ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ৩:১১:২৩

মাথায় হাত বুলিয়ে কর আদায় করতে চাই

ভ্যাট কমিশনারেট পূর্ব

মাথায় হাত বুলিয়ে কর আদায় করতে চাই

জনগণের মাথায় বাড়ি দিয়ে নয় তাদের মাথায় হাত দিয়ে কর আদায় করতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা পূর্ব কমিশনার মো. জামাল হোসেন। তিনি বলেন, বদলে যাও, বদলে দাও-এ সংস্কৃতি চালুর পাশাপাশি মানুষের মাঝে যে কর ভীতি রয়েছে তা দূর করতে চাই। সোমবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় ক্রীড়া ভবনে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা পূর্বে আয়োজিত জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ উদযাপনের ধারাবাহিকতায় ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ)সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। পূর্ব কমিশনার জামাল হোসেন ইআরএফ এর পক্ষ থেকে দেওয়া প্রস্তাবসমূহ পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়ে বলেন, জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, আগামীতেও হবে। স্টেকহোল্ডারসহ সবার সঙ্গে আমরা মতবিনিময়, প্রচার-প্রচারণা, উদ্ভাবন অব্যাহত রেখেছি। রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে আমরা বদলে যাবার মধ্যে আছি। গণ শুনানির মাধ্যমে করদাতাদের আরও কাছে যাবার চেষ্টা করছি আমরা। একই সাথে বাজেট বাস্তবায়ন এনবিআরের একা নয়, এ দায়িত্ব সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। জামাল হোসেন বলেন, আমরা বিদেশ নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই। এক সময় বিদেশ নির্ভরতা ছিল ৮ থেকে ১০ শতাংশ, এখন তা ২ শতাংশে নামিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, যে দেশের কর দেওয়ার হার যত বেশি সে দেশের অর্থনীতি তত মজবুত। ভিয়েতনামের উদাহরণ দিয়ে কমিশনার বলেন, ভিয়েতনামের ৯ কোটি মানুষের মধ্যে ৩ কোটি মানুষ কর দেয়। যার মধ্যে ২ শতাংশ মানুষ ভ্যাট দেয়। দেশটির তুলনায় আমরা এখনও অনেক পিছিয়ে। আমাদের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র ১২ লাখ মানুষ নিয়মিত কর দেয়। তিনি বলেন, এখন আমরা জনসাধারণের মাথায় বাড়ি দিয়ে নয় তাদের মাথায় হাত দিয়ে কর আদায় করতে চাই। বদলে যাও, বদলে দাও এ সংস্কৃতি চালুর পাশাপাশি মানুষের মাঝে যে কর ভীতি রয়েছে তা দূর করতে চাই। সভায় ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহে ইআরএফকে মতবিনিময়ে আহ্বান জানানোর জন্য ঢাকা পূর্ব ভ্যাট কমিশনারেটকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি ভ্যাট আহরণ ও সেবা প্রদানে এ কমিশনারেটের উদ্ভাবনের প্রশংসা করেন। সাইফ ইসলাম দিলাল বলেন, সেবা দেওয়ার মাধ্যমে এনবিআর যেমন বদলে যাচ্ছে, তেমনি বদলে যাচ্ছে এনবিআরের মাঠ পর্যায়ের সব অফিস। আরিএসব বদলে দেওয়ার প্রতীক বর্তমান এনবিআর চেয়ারম্যান। বদলে দেওয়ার উদ্যোগ মাঠ পর্যায়ে পৌঁছেছে কী না- তা ভাবনার বিষয় ছিল। কিন্তু পূর্ব কমিশনারেটের উদ্যোগ আর উদ্ভাবন ভাবনার চেয়েও বেশি হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রমাণ শুধু এনবিআর নয় মাঠ অফিসেও পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। বদলে যাবার রূপকল্প গোটা দেশের মাঠ পর্যায়ের অফিসে ছড়িয়ে দিতে পারলে রাজস্ব আহরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। পূর্ব কমিশনারেটকে পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক চিত্র পাল্টে যাচ্ছে। রাজস্ব আহরণে সাধারণ মানুষকে নয় ফাঁকিবাজদের আঘাত করতে হবে। রাজস্ব আহরণের চিত্র দেখে বলা যাচ্ছে কর্মকর্তারা কতটুকু নিবেদিত। কর্মকর্তাদের দেশের উন্নয়নে রাজস্ব আহরণে সঠিকভাবে পবিত্র দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি। ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, এ ধরনের মতবিনিময়ের মাধ্যমে রাজস্ব আহরণে সহযোগিতা করার তাগাদা তৈরি করে দেবে। এনবিআরকে সহযোগিতা করা মানে রাষ্ট্রকে সহযোগিতা করা। দেশে মেগা প্রকল্প দেখেই বুঝা যাচ্ছে উন্নয়ন দৃশ্যমান। দেশের মানুষের মাঝে কর সচেতনতা বেড়েছে। রাজস্ব আহরণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভালো উদাহরণ মানুষের মাঝে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে মানুষ অনুপ্রাণিত হবে, রাজস্ব বাড়বে। সভায় ইআরএফ এর কয়েকজন সদস্য ভ্যাট অনার কার্ড এর সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন, রাজস্ব কোথায় ব্যয় হচ্ছে তা জনগণকে জানানোর ব্যবস্থা করা, উদ্ভাবন ও অটোশেণকে গুরুত্ব দেওয়া, ইসিআর এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, রাজস্বের ক্ষেত্রে সমতা তৈরিসহ বেশ কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। সভায় অতিরিক্ত কমিশনার মো. জাকির হোসেন এ কমিশনারেটের উদ্ভাবন তুলে ধরে বলেন, কমিশনারেটে কাজের গতি আনা, ভ্যাট আহরণ বৃদ্ধি এবং সেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্ভাবনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নতুন উদ্ভাবন যেকোন ফাইল, কাগজের ওপর লেখা রয়েছে-আমাকে ফেলে রাখবেন না। সব সময় এ কমিশনারেট রাজস্ব আর সেবার ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকে। তিনি বলেন, চলতি অর্থবছর এ কমিশনারেটের লক্ষ্যমাত্রা ২ হাজার ১০৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা। অক্টোবর পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা ৫১৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকার বিপরীতে ৫২৯ কোটি ৩৭ লাখ ও ১৩৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকার উৎসে কর আহরণ হয়েছে। অক্টোবর পর্যন্ত এ কমিশনারেটের প্রবৃদ্ধি ৩২ শতাংশ। আর বিদায়ী অর্থবছর এ কমিশনারেট ১ হাজার ৫১৭ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকা আহরণ করেছে। তিনি আরো বলেন, ভ্যাট বিষয়ে যেসব অভিযোগ ভ্যাট অনলাইন ব্যবস্থা চালু হলে তা আর থাকবে না। বিশেষ করে রিটার্ন দাখিল চালু হলে হয়রানির কোন অভিযোগই আশা করি আসবে না। হয়রানি রোধ এবং সেবা প্রদানে আমরা আউট অব দ্য বক্সে কাজ করার চেষ্টা করছি। সভায় পূর্ব কমিশনারেটের পক্ষ থেকে ইআরএফকে সম্মননা প্রদান করা হয়।     আর
ইসলামী ব্যাংকের ৩৩০তম শাখা উদ্বোধন

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ৩৩০তম শাহ্পরাণ শাখা বৃহস্পতিবার সিলেটের খাদিম পাড়ায় উদ্বোধন করা হয়। ব্যাংকের পরিচালক হেলাল আহমদ চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে শাখাটি উদ্বোধন করেন। ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সিলেট অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম, সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, সিলেট শিল্প ও বণিক সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি মাসুদ আহমদ চৌধুরী এবং সিলেট প্রেস ক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবির। ‘ইসলামী ব্যাংকিংয়ের শ্রেষ্ঠত্ব’ শীর্ষক আলোচনা করেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং শরীয়াহ্ সেক্রেটারিয়েট প্রধান মো. শামসুল হুদা। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সিলেট জোনপ্রধান মোহাম্মদ সায়েদ উল্লাহ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর    

ডব্লিউটিও’র সম্মেলনে যোগ দিতে আর্জেন্টিনায় বাণিজ্যমন্ত্রী

ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউটিও) ১১তম মিনিস্টিরিয়াল কনফারেন্সে যোগ দিতে আর্জেন্টিনায় গেলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেন তিনি। আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্সে আগামী ১০ থেকে ১৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এই সম্মেলন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে মিনিস্টিরিয়াল কনফারেন্স। এটি হচ্ছে ডব্লিউটিও’র সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণের মঞ্চ। এর ১০ম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে।বরাবরের মতো মিনিস্টিরিয়াল কনফারেন্সের আগে এবারও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বাণিজ্যমন্ত্রীদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এখানে তারা নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। এই সম্মেলনে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে বাংলাদেশ। এবারের সম্মেলনে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে রুলস অব অরিজিন শিথিলকরণ, সেবা বাণিজ্যে প্রেফারেন্সিয়াল মার্কেট অ্যাকসেস প্রদান, ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন, ফিশারিজ সাবসিডিস, ই-কমার্স, টেকনিক্যাল ব্যারিয়ার টু ট্রেড (টিবিটি), ট্রান্সফার অব টেকনোলজি, স্যানিটারি অ্যান্ড ফাইটোস্যানিটারি মেজার্সসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। আর্জেন্টিনায় যাওয়া বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দলে আছেন বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু, ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মো. মুনীর চৌধুরী, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেনেভায় বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তারা ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বাণিজ্যমন্ত্রী দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এসএইচ/

১০ ডিসেম্বর ভ্যাট দিবস উদযাপন

‘ভ্যাট দিচ্ছে জনগণ, দেশের হচ্ছে উন্নয়ন’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগামী রবিবার (১০ ডিসেম্বর) ভ্যাট দিবস উদযাপন করবে। এছাড়া ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর ভ্যাট সপ্তাহ উদযাপনের জন্য সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এনবিআর। ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে এ দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ উদযাপন করা হবে।  বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচার রাজস্ব ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান এসব তথ্য জানান। মো. নজিবুর রহমান বলেন, এই প্রথম বারের মতো ভ্যাট সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দিতে ভ্যাট সম্মাননা কার্ড দেওয়া হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান ১২ মাস নিয়মিতভাবে দাখিলপত্র জমা দিয়েছে তারাই এ কার্ড পাবেন। তবে যাদের নামে মামলা আছে তাদের ব্যাপারে আইনের কিছু বিধি নিষেধ আছে। তিনি বলেন, ‘ভ্যাট কর্মকর্তাদের সঙ্গে করদাতাদের সুসম্পর্ক স্থাপন ও রাজস্ব আহরণ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ। করদাতাদের কর প্রদানে উৎসাহ দিতে উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে রাজস্ব বোর্ড। নজিবুর রহমান বলেন, এবার গণমাধ্যম কেন্দ্রীক প্রতিষ্ঠান ও সংবাদকর্মীদেরকে ভ্যাট সম্মাননা প্রদান করা হবে। এছাড়া উৎপাদন, সেবা ও ব্যবসা খাতে সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও সম্মাননা দেওয়া হবে। এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘রিটার্ন বা দাখিলপত্র জমা দেওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বর্তমানে ৩২ হাজার থেকে বেড়ে ৬০ হাজারে উন্নীত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ হাজার প্রতিষ্ঠান ১২ মাস ধরে নিয়মিতভাবে দাখিলপত্র জমা দিয়েছে। এই ৩৫ হাজার প্রতিষ্ঠান এবার ভ্যাট সম্মাননা কার্ড পাবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে নজিবুর রহমান বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর পর্যন্ত রাজস্ব আহরণে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। গতবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ। এ বছরের নভেম্বর পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে শুল্ক খাতে ২১ দশমিক ১৮ শতাংশ। ‘রোবট সোফিয়া’কে নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে তরুণ সমাজের বেশ আগ্রহ দেখা যাচ্ছে সোফিয়ার মতো সৃষ্টিশীল কাজে। এ ধরণের যে কোনো উদ্ভাবনী কাজে এনবিআর সব সময় তরুণদের পাশে থাকবে। কেউ যদি এ ধরণের কাজ নিয়ে এগিয়ে আসে তাহলে তাদের আমরা প্রণোদনা দেব, সহযোগিতা করবো।        এসি/ 

খালি পায়ে স্কুলে গিয়েছি, হারিকেনের আলোয় পড়েছি : বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ছোটবেলায় আমরা খালি পায়ে স্কুলে গিয়েছি, হারিকেনের আলোয় পড়েছি। কিন্তু এখন গ্রামকে গ্রাম মনে হয় না। এখন মানুষ চায়ের কাপ হাতে টিভি দেখে। মোবাইলে কথা বলে। দেখতে ভালো লাগে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমীর চিত্রশালা ভবনে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপো -২০১৭ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তোফায়েল আহমেদ বলেন, একটি দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে হলে রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল রাখা উচিত। কিন্তু বিএনপি নামের একটি দল বিগত নির্বাচনের পরে যে নৈরাজ্যবাদী আন্দোলন করেছে, তাতে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি এই নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহবান জানান। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের জন্য শেয়ার বাজার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ খাত সফল করতে হলে সততার প্রয়োজন। কারণ সবাই তাদের কষ্টার্জিত টাকা এ খাতে বিনিয়োগ করে। তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক, বিদেশে মিশন শেষ করে আসা সেনা সদস্যের ভাই, তাদের কষ্টার্জিত টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে। সুতরাং সততার বিকল্প নেই। মন্ত্রী বলেন, একসময় সাত কোটি মানুষের এই দেশে খাদ্যের অভাব ছিল। কিন্তু এখন ষোল কোটি মানুষের দেশে খাদ্য জমা হয়। যারা একসময় বাংলাদেশকে তলা বিহীন ঝুড়ি বলেছে, তারা এখন বলে, বাংলাদেশের বিস্ময়কর উত্থান হচ্ছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। / এআর /

মোবাইল ওয়ালেটে আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার বিকাশের

মোবাইল ওয়ালেটে আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস চালু করেছে বিকাশ। রাজধানীর একটি হোটেলে এই সার্ভিসটির উদ্বোধন করা হয়। এর মাধ্যমে ট্রান্সফাস্টের বিশ্বব্যাপী প্রায় দুই লাখ গ্রাহক এবং বিকাশের রেজিস্টার্ড গ্রাহকরা সেবা পাবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিকাশের প্রধান নির্বাহী কামাল কাদির বলেন, আমরা খুবই আনন্দিত যে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায় ট্রান্সফাস্টের মাধ্যমে গ্রাহকদের নতুন রেমিটেন্স সেবা প্রদান করতে যাচ্ছি। এই সেবার মাধ্যমে বিদেশ থেকে সহজেই ২৪ ঘণ্টা বিকাশ অ্যাকাউন্টে রেমিটেন্সের টাকা পাঠানো যাবে। এটা দেশের এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের জীবনযাত্রার মানকে আরও উন্নত করবে। ট্রান্সফাস্টের প্রধান নির্বাহী সামিশ কুমার বলেন, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে দিন দিন মোবাইল ফোনের ব্যবহার বাড়ছে, যা ফাইন্যান্সিয়াল সাভির্সের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে। এই অংশীদারিত্ব বিদেশ থেকে দেশে রেমিটেন্স পাঠানোর সহজ সমাধান হিসাবে বিবেচিত হবে। একসাথে কাজ করে আমরা নতুন বাজারে প্রবেশ করতে পারব এবং প্রবাসী কর্মীরা অল্প খরচে সহজেই নিয়মিত তাদের পরিবার পরিজনের কাছে রেমিটেন্সের টাকা পাঠাতে পারবে। ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর. এইচ. হোসেন বলেন, এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমাদের গ্রাহকদের দোরগোড়ায় রেমিটেন্স সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে। এই দেশী এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের মানুষের জীবন পরিবর্তনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। ব্র্যাক ব্যাংক সবসময় গ্রাহকদের উৎকৃষ্ট সেবা প্রদান করতে বদ্ধ পরিকর। এটা আমাদের অংশীদারিত্বের শুরু এবং নতুন ও আধুনিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের জীবন আরও সুন্দর করতে চাই। অনুষ্ঠানে ট্রান্সফাস্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও হেড অব অপারেশন্স, বাংলাদেশ মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান, ব্র্যাক ব্যাংক এর রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান নাজমুর রহিমসহ ট্রান্সফাস্ট, ব্র্যাক ব্যাংক ও বিকাশ এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর

ঢাকা ওয়াশা ও নেদারল্যান্ডসের ভিটেন্স ইভিডেন্সের চুক্তি

ওয়াটার অপারেটর পার্টনারশিপ হিসেবে ঢাকা ওয়াশা ও নেদারল্যান্ডসের ভিটেন্স ইভিডেন্স ইন্টারন্যাশনালের চুক্তি সই হয়েছে। আজ রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এ চুক্তি সই হয়। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ঢাকা ওয়াশার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসীম এ খান, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত এল এম কুলিনারী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল মালেক, সহকারী সচিব নাসরিনা আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।  চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ঢাকা ওয়াশার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসীম এ খান বলেন, আজ আমরা নেদারল্যান্ডসের ভিটেন্স ইভিডেন্স ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করলাম। এটি আমাদের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে। তবে ঢাকা ওয়াশা এরইমধ্যে তাদের কার্যক্রমের কারণে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কাছে আদর্শ ওয়াশা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তাই বলা যায়, ঢাকা ওয়াশার ক্যাপাসিটি বিল্ডিংয়ের জন্য নেদারল্যান্ডসের ভিটেন্স ইভিডেন্স ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতা নয়, বরং তাদের সঙ্গে আমরা অংশীদারী হিসেবে কাজ করার প্রত্যয়ে এ চুক্তি করেছি। উভয়ের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ঢাকা ওয়াশা আগামী ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল ওয়াশার স্বীকৃতি পাবে বলে আশা করি। নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত এল এম কুলিনারী বলেন, ঢাকা ওয়াশার সঙ্গে এ চুক্তি করতে পেরে আমরা খুশি। আমরা ঢাকা ওয়াশার ক্যাপাসিটি বিল্ডিংসহ সার্বিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো। সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে অংশীদারমূলক কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমরা খুশি। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ওয়াটার অপারেটর পার্টানারশিপ হিসেবে ঢাকা ওয়াশা ও নেদারল্যান্ডসের ভিটেন্স ইভিডেন্স ইন্টারন্যাশনালের এ চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট  প্রজেক্টে ৩টি ওয়াশজোনে কাজ করা হবে। গতবার ৫ নম্বর জোনে কাজ করা হয়েছে। এবার ৩, ৪ ও ১০ নম্বর জোনে কাজ করা হবে। আরকে// এআর    

‘আইফোন-১০’ বাংলাদেশের বাজারে

বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো প্লাগশিপ আইফোন-১০। আজ রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে এ ফোনের উদ্বোধন করেন অ্যাপেল ব্রান্ড আইফোনের বাংলাদেশের একমাত্র অনুমোদিত ডিস্টিবিউটার কম্পিউস্টার প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান রাকিবুল কবির। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিপিএল’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কর্ণেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, ইউনিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান রানা সফিউল্লা ও উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাওন রানা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে অনুমোদিত ডিলারের কাছ থেকে আইফোন-১০ কেনার সুযোগ পাচ্ছেন একজন ক্রেতা। দুইটি কালারের এ নতুন আইফোনে থাকছে রেটিনা এইচডি ডিসপ্লে, এ-১১ বায়োনিক চিপ, ডুয়েল ক্যামেরা। আইফোন-১০ প্রসঙ্গে সিপিএল’র চেয়ারম্যান রাকিবুল কবির জানান, বাজারে ইতিমধ্যে দেখতে হুবহু নকল আইফোন পাওয়া যাচ্ছে। নকল আইফোন কিনে প্রতারিত না হয়ে অনুমোদিত ডিলারের কাছ থেকে আইফোন কেনা সবার বুদ্ধিমানের কাজ হবে। একজন ক্রেতা খুব সহজেই www.compustarltd.com এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তার  সেটটির আইএমইআই নম্বর দিয়ে চেক করে নিতে পারছেন আইফোন আসল না নকল। আইফোন-১০ এর দাম নির্ধারন করা হয়েছে ৬৪ জিবি ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৯০ টাকা এবং ২৫৬ জিবি ১ লাখ ৫০ হাজার ৫০০ টাকা। আরকে// এআর  

বিলাসবহুল লন্ডন এক্সপ্রেসের উদ্বোধন

আরামদায়ক ও নিরাপদ সেবাদানের প্রত্যয়ে পরিবহন সেক্টরে যোগ হয়েছে লন্ডন এক্সপ্রেস। প্রাথমিকভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার, ঢাকা-সিলেট এবং ঢাকা-যশোর-বেনাপোল রুটে চালু হচ্ছে এ বিলাসবহুল গাড়ি। মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল পূর্বাণী ইন্টারন্যাশনালে লন্ডন এক্সপ্রেসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু বলেন, বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক উন্নতি হয়েছে। এর ফলে জনগণের কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে এবং নতুন নুতন পরিবহন কোম্পানি এ ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশ এখন আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এ খাতের উন্নয়নে আরও বেশি উদ্যোক্তাকে এগিয়ে আসতে হবে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিশ্ববিখ্যাত ম্যান (MAN) ব্র্যান্ডের একঝাঁক গাড়ি নিয়ে প্রাথমিকভাবে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার, ঢাকা-সিলেট এবং ঢাকা-যশোর-বেনাপোল রুটে চালু হচ্ছে লন্ডন এক্সপ্রেস। সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিলাসবহুল এ গাড়িতে ভ্রমণ করা যাবে প্রতিযোগিতামূলক ভাড়ায়। রাজধানীর আরামবাগ, ফকিরের পুল, কলাবাগানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে খোলা হয়েছে কাউন্টার। উদ্বোধনী অতিথি ছিলেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ। সভাপতিত্ব করেন লন্ডন এক্সপ্রেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নূরুল ইসলাম।   /ডিডি/

দেশে স্টিল বিল্ডিংয়ের চাহিদা বাড়ছে : আবু নোমান হাওলাদার

দেশে ক্রমেই বাড়ছে স্টিল বিল্ডিংয়ের চাহিদা। এরইমধ্যে দেশের মেগা প্রকল্পগুলোতে স্টিলের ব্যবহার শুরু হয়েছে। পদ্মাসেতু থেকে শুরু করে রেলস্টেশনসহ বড় বড় স্থাপনা ও সেতু স্টিলে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। হোটেল সেরিনা, নাসা বিল্ডিং, গুলশানের মিউচুয়ার ট্রাস্ট ব্যাংক ভবনসহ বহু বড় বড় স্থাপনা স্টিল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। যদিও উন্নত বিশ্বে স্টিলের ব্যবহার শুরু হয়েছে আরও আগে। যেমন মালয় টুইন টাওয়ার, বুর্জ খলিফা ছাড়াও চীনের প্রায় সব বিমানবন্দর ও সেতু স্টিল নির্মিত। এর মূল কারণ স্টিলের ভবন তুলনামূলক বেশি টেকসই এবং ভূমিকম্প নিরোধক। এছাড়া আরসিসি ভবনের তুলনায় স্টিল বিল্ডিং নির্মাণের খরচ অনেক কম। বাংলাদেশে স্টিল বিল্ডিং সেক্টরে কমপক্ষে ১ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে তরুণদের দেশে-বিদেশে ভালো চাকরি করারও সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশে স্টিল বিল্ডিং সেক্টরের সম্ভাবনা, এই সেক্টরে কর্মসংস্থানের সুযোগসহ নানা দিক নিয়ে ইটিভি অনলাইনের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমের (বিবিএস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও স্টিল বিল্ডিং ম্যানুফেকচারিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী আবু নোমান হাওলাদার। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশে স্টিল বিল্ডিংয়ের যাত্রা শুরু হয়েছে। তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ইটিভি অনলাইনের প্রতিবেদক মোহাম্মদ জুয়েল। ইটিভি অনলাইন: বাংলাদেশে স্টিল বিল্ডিং সেক্টরের যাত্রা কখন থেকে? বর্তমানে এর অবস্থা কেমন? আবু নোমান হাওলাদার: মূলত ২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশে স্টিল ভবন নির্মাণের যাত্রা শুরু। বিবিএস স্টিল ২০০০ সাল থেকে কাজ শুরু হয়েছে। একসময় দেশের স্টিল বিল্ডিং খাত ছিল সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভর। তবে বর্তমানে আমরা দেশের চাহিদা মিটিয়ে স্টিল জাতীয় পণ্যসামগ্রী বহির্বিশ্বে রফতানি করছি। স্টিল বিল্ডিং অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো স্টিল ভবন নির্মাণ করছে। ফ্যাক্টরিগুলোতে স্টিলের চাহিদা বেড়ে গেছে। এর ফলে প্রতিবছর ২৫-৩০ শতাংশ হারে আমাদের ব্যবসা বাড়ছে। উদাহরণ স্বরুপ আমি বলতে পারি দেশে গ্রামীণ ফোনের হেড অফিস ও বনানীর নাসা অফিসের ভবনও স্টিল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ইটিভি অনলাইন: স্টিল বিল্ডিং নির্মাণে খরচ কেমন? এটি আরসিসি বিল্ডিংয়ের তুলনায় কতটা সাশ্রয়ী ? আবু নোমান হাওলাদার: স্টিল বিল্ডিং একতলা বা দুইতলা যদি হয়, তাহলে এটি আরসিসি বিল্ডিংয়ের তুলনায় অনেক কম খরচে হয়ে যায়। তবে ছয়তলার যত উপরে উঠা হয়, স্টিল বিল্ডিংয়ে তত খরচ বাড়ে। ছয়তলা পর্যন্ত স্টিল বিল্ডিং আর আরসিসি ভবনের সমান খরচ হয়। সবমিলিয়ে স্টিল ভবন নির্মাণ অনেক সাশ্রয়ী। পরিবেশের সুরক্ষায় আরসিসি বিল্ডিংয়ের (ইট-সিমেন্টে নির্মিত ভবন) তুলনায় স্টিল বিল্ডিং সহনীয় হওয়ায় বর্তমানে সচেতন মহলে এর জনপ্রিয়তা বেড়েছে। অন্যদিকে স্টিল বিল্ডিংয়ের ডাক্টাইল অনেক বেশি হওয়ায় তা ভূমিকম্প সহনীয়। ভূমিকম্পের কারণে এটি দুলবে, তবে কখনো ভেঙ্গে পড়বে না। অন্যদিকে আরসিসি বিল্ডিংয়ের রিজিডিটি বেশি হওয়ায় ভূমিকম্প সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি হলে তা ভেঙ্গে পড়বে। তাই দিন দিন স্টিল বিল্ডিংয়ের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এছাড়া স্টিল বিল্ডিং যেভাবে ইচ্ছে, সেভাবে ডিজাইন করা যায়। শুধু তাই নয়, ইনটেরিওর ডিজাইনের সুবিধার্থে ভবনের যেকোনো তলা থেকে দেয়াল সরিয়ে নেওয়া যায়। পিলার সরানোর প্রয়োজন হলে সেটিও সরিয়ে নেওয়া যায়। বিপরীতে আরসি বিল্ডিং সরাতে হলে পুরো ভবনটিই ভেঙ্গে ফেলতে হয়। তাই ভবন ভবিষ্যতে সরাতে হতে পারে, এমন আশংকা যারা করছেন, তাদের মধ্যে স্টিল বিল্ডিংয়ের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে। ইটিভি অনলাইন: কর্মসংস্থান বা লোকবল কেমন আছে সেক্টরটিতে? কারা এ সেক্টরে চাকরি পান? আবু নোমান হাওলাদার: এ সেক্টরটিতে কমপক্ষে ১ লাখ লোক কাজ করছে। এখানে মূলত দক্ষ শ্রমিকরাই কাজের সুবিধা পেয়ে থাকে। বিশেষ করে যারা প্রকৌশল শিক্ষায় শিক্ষিত তারাই এখানে উচ্চ পর্যায়ে চাকরি পেয়ে থাকেন। এছাড়া অর্ধ-শিক্ষিত ও অশিক্ষিত লোকদেরও এখানে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়। দেশে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বর্তমানে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুলেছি। এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে যে কেউ ভালো চাকরি করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। এদিকে ভারী কাজ থেকে চীন, কোরিয়া, জাপান ও মধ্যপ্রাচ্যের প্রকৌশলীরা সরে আসছে। সেখানে আমাদের জন্য সুযোগের দরজা খুলে গেছে। সরকার যদি উদ্যোগ নেয়, ব্যাংকগুলো যদি ঋণ দেয় তাহলে এ সেক্টরে কাজের সুযোগ ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাবে। ইটিভি অনলাইন: আমাদের এ সেক্টরে অগ্রগতির ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় কী? আবু নোমান হাওলাদার: দেখুন, আমরা প্রাইভেট সেক্টর ডমিনেট করছি। সেখানে প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ আছে আমাদের দখলে। তবে সরকারি খাতে আমরা অবদান রাখতে পারছি না। সরকারের কিছুটা সদিচ্ছার অভাবে আমরা নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পাচ্ছি না। সরকার টেন্ডার ড্রয়ের ক্ষেত্রে যে পূর্বশর্ত আরোপ করে, তা আমরা পূরণ করতে পারি না। বিশেষ করে, সরকার যে অভিজ্ঞতার কথা বলে তা আমাদের নেই। সরকার ৪০০-৫০০ কোটি টাকার কাজ করেছে- এমন প্রতিষ্ঠানকে টেন্ডার ড্র করার সুযোগ দেয়, যা আমাদের দেশের কোনো প্রতিষ্ঠানের নেই। তাই আমাদের দেশের কাজগুলো চলে যায় বিদেশিদের হাতে। এছাড়া আমাদের স্টিল সংক্রান্ত কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সরকারকে ২৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হচ্ছে, যা ‘শুল্কনীতির পরিপন্থী’। ইটিভি অনলাইন: সরকারের কাছে একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আপনারা কী আশা করেন? আবু নোমান হাওলাদার: আমাদের দাবি একটাই, সরকার কেবল একবার  আমাদের যাচাই করে দেখুক। আমাদের ফ্যাক্টরিগুলো পরিদর্শন শেষে সরকার যদি মনে করে, আমাদের সামর্থ রয়েছে; তাহলে টেন্ডার ড্রয়ে সুযোগ করে দিতে হবে। শুধু তাই নয়, দেশের বড় বড় মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে আমাদেরকে সুযোগ দিতে হবে। এছাড়া সরকারের কাছে আরেকটি দাবি থাকবে, যাতে সরকার কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ভ্যাট প্রত্যাহার করে। এতে আমাদের খরচ কমে যাবে এবং স্বল্পমূল্যে আমরা সরকারকে স্টিল বিল্ডিংয়ের ম্যাটারিয়েল দিতে পারবো। বিভিন্ন সময় দেখা যাচ্ছে সরকার বিদেশের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করছে। কিন্তু ওইসব প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছ থেকে পণ্য নিচ্ছে। এর ফলে আমাদের কোয়ালিটি পণ্য যাচ্ছে বিদেশে। কিন্তু আমরা কোয়ালিফাইড হচ্ছি না। এতে কেবল টেন্ডার লাভ করে তারা ব্যবসা করে যাচ্ছে, হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল টাকা। কিন্তু সরকার যদি আমাদের সঙ্গে সরাসরি ডিল করে তাহলে সরকারী প্রকল্পেও খরচ কমবে। ইটিভি অনলাইন: ১০ বছর পর এ সেক্টরটিকে আপনি কোথায় দেখতে চান? আবু নোমান হাওলাদার: আগামী ১০ বছর পর আমি দেখতে চাই দেশে ৫০ শতাংশ ভবন পরিবেশবান্ধব হবে, অর্থাৎ অর্ধেক ভবন স্টিল বিল্ডিংয়েতৈরি হবে। ইটিভি অনলাইন: আমাকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আবু নোমান হাওলাদার: ইটিভি অনলাইনকেও ধন্যবাদ। ইটিভি পরিবারের জন্য শুভকামনা রইলো। /ডিডি/ এআর

৯৮ শতাংশ এডিবি বাস্তবায়ন হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী

চলতি অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) এক লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। যা শতাংশের হিসেবে এটি হবে এডিপিতে মোট ব্যয়ের ৯৮ শতাংশ। সোমবার ৩৫০ কোটি টাকার ওপরে বরাদ্দ পাওয়া ৮৬ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে সভা শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কামাল বলেন, আমাদের এখানে এডিপি বাস্তবায়ন নির্ভর করে পরিবেশ-পরিস্থিতির ওপর। বাকি সময়টাতে যদি বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটে, তাহলে এবার লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি এডিপি বাস্তবায়ন করা যাবে। কারণ এবার এডিপির আকারও অনেক বড়। মন্ত্রী জানান, পদ্মা সেতুসহ আলোচিত ৮৬টি প্রকল্পের মধ্যে অধিকাংশই ভালো অবস্থানে আছে। সচিব ও পিডিরা আশ্বস্ত করেছেন, প্রকল্পের বাস্তবায়ন সঠিক পথেই রয়েছে। অবশ্য অধিকাংশ পিডিই বাড়তি টাকা বরাদ্দ চেয়েছেন। যদি বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না আসে তাহলে এডিপি বাস্তবায়নের লক্ষ্যপূরণ হবে। আমাদের সম্পদের সমস্যা নেই, এখন সমস্যা হচ্ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পদ্মা খর স্রোতা নদী। এখানে এত বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা আমাদের নেই। তাই মাঝে কিছুটা সমস্যা ছিল। এখন অনেক বড় হ্যামার আনা হয়েছে। সমস্যার সমাধান হয়ে যাচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, একটি প্রকল্পের জমি নিয়ে সমস্যা ছিল, সেটি এখন কেটে গেছে। কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পেও গতি ফিরে এসেছে। মন্ত্রী আরও বলেন, চলতি অর্থবছরের চার মাসে ২৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। একসময় ২৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতো গোটা অর্থবছরে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মতো একজন প্রকল্প পরিচালক একাধিক প্রকল্পের দায়িত্বে নেই। আইএমইডিও এখন প্রায় সব প্রকল্পই পরিদর্শন করছে। তাই প্রকল্পের গুণগত মানও বাড়ছে। সভা সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে মোট এডিপির আকার হচ্ছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩৫০ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ পাওয়া ৮৬টি প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ রয়েছে মোট ৯৪ হাজার ২০৮ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ৫৭ শতাংশ। গত অক্টেবর পর্যন্ত অর্থবছরের চার মাসে প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রগতি হয়েছে ১৮ শতাংশ। ২৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আওতায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এডিপিতে প্রকল্প রয়েছে মোট ১ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা। এসএইচ/

‘বিজয় ইতিহাস অ্যাপ’চালু করল রবি

দুই থেকে পাঁচশ’ টাকার নোটে উন্মোচিত হলো স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড ‘বিজয় ইতিহাস অ্যাপ’নামে ইতিহাস সম্পৃদ্ধ এ অ্যাপটি চালু করেছে। আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এর উদ্বোধন করা হয়। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এ অ্যাপটির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, ১৫ মুক্তিযোদ্ধা ও রবির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২ থেকে ৫শ’ টাকার যে কোন নোট স্ক্যান করে যে  কেউ জানতে পারবেন স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে থাকা আমাদের গৌরবময় ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়। সাভারে স্থাপিত জাতীয় স্মৃতিসৌধেরর প্রতিটি স্তম্ভের অর্থকেই ফুটিযে তোলা হয়েছে এই অ্যাপটির মাধ্যমে। প্রতিটি টাকাতেই জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি আছে, দেশের সর্বত্রই টাকার উপস্থিতি আচেএবং প্রত্যেকের কাছেই এর সহজলভ্যতা আছে। অ্যাপটির মাধ্যমে দেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে কার্যকরভাবে আমাদের গৌরবময় ইতিহাস তুলে ধরা সহজ হবে। বিজয় ইতিহাস অ্যারে মাধ্যমে ২,৫,১০,৫০,১০০,৫০০ টাকার নোট স্ক্যান করলে যথাক্রমে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন জারি, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন,১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের অডিও-ভিজ্যুয়াল ইতিহাস জানা যাবে। অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা যেভাবে নির্যাতিত হয়েছেন তাতে তাদের লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। লজ্জা বরং আমাদের যে আমরা জীবনের বড় সম্পদ হারানোর পরও তাদেরকে সেইভাবে সম্মানিত করতে পারিনি। রবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহতাব উদ্দিন বলেন, দেশের গৌরবময় উজ্জল ইতিহাসকে উদযাপন করতে পেরে রবি সবসময়ই গর্বিত।আপনারা খেয়াল করে দেখবেন আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে এমন আবহ থাকে। যা আমাদের বাংলাদেশী হিসেবে গর্বিত করে।   আর

প্রবীণদের বয়সসীমা হবে ৬৫ : অর্থমন্ত্রী

দেশে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে গড় আয়ু, তাই বাড়ছে প্রবীণদের সংখ্যা। এজন্য প্রবীণদের বয়সসীমা ৬০ থেকে বাড়িয়ে ৬৫ বছর করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আজ সোমবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। সিনিয়র সিটিজেন মেডিকেল রিসোর্ট ‘অবসর- আমার আনন্দ ভুবন’র দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, যেহেতু আমাদের গড় আয়ু বেড়েছে। প্রবীণ হওয়ার বয়স ৬৫ বছরে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আরও এক বছর সময় আছে। এ বিষয়ে উদ্যোগ নিলে বিবেচনা করা হবে। অর্থমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (প্রাক্তন আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতাল) ও সমাজসেবা অধিদফতরের মধ্যে চুক্তি সই হয়। ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তী ও সমাজ সেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক গাজী মোহাম্মদ নুরুল কবির নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের উপস্থিতিতে মেডিকেল রিসোর্ট ‘অবসর- আমার আনন্দ ভুবন’র চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি সই করছেন সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক গাজী মোহাম্মদ নুরুল কবির ও ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্ত্তী। এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও অর্থমন্ত্রী এম এ মান্নানও উপস্থিত ছিলেন। সোমবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী। বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সচিব মো. জিল্লার রহমান ও পিপিপির প্রধান নির্বাহী সৈয়দ আফসর এইচ. উদ্দিন। উল্লেখ্য, পিপিপি’র আওতায় রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (প্রাক্তন আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতাল) এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদফতরের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে প্রবীণদের জন্য নিরাপদ আবাসন ‘অবসর’-আমার আনন্দ ভূবন। মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য্যবেষ্টিত স্থানে শিগগিরই নির্মিত হচ্ছে এই মেডিকেল রিসোর্ট। যেখানে থাকবে প্রায় ১০০টি নিরাপদ আবাসন, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল, খেলার মাঠ, জলরাশি ও সবুজের সমারোহসহ সব ধরণের নাগরিক সেবা।  এসএ/ এআর    

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি