যদিও এসবের সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই তালিকায় ছিলেন রণবীর সিংহ ও দীপিকা পাড়ুকোনের মতো তারকা জুটিও। নতুন করে এখন শোনা যাচ্ছে সালমান-ক্যাটরিনা কাইফের কথা। আর সেই গুঞ্জনকে উসকে দিয়েছেন নায়িকা নিজেই। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়াএসএ/

ভারতের ৬ রাজ্যে নিষিদ্ধ ‘পদ্মাবত’

সিনেমার নাম আগে ছিল পদ্মাবতী। বিতর্কের জেরে নতুন নাম হয়েছে ‘পদ্মাবত’৷ শুধু নাম ছেটে দেওয়া নয়, স্পেশাল কমিটি ও সেন্সর বোর্ডের সুপারিশ মেনে সিনেমার দৃশেও কাঁচি চালাতে হয়েছে সিনেমার প্রযোজকদের। তারপরেও থামেনি বিতর্ক। মুক্তিকে কেন্দ্র করে জটিলতা বাড়ছে। ইতিমধ্যে বিজেপি শাসিত ৪টি রাজ্য- রাজস্থান, গুজরাত, মধ্য প্রদেশ ও হরিয়ানাতে সিনেমাটি মুক্তি প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কারণ সিনেমা মুক্তি পেলে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এই আশংকা প্রকাশ করা হচ্ছে। আর এ জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সিনেমার নির্মাতারা। তাদের বক্তব্য, সেন্সর বোর্ড ছাড়পত্র দেওয়ার পর কেন সিনেমাকে নিষিদ্ধ করা হল? সেন্সর বোর্ডের সুপারিশ মতো সিনেমার নাম পরিবর্তন করা হল। এছাড়া আরও পাঁচটি পরিবর্তন করা হয়। শীর্ষ আদালত পিটিশনটি গ্রহণ করেছে। জানিয়েছেন খুব তাড়াতাড়ি মামলার শুনানি হবে। রাণি পদ্মাবতীকে কেন্দ্র করে গল্প বুনেছেন সিনেমার পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনসালি। প্রথমে ‘পদ্মাবতী’ নামে গত বছর ১ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল সিনেমাটির। কিন্তু সিনেমার পরিচালকের বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে সরব হয় কারনি সেনা। তাদের আন্দোলনের চাপে সিনেমার মুক্তি দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি বিক্ষোভকারীদের চাপে এক একটি রাজ্য সিনেমার প্রদর্শনীর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা শুরু হয়। বিতর্কে ইতি টানতে সেন্সর বোর্ড ইতিহাসবিদ ও রাজস্থানের রাজপরিবারের সদস্যদের জন্য স্পেশাল প্যানেল বসিয়ে তাদেরকে সিনেমাটি দেখান হয়। এরপর তাদের পরামর্শ মত সিনেমাতে কিছু পরিবর্তন করা হয়। তখনই সিনেমার নাম পাল্টে ‘পদ্মাবত’ করা হয়। সূত্র : কলকাতা টোয়েন্টিফোর এসএ/

হঠাৎ মাথা ন্যাড়া করলেন অক্ষয়

তারকাদের নতুন নতুন লুক দর্শক ও ভক্তদের কাছে স্টাইল। পছন্দের তারকারা চুলে ও পোশাকে কোন স্টাইল দিচ্ছেন তা দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকেন ভক্তরা। নিজেরাও সেই স্টাইলে সাজেন। আর এ ক্ষেত্রে এগিয়ে বলিউডের অভিনেতারা। নিজেদের লুক নিয়ে তারা সব সময়ই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। এ বিষয়টিতে অক্ষয় কুমারের জুড়ি মেলা যে ভার, সে কথা সকলেই মেনে নেবেন। কখনও বড় চুল, কখনও জওয়ানদের চুলের ছাঁট। আবার কখনও দাঁড়ি নিয়ে নানা কেরামতি করেন এই অভিনেতা। কিন্তু এবার তিনি হাজির হলেন ভিন্ন লুকে। হঠাৎ মাথা ন্যাড়া করে উপস্থিত হলেন এই তারকা। যেদিন থেকে অক্ষয় তাঁর নতুন সিনেমা ‘প্যাডম্যান’-এর প্রচার শুরু করেছেন সেদিন থেকেই নতুন লুকে দেখা যাচ্ছে এই হিরো কে। সালমানের বিগ বস ১১-র গ্র্যান্ড ফিনালেতে ন্যাড়া অবস্থায় দেখা গেছে অক্ষয় কুমার কে। কিন্তু হঠাৎ কেন মাথা কামিয়ে ফেললেন তিনি? এ প্রশ্ন অনেকেরই। ‘প্যাডম্যান’-এর প্রচার শুরুর পর থেকে অক্ষয়ের এমন লুক দেখে জল্পনাও শুরু হয়েছে নানা ধরনের। কেউ বলছেন, মাথার চুল উঠে যাচ্ছে। টাক পড়ছে অক্ষয়ের। কেউ আবার বলেছেন হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করাতে অস্ত্রোপচার করাবেন অভিনেতা। ইন্ডাস্ট্রির এমন নানা গুঞ্জনে জল ঢেলে দিয়েছেন নায়ক নিজেই। অক্ষয় জানিয়েছেন, কেশরীতে বিশাল বড় আকারের পাগরি পরতে হচ্ছে। তাই মারাত্মক গরমও লাগছে। অস্বস্তিতও হচ্ছে। সে কারণেই ন্যাড়া হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অভিনেতা। রুস্তম’, ‘গোল্ড’-এর পর আবারও একটি ঐতিহাসিক কাহিনী নির্ভর সিনেমাতে অভিনয় করছেন অক্ষয় কুমার। ১৮৯৭ সালে ‘সারগড়ীর যুদ্ধ’র প্রেক্ষাপটে তৈরি এই সিনেমার নাম ‘কেশরী’। অক্ষয় ও পরিচালক কর্ণ জোহরের স্বপ্নের এই প্রোজেক্টে হাবিলদার ঈশ্বর সিংহ-র চরিত্রে রয়েছেন অক্ষয়। অক্ষয় কুমার টুইটারে নিজেই শেয়ার করেছিলেন ‘কেশরী’র লুক। সূত্র : আনন্দবাজার এসএ/

নতুন রূপে ইমরান হাশমি

বলিউডের জনপ্রিয় রোমান্টিক অভিনেতা ইমরান হাশমি। সবশেষ বাদশাহো সিনেমায় অভিনয় করেছেন এ অভিনেতা। এছাড়া ২০১৬ সালে ভারতীয় সাবেক অধিনায়ক আজহার উদ্দিনের আত্মজীবনীমূলক সিনেমায় নজড় কাড়েন বলিউডের এ রোমান্টিক অভিনেতা। তবে এবার নতুন রূপে হাজির হচ্ছেন ইমরান হাশমি। ক্যামেরার সামনে থেকে সোজা পেছনে অর্থাৎ অভিনয়ে নয়, সিনেমার প্রযোজনায় নামছেন হাশমি। ইতিমধ্যে ব্যানারও ঠিক করে ফেলেছেন, ইমরান হামশি ফিল্মস। তবে তিনি কো-প্রডিউস করবেন। তাঁর সঙ্গে আরও আছে টি-সিরিজ ও এলিপসিস এন্টারটেইনমেন্ট। প্রথমেই একটি শিক্ষণীয় চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন তারা। সিনেমাটির নাম ইতিমধ্যে ঠিক হয়ে গেছে। চিট ইন্ডিয়া। পরিচালক সৌমিক সেন বলেন, ‘সিনেমাটির মূল উপজীব্য শিক্ষা খাতে নানা অপরাধ, অনিয়ম ও দুর্নীতি।’ ইমরান হাশমি বলেন, ‘সিনেমাটির স্ক্রিপ্ট ও টাইটেল দারুণ শক্তিশালী। আমি খুবই আনন্দিত যে এমন একটি কাজের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পেরেছি। আমি শিহরিত এবং নিশ্চিত যে এটি ভারতের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি মাইলস্টোন হতে যাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা একটা সেরা টিম। আশা করি আমাদের টিমওয়ার্কটাও অসাধারণ হবে। সৌমিক একজন ভালো স্টোরি-টেলার, দুর্দান্ত নির্মাতা। আছে মার্কেটিং জিনিয়াস এলিপসিস। সেই সঙ্গে আছে টি-সিরিজ, ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে যাদের অবদান অনস্বীকার্য। এদের নিয়েই কাজ, তাই আশা করছি চমৎকার সময় আসছে আমাদের সামনে।’ টি-সিরিজের মুখপাত্র ভুবন কুমার বলেন, ‘চলচ্চিত্রটি বাস্তব নানা ঘটনার প্রেক্ষিতে নির্মিত। এখানে শিক্ষা গ্রহণকারী নতুন প্রজন্মের নানা প্রবৃত্তিও তুলে ধরা হবে। আমরা আশা করছি, সিনেমাটি আগামী বছর অর্থাৎ ২০১৯-এর ফেব্রুয়ারি নাগাদ রিলিজ দিতে পারব।’ সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস এসএ/

সেন্সরে জমা পড়েছে আলমগীরের স্বপ্ন

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়ক আলমগীরের নির্মিত সিনেমা ‘একটি সিনেমার গল্প’ সেন্সরবোর্ডে জমা দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যায় সিনেমাটি জমা দেওয়া হয়। নায়ক আলমগীরের লেখা গল্প ও প্রযোজনায় নির্মাণ করা হয়েছে চলচ্চিত্রটি। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আলমগীর, চম্পা, ঋতুপর্ণা, আরিফিন শুভ, সৈয়দ হাসান ইমাম, সাদেক বাচ্চু, সাবেরী আলম, ওয়াহিদা মল্লিক জলিসহ আরও অনেকে। চলচ্চিত্রটি সম্পাদনা করেছেন তৌহিদ হাসান চৌধুরী। এই চলচ্চিত্রের মধ্যদিয়েই একজন সংগীত পরিচালক হিসেবে অভিষেক হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গায়িকা রুনা লায়লার। তার সুর সংগীতে এই চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক করেছেন আঁখি আলমগীর। চলচ্চিত্রটি সেন্সর বোর্ডে জমা দেয়ার পর আলমগীর বলেন, ‘আমি বাস্তবতাকে কল্পনা ও স্বপ্নের চাদরে ঢেকে দিয়েছি। আমার সম্পূর্ণ আবেগ দিয়ে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছি। এই চলচ্চিত্রটি নিয়ে স্বপ্ন অনেক। এখন বাকিটুকু নির্ভর করছে দর্শকের ওপর। তবে আমি খুব আশাবাদী চলচ্চিত্রটি নিয়ে।’ আলমগীর জানান, এখনো তিনি চলচ্চিত্রটি মুক্তির কোনো দিন-ক্ষণ ঠিক করেননি। তবে আশা রাখছেন পহেলা বৈশাখে এটি মুক্তি দেয়ার। সেই সময়েও যদি না হয় তাহলে পহেলা বৈশাখের খুব কাছাকাছি সময়েই ‘একটি সিনেমার গল্প’ মুক্তি দেয়া হবে। চিত্রনায়ক আলমগীরের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা আইকন এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। উল্লেখ্য, অভিনেতা আলমগীর ১৯৮৬ সালে ‘নিষ্পাপ’ চলচ্চিত্র নির্মাণের মধ্যদিয়ে একজন চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এসএ/

নতুন আঙ্গিকে এশিয়ান টেলিভিশন

নতুন আঙ্গিকে দর্শকদের সামনে আসছে এশিয়ান টেলিভিশন। বিনোদন এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে পঞ্চম বর্ষপূর্তির যাত্রা শুরু করেছে চ্যানেলটি। যাতে থাকছে শতভাগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মিশ্রিত বাঙালিয়ানা। এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন এশিয়ান টেলিভিশন এবং এশিয়ান রেডিওর চেয়ারম্যান আলহাজ হারুন-উর-রশিদ, সিআইপি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, বিদেশি চ্যানেল আর সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রোধে নিজস্ব অনুষ্ঠানের মানোন্নয়নের মাধ্যমে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে এশিয়ান টেলিভিশন। বিশেষ করে জীবনধর্মী ও রুচিস্নিগ্ধ নাটক নির্মাণ করবে প্রতিষ্ঠানটি। একইসঙ্গে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে এশিয়ান টেলিভিশন। রাজধানীর গুলশান নিকেতনে অবস্থিত এশিয়ান টেলিভিশন কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আলহাজ হারুন-উর-রশিদ সিআইপি আগামী দিনের পরিকল্পনা ও বর্ষপূর্তির জমকালো অনুষ্ঠানমালা নিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, দেশি-বিদেশি দর্শকদের মন জয় করে ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করছে এশিয়ান টেলিভিশন। একইসঙ্গে পাঁচ পেরিয়ে ছয়ে পা রাখছে এশিয়ান রেডিও। এশিয়ান টেলিভিশন এবং এশিয়ান রেডিওর পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দঘন আয়োজনে সবাইকে উপস্থিত হওয়ার আমন্ত্রণও জানান তিনি। এসএ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি