ঢাকা, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ৪:২৪:৫০

পর্নো দেখিয়ে শিশু ধর্ষণের চেষ্টা!

পর্নো দেখিয়ে শিশু ধর্ষণের চেষ্টা!

পিরোজপুর সদরে মুঠোফোনে পর্নো ছবি দেখিয়ে ৬ বছরের এক মেয়ে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে এক তরুণ। তাকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসামির বাড়ি সদর উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নে। পুলিশ ও শিশুর পরিবার জানায়, শিশুর বাড়ি উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নে। সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে শিশুটি বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী ওই তরুণ শিশুটিকে তাঁর ঘরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তরুণ শিশুটিকে মুঠোফোনে পর্নো ছবি দেখায় এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালান। শিশুটির চিৎকার শুনে তার বড় বোন সেখানে যায়। তখন তরুণ পালিয়ে যান। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ওই তরুণকে গ্রেফতার করে। পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুমুর রহমান বিশ্বাস বলেন, দুপুরে তরুণকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মাথার আঘাতে রূপার মৃত্যু: মিলেছে ধর্ষণের আলামতও

মাথায় আঘাতের কারণেই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কর্মী রূপা খাতুনের মৃত্যু হয়েছে। আর মৃত্যুর আগে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছিল। টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার রূপার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকেরা এ প্রতিবেদন সিভিল সার্জনের কাছে জমা দিয়েছেন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম খান (ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক) প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তথ্যের সত্যতা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোবাইলে রূপার ভাই হাফিজুল ইসলাম গণমাধ্যকে জানান, তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই বর্বর ঘটনার বিচার চান। কোনো আসামি যাতে আইনের ফাঁক দিয়ে বের হয়ে যেতে না পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তদন্তকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন। উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে রূপা খাতুনকে চলন্ত বাসের শ্রমিকেরা ধর্ষণ করে। পরে ঘাড় মটকে তাঁকে হত্যা করে টাঙ্গাইলের মধুপুর বন এলাকায় ফেলে রেখে যায়। পুলিশ ওই রাতেই তাঁর লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে পরদিন বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মধুপুর থানায় হত্যা মামলা করে। ৩১ আগস্ট রূপার লাশ উত্তোলন করে তাঁর ভাইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাঁকে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নিজ গ্রাম আসানবাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়।   ডিএনএ প্রতিবেদন পাওয়ার পরই অভিযোগপত্র: এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মধুপুরের অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক কাইয়ুম খান সিদ্দিকী জানান, ময়নাতদন্তের সময় সংরক্ষিত রূপার দাঁত ও পরিধেয় বস্ত্র ডিএনএ পরীক্ষায় পাঠানোর জন্য টাঙ্গাইল বিচারিক হাকিম আদালতে মঙ্গলবার আবেদন করা হয়েছিল। আদালত ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছেন। বুধবার সকালে এগুলো পরীক্ষার জন্য সিআইডির পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। এ প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই এ মামলার অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে। কোন আইনের কোন কোন ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে, সেই আইনগত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও তিনি জানান। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মাহবুব আলম জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ডিএনএ পরীক্ষা করে আনা হবে। আরকে/টিকে

সন্দ্বীপে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ

সন্দ্বীপের মগধরা ইউনিয়নের ষোলশহর হিন্দুপাড়া এলাকায় সুমিতা মজুমদার (২২) নামের এক যুবতীকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী উজ্জল মজুমদারকে স্থানীয়রা পুলিশে দিয়েছে। উজ্জল মজুমদার মগধরা ৮ নং ওয়ার্ডের ষোলশহর হিন্দু পাড়ার নারায়ণ মজুমদারের ছেলে। সুমিতার ঠুাকুরদা দিলিপ মজুমদার বলেন, সুমিতা অন্তঃসত্ত্বা ছিল। বিয়ের পর স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতো, সুমিতাকে নানা অজুহাতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো উজ্জল। সুমিতার স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে তিনি অভিযোগ করেন। নিহতের মা গীতা রানী মজুমদার বলেন, সুমিতাকে যৌতুকের জন্য তার স্বামী সবসময় নির্যাতন করতো। গতকাল আমাদের বাড়ি থেকে শ্বশুর বাড়ি গেলে উজ্জল যৌতুকের টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। এতে দু’জনের মধ্যে ঝগড়া লাগে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে তার স্বামী পেটে লাথি মারে। পরে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। এ সময় সুমিতার চিৎকারে প্রতিবেশীরা গিয়ে উজ্জলকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে গুরুতর অবস্থায় সুমিতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় সে। তার গায়ে ও গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হবে। লাশ ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। সন্দ্বীপ ১০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মোহাব্বত এর কাছে এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে জানতে চাইলে,  তিনি বলেন, ‘এই ব্যাপারে আমরা কিছুই বলতে পারব না। ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসতে সময় লাগবে।` এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সন্দ্বীপ থানার অফিসার ইনচার্জ সামসুল আলম আশানুরুপ উত্তর দেননি। প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই তিনি ফোন রেখে দেন। বার বার কল করার পরও সাড়া দেননি তিনি।  কেআই/ডব্লিউএন

নৈশকোচ থেকে আটক ৭২ রোহিঙ্গা

কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা নৈশকোচ থেকে ৭২ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব)। রোববার দিবাগত রাতে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কয়েকটি নৈশকোচে তল্লাশি চালিয়ে তাদের আটক করে র‌্যাব-৭। র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর রুহুল আমিন গণমাধ্যমকে বলেন, আটক রোহিঙ্গারা বিভিন্ন কৌশলে ঢাকা ও চট্টগ্রামে চলে যাচ্ছিল। কক্সবাজারের লিংক রোড এলাকায় নৈশকোচে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে মোট ৭২ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, আটক রোহিঙ্গাদের কুতুপালংয়ে শরণার্থী শিবিরে পৌঁছে দেয়া হবে। উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট মায়ানমারের পুলিশের ওপর হামলা চালানো পরই রাখাইনে সেনা অভিযান শুরু হয়েছে। এর ফলে তিন লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।   আর/এআর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তূর্ণা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তূর্ণা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়েছে। সোমবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে ব্রাহ্মবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন মৌড়াইল রেলক্রসিংয়ে এ ট্রেনের ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এর ফলে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের রেল যোগাযোগ সাময়িক বন্ধ থাকে। পরে বিকল্প লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল করছে বলে জানান ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মো. শোয়েব। তিনি বলেন, ভোর পৌনে ৪টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ছেড়ে যাওয়ার পর মৌড়াইল রেলক্রসিংয়ের সামনে ইঞ্জিনসহ তিনটি বগিসহ লাইনচ্যুত হয়। পরে অপর একটি ইঞ্জিন সংযুক্ত করে দুর্ঘটনা কবলিত তিনটি বগি রেখে বাকি বগিগুলো নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়। আখাউড়া লোকোসেড থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে এসে দুর্ঘটনা কবলিত ইঞ্জিন-বগিগুলো উদ্ধারে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।   //আর//এআর

বাবাকে মেরে লাশ গুমের চেষ্টা, ছেলে আটক

চট্টগ্রামে তৈয়ব আলী নামের এক শারীরিক প্রতিবন্ধীকে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টার সময় ধরা পড়েছে তার ছেলে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই যুবকের মা ও খালাকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যাক্তিরা হলেন- নিহত প্রতিবন্ধীর ছেলে মো. সোহেল, তার মা কোহিনূর বেগম, খালা জাহানারা বেগম এবং লাশ গুমের চেষ্টায় সহযোগিতাকারী  রিকশাচালক। নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে জানান, শনিবার রাতে নগরীর সদরঘাট থানার রশিদ বিল্ডিং এলাকা থেকে সোহেল ও রিকশাচালককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে সোহেলের স্বীকারোক্তিতে মাদরবাড়ি টং ফকির মাজার এলাকার বাসা থেকে তার মা ও খালাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহেলের বোনকেও আটক করেছে পুলিশ। তিনি বলেন, সোহেল তার বাবা তৈয়ব আলীকে খুন করে লাশ বস্তায় ভরে রশিদ বিল্ডিং এলাকায় কাভার্ডভ্যান স্ট্যান্ডের বড় নালায় ফেলতে যায়। এসময় এলাকার দারোয়ান নালায় কী ফেলা হচ্ছে জানতে চাইলে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একজন পালিয়ে গেলেও দারোয়ান স্থানীয়দের নিয়ে সোহেল ও রিকশাচালককে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে। সোহেলের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, সে তার বাবার মুখে বালিশ চাপা দেয় এবং মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য কাঁচি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। পরে মা ও খালার সহায়তায় লাশটি বস্তায় ভরে রেখে দেয়। সোহেল তার এক বন্ধুর পরামর্শে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে শনিবার রাতে রশিদ বিল্ডিং এলাকায় নালায় ফেলতে যায়। তার ওই বন্ধুকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।   //আর//এআর

ধামরাইয়ে এক নারীর দুই সংসার, গর্ভের সন্তান নিয়ে বির্তক

ঢাকার ধামরাইয়ে এক তরুণী একসঙ্গে দুই স্বামীর সংসার করতে গিয়ে মহাবিপাকে পড়েছেন। একই সঙ্গে ওই তরুণীর গর্ভের সন্তানকে দুই স্বামী নিজ সন্তান বলে দাবি করলে শুরু হয় বাক যুদ্ধ। ধামরাইয়ে সুতিপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে গ্রামবাসী সামাজিকভাবে তাদের পরিবারকে একঘরে করে রেখেছে। জানা গেছে, ২০১০ সালে ধামরাইয়ের সুতিপাড়া ইউনিয়নের ওই তরুণীর সঙ্গে একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে কাবিন রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক কন্যাসন্তান রয়েছে। ওই তরুণী আবারও ২০১৭ সালের ২৮ জুন ঢাকার নোটারি পাবলিক আদালতে অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের বাসিন্দা মো. সুমন আহম্মেদকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা আশুলিয়ার লাল পাহাড় এলাকায় বসবাস করছিলেন। এর ফাঁকে তিনি আগের স্বামীর সঙ্গেও মেলামেশা করতে থাকেন। ঈদুল আজহার কয়েক সপ্তাহ আগে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হলে আগের স্বামীর ঘরে ফিরে যান। এর পরদিন পরের স্বামীও সেখানে যান এবং স্ত্রীর গর্ভের সন্তান নিজের বলে দাবি করেন। এ সময় ওই তরুণীর আগের স্বামীও একই দাবি করেন। একই সঙ্গে দুই স্বামী স্ত্রী ও গর্ভের সন্তান দাবি করলে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।  এলাকাবাসীর প্রতিবাদের মুখে দুই স্বামী স্ত্রীর বাড়ি থেকে চলে যেতে বাধ্য হন। পরে এলাকাবাসী তাদের পরিবারকেই একঘরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এদিকে গতকাল শুক্রবার সকালে শ্রীরামপুর এলাকায় আসেন ওই তরুণীর দুই স্বামী। এ সময় দুজনেই স্ত্রী ও গর্ভের সন্তান নিয়ে নিজ এলাকায় যেতে চাইলে ফের নতুন করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মাতব্বর মো. আব্দুল মজিদ ও মো. রফিকুল ইসলাম মিলন মাস্টার গণমাধ্যমকে জানান, বিষয়টি স্পর্শকাতর ও ধর্মীয় অনুভূতিতে চরমভাবে আঘাত হানে। এ কারণে ওই তিন পরিবারকে সামাজিকভাবে একঘরে করে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আর/ডব্লিউএন

দৌলতদিয়ায় পারাপারের অপেক্ষায় ৫ শতাধিক যান

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরি ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ৫ শতাধিক যানবাহন। এতে দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কে প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকা যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মহাসড়কে এ যানজট দেখা যায়। যানজট নিরসন ও সিরিয়াল ভেঙে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা না করতে পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরলস ভাবে কাজ করছেন সড়কে। দীর্ঘ যানজটের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা। বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া সহকারী ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) রুহুল আমিন গণমাধ্যমকে জানান, কাঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দৌলতদিয়ায় যানবাহনের বাড়তি চাপ পড়েছে। এজন্য দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ অসংখ্য ছোট গাড়ি সিরিয়ালে রয়েছে। তিনি বলেন, নদীতে স্রোতের কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরি পারাপারে আগের তুলনায় সময় বেশি লাগছে। যানজট নিরসনে এ রুটে ছোট-বড় ২১টি ফেরি চলাচল করছে।   //আর//এআর

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দু:সহ যানজট

গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়া ও মহাসড়কে তিনটি ট্রাক বিকল হওয়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক যানজটে প্রায় স্থবির হয়ে আছে। শুক্রবার বিকাল থেকে শুরু হওয়া এই যানজট আজ সকালেও লক্ষ করা যায়। সরেজমিনে দেখা যায়, শনিবার সকাল থেকে সাতটা পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যানবাহন প্রায় স্থবির থাকে। চালকরা জানান, ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু মানুষ। শুক্রবার দুপুরের পর থেকে তা আরও বৃদ্ধি পায়, বেড়ে যায় যানবাহনের সংখ্যাও। এর ফলে শুক্রবার বিকাল থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে মির্জাপুর উপজেলার শেষ প্রান্ত জামুর্কী পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যার পর মির্জাপুর থেকে গোড়াই পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে গতকাল রাত নয়টার দিকে মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী, রাত ১১টার দিকে মির্জাপুর বাইপাসের বাওয়ার রোডের মাথায় এবং একই সময়ে দেওহাটাতে তিনটি ট্রাক বিকল হয়। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এর ফলে রাতে যানজট মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চলের স্কয়ার এলাকা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত প্রায় ৬০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত হয়। এদিকে প্রচণ্ড গরমের যানজটের কারণে নারী ও শিশুদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বেশি। এছাড়া সকাল সাড়ে সাতটার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি হওয়ায় বাসের ছাদ ও ট্রাকে থাকা যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। মির্জাপুরের গোড়াই হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম কিবরিয়া গণমাধ্যমকে জানান, আমরা চেষ্টা করছি চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য। রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। ঢাকার দিকে যানবাহন চললেও টাঙ্গাইলের দিকে যান চলছে না। এর অনেক কারণ মহাসড়কে চালকেরা যানবাহন নিয়ম মেনে চালাচ্ছেন না।   //আর//এআর  

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের আয়োজনে সঙ্গীতানুষ্ঠান

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে অনুষ্ঠিত হলো সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। গত বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ লাইন অডিটোরিয়ামে এ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার টি. এম মোজাহিদুল ইসলাম, বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী সামিউল হক লিটন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব আলম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সার্কেল) ওয়ারেশ আলী মিঞা, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাবের রেজা আহম্মেদ, গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মাহবুব, সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চৌধুরী জুবায়ের, পরিদর্শক (অপারেশন) আতিকুল ইসলাম, উপ- পরিদর্শক রনি সাহা, গোলাম রসুল, রশিদুল ইসলাম, আইয়ুব আলীসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা। নাচ ও গানের পরিবেশনায় মুগ্ধ দর্শকরা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানটির মূল আকর্ষণ ছিল দি ব্যান্ড আফটার রেইনের সংগীত পরিবেশনা। ব্যান্ড দলের ভোকাল পুলিশ সার্জেন্ট আব্দুল আলিম খানের অসাধারণ প্রতিভা মুগ্ধ করে তোলে অতিথিদের। পুলিশ সদস্যের মাঝে এই অনন্য প্রতিভার কারণে অসংখ্যবার পুরস্কৃত হন তিনি। আরকে/ডব্লিউএন

মূদ্রা বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে প্রতারণা!

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে মুনাফা করছে কতিপয় দালাল চক্র। খুব কম দামে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মূদ্রা বিনিময় করে লাভবান হচ্ছে তারা। যেখানে মিয়ানমারের ১ লাখ কিয়েটের বিনিময়ে মাত্র ৩ হাজার বাংলাদেশি টাকা দেওয়া হচ্ছে। যেখানে তাদের পাওয়ার কথা ৫ হাজার ৯৭৩ টাকা (১ টাকা = ১৬.৭৪ কিয়েট হিসেবে)। জানা গেছে, নতুন করে পাতা এ ফাঁদে রয়েছে উঠতি বয়সী কিছু স্থানীয় দালাল। একটু অন্ধকার হলেই মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের পড়তে হচ্ছে তাদের খপ্পরে। সারা বছরের উপার্জনটুকু যেন সীমানা পার হয়ে দিয়ে দিতে হচ্ছে তাদের। নাফ নদী পার হয়ে হোয়াইক্যং এলাকার লাম্বার বিলের মাঝখান দিয়ে জনস্রোতের মতো আসা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে এমন ঘটনা দেদারছে ঘটছে। রাস্তার মাঝখানে রোহিঙ্গাদের পথ গতিরোধ করে চক্রের সদস্যরা জোরে জোরে বলছে লাখে তিন, লাখে তিন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লাম্বার বিলের মাঝখানে এমনি ঘটনা চোখে পড়ে। কাছে গিয়ে দুই যুবকের পরিচয় জানতে চাইলে প্রথমে না বলতে চাইলেও পরে জানায় তাদের একজনের নাম বাবলু এবং অন্যজন আলাউদ্দিন, বয়স আনুমানিক ২৫’র মতো। পার্শ্ববর্তী নোয়াপাড়া এলাকায় তাদের বাড়ি। চক্রের সদস্যরা জানায়, আমরা এ টাকা কিনে নিয়ে তাদের উপকার করছি। এ বিপদে অবৈধভাবে হলেও তাদের টাকা আমরা নিচ্ছি, এটাই যথেষ্ট! হিসেবে আরও বেশি দিতে হয় এমন প্রশ্নের জবাবে তারা জানালেন, আমাদেরতো কিছু পেতে হবে। পরে দেখা যায়, তাদের সঙ্গে আরও দুই জন রয়েছে। তাদের ভাষ্য, মিয়ানমার টাকা ভাংতি হবে। লাখে ৩ হাজার। এমন সময় একজন রোহিঙ্গা মিয়ানমারের টাকা বিক্রি করছিলেন। তার কাছে রয়েছে মিয়ানমারের ৩৩ হাজার কিয়েট। তাকে দেওয়া হলো ১ হাজার ৫০ টাকা। আবুল হোছাইন নামের ওই ব্যক্তি জানান, মংডুর আজুহাইয়া থেকে তিনি গত রোববার বাড়ি ত্যাগ করেন। টাকার বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কী আর করা। কঁপালে যা আছে। মৃত্যুর খুব কাছ থেকে বেঁচে আসলাম। অর্ধেক মূল্যে হলেও এ বিপদে টাকা বিক্রি করতে পেরেছি-তো। আরকে/ডব্লিউএন

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি