|
30 May 2012
ক্ষুদ্রঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তি কেন্দ্রিক হবার কারনে কাঙ্খিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে, গ্রামীন ব্যাংক নিয়ে কমিশন গঠন ও ক্ষুদ্রঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সুনির্দিষ্ঠ নীতিমালা তৈরির মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ সুফল সকলের দ্বার-গোড়ায় পৌছাতে সরকার বলেও জানান তিনি। বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ন্যাশনাল মাইক্রো-ফিন্যান্স কনফারেন্স-২০১২ উপলক্ষে আয়োজিত সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ১৯৬০ সালে দেশে ক্ষুদ্রঋণ প্রবর্তনের পর থেকে বেশ কয়েকবার সংশোধন-সংযোজনের পর এখন এ খাতে বিশ্বকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। বর্তমানে দেশে ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতার সংখ্যা প্রায় দু’কোটি আর টাকার অঙ্কে এর পরিমান প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। ক্ষুদ্রঋনে এখন বিশ্বের জন্য দৃষ্টান্ত বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়া ক্ষুদ্রঋণ প্রসঙ্গে সবাইকে সংযত হয়ে কথা বলার জন্যও অনুরোধ করেন তিনি। সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ফজলে হাসান আবেদ ও পল্লী কর্মসংস্থান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কাজী খলিকুজ্জামান আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।



