ঢাকা, শনিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৮ ১:৪৬:৩০

শচীনকে কেনো ধন্যবাদ জানালেন বিরাট?   

টাইম ম্যাগাজিনে ২০১৮-এর ১০০জন প্রভাবশালী ব্যাক্তির তালিকায় রয়েছেন বিরাট কোহলি। ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়কের ২০১৭টা দারুণ কেটেছে। শুধু ২০১৭ নয় বেশ কয়েক বছর ধরেই তিনি তার সেরা সময় কাটাচ্ছেন।       এখানেই চমকের শেষ নয়। আসল চমক তো অন্য জায়গায়। টাইম ম্যাগাজিনে বিরাট কোহালির প্রোফাইলের লেখক স্বয়ং শচীন টেন্ডুলকার। আর সে কারণেই শচীনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিরাট কোহালি। টুইটে তিনি লেখেন, ধন্যবাদ শচীন, আমাকে নিয়ে লেখার জন্য। টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ জনের তালিকায় জায়গা পেয়ে আমি গর্বিত।  টেন্ডুলকার সেই সময়ের কথা লিখেছেন, যখন তিনি প্রথম কোহালিকে দেখেছিলেন। তিনি লেখেন, ২০০৮এর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ভারতের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যেখান থেকে উঠে এসেছিল ভারতীয় ক্রিকেটের পরবর্তী প্রজন্ম। সেই সময় আমি প্রথম ওকে দেখি ভারতের নেতৃত্ব দিতে। আর আজ বিরাট কোহালির নাম মুখে মুখে ঘোরে।  সচিন লিখেছেন, আমার বাবা বলতেন, তুমি যদি তোমার কাজের প্রতি একনিষ্ঠ হও তা হলে একদিন তোমার নিন্দুকেরা তোমার পথ অনুসরণ করবে।    এমএইচ/এসি   

ফরিদপুরে সেপটিক ট্যাংকে নেমে ২শ্রমিকের মৃত্যু

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার পাচুড়িয়া ইউনিয়নের চাঁদড়া গ্রামের প্রদ্যুৎ কুমার সাহার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ওই দুই শ্রমিক হলেন, বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের আখালীপাড়া গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে আলম (২৫) ও আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাচুড়িয়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের রাজ্জাক শেখের ছেলে শহিদুল (৩৫)। আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল করিম ওই দুই শ্রমিক মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, গ্রামের প্রদ্যুৎ কুমার সাহার বাড়িতে এক মাস আগে নির্মাণ করা সেপটিক ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে প্রথমে এক শ্রমিক ভেতরে নামেন। তাঁর সাড়া না পেয়ে অপর শ্রমিকও সেফটিক ট্যাংকের ভেতরে নামেন। দুই শ্রমিকের সাড়া না পেয়ে ওই বাড়ির লোকজন বোয়ালমারী দমকল বাহিনীকে খবর দেন। বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক মোহাম্মদ মারনুশ গণমাধ্যমকে  বলেন, এক মাস আগে নির্মাণ করা সেপটিক ট্যাংকে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। কেআই/ টিকে

ট্রাম্পের প্রচারণা শিবিরের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু

২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগে রাশিয়া, ট্রাম্পের প্রচারণা শিবির ও গোপন নথি ফাঁস করা বিকল্প সংবাদমাধ্যম উইকিলিকসের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। ম্যানহাটনের জেলা আদালতে ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কমিটির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি কয়েক মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। আদালতে দায়ের করা নথিতে অভিযোগ তোলা হয়েছে নির্বাচনে জিততে ট্রাম্পের প্রচারণা শিবির উল্লসিত হয়ে রাশিয়ার সহায়তা নিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের মে মাসে প্রথম খবর প্রকাশ হয় যে ডেমোক্র্যাটিক পার্টিকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে হ্যাকাররা। পরবর্তী দুই মাসে মার্কিন গোয়েন্দারা জানায় রাশিয়ার হ্যাকাররা এর সঙ্গে জড়িত। ওই বছরর জুলাইতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ন্যাশনাল কনভেনশনের সময়ে হ্যাকারদের চুরি করা প্রায় ২০ হাজার অভ্যন্তরীণ মেইল প্রকাশ করে দেয় উইকিলিকস। এরপরই অভিযোগ ওঠে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়া হস্তক্ষেপ করেছে। এই অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে রবার্ট মুলারের নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি। বরাবর অভিযোগ অস্বীকার করলেও ট্রাম্পও ওই কমিটির কাছে স্বাক্ষ্য দিয়েছেন। সূত্র: রয়টার্স এমএইচ/টিকে

‘পেছন ফিরে তাকাই যখন’   

আজ থেকে চুয়ান্ন বছর আগের কথা। কেমন করে যে এতগুলো বছর পার হয়ে গেল, তা ভাবতেও অবাক লাগছে। আব্বার রেলওয়েতে চাকরির সুবাদে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলার মানুষের সঙ্গে মেলামেশার সুযোগ হয়েছিল এবং তাদের সামাজিক আচার-আচরণ, সংস্কৃতি ও ভাষা সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছিলাম। ওই সময়টাই ছিল এমন। শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগে যমুনা নদীর তীর ঘেঁষা শহর সরিষাবাড়ী গার্লস হাইস্কুলে পড়তাম। তখনও দেখেছি মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে অভিভাবকদের অনীহা ছিল। আর এ কারণেই স্কুলের চারজন আয়া সকালে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্রীদের নিয়ে স্কুলে আসত; আবার স্কুলছুটির পর বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিত।  ১৯৬৩ সালে আব্বা শায়েস্তাগঞ্জে বদলি হলেন। বদলির কারণে আব্বার আর আমাদের মন ভীষণ খারাপ ছিল। বিশেষ করে আমার। কারণ শায়েস্তাগঞ্জে তখন মাধ্যমিক স্তরের কোনো গার্লস স্কুল ছিল না। ইচ্ছে না থাকা সত্ত্বেও  আমাদের নিয়ে ১৯৬৩ সালের এপ্রিল মাসে আব্বা চলে এলেন শায়েস্তাগঞ্জে। এখানে এসেই আব্বার সঙ্গে গিয়ে আমি আর আমার দুই ভাই শায়েস্তাগঞ্জে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে আমি অষ্টম শ্রেণিতে এবং দুই ভাই ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হই। প্রথম প্রথম ছেলেদের স্কুলে পড়তে বেশ অস্বস্তিতে ভুগছিলাম। নতুন জায়গায় কিছুটা নতুনত্ব ছিল বৈকি! কিন্তু নিজেকে যেন সহজে খাপ খাওয়াতে পারছিলাম না। তবে ধীরে ধীরে সব ঠিক হতে লাগল। স্কুলটি কিন্তু আমার প্রথম দেখাতেই ভালো লেগেছিল। ছায়া সুনিবিড়। কোথাও কোনো কোলাহল নেই। শান্ত পরিবেশ। স্কুলের পূর্বদিকে বহমান খোয়াই নদী, উত্তরে শায়েস্তাগঞ্জ-সিলেট রেললাইন সমান্তরাল চলার অনুপম চিত্র ও পশ্চিম পাশেই বিশাল খেলার মাঠ। তাছাড়া রেল স্টেশন ও বাজার থেকে প্রায় এক মাইল দূরত্বে সুন্দর শান্ত পরিবেশ। বৃহদাকারের হৃষ্টপুষ্ট অসংখ্য ডালপালাসমৃদ্ধ শিরিষ গাছগুলোর ছায়া যেন আরো শীতল ও শান্ত করে রেখেছিল স্কুলের পরিবেশ। প্রায় এক হাজার ছাত্রের মধ্যে মাত্র দশ-বারো জন ছাত্রী ছিলাম আমরা। আমাদের জন্য আলাদা বসার কোনো রুম ছিল না। টিচার্স কমনরুমেই তিন-চারটি বেঞ্চে আমরা বসতাম। তাই বলে আমাদের জন্য শিক্ষকদের কোনো অসুবিধা হতো বলে আজো মনে করি না। ক্লাসে যাওয়ার সময় আমরা স্যারদের পেছনে পেছনে যেতাম। ক্লাস শেষে আমরা আবার আমাদের জায়গায় এসে চুপচাপ বসে থাকতাম। অষ্টম শ্রেণিতে একশ’র মতো ছাত্র ছিল আর আমরা ছাত্রী ছিলাম মাত্র আটজন। বার্ষিক পরীক্ষার পর মাত্র দুজন ছাত্রী আমি আর হেনা প্রমোশন পেয়ে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হলাম। বাকি ছয়জন ঝরে পড়ল। তখনকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি তো আর এখনকার মতো ছিল না। মেয়েদের শিক্ষার হার ছিল খুবই নগণ্য। তাছাড়া ছিল সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ও বাধানিষেধ। লেখাপড়া করার ইচ্ছা সবার; কিন্তু সামাজিক বাধানিষেধের কারণে তা সম্ভব হতো না। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে। মুসলিম পরিবারের মেয়েদের স্কুলে লেখাপড়া করাটাকে মেনে নেওয়ার মনমানসিকতা ছিল না তখনকার সমাজে। কিছু কিছু অভিভাবক মনে করতেন প্রাইমারি পাস করে চিঠিপত্র পড়তে ও লিখতে পারলেই যথেষ্ট। আবার কেউ কেউ সেটাও মেনে নিতেন না। মেয়েরাও যে উচ্চশিক্ষিত হয়ে চাকরি করে ছেলেদের সমপর্যায়ে বা পাশাপাশি দাঁড়াতে পারে সেই চিন্তা কোনো কোনো অভিভাবকের মনেও হয়নি। এছাড়া ছিল বাল্যবিয়ের প্রকোপ। বারো-তেরো বছর হলেই বিয়ের কাজটা শেষ করে যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচতেন অভিভাবকরা। অনেকের ধারণা ছিল, মেয়েদের বেশি পড়ালেখার প্রয়োজন নেই। শায়েস্তাগঞ্জ স্কুলে আমার তিন বছরের অভিজ্ঞতা থেকে যতটুকু দেখেছি, তখনকার ছেলেরা অত্যন্ত সভ্য, ভদ্র ও মার্জিত ছিল। সবার একমাত্র লক্ষই ছিল লেখাপড়া শিখে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠা। যতদিন এ স্কুলে পড়াশোনা করেছি, এ সময়ের মধ্যে আমরা কোনোদিন কোনো ছাত্রের সঙ্গে কথা বলিনি। এখন কি এটা সম্ভব? অথচ আমরা অনেকেই একই পথে স্কুলে আসা-যাওয়া করতাম। আমাদের শিক্ষকরাও তাদের পেশাকে নেশা হিসেবেই গ্রহণ করেছিলেন। তাদের যোগ্যতা দিয়েই ছাত্রছাত্রীদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন। তাঁরা আমাদের স্নেহ, ভালোবাসা, শাসন, আদেশ, উপদেশ দিয়ে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। দু-তিনজন স্যার ছাড়া বাকি সবাই এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। আমরা তাদের আত্মার শান্তি কামনা করি। আমরাও মরণসমুদ্রের বেলাভূমিতে দাঁড়িয়ে আছি। যতদিন বেঁচে থাকব, আদর্শ মানুষ হিসেবে যেন বেঁচে থাকি। সবার ভালোবাসা ও দোয়া প্রত্যাশা করি। এসি  

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ড. কামালের [ভিডিও]

দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ডক্টর কামাল হোসেন। আর দেশের উন্নয়নে সৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন বিকল্প ধারার সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। দেশে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিকল্প নেই বলেও জানান তারা। রাজধানীতে শুক্রবার বিকেলে মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আয়োজনে আলোচনা সভায় এ’সব বলেন নেতারা। এতে গণফোরাম, বিকল্পধারা সহ বেশ কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতা ও বিশিষ্টজনেরা অংশ নেন। বক্তারা বলেন, ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থে কোন নির্বাচন হলে জাতিকে চরম মাশুল দিতে হবে। বিকল্প ধারার সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, শুধু নামে নয়, গণতন্ত্রকে ধারন করতে হবে মনে প্রাণে। আর গণফোরামের সভাপতি ডক্টর কামাল হোসেন বলেন, আবারো ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন হলে জাতীয় জীবনে দুর্যোগ নেমে আসবে। আগামী নির্বাচনে সন্ত্রাস, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দেন বক্তারা। টিকে

ঢাবি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) একটি ছাত্রী হল থেকে মধ্যরাতে তিনজন ছাত্রীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর ঐ হলের কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অবশ্য বলছেন, ফেসবুকে উস্কানিমূলক পোস্ট দেওয়ার কারণে ওই ছাত্রীদের আপাতত হল থেকে সরিয়ে তাদের অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই হলের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। অনেকের অভিযোগ, কোটা বিরোধী বিক্ষোভের সময় এক ছাত্রলীগ নেত্রীর হেনস্থা হওয়ার ঘটনার জন্য প্রশাসনের রোষানলে পড়েছে অনেক শিক্ষার্থী। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলছেন, রাতে সুফিয়া কামাল হলের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেওয়ার পর হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কোটা সংস্কার আন্দোলনের একজন নেতা হাসান আল মামুন বলছেন, তিনি ঘটনা শুনে মধ্যরাতেই ওই হলের সামনে গিয়েছিলেন। ওখানে যারা ছিলেন এবং এই ঘটনার যারা প্রত্যক্ষদর্শী, তারা বলেছেন, বিশ জনের মতো মেয়েকে বের করে দেওয়া হয়েছে।তাদের ফোনও জব্দ করে রাখা হয়েছিলো। সুফিয়া কামাল হলটি আলোচনায় রয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় এই হলে ছাত্রলীগের সভাপতি ইফফাত জাহান এশাকে ঘিরে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সে সময় কোটা-বিরোধী আন্দোলনকারীকে রোষের মুখে পড়েছিলেন ওই নেত্রী।শিক্ষার্থীদেরকে নির্যাতন করার অভিযোগে এই নেত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছিলো, পরে ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়।   শিক্ষার্থীরা বলছেন, ছাত্রলীগের এই নেত্রীকে জুতার মালা পরানোর ঘটনার কেন্দ্র করেই এখন হলে কোটা আন্দোলনে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে হল প্রভোস্ট সাবিতা রেজওয়ানা রহমান বলছেন, সুনির্দিষ্ট কারণে তাদেরকে তাদের অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিলো। তাদের মধ্যে দুজন আজই হলে ফিরে এসেছে। তিনি বলেন, "অভিভাবকরা তাদেরকে কাউন্সেলিং-এর জন্য নিয়েছে।" তবে কী কারণে তাদের কাউন্সেলিং করতে হচ্ছে সেটি তিনি প্রকাশ করেননি। হলের পরিস্থিতি নিয়ে জানতে বেশ কয়েকজন ছাত্রীর সাথে যোগাযোগ করলে তারা কেউ নিজেদের নাম প্রকাশ করে মন্তব্য করতে রাজী হননি। তবে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলছেন, ফেসবুকে উস্কানিমূলক পোস্ট দেওয়ার অভিযোগেই ওই তিন শিক্ষার্থীকে অভিভাবকের হাতে তুলে প্রশংসনীয় কাজ করেছে হল প্রশাসন। তিনি আরোও বলেন, "ফেসবুকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছিলো। এর আগেও গুজবের কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। ওদের অভিভাবকদের দেখানো হয়েছে মোবাইল খুলে। অভিভাবকরাও সন্তুষ্ট।" এদিকে ইফফাত জাহান এশাকে সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পুনর্বহালের ঘোষণার পর থেকেই আন্দোলনে জড়িত শিক্ষার্থীরা রোষানলে পড়তে পারে এমন উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষক। তাদেরই একজন সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হক বলছেন, সর্বশেষ ঘটনাতেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, "আন্দোলনকারীদের ধরে ধরে শাস্তি দেওয়ার যে চেষ্টা হচ্ছে তাতে আমরা উদ্বিগ্ন। সুফিয়া কামাল হলই নয় অন্য হলেও আন্দোলনে জড়িতদের চোখে চোখে রাখা, ভয় ভীতি দেখানো হচ্ছে- এটা অনভিপ্রেত।" ফাহমিদুল হক বলছেন, আন্দোলনের জন্য শিক্ষার্থীদেরকে চাপের মুখে না ফেলে ইফফাত জাহান এশাকে হেনস্থা করার ঘটনার বিচারের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধেও শিক্ষার্থীদের যেসব অভিযোগ রয়েছে সেগুলোও বিবেচনায় নিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের ওপর যেকোনো ধরনের হয়রানি এখনই বন্ধ করা উচিত বলে মনে করেন তিনি। সূত্র: বিবিসি বাংলা এমএইচ/টিকে

ওয়ার্নার যখন নির্মাণ শ্রমিক!

ডেভিড ওয়ার্নার। সানরাইজার্স হায়দারাবাদের অধিনায়ক হয়ে আরেকটি আইপিএল জেতার পরিকল্পনা সাজানোর কথা তার। কিন্তু বল বিকৃতির ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের দেওয়া ১২ মাসের নিষেধাজ্ঞা কাটাচ্ছেন তিনি। ওয়ার্নারকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এ জন্য হায়দারাবাদের কাছ থেকে ১২ কোটি রুপি বেতনও তাই হাতছাড়া হয়েছে। কিন্তু ওসব নিয়ে ভাবলে কি আর চলে! তাইতো নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হয়েছেন শখের নির্মাণ শ্রমিক! ব্যাটের বদলে হাতে ড্রিল আর হেলমেটের বদলে হাতায় নির্মাণ শ্রমিকদের হ্যাট নিয়ে ডেভিড ওয়ার্নার। বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে ওয়ার্নারের নতুন ‘চাকরি’র কথা জানিয়েছেন ক্যান্ডিস ওয়ার্নার। ক্যান্ডিসের ভিডিওতে দেখা যায়, সিডনির সমুদ্র তীরবর্তী একটি ম্যানশনে ড্রিল নিয়ে কাজ করছেন ওয়ার্নার। প্রকল্প পরিচালক পুরোপুরি ভিন্ন অর্থের ট্যাগ হ্যাটে লাগিয়ে তাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন। তার যে এখন ক্রিকেট বিহীন সময়টা ভালোই কাটছে সেটিই বোঝোলেন ভক্তদের। নিজের নির্মাণাধীন বাড়ির পেছনেই এখন শ্রম দিচ্ছেন তিনি। প্রায় ১ কোটি ডলারের বাড়িটা বানাচ্ছেন লারলাইন উপসাগর মুখী একটি জমিতে। ২০১৫ সালে ৪০ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলারে এই ব্যয়বহুল অঞ্চলে জমি কিনেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সহ-অধিনায়ক ওয়ার্নার। আর/টিকে

ফের এফডিসি আসছেন অনন্ত জলিল   

বদলে গেলেন চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল। সিনেমা জগত ছেড়ে এখন পুরোপুরি রয়েছেন নামাজ রোযা নিয়ে। ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান নিয়েই থাকে তার এখন যত ব্যস্ততা। তাই এফডিসি থেকে রয়েছেন যোজন যোজন দূরে। এবার অনেক দিন পর আবার আসছেন এফডিসিতে। তবে সিনেমার কোনো কাজে নয়। শনিবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। আজ (২০ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এই নতুন খবরটি জানালেন অনন্ত জলিল। তিনি লিখেন, ‘অনেকদিন এফডিসিতে যাওয়া হয় না, তবে এবার যাচ্ছি।’ শনিবার (২১ এপ্রিল) বেলা ৩টার দিকে তিনি এফডিসিতে আসছেন। একদল দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর টানেই তিনি সেখানে আসবেন।    অনন্ত জলিল লিখেন, ‘আমার এফডিসিতে যাত্রার কথা শুনে আশাকরি শঙ্কিত হবেন না। ২১ এপ্রিল দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা দেখতেই আমি আবারও এফডিসিতে যাবো। এই অনুষ্ঠানে আমাকে প্রধান অতিথি করায় ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’ নিজের ও অন্যদের সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রসঙ্গে অনন্ত বলেন, ‘সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে আমি দাঁড়াতে চাই, তাদের সহযোগিতার পাশাপাশি উৎসাহ দিতে চাই। তবে আমার মতো গুটি-কয়েকজন তাদের পাশে দাঁড়ালে হবে না, সামর্থ্যবান সকলকেই এগিয়ে আসতে হবে। এতে করে তারা যেমন এগিয়ে যাবে, পাশাপাশি আমাদের সোনার বাংলাদেশটিও এগিয়ে যাবে।’ দৃষ্টি-প্রতিবন্ধীদের নিয়ে এমন ভিন্ন ধারার জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। এবারের উদ্বোধনী আসরে সরকারি দল হিসেবে অংশ নিচ্ছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বিরোধী দল হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা।  এসি  

ম্যাসেঞ্জারে সিন অপশন বন্ধ রাখবেন যেভাবে

ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জারে ম্যাসেজ আসলে ব্যবহারকারীরা তা পড়ে দেখেন কিন্তু অনেক সময় রিপ্লাই দিতে চান না। যদি রিপ্লাই দিতে না চান তবে এই সমস্যা এড়াতে চাইলে ম্যাসেঞ্জারের সিন অপশনটি বন্ধ করে রাখতে পারেন। খুব সহজেই কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে কাজটি করা যাবে। চলুন দেখে নেওয়া যাক সিন অপশন কীভাবে বন্ধ রাখবেন আপনার ফোনের টপ বার ড্র্যাগ ডাউন করে অ্যারোপ্লেন আইকনে ক্লিক করে ফ্লাইট মোড অ্যাক্টিভেট করতে হবে। যদি ড্রপ ডাউন মেনুতে অপশনটি না পাওয়া যায় তাহলে সেটিংসে যেতে হবে। সেখানেই পাওয়া যাবে ফ্লাইট মোড অপশনটি। আইফোনে  সিন অপশন বন্ধ করতে সেটিংসে গিয়ে অ্যারোপ্লেন আইকনে ক্লিক করে ফ্লাইট মোড অ্যাক্টিভেট করতে হবে। ফ্লাইট মোড অ্যাক্টিভেট করা অবস্থায় ম্যাসেঞ্জারে গিয়ে ম্যাসেজ পড়লে প্রেরণকারী তা টের পাবেন না। গুগলের সার্চ বারে গিয়ে আনসিন ফর ফেইসবুক লিংকে সার্চ দিতে হবে। এরপরে ‘আনসিন ফর ফেইসবুক-ক্রোম ওয়েব স্টোর’ লেখা সার্চ রেজাল্টটিতে ক্লিক করতে হবে। এরপরে অ্যাড টু ক্রোম বাটনে ক্লিক করে এক্সেনশনটি ইনস্টল করে নিতে হবে। এক্সেনশনটি ইনস্টল করার পর উপরে সার্চ বারের ডান দিকে একটি নীল রঙের আইকন দেখা যাবে। এতে  ক্লিক করে ম্যাসেঞ্জারের সিন অপশন বন্ধ করাসহ বিভিন্ন সেটিংসে পরিবর্তন আনা যাবে। কেআই/টিকে

ওয়াটসনের সেঞ্চুরিতে চেন্নাইয়ের বড় পুঁজি

এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন খুন মেজাজের ব্যাটিং ক্রিস গেইল। শুক্রবার এই মৌসুমের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটাও পেয়ে গেলো আইপিএল। চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটসম্যান শেন ওয়াটসন রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে সেই সেঞ্চুরি করেছেন। তার ৫৭ বলে ১০৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করেই ৫ উইকেটে ২০৪ রানের বড় সংগ্রহ পেয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনির দল।  টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিল চেন্নাই। ১২ রান করে আম্বাতি রাইডু যখন আউট হন ৪.৩ ওভারেই তখন পঞ্চাশ রান দলের। এরপর ওয়াটসনকে নিয়ে তাণ্ডব চালায় সুরেশ রায়না। দ্বিতীয় উইকেটে তারা করেন ৮১ রানের জুটি। ২৯ বলে ৯ বাউন্ডারিতে ৪৬ রান করে শ্রেয়াস গোপালের লেগস্পিনে আউট হয়ে সাঁজঘরে ফিরে যান রায়না। তার শিকার হয়ে ধোনিও ফিরে যান মাত্র ৫ রানে। এর পর পরই ৩ রান করে স্যাম বিলিংস গোপালের তৃতীয় শিকার হলেও রান আটকে থাকেনি চেন্নাইয়ের। ওয়াটসন তাণ্ডব চালিয়েই গেছেন। শেষ পর্যন্ত ইনিংসের এক বল বাকি থাকতে ওয়াটসন আউট হয়েছেন ১০৬ রান করে। ৫৭ বলের দানবীয় ইনিংসে ৯টি চার আর ৬টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এই ব্যাটসম্যান। ১৬ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন ডোয়াইন ব্রাভো। রাজস্থান রয়্যালসের পক্ষে ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নিয়েছেন শ্রেয়াস গোপাল। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ২০৪ রানের বড় সংগ্রহ পায় ধোনির দল। ম্যাচে রাজস্থানকে জিততে হলে করতে হবে ২০৫ রান। আর/টিকে

বাড়িতে মিনারেল ওয়াটার তৈরি করবেন যেভাবে

টিউবওয়েলের পানির তুলনায় মিনারেল ওয়াটার স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। এ কথা তো সকলেরই জানা।কারণ, এতে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, পটাসিয়াম এবং ক্যালশিয়ামের মতো উপাদান। তবে প্রতি দিন দামি মিনারেল ওয়াটারের বোতল কেনা তো সকলের পক্ষে সম্ভব না-ও হতে পারে। তবে উপায়? উপায় রয়েছে। অল্প খরচে বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারেন মিনারেল ওয়াটার।আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক  কীভাবে তৈরি করবেন মিনারেল ওয়াটার। উপাদান * ফিল্টার করা পানি -১ লিটার * বেকিং সোডা -চা-চামচের ১/৮ *ইপসম সল্ট - চা-চামচের ১/৮ *পটাসিয়াম বাইকার্বোনেট - চা-চামচের ১/৮। তবে ২ লিটার মিনারেল ওয়াটার তৈরি করতে বেকিং সোডা, ইপসম সল্ট এবং পটাসিয়াম বাইকার্বোনেটের পরিমাণ বাড়িয়ে ১ চা-চামচের ১/৪ করে নিন। প্রস্তুত প্রণালী প্রথমে একটি ওয়াটার পিউরিফায়ার দিয়ে টিউবওয়েলের পানি ফিল্টার করে নিন। এ বার একটি খোলা পাত্রে তা রেখে দিন। তবে পানি রাখার আগে খেয়াল রাখবেন, পাত্রটি যেন পরিষ্কার হয়। এবার ওই ১ লিটার ফিল্টার করা পানিতে চা-চামচের ১/৮ বেকিং সোডা দিন। এখন ওই মিশ্রণে ইপসম সল্ট বা ম্যাগনেশিয়াম সালফেট দিন। খুব ভাল করে মিশিয়ে নিন। তাতেই তৈরি হয়ে যাবে মিনারেল ওয়াটার। এ বার বোতলে ভরে তা ফ্রিজে রেখে দিন। মিনারেল ওয়াটার শুধুমাত্র বাতের সমস্যা বা হজমের গোলমাল মেটায় শুধু এমনটাই নয়।নিয়মিত মিনারেল ওয়াটার পান করলে দেহে ক্যালশিয়ামের অভাবও পূরণ হয়। ফলে ভঙ্গুর নখ, দাঁত এবং হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি করে। সেই সঙ্গে এতে সালফেট থাকায় অ্যাসিডিটি কমাতেও সাহায্য করে। এমএইচ/টিকে

আমি এখনও বুড়ো হয়ে যাইনি: গেইল

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) টি-২০ ক্রিকেটের এগারতম আসরে প্রথম সেঞ্চুরি করে দেখালেন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড় ক্রিস গেইল। ৬৩ বলে অপরাজিত ১০৪ রানে বাংলাদেশের সাকিব আল হাসানের দল সানরাইজার্স হায়দারাবাদকে ১৫ রানে হারিয়েছে পাঞ্জাব। অথচ গেলো জানুয়ারিতে আইপিএলের নিলামের প্রথম দু’দিন গেইলকে কেউই দলই ভেড়ায়নি। নিলামের তৃতীয় দিন ৩ লাখ ১৪ হাজার ডলারে গেইলকে দলে ভেড়ায় পাঞ্জাব। সেঞ্চুরি করে নিজের জাত চেনালেন গেইল। তবে তিনি মনে করেন, তার প্রমাণের কিছু নেই, ‘অনেকেই ভেবেছিল আমি বোধ হয় বুড়ো হয়ে গেছি । এই ইনিংসের পর আমার কিছু প্রমাণ করার নেই।’ বিভিন্ন দেশের টি-২০ ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যানের খেতাব রয়েছে গেইলের দখলে। সংক্ষিপ্ত এ ভার্সনের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ৩৮ বছর বয়সী গেইল। কিন্তু আইপিএলের এগারতম নিলামে তাকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ ছিলো না কোন দলেরই। তবে শেষ পর্যন্ত বেইজ প্রাইজে তাকে দলে ভেড়ায় পাঞ্জাব। কিন্তু আসরে দলের প্রথম দুই ম্যাচে সুযোগ না পেয়ে অস্বস্তিতে ছিলেন এই রান মেশিন। তবে গেলো রোববার পাঞ্জাবের তৃতীয় ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে সুযোগ পেয়েই নিজেকে চিনিয়ে দিলেন গেইল। ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৩৩ বলে ৬৩ রান করেন তিনি। এতেও যেনো ক্ষোভ কমেনি গেইলের। তাই হায়দারাবাদের বিপক্ষে বিধ্বংসী রূপ নেন গেইল। ১১টি ছক্কা ও ১টি চারে ৬৩ বলে ১০৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস উপহার দেন গেইল। তাই ম্যাচে শেষে উচ্ছ্বসিত গেইল বলেন, ‘যে ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়েই খেলি না কেনো, মাঠে নামলে সেরাটা দেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর থাকি।’ কিছুদিন আগে পাঞ্জাবের উপদেষ্টা ও ভারতের সাবেক ওপেনার শেবাগ একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘ক্রিস যদি দু’টো ম্যাচও জিতিয়ে দিতে পারে আমাদের, তাহলে ওদের টাকা উসুল হয়ে যাবে। এ নিয়ে এবার আমাকে শেবাগের সঙ্গে কথা বলতে হবে!’ ইতোমধ্যে গেইলের ঝড়ের ঝড়ো ব্যাটিং এর পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইট করেছেন শেবাগ। তিনি লিখেছেন, ‘ক্রিসকে দলে নিয়ে আমি আইপিএলকে বাঁচিয়ে দিয়েছি ।’ শেবাগের এই টুইট চোখ এড়ায়নি গেইলের। সাথে সাথে ওই টুইটের জবাব দিয়েছেন টি-২০ ‘ইউনিভার্স বস’ গেইল। তিনি বলেন, ইয়েস। কেআই/টিকে

ক্রোমের ভুয়া অ্যাড ব্লকারস ব্যবহারকারী ২কোটি

বিশ্বব্যাপী দুই কোটি গুগল ক্রোম ব্যবহারকারীর ভুয়া অ্যাড ব্লকারস এক্সটেনশন ব্যবহার করেছেন। সম্প্রতি ‘অ্যাডগার্ড’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের এক রিপোর্টে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, অ্যাডরিমুভার ফর গুগল ক্রোম, ইউব্লক প্লাস, অ্যাডব্লক প্রো, এবং এইচডি ফর ইউটিউবের মত এক্সটেনশনগুলো ভুয়া। সেগুলো ব্যবহারকারীদের সঠিক সেবা দিচ্ছে না। গুগল ক্রোমের এক্সটেনশন দেখার রিভিউ দল ঠিকভাবে যাচাই বাছাই করে এপ্রুভ করাতে এই সমস্যা হয়েছে। অ্যাডরিমুভার ফর গুগল ক্রোম এক্সটেনশানে ব্যবহারকারী এক কোটির বেশি। ইউব্লক প্লাস, অ্যাডব্লক প্রোয়ের ব্যবহারকারী যথাক্রমে ৮০ ও ২০ লাখ। এছাড়া এইচডি ফর ইউটিউবের ব্যবহারকারী ৪ লাখের বেশি। ওয়েবসাইট বিভিন্ন  বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয়। অনেকের কাছে বিজ্ঞাপনগুলো পছন্দ হয় না কিংবা কোন সাইট ব্রাউজ করার সময়  বিজ্ঞাপনগুলো বিরক্তির কারণ হয়। এই ঝামেলা থেকে বাঁচতে মূলত ব্রাউজারে অ্যাডব্লক এক্সটেনশন ব্যবহার করা হয়। অ্যাডগার্ড নামে প্রতিষ্ঠানটি অ্যাড ব্লক সফটওয়্যার তৈরি করে থাকে। তবে বিষয়টি নিয়ে গুগলের পক্ষ থেকে এখনো কোন বক্তব্যে পাওয়া যায়নি। আর/টিকে

গোপনে অভিষেকের ফোন চেক করেন ঐশ্বরিয়া!

ঐশ্বরিয়া রাই এবং অভিষেক বচ্চনের বিবাহ বার্ষিক আজ। ১১ বছর পর দাম্পত্যের  গোপন একটি  দিক শেয়ার করলেন স্বয়ং এই ঐশ্বরিয়া। কিছু দিন আগে এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি কি লুকিয়ে তাঁর পার্টনারের ফোন বা এসএমএস চেক করেন? অর্থাৎ, অভিষেক বচ্চনের গতিবিধির উপর নজর রাখতে গোপনে কি তাঁর ফোন চেক করেন ঐশ্বরিয়া? এমন অভ্যাসের কথা অনেক দম্পতির ক্ষেত্রেই তো শোনা যায়। কিন্তু ঐশ্বরিয়া? এ প্রশ্নের উত্তরে স্বভাবসূলভ  জবাব দেন, ‘নেভার’। এর আগে ঐশ্বরিয়া একাধিক বার জানিয়েছেন, তিনি ব্যক্তিস্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আর তাছাড়া অভিষেককে নিয়ে তাঁর কোনও ইনসিকিওরিটি নেই। সে কারণেই হয়তো পার্টনারের ফোন গোপনে চেক করেন না নায়িকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও দেখে এমনটাই মনে করছেন ইন্ডাস্ট্রির একটা বড় অংশ। অভিষেক-ঐশ্বরিয়া  সম্পর্ক নিয়ে  কোনও প্রশ্ন তোলেন না তাঁদের প্রিয়জনেরা। যদিও ক্যারিয়ারের বিচারে অভিষেকের  তুলনায় ঐশ্বরিয়ার সাফল্য হয়তো কখনও সম্পর্কে ছায়া ফেলেছে বলে মনে করেন তাদের ঘনিষ্ঠদের একাংশ । কারণ, প্রকাশ্যেই ঐশ্বরিয়া এড়িয়ে যেতে দেখা গিয়েছিল অভিষেককে। তবে তাঁদের অনুরাগীদের মতে, তা সাময়িক। বরং বিবাহবার্ষিকীতে প্রিয় তারকাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন তাঁরা। (সূত্র: আনন্দবাজার)   কেআই/টিকে

বিসিবির চুক্তি থেকে বাদ পড়ার পর মোসাদ্দেকের সেঞ্চুরি

চোখের ইনফেকশনের কারণে অনেক দিন মাঠের বাইরে ছিলেন মোসাদ্দেক। গত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে সেভাবে সুযোগই হয়নি নিজেকে মেলে ধরার। সম্প্রতি বাদ পড়লেন বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে। এর মধ্যে নিজেকে জানান দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন তিনি। দারুণ সেঞ্চুরিতে সেটিই করে দেখালেন। তার দল যদিও আরো একটি ম্যাচ ড্র করেছে। শুক্রবার বিসিএলের পঞ্চম রাউন্ডের শেষ দিনে দক্ষিণাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের ম্যাচ উত্তেজনা ছড়ালেও শেষ পর্যন্ত ড্র হয়। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেটে ৪৮৪ রানে ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণাঞ্চল। ৩৭৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমেই মধ্যাঞ্চল দেড়শর আগে ৫ উইকেট হারাঢ। তবে তাদের বাঁচাতে পেরেছে ম্যাচ। সকালে দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে দ্রুত রান তোলার অভিযানে নেমেই সেঞ্চুরি করেছেন মোসাদ্দেক। ২২ রানে দিন শুরু করেছিলেন মোসাদ্দেক। অপর প্রান্তে ১৭ রানে শুরু করা জিয়াউর রহমান ফিরে যান ২৫ রানেই। মোসাদ্দেককে এরপর ব্যাট হাতে সঙ্গ দেন তরুণ অফ স্পিনার নাঈম হাসান। অষ্টম উইকেটে ১২১ রানের জুটি গড়েন দুজন। দলের ইনিংস ঘোষণার তাড়া ছিল তাদের। দ্রুত রান তোলার সেই দাবি দারুণভাবে মিটিয়েছেন মোসাদ্দেক। ১০ চার ও ৪ ছক্কায় অপরাজিত ১০২ করেছেন ১০৭ বলে। প্রথম শ্রেণির ম্যাচে এটি তার নবম সেঞ্চুরি। ব্যাটিং গড় ৬৭.৯৪। ৪৩ রানে নাঈম আউট হওয়ার পরই ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণাঞ্চল। প্রথম ইনিংসে ১১১ রানের লিড পেলেও মধ্যাঞ্চলের সামনে তখন ম্যাচ বাঁচানোর চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জের জবাব দেওয়ার শুরুটা খারাপ হয়নি সাইফ হাসান ও সাদমান ইসলাম উদ্বোধনী জুটিতে। তারা তোলেন ৪৬ রান। এরপর সাদমানকে ১৮ রানে ফেরান কামরুল ইসলাম রাব্বি। পরে আব্দুর রাজ্জাক ৪৩ রানে ফিরিয়ে দেন সাইফকে। মার্শাল আইয়ুব, তানবীর হায়দার ও ইরফান শুক্কুর দ্রুত ফিরে গেলে একটু চাপে পড়ে যায় মধ্যাঞ্চল। তবে তিন নম্বরে নামা আব্দুল মজিদ এক প্রান্ত আগলে অপরাজিত ৬০ রানের ইনিংসে নিশ্চিত করেন ড্র। প্রথম ইনিংসে ৬টির পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা হন আব্দুর রাজ্জাক। এ নিয়ে এবারের বিসিএলের ৫ ম্যাচের সবকটিই ড্র করল দক্ষিণাঞ্চল। ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে তারা পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে। ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে সবার শেষে মধ্যাঞ্চল। ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপার পথে অনেকটা এগিয়ে উত্তরাঞ্চল।   সংক্ষিপ্ত স্কোর: দক্ষিণাঞ্চল ১ম ইনিংস: ১৯১ মধ্যাঞ্চল ১ম ইনিংস: ৩০২ দক্ষিণাঞ্চল ২য় ইনিংস: ১০৮.৩ ওভারে ৪৮৪/৮ (ডি.) (আগের দিন ৩৪৮/৬) (জিয়াউর ২৫, মোসাদ্দেক ১০২*, নাঈম ৪৩; আবু হায়দার ২/৮০, শাকিল ০/৭৬, এবাদত ১/১০১, মোশাররফ ৩/১১০, তানবীর ২/৮৫, মাহমুদউল্লাহ ০/২৫)। মধ্যাঞ্চল ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ৩৭৪) ৫৫ ওভারে ১৫৮/৫ (সাইফ ৪৩, সাদমান ১৮, মজিদ ৬০*, মার্শাল ১৬, তানবীর ৩, ইরফান ২, মোশাররফ ১২*; রাজ্জাক ৩/৭৩, নাঈম ১/৫৩, কামরুল রাব্বি ১/২৮)। ফল: ম্যাচ ড্র ম্যান অব দা ম্যাচ: আব্দুর রাজ্জাক আর/টিকে

ঢাবির ঘটনায় রাবিতে প্রতিবাদ, ছাত্রলীগের বাধা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি)কবি সুফিয়া কামাল হল থেকে তিন আন্দোলনকারী ছাত্রীকে বের করে দেওয়ার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ কর্মসূচি ছাত্রলীগের বাধায় পণ্ড হয়েছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনে আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন। বিকেল সোয়া ৫ টার দিকে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ৭০-৮০জন নেতা-কর্মী সেখানে এসে অবস্থান নিলে আতঙ্কে বিক্ষোভকারীরা সরে যান। আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি পালনে ‘নিষেধ’ করেছেন বলে স্বীকার করেছেন শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু। তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে এসেছিল বিক্ষোভ মিছিলের কথা জানাতে। কিন্তু আমরা তাদের নিষেধ করি।’ এর আগে গতরাতে ঢাবির হল থেকে ছাত্রী বের করে দেওয়ার ঘটনায় আজ বিকাল ৫টায় সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’। এর অংশ হিসেবে রাবিতে বিকেল ৫টায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদেরা বিক্ষোভের ঘোষণা দেন। কর্মসূচি শুরুর আগে বিকাল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টুকিটাকি চত্বরে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুর সঙ্গে কোটা আন্দোলনের সমন্বয়ক মাসুদ মোন্নাফসহ চার জনকে কথা বলতে দেখা গেছে। এসময় আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ করতে ছাত্রলীগ নিষেধ করে বলে জানা যায়। নিষেধ সত্ত্বে আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হলে ছাত্রলীগ মহড়া নিয়ে সেখানে অবস্থান নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কেন্দ্র ঘোষিত কমসূচি অনুযায়ী বিকেল সাড়ে ৪টায় গ্রন্থাগারের সামনে বিক্ষোভের জন্য জড়ো হয় ২০-২৫ জন শিক্ষার্থী। একই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুর নেতৃত্বে ৭০-৮০ জন নেতাকর্মী ক্যাম্পাসে মহড়া বের করেন। মহড়া নিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গ্রন্থাগারের দিকে আসলে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা সেখান থেকে সরে যান। পরে সেখানে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রায় ১০ মিনিট অবস্থান করেন। এ সময় ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতাকর্মী পাশ থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ‘উস্কানিমূলক’ নানা কথা বলতে শোনা যায়। তারা কয়েকজন তাচ্ছিল্য করে বলেন, ‘আন্দোলনকারীরা সব কই গেলো?’, ‘তোমরা কি আন্দোলন করবে না’ । এমন কথা শুনে সংঘাতে জড়ানোর ভয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল না করেই কর্মসূচি স্থগিত করেন। জানতে চাইলে আন্দোলনের রাবি শাখার আহবায়ক মাসুদ মোন্নাফ বলেন, ‘আজকের মতো কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে আপনাদের জানানো হবে।’ তবে, কী কারণে স্থগিত করা হয়েছে, জানতে চাইলে তিনি কিছু বলতে রাজি হননি। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, ‘সরকার কোটা সংস্কারের দাবি মেনে নিয়েছে। কিন্তু একটা পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা তাদের আজকে আন্দোলন করতে নিষেধ করেছি। ’ ক্যাম্পাসে মহড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো স্বাভাবিক শোডাউন দিয়েছি। তাদের বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল না।’ টিকে

ইউটিউবে শিশুদের নিরাপদ রাখার ৩ কৌশল

ভিডিও দেখার অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ইউটিউব। শিশুরাও ইউটিউবে ভিডিও দেখতে পছন্দ করে।কিন্তু শিশুদের জন্য ইউটিউবে ভিডিও দেখা যদি উপযুক্ত করা না হয় তাহলে ঘটতে পারে বিপত্তি।তারা সহজেই ভুলের দিকে পা বাড়াতে পারে বা খারাপ কিছুর দিকে ঝুঁকে যেতে পারে। তাই আপনি কিভাবে শিশুদের ইউটিউব ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ করবেন তার তিনটি পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো। ১) জিমিইল আইডি দিয়ে ইউটিউবে লগ ইন করুন প্রথমে শিশুর জন্য জিমেইল আইডি খুলে নিতে হবে।এরপর যে কম্পিউটারে শিশুটি ইউটিউবে ব্যবহার করবে সেখানকার ব্রাউজারে গিয়ে ইউটিউব ওয়েবসাইটটিতে যেতে হবে। এরপর ইউটিউবের ডান পাশে থাকা লগ ইন অপশনে ক্লিক করে শিশুটির জন্য খোলা জিমেইল আইডিটি দিয়ে লগ ইন করতে হবে। ২) কম্পিউটারে ইউটিউবের Restricted Mode  চালু করুন ইউটিউবের হোম পেইজের বাম পাশে থাকা সাইডবারের নিচে থাকা ‘settings’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেটিংস পেইজে নিচের দিকে ‘Language’, ‘Country’, ‘Restricted Mode ’, ‘Help’ লেখা চারটি অপশন দেখা যাবে। এরপর Restricted Mode নামে একটি অপশনে ক্লিক করতে হবে।এরপর ‘on’ অপশন সিলেক্ট করে ‘save’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এতে করে আর ছোটদের অনুপযোগী ভিডিও সার্চ লিংক এসে হাজির হবে না। ৩) স্মার্ট ফোনে ইউটিউবের Restricted Mode  চালু করুন ফোনে থাকা ইউটিউব অ্যাপের ‘Restricted Mode’ অপশনটিও চালু করে রাখা যাবে। এর জন্য প্রথমে ফোনে থাকা ইউটিউব অ্যাপে গিয়ে ডান পাশে থাকা ইউজার প্রোফাইলের আইকনে ক্লিক করতে হবে। তারপর নতুন একটি পেইজ চালু হবে সেখান থেকে ‘settings’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে থেকে ‘General’ অপশনে ক্লিক করলে ‘restricted mode’ অপশনটি আসবে।   এমএইচ/টিকে

ড্রিমার্সের উদ্যোগে ইয়ুথ লিডারশীপ সামিট

সেচ্ছাসেবি সংগঠন ইউ দ্য ড্রিমার্স এর উদ্যোগে ইয়ুথ লিডারশীপ সামিট ২০১৮ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনার ইউনিভার্সিটির ৫২ মিলনায়তনে এ সামিট অনুষ্ঠিত হয়। ড্রিমার্সের প্রধান উপদেষ্টা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যায়ের মেডিসিন বিভাগের ডিন ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর ডা. এবি এম আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সামিটে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স-এর প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডমিরাল (অব.) এম ফরিদ হাবিব, বিশেষ অতিথি ছিলেন আইইউএস ট্রাস্টি বোর্ডের জেনারেল সেক্রেটারি ড. সালেহ হোসাইন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ড. মোসলেম উদ্দিন মুন্না, তরুণ চলচিত্র নির্মাতা ও লেখক সাদাত হোসাইন, পিডিএফ এর প্রতিষ্ঠাতা মিজানুর রহমান কিরণ প্রমুখ। ‘দেশ তোমাকে কী দিল সেটা নয়, তুমি দেশকে কী দিলে সেটা ভাবো’ এই স্লোগানে অনুষ্ঠিত সামিটে বক্তারা বলেন, সমাজকে বদলানোর আগে নিজেকে বদলানো দরকার।  ক্যারিয়ার গঠনের জন্য সময়ের যথাযথ ব্যবহার, লক্ষ্য নির্ধারণ এবং সেই লক্ষপানে নিরবিচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যাওয়া ও চরিত্র গঠনের উপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। সামিটে আরো উপস্থিত ছিলেন উই দ্য ড্রিমার্সের প্রধান সমন্বয়ক কুতুব তারিক, সহকারী সমন্বয়ক ইঞ্জিনিয়ার শাহাবুদ্দিন, এক্সিকিউিটিভ ডিরেক্টর শামীম ইব্রাহিম খলীল, শিহাব উদ্দিন, মুজাহিদুল ইসলাম, ডা. ইলিয়াছ, শিশির মজুমদার, খলিল খান ও ডা. নুরুন্নাহার রিগবী প্রমুখ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে নতুন আকর্ষণ এ্যাডভেঞ্চার ট্রি

পর্যটকদের জন্য নতুন আকর্ষণ হিসাবে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে স্থাপন করা হয়েছে এ্যাডভেঞ্চার ট্রি এক্টিভিটি। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন না হলেও প্রতিদিন পর্যটকরা সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন। সাতছড়ির জাতীয় উদ্যানকে পরিবেশবান্ধব পর্যটন এলাকা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা জানান, এটি পর্যটকদের জন্য জেলায় একটি আকর্ষণীয় স্থান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, এলাকার মানুষদের সংগ্রামী ও ঝুঁকিপূর্ণ জীবন আর বিশাল বৃক্ষরাজি দেখতে এবং এ্যাডভেঞ্চার নিতে এই ট্রি এক্টিভিটি। তারা আরোও জানান, এ্যাডভেঞ্চার ট্রি একটি মজাদার ও রোমাঞ্চকর আউটডোর এক্টিভিটি। একে হাই রোপ এক্টিভিটিও বলা হয়। মাটি থেকে ৩০ ফুট উপরে এক গাছ থেকে আরেক গাছে বিভিন্ন কঠিন ধাপ অতিক্রম করাই ট্রি এক্টিভিটি। নিরাপদভাবে তৈরি এই এক্টিভিটি। এটি উপভোগ করতে বেশকিছু নিরাপত্তা সরঞ্জাম (সেফটি হার্নেস, গ্লাভস, হ্যালমেট) ব্যবহার করা হয়। এই এক্টিভিটি করতে বেশকিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। মনে রাখতে হবে জীবনের জন্য রোমাঞ্চ, রোমাঞ্চের জন্য জীবন নয়। তাই যে কোন ধরনের রোমাঞ্চকর এক্টিভিটি সঠিক নিয়মেই করতে হবে। এ্যাডভেঞ্চার ট্রি স্থাপন করা হয়েছে ক্রেল এর অর্থায়নে। প্রাথমিকভাবে এর এন্ট্রি ফি একশ’ টাকা ধার্য করা হলেও এখনও তা অনুমোদন হয়নি। ক্রেল-এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লা আল মামুন জানান, এটি চালু হলে উদ্যানে পর্যটক বাড়বে এবং আয়ও বৃদ্ধি পাবে। বাসস   এমএইচ/টিকে

নেইমারের চোখে রাশিয়া বিশ্বকাপের তারকারা

মিশরের মোহামেদ সালাহ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলের হয়ে দুরন্ত ফর্মটা বিশ্বকাপে টেনে আনতে পারেন বলে বিশ্বাস নেইমারের। এছাড়া উরুগুয়ের লুইস সুয়ারেস এবং ব্রাজিল দলের দুই সতীর্থ ফিলিপে কৌতিনিয়ো ও গাব্রিয়েল জেসুসের ওপরও নজর রাখতে বলছেন বিশ্বের এই দামি ফুটবলার। নেইমারের পায়ের পাতায় অস্ত্রোপচারের পর বিশ্রামের জন্য এখন ব্রাজিলে রয়েছেন পিএসজির ফরোয়ার্ড নেইমার। তবে ১৭ জুন বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচের আগেই সুস্থ হয়ে ওঠা নিয়ে আশাবাদী তিনি। ‘ই’ গ্রুপে ব্রাজিলের অন্য দুই প্রতিপক্ষ কোস্টারিকা ও সার্বিয়া। বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিলিপে কৌতিনিয়ো ও গাব্রিয়েল জেসুসদের থেকে যোগ্য সমর্থন পাবেন বলে প্রত্যাশা ব্রাজিল অধিনায়কের। তিনি নিজে, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি ছাড়া কারা বিশ্বকাপ মাতাবেন -সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নেইমার বলেন, ‘অনেক ভালো মানের খেলোয়াড় আছে। আমরা বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলছি, একমাত্র বিশ্বের সেরারাই এখানে আসে।’ ‘কিন্তু কৌতিনিয়ো ও জেসুস এমন দুজন যারা পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আমি আশা করি তারা তা পারবে।’ ‘মোহামেদ সালাহ খুব বড় একটা জাতীয় দলে খেলে না। কিন্তু সে খুব ভালো একটা বিশ্বকাপ কাটাতে পারে। কেভিন ডি ব্রুইনে, এডেন হ্যাজার্ড, লুইস সুয়ারেসদের মতো আরও কয়েকজন খুব প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে।  আমি আশা করি, আমরা সবাই দারুণ পারফর্ম করতে পারব এবং অসাধারণ একটা বিশ্বকাপ উপভোগ করবো। কিন্তু আমি চাইব তারা ব্রাজিলের বিপক্ষে তেমনটা করবে না। আমার মতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে শক্তিশালী দলের অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত। আমাদের বিশ্বকাপ জয়ের মতো ভালো মানের খেলোয়াড় আছে এবং আমরা তা জিততে চেষ্টা করব।’ কেআই/টিকে

অনুষ্কার জন্মদিনের জন্য বিরাটের প্ল্যান 

আসছে অনুষ্কার জন্মদিন। বিয়ের পর এটি তার প্রথম জন্মদিন। আর তা স্পেশাল তো হবেই। অনুষ্কা শর্মার কাছেও তার এ বছরের জন্মদিন খুব স্পেশাল। আগামী ১ মে নায়িকার জন্মদিন। সে কারণে ইতিমধ্যেই নাকি প্রচুর প্ল্যান করেছেন বিরাট কোহলি।    এদিকে আইপিএল নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন বিরাট কোহলি। অন্যদিকে‘সুই ধাগা’ এবং ‘জিরো’ ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত অনুষ্কাও। তবে শোনা যাচ্ছে তার মধ্যেই নাকি ছোট্ট বিরতি নেবেন দুই তারকা। বেঙ্গালুরুতে নাকি অনুষ্কার জন্মদিন সেলিব্রেট করার প্ল্যান করেছেন বিরাট। শোনা যাচ্ছে, বিরাটের পরিবারের সদস্যরা দিল্লি থেকে বেঙ্গালুরু যাবেন সে সময়। দুই পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে ডিনারে যাবেন দম্পতি। তাদের ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু সাংবাদিকদের জানান,‘‘ব্যস্ততার কারণে বিরাট-অনুষ্কার খুব কম দেখা হয়। ২৪ এপ্রিল বেঙ্গালুরু পৌঁছবেন অনুষ্কা। সেখানে এক সপ্তাহ থাকার পর ‘জিরো’ শুটিংয়ে প্রায় দেড় মাসের জন্য আমেরিকা যাবেন।’’ গত ডিসেম্বরে ইতালিতে বিয়ে করেছেন বিরাট-অনুষ্কা। তার পর সে ভাবে সেলিব্রেশনের কোনও অনুষ্ঠান ছিল না তাদের। সে কারণেই অনুষ্কার জন্মদিনের সেলিব্রেশন বড় ভাবেই হবে বলে মনে করছেন ইন্ডাস্ট্রির একটা বড় অংশ। এসি  

খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে বিএনপির শঙ্কা [ভিডিও]

জন্ম-মৃত্যু বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের পর খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে বিএনপি। শুক্রবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে  এক সংবাদ সম্মেলন এ শঙ্কার কথা জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এসময় তিন অভিযোগ করে বলেন, দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের প্রচারণায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে চায় নির্বাচন কমিশন। ক্ষমতাসীনদের সুবিধা দিতেই কমিশন এমনটা করছে বলে অভিযোগ বিএনপি নেতাদের। রিজভী বলেন, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে সরকার যে নীল নকশা করছে, ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যই তার প্রমাণ। এদিকে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভায় অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে সাংসদরা ভোট চাইলে, ক্ষমতাসীনরা বাড়তি সুবিধা পাবে। জাতীয় প্রেসক্লাবে আরেক আলোচনায় গাজীপুর ও খুলনা নগরীতে ভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রহসনের নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মত আর কোনো ফাঁদে জনগণ পা দেবে না বলে মন্তব্য করেন বিএনপি নেতারা।  ভিডিও: 

এক দশকের মধ্যে মাছের ডিমের রেকর্ড হালদায় [ভিডিও]

দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদীতে গত এক দশকের মধ্যে মা মাছের সর্বোচ্চ পরিমান ডিম পাওয়া গেছে। হালদায় মা মাছ ডিম ছাড়ার খবর পেয়ে হাটহাজারী, রাউজানের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ডিম সংগ্রহে নেমেছে কয়েক শ’ ডিম আহরণকারী। ঝড়, বৃষ্টি আর বজ্রপাত উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার রাতভর হালদা নদী থেকে মাছের ডিম সংগ্রহে ব্যস্ত সময় কাটান মৎস্য চাষীরা। প্রতিবছর চৈত্র-বৈশাখ মাসে হালদা নদীতে ডিম ছাড়ে দেশি প্রজাতীর মা মাছ।  গত দুইদিন বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া আর পাহাড়ী ঢলের কারণে ঝাঁকে ঝাঁকে মিঠা পানির মাছ এসে ডিম ছাড়ে হালদায়। খবর পেয়ে ডিম সংগ্রহে নামে হালদার দু’পাড়ের মানুষ।  ডিম সংগ্রহের পর হালদা পাড় জুড়ে এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মৎস্য চাষীরা। ডিম থেকে শুরু হয়েছে পোনা ফোটানোর কাজ। স্থানীয়রা জানান, গত ১০ বছরের মধ্যে এবারে সর্বোচ্চ পরিমান মা মাছ হালদায় ডিম ছেড়েছে। অন্যদিকে হালদা গবেষক অধ্যাপক মনজুরুল কিবরিয়া বলছেন, হালদাকে দূষণমুক্ত করা গেলে মৎস্য প্রজনন আরো বাড়বে।   দেশের মিঠা পানির মাছের একমাত্র প্রজনন কেন্দ্র হালদা মাছের অভয়ারণ্য হয়ে উঠবে এমনটাই প্রত্যাশা সবার।  ভিডিও:      

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি