ঢাকা, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২:৪৮:১৯

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের সহায়তায় মাঠে নামছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী । শনিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সেনা সদস্যরা কাজ শুরু করবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। জেলা প্রশাসক বলেন, মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সার্বক্ষণিক কাজ চালিয়ে যাবে। স্যানিটেশন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে শেড নির্মাণ ও ত্রাণ বিতরণে কাজ করবে তারা। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, আশ্রয়হীন রোহিঙ্গাদের জন্য প্রতিদিন ১২৯ ট্রাক খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এতে প্রতিদিন এক লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা ত্রাণ সুবিধা পাচ্ছে। এছাড়াও প্রতি ঘণ্টায় ২ হাজার লিটার বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন, শরণার্থী ও ত্রাণ বিষয়ক হাইকমিশনার আবুল কালাম, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার একেএম ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কাজি আব্দুর রহমান, জেলা তথ্য কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ডব্লিউএন
রোহিঙ্গা ইস্যুতে ট্রাম্পের কাছে প্রত্যাশা নেই : প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাহায্য করবেন বলে আশা করেন না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কারণ, শরণার্থী নিয়ে নিজের ভাবনা ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার রোহিঙ্গা শরণার্থী বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার পর রয়টার্সকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছে, তারা কোনো শরণার্থীকে সে দেশে ঢুকতে দেবে না। আমি তাদের কাছ থেকে কী আশা করতে পারি, বিশেষ করে সেদেশের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে? তিনি (ট্রাম্প) এর মধ্যেই তাঁর মনোভাব প্রকাশ করেছেন...তাহলে আর কেন সাহায্য চাইব?’ শেখ হাসিনা আরও বলেন, বাংলাদেশ ধনী দেশ নয়...কিন্তু যদি আমরা ১৬ কোটি মানুষকে খাওয়াতে পারি, তাহলে আরও সাত লাখ মানুষকেও খাওয়াতে পারব।

রোহিঙ্গা শরনার্থীদের ছয় কোটি ইউরো দিবে জার্মান

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ছয় কোটি ইউরো সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছে জার্মান সরকার। সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিল থেকে এই সহযোগিতা দেওয়া হবে। জার্মান সরকারের মুখপাত্র স্টেফান সাইবার্ট সোমবার বিকালে বার্লিনে এই ঘোষণার কথা জানিয়েছেন। স্টেফান সাইবার্ট বলেন, গত কয়েক সপ্তাহে চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এই বিপুলসংখ্যক শরণার্থীরা এই মুহূর্তে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এছাড়া এ ঘটনা মানবতার বিরুদ্ধে আগ্রাসন। বার্লিনের এই সাহায্য জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনের সহযোগিতায় সীমান্তের দুই দিকে জরুরি খাদ্য, চিকিৎসা ও মৌলিক চাহিদার জন্য ব্যয় করা হবে। এদিকে জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক ঘোষণায় মিয়ানমার সরকারকে উপদ্রুত রাখাইন রাজ্যে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সাহায্য সংস্থাগুলোকে প্রবেশের অনুমতি দিতে অনুরোধ করেছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য সহযোগিতার ঘোষণা দেওয়ার আগে জার্মানির পরিবেশবাদী সবুজ দল সরকারের সমালোচনা করে বলেছে, জার্মান সরকার মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে রক্ষা করতে এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখছেন না। পরিবেশবাদী সবুজ দলের নেতা ফলকার বেক বলেছেন, মাত্র চার সপ্তাহের মধ্য চার লাখের বেশি শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। প্রয়োজনে এই শরণার্থীদের জার্মানিতে বা ইউরোপের অন্য দেশগুলোতে আশ্রয় দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। পরিবেশবাদী সবুজ দল মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। পরিবেশবাদী দলের দুই নেত্রী ও সাংসদ রিনেটা কুর্নাস্ট ও উভে কেক্রিজ জার্মানির উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রী গ্রেড মূলারকে চিঠি দিয়ে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে অনুরোধ করেছেন। এ ছাড়া অবিলম্বে মিয়ানমারের তৈরি পোশাকশিল্প ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে রপ্তানি বন্ধের জন্য প্রচেষ্টা চালানোর কথাও বলেছেন তাঁরা। জার্মানির শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জাতিসত্তার ওপর অত্যাচার ও নিজভূমি ছেড়ে বন্ধুর পথে বাংলাদেশে চলে যাওয়ার ঘটনা গত কয়েক সপ্তাহ থেকেই নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে।স্পিগেল অনলাইন সংস্করণ। আরকে//এআর

স্বামী স্ত্রী ‘র মধ্যকার কি কি পার্থক্য থাকা উচিত?

বিয়ে একটি সর্বজনীন বিষয়। আর বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ও ভালোবাসা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভর করে দু`জনের উচ্চতা, বয়স ও উপার্জনসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর। তবে যারা প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন, তাদের কথা আলাদা। তারা হয়তো চাইলেও আর কোনো মানদণ্ডে প্রেমিক বা প্রেমিকাকে বিচার করবেন না। কিন্তু যারা প্রেম না করে বিয়ে করছেন তাদের ক্ষেত্রে বয়স, উচ্চতা ও বেতন একটি বড় বিবেচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক বিয়ের ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর এসব বিষয়ে ব্যবধান কেমন হওয়া উচিত? সম্প্রতি স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে লিখিত একটি প্রবন্ধে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। প্রবন্ধে শুধু বয়সের ব্যবধানের কথা বলা হয়েছে তা নয়, দু`জনের উচ্চতা ও বেতনের ব্যবধান এবং শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর সাথে সুসম্পর্ক রাখাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। বয়সের ব্যবধান : প্রেমিক-প্রেমিকা বা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের আদর্শ ব্যবধান ধরা হয় ৩ বছরকে। সাধারণত মেয়েরা মনের দিক দিয়ে তুলনামূলকভাবে একটু আগেই পরিপক্কতা (ম্যাচিউরট) লাভ করে। আর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মানসিক মিল থাকাটা জরুরি। তাই মনে করা হয় যে, স্বামী যদি স্ত্রীর চেয়ে ৩ বছরের বড় হয় তবে দু`জনের মানসিক পরিপক্কতা সমান হবে। তা ছাড়া, ৩ বছর বড় হলে স্বামী একটু আগে পড়ালেখা শেষ করে কোনো একটা পেশা বেছে নেবে এবং নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার সময় পাবে। এটাও বয়সের ব্যবধান ৩ রাখার একটা কারণ। এখানে একটা বিষয় উল্লেখযোগ্য যে, কিশোর বয়সে মেয়েদের মানসিক বিকাশ ছেলেদের তুলনায় দ্রুত হয়। কিন্তু ২০ থেকে ৩০ বছর সময়কালটায় এ ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য দেখা যায় না। উচ্চতার অনুপাত : প্রথমে স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার আদর্শ উচ্চতার বিষয়টি জানা যাক। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে উচ্চতার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যবধান হচ্ছে ১২ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ স্বামী বা প্রেমিককে হতে হবে ১২ সেন্টিমিটার বেশি লম্বা। কেন? কারণ, এতে নাকি পরস্পরকে আলিঙ্গন করা ও চুমু খাওয়ায় সুবিধা হয়। এ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত হচ্ছে, সংখ্যাগরিষ্ঠ মেয়ে সাধারণত নিজেকে সযত্নে রক্ষা করতে চান। স্বামী বা প্রেমিকের উচ্চতা বেশি হলে, তিনি অনেক বেশি নিরাপদবোধ করেন। আসলে ছেলেদের উচ্চতা সাধারণতভাবে মেয়েদের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। তবে এই ক্ষেত্রে ১০ সেন্টিমিটার বেশি হলে, দেখতে সুন্দর লাগে; মানানসই মনে হয়। এই ব্যবধান দু`পক্ষের লিঙ্গ পরিচয়কেও আরও স্পষ্ট করে তোলে। স্বামী বা প্রেমিককে তখন অনেক বেশি ম্যানলি মনে হয় এবং স্ত্রী বা প্রেমিকাকে আরও বেশি কমনীয় ও সুন্দর লাগে। উচ্চতার ব্যবধানটি অতিরিক্ত হলে দেখতে ভালো দেখায় না। বেতনের অনুপাত : বেতন বা আয়ের ব্যাপারটা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। কোনো কোনো জরিপ অনুসারে, স্বামীর বেতন বা আয় স্ত্রীর দেড় গুণ হলে ভালো। এতে পরিবারের সুখের সূচক বাড়ে। আজকাল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় স্বামী ও স্ত্রী দু`জনই চাকরি করেন বা আয় করেন। তবে ঐতিহ্যবাহী ধারণার প্রভাবে অনেকের মতামতা এমন যে, পরিবারে স্বামীর আর্থিক দায়িত্ব বেশি বহন করা উচিত। তাই স্ত্রীর চেয়ে স্বামীর আয় বেশি হওয়া আবশ্যক বলেই অনেকে মনে করেন। এতে এক দিকে স্বামীর মুখ রক্ষা হবে, অন্যদিকে স্ত্রীর নিরাপত্তাবোধ বাড়বে। তবে, এ ব্যবধান যত বেশি হবে তত ভালো। শ্বশুর-শ্বাশুড়ী প্রসঙ্গ : বিয়ে করার পর এ যুগের ছেলে-মেয়েরা সাধারণত প্রবীণদের সঙ্গে বসবাস করতে চান না। অথচ বাবা মা`র যত্নে আরও বেশি সচেতন হওয়া উচিত। কিন্তু অনেক দম্পতি নিজেদের মতো করে থাকতে চান; গড়তে চান নিজস্ব একটা ভূবন। যেখানে অন্য কেউ থাকবে না। তারা চান, তাদের বিবাহিত জীবনের গুণগত মান উন্নত করতে। এই চাওয়াটা ঠিক। কিন্তু পিতা-মাতা বা শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর যত্ন নেওয়ার গুরুত্বও তাদের বুঝতে হবে। তারা নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়ে সন্তান বড় করেছেন। তাই পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। তাহলে কী করা উচিত? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্তত এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যাতে পিতা-মাতা বা শ্বশুর-শ্বাশুড়ী তাদের প্রয়োজনে ছেলেমেয়েকে কাছে পান। সূত্র: ভয়েস অব চায়না। ডব্লিউএন

ফানুস না উড়িয়ে অর্থ দেওয়া হবে রোহিঙ্গাদের

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের প্রতিবাদে এবার প্রবারণা পূর্ণিমায় ফানুস উৎসব না করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা। ফানুস না উড়িয়ে এবারের উৎসবের অর্থ কক্সবাজারে বিভিন্ন রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। সোমবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের সম্মিলিত বৌদ্ধ সমাজ এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। লিখিত বক্তব্যে সম্মিলিত বৌদ্ধ সমাজের মুখ্য সমন্বয়ক অশোক বড়ুয়া বলেন, বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় এ বছর আপামর মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদ করছে, তারই ধারাবাহিকতায় তারা এবার প্রবারণা পূর্ণিমায় ফানুস উত্তোলন থেকে বিরত থাকবে। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা, যাতে কঠিন চীবর দানসহ ধর্মীয় বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। তিথি অনুযায়ী আগামী ৫ অক্টোবর এবারের প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ বছর দিনটিতে ফানুস উত্তোলনের ধর্মীয় আচার থেকে বিরত থাকতে সম্মিলিত বৌদ্ধ সমাজের আহ্বায়ক সংঘনায়ক শুদ্ধানন্দ মহাথেরু বৌদ্ধ সম্প্রদায়কে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়। মিয়ানমারের চলমান ঘটনাবলী গৌতম বুদ্ধের অহিংস বাণীর ‘পরিপন্থি’ বলেও মনে করেন সম্মিলিত বৌদ্ধ সমাজের নেতারা। রোহিঙ্গাদের দমন-পীড়নের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সংঘনায়ক শুদ্ধানন্দ মহাথেরু বলেন, আমরা বৌদ্ধধর্মীয় আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফেলোশিপ অফ বুড্ডিস্টসহ বিশ্ব সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজতে তাদের অনুরোধ জানিয়েছি। বাংলাদেশের শান্তিকামী জনতার সাথে আমাদেরও দাবি, মিয়ানমারে গণহত্যা বন্ধ হোক। তিনি জানান, বাংলাদেশের সম্মিলিত বৌদ্ধ সমাজের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল মিয়ানমারে গিয়ে সে দেশের সরকার ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করতে চান। বাংলাদেশ সরকার ও মিয়ানমার দূতাবাসের অনুমতি পেলে তারা এই কাজটি এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে জানান শুদ্ধানন্দ মহাথেরু। আরকে/ডব্লিউএন

বৃষ্টির সঙ্গে বাড়তে পারে গরমও

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আজ সোমবার সকাল থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আর দেশের কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরির কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর  স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম মল্লিক গণমাধ্যমকে জানান, আজ সারাদেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। আবুল কালাম মল্লিক বলেন, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। আরকে//এআর

নিউইয়র্ক পৌছেছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্থানীয় সময় রোববার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম জিয়াউদ্দিন ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন সেখানে তাকে স্বাগত জানান।নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর চলবে সাধারণ বিতর্ক, যেখানে এই বিশ্ব সংস্থার ১৯৩টি সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের পক্ষে তার বক্তব্য তুলে ধরবেন। সেখানে তিনি মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সঙ্কটের ‘মূল কারণগুলো’ তুলে ধরে তা নিরসনে বাংলাদেশের প্রস্তাবগুলো বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বড় দুর্নীতিবাজদের সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে : টিআইবি

বাংলাদেশে নাগরিকদের মৌলিক স্বাধীনতা খর্ব হওয়ার প্রবণতা বিদ্যমান রয়েছে। ২০১৬ সালে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন ১৯৫ জন, ২০১৫ সালে সে সংখ্যা ছিল ১৯২ জন। এছাড়া দেশে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে। বড় দুর্নীতিবাজদের সুরক্ষা দেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ‘টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট ’১৬ : দুনীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যের উপর বাংলাদেশের প্রস্তুতি, বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এমন চিত্র উঠে এসেছে। রোববার টিআইবির সম্মেলন কক্ষে এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে তথ্য ও মতামত প্রকাশের বিরুদ্ধে কিছু বিধানের অপব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা উদ্বেগজনক অপব্যবহার করা হচ্ছে। আইনের ওই ধারা বাতিলের দাবিও জানানো হয়েছে। বিভিন্ন উদ্যোগের পরও বাংলাদেশে দুনীতি ও ঘুষ, অর্থপাচার, মৌলিক স্বাধীনতার ব্যত্যয় ও মানবাধিকার লঙ্ঘন অব্যাহত রয়েছে। জাতীয় শুদ্ধাচার কাঠমোর অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো প্রত্যাশিত পর্যায়ে কার্যকর নয়। এর পেছনে দলীয় রাজনৈতিক প্রভাব, কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা, নির্বাহী বিভাগ ও প্রশাসনের আধিপত্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেই জনগণের কাছে জবাবদিহিতার কোনো কাঠামো নেই এবং এসব প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ জবাবদিহিতা ব্যবস্থা দুর্বল উল্লেখ করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ পর্যান্ত নয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে এ প্রতিবেদনে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইনের অনুপস্থিতি রয়েছে- এমন চিত্র তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে আইনের প্রয়োগ সীমিত বা চর্চায় ঘাটতি রয়েছে। এছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইনের অপব্যবহার পরিলক্ষিত হয়েছে। দলীয় বিবেচনায় আইনের প্রয়োগ হচ্ছে। আইনি সংস্কারের সুপারিশে বলা হয়েছে, সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান ও সদস্যদের নিয়োগে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট যোগ্যতার মাপকাঠি নির্ধারণ করা এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ নিশ্চিত করা, সরকারি কর্মচারীদের স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, অধিকার ও দক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য পাবলিক সার্ভিস আইন প্রণয়ন, পুলিশকে জনবান্ধব করতে পুলিশ আইন ১৮৬১ সংস্কার, বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ ধারা বাতিল করণ, নির্বাচন কমিশনের গঠন, কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়া ও কার্যক্রম নিয়ে আইন প্রণয়ন, তথ্য প্রযুক্তি আইন ৫৭ ধারা বাতিল করতে হবে। প্রতিষ্ঠানিক সুপারিশে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, দুনীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক সংস্থাগুলোর জনবল কাঠামো পর্যালোচনা করে জনবল বৃদ্ধি, প্রেষণে নিয়োগের পরিবর্তে নিজস্ব কর্মীদের পদায়ন, দক্ষতা অনুযায়ী সুবিধা প্রদান, আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি- দুনীতিদমনে অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী প্রতিষ্ঠানের (দুদক, সিএজি, বিচার বিভাগ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা) জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ দিতে হবে। লিখিত বক্তব্যে গবেষণার প্রেক্ষাপট ও যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন,২০১৭ সালের এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত মেয়াদে তথ্য সংগ্রহ করে গবেষণাটি করা হয়েছে। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যারা বড় ধরনের অর্থ পাচার করেন তাদের আইনের আওতায় না এনে সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। দেশের বড় দুনীতির সঙ্গে জড়িত বিচারের ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে বলে জানান তিনি। টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, আইনের চোখে সকল নাগরিক সমান হলেও দেশে সব স্তরে বৈষম্য-বিভাজন ও অনিয়ম বিদ্যমান। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারছে না। সব জায়গায় এক ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। /কেআই/এআর

দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণে চুক্তি সই

কক্সবাজারের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনে দুই ধাপে ১০০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণে চুক্তি হয়েছে। শনিবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশ-বিদেশের ৪টি কোম্পানির সঙ্গে রেলওয়ের এ চুক্তি হয়। কোম্পানিগুলো হল- ম্যাক্স কন্সট্রাকশন, তমা কন্সট্রাকশন, সিটি জয়েন্ট ভেঞ্চার সিআরইসি ও সিসিইসিসি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার রেল খাতের প্রতি অধিক গুরুত্ব দিয়েছে। বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়েছে। দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণে চুক্তি হল, অচিরেই কাজ শুরু হবে। চলমান এবং নতুন করে নেয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে রেলওয়েতে আমূল পরিবর্তন আসবে। ম্যাক্স কন্সট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী আলমগীর হোসেন বলেন, রেলপথমন্ত্রী বলেছেন, ২০১৮ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ করতে। কিন্তু তা সম্ভব হবে না। জমি অধিগ্রহণসহ প্রয়োজনীয় কাজ এখনও শেষ হয়নি। তবে ৩ বছরের মধ্যে কাজ শেষ হবে। দেড় মাসের মধ্যে পুরোদমে কাজ শুরু হবে। রেলওয়ে মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেন বলেন, প্রথম ধাপে দোহাজারী থেকে চকরিয়া এবং দ্বিতীয় ধাপে চকরিয়া থেকে কক্সবাজার পযর্ন্ত ডুয়েলগেজ রেললাইন হবে। প্রথম ধাপে ৫০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৬৪১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৫৯১ কোটি ২০ লাখ টাকা। দুই ধাপে প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালের আগেই শেষ করে ওই পথে ট্রেন চলাচল শুরু করা হবে। রেল সচিব মো. মোফাজ্জল হোসেনসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে ছিলেন। আরকে//এআর

আবুধাবী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে যোগদানের উদ্দেশে নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে শনিবার বিকেলে আবুধাবী পৌঁছেছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহ্সানুল করিম জানান, বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে আবুধাবী বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এর আগে জাতিসংঘের ৭২তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার দুপুর ২টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আবুধাবির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। আবুধাবি থেকে ইত্তেহাদের একটি ফ্লাইটে রবিবার ৪টা ২০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি নিউইর্য়ক, ওয়াশিংটন ও ভার্জিনিয়ায় অবস্থান করে জাতিসংঘ অধিবেশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন। ২৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় লন্ডনের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করবেন তিনি। এরপর ১ সেপ্টেম্বর রবিবার বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট (বিজি-০২) ঢাকার উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করবেন। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। আরকে//এআর

বিদেশে যেতে চান, ভিসার খোঁজ করুন অনলাইনে...

বিদেশে অভিবাসন, পড়াশোনা, কাজ কিংবা ভ্রমণের ভিসার জন্য প্রতিবছর অনেকেই আবেদন করেন। ভিসা আবেদনে বহু কাঠগোড় পোহাতে হয়। সেই ভোগান্তি থেকে পরিত্রাণ পাওয়ারও উপায় আছে। বর্তমানে দরকারি সব তথ্যই পাওয়া জানা যায় অনলাইনে। ঠিকঠাক জেনে আবেদন করলে আর হয়রানির শিকার হতে হবে না। যুক্তরাজ্য : যুক্তরাজ্যের ভিসা ও অভিবাসনের তথ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে ওয়েবসাইট www.gov.uk/government/organisations/uk-visas-and-immigration। তথ্যবহুল এ সাইটে অভিবাসন ভিসা ছাড়াও ভ্রমণ, শিক্ষা, দক্ষ কর্মী ও পেশাজীবীদের ভিসার তথ্য পাওয়া যাবে। এ সাইট থেকে প্রার্থীরা তাদের উপযোগী ভিসার তথ্য ও করণীয়, আবেদনপ্রক্রিয়া, ভিসাপ্রক্রিয়ার সময়কাল, ভিসা-আশ্রয় (Asylum) স্পন্সরশিপ, অভিবাসননীতি, স্থায়ী বসবাস, ভিসা ফি, অনুমোদিত স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি তথ্য জানতে পারবে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য সরকারের ভিসা ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষের অফিশিয়াল পার্টনার ভিএফএস গ্লোবালের ওয়েবসাইটে (www.vfsglobal.co.uk/bangladesh) বাংলাদেশিদের জন্য নির্ধারিত ভিসা ফি, ভিসা প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে আপিল সম্পর্কিত পরামর্শ, ভিসা আবেদনের যোগ্যতা, গাইডলাইন জানা যাবে। আবেদন করার পর এর সর্বশেষ অবস্থা বা স্ট্যাটাস জানতে হলে যোগাযোগ করতে হবে এই লিংক থেকে—www.gov.uk/contact-ukvi-inside-outside-uk। অস্ট্রেলিয়া : ভ্রমণ, কাজ, অস্থায়ী বসবাস, চিকিৎসা, নাগরিকত্ব ইত্যাদি ভিসা পাওয়ার জন্য কী লাগবে, কিভাবে আবেদন করতে হবে, কেমন খরচ পড়বে—জানা যাবে ভিএফএস গ্লোবালের সাইট www.vfsglobal.com/Australia/Bangladesh/visitor_visa.html-এ। এখানে আবেদন ফরমও আছে। আবেদন করার পর তা ট্র্যাক করা যাবে www.vfsglobal.com/Australia/Bangladesh/track_application.html থেকে। চাইলে অফিস সময়ে কল (+৮৮-০৯৬০৬৭৭৭৯৯৯, +৮৮-০৯৬৬৬৯১১৩৮১) করেও তথ্য জানা যাবে। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশনের সাইটে (www.border.gov.au) ভিসা তথ্য ও অনলাইনভিত্তিক সেবা পাওয়া যাবে। কাঙ্ক্ষিত ভিসা আবেদনের আগে এর যোগ্যতা আছে কি না, এ ব্যাপারে করণীয় কী জানতে হলে ক্লিক করুন www.border.gov.au /Trav/Visa-1 লিংকে। কানাডা : কানাডা সরকারের সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন কানাডা (সিআইসি) কর্তৃপক্ষ বিদেশিদের অভিবাসন ও নাগরিকত্বের বিষয়টি দেখভাল করে। সিআইসির ওয়েবসাইটে (www.cic.gc.ca) ভিসাপ্রার্থীরা অভিবাসনের পাশাপাশি ভ্রমণ, চাকরি, শিক্ষা ভিসার বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারবে। এ ছাড়া প্রার্থীর ভিসা আবেদনের যোগ্যতা আছে কি না, তা-ও যাচাই করা যাবে এ সাইটে। বাংলাদেশি প্রার্থীদের কোন ভিসার জন্য কী কী লাগবে, আবেদন কিভাবে, কেমন সময় লাগবে, ফি কত দিতে হবে, তা জানা যাবে ভিএফএস গ্লোবালের সাইট www.vfsglobal.ca/Canada/Bangladesh থেকে। আবেদনের পর প্রার্থীরা আবেদনপ্রক্রিয়ার হাল অবস্থাও জানতে পারবে অনলাইনে http://bit.ly/2trWEd4-এ।

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি