|
29 May 2012
লক্ষমাত্রা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহের কোন বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ জন্য বাজেটে এ খাতে ভর্তুকি ও আমদানি ব্যয়ের হিসেবটাও খুব ভাল ভাবে করার পরামর্শ তাদের। শিল্প খাতে বেশি দামে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে বিদ্যুৎ সংকটের কোন সমাধান হবে না বলেও অভিমত বিশেষজ্ঞদের। আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে আশা করছে সরকার। তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রবৃদ্ধির এ লক্ষমাত্রা অর্জনে জ্বালানি উৎপাদন ১০ থেকে ১২ শতাংশ বাড়াতে হবে। যার সম্ভবনা খুবই কম। তবে দক্ষ ব্যবস্থাপনা থাকলে তা একেবারে অসম্ভব নয়। এডিপিতে বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৭ হাজার ৯১১ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ১৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে বিপুল পরিমান জ্বালানি আমদানি ব্যয় এবং ভর্তুকির দায় মেটাতে বেশ হিমসিম খেয়েছে সরকার। তাই আসছে অর্থবছরে এসবের হিসেব সতর্কতার সঙ্গেই করার পরামর্শ তাদের। একই সঙ্গে বেশি দামে শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের সিদ্ধান্তে সমস্যার খুব একটা সমাধান হবে না বলেই মনে করছেন তারা। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যা সমাধানে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার উপর বেশি জোর দেয়ার পরামর্শ এই দুই বিশেষজ্ঞের।



