ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:১৭:৪৮

ঢাকা থেকে আজ বাস যাচ্ছে নেপালে

ঢাকা থেকে আজ বাস যাচ্ছে নেপালে

বাংলাদেশের বাংলাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে ভারত হয়ে নেপাল যাবে যাত্রিবাহী বাস। নেপালের কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে আজ সোমবার ঢাকা থেকে রওনা দিচ্ছে একটি বাস, যার মূল উদ্দেশ্য ঢাকা-কাঠমান্ডু বাস সার্ভিস খতিয়ে দেখা। আজ সোমবার যে বাসটি যাচ্ছে তাতে থাকছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, দাতা সংস্থা এবং ভারত ও নেপালের প্রতিনিধিসহ ৪৫ জন যাত্রী। ঢাকার কমলাপুর থেকে ছেড়ে বাসটি ভারতের শিলিগুড়ি হয়ে নেপালের কাঠমান্ডু যাওয়ার কথা রয়েছে। পরীক্ষামূলক এ বাসটি কাঠমান্ডু গিয়ে পৌঁছাবে আগামী বৃহস্পতিবার অর্থাৎ তিনদিন সময় নিয়ে বাসটি সেখানে পৌঁছাবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম-সচিব চন্দন কুমার দে বলছেন, যাত্রী, যাত্রীবাহী বাস ও মালামালের জন্য কার্গো পরিবহন সুবিধা - তিনটি বিষয়কেই বিবেচনা করা হচ্ছে। ঢাকা থেকে শুরু হয়ে রংপুর, বাংলাবান্ধা হয়ে পশ্চিমবঙ্গের ফুলবাড়ি হয়ে শিলিগুড়ি হয়ে কাকড়ভিটা হয়ে কাঠমান্ডু যাবে। যাত্রাপথে বাংলাদেশ অংশ ও ভারতের অংশে ৩৭ কিলোমিটার অংশ সমতল ভূমি কিন্তু নেপালের অংশের কি অবস্থা সেটাই যাচাই করার জন্য কর্মকর্তারা পর্যবেক্ষণ করবেন। চন্দন কুমার দে বলেন, এবার বিভিন্ন স্পটে থেমে থেমে যাবো। এক হাজার কিলোমিটার সড়ক। তবে এবার আমরা বুঝবো যে কেমন সময় লাগবে। যাত্রীদের জন্য কবে নাগাদ চালু হবে এ বাস সার্ভিস ? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভুটান, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারতের মধ্যে একটি চুক্তি হবে যেটা এবারের এ পরীক্ষামূলক যাত্রার পরই হওয়ার কথা ছিল। সেটা হয়ে গেলেই আমরা স্থায়ীভাবে চালুর উদ্যোগ নিবো। বাস যাত্রায় যাত্রীদের খরচ কেমন হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সার্ভিস চালু হওয়ার পর অপারেটররা সেটা ঠিক করবেন তবে বিমানের চেয়ে অনেক অনেক কম হবে। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভূটানের মধ্যে সড়কপথে পণ্য ও যাত্রীবাহী যান চলাচল উন্মুক্ত করে দেবার লক্ষ্যে এক চুক্তির খসড়া আগেই বাংলাদেশের মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। বাংলাবান্ধা থেকে নেপালের কাঁকরভিটা স্থলবন্দরের দূরত্ব মাত্র ৫৪ কিলোমিটার। কাঁকরভিটা থেকে কাঠমান্ডুর দূরত্ব প্রায় ৬০০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ২২০ কিলোমিটার পাহাড়ি খাড়া রাস্তা। সব মিলিয়ে ঢাকা থেকে কাঠমান্ডু ১১০৪ কিলোমিটার সড়কপথ বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। তথ্যসূত্র: বিবিসি। এসএইচ/
স্বাস্থ্য ও পুষ্টিখাত উন্নয়নে বিশ্বে রোল মডেল বাংলাদেশ

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বাস্থ্য ও পুষ্টিখাতের উন্নয়নে সারাবিশ্বে রোল মডেল। আজ থেকে ২৯ এপ্রিল ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০১৮’ উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ২৩ থেকে ২৯ এপ্রিল ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০১৮’ উদযাপিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।আবদুল হামিদ বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সুস্থ, সবল ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে ১৯৭৪ সালে জাতীয় পুষ্টি প্রতিষ্ঠান এবং ১৯৭৫ সালের ২৩শে এপ্রিল জাতীয় পুষ্টি পরিষদ গঠন করেন। বর্তমান সরকার তাঁর সেই সুদূর প্রসারী ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পুনর্গঠিত জাতীয় পুষ্টি পরিষদের নিরলস প্রচেষ্টায় দেশে চলমান পুষ্টি কার্যক্রম ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় পুষ্টি পরিষদের উদ্যোগে প্রণীত হয়েছে জাতীয় পুষ্টিনীতি ২০১৫ এবং দ্বিতীয় জাতীয় পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা। প্রণীত হয়েছে ভোজ্য তেলে ভিটামিন-এ সমৃদ্ধকরণ, খাবার লবণে আয়োডিন সমৃদ্ধকরণসহ অন্যান্য যুগান্তকারী আইন ও বিধি।তিনি বাণীতে আশা প্রকাশ করেন এ সব আইন ও নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ ও সফল প্রয়োগের মাধ্যমে জনসাধারণের নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত হবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, খাদ্যের মধ্যে নিহিত পুষ্টিগুণ আমাদের সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম রাখে। তাই জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০১৮ এর এবারের প্রতিপাদ্য ‘খাদ্যের কথা ভাবলে পুষ্টির কথাও ভাবুন’ যথাযথ হয়েছে।তিনি বলেন, জাতীয়ভাবে পুষ্টি সপ্তাহ পালনের উদ্যোগ জনগণকে পুষ্টি সচেতন করার পাশাপাশি সুস্থ, সবল ও সমৃদ্ধশালী জাতি গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। সূত্র : বাসস এসএ/    

দেশের উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবে ৮ দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে দেশের উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করেছেন।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফর সঙ্গীদের নিয়ে স্থানীয় সময় গতকাল সন্ধ্যা ৮টা (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা) হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন বিমানন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। ফ্লাইটটি আজ বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫ থেকে ১৬ এপ্রিল সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে গাল্ফ শীল্ড-১ শীর্ষক একটি যৌথ সামরিক মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দুদিন সৌদি আরব সফর করেন। সফরের দ্বিতীয় পর্বে প্রধানমন্ত্রী কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের সম্মেলন (সিএইচওজিএম)-এ যোগ দিতে ১৬ এপ্রিল লন্ডন আসেন। ১৯ এপ্রিল শেখ হাসিনা সিএইচওজিএম-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র দেয়া আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনায় যোগদান করেন।তিনি বাকিংহাম প্যালেসে কমনওয়েলথ সরকার প্রধান ও তাঁদের স্বামী/স্ত্রীদের সম্মানে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের দেয়া এক নৈশভোজ এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে ও কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ডের দেয়া সংবর্ধনায়ও যোগ দেন।সফরকালে শেখ হাসিনা ওয়েস্টমিনিস্টারে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ কনফারেন্স সেন্টারে কমনওয়েলথ রাষ্ট্রসমূহের একটি নারী ফোরামে কন্যাশিশুর শিক্ষা সংক্রান্ত অধিবেশনে উপস্থাপক হিসেবে যোগ দেন। শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যের মর্যাদাবান থিংকট্যাংক ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (ওডিআই) আয়োজিত বাংলাদেশের উন্নয়নে নীতি, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা বিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে যোগ দেন।এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী এশীয় নেতৃবৃন্দের একটি গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।আওয়ামী লীগের যুক্তরাজ্য শাখা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে লন্ডনে তাঁকে এক সংবর্ধনা প্রদান করে। সূত্র : বাসস এসএ/    

মার্কিন মানবাধিকার প্রতিবেদন কূটনৈতিক শিষ্টাচার-বহির্ভূত  

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘সরকারের কোনো বক্তব্য না নিয়ে একতরফাভাবে তৈরি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মানবাধিকার প্রতিবেদন মনগড়া, ভিত্তিহীন ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার-বহির্ভূত।’ তথ্যমন্ত্রী রোববার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সদ্য প্রকাশিত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মানবাধিকার প্রতিবেদন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার একতরফাভাবে বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর বার্ষিক প্রতিবেদন দিয়ে আসছে। এটা তাদের একতরফা পদক্ষেপ। যেসব দেশের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রতিবেদন দেয়, সৌজন্যমূলকভাবেও সেসব দেশের সরকারের বক্তব্য বা মতামত নেয় না। তিনি বলেন, ‘কোনো দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক বা অর্থনৈতিক বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির সময় সে দেশের সরকারের ভাষ্য না নেওয়া কূটনৈতিক শিষ্টাচার-বহির্ভূত। বাংলাদেশের ওপর এ প্রতিবেদন তৈরির আগে তথ্য মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইন মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নেওয়া উচিত ছিল। তা না করে এ ধরনের মনগড়া ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। আমরা তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করছি।’ ‘এ রিপোর্টে যে বেসরকারি সংস্থাগুলোর বরাত দেওয়া হয়েছে, তাদের বক্তব্যও পরস্পরবিরোধী’—এ কথা উল্লেখ করে হাসানুল হক ইনু বলেন, এদের মধ্যে একটির নাম ‘অধিকার’। ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকায় হেফাজতের সমাবেশ শেষে তারা হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল বলে প্রতিবেদন দেওয়ার পর তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে তালিকা চাওয়া হয়েছিল। এনজিও ‘অধিকার’ তালিকা দিতে ব্যর্থ হয়। এমন এনজিওর বরাতে তৈরি প্রতিবেদন সঠিক হওয়ার কথা নয়। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যম খুবই সরব এবং নিঃসংকোচে মতপ্রকাশ করে বলে রিপোর্টে স্বীকার করে নেওয়ার পরও বলা হয়েছে সরকারবিরোধী বক্তব্যের জন্য তাদের সঙ্গে সরকারের নেতিবাচক সম্পর্ক—এ অভিযোগও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’ তিনি বলেন, ‘সমালোচনার জন্য কোনো গণমাধ্যমের সঙ্গে সরকারের নেতিবাচক আচরণের ঘটনা নেই। এ দেশের গণমাধ্যম জীবন্ত এবং সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কথা বলার অধিকারের ওপর কোনো সরকারি নিয়ন্ত্রণ নেই। সাংবাদিক কেউ নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করেন বা কেউ দমন-পীড়নের আতঙ্কে আছেন, এমন অভিযোগও নেই।’ এসি  

ছোট্ট সেঁজুতির চিঠির জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী!

সেঁজুতি নারায়নগঞ্জে প্রমিস চাইল্ড অ্যাকাডেমির দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। কিছুদিন আগে তার দাদু মারা গেছে। সেঁজুতি তার দাদুকে ভুলতে পারেনা। টিভিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখে তার মনে পড়ে তার দাদুর কথা। তার মনে হয় প্রধানমন্ত্রীর চেহারার সঙ্গে তার দাদুর চেহারার অনেক মিল। বিশেষ করে নাক। তাই আবেগ সংবরন করতে না পেরে চিঠি লিখে প্রধানমন্ত্রীকে। ছোট্ট হাতের সেই আঁকাবাঁকা চিঠিতে সে প্রধানমন্ত্রীকে তার বাড়ীতে আমন্ত্রন জানায়। এক সপ্তাহ পর আসে প্রধানমন্ত্রীর চিঠির উত্তর। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লোগো সংবলিত নিজস্ব প্যাডে কম্পোজ করা সেই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী সেঁজুতিকে ভাল করে পড়তে বলেন। সেঁজুতির দাদুকে যেন আল্লাহ বেহেশত নসীব করেন সেই কামনাও করেন তিনি। চিঠিটি পড়ার সময় মনে হয় যেনো কোনো আপন দাদী নাতিনের চিঠি বিনিময় হচ্ছে। গ্রাম বাংলার যৌথ পরিবারগুলোতে যে ভালবাসা লুকায়িত তা পাওয়া যায় এই চিঠিতে। সেঁজুতি`র মা আজ রোববার সন্ধ্যায় এই প্রতিবেদককে বলেন, প্রধানমন্ত্রী এতো ব্যস্ততার মধ্যেও আমার ছোট্ট একটা মেয়ের চিঠি উপেক্ষা করতে পারেননি, এটাই আশ্চর্য্যের। আসলেই তার মানবতা অনেক উঁচু পর্যায়ের। এএ/ এমজে

বাসচাপায় পা হারানো রোজিনার অবস্থার অবনতি     

বিআরটিসি বাসের চাপায় পা হারানো রোজিনা আক্তারের অবস্থার অবনতি হচেছ বলে জানিয়েছেন জাতীয় অর্থপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (পঙ্গু হাসপাতাল) চিকিৎসকরা। রোজিনা রাজধানীর বনানীতে রাস্তা পার হওয়ার সময় বিআরটিসি বাস তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।     রোজিনার চিকিৎসায় ওই হাসপাতালে যে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে, তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন গণি মোল্লা। তিনি রোববার দুপুরে বলেন, “ওর অবস্থা সঙ্কটাপন্ন। আজ আমরা দ্বিতীয় অপারেশন শেষ করেছি। এ অবস্থায় আসলে কিছুই বলা যাচ্ছে না। রিকভারি রুমে আছে।” ময়মনসিংহের মেয়ে রোজিনা গত ১০ বছর ধরে ঢাকায় সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজার বাসায় কাজ করে আসছিলেন। শুক্রবার রাতে বনানীতে রাস্তা পার হওয়ার সময় বিআরটিসির একটি বাসের চাপায় তার পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ইশতিয়াক রেজা রোববার দুপুরে তিনি বলেন, ‘‘প্রথমবার অস্ত্রোপচারে রোজিনার ডান পা উরু থেকে কেটে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে পচন ধরায় রোববার আবারও অস্ত্রোপচার করে বাকি অংশটুকু ফেলে দিতে হয়েছে। অবস্থা বেশ খারাপের দিকে। শরীর থেকে জ্বর নামছে না। এটাকে বলা হয় সেপ্টিসিমিয়া; এটা খুবই ডেঞ্জারাস।” ২১ বছর বয়সী রোজিনা শনিবার জানিয়েছিলেন, রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি গাড়ির ধাক্কায় তিনি পড়ে যাওয়ার পর বিআরটিসির একটি দ্বিতল বাস তার উপর দিয়ে চলে যায়। সে সময় বাসটি থামানো হলে তার এই পরিণতি হত না। সে সময় আশপাশে পুলিশসহ অনেকে ছিল জানিয়ে রোজিনা বলেন, “দুইবার আমার উপর দিয়ে চাকা চলে গেছে। আমি শুধু বলছিলাম, আমাকে একটু হসপিটালে নিয়ে যান। এরপর আর কিছু জানি না। অনেক মানুষকে বলছি আমাকে একটু হসপিটালে নিয়ে যেতে। অনেক মানুষকে বলছি। সার্জেন্টও ছিল। কিন্তু ধরে নাই।” পরে কয়েকজন মিলে রোজিনাকে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত ১টার দিকে অস্ত্রোপচার করে তার পা কেটে ফেলা হয়। এসি   

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নারী প্রার্থী নেই (ভিডিও)

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩১ ওয়ার্ডে ১৭০ কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে একজনও নারী প্রার্থী নেই। মোট ভোটার সংখ্যার অর্ধেক নারী ভোটার তাই এমন প্রার্থী প্রত্যাশা করছেন, যিনি নারী বান্ধব সিটি করপোরেশন গড়তে সহায়ক হবেন। খুলনা সিটি করপোরেশনের মোট ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ ভোটারের মধ্যে ২লাখ ৪৪হাজার ১শত ৭জন নারী। নারীর ক্ষমতায়ন, নারী অধিকার নিশ্চিত করাসহ নারীদের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করবে-- এমন প্রার্থীকেই চান তারা। নারী নেত্রীরা বলছেন, সংরক্ষিত আসন নয় সাধারণ আসনকে নারীর জন্য সংরক্ষিত করতে পারলে তাদের কাজ করা আরো সহজ হবে। নারীর ক্ষমতায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান আরো সুদৃঢ ও আস্থাশীল হতে হবে বলে মনে করেন এই নাগরিক নেতা। তবে রাজনৈতিক দলগুলো স্থানীয় নেতারা বলছেন, সাধারণ কাউন্সিলর পদের কর্মক্ষেত্র নারীবান্ধব নয়। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়টি এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় ভিন্নমাত্রা পাবে, এমনই মনে করছেন নগরবাসী।

ইতিবাচক ভাবমূর্তি ফিরিয়ে এনেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা (ভিডিও)

দক্ষ নেতৃত্ব, জাতীয়তাবাদী আন্দোলন আর একটি রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা ও তার রুপকার হিসেবে বিশ্বের রাজনীতিবিদদের কাছে অনুকরণীয় ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এ’কারণে ক্ষুদ্র এবং দরিদ্র হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশকে ভিন্ন চোখে দেখতেন বিশ্ব নেতারা। দীর্ঘদিন পরে হলেও বাংলাদেশের সেই ইতিবাচক ভাবমূর্তি ফিরিয়ে এনেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। মানবিক গুণাবলি, যোগ্য নেতৃত্ব আর বহুমাত্রিক উন্নয়নের কারণে আবারো বিশ্বের বিস্ময় হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। বিশ্ব মানচিত্রে খুব অল্প জায়গা দখল করে আছে বাংলাদেশ। তবে, ক্ষুদ্র এই জাতি রাষ্ট্রের রয়েছে অনন্য ইতিহাস। অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করা আর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার সাফল্য রয়েছে বাঙালীর ঝুঁড়িতে। আর এর রুপকার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এ’কারণে বিশ্বের বাঘা বাঘা রাষ্ট্রনায়কেরা বঙ্গবন্ধুকে দেখতেন সম্মান আর সমীহের চোখে, বাংলাদেশও ছিলো তাদের আগ্রহের জায়গায়। তবে, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বদলে যায় সেই চিত্র। দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে দেশের হাল ধরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। দুর্বার গতিতে দেশকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয়ে শুরু করেন কাজ। তবে, ক্ষমতার পালাবদলে আবারো থমকে যায় দেশের অগ্রযাত্রা। ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কাজ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বল্প সময়ে সব সূচকে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বিশ্ববাসী তাই এগিয়ে যাওয়ার গল্প শুনতে চায় বাংলাদেশের কাছে। সম্প্রতি লন্ডনে যুক্তরাজ্যের মর্যাদাশীল থিঙ্ক ট্যাঙ্ক বৈদেশিক উন্নয়ন ইন্সটিটিউট- ওডিআই আয়োজিত, বাংলাদেশের উন্নয়নের গল্প শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজনই বলে দেয় বিশ্বের কতটা মনযোগ কেড়েছে বাংলাদেশ। শুধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই নন, তার সাথে অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ হচ্ছে উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীনতম দল আওয়ামী লীগও। সরকারি পর্যায়ে যোগাযোগের পাশাপাশি দল হিসেবে আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের রাজনৈতিক দল গুলোর সঙ্গে পারস্পারিক সহযোগিতা, সমঝোতা ও সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

‘দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য’

দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। শুধু তাই নয়, জনসম্পদ উন্নয়নেও বাংলাদেশ দ্রুত উন্নতি করছে। বিশ্বব্যাংককে এ কথা জানিয়েছেন ভারতের অর্থসচিব সুভাষ গার্গ। তিনি বলেন, চলতি বছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ২ শতাংশ। এটি ভারতের চেয়ে দশমিক ২ শতাংশ কম। সম্প্রতি বিশ্ব ব্যাংক ডেভেলপমেন্ট কমিটির সামনে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার সময় এসব কথা বলেন তিনি। সুভাষ গার্গ বলেন, ভারত এখন অর্থনীতিতে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল দেশ। আর বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয়। বিগত ২০ বছরে ২ কোটি মানুষকে দারিদ্রের কষাঘাত থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আর এখন দারিদ্রসীমার নিচে বাস করা মানুষের সংখ্যা ২৪ শতাংশ। এই বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলাদেশ শিশুমৃত্যু হার কমিয়ে এনেছে ৩.৪ শতাংশে। এছাড়া মাতৃত্বকালীন মৃত্যু এখন ১ লাখের ১৭৬ জন। বৈশ্বিক বিবেচনায় এটা খুবই ইতিবাচক। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের উন্নতি এটাই স্বাক্ষ্য দেয়।  ভারতের রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর উরজিত প্যাটেল বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির অনেক উন্নতি হচ্ছে। ২০১৮ সালের জুনে শেষ হতে যাওয়া অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৭ শতাংশ হওয়ার কথা। বাংলাদেশ সরকার এই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে দ্বিপাক্ষিকসহ বেশ কিছু দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধি করছে। একে// এআর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি