ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৫:৩১:০১

মালয়েশিয়ায় জুনের মধ্যেই বৈধ হওয়ার তাগিদ

মালয়েশিয়ায় কর্মরত ই-কার্ড হোল্ডারধারী বিদেশী কর্মীদের রিহায়ারিং বা বৈধ করণ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য তিনটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। মালয়েশিয়া অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক সেরি মুস্তফার আলী জানান, ইন্দোনেশিয়ার কর্মীদের পরিচালনা করবে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং এন্ড নেট রিসোর্সেস এসডিএন বিএসডি (ইমান), মিয়ানমারের কর্মীদের জন্য সয়ারিকাট বুকতি মেগা এসডিএন বিএসডি এবং বাকি দেশেগুলোর কর্মীদের পরিচালনা করবে কনসর্টিম পিএমএফ। দেশটির অভিবাসন বিভাগের তথ্য মতে, ই-কার্ড হোল্ডারধারী কর্মীদের চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যেই বৈধকরণ পক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। মুস্তফার আরও যোগ করেন যে, অবৈধ পথে প্রবেশকারী অবৈধ কর্মীদের জন্য গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ই-কার্ড প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছিল যাতে অবৈধে কর্মীদের নিয়োগদাতারা তাদের কর্মীদের পাসপোর্ট সংগ্রহের মাধ্যমে বৈধ করতে সক্ষম হন। জানা গেছে, ই-কার্ড এর মেয়াদ চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে।  ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্য যারা পাসপোর্ট জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ই-কার্ড হোল্ডারধারীদের মধ্যে যারা বৈধতা পাওয়া যোগ্য নয় তাদেরকে কে থ্রি প্লাস ওয়ান (3+1) কর্মসূচির মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। টিকে

আব্রামের বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত অপুর?

ছেলের বয়স সবে বছর পেরিয়ে দুইয়ে পড়লো। ইতোমধ্যে বাবা-মায়ের মধ্যে চূড়ান্ত ডিভোর্সও হয়ে গেছে। ছেলের এই অনিশ্চিত জীবনে কে থাকছেন তাঁর সঙ্গে? বাবা-নাকি মা! এমন প্রশ্ন পাঠকদের। তবে মায়ের সোজাসাপ্টা উত্তর, ‘ওর টাকায় সন্তানকে বড় করতে চাই না। লড়ছি একাই লড়বো। একাই সন্তানকে বড় করে তুলবো, মানুষ করবো’ না পাঠক এটা কোন নতুন চলচ্চিত্রের কাহিনী নয়। নয় বাংলা ছায়াছবির পুরনো ধারার কোন সিনেমার দৃশ্যও। এটা বাস্তব ঘটনা। এমনই একজন মা হলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। আর সেই সন্তান হলো ঢাকাই চলচ্চিত্রের রাজপুত্র আব্রাম খান জয়। আর তাঁর সেই বাবা ঢাকাই চলচ্চিত্রের কিংখান শাকিব খান। স্ত্রী-সংসার সব কিছু ত্যাগ করে যিনি ‘ক্যারিয়ার’কে উঁচু থেকে উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর, বিচ্ছেদের পর সেই সাকিবের এক টাকাও ছেলেকে স্পর্শ করাবেন না মা অপু বিশ্বাস, এমনই ব্রত নিয়েছেন অপু। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। কার কাছে থাকছেন আব্রাম? খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মা অপু বিশ্বাসের কোলেই মানুষ হচ্ছেন আব্রাম। পিতৃ ভালোবাসা থেকে ‘বঞ্চিত’ আব্রাম বেড়ে ওঠছেন মায়ের কাছেই। এতদিন সন্তানের ভরণ-পোষণ আর কাবিনের টাকা চেয়ে আসলেও এবার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অপু, সাকিবের কাছ থেকে একটাকাও নিবো না। সন্তানের খরচের ব্যাপারে তাঁর কাছে আমার কোন দাবি নেই। তাই শাকিবকে আমার সন্তানের জন্য এক টাকাও দিতে হবে না। এমজে/

ভারতে নজিরবিহীন ব্যাংক জালিয়াতি; আটক ৩

ভারতীয় ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ব্যাংক জালিয়াতির ঘটনায় তিন ঊর্ধতন ব্যাংক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে ভারতের ফেডারেল পুলিশ। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের ওই তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১.৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৪ হাজার ১৫০ কোটি টাকা) জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই গত সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। গ্রেফতারকৃতদের দুই জন হলেন ফরেক্স বিভাগের দুই ব্যবস্থাপক ও অপরজন হলেন অর্থ ট্রানজেকশনে সুইফট ম্যাসেজ তদারককারী। গত সপ্তাহে ওই তিন কর্মকর্তাকে আটক করে ফেডারেল পুলিশ। ওই সময় পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের আরও দুই কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। সম্প্রতি দেশের ব্যাংকিং খাতে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির খবর চাউর হওয়ার পরই তদন্তে নামে সিবিআই। আর এরই অংশ হিসেবে তিন কর্মকর্তাকে আটক করে পুলিশ। জানা গেছে, শিগগিরই তাদের আদালতে হাজার করে রিমান্ড চাওয়া হবে। অর্থ কেলেঙ্কারির সঙ্গে আর কোন রাঘব বোয়াল জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে সিবিআইসহ রাষ্ট্রের বেশকিছু গোয়েন্দা সংস্থা। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ভারতে জুয়েলারি খাতে জায়ান্ট খ্যাত নীরভ মুদি ১১ হাজার ৪০০ কোটি রুপি ওই কর্মকর্তার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে, এমন খবরে ভারতে তোলপাড় শুরু হয়। এরপরই ধরপাকড়ে নামে সিবিআইসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন। সূত্র: রয়টার্স, এনডিটিভি

একুশে পদক পেলেন যারা

বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ বিশিষ্ট নাগরিককে একুশে পদক-২০১৮ প্রদান করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা পদক তুলে দেন। এ ছাড়া মরণোত্তর একুশে পদক গ্রহণ করেন পুরস্কারপ্রাপ্তদের স্বজনরা। এ সময় অন্যদের মধ্যে ভাষা সৈনিক প্রয়াত আ জা ম তকীয়ুল্লাহ ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে, প্রয়াত শক্তিমান অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদিকে শিল্পকলায় অভিনয় ক্যাটাগরিতে এবং ভাষাসৈনিক প্রফেসর জুলেখা হককে গবেষণা ক্যাটাগরিতে মরণোত্তর একুশে পদক প্রদান করা হয়। ১৭টি ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন, অধ্যাপক মির্জা মাজহারুল ইসলাম, শেখ সাদী খান, সুজেয় শ্যাম, ইন্দ্র মোহন রাজবংশী, খুরশীদ আলম, মতিউল হক খান, বেগম মীনু হক, নিখিল সেন, কালিদাস কর্মকার, গোলাম মোস্তফা, রণেশ মৈত্র, অর্থনীতিবিদ ড. মইনুল ইসলাম, ইলিয়াস কাঞ্চন, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম খান, সুব্রত বড়ুয়া, রবিউল ইসলাম ও খালেকদাদ চৌধুরী। এমজে/

দিনে না ঘুমানোয় মুটিয়ে যাচ্ছে শিশুরা

বিশ্বজুড়েই শিশুদের স্থুলতা সমস্যা একটি মারাত্মক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর ঘুমের তারতম্যের কারণেই শিশুরা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশিমাত্রায় মুটিয়ে যাচ্ছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। শিশুদের ঘুম নিয়ে প্রায়ই বাবা-মায়েরা চিন্তিত থাকে। তাদের ঘুম একটু কম-বেশি হলেই বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। স্বাস্থ্য খারাপ হতে থাকে, অধিক সময় ধরে কান্না করতে থাকে এমনকি নিয়মিত খাবারের রুচি থাকে না। তবে নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, শিশুরা দিনে কম ঘুমালে এবং বেশি রাত পর্যন্ত জেগে থাকলে তাদের খাবারের রুচি বেড়ে যায়। তারা খেতে চায় বেশি। এতে তারা দিনকে দিন স্থুল হয়ে ওঠে।  যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভারসিটি অব কলোরাডোর পুষ্ঠি বিশেষজ্ঞ এলসা মুলিনস বলেন, ‘যেসব শিশু এখনো স্কুল জীবন শুরু করেনি তাদের ঘুমের তারতম্যের সঙ্গে খাবার খাওয়ার সম্পর্ক নিয়ে একটা প্রথম গবেষণা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, যেসব শিশু দুপুরে ঘুমায় না তারা বেশি ক্যালোরির খাবার খায়। এতে অনিয়ন্ত্রিত খাবার খাওয়ার ফলে তারা ক্রমশ মোটা হয়ে যায়। সদ্য প্রকাশিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে প্রায় তিন ঘণ্টার মতো ঘুমের ঘাটতি রয়েছে প্রাক-স্কুলের শিশুদের। তারা দুপুরে ঘুমোয় না এবং সকাল বেলা ঘুম থেকে স্বাভাবিকভাবে ওঠার দুই ঘণ্টা আগেই ওঠে যায়। দিনে ঘুমের ঘটাতির কারণে তিন থেকে চার বছরের শিশুরা স্বাভাবিকের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি ক্যালোরি, ২৫ শতাংশ সুগার ও ২৬ শতাংশ কার্বোহাইড্রেড জাতীয় খাবার বেশি গ্রহণ করে। স্বাভাবিকের চেয়ে শিশু ১৪ শতাংশ বেশি ক্যালোরি গ্রহণ করছে। ফলে তারা মুটিয়ে স্থুল হয়ে যাচ্ছে। এজন্য শিশুদের দিনে ঘুমানো অভ্যাস করতে হবে। তথ্যসূত্র : বোল্ডস্কাই। কেএনইউ/     

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে জরুরি সভা ডেকেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে এবারই প্রথমবারের মতো সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে জরুরি সমন্বয় সভা ডেকেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সভায় তিন মন্ত্রীসহ সাতজন সচিবকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক) চৌধুরী মুফাদ আহমেদ জানান, পাবলিক পরীক্ষা আয়োজনের সঙ্গে একাধিক মন্ত্রণালয় সম্পৃক্ত থাকায় আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সমন্বয় ছাড়া প্রশ্নফাঁস ঠেকানো সম্ভব নয়। তাই আগামী পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতেই এই সভা ডাকা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা আরও জানান, বোর্ড থেকে প্রশ্ন তৈরি করে বিজি প্রেসে ছাপাতে পাঠানো হয়। ফলে সেখান থেকে ফাঁস হলে তার দায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের। কারণ বিজি প্রেস জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন। আর বিজি প্রেস থেকে প্রশ্ন ছাপিয়ে ট্রেজারিতে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ফাঁস হলে এর দায় মাঠ প্রশাসনের। কারণ মাঠ প্রশাসন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে তা ঠেকানোর দায়িত্ব আইসিটি মন্ত্রণালয়ের। আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সমন্বয় ছাড়া তাই প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করা সম্ভব নয়। প্রসঙ্গত, গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ধারবাহিকভাবে প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণাসহ নানা উদ্যোগ নিলেও প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানো সম্ভব হয়নি। বরং পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় গঠিত ‘প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্য যাচাই-বাছাই কমিটিও প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ পেয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়েও চরম আতঙ্কে রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ অবস্থায় প্রশ্ন ফাঁস ঠেকানোর কৌশল বের করতেই সভাটি ডাকা হয়েছে বলে জানা গেছে। একে// এমজে

সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে 

কর কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বৃদ্ধি, জরিপ আর মনিটরিং এর মাধ্যমে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করার আহ্বান জানিয়েছেন সিনিয়র সচিব, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জনাব মো: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, এনডিসি।  আজ সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচার ২য় ১২ তলা সরকারি ভবনের ৩য় তলায় কর অঞ্চল-১, ঢাকার সম্মেলন কক্ষে এ দপ্তরের কর্মকর্তাদের ‘ক্যাপাসিটি ব্লিডিং প্রোগ্রাম’এর আওতায় উৎসে কর কর্তন বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে এনবিআর সদস্য (অডিট ইন্টেলিজেন্স এন্ড ইনভেস্টিগেশন) জনাব মীর মুস্তাক আলী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কর অঞ্চল-১ এর কমিশনার মো: আলমগীর হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, কর অঞ্চল-১, ঢাকার অতিরিক্ত কমিশনার জনাব লুৎফুল আজিম। করনেট সম্প্রসারণে কর অঞ্চল-১, ঢাকার নেওয়া পরিকল্পনার প্রশংসা করে চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের ট্যাক্স নেট বাড়ানোর অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে জরিপের মাধ্যমে যারা কর আওতার বাইরে রয়েছে তাদের করের আওতায় আনা, উৎসে করের মনিটরিং বৃদ্ধি করা যেতে পারে। কর অঞ্চল-১ এর নেওয়া পরিকল্পনা বাস্তবভিত্তিক এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে। কর আহরণে কর্মকর্তাদের মনোযোগী হতে হবে। কর অঞ্চল-১ এর মতো প্রত্যেক কর অঞ্চলকে রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর উদ্ধাত্ত আহ্বান জানান চেয়ারম্যান। রাজস্ব আহরণ, করের নেট বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করে তিনি। প্রশিক্ষণের আয়োজন করায় কর অঞ্চল-১ এর ভূয়সী প্রশংসা করে জনাব মো: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, রেভিনিউ গ্রোথ বর্তমানে একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। প্রতিবছরই রেভিনিউ গ্রোথ বাড়ছে। এ রেভিনিউ গ্রোথ বাড়ানোর ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের কৃতিত্ব বেশি। কর্মকর্তাদের একাগ্রতা, দেশপ্রেম, সরকারের প্রতি সহমর্মিতার ফলে রেভিনিউ বাড়ছে। কর্মকর্তাদের নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে আরো সচেতন হওয়া এবং আইনের সকল বিধি বিধান মনে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। এনবিআর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এনবিআর চেয়ারম্যান প্রথম কর অঞ্চল-১ পরিদর্শন ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। এজন্য কর অঞ্চল-১, ঢাকা এর পক্ষ থেকে স্বাগত জানিয়ে কমিশনার মো: আলমগীর হোসেন বলেন, মাননীয় এনবিআর চেয়ারম্যানের নির্দেশে আমরা করদাতা, কর অফিসের মধ্যে অধিকতর আস্থার সর্ম্পক এবং রাজস্ববান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছি। ক্রমাগত বর্ধিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কর অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। সেজন্য কর অঞ্চল-১ কর কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছেন। উৎসে কর বিষয়ে পর্যায়ক্রমে স্টেকহোল্ডারদের বিশেষত উৎসে কর্তনকারী কর্তৃপক্ষের প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা/সিএফও পর্যায়ের কর্মকর্তাগণকে উক্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে উৎসে কর আহরণের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে, রাজস্ব বাড়বে। আর্থিক উন্নয়নে আয়করের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আয়কর আহরণের অন্যতম স্বীকৃত ও সহজ পদ্ধতি হলো উৎসে আয়কর আহরণ। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছর কর অঞ্চল-১, ঢাকা মোট আয়কর আহরণের মধ্যে উৎসে কর্তিত আয়কর আহরণ করেছে ৯৩.১৪%। কর অঞ্চল-১, ঢাকার প্রায় ৯০ ভাগ রাজস্ব আহরণ হয় ৫৩এফ ধারায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতের উপর প্রদানকৃত সুদের বিপরীতে উৎসে কর কর্তন হতে। কর অঞ্চলটি ৫৩এফ ধারায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান (৮৬টি) হতে উৎসে কর এবং ৩০টি এয়ারলাইন্স হতে কর্তনকৃত ভ্রমণ কর আদায় করে থাকে। ক্যাপাসিটি ব্লিডিং কার্যক্রমের উদ্দেশ্য হলো-আয়কর অধ্যাদেশ, বিধি, এসআরও এবং বিভিন্ন সময় জারিকৃত প্রজ্ঞাপন সংগ্রহ, প্রতিনিয়ত হালনাগাদ থাকা সম্ভব হয় না। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে উৎসে কর কর্তন, সংগ্রহের হার, কর জমার কোড, কর্তিত আয়কর জমা প্রদানের সময়সীমা বিষয়ে নানা প্রশ্ন এবং অস্পষ্টতা রয়েছে। এসব বিষয়ে তদারকিতে এ কর অঞ্চলের ১১টি টিম কাজ করছে। উৎসে কর বিষয়ে এ টিমের দক্ষতা, সক্ষমতা ও কৌশলগত জ্ঞান অর্জনের জন্য কর্মকর্তাদের ক্যাপাসিটি ব্লিডিং প্রোগ্রামের আওতায় প্রথম পর্যায়ে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে। প্রশিক্ষণে উপকর কমিশনার, সহকারী কর কমিশনার, অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার ও কর পরিদর্শক পর্যায়ের মোট ৩২ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। এসি/

ডিজিটাল আইনের অপপ্রয়োগ হবে না: প্রধানমন্ত্রী

সম্প্রতি মন্ত্রীসভায় অনুমোদিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কোন অপপ্রয়োগ হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাংবাদিকদের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ অপকর্ম না করলে ডিজিটাল আইনের অপপ্রয়োগ হবে না। প্রস্তাবিত ডিজিটাল আইনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের পেশাগত ঝুঁকি বাড়বে কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ইতালি ও ভ্যাটিকেন সিটিতে চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফেরার পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। আজ সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এদিকে নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘আপনি সব সময় ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বন্ধুদের বেতন কাঠামোর আওতায় আনার কথা বলেছেন। কিন্তু ১৯৭৪ সালের যে আইন, সেটি পূর্ণাঙ্গভাবে সংশোধিত আকারে না পাওয়ার কারণে এটা এখনও বিলম্বিত হচ্ছে। এবিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, আগামী জুনের অধিবেশনে এটি সংসদে পাস হবে। আরেকটি বিষয়, ৫৭ ধারা বাদ দিয়ে ডিজিটাল আইন হয়েছে, এটি নিয়েও বিতর্ক আছে। আমরা সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে একটি কথা বলি ডিজিটাল ক্রাইম হচ্ছে, সাইবার ক্রাইম হচ্ছে। এসব মোকাবেলা করার জন্য ডিজিটাল আইন দরকার, সাইবার আইন দরকার। এবিষয়ে আমাদের কোন দ্বিধা নেই। আমরা এ আইনের পক্ষে। কিন্তু আমরা দেখেছি, আইনটি কখনও কখনও গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে ও গণমাধ্যমের পেশাদারিত্বের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। কাজেই যে আইনটির খসড়া আপনি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করেছেন, আমরা মনে করি, চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে আইনটি আলোচনা করে নিলে সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে অপপ্রয়োগ হবে না, এটি নিশ্চিত করা যায়।’ এদিকে নবম ওয়েজ বোর্ডের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মালিকপক্ষই প্রতিনিধি পাঠাতে দেরি করেছে। না হলে তো আমরা আরও আগেই করে দিতে পারতাম। আর ১৯৭৪ সালের আইনটি আধুনিকায়ন করার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। কাজেই এটা হবে।’ সাইবার আইনের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আপনাদের এত আশঙ্কা কেন, সিআরপিসি আইনেও ছিল, কেউ মানহানির অভিযোগ করলে সাংবাদিকদের গ্রেফতারের বিষয় ছিল। আমি তা সংশোধন করে সমন জারির মধ্যে নিয়ে এসেছি। আর কেউ যদি কোনও অপকর্ম না করে তাহলে অপপ্রয়োগ হবে কেন? একটা আইন পাস করার জন্য অনেকগুলো ধাপ অতিক্রম করতে হয়। এটা এখনও প্রক্রিয়াধীন।’ কেআই/ এমজে  

৪ পদে যমুনা ব্যাংকে চাকরি

যমুনা ব্যাংক লিমিটেড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ম্যানেজার/সাব-ম্যানেজার, ক্রেডিট ও ফরেন ট্রেড অফিসার, এসএমই সেলস এক্সিকিউটিভ, রিটেইল সেলস এক্সিকিউটিভ (চুক্তিভিত্তিক) পদে নিয়োগ দেবে। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। পদের নাম ও পদসংখ্যা ১)ম্যানেজার/সাব-ম্যানেজারযোগ্যতাযেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে বাণিজ্যে স্নাতকোত্তর পাস করা প্রার্থীরা বেশি অগ্রাধিকার পাবেন। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম দুই থেকে তিন বছরের অভিজ্ঞতা ও ক্রেডিট ও ফরেন শাখায় ছয় থেকে আট বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য হবে না। ২)ক্রেডিট ও ফরেন ট্রেড অফিসার/স্পেশিয়ালিস্টযোগ্যতাযেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাস থাকতে হবে। তবে বাণিজ্যে স্নাতকোত্তর পাস করা প্রার্থীরা বেশি অগ্রাধিকার পাবেন। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম দুই থেকে তিন বছরের অভিজ্ঞতা ও ক্রেডিট ও ফরেন শাখায় ছয় থেকে আট বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য হবে না। ৩)এসএমই সেলস এক্সিকিউটিভযোগ্যতাস্নাতক পাস করা প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তবে বাণিজ্যে স্নাতকোত্তর পাস করা প্রার্থীরা বেশি অগ্রাধিকার পাবেন। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম এক থেকে চার বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ৪) রিটেইল সেলস এক্সিকিউটিভ (চুক্তিভিত্তিক)যোগ্যতাস্নাতক পাস করা প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। তবে বাণিজ্যে স্নাতকোত্তর পাস করা প্রার্থীরা বেশি অগ্রাধিকার পাবেন। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম এক থেকে চার বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। নতুনরাও এই পদে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের নিয়ম আগ্রহী প্রার্থীরা প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে www.jamunabankbd.com আবেদন করতে পারবেন। এছাড়াও সরাসরি আবেদন করতে প্রতিষ্ঠানির এই লিংকটি দেখুন-http://jamunabankbd.com/career আবেদনের সময়সীমাআগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি-২০১৮ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।  এমএইচ/এসি   

তিন বাহিনীর প্রধানদের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৪ বছর

তিন বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান) প্রধান পদের মেয়াদ সর্বোচ্চ চার বছর নির্ধারণ করে হয়েছে। সোমবার সংসদে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাশ হয়। সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংসদে এ সংক্রান্ত একটি বিল উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি ছিল ‘প্রতিরক্ষা বাহিনীসমূহের প্রধানদের (নিয়োগ, বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা) বিল- ২০১৮। এর আগে গত বছরের জুলাই মাসে বিলটি মন্ত্রিসভার অনুমোদন পায়। এরপর এ বছরের ৯ জানুযারি বিলটি সংসদে তোলেন আনিসুল হক। বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করে আজ তা সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়। বাহিনী প্রধানরা বর্তমান বেতন কাঠামো অনুযায়ী মাসে ৮৬ হাজার টাকা মূল বেতনের সঙ্গে অন্যান্য ভাতা ও সুযোগ সুবিধা পাবেন। এছাড়াও বিশেষ আবাসিক সুবিধা, আবাসিক সংশ্লিষ্ট সুবিধা, সার্বক্ষণিক গাড়ি, সামরিক হাসপাতালে বিনা খরচে নিজে ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা, রেশন, ভবিষ্যৎ তহবিল ও সহায়ক জনবল সুবিধার পাশাপাশি এককালীন আউটফিট ভাতা (২৩ হাজার ৯৯০ টাকা), ভ্রমণ ভাতা, উৎসব ভাতা, নববর্ষ ভাতা ও শ্রান্তিবিনোদন ভাতা পান। উপরোক্ত সুবিধা ছাড়াও বাহিনী প্রধানরা প্রতিমাসে ডিস্টারবেন্স ভাতা (৭০৩ টাকা), কমান্ড ভাতা (৩ হাজার ২৫০ টাকা), যোগ্যতা ভাতা (৮০৩ টাকা), প্রতিরক্ষা সার্ভিস ভাতা (৬ হাজার টাকা), আপ্যায়ন ভাতা (২ হাজার টাকা), কিট ভাতা (১ হাজার ২০০ টাকা), ক্ষতিপূরণার্থ ব্যাটম্যান রশদভাতা (১ হাজার ৮৫ টাকা), ব্যাটম্যান ভাতা (৬০০ টাকা) পাবেন।  উল্লেখ্য যে, সংবিধানের ৬২ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধানদের নিয়োগ ও বেতন-ভাতা আইন আনুযায়ী নির্ধারণ করতে বিলটি পাস করা হয়েছে। এমএইচ/এসি 

‘স্নোড্রপ চুম্বনেরা’ কাব্য সাহিত্যের নব সংযোজন

মিলটন রহমান, কবি, কথাসাহিত্যিক এবং প্রাবন্ধিক। পেশাগত জীবনে একজন সাংবাদিক। বর্তমানে বসবাস করছেন লন্ডনে। দেশ থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও ভৌগলিক দূরত্বকে তিনি দূরত্ব বলতে চান না। ইন্টারনেটের কারণে কোন দূরত্বই এখন আর দূরত্ব নয়। ইংরেজদের দেশে বসবাস করলেও তাঁর আত্মিক সম্পর্ক বাংলাসাহিত্যের সাথেই। তাঁর সঙ্গে কথা হয় একুশে টেলিভিশন অনলাইনের সঙ্গে। অমর একুশে বইমেলা ও তাঁর রচনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন তিনি। প্রশ্ন: বইমেলায় এলেন না কেনো?মিলটন রহমান: দেখুন, বইমেলায় গ্রন্থের উপস্থিতি জরুরি, লেখকের নয়। তবে হ্যাঁ লেখক এবং পাঠকের সম্মিলনের প্রয়োজন রয়েছে। যে কোন রচনা পাঠের আগে তার রচয়িতা সম্পর্কে সম্যক ধারাণা থাকলে পাঠকের পক্ষে পাঠোদ্ধার সহজ হয়। আগামীতে বইমেলায় থাকবো আশা করি। আমি পাঠকদের চেহারা থেকে নতুন উন্মাদনা অবিস্কারে বিশ্বাসী। ফলে পাঠকের কাছে থাকতেই পছন্দ করি। প্রশ্ন: আপনার প্রথম গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিলো ২০০২ সালে। দীর্ঘ বিরতির পর ২০১০ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম কাব্যগ্রন্থ। গল্প থেকে কবিতায়...উত্তর: গল্প থেকে কবিতায় অবতীর্ণ হওয়ার মধ্যে কোন দোষ নেই। আমি লেখালেখির সূচনা করি গল্প দিয়ে। নব্বইয়ের দশকে আমি গল্পকার হিসেবেই নিজের অবস্থান চিহ্নিত করি। ২০০২ সালে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ব্রুটাস পর্ব এবং কর্তার শারীরিক অবনতি‘। সেই সময় কবিতা রচনার চেস্টা যে করি নি তা নয়। কিন্তু সে সময়ে হয়ে ওঠেনি। ২০০৭ সালে লন্ডনে আসার পর গল্পের পাশাপাশি কবিতা রচনার চেষ্টা অব্যহত রাখি। ২০০৮ সালের দিকে খেয়াল করলাম কবিতা আমাকে গ্রহণ করতে শুরু করেছে। এতোদিন আমি যে প্রেম নিবেদন করে আসছিলাম তার উত্তর দিতে শুরু করেছে কবিতা। এই মুহুর্তটি আমার সাহিত্যজীবনের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ সময়। সে সময় কিছু কবিতা ব্লগে পোস্ট করি। দেখি পাঠকরা গ্রহণ করছে আমার কবিতা। এই পাঠকরাই আলোচনা-সমালোচনার মাধ্যমে আমার কবিতাকে বেঁচে থাকার প্রনোদনা যুগিয়েছে। এদিকে ২০১০ সালে এসে আগামী প্রকাশনী আমার কাব্যগ্রন্থ ‘চূর্ণকাল‘ প্রকাশে ইচ্ছে পোষণ করে এবং প্রকাশ করে। সেই সাথে আমার গল্প নির্মাণের কাজও একসাথে করেছি। তারই ফসল ২০১৫ সালে বিদ্যাপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ ‘নকশাপুরাণ‘। ওহে আপনি বলছিলেন দীর্ঘ বিরতির কথা-বিরতি কোথায়? আমিতো বিরাজমান ছিলাম আমার লেখালেখির ভেতর। বই প্রকাশিত না হলেইতো তাকে বিরতি বলা যাবে না। আর তাড়াহুড়ো করে বই প্রকাশতো একটি উন্মাদনা মাত্র। একটি গ্রন্থ কেবল প্রকাশ করলেইতো শেষ হয়ে যায় না। দেখতে হবে তার ভেতরে মশলা-পাতি কি রয়েছে। পাঠকের রুচিতে তা উপাদেয় হবে কিনা। এসব বিষয় লেখক হিসেবে ভাবতে হয়। গাদা গাদা বই প্রকাশ করার মধ্যে কোন মহত্ব নেই। প্রশ্ন: আপনারতো প্রবন্ধগ্রন্থও রয়েছে, সেগুলো সম্পর্কে বলুন?মিলটন রহমান: ঠিক বলেছেন, ‘কবি শহীদ কাদরী ও অন্যান্য প্রবন্ধ’ আমার প্রথম এবং একমাত্র প্রবন্ধগ্রন্থ। এটি ২০১৭ সালে প্রকাশ করেছে আগামী প্রকাশনী। ওই যে বলছিলাম, লেখালেখির শুরু থেকে আমার বসবাস গল্পের সাথে, সেই সাথে প্রবন্ধের সাথেও আমার বসবাস লেখালেখির সুচনা থেকে। মনে পড়ে নব্বইয়ের মাঝামাঝি সময়ে চট্টগ্রামের দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকায় আমার কয়েকটি প্রবন্ধ ছাপা হয়েছিলো। সে সময় সেখানে সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন শিশির দত্ত। তিনি আমাকে খুব উৎসাহ দিতেন। অবশ্য সে সময়ের কোন প্রবন্ধ আমার প্রকাশিত প্রবন্ধগ্রন্থে নেই। এখানে কিছু নির্বাচিত প্রবন্ধ রয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ, টেড হিউজ, সিলভিয়া প্লাথ, সাটালান আলেক্সিয়ভিস, আবুল হাসান, হুমায়ূন আজাদ সংক্রান্ত প্রবন্ধ রয়েছে এ গ্রন্থে। প্রশ্ন: বইমেলায় আপনার এবার কোন গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে?মিলটন রহমান: এবার আগামী প্রকাশনী এনেছে আমার কাব্যগ্রন্থ ‘স্নোড্রপ চুম্বনেরা’। এটি মূলত বিলেতে বসে রচিত কবিতাসম্ভার। তাই এর নামকরণেও ছাপ রয়েছে। আমি মনে করি এই কাব্যগ্রন্থটি বর্তমান সময়ের কাব্যধারায় ভিন্নচোখ তৈরী করবে। একাব্যের যে নিজস্ব একটি জগৎ রয়েছে কাব্যের যে ঝিমধরা ধ্যানি একটি মুহুর্ত রয়েছে, তার সাথে নতুন কাব্যভাষার উলম্ফনও রয়েছে এর মধ্যে। ফলে এ গ্রন্থটি বাংলা কাব্যসাহিত্যেও একটি অন্যতম সংযোজন বলে মনে করি। প্রশ্ন: একুশে বইমেলার আয়োজন পাঠক এবং লেখকদের চাহিদা পূরণ করতে পারছে বলে আপনি মনে করেন কি?মিলটন রহমান: দেখুন ‘চাহিদা’ শব্দটির বিভিন্ন ব্যাখ্যা হতে পারে। শিল্প-সাহিত্যে এটি যেভাবে ব্যবহৃত হয় তা কিন্তু বাজার অর্থনীতিতে ব্যবহৃত ‘চাহিদা’ থেকে ভিন্ন। ফলে সাহিত্যে একে ‘চাহিদা’ না বলে, বলা যেতে পারে ‘মেজাজ’। একটি উৎকৃষ্ট গ্রন্থ কিন্তু মানুষের মেজাজ তৈরী করে। আর মেজাজ তৈরী করতে পারা মানেই লেখকের চাহিদা পূরণ করা। বইমেলায় যে পরিমাণ গ্রন্থ প্রতি বছর প্রকাশিত হয়, তাতে তো পাঠকদের সেই মেজাজ তৈরী হবারই কথা এবং হচ্ছে বলে আমি মনে করি। আর মেলা আয়োজনের বিষয়ে যদি বলেন,প্রথমেই বলবো সন্তোষজনক আয়োজন। পুরো মেলাকে ঘিরে প্রকাশক-লেখক-পাঠকদের মধ্যে যে প্রাণসঞ্চার হয় তা অভূতপূর্ব বলেই আমি মনে করি। তবে একুশে বইমেলাকে একটি আন্তর্জাতিক চেহারা দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমি মনে করি। একে কেবল ঢাকা শহরে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এর ডাক পৌঁছোতে হবে বিশ্বব্যাপী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লেখক-প্রকাশকদের মেলায় অংশ গ্রহণের সুযোগ করে দিতে হবে। এতে করে বাংলাসাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থসমুহের বিশ্ববাজার তৈরী হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। একইসঙ্গে বাংলাদেশের অনুবাদসাহিত্যও এর মধ্য দিয়ে নতুন গতি পাবে। এমজে/

গালফ ফুড ফেয়ারে ষষ্ঠবারের মতো প্রাণ

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্যপণ্যের মেলা গালফ ফুড ফেয়ার শুরু হয়েছে। এই মেলায় ষষ্ঠবারের মতো অংশগ্রহন করছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ। ১৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া পাঁচদিন ব্যাপী এ মেলায় আটটি স্টলে তিন শতাধিক পণ্য প্রদর্শন করছে প্রতিষ্ঠানটি।  গালফ ফুড ফেয়ারে প্রাণ গ্রুপ স্টলগুলো সাজিয়েছে জুস এন্ড বেভারেজ, কনফেকশনারি, স্ন্যাকস, বিস্কুট এন্ড বেকারি, কুলিনারি, মসলা, ডেইরি ও ফ্রোজেন ক্যাটগরির পণ্য দিয়ে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে এ মেলায় বিশ্বের ১৮৫টি দেশের প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য প্রদর্শন করছে। প্রাণ এর বিপণন (রপ্তানি) বিভাগের প্রধান আরিফুর রহমান জানান, গালফ ফুড ফেয়ার বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমাদৃত। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা এ মেলায় অংশ নেয়। তিনি আরও বলেন, এ মেলায় জুস ও বেভারেজ পণ্যের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। পাশাপাশি ক্রেতাদের দৃষ্টি কনফেকশনারি পণ্যের দিকেও। বতর্মানে বিশ্বের ১৩৫টি দেশে প্রাণ এর পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। গত বছর গালফ ফুড ফেয়ারে পাঁচ মিলিয়ন ইউএস ডলার সমমূল্যের বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানি আদেশ পেয়েছিল প্রাণ গ্রুপ। এমএইচ/

মাত্রাতিরিক্ত চুল পড়লে যা করবেন

নানা কারণেই আপনার চুল পড়তে পারে। যেমন- পরিবেশ দূষণ, বয়স, স্ট্রেস, স্মোকিং, পুষ্টির অভাব, হরমোনাল ইমব্যালেন্স, জেনেটিক কারণ, স্কাল্প ইনফেকশন, হেয়ার প্রডাক্টের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার, বেশ কিছু ওষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে, থাইরয়েড, অটোইমিউন ডিজজ, পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রম, অ্যানিমিয়া প্রভৃতি। আমাদের মাথায় প্রায় এক লাখ চুল রয়েছে। যার মধ্যে প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ টা চুল পড়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু এর থেকে বেশি মাত্রায় চুল পড়তে শুরু করলেই সেটা চিন্তার বিষয়। এক্ষেত্রে যত শীঘ্রই সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে, না হলে মাথা ফাঁকা হয়ে যেতে সময় লাগবে না। জেনে নিন চুল পড়া কমানোর কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি-দইদুই চামচ দইয়ের সাথে এক চামচ মধু এবং এক চামচ লেবুর রস নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। যখন দেখবেন প্রতিটি উপাদান ঠিক মতো মিশে গেছে, তখন মিশ্রনটা ভাল করে চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এভাবে প্রতি সপ্তাহে একবার করলেই চুল পড়া বন্ধ হবে। নারকেল দুধএক কাপ নারকেল দুধ নিয়ে ধীরে ধীরে স্কাল্পে লাগান। তারপর একটা টাওয়াল দিয়ে ২০ মিনিট রেখে ভাল করে চুলটা ধুয়ে ফেলুন। এমনটা সপ্তাহে কয়েকবার করলেই চুল পড়া কমতে শুরু করবে। এর কারণ নারকেল দুধে উপস্থিত ভিটামিন ই, চুলের গভীরে ময়েসশ্চারাইজারের ঘাটতি দূর করে। এরফলে চুল পড়ার হার কমে যায়। পেঁয়াজে রস পেঁয়াজের রসে উপস্থিত সালফার হেয়ার ফলিকেলসে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দিয়ে নিমেষে চুল পড়া কমিয়ে দেয়। তাছাড়া পেঁয়াজের রসে রয়েছে বিপুল পরিমাণে অ্যান্টি-বায়োটেরিয়াল প্রপাটিজ, যা স্কাল্পে ঘর বেঁধে থাকা জীবাণুদের মেরে ফেলে। ফলে স্কাল্প ইনফেকশনের সাথে সাথে চুল পড়ার অশঙ্কাও হ্রাস পায়। যেভাবে চুলে লাগাবেন পেঁয়াজের রস: একটা পেঁয়াজ থেকে রস সংগ্রহ করে নিন। তারপর সেই রস সরাসরি মাথায় লাগিয়ে ম্যাসেজ করুন। ৩০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে দুই বা তিন বার এই পদ্ধতিতে চুলের পরিচর্যা করলে ভাল ফল পাওয়া যাবে। বিটরুটবিটরুটে রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন বি এবং সি যা চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো বিটরুট পাতা নিয়ে পানিতে সিদ্ধ করে নিতে হবে। তারপর পাতাগুলো গুঁড়ো করে নিয়ে মেথির সাথে মিশিয়ে স্কাল্পে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। সপ্তাহে তিনবার এমনভাবে চুলের পরিচর্যা করতে হবে। মেথিচুল পড়া বন্ধ করতে মেথি দারুন কাজে আসে। মেথিতে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান চুলের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যখনই দেখবেন চুল পড়ার হার খুব বেড়ে গেছে, তখনই অল্প করে মেথি বীজ নিয়ে এক গ্লাস পানিতে এক রাত ভিজিয়ে রাখবেন। পরদিন বীজগুলি বেটে নিয়ে একটা পেস্ট বানাবেন। সেই পেস্টটা ভাল করে মাথায় লাগিয়ে ৪০ মিনিট রেখে দিয়ে ধুয়ে নেবেন। টানা একমাস, প্রতিদিন এই মিশ্রনটি মাথায় লাগালে চুল পড়া কমার সাথে সাথে মাথা ভর্তি চুলের স্বপ্নও পূরণ হবে। নিম পাতাএই প্রকৃতিক উপাদনটিতে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিজ চুলের গোড়ায় কোনও ধরনের সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। এটা ব্যবহার করলে মাথার খুশকির প্রকোপও কমে। এমন ধরনের রোগের হাত থেকে যখন মুক্তি মেলে, তখন স্বাভাবিকভাবেই চুল পড়া কমে যায়। আর/এসি 

বাংলাদেশী ছাত্রের ঘরের মেঝে পরিষ্কারের যন্ত্র উদ্ভাবন

মেঝে পরিষ্কারের যন্ত্র আবিস্কার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছেলে নেয়ামুল হক। তার আবিস্কৃত যন্ত্রটি মেঝে পরিস্কারে এক যুগান্তরকারী ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। যন্ত্রটি দেখতে ছোট একটি গাড়ির মতো। এটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রথমে ঘরের সকল ময়লা পরিষ্কার করবে। তারপর এই যন্ত্রটি নিজেই ঘরের মেঝে ধুয়ে এবং ঘষে পরিষ্কার করে দেবে। একই সঙ্গে যন্ত্রটি বাতাস প্রয়োগ করে ঘরের মেঝে শুকিয়ে দেবে। নেয়ামুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র । এ যন্ত্র সম্পর্কে নেয়ামুল জানায়, আমাদের দেশের মহিলাদের ঘরের মেঝে পরিষ্কার করার কষ্ট সম্পূর্ণ দূর করে দেবে এই যন্ত্রটি। কারণ গৃহিনীরা সহজেই সুইচের মাধ্যমে যন্ত্রটিকে নিয়ন্ত্রণ করে ঘরের মেঝের সকল ময়লা পরিষ্কার করে ধুয়ে, মুছে এবং শুকিয়ে নিতে পারবেন। তাই এখন আর ঘরবাড়ি ধুয়া-মুছা এবং পরিষ্কার করার জন্য কাজের লোকের প্রয়োজন হবে না। ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলা প্রশাসন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়। এই প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলায় জেলা শহরসহ সদর উপজেলার প্রায় ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। নেয়ামুলের উদ্ভাবিত যন্ত্রটি তাদের মধ্যে ‘ক’ গ্রুপ হতে প্রথম স্থান অধিকার করে। তার সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতায় ছিল তার সহপাঠী আবু দারদা জারিফ এবং তাহমিদ এজাজ। এ যন্ত্র আবিস্কারে সার্বিক পরামর্শ দিয়েছেন অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের শিক্ষক চিন্ময় ভট্টাচার্য। এমএইচ/এসি   

আচরণে বুঝিয়ে দেবেন না আপনি দোষী, মোদীকে খোঁচা রাহুলের

মোদী সরকারের বিরুদ্ধে একটি দুর্নীতির অভিযোগ হাতে পেয়ে আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়েছে কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি করে আজও সরব হন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। টুইটে বলেন, ‘‘দোষীদের মতো আচরণ না করে বরং মুখ খুলুন!’’ মুখ খুলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর অভিযোগ, নোট বাতিলের সঙ্গে এই দুর্নীতি সরাসরি সম্পর্কিত। তাঁর মতে, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের কেলেঙ্কারি। অন্য ব্যাংকগুলিও জড়িত। সব তথ্য সামনে আসা উচিত। সোমবার দুটি অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে মোদীর কেলেঙ্কারি নিয়ে নীরবই রইলেন নরেন্দ্র মোদী। প্রথমে রাফাল হেলিকপ্টার, তারপরে এই ব্যাঙ্ক প্রতারণার ঘটনায় স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি যে ধাক্কা খেয়েছে, তা ঠিকই বুঝছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। মুশকিল আসান অরুণ জেটলি দেশের বাইরে। এই পরিস্থিতিতে আজ দিল্লিতে দলের সদর দফতর উদ্বোধন বা নবি মুম্বইয়ে অবস্থিত বিমানবন্দরের অনুষ্ঠানে নীরব প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মুখ খোলেন কি না, তা নিয়ে আগ্রহ ছিল যথেষ্ট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আজও নীরবই থাকলেন তিনি। তবে প্রতিদিনের মতো এ দিনও একগুচ্ছ টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী, বেশির ভাগই কৃত্রিম বোধশক্তির মতো গুরুগম্ভীর বিষয় নিয়ে। সেই সুযোগে আর এক দফা আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ‘‘পরীক্ষা পাশ করা নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের দুই ঘণ্টা বক্তৃতা শোনাতে পারেন। কিন্তু ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক দুর্নীতি নিয়ে দুই মিনিট কথা বলার সময় পান না মোদী! অরুণ জেটলিও গা-ঢাকা দিয়েছেন!’’ এই নিয়ে সরব তৃণমূলও। দলের অভিযোগ, নোট বাতিলের সময়ে একাধিক ব্যাংকের বেশ কিছু অফিসারকে বদলি করা হয়। কার নির্দেশে এই বদলি, সেটাও সামনে আসা প্রয়োজন। মমতার কথায়, ‘‘নোট বাতিলের সময়ে বড় অঙ্কের টাকা পাচার হয়েছে। অন্যান্য ব্যাংকগুলিও এর সঙ্গে জড়িত। প্রকৃত সত্য সামনে আসুক।’’ কংগ্রেস মুখপাত্র মণীশ তিওয়ারিও বলেন, ‘‘রিজার্ভ ব্যাংকের হিসেব বলছে বিভিন্ন ব্যাংক শোধ না-হওয়া ঋণের পরিমাণ ৬১,২৬০ কোটি টাকা। কারা কোন ব্যাঙ্ক থেকে এই ঋণ নিয়েছেন, তালিকা প্রকাশ করুক সরকার।’’ কংগ্রেস নিশ্চিত, তা হলে আরও কেলেঙ্কারি বেরোবে বিজেপির। বিজেপির হয়ে আজ মুখ খুলেছেন সঙ্ঘ-ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালী নেতা রাম মাধব। তাঁর হুমকি, ‘‘দু’-এক দিনের মধ্যে এমন একটি ভিডিও আসবে, কংগ্রেস পালানোর পথ পাবে না।’’ যা শুনে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কংগ্রেস মুখপাত্র মণীশ তিওয়ারি। নাগাল্যান্ডে এই বিজেপি নেতার সাম্প্রতিক একটি ভিডিও কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘‘ভিডিও ফুটেজ প্রসঙ্গে রাম মাধব যত কম বলেন, ততই ভাল!’’ (সূত্র-আনন্দবাজার)  কেআই/এসি 

ক্যাটরিনার আবেদনময়ী ছবি ভাইরাল!

নেট দুনিয়ায় ঘুরছে ক্যাটরিনা কাইফের আবদনময়ী ছবি। কয়দিন আগেই মুক্তি পেয়েছিল ক্যাটরিনা অভিনীত চলচ্চিত্র ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’। সিনেমাটি বেশ ব্যবসা সফল হয়েছে। এবার মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার বছরের আলোচিত সিনেমা ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’।   দিওয়ালির সময় মুক্তি পাওয়ার কথা সিনেমাটির। ছবিটিতে রয়েছেন আমির খান, ফাতিমা সানা শেখ, ক্যাটরিনা ছাড়াও এই ফিল্মে দেখা যাবে বিগ-বি অমিতাভকে। এই সিনেমা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহের সীমা নেই।  সম্প্রতি ‘থাগস অফ হিন্দুস্থান’-এর ক্যাটরিনার ডান্স প্র্যকটিসের ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে ক্যাটরিনাকে ডান্স প্র্যাকটিস করতে দেখা গিয়েছে। ক্যাটরিনার এই রুপ দেখে রীতিমত উচ্ছসিত তাঁর অনুগামীরা। তবে এখানেই শেষ নয়, সম্প্রতি নিজের একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছেন ক্যাটরিনা। যেখানে লাল-স্প্যাগেডি পরে সূর্যের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে ক্যাটরিনাকে। পুরো ছবিতে রীতিমত আবেদময়ী রূপে ধরা দিয়েছেন ক্যাটরিনা। শুধু তাই নয়, ক্যাটরিনার এই ছবি রীতিমত ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।      এসি/

কমছে লালবাগ কেল্লার দর্শণার্থীর সংখ্যা

ইট-পাথরের কর্মব্যস্ত নগরীর মানুষগুলো ছুটির দিনে প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শণ করে। সময়ের সল্পতায় অনেকেই আবার রাজধানীর মধ্যে অবস্থিত বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানগুলোই পরিদর্শণ করে। রাজধানীর দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে রয়েছে পুরানো ঢাকায় অবস্থিত লালবাগ কেল্লা। ১৬৭৮ সালে নির্মিত বিশাল জায়গা জুড়ে কয়েকটি স্থাপনা রয়েছে এর ভেতরে। প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকে সামনের জায়গা জুড়ে কয়েকটি স্থাপনাই রয়েছে এর ভেতরে। প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকে একটু সামনে গেলেই চোখে পড়ে একটি সমাধি। সমাধিটি পরী বিবির। বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খাঁ’র আদরের কণ্যা। রহমান বানু নামে পরী বিবির অপর নাম থাকলেও অনেকেই সেটা জানতো না। দেখতে পরীর মত সুন্দরী হওয়ায় নাম রাখা হয়েছিল পরী বিবি। পরী বিবির অকাল মৃত্যু হলে সুবেদার শায়েস্তা খাঁ দু:খে ‘অপয়া’ ভেবে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় লালবাগ কেল্লার। কেল্লার ভেতরে সমাধি করার পর পরী বিবির অন্তিম শয্যার ওপর যে সৌধ নির্মাণ করা হয় সেটা সৌন্দর্যময় একটি মুঘল স্থাপত্যের নিদর্শণ। শায়েস্তা খাঁ সমাধি নির্মাণের জন্য সুদূর রাজমহল থেকে কালো ব্যাসল্ট পাথর ও জয়পুর থেকে এনেছিলেন সাদা মার্বেল পাথরের বড় বড় ফলক। এছাড়াও শ্বেত চন্দন কাঠ এনেছিলেন দরজা ও খিলান নির্মাণের জন্য। সমাধি ফলকগুলো রাখা হয় আস্ত। তার ওপর কাটা হয় নকশা। সমাধি সৌধের বিভিন্ন অংশ নির্মাণ করা হয় ফুলের নকশা খচিত জালি ও ফলক দিয়ে। গত শতকের আশির দশকে কেল্লাটি যথা সম্ভব সংস্কার করে এর আগের রুপ ফিরিয়ে এনে শনিবার ছাড়া সপ্তাহের ছয় দিন দেশী দর্শনার্থীদের জন্য ১০ টাকা ও বিদেশী দর্শনার্থীদের জন্য ১০০ টাকা প্রবেশ মূল্য নির্ধারণ করে টিকিটের ব্যাবস্থা করে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। কেল্লাটি ১৯১০ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে প্রাচীণ সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে নেওয়া হয়। রাজধানীর মিরপুর থেকে স্বপরিবারে ঘুরতে আসা ফায়সাল আহমেদ বলেন, শহরের ইট-পাথরের মধ্যে থাকতে থাকতে দম বন্ধ হয়ে আসে। তাই ছুটির দিনে এখানে ঘুরতে আসি। স্থানটি দেখতে অনেক সুন্দর হলেও এখানে স্থানীয় কিছু ছেলে আছে যারা খুবই বিরক্ত করে। অনেক সময় মোবাইল ও মানিব্যাগ ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এখানে এসে অনেককে অপদস্ত হতে হয়। কখনো কখনো মেয়েদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করা হয়। কিছু বলতে গেলে উল্টা মারতে আসে। প্রশাসনের লোকদের চোখ ফাকি দিয়েই এরা এ সব কাজ করে বেড়ায়। এদের জন্য দিন দিন দর্শনার্থীর সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। কেল্লার পাশের এলাকার লোকমান নামে এক প্রবীণ ব্যক্তির সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, আগে এখানে অনেক দর্শনার্থী আসতো কিন্তু এখন তাদের সংখ্যা অনেক কম।  আরএ/এসি   

মেয়ের চিকিৎসায় দিনমজুর বাবার আকুতি

দুরারোগ্য লিভার ইনফেকশনে আক্রান্ত মেয়ে মেধাবী ছাত্রী মিমের জীবন বাঁচাতে আর্থিক সহযোগিতার আকুল আবেদন জানিয়েছেন দিন মজুর পিতা খলিলুর রহমান প্যাদা। মিম (১০) পঞ্চম শ্রণীর ছাত্রী। সে ইট বারিয়া কদমতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্রী। গত চার মাস থেকে অনেক অসুস্থ সে। অসুস্থতার কারণে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে হেমাটোলজি বিভাগে ডি ব্লকের ৫ম তলায় ৫১৪ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। অধ্যাপক ডা. এ এস এম বজলুল করিম তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। ডাক্তার জানিয়েছে মিমের লিভারের ইনফেকশন হয়েছে। মিমের বাবা খলিলুর রহমান প্যাদা বলেন, আমার মেয়ের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্য দিতে আপনাদের নিকট শরনাপন্ন হলাম। আমার দরিদ্র পরিবারের কথা চিন্তা করে আমার মেয়ের সুচিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা করে পিতা হিসেবে আমার মেয়েকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টায় সহযোগিতা করেন। খলিলুর জানান, তার বাড়ী বরগুনা সদর থানার পাতাকাটা ইউনিয়নের জাংগালিয়া গ্রামে। তিনি একজন সামান্য দিন মজুর। তাকে পরিবারের ৬ সদস্যের ভরণ-পোষন চালাতে হয়। যা তার একার পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছে। পরিবারের এ টানাটানির মধ্যে মেয়ের চিকিৎসা খরচ মেটানো তার পক্ষে একেবারেই অসম্ভব। তাই তিনি মেয়ের জীবন বাঁচাতে সবার প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়াতে আকুল আবেদন জানিয়েছেন।  আরকে//এসি 

নেত্রী ছাড়া নির্বাচনে যাবে না বিএনপি: মোশাররফ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচনে যাবে না বিএনপি।শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁকে মুক্ত করেই আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি। আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের হলরুমে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে এসব কথা বলেন মোশাররফ হোসেন। খন্দকার মোশাররফ বলেন, বিএনপি নির্বাচনমুখী দল। দেশের মানুষ বারবার ভোট দিয়ে খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে। আগামী নির্বাচনেও আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় করে ভোটে অংশ নেব। জেল কোড ভঙ্গ করে খালেদা জিয়াকে তিন দিন ডিভিশন ছাড়া রাখার জন্য বর্তমান সরকার ও জেল কর্তৃপক্ষকে একদিন বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলেও মন্তব্য করেন খন্দকার মোশাররফ। প্রধানমন্ত্রী ও সরকারি দলের নেতাদের সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, সরকারি দলের নেতা ও মন্ত্রীরা আগে থেকেই বলে বেড়াচ্ছিলেন, খালেদা জিয়ার জেল হবে। তাহলে সহজেই বোঝা যায়, সরকারের ইচ্ছাতেই তাঁকে সাজা দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি কী কর্মসূচি দেবে, সেটি ঠিক করবে বিএনপি; ওবায়দুল কাদের নয়। আমরা কী করব, সেটা আমাদের দল সিদ্ধান্ত নেবে কারো পরামর্শের দরকার নেই। স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহর সভাপতিত্বে নাগরিক সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ। আরকে//এসি 

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি