ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৩:৫৯:০২

সরকার আবারও চালু করছে ১০ টাকায় চাল কর্মসূচি

সরকার আবারও চালু করছে ১০ টাকায় চাল কর্মসূচি

সরকার আবার ১০ টাকা দরে চাল বিক্রির কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। আগামী মার্চ থেকে খাদ্য বান্ধব এ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। অতি দরিদ্র ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা করে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। এই কর্মসূচির জন্য বছরে ৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল দরকার হবে।  বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) খাদ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। এতে খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, চলতি আমন মৌসুমে ৬ লাখ মেট্রিক টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। ইতিমধ্যে ৫ লাখ ৪০ হাজার মে. টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকিটাও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংগ্রহ করা হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে সরকারের খাদ্যশস্য মজুত আছে ১৪ লাখ ২০ হাজার মে. টন। এর মধ্যে ১০ লাখ ৪০ হাজার মে. টন চাল এবং বাকিটা গম। ২০১৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলায় হতদরিদ্রদের মধ্যে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছিল। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর এবং মার্চ ও এপ্রিল এই পাঁচ মাস চাল বিতরণ করা হয়। এই কর্মসূচির আওতায় একটি স্লোগান ঠিক করা হয়। ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’। কিন্তু ওই কর্মসূচি নিয়ে ওই বছর সারা দেশে ব্যাপক অভিযোগ উঠে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ধনীরা ওই কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছে ও দরিদ্ররা পাচ্ছেন না বলেন অভিযোগ উঠে। পরবর্তীতে তালিকা সংশোধন করে কর্মসূচিটি চালু হয়। কিন্তু ২০১৭ সালে সেপ্টেম্বর মাসে সরকারি গুদামে চাল সংকটের কারণে কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়। সরকারি গুদামে চালের পরিমাণ ১০ লাখ টন অতিক্রম করার পর আবারও ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির ওই কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খাদ্য সচিব শাহবুদ্দিন আহমদ বলেন, সবার সহযোগিতায় আমন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৫ লাখ ৪০ হাজার মে. টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকিটাও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংগ্রহ করা হবে। খাদ্য বান্ধব কর্মসূচিও যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মিডিয়ার দায়িত্বশীল ভূমিকা ও সহযোগিতা কামনা করেন। খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জনাব বদরুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য অধিদপ্তর ও মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তারা। এসি/
উপসচিব হলেন ৩৯১ জন

বিভিন্ন ক্যাডারের মোট ৩৯১ জন কর্মকর্তাকে সরকারের উপসচিব হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে এই পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপণ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে ২৮৬ জন প্রশাসন ক্যাডারের এবং ১০৫ জন অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মধ্যে ২৪ তম বিসিএসের কর্মকর্তা বেশি। পদোন্নতি পেলেও পদের অভাবে প্রশাসন ক্যাডারের অধিকাংশ কর্মকর্তাকে আগের পদে চাকরি করতে হবে। আর অন্য ক্যাডার থেকে আসা কর্মকর্তাদের পদের জন্য আরো বেশি লড়াই করতে হবে। কারণ তাদের প্রায় সবার আগের পদে থাকার সুযোগ নেই। যেমন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ১৪ জন কর্মকর্তা এবার উপসচিব হলেন। ফলে তারা কোন ভাবেই আগের পদে থাকতে পারবেন না। এখন উপসচিবের পদ কম থাকায় কাঙ্খিত পদ পেতেও বেগ পেতে হবে। রেওয়াজ অনুযায়ী যেসব কর্মকর্তা  উপসচিব হলেন, তাদের জনপ্রশাসনে বিশেষ ভারপাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। এখন তাদের বিভিন্ন জায়গায় পদায়ন করা হয়েছে। এত দিন উপসচিব ছিলেন  ১ হাজার ৩৫৪ জন। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের মিলিয়ে এখন এই পদে কর্মকর্তার সংখ্যা হলো ১ হাজার ৭৪৫। অথচ সব মিলিয়েও উপসচিবের পদ আছে ১ হাজার ৩২৪ টি।  / এআর /

‘প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে ২২ মার্চ’

আগামী ২২ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের তালিকায় বাংলাদেশের প্রবেশের প্রক্রিয়া শুরু উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের একথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ায় আগামী ২২ মার্চ প্রধানমন্ত্রীকে আরম্ভর সংবর্ধনা দেওয়া হবে। সে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত অবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানাতে ওইদিন ঢাকা থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে আনন্দ র‍্যালিসহ সারাদেশে আনন্দ উৎসব করা হবে। এছাড়া সপ্তাহব্যাপী সারাদেশে আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভিন্ন রকম ডিসপ্লে করবে। ওইদিন রাজধানীতে ভিড় হতে পারে। সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকবে।’ বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের অতি দ্রুত খুঁজে বের করে গ্রেফতার করা হবে। উল্লেখ্য, উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশের জন্য আগামী ২২ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানাবে বাংলাদেশ। একে// এআর

দুর্নীতির সূচকে ৮ ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের [ভিডিও]

দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) প্রকাশ করা দুর্নীতির ধারণাসূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ২৩তম। সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় গতবার বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো ১৫তম। ফলে এবার বাংলাদেশ ৮ ধাপ উন্নতি করেছে। এর মানে দাঁড়ালো এক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশে দুর্নীতি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বৃহস্পতিবার জার্মানির বার্লিনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান টিআইয়ের প্রকাশ করা ২০১৮ সালের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বার্লিন থেকে প্রকাশিত এ প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্নীতির ধারণাসূচক অনুযায়ী এবার বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ সোমালিয়া। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দুর্নীতির দেশ হচ্ছে নিউজিল্যান্ড। একে// এআর

চিকিৎসার জন্য আজ সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

চোখের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আজ বুধবার ছয় দিনের সফরে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাত ১১টা ৫০ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রাষ্ট্রপতি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন। চিকিৎসা শেষে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল আই হসপিটালে চোখ ও মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাবেন রাষ্ট্রপতি। এর আগে স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় মো. আবদুল হামিদ চোখের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যেতেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের পাশাপাশি কয়েক দফা যুক্তরাজ্যে গিয়েছেন তিনি।   আর

বঙ্গবন্ধু যেভাবে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর পরিকল্পনা করেছিলেন

দেশ যখন মুক্তিযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখনই সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর ব্যাপারে তাঁর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। বিভিন্ন সময়ে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া বক্তব্য, সাক্ষাৎকার এবং রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনায় তিনি সর্বস্তরে বাংলা চালুর এই পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। ১৯৭১ সালে বাংলা একাডেমিতে শহীদ দিবস (ভাষা শহীদ দিবস) উপলক্ষে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপি অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর ব্যাপারে তার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন। স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে ১৯৭১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সোমবার বাংলা একাডেমি ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এটি কোন ছুটির দিন ছিলো না। তবুও সেদিন বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য শুনতে প্রখ্যাত লেখক, কবি, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছিলো বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ। বঙ্গবন্ধু এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। বাংলা একাডেমির সেসময়কার চেয়ারম্যান প্রখ্যাত লেখক সৈয়দ মুরতজা আলীর সভাপতিত্বে সেদিন স্বাগত বক্তব্য দেন বিশিষ্ট লেখক ও বাংলা একাডেমির পরিচালক অধ্যাপক কবির চৌধুরী। বঙ্গবন্ধুর অন্যান্য অনেক বক্তৃতার মতই সেদিনের বক্তৃতাও দেশের প্রধান প্রধান বাংলা ও ইংরেজি সংবাদপত্রে প্রকাশ করা হয়। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন সময়ের দেওয়া এসব বক্তৃতা থেকে নির্বাচিত বক্তৃতা নিয়ে একটি সংকলন গ্রন্থ সম্পাদনা করেন। মুক্তধারা প্রকাশন ১৯৭২ সালে ‘বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ’ নামে এই সংকলন গ্রন্থ প্রকাশ করে। ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বঙ্গবন্ধু উদ্বোধনী ভাষণে বলেন, তার দল ক্ষমতায় আসলে শুরুতেই সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করা হবে। তিনি সেদিন সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর জন্য কীভাবে বাংলা পরিভাষা তৈরি করা হবে সে ব্যাপারেও পরামর্শ দেন। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘আমার দল ক্ষমতা গ্রহণের দিন থেকেই সরকারি অফিস আদালত ও জাতীয় জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে বাংলা চালু করবে।’ এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন করে। সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি বৈদেশিক যোগাযোগ ছাড়া দেশের রাষ্ট্রীয় কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়। তা সত্ত্বেও এখনও কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাংলাভাষা খুব কম ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলা ভাষায় বই ও পরিভাষার অভাবের অজুহাতে এখন উচ্চ আদালতে দাফতরিক কাজে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করা হয়। বঙ্গবন্ধু তাঁর বক্তৃতায় সর্বস্তরে বাংলা চালুর ব্যাপারে তাগিদ দেন এবং পরিভাষার জন্য অপেক্ষা না করে তা ‘তখনই’ শুরু করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমরা পরিভাষার অপেক্ষা করবো না। তাহলে সর্বক্ষেত্রে কোনদিনই বাংলা চালু করা সম্ভবপর হবে না।’ স্বাধীনতার মহান স্থপতি বলেন, ব্যবহারের মধ্যে দিয়েই বাংলা ভাষার উন্নয়ন হবে। কেননা ভাষা সব সময় মুক্ত পরিবেশে বিস্তার লাভ করে। ‘ভাষার গতি নদীর ¯রাতের ধারার মতো। ভাষা নিজেই তার গতিপথ রচনা করে নেয়। কেউ এর গতি রোধ করতে পারে না।’ এছাড়াও তিনি লেখক, কবি এবং নাট্যকারদের মুক্তমনে লেখার আহবান জানিয়ে বলেন, ‘বাংলা ভাষাকে গণমুখী ভাষা হিসেবে গড়ে তুলুন। জনগণের জন্যই সাহিত্য। এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিজেদের লেখনীর মধ্যে নির্ভয়ে এগিয়ে আসুন। দুঃখী মানুষের সংগ্রাম নিয়ে সাহিত্য সৃষ্টি করুন।’তিনি বলেন, আমাদের প্রাত্যহিক কর্মকান্ডে বাংলা ভাষার ব্যবহারের মধ্যে দিয়েই দেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু হবে। সূত্র: বাসস   আর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি