ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭ ৪:১৪:০২

ছবির সেটে আহত কঙ্গনা

ছবির সেটে আহত কঙ্গনা

‘মণিকর্ণিকা : দা কুইন অফ ঝাঁসি’ ছবির শুটিং করতে গিয়ে আহত হলেন ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানৌত। বৃহস্পতিবার যোধপুরে ছবিটির শুটিং চলাকালে পড়ে গিয়ে তার পা মচকে যায়। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, কঙ্গনার পায়ে প্লাস্টার করা হয়েছে। তাকে এক সপ্তাহ পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। এর আগেও ‘মণিকর্ণিকা : দা কুইন অফ ঝাঁসি’ ছবির সেটে আহত হয়েছিলেন কঙ্গনা। ওই সময় তলোয়ারের আঘাত লেগে গুরুতর জখম হন তিনি। তাকে কয়েকদিন আইসিইউতেও থাকতে হয়েছিল। এবার দেওয়ালের উপর থেকে পড়ে গিয়ে তার পা মচকে গেছে। ‘মণিকর্ণিকা : দা কুইন অফ ঝাঁসি’ ছবিটি পরিচালনা করছেন রাধাকৃষ্ণ জগরলামুদি ওরফে কৃষ। এর গল্প লিখেছেন কেভি বিজয়েন্দ্র প্রসাদ। ছবিটিতে কঙ্গনাকে ঝাঁসির রাণী লক্ষ্মীবাঈয়ের ভূমিকায় দেখা যাবে। আগামী বছরের ২৭ এপ্রিল ছবিটি মুক্তি পাবে।   ডিডি/টিকে
শুক্রবার বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে ‘ইয়েতি অভিযান’

সাফটা চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘ইয়েতি অভিযান’। আগামী শুক্রবার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে। ‘ইয়েতি অভিযান’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যীশু সেনগুপ্ত ছাড়াও বাংলাদেশের ফেরদৌস ও বিদ্যা সিনহা মিম। এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর কলকাতায় মুক্তি পায় ছবিটি। ভারতীয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ভেংকটেশ ফিল্মস ছবিটি প্রযোজনা করেছে। বাংলাদেশে ছবিটির আমদানি এবং পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছে খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া।    অন্যদিকে একই চুক্তির আওতায় কলকাতায় প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে শামিম আহমেদ রনি পরিচালিত ‘বসগিরি’ চলচ্চিত্রটি। শাকিব খান ও বুবলি অভিনীত বসগিরি বাংলাদেশে মুক্তি পায় ২০১৬ সালে। ব্যবসা সফল এই চলচ্চিত্রটি এবার যাচ্ছে ওপারের প্রেক্ষাগৃহে। ‘ইয়েতি অভিযান’ চলচ্চিত্রটি খ্যাতনামা উপন্যাসিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কাকাবাবু সিরিজের ‘পাহাড়চূড়ায় আতঙ্ক’ অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে।    এসএইচ/

‘চল পালাই’ দেখলে আমার প্রতি সবার ধারণা পাল্টে যাবে: শাহরিয়াজ

ঢাকাই ছবির ব্যস্ততম নায়ক শাহরিয়াজ। ‘কি দারুণ দেখতে’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পর্দায় তার অভিষেক ঘটে। বতর্মানে একের পর এক সিনেমা করে যাচ্ছেন। তার হাতে রয়েছে বেশ কিছু চলচ্চিত্র। পরিশ্রমী এই চিত্রনায়ক নিজেকে তৈরি করার জন্য নানান চরিত্রে অভিনয় করে যাচ্ছেন। আগামী ৮ ডিসেম্বর মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার অভিনীত একটি চলচ্চিত্র। খ্যাতিমান নির্মাতা দেবাশিষ বিশ্বাসের ‘চল পালাই’তে অভিনয় করেছেন শাহরিয়াজ। একুশে টিভি অনলাইনকে তিনি জানান সিনেমার পেছনের গল্প। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন আউয়াল চৌধুরী।     ‘চল পালাই’ সম্পর্কে কিছু বলুন?   শাহরিয়াজ : শুরুতেই পরিচালক দেবাশিষ বিশ্বাসকে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাকে ‘চল পালাই’ সিনেমায় কাষ্ট করার জন্য। দেবাশিষ বিশ্বাসের সঙ্গে সঙ্গে আমি স্মরণ করছি তার পিতা দিলিপ বিশ্বাসকে। তিনি তারই সুযোগ্য উত্তরসুরী, সুযোগ্য সন্তান এবং সুযোগ্য ঢালিউডের একজন ডিরেক্টর। শুরুতে একটু বেশি ইন্ট্রোডাকশন দিচ্ছি তার কারন হলো, বতর্মানে আমাদের দেশে প্রপারলি খুব কমই সিনেমা তৈরি হচ্ছে। সেই দিক থেকে ‘চল পালাই’ ইজ এ ব্লাস্ট। এটা একটা প্রপার এন্টারটেইনমেন্ট সিনেমা। আমি এই ছবিটা করে খুব মজা পেয়েছি। আর এটা আমার দশম ছবি। সে কারনেও এটা আমার জন্য স্পেশাল। আমি খুবই খুশি। এই ছবিতে সবাই ভালো কাজ করেছে। আমি মনে করি এই ছবি দেখলে আমার প্রতিও সবার ধারনা পাল্টে যাবে। বলে বিশ্বাস করি। এর বেশি এখন আর বলছিনা। ছবি দেখেই বাকিটা জানা যাবে। ‘চল পালাই’ এর অভিজ্ঞতা শুনতে চাই?   শাহরিয়াজ : আমরা ২০১৬ সালের শুরুর দিকে বান্দরবানে এ ছবির কাজ শুরু করি। চল পালাই করতে গিয়ে অনেক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হয়েছে। মজার বিষয় হলো আমি একেবারেই গাড়ী চালাতে জানিনা। আর সেই আমাকেই বলা হলো ট্রাক চালাতে হবে এবং সেটা নিয়ে পাহাড়ের ওপরে উঠতে হবে। কি ভয়ানক ব্যাপার! আসলে এটা আমার জন্য একটা বড় অ্যাডভেঞ্চার। আমি দুই থেকে তিন ঘন্টা প্র্যাকটিস করলাম। আসলে আমরা কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের কম্প্রোমাইজ করিনি। চেষ্টা করেছি ভালো কিছু করার। যে লোকটি গাড়ীই চালাতে পারে না, সে পাহাড়ের ওপরে ট্রাক চালিয়ে উঠেছে। এটা একটা বিশাল মজার অভিজ্ঞতা।    শুনেছি বৃষ্টি আপনাদের কাজের সমস্যা করেছে? শাহরিয়াজ : বান্দরবানে আমরা ১৬ দিন শুটিং করেছি। এর মধ্যে তিন দিন বৃষ্টির কারনে কোনো শুটিংই করতে পারিনি। পুরো ইউনিট শুধু পিকনিকই করেছি। এক পর্যায়ে আমি আর তমা হতাশ হয়ে যাই। তখন পরিচালককে বলি দাদা এভাবে কি বসে থাকা যায়। তখন তিনি আমাদেরকে ৭ থেকে ৮টি সিনেমার গল্প শুনালেন। এবং বললেন, শুধু তিন দিন না, সাত দিন, আট দিন, এগারো দিন এরকম বহু দিন বসে থাকতে হয়েছে। এরকম অনেক কাহিনী আছে। এখন তোরা যদি আমাকে সার্পোট করিস তাহলে এই তিন দিনও কাভার করা সম্ভব।    তমার সঙ্গে আপনার কাজের রসায়নটা কেমন ছিল?    শাহরিয়াজ : তমার সঙ্গে আমার কাজের রসায়ন খুবই ভালো। তার সঙ্গে এই ছবিসহ তিনটা মুভি করেছি। তম্মধ্যে প্রথম রিলিজ হচ্ছে ‘চল পালাই’। ওর সঙ্গে বোঝাপড়াটা বলতে গেলে দারুন। আমি এ পর্যন্ত যাদের সঙ্গে কাজ করেছি তাদের থেকে সে অনেক ভালো। আরেকটা বড় কথা হলো তমা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে। সুতরাং ওর এবিলিটির জায়গা নিয়ে বলার কিছু নেই, এক কথায় আসাধারন। আর ও মানসিকভাবে খুবই ভালো। চল পালাইতে সেন্স অফ হিউম্যান এর জায়গাটা অনেক বেশি। অর্থাৎ উঁচু মানের কথাবার্তার একটা সম্মিলন আছে। রয়েছে হাসি আর থ্রিলিং। এসব জায়গায় তমা খুবই ভালো করেছে। এর বাহিরে শিপন ভাই’র কথাও বলবো। তার সঙ্গে এটা আমার প্রথম কাজ। একটি ছবিতে দুইজন হিরো থাকলে একটা পারস্পরিক দ্বন্ধ কাজ করে এ ক্ষেত্রে আপনাদের সম্পর্ক কেমন ছিল?  শাহরিয়াজ : এক ছবিতে দুইজন হিরো থাকলে কখনো কখনো ঝামেলা তৈরি হয় কথাটা ঠিক। কে বড়, কে ছোট এ ধরনের একটা বিষয় মাথায় কাজ করে। কিন্তু শিপন ভাই‘র সঙ্গে এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। উল্টো আমরা বান্দরবানে যখন আউটডোর করি দেখা যায় সবাই আমার রুমে আসে আড্ডা দিতে। তমা আর শিপন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই তাদের প্রথম কফি পান ছিল শাহরিয়াজের রুমে। বলা যায় আমার রুমটা ছিল একটা ক্লাব ঘর। সবাই আমার রুমে এসে কফি খাবে। আসলে এটা খুবই মাজদার জার্নি ছিল। শিপন ভাই তিনি তার জায়গায় ভালো করেছে আর আমি কেমন করেছি সেটা দর্শকই বলবে। এবং তমাও অনেক ভালো করেছে।    টিম সম্পর্কে কিছু বলুন? শাহরিয়াজ : একজন ডিরেক্টরের সবচেয়ে বড় যোগ্যতা হচ্ছে তার টিমকে প্রপারলি হেন্ডেল করা। একটা গল্প বা শুটিংই সব কিছু না। শুটিংতো সিনেমার একটা অংশ মাত্র। তার আগে প্রয়োজন হয় প্রি- প্রোডাকশন, পোষ্ট প্রোডাকশন, অনেক কিছুই করতে হয়। শুধু শুটিং করে এনে ছেড়ে দিলেই কি সিনেমা হয়ে যাবে। না, এখানে প্রপার টিম কাস্টিংটা একটা ফেক্ট। এমনও হয়েছে আমরা বৃষ্টির কারনে শুটিং করতে পারছিনা, বসে আছি। শুধু পিকনিক করেছি। ইউনিটের ৬০জন সদস্য কাজ ছাড়া সময় পার করছে। এরপর যখন কাজ শুরু হলো তখন আমরা ছয়টার সময়ে মেকআপসহ কাজ শুরু করেছি। একটানা রাত পযর্ন্ত শুটিং করেছি। সময়ের কোনো হিসাব নাই। কাজ আর কাজ। সো ইউনিটের এ ধরনের একটা বিষয়ও আমার দেখার সুযোগ হয়েছে। ‘চল পালাই’ করতে গিয়ে বলা যায় একটা বিশাল অভিজ্ঞতা হয়েছে।   ….চল পালাই এর বেশ প্রশংসা করছেন, কেন? শাহরিয়াজ : সিনেমার প্রশংসা করলেই যে বড় দাম্ভিকতা হবে তা কিন্তু নয়। চল পালাই করতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে আমি সেটাই শেয়ার করছি। এ ধরনের একটা অজিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আমি গিয়েছি। যে অভিজ্ঞতাটা আমাকে আরো অনেক বেশি দায়িত্ববান করেছে। বর্তমান কাজের ক্ষেত্রে এটা আমাকে আরো বেশি শানিত করছে, গুছিয়ে দিচ্ছে। শেষ কথা বলতে গেলে আমরা ডিরেক্টরের আর্টিস্ট। আমি অমিতাভকে, শাকিব খানকেও বলতে শুনেছি এ ধরনের কথা। সে অনুপ্রেরণাটা আমি ধারন করি। দিনশেষে একজন আর্টিস্ট যদি ডিরেক্টরের না হয় তাহলে হবে না।     শুটিংয়ে কোনো ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন? শাহরিয়াজ : শুটিংয়ে আমার বেশ ভালো ঘুম হয়েছে। তবে হঠাৎ করে একটা সমস্যা আমার সামনে এসে হাজির হয়। আমার প্রচণ্ড দাঁতের ব্যাথা উঠে। আর ওখানকার আবহাওয়াটা কখনো ঠাণ্ডা কখনো গরম। সো একদিকে আবহাওয়া খারাপ, গায়ে ব্যাথা, পায়ে ব্যাথা এসব থেকে বেশি ব্যাথা ছিল আমার দাঁতে। দাঁতের ব্যাথা যে কত বড় যন্ত্রনার সেটা বলে বুঝাতে পারবোনা। এক সঙ্গে ৭ থেকে ৮টা ব্যাথার ঔষুধ খেয়ে আমাকে শট নিতে হয়েছে। এবং সেখানে দেবাশিষদার আম্মা আমার জন্য অনেক করেছেন। তিনি আমার ঔষুধের ব্যাগ নিয়ে পাশে পাশে থাকতেন। আমার জন্য গরম পানি করে নিয়ে আসতেন। আমার অবস্থাটা  এতটা ভয়ানক খারাপ ছিল যে, সেখানে ভালো ট্রিটমেন্ট পাওয়ারও কোনো  সুযোগ ছিল না। বলতে পারি ‘চল পালাই’ আমাকে ভিষণ দাঁতের পেইন দিয়েছে। দর্শক এ সিনেমা কেন দেখবে? শাহরিয়াজ : এটা একটা থ্রিলার ধর্মী গল্প। রয়েছে টানটান উত্তেজনা। এ সিনেমার প্রতিটি বাঁকেই টুইষ্ট আছে। প্রতিটি বাক্যেই একটা মোড় আছে। মূলত গল্পটা হলো ভারতের বিখ্যাত সাহিত্যিক রজনীশ ঠাকুরের গল্পের ছায়া অবলম্বনে। এই সিনেমার হিরোই হচ্ছে গল্প। আবার বলছি, চল পালাই এর হিরো হচ্ছে চল পালাই এর গল্প। আমাদের দেশে দর্শক এখন গল্প দেখতে চায়। গল্পে শিপন-তমা তারা একে অপরকে ভালবাসে। পরিবার তাদের ভালোবাসা মেনে নিবে না। তাই তারা বাড়ী থেকে পালালো। শুরু হলো তাদের পালানোর জার্নি।  এই পালানোর শুরু থেকে আরেকজন তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়। সে যুক্ত হওয়ার পর তাদের জার্নিতে অনেক কিছু ঘটতে থাকে। রাস্তায় যা যা ঘটে সেটাই হচ্ছে ‘চল পালাই’ এর গল্প।     / এআর /    

‘স্টেজ শো না করলে রাতে ঘুম হয় না’

এ প্রজন্মের জনপ্রিয় গায়ক পারভেজ সাজ্জাদ। ‘এ জীবন হারিয়ে যায়, যাবি যদি উড়ে দূরে, পথ গেছে পথের আড়ালে’সহ তার অসংখ্য গান আজ লাখো মানুষের ঠোঁটে ঠোঁটে। বিভিন্ন ধারার গান করলেও সুফি গান তাকে দিয়েছে অনন্য পরিচিতি। সুরের অলৌকিক শক্তি দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন পারভেজ।   পারভেজ স্টেজ শো, টেলিভিশন লাইভ, মিউজিক ভিডিও, চলচ্চিত্রে গান-সবকিছুতেই নিজেকে মেলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। তবে স্টেজ শো’তেই বেশি এনজয় করেন চিরতরুণ এই শিল্পী। স্টেজে তার দূরন্ত গতি ও প্রাণবন্ত ‍উপস্থিতি শ্রোতা-দর্শকদের আন্দোলিত করে। নিজেকে উজার করে দেন পারভেজ। গানপাগল মানুষটির সরল স্বীকারোক্তি- ‘স্টেজ শো করতে না পারলে রাতে ঘুমোতে পারি না। মন ছটফট করে।’   শৈশব থেকে গানের সঙ্গে যার বসবাস সেই মানুষটি এখনও গানের তালিম নিচ্ছেন। তার মতে সঙ্গীত এমনই একটা মাধ্যম যেখানে চর্চার শেষ নেই। আমৃত্যু গানের সঙ্গেই থাকতে চান। পুরান ঢাকায় জন্ম নেওয়া এই সুফি গায়কের মুখোমুখি হয়েছে একুশে টেলিভিশন (টিভি) অনলাইন। তার সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন - সোহাগ আশরাফ একুশে টিভি অনলাইন : ভাইয়া শুভ সকাল। কেমন আছেন? পারভেজ সাজ্জাদ : শুভ সকাল। অনেক ভালো আছি। আলহামদুলিল্লাহ। একুশে টিভি অনলাইন : সম্প্রতি গান নিয়ে কেমন ব্যস্ততা আপনার? পারভেজ সাজ্জাদ : আসলে শীতের সময়টাতে কাজের চাপ একটু বেশি-ই থাকে। ট্রাডিশনালি বলতে গেলে এখন আমাদের মৌসুম শুরু হয়েছে। আমাদের স্টেজ প্রোগ্রামের সময় এখন। নভেম্বর থেকে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত তাই ব্যস্ত থাকতে হয়। তাছাড়া শীতের সময়গুলোতেই রেকর্ডিং একটু বেশি থাকে। দুইটা সিডিউল মিলিয়ে কাজ করাটা এ সময়টাতে একটু কঠিন হয়ে যায়। সম্প্রতি দুটি সিঙ্গেলের কাজ শেষ করলাম। আর দুটির কাজ চলছে। সেগুলোর ভিডিওর কাজ হাতে নিয়েছি। সঙ্গে লাইভ প্রোগ্রামগুলো করতে হচ্ছে। একুশে টিভি অনলাইন : নতুন যে কাজগুলো করেছেন সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত যদি বলতেন। কি ধরণের গান? গানের কথা-সুর কে করেছেন?   পারভেজ সাজ্জাদ : শেষ যে কাজটি করলাম সেই গানটির নাম হচ্ছে ‘জিকির’। গানটি একেবারেই সুফি ঘরানার একটি গান। ইশতিয়াক রুপ ভাই লিখেছেন। তিনি নিউ ইয়র্ক প্রবাসী। খুব ভালো লিখছেন তিনি। আমার সুরে গানটির কম্পোজিশন করেছে বর্ণ। আশা করছি এ গানটির ভিডিও এ বছরেই প্রকাশ পাবে। বাকিগুলো আগামী বছর প্রকাশ পাবে। গানটির মধ্যে সৃষ্টিকর্তার রহমতগুলোর বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।  একুশে টিভি অনলাইন : আপনাকে আমরা সাধারণত সুফি ঘরানার গানে একটু বেশি পেয়ে থাকি। সুফি গানের প্রতি ভালোলাগাটা কি একেবারে শুরু থেকেই? পারভেজ সাজ্জাদ : ছোটবেলা থেকেই এ ধরনের গানের সঙ্গেই বেড়ে ওঠা। পুরান ঢাকায় জন্ম আমার। পরবর্তী সময় গান শেখার সৌভাগ্য হয়। সেমি ক্ল্যাসিক্যাল গানের প্রতি বিশেষ ঝোঁক ছিল। বড় হওয়ার পর সবচেয়ে বেশি টানতে শুরু করে সুফি গান। অনুপ্রেরণা ওস্তাদ নুসরাত ফতেহ আলী খান। আমাদের পারিবারিক আবহটা এমন ছিল, কখনই গান শোনার জন্য আলাদা করে সময় বের করতে হয়নি। গান প্রায় বেশিরভাগ সময়ই বাজত। আমার মা নিজেই গাইতেন। নানু বাড়িতে রীতিমতো ওস্তাদ রেখে গান শেখানো হতো। একুশে টিভি অনলাইন : বর্তমানে প্লে-ব্যাকে কেমন ব্যস্ততা আছে? পারভেজ সাজ্জাদ : আমি আসলে কাজ খুব বেছে বেছে কাজ করার চেষ্টা করি। আমি ক্যারিয়ার শুরু করেছি ২০০৮ সালে। ‘হৃদয় মিক্সড’, নামে একটি মিক্সড অ্যালবামের মাধ্যমে। এরপর আমার তিনটি সলো অ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে। একক অ্যালবাম ওই তিনটা-ই। আমি অনেক সময়ই এই প্রশ্নের সম্মুখিন হই যে- কাজ এতো কম কেনো? মিক্সড অ্যালবামে আমার গান আছে হাতে গোনা খুব বেশি হলেও বিশ-ত্রিশটি হবে। প্লে-ব্যাকেও গানের সংখ্যা এমন হবে। মাস খানেক আগে একটি প্লে-ব্যাকে কাজ করলাম। আগামী বছর সিনেমাটি মুক্তি পাবে। একেবারে সিলেক্টিভ কাজ ছাড়া আমি আপাতত কিছু করছি না। একুশে টিভি অনলাইন : কেনো আপনি এতো কম সংখ্যক কাজ করছেন? পারভেজ সাজ্জাদ : আসলে আমি অনেক বড় শিল্পী নই; এখনও কাজ শেখার চেষ্টা করছি। আমি আসলে অনেক কিছু পারি না। অনেক কিছু জানি না। সে জন্য হুট করেই অনেক গান গেয়ে ফেলতে পারি না। আমি অল্প কিছু দিন হয়েছে শিখেছি, অল্প কিছু জানি। তাই অনেক কাজ আমি করতে পারি না। তবে নিজের ভালো লাগার জায়গা তো থাকেই। যদি একটু সেমিক্লাসিক্যাল কিছু ব্যপার থাকে, সুফি কিছু টাচ থাকে আমি ওগুলো গ্রহণ করি। তারপরও বলি আমার অজ্ঞতার জায়গা থেকে আসলে অনেক কাজ করা হয় না। আমি আসলে জানি যে- আমি কতটুকু জানি না। যতটুকু জানি সেটা মহা সমুদ্রের এক ফোটা দু’ফোটা জলের মতই। বড়াই করার মত কিছুই করতে পারিনি। আমার বড়াই আমার শ্রোতারা। যারা আমার গান শোনেন। যাদের অনুপ্রেরণায় আজ আমি এখানে। আমার অহংকার আমার শিক্ষকরা, আমার বন্ধুরা, আমার পরিবার সবাই। যারা আমাকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন।     একুশে টিভি অনলাইন : প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরাও এগিয়ে যাচ্ছি। বর্তমানে ইউটিউবে শিল্পীরা নিজেদের চ্যানেলে গান প্রকাশ করছেন। দর্শক ও শ্রোতারাও এটিকে বেশ ভালোভাবেই গ্রহণ করছে। এ বিষয়টিকে আপনি কিভাবে দেখছেন? পারভেজ সাজ্জাদ : আমার যে ভিডিও দুটি প্রকাশ পাচ্ছে তার মধ্যে যে গানটি এখন করলাম ‘জিকির’ এটার কিন্তু অডিও রিলিজ করিনি আমি। শুধু ভিডিওটিই রিলিজ করবো আমার ইউটিউব চ্যানেলে। বিষয়টিকে আমি খুব পজিটিভলি দেখি। এটা প্রমাণ করে আমরা কিন্তু বিশ্বের সঙ্গে তালমিলিয়ে চলছি।     একুশে টিভি অনলাইন : শুরু থেকে এ পর্যন্ত যে কাজগুলো করেছেন তার মধ্যে কোন গানটি শ্রোতারা বেশি গ্রহণ করেছে বলে মনে হয়? আপনার ভালোলাগার গান কোনটি?   পারভেজ সাজ্জাদ : আমি আগেই বলেছি, আমি ভালো শিল্পী নই। তাই আমার গাওয়া ভালোলাগার তেমন কোনো গান নেই। তবে আমি তো স্টেজ শো করি। এটাই এককথায় আমার পেশা। সেখানে কিছু গানের অনুরোধ পাই। সব থেকে যে গানটির অনুরোধ বেশি পাই সেটার শিরোনাম হচ্ছে-‘যাবি যদি’। তারপরে যে গানটির অনুরোধ পাই সেটা হচ্ছে-‘এ জীবন’। এরপর ‘পথ’ নামে একটা গান আছে। ‘কথা’- নামে আরেকটা গান আছে। ‘জীবনের আয়না’ নামে মিক্সড অ্যালবামে একটা গান করেছিলাম। আসলে বেশ কিছু গানের অনুরোধ পাই। তবে ওই ভাবে যদি বলি সাইনিং গান হচ্ছে-‘যাবি যদি’। কারণ মানুষ আমাকে দুটি নামে পরিচয় দেয়। একটা হচ্ছে- ‘যাবি যদি’ পারভেজ। অথবা ‘পথ’ পারভেজ। আর নিজের ভালো লাগার কথা যদি বলি। আমার কাজ আমারই ভালো লাগে না। সত্যি কথা বলতে আমি খুব খুতখুতে টাইপের মানুষ। সব সময় মনে হয়েছে আরও একটু যদি ভালো করতাম। আমার থার্ড সলো অ্যালবামে এক বছর সময় নিয়েছি শেষ করার পরে। দুটি গান আবার রিঅ্যারেঞ্জ করেছি। পুরোটার মিক্সড আবার রিমিক্সড করা হয়েছে। মাস্টারিং এ যাওয়ার পরে আবারও মাস্টারিং ফেলে নতুন করে করেছি। মোটকথা আমার কাজে আমি তৃপ্ত না। একুশে টিভি অনলাইন : আপনি তো নিয়মিত স্টেজ শো করছেন। দর্শকদের সামনে সরাসরি শো করতে কেমন লাগে? পারভেজ সাজ্জাদ : স্টেজটা আমার কাছে চাইল্ডহুড প্লে-গ্রাইন্ড। আমি স্টেজে না গাইলে আমার ঘুম হয় না রাতে। একুশে টিভি অনলাইন : আমরা জানি যে গানের পাশাপাশি আপনি ব্যাবসাও করছেন। ব্যবসা নিয়ে কেমন ব্যস্ততা চলছে?  নতুন কোনো পরিকল্পনা আছে কি? পারভেজ সাজ্জাদ : আমাদের রেস্তোরাঁর একটিভ ব্রাঞ্চ চারটি। ইন একটিভ আছে একটি। মোট পাঁচটি ব্রাঞ্চ। নতুন দুটি ব্রাঞ্চের পরিকল্পনা আছে। দুটি আলাদা জায়গায়। গানের পাশাপাশি রেস্টুরেন্টে সময় দিতে হয়। সব মিলিয়ে অনেক ব্যস্ততা।   একুশে টিভি অনলাইন : অনেক ধন্যবাদ আমাদের সময় দেওয়ার জন্য। ভালো থাকবেন। আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো। পারভেজ সাজ্জাদ : একুশে টিভি অনলাইনকেও অনেক ধন্যবাদ।   এসএ/এআর

ফটোশুটে হট দীপিকা

সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘পদ্মাবতী’ সিনেমা নিয়ে বেশ চাপের মুখে রয়েছেন দীপিকা পাডুকোন। তবে এসবের মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছেন এই বলিউড অভিনেত্রী। সম্প্রতি ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনের জন্য নতুন এ ফটোশুটে অংশ নিয়েছেন দীপিকা। যেখানে প্রাধান্য পেয়েছে সমুদ্র। সমুদ্র ও এর আশপাশের সৌন্দর্যকে সঙ্গে নিয়ে ফটোশুটে অনেকটা হট দেখা গেছে দীপিকাকে। কখনো সমুদ্র তটে হেঁটে, কখনো বা শরীর সৈকতে মেলে ধরে বিভিন্ন ভঙ্গিতে ছবি তুলেছেন তিনি। এ ছাড়া সমুদ্রে বিকেলের আলো এবং হোটেলের সুইমিং পুলেও তোলা ছবি রয়েছে দীপিকার নতুন এ ফটোশুটে। উল্লেখ্য, রানি পদ্মিনীর ভূমিকায় অভিনয় করে করনি সেনা ও রাজপুতদের ক্ষোভ ও হুমকির শিকার হচ্ছেন এই অভিনেত্রী। কেউ কেউ হুমকি দিয়েছেন দীপিকার নাক কেটে নেওয়ার, আবার কেউ আবার নির্ধারণ করে ফেলেছেন দীপিকার মাথার দাম। তবে এসব বিতর্ক আর হুমকিকে পেছনে ফেলে সমুদ্রসৈকতে নতুন ফটোশুটে অংশ নিলেন তিনি। অপরদিকে দীপিকা এখন ব্যস্ত আছেন ‘স্বপ্না দিদি’ নিয়ে। এই সিনেমা হবে মুম্বাইয়ের ত্রাস স্বপ্না দিদির জীবনীনির্ভর। বিশাল ভরদ্বাজের প্রযোজনায় সিনেমাটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন দীপিকা। সূত্র : জুম টিভি   এসএ/

নতুন সিনেমায় সানি-মৌসুমী জুটি

ঢালিউডের তারকা দম্পতি ওমর সানি-মৌসুমী। এক সময়ের রিলের এই জুটি রিয়েল লাইফেও সফল এবং সুখি জুটি। নতুন খবর হচ্ছে- তারা দুজন জুটি বেধে আবারও অভিনয় করবেন ‘নোলক’ নামের একটি সিনেমায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ‘নোলক’ সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে জানানো হয়, এই সিনেমাতে অভিনয় করবেন রূপালি পর্দার একসময়ের এই সুপারহিট জুটি। ‘নোলক’ সিনেমার মহরতে মৌসুমী উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না ওমর সানি। কারণ তিনি অন্য কাজে ঢাকার বাইরে ছিলেন। মহরত অনুষ্ঠানে মৌসুমী বলেন, ‘সিনেমাতে আমি ওমর সানির সঙ্গে জুটি হিসেবে কাজ করব। আমরা তো জুটিবাঁধাই আছি, এখন শুধু ক্যামেরার সামনে অভিনয়টা করব। সিনেমার গল্পটা আমি শুনেছি। আমার কাছে নতুন কিছু মনে হয়েছে। মনে হয়েছে বাংলাদেশের একটা বাংলা সিনেমা এটি, নিজে অনুপ্রাণিত হয়েছি। সিনেমার নতুন পরিচালক, প্রযোজককে অনুপ্রাণিত করতে আমরা পাশে আছি।’ ‘নোলক’ পরিচালনা করছেন নবীন নির্মাতা রাশেদ রাহা, প্রযোজনা করছে বি হ্যাপি এন্টারটেইনমেন্ট। ডিসেম্বরে ‘নোলক’ সিনেমার শুটিং শুরু হবে ভারতের রামুজি ফিল্ম সিটিতে। জানা গেছে, সেখানেই টানা শুটিংয়ের মাধ্যমে সিনেমার কাজ শেষ হবে। ওমর সানি-মৌসুমী বর্তমানে কাজ করছেন ‘আমি নেতা হব’ সিনেমাতে। সফল এই দম্পতিকে আগামীতে দেখা যাবে ‘মামলা হামলা ঝামেলা’, ‘কথা দিয়ে কেউ কথা রাখে না’ নামক আরো দুই চলচ্চিত্রে। তিনটি সিনেমাই পরিচালনা করছেন উত্তম আকাশ। আর প্রযোজনায় থাকছে শাপলা মিডিয়া। উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সালে ওমর সানি-মৌসুমী জুটির প্রথম চলচ্চিত্র দোলা মুক্তি পেয়েছিল। এরপর এক জুটি অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হচ্ছে আত্ম-অহংকার, প্রথম প্রেম, মুক্তির সংগ্রাম, হারানো প্রেম, গরীবের রানী, প্রিয় তুমি, সুখের স্বর্গ, মিথ্যা অহংকার, ঘাত-প্রতিঘাত, লজ্জা, কথা দাও, স্নেহের বাঁধন ইত্যাদি।   এসএ/    

আবারও শাকিব-বুবলীর রসায়ন

আবারও দেখা যাবে শাকিব-বুবলীর রসায়ন। ‘কথা দিয়ে কেউ কথা রাখে না’ শিরোনামের একটি সিনেমায় দর্শক তাদের আবারও এক সঙ্গে দেখবেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া থেকে সিনেমাটি নির্মাণ করা হবে। এই সিনেমার নায়ক হিসেবে শাকিবের নাম আগে থেকে জানানো হলেও তার নায়িকা কে হবে সেটি নিশ্চিত ছিল না। অবশেষে সিনেমাটিতে শাকিবের নায়িকা হচ্ছেন বুবলী। সিনেমার প্রযোজক সেলিম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই সিনেমাতে শাকিব খানের নায়িকা হবেন বুবলী। তার সঙ্গে ইতিমধ্যে কথা হয়েছে। বুবলী কাজ করতে সম্মতি জানিয়েছেন। কিছুদিন পর শাপলা মিডিয়ার বাকি সিনেমাগুলোর সঙ্গে এই সিনেমার মহরত করা হবে।’ ‘কথা দিয়ে কেউ কথা রাখে না’ সিনেমাটি পরিচালনা করবেন উত্তম আকাশ। নির্মাতা উত্তম আকাশ বলেন, এ সিনেমাতে বুবলীকে নেয়া হচ্ছে। প্রযোজক সেলিম ভাই আমাকে তেমনটাই জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, শাকিব-বুবলী জুটির প্রথম সিনেমা ‘বসগীরি’। এরপর তারা জুটি বেঁধে ‘শুটার’, ‘অহংকার’, ‘রংবাজ’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। একই সঙ্গে এই জুটি অভিনয় করেছেন ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া ও নোয়াখাইল্লা মাইয়া’ সিনেমায়। এছাড়া শাকিবের প্রযোজনায় ‘প্রিয়তমা’ নামের আরো একটি সিনেমাতে অভিনয় করবেন বুবলী।   এসএ/

ঢাকায় আসছেন দেব

ঢাকায় আসছেন ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের নায়ক দেব। তার অভিনীত ‌‘ককপিট’ সিনেমাটি বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে আগামী ৮ ডিসেম্বর (শুক্রবার)। এর তিনদিন আগেই সিনেমার প্রচারণা ও সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে ৫ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) ঢাকা আসছেন তিনি।সাফটা চুক্তির আওয়াত ‘ককপিট’ বাংলাদেশে মুক্তি দিচ্ছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। বিনিময়ে কলকাতায় মুক্তি পাবে ‘ধ্যাততেরিকি’ চলচ্চিত্রটি। দেবের ঢাকায় আসার খবর নিশ্চিত করেছেন জাজের কর্ণধার আবদুল আজিজ।আবদুল আজিজ তার ফেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে দেবকেও দেখা গেছে। দেব জানান, ৮ ডিসেম্বর (শুক্রবার) বাংলাদেশে ‘ককপিট’ সিনেমার মুক্তি উপলক্ষে ৫ তারিখ (মঙ্গলবার) ঢাকা আসছেন তিনি। বলেন, সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় হবে।এর আগে ‘বুনোহাঁস’ সিনেমার শুটিং ও রাজনৈতিক সফরে একাধিকবার ঢাকায় এসেছিলেন দেব। তবে নিজের সিনেমা মুক্তি উপলক্ষে প্রচারণায় এবারই প্রথম ঢাকায় আসছেন তিনি।উল্লেখ্য, পূজা উপলক্ষে গত ২২ সেপ্টেম্বর কলকাতায় মুক্তি পেয়েছে ‘ককপিট’। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন দেব নিজেই। দেব ছাড়াও চলচ্চিত্রটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোলেল মল্লিক, রুক্সিণী, বাংলাদেশের রোশান, ফারিন প্রমুখ।এটি পরিচালনা করেছেন ওপারের জনপ্রিয় পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। এসএ/

বিকিনি পড়তে রাজি হয়েছেন সোনাক্ষি

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোনাক্ষি সিনহা। বর্তমানে বেশ কিছু সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। এ পর্যন্ত তিনি যতোগুলো সিনেমাতে অভিনয় করেছেন তার কোনটিতেই খুব বেশি খোলামেলা রুপে দেখা যায়নি তাকে। এমনকি বিকিনি পড়েও ক্যামেরাবন্দি হননি এ তারকা। যেখানে বলিউডের প্রায় সব নায়িকাই কোন না কোন সিনেমাতে বিকিনি পড়েছেন, সেখানে সোনাক্ষির বিকিনি না পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনাও কম হয়নি। পরিচালকরা বেশ কয়েকবার চাইলেও সোনক্ষির বক্তব্য ছিলো ‘না’। তবে এবার পর্দায় বিকিনি পড়তে রাজী হয়েছেন কাঙ্ক্ষিত এই বলিউড অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো আপনি কি বিকিনি পড়তে ভয় পান? এ সময় সোনাক্ষি উত্তরে বলেন, ‘মিথ্যা বলবো না। এতদিন পেয়েছি। কারণ বিকিনির জন্য আমি আমার ফিগারকে উপযুক্ত মনে করিনি। তবে আগের সেই সোনাক্ষি এখন আর নেই। সিদ্ধান্ত বদল করেছি। এখন আমি শারীরিকভাবে আগের চেয়ে অনেক বেশি ফিট। বলতে পারেন এই সাহসি কাজটির জন্য এখন আমি উপযুক্ত। যে কোন সময় দর্শক আমাকে বিকিনি পড়ে ক্যামেরাবন্দি হতে দেখবেন। সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে   এসএ/

ভার্জিনিটি প্রমাণে আদালতে পাকিস্তানি অভিনেত্রী মীরা

নিজেকে ‘ভার্জিন কন্যা’ প্রমাণ করতে আদালতে লড়তে হচ্ছে পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইরতিয়াজ রুবাব মীরাকে। কখনও বিয়ে করেননি, এমনকি এখনও ভার্জিন বলে দাবি করা জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর ভার্জিনিটি টেস্টের জন্য আবেদন করেন তাঁর কথিত স্বামী রেহমান। বলিউড ও পাকিস্তানের ললিউডে সমান জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বিয়ে করতে চান, সংসার চান, ছেলে-মেয়ে চান। অথচ সাত বছর ধরে মাথার উপর খড়গ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে পারিবারিক আদালতের একটি মামলা।  ৪০ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ারও ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন কয়েক বছর আগে। মীরা বলেন, আমার জনপ্রিয়তা শুধু ললিউড আর বলিউডে নয়, রাজনীতিতেও আমি সমানভাবে জনপ্রিয় হতে চাই। ২০০৯ সালে ফয়সালাবাদ এলাকার আতিকুর রহমান মীরা নামের এক ব্যবসায়ীস সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, তিনি ও মীরা ২০০৭ সালে গোপনে বিয়ে করেন। তবে সেখানে মীরার মা ও তার চাচা উপস্থিত ছিলেন। প্রকাশ্যে স্বামী হিসেবে মর্যাদা না দেওয়ায় এবং নিজেকে এখনো অবিবাহিত দাবি করায় তিনি গণমাধ্যমের সামনে এসেছেন বলে জানান রেহমান। স্বামীত্ব দাবি করে ইতোমধ্যে একটি কাবিন নামা প্রমাণ দেখিয়ে বেশ কয়েকটি পিটিশানও দায়ের করেন তিনি। এরই অংশ হিসেবে বেশ কয়েকদিন আগে আদালতে মীরার ভার্জিনিটি টেস্টের আবেদন করেন রেহমানের আইনজীবী । রেহমান দাবি করে, ভার্জিনিটি টেস্ট হলেই, প্রমাণীত হবে মীরা আমার বউ কি না। তিনি আরও  বলেন, মীরা অন্য কাউকে বিয়ে করলে তাঁর আপত্তি নেই। তবে তাঁর আগে তাঁকে ডিভোর্স দিতে হবে। তবে আবেদনটি আদালতে গৃহীত হয়নি বলে জানিয়েছেন মীরার আইনজীবী বালাক শের খোসা। তিনি বলেন, ভার্জিনিটি টেস্টের আবেদনটি আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। এদিকে ২০১০ সালে এই কাবিন নামা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট করেন মীরা। মীরা দাবি করেন, রেহমান খ্যতির জন্য খুদার্ত। সে আমার সুনামকে কাজে লাগাতে চায়। এছাড়া রেহমানকে ‘ডিস্টার্বট’ হিসেবেও গালি দেন তিনি। তবে ভার্জিনিটি টেস্টের আবেদন খারিজ হলেও খুব শীঘ্রই বিয়ে করতে পারছেন না মীরা। তার আগে অবশ্যই তাকে অবিবাহিতা প্রমাণ করতে হবে। মামলাটিকে সেলিব্রেটিদের জন্য কলঙ্কজনক অধ্যায় বলে বলছেন মীরা। একইসঙ্গে রেহমানের আইনজীবীকে মামলার দীর্ঘসূত্রিতার জন্য দায়ি করেন তিনি। মামলাটি কখন চূড়ান্ত  নিস্পত্তির দিকে যাবে, তা এখনো বলা যাচ্ছে না। জানা যায়, পাকিস্তানে ধর্ষণের মামলায় ভার্জিনি টেস্টের প্রচলন আছে। তবে বহু পারিবারিক মামলায়ও ভার্জিনিটি টেস্টের আবেদন করা হলেও আদালত নারীর সুরক্ষার কথা চিন্তা করে ভার্জিনিটি টেস্টকে কেবল ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য বলে রায় দেন। সূত্র: বিবিসি / এমজে / এআর   "  

ক্যামেরার সামনে বিছানায় যাওয়া সুখের নয়, জানালেন পর্নোতারকা

পর্নো ছবি বা নীল ছবির নাম শুনলেই অনেকে নাক শিটকান! তবে অপ্রিয় সত্য হচ্ছে-সুযোগ পেলে কার্যত অনেকেই একবার হলেও পর্নো ওয়েবসাইটে ঢু মারেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, তরুণ হোন আর বয়স্ক সবাই জীবনে একবার হলেও পর্নো সাইটে ঢুকেছেন। শুধু ঢুকেছেনই এমন-ই নয়, রীতিমত সাইটে ভিডিও দেখেছেন। বিশ্বে সাড়ে চার কোটি পর্নো ওয়েবসাইট আছে। এসব ওয়েবসাইটে প্রতি মাসে পেজ ভিউ বিশ্বের প্রভাবশালী গণমাধ্যম সিএনএন, ইএসপিএনের তিন গুণ। তবে পর্নো ভিডিওতে যেসব দৃশ্য দেখানো হয় তার পুরোটা বাস্তব নয় বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান পর্নোতারকা মেডিসন মিসিনা। ৩৫ বছর বয়সী মিসিনা বলেন, পর্নোছবি শুধু দর্শকদের জন্যই হানিকারক না, বরং তা এসব ছবিতে অংশ নেওয়া অভিনেতাদের জন্য অস্বস্তির কারণ। আর ছবিতে যা দেখা যায় তার প্রায় সবটুকুই অবাস্তব। কারণ ভালোবাসা ছাড়া শারীরিক সম্পর্ক করা খুবই বেদনাদায়ক ও খুবই কষ্টকর। মিসিনা আরও বলেন, ক্যামেরার সামনে বিছানায় যাওয়া মোটেও সুখের কিছু নয়। আমরা শুটিং করার আগে অনেক বিষয়ে আলোচনা করি, যেনো ক্যামেরায় সব কিছু ভালোভাবে ফুটে ওঠে। ছবির প্রয়োজনে অভিনেত্রীদের অস্বাভাবিক নানা রকম অঙ্গভঙ্গি করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে শরীরের বিভিন্ন অংশে যন্ত্রণা সৃষ্টি হয়। এছাড়া পর্নো ছবি অনেক সময় কোনো বিরতি ছাড়াই ক্যামেরায় ধারণ করা হয়। শুটিংয়ে বিরতি নেওয়া সম্পর্কে মিসিনা বলেন, পর্নো শুটিংয়ে বারবার বিরতি নেওয়া বিরক্তিকর। পুরুষ সঙ্গীদের কারণেই বারবার বিরতি নিতে হয় বলে জানান তিনি। পর্নো ভিডিওর দর্শকদের উদ্দেশে মিসিনা বলেন, পর্নো ছবির নায়কদের দেখে ঈর্ষান্বিত হওয়ার কিছুই নেই। সেগুলো একেবারেই অবাস্তব। কারণ ভায়াগ্রাসহ বিভিন্ন যৌনশক্তিবর্ধক ওষুধ গ্রহণ করে তারা অভিনয়ে নামে। অনেক নেতিবাচক দিক থাকলেও পর্নো ছবিতে কাজ করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন তিনি। দুই শতাধিক পর্নো ছবিতে অভিনয় করা মিসিনার মতে, পর্নো ছবিতে কাজ করা খুবই রোমাঞ্চকর! সূত্র : দ্য সান / এমআর / এআর

আবারও শাকিব-শ্রাবন্তীর রসায়ন

পর্দায় শাকিব-শ্রাবন্তী জুটিকে দর্শক বেশ ভালোভাবেই উপভোগ করেছে। ‘শিকারী’ সিনেমার ব্যাপক সফলতা তারই প্রমাণ। শাকিব-শ্রাবন্তী ভক্তদের জন্য নতুন খবর হচ্ছে- আবারও এই জুটির রসায়ন দেখতে পাবে ঢালিউডের দর্শক। শাকিব-শ্রাবন্তী জুটিকে নিয়ে নতুন সিনেমা বানাতে যাচ্ছেন পরিচালক উত্তম আকাশ। সিনেমার নাম হবে ‘বয়ফ্রেন্ড’। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনেমাটির পরিচালক উত্তম আকাশ নিজেই। তিনি বলেন, ‘শাকিব খান এবং শ্রাবন্তীর সাথে বিষয়টি কনফার্ম করলাম। প্রাথমিকভাবে সিনেমার নাম ঠিক করেছি ‘বয়ফ্রেন্ড’। সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান হিসেবে থাকছে ‘শাপলা মিডিয়া’।’ উত্তম আকাশ বলেন, এই প্রতিষ্ঠান ‘আমি নেতা হব’ এবং ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্যা মাইয়া’ সিনেমারও প্রযোজক।   এসএ/  

শ্বশুর বাড়িতে মাহি, ডিসেম্বরে শুরু করবেন ‘অবতার’

নতুন সিনেমা ‘অবতার’র শুটিং শিডিউল দিয়েছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। ডিসেম্বরের প্রথম দিকে শুরু হবে মাহির কাজ। সিনেমাটির পরিচালক মাহমুদ হাসান শিকদার এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সমাজের নানা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা একটি মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করবেন মাহি। মূলত এভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ যারা করে তাদের আমি এ সিনেমাতে বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরছি। আর তাই নাম দিয়েছি ‘অবতার’।’ তিনি আরও বলেন, এরইমধ্যে ‘অবতার’ সিনেমার কিছু অংশের কাজ হয়েছে। পাবনায় টানা ২০ দিন এ সিনেমার কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’ সিনেমাটি নিয়ে মাহি বলেন, ‘বর্তমানে আমি সিলেটে আছি। আমার শ্বশুর কয়েকদিন ধরে বেশ অসুস্থ। আমি ডিসেম্বরের শুরুতে এ সিনেমার কাজ শুরু করব। এ সিনেমাতে আমার চরিত্রের নাম মুক্তি। আর আমার বড় ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করবেন আমিন খান। সাহসী প্রতিবাদী নারীকে ঘিরে এগিয়ে যাবে ‘অবতার’-এর গল্প। নারীপ্রধান চরিত্রে কাজ করছি। সিনেমাটিতে মাহির বিপরীতে অভিনয় করবেন নবাগত রুশো। আরো বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করবেন মিশা সওদাগর, রাইসুল ইসলাম আসাদ, সুস্মি প্রমুখ। উল্লেখ্য, পরিচালনার পাশাপাশির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন নির্মাতা নিজেই।   এসএ/  

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি