01 February 2012

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টর্নি চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্ম বিরতি শুরু করেছে।
চিকিৎসকদের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও নিরাপত্তাসহ ৫ দফা দাবিতে কর্মবিরতির কারণে হাসপাতাল ছেড়ে যাচ্ছে রোগিরা। রোগী মৃতু্যর ঘটনায় স্বজনদের সঙ্গে হাতাহাতি হয় ইন্টার্নি চিকিৎসকদের। এরই প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন হাসপাতালের প্রায় একশ' ইন্টার্নি চিকিৎসক। পূর্ণ কর্মবিরতি এবং বিক্ষোভ সমাবেশের কারণে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। আর এতে দুর্ভোগ বেড়ছে রোগীদের।
চিকিৎসা সেবা না পেয়ে হাসপাতাল ছেড়তে শুরু করেছেন রোগীরা। এদিকে বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন ইন্টার্নি চিকিৎসকদের দাবির প্রতি সমর্থন দিয়েছে। তবে এখনও সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি।
ইন্টার্নি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চললেও রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানালেন হাসপাতালের পরিচালক।
বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম এবং বহিরাগতদের উৎপাত বন্ধ করাসহ রোগী ও চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি সবার।
মূল্য ধসে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নাটোরের পেঁয়াজ চাষীরা
ফলন বিপর্যয় ও মূল্য ধসে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নাটোরের পেঁয়াজ চাষীরা। বোরো মৌসুম শুরু হওয়ায় নাম মাত্র দামে পেঁয়াজ বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতে পারছে না কৃষকেরা। মেহেরপুরের পেয়াজ চাষীরাও বাজার দর কম বাড়তি শ্রম মিয়ে পিঁয়াজ ঘরে তুলছে না। নাটোরে এবার ২ হাজার ৮০ হেক্টরে পেঁয়াজ চাষ করা হলেও কুয়াশার কারনে ফলনের বিপর্যয় দেখা দেয়। আর পেয়াজের দাম না পেয়ে বোরো চাষে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে কৃষকেরা।
কৃষি কর্মকতর্া জানিয়েছেন,এবার জেলায় ৬ হাজার ৩১৭ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষর লক্ষ্য নিধর্ারন করা হয়। এতে ফলন কম হলে কৃষকদের টানতে হচ্ছে ঋনের বোঝা।
অন্যদিকে একই অবস্থা মেহেরপুরের পেঁয়াজ চাষীদের। পিঁয়াজের চাষ হয়েছে দুই হাজার ৮শ দশ হেক্টর জমিতে। বাজার দর কম থাকায় এই পিঁয়াজের ন্যায্য দাম ্ নিয়ে উৎকন্ঠায় আছে কৃষকরা।
সার-বীজ ও ডিজেলের দাম প্রতিনিয়ত বাড়লেও ন কমছে পিঁয়াজের দাম। ফলে হতাশ হয়ে পড়েছে কৃষকেরা।
উৎপাদন খরচটুকুও না উঠে আসায় আগামি মৌসুমে পেঁয়াজ চাষে কৃষকরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন এমন আশংকা সংশ্লিষ্টদের।
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পালিত হচ্ছে নিপাহ ট্রাজেডি দিবস
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় পালিত হচ্ছে নিপাহ ট্রাজেডি দিবস। গত বছর এই দিনে হাতীবান্ধায় নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৫ শিশুসহ ২১ জন মারা যায়। মিলাদ মাহফিল, দোয়া, মানববন্ধন ও আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি। এবছর সরকারের পক্ষ থেকে নিপাহ ভাইরাসে যারা মারা গেছেন তাদের পরিবারগুলোকে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দিচ্ছে। পাশাপাশি এই ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে স্বাস্থ্য বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সামাজিক সংগঠনগুলো লিফলেট বিতরণ ও আলোচনা সভা আয়োজন করেছে।
