ঢাকা, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২:১১:২২

ট্রাস্ট ব্যাংকের নতুন এমডি ফারুক মঈনউদ্দীন

ট্রাস্ট ব্যাংকের নতুন এমডি ফারুক মঈনউদ্দীন

ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন ফারুক মঈনউদ্দীন। অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক থেকে চলতি মাসের ১৮ তারিখ নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন এই বর্ষীয়ান ব্যাংক কর্মকর্তা। বহুমুখি প্রতিভা এবং সৃজনশীল ব্যক্তিত্বের অধিকারি ফারুক মঈনউদ্দীন পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিয়মিত সাহিত্য চর্চা করেন।। গল্প-উপন্যাস রচনাসহ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় অর্থনীতি ও ব্যাংকিং বিষয়ক লেখালেখি করেন।  ফারুক মঈনউদ্দীন  চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভার উত্তর-ইদিলপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দের ৮ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মলকুতুর রহমান ছিলেন থানা শিক্ষা অফিসার। মা’র নাম বেগম কামালুল হায়া। ফারুক আহমেদের জ্যেষ্ঠ্য সহোদর প্রকৌশলী ইউসুফ সালাউদ্দিন একজন মুক্তিযোদ্ধা। একজন সৎ ও কর্মঠ ব্যাংক-কর্মকর্তা হিসেবে কর্মক্ষেত্রে তাঁর যথেষ্ট সুনাম ও খ্যাতি রয়েছে। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ৮ জুলাই আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড থেকে ব্যাকিং-ক্যারিয়ার শুরু করেন ফারুক মঈনউদ্দীন। ।দীর্ঘসময় তিনি এ ব্যাংকের দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপকসহ গুরুত্বপূর্ণ নানা বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। এক পর্যায়ে ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদেও পদোন্নতি লাভ করেন। এরপর উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডে যোগ দেন তিনি। সেখান থেকে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে যোগ দেন সিটি ব্যাংক লিমিটেড-এ। সেখান থেকে একই পদে যোগদান করেন ট্রাস্ট ব্যাংকে। ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চার অংশ হিসেবে ১৯৭৮ সালে তাঁর লেখা প্রথম গল্প প্রকাশিত হয় অধুনালুপ্ত পত্রিকা দৈনিক বাংলায় । ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম গল্পগ্রন্থ। এখন পর্যন্ত তিনটি গল্পগ্রন্থ সহ তাঁর মোট গ্রন্থের সংখ্যা ১৭টি। তাঁর অনুদিত ‘অনন্য জীবনানন্দ’ গ্রন্থের জন্যে তিনি ‘আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার ২০১১’ এবং ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’ লাভ করেন। /এস এইচ এস/ এআর
ব্র্যাক ব্যাংকের নারী কর্মীদের ফোরাম ‘তারা’

ব্র্যাক ব্যাংককে এগিয়ে নিতে নারী কর্মীদের রয়েছে বিশেষ অবদান। ব্র্যাক ব্যাংক তাই নারী কর্মীদের সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যে আয়োজন করেছে ‘তারা (TARA) কনভেনশন ২০১৮’। ‘তারা’ (TARA) হচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংকের নারী কর্মীদের ফোরাম। ব্যাংকের নারী কর্মীদের অভিজ্ঞতা এবং নেটওয়ার্কিং ভাগ করার মাধ্যমে ‘তারা’ (TARA) ক্যারিয়ারের উন্নতি এবং পেশাদারী উৎকর্ষ সাধনে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। ফোরামের উদ্দেশ্য হলো ব্র্যাক ব্যাংককে বাংলাদেশের সবচেয়ে নারীবান্ধব ব্যাংক হিসাবে গড়ে তোলা। এক হাজার ১০০ জনের বেশি সদস্য নিয়ে, তারা (TARA) দেশের প্রাইভেট সেক্টরে সর্ববৃহৎ নারী ব্যাংকারদের নেটওয়ার্ক হিসাবে গড়ে উঠেছে। ২০১৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই কনভেনশনে কনজুমার্কের চেয়ারম্যান (সাবেক এমডি এবং সিইও, এসসিবি আফগানিস্তান) নাসরিন সাত্তার, এপোলো হাসপাতাল ঢাকার প্রিন্সিপাল ডায়েটিসিয়ান তামান্না চৌধুরী, ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর. এফ. হোসেন, মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান বিলকিস জাহানসহ দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা নারী কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ‘তারা’ (TARA) তে নারী কর্মীরা ব্যাংকের ভিতর বা বাইরের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং উদ্বেগের বিষয়গুলো শেয়ার করার সুযোগ পায়। ‘তারা’ হেল্পলাইনের মাধ্যমে কর্মীরা এসব বিষয়ে কথা বলতে পারে।  ব্র্যাক পরিবারের সদস্য হিসাবে, ব্র্যাক ব্যাংক সর্বদা নারী অধিকার এবং নারী ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে। নারী কর্মীদের কর্মক্ষেত্রে একটি সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্র্যাক ব্যাংক বদ্ধ পরিকর। বিজ্ঞপ্তি আরকে/টিকে

বাড়ছে সিমেন্টের দাম: দায়ী ৫ কারণ

দেশের অবকাঠামো উন্নয়নসহ ঘরবাড়ি নির্মাণের প্রধান উপকরণ সিমেন্টের দাম বাড়ানো হয়েছে। এর আগে রডের দাম বাড়ানো হলেও সিমেন্টের দাম অপরিবর্তিত ছিল। তবে সিমেন্ট উৎপাদনকারীদের দাবি, বর্তমান দামে সিমেন্টে বিক্রি করলে তাদের আর্থিক ক্ষতি গুণতে হয়। তাই বাধ্য হয়েই প্রতিবস্তা সিমেন্টের দাম ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। দাম বৃদ্ধির যুক্তি হিসেবে ৫টি কারণ দাঁড় করিয়েছেন তারা। সিমেন্ট খাতের উদ্যোক্তারা বলেন, এ খাতের সবগুলো কাঁচামালই আমদানিনির্ভর। বৈশ্বিক বাজারে সিমেন্টের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এর কাঁচামালের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। সিমেন্ট উৎপাদনে প্রধান পাঁচটি কাঁচামাল হলো ক্লিংকার, লাইমস্টোন, স্ল্যাগ, ফ্লাই অ্যাশ ও জিপসাম। মূলত, সিমেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত ক্লিংকারের দাম আগের তুলনায় অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে সিমেন্টের দামের উপর। সিমেন্টের কাঁচামাল আমদানির তথ্যানুসারে, ২টি কারখানা ক্লিংকার উৎপাদন করলেও বাকি ৩২টি কারখানা ক্লিংকারসহ অন্যান্য কাঁচামাল আমদানি করেই সিমেন্ট প্রস্তুত করে। শুধু ক্লিংকারের দাম-ই নয়, দাম বেড়েছে জ্বালানি তেলেরও। এ ছাড়া সিমেন্টের ব্যাগের দামও বেড়েছে আগের তুলনায়। এ তালিকা থেকে বাদ যায়নি গ্যাসের দামও। এদিকে শুধু কাঁচামালের দাম-ই নয় খরচ বেড়েছে পরিবহন ব্যবস্থারও। এ ছাড়া বাংলাদেশের বন্দরের চিরায়ত সমস্যাতো রয়েছেই। বন্দরের অনিয়ম ও পণ্য খালাসে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে তাঁদের গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। সিমেন্ট প্রস্তুতকারক সমিতির সভাপতি ও মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের বলেন, সিমেন্টের কাঁচামাল আমদানি থেকে শুরু করে প্রস্তুত পণ্য পরিবহন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই খরচ বেড়েছে। এখন প্রতি বস্তা সিমেন্টে বাড়তি খরচ হচ্ছে কোম্পানিভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। বাড়তি খরচের একাংশ সমন্বয় করা হয়েছে। তাই প্রতিবস্তা সিমেন্ট প্রতি ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দাম বাড়ার আগে মানভেদে বিভিন্ন কোম্পানির প্রতি বস্তা সিমেন্ট বিক্রি হতো ৩৪৫ থেকে ৩৯০ টাকা। এখন প্রতি বস্তা সিমেন্টের দাম বেড়ে হয়েছে ৩৬৫ থেকে ৪১০ টাকা। সিমেন্ট প্রস্তুতকারক সমিতি ও উদ্যোক্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে সিমেন্ট খাতে উৎপাদনে রয়েছে ৩৪ কারখানা। এগুলো ২০১৭ সালে সম্মিলিতভাবে উৎপাদন করেছে প্রায় আড়াই কোটি টন সিমেন্ট। এ হিসেবে দাম বাড়ায় সিমেন্ট ব্যবহারকারীদের বছরে বাড়তি ব্যয় করতে হবে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। টাকার অঙ্কে বছরে সিমেন্টের বেচাকেনা দাঁড়াবে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এই পাঁচটি কাঁচামাল আমদানি হয়েছে ২ কোটি ২৯ লাখ টন। চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর দিয়ে সিমেন্ট ক্লিংকার আমদানি হয় ১ কোটি ৪৫ লাখ টন। উদ্যোক্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে সিমেন্টের প্রধান কাঁচামাল ক্লিংকারের দাম বেড়েছে টনপ্রতি চার থেকে পাঁচ ডলার। ক্লিংকার রপ্তানিকারক দেশ চীন, নিজেদের প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্লিংকার আমদানি শুরু করেছে। এতে চাপ পড়ছে বৈশ্বিক বাজারে। মূলত চীনের আমদানিই বিশ্ববাজারের ক্লিংকারের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে রডের পর সিমেন্টের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এর প্রভাব পড়তে যাচ্ছে আবাসন খাতে। আবাসন ব্যবসায়ীদের দাবি, এরই মধ্যে তারা ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে ঝামেলায় ভোগছেন। ক্রেতারা প্রস্তুতকৃত দামেও ফ্ল্যাট কিনতে চাচ্ছেন না। এরইমধ্যে রডের বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা ক্ষতির মধ্যে আছি। এবার সিমেন্টের দাম বৃদ্ধি করায় ফ্ল্যাট নির্মাণে খরচ অনেক বেড়ে যাবে। এতে আবাসন খাতে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। এমজে/  

‘মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে বন্দর-সম্ভাবনা কাজে লাগান’

আগামী ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের কাতারে নিতে হলে দরকার আমাদের ব্যবসায়ীক প্রবৃদ্ধি। আর ব্যবসায়ীক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার ক্ষেত্রে প্রয়োজন আমদানি-রফতানির জন্য সহজলভ্য পরিবহন ব্যবস্থা। তাই পণ্য আনা-নেওয়ার মাধ্যম বন্দরগুলোর সমস্যা দূর করে এর সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে। তবেই দেশ মধ্যম আয়ে উত্তীর্ণ হবে। নইলে তা কঠিন হয়ে পড়বে। মঙ্গলবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডস্ট্রি আয়োজিত অভ্যন্তরীণ নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থার পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিষয়ক এক সেমিনারে বক্তাদের আলোচনায় এসব কথা উঠে আসে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, পরিবহন ব্যবস্থা যারা পরিচালনা করেন, তাদের এক ধরণের একচেটিয়া ক্ষমতা থাকে। তারা যেন ব্যবসায়ীদের উপর এই একচেটিয়া ক্ষমতা প্রয়োগ না করে। এক্ষেত্রে রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষের একটা ভূমিকা থাকতে পারে। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের সব সুপারিশ রাতারাতি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়না। তবে রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ করার যে কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সভাপতি নূর-ই আলম চৌধুরী বলেন, ব্যবসায়ীরা শুধু চট্টগ্রাম বন্দরের উপর নির্ভর্শীল। তারা অন্য কোনো বন্দরে যেতে চায় না, ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ জট লেগেই থাকে। অথচ সরকার পায়রা বন্দরেও ব্যবসায়ীদের জন্য অনেক সুযোগ সুবিধা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি। সেমিনারে ব্যবসায়ীদের তুলে ধরা বন্দরের নানাবিধ সমস্যার বিষয়ে তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও সিঙ্গাপুরে অনেকগুলো বন্দর থাকলেও সেখানে একটাই কর্তৃপক্ষ, একটাই আইন। ফলে তাদের বন্দরে পণ্য আনা নেয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়। ব্যবসায়ীদের কোন ভোগান্তি পোহাতে হয় না। বাংলাদেশেও এনন একটিই আইন ও কর্তপক্ষ দরকার। সেমিনারে নদীপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিদ্যমান সমস্যা দূর করণের ওপর জোর দিয়ে ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাশেম খান বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতে হবে। নদীপথের যোগাযোগের উপর গুরুত্ব দিয়ে এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সমস্যা মোকাবেলায় সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যম আয়ের দেশে উত্তীর্ণ কঠিন হয়ে পড়বে। এ ছাড়া আগামীতে ৫০ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা আছে সেটাও কঠিন হয়ে যাবে। যদি জাহাজজটসহ বন্দরের অন্যান্য সমস্যাগুলো অচিরেই দূর করা না যায়। তিনি আরো বলেন, এখনও পর্যন্ত আমাদের পণ্যবোঝাই জাহাজ বন্দরে ১৫ থেকে ২০ দিন আটকে থাকে। আমাদের আমদানি ও রফতানির ক্ষেত্রে বন্দরগুলোর এসব সমস্যা দূর করতে হবে। তিনি বলেন, পণ্য  আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে বন্দর ব্যবহারে ব্যবসায়ীদের স্বাধীন হওযার সুযোগ দিতে হবে। ব্যবসায়ীরা যেন নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে তারা কোনো বন্দর ব্যবহার করবেন। আর কোনটা ব্যবহার করবেন না। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআইয়ের জাতীয় অবকাঠামো বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সমন্বয়ক ইয়াসের রিজভী। অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন পানগাঁও আইল্যান্ড কনটেইনার টারমিনালের ম্যানেজার আহমেদুল করিম চৌধুরী, মার্কস এন্ড স্পেন্সারের কান্ট্রি হেড স্বপ্না ভৌমিক প্রমুখ। আরকে/টিকে

দরপতনের ধারা অব্যাহত দেশের পুঁজিবাজারে

দরপতনের ধারা অব্যাহত রয়েছে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে। সূচকের সঙ্গে কমছে বাজারমূলধনও। তবে মঙ্গলবার উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৩৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৯০টির, কমেছে ১৯১টির, আর ৫৫টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত ছিল। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩১ পয়েন্ট কমে নেমে আসে ৫ হাজার ৯০৯ পয়েন্টে। দিন শেষে লেনদেন হওয়া শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বাজারমূল্য ছিল ৩৯১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। সূচক কমেছে সিএসইতেও। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৩০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৫৮টির, কমেছে ১৩৭টির, আর ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের দর ছিল অপরিবর্তিত। আর মোট লেনদেন হয়েছে ৫১ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।     স্টক ডিভিডেন্ড বণ্টনঅনুমোদিত স্টক ডিভিডেন্ড সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের বিও অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।   ইউনাইটেড ফাইন্যান্স ডাচবাংলা ব্যাংক ও ইউনাইটেড ফাইন্যান্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২২ ফেব্রুয়ারি। সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। গ্লাক্সো স্মিথক্লাইন গ্লাক্সো স্মিথক্লাইন বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ ফেব্র“য়ারি। সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। লিন্ডে বাংলাদেশ লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি। সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। স্পট মার্কেটের খবর জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের শেয়ার শুধু স্পট ও ব্লক মার্কেটে লেনদেন হচ্ছে।   শেয়ারের রেকর্ড ডেট রেকর্ড ডেটের কারণে ২২ ফেব্র“য়ারি ইনটেক লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন স্থগিত থাকবে। তবে পরের কার্যদিবসে আবারো লেনদেনে ফিরবে কোম্পানিটি। টিকে

বিএমডব্লিউ গাড়ি কেনার বিশেষ অফার

সম্প্রতি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং বাংলাদেশে বিএমডব্লিউয়ের অনুমোদিত একমাত্র আমদানিকারক এক্সিকিউটিভ মোটরস লিমিটেড যৌথভাবে তাদের গ্রাহকদের জন্য বিশেষ অফার চালু করেছে। অফার অনুযায়ী স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এক্সিকিউটিভ মটরস লিমিটেড থেকে বিএমডাব্লিউ ব্র্যান্ডেড গাড়ি কেনার জন্য ৯ দশমিক ৯ শতাংশ সুদ হারে অটো লোন পাবে গ্রাহকরা। গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া অফারে আরও সাদিক অটো ফাইন্যান্স সুবিধা এবং লোন প্রোসেসিং ফিতে ৫০ শতাংশ ছাড়।  স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের অটো ফাইন্যান্সিং সুবিধায় বিএমডাব্লিউ ৩ সিরিজ বা বিএমডাব্লিউ ৫ সিরিজ গাড়ি কেনা গ্রাহকরা এই বছরে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিতব্য এক্সিকিউটিভ মটরস লিমিটেডের সৌজন্যে বিএমডাব্লিউ ওয়ার্ল্ডের এক বিশেষ প্রিভিউতে যাবার সুযোগ পাবেন। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রায়রিটি গ্রাহকরা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের অটো ফাইন্যান্সিং সুবিধা ছাড়াও উপরে উল্লেখিত মডেলের গাড়ি কিনলে একই অফার উপভোগ করতে পারবেন। বিজ্ঞপ্তি আরকে//এসি

খুলনায় ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

খুলনায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার স্থানীয় একটি হোটেলে খুলনা জোনের উদ্যোগে ক্যাশ ওয়াকফ ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে এ গ্রাহক সমাবেশ হয়।  ব্যাংকটির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও খুলনা জোনপ্রধান মো. মাকসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. মাহবুব উল আলম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া, খুলনা শাখাপ্রধান মো. শফিউল আজম, এ হোসেন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, ইউনাইটেড গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. আখতার হোসেন ফিরোজ ও সরকারী বঙ্গবন্ধু কলেজের অধ্যক্ষ সরদার ফেরদৌস আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। আরকে//এসি

বারিধারায় সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং চালু

সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল)’র ৬৭তম এজেন্ট ব্যাংকিং ইউনিট বারিধারা জে ব্লকে উদ্বোধন করা হয়। সোমবার ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ইউনিটের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এয়ার কমোডোর (অব:) সৈয়দ জিলানী মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মেজর জেনারেল (অব:) জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিক ও ব্যাংকের এজেন্ট পার্টনার মেজর কামরুল হাসান (অব:)। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের এসইভিপি হাবিবুর রহমান, এসভিপি এম.এ. মোতালেব, এভিপি কে এম বরকাতুল হক সরকার এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।   আরকে//এসি

২২ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে বেসিস সফটএক্সপো

ডিজাইনিং দ্য ফিউচার স্লোগান নিয়ে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের জনপ্রিয় প্রদর্শনী বেসিস সফটএক্সপো ২০১৮। চার দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ভবনে আয়োজিত এ প্রদর্শনী চলবে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।  বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তির বৃহত্তম প্রদর্শনী সফটএক্সপোতে এবার প্রায় দুইশো দেশি-বিদেশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জন্য পণ্য ও সেবা প্রদর্শনের সুযোগ থাকছে। প্রদর্শনী এলাকাকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। রয়েছে সফটওয়্যার সেবা প্রদর্শনী জোন, উদ্ভাবনী মোবাইল সেবা জোন, ডিজিটাল কমার্স জোন, আইটিইএস ও বিপিও জোন। থাকবে ৩০টিরও বেশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সেমিনার, যেখানে বক্তব্য রাখবেন এক শতাধিক দেশি-বিদেশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের জন্যে থাকছে বি-টুবি ম্যাচমেকিং সেশন। যার মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা নিজেদের ব্যবসার প্রসার খুব সহজেই করতে পারবেন। পাশাপাশি থাকবে আইটি জব ফেয়ার জোন, যেখান থেকে দেশি-বিদেশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজের সুযোগ থাকছে। থাকছে ইনোভেশন জোন যেখানে বেসিস স্টুডেন্ট ফোরামের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রজেক্টগুলো তুলে ধরবেন। থাকবে মানবসদৃশ রোবট বঙ্গবীর, ব্যাংরোসহ আরো অনেক উদ্ভাবনী প্রজেক্ট। বেসিস সফটএক্সপো ২০১৮ প্রসঙ্গে বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, দেশের সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্প্রসারণে এই এক্সপোর আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রায় দুইশো প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। দেশের সফটওয়্যারের নিজস্ব চাহিদা পূরণে সক্ষমতা প্রদর্শন ও আস্থা তৈরিই এ প্রদর্শনীর লক্ষ্য। বেসিস সফটএক্সপো ২০১৮`র আহ্বায়ক বেসিস পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল বলেন, বেসিস সফটএক্সপোর মাধ্যমে দেশীয় আইটি প্রতিষ্ঠানসমূহ নিজেদের সেবা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন, পাশাপাশি বেসিস স্টুডেন্ট ফোরামের সদস্যরা নিজেদের উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি তথ্য-প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারবে। আরকে//এসি

এসিআইয়ের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন

এসিআই কনজ্যুমার ব্র্যান্ডসের বার্ষিক সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিগত বছরের সাফল্য এবং চলতি বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রতিনিধিদের সামনে তুলে ধরা হয়। গতকাল রাজধানীর কুড়িলে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন গ্রুপ এমডি ড. আরিফ দৌলা। স্বাগত বক্তব্য দেন এসিআই কনজ্যুমার ব্র্যান্ডসের এমডি সৈয়দ আলমগীর। অনুষ্ঠানে কোম্পানির ৪০০০ প্রতিনিধি অংশ নেন। আরও উপস্থিত ছিলেন বিজনেস ডিরেক্টর কামরুল হাসান, অনুপ কুমার সাহা, ফারিয়া ইয়াসমিন, ডিরেক্টর বিজনেস অপারেশনস সামসুজ্জামান, বিজনেস ম্যানেজার ওবায়দুল হক, জামান আসিফ আহমদ, জেনারেল ম্যানেজার সেলস জাকির হোসেন সরকার, জাহিদ হোসেন, ডিজিএম মো. নাহিদ নেওয়াজ এবং বিশ্বব্যাপী নামকরা কোম্পানি এস সি জনসন, কোলগেট পালমলিভ, একজোনোভেল, মালহোত্রা গ্রুপ, টাটা টির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ড. আরিফ দৌলা ২০১৭ সালের ব্যবসায়িক সাফল্যের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং ২০১৮ সালে আরো ভালো কাজের জন্য কোম্পানির প্রতিনিধিদের উৎসাহিত করেন। উল্লেখ্য, এসিআই দেশের অন্যতম কনজ্যুমার প্রোডাক্ট উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এসিআই অ্যারোসল, স্যাভলন, এসিআই মশার কয়েল, এসিআই পিওর আটা-ময়দা-সুজি, ফ্রিডম স্যানিটারি ন্যাপকিন, স্মার্ট ওয়াশিং পাউডার মতো ব্র্যান্ডের পণ্য উত্পাদন ও বাজারজাত করে। এসিআই বাংলাদেশে কোলগেট, ইকুয়াল/ক্যান্ডেরাল, প্যানাসনিক প্রডাক্ট, ডিয়োলাক্স পেইন্টস ইত্যাদি পণ্যের একমাত্র পরিবেশক ও মার্কেটিং পার্টনার। বিজ্ঞপ্তি আরকে/ এআর

মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে চাই বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি

আগামী ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে হলে দরকার বসায়িক প্রবৃদ্ধি। আর ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার ক্ষেত্রে প্রয়োজন আমদানি-রফতানির জন্য সহজলভ্য পরিবহন ব্যবস্থা। তবে সহজ পরিবহণের প্রধান অন্তরায় বন্দরের নানা সমস্যাকে চিহ্নিত করে বক্তারা বলছেন, বন্দরের সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারলেই কেবল মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া সম্ভব। অন্যথায় তা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে  বলেও মত দেন তারা। মঙ্গলবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত অভ্যন্তরীণ নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থার পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিষয়ক এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, পরিবহন ব্যবস্থা যারা পরিচালনা করেন, তাদের এক ধরণের একচেটিয়া ক্ষমতা থাকে। তারা যেন ব্যবসায়ীদের ওপর এই একচেটিয়া ক্ষমতা প্রয়োগ না করে, এক্ষেত্রে রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষের একটা ভূমিকা রাখতে হবে। এসময় তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ীদের সব সুপারিশ রাতারাতি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়না। তবে রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ গঠনের বিষয়ে যে কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।  নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাবেক সভাপতি নূর- ই আলম চৌধুরী বলেন, ব্যবসায়ীরা শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বন্দরের উপর নির্ভরশীল। তারা অন্য কোন বন্দরে যেতে চায় না, ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজজট লেগেই থাকে। অথচ সরকার পায়রা বন্দরেও ব্যবসায়ীদের জন্য অনেক সুযোগ সুবিধা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি।  সেমিনারে ব্যবসায়ীদের তুলে ধরা বন্দরের নানাবিধ সমস্যার বিষয়ে তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও সিঙ্গাপুরে অনেকগুলো বন্দর থাকলেও সেখানে একটাই কর্তৃপক্ষ, একটাই আইন। ফলে তাদের বন্দরে পণ্য আনা নেয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা কম হয়। ব্যবসায়ীদের কোন ভোগান্তি পোহাতে হয় না। বাংলাদেশেও এনন একটিই আইন ও কর্তপক্ষ দরকার। সেমিনারে নদীপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার বিদ্যমান সমস্যা দূরীকরণের ওপর জোর দিয়ে ডিসিসিআই সভাপতি আবুল কাশেম খান বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতে হবে। নদীপথের যোগাযোগের উপর গুরুত্ব দিয়ে এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সমস্যা মোকাবেলায় সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যম আয়ের দেশে উত্তীর্ণ কঠিন হয়ে পড়বে। যদি জাহাজ জটসহ বন্দরের অন্যান্য সমস্যাগুলো অচিরেই দূর করা না যায়, তাহলে ৫০ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা আছে সেটাও কঠিন হয়ে যাবে। । তিনি আরো বলেন, এখনও পর্যন্ত আমাদের পণ্যবোঝায় জাহাজ বন্দরে ১৫ থেকে ২০ দিন আটকে থাকে। আমাদের আমদানি ও রফতানির ক্ষেত্রে বন্দরগুলোর এসব সমস্যা দূর করতে হবে। তিনি বলেন, পণ্য আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে বন্দর ব্যবহারে ব্যবসায়ীদের স্বাধীন হওযার সুযোগ দিতে হবে। ব্যবসায়ীরা যেন নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে তারা কোন বন্দর ব্যবহার করবেন। আর কোনটা ব্যবহার করবেন না। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআইয়ের জাতীয় অবকাঠামো বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সমন্বয়ক ইয়াসের রিজভী। অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য রাখেন পানগাঁও আইল্যান্ড কনটেইনার টারমিনালের ম্যানেজার আহমেদুল করিম চৌধুরী, মার্কস এন্ড স্পেন্সারের কান্ট্রি হেড স্বপ্না ভৌমিক প্রমুখ। আরকে/ এমজে

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি