ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭ ২০:০০:১০

শুরু হলো গৃহায়ণ অর্থায়ন মেলা-২০১৭

শুরু হলো গৃহায়ণ অর্থায়ন মেলা-২০১৭

রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘গৃহায়ণ অর্থায়ন মেলা-২০১৭’। রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সহযোগিতায় এ মেলার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স করপোরেশন। আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সর্ব-সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ মেলার উদ্বোধন করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমান, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের চেয়ারম্যান শেখ আমিনউদ্দিন আহমেদ, রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন, প্রথম সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ভুইয়া, পরিচালক কামাল মাহমুদ প্রমুখ। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ চক্রবর্তী। মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকারিভাবে বস্তিবাসীর জন্য ভাড়াভিত্তিক অ্যাপার্টমেন্ট করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বস্তিবাসীদের জন্য ৫৫০টি অ্যাপার্টমেন্টের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করবেন। তিনি বলেন, সরকার গৃহায়নকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচনা করছে। আমাদের জনবহুল দেশে সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করা একটি কঠিন কাজ। দেশের মোট গৃহের ৮১ শতাংশই গ্রামে অবস্থিত। এই ৮১ শতাংশ গৃহের মধ্যে ৮০ শতাংশই নিম্নমানের কাঠামো দিয়ে তৈরি। যত্রতত্র বাড়িঘর নির্মাণ করায় প্রতিদিন প্রায় ২৩৫ হেক্টর কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে। তাই সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে হলে শুধু নগরে নয়, গোটা দেশে একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি। এ সময় জানানো হয়, তিন দিনব্যাপী গৃহায়ন অর্থায়ন মেলায় ৩১টি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান, ৭টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৪৭টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে। আর/ডব্লিউএন
আয়কর পেশাজীবী নিবন্ধনের ফল প্রকাশ : উত্তীর্ণ ৮১৪৯

আয়কর পেশাজীবী (আইটিপি) নিবন্ধন-২০১৭ এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় ১৬ হাজার ১০৩ জনের মধ্যে ৮ হাজার ১৪৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ বৃহস্পতিবার এ ফলাফল প্রকাশ করেছে। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ৫টি কলেজে একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। এনবিআর সূত্র জানায়, আইটিপি হিসেবে নিবন্ধন দেয়ার জন্য এনবিআর গত ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। গত ৩১ মার্চ আবেদনের সময় সীমা শেষ হয়। আয়কর আইনজীবী হতে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। এ সময়ের মধ্যে গত ২২ হাজার ৩৮৬টি আবেদনপত্র জমা পড়ে। প্রাথমিক বাছাই শেষে কাগজপত্রে ত্রুটি থাকা ও আবেদনের শর্ত পূরণ না হওয়ায় ৩৯৭ জনের আবেদনপত্র বাতিল করা হয়। লিখিত পরীক্ষায় ১৬ হাজার ১০৩ জন অংশ নেয়। ফলাফল এনবিআরের ওয়েবসাইট বা এ লিঙ্কে পাওয়া যাবে- http://nbr.gov.bd/uploads/public-notice/ITP_pub_result.pdf আরকে/ডব্লিউএন

জিসিএফ’র তালিকাভুক্ত হলো বাংলাদেশের পিকেএসএফ

গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ডের (জিসিএফ) স্বীকৃত সংস্থা হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউণ্ডেশন (পিকেএসএফ)। গত ২ অক্টোবর জিসিএফের ১৮তম বোর্ড সভায় পিকেএসএফকে এ তালিকায় নেওয়া হয়। উন্নত ও উন্নয়নশীল ২৪টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত জিসিএফ বোর্ডের এ সভা মিশরের কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয়। গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (ইউএনএফসিসিসি)-এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত তহবিল। যার উদ্দেশ্য জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রচেষ্টায় অর্থায়ন করা। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলার জন্য গৃহীত প্রকল্প, কার্যক্রম ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য এই সকল স্বীকৃত সংস্থার মাধ্যমে জিসিএফ তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। জিসিএফ-এর স্বীকৃত সংস্থা হিসেবে পিকেএসএফ-এর অন্তর্ভুক্তির ফলে বাংলাদেশের পক্ষে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলার জন্য সরাসরি তহবিল প্রাপ্তি সম্ভব হবে। বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ পিকেএসএফ-এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলার জন্য প্রকল্প গ্রহণ ও এ সংক্রান্ত অর্থায়নের সুবিধা পাবে। এসকল প্রকল্প ও কর্মসূচির সার্বিক ব্যবস্থাপনা করবে পিকেএসএফ। এই স্বীকৃতির ফলে জলবায়ু সংক্রান্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ আরো দ্রুততর হবে। এছাড়া পিকেএসএফ নিজেও এ তহবিলের জন্য সরাসরি আবেদন করতে পারবে। পিকেএসএফ-এর এই স্বীকৃতি লাভের ফলে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন জলবায়ু বিষয়ক নীতিমালা, কৌশলপত্র প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এ পর্যন্ত বিশ্ব ব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, ইউএনডিপি ও আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ)-সহ মোট ৫৯টি আন্তর্জাতিক সংস্থা জিসিএফ-এর স্বীকৃতি লাভ করেছে। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলিয়েন্স ফান্ড (বিসিসিআরএফ)’ এর আওতায় পিকেএসএফ ইতোমধ্যে ‘কমিউনিট ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রজেক্ট (সিসিসিপি)’ বাস্তবায়ন করেছে। এ প্রকল্পের আওতায় পিকেএসএফ এর সহযোগী সংস্থাসমূহের মাধ্যমে কমিউনিটি পর্যায়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে জলবায়ু সংশ্লিষ্ট অভিযোজন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে। বর্তমানে পিকেএসএফ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলা করার জন্য “পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন ইউনিট” গঠন করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় পিকেএসএফ-এর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আরকে/ডব্লিউএন

আবাসন খাতে ঋণের সুদহার সাড়ে ৭ শতাংশ চায় রিহ্যাব

জমি ও ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন খরচের উপর ঋণসুবিধা চায় আবাসন ব্যবসায়ী সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। পাশাপাশি আবাসন খাতে ঋণের সুদহার সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি করে রিহ্যাব। বুধবার রাজধানীর পল্টনে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স কর্পোরেশনের (বিএইচবিএফসি) কনফারেন্স কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি করেন সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএইচবিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ, রিহ্যাবের সহ-সভাপতি (প্রথম) লিয়াকত আলী ভূইয়া, পরিচালক কামাল মাহমুদ, শাকিল কামাল চৌধুরী প্রমুখ। নুরুন্নবী চৌধুরী বলেন, বর্তমানে ফ্লাট ক্রয়ের রেজিস্ট্রেশন ফি ১৪ শতাংশ। অর্থাৎ এক কোটি টাকার ফ্ল্যাট কিনলে ক্রেতাকে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ১৪ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হয়। ফি বেশি হওয়ায় অনেক গ্রাহক কিস্তিতে ফ্লাটের টাকা পরিশোধ করে বসবাসও করছে। কিন্তু খরচ বেশি হওয়ায় তারা রেজিস্ট্রেশন করছে না। তাই রেজিস্ট্রেশন ফির ওপর ঋণ সহায়তা দিলে একদিকে যেমন রেজিস্ট্রেশনের হার বাড়বে অপরদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে। তিনি বলেন, বিশ্বে বিভিন্ন দেশে আবাসনের ওপর সর্বোচ্চ সুদহার ৫ শতাংশ। কিন্তু আমাদের দেশে তা প্রায় দ্বিগুণ, অনেক ক্ষেত্রে তার চেয়েও বেশি। তাই এ খাতে ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ সুদহার সাড়ে ৭ শতাংশে কমানো প্রয়োজন। এতে সাধারণ মানুষের আবাসন হবে, ক্ষতির মুখ থেকেও ফিরে আসবে ব্যবসায়িরা। বিএইচবিএফসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেবাশীষ চক্রবর্তী জানান, দেশে প্রথমবারের মতো গৃহায়ণ অর্থায়ন মেলা-২০১৭ আয়োজন করবে বিএইচবিএফসি। মেলায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কোম্পানিগুলো অংশগ্রহণ করবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে তিন দিনব্যাপী আবাসন মেলা ১৯ অক্টোবর শুরু হবে। চলবে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত। মেলায় সার্বিক সহযোগিতা করবে রিহ্যাব। গৃহায়ণ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে এক ছাদের নিচে এনে আবাসন খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ সৃষ্টি করায় গৃহায়ণ অর্থায়ন মেলার মূল উদ্দেশ্য। এখানে একজন গ্রাহক তার পছন্দের ফ্ল্যাট কিনতে পারবেন। একই সঙ্গে আবাসন খাতের বিভিন্ন ঋণসুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন। দেবাশীষ চক্রবর্তী বলেন, মেলা উপলক্ষে বিএইচবিএফসি ৫টি সুবিধা নতুন আঙ্গিকে চালু করছে। এর মধ্যে রয়েছে নগরবন্ধু, প্রবাসবন্ধু, পল্লীমা, আবাসন মেরামত ঋণ ও আবাসন উন্নয়ন ঋণ। সহজ শর্তে সিঙ্গেল ডিজিতে ঋণ প্রদান করা হবে। মেলা চলাকালীন সময়ে সারাদেশে বিএইচবিএফসি সব অফিসে ঋণ আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদন ও পরিদর্শন ফি ৫০ শতাংশ ছাড় দেয়া হবে।   আর

ভারত থেকে ৫০ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনবে বাংলাদেশ

ভারত থেকে সাড়ে ৫০ লাখ টন জ্বালানি তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। ১৫ বছর মেয়াদে এ তেল কিনবে সরকার। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ আনুমোদন দেয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিদেশে থাকায় তার অনুপস্থিতিতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ দশমিক ৯২ ডলার। এ হিসাবে মোট ব্যয় হবে এক হাজার ৮০৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। বৈঠক শেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ইন্দো-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেডের শিলিগুড়িতে অবস্থিত মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুরে জ্বালানি তেল সরবরাহের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। ১৫ বছর মেয়াদে সাড়ে ৫০ লাখ টন জ্বালনি তেল আমদানির প্রিমিয়াম নির্ধারণের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ দশমিক ৯২ ডলার। এ হিসেবে মোট ব্যয় হবে এক হাজার ৮০৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ভারতের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন স্থাপন হচ্ছে। ২০১৫ সালে এ নিয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এবং নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি হয়। এছাড়া ‘রূপকল্প- ২০২১’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১৩ এর আওতায় আরও ছয়টি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ৪৮৬ কোটি টাকা। আরকে/ডব্লিউএন

আড়াই লাখ টন চাল কিনবে বাংলাদেশ

ভারত এবং থাইল্যান্ড থেকে প্রায় আড়াই লাখ টন চাল কিনবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ খাদ্য অধিদপ্তরের ডিরেক্টর জেনারেল বদরুল হাসান রয়টার্সকে বলেন, আমরা থাইল্যান্ড থেকে দেড় লাখ টন এবং ভারত থেকে ১ লাখ টন সিদ্ধ চাল কিনব। বিশ্বে চাল উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। প্রতি বছর দেশেই প্রায় ৩৪ লাখ টন চাল উৎপন্ন হয়। যার প্রায় পুরোটাই দেশের জনগণের জন্য ব্যয় হয়। বন্যা, খরার মতো দুর্যোগের কারণে দেশটিকে প্রায়ই বিভিন্ন দেশ থেকে চাল আমদানি করতে হয়। এবারও সেই বন্যায় চালসহ বিভিন্ন খাদ্যশস্য নষ্ট হওয়ায় এবং জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভিয়েতনাম, ভারত, থাইল্যান্ড থেকে চাল কিনতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। থাইল্যান্ড থেকে কেনা চালের দাম টন প্রতি ৪৬৫ ডলার এবং ভারত থেকে কেনা চাল টন প্রতি ৪৫৫ ডলার। বদরুল হাসান বলেন, আমাদের লক্ষ্য পূরণে আমরা ইতোমধ্যেই সব চুক্তি চূড়ান্ত করেছি। মিয়ানমার থেকেও ১ লাখ টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা সংকটকে কেন্দ্র করে ঢাকা এবং নেইপিদো’র মধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েনে সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত রয়েছে। থাইল্যান্ড এবং ভারতের সঙ্গে দ্বিতীয়বার আলোচনার পরই চাল কেনার চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। তবে ভিয়েতনামের কাছ থেকে কম খরচে চুক্তি হওয়ায় কম্বোডিয়া থেকে আড়াই লাখ টন সাদা চাল কেনার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে বাংলাদেশ। কম্বোডিয়ার চাল টন প্রতি ৪৫৩ ডলার ধার্য্য করা হয়েছিল। ১৬ কোটি মানুষের এই দেশে প্রধান খাদ্য হচ্ছে ভাত। তাই চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আরকে/ডব্লিউএন

বিকাশে কেনা যাবে বিমানের টিকেট

বিকাশের গ্রাহকরা এখন থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সেলস সেন্টার ও ওয়েবসাইট থেকে টিকেট কিনে বিকাশে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। এ বিষয়ে বিকাশ ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে। বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এ এম মোসাদ্দিক আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিকাশের চিফ এক্সটারনাল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল (অব.) এমডি মনিরুল ইসলাম, হেড অব করপোরেট গভর্ন্যান্স, লিগ্যাল অ্যান্ড কোম্পানি সেক্রেটারি এস পারভেজ আহমেদ, হেড অব বিজনেস সেলস আঞ্জুমানারুল ইসলাম, চ্যানেল ম্যানেজার (বিজনেস সেলস) আহসানুল কবির, একাউন্ট ম্যানেজার (বিজনেস সেলস) স্বেদ নাইম আহমেদ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার ভিনীত সুধ, জেনারেল ম্যানেজার (পিআর) শাকিল মেরাজ, জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস) আতিকুর রহমান চিশতি, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (প্রাইসিং) সালাউদ্দিন আহমেদ ও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (সেন্ট্রাল অ্যাকাউন্টস) মহিউদ্দিন আহমেদ। ২০১১ সালে কার্যক্রম শুরু করা বিকাশ ব্র্যাক ব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানি ইন মোশন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান আইএফসি এবং বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের যৌথ মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশের সাধারণ জনগোষ্ঠীকে মোবাইলে অর্থ সেবা দিয়ে আসছে। বিকাশ লিমিটেডের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (পিআর অ্যান্ড মিডিয়া রিলেশনস) জাহেদুল ইসলামের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।   বিজ্ঞপ্তি/আরকে/টিকে

ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে টি রিসোর্ট অ্যান্ড মিউজিয়ামের চুক্তি সই

টি রিসোর্ট অ্যান্ড মিউজিয়াম (বাংলাদেশ টি বোর্ড) এর সঙ্গে একটি চুক্তি সই করেছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। এখন থেকে গ্রাহকরা ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ড (ভিসা এবং মাস্টারকার্ড) ব্যবহার করে টি রিসোর্ট এবং মিউজিয়ামের বিল পরিশোধ করতে পারবেন। ব্র্যাক ব্যাংকের রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান নাজমুর রহিম এবং বাংলাদেশ টি বোর্ডের সেক্রেটারি মোহাম্মদ নুরুল্লাহ নুরী তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। টি রিসোর্ট এবং মিউজিয়ামটি বাংলাদেশ টি বোর্ডের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত। ২৫ একর সবুজ পাহাড় এবং চা বাগান বিস্তৃত রিসোর্টটি টি এস্টেটের মধ্যে অবস্থিত। এই আধুনিক রিসোর্টটি অবসর কাটানোর জন্য একটি অন্যতম আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর. এফ. হোসেন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও এ. কে. জোয়াদ্দার, জিএসএস ও প্রোকিউরমেন্ট বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) তুষার কান্তি চাকমা, কমিউনিকেশন্স বিভাগের প্রধান জারা জাবীন মাহবুব এবং বাংলাদেশ টি বোর্ডের এক্সিকিউটিভ অফিসার ড. এ. কে. এম. রফিকুল হক এই চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।   বিজ্ঞপ্তি/আরকে/টিকে

ট্রাস্ট ব্যাংকের নতুন এএমডি ফারুক মঈনউদ্দীন

ফারুক মঈনউদ্দীন সম্প্রতি ট্রাস্ট ব্যাংকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে যোগ দিয়েছেন। বিশিষ্ট ব্যাংকার ফারুক মঈনউদ্দীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে ১৯৮৪ সালে এবি ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে ব্যাংকিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। তিনি এবি ব্যাংকে কর্মরত অবস্থায় দেশ-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ফারুক মঈনউদ্দীন প্রায় ৫ বছর এবি ব্যাংকের মুম্বাই করপোরেশনে কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। এর আগে তিনি মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ডিএমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ট্রাস্ট ব্যাংকে যোগদানের আগে ফারুক মঈনউদ্দীন দি সিটি ব্যাংকে এএমডি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাংকিং পেশায় যোগদানের আগে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে তাঁর পেশা ছিল সাংবাদিকতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পড়ালেখার সময় কবিতা রচনার পাশাপাশি সত্তরের দশকের শেষদিকে ছোটগল্প দিয়েই তাঁর লেখালেখির সূত্রপাত। তাঁর প্রথম গল্প প্রকাশিত হয় অধুনালুপ্ত দৈনিক বাংলায় ১৯৭৮ সালে।১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম গল্পগ্রন্থ। এ যাবৎ প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ তিনটিসহ তাঁর মোট গ্রন্থের সংখ্যা ১৭টি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর/এআর

ইয়ামাহার শো-রুম এখন শনির আখড়ায়

রাজধানীর শনির আখড়ায় ইয়ামাহার নতুন শো-রুম ক্রিসেন্ট এন্টারপ্রাইজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। ইয়ামাহা মোটর সাইকেল ক্রেতাদের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে মঙ্গলবার শো-রুমের উদ্বোধন করেন জাপানের ইয়ামাহা মোটরের সিনিয়র সুপারভাইজর কুমামুতো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসিআই মটরসের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সুব্রত রঞ্জন দাস, ডিরেক্টর সেলস মোহাম্মদ আজম আলী, জেনারেল ম্যানেজার (সার্ভিস ও প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট) আসিফ উদ্দিন, মার্কেটিং ম্যানেজার রবিউল হকসহ এসিআই এর অন্যান্য উর্ধতন কর্মকর্তারা। উল্লেখ্য, এসিআই মটরস্ এসিআই লিমিটেডের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। এসিআই মটরস্ বাংলাদেশে ইয়ামাহা মটর সাইকেল এবং এর খুচরা যন্ত্রাংশের একমাত্র ডিস্ট্রিবিউটর। ক্রিসেন্ট এন্টারপ্রাইজ নামে এই নতুন ডিলার পয়েন্ট শনির আখড়া’য় অবস্থিত (১৬৪ রায়ের বাগ, কদমতলি)। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। আর/এআর          

এসআইবিএলের বিজনেস রিভিউ মিটিং অনুষ্ঠিত

সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল)বিজনেস রিভিউ মিটিং সম্প্রতি ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় অংশ নেন ঢাকা অঞ্চলের ৫০টি শাখার ব্যবস্থাপক এবং প্রধান কার্যালয়ের উর্ধ্বতন নির্বাহীরা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এসআইবিএলে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মেজর ডা. মো. রেজাউল হক (অব.) এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক মো. আবুল বাশার ভূঁইয়া। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে মিটিং-এ উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাসমূহের ব্যবস্থাপক। সভায় ব্যাংকের সার্বিক ব্যবসা পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। আর/এআর  

বাণিজ্য ঘাটতি সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা

চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮১ কোটি মার্কিন ডলার বা ১৪ হাজার ৬০৮ কোটি টাকা। আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য দেখা গেছে। মূলত রপ্তানির বিপরীতে আমদানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় এ বাণিজ্য ঘাটতির মুখে পড়েছে দেশ। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্ট মাসে এর পরিমাণ ছিল মাত্র ৫২ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ৪ হাজার ২৩৭ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে নিবন্ধিত ব্যবসায়ীদের ‘নিজ দায়িত্বে’করা আমদানি পণ্যের পরিমাণ ৩৪ শতাংশ বেড়েছে। বিপরীতে একই শর্তে রপ্তানি বেড়েছে মাত্র ১৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, আলোচ্য সময়ে সেবা খাতে আমদানি-রপ্তানির পার্থক্যও ৭৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ৬ হাজার ২৭৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। আলোচ্য সময়ে চলতি হিসাব ভারসাম্যে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪৫ কোটি ১০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই হিসাবে ৮১ কোটি ২০ লাখ ডলার উদ্বৃত্ত ছিল। সাধারণভাবে চলতি হিসাবের মাধ্যমে দেশের নিয়মিত বৈদেশিক লেনদেন পরিস্থিতি বোঝানো হয়। এই হিসাবে আমদানি-রপ্তানিসহ অন্যান্য নিয়মিত আয়-ব্যয় এতে অন্তর্ভুক্ত থাকে। এখানে উদ্বৃত্ত হলে চলতি লেনদেনের জন্য দেশকে ঋণ করতে হয় না। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে জানা যায়, গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের দেশের পণ্য ও সেবা উভয় বাণিজ্যেই ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে ছয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থায় পৌঁছায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আমদানি ৯ শতাংশ এবং রপ্তানি ১ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেড়েছে। অর্থের হিসাবে ৪ হাজার ৩৫০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি হয়। বিপরীতে পণ্য রপ্তানি হয় ৩ হাজার ৪০১ কোটি ডলারের। ফলে সামগ্রিক বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় ৯৪৭ কোটি ডলার। তার আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৬৪৬ কোটি ডলার। সেই হিসাবে গেল অর্থবছরে ঘাটতি ৪৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেড়েছে। আরকে/ডব্লিউএন

সেপ্টেম্বরে লক্ষ্যমাত্রার কম রপ্তানি আয়

চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানিতে মোট আয় হয়েছে ২০৩ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার বা ১৬ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা। যা এই মাসের রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২৬ দশমিক ৭২ শতাংশ কম। সদ্য সমাপ্ত মাসে ২৭৭ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের সেপ্টেম্বর মাসে পণ্য রপ্তানিতে মোট আয় হয়েছিল ২২৫ কোটি ৫৮ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ কম। অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সব ধরনের পণ্য রপ্তানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছিল মোট ৩ হাজার ৪৬৫ কোটি ৫৯ লাখ ২০ হাজার ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৩ মাস অর্থাৎ জুলাই-সেপ্টেম্বর মেয়াদে রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৮৯১ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৮৬৬ কোটি ২৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৮৪ শতাংশ কম। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৩ মাসের পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলেও ২০১৬-১৭ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এবারের রপ্তানি আয় ৭ দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর মেয়াদে পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৮০৭ কোটি ৮৮ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর মেয়াদে তৈরি পোশাক খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৭১৪ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। এই খাতের রপ্তানি আয় আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭ দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে নিটওয়্যার খাতের পণ্য রপ্তানিতে ৩৭৪ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং ওভেন গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানিতে ৩৩৯ কোটি ৭১ লাখ ৭০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আরকে/ডব্লিউএন  

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি