ঢাকা, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২২:৩২:২৩

হাইড্রোজেন বোমা ও আণবিক বোমার পার্থক্য কী

হাইড্রোজেন বোমা ও আণবিক বোমার পার্থক্য কী

যুদ্ধ ও বোমা নিয়ে এখন সরগরম গোটা বিশ্ব৷ উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি, পাল্টা হুমকিতে বারবার ঘুরেফিরে আসছে পারমাণবিক বোমা ও হাইড্রোজেন বোমার কথা ৷ পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হচ্ছে পারমাণবিক বোমা ও হাইড্রোজেন বোমা। পারমাণবিক বোমার শক্তি বিশ্ববিদিত ৷ কিন্তু তার চেয়েও শক্তিশালী হাইড্রোজেন বোমা৷ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার যুদ্ধ নিয়ে যে হুমকি, পাল্টা হুমকির পর্ব চলছে, তাতে এই দুটি বোমার প্রসঙ্গ বারবার উঠে আসছে৷ উত্তর কোরিয়া ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, তার কাছে পারমাণবিক বোমা ও হাইড্রোজেন বোমা আছে ৷ এর একটাও যদি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, তবে গোটা বিশ্ব তার ফল ভোগ করবে৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের উপর যখন আমেরিকা লিটল বয় ও ফ্যাট ম্যান ফেলেছিল, তখন কী হয়েছিল, তা কারোরই অজানা নয়৷ দুটোই ছিল পারমাণবিক বোমা ৷ নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ায় এই বোমা তৈরি করা হয় ৷ বোমাটি বিস্ফোরণ ঘটালে তার মধ্যস্থিত ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়ামের পরমাণু ভাঙতে থাকে৷ সেখান থেকেই এনার্জি তৈরি হয়৷ যার পরিণতি ইতিমধ্যেই হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে দেখেছে বিশ্ব৷ এ-বোমা (অ্যাটোমিক বোম) প্রথম টেস্ট করা হয় মরুভূমিতে৷ জায়গাটি ছিল আমেরিকার নিউ মেক্সিকোয়৷ সময়টি ছিল ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই৷ মনহাট্টন প্রজেক্টের এটি ছিল সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এর গবেষনা শুরু হয়৷ ব্রিটেন ও কানাডার সহযোগিতায় আমেরিকা এটি শুরু করেছিল । প্রজেক্টের দেশগুলি মনে করেছিল নাজি জার্মানিও এমনই কিছু পরিকল্পনা করছে৷ ১৯৪৫ সালের ৬ অগস্ট আমেরিকা জাপানের হিরোশিমার উপর প্রথম পরমাণু বোমাটি ফেলে৷ বোমার নাম ছিল লিটল বয়৷ বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়৷ তবে অবস্থার এখানেই শেষ নয়৷ এখনও পর্যন্ত এর প্রভাব বয়ে চলেছে হিরোশিমায়৷ এর ঠিক ৩ দিন পর নাগাসাকির উপর ফ্যাট ম্যান ফেলে আমেরিকা৷ সেখানে ৭৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়৷ এই বোমা দুটির বিস্ফোরণের ফলে যে এনার্জি উত্পন্ন হয়, তা প্রায় ২০ হাজার টিএনটি (ট্রাই নাইট্রো টলুইন)-র সমান৷ দ্বিতীয় দেশ হিসেবে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটায় সোভিয়েত ইউনিয়ন৷ ১৯৪৯ সালে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় তারা৷ ব্রিটেন হল তৃতীয় দেশ যেটি পারমাণবিক বোমা টেস্ট করে৷ চিন, ফ্রান্স, ভারত, উত্তর কোরিয়া ও পাকিস্তানের কাছে পারমাণবিক বোমা রয়েছে৷ ইজরায়েলের কাছে এই বোমা আছে কিনা তা জানাতে অস্বীকার করেছে তারা৷ পারমাণবিক বোমার থেকেও শক্তিশালি হাইড্রোজেন বোমা৷ এর আর এক নাম থার্মোনিউক্লিয়ার বোম৷ হাউড্রোজেনের আইসোটোপের নিউক্লিয় সংযোজন পদ্ধতিতে এই বোমা কাজ করে৷ এই বোমা বিস্ফোরণের ফলে যে উত্তাপ তৈরি হয় সেটি সূর্যের মধ্যস্থিত শক্তির সমান৷ এখনও পর্যন্ত হাইড্রোজেন বোমা কোনো যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়নি৷ হাইড্রোজেন বোম দুই প্রক্রিয়ায় বিস্ফোরণ হয় ৷ প্রথমে নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণ হয়৷ এর ফলে প্রচুর পরিমাণে তাপ উত্পন্ন হয়৷ তারপর সেটি নিউক্লিয়ার ফিউশনকে উদ্দীপ্ত করে৷ গোটা প্রক্রিয়ায় বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে৷ মার্কিন সেনারা প্রথম হাইড্রোজেন বোমা টেস্ট করে ১৯৫২ সালে৷ পারমাণবিক বোমার চেয়ে এটি ৭০০ গুণ বেশি শক্তিশালী৷ এর এক বছর পর সোভিয়েত ইউনিয়ন নিজের হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়৷ সালটি ছিল ১৯৬১৷ তসার বোম্বা নামে একটি হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় তারা ৷ বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ৫৭ মেগা টন শক্তি উত্পন্ন হয়৷ তবে এখনও পর্যন্ত কোনো যুদ্ধে হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়নি৷ ২০১৬ সালে উত্তর কোরিয়া একটি হাইড্রোজেন বোমা টেস্ট করে৷ উত্তর কোরিয়া ৩ সেপ্টেম্বর আরও একটি হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা করে। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টি ফোর /এম/এআর
এইচটিসির সঙ্গে গুগলের চুক্তি

তাইওয়ান ভিত্তিক কোম্পানি এইচটিসির সঙ্গে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন (১১০ কোটি) ডলারের চুক্তি করেছে গুগল। এ চুক্তির আওতায় এইচটিসির কিছু কর্মী গুগলের সিলিকন ভ্যালিতে কাজ করার সুযোগ পাবে। এক সময় স্মার্টফোনের বাজার দখলের দৌঁড়ে ভালো অবস্থানে ছিল এইচটিসি। পরবর্তীতে তারা অ্যাপল ও স্যামসাংকে টেক্কা দিতে ব্যর্থ হয়। বাজার বিশ্লেষকরা জানায়, এবার তারা নিজেদেরকে টিকিয়ে রাখতেই গুগলের সঙ্গে চুক্তি করছে। গুগলের সঙ্গে চুক্তি করায় এইচটিসির শেয়ার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। গুগল জানায়, চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে আগামী বছর। এর আগে ২০১১ সালে গুগলের মাধ্যমে তার মাদার কোম্পানি অ্যালফাবেট মোটোরোলাকে ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে কিনেছিল। কিন্তু লাভের মুখ না দেখায় তিন বছর পরে মোটোরোলাকে বিক্রি দেয়। ‍গুগল জানায়, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয় ঘটাতে না পারলে ব্যবসায় তার প্রভাব পড়বে। এ কারণে গুগল পিক্সেল ফোনের হার্ডওয়্যার তৈরি করার দায়িত্ব তারা এইচটিসিকেই দিয়েছে। আর এ কাজের জন্য এইচটিসির রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট টিমের প্রায় দুই হাজার কর্মী গুগলে যোগ দেবে। যদিও পিক্সেল ফোন তৈরি করতে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সফটওয়্যারটি অ্যালফাবেটই তৈরি করবে। এর আগে এইচটিসির এই একই টিম গুগলের প্রথম স্মার্টফোন পিক্সেল ও পিক্সেল এক্সএল উৎপাদন করেছিল। এই দুটি ফোনের নতুন সংস্করণ উন্মোচন করা হবে আগামী মাসে।   আর/ডব্লিউএন

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে এসেছে ৭টি দুর্দান্ত স্মার্টফোন

গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে এসেছে ৭টি দুর্দান্ত স্মার্টফোন। মাত্র ১৪ হাজার টাকা থেকে ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে এসব স্মার্টফোন। ১. আসুস জেনফোন ৪ ফর সেলফি জেডবি৫৫৩কেএল দাম: ১৪ হাজার ৬৯১ টাকা ফিচার্স: >৫.৫ ইঞ্চি, ৭২০x১২৮০ পিক্সেল, আইপিএস এলসিডি, ১৬এম কালারস ডিসপ্লে >অ্যান্ড্রয়েড ৭.০ নুগেট অপারেটিং সিস্টেম >কোয়ালকম এমএসএম৮৯৩৭ স্ন্যাপড্রাগন ৪৩০, অক্টো-কোর ১.৪ গিগাহাটজ কর্টেক্স-এ৫৩, অ্যাড্রেনো ৫০৫ প্রসেসর >৩জিবি র‌্যাম, ৩২জিবি স্টোরেজ >১৩ এমপি, ফেজ ডিটেকশন অটোফোকাস, এলইডি ফ্ল্যাশ রিয়ার ক্যামেরা এবং ১৩এমপি, এফ/২.০, এলইডি ফ্ল্যাশ ফ্রন্ট ক্যামেরা >ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর >৩০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ২. ওয়াইইউ ইউরেকা ২ দাম: ১৫ হাজার ২২৬ টাকা ফিচার্স: >৫.৫ ইঞ্চি আইপিএস এলসিডি, ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল ডিসপ্লে >অ্যান্ড্রয়েড ৬.০ মার্শমেলো অপারেটিং সিস্টেম >কোয়ালকম এমএসএম৮৯৫৩ স্ন্যাপড্রাগন ৬২৫, অক্টাকোর ২.০ গিগাহাটজ কর্টেক্স-এ৫৩ প্রসেসর >১৬ এমপি, অটোফোকাস, ডুয়াল এলইডি ফ্ল্যাশ রিয়ার ক্যামেরা এবং ৮ এমপি ফ্রন্ট ক্যামেরা >ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর >৩৯৩০ এমএএইচ ব্যাটারি ৩. শাওমি এম আই মিক্স ২ দাম: ৪৮ হাজার ৯৭৩ টাকা। ফিচার্স: >৫.৯৯ ইঞ্চি, ১০৮০x২১৬০ পিক্সেল রেজ্যুলেশন, কর্নিং গরিলা গ্লাসযুক্ত ডিসপ্লে >অ্যান্ড্রয়েড ৭.১ নুগেট অপরেটিং সিস্টেম >কোয়ালকম এমএমএম৮৯৯৮ স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫, অক্টো-কোর (৪x২.৪৫ গিগাহাটজ ক্রায়ো এবং ৪x১.৯ গিগাহাটজ ক্রায়ো, অ্যাড্রেনো ৫৪০ প্রসেসর >৬জিবি র‌্যাম সাথে ৬৪/১২৮/২৫৬জিবি স্টোরেজ অথবা ৮জিবি র‌্যাম সাথে ১২৮জিবি স্টোরেজ >১২এমপি, ফেজ ডিটেকশন অটোফোকাস, ওআইএস (৪-এক্সিস), ডুয়াল-এলইডি ফ্ল্যাশ এর রিয়ার ক্যামেরা, ৫এমপি ফ্রন্ট ক্যামেরা >ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর >৩৪০০ এমএএইচ ব্যাটারি ৪. শাওমি এমআই নোট ৩ দাম: ৩৪ হাজার ২৮১ টাকা ফিচার্স: >৫.৫ ইঞ্চি, ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল রেজ্যুলেশন, কর্নিং গরিলা গ্লাসযুক্ত ডিসপ্লে >অ্যান্ড্রয়েড ৭.১ নুগেট অপারেটিং সিস্টেম >কোয়ালকম এমএসএম৮৯৫৬ প্লাস স্ন্যাপড্রাগন ৬৬০, অক্টা-কোর (৪x২.২ গিগাহাটজ ক্রায়ো ২৬০ এবং ৪x১.৮ গিগাহাটজ ক্রায়ো ২৬০ প্রসেসর >৬জিবি র‌্যাম ৬৪/১২৮জিবি স্টোরেজ >ডুয়াল ১২এমপি (২৭এমএম, এফ/১.৮, ওআইএস ৪-এক্সিস এবং ৫২এমএম, এফ/২.৬), ২x অপটিকাল জুম, পেজ ডিটেকশন অটোফোকাস, ডুয়াল এলইডি ফ্ল্যাশ রিয়ার ক্যামেরা এবং ১৬এমপি ইউএম পিক্সেল সাইজ ফ্রন্ট ক্যামেরা >ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর >৩৫০০ এমএএইচ ব্যাটরি ৫. অ্যাপল আইফোন এক্স দাম: ৮৫ হাজার থেকে ১ লাখ ১২ হাজার ৬৩৭ টাকা ফিচার্স: >৫.৮ ইঞ্চি, ১১২৫x২৪৩৬ পিক্সেল, সুপার অ্যামোলেড টাচস্ক্রিন, ১৬এম কালারস, স্ক্র্যাচ-রেজিসটেন্ট গ্লাস ডিসপ্লে >আইওএস ১১ অপারেটিং সিস্টেম >অ্যাপল এ১১ বায়োনিক, হেক্সা-কোর (২xমনসুন+৪এক্স মিস্ট্রাল), অ্যাপল জিপিইউ প্রসেসর >৩জিবি র‌্যাম ৬৪/২৫৬জিবি স্টোরেজ >ডুয়াল ১২এমপি, এফ/১.৮ এবং এফ/২.৪ ফিজ ডিটেকশন অটোফোকাস, ওআইএস, ২x অপটিকাল জুম, কোয়াড এলইডি ফ্ল্যাশ রিয়ার ক্যামেরা এবং ৭এমপি, এফ/২.২, ১০৮০@৩০এফপিএস, ৭২০@২৪০এফপিএস, ফেস ডিটেকশন, এইচডিআর, প্যানোরোমা ফ্রন্ট ক্যামেরা >ফেস আইডি >লি-আয়ন ৩০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ৩০মিনিটে ৫০% চার্জিং, তারহীন চার্জিং ৬. অ্যাপল আইফোন ৮ দাম: ৬০ হাজার থেকে ৭৮ হাজার ৩৫৬ টাকা ফিচার্স: >৪.৭ ইঞ্চি, এলইডি-ব্যাকলিট আইপিএস এলসিডি, ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রিন, ১৬এম কালারস, ৭৫০x১৩৩৪ পিক্সেল, আয়ন-স্ট্রেংদেন গ্লাস, ওলিউফোনিক কোটিং ডিসপ্লে >আইওএস ১১ অপারেটিং সিস্টেম >অ্যাপল এ১১ বায়োনিক, হেক্সা-কোর, অ্যাপল জিপিইউ প্রসেসর >২জিবি র‌্যাম, ৬৪/২৫৬জিবি স্টোরেজ >১২ এমপি, এফ/১.৮, ২৮এমএম, ফেজ ডিটেকশন অটোফোকাস, ওআইএস, কোয়াড-এলইডি ফ্ল্যাশ রিয়ার ক্যামেরা এবং ৭ এমপি, এফ/২.২ ১০৮০@৩০এফপিএস, ৭২০@২৪০এফপিএস, ফেস ডিটেকশন, এইচডিআর, প্যানোরোমা ফ্রন্ট ক্যামেরা, ৪কে ভিডিও এবং ৮এমপি ইমেজ রেকর্ডিং >ফিঙ্গারপ্রিন্ট >লি আয়ন ১৮২১ এমএএইচ ব্যাটারি ৭. অ্যাপল আইফোন ৮ প্লাস দাম: ৭০ হাজার থেকে ৮৯ হাজার ১৩০ টাকা ফিচার্স: >৫.৫ ইঞ্চি, ১০৮০x১৯২০ পিক্সেল এলইডি-ব্যাকলিট আইপিএস এলসিডি ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রিন, ১৬এম কালারস, ৭৫০x১৩৩৪ পিক্সেল, আয়ন-স্ট্রেংদেন গ্লাস, ওলিউফোনিক কোটিং ডিসপ্লে >আইওএস ১১ অপারেটিং সিস্টেম >অ্যাপল এ১১ বায়োনিক, হেক্সা-কোর, অ্যাপল জিপিইউ প্রসেসর >৩জিবি র‌্যাম, ৬৪/২৫৬জিবি স্টোরেজ >ডুয়াল ১২এমপি, (২৮এমএম, এফ/১.৮. ওআইএস এবং ৫৬এমএম, এফ/২.৮), ফেজ ডিটেকশন অটোফোকাস, ২x অপটিক্যাল জুম, কোয়াড-এলইডি ফ্ল্যাশ, ৪কে ভিডিও এবং ৮এমপি ইমেজ রেকর্ডিং রিয়ার ক্যামেরা এবং ৭ এমপি এফ/২.২ ১০৮০@৩০এফপিএস, ৭২০@২৪০এফপিএস, ফেস ডিটেকশন, এইচডিআর, প্যানোরোমা ফ্রন্ট ক্যামেরা >ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর >লি-আয়ন ২৬৭৫ এমএএইচ ব্যাটারি সূত্র: জিএসএম অ্যারেনা আরকে/ডব্লিউএন

মঙ্গল যাত্রার প্রস্তুতি স্বরূপ ৮ মাস আগ্নেয়দ্বীপে ৬ অভিযাত্রী

মঙ্গল অভিযানের বছরটা আগেই ঘোষণা করে রেখেছে নাসা। আগামী ২০২৩ সালের মঙ্গলে পাড়ি দিয়ে অভিযাত্রীরা যাতে কোনো সমস্যায় না পরেন সেজন্য সব রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে নিশ্চিত হতে চাচ্ছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা। মূত্রের অণুগুলো ভেঙে তা থেকে কীভাবে খাবার তৈরি করতে হয়, টানা অনেক দিন ভারশূন্য থাকার পরীক্ষার পাশাপাশি গত ৮ মাস ধরে চলছিল ধৈর্যের এক দীর্ঘ পরীক্ষা। গতকাল শেষ হয়েছে পরীক্ষার এই পর্ব।     পরিবার থেকে বহু দূরে জনমানবহীন পরিবেশে কীভাবে থাকতে পারে মানুষ, তা দেখতে গত জানুয়ারিতে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের মৌনা লোয়া নামে এক জনশূন্য স্থানে গিয়েছিলেন নাসার ছ’জনের একটি দল। দ্বীপটিতে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সক্রিয় আগ্নেয়গিরি, যদিও আপাতত: সেটা ঘুমিয়ে রয়েছে। টানা আট মাস সেখানে কাটিয়ে রোববার লোকসমাজে, চেনা পরিবেশে ফিরে এসেছেন ৬ অভিযাত্রী। নাসা জানাচ্ছে, দীর্ঘদিন একা থাকতে থাকতে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে পারেন অভিযাত্রীরা। পড়তে পারেন খাদ্যাভাবে। জনহীন দ্বীপে ১২০০ বর্গফুটের উল্টোনো বাটির মতো দেখতে একটি বাড়ি। গত ক’মাস সেখানেই কাটিয়েছেন চারজন পুরুষ ও দুই মহিলা গবেষক। বাড়িটিতে ছোট দু’টি ঘর, ছ’জনের ছোট-ছোট ৬টি ঘুমোনোর জায়গা, একটি রান্নাঘর, গবেষণাগার, স্নানের ঘর ও দু’টি শৌচাগার। মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের কথা মাথায় রেখে সকলেই এই আট মাস স্পেসস্যুট পরে কাটিয়েছেন। বাড়ি থেকে বেরোলে, সব সময় বেরিয়েছেন দল বেঁধে। লালগ্রহে বেঁচে থাকার গুরুত্বপূর্ণ শর্ত খাবার সংস্থান। হাওয়াই-পরীক্ষায় সে কাজটি করেছেন দলের জীববিজ্ঞানী জোশুয়া এহরিল্চ। ফলিয়েছেন গাজর, গোলমরিচ, বাঁধাকপি, সর্ষে, টমেটো, আলু, পার্সলে। মঙ্গল থেকে পৃথিবীতে কোনো সিগন্যাল পৌঁছায় ২০ মিনিট পর। মৌনা লোয়া দ্বীপেও ছিল সেই ব্যবস্থা। পরস্পরের মধ্যে সুসম্পর্ক ও তালমিল রাখাটাও ছিল পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে দলের সকলেই ছিলেন অল্প বয়সী। হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কিম বিনস্টেড বলেন, ‘‘একটা কথা আমাদের জানাই ছিল, ছয়জন লোক এক সঙ্গে থাকলে ঝামেলা বাঁধবেই। আমাদের সেরা দল পাঠালেও এটা হবেই। তাই মঙ্গলে এমন একটা দল পাঠাতে চাইছি, যারা ঝগড়া করলেও শেষমেশ নিজেদের মধ্যে মিটমাট করে নিতে পারবে। সেই বোঝাপড়াটা যাতে একে অপরের সঙ্গে থাকে।’’ গত আট মাস তারই মহড়া দিয়েছেন জোশুয়া এহরিল্চ, লরা লার্ক, স্যামুয়েল পেলার, জেমস বেভিংটন ও অ্যানসলে বার্নার্ড। তাঁদের মেজাজ-মর্জি সামলাতে সাহায্য নেওয়া হয়েছে যন্ত্রের। কথাবার্তা ও উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ সেন্সর। গলার স্বর চড়লেই যন্ত্র সজাগ করে দিয়েছে, ‘শান্ত হও’। এমনকি, কেউ যদি কারও সঙ্গে কথা না বলে কিংবা চুলোচুলি করে, সেটাও ধরা পড়েছে যন্ত্রে। সেই অনুযায়ী বার্তা দিয়েছে। সম্প্রতি এক ভিডিও মেসেজে লরা বলেছিলেন, ‘‘এই সব সমস্যা তো থাকবেই, তবে একটু চেষ্টা করলেই সব বাধা পেরোনো যাবে। আমরাই সেটা করে দেখাব। সূত্র:আনন্দবাজার এম/ডব্লিউএন      

মানুষের মস্তিষ্ক যুক্ত হল ইন্টারনেটে

মানুষের মস্তিষ্ককে ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত করার একটি উপায় বের করেছেন একদল গবেষক। দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ-এর উইটস ইউনিভার্সিটির এই অর্জনকে বায়োমেডিকেল প্রকৌশল খাতে নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।  “এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ব্রেইননেট’ আর এটি মানুষের মস্তিষ্ককে “ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে একটি ইন্টারনেট অফ থিংস বা আইওটি নোডে পরিণত করে।” মেডিকেল এক্সপ্রেস-এর বরাত দিয়ে বিজনেস ইনসাইডার-এর প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। ব্যবহারকারীর মাথায় একটি ইমোটিভ ইইজি ডিভাইস যুক্ত করে মস্তিষ্ক থেকে প্রাপ্ত ইইজি সিগনালগুলো সংরক্ষণ করার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ায় কাজ করা হয়। তারপর এই সিগনালগুলোকে একটি রাসবেরি পাই কম্পিউটারে পাঠানো হয়। এই কম্পিউটার প্রাপ্ত ডেটা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেইস বা এপিআই-তে সরাসরি সম্প্রচার করে। সেইসঙ্গে যে কেউ দেখতে পাবেন এমন একটি উন্মুক্ত ওয়েবসাইটেও ওই ডেটা প্রদর্শন করা হয়। উইটস স্কুল অফ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রভাষক ও এই প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক অ্যাডাম প্যানটানোভিটজ বলেন, “ব্রেইননেট মস্তিষ্ক-কম্পিউটার ইন্টারফেইস ব্যবস্থায় একটি নতুন দিগন্ত। কীভাবে একটি মানবমস্তিষ্ক কাজ করে ও তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে তা নিয়ে এখন সহজেই বোঝা যাবে এমন ডেটার অভাব রয়েছে। ব্রেইননেট একজন মানুষের নিজের ও অন্যের মস্তিষ্ক বুঝতে পারা সহজ করার চেষ্টা করছে। এটি মস্তিষ্কের কার্যক্রম অব্যাহতভাবে পর্যবেক্ষণ করা ও কিছু অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ চালুর মাধ্যমে কাজ করে।” প্যানট্যানোভিটজ-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, এই প্রকল্পের সম্ভাবনা এখন মাত্র শুরু হলো। এখন তাদের দল ব্যবহারকারী আর তার মস্তিষ্কের মধ্যে আরও বেশি অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ অভিজ্ঞতা আনার চেষ্টা করছে। কিছু কিছু কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হলেও তা খুব সরু পরিসরে, বাহুর নড়াচড়ার মতো উদ্দীপনার ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ। তিনি বলেন, “ব্রেইননেট আরও উন্নত হয়ে একটি স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে রেকর্ডিংগুলো ভাগ করতে পারে। এই অ্যাপ একটি মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদমের জন্য ডেটা সরবরাহ করে। ভবিষ্যতে এটি দিয়ে দুই দিকেই তথ্য পাঠানো যাবে-মস্তিষ্কের ভেতরে ও মস্তিষ্ক থেকে বাইরে।” এই প্রকল্প ভবিষ্যতে ইলন মাস্ক-এর নিউরাল লেইস আর ব্রায়ান জনসন-এর কেরনেল-এর মতো মেশিন লার্নিং ও মস্তিষ্ক-কম্পিউটার ইন্টারফেইসে অবদান রাখতে পারবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আরকে/ডব্লিউএন

বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল লিমিটেড দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে। আজ থেকে কোম্পানিটি কুয়াকাটায় অবস্থিত দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের (সি-মি-উই-৫) কাজ শুরু করছে। জানা গেছে, নতুন এই সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ নতুন করে ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইটের (জিবি) বেশি ব্যান্ডউইডথ পাবে। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল উদ্বোধন করেন। উল্লেখ,সি-মি-উই-৫ হল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া-মিডল ইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ-৫-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এই কনসোর্টিয়ামে রয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, জিবুতি, ইয়েমেন, সৌদি আরব, মিসর, ইতালি ও ফ্রান্স। আরকে//এআর

স্মার্টফোনে ইন্টারনেট গতি বাড়াতে করণীয়

যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় বাড়ছে ইন্টারনেট ব্যবহার। কম্পিউটারের পাশাপাশি ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়ছে স্মার্টফোনেও। তাই তো ইন্টারনেট ব্যবহারে সুবিধার পাশাপাশি মাঝে মাঝে অসুবিধায়ও পড়তে হয়। কারণ বর্তমানে ডাটা খরচ খুব বেশি না হলেও ইন্টারনেটের গতি অনেক সময় খুবই কম থাকে। গ্রাহকদের জন্য এটি একটি প্রধান সমস্যা। থ্রিজি-ফোরজি ব্যবহার করেও গ্রাহকরা আশানুরূপ ইন্টারনেট গতি পান না। তবে কয়েকটি উপায় অবলম্বন করলে এমন সমস্যার সমাধান সম্ভব। পাওয়া যাবে ভালো ফলাফল। আসুন জেনে নেই স্মার্টফোনে ইন্টারনেট গতি বাড়ানোর উপায়। ক্যাশ ক্লিয়ার করুন: ফোনের ক্যাশ ক্লিয়ার করুন। স্মার্টফোনের ক্যাশ মেমোরি ক্লিক করে ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো যায়। ক্যাশ মেমোরি যদি পুরো বা বেশি হয়, তাহলে নেটের গতি কম হবে। তাই বেশি গতি পেতে ক্যাশ ক্লিয়ার করে নিন।    অতিরিক্ত অ্যাপ আনইনস্টল: ফোনের অতিরিক্ত অ্যাপ আনইনস্টল করে ফেলুন, যেগুলো আপনার কাজে লাগে না। কারণ এগুলো ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেয়। এজন্য সেটিংসে গিয়ে অ্যাপ ম্যানেজার থেকে ডিফল্ট অ্যাপও ডিলিট করতে পারেন। টেক্সট মুড বাছাই : ফোনের ব্রাউজারে টেক্সট মুড বাছাই করুন। সার্চ সংক্রান্ত টেক্সট চাইলে শুধু টেক্সটের জন্যই সার্ফিং করতে পারেন। ইমেজ ডিজেবল করতে পারেন। এতে ইন্টারনেট গতি ভালো হতে পারে। যেমন- ক্রোমে ব্রাউজার এক্সটেনশনে গিয়ে ইমেজ সার্চ ডিজেবল করতে পারেন। কাস্টমাইজ করুন : প্রেফার্ড নেটওয়ার্কে থ্রিজি বা ফোরজি- যে নেটওয়ার্কই ব্যবহার করুন না কেন, তা কাস্টমাইজ করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রেফার্ড নেটওয়ার্কে গিয়ে ডাটা ব্যান্ড পরিবর্তন করতে হয়। সেটিংসে গিয়ে প্রেফার্ড নেটওয়ার্কে টুজি থাকলে থ্রিজি ও ফোরজি বাছাই করুন। ফাস্ট ব্রাউজার : অ্যান্ড্রয়েডের প্লে স্টোরে এমন অনেক ব্রাউজার আছে, যেগুলোর ব্রাউজিং স্পিড খুবই ভালো। এই ব্রাউজারগুলোর মধ্যে আছে অপেরা মিনি, ইউসি ব্রাউজার এবং ক্রোম। সহায়ক অ্যাপ : অন্যসব পদ্ধতিতে কাজ না হলে সহায়ক অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। উপরের পদ্ধতিগুলো যদি আগেই ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে এই উপায়টি ব্যবহার করতে পারেন। প্লে স্টোরে এমন কিছু অ্যাপ রয়েছে যেগুলো ইন্টারনেট গতি বুস্ট করতে সহায়তা করে। আরকে/ডব্লিউএন

আইফোন মিলবে মাত্র ৮ হাজার টাকায় !

আইফোনের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে নতুন চমক হিসেবে বাজারে এসেছে আইফোন টেন এর বদলে আইফোন এক্স। অ্যাপলের ফোনগুলোর মধ্যে এই আইফোনটি সবচেয়ে ব্যয়বহুল বলা হচ্ছিল। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি ফোনটির দাম মাত্র বাংলাদেশি টাকায় পড়বে ৮ হাজার তিনশ টাকা। খবর ইন্ডিয়া টাইমস। গত ১২ সেপ্টেম্বর বিশেষ এ ফোনের উন্মোচন করা হয়। চাইনিজ কোম্পানির তৈরি ফোনটির নাম গো-ফোন এক্স। আইফোন টেন-এর সব ফিচার এই ফোনটিতে রয়েছে। আইফোন টেন-এর প্রসেসর আর এই ফোনে ব্যবহৃত প্রসেসর প্রায় একইরকম। তাই ফোনটির গতি হবে ঠিক আইফোনের মতো। গো-ফোন এক্স-এর ডিসপ্লে ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চি। ১ জিবি র‌্যাম, ইন্টারনাল স্টোরেজ ১৬ জিবি। ফোনটির ক্যামেরা অনেক উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন। ফলে ছবি হবে ঝকঝকে। গো-ফোনটিতে সেলফিও হবে আকর্ষণীয়। ফ্রন্ট ক্যামেরা ২ মেগাপিক্সেল এবং পিছনের ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল। এছাড়া ফোনটিতে বিশেষ ধরনের একটি চিপ ব্যবহার করা হয়েছে ফলে ফোনটি থাকবে সুরক্ষিত। আরকে/ডব্লিউএন

সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে বাঁচতে দরকার সচেতনতা

আর্ট অফ হিউম্যান হ্যাকিং বা সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হলো এক ধরনের কৌশল। যার মাধ্যমে ব্যক্তি অথবা প্রতিষ্ঠানকে প্ররোচিত করে স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তথ্যের মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতি সাধন করা হয়। যারা নিজের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের নিরাপত্তার ব্যাপারে অসচেতন। তারাই সাধারণত এ ধরণের হ্যাকিংয়ের শিকার হন। হিউম্যান হ্যাকিং বা সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং যেভাবে হয় : উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টির  পরিস্কার ধারণা পাওয়া যেতে পারে। একদিন রাস্তায় হাঁটার সময় দেখতে ভালো বেশভূষাধারী একজন লোক আপনাকে জানালো যে, তার ফোনের চার্জ শেষ হয়ে গিয়েছে। প্রয়োজনীয় একটি কল করার জন্য আপনার মোবাইলটি ব্যবহারের সুযোগ চাইছে। আপনি তার করুণ চেহারার দিকে চেয়ে ফোনটি ব্যবহারের সুযোগ দিলেন। সে কিছু সময় ফোনটি ব্যবহার করলো এবং বেশ কৃতজ্ঞ হয়ে ফিরিয়ে দিলো। দিন কয়েক পরে জানতে পারলেন কেউ একজন আপনার ফোন থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য হাতিয়ে নিয়ে আপনার ক্ষতি করার উদ্দেশে ব্যবহার করছে! একইভাবে আপনি ই-মেইল খুলে দেখলেন পরিচিত এবং বিশ্বস্ত একটি অনলাইন শপিং পোর্টাল থেকে আপনার কাছে মেইল এসেছে। মেইলে বলা হয়েছে সাম্প্রতিক সমস্যার কারণে তাদের ডাটাবেজ থেকে পূর্বের সব গ্রাহকদের তথ্য মুছে গিয়েছে। আপনি যদি সেখান থেকে কোনো পণ্য কিনতে চান, তাহলে পুনরায় তথ্য দিয়ে নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। নতুন অ্যাকাউন্ট খুললেই যেকোনো পণ্যে নিশ্চিত ছাড় পাবেন। আপনি মেইলে সংযুক্ত করা লিংকে প্রবেশ করলেন। নিশ্চিত হলেন আপনি যে সাইট থেকে শপিং করেন এটিই সেটি। ছাড়ের লোভে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বারসহ সব প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নতুন একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করলেন। পরে জানতে পারলেন সাইটটি একটি মিরর সাইট ছিল। আপনার সাময়িক অসচেততার জন্য ওয়েব সাইটের লিংকে যে একেবারে সূক্ষ্ম কিছু গোলমাল ছিল তা খেয়াল করেননি। কিন্তু এর মধ্যে যা সর্বনাশ হওয়ার তা হয়ে গিয়েছে। এ ধরনের ঘটনা আমাদের আশেপাশে প্রায়ই ঘটে থাকে। কেউ হয়তো একটু সচেতনতার মাধ্যমে রক্ষা পায়। আবার কেউ ভুলে ফাঁদে পা দেয়। আর এই সূক্ষ্ম ফাঁদগুলো তৈরি করার কৌশলই হচ্ছে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। যেসব তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়ে থাকে: ব্যক্তির আর্থিক তথ্য, চিকিৎসা তথ্য, ন্যাশনাল আইডি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, বায়োমেট্রিক তথ্য, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক অ্যাকাউন্ট লগইন তথ্য, ক্রেডিট কার্ড তথ্য, অনলাইন ব্যাংকিং লগইন তথ্য, অনলাইন শপিং সাইটের অ্যাকসেস তথ্য, ইন্টারনেট ব্রাউজিং হিস্টরি, ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ও নেটওয়ার্ক সিস্টেম অ্যাকসেস তথ্য ইত্যাদি। যে ধরণের ক্ষতি হতে পারে: (১) অর্থনৈতিক ক্ষতি (২) প্রাইভেসি ক্ষতি (৩) আইনি সমস্য (৪) নিজের অজান্তেই সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ফাদে পড়তে পারে। হ্যাকিং থেকে বাঁচতে যা করা দরকার:  সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটে খুব বেশি ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না এবং এইসব সাইটে বন্ধু নির্বাচনে আরো সতর্ক হন। যার তার সাথে ব্যাক্তিগত তথ্য শেয়ার করা / মোবাইল নাম্বার শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন। * অতি গোপনীয় ইমেইল, ফাইল আদান প্রদান বা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে Pretty Good Privacy (PGP) বা openPGP এনক্রিপশন পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। * গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন অ্যাকাউন্ট লগইন তথ্য যেমন ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্রাউজারে সেভ করে রাখবেন না। * ওইসব ই-মেইলের ব্যাপারে সতর্ক হন যেগুলো আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, ফিন্যানসিয়াল তথ্য, ক্রেডিট কার্ড তথ্য, ব্যাংকের তথ্য ইত্যাদির জন্য রিকোয়েস্ট করে এবং সঠিক সোর্স যাচাই করা ছাড়া কোনো তথ্য দিবেন না। * সব ধরনের অনলাইন অ্যাকাউন্টে ডাবল ফ্যাক্টর আ্যথেনটিকেশন চালু করুন এবং কাজ শেষে লগআউট করে ফেলুন। * সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইট বা ই-মেইলে কোনো অ্যাটাচমেন্ট পপ আপ, ফ্রি অ্যাডাল্ট সাইট এর লিংক, সেলিব্রেটি নিউজ, গসিপ ও ভিডিও, ফেইক নিউজ লিংক, ফ্রি শপিং অফার ইত্যাদি ওয়েবসাইট এর লিংকের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। কারণ এর সাহায্যে আপনার বিভিন্ন অনলাইন অ্যাকাউন্ট ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড চুরি হতে পারে এবং অ্যাটাচমেন্ট এর মাধ্যমে মোবাইল বা ল্যাপটপে ভাইরাস বা ম্যালওয়ার ইনস্টল হয়ে যেতে পারে। * ফিশিং ইমেইলগুলো খুব প্রফেশনাল লুকের হয় তাই এগুলো ভালো করে যাচাই করে ওপেন করুন। ইমেইল ও ওয়েবসাইট অ্যাড্রেস এর ফরমেট/অ্যানাটমি ভালোভাবে জেনে নিন। তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন যে, কোন ইমেইল বা ওয়েবসাইট অ্যাড্রেস সঠিক আর কোনটা ফিশিং সাইট থেকে আসা। * স্মার্টফোন বা ল্যাপটপে ভুয়া সিকিউরিটি সফটওয়্যার [ ফেসবুক আইডি হ্যাকিং এর নামে ফেক টুলস ] ইনস্টল করা থেকে সতর্ক হোন। এগুলোর মাধ্যমে হ্যাকাররা আপানর ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে এবং আপানার ডিভাইসকে কোনো অনলাইন ক্রাইমে ব্যবহার করতে পারে। * আপনার বিভিন্ন অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোর পাসওয়ার্ড আপডেট রাখুন। এবং সব সাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করবেন না। * আপনার স্মার্টফোন, ল্যাপটপ টেকনিশিয়ান বা অন্য কারো হাতে গেলে চেক করে দেখুন অপরিচিত কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করা আছে কি না, থাকলে মুছে ফেলুন। কারণ পরবর্তীতে ওই সফটওয়্যারগুলোর মাধ্যমে আপনার ডাটা চুরি এবং আপনার অনলাইন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারে। * আপনার ব্রাউজারে অ্যান্টি ফিশিং টুলবার যেমন নেটক্রাফ্ট ইনস্টল করুন। * আপনার ক্রেডিটকার্ড ও অনলাইন ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট স্টেটেমেন্ট নিয়মিত নিরীক্ষা করুন। * ইমেইল, এসএমএস বা ফোন কল এর মাধ্যমে কোন সরকারি সংস্থার হয়ে যেমন পুলিশ, র‌্যাব, নির্বাচন কমিশন, শুল্ক কর্তৃপক্ষ, বিদ্যুত বিভাগ বা পানি সরবরাহকারী যদি কোনো ব্যক্তিগত বা আর্থিক তথ্য চায়, এক্ষেত্রে সাড়া না দিয়ে সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। * আপনার ব্রাউজারে ‘ডু নট ট্র্যাক’ অপশনটি চালু করুন। আরকে/ডব্লিউএন  

আইসিটি কর্মকর্তাদের পিপিআর ২০০৮ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন

আইসিটি ডিভিশনের কর্মকর্তাদের জন্য ১০ দিন-ব্যাপী পিপিআর ২০০৮ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন হয়েছে। বৃহস্পতিবার আইসিটি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম` উদ্বোধন করা হয়। আইসিটি উপ-সচিব মু. জসীম উদ্দিন খানের সঞ্চালনায় এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অতিরিক্ত সচিব পার্থ প্রতিম দেবসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত সচিব পার্থ প্রতিম দেব বলেন, সরকারি ক্রয় কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারের নানা ধরণের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়িত হয়। অতীতে সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট আইন ও বিধি ছিল না। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহ সংস্থাভেদে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নির্দেশনার ভিত্তিতে ক্রয় কাজ সম্পন্ন করতো। তাছাড়াও এ সকল ক্রয় কাজে প্রক্রিয়াগত জটিলতা, বিলম্ব, ব্যবস্থাপনায় পেশাদারী দক্ষতার অভাব, নিম্নমানের সিডিউল বা টেন্ডার ডকুমেন্ট, টেন্ডার মূল্যায়নে দীর্ঘসূত্রিতা, ক্রয় চুক্তি অব্যবস্থাপনা, ক্রয় কাজে যথেষ্ট স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থার অনুপস্থিতি ছিল। তাই সরকারি ক্রয়ে সকল অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দূর করতেই সরকার পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট ২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস ২০০৮ প্রণয়ন করে। আমাদেরকে এই পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস ২০০৮ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের বাজেট ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা আর আজকের এই দিনে সে বাজেটের আকার দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকায়। এই ৪৫ বছরে আমাদের বাজেটের আকার বেড়েছে  প্রায় ৫১ হাজার শতাংশ। ফলে, সঠিকভাবে আর্থিক ব্যবস্থাপনার নৈতিক দায়িত্বও বেড়েছে। তাই, সরকারি অর্থ খরচ করার সময় আমাদেরকে অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। মনে রাখবেন, সরকারি অর্থ মানে এ দেশের ১৬ কোটি মানুষের অর্থ। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করতে এবং সরকারি কাজে আরও বেশি মাত্রায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১১ সালের ০২ জুনে ই-জিপি চালু করেন। এতে ক্রয়কৃত পণ্য, কার্য ও সেবার গুণগত মান বেড়েছে অনেকগুণ। আমাদেরকে ডিজিটাল এই ক্রয় ব্যবস্থাপনাও সঠিকভাবে অনুসরণ করতে হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপ-সচিব মু. জসীম উদ্দিন খান এর সঞ্চালনায় এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বিভাগের আওতাধীন চার সংস্থার মোট ৩৭ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। প্রতিদিন বিকাল ৩ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ চলবে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ১০ দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ হবে। আরকে/ডব্লিউএন

আসছে আইফোন ১০

আইফোন ৮, আইফোন ৮ প্লাস ও আইফোন টেন (এক্স) বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক। ১২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রিমিয়াম মডেল হিসেবে তিনটি মডেল বাজারে আনার ঘোষণা দেন তিনি। এর আগে ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন বাজারে ছেড়েছিল অ্যাপল। দশকপূর্তি উপলক্ষে নতুন আইফোনের ঘোষণা দেয় মার্কিন কোম্পানিটি। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক প্রিমিয়াম মডেল হিসেবে আইফোন টেন ও আইফোন ৮, ৮ প্লাসের ঘোষণা দেন। কুক অ্যাপলের প্রয়াত প্রধান নির্বাহী স্টিভ জবসের নামানুসারে রাখা নতুন ক্যাম্পাসের থিয়েটারে এই স্মার্টফোনগুলোর ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আইফোনের এক দশক পার হওয়ায় এ হ্যান্ডসেটগুলো প্রতিষ্ঠানের জন্য মাইলফলক। বিশেষ করে আইফোন টেন উন্মুক্ত করে প্রথম আইফোন থেকে অনেক দূর এগিয়ে যাওয়া হলো। আইফোন ৮ প্লাস ও আইফোন টেনে ৫ দশমিক ৮ ইঞ্চি মাপের সুপার রেটিনা ডিসপ্লে ব্যবহৃত হয়েছে। ডিভাইসের নিরাপত্তা হিসেবে যুক্ত হয়েছে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি বা ফেস আইডি। আগামী নভেম্বর মাস থেকে আইফোন টেন বাজারে পাওয়া যাবে। এর দাম হবে ৯৯৯ মার্কিন ডলার। আর চলতি মাসের শেষ দিক থেকে আইফোন ৮ ও ৮ প্লাস বাজারে পাওয়া যাবে। এর দাম শুরু হবে ৬৯৯ মার্কিন ডলার ও ৭৯৯ মার্কিন ডলার থেকে। নতুন তিনটি ফোনেই তারহীন চার্জিং প্রযুক্তি যুক্ত রয়েছে। অ্যাপলের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট ফিল শিলার বলেন, গ্লাস বডির আইফোন ৮ ও ৮ প্লাস দুটি প্রথম স্মার্টফোন, যা অগমেন্টেড রিয়্যালিটির জন্য তৈরি করা হয়েছে। আগের আইফোনের চেয়ে এতে উন্নত প্রসেসর ও গ্রাফিকস ব্যবহার করা হয়েছে।   //আর//এআর

শুরু হচ্ছে ডাটা সেন্টার টেকনোলজি সামিট

ডাটা সেন্টার প্রযুক্তির অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিশ্বায়নে কার্যকরী ভূমিকা রাখার প্রচেষ্টায় শুরু হতে হচ্ছে আন্তর্জাতিক ডাটা সেন্টার টেকনোলজি সামিট। এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। নয়টি দেশের অংশহগ্রহণে দ্বিতীয় বারের মতো আন্তর্জাতিক ডাটা সেন্টার টেকনোলজি সামিট আগামী ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। আমেরিকা, জার্মানি, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ইতালি, সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড, ইন্ডিয়া, শ্রীলংকার অংশগ্রহণে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডাটা সেন্টার টেকনোলজি সামিট অনুষ্ঠিত হবে। যা সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে। ডাটা সেন্টার টেকনোলজি সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের চেয়াম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদও উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া বিদেশি অতিথিদের মধ্য থেকে উপস্থিত থাকবেন আপটাইম ইনস্টিটিউটের মি. জন ডাফিনসহ আরো অনেকে। এবারের সামিটের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘ডাটা সেন্টার টেকনোলজি সামিট অ্যান্ড গ্রিন ডাটা সেন্টার কনফারেন্স।’ এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য হলো সার্বিকভাবে ডাটা সেন্টার প্রযুক্তির অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিশ্বায়নে কার্যকরী ভূমিকা রাখার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা। অর্থাৎ এই প্রযুক্তিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বা সমমানে উন্নীত করা এবং পাশাপাশি শিক্ষিত মেধাবী যুবকদের তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে যথাযত প্রক্রিয়ায় আকৃষ্ট করে জীবন যাত্রার মান আধুনিক পর্যায়ে উন্নীত করা। তদুপরি, যারা ডাটা সেন্টার করবেন বলে স্থির করেছেন অথবা ইতিমধ্যে করেছেন-তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কারিগরি ও চালিকা প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা প্রদান, এডিটিং ও সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করা অন্যতম মূল লক্ষ্য। এবারের ডাটা সেন্টার টেকনোলজি সামিটে মোট সেশন হবে ৫৯টি এবং সেমিনার হবে ৫০টিরও বেশি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোরে বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট মানষ কুমার মিত্র,  ডাটা সেন্টার প্রোফেশনাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পারভেজ, ইউনিভার্সিটি আইটি ফোরাম এর প্রেসিডেন্ট ও সাইবার সিকিউরিটি অব বাংলাদেশের ফাউন্ডার আজিমুল হক এবং সার্ক লিমিটেডের চেয়ারম্যান  জোসেফ বি. ইউলিসিফ। আরকে/ডব্লিউএন

যেভাবে নিরাপদ রাখবেন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট

স্মার্টফোন আছে অথচ ফেসবুক ব্যবহার করেন না এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। ফেসবুক ব্যবহার এখন অনেকটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। বন্ধুদের সাথে প্রতিদিন ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনা শেয়ার না করলে, যেন দিনটা মোটেও ভালো কাটতে চায় না। কিন্তু আপনার এ ভালো লাগার ফেসবুক কতটা নিরাপদ? সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, প্রতিদিন প্রায় ৬ লাখ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হচ্ছে। ফলে অনেকেই বিপদে পড়ছেন। কেন হচ্ছে এমন? কিভাবে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে? দ্বিস্তর ভেরিফিকেশন বিপদের হাত থেকে কিছুটা নিরাপদ রাখতে ফেসবুক `টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন` সুবিধা চালু করেছে। এটি ব্যবহার করলে প্রতিবার নতুন ডিভাইস/ব্রাউজারে আপনার কাঙ্ক্ষিত সেবায় (উদাহরণস্বরূপ ফেসবুকে) সাইন-ইন করার সময় ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড ইনপুট করার পরেও সেখানে আরেকটি পিন কোড দিতে হবে। এই কোডটি মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে আসে। এগুলোকে সিকিউরিটি কোডও বলা হয়, যা প্রতিবারই সার্ভার থেকে পাঠানো হয়। ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড এবং সেলফোন নম্বর দ্বিস্তর ভেরিফিকেশন সক্রিয় থাকা যে কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে চাইলে কমপক্ষে তিনটি বিষয় দখলে থাকতে হবে। সেগুলো হচ্ছে ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড এবং যে মোবাইল নম্বরে সেবাটি রেজিস্ট্রেশন করা আছে। ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড নিয়ে নিলেও একই সময়ে আপনার মোবাইল ফোনটি হ্যাকারের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই ফেসবুকে সাইন-ইন করার সময় সিস্টেম যখন মোবাইলে এসএমএসে আসা পিন চাইবে তখন সেটি তাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব হবে না। আর এই যাত্রায় আপনার অ্যাকাউন্টটিও হ্যাকিংয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে। লগইন অ্যাপ্রুভাল চালু করতে চাইলে প্রথমে আপনার ফেসবুকে সাইন-ইন করুন। এরপর ফেসবুক Account Settings > Security সেকশনে থাকা Login Approvals-এর Require me to enter a security code each time an unrecognized computer or device tries to access my account-এ চেক মার্ক করুন। এবার Next ক্লিক করে মোবাইলে SMS এ প্রাপ্ত কোড লিখে Next চাপুন এবং Save বাটনে ক্লিক করুন। বিনামূল্যে নোটিফিকেশন সুবিধা: ব্যবহারকারীদের বিনামূল্যে টেক্সট মেসেজ নোটিফিকেশন সুবিধা প্রদান করছে ফেসবুক। যখন কোনো কম্পিউটার অথবা মোবাইল থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে ঢোকা হবে তখন টেক্সট মেসেজ নোটিফিকেশন আপনার কাছে যাবে। এরপর বুঝতে পারবেন কে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করছে। তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ ব্যবহারে সতর্কতা ফেসবুকে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ্লিকেশনের অভাব নেই। কিন্তু হ্যাকাররা অ্যাপসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর আইডির নিয়ন্ত্রণ কব্জা করে থাকে। অনেক অ্যাপ কোনো নির্দিষ্ট সময়ে এগুলো ব্যবহার করে থাকি কিন্তু ব্যবহার শেষে সেগুলো মুছে ফেলতে কিংবা নিষ্ক্রিয় করতে ভুলে যাই। তৃতীয় পক্ষের অ্যাপটি কতটুকু নিরাপদ তা ব্যবহারের আগে ভালো করে যাচাই করে নিন। এন্টিভাইরাস ব্যবহার আপনার পিসির জন্য কিলগার অথবা রিমোট অ্যাকসেস ট্রোজান [RAT] খুবই বিপজ্জনক। এগুলোর হাত থেকে বাঁচার জন্য সঠিক অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। বিজ্ঞাপনে সতর্কতা বিজ্ঞাপনে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে উল্লেখ করে কিছু লিখতে পারবেন না। মনে করুন, আপনি শার্ট বিক্রি করেন। বিজ্ঞাপনে এই `শার্টটি ভালো` বলার সুযোগ থাকলেও `শার্টটি ভালো গ্রেগ` লেখার সুযোগ নেই। এছাড়াও কোনো লিঙ্কে ক্লিক করলে কোনও শপিং ওয়েবসাইট বা বিজ্ঞাপনের পাতায় পৌঁছে যেতে পারেন। আপনাকে সেখানে নিয়ে ফেলতে পারলে তাতেও সাইবার দুর্বৃত্তদের যথেষ্ট লাভ। কারণ কোনও বিজ্ঞাপন প্রদর্শন বা ওয়েবসাইটে ক্লিক বাড়াতে পারলেই প্রতি ক্লিকের জন্য অর্থ পায় তারা। সঙ্গে বহু ক্ষেত্রে সেই ওয়েবপেজের হাতে চলে আসতে পারে আপনার গোপন নথিও। যারা না জেনেই ক্লিক করে ফেলেন, তারা ভাবেন হয়তো ভুল করে অন্য সাইটে ঢুকে পড়েছেন, তাই দ্বিতীয়বার একই চেষ্টা করেন তারা। স্ক্যাম মেইলে আসা যে কোনও লিঙ্কে ক্লিক করলেও একই ঘটনা ঘটে। তাই এই ধরনের মেইল পেলে তা এড়িযে চলার পরামর্শই দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ফেসবুকে সব ঠিকঠাক রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য ফেসবুকে ঢুকেই লগ ইন করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। একাধিক অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ একই ব্যবহারকারীর একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা আগেও নিষিদ্ধ ছিল। তবে খুব একটা কড়াকড়ি ছিল না। এখন এ বিষয়ে ফেসবুক খুব কঠোর নিয়ম মেনে চলছে। ফলে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। ছবি পোস্টে সতর্কতা ফেসবুক ছবির ব্যাপারে ভীষণ সেনসেটিভ। ফেসবুকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যার মাতৃদুগ্ধ পান করানোর ছবিকেও নগ্নতা বলে গণ্য করে। লরেন ফেরারি নামের এক ব্যবহারকারী ফেসবুকে তার পাঁচ বছরের শিশুর ছবি দিয়েছিলেন, যেখানে সে নার্সের ভূমিকায় অভিনয় করছে। এমন নিরীহ ছবি পোস্ট করাও এখন অনেক ঝামেলার। গত বছরের নভেম্বরে প্যারিস হামলার পরে জেসন ম্যানফর্ড নামের এক ব্যবহারকারীর ফেসবুক প্রোফাইল ছবি বেশ কয়েকবার সরিয়ে ফেলা হয়। কারণ, তার সে ছবিতে নানা রঙে বেশ কয়েকটি বাক্য লেখা ছিল। ফেসবুক ব্যবহারের নীতিমালায় উল্লেখ আছে, আপনি এমন কোনো বিষয়বস্তু পোস্ট করতে পারবেন না, যাতে ভয়ভীতি, ঘৃণা কিংবা অপ্রীতিকর কিছু প্রকাশ পায়। এমন কোনো ছবি পোস্ট করতে পারবেন না, যা দৃশ্যমান সহিংসতা কিংবা নগ্নতা প্রকাশ করে। ফেসবুকের এই নিয়ম এমনিতে ঠিকঠাক মনে হলেও অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন, তারা অনেক ব্যক্তিগত কথাও লিখতে পারছেন না। স্বাধীন মত প্রকাশেও বাধা তৈরি করছে বলে অভিযোগ অনেকের। ফেসবুকের মেইল থেকে সতর্ক ফেসবুক থেকে কোনও মেইল এলে সতর্ক থাকুন। ইনবক্সে ঢুকেই যদি মেলে থাকা লিঙ্কে ক্লিক করে বসেন, বিপদে পড়বেন। কারণ ওই মেইল হয়তো ফেসবুক থেকে আসেইনি। ইদানীং কিছু অত্যাধুনিক কৌশল কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা ওঁত পেতে রয়েছে আপনার সর্বস্ব হাতানোর জন্য। নেটওয়ার্কিং সাইটে আপনার গতিবিধির উপর সর্বক্ষণ নজর রাখছে তারা। ফেসবুক প্রোফাইলে আপনার উপস্থিতি কিছুদিন টের না পেলেই একটি বিশেষ ধরনের মেইল ও তার সঙ্গে লিঙ্ক পাঠাচ্ছে আপনার ওই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত মেইল আইডিতে। সেই মেইলে লেখা থাকছে, ‘আপনি বেশ কিছুদিন ফেসবুকে ছিলেন না। আপনার মেসেজগুলি শিগগিরই ডিলিট হতে চলেছে। এর সঙ্গেই আপনাকে দুটো অপশন দেওয়া হবে। ‘ভিউ মেসেজ এবং ‘গো টু ফেসবুক। এর কোনও একটিতে ক্লিক করলেই আপনার যাবতীয় তথ্য চলে যেতে পারে হ্যাকারদের হাতে।  বাড়তি সতর্কতা পারিবারিক ঠিকানা ফেসবুকে না দেওয়াই ভালো কিংবা প্রোফাইলে নিজের সেলফোন নম্বর উল্লেখ করা ঠিক নয়। কখনোই অপরিচিতদের থেকে পাঠানো বন্ধুত্বের অনুরোধ ভালোমতো না দেখেই গ্রহণ করবেন না। ছোট কিংবা সহজ পাসওয়ার্ড ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় নম্বর, অক্ষর, চিহ্ন ব্যবহার করতে পারেন। আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি কতটা নিরাপদ সেটি জানতে লগ-ইন অবস্থায় http://on.fb.me/1QC6vUL ঠিকানায় যান। আপনার সক্রিয় ই-মেইল ব্যবহার করুন। এতে করে অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হলে তা পুনরুদ্ধারের কাজটি সহজ হবে। কেআই/ডব্লিউএন

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি