ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:২৩:৪৬

ভিলেন চরিত্রে জিৎ!   

পাঠানি কুর্তা। ছোট করা ছাঁটা চুল। এক মুখ দাঁড়ি। গলায় চারগাছি মালা। চকোলেট বয়ের ইমেজ থেকে একেবারে একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে গেলেন জিৎ। এবার তিনি হিরো নন! ভিলেন। বহু জল্পনা-কল্পনার পর, অবশেষে যবনিকা উঠল সুলতানের চরিত্র থেকে। নায়কের বদলে ‘সুলতান: দ্য সেভিয়ার’ এ নেগেটিভ চরিত্রে দেখা যাবে টলিউড হার্টথ্রবকে। জিৎ নিজেও লাইভে এসে সেকথা জানিয়েছেন। তবে এমন চমকের কথা তার ফ্যানরাও কল্পনা করতে পারেননি। এক্কেবারে খাঁটি দক্ষিণ ভারতীয় ভিলেন। তবে জিৎ-এর এই ভিলেন লুক সামনে আসতেই শুরু হয়েছে এক বিতর্কের। নিন্দুকেরা বলছে, দেবকে নকল করছেন জিৎ। ‘চাঁদের পাহাড়’ থেকে ‘কবীর’ নিজের লুক নিয়ে নানান এক্সপেরিমেন্ট করেছেন দেব। সেই লুক নিয়ে এবার পরীক্ষা-নিরীক্ষায় নামছেন জিৎ। যদিও কেউ কেউ বলছেন, ওসব কিছু নয়। তবে সে যাই হোক। জিৎ-এর নতুন লুক বেশ আকৃষ্ট করেছে ভক্তদের।লাইক-কমেন্টের বন্যা বইছে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। তামিল ছবি ‘ভেদালাম’-এর রিমেক ‘সুলতান দ্য সেভিয়ার’। দক্ষিণী এই সিনেমায় সুলতানের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সাউথের জনপ্রিয় অভিনেতা শিবা। ২০১৬-তে পুরস্কারও পায় সিনেমাটি। সুতরাং বুঝতেই পারছেন বেশ চাপে রয়েছেন নায়ক। আপাতত জমিয়ে চলছে শ্যুটিং পর্ব। যেখানে জিৎ-এর বিপরীতে দেখা যাবে বাংলাদেশের অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমকে। এমএইচ/এসি  

আরো একটি সমাবর্তন ভাষণ 

কয়েক সপ্তাহ আগে আমি এশিয়া প্যাসেফিক ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে একটা ভাষণ দিয়েছিলাম। বিভ্রান্ত একটি তরুণ দিয়ে আক্রান্ত হওয়ার পর সেদিন প্রথম একটি বড় অনুষ্ঠানে গিয়েছি। পাশ করে যাওয়া ছেলেমেয়েদের জন্যে সেদিন খেটে খুটে একটা ভাষণ লিখে নিয়েছিলাম। তাদেরকে যে কথাগুলো বলেছিলাম, সেই কথাগুলো আসলে আমি অন্যদেরকেও বলতে চাই, এখানে সেই সুযোগটি নিচ্ছি! ভাষণটি ছিল এরকম: আমার প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা।    আজকের এই দিনটি এবং এই মুহূর্ত্তটি নিঃসন্দেহে তোমাদের জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। আজকে তোমরা এই অনুষ্ঠান প্রাঙ্গনে প্রবেশ করেছ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র বা ছাত্রী হিসেবে এবং এই সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে তোমরা এখান থেকে বের হয়ে আসবে কর্মজীবনে প্রবেশ করার জন্যে প্রস্তুত একজন মানুষ হিসেবে। তোমাদের জন্য দিনটি একই সাথে আনন্দের এবং দুঃখের। এটি দুঃখের একটি দিন কারণ, একজনের জীবনের সবচেয়ে আনন্দের সময় হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়-জীবন এবং সেই জীবনটি আজকে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হতে যাচ্ছে! এটি আনন্দের একটি দিন কারণ, আজকে তোমরা তোমাদের জীবনের একটি অধ্যায় শেষ করে নূতন একটি জীবনে প্রবেশ করার সনদ পেয়েছে। আজকের এই ক্ষণটি তোমাদের জন্যে আনন্দের বা দুঃখের যাই হোক না কেন আমার জন্যে নিঃসন্দেহে এটি নিরবিচ্ছিন্ন আনন্দের দিন। এই মঞ্চ থেকে সামনে উপস্থিত শত শত গ্রাজুয়েটের আনন্দিত এবং গৌরবজ্জোল মুখের যে দৃশ্যটি দেখা যায় তার মতো সুন্দর দৃশ্য পৃথিবীতে খুব বেশী নেই। আমাকে সেই সুন্দর দৃশ্যটি উপহার দেওয়ার জন্যে তোমাদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা। শুধু তাই নয়, আমি যদি শিক্ষক সুলভ অভ্যাসের কারণে তোমাদের অকারণ উপদেশ দিয়ে এবং গুরুতর নীতিকথা শুনিয়ে ভারাকান্ত করে না ফেলি, তোমরা সম্ভবত আজকের এই দিনটির সাথে সাথে আমাকেও স্মরণ রাখবে—এটি আমার জন্যে অনেক বড় একটি পাওয়া। এই যে আমার সামনে তোমরা শত শত গ্রাজেুয়েট উজ্জল চোখে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছ, এবং আমি এই অসাধারণ দৃশ্যটির দিকে তাকিয়ে আছি, আমি কিন্তু শুধু একটা সুন্দর দৃশ্যের দিকে তাকিয়ে নেই, আমি কিন্তু একটা বিশাল সম্পদের ভাণ্ডারের দিকে তাকিয়ে আছি। দুই হাজার সালে যখন নূতন মিলেনিয়াম শুরু হয়েছিল তখন পৃথিবীর সব জ্ঞানী গুণী মানুষ অনেক চিন্তাভাবনা গবেষণা করে বলেছিলেন এই নূতন সহস্রাব্দের সম্পদ হচ্ছে জ্ঞান। মাঠের ফসল বা নদীর মাছ নয়, তেলের খনি বা সোনার খনি নয়, ইলেকট্রনিকস বা যুদ্ধাস্ত্রের ইন্ডাস্ট্রি নয়, সম্পদ হচ্ছে জ্ঞান! গত চার বৎসর তোমরা অনেক পরিশ্রম করে সেই জ্ঞান অর্জন করেছ বলেই আজকে তোমরা এখানে উপস্থিত হয়েছ। আমার সামনে তোমরা আসলে বিশাল একটি জ্ঞানের ভাণ্ডার—যার অর্থ তোমরা আসলে বিশাল একটি সম্পদের ভাণ্ডার! মাটি খুড়ে একটা সোনার খনি কিংবা একটা গ্যাস ফিল্ড খুঁজে পেলে যেরকম দেশের সম্পদ বেড়ে যায়, আজকে তোমরাও ঠিক সেরকম একটি সোনার খনির মত বা গ্যাস ফিল্ডের মতো দেশের সম্পদ বাড়িয়ে দিয়েছ। সত্যিকথা বলতে কী তোমরা তার চাইতেও বেশী, কারণ সোনার খনি কিংবা গ্যাস ফিল্ডের একটি সুনির্দিষ্ট পরিমাণ থাকে। তোমাদের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নেই, তোমরা কতোবড় সম্পদ হবে সেটি নির্ভর করছে তোমাদের সৃজনশীলতার উপর, তোমাদের স্বপ্নের উপর, সেই স্বপ্নকে তোমরা কতোটুকু সামনে নিয়ে যাবে তার উপর। তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ আমাকে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। সে হিসেবে আমার দায়িত্ব কর্মজীবনে প্রবেশ করার প্রস্তুতি নেয়ার ব্যাপারে তোমাদের খানিকটা সাহায্য করা। সে কাজটুকু আমি কতোটুকু পারব জানি না, তাই সে পথে অগ্রসর না হয়ে আমার এই দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে যে সত্যগুলো আবিষ্কার করেছি তার কয়েকটি তোমাদের জানিয়ে দিই। আজ থেকে কয়েকযুগ পরে তোমরা হয়তো নিজেরাই বিষয়গুলো আবিষ্কার করবে, আমি সেই বিষয়গুলো এখনই জানিয়ে দিয়ে তোমাদের খানিকটা সময় বাঁচিয়ে দিই। আমি পৃথিবীর সকল মানুষকে একধরনের সরলীকরণ ফমূর্লা দিয়ে দুইভাগে ভাগ করেছি। এক ভাগ হচ্ছে যারা সবকিছুতে আগ্রহী এবং উৎসাহী। তারা নিজের ঘাড় পেতে দায়িত্ব গ্রহণ করে। তারা নিজের খেয়ে শুধু বনের মোষ নয়, বনের বাঘ ভাল্লুক গন্ডার তাড়িয়ে বেড়ায়। তারা যেটুকু করা সম্ভব তার চাইতে বেশি করার চেষ্টা করে। তারা সবকিছুর নেতৃত্বে থাকে, জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত তাদের উপর দিয়ে যায় এবং তাদের জীবনে সাফল্যের তালিকা থেকে ব্যর্থতার তালিকা অনেক বেশি। আমার সরলীকরণ ফর্মূলার দ্বিতীয় ভাগের মানুষেরা আগ্রহহীন, উৎসাহহীন এবং নির্লিপ্ত। তারা নিজে থেকে কিছু করার চেষ্টা করে না বলে তাদের জীবনে কোনো ব্যর্থতা নেই। তারা দায়িত্ব নিতে চায় না, নেতৃত্ব দিতে আগ্রহী নয়, বড়জোর অন্যের আদেশ-নির্দেশ পালন করে জীবনটি কাটিয়ে দিতে চায়! তোমরা যদি প্রথম ভাগের আগ্রহী উৎসাহী মানুষ হয়ে থাকো তোমাদের অভিনন্দন। তোমরা জীবনে অসংখ্যবার ভুল করবে, তোমরা অসংখ্যবার ব্যার্থ হবে, অসংখ্যবার তোমাদের আশাভংগ হবে। কিন্তু তোমরা জীবনের আনন্দের তীব্রতা অনুভব করবে, এবং তোমরাই এই পৃথিবীর নেতৃত্ব দেবে। আর তোমরা যদি দ্বিতীয় ভাগের আগ্রহহীন, উৎসাহহীন নির্লিপ্ত মানুষ হয়ে থাকো তোমাদের বলব এই জীবনের সকল আনন্দ কিন্তু তোমাদের পাশ কাটিয়ে চলে যাবে, জীবন উপভোগ করার তীব্র আবেগ কিন্তু তোমরা উপভোগ করতে পারবে না। তোমরা কী লক্ষ্য করেছ, আমি কিন্তু একবারও মেধাবী শব্দটি ব্যবহার করিনি? আমার কাছে মেধাবী শব্দটির কোনো গুরুত্ব নেই। যে আগ্রহী, উৎসাহী এবং যে পরিশ্রম করতে রাজি আছে আমার কাছে তার গুরুত্ব অনেক বেশী। যদি আমাকে আমার জীবনে কখনো খুব গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ করতে হয় আমি কিন্তু একশজন মেধাবী মানুষ খুঁজে বেড়াব না, আমি একশজন আগ্রহী, উৎসাহী এবং পরিশ্রমী মানুষ খুঁজে বের করব। তোমরা সবাই নিশ্চয়ই হুমায়ূন আহমেদের নাম শুনেছ। সম্পর্কে সে আমার অগ্রজ—সে তার জীবনে অনেক কিছু লিখেছে। কোনো একটি জায়গায় সে লিখেছিল, একটা কচ্ছপের আয়ূ তিনশত বছর অথচ একজন মানুষের আয়ূ মাত্র ষাট-সত্তুর বছর, খোদার এটি কোন ধরনের বিচার? হালকা কৌতুকের ঢংয়ে বলা এই বাক্যটি কিন্তু আসলেই চিন্তা করে দেখার বিষয়। কচ্ছপ তার সরীসৃপের মস্তিষ্ক নিয়ে খাওয়া আর বংশবৃদ্ধি ছাড়া আর কী-ই-বা করতে পারে? তার তুলনায় একশ বিলিওন নিউরনের তৈরি আমাদের মস্তিষ্ক কী অসাধারণ একটি ব্যাপার। আমার দুঃখ-কষ্ট আনন্দ-বেদনা ভালোবাসা অনুভব করতে পারি, আমরা কল্পনা করতে পারি, স্বপ্ন দেখতে পারি এমনকী যেটি নেই সেই বিমূর্ত্ত চিন্তাও করতে পারি। একশ বিলিওন আলোকবর্ষ বিস্তৃত এই দৃশ্যমান বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের প্রায় এক ট্রিলিওন গ্যালাক্সির মধ্যে মিল্কিওয়ে নামে আমাদের গ্যালাক্সির সাদামাটা একটি নক্ষত্রকে ঘিরে ঘুরতে থাকা গ্রহগুলোর পৃথিবী নামের একটি নীলাভ গ্রহের লক্ষ লক্ষ প্রাণীর ভেতর হোমোস্যাপিয়েনস নামে একটি প্রাণী হয়ে আমরা এই পুরো বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের রহস্য সমাধান করার দুঃসাহস দেখিয়েছি। কাজেই আমরা কীভাবে আমাদের এই মূল্যবান জীবনটি অপব্যবহার করতে পারি? প্রকৃতি আমাদের ষাট থেকে সত্তুর বছর কর্মক্ষম হয়ে বাঁচতে দিয়েছে—এর প্রতিটি মুহূর্ত কী আমাদের সুন্দর করে বেঁচে থাকা উচিৎ নয়? উপভোগ করা উচিৎ নয়? প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কীভাবে আমাদের জীবন উপভোগ করব? আমি দাবী করি, জীবনকে উপভোগ করার রহস্যটি আমি আমার মত করে সমাধান করেছি। তোমরা কী সেটি আমার কাছে জানতে চাও? সেটি হচ্ছে, কেউ যদি নিজের জীবনকে উপভোগ করতে চায় তাহলে তাকে অন্যের জন্যে কিছু করতে হবে। বাংলাদেশ এখন আর দুঃখ কষ্ট যন্ত্রণাপীড়িত ভঙ্গুর অর্থনীতির একটি দেশ নয়,  এটি অর্থনীতির মহাসোপানে পা দিয়েছে। আমি আমার ছাত্রজীবন শেষ করে যে বাংলাদেশে কর্মজীবনে প্রবেশ করেছেলাম সেখানে আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র ১১০ ডলার, বিশ্ববিখ্যাত অর্থনৈতিক সাময়িকী ‘দি ইকোনমিস্ট’ জানিয়েছে এখন বাংলাদেশে তোমাদের মাথাপিছু আয় ১,৫৩৮ মার্কিন ডলার। তখন অর্থনীতির আকার ছিল মাত্র আট বিলিয়ন ডলার, এখন তার আকার ২৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়েছি আমাদের শিক্ষকেরা আমাদের পরিস্কার করে বলে দিয়েছিলেন, পাশ করার পর দেশে আমাদের কোনো চাকরি নেই, এখন গত বছর দেশ-বিদেশে ২৪ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। যুদ্ধ বিদ্ধস্ত বাংলাদেশে আমাদের স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগ ছিল না, তোমাদের এই বাংলাদেশ নিয়ে তোমরা স্বপ্ন দেখতে পারবে, কারণ যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রাইস ওয়াটারহাউস কুপারস এক প্রতিবেদনে বলেছে যে সামনের বছরগুলোতে পুরো পৃথিবীতে যে তিনটি দেশ খুবই দ্রুতগতিতে প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখবে তার একটির নাম বাংলাদেশ। কাজেই আমার সামনে তোমরা যারা বসে আছ, তারা বাংলাদেশের একটি প্রথম শ্রেণীর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে এসেছ, তোমরা একটুখানি পরিশ্রম করলেই নিজের জীবনের জন্যে চমৎকার একটি কাজ খুঁজে পাবে। নিজের দায়িত্ব নিতে পারবে, নিজের পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারবে। কিন্তু যদি সেখানেই থেমে যাও তাহলে কিন্তু জীবনকে উপভোগ করার আনন্দটি পাবে না। যদি জীবনকে উপভোগ করতে চাও তাহলে অন্যের জন্যে কিছু করতে হবে। এই মুহূর্ত্তে কথাগুলো তোমাদের বিশ্বাস নাও হতে পারে কিন্তু যখন জীবন সায়াহ্নে পৌঁছাবে তখন কিন্তু তোমার কতোগুলো বাড়ী, কতগুলো গাড়ী আর ব্যাংকে কতগুলো টাকা জমা হয়েছে তার হিসেব করবে না, তুমি হিসেব করবে অন্যদের তুমি কতোটুকু দিয়েছ। সমাজকে কী দিয়েছ দেশকে কী দিয়েছ! পৃথিবীকে কী দিয়েছ? তোমাদের সমাবর্তনে বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখার জন্যে আমাকে যখন আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তখন আমি যে মানুষটি ছিলাম, এই মূহুর্ত্তে তোমাদের সামনে যে দাঁড়িয়ে আছি সেই আমি কিন্তু তার থেকে ভিন্ন। তোমরা হয়তো জেনে থাকবে আমি মৃত্যুর খুব কাছাকাছি থেকে ফিরে এসেছি। কেউ যখন এরকম একটি অবস্থা থেকে ফিরে আসে তখন তার জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গীর আমূল পরিবর্তন হতে পারে এবং আমার ধারণা আমার বেলাতেও সেটি ঘটেছে। অনেক বিষয় যেগুলো আগে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হতো হঠাৎ করে সেগুলো আর গুরুত্বপূর্ণ  মনে হয় না। আবার অনেক বিষয় যেগুলো আগে আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়নি হঠাৎ করে সেগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হতে থাকে। যে বিষয়টি আমার কাছে এই মুহুর্তে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে সেটি হচ্ছে ভিন্ন মতের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ। আমার ধারণা আমরা পৃথিবীর একটি ক্রান্তিকালে বসবাস করছি। আমাদের এখন রয়েছে পরস্পরের প্রতি অবিশ্বাস, রয়েছে একজনের মতের সাথে অন্যের মত নিয়ে অসহিষ্ণুতা। আমাদের বিশ্বাস থেকে ভিন্ন হলেই আমরা ধরে নেই সেটি ভূল। আমরা মনে করি আমি যে বিষয়টি বিশ্বাস করি সেটাই হচ্ছে একমাত্র সত্যি, অন্য সবকিছু মিথ্যা। আমি তোমাদের সামনে এখানে দাঁড়িয়ে দেখাতে পারব যে এ ধরনের ধারনা আসলে ভুল। আমি খুব সহজ একটা উদাহরণ দিই। একটা কাগজে আমি একটা ইংরেজি অক্ষর লিখে এনেছি। আমি তোমাদের সামনে অক্ষরটি তুলে ধরছি এবং তোমরা নিশ্চিতভাবে বলবে এই ইংরেজি অক্ষরটি হচ্ছে Z। কিন্তু এই অক্ষরটি যদি ঘুরিয়ে অন্য দিক থেকে তোমাদের দেখাই তুমি বলবে এটি ইংরেজি অক্ষর N.  এখন আমি তোমাকে প্রশ্ন করি, অক্ষরটি কী Z নাকি N? কোনটি সঠিক? তোমরা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছ দুটিই সঠিক, তুমি কোনদিক থেকে দেখছে তার ওপর নির্ভর করছে তুমি কোনটি দেখবে! শুধু ইংরেজী এই দুটি অক্ষরেরে জন্য এটি সত্যি নয়, রাজনীতি, সমাজনীতি বা ধর্মের যে কোনো বিষয় সম্পর্কেও এটি সত্যি। যে ধারণাটি আমি পুরোপুরি সঠিক মনে করি সেটি আরেকজনের কাছে সঠিক মনে নাও হতে পারে। সে অন্যদিক থেকে দেখছে বলে তার কাছে বিষয়টি অন্যরকম মনে হতে পারে! যদি এটা আমরা মেনে নিই, হঠাৎ করে আমরা আবিষ্কার করব আমরা একে অন্যকে অনেক বেশী সহ্য করতে পারছি। যদি মতের বিরোধীতা হয় আমরা কথা বলে, যুক্তি দিয়ে সেই বিরোধীতার সমাধান করব। অনেক সময় সমাধানও করতে হবে না। মতের ভিন্নতা মেনে নিয়েই পাশাপাশি বেঁচে থাকব। আমাদের কিছুতেই ভুলে যাওয়া যাবে না যে ভিন্নতা হচ্ছে বৈচিত্র এবং সেই বৈচিত্র্যই হচ্ছে পৃথিবীর সৌন্দর্য। পৃথিবীর সব মানুষের ভাষা, ধর্ম, পোষাক, কালচার, জীবন পদ্ধতি যদি হুবহুব এক রকম হতো তাহলে এই পৃথিবী থেকে নিরানন্দ এবং একঘেয়ে পৃথিবী আর কী হতো? তোমরা এই দেশের নূতন একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে যাচ্ছ, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মশালটি এখন তোমাদের হাতে। তোমরা কর্মজীবনে কী কর, তার ওপর নির্ভর করবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম। তাই তোমাদের আকাশছোয়া স্বপ্ন দেখতে হবে, মনে রেখো বড় স্বপ্ন না দেখলে বড় কিছু অর্জন করা যায় না! এই দেশটি তরুণদের দেশ। বায়ান্ন সালে তরুণেরা এই দেশে মাতৃভাষার জন্যে আন্দোলন করেছে রক্ত দিয়েছে, একাত্তরে সেই তরুণরাই মাতৃভূমির জন্যে যুদ্ধ করেছে, অকাতরে রক্ত দিয়েছে। আমাদের দেশটি এখন যখন পৃথিবীর বুকে মাথা তুলে দাঁড়াতে যাচ্ছে আবার সেই তরুণেরাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখবে। তোমরা সেই তরুণদের প্রতিনিধি—তোমাদের দেখে আমি অনুপ্রাণিত হই, আমি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি। তোমাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা—ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে আমাকে নূতন একটা সুযোগ করে দেওয়ার জন্যে! এসি  

ব্র্যাক ব্যাংকের ১৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের ১৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সাভারের ব্র্যাক-সিডিএমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ২০১৭ সালের জন্য ২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে। সভায় শেয়ারহোল্ডাররা অনুমোদিত মূলধন ১২০০ কোটি টাকা থেকে ২০০০ কোটি টাকায় বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান স্যার ফজলে হাসান আবেদ কেসিএমজি। সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক শিব নারায়ন কৈরী, কাজী মাহমুদ সাত্তার, কায়সার কবির, আসিফ সালেহ, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর এফ হোসেন এবং কোম্পানী সেক্রেটারী রেইস উদ্দীন আহমদ। বার্ষিক সাধারণ সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান জানান, ২০১৭ সালে ব্যাংক সমন্বিত পরিচালনা মুনাফা হিসেবে ৯৪২.২০ কোটি টাকা অর্জন করে, যা ২০১৬ সালের ৮৬১.১০ কোটি টাকা থেকে ৯ শতাংশ বেশি। ২০১৭ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের সমন্বিত নিট মুনাফা (কর পরিশোধের পর) ৩৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৫৪৯.৮০ কোটি টাকায়, যা ২০১৬ সালে ছিল ৪০৭.৬০ কোটি টাকা। ২০১৭ সালে সমন্বিত আর্নিংস পার শেয়ার (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়ায় ৬.০৭ টাকা, যা ২০১৬ সালে ছিল ৪.৫৫ টাকা। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে প্রতি শেয়ারে নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) সমন্বিতভাবে দাঁড়ায় ৩১.১০ টাকা, যা ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে ছিল ২৫.৯০ টাকা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। এমএইচ/      

জবির ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউ পদ্ধতি বাদ   

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউ পদ্ধতি বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে লিখিত পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হবে। এর আগে গত ২২ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কমিটির মিটিংয়েও সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। সিন্ডিকেটের মিটিং শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এ তথ্য জানান।    সিন্ডিকেটে অনুমোদিত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ব্যাপারে উপাচার্য বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষাসহ আগামীতে কোন মিডটার্ম পরীক্ষাও আর এমসিকিউ পদ্ধতিতে হবে না। স্নাতক পর্যায়ে ক্লাসে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে কোন শিক্ষক ক্লাস নিতে পারবেন না। তিনি বলেন, যদি কোর্সের প্রয়োজনে কোন ভিডিও অথবা সচিত্র কন্টেন্ট শিক্ষার্থীদের দেখানোর প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে বিশেষ নিয়মে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করতে পারবেন। তবে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করা যাবে। এবং প্রত্যেকটি কোর্সের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক একটি করে টেক্স বুক নির্ধারণ করে দিবেন যেটা বাজারে পাওয়া যাবে ও অবশ্যই শিক্ষার্থীদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে। প্রয়োজনে একাধিক রেফারেন্স বুক অনুসরণ করা যাবে। তবে শিক্ষার্থীদের কোন প্রকার নোট বা শিট সরবরাহ করা যাবে না।  এসি  

বিদায়বেলায় আলিয়ার চোখে জল 

বলিউড অভিনেত্রী আলিয়ার চোখে জল। সিনেমার দৃশ্যের মতো বাস্তবেও তিনি কেঁদেছেন। স্যোশাল মিডিয়ায় করা এক স্ট্যাটাস এর মাধ্যমে বিষয়টি জানা যায়। তবে ঘটনার পেছনের কারণ হলো মুক্তি পেয়েছে আলিয়ার ‘রাজি’ সিনেমার নতুন গান ‘দিলবারো’। গানের দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে সত্যি সত্যি চোখে জল চলে আসে বলিউড অভিনেত্রী আলিয়ার।    একজন নারীর বিয়ের পর সব কিছু ছেড়ে চলে যেতে হয়। তাই বিয়ের পর আলিয়ার নিজের শৈশব স্মৃতি, বাবা মা, আত্মীয় পরিজনকে ছেড়ে ভিনদেশে পাড়ি দেওয়ার আগের মুহূর্তটি সত্যিই বেদনার। আলিয়া ভাটের নতুন সিনেমা ‘রাজি’র নতুন গান ‘দিলবারো’ আবারও এই কথা মনে করিয়ে দিল।    ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, শঙ্কর-এহসান-লয়-এর সুরে অরিজিৎ সিং, হর্ষদীপ কউর, শঙ্কর মহাদেবন, সুনিধি চৌহানের গাওয়া গানটি লিখেছেন বলিউডের কিংবদন্তি গীতিকার গুলজার। বুধবার গানটি মুক্তি দেওয়ার পর আলিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, এই প্রথম শুটিং করতে গিয়ে সত্যি সত্যি তার চোখে জল এলো।  ‘রাজি’ ছবিতে আলিয়া কাশ্মীরি কন্যা শিমত-এর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মেঘনা গুলজার। পকিস্তানের সেনা অফিসার ইকবাল সায়েদের সঙ্গে বিয়ের পর তিনি ভারত ছেড়ে পাকিস্তান চলে যাচ্ছেন। বাবা-মেয়ের সম্পর্কের বন্ধন ছিন্ন করে শ্বশুরবাড়ির দিকে পা বাড়ানোর সময় মেয়েটির মনের অবস্থা কীরকম হয়, `দিলবারো`গানটিতে সেই চিরন্তন দৃশ্যটিকেই তুলে আনা হয়েছে।   হরিন্দর সিক্কার উপন্যাস ‘কলিং শিমত’ অবলম্বনে নির্মিত ‘রাজি’তে আলিয়ার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ভিকি কৌশল। এছাড়াও রয়েছেন রজিত কাপুর, সোনি রাজদান প্রমুখ।    সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন করণ জোহরের ধর্মা প্রোডাকশন। মে মাসেই ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। এসি      

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের পুঁজি ১৩২

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মাত্র ২৭ রানে নেই ৩ উইকেট। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব নিয়েছিলেন বিশ্বসেরা অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান আর মনিশ পান্ডে। এই জুটির ওপর ভর করেই কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে মোটামুটি লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে হায়দরাবাদ। ৬ উইকেট হারিয়ে তারা তুলেছে ১৩২ রান। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে সাকিবের দল হায়দরাবাদ। দলের খাতায় ১ রান উঠতেই শূন্য করে অঙ্কিত রাজপুতের শিকার হন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। আর ১১ রান করে শেখর ধাওয়ান রাজপুতের দ্বিতীয় শিকার হন। ঋদ্ধিমান সাহাকে ৬ রানে সাজঘর দেখিয়ে হায়দরাবাদকে কোণঠাসা করে ফেলেছিলেন ডানহাতি এই পেসার।এমন নাজুক অবস্থায় দলের হাল ধরেন সাকিব আর মনিশ। চতুর্থ উইকেটে তারা গড়েন ৫২ রানের গুরুত্বপূর্ণ এক জুটি। ২৯ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৮ রান করে মুজিব উর রহমানের শিকার হন সাকিব আল হাসান।তবে মনিশ পান্ডে ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি তুলে নিতে ভুল করেননি। ৫১ বলে ৩ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৫৪ রান করে সাঁজঘরে ফেরেন তিনি। আর শেষদিকে ইউসুফ পাঠান খেলেন ১৯ বলে অপরাজিত ২১ রানের ইনিংস। আর

ভালোবাসা প্রকাশ করুন ১০ বিদেশী ভাষায়  

বলা হয়ে থাকে ভালোবাসা সার্থকতা পায় প্রকাশে। আর তাই প্রেমিক-প্রেমিকারা তাদের ভালোবাসার মানুষটিকে বিভিন্ন উপায়ে তাদের ভালোবাসার কথা জানিয়ে থাকেন। ভালোবাসার এই যাত্রা আরও রোমাঞ্চকর করে তুলতে ভালোবাসার কথা বিদেশী ভাষায় বলতে পারেন। প্রতিদিনকার একই ‘ভালবাসি’র থেকে বেশ বৈচিত্র্যও দেবে বিদেশী ভাষার শব্দগুলো। এমনই ১০টি শব্দ জেনে নিন এখান থেকে।         ১) কুটচ এই শব্দটি এসেছে ইংল্যান্ডের ওয়েলস রাজ্যের ওয়েলস ভাষা থেকে। এর অর্থ জড়িয়ে ধরা বা আলিঙ্গন করা। তবে এই শব্দটির মধ্যে আলিঙ্গন করার বিশেষ এক দিক তুলে ধরা হয়েছে। কুটচ মানে শুধুই জড়িয়ে ধরা নয় বরং এই শব্দের অর্থ একটি নিরাপদ আলিঙ্গন যা স্বর্গের মতো ভালোবাসা দিয়ে পূর্ণ।      ২) ইউ বার্নি এটি একটি আরবি শব্দ। ইংরেজিতে এটিকে ‘ইউ বারি মী’ বলা হয়। বেশ দীর্ঘ সময় ধরে বিবাহিত আছেন এমন দম্পতিদের এই শব্দটি দিয়ে বোঝানো হয়। এর আরও একটি অর্থ এই যে, এই শব্দের মাধ্যমে আপনি আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে বোঝাবেন যে, আপনারা কেউ কারও থেকে আলাদা হবেন না।      ৩) ফর রেল স্কেট নরওয়েজিয়ান এই শব্দটির মাধ্যমে ভালোবাসার অনুভূতিকে বোঝানো হয়। অর্থ্যাত আপনি আপনার সাথীকে বলছেন যে, আপনি ভালোবাসা অনুভব করছেন।  ৪) ফ্লেকাচো স্প্যানিশ এই শব্দটির অর্থ সৌলমেট বা আত্মার সঙ্গী। কারও সাথে আপনার আত্মার সম্পর্ক আছে মনে হলে তাকে এটি বলুন।  ৫) ওডাল ভালোবাসার মানুষটির সাথে আমরা অভিমান করি না? বা কোন ঝগড়ার পর এক ধরনের ভাব নিয়ে থাকি যে, সে বুঝি এসে আমার অভিমান ভাঙ্গাবে? এটিকেই তামিল ভাষায় ওডাল বলে।   ৬) ভিরাগ ভিরাগ হিন্দী শব্দ। বাংলাদেশ এটিকে বিরাগ বলে। কাছে মানুষটি দূরে চলে গেলে যে বেদনাদায়ক অনুভূতি হয় সেটিকেই ভিরাগ বলে। ৭) ইক সুয়ারপক আমাদের ভালোবাসার ডাকে সাড়া দিয়ে কেউ আমাদের কাছে আসবে এটা জানার পর যে অপেক্ষার সময় কাটে সেই সময়ে যে অনুভূতিটা হয় তাকেই গ্রীনল্যান্ডের ভাষায় বলা হয় ইক সুয়ারপক। তলপেটের ওপর যদি একটা প্রজাপতি উড়তে থাকে যে সুড়সুড়ে অনুভূতি হয় সেটিই বোঝানো হয় এই ভাষায়।  ৮) ক্যাফুনেহ পর্তগীজ এই শব্দটির মাধ্যমে প্রিয়জনের চুলে আঙ্গুল বোলানোকে বোঝায়। তাই এখন থেকে যদি চান যে আপনার ভালোবাসার মানুষটি আপনার চুলে হাত বুলিয়ে দিক তাহলে তাকে বলুন- ক্যাফুনেহ (!)।  ৯)  মামিলাপিন ইয়াতাপি ভালোবাসার মানুষ দুইজন একে অপরের দিকে তাকিয়ে থেকে দুই জনই কিছু একটা করতে চায়। তবে প্রথম পদক্ষেপ কে নেবে সেই দ্বিধায় আছেন তারা। দুই জনই চাচ্ছে তাঁর সঙ্গীই প্রথমে এগিয়ে আসুক। আবার হয়তো নিজেও এগিয়ে যেতে চায়। কিন্তু দ্বিধার পিছুটান সরে না। ভালোবাসার এই অবস্থাকে চিলির ভাষায় মামিলাপিন ইয়াতাপি বলে।   ১০) ঘে ঘিল প্রিয় মানুষটিকে সুড়সুড়ি দেওয়া বা তাঁর শরীরের কোথাও রগড়ে দেওয়াকে ফিলিপাইনে ঘেঘিল বলে। দেশটির ট্যাগলগ অঞ্চলে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ইংরেজিতে শব্দটিকে ‘গিগল’ বলে।  সূত্রঃ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস //এস এইচ এস// এসি    

সাকিবের সম্মানজনক স্কোর

সাকিব আল হাসান শূন্য রানেই সাঁজঘরে যেতে পারতেন,তেবে তিনি বেঁচে যান বারিন্দার স্রানের কল্যাণে। ক্রিজে এসে সাকিব ডিপ থার্ড ম্যানে ক্যাচ দিলে ফিল্ডার ক্যাচ লুফে নেন। কিন্তু আম্পায়ার জানান সন্দেহ আছে বলের বৈধতা নিয়ে। অর্থাৎ নো বল।  একবার জীবন ফিরে পাওয়ার পরই ছন্দে ফেরেন সাকিব। হাত খুলে খেলতে থাকেন তিনি। নিজের স্কোর বাড়ার সাথে সাথে দলিয় স্কোরও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে ২৮ রানে থেমে যায় তার ব্যক্তিগত স্কোর। তার এ সম্মানজনক রান আসে ২৯ বল খরচায়। মুজিবুর রহমানের বলে সাকিব ক্যাচ তুলে দিলে সেটিকে তালুবন্দি করেন মায়াঙ্ক আগারওয়াল।এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সানরাইজ হায়দ্রাবাদের স্কোর ১৮.২ বলে ৪ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান। আর

সিলেট থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করবে এয়ার এশিয়া

সিলেট-মালয়েশিয়া রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিশ্বের জনপ্রিয় এয়ারলাইন্স এয়ার এশিয়া। এজন্য সিলেটে এয়ার এশিয়ার প্যাসেঞ্জার সেলস এজেন্ট অফিস (পিএসএ) চালু করা হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে এয়ারলাইন্সটি। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় এয়ারলাইন্সটি। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশে এয়ার এশিয়ার জেনারেল সেলস এজেন্ট (জিএসএ) প্রতিষ্ঠান টোটাল এয়ার সার্ভিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান কেএম মুজিবুল হক বলেন, বাংলাদেশ এভিয়েশন খাতে এগিয়ে যাচ্ছে। এয়ার এশিয়া বাংলাদেশে যাত্রী সেবা বৃদ্ধির জন্য আন্তরিক। কার্যযক্রম বৃদ্ধির সম্ভ্যবতা যাচাইয়ের জন্য এয়ার এশিয়ার এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান দাতুক কামারুদিন মিরানুন বাংলাদেশ সফর করেছেন। তিনি সিলেটের জেল রোড এলাকার আনন্দ টাওয়ারে এয়ার এশিয়ার সিলেট প্যাসেঞ্জার সেলস এজেন্ট অফিস (পিএসএ) গত রোববার উদ্বোধন করেছেন।সিলেট অফিস উদ্বোধনের জন্য এয়ারএশিয়ার এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান দাতুক কামারুদিন মিরানুন পরিবারসহ নিজস্ব জেট বিমানে মালয়েশিয়া থেকে সরাসরি সিলেটের ওসমানী আর্ন্তাজাতিক বিমানবন্দরে পৌছান। সিলেট অফিস উদ্বোধনের আগে তিনি হজরত শাহাজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন।সিলেট প্যাসেঞ্জার সেলস এজেন্ট অফিস উদ্বোধনী আনুষ্ঠানে দাতুক কামারুদিন মিরানুন বলেন, বাংলাদেশে এয়ার এশিয়ার ব্যবসা সফল ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এর পরিধি আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে আমি চট্টগ্রাম এবং সিলেট সফর করেছি। এই দুইনগর থেকে এয়ার এশিয়ার ফ্লাইট চালুর সম্ভবনা যাচাই করেছি। বিশেষ করে মালয়েশিয়া সিলেট ফ্লাইট আগামী দিনে চালুর পরিকল্পনা করছি। অনুষ্ঠানে এয়ার এশিয়া বাংলাদেশের জিএসএ টোটাল এয়ার সার্ভিসের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক ও সিইও মোরশেদুল আলম চাকলাদার উপস্থিত ছিলেন। এয়ার এশিয়ার সিলেট এজেন্ট অফিসের দায়িত্ব পেয়েছেন সিলেট চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ।উল্লেখ্য, এয়ারএশিয়া এশিয়া প্যাসিফিক জুড়ে ১৩০টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ২০০১ সালে অপারেশন শুরু করার পর ৪০০ মিলিয়ন যাত্রী পরিবহন করেছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। আর

‘হিমেল সার্কিট ব্রেকার’ বাজারজাত করছে আরএফএল

ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতির সুরক্ষায় ‘হিমেল সার্কিট ব্রেকার’ বাজারজাত শুরু করেছে আরএফএল গ্রুপের সহযোগি প্রতিষ্ঠান আরএফএল ইলেকট্রনিকস লিমিটেড। বুধবার রাতে রাজধানীর রাওয়া কনভেনশন হলে বাংলাদেশে নতুন এ পণ্য উন্মুক্ত করেন আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর এন পাল। ‘হিমেল সার্কিট ব্রেকার’ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি উৎপাদন ও বিপণনকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান হিমেল ইন্টারন্যাশনাল এর পণ্য। আরএফএল ইলেকট্রনিকস বাংলাদেশের একমাত্র পরিবেশক হিসেবে এ পণ্য গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেবে। এ বিষয়ে আর এন পাল বলেন, মানসম্মত সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার না করার ফলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। হিমেল ইন্ট্যারন্যাশনালের উৎপাদিত সার্কিট ব্রেকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। ক্রেতারা যেন দেশের বাজারে ভাল মানের সার্কিট ব্রেকার পেতে পারে সেজন্য আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি। আরএফএল ইলেকট্রনিকস এর হেড অব বিজনেস ইঞ্জিনিয়ার মীর হাসান সারওয়ার কবির বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা ‘লো- ভোল্টেজ সার্কিট ব্রেকার’ বাজারজাত শুরু করেছি। ক্রেতারা সুলভ মূল্যে এই সার্কিট ব্রেকার কিনতে পারবেন। যে কোন ইলেকট্রিক দোকান ও বিজলী শোরুমে হিমেল সার্কিট ব্রেকার পাওয়া যাবে। হিমেল ইন্টারন্যাশনাল এর বিক্রয় বিভাগের (মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত অঞ্চল) প্রধান কুটবুদ্দিন ভাসানওয়ালা বলেন, হিমেল সার্কিট ব্রেকার বর্তমানে বিশ্বের ৪৫টি দেশে সুনামের সাথে ব্যবসা করছে। বাংলাদেশের বাজারে আরএফএলকে সঙ্গী হিসেবে পাওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।এসময় হিমেল ইন্টারন্যাশনাল এর সিনিয়র ম্যানেজার (মার্কেটিং এন্ড চ্যানেল ডেভোলপমেন্ট) গ্লোরিয়া চাই (এষড়ৎরধ ঈধর), জেনারেল ম্যানেজার (আন্তর্জাতিক চ্যানেল) অনিল গুপ্ত ও আরএফএল ইলেকট্রনিকস এর হেড অব মার্কেটিং সাজ্জাদুল ইসলামসহ প্রতিষ্ঠানটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। আর

প্রধানমন্ত্রীর ব্যাংকক ত্যাগ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্লোবাল সামিট অব উইমেন সম্মেলনে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে তিন দিনের সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি যাওয়ার পথে যাত্রাবিরতি শেষে ব্যাংকক ত্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সিডনি যাওয়ার পথে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে প্রায় আড়াই ঘন্টা যাত্রাবিরতি করেন।প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী থাই এয়ারওয়েজের বিমানটি ব্যাংককের সূবর্ণভূমি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থানীয় সময় ৪টা ৫০ মিনিটে অবতরণ করে।রয়্যাল থাই সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাথে সংযুক্ত মন্ত্রী কোবসাক পুত্রাকল এবং থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইদা মুনা তাসনীম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।পরে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে থাই মন্ত্রী বৈঠক করেন। যেখানে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় আলোচনা হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান।প্রায় দু’ঘন্টা যাত্রাবিরতির পর সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরেকটি থাই এয়ারওয়েজের বিমানযোগে সিডনি রওয়ানা হন।প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানটি স্থানীয় সময় ২৭ এপ্রিল সকাল ৭টায় (বাংলাদেশ সময় ভোর ৩টা) সিডনি পৌঁছবার কথা রয়েছে।এর আগে, প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে থাই এয়ারওয়জের একটি বিমান দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম এবং ইকবাল সোবহান চৌধুরী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।এছাড়া, তিন বাহিনী প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন, বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলীয় হাইকমিশনার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।শেখ হাসিনা সিডনীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে (আইসিসি) শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে ভিয়েতনামের ভাইস প্রেসিডেন্ট থাই নগক থিন এবং কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট এতিফেত জাহজাগার সঙ্গে এই গ্লোবাল উইমেন’স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড-২০১৮ গ্রহণ করবেন।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘গ্লোবাল সামিট অব উইমেন’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে নারী শিক্ষার প্রসার এবং নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা পালনের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা পদকে ভূষিত করেছে।গ্লোবাল উইমেন সামিট বিশ্বব্যাপী নারী নেতৃবৃন্দের ব্যবসা এবং অর্থনৈতিক বিষয়াবলী সংক্রান্ত একটি বাৎসরিক সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) একটি সূত্র জানায়, এই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন এবং জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় নারীদের সম্পৃক্তকরণে তার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরবেন।প্রধানমন্ত্রী সফরকালে ২৮ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের সঙ্গে বৈঠক করবেন।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, সিডনিতে অস্ট্রেলীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।শেখ হাসিনা ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন এবং ২৮ এপ্রিল হোটেল সোফিটেল-এ প্রবাসী বাংলাদেশীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন।প্রধানমন্ত্রীর ২৯ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করে পরের দিন দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে। বাসস আর

হায়দ্রাবাদী বীফ রেসিপি

যে কোন চাইনিজ রেস্টুরেন্টে গেলেই বীফের তৈরি বিভিন্ন আইটেম দেখা যায়। বীফ খেতে খুবই মজা। বীফের একটি ভিন্ন আইটেম হচ্ছে হায়দ্রাবাদী বীফ। এটি একটি বিদেশী খাবার। রেস্টুরেন্টে না খেয়ে বরং বাসায় নিজ হাতে বানিয়ে খেতে পারেন বিদেশী খাবার। এর রেসিপি জানিয়ে দেওয়া হলো- উপকরণ বীফ ১০০ গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি একটি, আদা-রসুন বাটা এক টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ গুড়া (ঝাল মতো), হলুদ গুঁড়ো আধা চামচ, লবণ আধা চামচ, তেল এক টেবিল চামচ, ধনিয়া গুঁড়ো এক চামচ, কাঁচা মরিচ চার/পাঁচটি, জিরে গুঁড়ো এক চামচ, পুদিনা পাতা বাটা এক টেবিল চামচ, ধনে পাতা বাটা এক টেবিল চামচ, মেথি পাতা আধা চামচ, তেজপাতা দুইটি, গরম মসলার গুঁড়ো আধা চামচ এবং সবশেষে পানি। প্রণালী একটি প্রেসার কুকারের মধ্যে তেল দিয়ে গরম করে নিয়ে পেঁয়াজ হালকা ভেজে নিন। এতে বীফ টুকরো, আদা-রসুন বাটা, কাঁচা মরিচ, সব গুঁড়ো মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। এরপর তেজপাতা এবং পানি দিয়ে সিদ্ধ করুন। যতক্ষণ না সিদ্ধ হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত রান্না করুন। তারপর মেথি পাতা, ধনে পাতা ও পুদিনা পাতা বাটা একসঙ্গে দিয়ে নাড়তে থাকুন। প্রায় মাখা মাখা হয়ে গেলে এর উপরে গরম মসলা ছিটিয়ে তিন/চার মিনিট চুলার আঁচে রাখুন। এখুন নামিয়ে ফেলুন। পরিবেশনের আগে উপরে কিছু পিঁয়াজ ভাজা ও ধনে পাতা কুচি ছিটিয়ে পরিবেশন করুন। সূত্র : স্বাদ কাহন রেঁস্তোরা, ম্যাগাজিন। কেএনইউ/       

ব্যাটিংয়ে সাকিবের হায়দরাবাদ

ঘরের মাঠে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে সাকিব আল হাসানের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাঞ্জাব অধিনায়ক রবিচন্দ্রন অশ্বিন। এ দুই দলের মধ্যকার প্রথম ম্যাচে ক্রিস গেইলের সেঞ্চুরিতে ১৫ রানের জয় পেয়েছিল পাঞ্জাব। টানা ৪ ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে পাঞ্জাব। অন্যদিকে দুই ম্যাচ হেরে ব্যাকফুটে চলে যায় হায়দরাবাদ। তবে সবশেষ ম্যাচ জিতে আবার নিজেদের ফিরে পাওয়ার মিশনে আছেন সাকিবরা। জয়ের ধারায় ফেরার ম্যাচে আগে ব্যাট করবেন তারা। হায়দরাবাদে সাকিব আল হাসান ছাড়া তাদের বাকি তিন বিদেশি খেলোয়াড় হলেন কেন উইলিয়ামসন, রশিদ খান এবং মোহাম্মদ নবী। অন্যদিকে পাঞ্জাবের দলে পরিবর্তন এসেছে দুইটি। দলে ফিরেছেন ক্রিস গেইল, বাদ পড়েছেন ডেভিড মিলার। এছাড়া যুবরাজ সিংয়ের বদলে তারা দলে নিয়েছে মনোজ তিওয়ারিকে। হায়দরাবাদ একাদশঃ শিখর ধাওয়ান, কেন উইলিয়ামসন, ঋদ্ধিমান সাহা, মনিশ পান্ডে, সাকিব আল হাসান, ইউসুফ পাঠান, দ্বীপক হুদা, মোহাম্মদ নাবী, রশিদ খান, বাসিল থাম্পি, স্বন্দ্বীপ শর্মা এবং সিদ্ধার্থ কাউল। পাঞ্জাব একাদশঃ ক্রিস গেইল, লোকেশ রাহুল, মায়াঙ্ক আগারওয়াল, অ্যারন ফিঞ্চ, করুন নায়ার, মনোজ তিওয়ারি, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অ্যান্ড্রু টাই, বারিন্দার স্রান, অংকিত রাজপুত এবং মুজিবুর রহমান।   আর

বিকাশের শেয়ার কিনছে আলিবাবা    

বিকাশের ২০ শতাংশ শেয়ার কিনছে চীনা বহুজাতিক কোম্পানি আলিবাবা গ্রুপ। বিকাশ মোবাইল ব্যাংকিং ব্র্যাক ব্যাংক এর একটি আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আলিবাবার অঙ্গ প্রতিষ্ঠান অ্যান্ট ফাইন্যান্সিয়ালের সঙ্গে বিকাশের এই চুক্তি সই হয়। বিকাশের পক্ষে এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদির এবং অ্যান্ট ফাইন্যান্সিয়ালের পক্ষে এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ডগলাস ফেগান চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি সই অনুষ্ঠান শেষে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (বিকাশ) সেলিম আর এফ হোসেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এই তথ্য জানান। আলিবাবার বাংলাদেশে বিনিয়োগকে ‘মাইলফলক’ হিসাবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ‘তারা অনেক বড় একটি কোম্পানি। তাদের প্রযুক্তি, প্রকৌশলসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা আমরা পাব। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে বাংলাদেশে কৌশলগত বিনিয়োগে এগিয়ে এসেছে। এটা আমাদের অর্থনীতির ক্ষেত্রে অনেক বড় স্বীকৃতি।’ সেলিম আর এফ হোসেন আরও বলেন, ‘বিকাশের শেয়ারের ৫১ শতাংশ ব্র্যাক ব্যাংকের হাতেই থাকছে। বাকি ৪৯ শতাংশ শেয়ার মালিকদের মধ্যে মানি ইন মোশন (মিম), ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন ও বিল অ্যান্ড মিলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের ছেড়ে দেওয়া শেয়ার থেকে ২০ শতাংশ পাবে আলিবাবা গ্রুপ।’ ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) আবদুল কাদের জোয়ার্দার বলেন, ‘বিল অ্যান্ড মিলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন বিকাশের প্রেফারেন্সিয়াল শেয়ারের মালিক। আর মিমের অংশ ৩৬.৫ শতাংশ এবং আইএফসির ১২.৫ শতাংশ। এর মধ্যে মিম প্রাথমিকভাবে এর ৫.৯ শতাংশ শেয়ার ছাড়ছে আলিবাবার কাছে। আর আইএফসি ছাড়ছে দুই শতাংশ। আলিবাবার পাওয়া বাকি শেয়ারগুলো আসবে প্রেফারেন্সিয়াল শেয়ার থেকে।’ ব্র্যাক ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রথম ধাপে ১৬ শতাংশ শেয়ার পাচ্ছে আলিবাবা, পরে বাকি চার শতাংশ শেয়ার পাবে। ব্যাংকের প্রাইস সেনসিটিভ ইনফরমেশন (পিএসআই) অনুমোদন পাওয়ার পরই শেয়ার ছাড়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। পুরো কার্যক্রম শেষ হতে আরও ১৫ থেকে ১৮ মাস লাগতে পারে।’ এর আগে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে অ্যান্ট ফাইন্যান্সিয়ালের নির্বাহী চেয়ারম্যান এরিক জিং বলেন, ‘বিকাশ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অনেক দূর এগিয়েছে। আর বিশ্বের ৪০টি দেশের ৮০ কোটি গ্রাহককে সেবা দিয়ে যাচ্ছে অ্যান্ট ফাইন্যান্সিয়াল। প্রযুক্তির নতুন নতুন ফিচারগুলো এখানেও প্রসারিত করতে চাই।’ মোবাইলের পাশাপাশি অ্যাপ ও কিউআর কোডের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন চালু হলে গ্রাহকদের জন্য অনেক সহজ হবে বলে পরামর্শ দেন তিনি। এসি  

রূপচর্চার প্রসাধনী ব্যবহারে গর্ভের শিশুর ক্ষতি

ভারতীয় এক স্ত্রীরোগবিশেষজ্ঞ পরামর্শ দিয়ে জানিয়েছেন, গর্ভকালীন সময়ে রূপচর্চার যে কোনো প্রসাধনী থেকে দূরে থাকতে হবে। কারণ, এসময় গর্ভের শিশুর মস্তিষ্ক গঠিত হয়, এজন্য প্রসাধনীর রাসায়নিক উপাদানের সংস্পর্শে আসলে শিশু প্রতিবন্ধী হওয়া এবং স্বাস্থ্যহানীর আশঙ্কা ঘটতে পারে। এছাড়া সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে, মায়ের কসমেটিক্সে থাকা রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে কমে যায় গর্ভস্থ শিশুর বুদ্ধি। তাই শিশুর সুস্থতার জন্য কিছু পণ্য ও প্রসাধন সামগ্রী থেকে বিরত থাকতে হবে। যেসব প্রসাধনী থেকে বিরত থাকবেন- লিপস্টিক, লিপ-গ্লস, লিপ বাম, আইলাইনার, মাসকারা, ডিওডোরেন্ট, ফাউন্ডেশন, বডি অয়েল, ট্যালকম পাউডার, হেয়ার রিমুভাল ক্রিম এবং হেয়ার ডাই। এসব প্রসাধনী গর্ভবতী নারীর জন্য বয়ে আনবে নানাবিধ দুঃসংবাদ। বিশেষ করে সবচাইতে ক্ষতিকর হল ব্রণ সারানোর ক্রিম বা জেলজাতীয় প্রসাধনী। এই ধরণের ক্রিমে থাকে ‘রেটিনয়েডস’, যা গর্ভপাত এবং গর্ভের শিশুর অস্বাভাবিক মস্তিষ্কের জন্য দায়ী। যেসব ব্যবহার করতে পারবেন-(তবে চিকিৎসকের পরামর্শে) ১) কেমিক্যাল ছাড়া সানস্ক্রিন লোশন। ২) দামী ব্র্যান্ডের সাবান ৩) মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। জরুরি সতর্কতা ১) মনে রাখবেন মায়ের খাবার যেমন গর্ভস্থ শিশুর শরীরের জন্য উপকারী, তেমনই কসমেটিক্সের রাসায়নিক শিশুর বিকাশ কমাবে। ২) প্রয়োজন না হলে মেকআপ করবেন না। ৩) শীত আসছে। ত্বক যাতে নরম থাকে তার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রসাধনী ব্যবহার করুন। ৪) মনে রাখবেন, আপনি ভাল থাকলে সুস্থ থাকবে আপনার গর্ভের শিশুও। সূত্র : আনন্দবাজার। কেএনইউ/     

৩ কারণে মহিলারা অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যায় ভোগেন

অনিয়মিত ঋতুচক্রজনিত সমস্যা এখন খুব সাধারণ ব্যাপার৷ নির্দিষ্ট দিনের পূর্বে বা পরে, কখনও বা পিরিয়ডস মিস করা এই ধরনের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন৷ এর পিছনে রয়েছে কয়েকটি কারণ- অলিগোমেনোরিয়া- আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এই সমস্যার জন্য অনেকাংশে দায়ি৷ জীবনধারার এই অসাম্যতা ঋতু চক্র এবং হরমোনের ভারসাম্যকে নষ্ট করে দেয়৷ অলিগোমেনোরিয়া হল অনিয়মিত ঋতুচক্রের একটি মেডিক্যাল টার্ম৷ সাধারণ অর্থে ইরেগুলার পিরিয়ডস্ বলতে বোঝায়, দুই ঋতু চক্রের মাঝে ৩৬ দিনের গ্যাপ অথবা বছরে ৮ বারের কম ঋতু চক্রকে এই নামে ডাকা হয়৷ অনিয়মিত ঋতুচক্রের অনেক কারণই গবেষণায় উঠে এসেছে৷ তারমধ্যে ৩টি মূল কারণ হল- অতিরিক্ত ব্যায়াম কথায় আছে স্বাস্থ্যই সম্পদ৷ তার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত শরীরচর্চা৷ কিন্তু, সেখানেই মূল সমস্যা৷ অতিরিক্ত শরীরচর্চা থাইরয়েড, পিটুইটারী, অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির উপর চাপ সৃষ্টি করে৷ যার ফলে শরীরে হরমোন ক্ষরণে অসাম্যতা দেখা দেয়৷ এর ফলে মহিলারা ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে এই প্রক্রিয়া বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷ মাত্রাতিরিক্ত শরীরচর্চা আমাদের স্ট্রেস লেভেল বাড়াতে পারে৷ যারা দৌড় বা বেলি ডান্সিং এর সঙ্গে যুক্ত তারা এধরনের সমস্যায় ভুগতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে৷ এক গবেষণা থেকে উঠে আসছে এই তথ্য যে ৮০ শতাংশ বডিবিল্ডার মহিলা তাদের জীবনের কোনও না কোনও সময় অনিয়মিত পিরিয়ডেসের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন৷ ডায়েট অপুষ্টি বা নিম্নমানের খাদাভ্যাসের কারণে এই সমস্যা দেখা যেতে পারে মহিলাদের মধ্যে৷ আজকাল ইয়াং জেনারেশনের কাছে ডায়েট একটি ফ্যাশান হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ কিন্তু, এই ডায়েটের কারণেই শরীরে সঠিক মাত্রায় সব ধরণের উপাদান পৌঁছচ্ছে না৷ যার ফলে ওজন কম হলেও অন্যান্য নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে৷ এই সমস্যা থেকে মুক্তির পথ বাদলাতে গিয়ে বিভিন্ন নিউট্রিশনিস্টরা নিত্যদিনের ডায়েটে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিওক্সিডেন্ট, ফ্যাট, ও প্রোটিন জাতীয় খাবার রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন৷ অত্যাধিক চাপ অতিরিক্ত চাপ বা যেকোনও ট্রমা অ্যাড্রিনালিন গ্রন্থি থেকে বেশি মাত্রায় ইস্ট্রোজেন ও অন্যান্য হরমোনের ক্ষরণ ঘটায়৷ যখন ইস্ট্রোজেনের পরিমান কম থাকে তখন শরীরের জরায়ুর আস্তরণ গঠনে সক্ষম হয় না, এর জন্য অনিয়মিত ঋতু চক্র দেখা দিতে পারে৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

শরীরে যে ৪ লক্ষণ দেখলেই ডাক্তারের কাছে যাবেন

মানবদেহে কখন কী ভাবে রোগ বাসা বাঁধে, তার কোনও ঠিক ঠিকানা নেই। অনেক সময় তৎক্ষণাৎ বোঝা গেলেও, এমন বহু রোগ আছে যা বুঝতে আপনার বেশ কয়েক বছর সময় লেগে যায়। আর তত দিনে সেই রোগ অনেক গভীরে পৌঁছে যায়। শরীরে যে সব রোগ বাসা বাঁধে, তার অধিকাংশই স্ট্রেস থেকে আসে। এমনকী মানসিক ব্যাধিও দেখা দিতে পারে স্ট্রেস থেকে। ‘নাফিল্ড হেলথ’-এর বিশেষজ্ঞ টিম হিপগ্রেভ জানিয়েছেন, শরীরে চারটি লক্ষণই আগাম জানান দেয় যে, আপনার দেহে রোগ বাসা বাঁধতে শুরু করেছে। তাহলে দেখে নেওয়া যাক, কী সেই লক্ষণগুলি— কাজ করার ক্ষমতা কমতে থাকলে কাজ করার ক্ষমতা আস্তে আস্তে কমতে থাকলে বা শরীরে এনার্জির অভাব বোধ করলে বুঝবেন রোগ বাসা বাঁধছে। মূলত স্ট্রেস থেকেই এই লক্ষণ আসে। এর থেকে হরমোন জনিত সমস্যাও তৈরি হয় ও মানসিক ব্যাধি, ঘুম কম হওয়া ইত্যাদিও শুরু হয়। দাঁতে ব্যথা চোয়ালে ব্যথা বা দাঁত কিড়মিড় করা, মাথায় ব্যথা, দাঁতের সমস্যা— ইত্যাদিও হয় স্ট্রেস ও অ্যাংজাইটি থেকে। অনেক সময়ে ঘুমের মধ্যেও অনেকে দাঁতে দাঁত ঘষতে থাকেন, যার ফলে মাড়ি বা জিভি কেটে যায়। এর খেকে মুখে ইনফেকশন পর্যন্ত হতে পারে। মুখের ইনফেকশন বছরের পর বছর ফেলে রেখে দিলে মুখে ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে। প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন? অর্থাৎ শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে গিয়েছে। নিয়মিত এমন হতে থাকলে এক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যান। খাদ্যাভ্যাস বদলে গেলে স্ট্রেস থেকে রোজকার খাদ্যাভ্যাসও বদলে যায়। স্ট্রেস থাকলে তখন ভাত রুটির থেকেও চটজলদি খাবার খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। খিদে খুব বেড়েও যেতে পারে, আবার কমেও যেতে পারে। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন মানে পেটের বড় অসুখের ইঙ্গিত। তাই দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সূত্র: এবেলা একে//  

সুখী জীবন পেতে রাঙিয়ে তুলুন বেডরুম

যৌনতা কিংবা টানা ঘুম, নিজের ঘর নাহলে ষোলো আনা তৃপ্ত হওয়া কঠিন। আর তাই এসব সময় বাড়ির পরিবেশটাকেও মানানসই করে তোলা জরুরি। তাই ঘরের রংটা এমন হওয়া উচিত যাতে আপনার যৌনজীবনে হয়ে উঠতে পারে আরো রঙিন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যে ঘরের রং নীল, সে ঘরেই নাকি সবচেয়ে ভাল ঘুম আসে। আর এমন বেশ কয়েকটি রং আছে, যা সঙ্গমের ইচ্ছা বাড়িয়ে তোলে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই সব রঙের রঙিন কাহিনি। লালচে গোলাপি এক্কেবারে প্রেমের রং। বিশেষ করে মহিলাদের মন জয় করার আদর্শ রং এটি। দেওয়ালের একদিকের রং লালচে গোলাপি হলে অন্যদিকটি সাদাই রাখুন। এতে যেমন ঘর আলোকিত হয় তেমনই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নও মনে হয়। চেষ্টা করুন যে দেওয়ালটিতে লালচে গোলাপি রংটি করবেন, সেদিকেই খাটটি রাখতে। গাঢ় লাল নবদম্পতির বেডরুমের দেওয়ালে এমন রং হলে আর কথাই নেই। কারণ লাল মানেই ভালবাসা-সোহাগ। তাই দুষ্টু-মিষ্টি প্রেম জমে উঠেতে সময় লাগবে না। একটি দেওয়াল গাঢ় লাল করলে অন্যটি অফ হোয়াইট কিংবা হালকা হলুদ করতে পারেন। এক্ষেত্রে মেঝেতে চকোলেট রঙের কার্পেট ব্যবহার করলে ঘরটি নিঃসন্দেহে রোম্যান্টিক হয়ে উঠবে। সঙ্গে নিয়ন আলোর ব্যবস্থা থাকলে পার্টনার প্রেমে হাবুডুবু খেতে বাধ্য। কমলা ঠিক গাঢ় কমলা বা গেরুয়া নয়। মধুর যে রংটি হয়, সেটিও দম্পতিদের ঘরের জন্য হতে পারে আদর্শ রং। মার্কিন মুলুকের একটি সমীক্ষায় জানা গেছে, কাপলরা সাধারণত এই রঙের ঘরেই মিলনে সবচেয়ে বেশি সুখী। তবে ভারতীয়দের ক্ষেত্রে অনেকেই মনে করেন, এই রং ঘরে রোদ ঢুকতে বাধা দেয়। এক্ষেত্রে আসবাবের রং কালো না করাই শ্রেয়। সাদা অথবা কাঠের রং ব্যবহার করা যেতে পারে। কালো সচরাচর কারও বাড়ি এমন রং দেখা যায় না। মনে হতেই পারে কালোও আবার রং নাকি। কিন্তু হালফিলে ঘর রং করার পরিকল্পনা থাকলে একটি দেওয়ালে একবার ট্রাই করেই দেখুন না। বিপরীতে অবশ্যই রাখবেন সাদা। বিছানার চাদরটি সাদা হলে বেছে নিন কালো কার্পেট। অনেকে আবার দেওয়ালে কালো রং না করে, মাথার দিকের একটি দেওয়াল কালো প্লাই দিয়েও তৈরি করে থাকেন। যদি ভাবেন সাদা-কালোর গেড়োয় যৌনজীবনও ফ্যাকাসে হয়ে যাবে, তাহলে আপনার ধারণা এক্কেবারে ভুল। ব্ল্যাক বিউটির একটা আলাদা আকর্ষণ ও মাধুর্য থাকে। আর সেই অনুভবই হবে এই ঘরে। কালো দেওয়ালের সামনে সঙ্গিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার উদ্দামতা বাড়বে, কমবে না। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

ইসলামী ব্যাংক ঢাকা সাউথ জোনের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর ঢাকা সাউথ জোনের উদ্যোগে ‘ব্যাংকিং কার্যক্রমে শরী‘আহ পরিপালন’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২১ এপ্রিল) ওয়াইজঘাট শাখায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের ডাইরেক্টর মো. জয়নাল আবেদীন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের শরী‘আহ্ সুপারভাইজরি কমিটির সদস্য মো. মুজাহিদুল ইসলাম চৌধুরী। বাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ঢাকা সাউথ জোনপ্রধান মো. ইয়ানুর রহমান-এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো: শামসুদ্দোহা। সভায় ব্যাংকিং কার্যক্রমে শরী‘আহ পরিপালনে গ্রাহক ও ব্যাংকারের দায়িত্ব-কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের গ্রাহক, ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। এসি     

শেষ দিনে জমজমাট  থাই মেলা

শেষ দিনে জমজমাট হয়ে উঠেছে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে চার দিনব্যাপী থাই পণ্যের মেলা। শেষ মুহূর্তে ক্রেতারা পছন্দের পণ্যটি খুঁজতে এক স্টল থেকে অন্য স্টলে ঘুরছেন। পছন্দ হলে দরকষাকষি করছেন, আবার কিনেও নিচ্ছেন। কেনাবেচার ফাঁকে কেউবা আবার সেলফি তোলায় ব্যস্ত থাকছেন। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সাড়া পেয়েছেন। শেষ দিন সন্ধ্যায় উদ্বোধনী মঞ্চে ফ্যাশন শোর আয়োজন করা হয়। গত সোমবার থেকে শুরু হয় ‘থাইল্যান্ড উইক-২০১৭’ নামে চার দিনের এ থাই পণ্যমেলা। বাংলাদেশের থাই দূতাবাসের সহায়তায় থাইল্যান্ডের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য উন্নয়ন বিভাগ এই মেলার আয়োজন করে। এবারের মেলা ছিল ১৭তম আয়োজন।আজ মেলা ছিল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। মেলায় কসমেটিকস, গার্মেন্টস ও ফ্যাশন, জুয়েলারি থেকে শুরু করে খাদ্য ও পানীয়, সেবাপণ্য প্রদর্শিত হয়। মেলা প্রাঙ্গণে ইসমাইল এন্টারপ্রাইজ লেদারস মার্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসমাইল আলী বলেন, মেলায় অর্ধশতাধিক বুকিং মিলেছে। এবার মেলায় আমরা চারটি পণ্য কিনলে একটি পণ্য ফ্রি দিচ্ছি। মেলায় রয়েল কিনারি স্টলে বিক্রি হচ্ছে  বিভিন্ন আয়ুর বেদিক ঔষধ প্রসাধনী। স্টলটিতে ক্রেতাদের ঝোঁক বিভিন্ন ব্যাথার ঔষদ হিসেবে প্রদর্শীত মলম। মাসেল ব্যাথা, গিরা, আঘাত পাওয়া ও কম্পিউটার বা মোবাইলের  স্ক্রিনে তাকালে সৃষ্ট কপাল ব্যথার ঔষধ। ছাড়দিয়ে এ ঔষদটি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৩শ’ টাকা। স্টল থেকে ব্যাথার চারটি কৌটার এ প্যাকেজ ক্রয় করলে হালিমা রহমান। তিনি বলেন, পরিবারে সব সময় কাটা-ছেড়া বা ব্যাথা জনিত রোগ লেগেই থাকে। বাংলাদেশের অনেক মলম তো ব্যবহার করি।  মেলায় এ থাই ঔষধ মনে হয় আরো ভালো উপকারে আসবে। অলংকার ও প্রসাধণী সামগ্রীর পাশাপাশি থাই পণ্যের মেলায় ভিন্ন স্বাদের আচার ও মুখরোচক নানা খাদ্য পণ্য মন কেড়েছে ক্রেতা -দর্শনার্থীদের। খাদ্য পণ্যের দাম কিছুটা বেশি হলেও খালি হাতে ফিরেন নি কেউ। মেলায় নারীদের প্রধান আকর্শন ডিজাইনে বৈচিত্র্য ও হাল ফ্যাশনের হওয়ায় থাই পাদুকা পণ্য ও লেডিস ব্যাগের প্রতি। মেলা উপলক্ষ্যে ছাড় থাকায় সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি অনেকে। পছন্দের পণ্যটি কিনতে থাই জুয়েলারি, কসমেটিকস ও প্রসাধনী সামগ্রীর স্টলে ব্যস্ত দেখা গেছে নানা বয়সী নারী ক্রেতাদের। নিত্য ব্যবহারের প্রয়োজনীয় প্রসাধনী কেনার ক্ষেত্রে পণ্যের মানের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন ক্রেতারা। মেলায় আগত সানজিদা আফরিন বলেন, আমরা থাই পণ্য ব্যবহার করি। এখানে এসব ছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে। তাই একটি বডি স্প্রে ও  ব্যাগ কিনে নিলাম। দাম কমই মনে হলো। এটলাস ট্রেডিং কর্পোরেশনের বিক্রেতা আরিফুর রহমান শুভ বলেন, আমাদের বিক্রি ভালো হয়েছে। আশা করি আজকের তুলনায় আগামীকাল আরও বেশি ক্রেতা পাব। এখানে আমরা ২৫ শতাংশ ডিসকাউন্ট দিচ্ছি। মেলায় নাম অজানা রকমারি পদের বাহারি ফল, আচার ও ড্রাই ফুডের জন্য খাদ্য পণ্যের স্টলগুলোত দেখা গেছে ক্রেতাদের ভিড়। বিক্রি ভালো হওয়ায় সন্তুষ্ট অংশগ্রহণকারীরা। মেলায় আসা নাবিলা আক্তার বলেন, ড্রাগন ফ্রুটটা অনেক প্রাইসি। নানা ধরণের আম দেখলাম। আবার পেপে দেখলাম। আচার দেখলাম। আমার কাছে বিভিন্ন ধরণের আচার খুবই ভালো লেগেছে। সচারচর এগুলো বাইরে পাওয়া যায় না। এবারের মেলায় থাইল্যান্ডের ৪৫টি ও বাংলাদেশের ২৭টি প্রতিষ্ঠান থাই পণ্যের প্রদর্শনী করছে। মেলায় স্টলের সংখ্যা ৭৯টি। মেলায় প্রবেশ সবার জন্য উম্মুক্ত ছিল। মেলা আজ শেষদিন রাত ৯ টা পর্যন্ত উম্মুক্ত থাকবে। আরকে//

বাংলাদেশে বাজারে গ্যালাক্সি জে৭ ডুও

বিশ্বের অন্যতম বৃহত মুঠোফোন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান স্যামসাং বাংলাদেশে আনলো গ্যালাক্সি জে৭ ডুও। ডুয়াল ক্যামেরার মাধ্যমে নতুন রুপে বাজারে আসলো এই ফ্ল্যাগশিপ মুঠোফোনটি। গ্যলাক্সি জে৭ ডুও-তে আছে ডুয়াল ব্যাক ক্যামেরা। ১৩ ও ৫ মেগাপিক্সেলের দুইটি ক্যামেরা যুক্ত করা হয়েছে মুঠোফোনটিতে। এছাড়াও এতে যুক্ত করা আছে ৮ মেগাপিক্সেলের একটি ফ্রন্ট ক্যামেরা। সামনে এবং পেছনে উভয় দিকেই ক্যামেরার অ্যাপারচার ১.৯ এবং যুক্ত আছে এলইডি ফ্ল্যাশ।  স্বল্প আলোয় ছবি তোলার জন্য খুবই উপযোগী করে ডিজাইন করা হয়েছে এই এলইডি ফ্ল্যাশ। স্মার্টফোনটিতে কাস্টম ব্লার এবং আর্ট বোকেহ-এর মতো কিছু বিশেষ ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। আছে লাইভ ফোকাস ইফেক্টস, যা দিয়ে বোকেহ এফেক্টের প্যাটার্ন পাল্টে ফেলা যাবে। এছাড়াও ফ্রন্ট ক্যামেরায় নতুন কিছু ফিচার যুক্ত করা হয়েছে এতে। স্মার্টফোনটির সেলফি ফোকাস মোড এর সাহায্যে ব্যাকগ্রাউন্ডে ব্লার এফেক্ট দেওয়া যায় এবং অপরদিকে বিউটি মোড সবসময় একটি পারফেক্ট সেলফি তুলতে সাহায্য করে। এছাড়াও ফোনটিতে যুক্ত করা হয়েছে ক্লিক অ্যান্ড শেয়ার অপশন। এর ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করার পূর্বেই ছবি এডিট করতে পারবে মুঠোফোনটির ব্যবহারকারীরা। দ্রুত গতিতে মুঠোফোনটিতে যাবতীয় কাজ করার জন্য এতে আছে এক্সিনস ৭ সিরিজ প্রসেসর এবং ৪জিবি র‍্যাম। বিভিন্ন ডাটা স্টোর করার জন্য এতে আছে  ৩২জিবি রম যা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে ২৫৬জিবি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যাবে। স্মার্টফোনটির পর্দায় আছে ৫.৫ ইঞ্চি এইচডি অ্যামোলেড ডিসপ্লে। জে৭ ডুও-তে সিকিউরিটি ফিচার হিসেবে আছে ফেস আনলক, ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি এবং ফোল্ডার লক সিস্টেম।  স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৩০০০ এমএএইচ  রিমুভেবল ব্যাটারি। স্যামসাং মোবাইল বাংলদেশের হেড অব মোবাইল মো. মুইয়ীদুর রহমান বলেন, স্যামসাং-কে সবার পছন্দের একটি ব্র্যান্ডে পরিণত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। জে৭ ডুও এর মধ্য দিয়ে আমরা জে সিরিজে ডুয়াল ক্যামেরা অন্তর্ভুক্ত করেছি। আমি আশা করছি এর স্পেসিফিকেশন এবং ক্যামেরা ফিচার এর মধ্য দিয়ে এটি গ্রাহকদের হৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হবে। আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে স্যামসাং-এর নির্দিষ্ট কিছু ব্র্যান্ডশপ ও অনুমোদিত স্টোরে পাওয়া যাবে ডিভাইসটি। এরপর  ৩০ এপ্রিল ও ১ মে থেকে দেশের সকল স্যামসাং-এর ব্র্যান্ডশপ এবং অনুমোদিত স্টোরে এই স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে। ব্ল্যাক, ব্লু অথবা গোল্ড তিনটি রঙে মুঠোফোনটি কিনতে গ্রাহকের খরচ হবে ২৭ হাজার ৯৯০ টাকা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। //এস এইচ এস//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি