ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:২৭:২৬

বাংলা টিভির ইউরোপে দুই দশক ও বাংলাদেশে দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ 

স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল বাংলা টিভি ইউরোপে দুই দশক ও বাংলাদেশে দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণে "সুধী সমাবেশ ও ঈদ পুনর্মিলনী উৎসব" করেছে বাংলা টিভি দর্শক ফোরাম কাতার।  কাতারের স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা রাজধানী দোহার নাজমা রমনা রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ কমিউনিটির বিশিষ্টজনদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত এক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আন্তর্জাতিক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও বাংলা টিভির ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম দস্তগীর নিশাদ।  সভাপতিত্ব করেন প্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইয়াসিন। কবি মফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাংলা টিভি কাতার প্রতিনিধি আকবর হোসেন বাচ্চু। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকৌশলী আবু রায়হান, জামাল উদ্দিন আহমেদ তফাদার, বোরহান উদ্দিন মোল্লা, মোহাম্মদ কপিল উদ্দিন, মোল্লা রাজিব রাজ, শেখ ফারুক আহম্মেদ ও জিএম ওমর শরিফ টিটু। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন লেখক ও সাংবাদিক সাহাবুদ্দিন সামিম, মোহাম্মদ দিদারুল আলম, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, কাজী আশরাফ হোসেন, আল আমিন, সাংবাদিক এম এ সালাম ও হারুনুর রশিদ মৃধা। বাংলা টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটেন অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা। অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন কাতারে জনপ্রিয় ব্যান্ডদল শ্রাবণ ও অতিথি শিল্পী রিভি চৌধুরী, এসময় নৈশভোজের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।  কেআই/এসি  

ফেসবুকে বিদ্রুপের শিকার আর্জেন্টিনার সমর্থকরা

বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার ফুটবল দলের যে লাখ লাখ সমর্থক, বিশ্বকাপে গতরাতে ক্রোয়েশিয়ার কাছে শোচনীয় হারের পর এখন তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের শিকার হচ্ছেন। ফেসবুক-টুইটারে গতরাত থেকেই রীতিমত মাতম চলছে এ নিয়ে। যারা আর্জেন্টিনার সমর্থক, তারা এতটাই স্তম্ভিত যে, বেশিরভাগই চুপ মেরে গেছেন। মৌ ইসলাম মিম নামে একজন লিখেছেন, "প্রতিক্রিয়া জানানোর মতো মানসিকতাও হারিয়ে গেছে গতকাল থেকে।" নাজিম উদ্দীন নামে আরেকজনের মন্তব্য, "আসলে মেসি হাল ছেড়ে দিয়েছে গত বিশ্বকাপেই। এবারের খেলাটা ছিল মনের বিরুদ্ধে জোর করেই। আর ফুটবলে দশজন প্লেয়ারের কি করার আছে, যদি একজন গোলকীপারের ভুলে দল বিপর্যয়ের মুখে পড়ে?" অসিত মুখোপাধ্যায় নামে আরেকজন লিখেছেন, "সত্যি কথা বলতে কি, ভাবা যাচ্ছে না। আমি কোন দলের সমর্থক নই, ভালো খেলা দেখতে চাই। এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না। এত শোচনীয় অবস্থা আমি আর্জেন্টিনা দলের কখনো দেখিনি। ফেসবুকে অনেকে শেয়ার করেছেন দলের পরাজয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়া এক ছেলের ভিডিও। কোনভাবেই তাকে শান্ত করা যাচ্ছে না আর্জেন্টিনার এই সমর্থককে। আর বাংলাদেশে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির ব্রাজিলের সমর্থক যারা, তারা আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ব্যঙ্গ-বিদ্রুপে জর্জরিত করার এই সুবর্ণ সুযোগটি পুরোপুরিই কাজে লাগাচ্ছেন। আর্জেন্টিনার এই শোচনীয় অবস্থার পর যারা দল বদলের কথা ভাবছেন, তাদের জন্য একটি আবেদনপত্র ছেড়েছেন ব্রাজিল সমর্থকরা!  কিভাবে দল হেরে গেল দ্রুত জার্সি পাল্টে বিজয়ী দলের সমর্থক বনে যাওয়া যায়, সেটার উদাহারণ হিসেবে একটি ভিডিও শেয়ার করছেন অনেকে। ক্রোয়েশিয়ার কাছে শোচনীয় হারের পর আর্জেন্টিনার সমর্থকরা এখন যেরকম হতাশ অবস্থায় আছেন, তাদের প্রতি বিশেষ নজর রাখা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন বিপুল রহমান নামে একজন। "আপনার আশে-পাশে থাকা আর্জেন্টিনার সাপোর্টারদের সঙ্গ দিন। তাদের পানির বোতল এগিয়ে দিন, নেশা জাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে রাখুন।"   আরেকটি ছবিও অনেকের ফেসবুক ওয়ালে দেখা যাচ্ছে। একজন আর্জেন্টিনা সমর্থক দলের বিপর্যয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছেন! তার মাথায় পানি ঢালছেন এক ব্রাজিল সমর্থক। সূত্র: বিবিসি বাংলা     এসি   

সৈকতে নেমে আমেরিকা প্রবাসীর মৃত্যু

  কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে গোসল করতে নেমে আমেরিকা প্রবাসী এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোহাম্মদ আরাফাত আলী (২২) চট্টগ্রাম শহরের হালিশহর মধ্য রায়পুরা এলাকার মো. আলী আলকারাস মুন্সীর ছেলে। কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে মো. আরাফাতসহ তিন বন্ধু সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে গোসল করতে নামেন। এক পর্যায়ে ভাটার স্রোতের টানে তিনি ভেসে যেতে থাকেন। এ সময় আরাফাতের সঙ্গে গোসলে নামা বন্ধুরা চিৎকার শুরু করেন। এরপর সেখানে থাকা লাইফ গার্ডের কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুপুর ২টার দিকে নিহতের মৃতদেহ নিয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রামের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। নিহতের পরিবারের সূত্র জানা যায়, আরাফাত ২০ রমজান আমেরিকা থেকে চট্টগ্রাম আসেন। গত বুধবার বাবা-মাসহ পরিবারের সঙ্গে কক্সাবাজার বেড়াতে আসেন তিনি। সেখানে তারা হোয়াইট অর্কিড নামের এক হোটেলে উঠেন।     এমএইচ/ এসএইচ/

সরকার সংলাপে আসতে বাধ্য হবে: মওদুদ  

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, সময় আসলে বর্তমান সরকার সংলাপে আসতে বাধ্য হবে। এটা সময়ের ব্যাপার। এখন বলা যাবে না। আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা তিনি এ মন্তব্য করেন। সংলাপ নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের দেওয়া এক বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, যার নির্বাচনী এলাকায় গণতন্ত্রের লেশমাত্র নাই। তার বক্তব্যের কী জবাব দেবো? সংলাপের প্রয়োজন আপনারা (ওবায়দুল কাদের) বোধ করবেন। আর সময় আসলে বর্তমান সরকার সংলাপে আসতে বাধ্য হবে। এটা সময়ের ব্যাপার। এখন বলা যাবে না। আওয়ামী লীগ সহজে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চায় না। কিন্তু জনগণের আন্দোলন ও জোয়ারের মুখে তারা এটা করতে বাধ্য হবে। তিনি বলেন, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আর বেগম জিয়াকে মুক্ত করেই তার নেতৃত্বে আন্দোলনকে সফল করার জন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, নির্বাচনের আগে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। এটা হচ্ছে অন্যতম শর্ত। নির্বাচনের ৯০ দিন আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েন করতে হবে এবং বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে হবে। এগুলো হলেই দেশে নির্বাচনের পরিবেশ ফিরিয়ে আসবে। সভায় জাগপার সভাপতি অধ্যাপিকা রেহেনা প্রধান, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন । আরকে// এসএইচ/

মুখ খুললেন সাম্পাওলি, দোষ দিলেন মেসির ঘাড়ে

ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে হারের বিষয়ে মুখ খুলেছেন আর্জেন্টাইন কোচ সাম্পাওলি। প্রথমে নিজের ঘাড়ে দোষ দিলেও এবার লিওনেল মেসির এক হাত নিয়েছেন তিনি। পুরো ম্যাচজুড়েই মেসি থেকেছেন ছায়া হয়ে। মেসির এই অনুজ্জ্বল পারফরমেন্স-ই আর্জেন্টিনাকে ডুবিয়েছে বলে দাবি করেছেন সাম্পাওলি। এদিকে লিওনেল মেসির প্রথম ম্যাচের পারফরমেন্স নিয়েও অসন্তুষ্ঠ সাম্পাওলি। শুধু লিওনেল মেসি-ই নয় সাম্পাওলি দোষ চাপাচ্ছেন অন্য ফুটবলারদের উপরও। ফুটবলারদের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সাম্পাওলি। তিনি বলেন, আমার সুন্দর ফরম্যাটের সঙ্গে ওরা অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারেনি। তাই আমাদের হারতে হয়েছে। সূত্র: ডেইলি সান এমজে/

নড়াইলে কেমিক্যাল মিশ্রিত ৩০ মণ আম জব্দ

নড়াইল সদর উপজেলার আফরা গ্রামে কেমিক্যাল মিশ্রিত ৩০ মণ আম জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এ আম জব্দ করা হয়। এ সময় আম ব্যবসায়ী মালেক ফারাজী (৪০) ও সোহরাব মোল্লাকে (৬০) আটক করে পুলিশ। পরে তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালমা সেলিম। নড়াইল সদর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেখহাটি ইউনিয়নের আফরা গ্রামের আম ব্যবসায়ী মালেক ফারাজীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কেমিক্যাল মিশ্রিত ৩০ মণ আম জব্দ করে তা জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।  তারা বিভিন্ন মৌসুমি ফলে বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশিয়ে বাজারে বিক্রি করে আসছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সদর ইউএনও সালমা সেলিম জানান, মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করার অপরাধে দুই আম ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত আম ও এক বোতল কেমিক্যাল জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। এ সময় শেখহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বুলবুল আহম্মেদসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এদিকে নড়াইলের সচেতনমহলসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ বলেন, আমের বিভিন্ন আড়তসহ ব্যবসায়ীদের মাঝে এ ধরনের অভিযান চালানো প্রয়োজন। পাশাপাশি সবার মাঝে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। একে//

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিজস্ব ভবন

২৩ জুন দিনটি ঐতিহাসিক। ২৩ জুন ১৭৫৭ সালে পলাশীতে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে প্রায় ২০০ বছর পর আবার ২৩ জুন ১৯৪৯ সালে রোজ গার্ডেন থেকে এক দীর্ঘ অভিযাত্রার শুরু। বর্তমানে আরেক মাহেন্দ্রক্ষণে আমরা উপস্থিত। ২৩ জুন ২০১৭ সালে মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনা এ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন এবং মাত্র এক বছরে সুসম্পন্ন সুসজ্জিত সুউচ্চ ১১ তলা ভবনের তিনি ২৩ জুন ২০১৮ সালে শুভ উদ্বোধন করছেন। ত্বরিত কার্যক্রম সম্পাদনের ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক। এ মুহূর্তে স্মরণ করছি জাতির পিতা সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা, তাঁর পরিবার, জাতীয় চার নেতা ও অসংখ্য শহীদকে, যাঁদের আত্মোৎসর্গ ছাড়া আমাদের জাতিসত্তা আমরা কল্পনা করতে পারি না। মাননীয় নেত্রীর সংগ্রামী জীবন বিশাল কর্মকাণ্ড ও সফলতায় ভরপুর, অসামান্য গৌরবে সিক্ত—তবু জানি সবচেয়ে আনন্দের ক্ষণে উৎসবের স্থলে দুঃসহ স্মৃতি তাঁর ও আমাদের ভরপুর মুহূর্তকে শূন্যতায় ভরিয়ে দেয়। দুঃখ-বেদনা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, পাওয়া-না পাওয়া, তৃপ্তি-অতৃপ্তি, আনন্দ-উল্লাস—সব পেরিয়ে আমাদের অস্তিত্ব ঘিরে এক অন্তঃসলিলা স্রোত—নিদারুণ হাহাকার, চিরকালের জন্য হারিয়ে যাওয়া অমূল্য সম্পদ ও নিকটজনের মর্মান্তিক শোক সব আনন্দমুখর মুহূর্তকে বেদনাবিধুর করে দেয়। এই বিশাল সুরম্য ভবন—এ শুধু একটি ভবন নয়। এ ভবনের জানালা, কাঠ, দরজা, প্রাচীর পেরিয়ে দেখলে দেখা যাবে এক সুরম্য বাগান—Garden of Eden; যেখানে হাজার ফুল ফুটে আছে—যত ফুলই ছেঁড়া যাক না কেন, এ ফুলের শেষ নেই। ফুলগুলো স্বপ্ন, ভালোবাসা ও আলো দিয়ে তৈরি। ত্যাগ ও অসম সাহস দিয়ে ঘেরা এবং সৌরভে সিঞ্চিত এ বাগান। এ বাগানের বাগবান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সূর্য সেন, প্রীতিলতা, ক্ষুদিরাম, বাঘা যতীন, তিতুমীর, ভাসানী, চিত্তরঞ্জন, সোহরাওয়ার্দী, সুভাষ, বেগম রোকেয়া, রবীন্দ্র, নজরুল ও অসংখ্য সংগ্রামী মানুষ এবং শহীদদের বীরত্ব ও ত্যাগের ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর আবির্ভাব। তিনি ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তাঁর ভাষণে শব্দকে শাণিত অস্ত্রে পরিণত করে যুদ্ধে পাঠিয়েছিলেন। নিরস্ত্র বাঙালি জাতি খালি হাতে লড়াই করেছিল। বাংলার সহস্র বছরের অমিয় তেজ ও করুণার উৎসধারার এক যোগফল, সাহস ও সংগ্রামে দীর্ঘদেহী এক অপরূপ সুদর্শন পুরুষ শেখ মুজিব। তাঁর মধ্যে গ্রন্থিত হয়েছে বাংলার আত্মা, করুণাধারা, বীরত্ব, আত্মার আর্তি, বাংলার মানুষের সীমাহীন সাহস, বিদ্রোহ, যুগ-যুগের মুক্তিক্ষুধা ও বাংলার অপরূপ সুদর্শন রূপ। বঙ্গবন্ধু অসীম দূরদৃষ্টি দিয়ে গড়তে চেয়েছিলেন বাংলাদেশ নামের ভূখণ্ডটিকে। এই ভবন শুধু ভবনই নয়—এ ভবন আমাদের স্বপ্ন, ধ্যান ও তিতিক্ষায় ঘিরে আছে। এ ভবন হবে আমাদের আকাঙ্ক্ষা ও উন্নয়নের দর্পণ। এ ভবন থেকে শক্তি, প্রেরণা, কর্মচাঞ্চল্য, আমরা যে বীরের জাতি এ আত্মপরিচয় সঞ্চারিত হবে পুরো বাংলার ঘরে ঘরে। মাননীয় নেত্রী বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও দায়িত্ব ধারণ করেছেন। তাঁর জন্য প্রধানমন্ত্রিত্ব মুখ্য নয়—বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন তাঁর সাধনা, ধ্যান ও তপস্যা। জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁর অপরাজেয় নেতৃত্বে পঁচাত্তর-পরবর্তী সময়ে শত ষড়যন্ত্রের মধ্যেও দেশকে স্থিতিশীল রেখেছেন। বাংলাদেশ আবার মূলস্রোতে। আমাদের ঠিকানা উচ্চ আকাশে, অনুচ্চারিত প্রতিবাদ আজ নির্ভয়ে উচ্চারিত। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন, স্বাধীনতা ও ভালোবাসা আজ লালিত। সমুদ্র বিজয়, স্থলচুক্তি, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট—আমরা জয় পেয়েছি জলে, স্থলে ও অন্তরীক্ষে। স্বল্প আয়ের দেশ বাংলাদেশ আজ ডিজিটাল উন্নয়নশীল দেশে উপনীত। ২০৪১ সালে উন্নত দেশে উত্তরণ দৃষ্টিগ্রাহ্য আয়ত্তে। তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ ও অনিশ্চয়তা থেকে আমরা মুক্ত। বাংলাদেশ আজ পরিচিত উদীয়মান, মানবিক ও শক্তিশালী দেশ হিসেবে। এ অর্জন আমাদের রক্ষা করতেই হবে—যেকোনো মূল্যে এবং আমরা অব্যাহতভাবে এগিয়ে যাব। এর জন্য প্রয়োজন জ্ঞানের চর্চা, উপযুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা, অনুশীলন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, গবেষণা, চিন্তাভাবনা ও তা ধারণ করার যথোপযুক্ত ও সহায়ক অবকাঠামো, অবয়ব, পরিবেশ ও সঠিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব। মননচর্চা ও অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। চাই সুষম ব্যবস্থা, আঞ্চলিক সমতা, বৈষম্যহীন সমাজ, সবার জন্য সম্পদের স্বত্বাধিকার অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা, মমত্ববোধের বিস্তার, দক্ষ মানবশক্তি, প্রযুক্তি ও প্রবৃদ্ধির প্রসার, যা বর্তমানে বহমান। এসব লালনের লক্ষ্য রেখেই এ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সুবিন্যস্ত এ ভবনে রয়েছে সুপরিসর কার্যক্ষেত্র, গবেষণাগার, ডিজিটাল ব্যবস্থাদি, ডাটা সেন্টার, সেমিনার রুম, সভাকক্ষ, গ্রন্থাগারের ব্যবস্থা ইত্যাদি। বিশাল দায়িত্ববান রাজনৈতিক দল ও অঙ্গসংগঠনের যা কিছু প্রয়োজন সব কিছুর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আমরা চিন্তা করব, চিন্তা করাব; আমরা ভাবব, ভাবাব; শিখব, শেখাব। আমরা দেশ ও বিশ্বকর্মকাণ্ডের মূলস্রোতে থাকতে চাই। আমরা জানি আমাদের সম্পদ অপ্রতুল। আমাদের জনসংখ্যা অধিক। কিন্তু আমাদের চাহিদা ও স্বপ্ন অনেক। ছোট দেশ, ব্যাপক দারিদ্র্য, প্রয়োজনের তুলনায় সম্পদ কম। এ সমীকরণ জটিল ও সমাধান দুষ্কর। শেখ হাসিনা কঠিন কাজটি হাতে তুলে নিয়েছেন। বাংলাদেশের জন্য সংবেদনশীল, বুদ্ধিদীপ্ত, দূরদর্শী সৃজনশীলতা সৃষ্টি ও ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন এবং আমাদের উন্নয়ন ও উপভোগ, সৃজিত সম্পদ আহরণ ও ব্যবহারের মধ্যে সমন্বয় সাধন প্রয়োজন। এ দুরূহ সমীকরণের সমাধান করার লক্ষ্যে আমাদের নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। কিন্তু তাঁর পাশে আমাদের সক্ষমতা নিয়েই এগিয়ে আসতে হবে। এই নবনির্মিত ভবন ও নান্দনিক বৈশিষ্ট্য নিবেদিত রাজনৈতিক কর্মী, গবেষক, চিন্তাশীল ও সুধীজনের সমাহার ও ব্যস্ত কর্মপ্রবাহ—আশা করি অসীম শক্তির উৎসস্থলে পরিণত হবে। আমরা জানি, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর কিভাবে ইতিহাস বিকৃত করার প্রচেষ্টা চলছে এবং বিকৃত রাজনীতির স্বার্থে সৃজনশীল শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে। অতীতের সরকারগুলোর হাতে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা হয়ে পড়েছিল উৎপাদন অক্ষম বা অনুৎপাদনশীল। এই দুষ্টচক্র থেকে অবশ্যই বেরিয়ে আসতে হবে, যা আমরা এরই মধ্যে শুরু করেছি। আশা করি, এ ভবন থেকে উৎসারিত চিন্তাভাবনা, সুস্থ শিক্ষা ও রাজনীতি বিষয়ক গবেষণা ও প্রয়াস আকাঙ্ক্ষিত নানা বিষয়ে দেশকে পথ দেখাতে সক্ষম হবে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আমাদের প্রিয় দেশ Production Possibility Frontier—উৎপাদনের অসীম সীমারেখায় পৌঁছতে পারবে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন রাজনীতির কবি (Poet of Politics)| আমি মনে করি, তিনি রাজনীতির রাজপুত্রও বটে। কিন্তু এ রাজপুত্রের মাথায় মুকুট ছিল না, পেছনে সিংহাসন ছিল না, হাতে তরবারি ছিল না, ছিল শুধু হৃদয়ের মহৎ ক্রন্দন ও হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা। এই ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে উত্তরাধিকার বহন করছেন শেখ হাসিনা। তিনি আজ বাংলাদেশের হাল ধরেছেন। জয় ও অগ্রগতি অবশ্যম্ভাবী। তিনি সোনার বাংলা নির্মাণ করবেন—এ এক আশ্চর্য সম্পদ ও মর্যাদা। এ মহৎ অভিযাত্রার সাক্ষী হয়ে থাকবে এ ভবন। কাল ২৩ জুন ২০১৮ শুভ দিন। তিনি এ ভবন উদ্বোধন করবেন, যা হবে আমাদের শক্তি ও অনুপ্রেরণার উৎস। অনুপ্রাণিত আমরা ছড়িয়ে যাব মানুষের কাছে, তাদের সঙ্গে বসবাস করব, জানব ও জানাব, ভালোবাসাবাসির বন্ধনে আবদ্ধ হব। এ ভবন অতীত গৌরব, ত্যাগ-তিতিক্ষা, ইতিহাসের কথা বলবে; এ ভবন বর্তমান রাজনীতি এবং মহৎ নেতৃত্বের কথা বলবে; এ ভবন কথা বলবে হিরণ্ময় ভবিষ্যৎ ও সোনার বাংলার। এ ভবন নির্বাক নয়, সবাক। এ ভবন চলত্শক্তিহীন স্থবির নয়, এ ভবন সচল-প্রাণরসে পুষ্ট, সংকল্পে দৃঢ় ও শক্তিমান। It will belong to ages. অনাগত কালের সঙ্গে এ ভবন যুক্ত হয়ে যাবে।   লেখক : সংসদ সদস্য ও কোষাধ্যক্ষ। এসএইচ/

হারের বড় কারণ অন্তঃকোন্দল

যেই ম্যাচে বাঁচা-মরার, সেই ম্যাচেই কি না মেসি-আগুয়েরো নিশ্চুপ। মেসির পা তো বল-ই খুঁজে পাচ্ছিল না। পুরো ৯০ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার গোল পোস্ট লক্ষ্য করে শট নিয়েছেন মাত্র একটি। আগের ম্যাচে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে নিয়েছিলেন ১১টি। মধ্যমাঠে ওটামেন্ডি ছাড়া কাউকে সরব দেখা যায় নি। মাসচেরানো, দিবালা, পেরেজ সবাই নিশ্চুপ। এ কেমন খেলা খেললো আর্জেন্টিনা। ম্যাচ শেষে সবাই কাটগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন মেসিকে। দাঁড় করাচ্ছেন আগুয়েরোকে। দাঁড় করানোর-ই কথা। আর্জেন্টিনার সংবাদ মাধ্যম ও দেশটির সাবেক খেলোয়াড়রা তো দাঁড় করাচ্ছেন সাম্পাওলিকেও। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আর্জেন্টিনার ৮৬ এর বিশ্বকাপজয়ী দলের ফুটবলার ও ঘরোয়া ফুটবলে স্থানীয় একটি দলের কোচ রিকার্ডো কারুচু লুমবার্দি। লুমবার্দির দাবি মেসি-আগুয়েরোদের হাতের পুতুল বনে গেছেন সাম্পাওলি। সাম্পাওলিকে উচিৎ শিক্ষা দিতেই নাকি মেসি-আগুয়েরো নিস্প্রভ থেকেছেন। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মেসিদের এমন নিশ্চলতার জন্য মেসিকেই কাটগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তিনি। শুধু লুমবার্দি-ই নয়, আর্জেন্টিনার সংবাদ মাধ্যমও কোচের সঙ্গে মেসিদের দ্বন্দ্বের বিষয়টি সামনে এনেছেন। ইতোমধ্যে ম্যাচ পরবর্তী আর্জেন্টাইন ফুটবল দলের সিনিয়র ফুটবলাররা নাকি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন যে সাম্পাওলির অধীনে তারা আর মাঠে নামবে না। এমনকি শেষ ম্যাচে নাইজেরিয়ার বিপক্ষেও নাকি তাকে কোচ হিসেবে চাচ্ছেন না তারা। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, অন্তঃকোন্দলই কেড়ে নিচ্ছে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্বপ্ন। এমজে/

প্রচারের মাঠে নেই বিএনপি জোটের শরীক দলগুলো

সিটি নির্বাচনের প্রচার প্রচারনায় মুখর গাজীপুর। আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে জেতাতে মাঠে নেমেছে জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, ত্বরিকত ফেডারেশনসহ মহাজোটের নেতাকর্মীরা। জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছে মহাজোট। এদিকে বিএনপি প্রার্থী হাসানউদ্দিন সরকার দাবি করেছেন তার সঙ্গে আছে জামাত কর্মীরা। তবে প্রচারের মাঠে পাওয়া যায়নি বিএনপি জোটের শরীক দলগুলোকে। আওয়ামীলীগ প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারনায় জাতীয় পার্টির স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহন। গণসংযোগ, পথসভা-সমাবেশে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে গিয়ে ভোট চাইছেন জাতীয় পার্টির নেতা কর্মীরা। শুধু জাতীয় পার্টি নয় ওয়ার্কার্স পার্টিসহ অন্য দলের নেতাকর্মীরাও আছেন প্রচারের মাঠে। আওয়ামী লীগ প্রার্থীও জানালেন, নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছে আওয়ামী লীগ।  মহাজোটের দলগুলোর সমর্থনে উজ্জীবিত তিনি। এদিকে বিএনপি প্রার্থীর সভা সমাবেশে পাওয়া যায়নি শরিক দলগুলোর নেতা কর্মীদের। তবে হাসান উদ্দিন সরকারের দাবি, জামাতসহ জোটের দলগুলো তার সঙ্গেই আছে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগে প্রচার চললেও জয়ের ব্যাপারে দুই প্রার্থীই আশাবাদী।   একে//

মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ

মনু ও ধলাই নদীর পানি বিপদসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে। তবে কুশিয়ারার এখনো বিপদসীমার উপরে। বন্যাকবলিত এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্রে দেখা দিয়েছে ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগ। মৌলভীবাজারে বিভিন্ন এলাকা থেকে বানের পানি নামতে শুরু করেছে। তবে বন্যা উপদ্রুত এলাকায় দেখা দিয়েছে পানিবাহিত নানান রোগ। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে অনেকেই আক্রান্ত ডায়রিয়া আর চর্মরোগে। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, রোগ প্রতিরোধে এরইমধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে। হবিগঞ্জেও বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। তবে নবীগঞ্জ উপজেলায় সাত গ্রামের বাসিন্দারা এখনো পানিবন্দি। একে//  

বাঁশিতেই জীবিকা নির্বাহ অনেকের

ভারতীয় উপমহাদেশের সুপ্রাচীন বাদ্যযন্ত্র বাঁশি বা বংশী। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনীতেও বাঁশির বহুল ব্যবহার দেখা যায়। বাঁশির সুর মানুষের মনকে বিমোহিত করে। কুমিল্লার হোমনায় বাঁশি পল্লীতে নানান ধরনের বাঁশি তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করে অনেকে। ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র বাঁশি। বাংলায় বাঁশিকে মুরালি, মোহন বাঁশি, বংশী অথবা বাঁশরিও বলা হয়। বাঁশি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় বিশেষ ধরনের মুলিবাঁশ। বর্তমানে হাতির দাঁত, ফাইবার গ্লাস আর নানা ধাতু দিয়েও বাঁশি তৈরি করা হয়। কুমিল্লার হোমনায় শ্রীমদ্দির প্রায় ১০০টি পরিবার সারা বছর নানা ধরণের বাঁশি তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করে। বিভিন্ন উৎসব, পার্বন সামনে রেখে বেড়ে যায় তাদের ব্যস্ততা। কারিগররা জানালেন, মুরালী ও বেলুন বাঁশির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে বাঁশ ও অন্যান্য কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির কারণে খুব বেশি লাভ হয় না বলে জানালেন তারা। বাঁশি শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের পৃষ্ঠপোষকতার আশ্বাস দিলেন জেলা প্রশাসক। বাঁশি বাঙালীর ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজার বছর ধরে। এই শিল্প টিকিয়ে রাখতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একে//

রাষ্ট্রপতি বরাবর শিক্ষকদের স্মারকলিপি  

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এমপিওভুক্ত করার দাবিতে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন নন–এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আন্দোলনরত শিক্ষকরা। আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এ স্মারকলিপিটি প্রদান করেন। ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার, সাধারণ সম্পাদক ড. বিনয় ভূষণ রায়, সিনিয়র সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আশ্রাফুল হক লাভলু প্রতিনিধি দলে ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ১০ জুন থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এর আগে একই দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশন কর্মসূচিতে নামে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনশন করার পর প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে তারা অনশন ভঙ্গ করে ফিরে যায়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা তখন তাদের দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দেন। আরকে// এসএইচ/

সাম্পাওলির অধীনে আর খেলতে চান না মেসি-আগুয়েরো

সাম্পাওলি কোচ হয়ে আসার পর যেন আর্জেন্টিনার বদলে গেছে। বাছাই পর্ব থেকেই বাদ যাচ্ছিল আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে মেসির দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকের উপর ভর করে বিশ্বকাপে জায়গা পায় মেসিরা। তবে বিশ্বকাপেও সেই ব্যর্থ আর্জেন্টাইন। এর কারণ আর কিছু নয়। কোচ সাম্পাওলির খেলার ধরণের সঙ্গে অভ্যস্থ হয়ে উঠতে পারেনি মেসি-আগুয়েরো। গতকাল ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময়-ই মেসির চোখে-মুখে দুশ্চিন্তার ছাপ দেখা যায়। মেসি বারবার চোখ মুচছিলেন। মেসি-আগুয়েরোদের সঙ্গে সাম্পাওলির দূরত্বের কথা এখন সবার মুখেমুখে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, সাম্পাওলি থাকলে আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরে যেতে পারেন মেসি, আগুয়েরো, হিগুয়াইন, দিবালা, মাচসেরানোসহ সিনিয়র ফুটবলাররা। এমনকি শেষ ম্যাচেও সাম্পাওলিকে চান না আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচপরবর্তী এক বৈঠকে দলের সিনিয়র খেলোয়াড়রা নাকি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সাম্পাওলির অধীনে আর না। তার বাজে কৌশলে আর না। সাম্পাওলির বিচিত্র কৌশলের সঙ্গে মেসি বা আগুয়েরোদের কেউই খাপ খাওয়াতে পারেননি, তাঁর কৌশল পছন্দ করতে পারেননি—এমনটাই জোরে শোরে শোনা যাচ্ছে এখন। যে কারণে দল থেকে সাম্পাওলির বিদায় চাচ্ছেন তাঁরা, আর নাইজেরিয়ার বিপক্ষে শেষ ম্যাচে দলের কোচ হিসেবে চাচ্ছেন বিশ্বকাপজয়ী সাবেক তারকা হোর্হে বুরুচাগাকে। তবে সাম্পাওলিকে বিদায় জানানো আর্জেন্টিনা ফুটবল টিমের জন্য অতোটা সহজ হবে না। এমজে/

অঙ্কুশ ফিরছেন মিমিকে নিয়ে

টলিউড অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা। বেশ কয়েক মাস ধরে বড় পর্দায় অনুপস্থিত তিনি। যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময় ছবি বা ভিডিও পোস্ট করে এ অভিনেতা জানিয়েছেন, লুক পরিবর্তন করার জন্যই সেচ্ছায় এ বিরতি নিয়েছিলেন তিনি।অবশেষে অঙ্কুশ হাজরা বড় পর্দায় ফিরছেন। তার সঙ্গে থাকছেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। আর এ দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাবে ‘ভিলেন’ সিনেমায়। এটি নির্মাণ করছেন বাবা যাদব। আগামী ১৫ জুলাই থেকে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে। এ প্রসঙ্গে অঙ্কুশ বলেন, ‘এটা আমার ইমেজ চেঞ্জিং ফিল্ম বলতে পারেন। শেষ কয়েকটা সিনেমায় দর্শক আমাকে রোমান্টিক কমেডি বা নেক্সট ডোর বয় ইমেজে দেখেছেন। কিন্তু এ ধরনের কাজ আমি অনেক দিন করিনি। এতে অনেক শেড রয়েছে। এটা একটা ক্রাইম থ্রিলার সিনেমা। টালিউডের ফাইনেস্ট ক্রাইম থ্রিলার বলতে পারেন।’সিনেমাটিতে হিরো এবং ভিলেন দুটি চরিত্রেই দেখা যাবে অঙ্কুশকে। তবে ক্রাইম থ্রিলার বলে এখনই সিনেমাটির গল্প বলতে নারাজ ‘ভিলেন’ সিনেমা টিম। পরিচালক বাবা যাদব বলেন, ‘এটুকু বলতে পারি, সিনেমাটির গল্প কমন নয়। আলাদা ফ্লেভার পাবেন দর্শক। অনেক টুইস্ট অ্যান্ড টার্নস রয়েছে। এতে অঙ্কুশ এবং মিমি কাজ করছেন। তবে আরও একজন নায়িকা রয়েছেন।’সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন রমন জানওয়াল। সিনেমাটির কনসেপ্টও তার। মুম্বাইয়ে আব্বাস মাস্তানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে রমনের। তবে বাংলা সিনেমায় এই প্রথম কাজ করছেন তিনি। উল্লেখ্য, যৌথ প্রযোজনার সিনেমায় বাংলাদেশের মাহিয়া মাহি ও নুসরাত ফারিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন তিনি। এসএ/  

রিয়াজ-জেনীর ‘সমান্তরাল’

প্রায় পাঁচ বছর ইমরানের জন্য অপেক্ষা করেছে সুপ্তি। অবশেষে ইমরান দেশে ফিরেছে। এক রেস্তোরাঁয় ইমরানের সঙ্গে সে দেখা করে। ইমরান সুপ্তির হাতে তার বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র ধরিয়ে দেয়। পরিবার নাকি তাদের সম্পর্ক কিছুতেই মেনে নিচ্ছে না। তাই সে পরিবারের পছন্দে বিয়ে করছে। সুপ্তির মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। কার জন্য সে এত স্বপ্ন নিয়ে অপেক্ষা করছিল?সুপ্তি এক সপ্তাহের মধ্যে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়। ইমরানের একদিন আগে হলেও সে বিয়ে করবে। কাপুরুষকে দেখিয়ে দেবে। আগে সুপ্তির সুন্দর সুন্দর প্রস্তাব আসত। এখন বয়স বাড়াতে বিয়ের প্রস্তাবও কম আসে। তাই তার বাবাকে ডিভোর্সি ছেলেও খুঁজতে বলে। তার ভাগ্য বেশ নির্মম, আশরাফ নামের এক ছেলে পাওয়া গেছে কিন্তু তার আগের পক্ষের একটি বাচ্চা আছে। সুপ্তি তাতেও রাজি হয়।একটি মেয়ের জীবনের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত সময় বাসর রাত। বাসর রাতে সুপ্তি আশরাফের জন্য অপেক্ষা করে। আশরাফ এসে তাকে ঘুমাতে বলে কিন্তু সে তার মেয়ে টুসিকে নিয়ে ঘুমাবে। আশরাফ কিছুতেই তার আগের স্ত্রীকে ভুলতে পারবে না। সুপ্তি অবশ্যই স্ত্রীর মর্যাদা পাবে কিন্তু অধিকার পাবে না। সে নাকি পরিবারের চাপে এই বিয়ে করেছে। সুপ্তি এতটা আঘাত প্রাপ্তির জন্য প্রস্তুত ছিল না। কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ হয়ে বসে থাকে। পরক্ষণে সামলে ওঠে। জীবন বাংলা সিনেমা নয়, সে তার অধিকার ষোলআনাই বুঝে নেবে। সে টুসিকে রুমে আনতে বলে। টুসিকে সাথে নিয়েই তাদের অদ্ভুত বাসর রাত কাটে। তারপর নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় ‘সমান্তরাল’ নাটকের কাহিনি।যারযিস আহমেদ রচিত এ নাটকটি পরিচালনা করেছেন সকাল আহমেদ। নাটকটির প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিয়াজ ও জেনী। একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৈয়দ হাসান ইমাম। ২৫ জুন রাত ৮টায় চ্যানেল নাইনে নাটকটি প্রচারিত হবে।এসএ/

ইন্দোনেশিয়ায় ধর্মীয় নেতার মৃত্যুদণ্ড

ইন্দোনেশিয়ার এক ধর্মীয় নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দণ্ডিত করা হয়েছে। ২০০৬ সালে দেশটির রাজধানী জাকার্তার একটি রেস্টুরেন্টে আত্মঘাতী হামলা চালানোর দায়ে তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, আইএসআইএল জঙ্গিরা ওই ক্যাফেতে হামলা চালায়। দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম আমান আব্দুররহমান। পুলিশ ও মামলার প্রসিকিউটররা জানিয়েছে, আমান আইএসআইএল’র এক সক্রিয় কর্মী। ৫ সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন। বিচার চলাকালে আদালত প্রাঙ্গনে আদা সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ঘিরে রাখে। এদিকে গতমাসেও দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সারাবায়াতে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। ওই হামলায় অন্তত ২৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। সূত্র: বিবিসিএমজে/

বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অপর্ণা

জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপর্ণা ঘোষ। তার অভিনীত নাটকগুলো দর্শকের মনে দাগ কাটে। এবার ঈদে একাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। ঈদে তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলো শিহাব শাহিনের ‘বন্ধন’, সাজ্জাদ সুমনের ‘ক্লাসলেস মোখলেস’, শাফায়েত মনসুর রানার ‘সব মিথ্যে সত্য নয়’, ইমেল হকের ‘বিশু পাগলা’, ইমরাউল রাফাতের ‘পিছুটান’ ও মিলন ভট্টাচার্যের ‘হার্টফেল ফয়েজ’। প্রতিটি নাটকে বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।  বিশেষ করে সাজ্জাদ সুমনের ‘ক্লাসলেস মোখলেস’ ও শাফায়েত মনসুর রানার ‘সব মিথ্যে সত্য নয়’ দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে। এ নিয়ে সন্তুষ্ট তিনি। তবে, এবারের ঈদে গতানুগতিক গল্পের নাটক বেশি নির্মাণ হয়েছে বলে জানান এই অভিনেত্রী। অপর্ণা বলেন, এবারও ঈদের নাটকে কমেডি গল্প বেশি ছিল। এর আগের দু’ঈদে এটির ব্যতিক্রম ছিল কিছুটা। কিন্তু এবার আবারো পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। সত্যি বলতে এটি নিয়ে আমাদের শিল্পীদের কিছু করার নেই। একজন নির্মাতা যেভাবে চাইবেন সেভাবে আমাদের কাজ করতে হয়। আমরা শিল্পীরা সব সময় নতুন চরিত্রে কাজ করতে আগ্রহী থাকি। ঈদের ছুটির পরেই আবারও অভিনয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন বলে জানান অপর্ণা। তার হাতে রয়েছে আরবি প্রিতমের ‘সেমিকর্পোরেট’ ও রাশেদ রাহার ‘মেঘে ঢাকা আকাশ’ শিরোনামের ধারাবাহিকটি। কর্পোরেট জগতের নানা ঘটনা নিয়ে ‘সেমিকর্পোরেট’ নাটকের গল্প। নাটকটি দর্শকদের কাছেও বেশ সাড়া ফেলেছে বলে  জানান তিনি। এসএ/

প্লাস্টিক সার্জারিতে আপত্তি যেসব বলিউড নায়িকাদের

মোহময়ী থাকতে প্লাস্টিক সার্জারির আশ্রয় নিয়েছেন একাধিক বলিউড নায়িকা। এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই ছোট পর্দার নায়িকারাও। প্রকাশ্যে সে কথা স্বীকারও করেছেন অনেকে। তবে, কৃত্রিম সৌন্দর্যের বদলে ন্যাচরাল লুককে প্রাধান্য দিয়েছেন এমন নায়িকার সংখ্যাও নেহাত কম নেই। প্লাস্টিক সার্জারিতে রাজি নয় এমন তারকাদের নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এ প্রতিবেদন-শ্রদ্ধা কাপূরবলিউডে পা দিয়েই লক্ষ লক্ষ দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন শ্রদ্ধা। ফিটনেস ট্রেনিং এবং সঠিক ডায়েটেই ফিট এবং চনমনে থাকতে পছন্দ করেন নায়িকা। ন্যাচরাল লুককেই প্রাধান্য দেন বেশি। শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, কসমেটিক সার্জারি থেকে তিনি থাকেন শত যোজন দূরে।জেনেলিয়া ডি’সুজাবলিউডের পাশাপাশি একাধিক দক্ষিণী সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন জেনেলিয়া। ঝলমলে হাসিই এই নায়িকার মূল স্টাইল স্টেটমেন্ট। ভালোবাসেন ছিমছাম থাকতে। প্লাস্টিক সার্জারির কথা নাকি কোনও দিন ভেবেও দেখেননি তিনি।সোনম কাপূরবলিউড টাউনে পা রাখার আগে সোনমের ওজন ছিল ৯০ কিলো। কোনও রকম সার্জারি ছাড়াই কেবল মাত্র শরীরচর্চা ও কঠোর ডায়েট মেনে মেদ ঝরিয়েছেন সোনম। এখনও ফিটনেস ট্রেনিং এবং যোগার উপরেই বেশি ভরসা রাখেন বলিউডের ‘ফ্যাশনিস্তা’।সোনাক্ষী সিংহডেবিউ সিনেমার আগে প্রায় ৩০ কিলো ওজন ঝরিয়েছিলেন ‘দাবাং গার্ল’। নায়িকা জানিয়েছেন, চেহারা নিয়ে তাকে অনেকবার ট্রোলড হতে হয়েছিল। তবে, নিজেকে ফিট এবং ট্রেন্ডি রাখতে শরীরচর্চাতেই ভরসা রাখেন নায়িকা। কসমেটিক সার্জারি তার একেবারেই না পছন্দ।আলিয়া ভাটবলিউডে আত্মপ্রকাশের পর অনেক নায়িকাই গ্ল্যামার বাড়াতে প্লাস্টিক সার্জারির দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে, আলিয়া নাকি কোনও দিনই কৃত্রিম সৌন্দর্যের কথা ভাবেননি। ন্যাচারাল লুকই বেশি পছন্দ তার। তার জন্য হেলদি ডায়েটে ভরসা রাখেন নায়িকা।বিদ্যা বালানচেহারা, লুক এবং পোশাকের জন্য বহু বার ট্রোলড হয়েছেন বিদ্যা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে নিয়ে রঙ্গ-রসিকতাও কিছু কম হয়নি। তবে, বিদ্যা বরাবরই বেপরোয়া। পছন্দ করেন ট্র্যাডিশনাল লুক। প্লাস্টিক সার্জারি তার ডিকশনারিতেই নেই।পরিণীতি চোপড়ানিয়মিত ফিটনেস ট্রেনিং এবং হেলদি ডায়েটেই অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়েছেন পরিণীতি। লুকের থেকে অনেক বেশি অভিনয়কেই প্রাধান্য দেন নায়িকা। তাই প্লাস্টিক সার্জারি তার একেবারেই পছন্দ না।সূত্র : আনন্দবাজারএসএ/

‘থ্রি ইডিয়টস’ এর সিকুয়েল আসছে

খুব শিগগিরই আসছে ‘থ্রি ইডিয়টস’ এর সিকুয়েল। এমনটাই জানিয়েছেন সিনেমাটির পরিচালক রাজকুমার হিরানী। বর্তমানে তার নতুন সিনেমা ‘সঞ্জু’ মুক্তির অপেক্ষায় আছে। এর আগে অনেক সিনেমা তৈরি করলেও রাজকুমার হিরানী আগে কখনো বায়োপিক পরিচালনা করেননি। ‘সঞ্জু’ তার পরিচালিত প্রথম বায়োপিক। এটি অভিনেতা ও তার বন্ধু সঞ্জয় দত্তের জীবন নিয়ে তৈরি।‘মুন্না ভাই এমবিবিএস’ রাজকুমার হিরানী পরিচালিত প্রথম সিনেমা। এই সিনেমাতে ‘মুন্না ভাই’ চরিত্রে হাজির হন সঞ্জয় দত্ত। অনেক বছর পর এই সিনেমা সঞ্জয়কে দর্শকদের কাছে নতুন করে নিয়ে আসে। এই সিনেমার সিকুয়েল ‘লাগে রাহো মুন্না ভাই’ও অনেক জনপ্রিয় হয়েছে। দর্শক এই ফ্র্যাঞ্চাইজির আরও সিকুয়েল দেখতে চান। একই পরিচালকের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’ ও ‘পিকে’র সিকুয়েলের জন্যও উন্মুখ হয়ে আছেন দর্শক। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল, রাজু এই দুটি সিনেমার সিকুয়েল তৈরির কথা ভাবছেন। সম্প্রতি এ সম্পর্কে কথা বলেছেন তিনি। পরিচালক বলেন, আমার মাথায় কিছু আইডিয়া আছে। কিন্তু সেগুলো খুব  বেশি দূর এগোয়নি। আমি অবশ্যই ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার সিকুয়েল তৈরি করতে চাই। কারণ, এই সিনেমা নিয়ে আমার অনেক ভালো অভিজ্ঞতা আছে। আমি আর সিনেমার সহলেখক অভিজাত যোশী এই সিনেমার সিকুয়েল লিখতে বসেছিলাম একবার। আমরা গল্পের আইডিয়া পেয়েছি। কিন্তু তা নিয়ে আরও অনেক কাজ করা বাকি। আমি হুটহাট কিছু লিখে না ফেলে অনেক সময় ধরে চিত্রনাট্য তৈরি করায় বিশ্বাসী। সিনেমার গল্পের ব্যাপারে কোনো ছাড় দিতে চাই না। তবে খুব শিগগিরই আসবে ‘থ্রি ইডিয়টস’ এর সিকুয়েল। এসএ/  

নেত্রকোনায় গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে খুন

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় ময়না আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের চারিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী সাইকুল ইসলামকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সাইকুল ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী ময়না শুক্রবার একই ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। হঠাৎ ভোর ৪টার দিকে ঘরের দ্বিতীয় দরজা দিয়ে কে বা কারা প্রবেশ করে ময়নাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে ময়নার চিৎকারে পাশে শুয়ে থাকা তার স্বামী ঘুম থেকে উঠে দুর্বৃত্তদের পালিয়ে যেতে দেখেন। একে//

মাকে তালাবন্দি করে শ্বশুরবাড়ির দাওয়াতে ছেলে-পুত্রবধূ!

খাবার বলতে এক বোতল পানি আর চারখানা বিস্কুট। দরজা-জানালা যেভাবে বন্ধ, তাতে কারও দৃষ্টি তো দূর, আলো-বাতাসও ঢুকতে পারবে না। আশি বছরের বৃদ্ধা মাকে তিন দিনের জন্য ওই অবস্থায় রেখে জামাইষষ্ঠীতে দাওয়াত খেতে বউকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলেন ছেলে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতার দমদমের বেদিয়াপাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করার পরে সব শুনে স্তম্ভিত দমদমের বেদিয়াপাড়ার বাসিন্দারা। দক্ষিণ রবীন্দ্রনগরের ক্ষুদিরাম সরণিতে তিন কাঠা জমির উপরে নিজের বাড়ি ছিল বৃদ্ধা শোভারানি দাসের। ওই বাড়িতে প্রোমোটিং হওয়ায় ছোট ছেলে ভবনাথ দাস ও বউ শ্যামলী দাসের সঙ্গে বেদিয়াপাড়ার আর এন ঠাকুর রোডের একটি বাড়ির একতলায় ভাড়া থাকেন তিনি। প্রতিবেশী এক মহিলা জানান, গত তিন দিন ধরে মাঝেমধ্যেই দরজা-জানলায় ধাক্কা মারার আওয়াজ পাচ্ছিলেন তারা। কিন্তু সেই আওয়াজ যে পাশের বাড়ির বৃদ্ধা করছেন, তা প্রথমে বুঝতে পারেননি কেউ। বুঝবেনই বা কী করে! অভিযোগ, বাড়িতে মায়ের অস্তিত্ব যাতে পাড়া প্রতিবেশী টের না পায়, তার জন্য বন্দোবস্তের কোনও কসুর রাখেননি ছেলে-বউ। সদর দরজায় বাইরে থেকে তালা ঝোলানো। শোভারানি যাতে জানালা খুলতে না পারেন, তার জন্য ভিতরের একটি জানালা ছিটকিনির পাশাপাশি চেন-তালা দিয়ে লাগানো ছিল। আর একটি জানালা কাঠের বিম দিয়ে সিল করে দিয়েছিলেন পেশায় অটোচালক ভবনাথ। এই পরিস্থিতিতে বুধবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বৃদ্ধার কান্নার আওয়াজ শুনে বিচলিত হয়ে পড়েন প্রতিবেশীরা। চেন-তালা লাগানো জানালার পাল্লা কোনও মতে সরিয়ে ঘরের ভিতরে বৃদ্ধাকে তারা দেখতে পান। এর পর তারাই দরজার তালা ভেঙে শোভারানিকে উদ্ধার করেন। রাত ১০টার দিকে দমদম পুর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। বৃহস্পতিবার হাসপাতালের বিছানায় বসে বৃদ্ধা বলেন, ‘যখন শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিল, ছেলেকে বললাম, চার দিন ধরে ভাত খাইনি, একটু ভাত দিয়ে যা। ভাত ছিল না। তখন বললাম একটু মুড়ি দিতে। চোখে তো দেখতে পাই না। একটু পরে বুঝলাম, মুড়িও নেই। শুধু এক বোতল পানি আর চারটে বিস্কুট দিয়ে গেছে।’ স্থানীয় বাসিন্দা শিখা রায় বললেন, ‘যাতে শৌচাগারে যেতে না হয়, তার জন্য সোম ও মঙ্গলবারের ওই অস্বাভাবিক গরমেও মাত্র এক বোতল পানি দিয়ে গিয়েছিল। নিজের মায়ের সঙ্গে কেউ এমন ব্যবহারও করতে পারে!’ স্থানীয় বাসিন্দাদের রোষের মুখে ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন ভব ও তার স্ত্রী। তবে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণে যুক্তি দিতে ছাড়েননি তারা। ছেলের বক্তব্য, ‘জানালা খোলা থাকলে মা মলত্যাগ করে কাগজে মুড়ে বাইরে ছোড়েন। তাই মাকে নিয়ে প্রতিবেশীরা যাতে অসুবিধায় না পড়েন, সেই জন্যই ওইভাবে রেখে গিয়েছিলাম।’ বৃদ্ধা মাকে দেখাশোনার জন্য লোকও তো রাখা যেত? বউয়ের জবাব, ‘আমাদের সেই আর্থিক সামর্থ্য নেই।’ যদিও তা মানতে নারাজ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য, তিন কাঠা জমির উপরে প্রোমোটিং হচ্ছে। টাকার তো অভাব হওয়ার কথা নয়। এ বিষয়ে শোভারানির দুই ছেলে দায়িত্বের ভার একে অপরের কোর্টে ঠেলেছেন। ছোট ছেলের যুক্তি, পাঁচতলা বাড়ি উঠলেও তারা মাকে তার ভাগের টাকা দেননি। কারণ মায়ের দায়িত্ব তো তাদেরই নিতে হবে। তার দাবি, বাড়ির প্রোমোটিং সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় দেখছেন দাদা জগন্নাথ দাস। সেই দাদার বক্তব্য, ‘মায়ের দায়িত্ব নেবে বলেই তো ভাই তার ভাগে ১০০ বর্গফুট জায়গা বেশি পেয়েছে। আমি বাবার চিকিৎসা ও দেখাশোনার ভার নিয়েছিলাম।’ তার অভিযোগ, মায়ের খোঁজ নিতে গেলে ভবনাথের স্ত্রী তার সঙ্গে দেখা করতে দিতেন না। উল্টো মাকে দেখতে যাওয়ার জন্য শুরু হয়ে যেত অশান্তি। দুই ছেলে যখন মায়ের দায়িত্ব কার বেশি, তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণে ব্যস্ত, তখন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মা বলছেন, ‘আমার ছেলের কোনও দোষ নেই। ভালই যত্নআত্তি করে!’ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি