ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮ ৫:১৩:১৪

ভিটামিনের অভাব অসময়ে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু!    

ভিটামিনের অভাবে নানান রোগের প্রাণকেন্দ্র হতে পারে আপনার শরীর ৷ গবেষণার তথ্য অনুসারে, দেশজুড়ে কয়েক লক্ষ মানুষ ভিটামিনের অভাবে ভোগেন ৷ ভিটামিনের অভাবে অসময়ে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু৷ ভিটামিনের অভাবে ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয় ৷ ফলে,খুব দ্রুত রোগাক্রমণের সম্ভবনা থাকে ৷ যার জন্য দায়ী অবশ্য আমাদের জীবনযাত্রাই৷   আপনার শরীরে ভিটামিনের অভাব রয়েছে বুঝবেন কীভাবে? ১) সকালে ফোলা চোখ নিয়ে ঘুম থেকে ওঠা ৷ অনেকের কাছেই বিষয়টি অবহেলার হলেও এটিও হতে পারে একটি অশুভ ইঙ্গিত ৷ প্রতিদিন যদি একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে থাকে ৷ তবে, আপনাকে এখনি সাবধান হতে হবে৷ ঘরোয়াভাবে এই অভাব পূরণ করতে খেতে পারেন আলু,দই ইত্যাদি৷  ২) বিবর্ণ ত্বক, হতে পারে আরও একটি লক্ষণ ৷ ভিটামিন (বি-১২) এর অভাবে ত্বকের স্বাভাবিক রঙে পরিবর্তন আসতে পারে ৷ এক্ষেত্রে দই হতে পারে একটি কার্যকরী উপাদান ৷  ৩) ভিটামিন (বি-৭) ও বায়োটিন অভাবে চুল হতে পারে রুক্ষ ৷ যেটা ভিটামিনের অভাব বলে গণ্য হতে পারে ৷ মুক্তির উপায় হতে পারে আমন্ড,বাদাম ইত্যাদি ৷  ৪) শরীরে আয়রনের অভাব হতে পারে একটি কারণ, যেখানে ঠোঁটের রঙে আসতে পারে বেশ পরিবর্তন ৷ প্রচুর শাক-সবজি হতে পারে মুক্তির উপায় ৷ খেতে পারেন পালং শাক, কড়াইশুঁটি ইত্যাদি। ৫) ভিটামিনের অভাব থেকে আরও একটি লক্ষণ দেখা যেতে পারে ৷ ভিটামিন সি এর অভাবে মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া ইত্যাদি হতে পারে৷ ভিটামিন-সি এর অভাব পূরণ করতে খেতে পারেন লেবু, আঙুর ইত্যাদি ভিটামিন সমৃদ্ধ ফলগুলো ৷ (সূত্রঃ কলকাতা ২৪ঘণ্টা) কেআই/এসি   

জয় বাংলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের শোক দিবস পালন 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জয় বাংলা মুক্তযোদ্ধ প্রজন্মলীগ।         আজ বুধবার সকালে ধানমন্ডীর ৩২ নম্বরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় তারা। এসময় শোক দিবস উপলক্ষ্যে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধায় উপস্থিত ছিলেন মো. আকরাম হোসেন বাদল সভাপতি জয় বাংলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বহী সংসদ। মো. কামরুল হাসান পাপ্পু সাধারণ সম্পাদক জয় বাংলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বহী সংসদ প্রমুখ।    এমএইচ/এসি      

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ফাহমিদা নবীর কণ্ঠে গান

এবারের জাতীয় শোক দিবসের আগেই জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফাহমিদা নবীর কণ্ঠে প্রকাশ হলো বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান ‘পিতার রক্তে’। ‘পিতার রক্তে রঞ্জিত এই বাংলাকে ভালোবাসি, তার রেখে যাওয়া এই বাংলার বুকে বারবার ফিরে আসি’ এমনই কথায় সুজন হাজংয়ের লেখা ও যাদু রিছিলের সুর করা গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন সুমন কল্যাণ। গানটি ১৪ আগস্ট একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে।      গানটিতে কণ্ঠ দেওয়া প্রসঙ্গে ফাহমিদা নবী বলেন, ‘গানটিতে বঙ্গবন্ধুকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গানের কথা ও সুরের মধ্যে বৈচিত্রময় অনুভূতির প্রকাশ পেয়েছে। জাতির জনকের জন্য সম্মান, অহংকার, বিষাদ, দেশপ্রেম, হাহাকার, প্রার্থনা এবং বিজয় এই সবগুলো অনুভূতি প্রকাশ হয়েছে এই গানে। গানটিতে কণ্ঠ দিতে পেরে আমি নিজেও সম্মানিত বোধ করছি।’ এই গানের সংগীত পরিচালক সুমন কল্যাণ বলেন, ‘বরাবরের মতই বিষয়ভিত্তিক এই গানের প্রতি আমার একটা আলাদা দুর্বলতা আছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান করেছি আগেও। এই গানটি আলাদা তৃপ্তি দিয়েছে মনে। ফাহমিদা আপা দারুন গেয়েছেন আশাকরি সবার মনে নাড়া দিবে এই গানটি।’ কেআই/এসি   

সাভারে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালন  

স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের ১৯৭৫ সালে হত্যা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হাসান তুহিন।   আজ বুধবার বিকালে আশুলিয়ার বসুন্ধরা এলাকায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ভক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, ১৯৭৫ সালের সেই অপশক্তি আজো বাংলাদেশ ও আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।    তুহিন বলেন, উনিশ শত পঁচাত্তর সালের এই দিনটি ছিলো বাঙ্গালী জাতির নিকট একটি কালো অধ্যায়। বর্তমান দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঘুরে দাড়িয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি যাতে আবারো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠতে না পারে সেদিকে আওয়ামীলীগের সকল নেতৃবৃন্দকে এক হয়ে কাজ করতে হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষীকি উপলক্ষ্যে সাভার উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আক্রান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আলোচনাসভা, মিলাদ, দোয়া ও গণভোজের আয়োজন করা হয়। এর আগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে সকালে সাভার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি শোক র‌্যালী বের করা হয়। দুপুরে পৌর আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে সাভার থানা বাসষ্ট্যান্ডে দোয়া মাহফিল ও গণভোজের আয়োজন করা হয়। অন্যদিকে সাভার পৌর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বাজার বাসষ্ট্যান্ডের আমিন কমিউনিটি সেন্টারের সামনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাভার পৌর ও উপজেলা আওয়ামীলীগ এবং সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে র‌্যালী, আলোচনাসভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এমএইচ/এসি      

অন্যায়কারীরা ছাত্রলীগ নয়, অনুপ্রবেশকারী: ড. হাছান মাহমুদ  

খারাপ কোন কিছু হলেই সেখানে ছাত্রলীগের নাম জড়িয়ে দিচ্ছে। অথচ পরবর্তীতে দেখা যায় অন্যায়কারী ছাত্রলীগই নয়, তারা অনুপ্রবেশকারী বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমস্ত সোনালি অর্জনে ছাত্রলীগের নাম জড়িয়ে আছে।   বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগ আয়োজিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র যখনই ছিনতাই হয়েছে, গণতন্ত্র যখনই বাক্সবন্ধি হয়েছে সেই ছিনতাইকৃত বাক্সবন্দি গণতন্ত্র ছাত্রলীগের নেতৃত্বে পুনঃপ্রতিষ্ঠীত হয়েছে। বাংলাদেশের সমস্ত অর্জনের সাথে ছাত্রলীগের নাম জড়িয়ে আছে। তাই ছাত্রলীগকে নিয়ে অনেকের মাথা ব্যাথা। সেই কারণে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অনেকেই অপপ্রচার চালায়।   গণমাধ্যমকে ইঙ্গিত করে হাছান মাহমুদ বলেন, ইদানিং কিছু কিছু গণমাধ্যম ছাত্রলীগকে কলুষিত করার জন্য ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। তিনি ছাএলীগকে তাদের চিহ্নিত করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেল গঠন করে সোচ্চার হওয়ারও আহবান জানান। হাছান মাহমুদ আরও বলেন, রাষ্ট্রপ্রধান কিংবা সরকার প্রধানকে হত্যা করার লক্ষে নয়, বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে হত্যা করার লক্ষেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল। যারা একাত্তরে আমাদের মুক্তিকামি মানুষের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছিল এবং বিদেশি শক্তি যারা এই রাষ্ট্রের অভ্যূদয় চায়নি তাদের সম্মিলিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে হত্যা করার লক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই কারনেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর বিভিন্নভাবে রাষ্ট্রের চরিত্র বদলে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বারংবার।    এ সময় তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার নিহত পরিবার বর্গের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। বরিকুল ইসলাম বাধনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না, সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন, বঙ্গবন্ধু হলের সাবেক সভাপতি দারুস সালাম সাকিল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রমুখ।    আআ/এসি   

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে শোক দিবস পালন  

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও ‘রক্তাক্ত ১৫ই আগস্ট’ জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে।     আজ বুধবার সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়। এসময় শোক দিবস উপলক্ষ্যে এক মিনিট নিরবতা পালন ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।  পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে হাই-কমিশনার শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাস উদ্দিন।  ফরাস উদ্দিন বলেন, স্বাধীনতাপ্রাপ্ত একটি দেশের আত্মবিকাশকে রুদ্ধ করাই ছিল এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড জাতির অস্তিত্ব ও মননে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করে। তবে সে ক্ষতের কিছুটা উপশম হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে খুনিদের বিচারের মাধমে।   দূতাবাসের কাউন্সিলর (শ্রম) মো. সায়েদুল ইসলামের পরিচালনায় আলোচনা সভায় রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের ডিফেন্স উইং প্রধান এয়ার কমডোর হুমায়ূন কবির।   প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতালয় প্রধান ওয়াহিদা আহমেদ। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বানী পাঠ করেন প্রথম সচিব তাহমিনা ইয়াসমিন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দ্বিতীয় সচিব শ্রম ফরিদ আহমদ। আলোচনা সভায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী নিয়ে আলোচনা করেন হাই কমিশনার শহীদুল ইসলাম।  এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মিনিস্টার (পলিটিক্যাল) রইছ হাসান সারোয়ার, শ্রম শাখার প্রথম সচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল, কমার্শিয়াল উইং মো. রাজিবুল আহসান, ফার্ষ্ট সেক্রেটারি মো. মাসুদ হোসাইন,পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার প্রথম সচিব মো. মশিউর রহমান তালুকদারসহ মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। এমএইচ/এসি     

বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী  

তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জানলেই জানা হবে বাংলাদেশকে।   তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, একটি জাতি, একটি মানচিত্র, একটি পতাকা, আমাদের স্বাধীনতা। নিন্দুক আর জাতির শত্রুরা বঙ্গবন্ধুর উচ্চতা একচুল খাটো করতে পারেনি।’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বুধবার সকাল ১১টায় রাজধানীর কাকরাইলে বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউট (পিআইবি) মিলনায়তনে তথ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।   তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন ও বাংলাদেশকে নিরাপদ ও স্থায়ী করতে বঙ্গবন্ধু হত্যার রাজনীতির বাহকদের সমাজ, রাজনীতি ও ক্ষমতা থেকে নির্বাসনে পাঠাতে হবে।’  প্রধান তথ্য অফিসার কামরুন নাহারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর রশীদ। ‘পঁচাত্তর সালের পর বিএনপি-জামায়াত-খালেদা চক্র ধারাবাহিকভাবে ষড়যন্ত্র-হত্যা-খুনের অপরাজনীতি করছে উল্লেখ করে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘তারা ১৫ আগস্ট মিথ্যা জন্মদিন পালনের নামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনীদের পক্ষে উল্লাস, ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা, জঙ্গি-সন্ত্রাস ও আগুন দিয়ে মানুষ পোড়ানো, যুদ্ধাপরাধীর বিচার আটকানো আর নির্বাচন বানচাল করে অস্বাভাবিক সরকার তৈরির চক্রান্ত করে আসছে, এদের ক্ষমা নেই।’ আরও বক্তব্য রাখেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো.আজহারুল হক, জাতীয় গণমাধ্যম ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক মো. রফিকুজ্জামান ও পিআইবি’র মহাপরিচালক মো.শাহ আলমগীর। এছাড়া আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর ও গণগ্রন্থাগারের যৌথ আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ও আলোকচিত্রের দু’দিনব্যাপী প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘এই প্রামাণ্যচিত্র ও আলোকচিত্রগুলো সাক্ষী দিচ্ছে বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতির পিতা, বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতিসত্তার নির্মাতা।’ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইসতাক হোসেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ ও প্রধান তথ্য অফিসার কামরুন নাহার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন গণগ্রন্থাগারের মহাপরিচালক আশীষ কুমার সরকার। (সূত্রঃ বাসস) কেআই/এসি     

সাভারে অপহৃত প্রবাসী উদ্ধার, নারীসহ আটক ৬   

সাভারে এক প্রবাসীকে অপহরনের ঘটনায় এক নারীসহ ৬ অপহরনকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।    বুধবার দিনব্যাপী সাভারের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সাভারের লালটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত মো. জাহিদকে (৩০) অসুস্থ্য অবস্থায় উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- কক্সবাজার জেলার মহেশ খালী থানার চান্দুর চর এলাকার মো. সেলিমের মো. আবির (২৬), গাজীপুর জেলার কাপাশিয়া থানার জাকিয়া গ্রামের আবদুল রহমানের ছেলে ফয়সাল খান (২৮), শরিয়তপুর জেলার জাজিরা থানার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মো. খোকনের ছেলে স্বপন (২৫), পাবনা জেলার ইশ্বরদী থানার আশনা গ্রামের আব্দুর রহিম তুফানের ছেলে মৃদুল হাসান (২৪), নারায়নগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানা এলাকার মনোয়ার হোসেনের স্ত্রী শ্রাবনী ইসলাম রুবা (৩৮), ঢাকার সাভার পৌর এলাকার সিআরপি মহল্লার আব্দুল কালামের ছেলে মো.মারুফ (২৫)। উদ্ধার হওয়া জাহিদ সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ মহল্লার মো. খলিলের ছেলে। এছাড়া অপহরনের ঘটনায় উদ্ধার হওয়া জাহিদ সাভার পৌর এলাকার শাহীবাগ মহল্লার মো. খলিলের ছেলে। পুলিশ জানায়, গত ১৩ আগষ্ট বিকেলে সাভার সিটি সেন্টারের সামনে থেকে কৌশলে চেতনা নাশক ঔষধ দিয়ে প্রবাসী জাহিদকে অচেতন করে নিয়ে যায় অপহরনকারীরা। এঘটনায় অপহৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে ১৪ আগষ্ট সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।  এঘটনায় পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তির বব্যহার করে বুধবার দিনব্যাপী সাভারের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহরনের ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করেন সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শ (এসআই) ইবনে ফরহাদ। এসময় তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একটি বাসা থেকে অসুস্থ্য অবস্থায় জাহিদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এমএইচ/এসি       

স্বাধীনতা দিবসে সারা আলী খানের পোস্ট  

বলিউডে আসার আগে এবার ইনস্টাগ্রামে ডেবিউ করলেন সারা আলি খান। ৭২তম স্বাধীনতা দিবসের দিনই ইনস্টাগ্রামে একাউন্ট খুললেন সইফ-কন্যা।   ইনস্টাগ্রামে নিজের একাউন্ট খোলার পর পরই সেখানে সারা কি পোস্ট করলেন জানেন? নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ‘জনগণমন’ দিয়েই প্রথম পোস্ট করেন সারা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি দিয়ে সেই পোস্ট শেয়ার করেন সইফ-কন্যা। সারার সেই পোস্ট ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের দিন দেশাত্মবোধকে জাগ্রত করেই ইনস্টাগ্রামে ডেবিউ করেন সারা আলি খান। এদিকে বলিউডে ডেবিউ করার জোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন সইফ-কন্যা। সম্প্রতি ধর্মা প্রোডাকশনের সঙ্গে কাজ করছেন জনপ্রিয় এই স্টার-কিড।  রহিত শেঠির পরিচালনায় ধর্মার ব্যানারে চলছে সারার ‘সিম্বা’-র শুটিং। যেখানে রণবীর সিং-এর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করছেন সারা আলি খান। সম্প্রতি সারা, রণবীর এবং রোহিত শেঠিকে নিয়ে ‘সিম্বা’-র একটি পোস্টারও শেয়ার করেন করণ জহর। যা দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন রণবীর সিং-এর ভক্তরা। রণবীর সিং-এর সঙ্গে সারা আলি খানের জুটির ফলে বলিউড আবার নতুন কোনও অনস্ক্রিন ‘কাপল’-কে পেল বলেই মনে করছে বি টাউন ক্রিটিকরা।   তবে ‘সিম্বা’ দিয়ে নয়, সারা আলি খান বলিউডে ডেবিউ করবেন ‘কেদারনাথ’ দিয়ে। পরিচালক অভিষেক কাপুরের সিনেমার শুটিং ইতিমধ্যেই শেষ করে ফেলেছেন সারা। এই সিনেমায় সারা আলি খানের সঙ্গে রয়েছেন সুশান্ত সিং রাজপুত। তবে কবে মুক্তি পাবে ‘কেদারনাথ’, সে বিষয়ে স্পষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি। এমএইচ/এসি   

কাল বরেণ্য সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের দাফন   

দেশবরেণ্য সাংবাদিক গোলাম সারওয়ারের মরদেহ আগামীকাল সকাল ৯টায় তার কর্মস্থল সমকাল কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে সহকর্মীদের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে তার দ্বিতীয় জানাজা। এরপর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সেখানে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। শ্রদ্ধা জানানো শেষে মরদেহ নেয়া হবে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে। সেখানে সাংবাদিকরা তাদের অভিভাবকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হবে আরেকটি জানাজা। এরপর বাদ আসর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন সবার প্রিয় গোলাম সারওয়ার।  এরআগে আজ দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে গোলাম সারওয়ারের মরদেহ তার নিজ গ্রাম বরিশালের বানারীপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রথম জানাজা শেষে তাকে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।    উল্লেখ্য, নিউমোনিয়া ও ফুসফুসের সংক্রমণ ঘটার পর ২৯ জুলাই রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি হন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি গোলাম সারওয়ার। অবস্থার অবনতি হলে ৭৫ বছর বয়সী এই সাংবাদিককে ৩ আগস্ট সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ২৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এরপর মঙ্গলবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশে আনা হয় সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের মরদেহ। এমএইচ/এসি          

এস কে সিনহা নিকৃষ্ট মানুষ: চবি উপাচার্য  

সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে ‘নিকৃষ্ট জানোয়ার’ বলে সম্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।    বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকালে ফুল দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপাচার্য।    সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা সরাসরি জড়িত উল্লেখ করে ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘তাদের পরিকল্পনা মতো আজ ১৫ আগস্ট নতুন সরকার গঠনের কথা ছিল।’ তিনি আরো বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধী হিসেবে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত মীর কাসেম আলীর ভাই মামুনের সঙ্গে বিদেশের মাটিতে মিটিংও করে তথাকথিত প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা। সে পুরো বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রধান চক্রান্তকারী । আর এসবের জন্যে সে মামুনের কাছ থেকে টাকা পাচ্ছে।’   এস কে সিনহার প্রতি ক্ষোভের কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমার ক্ষোভ অন্য জায়গায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে না জানিয়ে ১৭ জন শিক্ষার্থীকে অবৈধভাবে ভর্তি করে ১০টি মেডিকেল কলেজ। আদালত সেই কলেজগুলোকে ১০ কোটি টাকা জরিমানা করে।’   একইভাবে ৫টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে আমাদের ৫ কোটি টাকা পাবার কথা থাকলেও আমরা পাইনি। তবে এই টাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছে। কিন্তু এস কে সিনহা চবির ৩ কোটি টাকা কনকর্ডকে দিয়ে দেয়। যারা তাকে বাড়ি করে দিচ্ছে। তাদের নাকি ক্যান্সার হাসপাতাল আছে।    তার এসব দুর্নীতি ও জালিয়াতির প্রমাণ দুদক পেয়েছে। যদিও আদালতের মাধ্যমে পরে আমরা ২ কোটি টাকা পাই। সেই টাকা দিয়ে বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্যসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। ডেপুটি রেজিস্ট্রার (তথ্য ও ফটোগ্রাফি) ফরহাদ হোসেন খাঁনের সঞ্চালনায় শোক দিবসের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে দেন রাখেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে.এম নূর আহমেদ, সিনেট সদস্য অধ্যাপক ড. সুলতান আহমেদ, সিন্ডিকেট সদস্য ও সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক সেকান্দার চৌধুরী, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এবিএম আবু নোমান, প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. সালাউদ্দিন আহামেদ, সাধারণ সম্পাদক অলোক পাল প্রমুখ। এমএইচ/এসি    

কাতার বাংলাদেশ দূতাবাসের জাতীয় শোক দিবস পালিত  

বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে ১৫ই আগস্ট কাতার বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে।   স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মধ্য দিয়ে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। দূতাবাস প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামমুখর জীবন, আদর্শ ও কর্ম সম্পর্কিত একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনায় রাষ্ট্রদূত স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতির জনকের অসামান্য আত্মত্যাগ এবং অবিস্মরণীয় ও একক নেতৃত্বের কথা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।    তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যখন একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেছেন ঠিক তখনই স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধী চক্র জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে যা মানব সভ্যতার ইতিহাসে একটি জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত। রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমাদের সভাপতিত্বে ও প্রথম সচিব (পাসপোর্ট ও ভিসা) নাজমুল হাসান সোহাগের সঞ্চালনায় দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ ও কাতারে  বসবাসরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় সভায় বঙ্গবন্ধু, তার সহধর্মিনী, শিশুপুত্র শেখ রাসেলসহ ১৫ই আগস্টের বর্বর হত্যাকাণ্ডে শাহাদাৎ বরণকারী অন্যান্য শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এছাড়াও রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাসের পক্ষ থেকে ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, শ্রমিক লীগ, যুবলীগ, নবীন লীগ কাতার শাখার নেতৃবৃন্দ সারিবদ্ধভাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী অনুষ্ঠানে পাঠ করে শোনানো হয়। এমএইচ/এসি     

বিস্ময় বালিকা এস্থার লি!

সিডনির পাঁচ বছরের খুদে শিশু এস্থার লি। তার মুখের দিকে তাকালে সত্যি অবাক হতে হয়। নিজের কানকে বিশ্বাস নাও হতে পারে। মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এও কীভাবে সম্ভব? বয়স মাত্র পাঁচ। অথচ এই বয়সেই সে ১৯৫টি শহরের নাম অনর্গল বলতে পারে। তাঁর এমন পাণ্ডিত্যের কারণে তাঁকে বিস্ময় বালিকা ছাড়া আর কীই বা বলা যেতে পারে!     ২০১৬ সালে মাত্র তিন বছর বয়সে বিরল কীর্তি করে সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছিল সে। বিশ্বের ১৯৫টি দেশের রাজধানীর নাম এক নিমেষে বলে দিতে পারত। এখন, যত বড় হচ্ছে দুনিয়াকে ততই বিস্মিত করে দিচ্ছে সে। কারণ বর্তমানে এই খুদে শিশু চোখ বন্ধ করে বলে দিতে পারে শেক্সপিয়ারের বড় বড় কবিতাও। এখানেই শেষ নয়। প্রতিভাবান লি এখন তিনটি ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারে। উচ্চারণে শৈশবের ছোঁয়া থাকলেও তার মস্তিষ্ক যে কোনও প্রাপ্তবয়স্ককেও হার মানায়। পাঁচ বছরের এই শিশু খেলাধুলো, পড়াশোনা খুব বেশি হলে নাচ-গান নিয়ে ব্যস্ত থাকবে, এমনটা দেখেই অভ্যস্ত সাধারণ মানুষের চোখ। কিন্তু এস্থার তো আর যে সে মেয়ে নয়। বাবা-মা তাঁকে কী খাইয়ে মানুষ করছেন, এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই জাগে। সম্প্রতি একটি লাইভ অনুষ্ঠানে শেক্সপিয়রের ‘রোমিও জুলিয়েট’ শুনিয়েছে সে। যা ভাবতেও অনেকের অবাক লাগবে, তা বাস্তবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করে চলেছে লি। স্বাভাবিকভাবেই তার অসামান্য পারফরম্যান্স হাততালি কুড়িয়েছে দর্শকদেরও। শেক্সপিয়ার তার কতটা প্রিয়, সে কথাও জানাতে ভোলেনি খুদে ওস্তাদ। বলে, ‘শেক্সপিয়রের সব লেখাই আমার পছন্দ। উনি দারুণ কবি ছিলেন।’  মাত্র ১৮ মাস বয়সেই এস্থারের বাবা-মা বুঝেছিলেন তাঁদের সংসারে বিস্ময় বালিকার জন্ম হয়েছে। কারণ তখন থেকেই তাকে কোনও এক শহরের নাম বললে সে আর তা ভুলত না। এমন সন্তানের জন্ম দিয়ে গর্বিত ও আপ্লুত এস্থারের অভিভাবক। কেআই/এসি   

‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার’

নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার।’ তিনি বলেন, বিদেশে পালিয়ে থাকা এই খুনীদের দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সংশ্লিষ্টরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।   বুধবার বিকেলে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ‘বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল’ উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো.ওয়াহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার শাহজাহান হাওলাদার ও সাবেক পৌর মেয়র খলিলুর রহমান খানসহ অন্যরা। নৌপরিবহন মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিদেশে যারা পালিয়ে আছে তাদের ফেরত আনতে হলে বিদেশী আইন ও বিধি বিধান মেনেই ফেরত আনতে হবে। তবে কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রে যে খুনি রয়েছে তাকে ওই দেশের সরকার ফেরত দিতে সম্মত হয়েছে। খুনিদের আদালতের বিচারের পাশাপাশি প্রাকৃতিক বিচারও হয়েছে। এই বিচারে অনেকে মারাও গেছেন বলেও জানান নৌমন্ত্রী।’ (সূত্রঃ বাসস) কেআই/এসি    

চবিতে জাতীয় শোক দিবস পালিত 

যথাযোগ্য মর্যাদায়, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) পালিত হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস।  দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচী গ্রহন করে। এর মধ্যে ছিল, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, শোক র্যালি, আলোচনা সভা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত, দোয়া মাহফিল ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের স্ব স্ব উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা এবং কালো ব্যাইজ ধারণ করা হয়।                            আজ বুধবার সকাল ৯ টায় প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচী শুরু হয়। পরে উপাচার্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কীর্তির উপর ‘শোকাবহ ১৫ আগস্ট’ শীর্ষক আলাচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য জীবন একটি মহাগ্রন্থ। যিনি বিশ্ব মানচিত্র স্থান করে দিয়েছেন বাংলাদেশ নামক একটি জাতি-রাষ্ট্র, যার জন্ম না হলে বাঙালি জাতি কোনদিনও অর্জন করতে পারতো না একটি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। তিনিই বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।   তিনি আরো বলেন, জাতির জনকের হত্যার রক্তক্ষরণ বাঙালি জাতিকে যুগ যুগ ধরে বয়ে বেড়াতে হবে। এ বিশ্ব নেতা মানবতার প্রতীক, মানব মুক্তির অগ্রদূত, নিপীড়িত-নির্যাতিত মুক্তিকামী মানুষর আলোকবর্তিকা। তিনি আরো বলেন, পচাত্তরের ১৫ আগস্ট হায়নার দল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে চেয়েছিল একটি জাতি-রাষ্ট্রকে ধংস করতে। কিন্তু তাদের সেই আশা পূরণ হয়নি। বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধু কন্যা আধুনিক বাংলাদশের রূপকার শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্ব দরবারে আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশ বর্তমান উন্নয়ন-অগ্রগতির সকল সূচকে বিশ্বে এখন উন্নয়ন রোল মডেল হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। আলাচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান আয়োজন কমিটির সদস্য সচিব ও প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী। আলাচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার,  কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. আহমেদ সালাউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. অলক পালসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। এমএইচ/এসি    

টিএসসিতে বঙ্গবন্ধুর ৪৩ ফুট উচ্চতার চিত্রকর্ম [ভিডিও]  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সবচেয়ে বড় চিত্রকর্ম দেখতে ভিড় করছেন বহু মানুষ।   ৪৩ ফুটের এই চিত্রকর্ম মনে করিয়ে দিচ্ছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। ৩০ জন শিল্পীর ১৫ দিনের নিরলস পরিশ্রম মূর্ত করে তুলেছে স্বাধীনতার স্থপতিকে।   জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহদাতবার্ষিকীতে সবচেয়ে বড় চিত্রকর্মটি রাখা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএসসি এলাকায়। রং তুলির ছোঁয়ায় বঙালির সবচে প্রিয়জনকে ফুটিয়ে তুলেছেন শিল্পীরা। চিত্রকর্ম দেখতে আসা মানুষেরা বলছেন, বঙ্গবন্ধু দেশ ও দেশের সংস্কৃতিকে ভালোবাসতেন। জীবনভর সংগ্রাম করেছেন স্বাধীনতার জন্য। বাংলাদেশের স্থপতির আর্দশ ধারণের আহ্বান তাদের কন্ঠে।  ছবির একপাশে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা অন্নদা শঙ্কর রায়ের কবিতাটি স্থান পেয়েছে। বাঙালির চেতনায় বঙ্গবন্ধু তাই অবিনশ্বর।    শিল্পীদের আঁকা বিশাল এ ছবির মঞ্চের সামনে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুর ছায়াতলে থাকারই অনুভূতি কারো কারো। দেড়শ শিল্পীর তত্ত্বাবধায়নে ৩০ জন শিল্পীর রঙতুলির ছোঁয়ায় মূর্ত হয়ে উঠেছে চিত্রকর্মটি। জাতির জনকের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকীতে চিত্রকর্মের উচ্চতা ৪৩ ফুট নির্ধারণ করে চারুশিল্পী সংসদ। ভিডিও:   এসি    

বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীর মিলাদে প্রধানমন্ত্রী  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাদ আছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২-এ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশ গ্রহণ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, জামাতা খন্দকার মাশরুর হোসেন, শেখ রেহানার পুত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যগণ ও আত্মীয়-স্বজনরা মাহফিলে যোগ দেন।   এ ছাড়া, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী এবং বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগ ও যুব মহিলা লীগের নেতা-কর্মীরা দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন। মাহফিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও ১৫ আগস্টের অন্য শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এ ছাড়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেও মোনাজাত করা হয়। এসি  

জাতীয় শোক দিবসে উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া-প্রার্থনা   

জাতীয় শোক দিবসে মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ দোয়া-মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়েছে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া-মোনাজাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। ঢাকেশ্বরিতে বিশেষ প্রর্থনা সভায় শহীদদের আত্মার শান্তি কামণা করা হয়। এছাড়া গির্জা ও প্যাগোডায়ও হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা।    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহদাত বার্ষিকীতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে বিশেষ দোয়া-মোনাজাত। অংশ নেন মুসল্লিরা। বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের বিশেষ মোনাজাতে ১৫ই আগস্ট কাল রাতে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়। বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন ছিল ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে। পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করা হয় শ্লোক। শোককে শক্তিতে পরিনত করে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য প্রার্থণা করেন ভক্তরা। বিশেষ প্রার্থনা হয়েছে তেজগাঁও চার্চে। প্রার্থনায় বঙ্গবন্ধুর চেতনায় দেশের উন্নয়নে কাজ করতে সকলের প্রতি আহবান জানানো হয়। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরাও জাতীয় শোক দিবসে আয়োজন করে বিশেষ প্রার্থনার। বাসাবো বৌদ্ধ মন্দিরে প্রার্থনায় দেশ জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়। ভিডিও:  এসি   

বকেয়া বেতন ও বোনাসের দাবীতে শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচি 

ঢাকার অদূরে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় এক কারখানার বকেয়া বেতন, ঈদ বোনাস ও বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে কারখানার শ্রমিকরা। আজ বুধবার বাঁধন কর্পোরেশন লিমিটেড নামের ওই কারখানার ভিতরে অবস্থান কর্মসূচিসহ সড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকরা। এ ঘটনায় কারখানার ভেতরে মালিকপক্ষের এক কর্মকর্তাসহ কারখানার পাঁচ স্টাফকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে শ্রমিকরা। তবে বিজিএমইএ’র সাথে বৈঠকের মাধ্যমে এই সংকট নিরসন হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন কারখানা কতৃপক্ষ। বুধবার সকাল থেকে জামগড়া এলাকার মেসার্স বাঁধন করপোরেশন লিমিটেড নামে কারখানার কয়েক’শ শ্রমিক এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামান্না ইসাবেলা বাঁধন-এর উপদেষ্টা নূর উদ্দিন জানান, বিগত এক বছর ধরে শুধু সাব-কন্ট্রাক্টের কাজ থাকায় প্রায় অর্ধকোটি টাকা ভর্তুকি গুণতে হচ্ছিল মালিককে। গত জুন মাসে প্রায় ১৫ লাখ টাকা বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা হলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। ফলে সাব-কন্ট্রাক্টের প্রায় ৮০ হাজার কাজ নির্দিষ্ট সময় শেষ করার জন্য তাদের বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত খরচ করে জেনারেটর চালাতে হয়েছে। কিন্তু জুলাই মাসের ১০ তারিখ শ্রমিকরা বকেয়া জুন মাসের বেতনের দাবিতে কাজ বন্ধ করে দিয়ে কারখানায় কর্মবিরতি পালন করে। ফলে সার্বিক দিক দিয়ে বিপাকে পড়েন কারখানার মালিক। এসময় তিনি শ্রমিকদের ২০ জুলাই বেতন পরিশোধ করা হবে বলে কাজ বন্ধ না রাখতে অনুরোধ করলেও এতে লাভ হয়নি।   পরবর্তীতে উপায়ন্তু না পেয়ে মালিক কারখানাটি বন্ধ করতে বাধ্য হন। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মালিকের নির্দেশে শ্রমিকদের জুন মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য তিনি ও পাঁচ জন স্টাফ কারখানায় আসেন। কিন্তু শ্রমিকরা এক মাসের বেতন না নেওয়ার কথা জানিয়ে জুলাই মাসের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে তাদের কারখানার অফিস কক্ষে আটকে রাখে।    তিনি আরো জানান, বিজিএমইএ’র সাথে আজকের বৈঠকের মাধ্যমে শ্রমিকদের সমস্ত পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার বিষয়টি সুরাহা হবে বলে আশ্বাস দেন। এদিকে কারখানার সামনে অবস্থান নেওয়া শ্রমিকরা জানায়, টাকার অভাবে তাদের বাসা ভাড়া ও দোকানের টাকা বাকী পড়েছে। সামনে ঈদকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দেয়ালে তাদের পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা। এখন তারা যখন উপায়ন্তু না পেয়ে আন্দোলনে নেমেছেন তখন কেবল জুন মাসের বকেয়া পরিশোধ করা হবে বলে মালিক লোক পাঠিয়েছে। কিন্তু এত দিন কর্মহীন অবস্থা পার করার পর সামনে ঈদকে কেন্দ্র করে তারা পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বলেও জানান শ্রমিকরা।     তাই তাদের বকেয়া তিন মাসের বেতন ও ঈদ বোনাসসহ বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবি জানান তারা। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার ছানা শামিনুর রহমান শামীম জানান, যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কারখানার অভ্যন্তরে শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া বিকেলে মালিকপক্ষ ও বিজিএমইএ’র বৈঠকের পর শ্রমিকরা তাদের পাওনা বুঝে পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুন মাসের বকেয়া বেতনের জন্য গত ৩১ জুলাই কারখানার সামনে প্রথম অবস্থান কর্মসূচি পালন করে শ্রমিকরা। এরপর অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ থাকায় গত ১৪ আগস্ট টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কে বিক্ষোভ করে শ্রমিকরা।    এমএইচ/এসি   

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি