ঢাকা, শনিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ৭:২২:৪৬

রাজনীতিতে আসছেন নওয়াজ কন্যা মরিয়ম

পাকিস্তানের রাজনীতিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের মেয়ে মরিয়ম নওয়াজ। স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে পাকিস্তানের প্রভাবশালী দৈনিক ডন এ খবর প্রকাশ করে। সূত্রের পরিচয় গোপন রেখে শুক্রবার এক প্রতিবেদনে ডন আরও জানায়, চলতি বছরে দেশটির সাধারণ নির্বাচনেও অংশ নিবেন মরিয়ম। প্রতিবেদনে বলা হয়, লাহোরের ‘এনএ-১২০’ নামের নির্বাচনী আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মরিয়ম। এই আসন থেকেই ২০১৩ সালে নির্বাচনে জয় লাভ করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন মরিয়মের বাবা নওয়াজ শরীফ। পাশাপাশি প্রাদেশিক নির্বাচনের জন্যও জনসংযোগ প্রচারণায় অংশ নেবেন মরিয়ম। তবে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার খবরে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি মরিয়ম নওয়াজ। ৪৪ বছর বয়সী মরিয়ম ১৯৭৩ সালে সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের সামরিক অভ্যুত্থানে তার জড়িত থাকার গুঞ্জন আছে। সেই অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার জন্য তার পুরো পরিবারকে নির্বাসিত করা হয়। বেশ কয়েক বছর ধরেই তিনি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে উঠছিলেন বলে দেশটির রাজনৈতিক পাড়া সূত্রে জানা যায়। সূত্র: ডন এসএইচএস/টিকে

শহীদ আসাদ দিবস আজ

আজ ২০ জানুয়ারি শনিবার শহীদ আসাদ দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানী স্বৈরশাসক আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্রসমাজের ১১-দফা কর্মসূচির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে জীবন দেন ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বিভিন্ন সংগঠন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গেট সংলগ্ন শহীদ আসাদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে । আসাদ শহীদ হওয়ার পর তিনদিনের শোক পালন শেষে ওই বছরের ২৪ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের ছয়-দফা ও ছাত্রদের ১১-দফার ভিত্তিতে সর্বস্তরের মানুষের বাঁধভাঙা জোয়ার নামে ঢাকাসহ সারাবাংলার রাজপথে। সংঘটিত হয় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান। পতন ঘটে আইয়ুব খানের। আরেক স্বৈরশাসক ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় বসে সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দেন। সত্তর সালের সেই অভূতপূর্ব নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। কিন্তু ইয়াহিয়া ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য নানা টালবাহানা শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় একাত্তর সালে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। মাত্র নয় মাস যুদ্ধের পর একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে বাঙ্গালি। বিশ্বমানচিত্রে জন্ম নেয় বাংলাদেশ নামে একটি নতুন দেশের।   আর

অফিসার্স ক্লাব নির্বাচনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন

অফিসার্স ক্লাব ঢাকা নির্বাহী কমিটির ২০১৮-২০১৯ মেয়াদের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণ ভাবে শেষ হয়েছে। চলছে ভোট গনণা। শুক্রবার ১৯ শে জানুয়ারি বিকাল ৫টার সময় শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ একটানা চলে রাত ১০.৩০ পর্যন্ত। ভোটাররা তাঁদের পছন্দের  ভাইস চেয়ারম্যাম, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, সদস্য নির্বাচিত করতে ভোট দিয়েছেন। অফিসার্স  ক্লাব নির্বাচনের ফলাফল কেমন হবে, তা নিয়ে  প্রর্থীদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রয়েছে । অফিসার্স ক্লাব ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, রাতেও কেন্দ্রের বাইরে ভোটার এবং উৎসুক মানুষের ভিড়। ভোটারা প্রর্থীদের সমর্থন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিচ্ছে। এরপারে জানতে চাইলে সদস্য পদ পর্থী মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ একুশে টিভিকে বলেন,  ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে এখন চলছে গণনা। রাত ২টা বা তিনটা বাজতে পারে ফলাফল প্রকাশিত হতে। তবে নির্বাচনের পরিবেশ ছিল উৎসব মুখর। ভোটারা কেন্দ্রের বাইরে  অপেক্ষা করছেন ফলাফলের জন্য। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অফিসার্স ক্লাবে সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, যুগ্ম সম্পাদক ও সদস্যসহ ২২টি পদের বিপরীতে প্রার্থীতা ৪৫ জন সরকারি কর্মকর্তা। প্রার্থীদের মধ্যে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বর্তমান দায়িত্বরত সচিবসহ বেশকিছু প্রভাবশালী কর্মকর্তা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ক্লাবে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৭৩১ জন। যদিও ক্লাবের বর্তমান সদস্য সংখ্যা পাঁচ হাজার তিনশ’ জন। অফিসার্স ক্লাব সূত্র জানায়, সংবিধান অনুসারে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব হন ক্লাবের সভাপতি। বর্তমানে এ পদে রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। এই পদটিতে কখনো নির্বাচন হয় না। সহ-সভাপতি পদের সংখ্যা মোট তিনটি। এ তিন পদের বিপরীতে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- সাবেক অতিরিক্ত সচিব এম এ রাজেক, প্রফেসর ডা. মো মোজাহেরুল হক, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কেএএম মোজাম্মেল হক, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব আনছার আলী খান, আমিনুল ইসলাম, মো. গোলাম মোস্তফা, রওশন আরা জামান এবং বাংলাদেশ আনসারের সাবেক উপ-মহাপরিচালক ড. ফোরকান উদ্দীন আহাম্মদ। সাধারণ সম্পাদকের একটি পদে লড়ছেন তিন প্রার্থী। তারা হলেন- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইব্রাহীম হোসেন খান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) এম খালিদ মাহমুদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোশারফ হোসেন। কোষাধ্যক্ষের একটি পদে যুগ্ম কর কমিশনার ব্যারিস্টার মোতাসিম বিল্লাহ ফারুকী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মেজবাহ উদ্দীন। যুগ্ম-সম্পাদকের তিন পদের বিপরীতে লড়ছেন পাঁচজন। তারা হলেন- ঢাকা কলেজের অধ্যাপক ড. ফেরদৌসি খান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার মোস্তান হোসেন, ডা. সৈয়দ ফিরোজ আলমগীর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম। ১৪টি সদস্য পদের বিপরীতে মোট ৩৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন- ডা. মো. এমদাদুল হক, এমএ মজিদ, আবদুল মান্নান, ডা. মনিলাল আইচ লিটু, আশরাফুল খান রোজি, মীর মনজুরুর রহমান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান মো. মনছুরুল আলম, শেখ মো. শরীফ উদ্দীন, ড. মো. জাকেরুল আবেদীন (আপেল), স্বপন কুমার রায়, সৈয়দ মাহফুজ আহমেদ, মুহাম্মদ সাবিক সাদাকাত, একে বোরহানউদ্দীন, শ্যামাপদ, মো. আখতারুজ্জামান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত সচিব (যুগ্ম সচিব) ড. মো. হারুন অর রশিদ বিশ্বাস, আসমা সিদ্দিকা মিলি, মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, আব্দুল মান্নান ইলিয়াস, শাহীন আরা মমতাজ (রেখা), আলমগীর হোসেন, শাহাদৎ হোসাইন, উপ-প্রধান তথ্য অফিসার স. ম. গোলাম কিবরিয়া, প্রাদ্যুৎ কুমার সাহা, মোতাহার হোসেন, মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈ, জেসমিন আক্তার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব রথীন্দ্র নাথ দত্ত, মাসুদ করিম, তানিয়া খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব আজহারুল ইসলাম খান, জনপ্রশাসন মন্ত্রীর পাবলিক রিলেশন অফিসার মমিনুল হক (জীবন), মোহাম্মদ শাহজালাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের উপ-সচিব সৈয়দা সালমা জাফরীন ও মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মৌসুমি।   আর/টিকে

রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকরাই রোনালদোকে চায় না

যে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো রিয়াল মাদিদ্রকে একের পর এক শিরোপা জিতিয়ে ভক্ত সমর্থকদের কাছে হয়ে উঠেছিলেন চোখের মণি। সেই পর্তুগিজ তারকা এখন মাদ্রিদ সমর্থকদের কাছে জেন দুই চোখের বিষ। সময়ের কি নিষ্ঠুর আচরণ! কিন্তু চলতি মৌসুমে মাত্র চার গোল করেছেন তিনি। যা রোনালদোর মত তারকা খেলোয়াড়ের নামের পাশে এই পরিসংখ্যান একেবারেই বেমানান। স্বাভাবিকভাবে এমন ফুটবলারকে কেনই-বা মাথায় তুলে রাখবেন সমর্থকেরা। তাই মাদ্রিদ শহরে রব উঠেছে, ‘রোনালদোকে তাদের আর প্রয়োজন নেই।’ রোনালদোকে নিয়ে ১৭ জানুয়ারি স্প্যানিশ পত্রিকা এএস একটি জরিপ চালিয়েছে। মাদ্রিদের সমর্থকেরা রোনালদোকে ক্লাবে দেখতে চান, নাকি চান না? দুদিন পরে ঘোষিত জরিপের ফলাফলে রোনালদোর এক ধরনের পরাজয় ঘটে। জরিপে অংশ নেওয়া ১ লাখ ২৫ হাজার জনের মধ্যে প্রায় ৬৮ ভাগ মানুষ রোনালদোকে আর মাদ্রিদে দেখতে চান না। অর্থাৎ ৩২ ভাগ মানুষ রোনালদোর মাদ্রিদে থাকা উচিত বলে মত দেন। অন্যদিকে তো গুঞ্জনই চলছে ক্লাব প্রেসিডেন্ট পেরেজের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটাও ভালো যাচ্ছে না। খেলার নিয়মই তো এটাই। দুই পায়ে ঝলক না থাকলে,কেউ আর পাশে নেই। অথচ এই মৌসুমের আগেও রোনালদো ছিলেন সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর আকাশের তারা। শেষ মৌসুমেও করেছিলেন ৪৩ গোল।এর ২০১৪-১৫ ও ২০১৩-১৪ মৌসুমে যথাক্রমে ৬১ ও ৫১ গোল করে হয়েছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতা। রোনালদোর জন্য এই পরিসংখ্যানগুলো এখন শুধুই অতীত। তাই রব উঠেছে, রোনালদোকে আর প্রয়োজন নেই। তবে কোচ জিনেদিন জিদান রোনালদোর সমালোচনাকারীদের একহাত নিয়ে বলেছেন, ‘রোনালদো ছাড়া মাদ্রিদকে কল্পনা করা যায় না।’ কেআই/

ইমরুল কায়েস বাদ

ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে লিগ পর্বে শেষ দু’ম্যাচের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। প্রথম দু’ম্যাচের দলে থাকা ওপেনার ইমরুল কায়েস বাদ পড়েছেন। ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেটে এবং শ্রীলংকাকে ১৬৩ রানে হারায় বাংলাদেশ। ফলে দু’ম্যাচে বড় জয়ে বোনাস পয়েন্টসহ ১০ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে মাশরাফির দল। আগামী ২৩ ও ২৫ জানুয়ারি যথাক্রমে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলংকার বিপক্ষে লিগ পর্বে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৭ ফাইনাল। বাংলাদেশ দল: মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, এনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, নাসির হোসেন, সাব্বির রহমান, মোহাম্মদ মিথুন, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, আবুল হাসান রাজু, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ও সানজামুল ইসলাম।   আর

ক্যাম্পে হাতির আক্রমণ, রোহিঙ্গার মৃত্যু

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্যহাতির আক্রমণে এক রোহিঙ্গা নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুইজন। শুক্রবার উপজেলার কুতুপালং লম্বাশিয়া ১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যাক্তি মো. ইয়াকুব আলী (৪৫) মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে লম্বাশিয়া ক্যাম্পের বাসিন্দা। তার লাশ স্বজনদের কাছ রয়েছে। আহতরা হলেন- ইয়াকুবের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৪০) ও তাদের এক ছেলে (১২)। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আফরুজুল হক টুটুল গণমাধ্যমকে জানান, আজ সকালে একটি বন্যহাতি কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে। এ সময় হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় ইয়াকুবের মৃত্যু হয়। এর আগে গত বছর কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্যহাতির হামলায় দুই শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়।   আর

ব্রিটেনে প্রথম মুসলিম নারী মন্ত্রী

ব্রিটেনে প্রথম মুসলিম নারী মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত নুস ঘানি (৪৫)। তিনি গত সপ্তাহে  ইংল্যান্ড সরকারের পরিবহন বিষয়ক জুনিয়র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। ভারতের কাশ্মীর থেকে ব্রিটেনে অভিবাসন নেওয়া বাবা মায়ের সন্তান ঘানি। তার জন্ম বার্মিংহামে। দায়িত্ব পাওয়ার পর এক বিবৃতিতে ঘানি জানান, ‘নতুন দায়িত্ব একইসঙ্গে রোমাঞ্চকর ও কঠিন। ওয়েল্ডেন এলাকায় এমপি নির্বাচনের সময় থেকে আমি পরিবহন বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছি। মন্ত্রীর দায়িত্বের পাশাপাশি আমি ওয়েল্ডেন এলাকার পক্ষে কাজ করবো এবং  এলাকার সেবা করবো।’ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ক্রিস গ্রেইলিং বলেন, নুস ঘানির পদোন্নতির মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হচ্ছে টোরি পার্টি সবাইকে সুযোগ দেয়। তিনি বলেন, আমাদের দলই প্রথম একজন নারী মুসলিমকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিল। আমি তাঁকে শুভেচ্ছা জানাই। তাঁর পাশে বসার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। ২০১০ সালে বার্মিংহামে কনজারভেটিভ পার্টি থেকে সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগে নুস ঘানি স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন যেমন, এইজ ইউকে, ব্রেকথ্রু ব্রেক ক্যানসার ও বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে কাজ করেন। ২০১৫ সালে সংসদ নির্বাচনের জন্য রক্ষণশীল দলের প্রথম মুসলিম নারী প্রার্থী হন তিনি। সূত্র:  আনন্দবাজার এম/টিকে

কাতারের সম্পদ হরণই সৌদি জোটের মূল উদ্দেশ্য!

কাতার রাজ পরিবারের সদস্য শেখ আবদুল্লাহ বিন আলি আল থানি বলেছেন, কাতারের সম্পদ হরণ করাই হল সৌদি আরব আর তার মিত্রদের মূল উদ্দেশ্য। আর এ জন্যই কাতারের ওপর অবরোধ আরব করে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে সৌদি জোট। সম্প্রতি এক অডিও বার্তায় এসব কথা বলেন কাতার রাজ পরিবারের এই সদস্য। পাশাপাশি আত্মহত্যার হুমকিও দেন তিনি। গত বছরের জুনে কাতারের ওপর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মিশর স্থল, সাগর এবং আকাশপথে অবরোধ আরোপ করে। সেই সময়েই তিনি সৌদি আরবে বসবাস শুরু করেন। গত বুধবার ১৭ জানুয়ারি কুয়েতে ফিরে এসে তিনি দাবি করেন যে, তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাত জোর করে তুলে নিয়ে যায়। তবে সে সময় সৌদি এবং আমিরাতের টেলিভিশনগুলোতে তাকে কাতারের বিপক্ষে সৌদি জোটের নেওয়া পদক্ষেপের পক্ষেই কথা বলতে দেখা যায়। অন্যদিকে গত ১৪ জানুয়ারি আমিরাত থেকেই এক ভিডিও বার্তায় নিজেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে “বন্দী” হিসেবে দাবি করেন। পাশাপাশি নিজের যে কোনো ক্ষতির জন্য আবুধাবির যুবরাজ “শেখ মোহাম্মদ”কে দায়ী করেন। আর ১৫ জানুয়ারি প্রকাশিত ঐ অডিও বার্তায় শেখ আবদুল্লাহ বলেন, “আমার ওপর প্রয়োগ করা চাপ, বন্দীত্ব এবং আমার দেশে ফিরে যাওয়ার অথবা আমার পরিবারকে পুনরায় আর দেখতে পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকায় আমি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এতে করে অন্তত আমার পরিবারের সদস্যরা নিরাপদে থাকবে”। ঐ একই অডিও বার্তায় আমিরাতের আমির মোহাম্মদ বিন জায়েদ এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে ইঙ্গিত করে শেখ আবদুল্লাহ বলেন, “গালফ অঞ্চলে এই অচলাবস্থার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে ঐ দুই যুবরাজ যেন অন্যায়ভাবে কাতারের সম্পদ হাতিয়ে নিতে পারে”। সৌদি জোটের থেকে কাতারবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি আমার প্রিয় কাতারবাসীকে সতর্ক করতে চাই তারা যেন নিজেদেরকে রক্ষা করে। নিজের এই হীন উদ্দেশ্য পূরণে সৌদি জোট আপনাদের জন্য ‘টোপ’ এবং ‘ফাঁদ’ ফেলবে”। তবে শেখ আবদুল্লাহর এমন বক্তব্যকে “স্বাভাবিক” প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছে কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাজেদ আল-আনসারি। বার্তা সংস্থা আল-জাজিরাকে তিনি বলেন, “আমরা জানি যে, শেখ আবদুল্লাহকে অনেক চাপে রেখেছিল সৌদি জোট। শুরুতে তাকে যতটা প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছিল শেষ কয়েকমাস যাবত তাকে সেভাবে দেখা যাচ্ছিল না। এর অর্থ আবদুল্লাহ সৌদি জোটের সাথে সেভাবে সহায়তা করছিলেন না”। “তবে আবদুল্লাহ এখন যে সব কথা বলছেন তা সত্যি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ দুই দেশের দুই আমিরের বিষয়ে কেউ যদি সব থেকে ভালো বলতে পারে তাহলে সে হচ্ছেন আবদুল্লাহ। তিনি শুরু থেকেই তাদের মিত্র এবং কাতারের বিপক্ষে অবস্থান করছিলেন। তাই তার কাছে সৌদি জোটের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে”। গত বুধবার দেশের ফেরার পর আবদুল্লাহকে কাতারের স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা //এস এইচ এস/টিকে       

উচ্চ স্বরে গান: প্রতিবাদ করায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের

রাজধানীর আর কে মিশন রোডের একটি বাসায় নাজমুল হক (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বাসার ছাদে উচ্চ স্বরে গান বাজানোর প্রতিবাদ করায় প্রাণ দিতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মৃতের ছেলে জে এম নাসিমুল হক। শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে। পরিবার নিয়ে আর কে মিশন রোডের ৪৪ নম্বর বাড়ির নবমতলায় থাকতেন মো. নাজমুল হক (৬৫) । তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। ওই বাসার ছাদের ‘কমিউনিটি হলে’ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে উচ্চ স্বরে গান বাজানো হচ্ছিল। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে আটক করেছে। নাজমুল হকের ছেলে জে এম নাসিমুল হক গণমাধ্যমকে জানান, তাঁর বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত এবং তাঁর একবার বাইপাস সার্জারিও হয়েছিল। রাতে বাসার ছাদে ফ্ল্যাট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেনের ভাতিজা হৃদয়ের গায়েহলুদের অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠানে এত জোরে গান বাজানো হচ্ছিল যে তাঁদের ফ্ল্যাটের জানালা ও মেঝে কাঁপছিল । তাঁর অসুস্থ বাবা ঘুমাতে পারছিলেন না। তখন তিনি নিচে গিয়ে কেয়ারটেকারকে বিষয়টি বললে আলতাফ হোসেন এসে রূঢ় আচরণ করেন। তবে কিছুক্ষণ পরে গান বন্ধ হয়ে যায়। নাসিমুল বলেন, এর জের ধরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আলতাফ হোসেন, তাঁর স্ত্রী, ভাতিজা হৃদয় এবং আরও সাত-আটজন নিচে জড়ো হন। তাঁরা তখন কেয়ারটেকারকে দিয়ে তাঁকে নিচে ডেকে আনেন। তাঁর সঙ্গে তাঁর বাবা, বোন ও স্ত্রীও নিচে নামেন। নামার সঙ্গে সঙ্গেই আলতাফ হোসেন, হৃদয়সহ অন্যরা তাঁর ওপর হামলা করেন। তাঁর বাবা তখন থামাতে গেলে সবাই মিলে তাঁকেও মারতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁর বাবা মাটিতে পড়ে যান। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ারী অঞ্চলের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. সোহেল রানা গণমাধ্যমকে বলেন, বাসার সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ এবং মৃত নাজমুল হকের ছেলে ও মেয়ের সঙ্গে তাঁদের কথা হয়েছে। সোহেল রানা বলেন, ‘আমাদের ধারণা, ইনটেনশনালি তারা প্রস্তুত হয়েই ছিল। শারীরিক অ্যাসলটের পরেই হয়তো বৃদ্ধ মানুষ পড়ে গেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।’   এম

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা জয়: মাশরাফি

ত্রিদেশীয় সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়কে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা জয় বলছেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। শুক্রবার শ্রীলঙ্কাকে ১৬৩ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচেই বোনাস পয়েন্ট পেয়ে নিশ্চিত করেছে টুর্নামেন্টের ফাইনাল। প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়টাও ছিল বড়। তবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে রেকর্ড জয় ছাড়িয়ে গেছে আগের সব ম্যাচগুলোকেও।মাশরাফির কণ্ঠে ফুটে উঠল সেই তৃপ্তি। “সাম্প্রতিক বা অতীতে তাকালে, বলতেই হবে এটি আমাদের সেরা জয়গুলোর মধ্যে একটি। ছেলেরা যেভাবে খেলেছে, তা ছিল দারুণ। এই ধারা ধরে রাখতে হবে আমাদের।” এই ম্যাচে বাংলাদেশ যেভাবে খেলেছে, সেই পারফরম্যান্সকে বলা যায় প্রায় পরিপূর্ণ। তবে মাশরাফি উন্নতির সুযোগ দেখছেন আরও। “দল জিতুক বা হারুক, প্রতিটি ম্যাচ থেকেই শেখার আছে। তামিম সেঞ্চুরি করতে পারত। ব্যাটিং ভালো হয়েছে, তবে কেউই সেঞ্চুরি করতে পারেনি। বোলিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় আমরা ধুঁকেছি। দেশে ভালো করছি। আরও ভালোর অবকাশ আছে।” কেআই/

খামখেয়ালী সভার ধ্যানে-কর্মে রবীন্দ্র চার্চা

বাঙালি জাতির মহত্তম মনীষা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কেন্দ্র করে সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার একটি মননধর্মী সংগঠন হচ্ছে খামখেয়ালী সভা। এ সভায় ধ্যানে ও কর্মে রয়েছে রবীন্দ্র চার্চা। নিজেদের সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথের বুদ্ধিবৃত্তিক ও মানবিক চেতনা এবং তার অনিন্দ্য শিল্প ও সৌন্দর্যবোধের প্রসারে কাজ করছে খামখেয়ালী সভা।   সংগঠনটির সম্পর্কে খামখেয়ালী সভার সভাপতি মাহমুদ হাশিম বলেন, ১৮৯৭ সালে কলকাতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘খামখেয়ালী সভা’ নামে একটি আড্ডা শুরু করেছিলেন। সেই আড্ডায় যোগ দিতেন জগদীশচন্দ্র বসু, চিত্তরঞ্জন দাস, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অতুলপ্রসাদ, প্রমথ চৌধুরী, শরৎচন্দ্রসহ অনেক গুণীজন। কিন্তু দুই বছর পরই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল আড্ডাটি। ১১৫ বছর পর ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কিছু তরুণ রবীন্দ্র-অনুরাগীর উদ্যোগে শুরু হয় ঢাকায়  ‘খামখেয়ালী সভা’। বর্তমানে খামখেয়ালী সভার ৯টি কর্মসূচি রয়েছে বলেও জানান তিনি। কর্যক্রমগুলো হলো- মাসিক রবীন্দ্র-আড্ডা খামখেয়ালী সভার প্রথম ও অন্যতম প্রধান কর্মসূচি মাসিক রবীন্দ্র-আড্ডা। মাহমুদ হাশিম বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য ও কর্মের পূর্বনির্ধারিত কোনো বিষয়ের ওপর প্রবন্ধ পাঠ ও মুক্ত আলোচনা হলো এ আড্ডার মূলপর্ব। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খামখেয়ালী সভার সভ্যরা, থাকেন আমন্ত্রিত আলোচকও। রবীন্দ্র অধ্যয়ন সভা নতুন সদস্যদের রবীন্দ্র সাহিত্যের সঙ্গে তাদের প্রাথমিক পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য ২০১৬ সাল থেকে রবীন্দ্র অধ্যয়নসভা নামে একটি নতুন কোর্স চালু করেছে খামখেয়ালী সভা। এই কোর্সটিতে রবীন্দ্রনাথের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বই পড়ানো হয়। এই কোর্সে উত্তীর্ণ হলেই কেবল খামখেয়ালী সভার স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করা যায়। বিশ্বসাহিত্য অধ্যয়ন সভা এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা, উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার সাহিত্য নিয়ে লেকচার ভিত্তিক ক্লাস। মহাদেশ অনুসারে কোর্সটিকে ৬ পর্বে বিন্যস্ত করা হয়েছে। প্রতিটি পর্ব ৬ মাসের। আগ্রহীরা সবকটি বা পছন্দের যে কোনো একটি পর্বে যোগ দিতে পারবেন। খালখেয়ালী আড্ডায় বিভিন্ন অঙ্গনের গুণীজনদের নিয়ে প্রাণবন্ত এক আয়োজন হয় খামখেয়ালী আড্ডায়। মাহমুদ হাশিম বলেন, খামখেয়ালী সভার সদস্যরা এবং দেশ-বিদেশের আমন্ত্রিত অতিথিরা নিজেদের পছন্দের বিষয়ে ভাববিনিময়ের অবারিত বা সুযোগ পান অনন্দময় এ আড্ডায়। আন্তর্জাতিক সেমিনার প্রতিবছর বর্ষপূর্তিতে আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করছে খামখেয়ালী সভা। বাংলাদেশ ও ভারতের রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞরা যোগ দেন সেমিনারে। বিদেশি রবীন্দ্র-গবেষকদের সহায়তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে গবেষণায় বিদেশি গবেষকের সহায়তা দিচ্ছে খামখেয়ালী সভা। এ বিষয়ে সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ হাশিম বলেন, বর্তমানে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-গবেষক ইয়াং ওয়েই মিংকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক গবেষণা বৃত্তি রবীন্দ্র সাহিত্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলা  ও বিশ্ব সাহিত্যের যে কোনো বিষয়ে গবেষণার জন্য ‘ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক গবেষণা বৃত্তি’ ঘোষণা করেছে খামখেয়ালী সভা। প্রতি বছর এক বা একাধিক গবেষককে দেওয়া হবে এ বৃত্তি। রবীন্দ্রগুণী সম্মাননা মাহমুদ হাশিম জানান, রবীন্দ্রসাহিত্য নিয়ে গবেষণা, চর্চা ও প্রসারে জীবনব্যাপী অবদানের জন্য ‘রবীন্দ্রগুণী’ সম্মাননা দিচ্ছে খামখেয়ালী সভা। ২০১৬ সালে প্রথম সম্মাননা দেওয়া হয় ভাষাসংগ্রামী ও রবীন্দ্রগবেষক আহমদ রফিককে। ২০১৭ সালে বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও সাদি মহম্মদকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। রবীন্দ্র লাইব্রেরি ও আর্কাইভ ২০১৫ সাল থেকে রবীন্দ্র লাইব্রেরি ও আর্কাইভের কার্যক্রম শুরু করেছে খামখেয়ালী সভা। রবীন্দ্রনাথের লেখা ও রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে লেখা বেশ কিছু বই দিয়ে সাজানো হয়েছে লাইব্রেরিটি। দেশ-বিদেশের রবীন্দ্র-গবেষকরা এটি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। ভবিষ্যতে লাইব্রেরিটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এ সম্পর্কে জানতে চাইলে সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ হাশিম বলেন, ‘বাঙালির মহত্তম মনীষা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ঘিরে আমাদের এ আয়োজন। আনন্দ-বেদনা, সংকটে-সংগ্রামে রবীন্দ্রনাথ আজও আমাদের অনিঃশেষ প্রেরণার উৎস। খামখেয়ালী সভা মনে করে, বাঙালির সুন্দর ও পরিণত জাতি হয়ে ওঠবার পথে রবীন্দ্রনাথ অপরিহার্য। রবীন্দ্রনাথের শিখরস্পর্শী প্রতিভার সব দিক এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। খামখেয়ালী সভার মধ্য দিয়ে আমরা তাঁকে গভীরভাবে পাঠ ও নতুন নতুন রূপে আবিষ্কারের চেষ্টা করছি। কবি যে আনন্দলোক ও স্বপ্নলোক রেখে গেছেন তাঁর সাহিত্যকৃতির মধ্যে; তাঁর কর্মযজ্ঞের মধ্য দিয়ে যে পথ দেখিয়ে গেছেন, আমরা সে আলোর পথযাত্রী।’ খামখেয়ালী সভার ভবিষ্যৎ কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে মাহমুদ হাশিম জানান, ‘আমরা খামখেয়ালী সভার মাধ্যমে নতুন লেখক তৈরি করার পাশাপাশি এ সভাকে একটি গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া এবং  নির্বাচিত বাংলা ও বিদেশি সাহিত্য পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করার কাজ করছি।’  এছাড়াও  যারা খামখেয়ালী সভার আদলে সভা করতে চায় তাদের সম্ভাব্য সব সহযোগিতা দেওয়ার কথাও জানান তিনি। আগামীতে ‘খাপছাড়া’ নামে ছোটদের আড্ডা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন খামখেয়ালী সভার সভাপতি মাহমুদ হাশিম। খামখেয়ালীর সভা সম্পর্কে জানতে চাইলে পশ্চিমবঙ্গ বিশ্বভারতী শান্তিনিকেতন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক অভ্র বসু বলেন, রবীন্দ্রচর্চায় খামখেয়ালী সভা অসামান্য অবদান রাখছে। মাত্র ৪ বছরে বাংলাদেশ ছাড়া খামখেয়ালী সভা পশ্চিমবেঙ্গও পরিচিতি লাভ করেছে।   এম/টিকে

অজ্ঞাতবাসে যাচ্ছেন আমির খান!

আগামী ১০ বছরের জন্য সমস্ত কাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছেন আমির খান। বলা যায়  অজ্ঞাতবাসে যাচ্ছেন তিনি।  মাসখানেক ধরেই গুঞ্জন শুনা যাচ্ছিল বেদব্যাসের `মহাভারত`-কে রূপালি পর্দায় নিয়ে আসছেন বলিউডের এই সুপারস্টার। সেই জল্পনাতেই এবার শিলমোহর দিল ভারতীয় গণমাধ্যম। তাদের দাবি, মহাভারতের প্রিপ্রোডাকশনের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। তাই নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছেন আমির। দীর্ঘদিন ধরেই মহাভারত বানানোর স্বপ্নে বিভোর আমির খান। তবে মহাভারতের মতো মহাকাব্যকে পর্দায় আনা বড় চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জই নিচ্ছেন আমির। পাঁচটি পর্বে রিলিজ হবে মহাভারত। ছবি তৈরি করতে লাগবে ১০ বছর। বর্তমানে `ঠগস অব হিন্দুস্তান` ছবির শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত আমির খান। এটিই সম্ভবত মহাভারতের আগে আমিরের শেষ ছবি। তা আরও নিশ্চিত করেছে আমিরের একটি সিদ্ধান্ত। রাকেশ শর্মার বায়োপিক ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, মহাভারতে কৃষ্ণের ভূমিকায় অভিনয় করতে পারেন আমির খান। তবে এনিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি তিনি। শোনা যাচ্ছে, আমির খান এখনও দোটানায়। যেকোনো চরিত্র নিয়ে আমির কতটা খুঁতখুঁতে, তা বলাই বাহুল্য। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র অভিনয় করলে ১০ বছর লেগে যাবে। সেক্ষেত্রে অন্য কোনো ছবিতে অভিনয় করতে পারবেন না তিনি। সেটা ক্যারিয়ারের পক্ষে কতটা মঙ্গলজনক হবে, তা নিয়ে সংশয়ে তিনি। এর পাশাপাশি মহাভারতের মতো বড় প্রকল্পে প্রোডাকশন ও অভিনয়ে একসঙ্গে মনোনিবেশ করা কতটা সম্ভব, তাও আমিরের ভাবনা চিন্তায় রয়েছে।  এদিকে, মহাভারত নিয়ে কাজ করতে চাইছিলেন বাহুবলীর পরিচালক এস এস রাজামৌলি। তবে তিনি আপাতত এই কাজে হাত দিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন। সম্ভবত আমির মহাভারত করতে চাইছেন বলেই রাজামৌলি পিছিয়ে এসেছেন বলে মনে করছেন বলিউড বিশেষজ্ঞরা।   সূত্র: জি নিউজ এসি/টিকে

বয়ঃসন্ধিকালের নতুন সময় ১০ থেকে ২৪

১০ থেকে ২৪ বছর সময়কে বয়ঃসন্ধিকালের নতুন সময় হিসেবে দাবি করেছেন একদল গবেষক। ছেলে মেয়েদের দীর্ঘ সময় ধরে পড়াশুনা করা এবং দেরিতে সংসার জীবন শুরু করার কারণে মানুষের বয়ঃসন্ধিকাল পর্যায় বেড়ে গিয়েছে বলে দাবি এ গবেষক দলের। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী মানুষের বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হয় ১৩ বছর বা এরপর থেকে আর শেষ হয় ১৯-এ। কিন্তু ‘ল্যাসেন্ট চাইল্ড এন্ড এডোলেসেন্ট হেলথ জার্নাল’-এ প্রকাশিত গবেষকদের এই গবেষণাপত্র সঠিক প্রমাণিত হলে বদলে যাবে আগের সব ধারণা। গবেষকরা আরও বলেন, “আইনকে যুগোপযোগী করে বয়ঃসন্ধিকালের নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে হবে”। বয়ঃসন্ধিকালের শুরু এবং শেষ চিকিৎসাবিজ্ঞান মতে, মানুষের মস্তিষ্ক থেকে “হাইপোথ্যালামাস” নামের এক হরমোন নিঃসরণের সময় থেকে বয়ঃসন্ধিকালের শুরু হয়। এই হরমোন মানুষের শরীরের পিটুইটারি গ্রন্থি এবং গোনাডাল গ্রন্থিগুলোকে সক্রিয় করে তোলে। আগে ১৩ বছর বয়স থেকে মানব শরীরে এ হরমোন নিঃসরণ শুরু হত। কিন্তু বিগত কয়েক দশকে উন্নত দেশগুলোতে মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টিগত ব্যাপক উন্নতি হয়। আর এ কারণে বয়ঃসন্ধির সময় নেমে এসেছে দশ বছর বয়সে। আর পৌঁছেছে ২৪ বছর বয়সে। পাশাপাশি গত দেড়শো বছরে মেয়েদের শরীরে মাসিক শুরু হওয়ার বয়স গড়ে চার বছর পর্যন্ত কমে গেছে। পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক কিশোরীর এখন ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সে মাসিক শুরু হয়। পাশাপাশি বয়ঃসন্ধিকাল সময় মানব শরীরে এখন আগের থেকে বেশি বয়স পর্যন্ত হয়ে থাকে। এর পিছনে গবেষকদের যুক্তি হচ্ছে মানুষের শরীর এখন আগের থেকে বেশি সময় পর্যন্ত বাড়ে। যেমন, আগের তথ্য অনুযায়ী মানুষের মস্তিষ্ক বিকশিত হয় ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত। কিন্তু নতুন এ গবেষণা বলছে বিশ বছর বয়স পর্যন্ত মানুষের মস্তিষ্ক এখন বিকশিত হচ্ছে। পাশাপাশি ২৫ বছরের পরে গিয়ে অনেকের আক্কেল দাঁত উঠছে। জীবনের মাইল-ফলক মানুষ এখন আগের থেকে বেশি বয়সে সংসার জীবন শুরু করছে। তাদের সন্তান নেওয়ার সময়ও পিছিয়ে যাচ্ছে। আর ঠিক এ কারণেই মানুষেরা নিজেদের ভেতর থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক হচ্ছেন না বলে দাবি গবেষকদের। ১৯৭৩ সালের পর থেকে খোদ ইংল্যান্ডেই মানুষের বিয়ের বয়স বেড়েছে গড়ে ৮ বছর। গবেষকদলের প্রধান সুজান সয়্যার বলেন, “ইংল্যান্ডের আইন অনুযায়ী ১৮ বছর বয়স্ক ব্যক্তি ‘প্রাপ্তবয়স্ক’ হয়ে যান কিন্তু পুরোপুরি প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে তাদের আরও বেশি সময় লেগে যায়”। তবে কয়েকজন বিজ্ঞানী আবার এমন ধারণার সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, এমন তত্ত্বের ফলে তরুণদের অপরিপক্ক হিসেবে বিবেচনার ঝুঁকি বাড়ছে। সূত্র: বিবিসি //এস এইচ এস//টিকে

কাতারে মাষ্টারদা সূর্যসেনের মৃত্যুবার্ষিক পালিত

কাতারে মাষ্টারদা সূর্যসেনের ৮৪তম মৃত্যু বার্ষিক উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দেশটির রাজধানী দোহার একটি হোটেলে রুপসী বাংলা সাংস্কৃতিক জোট কর্তৃক আয়োজিত এ আলোচনা অনষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মাষ্টারদা সূর্যসেন শুধু বাঙালির গর্বের প্রতীক নয়। তিনি সমগ্র পৃথিবীর নিপীড়িত, শোষিত, বঞ্চিত ও পরাধীন দেশের মানুষের সংগ্রামের প্রেরণা হিসেবে আজীবন পৃথিবীর ইতিহাসে বেঁচে থাকবেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এম নাসির উদ্দিন চৌধুরী। রহিম পারভেজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অধ্যাপক তপন মহাজন। বিশেষ অতিথি ছিলেন এম ফোরকান, এম হারুন, এম ফরিদুল আলম, মোহাম্মদ এনাম, আব্দুল জলিল, জুয়েল, সৈয়দ আরিফ। অনুষ্ঠানে সূর্যসেনের আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।   আর/টিকে

সাগরদাঁড়িতে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা শনিবার থেকে

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল শনিবার থেকে কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িতে শুরু হচ্ছে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলা। এ মেলা চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। সপ্তাহব্যাপী মেলা উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, কেশবপুর উপজেলা প্রশাসন ও মধুসূদন একাডেমী সাগরদাঁড়িতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মেলা উদযাপন কমিটি সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে মেলার উদ্বোধন করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক এমপি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার এমপি, সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, সংসদ সদস্য রনজিৎ কুমার রায়, সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য্য, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনির, পুলিশ সুপার মো. আনিচুর রহমান, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার প্রমুখ। সভাপতিত্ব করবেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন। মেলা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ও কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ৭ দিনব্যাপী মধু মেলায় থাকছে কবির সৃষ্টি ও সাহিত্য কর্মের উপর দেশ-বিদেশী কবি সাহিত্যিকদের অংশগ্রহণে আলোচনাসভা, কবির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, আবৃত্তি, মধুগীতি পরিবেশনা, কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য প্রদর্শন। কুঠির শিল্প ও গ্রামীণ পসরা নিয়ে মেলায় বসবে প্রায় দু’শ স্টল। মহাকবি মাইকেল মদুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন জমিদার। ১৮৭৩ সালে ২৯ জুন কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মাইকেল মদুসূদন দত্তের কালজয়ী রচনাবলীর অন্যতম হলো- মেঘনাদবধ কাব্য, শর্মিষ্ঠা, ক্যাপটিভ লেডী, কৃষ্ণকুমারী, বুড়ো শালিকের ঘাঁড়ে রোঁ, বীরাঙ্গনা। এ মহাকবির জন্মের কারণেই সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষ নদ জগৎবিখ্যাত। কালের প্রবাহে কপোতাক্ষ নদের যৌবন বিলীন হলেও মাইকেলের কবিতার কপোতাক্ষ নদ যুগে যুগে বয়ে চলেছে।   আর

লাইব্রেরি আন্দোলনে বদলে যাবে দেশ : অর্থমন্ত্রী

গ্রন্থাগার আন্দোলন জোর দেওয়ার মাধ্যমে সারা দেশের চরিত্র বদলে দেওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত । শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেটের নাগরি লিপি বই উৎসবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।   নগরীর কবি কাজী নজরুল অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আরোও  বলেন, দেশের মানুষকে শিক্ষিত করতে লাইব্রেরি আন্দোলন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এর চেয়ে ভালো কোন উপায়ে দেশের মানুষকে শিক্ষিত করা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা শুধু স্কুল ও কলেজে পড়লেই হয় না। এটা একটি চলমান প্রক্রিয়া। এখন দেশে শিক্ষার হার বেড়েছে। ভালো বই হাতে তুলে দিলে যে কেউ পড়তে পারবে। তিনি বলেন, অবসরে মানুষ বই পড়লে জ্ঞানের প্রসার ঘটে এবং মানসিক বিকাশ ঘটে। এরকম কাজে আমাদের এখনই হাত দেওয়া উচিত। এর ফলটা অত্যন্ত কার্যকর ও মূল্যবান হবে। মন্ত্রী বলেন, এখন দেশে গ্রন্থাগারের সংখ্যা কম। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যেসব গ্রন্থাগার আছে সেগুলোতে নতুন বই থাকে না। অনেকে ব্যক্তি উদ্যোগে গ্রন্থাগার গড়ে তুলছেন। গ্রন্থাগার আন্দোলন শুর হলে ঝিমিয়ে পড়া অনেক লাইব্রেরি পুনরুজ্জীবিত হবে। অনুষ্ঠানে ‘নাগরি স্যার’খ্যাত অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এরহাসুজ্জামানকে সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়। পরে সিলেটের উৎস প্রকাশন ২শ’ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গ্রন্থাগারে সিলেটি নাগরি লিপিতে রচিত ২৫টি বই প্রদান করে। এর আগে নাগরি লিপিতে রচিত শিতালং শাহ, আরকুম শাহের তিনটি গানে নৃত্য পরিবেশন করে স্থানীয় নৃত্যশিল্পিরা। উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে নাগরি লিপিতে রচিত পুথিপাঠ, সংগীতানুষ্ঠান ও মঞ্চ নাটক পরিবেশন করা হয়। মসীহ মালিক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ভাষা সৈনিক ও সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রফেসর এমিরেটাস মো. আব্দুল আজিজ, শিশু সাহিত্যিক আলী ইমাম, অধ্যাপক ড. সৌরভ শিকদার, বাংলাদেশ মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক কাবেদুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন সিলেটি নাগরি লিপি গবেষক ও উৎস প্রকাশন এর নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা সেলিম।   সূত্র: বাসস এম/টিকে

আইটি পার্কে তিন লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে

সরকার আইটি সেক্টরের উন্নয়নে সকল বিভাগ ও জেলায় হাইটেক পার্ক স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ সকল হাইটেক পার্কে প্রায় তিন লাখ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ আইটি সেক্টরের উন্নয়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে দেশের প্রতিটি বিভাগ ও জেলায় হাই টেক পার্ক স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে। তথ্য, যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি স্থাপনের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলেছে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ মডেলে (পিপিপি) ৩৫৫ একর জমিতে এই পার্ক স্থাপন করা হচ্ছে। পার্কটির নিমার্ণ কাজ শেষ হলে প্রায় এক লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। বর্তমানে পার্কে ছয়টি কোম্পানির নামে জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া এই ফার্মগুলোতে আরো ৪০ জন কাজ করছে। যশোরে ১২ দশমিক ১৩ একর জমিতে শেখ হাসিনা সফটওয়ার প্রযুক্তি পার্ক স্থাপন করা হয়েছে। ২৪০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মীত এই পার্কটি সম্প্রতি উদ্বোধন করা হয়েছে। এটি উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দেশে আইটি সেক্টরে এক নতুন অধ্যায়ের সূচিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১০ ডিসেম্বর এই পার্কটি উদ্বোধন করেন। এই পার্কটিতে প্রায় ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। বর্তমানে এই আইটি পার্কে ৩৩টি কোম্পানিতে ২৩৫ জন লোক কাজ করছে। সূত্র আরো জানায়, রাজধানী ঢাকার কাওরানবাজারে জনতা টাওয়ার সফট্ওয়ার পার্কে ১৫টি আইটি কোম্পানিকে জায়গা দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ১০টি কোম্পানি ইতোমধ্যেই তাদের কর্মকান্ড শুরু করেছে। পার্কটিতে আড়াই হাজার লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। বর্তমানে ১০টি কোম্পানিতে ৭শ’ লোক কাজ করছে। সিলেটে কোম্পানিগঞ্জে সিলেট ইলেক্ট্রোনিক সিটি, রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক এবং ঢাকায় মহাখালী আইটি ভিলেজ প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে। এর মধ্যে কোম্পানিগঞ্জে সিলেট ইলেক্ট্রোনিক সিটিতে ৫০ হাজার লোকের, রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে ১৪ হাজার লোকের এবং মহাখালী আইটি ভিলেজে ৩০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটি গত ২৪ এপ্রিল দেশের ১২ টি জেলায় হাইটেক পার্ক স্থাপনের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করে। জেলা পর্যায়ে আইটি পার্ক স্থাপন শিরোনামের একটি প্রকল্পের অধীন খুলনা, বরিশাল, রংপুর, চট্রগ্রাম, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ, জামালপুর, নাটোর, গোপালগঞ্জ, ঢাকা এবং সিলেটে পার্কগুলো নির্মাণ করা হবে। সূত্র জানায় এই ১২টি পার্কে ৬০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। পাশাপাশি দেশে বেসরকারি ১২টি সফট্ওয়ার প্রযুক্তি পার্কে ৪২৫০ জন লোক কাজ করছে। সরকার রাজশাহীতে বারিন্দ সিলিকন সিটি এবং নাটোর ও মাগুরাসহ সাতটি জেলায় ও চট্রগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকুবেশন সেন্টার স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে। সূত্র জানায়, এ সকল প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বিপুল সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।   আর/টিকে

ভিলিয়ার্স-কোহলিদের সঙ্গে তামিম

২০১৫ সাল থেকে ব্যাটিংয়ে অসাধারণ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলেছেন মারকুটে ওপেনার তামিম ইকবাল! ব্যাটিং এর ধারাবাহিকাতায়  রক্ষা করে তামিম পাল্লা দিয়ে ছুটছেন বিরাট কোহলি, এবি ডি ভিলিয়ার্সদের সঙ্গেই। গত তিন বছরে তামিমের ব্যাটিং গড় ৫৫.৭৭। গর্ব করার মতোই। ৪১ ম্যাচ খেলে ৪০ ইনিংসে রান ১৯৫২। এই সময়ের শীর্ষ ব্যাটসম্যান ভারতীয় তারকা বিরাট কোহলির ৫৬ ম্যাচে ৫৬ ইনিংসে মোট রান ২৮২২, গড় ৬৪.১৩। ডি ভিলিয়ার্সের ৬৪.০২ গড়ে ২৩০৫, ৫০ ম্যাচে এই দুজনের চেয়ে কম ম্যাচ খেলে তামিম কিন্তু খুব বেশি পিছিয়ে নেই। ২০১৫ থেকে এ পর্যন্ত ১৫ কিংবা এর চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ক্রিকেটারদের মধ্যে ব্যাটিং গড় হিসাবে তামিমের অবস্থান ৭ নম্বরে। বাংলাদেশি তারকার ওপরে অবস্থান ফ্যাফ ডু প্লেসি, ডেভিড ওয়ার্নার, জো রুট, রোহিত শর্মা, ডি ভিলিয়ার্স ও কোহলির। গত তিন বছরে এই ৪১ ম্যাচে তামিমের সেঞ্চুরি ৫টি, ফিফটি ১৩টি। কোহলি তাঁর ৫৬ ম্যাচে ১২টি ফিফটি। অন্যদিকে ১১টি ফিফটির বিপরীতে ডি ভিলিয়ার্সের সেঞ্চুরি ৭টি। ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার দুই তারকার সমান ম্যাচ খেলতে পারলে তাঁর গড়ও বাড়তে পারত, মোট রানও বাড়তে পারত। কিন্তু একটা জায়গায় তামিম অন্যদের তুলনায়, বিশেষ করে ওপেনারদের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে থাকবেন ফিফটিগুলোকে তাঁর সেঞ্চুরিতে রূপান্তর করার সুযোগ অন্যদের চেয়ে বেশি। নির্দিষ্ট করে বললে এই সুযোগ তাঁর কোহলি ও ডি ভিলিয়ার্সের চেয়েও বেশি। প্রথম ম্যাচের মত আজ তিনি ফিরলেন ৮৪ রানেই। দারুণ খেলছিলেন। সেঞ্চুরির সুযোগটা ছিল শতভাগই। কিন্তু, সেঞ্চুরি থেকে ১৬ রান দূরে থেকেই আকিলা ধনঞ্জয়ার বলে আউট হয়ে ফিরেছেন সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে। কেআই/টিকে

রক্ত পরীক্ষাতেই ক্যান্সার শনাক্ত-নির্মূল

এক রক্ত পরীক্ষা থেকেই বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার শনাক্ত করে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব বলে দাবি করছে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষক দল। প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার চিহ্নিত করে জীবন বাচাঁনোর লক্ষ্যে তারা এ ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন। তারা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে ক্যান্সারের আটটি সাধারণ ধরন খুঁজে পেয়েছেন। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ মেডিসিন-এর ডাক্তার ক্রিশ্চিয়ান টমাসেট্টি জানান, ক্যান্সার শনাক্ত হয়নি এমন ব্যক্তিদের মধ্যে পদ্ধতিটির পরীক্ষা চালাচ্ছে ক্যান্সার সিক। পদ্ধতিটি কার্যকর বলে নিশ্চিত হলে বছরে মাত্র একবার রক্ত পরীক্ষাতেই যে কেউ তার দেহে ক্যান্সারের অস্তিত্ব আছে কিনা তা জানতে পারবেন। গবেষকরা এমন একটি রক্তপরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন যাতে রক্তপ্রবাহে থাকা টিউমারের পরিবর্তিত ডিএনএ ও প্রোটিনের ক্ষুদ্র চিহ্ন শণাক্ত করা যায়। ক্যান্সারের মধ্যে বেড়ে ওঠা ১৬টি জীনের মধ্যেকার পরিবর্তন এবং রোগীর রক্তে নির্গত হওয়া আটটি প্রোটিন নিয়ে গবেষণা করে এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। ডিম্বাশয়, পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয়, খাদ্যনালী, মলাশয়, ফুসফুস বা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত এমন এক হাজার পাঁচ জন রোগীর উপর পরীক্ষামূলকভাবে তারা পদ্ধতিটি প্রয়োগ করেন। এই পরীক্ষায় ৭০ শতাংশ ক্যান্সারই শনাক্ত করা গিয়েছে। ক্রিশ্চিয়ান টমাসেট্টি বলছেন, আগেভাগে ক্যান্সার নির্ণয় করাটা খুবই জরুরি। এতে খুব ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। যত দ্রুত ক্যান্সার চিহ্নিত করা যায়, তত দ্রুত এটার চিকিৎসা করে সফল হওয়া যায়। ক্যান্সার সিক টেস্টের জন্য রোগীদের ৫০০ ডলারের মতো খরচ হবে। সূত্র: বিবিসি একে/টিকে

জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জননেত্রী শেখ হাসিনা

জনগণের উন্নয়নের অধিকার এবং জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরস্পর অবিচ্ছেদ্য বিষয়। ‘উন্নয়ন’ একটি মানবাধিকার অর্থাৎ মানুষের যতগুলো ‘সহজাত’ ও ‘অহস্তান্তরযোগ্য’ অধিকার রয়েছে উন্নয়নের অধিকার তার মধ্যে একটি। ১৯৮৬ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে Declaration on the Right to Development (DRD) গৃহীত হয়, যার অনুচ্ছেদ ১ (১)-এ বলা হয়েছে- everyone is entitled to participate in, contribute to and enjoy economic, social, cultural and political development in which all human rights and fundamental freedoms can be fully reali“ed. বিশ্বনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকার ওই ঘোষণা (DRD-১৯৮৬), United Nations Development Programme, 1965 (UNDP), United Nations Industrial Development Organi“ations, 1966 (UNIDO) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়নমূলক ঘোষণা ও সংস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানের আলোকে কোন রকম বৈষম্য ছাড়াই ব্যক্তি এবং সমগ্র জনগণের দোরগোড়ায় অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক উন্নয়নের অধিকার ভোগের বিষয়টি পৌঁছে দিচ্ছেন বিরামহীনভাবে। আওয়ামী সরকার ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে দেশ-জাতির সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। আর ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত সকলের ভাগ্যদেবী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার নির্বাচনী ইশতেহার পূরণসহ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা’ বাস্তবায়নসহ ডজন ডজন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে ইতোমধ্যে বাস্তবায়নও করছে এবং ক্রমাগতভাবে কর্মপ্রক্রিয়া ও কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত Millennium Development Goal (MDG) (২০০০-২০১৫)-এ যেখানে ৮টি লক্ষ্য ধার্য ছিল সেগুলো পূরণ করেছে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য SDG ev Sustainable Development Goal (২০১৫-২০৩০ সাল) যাতে ১৭টি লক্ষ্য ধার্য ছিল যার অনেকগুলোতেই ইতোমধ্যে বাংলাদেশ উত্তীর্ণ হয়েছে। উল্লেখ্য, SDG-এর লক্ষ্যগুলো (১) দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নির্মূল (২) সার্বজনীন শিক্ষা (৩) নারী-পুরুষ সমতা (৪) শিশুস্বাস্থ্য (৫) মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন (৬) এইচআইভি নির্মূল (৭) পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ এবং (৮) বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্ব, যেগুলোতে বাংলাদেশ উত্তীর্ণ হয়েছে। গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় ও বিচক্ষণ রাষ্ট্র পরিচালনায় বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষকে বিজ্ঞানমনস্ক হিসেবে গড়ে তুলতে যশোরে টেকনোলজি পার্ক উদ্বোধন করেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কের কাজও পুরোদমে এগিয়ে চলেছে। রূপপুরে পরমাণু বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনের কাজও এগিয়ে চলছে। পরমাণু থেকে বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশে বিদ্যুত উৎপাদন হবে, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ হবে বিষয়টি দেশের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। এছাড়া ২০১৭-এর ৪ জুন বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু-১ মহাকাশে পাঠানো হয়েছে এ বছরেই। অন্তত বৈজ্ঞানিক এসব কার্যক্রম গ্রহণ করে দেশের জেলা-উপজেলা ও গ্রাম-গঞ্জের মানুষের যেমন বিজ্ঞানভিত্তিক চেতনা সৃষ্টি হচ্ছে, তেমনি কর্মসংস্থান বাড়ছে, বেকার সমস্যা হ্রাস পাচ্ছে, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটছে, সর্বোপরি দেশের উন্নয়ন ঘটছে। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে যে উন্নয়নের ধারা প্রবহমান রেখেছেন তাতে বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে ‘রেনেসাঁ’ ঘটিয়েছেন বলা চলে। বিএনপি ও তার দোসরদের আমলে, এমনকি এরশাদের আমলে রাস্তাঘাটে ভিক্ষুক আর ভিক্ষুক দেখা যেত। দুটো ভাতের জন্য রাস্তায়, ফুটপাথে, ওভারব্রিজে, গ্রামে-গঞ্জে হাহাকার করত বহু মানুষ, শীতে-গরমে অনেক মানুষ মারা যেত। দেশ স্বাধীনের পরে যাদের জন্ম হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত বেঁচে আছে তারা এর সাক্ষ্য সহজেই দিতে পারবে। ভারত-বাংলাদেশের ছিটমহল বিনিময় সুসম্পন্ন করেছেন বর্তমান সরকার। যার ফলে বাংলাদেশ-ভারতের দীর্ঘদিনের ছিমটহল সমস্যার সমাধান হয়েছে এবং দেশের সীমান্তে শান্তি এসেছে। পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে পাহাড়ে শান্তি ও নিরাপদ জীবন ফিরে পেয়েছে মানুষ। শান্তিই উন্নয়নের পূর্বশর্ত- যেটি প্রধানমন্ত্রী তার দূরদর্শী ও চৌকস নেতৃত্বের গুণাবলী দিয়ে বারবার প্রমাণ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ-ভারত-মিয়ানমারের মধ্যকার বহুদিনের সমুদ্র সীমানা নিয়ে দ্বন্দ¦ নিরসনকল্পে সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালত (ITLOS)-এ মামলা করে বাংলাদেশ বিজয়ী হয়েছে- ‘সমুদ্র বিজয়’ হয়েছে এবং আমাদের ব্লু-ইকোনমি এখন সমৃদ্ধির পথে রয়েছে, তা কারও অজানা বিষয় নয়। উন্নয়নের সকল সেক্টরে আমাদের প্রিয় নেত্রী প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল কার্যক্রম চলমান। দেশের নৌবাহিনীকে ‘বায়ার নেভি’ (ক্রেতা নৌবাহিনী) থেকে ‘বিল্ডার নেভি’তে (নির্মাতা নৌবাহিনী) পরিণত করার লক্ষ্যে সরকার জোর গতিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বক্তব্যে ঘোষণা দিয়েছেন- ‘আমরা নিজেরাই পারব যুদ্ধজাহাজ তৈরি করতে। আবার নিজেরাই রফতানি করতে পারব।’ উল্লেখ না করলেই নয়, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের ষড়যন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ করে প্রমাণ করেছেন তার সরকার সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত। বিশ্বব্যাংক লজ্জা পেয়েছে আমাদের জননেত্রীর নির্ভীকতা ও সততার কাছে। বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশ হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বব্যাংককে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাংলাদেশেরই জাতীয় অর্থায়নে দেশের সবচেয়ে বড় ‘পদ্মা সেতু’র নির্মাণ কাজ সুসম্পন্ন করতে যাচ্ছে। ‘বাপকা বেটি’ বাবার মতো যা বলেন তাই করে ছাড়েন আমাদের জননেত্রী। বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণে বলেছিলেন, দেশকে শত্রুমুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। তাই তো আজ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি আমরা। মিয়ানমারের জাতিগত নিধন ও তার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়া, তাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে চুক্তিবদ্ধ হওয়া এবং সে অনুযায়ী রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে এগিয়ে যাওয়া এক বিশাল চ্যালেঞ্জ ছিল বর্তমান আওয়ামী সরকারের জন্য। অসাধারণ মেধা, প্রজ্ঞা ও ক্ষমতা দিয়ে বিশ্ব স্বীকৃত মাদার অব হিউম্যানিটি- জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ও তার জনগণের কল্যাণে এবং উন্নয়নে অবিরত কাজ করে যাচ্ছেন। বিশ্বের অত্যন্ত উঁচুমানের একটি গবেষণা সংস্থা ‘পিপলস এ্যান্ড পলিটিক্স’-এর প্রতিবেদনে সম্প্রতি নবেম্বর মাসের শেষের সপ্তাহে বিশ্বে সততার শীর্ষে (৩) বিশ্ব স্বীকৃতি পেয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, যা বাংলাদেশের মতো বিগত বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে পরপর ৩ বার বিশ্বে দুর্নীতির চরম শীর্ষে অবস্থান করা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের ও সম্মানের। আমাদের জননেত্রী তো এমন হবেনই। প্রবাদ আছে ‘রক্ত কথা বলে’। আমাদের নেত্রীর পিতার পিতা শেখ লুৎফর রহমান বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন যে, বাবা পড়ালেখা করিও। পড়ালেখা করলে মানুষ হতে পারবা। আর একটা কথা মনে রাখিও- Sincerity of purpose এবং Honesty of purpose থাকলে জীবনে কখনও পরাজিত হবা না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কখনও পরাজিত হননি। বড় প্রমাণ আমাদের ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর ও স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের লাল-সবুজ জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত- আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি। বিগত বিএনপি-জামায়াত আমলে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিদ্যমান ছিল বর্তমান সরকারের আমলে সে অবস্থা নেই বললেই চলে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনীতির কূটকৌশল দিয়ে ঘায়েল করেছে আমাদের জননেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সরকার, অস্ত্র বা গুলি দিয়ে নয়। দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশে সব রাজনৈতিক দলের ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সভা-সমাবেশ চলছে। ২০১৩ সালে পেট্রোলবোমা দিয়ে পুড়িয়ে পথে-ঘাটে, বাসে-ট্রাকে সাধারণ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে বিএনপি এবং তার মদদপুষ্ট দলগুলো। এছাড়া দিনের পর দিন বিএনপি ও তার দোসররা হরতাল ডেকে দেশের মানুষের জীবনের অধিকার, নিরাপত্তার অধিকার, শিক্ষা ও চিকিৎসার অধিকার, সর্বোপরি মানুষের মৌলিক এবং মানবাধিকারকে যেভাবে নস্যাৎ করেছিল তাও জননেত্রী ও তার সরকার অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবেলা করে দেশের মানুষের জীবনে নিরাপত্তা ও শান্তি নিশ্চিত করেছে। এসব দক্ষ রাজনীতিকের অসাধারণ সৎ নেতৃত্বের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। সুস্থ রাজনীতি চর্চার পরিবেশ গড়ে উঠেছে। বিএনপি-জামায়াত আমলে বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করতে মানুষ ভয় পেত। অথচ যার জন্ম না হলে ‘বাংলাদেশ’ নামক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্ম হতো না। এমনকি ৭ মার্চের ভাষণ প্রায় নিষিদ্ধ করেছিল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের পেছনে যে মহান মুক্তিযুদ্ধ সে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার চর্চাও বন্ধ করেছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার। আমাদের প্রিয় নেত্রী ও তার সরকার ইতিহাস বিকৃতিবিরোধী শাস্তিযোগ্য আইন প্রণয়ন করেছেন, যা উন্নয়নে সহায়ক। মিথ্যা সংবাদ প্রচার যাতে না হয় সেরকম আইনও প্রণয়ন এবং কার্যকর করেছে সরকার। সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইন ও বিচার বিভাগকে গণতান্ত্রিক করার লক্ষ্যে সংবিধানের যে ১৬তম সংশোধনী এনেছে তাও দেশের উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সরকার দেশের কল্যাণে, জনগণের মঙ্গলে ও যাবতীয় উন্নয়নে ‘কার্যকরণ’ সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় এবং সময় উপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাচ্ছে। আইন ও বিচার বিভাগকে মূল সংবিধানের আলোকে ঢেলে সাজাচ্ছে আমাদের প্রলিফিক সরকার, যা উন্নয়নের মূল ধারাকে গতিশীল এবং বেগবান করছে। দেশের শিক্ষাঙ্গনে তথা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার পরিবেশ গড়ে উঠেছে। পূর্বের বিএনপি-জামায়াত ও এরশাদ সরকারের আমলের মতো উচ্চ শিক্ষাঙ্গনে মারামারি, কাটাকাটি, হত্যা-নির্যাতন, জ্বালাও-পোড়াও নেই। দেশে শিক্ষার হার বেড়েছে (২০০৬ সালে সাক্ষরতার হার ছিল ৫৯.৯০%, অথচ ২০১৩ সালে ৬৫.০৪%)। এমনকি কারিগরি শিক্ষার হারও বেড়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন- দেশের মোট শিক্ষার ১৪%-এর অধিক কারিগরি শিক্ষায় ভর্তি হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন যে, ২০২০ সালের মধ্যে এ হার ২০% এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এ হার ৩০% হবে। বর্তমান সরকার উন্নয়নের সব পথ খুলে দিয়েছে। আমাদের সরকার বেকার সমস্যা দূরীকরণের লক্ষ্যে থানা ও উপজেলা পর্যায়ে বেকার যুবকদের ৬ হাজার টাকা মাসিক ভাতা প্রদান করছে এবং বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ ভাতা, বয়স্ক ভাতাসহ হেন ভাতা নেই যা আমাদের দার্শনিক প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকার দিয়ে যাচ্ছেন না। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞতা প্রকাশস্বরূপ সরকারী চাকরিতে ৩০ ভাগ কোটা সংরক্ষণ করেছে। বাঙালী জাতিকে কৃতজ্ঞ জাতি হিসেবে গড়ে তুলে ভবিষ্যত প্রজন্মকে কৃতজ্ঞ হওয়ার দীক্ষায় দীক্ষিত করছে যা ইতিবাচক ভবিষ্যত সৃষ্টিতে সহায়ক। উল্লেখ্য, জাপানে শিশুদের ১০ বছর বয়স পর্যন্ত বাধ্যতামূলকভাবে নৈতিক শিক্ষা দেয়া হয়। আমাদের নীতিবান সরকারও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈতিক শিক্ষার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। আর একটি বিষয় উল্লেখ না করলেই নয় যে, আমাদের প্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার দেশের প্রতিবেশ ও পরিবেশের ভারসাম্য এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে ডজনখানেক আইনকে কার্যকর ও বাস্তবমুখী করার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনকে মানবজাতি ও অন্যান্য প্রাণিকুলের জীবন ও অভিযোজনকে ভারসাম্যপূর্ণ করতে যে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা প্যারিস জলবায়ু সম্মেলন থেকে বিশ্ববাসী জানতে পেরেছে। আমাদের জাতির সাংস্কৃতিক বন্ধ্যত্ব দূর করতে নিজস্ব জাতীয় তথা বাঙালী সংস্কৃতিকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাংলা ভাষাকে বিশ্ব মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে বর্তমান সরকারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এসবই আমাদের জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বগুণের বহির্প্রকাশ। শুধু তাই নয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে জঙ্গীবাদও নির্মূল প্রায়, যা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিস্তার লাভ করেছিল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হয়েছে এবং হচ্ছে। শত বাধার মুখেও বিচার হয়েছে, শাস্তি হয়েছে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের, এখনও বিচার চলছে। এভাবে দেশের সব ক্ষেত্রে এতসব উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে আমাদের উন্নয়নের মানস প্রতিমা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুশাসনের (Good Governance) ফলে। উল্লেখ্য, উন্নয়নমূলক কাজগুলো সরকারকে সম্পাদন করতে বাধ্য করা যায় না। অর্থাৎ সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি অধ্যায়ে (দ্বিতীয় ভাগ) যে অধিকারগুলো উল্লিখিত হয়েছে সেগুলো ‘Programme Right’ কিংবা সেগুলোকে ‘Bean Ideals of the Constitution’ বলা হয়। যেগুলোর ভায়োলেশন সরকার ঘটালেও সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ (২) অনুযায়ী সরকারের বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা দায়ের করা যায় না কিংবা কোন প্রতিকারও পাওয়া যায় না। অথচ আমাদের বিজ্ঞ প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকার এ বিষয়টি জেনেও নিজ দায়িত্বে দেশ এবং জাতির প্রয়োজনে উন্নয়নমূলক অসংখ্য কাজ একের পর এক সুসম্পন্ন করে যাচ্ছেন। যার জন্য আমাদের প্রিয় জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী ও তার সরকারকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত। আমরা গর্বিত জাতি এই কারণে যে, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি শেখ হাসিনাকে অর্থাৎ এরকম একজন Leader of Speaking Order-কে সরকারপ্রধান হিসেবে পেয়েছি। ভবিষ্যতেও তাকে পাশে পাব বলে প্রত্যাশা রাখি। লেখক: ডীন, আইন অনুষদ, আইন উপদেষ্টা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া। (সূত্র: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ওয়েবসাইট)   আর/টিকে

দীপিকাকে জীবন্ত কবর দেওয়ার হুমকি!

ভারতের আলোচিত সিনেমা ‘পদ্মাবত’-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র রানী পদ্মিনীর ভূমিকায় অভিনয় করেছে দীপিকা পাডুকোন। এ সিনেমায় অভিনয়ের জন্যই দীপিকার নাক কেটে নেওয়ার হুমকি দেয় করনি সেনারা। এরপর দীপিকার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়। শুধু দীপিকা না এ ছবির শুটিংয়ের সময় লাঞ্ছিত করা হয় পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালিকে। কিন্তু এতো কিছুর পরও ‘পদ্মাবত’-এর মুক্তি আটকাতে পারেনি তারা। ভারতের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে ভারতজুড়ে মুক্তি পাচ্ছে ‘পদ্মাবত’। এবার ভারতীয় এক টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সরাসরি সাক্ষাতকারে উত্তর প্রদেশের উগ্রপন্থী নেতা ঠাকুর অভিষেক সোম যদি ছবিটি মুক্তি পায়, তাহলে আমরা সঞ্জয় লীলা বানসালি ও দীপিকা পাডুকোনকে জীবন্ত কবর দেবো।’ তিনি বলেন, আমরা সব সময় পদ্মাবতীকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের বিরুদ্ধে। আমাদের পূর্বপুরুষ তার পূজা করেছে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মও তার পূজা করে যাবে। যেহেতু আদালতের রায়ে ভারতজুড়ে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে তাই এ রকম হুমকি দেওয়া আদালত অবমাননার শামিল। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা ভারতের সুপ্রিম কোর্টকে সম্মান করি, আমাদের অনুভূতি বোঝা উচিত ছিল। ১৬ শতকের সুফি কবি মালিক মাহমুদ জয়সীর লেখা বিখ্যাত কবিতা ‘পদ্মাবত’কে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে ছবিটির কাহিনী। ছবিতে রানী পদ্মিনীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন দীপিকা। তার স্বামী ও মেওয়ারের রাজা রতন সিংয়ের ভূমিকায় অভিনয় করছেন শহিদ কাপুর। ছবিটির নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করছেন রণবীর সিং। ছবিটি প্রযোজনা করছে ভায়াকম ১৮। আলাউদ্দিন খিলজির ভূমিকায় দেখা যাবে রণবীরকে। চলতি বছর ডিসেম্বরে অক্ষয় কুমারের ‘প্যাডম্যান’-এর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মুক্তি পাচ্ছে পদ্মাবত। হিন্দি, তামিল ও তেলেগু ভাষায় মুক্তি পাচ্ছে ‘পদ্মাবত’। সূত্র: সিএনএন নিউজ-১৮   আর/টিকে

অফিসার্স ক্লাব নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে

অফিসার্স ক্লাব ঢাকা নির্বাহী কমিটির ২০১৮-২০১৯ মেয়াদের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে। আজ শুক্রবার ১৯শে জানুয়ারি  বিকাল ৫টার সময় শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ একটানা চলবে রাত ১০ পর্যন্ত। অফিসার্স ক্লাব ভোট  কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, কেন্দ্রের বাইরে ভোটার এবং উৎসুক মানুষের ভিড়। প্রার্থীদের পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। কেন্দ্রের বাইরে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ইব্রাহীম হোসেন খান । ইটিভি অনলাইনকে তিনি বলেন, বিকাল সাড়ে  ৫টায় কেন্দ্রে এসেছি। ৫টার পর ভোট গ্রহণ শুরু হয়। ভালোই লাগছে, উৎসব-উৎসব পরিবেশ। ভাইস চেয়ারম্যাম পদপ্রার্থী রওশন আরা জামান ভোট দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন লাইনে। তিনি বলেন, `আজ হচ্ছে ভোট উৎসব। বিকালের  নাস্তা খেয়ে  এলাম ভোট কেন্দ্রে। আশা করি আমি বিজয়ী হব। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অফিসার্স ক্লাবে সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, যুগ্ম সম্পাদক ও সদস্যসহ ২২টি পদের বিপরীতে প্রার্থীতা ৪৫ জন সরকারি কর্মকর্তা। প্রার্থীদের মধ্যে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বর্তমান দায়িত্বরত সচিবসহ বেশকিছু প্রভাবশালী কর্মকর্তা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।    ক্লাবে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৭৩১ জন। যদিও ক্লাবের বর্তমান সদস্য সংখ্যা পাঁচ হাজার তিনশ’ জন। অফিসার্স ক্লাব সূত্র জানায়, সংবিধান অনুসারে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব হন ক্লাবের সভাপতি। বর্তমানে এ পদে রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। এই পদটিতে কখনো নির্বাচন হয় না। সহ-সভাপতি পদের সংখ্যা মোট তিনটি। এ তিন পদের বিপরীতে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- সাবেক অতিরিক্ত সচিব এমএ রাজেক, প্রফেসর ডা. মো মোজাহেরুল হক, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কেএএম মোজাম্মেল হক, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব আনছার আলী খান, আমিনুল ইসলাম, মো. গোলাম মোস্তফা, রওশন আরা জামান এবং বাংলাদেশ আনসারের সাবেক উপ-মহাপরিচালক ড. ফোরকান উদ্দীন আহাম্মদ। সাধারণ সম্পাদকের একটি পদে লড়ছেন তিন প্রার্থী। তারা হলেন- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইব্রাহীম হোসেন খান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) এম খালিদ মাহমুদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোশারফ হোসেন। কোষাধ্যক্ষের একটি পদে যুগ্ম কর কমিশনার ব্যারিস্টার মোতাসিম বিল্লাহ ফারুকী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মেজবাহ উদ্দীন। যুগ্ম সম্পাদকের তিন পদের বিপরীতে লড়ছেন পাঁচজন। তারা হলেন- ঢাকা কলেজের অধ্যাপক ড. ফেরদৌসি খান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার মোস্তান হোসেন, ডা. সৈয়দ ফিরোজ আলমগীর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম। ১৪টি সদস্য পদের বিপরীতে মোট ৩৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন- ডা. মো. এমদাদুল হক, এমএ মজিদ, আবদুল মান্নান, ডা. মনিলাল আইচ লিটু, আশরাফুল খান রোজি, মীর মনজুরুর রহমান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-প্রধান মো. মনছুরুল আলম, শেখ মো. শরীফ উদ্দীন, ড. মো. জাকেরুল আবেদীন (আপেল), স্বপন কুমার রায়, সৈয়দ মাহফুজ আহমেদ, মুহাম্মদ সাবিক সাদাকাত, একে বোরহানউদ্দীন, শ্যামাপদ, মো. আখতারুজ্জামান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত সচিব (যুগ্ম সচিব) ড. মো. হারুন অর রশিদ বিশ্বাস, আসমা সিদ্দিকা মিলি, মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, আব্দুল মান্নান ইলিয়াস, শাহীন আরা মমতাজ (রেখা), আলমগীর হোসেন, শাহাদৎ হোসাইন, উপ-প্রধান তথ্য অফিসার স. ম. গোলাম কিবরিয়া, প্রাদ্যুৎ কুমার সাহা, মোতাহার হোসেন, মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈ, জেসমিন আক্তার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব রথীন্দ্র নাথ দত্ত, মাসুদ করিম, তানিয়া খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব আজহারুল ইসলাম খান, জনপ্রশাসন মন্ত্রীর পাবলিক রিলেশন অফিসার মমিনুল হক (জীবন), মোহাম্মদ শাহজালাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের উপ-সচিব সৈয়দা সালমা জাফরীন ও মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মৌসুমি।   টিকে

আকর্ষণীয় বেতনে লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে নিয়োগ

লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অধীনে বাংলা ভার্সনে বিভিন্ন পদে ২৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহ থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। পদের নাম ও সংখ্যা: উপাধ্যক্ষ পদে ২ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: যে কোনো বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রিসম্পন্ন (ইংরেজি অগ্রাধিকার)হতে হবে। ‍অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে বিএড/এমএড/ব্রিটিশ কাউন্সিল হতে প্রাথমিক/সেকেন্ডারি টিচার্স ট্রেনিং কোর্স সম্পন্নকারী এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এনটিআরসিএ সনদধারীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট পদে ৮ থেকে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বেতন: গ্রেড-২, স্টেপ-৩ এ বেতন সর্বসাকুল্যে ৪০৫৬০ টাকা পদের নাম ও সংখ্যা: সিনিয়র শিক্ষক (গণিত ও বিজ্ঞান) পদে ৬ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: পদার্থ/গণিত/রসায়ন/উদ্ভিদ ও প্রাণি বিজ্ঞান বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রিসম্পন্ন হতে হবে। ‍অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে বিএড/এমএড/সেকেন্ডারি টিচার্স ট্রেনিং কোর্স সম্পন্নকারী এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এনটিআরসিএ সনদধারীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট পদে ৪ থেকে ৭ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বেতন: গ্রেড-৪, স্টেপ-৪ এ বেতন সর্বসাকুল্যে ২৫০১২ টাকা পদের নাম ও সংখ্যা: সিনিয়র শিক্ষক (ইসলাম/হিন্দু ধর্ম) পদে ৪ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: ইসলাম ধর্মের প্রার্থীর ক্ষেত্রে ইসলাম শিক্ষা/আরবী, হিন্দু ধর্মের প্রার্থীর ক্ষেত্রে সংস্কৃতি/সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে বিএড/এমএড/সেকেন্ডারি টিচার্স ট্রেনিং কোর্স সম্পন্নকারী এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এনটিআরসিএ সনদধারীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট পদে ৪ থেকে ৭ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বেতন: গ্রেড-৪, স্টেপ-১ এ বেতন সর্বসাকুল্যে ১৯২৪০ টাকা পদের নাম ও সংখ্যা: সিনিয়র শিক্ষক (বাংলা) পদে ৪ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে বিএড/এমএড/সেকেন্ডারি টিচার্স ট্রেনিং কোর্স সম্পন্নকারী এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এনটিআরসিএ সনদধারীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রাথমিক বা মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষকতায় ৪ থেকে ৭ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বেতন: গ্রেড-৪, স্টেপ-১ এ বেতন সর্বসাকুল্যে ১৯২৪০ টাকা পদের নাম ও সংখ্যা: সিনিয়র শিক্ষক (শরীর চর্চা ও কম্পিউটার বিজ্ঞান) পদে ৪ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। শরীর চর্চা প্রার্থীর ক্ষেতে্ অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে বিপিএড কোর্স সম্পন্ন হতে হবে। সেকেন্ডারি টিচার্স ট্রেনিং কোর্স সম্পন্নকারী এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এনটিআরসিএ সনদধারীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট পদে ৪ থেকে ৭ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বেতন: গ্রেড-৪, স্টেপ-১ এ বেতন সর্বসাকুল্যে ১৯২৪০ টাকা পদের নাম ও সংখ্যা: সিনিয়র শিক্ষক (বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়) পদে ৪ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। শরীর চর্চা প্রার্থীর ক্ষেতে্ অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে বিপিএড কোর্স সম্পন্ন হতে হবে। অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে বিএড/এমএড/সেকেন্ডারি টিচার্স ট্রেনিং কোর্স সম্পন্নকারী এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এনটিআরসিএ সনদধারীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট পদে ৫ থেকে ৭ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বেতন: গ্রেড-৪, স্টেপ-১ এ বেতন সর্বসাকুল্যে ১৯২৪০ টাকা আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদনের সাথে ২ কপি ছবি, নাগরিকত্ব সনদ, এনআডি কার্ড, সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সনদের ফটোকপিসহ সরাসরি অথবা ডাকযোগে পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ), লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, পৌরসভা রোড, দক্ষিণ জয়পাড়া, দোহার, ঢাকা-১৩৩০ এর বরাবরে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময়সীমা: আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, ১৮ জানুয়ারি ২০১৮   একে/টিকে  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি