ঢাকা, শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭ ১১:৫৫:৪৭

আবারও বিয়ে করবেন হিমেশ

আবারও বিয়ে করতে যাচ্ছেন গায়ক, সুরকার হিমেশ রেশমিয়া। আগামী বছরেই নাকি তাকে আবারও দেখা যেতে পারে বরের বেশে। বলিউড টাউনে এমন গুঞ্জনই শোনা যাচ্ছে। কিছুদিন আগে স্ত্রী কোমলের সঙ্গে ২২ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানেন বলিউডের এই জনপ্রিয় সুরকার, গায়ক এবং অভিনেতার। সেই সময় বিভিন্ন মহলে খবর রটে টেলিভিশন অ্যাঙ্কর সনিয়া কাপুরের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কই নাকি এই বিচ্ছেদের কারণ। যদিও, হিমেশ এবং কোমল দু‘জনেই সেই কথা অস্বীকার করেছিলেন। হিমেশের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, আগামী বছরেই নাকি বান্ধবী সনিয়াকে বিয়ে করতে পারেন তিনি। তার পরিবারের পছন্দের তালিকাতেও নাকি রয়েছেন সনিয়া। হিমেশের ছেলে সায়মের সঙ্গেও সনিয়ার সম্পর্ক নাকি খুবই ভালো। হিমেশের স্টুডিওতেও অবাধ যাতায়াত রয়েছে তার। তবে বিয়ের কথা শুনলেই রেগে যাচ্ছেন হিমেশ। মুখ খুলছেন না সনিয়াও। সূত্র : আনন্দবাজার   এসএ/  

আহসান হাবীবের জন্মশত বর্ষ উদযাপিত

স্মৃতিচারণ, গান ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে কবি আহসান হাবীবের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করেছে আবৃত্তি একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এই উপলক্ষে শুক্রবার  সন্ধ্যা ৭ টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ‘জাতীয় সংগীত, নৃত্যকলাও আবৃত্তি মিলনায়তনে আলোচনা আবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনটি। অনুষ্ঠানে কবি আহসান হাবীবের কবিতা নিয়ে আবৃত্তি প্রযোজনা ‘এই দেশ এই মৃত্তিকা’ পরিবেশন করা হয়। আবৃত্তিশিল্পীরা নৈপুণ্যময় আবৃত্তির মাধ্যমে শ্রোতাদের শ্রুতি-অনুভবে এবং চোখের সামনে কবিতার রূপায়িত দৃশ্যকে উপস্থাপন করেন। আবৃত্তিশিল্পীরা আহসান হাবীবের জীবন ও কর্মের মূল্যায়ন এবং বাংলাদেশের সমাজ ও সাহিত্যের উপর তার প্রভাব নিয়ে গবেষণার জন্য তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে কবি আহসান হাবীবকে নিয়ে চর্চা করতে উদ্যেগী হওয়ার আহ্বানও জানানো হয়।   অনুষ্ঠানে ‘আবৃত্তি একাডেমি’ সংগঠনের বাহিরে থেকেই এসেছিল আমন্ত্রিত আবৃত্তিশিল্পীরা। / এআর /    

ঢাকার সঙ্গে খুলনার রেল যোগাযোগ বন্ধ

দর্শনায় দুটি মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ট্রেন চালকসহ তিনজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার ফলে খুলনার সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৬টার দিকে এ সংঘর্ষ হয়। খুলনা-রাজশাহী ও খুলনা-চিলাহাটি রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। আহতদের একজনের নাম রায়হান হাসান। তিনি দুর্ঘটনাকবলিত একটি মালবাহী ট্রেনের চালক। চুয়াডাঙ্গার রেলস্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি মালবাহী ট্রেন দর্শনা রেলইয়ার্ডে ঢোকার আগে ভুল সংকেতের কারণে দর্শনা হল্ট স্টেশনে ঢুকে। ঠিক এ সময় খুলনা থেকে ছেড়ে আসা তেলবাহী আরেকটি ট্রেনের সঙ্গে ফরিদপুর থেকে আসা ট্রেনটির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ফলে দুটি ট্রেনের ইঞ্জিনই দুমড়ে-মুচড়ে যায়। উদ্ধারকাজ শুরু চলছে। একে/ এআর  

মালিয়া ওবামার চুম্বনের পক্ষে ইভানকা ট্রাম্প ও চেলসি (ভিডিও)

যুবকের সঙ্গে চুম্বনের ভিডিও ভাইরাল  এবং এ নিয়ে নানা সমালোচনার মুখে পড়া মালিয়া ওবামার পাশে দাঁড়িয়েছেন ইভানকা ট্রাম্প এবং চেলসি ক্লিনটন। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল ঘরানার কিছু গণমাধ্যম যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মেয়ে মালিয়ার এক যুবককে চুমু খাওয়ার ভিডিও নিয়ে খবর প্রকাশ করে। রক্ষণশীল সেসব গণমাধ্যমে ‘চুম্বনের’ ভিডিওর পাশাপাশি ধূমপানরত অবস্থারও খবর প্রকাশ করা হয়। এ নিয়ে রক্ষণশীল সমাজে যখন অস্বস্তি বিরাজ করছে তখনই মালিয়ার পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরলেন ইভানকা ট্রাম্প ও চেলসি ক্লিনটন। ইভানকা ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে। আর চেলসি ক্লিনটন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং হিলারি ক্লিনটনের মেয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য সাবেক ‘ফার্স্ট ডটার’ মালিয়াকে নিয়ে গণমাধ্যমের প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ করে সর্বপ্রথম টুইট করেন ইভানকা। টুইট বার্তায় বর্তমান এ ‘ফার্স্ট ডটার’ বলেন, মালিয়া ওবামার বয়সী অন্য শিক্ষার্থীরা যেমন ‘গোপনীয়তা’ পেয়ে থাকেন, তাকেও তা দিতে হবে। মালিয়া এবং প্রাপ্ত বয়স্ক যুবতী এবং তাঁর ব্যাপারেও সবাইকে গোপনীয়তার সীমা লঙ্ঘন করা যাবে না। ইভানকার পরপরই চেলসি  ক্লিনটন টুইট বার্তায় গণমাধ্যমকে ‘শুধরে যাওয়া’র আহ্বান জানিয়ে লেখেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক যুবতী হিসেবে মালিয়ার ব্যক্তিগত জীবন, তাঁর শিক্ষা জীবন এবং তাঁর ব্যক্তি নাগরিকত্বের সঙ্গে কোনকিছুই আপনার (গণমাধ্যমের) চাবুকের মুখাপেক্ষী না। সাধারণত যুক্তরাষ্টের বর্তমান এবং সাবেক প্রেসিডেন্টদের সন্তানদের গণমাধ্যম চর্চার বাইরে রাখা হয়। গণমাধ্যমে তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব একটা খবর প্রকাশিত হয় না।  উল্লেখ্য, গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক যুবককে চুম্বনরত অবস্থায় ক্যামেরা বন্দী হন মার্কিং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বড় মেয়ে মালিয়া ওবামা। পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধারণ হওয়া ৫৪সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায় ওবামা কন্যা মালিয়া এক যুবককে খুব আন্তরিকভাবে চুমু খাচ্ছেন। ডেইলি মেইলের সূত্র মতে, চুমু খাওয়া যুবকের নাম ররি ফার্কুয়াসন। ২য় বর্ষের ছাত্র ররি মালিয়ার সঙ্গে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন এবং একজন রাগবি খেলোয়াড়।    সূত্রঃ এনডিটিভি //এস এইচ এস// ভিডিওঃ

‘বাউল বাড়ি’তে চিরনিদ্রায় বারী সিদ্দিকী

প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ও বংশীবাদক বারী সিদ্দিকীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নেত্রকোনার কারলি গ্রামে ‘বাউল বাড়ি’র পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।এর আগে নেত্রকোনা শহরের সাতপাই এলাকার সরকারি কলেজ মাঠে তার শেষ জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।পরে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা প্রিয় মানুষটিকে শেষবারের মতো ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।বৃহস্পতিবার দিনগত রাত দুইটা নাগাদ রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে বারী সিদ্দিকী মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে আর অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।উল্লেখ্য, ১৯৫৪ সালের ১৫ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলায় এক সঙ্গীতজ্ঞ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বারী সিদ্দিকী। শৈশবে পরিবারের কাছে গান শেখায় হাতেখড়ি হলেও ১২ বছর বয়সেই ওস্তাদ গোপাল দত্তের কাছে তার আনুষ্ঠানিক তালিম শুরু হয়। এরপর ওস্তাদ আমিনুর রহমান, দবির খান, পান্নালাল ঘোষসহ অসংখ্য গুণীশিল্পীর সরাসরি সান্নিধ্য লাভ করেন তিনি।ওস্তাদ আমিনুর রহমান একটি কনসার্টে বারী সিদ্দিকীকে দেখে প্রশিক্ষণের প্রস্তাব দেন। পরে ছয় বছর ধরে তিনি ওস্তাদ আমিনুর রহমানের কাছে প্রশিক্ষণ নেন।সত্তরের দশকে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাথে যুক্ত হন বারী সিদ্দিকী। ওস্তাদ গোপাল দত্তের পরামর্শে ক্লাসিক্যাল মিউজিক নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। পরবর্তীতে বাঁশির প্রতিও আগ্রহী হয়ে ওঠে বাঁশি ও উচ্চাঙ্গসঙ্গীতে প্রশিক্ষণ নেন। নব্বইয়ের দশকে ভারতের পুনে গিয়ে পণ্ডিত ভিজি কার্নাডের কাছে তালিম নেন।দেশে ফিরে এসে লোকগীতির সাথে ক্লাসিক মিউজিকের সম্মিলনে গান গাওয়া শুরু করেন। ১৯৯৯ সালে হুমায়ূন আহমেদের ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ সিনেমাতে গান গেয়ে সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন দীর্ঘদিন ধরে সঙ্গীত নিয়ে কাজ করা বারী সিদ্দিকী।তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সুয়াচান পাখি আমি ডাকিতাছি তুমি ঘুমাইছ নাকি’, ‘পুবালি বাতাসে’, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘ওলো ভাবিজান নাউ বাওয়া’, ‘মানুষ ধরো মানুষ ভজো’ ইত্যাদি।   এসএ/

আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হবে বেলা ১২ টায়

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি উদযাপনে আজ শনিবার দেশজুড়ে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ করা হবে। ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় দেশজুড়ে এই আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। শোভাযাত্রাটি আজ বেলা ১২টায় ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর থেকে শুরু হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গিয়ে শেষ হবে। দেশের বিশিষ্ট রাজনীতিক, সংসদ সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা, এনজিও কর্মী, ক্রীড়াবিদ, সংস্কৃতিক ব্যক্তি, স্কাউট সদস্যসহ বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতে অংশ নেবেন। শোভাযাত্রাটি কোন পথ থেকে কোন দিকে যাবে এ বিষয়ে একটি রুটম্যাপ দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগ। ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা বলা হয়েছে, বেলা ১২টায় আনন্দ শোভাযাত্রাটি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর থেকে শুরু হয়ে মিরপুর রোডের রাসেল স্কয়ার ক্রসিং হয়ে কলাবাগান দিয়ে সায়েন্সল্যাব থেকে বাঁয়ের দিরক মোড় নেবে। সেখান বাটা সিগন্যাল-কাঁটাবন ক্রসিং হয়ে শাহবাগ থেকে ডান দিকে মোড় নিয়ে ছবির হাট হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শেষ হবে শোভাযাত্রাটি।। শোভাযাত্রাটি সোহরাওয়ার্দী যাওয়ার পর উদ্যানের স্বাধীনতাস্তম্ভে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিকালে সেখানে সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেসকোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার’-এ ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত এই আনন্দ শোভাযাত্রা দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের জন্য র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), পুলিশ, আনসার ও ভিডিপিসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী সতর্ক থাকবে।   একে// এআর  

সালমান-ক্যাটরিনার রেকর্ড

বলিউড অভিনেতা সালমান খান ও অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের নতুন সিনেমার গান ‘সোয়াগ সে স্বাগত’ সম্প্রতি ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে। আর প্রকাশের পরই রেকর্ড গড়েছে গানটি। এটি প্রকাশের প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সবচেয়ে বেশিবার দেখা ভিডিওর রেকর্ড গড়েছে। এটি আলি আব্বাস জাফর পরিচালিত ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’র প্রথম গান। সালমান-ক্যাটরিনার এই গানটি গেয়েছেন বিশাল দাড়লানি ও নেহা ভাসিন। গানের কথা লিখেছেন ইরশাদ কামিল, সুর ও সঙ্গীতায়োজন করেছেন বিশাল-শেখর। গানটির চিত্রায়ণ হয়েছেন গ্রিসে। এতে সালমান-ক্যাটরিনার সঙ্গে আরও নেচেছেন ১০০ নৃত্যশিল্পী। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যশরাজ ফিল্মসের এক টুইটার বার্তার মাধ্যমে জানা গেছে, ২১ নভেম্বর প্রকাশ হওয়া গানটি প্রথম দিনে ১ কোটি ১২ লাখ ৩৫ হাজার ৬২৪ বার দেখা হয়েছে। এতে লাইক পড়েছে ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৪৮৭টি। বলিউড তো বটেই, এর আগে চলতি বছর বিশ্বের আর কোনো গান প্রথম ২৪ ঘণ্টায় এতবার দেখা হয়নি। ইউটিউবের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিবার দেখা ভিডিও লুই ফনসি ও ড্যাডি ইয়াস্কির ‘দেসপাসিতো’ প্রকাশ হয় জানুয়ারিতে। গানটি ২৪ ঘণ্টায় ৭২ লাখ ৬৩ হাজার ১৭৯ বার ভিউ পেয়েছিল। মার্কিন গায়িকা ডেমি লোভেটোর সঙ্গে লুই ফনসির আরেক গান ‘এচেমে লা কুলপা’র প্রথম দিন ভিউ ছিল ৯৫ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭। সূত্র : টাইমস নাউ   এসএ/

বুবলীই শাকিবের প্রিয়তমা

চিত্রনায়ক শাকিব খানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে ফিল্মস থেকে ‘হিরো দ্য সুপারস্টার’র পর নতুন সিনেমা নির্মিত হতে যাচ্ছে। নতুন সিনেমাটির নাম ‘প্রিয়তমা’। এটি পরিচালনা করবেন ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ খ্যাত তরুণ নির্মাতা হিমেল আশরাফ। নায়ক প্রধান গল্পের এ সিনেমাতে নায়িকা কে হবেন তা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছিলো চলচ্চিত্রের বিভিন্ন মহলে। কিন্তু নায়ক-প্রযোজক শাকিবের পছন্দের তালিকায় নায়িকা হিসেবে প্রথমেই চলে আসে বুবলীর নাম। যেমন চিন্তা তেমন কাজ। বুবলীই হলেন শাকিবের প্রিয়তমা। সম্প্রতি সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠানে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নায়ক ও প্রযোজক শাকিব খান। পূর্বে এ জুটির বসগিরি, শুটার, অহংকার, রংবাজ সিনেমা চারটি ব্যবসা সফল হয়েছে। দর্শকের কাছেও জুটি হিসেবে তারা বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে শাকিব খান বলেন, ‘বুবলীই প্রিয়তমা সিনেমার নায়িকা। কারণ আমার সঙ্গে বুবলীর সবগুলো সিনেমাই দর্শক গ্রহণ করেছে।’ তবে বিষয়টি নিয়ে দারুণ খুশি বুবলী। বুবলি বলেন, ‘হ্যাঁ, কথাটা সত্য। আসলে ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার প্রস্তাব পেয়েছিলাম ছয় মাস আগে। হিমেল আশরাফ তখন সিনেমার কাহিনী শুনিয়ে ছিলেন। পাশাপাশি ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন শাকিব খান ও আমাকে নিয়ে এটি নির্মাণের। এর মধ্যে শাকিব খানও বেশ ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তাই চিত্রনাট্য হাতে পাননি তিনি। সম্প্রতি ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়্যা’ শুটিংয়ের ফাঁকে শাকিব খান গল্পটি শোনেন। তারও মনে ধরে এটি। একটা পর্যায়ে সিনেমাটি প্রযোজনার সিদ্ধান্ত নেন। সত্যি বলতে কি সিনেমাটির কাহিনীতে ভিন্নতা রয়েছে।’ সিনেমাটি নিয়ে বুবলি আরও বলেন, ‘সিনেমাটিক ওয়েতে বললে বলতেই হয় শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’ আমিই। প্রিয়তমা’র কাহিনীটা একটু ভিন্ন। বাকিটা সিক্রেট থাকুক। আমাদের রসায়নটা দর্শক না হয় পর্দায় দেখবে।’ শাকিবের সঙ্গে কাজ করা নিয়ে তিনি বলেন, ‘শাকিব খানের মতো সুপারস্টারের সঙ্গে কাজ করাটা যেকোনো নায়িকার জন্য বড় পাওয়া বলে মনে করি। সেখানে তার নিজের প্রোডাকশন হাউস থেকে কাজের সুযোগ পাওয়া আরও সৌভাগ্যের। এটি আমার জন্য অন্যতম মাইলফলক হবে।’ উল্লেখ্য, শাকিব-বুবলী ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া ও নোয়াখাইল্লা মাইয়া’ সিনেমার শুটিং নিয়ে বর্তমানে ব্যস্ত আছেন। অপরদিকে ‘আমার স্বপ্ন আমার দেশ’ নামের অন্য আরও একটি সিনেমাতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তারা।   এসএ/

আবারও সাইমন-মাহির রসায়ন

ঢালিউড তারকা সাইমন সাদিক ও মাহিয়া মাহির রসায়ন দর্শক আগেই দেখেছে। ‘পোড়ামন’ সিনেমার মাধ্যমে জুটি হয়ে আসেন তাঁরা। ২০১৩ সালে জুনে মুক্তি পায় সিনেমাটি। ব্যবসায়িকভাবেও বেশ ভালো সফলতা পায় এটি। এরপর তারা জুটি হন মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘জান্নাত’ সিনেমাটিতে। এরই মধ্যে সিনেমাটির কাজ শেষ হয়েছে। নতুন খবর হচ্ছে- মুস্তাফিজুর রহমান মানিকের আরও একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সাইমন-মাহি জুটি। এ বিষয়ে সাইমন বলেন, সিনেমাটির নাম এখনো ঠিক হয়নি। সবকিছু ঠিক থাকলে শ্যুটিং শুরু হবে আগামী জানুয়ারি থেকে। এদিকে, বদিউল আলম খোকনের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সিনেমা করছেন সাইমন। সিনেমাটির নাম ‘আমার মা আমার বেহেশত’। এতে মাহিও কাজ করবেন। আগামী ডিসেম্বর থেকে শ্যুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে সিনেমাটির। অন্যদিকে, রবিবার থেকে শাহীন সুমন পরিচালিত ‘মাতাল’ সিনেমার শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত হয়ে উঠবেন সাইমন। এতে তার সহশিল্পী হিসেবে আছেন নবাগত অধরা ও আসিফ নূর।   এসএ/

এ বি এম আবুল কাসেম একজন ত্যাগী ও পরিশ্রমী জননেতা

আজ (২৪ নভেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ) সীতাকুণ্ডের দু’বারের সাবেক এমপি ও প্যানেল-স্পীকার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সভাপতি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সভাপতি ও সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের আমৃত্যু সভাপতি এ বি এম আবুল কাসেম মাস্টার এর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিক। ২০১৫ সালের এদিনেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। প্রয়াত এ নেতার মৃত্যুদিবসে এ বি এম আবুল কাসেম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্মরণসভাসহ নানান কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ত্যাগী এ নেতার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক-জীবনাবলম্বনে আমার-ই সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে ‘কাসেম মাস্টার’ শিরোনাম শীর্ষক এ বি এম আবুল কাসেম স্মারকগ্রন্থ। কাসেম মাস্টার ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দের ২১ ফেব্রুয়ারি সীতাকুণ্ড উপজেলার দক্ষিণ-সলিমপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আবদুল জলিল, মা আমেনা খাতুন। তিনি পড়াশোনা করেন কাট্টলী নুরুল হক চৌধুরী উচ্চবিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম সরকারি সরকারি সিটি কলেজে। কাট্টলী হাই স্কুলে তিনি শিক্ষকতাও করেন। এ কারণেই তিনি কাসেম মাস্টার হিসেবে পরিচিত। তাই তাঁর জীবনাবলম্বনে রচিত স্মারকগ্রন্থের নামকরণ করা হয়েছে ‘কাসেম মাস্টার’। কাসেম মাস্টার সত্যিকার অর্থে তৃণমূল থেকে গড়ে ওঠা একজন জনপ্রতিনিধি ছিলেন। হঠাৎ করে তিনি এমপি নির্বাচিত হননি। শেখড় থেকে তিনি শিখরে ওঠেছিলেন। ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত টানা ১৫বছর তিনি সলিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। দু’বার তিনি চট্টগ্রাম ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সমিতির চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সীতাকুণ্ড সংসদীয় এলাকা থেকে দু’বার এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে প্রথম এমপি নির্বাচিত হয়ে জাতীয় সংসদের প্যানেল স্পীকারের দায়িত্ব পালন করেন। সংসদ-সদস্য থাকাকালীন তিনি নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৯৭ সালে তিনি সংসদীয় দলের সদস্য হিসেবে চীন সফর করেন। দ্বিতীয়বার এমপি হওয়ার পর কাসেম মাস্টার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এসময়ে তিনি বাংলাদেশ-কোরিয়া পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। কাসেম মাস্টার আওয়ামী লীগের একজন পোঁড়খাওয়া ত্যাগী নেতা ছিলেন। টানা একযুগের বেশিসময় তিনি সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগেরও তিনি আমৃত্যু সভাপতি ছিলেন। দীর্ঘসময়ে তিনি সীতাকুণ্ড আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র নেতা ছিলেন। বলা যায়, এমপি থাকাকালীন সীতাকুণ্ডের আওয়ামী-রাজনীতি ছিল তাঁরই একক নিয়ন্ত্রণে। দলের নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের সাথেও তাঁর সম্পর্ক ছিল খুবই ঘনিষ্ঠ ও নিবিড়। তাঁর স্মরণ শক্তি ছিল অত্যন্ত প্রখর। ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে তাঁর সরাসরি সম্পর্ক ছিল। তাদের নামধাম ছিল তাঁর নখদর্পণে। সীতাকুণ্ড উপজেলার সৈয়দপুর থেকে সলিমপুর পর্যন্ত বিয়েশাদি থেকে শুরু করে সামাজিক যেকোনো ছোটখাটো অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি সকলের নজর কাড়তো। কাসেম মাস্টার একজন সমাজ হিতৈষী ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। লতিফপুর আলহাজ্জ আবদুল জলিল উচ্চবিদ্যালয়, দক্ষিণ সলিমপুর আমেনা বিদ্যানিকেতন, সলিমপুর আবাসিক এলাকা বিদ্যাপীঠ, বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের ধর্মপুর আবুল কাসেম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ছিলেন। এছাড়া তিনি সীতাকুল্ড ডিগ্রি কলেজ, সীতাকুণ্ড বালিকা বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়, বিজয় স্মরণী কলেজ, মোস্তফা হাকিম কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ছিলেন। অন্যদিকে তিনি রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য, চট্টগ্রাম কেন্দ্রিীয় কারাগারের পরিদর্শক ছাড়াও এলাকার বহু সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন। সীতাকুণ্ড এলাকার সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য এ জনপ্রিয় রাজনীতিক ব্যক্তিত্বের একক প্রচেষ্ঠায় সীতাকুণ্ড সদর ইউনিয়নকে পৌরসভায় রূপান্তর করা হয়। সীতাকুণ্ডের উত্তর-বগাচতর থেকে ছোটকুমিরা পর্যন্ত গ্রামের ভেতর দিয়ে হাবিব আহমেদ চৌধুরী নামক যে সড়ক (হাবিবরোড) রয়েছে সেটিকে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের আওতায় এনে যুগান্তকারী উন্নয়ন সাধন করেন। ১৯৯৬ সালে ২১বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এমপি আবুল কাসেম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের প্রায় সকল গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের সীতাকুণ্ডে এনে যুগান্তকারী নানান উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ শুরু করেছিলেন। হাবিব রোড ছাড়াও উত্তর বগাচতর এলাকায় বিদ্যুতায়ন, সীতাকুণ্ডসদরে টিএন্ডটির পিসিও (পাবলিক কল অফিস) ভবনে ৫০০লাইনের ডিজিটাল টেলিফোন একচেঞ্জ স্থাপন, যানজট নিরসনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড বাজার (উপজেলা সদর) ও কুমিরা বাজার এলাকায় বাইপাস-রোড নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ, বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক স্থাপন, সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথধামকে মহাতীর্থ করার প্রচেষ্টা চালানো, সীতাকুণ্ডে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করাসহ গ্রামীণ অবকাঠামো ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে নজিরবিহীন অবদান রাখেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৫ পুত্র ও ১কন্যা সন্তান রেখে যান। বর্তমানে তাঁর বড়ছেলে এস এম আল মামুন সীতাকুণ্ড উপজেলার চেয়ারম্যান।   লেখক : প্রধান-সম্পাদক, সাপ্তাহিক চাটগাঁর বাণী

বঙ্গবন্ধুর ভাষণের স্বীকৃতিতে আনন্দ শোভাযাত্রার রুট

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রার’-এর অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ‘বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্যের’ স্বীকৃতি লাভ করেছে। এই অসামান্য অর্জনকে শনিবার ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’র মাধ্যমে উদযাপন করা হবে। আনন্দ শোভাযাত্রার রুট-বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর থেকে আরম্ভ করে মিরপুর রোডের রাসেল স্কয়ার ক্রসিং হয়ে কলাবাগান দিয়ে সাইন্সল্যাব বামে মোড় নিয়ে বাটা সিগন্যাল-কাঁটাবন ক্রসিং হয়ে শাহবাগ ডানে মোড় নিয়ে ছবির হাট হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পর্যন্ত।‘আনন্দ শোভাযাত্রাটি বেলা ১২টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর থেকে আরম্ভ হয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান গিয়ে শেষ হবে। যে সব গেট ব্যবহার করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ করা যাবে-১। ছবির হাট গেট (চারুকলার বিপরীতে)২। টিএসসি গেট৩। বাংলা একাডেমীর বিপরীতের গেট৪। কালী মন্দির গেটডিএমপি নিউজ সূ্ত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।এসএইচ/

মহাদেব সাহার ত্রয়ী ভলোবাসা

১. ভালোবাসা ভালোবাসা তুমি এমনি সুদূর স্বপ্নের চে’ও দূরে, সুনীল সাগরে তোমাকে পাবে না আকাশে ক্লান্ত উড়ে! ভালোবাসা তুমি এমনি উধাও এমনি কি অগোচর তোমার ঠিকানা মানচিত্রের উড়ন্ত ডাকঘর সেও কি জানে না? এমনি নিখোঁজ এমনি নিরুদ্দেশ পাবে না তোমাকে মেধা ও মনন কিংবা অভিনিবেশ? তুমি কি তাহলে অদৃশ্য এতো এতোই লোকোত্তর, সব প্রশ্নের সম্মুখে তুমি স্থবির এবং জড়? ভালোবাসা তবে এমনি সুদূর এমনি অলীক তুমি এমনি স্বপ্ন? ছোওনি কি কভু বাস্তবতার ভূমি? তাই বা কীভাবে ভালোবাসা আমি দেখেছি পরস্পর ধুলো ও মাটিতে বেঁধেছো তোমার নশ্বরতার ঘর! ভালোবাসা, বলো, দেখিনি তোমাকে সলজ্জ চঞ্চল, মুগ্ধ মেঘের মতোই কখনো কারো তৃষ্ণার জল।   ২. ভালোবাসা মরে গেছে গত গ্রীষ্মকালে ভালোবাসা মরে গেছে গত গ্রীষ্মকালে উদ্যত বাহুর চাপে, ধুলোমাটি কাদা লেগে গায়ে শীতেতাপে ঝরে গেছে তার বর্ণ, মেধা স্পর্শ করে আশি এই প্রেমহীন নারীর শরীর মৃত চুল, উত্তাপবিহীন কিছু বয়সের ধুলো, নীলাঞ্জনশোভিত নারীর মুখ ফিকে থির পলকবিহীন দুই চোখ খেয়ে গেছে পৌষের দুই বুড়ো কাক তাহাকেই ধরে আছি, বেঁধে আছি অসহায় স্তব্ধ আলিঙ্গনে; বহু বছরের এই রোদবৃষ্টিজলে, ঝড়ে, কুয়াশায় নষ্ট হয়ে গেছে প্রেম, মুখের গড়ন তার, দেহের বাঁধন অজন্তা মূর্তি লাস্য, শিল্পের মতন সেই গূঢ় সম্ভাষণ তার কতোখানি বাকি আছে? অবশিষ্ট আছে? তাহারা কি থাকে কেউ অনাদরে উপেক্ষায় সারাদিনে একবেলা জলঢালা মৌন কেয়ারিতে অজ্ঞাত নফর, তাহারা কি থাকে? স্পর্শহীন, পরিচর্যহীন একাকী নিঃসঙ্গ আর কতোকাল দগ্ধ হবে প্রেম।   ৩. ভালোবাসা, আমি তোমার জন্য ভালোবাসা আমি তোমাকে নিয়েই সবচেয়ে বেশি বিব্রত আজ তেমাকে নিয়েই এমন আহত এতো অপরাধী, এতো অসহায়! তোমাকে নিয়েই পালিয়ে বেড়াই তোমাকে নিয়েই ব্যাকুল ফেরারী। ভালোবাসা তুমি ফুল হলে তার ফুলদানি পেতে অভাব ছিলো না, মেঘ হলে তুমি সুদূর নীলিমা তোমাকে দিতাম উড়ে বেড়াবার; জল হলে তুমি সমুদ্র ছিলো তোমারই জন্য অসীম পাত্র- প্রসাধনী হলে তোমাকে রাখার ছিলো উজ্জ্বল অশেষ শো-কেস, এমনকি তুমি শিশির হলেও বক্ষে রাখার তৃণ ছিলো, আর সবুজ পাতাও তোমার জন্য হয়তোবা হতো স্মৃতির রুমাল। ভালোবাসা তুমি পাখি হতে যদি তোমাকে রাখার ভাবনা কি ছিলো এই নীলকাশ তোমারই জন্য অনায়াসে হতো অনুপম খাঁচা! কিন্তু তুমি তো ফুল নও কোনো মেঘ নও কোনো দূর আকাশের, ভালোবাসা তুমি টিপ নও কোনো তোমাকে কারো বা কপালে পরাবো; ঘর সাজাবার মেহগনি হলে ভালোবাসা তুমি কথা তো ছিলো না তুমি তো জানোই ভালোবাসা তুমি চেয়েছো মাত্র উষ্ণ হৃদয়! খোঁপায় তোমাকে পরালেই যদি ভালোবাসা তুমি ফুটতে বকুল, কারো চোখে যদি রাখলেই তুমি হতে ভালোবাসা স্নিগ্ধ গোধূলি- তাহলে আমার তোমাকে নিয়ে কি বলো ভালোবাসা এমন দৈন্য, আমি তো জানিই তোমার জন্য পাইনি যা সে তো একটি হৃদয় সামান্যতম সিক্ত কোমল, স্পর্শকাতর অনুভূতিশীল!   [মহাদেব সাহা ১৯৪৪ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার ধানঘড়া গ্রামে পৈতৃক বাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম গদাধর সাহা এবং মাতা বিরাজমোহিনী। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৯৩ টি। বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখার কারণে তিনি ১৯৮৩ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন।]   /ডিডি/টিকে

মানসম্পন্ন খাবারের সন্ধান দিচ্ছে ফুড ব্লগার্স বিডি

বাইরে আছেন অথবা আজ আপনার জন্য একটি বিশেষ দিন। পকেটে পর্যাপ্ত টাকাও আছে। কিন্তু খাবেন কোথায়? অথবা কোনো একটি বিশেষ খাবার কোথায় সব থেকে বেশি মজাদার, তার সন্ধান চান। খাবার নিয়ে এ রকম আরও বিভিন্ন বিষয়ে জানতে এবং জানাতে ফুড ব্লগার্স বিডির সাহয্য নিতে পারেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের অন্যতম জনপ্রিয় বাংলাদেশি গ্রুপ ফুড ব্লগার্স বিডি। খাবার নিয়েই তাদের কারবার। ইটিভি অনলাইনের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে গ্রুপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এ গ্রুপের অ্যাডমিন মো. আরমান শাহরিয়ার সৌম এবং ডা. শেখ জাকিয়া সুলতানা। তাদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন একুশে টেলিভিশন অনলাইনের সহ-সম্পাদক শাওন সোলায়মান।   ইটিভি অনলাইন : ফুড ব্লগার্স বিডি-এর শুরুটা কীভাবে হয়েছে? সৌম : আমরা গ্রুপটা ২০১৪ সালের ৫ আগস্ট শুরু করি। অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডির আবেদন করার সময় গ্রুপটি খুলেছিলাম। আমার গবেষণার বিষয় ছিল ‘সামাজিক ব্যবসা’। তখন আমি এমন একটি ব্যবসা খোঁজা শুরু করি, যার সঙ্গে সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে উচ্চবিত্তরাও জড়িত রয়েছেন। তখনই মাথায় আসে ফুড বা খাবার ব্যবসার কথা। গবেষণার কাজেই মূলত গ্রুপটা খোলা হয়েছিল। তখন আমি একাই ছিলাম এর অ্যাডমিন। এখন আমার সহধর্মিণী সুলতানাও এর অ্যাডমিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। ইটিভি অনলাইন : শুরুতে গ্রুপের কার্যক্রম কেমন ছিল? সৌম্য : এখন যেভাবে গ্রুপে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের রকমারি খাবারের রিভিউ বা পর্যালোচনা দেয়া হয়- শুরুতে এমনটা ছিল না। শুরুতে গ্রুপে শুধুমাত্র বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের রিভিউ দেয়া হতো। একটা রেস্টুরেন্ট কেমন, তার ভেতরের সাজসজ্জা কেমন শুধুমাত্র এ বিষয়গুলো তুলে ধরা হতো। কোনো একটা রেস্টুরেন্টের ইন্টেরিয়র ডিজাইন ভাল হলে আমরা সেগুলো নিয়েও লিখতাম। কখনো কখনো সেই ডিজাইনারকে নিয়েও লেখালেখি করা হতো। এক কথায় বললে, খাবার নিয়ে পর্যালোচনা করার বিষয় তখন আমাদের পরিকল্পনায় ছিল না। তখন ছিল শুধু রেস্টুরেন্ট রিভিউ-এর বিষয়। ইটিভি অনলাইন : বর্তমান সময়ে গ্রুপে সদস্যরা কী ধরনের পোস্ট শেয়ার করেন? সৌম : এখানে ‘জানতে চাওয়া’ এবং ‘জানানো’ দুই ধরনের কাজই হয়। মনে করেন, কেউ একজন বান্দরবান বেড়াতে গেছেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে কোনো হোটেল বা রেস্টুরেন্টে ইকোনমিকভাবে ভালো খাবার খেতে পারবেন তা বুঝতে পারছেন না। তবে তিনি যদি আমাদের গ্রুপে একটি পোস্ট দেন তাহলে খুব অল্প সময়েই একাধিক পরামর্শ পেয়ে যাবেন। আবার ধরেন, এক ব্যক্তি কোনো একটি রেস্টুরেন্টে কিছু খাবার খেলেন। ওই খাবার সম্পর্কে ভালো কিংবা মন্দ, তার রুচি এবং পছন্দ অনুযায়ী পোস্ট দিতে পারেন। গ্রুপের সদস্যরা কোনো একটি রেস্টুরেন্টের খাবারের মান, পরিবেশ, কর্মীদের ব্যবহার ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে ১ থেকে ১০-এর মধ্যে নম্বর দেন। এতে করে কোনো ভাল খাবারের ব্যাপারে অন্য সদস্যদের মধ্যে আগ্রহ জাগতে পারে। আবার খাবার খুব খারাপ হলে আগে থেকেই কেউ একজন সেখানে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কষ্টের টাকা দিয়ে এমন খাবার নিশ্চয়ই কেউ খেতে চাইবে না সুলতানা : এখানে আরও একটি বিষয় আছে। ধরেন কোনো হোটেল বা রেস্টুরেন্টে খাবারের অতিরিক্ত মূল্য নেয়া হল। অশোভন আচরণ কিংবা অন্য কোনো সমস্যার অভিজ্ঞতা হলেও আমাদের গ্রুপে ওই পোস্ট শেয়ার করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তখন রেস্টুরেন্ট মালিকেরা সমাধান দিয়ে থাকেন। আমাদের গ্রুপে যে শুধু ‘খাদক’রা থাকেন তাই নয়; বরং অনেক রেস্টুরেন্টের মালিকেরাও আছেন। তারা সব সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকেন। আর সমাধান না হলেও অন্য সদস্যরা সচেতন হোন এসব পোস্টের কারণে। ইটিভি অনলাইন : যদি সদস্যদের কেউ কোনো রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তাহলে গ্রুপ থেকে কী কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়? সৌম : সত্যিকার পক্ষে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি না। তবে ব্যবস্থা নিতে সাহায্য করি। ‘ভ্যাট গোয়েন্দা’র সঙ্গে আমরা কাজ করি। আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসলে আমরা তখন দৃষ্টি আকর্ষণ করি। তারা তখন তাদের প্রক্রিয়ায় অভিযোগের সত্যতা যাচাই-বাছাই করেন। ভ্যাট গোয়েন্দাদের দেখাদেখি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরও এখন কাজ করছে। তাদের কাছে কোনো অভিযোগ দেয়া হলে তারা তা যাচাই-বাছাই করে এর সত্যতা পেলে ওই প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমানা করে। সব থেকে মজার বিষয়, যিনি অভিযোগ করবেন তিনি জরিমানাকৃত অর্থের ২৫ ভাগ পাবেন। এমন অর্থ প্রাপ্তির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অভিযোগ জানানোর প্রবণতাও বেড়ে গেছে। যার ফলে রেস্টুরেন্ট মালিকরা এখন সচেতন হয়ে উঠেছেন। ইটিভি অনলাইন : ঢাকা শহরের খাবার ব্যবসার উন্নতিতে পর্দার আড়ালে কাজ করে যাচ্ছে আপনাদের গ্রুপটি। এ ব্যাপারে কিছু বলুন। সৌম : বিষয়টা নিয়ে আমরাও বেশ পুলকিত। আমাদের গ্রুপের কার্যক্রম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা শহরে রেস্টুরেন্টের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে গ্রুপে বিভিন্ন খাবারের পর্যালোচনা সমৃদ্ধ পোস্ট দেখে একটা বড় অংশের মধ্যে খাবার নিয়ে আগ্রহ জন্মায়। আগে মানুষ ঘরের বাইরে খুব একটা খেতে যেত না। গেলেও সর্বোচ্চ কোনো একটা চাইনিজ রেস্টুরেন্টে যেত। কিন্তু এখন মানুষ ফাস্টফুড থেকে শুরু করে কার্টেও (এক ধরনের ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান) খেতে যায়। বিপুল সংখ্যক এই গ্রাহকের চাহিদা পূরণেই মূলত ঢাকা শহরে ফুড ইন্ডাস্ট্রি একটা নতুন মাত্রা পায়। তরুণ এবং নবীন অনেক উদ্যোক্তাও অল্প পুঁজি নিয়ে ফুড ব্যবসায় বিনিয়োগ করছেন। সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতি এবং বেকারত্ব দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এ ইন্ডাস্ট্রি। শুধু তাই নয়, আমাদের গ্রুপে বিভিন্ন সদস্যদের রিভিউয়ের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও এর আশেপাশের বিভিন্ন খাবার যেমন হাকিম চত্বরের খিচুড়ি, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলার খাবারগুলোও খুব বিখ্যাত হয়। আগে শুধু এসব জায়গা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই জানতেন। এখন দূর-দূরান্ত থেকে খুঁজে খুঁজে এসব জায়গায় খাবার খেতে আসেন গ্রাহকেরা। সুলতানা : একটা বিষয় যোগ করতে চাই। ফুড ব্লগার্স বিডি’র কার্যক্রমের কারনে খিঁলগাওয়ের তালতলা অথবা রাইফেল স্কয়ার এখন রাজধানীবাসীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ ফুড জোন। এছাড়া শ্যামলী স্কয়ারকে আগে মানুষ একটি সিনেমা হল নামেই জানত। এখন সেটাও একটি বড় ফুড জোন হয়ে উঠেছে। আর পূর্বাচলের ৩০০ ফিটের কথা তো আমরা সবাই জানি। ফুড ব্লগার্স বিডি দেশের ফুড ট্রেডে যে নতুন মাত্রা এনেছে, তা হল কম টাকায় ভালো, মজাদার এবং স্বাস্থ্যকর খাবার।   ইটিভি অনলাইন : রেস্টুরেন্টগুলো আগে সরকারকে সেভাবে ভ্যাট দিত না। এখন ভ্যাট দেওয়ার পরিমাণ বেড়ে গেছে। এর পিছনেও আপনাদের ভূমিকার কথা জানা যায়। সৌম : ফুড ব্লগার্স বিডি গ্রুপের সব থেকে বড় সাফল্য মনে হয় এই বিষয়টি। বিভিন্ন মানুষের রিভিউ দেখতে দেখতে আমরা খেয়াল করলাম, গ্রাহকদের কাছ থেকে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ ভ্যাট বাবদ কিছু টাকা নিয়ে থাকে। কিন্তু এর জন্য যথাযথ চালান অর্থাৎ মূসক-১১/ক নামক যে সরকারি চালান গ্রাহককে দেওয়ার কথা তা তারা দেয় না। এর কারণ হচ্ছে গ্রাহককে সে চালানটি না দিতে পারলেই ভ্যাটের পুরো টাকা রেস্টুরেন্ট মালিকের পকেটে যাবে। এরপর থেকেই আমরা গ্রুপ সদস্যদের এ বিষয়ে সতর্ক করা শুরু করলাম। সেই সঙ্গে জনসচেতনতাও বৃদ্ধি করতে কাজ করলাম। এর জন্য আমাদেরকে সব রকমের সাহায্য দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মহাপরিচালক বেলাল হোসেন চৌধুরী স্যার। তাদের সঙ্গে মিলে আমরা মোবাইলভিত্তিক একটি অ্যাপস চালু করলাম ‘ভ্যাট চেকার’। এ অ্যাপসের মাধ্যমে খুব সহজেই জেনে নেয়া যাবে, আপনি যে রেস্টুরেন্টে ভ্যাট দিচ্ছেন, তা সরকারি কোষাগারে যাচ্ছে কী না। প্রত্যেকটি রেস্টুরেন্টের একটি ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন নাম্বার আছে। সে নাম্বারটি ওই অ্যাপসে লিখলে বলে দিবে যে, রেস্টুরেন্টটি আপনার ভ্যাটের টাকা সরকারকে পরিশোধ করে কী না। অ্যাপসটি গুগল প্লে স্টোর থেকে বিনামূল্যেই নামিয়ে নেয়া যাবে। আমাদের এ উদ্যোগের সঙ্গে ‘ভ্যাট ইন্টেলিজেন্স’ বা ‘ভ্যাট গোয়েন্দা’ও যুক্ত হয়। এরপর থেকে রেস্টুরেন্টগুলোর মধ্যে সরকারকে ভ্যাট দেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। যার ফলে বিগত ২ বছরে ভ্যাট বাবদ একটি বড় অংশ সরকারি কোষাগারে জমা পরে। ইটিভি অনলাইন : অনেকেরই অভিযোগ খাবার সম্পর্কিত গ্রুপগুলোতে শুধু বড় বড় রেস্টুরেন্টের ইতিবাচক রিভিউ দেয়া হয়। ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে গ্রুপগুলো অনেকটাই উদাসীন। ফুড ব্লগার্স বিডি-এর এ বিষয়ে অবস্থান কী? সৌম : এটা সত্যি যে অনেক গ্রুপের বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ আছে। তবে আমরা খুবই দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, আমাদের গ্রুপে এমন হয় না। ভালো এবং সত্যকেই শুধুমাত্র আমরা তুলে ধরি। শুধু বড় বড় প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক কথা তুলে ধরি আর ছোটদের কথা তুলে ধরি না- এমনটা আমাদের গ্রুপে হয় না। সত্যি কথা বলতে, আমাদের কাছে কেউ ছোট আর বড় নাই। ইটিভি অনলাইন : আচ্ছা ‘পেইড রিভিউ’ কী? সৌম : পেইড রিভিউ নিয়ে আমাদেরকে প্রায়ই বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। পেইড রিভিউ হচ্ছে সেসব রিভিউ যা বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের পক্ষে কোনো আইডি বা ফেক আইডি থেকে ইতিবাচকভাবে দেয়া হয়। রেস্টুরেন্টিকে সবার কাছে আকর্ষণীয় করতে এমন রিভিউ দেয়া হয়। অনেক সময় তাদের রেস্টুরেন্টে যাওয়া কোনো গ্রাহককে বিভিন্ন অফারের লোভ দিয়েও এসব রিভিউ দেয়া হয়। তবে আমরা যখনই এমন রিভিউ গ্রুপে দেখি তখন তা মুছে দেই। মিথ্যে বা সাজানো কোনো রিভিউ আমরা গ্রুপে রাখি না। ইটিভি অনলাইন : ৯ লাখের বেশি সদস্য আপনাদের গ্রুপে। বড় হওয়ার পাশাপাশি আপনাদের ওপর দায়িত্বও অনেক। সাধারণ সদস্যদের অনেক আস্থা আপনাদের ওপর। এ বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন আপনারা? সৌম্য : সত্যি কথা বলতে, ৯ লক্ষাধিক সদস্য নিয়ে আমরা ফেসবুকের বাংলাদেশী যে কোনো বিশেষায়িত গ্রুপের মধ্যে সব থেকে বড়। আমাদের ওপর যে দায়িত্ব তা পালনে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি। কোনো ধরনের আর্থিক প্রলোভন বা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে আমরা কিছু করতে চাই না। ২০১৪ সালে শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো রকম বিতর্ক ছাড়াই আমরা এগিয়ে চলছি। আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।   ইটিভি অনলাইন : অনৈতিকভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগও আছে ফুড গ্রুপগুলোর মধ্যে। এ অভিযোগ কতটুকু সত্য? সৌম : কিছু গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে এ কথা সত্য। আমাদের গ্রুপের বিরুদ্ধেও কয়েকটি অভিযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। আর আমরা চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি কেউ পারবেও না। আমাদের গ্রুপের মাধ্যমে আমরা সীমিত পরিসরে কিছু অর্থ আদায় করি। তাও নিয়মের মধ্যে থেকে। সুলতানা : আমাদের গ্রুপের কভার ফটোতে বিজ্ঞাপনের জন্য আমরা রেস্টুরেন্ট থেকে একটা টাকা নেই। আর গ্রুপে কোনো রেস্টুরেন্টের সত্ত্বাধিকারিরা কিছু পোস্ট দিতে পারেন। এর জন্য তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে দুই পক্ষই সম্মত হয়ে এ টাকা গ্রহণ করা হয়। মূলত এটা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয়। অনৈতিক কিছু নয়। ইটিভি অনলাইন : গ্রুপের কিছু সামাজিক কার্যক্রমের কথা বলুন। সৌম : আমাদের গ্রুপ থেকে নিয়মিত সামাজিক কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরমধ্যে একটি হচ্ছে পবিত্র রমজান মাসে পথশিশুদের অন্তত ২বার ইফতার করানো। এর বাইরে রয়েছে শীতার্তদের মাঝে গরম কাপড় বিতরণ, ছিন্নমূল ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদের নতুন পোশাক বিতরণ, ঈদের দিন ওদেরকে নিয়ে ‘সেমাই উতসব’ অন্যতম। কিছুদিন আগেই আমার সহধর্মিনী এবং গ্রুপের আরেক অ্যাডমিন ডা. শেখ জাকিয়া সুলতানা রোহিঙ্গাদের জন্য শরণার্থী শিবিরে একটি বিনামূল্যে মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন করে। সুলতানা : আমাদের একটি উল্লেখযোগ্য কাজ শুরু হবে শিগগিরই। রাজধানীর খিলগাঁও-এর তালতলায় একটি রেস্টুরেন্টে আছে। এখানে সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের একবেলা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হবে। তবে এ খাবার তাদেরকে দেয়া হবে শিক্ষার বিনিময়ে। আমরা এর নাম দিয়েছি ‘শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য’। এজন্য ওই রেস্টুরেন্টের পক্ষ থেকেই খাবার এবং স্থানের ব্যবস্থা করা হবে। ইটিভি অনলাইন : এতদিনের কার্যক্রমে আপনারা কী কী প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছেন? সৌম : আমরা সবসময়ই চেষ্টা করেছি দেশবাসীকে খাবারের সঠিক তথ্য প্রদান করতে। কোনো ধরনের লোভ-লালসা কিংবা অনৈতিক চর্চা এখানে হয়নি। তবুও কেন যেন আমাদেরকে অনেক প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। মাসখানেক আগে আমাদের গ্রুপ হ্যাক করে একদল সাইবার অপরাধী। আমাকে এবং আমার সহধর্মিণীকেও ব্যক্তিগতভাবে আঘাত করা হয়। পরবর্তীতে ডিএমপি-এর সাইবার ক্রাইম ইউনিটের এডিসি নাজমুল ভাই এবং অন্যান্যদের সহযোগিতায় গ্রুপটি ফিরে পাই। তবে কোনো কিছুতেই আমরা দমে যাওয়ার পাত্র নই। নিজেদের সবটুকু দিয়ে সবার সার্থে গ্রুপটিকে টিকিয়ে রাখব। ইটিভি অনলাইন : আপনাদের ভবিষ্যত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী? সৌম : আমরা শুধু একটা গ্রুপ হয়েই সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। বরং বাংলাদেশে ফুড বিজনেসের এজেন্সী হতে চাই। আজ সুদূর আমেরিকার কেএফসি যদি বাংলাদেশে আসতে পারে, তাহলে আমরা বিশ্বাস করি আমাদের দেশীয় কোনো খাবারের ব্র্যান্ডও বিদেশে যেতে পারে। এরই মধ্যে ‘টেক আউট’ নামের আমাদের স্বদেশি প্রতিষ্ঠান মালয়েশিয়াতে তাদের ফ্রাঞ্চাইজি চালু করেছে। আমরা চেষ্টা করছি, ঢাকায় ‘সাউথ এশিয়ান ফুড ফেস্টিভ্যাল’ নামের একটি ইভেন্ট করার। আমাদের দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মজাদার এবং ঐতিহ্যবাহী সব খাবার। নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডনের বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টগুলো ইতোমধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়। আমাদের বিশ্বাস, দেশের খাবার ইন্ডাস্ট্রিকে বাইরে প্রসারিত করতে পারলে এ ব্যবসার আরো উন্নতি হবে। ইটিভি অনলাইন : নিজেদেরকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন? নিজেদেরকে সফল মনে করেন? সৌম : আমরা সফল কী ব্যর্থ তা গ্রুপের সদস্যরাই ভাল বলতে পারবে। আমরা সফল হলে আসলে গ্রুপের সকল সদস্যই সফল। তাদেরকে বাদ দিয়ে তো আর আমরা কিছু নই। তবুও এটুকু বলব যে, আমাদের সামনে পিছনে, আমাদের পরিচয় জেনে বা না জেনে, যখন কেউ আমাদের গ্রুপের প্রশংসা করে তখন সত্যিই অনেক ভাল লাগে। যখন কেউ বলে যে, ‘কোথায় খাব জানতে হলে ফুড ব্লগার্স বিডি’তে পোস্ট কর, তখন কিছুটা সময়ের জন্য হলেও নিজেদের সফল মনে হয়।   //ডিডি//এসএইচএস//

নাটক নিয়ে মৌসুমীর যুদ্ধ

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে উপজীব্য করে নির্মিত একটি বিশেষ নাটকে অভিনয় করেছেন লাক্স তারকা মৌসুমী হামিদ। এর শিরোনাম ‘নাটকের যুদ্ধ, যুদ্ধের নাটক’। রাজধানীর অদূরে পূবাইলে সুমন আনোয়ার পরিচালিত এ নাটকের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। পরিচালক জানান, মফস্বলের একটি থিয়েটার দল ১৯৭১ সালের৭ মার্চের ভাষণকে উপজীব্য করে একটি নাটক মঞ্চায়নের পরিকল্পনা করে। সেটি মঞ্চায়ন করতে গিয়ে তারা নানা ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়। মৌসুমী হামিদ বলেন, ‘নাটকটির গল্প খুবই চমৎকার। এর শুটিং করতে গিয়ে প্রতিটি মুহূর্তে শিহরিত হয়েছি। এ নাটকের মাধ্যমে ৭ মার্চ ও মুক্তিযুদ্ধকে আরো ভালোভাবে জানতে পেরেছি। আশা করি, নাটকটি থেকে দর্শকরা অনেক কিছুই শিখতে পারবেন।’ সুমন আনোয়ার বলেন, ‘পরিচালনার পাশাপাশি আমি নিজেই এর চিত্রনাট্য লিখেছি। নাটকটি রচনার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু ও তার ৭ মার্চের ভাষণ আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে। এতে আমি মুক্তিযুদ্ধের চিত্রপট সুস্পষ্টভাবেই তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি।’ সুমন আনোয়ার আরো জানান, বিজয় দিবসে নাটকটি বাংলাভিশনে প্রচার হবে। এ নাটকে আরো অভিনয় করেছেন- সাজ্জাদ রেজা, মাজনুন মিজান, নাঈম, শ্যামল মাওলা প্রমুখ। বর্তমানে সুমন আনোয়ারের নির্দেশনায় ‘সুখী মীরগঞ্জ’ ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন মৌসুমী হামিদ। এছাড়া আগামী মাসের শুরুতে ‘ইডিয়েট’ ধারাবাহিক নাটকটির শুটিং শুরু করবেন তিনি।   /ডিডি/

১৫ জনকে নিয়োগ দিবে বিটিভি

নতুন জনবল নিয়োগ দেওয়ার জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ টেলিভিশন। প্রতিষ্ঠানটির ১৫টি অস্থায়ী শূন্য পদে এ নিয়োগ দেওয়া হবে। পদসমূহ: সহকারী হিসাবরক্ষক, ক্যাশিয়ার, লাইটিং সহকারী, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, ড্রাইভার, ক্যামেরাম্যান সহকারী, মালি। যোগ্যতা সহকারী হিসাবরক্ষক শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বিস্তারিত দেখুন বিজ্ঞপ্তিতে। চাকরির বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে ১০ হাজার ২০০ থেকে ২৪ হাজার ৬৮০ টাকা। এ পদটিতে তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ক্যাশিয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বিস্তারিত দেখুন বিজ্ঞপ্তিতে। চাকরির বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩০ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে নয় হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা। একজনকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে পদটি মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। লাইটিং সহকারী শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বিস্তারিত দেখুন বিজ্ঞপ্তিতে। চাকরির বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩৫ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে নয় হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা। পদটিতে দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বিস্তারিত দেখুন বিজ্ঞপ্তিতে। চাকরির বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩৫ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে নয় হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা। পদটিতে পাঁচজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ড্রাইভার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বিস্তারিত দেখুন বিজ্ঞপ্তিতে। চাকরির বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩৫ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে নয় হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা। পদটিতে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। ক্যামেরাম্যান সহকারী শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বিস্তারিত দেখুন বিজ্ঞপ্তিতে। চাকরির বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩৫ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে নয় হাজার থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা। পদটিতে দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পদ দু’টি মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। মালি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বিস্তারিত দেখুন বিজ্ঞপ্তিতে। চাকরির বয়সসীমা ১৮ থেকে ৩৫ বছর। নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন দেওয়া হবে আট হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা। পদটিতে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া: আবেদনের জন্য নির্ধারিত মডেল ফরম বিটিভির ওয়েবসাইট www.btv.gov.bd থেকে অথবা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopa.gov.bd থেকে ডাউনলোড করা যাবে। আবেদনপত্র অফিস সময়ের মধ্যে ‘পরিচালক (প্রশাসন), বাংলাদেশ টেলিভিশন, প্রধান কার্যালয়, সদর দপ্তর ভবন, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯’ এই ঠিকানায় ডাকযোগে পৌঁছাতে হবে। কুরিয়ার সার্ভিস অথবা হাতে হাতে কোনো আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না। আবেদনের সময়সীমা: আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।   বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞাপন দেখুন  

দুই ফার্মেসিকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

অবৈধভাবে ওষুধ বিকিকিনির অভিযোগে দোহার উপজেলার জয়পাড়া বাজারের দুটি ফার্মেসিকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে জয়পাড়া বাজারের রহমান ফার্মেসি ও লটাখোলা ফার্মেসিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইমরুল হাসান। জানা যায়, অভিযান চলাকালে ওই দুই ফার্মেসি থেকে অবৈধ পন্থায় কেনা বেশকিছু ওষুধ জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে রহমান ফার্মেসিকে ৫০ হাজার টাকা ও লটাখোলা ফার্মেসিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ইমরুল হাসান। ওষুধ আইন-১৯৪০ এর ২৭ ধারা লঙ্ঘন করে ওষুধ ক্রয়-বিক্রয় ও মজুদ করার অপরাধে তাদের জরিমানা করা হয়েছে।   ডিডি/টিকে

মিসরে মসজিদে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫

মিসরের উত্তরাঞ্চলীয় সিনাই উপত্যকার একটি মসজিদে শুক্রবার জঙ্গিদের গুলি ও বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৫ জনে। আহত হয়েছেন শতাধিক মুসল্লি। কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি। জুমার নামাজের কিছু সময় পর এ হামলা চালানো হয়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চারটি গাড়িতে এসে আল-আরিশের কাছে বির-আল আবেদ শহরের আল রাওদাহ মসজিদের মুসল্লিদের ওপর হামলে পড়ে জঙ্গিরা। এ সময় তারা গুলিবর্ষণ ও বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।তাৎক্ষণিকভাবে কেউ এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস এ হামলা চালিয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

রংপুরকে হারিয়ে শীর্ষে খুলনা

বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম ম্যাচে রংপুর রাইডার্সকে ৯ রানে হারিয়েছে খুলনা টাইটান্স। দু’দলই জয়ের হ্যাটট্রিকে প্রাধন্য দিয়ে মাঠে নামে। কিন্তু হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এ ম্যাচে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে আসে খুলনা টাইটান্স। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অর্ধশতকে ভর করে মাশরাফির রংপুরকে ১৫৯ রানের টার্গেট দেয় খুলনা। জবাবে, ১৪৯ রানের মাথায় ৬ উইকেট হারানো রংপুরের ইনিংস থেমে যায়। এর ফলে ৮ ম্যাচ থেকে পাঁচ জয়, দুই হার আর একটি ম্যাচের পয়েন্ট ভাগাভাগি করে সর্বোচ্চ ১১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আসে খুলনা। অন্যদিকে ৬ ম্যাচ থেকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে নেমে যায় তামিম ইকবালের কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ৭ ম্যাচ থেকে ৬ পয়েন্ট নিয়ে রংপুর আপাতত পাঁচ নম্বরে স্থান করে নিয়েছে। এবারের আসরে প্রথমবার একে অপরকে মোকাবিলা করে রংপুর ও খুলনা। শুক্রবারের (২৪ নভেম্বর) হাইভোল্টেজ ম্যাচটিতে টস জিতে প্রতিপক্ষকে ব্যাটিংয়ে পাঠান রাইডার্স দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে রিলে রুশোকে (১১) বোল্ড করে ব্রেকথ্রু এনে দেন অফস্পিনার সোহাগ গাজী। পরের ওভারে তরুণ আফিফ হোসেনের (৯) স্ট্যাম্প ভাঙেন রুবেল হোসেন। ২৪ রানে দুই উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে পড়ে খুলনা। দলীয় অর্ধশতকের আগে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত (২০)। ১৩তম ওভারে ক্যারিবীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান নিকোলাস পুরানের (১৬) বিদায়ে স্কোর দাঁড়ায় চার উইকেটে ৯২। ব্যাট হাতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন মাহমুদউল্লাহ। ৬টি চার ও ২ ছক্কায় তার ৩৬ বলের ৫৯ রানের ইনিংসে লড়াকু স্কোরের ভিত পায় খুলনা। ১৭তম ওভারে রুবেল হোসেনকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন তিনি। এরপর কার্লোস ব্রার্থওয়েট-আরিফুল হকরা স্কোর বাড়ানোর চেষ্টা করলেও ১৫৯ রানের বেশি করতে পারেনি খুলনা টাইটানস। ব্রার্থওয়েট ১১ ও আরিফুল ১৬ রান করেন। রংপুরের রুবেল তিনটি ও মালিঙ্গা নেন দুটি উইকেট। এর পর ব্যাট করতে নেমে ২০ রানের মধ্যে দলের প্রধান দুই ভরসা ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও ক্রিস গেইলকে হারিয়ে বসে রংপুর রাইডার্স। দলীয় ২৯ রানে মোহাম্মদ মিঠুন আউট হলে একেবারে খাদের কিনারে নেমে যায় মাশরাফির দল। এর পর ফজলে মাহমুদ আরো বিপদে ঠেলে দেন দলকে। এখান থেকে দারুণভাবে ঘুরে দাড়ায় রংপুর। রবি বোপারা ও তরুণ ক্রিকেটার নাহিদুল হক মিলে যোগ করেন ১০০ রান। ৩৪ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন নাহিদুল। পরে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বোপারাও। তবে শেষ ওভারগুলোতে বোলারদের ওপর সেভাবে শাসন করতে পারেননি তারা। ৪৩ বলে ৫৮ রান করেন নাহিদুল। ৪৩ বলে ৫৯ রান করে ইনিংসের শেষ বলে আউট হন রবি বোপারা। খুলনার আফিফ নেন দুটি উইকেট।   ডিডি/টিকে

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফেরার পরিস্থিতি এখনও হয়নি: জাতিসংঘ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফেরার মত পরিস্থিতি এখনও হয়নি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। দেশটির সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ঘরে ফেরার পথ তৈরি করতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে একটি সম্মতিপত্র স্বাক্ষরিত হওয়ার একদিন পর শুক্রবার ইউএনএইচসিআর এ প্রতিক্রিয়া জানানোল। ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র আদ্রিয়ান এডওয়ার্ড শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিক্রিয়ার কথা জানান। মুখপাত্র বলেন, “প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় অবশ্যই আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে হবে এবং এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত।”   চলতি বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে সোয়া ছয় লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এর আগে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা চার লাখের মত রোহিঙ্গা গত কয়েক দশক ধরে কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়ে আছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া এসব রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরার পথ তৈরি করতে বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলরের দপ্তরের মন্ত্রী কিয়া তিন্ত সোয়ে একটি সম্মতিপত্রে সই করেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তিন সপ্তাহের মধ্যে একটি ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ’ গঠন করে দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করা এবং এজন্য যত দ্রুত সম্ভব একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে সম্মতিপত্রে।   টিকে

কর্মপরিবেশ এখনও নারীবান্ধব  নয় : একশনএইড

পোশাক খাতে শ্রমিকদের নিরাপদ ও নারীবান্ধব কর্মপরিবেশের বিষয়টি এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। কারণ মজুরি, নিরাপত্তা, ছুটি, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, মাতৃত্বকালীন ছুটি, কর্মক্ষেত্রে আচরণ ও ক্ষতিপূরণের মতো বিষয় নিয়ে সমস্যায় পড়ছেন শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার প্রেসক্লাবে একশনএইড বাংলাদেশ আয়োজিত “নারীবান্ধব ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ সম্মেলন”-এ এমন কথা বলেন গবেষক, শ্রমিক নেতা, উন্নয়নকর্মী ও সাধারণ শ্রমিকরা। তাজরিন অগ্নিকাণ্ডের পাঁচ বছর পূর্তির প্রাক্কালে “সবার হোক অঙ্গীকার নিরাপদ ও নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ গড়ার” স্লোগান নিয়ে এই আয়োজন করে একশনএইড বাংলাদেশ। উদ্দেশ্য নারীবান্ধব ও নিরাপদ কর্ম পরিবেশ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহকে উদ্বুদ্ধ করা।আলোচকরা বলেন, প্রধান রফতানি খাত আর বিশাল সস্তা শ্রমবাজারের কারণে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প সারাবিশ্বে খুবই পরিচিত। কিন্তু তাজরিন অগ্নিকাণ্ড ও রানা প্লাজার মতো দুর্ঘটনার কারণে শ্রমিকদের নিরাপত্তাহীনতার ক্ষেত্রে বিশ্বে নজির হতে হয়েছে বাংলাদেশকে। নিহত শতশত মানুষ, আহত শ্রমিক ও নিঃস্ব পরিবারের হাহাকার পেশাগত নিরাপত্তার বিষয়টি বার বার সামনে নিয়ে আসছে। যদিও নিরাপদ কর্মক্ষেত্র শ্রমিকদের আইনগত অধিকার। অনুষ্ঠানে কথা বলেন, তাজরিন দুর্ঘটনার শিকার আহত শ্রমিক সবিতা রানী। তিনি বলেন, “২৪ নভেম্বর তাজরিনের তৃতীয় তলায় কাজ করছিলাম। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফায়ার এলার্ম বাজা সত্ত্বেও কাজ চলছিল। আগুন লাগার পর নিচে এসে দেখি গেটে তালা দেওয়া। আগুন থেকে বাঁচতে ওপরে উঠতে অনেকের পায়ের নিচে পরলাম। মনে হচ্ছিল মারা যাচ্ছি। একটা ছেলের শার্ট ধরে কোনভাবে প্রাণে বেঁচেছি।”তিনি আরও বলেন, “এখন আমি মৃত জীবন যাপন করছি। শুয়ে শুয়ে দিন কাটে আমার। সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা। ঠিকভাবে হাটতে পারি না। তিনটা মেয়েসহ আট জনের সংসার নিয়ে অনিশ্চিৎ ভবিষ্যৎ। আমি চলতে পারি না। কোন কাজ করতে পারি না। আমার দায়িত্ব কে নেবে? আমার তিন মেয়েকে পড়াতে পারছি না।”মানবাধিকার কর্মী হামিদা হোসেন বলেন, “দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমরা দেখেছি, দেশে আইন ও নিয়ম থাকলেও মালিকরা মানেন না। আবার যে সমস্ত মালিকরা শ্রমিকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন তাদের বিচার হচ্ছে না। ফলে নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।  শ্রমিকদের নিরাপত্তায় যারা কাজ করছেন তাদের সবাইকে আন্তরিক হতে হবে। ” আলোচকরা বলেন, গুণগতমানের দিক থেকে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত যথেষ্ট সুনাম অর্জন করলেও কারখানার অভ্যন্তরে ও কারখানায় যাতায়াতের পথে নারী শ্রমিকদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে এখনও অনেকটাই পিছিয়ে। কর্মক্ষেত্রে এখনও নারী শ্রমিকদের যৌন হয়রানি ও লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যসহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ-এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, “তাজরিন বা রানা প্লাজার দুর্ঘটনার পর সরকারসহ বিভিন্ন পক্ষ নানা উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে বাস্তবতা হলো এখনও শ্রমিকরা, বিশেষ করে নারী শ্রমিকরা, নিরাপদে কাজ করতে পারেন না। হয়রানির শিকার হন। অভিযোগ করে সমাধান না পাওয়ায় এখন কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন অনেক নারী শ্রমিক।” অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও একশনএইড বাংলাদেশের পরিচালক আসগর আলী সাবরী বলেন, “নারীবান্ধব কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করা গেলে পোশাক খাতে নারীর অংশগ্রহণ আরও বাড়বে। নারীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে শ্রমিকদের কর্মক্ষমতা যেমন বাড়বে, তেমনি বৃদ্ধি পাবে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। এ কারণে নারী শ্রমিকদের সব রকম বৈষম্য থেকে রক্ষা করার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সুনির্দিষ্ট ও রক্ষামূলক ব্যবস্থা থাকা দরকার। যেখানে মালিক-শ্রমিকসহ  সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ”আলোচকরা বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে নারী শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে যে আইনগুলো প্রণীত হয়েছে সেগুলোকে বাস্তবায়ন করতে হবে। সেইসঙ্গে বর্তমান সময়ের আলোকে নারী শ্রমিকের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য যুগোপযোগী ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করতে হবে।এসএইচ/

ব্যাডমিন্টনে চ্যাম্পিয়ন মাকসুদ

‘প্রাইম ব্যাংক-ডিআরইউ বার্ষিক ক্রীড়া উৎসব ২০১৭’-এর ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন মাকসুদ উন নবী (চ্যানেল ২৪)। শুক্রবার পল্টনস্থ শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সহযোগিতায় প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় ও ডিআরইউ’র আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। রানারআপ হয়েছেন জসিম উদ্দিন রানা (নয়া দিগন্ত)। শুক্রবার দুপুরে ফাইনালে মাকসুদ উন নবী তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বীতার পর ২-০ সেটে হারিয়েছেন জসিম উদ্দিন রানাকে। সেমি-ফাইনালে মাকসুদ উন নবী হারান শামীম হাসানকে (কালের কন্ঠ) এবং জসিম উদ্দিন রানা একই ব্যবধানে তানভীর আহমেদকে (ভোরের কাগজ)। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী খেলায় তানভীর আহমেদকে হারিয়েছেন শামীম হাসান।  ২৭ নভেম্বর বেলা ১২টায় ইনডোর গেমসের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।এসএইচ/

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি