ঢাকা, শনিবার, ২৩ জুন, ২০১৮ ২৩:৩১:৫৯

দীর্ঘ সময়ের ভিডিও পোস্টে আসছে ইনস্টাগ্রাম টিভি

দীর্ঘ সময়ের ভিডিও পোস্টে আসছে ইনস্টাগ্রাম টিভি

ব্যবহারকারীদের জন্য এক ঘণ্টার ভিডিও পোস্ট করার সুযোগ এনেছে ইনস্টাগ্রাম। ছবি শেয়ারিং অ্যাপ হিসেবে যাত্রা শুরু করা ইনস্টাগ্রাম আইজিটিভি নামের নতুন এ ফিচার চালু হয়েছে। এর ফলে ফেসবুক অধীনস্থ প্লাটফর্মটিতে ব্যবহারকারীরা এতদিন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৬০ সেকেন্ড দীর্ঘ ভিডিও পোস্টের সুযোগ পেলেও এখন থেকে তার চেয়ে দীর্ঘ ভিডিও পোস্ট করতে পারবেন।
ভিডিও অ্যাপ প্রকাশ করলো ইনস্টাগ্রাম

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম ভিডিও শেয়ারের উপর থেকে কড়াকড়ি প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে। ইউটিউব থেকে তরুণদের ভাগিয়ে এনে ইনস্টাগ্রামমুখী করার জন্যই এই উদ্যোগ নিয়েছে ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষ। ফেসবুকের মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রাম জানায়, এটি একটি ভিডিও শেয়ারিয় অ্যাপ যুক্ত করতে যাচ্ছে। ব্যবহারকারীদের সময় বাঁচানোর জন্য খুব দ্রুতগতির এই অ্যাপ ব্যবহৃত হবে বলেও জানায় জায়ান্ট এই প্রতিষ্ঠানটি। ইনস্টাগ্রামের প্রধান নির্বাহী কেভিন সিসট্রোম সানফ্রান্সিসকোতে ঘোষণা করেন, নতুন এই ফিচারটির নাম হবে আইজিটিভি। এটিতে সেলেব্রিটিরা ভিডিও শেয়ার করলে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়বে বলে জানান তিনি। এর ফলে ফেসবুকের আরও বেশি বিজ্ঞাপন বিক্রির সুযোগ তৈরি হবে বলেও যোগ করেন তিনি। তবে ইন্টারনেট বোদ্ধারা বলছেন, ফেসবুক বর্তমানে তরুণদের টানতে ব্যর্থ হচ্ছেন। তা ছাড়া গ্রাহকদের তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে এবার ক্ষতি পুষিয়ে নেবার চেষ্টা করছে প্রতিষ্ঠানটি। সূত্র: আল-জাজিরাএমজে/

শুধু গুরুত্বপূর্ণ মেইলের নোটিফিকেশন পাঠাবে জিমেইল!

আপনার মোবাইলে সারাদিনে বহুবার প্রয়োজনীয় বা অপ্রয়োজনীয় নানা মেইল এর নোটিফিকেশন আসে? কখনও অনবরত নোটিফিকেশন বিরক্তিকর হয়ে ওঠে? কিন্তু আর চিন্তা নেই! কারণ এবার থেকে জিমেইল শুধু গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল এর নোটিফিকেশানই আপনার ফোনে পাঠাবে। মেশিন লার্নিং আর আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স ব্যবহার করে জিমেইল এই নতুন ফিচার লঞ্চ করেছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর মাধ্যমে গুগল ঠিক করে ফেলবে কোন ইমেইলটি আপনার জন্য প্রয়োজনীয় আর কোন ইমেইলটি নয়। এই ফিচার এনেবেল করার জন্য আইওএস ফোনে জিমেইলl অ্যাপে সেটিংস এর মধ্যে নোটিফিকেশনে ‘হাই প্রাইয়রিটি অনলি’ সিলেক্ট করতে হবে। এ ছাড়াও ডিফল্ট স্ক্রিনেই অ্যাপ আপনাকে নতুন এই ফিচার ব্যবহারের জন্য সুপারিশ করবে। পরবর্তী দু’ তিন দিনের মধ্যেই নতুন এই ফিচার লঞ্চ করার কথা জানিয়েছে গুগল। তবে নতুন এই ফিচার ব্যবহারের জন্য আইওএস ফোনে আপনার জিমেইল অ্যাপ আপডেট করতে হবে। এর আগে গত এপ্রিলে জিমেইল এর ডিজাইনে আমুল পরিবর্তন এনেছিল সংস্থা। বর্তমানে এক ক্লিকেই যে কোনও নিউজলেটার আনসাবস্ক্রাইব করা সম্ভব। আপাতত আইওএস ফোনগুলোতেই এই বিশেষ সুবিধা মিলবে। তবে অদূর ভবিষ্যতে এন্ড্রোয়েড ডিভাইসেও এই আপডেটেড সুবিধা যুক্ত করা হবে বলে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সূত্র: জিনিউজ একে//

গেমিং এর নেশাকে ‘মানসিক রোগ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ডব্লিউএইচও

কম্পিউটার গেমের নেশাকে `মানসিক রোগ` বলে চিহ্নিত করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কম্পিউটারে গেম খেলার প্রতি নেশাকে এই প্রথম একটি মানসিক রোগ হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে যাচ্ছে সংস্থাটি। ১১তম ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজেস বা আইসিডিতে এটিকে `গেমিং ডিজঅর্ডার` হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ সংক্রান্ত খসড়া দলিলে এই গেমিং আসক্তিকে বর্ণনা করা হয়েছে এমন এক ধরণের আচরণ হিসেবে, যা জীবনের আর সব কিছুর আকর্ষণ থেকে একজনকে দূরে সরিয়ে নেয়। বিশ্বের কিছু দেশে গেমিং আসক্তিকে ইতোমধ্যে একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে চিহ্ণিত করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যসহ কিছু দেশে তো ইতোমধ্যে এর চিকিৎসার জন্য প্রাইভেট এডিকশন ক্লিনিক পর্যন্ত রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৯২ সালে সর্বশেষ ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজেস বা আইসিডি তৈরি করেছিল। নতুন গাইডলাইনটি প্রকাশিত হবে এ বছরই। এই গাইডে বিভিন্ন রোগের কোড, লক্ষণ এবং উপসর্গ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকে। চিকিৎসক এবং গবেষকরা এটির সঙ্গে মিলিয়ে রোগ নির্ণয়ের করার চেষ্টা করেন। গেমিং আসক্তিকে কখন মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করা হবে, তার বিস্তারিত থাকছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই গাইডলাইনে। এতে বলা হয়েছে, ১২ মাস সময় ধরে অস্বাভাবিক গেমিং আসক্তি বা আচরণ দেখা গেলে তা নির্ণয়ের পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে যদি অস্বাভাবিক আচরণের মাত্র অনেক বেশি তীব্র হয়, তখন ১২ মাস নয়, তার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। যেসব লক্ষণের কথা এতে উল্লেখ করা হয়েছে- ১. গেমিং নিয়ে নিজের ও্রপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা ( বিশেষ করে কত ঘন ঘন, কতটা তীব্র এবং কত দীর্ঘ সময় ধরে গেমিং করছে, সে বিষয়ে) ২. গেমিংকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া ৩. নেতিবাচক প্রভাব সত্ত্বেও গেমিং অব্যাহত রাখা বা আরও বেশি গেমিং করা লন্ডনের নাইটিংগেল হাসপাতালের টেকনোলজি এডিকশন স্পেশালিস্ট ড: রিচার্ড গ্রাহাম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। ‘এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ফলে আরও বিশেষায়িত চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হবে। এতে করে এ ধরণের গেমিং আসক্তিকে লোকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে নেবে।’ তবে যারা গেমিং আসক্তিকে একটি মানসিক ব্যাধি হিসেবে দেখার বিপক্ষে, তাদের প্রতিও তিনি সহানুভূতিশীল। তিনি স্বীকার করছেন যে অনেক বাবা-মা এ নিয়ে বিভ্রান্ত হতে পারেন। কেবল গেমিং এ উৎসাহী বলে সন্তানদের তারা `অসুস্থ` বলে ভাবতে পারেন। ড: রিচার্ড গ্রাহাম জানান, বছরে তিনি ডিজিটাল আসক্তির প্রায় ৫০টির মতো কেস দেখেন। এই আসক্তির কারণে এদের ঘুম, খাওয়া-দাওয়া, সামাজিক মেলা-মেশা এবং শিক্ষার ওপর কি প্রভাব পড়ে, সেটার ওপর ভিত্তি করে আসক্তির সমস্যার মাত্রা বোঝার চেষ্টা করা হয়। রোগী দেখার সময় একটা জিনিসকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। এই গেমিং আসক্তি `নিউরোলজিক্যাল সিস্টেম`কে কতটা প্রভাবিত করছে। এটি চিন্তার ক্ষমতা বা নিবিষ্ট থাকার ক্ষমতার ওপর কি প্রভাব ফেলছে। বিশ্বের অনেক দেশই গেমিং এর আসক্তি নিয়ে চিন্তিত। দক্ষিণ কোরিয়ায় তো সরকার এমন আইন করেছে যাতে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুরা মধ্যরাত হতে ভোর ছটা পর্যন্ত অনলাইন গেম খেলতেই না পারে। জাপানে কেউ যদি একটি নির্দিষ্ট সময়ের বেশি গেম খেলে তাকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। চীনে সেখানকার সবচেয়ে বড় ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান টেনসেন্ট শিশুরা কতক্ষণ গেম খেলতে পারে তার সময় বেঁধে দিয়েছে। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির এক সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হচ্ছে, শিশুরা যদিও প্রচুর সময় স্ক্রীনের দিকে তাকিয়ে কাটায়, কিন্তু তারা তাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে এই ডিজিটাল জগতকে ভালোই খাপ খাইয়ে নিতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, মেয়েদের তুলনায় ছেলেরাই ভিডিও গেম খেলায় বেশি সময় দেয়। গবেষণক কিলিয়ান মুলান বলেন, মানুষের ধারণা শিশুরা দিন রাত চব্বিশ ঘণ্টা স্ক্রীনের সামনে বসে থাকছে, আর কিছু করছে না। আসলে তা নয়। আমাদের গবেষণায় আমরা দেখছি, তারা প্রযুক্তিকে নানা কাজে ব্যবহার করছে। এমনকি স্কুলের হোমওয়ার্ক করার জন্যও তারা প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। ‘আমরা বড়রা যেভাবে করি, অনেকটা সেভাবে শিশুরাও আসলে তাদের ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারটা সারাদিন ধরেই অন্য অনেক কিছুর ফাঁকে ফাঁকে করছে, একবারে নয়।’ সূত্র: বিবিসি একে//

ঠাণ্ডা থাকতে চাইলে হেলমেটে জুড়ে নিন এয়ার কুলার!

অসহ্য গরমে নাভিশ্বাস উঠছে আম জনতার। আকাশে সামান্য মেঘ দেখলেও তাতেই স্বস্তি খুঁজছেন তারা। রাস্তায় বেরুলেই হাঁসফাঁস অবস্থা। তাপমাত্রার সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আপেক্ষিক আর্দ্রতাও। এই অবস্থায় মাঝেমধ্যে অনেকেরই মনে হচ্ছে, একটা কুলার যদি সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো যেত! সেই ভাবনা এবার সত্যি করে বাজারে এল ব্যাটারি চালিত এয়ার কুলার! বিশ্বাস হচ্ছে না! এমনই সুবহ (পোর্টেবল) এয়ার কুলার প্রাথমিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ভারতের বেঙ্গালুরুতে। মূলত বাইক আরোহীদের কথা ভেবেই এই বিশেষ এয়ার কুলারটি বানানো হয়েছে। গরমে রাস্তায় বাইক নিয়ে বেরুলে মাথায় পরে নিন কুলার লাগানো এই হেলমেট আর অন করে দিন কুলারের সুইচ। বাইরে তাপ যতই থাকুক, মাথা থাকবে ঠাণ্ডা! ‘ব্লুস্ন্যাপ’ নামের ওয়াটার বেসেড এই কুলারটি তৈরি করেছেন অ্যাপটইনার টেকনোলজির সিইও সুন্দরারাজন কৃষ্ণাণ। সুন্দরারাজনের দাবি, বাইরের তাপমাত্রার থেকে অন্তত ৬-১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমাতে পারবে তার কুলার। ডাস্ট-ফ্রি এবং ডি-ফগিং ফিচার প্রযুক্তিতে তৈরি এই কুলারটি একবার পুরো চার্জ দিলে ১০ ঘণ্টা টানা ব্যবহার করা যাবে। ‘ব্লুস্ন্যাপ’ এমনিতে বেশ হালকা। এটিতে যে রিপ্লেসেবল ফিল্টার রয়েছে সেটি সাধারণ পানিতেই পরিষ্কার করে নেওয়া যাবে। তবে সুন্দরারাজন এই কুলারটিকে প্রযুক্তিগতভাবে আরও উন্নত করতে চান। তাই আম জনতার হাতে ‘ব্লুস্ন্যাপ’ পৌঁছাতে আরও বেশ খানিকটা সময় লাগবে। সূত্র: জিনিউজ একে//

হেডফোন ব্যবহারে মারাত্মক ৬ ক্ষতি

প্রযুক্তি প্রতিনিয়তই উন্নত হচ্ছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় মানুষের দৈনন্দিন জীবন হয়ে উঠছে গতিময় ও আরামদায়ক। কিন্তু বিজ্ঞানের এই আশির্বাদই কখনো কখনো ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটায়। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বাসে ভ্রমণ, সবখানেই আমারা হেডফোন ব্যবহার করি। রাস্তায় বের হয়ে কানে হেডফোন গুঁজে গান শোণা এখন একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু হেডফোন হচ্ছে এমন একটি প্রযুক্তি যার বেশকিছু ক্ষতিকর দিক রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক হেডফোনের কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে। শ্রবণ জটিলতা হেডফোন বা ইয়ারফোন ব্যবহার করার ফলে সরাসরি অডিও মানুষের কানে যায়। ৯০ ডেসিবেল বা তার বেশি মাত্রার শব্দ যদি মানুষের কানে যায় তাহলে শ্রবণ জটিলতা ঘটাতে পারে। শুধু তাই নয়, ১০০ ডেসিবলের উপর মাত্র ১৫ মিনিট এয়ারফোন ব্যবহার করলে শ্রবণশক্তি নষ্ট হতে পারে। বাতাস প্রবেশে বাধা এয়ারফোন ব্যবহার করার ফলে কানের ভিতর বায়ু প্রবেশ করতে পারে না। যার ফলে ইনফেকশনের সম্ভাবনা আরো বেশি হয়। মস্তিষ্কের উপর খারাপ প্রভাব হেডফোনের দ্বারা সৃষ্ট ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক তরঙ্গ মস্তিষ্কের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। আর যারা ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহার করেন তারা আরো বেশি ঝুঁকিতে আছেন। কান সরাসরি মস্তিষ্কের সঙ্গে যুক্ত। তাই হেডফোন সরাসরি আপনার মস্তিষ্কে আঘাত হানে। কানে ব্যাথা যারা অতিরিক্ত হেডফোন ব্যবহার করেন তারা সাধারনত এ সমস্যায় ভুগেন। মাঝে মাঝে কানের ভেতরে ভোঁ ভোঁ আওাজ হয়ে থাকে। এটিও কিন্তু ক্ষতির লক্ষণ। শ্রবণশক্তির জড়তা সমীক্ষায় জানা যায়, যারা এয়ারফোন ব্যবহার করে উচ্চ শব্দে মিউজিক শোনেন তাদের কানে জড়তা চলে আসে। কানে ইনফেকশন বা প্রদাহ এয়ারফোন বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে শেয়ার করে থাকি আমরা। এতে কানে ইনফেকশনের সম্ভাবণা থাকে। কারণ এয়ারফোনের মাধ্যমে একজনের কানের জীবাণু অন্যজনে বাহিত হয়। একে//

সৌরজগতের বাইরে রয়েছে ১০০ টি বাসযোগ্য গ্রহ!

আমাদের সৌরজগতের বাইরে নতুন নতুন গ্রহের সন্ধানে স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠায় মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। সেই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ সম্ভব হয়েছে নাসার পক্ষে৷ নাসার এই আবিষ্কার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে অ্যাস্ট্রোফিজিক্স জার্নালে৷ সেখানে প্রতিবোদনে বলা হয়েছে ১০০-রও বেশি বৃহদাকারের গ্রহ আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে, তাও অন্য গ্যালাক্সি বা সৌরজগতে৷ যে সব গ্রহগুলোর উপগ্রহগুলো মানুষের বাসযোগ্য৷ এই গ্রহগুলোকে বলা হয় এক্সোপ্ল্যানেট৷ এক্সোপ্ল্যানেট বা বহির্গ্রহ হল এমন কিছু গ্রহ যেগুলো আমাদের সৌরজগৎ মিল্কি ওয়ের বাইরে অন্য কোনো নক্ষত্রকে আবর্তন করতে থাকে। সম্প্রতি নাসার কে২ মিশনের কেপলার মহাকাশযানের মাধ্যমে গ্রহগুলো আবিষ্কার করা হয়েছে। গ্রহগুলোর আকার পৃথিবীর আকার থেকে শুরু করে বৃহস্পতির আকার পর্যন্ত বলে জানিয়েছেন গবেষকরা৷ নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে গ্রহগুলো আবিষ্কার হয়। কেপলারের বর্তমান মিশন কে২ নামে পরিচিত। বিজ্ঞানীরা কেপলারের পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ করে গ্রহগুলোর সন্ধান পেয়েছেন। ২৭৫টি গ্রহ শনাক্ত করা গেলেও এর মধ্যে ১৪৯টিকে এক্সোপ্ল্যানেট হিসেবে বিবেচনা করছেন নাসার জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। আর ৯৫টি গ্রহের ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা পুরোপুরিভাবে নিশ্চিত যে সেগুলো একেবারে নতুন এক্সোপ্ল্যানেট। এই সব এক্সোপ্ল্যানেটের চারিধারে ঘুরছে একাধিক উপগ্রহ৷ যেগুলো বাসযোগ্য বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা৷ ক্যালিফোর্ণিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টিফেন কেন জানিয়েছেন এই এক্সোপ্ল্যানেটগুলোর অধিকাংশের বলয় রয়েছে৷ এবং রয়েছে বেশ কয়েকটি উপগ্রহ৷ এই রিসার্চে যোগ দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাদার্ন কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরাও৷ তারাও এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন৷ কে২ মিশনের জন্য ২০০৯ সালের মার্চে কেপলার মহাকাশযানটি পাঠানো হয়৷ আমাদের বাসযোগ্য পৃথিবীর মতো আর কোনো গ্রহ আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির বাইরে আছে কি-না তা চিহ্নিত করতে। কিন্তু তার চার বছর পর ২০১৩ সালের মে মাসে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে তা কে২ মিশনটির জন্য আর তথ্য সরবরাহ করতে পারেনি। পরবর্তীতে মিশনটির পরিচালনকারীরা সেটিকে পুনর্বিন্যস্ত করেন ও ত্রুটি সারিয়ে তোলেন। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

হকিংয়ের কণ্ঠস্বর যাচ্ছে ব্ল্যাক হোলে

যেতে চেয়েছিলেন মহাকাশে, পারেননি। তার প্রিয়তম মহাজাগতিক বস্তু কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোলে যাচ্ছে তার ফেলে যাওয়া সেই ব্যারিটোন কণ্ঠস্বর। ‘আমি স্টিফেন হকিং বলছি...’। সঙ্গে পাঠানো হচ্ছে আরও বিশেষ কিছু বার্তা। সুরে বেঁধে। মানবসভ্যতার তরফে। বিশ ও একুশ শতকে আধুনিক বিজ্ঞানের ‘ঈশ্বর’-এর কৃত্রিম গলার স্বর থেকে যাবে এই ব্রহ্মাণ্ডে আমাদের ঠিকানা ‘মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সি’রই একটি ব্ল্যাক হোলের অন্তরে-অন্দরে। কিন্তু ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি তো যাওয়া যায় না। মহাকাশযান বা কারও পক্ষেই তা সম্ভব নয়। গেলেই তো তার অসম্ভব জোরালো মহাকর্ষীয় বলের টানে তাকে গিলে খাবে ব্ল্যাক হোল। তাই প্রয়াত প্রবাদপ্রতিম বিজ্ঞানীর সেই ব্যারিটোন কণ্ঠস্বর আমাদের গ্রহের সবচেয়ে কাছে থাকা একটি ব্ল্যাক হোলের উদ্দেশে ছুড়ে দেবে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ বা ‘এসা’)। শব্দ তো তরঙ্গই। সেই তরঙ্গকে তার জোরালো মহাকর্ষীয় বলের টানে টেনে নেবে ব্ল্যাক হোল। ওই সুর বেঁধেছেন গ্রিক সঙ্গীতকার ভ্যাঞ্জেলিস। গত শতকের শেষ দিকে হকিংই প্রথম অঙ্ক কষে দেখিয়েছিলেন, ‘ব্ল্যাক হোলস আর নট সো ব্ল্যাক’। ব্ল্যাক হোল মোটেই পুরোপুরি কালো নয়। সেও আলো উগরে দেয়। ব্ল্যাক হোল থেকেও বেরিয়ে আসে আলো। ’৮৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর সেই সাড়াজাগানো বই ‘আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম’। এ বছর ১৪ মার্চ প্রয়াত হন হকিং। তার দেহাবশেষ রাখা রয়েছে লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টর অ্যাবেতে। কন্যা লুসি হকিং বলেছেন, ‘এটা খুব সুন্দর একটা প্রতীকী উদ্যোগ। আমাদের গ্রহে বাবার অস্তিত্ব, তার মহাকাশে যাওয়ার ইচ্ছা আর মনে মনে সব সময় তার ব্রহ্মাণ্ড পরিক্রমার মধ্যে যেন সেতু বাঁধল এই উদ্যোগ।’ মহাকাশে ঠিক কোন ঠিকানায় রয়েছে সেই ব্ল্যাক হোল? কী তার নাম? হকিং-কন্যা বলেছেন, ‘আমাদের গ্রহের সবচেয়ে কাছের ব্ল্যাক হোলেই যাচ্ছে বাবার ফেলে যাওয়া কণ্ঠস্বর। ওই ব্ল্যাক হোলের নাম- ‘1A-0620-00’। যা রয়েছে কমলা রংয়ের একটা বামন নক্ষত্র (ডোয়ার্ফ স্টার) সহ দু’টি তারার একটি নক্ষত্রমণ্ডলে (বাইনারি সিস্টেম)।’ হকিংয়ের গলার স্বরে বিশেষ কী বার্তা পাঠানো হচ্ছে ব্ল্যাক হোলে? লুসি হকিং জানিয়েছেন, শান্তি আর সম্প্রীতির কথা। আশার কথা। ঐক্য, সংহতির কথা। সূত্র: আনন্দবাজার একে//  

তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নে ৫০০ দক্ষ ব্যবস্থাপক তৈরি করা হচ্ছে 

তথ্যপ্রযু্ক্তি খাতে দক্ষ মানব সম্পদ গঠনে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ৫০০ জন অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট ফর ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনালস (এসিএমপি) গ্র্যাজুয়েট তৈরি করছে সরকার। ইতোমধ্যে ৩৫৮ জনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। বাকি ১৪২ জনের প্রশিক্ষণ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে।    আইসিটি বিভাগের অধীনে এসব এসিএমপি গ্র্যাজুয়েট তৈরি করা হচ্ছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট গভর্নেন্স (এলআইসিটি) প্রকল্প, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিত্র) ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ংয়ের (ইওয়াই)প্রচেষ্টায়।  এলআইসিটি প্রকল্প পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ইতোমধ্যে প্রথম ধাপে প্রশিক্ষণ শেষ করা ৩৫৮  জনকে সনদপত্র দেওয়া হয়েছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা বিবেচনায় নিয়ে কোর্সটি প্রবর্তন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ কোর্সের অধীনে সাধারণত প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, পিপল ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস এ্যান্ড কাস্টমার ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস কমিউনিকেশন, ফিন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং, স্ট্রাটেজি ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস অ্যানালাইটিকস, সাইবার সিকিউরিটি প্রভৃতি বিষয়ে পড়ানো হয়। উল্লেখ্য, দেশের আইটি কোম্পানিগুলোর জন্য ৫০০ জন মধ্যম স্তরের কর্মকর্তার দক্ষতা উন্নয়নে আইবিত্র গত ৫ অক্টোবর ২০১৭ থেকে `এসিএমপি ফোর ডট ও` কোর্স চালু করা হয়। প্রতি ব্যাচে কর্মকর্তারা ২০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট আহমেদাবাদ (আইআইএমএ), ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি), দিল্লি এবং আইবিএ`র শিক্ষকরা। এমএইচ/এসি     

মঙ্গলে ধুলোর ঝড়ে বিপদে ‘অপরচুনিটি’

ধুলোঝড়ে ঢেকে গেছে লালগ্রহ। বিপদে নাসার মঙ্গলযান ‘অপরচুনিটি’। অমঙ্গলজনক কিছু না হয়ে যায়, চিন্তায় বিজ্ঞানীরা। গত ১৫ বছর ধরে লালগ্রহে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে অপরচুনিটি। তার ঘুরে দেখা হয়ে গেছে গ্রহের এক-চতুর্থাংশ। বিজ্ঞানীদের আশা, আরও বেশ কিছু দিন কাজ চালিয়ে যেতে পারবে সে। কিন্তু ঝড় কবে থামবে, কবে সূর্যের আলো গ্রহের মাটি ছোঁবে, অপরচুনিটির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে তার উপর। কারণ সৌরশক্তিতে চলে অপরচুনিটি। ধুলোঝড়ে ঢেকে গেছে আকাশ। মঙ্গলযানের সোলার প্যানেলে সূর্যের আলো পৌঁচ্ছছে না। ফলে নিস্তেজ হয়ে পড়েছে যান। দুর্যোগ কাটতে সপ্তাহ, এমনকি মাসও ঘুরে যাবে। আপাতত ঘোর অন্ধকারে মাঝপথে আটকে রয়েছে নাসার যান। সেই মে মাসের শেষে ঝড় শুরু হয়েছে। অপরচুনিটির প্রজেক্ট ম্যানেজার জন ক্যালাস বলেন, আমাদের হাতে কিছুই নেই। ভয়াবহ ঝড়। কত দিনে থামবে, জানা নেই। মঙ্গলের আকাশ যখন পরিষ্কার হবে, তখনও পরিস্থিতি কেমন থাকবে, জানা নেই। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে নাসার বিশেষজ্ঞেরা অপরচুনিটির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। ২০০৩ সালে জোড়া মঙ্গলযান পাঠিয়েছিল নাসা— ‘অপরচুনিটি’ ও ‘স্পিরিট’। ২০০৪ সালের মঙ্গলের মাটিতে নামে যান দু’টি। স্পিরিট বেশি দিন কাজ করতে পারেনি। অপরচুনিটি এখনও তার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। নাসার আর এক যান ‘কিউরিওসিটি’ও মঙ্গলে রয়েছে। কিন্তু তাকে নিয়ে অতটা চিন্তায় নেই বিজ্ঞানীরা। প্রথমত তার বয়স কম, দ্বিতীয়ত গ্রহের অন্য প্রান্ত রয়েছে সে। ধুলোঝড় মঙ্গলে নতুন নয়। মাঝেমধ্যেই হয়। যখন হয়, বায়ুমণ্ডলের দশ-বিশ কিলোমিটার ধুলোর আস্তরণে ঢেকে যায়। দিনের বেলায় অন্ধকার নেমে আসে। মঙ্গলের কক্ষপথে ঘুরতে থাকা যানগুলোর তাই বিপদ কম নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধুলোয় হয়তো চাপা পড়ে যাবে না যান। চাকাও হয়তো আটকে যাবে না। মূল চিন্তা, ওর কিছু বিশেষ যন্ত্রাংশ নিয়ে। তা ছাড়া মঙ্গলযানের ব্যাটারির ক্ষমতাও কমে এসেছে। একটিমাত্র ঘড়ি কাজ করছে। সেটা অফলাইন হয়ে গেলে, সময়ের হিসেব গুলিয়ে ফেলবে সে। পৃথিবীতে আর খবর পাঠাতে পারবে না অপরচুনিটি। তবে এই প্রথম নয়। ২০০৭ সালেও এক ভয়াবহ ধুলোঝড়ের মুখে পড়েছিল অপরচুনিটি। বেশ কিছু দিন কাজ করতে পারেনি। কিন্তু এ বার মঙ্গলযানে সঞ্চিত শক্তি (চার্জ) খুবই কম। সেটাই আশঙ্কার অন্যতম কারণ। নাসার ‘মার্স এক্সপ্লোরেশন প্রোগ্রাম’-এর ডিরেক্টর জিম ওয়াটজিন বলেন, ‘মনে রাখবেন, আমরা যে যানটির কথা বলছি, সেটার ১৫ বছর হয়ে গেছে। কিন্তু বানানো হয়েছিল মাত্র ৯০ দিনের জন্য!’ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

প্রতিকূলতাকে হার মানিয়ে এগিয়ে আসেন যারা

মানুষকে সেবা দিতে শ্রম দিয়ে যাচ্ছে অনেকেই। অনেকের শ্রমটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে হিরো হয়ে যান। আবার অনেকে নিভৃতে নিরলসভাবে কাজ করে যান সাধারণ জনগণের জন্য। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সিদ্দিক আর সাজ্জাদ। তারা থাকেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। তারা রবি মোবাইল অপারেটরে চাকরিরত। চট্টগ্রামে আবহাওয়া ভালো নয়, রাস্তায় পানি। হয়তো নেমেও যাবে কিন্তু সামনে ঈদের বন্ধ, দোকান হয়তো খোলা থাকবে কিন্তু থাকবে না পরিমান মতো রিচার্জের বান্ডেল অথবা কার্ড অথবা সিম কার্ড, হাসিমুখে বুক সমান পানি ঠেলে এগিয়ে যাচ্ছে সবার কথার আর বিনোদনের জোগান দিতে। সুমন কাজ করেন টেকনোলজি ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে রাতদিন পরিশ্রম করে চলেন যেনো গ্রাহকের একপলকের জন্যেও ভ্রূ না কুঁচ্কে ওঠে তার কোম্পানির সেবা গ্রহণে। সবাই ঈদের আনন্দে উৎসবে মেতে উঠেছে আর দুইটা দিন পার হলেই আনন্দের ঈদ সবার সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা খাওয়া দাওয়া গল্প আরও কত পরিকল্পনা। কেউ কেউ ইতিমধ্যে তার বাড়ির পথে রাস্তায়, ওদিকে সুমন খবর পেলো নারায়নহাট এ একটি টেকনিকাল সমস্যার কারণে হয়তো অনেক গ্রাহক পড়বেন নেটওয়ার্ক বিপর্যয়ের মধ্যে। যোগাযোগ করতে পারবেন না যাদের সঙ্গে এতদিন ধরে কত প্ল্যান করে রেখেছিল আনন্দের মুহূর্ত তৈরি করার জন্যে। রাত ১টা। চট্টগ্রামের সুমন চলছে নারায়ানহাটের পথে, যা তার স্থান হতে ১২ কিলোমিটার দূরে। জানে না কেমনে পৌঁছাবে, নৌকা, রিকসা কিনবা কিছুটা পথ হেটে। কিন্তু কাজতো ফেলে রাখা যাবে না, তার দায়িত্ব নিরিবিচ্ছিন্ন নেটওয়ার্কের সম্মানিত রবির গ্রাহকের কাছে। এমনি কতো গল্প লুকিয়ে থাকে যা হয়তো ফেইসবুকে ভাইরাল হয় না, পায় না স্যালুট লিখা হাজার হাজার কমেন্ট কিন্তু নিরালা নির্ভিতে হাসি মুখে খেটে যায় এই সব নাম না জানা লোকগুলো, হয়তো একটা সেলফি তুলে রাখে নিজের আত্মততৃপ্তির জন্যে। এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি